• ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ২৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trum

বিদেশ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর তুমুল ঝামেলা! ফোনালাপেই চড়ল উত্তেজনা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এবার প্রকাশ্যে আসছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের মধ্যে বড় মতবিরোধের ইঙ্গিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এই ইস্যুতে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে। এমনকি সম্প্রতি দুই রাষ্ট্রনেতার দীর্ঘ ফোনালাপের সময় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও হয়েছে বলে খবর।যদিও এই ফোনালাপ নিয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকা বা ইজরায়েলের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর অবস্থান একেবারেই আলাদা।সূত্রের খবর, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এখনও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চান। তাঁর মতে, তেহরানের সামরিক শক্তি ও পরিকাঠামো আরও দুর্বল না করা পর্যন্ত অভিযান থামানো উচিত নয়। ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকেও চাপে ফেলতে চাইছে তেল আভিভ।অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি এই মুহূর্তে নতুন করে যুদ্ধ বাড়ানোর পক্ষপাতী নন। তিনি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছেন। যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনায় সমাধান না এলে আমেরিকা আরও বড় হামলা চালাতে পিছপা হবে না।রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে জানিয়েছেন যে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি বিশেষ চুক্তিপত্র তৈরির চেষ্টা চলছে। সেখানে আমেরিকা ও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারে। এরপর শুরু হতে পারে ৩০ দিনের আলোচনা পর্ব।সেই আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ইজরায়েল সরকারের একাধিক সূত্রের দাবি, ট্রাম্পের এই কৌশলে একেবারেই সন্তুষ্ট নয় তেল আভিভ। বরং এই পরিকল্পনায় হতাশ নেতানিয়াহু। তিনি আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই রয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মতবিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

মে ২১, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ় খুলতে ইরানের শর্ত! ট্রাম্পের অস্বস্তি বাড়িয়ে নতুন সঙ্কট

শুরু হলে তার শেষও হয়, কিন্তু ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলতে থাকা এই সংঘাতের শেষ কোথায়, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আদৌ এই যুদ্ধ থামবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। হরমুজ় প্রণালী ঘিরে জটিলতা এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে (Strait of Hormuz)।এই পরিস্থিতিতে ইরান জানিয়েছে, তারা হরমুজ় প্রণালী (Strait of Hormuz) খুলতে প্রস্তুত। তবে তার জন্য আমেরিকাকে তিনটি শর্ত মানতে হবে। জানা গিয়েছে, ইরান চাইছে তাদের বন্দরগুলির উপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে। পাশাপাশি পারমাণবিক আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার কথাও বলা হয়েছে। এছাড়া ইরান ও লেবাননের উপর হামলা বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।খবর অনুযায়ী, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওমান (Strait of Hormuz) ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকের সময় এই তিন দফা প্রস্তাব দেন এবং আলোচনা আবার শুরু করার উদ্যোগ নেন।অন্যদিকে, আমেরিকার পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। ট্রাম্প এবং তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দল এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নন বলেই জানা গিয়েছে। যদিও ঠিক কোন কারণে আপত্তি, তা স্পষ্ট নয়। তবে ট্রাম্প বারবার জানিয়েছেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দেওয়া হবে না।মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পারমাণবিক ইস্যু বাদ দিয়ে কোনও চুক্তি সম্ভব নয়। যদিও এই বিষয়ে হোয়াইট হাউস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে সূত্রের খবর, ইরানের দেওয়া তিনটি শর্তই মানতে রাজি নন ট্রাম্প। ফলে এই পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
দেশ

ট্রাম্পের উপর হামলায় কড়া প্রতিক্রিয়া মোদির! কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

ওয়াশিংটনের নৈশভোজে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, গণতন্ত্রে হিংসার কোনও জায়গা নেই।শনিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে নৈশভোজ চলাকালীন আচমকা গুলি চালায় এক বন্দুকবাজ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে এক যুবক পরপর গুলি চালায় বলে জানা গিয়েছে। যদিও এই ঘটনায় ট্রাম্প অক্ষত রয়েছেন। দ্রুত তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-সহ অন্যান্যরা। ওই অনুষ্ঠানে প্রায় দুই হাজার ছয়শো অতিথি উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক, অভিনেতা-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন। নৈশভোজের পর ট্রাম্পের ভাষণ দেওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই এই ঘটনায় হুলুস্থুল পড়ে যায়।ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ওয়াশিংটনের হোটেলে হামলার ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট সকলেই সুস্থ রয়েছেন জেনে তিনি আশ্বস্ত। তাঁদের সুস্থতা ও দীর্ঘ জীবন কামনাও করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে জানান, গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই এবং এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা হওয়া উচিত।এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। হামলাকারী কে, কীভাবে তিনি কড়া নিরাপত্তা ভেঙে ভিতরে ঢুকলেন, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এই হামলার পিছনে কোনও বড় যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে ইরানের কোনও যোগ নেই এবং এটি একক হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
বিদেশ

নৈশভোজের মাঝেই গুলি! ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে হামলা, চাঞ্চল্য বিশ্বজুড়ে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর উপস্থিতিতে নৈশভোজ চলাকালীন আচমকাই গুলির শব্দে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। ওয়াশিংটনের একটি হিলটন হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে চলছিল হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সেই সময় হঠাৎ পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চলার খবর পাওয়া যায় ।ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। শনিবার রাতের এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক মার্কিন আধিকারিক। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীর বয়স আনুমানিক একত্রিশ বছর এবং তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তাঁর মূল লক্ষ্য প্রেসিডেন্ট ছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই ঘটনার পেছনে কোনও বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা এবং নিরাপত্তা বাহিনী ।ঘটনার কিছুক্ষণ পর নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসাও করেন তিনি।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই একই হোটেলে প্রায় চল্লিশ বছর আগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান-এর উপর প্রাণঘাতী হামলা হয়েছিল। সেই স্মৃতি ফের সামনে আসতেই নতুন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও বন্দুকবাজ ভিতরে ঢুকল, তা নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে! একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার গভীর রাতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আগের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে এই ঘোষণা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান। একই সঙ্গে ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন সেনার অবরোধ ও নজরদারি আগের মতোই চালু থাকবে।ট্রাম্প বলেন, ইরান সরকারের মধ্যে বিভাজন রয়েছে এবং সেই পরিস্থিতিতে তারা এখনও কোনও ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব দিতে পারেনি। তাই আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ স্থগিত রাখা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের ভূমিকাকেও তিনি প্রশংসা করেন। তবে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী ও ইরানের উপকূলে মার্কিন সেনা মোতায়েন ও অবরোধ বজায় থাকবে এবং সেনাবাহিনী সব দিক থেকে প্রস্তুত থাকবে।এই অবস্থায় হরমুজে আমেরিকার অবস্থান নিয়েই আপত্তি তুলেছে ইরান। তারা জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকার শর্তে কোনও যুদ্ধবিরতিতে তারা রাজি নয়। ইরানের সরকারি সূত্রে দাবি, এই পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা অর্থহীন হয়ে উঠছে।এর মধ্যেই দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ইসলামাবাদে সেই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও, ইরান এখনও সেখানে অংশ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে ইরানের দুটি জাহাজ বাজেয়াপ্ত করেছে আমেরিকা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। তাদের অভিযোগ, আমেরিকার এই পদক্ষেপ যুদ্ধোন্মুখ আচরণ এবং জলদস্যুতার সমান। পাশাপাশি আমেরিকার শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণের সদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ইরান।অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, ইরান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং ইরান আলোচনায় অংশ নেবে কি না, তা জানার জন্য অপেক্ষা করছে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি জারি থাকলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

মিত্র দেশকেই আক্রমণ! মেলোনিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইজরায়েল এবং আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি ইউরোপের একাধিক দেশ। সেই তালিকায় রয়েছে ইতালিও। আর এই বিষয়েই ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি মেলোনিকে নিয়ে যা ভেবেছিলেন, বাস্তবে তিনি তেমন নন। তাঁর কথায়, মেলোনির সাহস রয়েছে বলে মনে করতেন, কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, অনেকদিন ধরে মেলোনির সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি।হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইতালির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, শক্তি খাতে ইতালির খরচ অনেক বেশি হলেও তারা এই ইস্যুতে সক্রিয় হতে চাইছে না। ট্রাম্পের অভিযোগ, ইতালি চায় আমেরিকা একাই পরিস্থিতি সামলাক, কিন্তু তারা নিজেরা কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এমনকি যুদ্ধের সময় ইতালির তরফে কোনও সাহায্য পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অবস্থান ইতালির সাধারণ মানুষ মেনে নেবে কি না, সেটাও প্রশ্ন। ইরানের হুমকির প্রসঙ্গ তুলে ট্রাম্প বলেন, বিপদের সময়েও মেলোনির অবস্থান ঠিক নয়।প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। তেহরান-সহ একাধিক জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ইরান পাল্টা হামলা চালাতে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকার বিভিন্ন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর। একাধিক দেশে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার খবর সামনে আসে।এখনও পুরোপুরি যুদ্ধ থামেনি। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যুদ্ধে ধীরে ধীরে একঘরে হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প। আর সেই কারণেই মিত্র দেশগুলির বিরুদ্ধেও তিনি প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
দেশ

শত্রু দেশের ভিতরে ঢুকে রুদ্ধশ্বাস অভিযান, নিখোঁজ পাইলটকে ফিরিয়ে আনল আমেরিকা

ইরানে ভেঙে পড়া একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে নিয়ে টানটান উত্তেজনার অবসান হল। প্রায় ২৪ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি অভিযানের মাধ্যমে ইরানের ভিতরে ঢুকে ওই পাইলটকে উদ্ধার করেছে মার্কিন বাহিনী।রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, গত কয়েক ঘণ্টায় আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, নিখোঁজ ওই অফিসার একজন কর্নেল পদমর্যাদার আধিকারিক এবং বর্তমানে তিনি নিরাপদে আছেন, যদিও সামান্য আহত হয়েছেন।ট্রাম্প আরও জানান, পাইলটকে উদ্ধারের জন্য পেন্টাগন সারাক্ষণ নজর রাখছিল এবং পরিকল্পনা করছিল। শেষ পর্যন্ত ইরানের আকাশে একাধিক যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে এই অভিযান সফল করা হয়। তাঁর দাবি, এই পুরো অভিযান অত্যন্ত কঠিন ছিল এবং প্রতিটি পদে ঝুঁকি ছিল। তবুও কোনও ক্ষতি ছাড়াই তারা এই কাজ সম্পন্ন করেছে এবং ইরানের আকাশে নিজেদের ক্ষমতা দেখিয়েছে।অন্যদিকে, একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক মার্কিন কর্তা বলেন, নিখোঁজ ওই পাইলট প্রায় দুদিন ধরে ইরানের নজর এড়িয়ে নিজের প্রাণ বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। পরে তাঁকে খুঁজে পেয়ে উদ্ধার করা হয়। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ইরানের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।উল্লেখ্য, শুক্রবার ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভেঙে দেয়। সেই ঘটনায় এই পাইলট নিখোঁজ হন। তাঁকে খুঁজতে গিয়ে দুটি হেলিকপ্টারও হামলার মুখে পড়ে, যদিও সেগুলি কোনওমতে ফিরে আসে। এরপর বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ওই পাইলট ইরানের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন। তাঁকে খুঁজতে তল্লাশি চালায় ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীও। শেষ পর্যন্ত সেই পাইলটকে উদ্ধার করার দাবি করল আমেরিকা।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্প বললেন আলোচনা চলছে, ইরানের জবাব— ‘সব মিথ্যা!’ যুদ্ধবিরতি ঘিরে বড় বিস্ফোরণ

যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছে ইরান।ইরানের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা হয়নি। তাদের বক্তব্য, কেবলমাত্র বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, টানা একত্রিশ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের মধ্যে তারা আত্মরক্ষাতেই মন দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে আমেরিকার দেওয়া পনেরো দফা শর্তের বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে ইরান। তিনি জানান, আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদী তিনি। তাঁর কথায়, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।কিন্তু ইরানের তরফে এই সমস্ত দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তেহরানের এই অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে যুদ্ধবিরতি আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
বিদেশ

‘আমরা রাজা চাই না’—ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাস্তায় লাখো মানুষ, আমেরিকাজুড়ে বিস্ফোরক বিক্ষোভ

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আবারও রাস্তায় নামলেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন শহরে একসঙ্গে উঠল নো কিংস স্লোগান। অর্থাৎ, কেউ রাজা নয়এই বার্তাই তুলে ধরলেন বিক্ষোভকারীরা। ট্রাম্পের একাধিক নীতির বিরোধিতা করে এই আন্দোলনে অংশ নিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।শনিবার আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়। জানা গিয়েছে, দেশের পঞ্চাশটি প্রদেশে তিন হাজারেরও বেশি কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছিল। সবচেয়ে বড় জমায়েত দেখা যায় মিনেসোটায়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে মিছিল করেন। গান, স্লোগান এবং প্ল্যাকার্ডে মুখর হয়ে ওঠে রাস্তা।এই বিক্ষোভ শুধু বড় শহরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগোর মতো বড় শহরের পাশাপাশি ছোট শহরেও ছড়িয়ে পড়ে এই আন্দোলন। সর্বত্রই মানুষের ঢল নামে রাস্তায়।বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল নো কিংস লেখা প্ল্যাকার্ড। অনেকেই উল্টো করে আমেরিকার পতাকা ধরেছিলেন, যা বিপদের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। কেউ কেউ ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে নানা ধরনের পোস্টারও তুলে ধরেন। কোথাও কেউ নিজেকে ব্যাঙের রাজা সাজিয়ে প্রতিবাদ করেছেন, আবার কেউ ট্রাম্পকে শিশুর মতো রূপ দিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন।এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল গত বছরের জুন মাসে। ট্রাম্পের একাধিক নীতিকে স্বৈরাচারী বলে অভিযোগ করেন নাগরিকরা। বিশেষ করে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেন এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হল, তার ব্যাখ্যা দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা।এর আগে জুন এবং অক্টোবর মাসে দুদফা বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই সময়েও বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। প্রথম দফায় প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ এবং দ্বিতীয় দফায় প্রায় সত্তর লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন। এবার সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেছে। জানা গিয়েছে, এই দফায় প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি মানুষ এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।পুরো পরিস্থিতি এখন আমেরিকার রাজনৈতিক পরিবেশকে নতুন করে নাড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ আগামী দিনে কী প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পকে সরাসরি না ইরানের! যুদ্ধবিরতি জল্পনায় বড় ধাক্কা

আমেরিকা এবং ইজরায়েলের চাপের সামনে মাথা নত করতে নারাজ ইরান। যুদ্ধবিরতির জল্পনার মধ্যেই তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনও নির্দেশ মানবে না। শুধু তাই নয়, আমেরিকার সঙ্গে কোনওরকম আলোচনায় বসার কথাও তারা একেবারে নাকচ করে দিয়েছে।ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, আমেরিকার দেওয়া প্রস্তাব তারা খতিয়ে দেখেছে, কিন্তু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হবে না। তিনি বলেন, বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আমেরিকা বার্তা পাঠালেও তা আলোচনার সমতুল্য নয়।আরাঘচির কথায়, ইরান কখনও চাপের কাছে মাথা নত করবে না। আমেরিকার লক্ষ্য ছিল ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এবং যুদ্ধে জয়লাভ, কিন্তু সেই উদ্দেশ্য তারা পূরণ করতে পারেনি বলেই দাবি করেন তিনি। তিনি আরও জানান, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য তাদের শর্ত মানতেই হবে, না হলে সংঘাত চলতেই থাকবে।অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং ইরানের সরকার যুদ্ধ থামাতে চাইলেও দেশের মানুষের প্রতিক্রিয়ার ভয়ে তারা পিছিয়ে রয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ট্রাম্প একাধিক শর্ত দিয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ। এর পালটা জবাবে ইরানও নিজেদের শর্ত জানিয়েছে। তাদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সমস্ত সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য আমেরিকাকে অর্থ দিতে হবে।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
দেশ

ট্রাম্পের ঘোষণায় চাঙ্গা বাজার! কিন্তু ঘণ্টা খানেকেই ধাক্কা, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই হঠাৎ করেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ও নিফটি দুটিই দ্রুত উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। একই সঙ্গে টাকার দামও কিছুটা শক্তিশালী হয় এবং সোনা ও রুপোর দাম কমে যায়। তবে এই উত্থান কতক্ষণ স্থায়ী হবে, তা নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় তৈরি হয়।এই উত্থানের পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় কোনও হামলা করা হবে না। এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামার আশা তৈরি হয় এবং তার প্রভাব পড়ে ভারতীয় বাজারেও।বাজার খুলতেই সেনসেক্স এক লাফে হাজার পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যায়। নিফটিতেও দেখা যায় উন্নতি। একই সময়ে টাকার দামও ডলারের তুলনায় প্রায় চৌত্রিশ পয়সা বেড়ে যায়। তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।কিন্তু এই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বাজার খোলার অল্প সময়ের মধ্যেই সেনসেক্স প্রায় পাঁচশো পয়েন্ট পড়ে যায়। সূচক ঘোরাফেরা করতে থাকে তিয়াত্তর হাজার তিনশোর আশপাশে। এই ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইতিমধ্যেই ইরান ভুয়ো বলে দাবি করেছে। সেই কারণেই বাজারে আবার অনিশ্চয়তা ফিরে এসেছে। যুদ্ধ যদি সত্যিই না থামে, তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাত কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বাজারে অস্থিরতা থাকলে লাভের আশা করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সাময়িক উত্থান হলেও বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
বিদেশ

৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম! প্রণালী না খুললেই ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ল। হরমুজ প্রণালী ঘিরে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রণালী সম্পূর্ণভাবে না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে বড় ধরনের হামলা চালানো হবে।শনিবার সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রণালী খুলে না দিলে একে একে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে ধ্বংস করা হবে এবং এই অভিযান শুরু হবে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র দিয়ে। এই হুমকির পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখে তারা বিশ্বজুড়ে চাপ তৈরি করবে। এর ফলে তেল এবং গ্যাসের সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গিয়েছে।এই দীর্ঘ সংঘর্ষে দুই পক্ষই ক্ষতির মুখে পড়েছে। একাধিক সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। তেল শোধনাগার এবং জ্বালানির ভাণ্ডারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এই অবস্থায় প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা। সেই প্রেক্ষিতেই এই কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, এখন সেটাই দেখার।

মার্চ ২২, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ, তবুও নরম নন ট্রাম্প! কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ইরানকে ঘিরে চলা সংঘাত নিয়ে কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি চান না তিনি। তাঁর দাবি, এই সংঘাতে ইরান দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তাই এখন যুদ্ধ থামানোর প্রশ্নই ওঠে না।শুক্রবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা হতে পারে, কিন্তু তিনি যুদ্ধবিরতি চান না। তাঁর কথায়, যখন প্রতিপক্ষকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তখন যুদ্ধ থামানো ঠিক নয়।ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের উপর হামলা এবং যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, ইজরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক খুব ভালো এবং দুই দেশই একই লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তাঁর মতে, তারা জয় চায় এবং সেই দিকেই এগোচ্ছে।হরমুজ প্রণালী নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ সুরক্ষিত রাখতে আরও সাহায্যের প্রয়োজন। বিশেষ করে চিন ও জাপানের মতো দেশ এগিয়ে এলে পরিস্থিতি সামলানো সহজ হবে। ইরানের কারণে এই পথ আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তা পুনরায় চালু করতে জাহাজের প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকার কাছে হরমুজ প্রণালী ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলির মতো তারা এই পথের উপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়।উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় কুড়ি শতাংশ এই হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়। বর্তমান সংঘাতের জেরে ইরান এই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বহু দেশে তেলের সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
বিদেশ

বন্ধু দেশ পাশে নেই, ক্ষোভে বিস্ফোরণ ট্রাম্পের, বললেন আমাদের কাউকে দরকার নেই

বিপদের সময়ে কে সত্যিই পাশে থাকে, সেই প্রশ্নই যেন সামনে এনে দিল হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি। এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু সেই ডাকে সাড়া দেয়নি কোনও দেশই। এরপরেই সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ এবং তাদের কাউকে প্রয়োজন নেই।ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের উপর হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। পালটা পদক্ষেপ হিসেবে হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ইরান। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করেছে। আমেরিকাতেও তার প্রভাব পড়ছে এবং জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে।এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে হরমুজে রণতরী পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি ন্যাটোর সদস্য দেশগুলির পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কোনও দেশই তার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি।এরপরেই ট্রাম্প বলেন, আমেরিকার শক্তিশালী সেনাবাহিনী রয়েছে এবং তারা নিজেরাই পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম। তিনি আরও জানান, তিনি আসলে দেখতে চেয়েছিলেন, তার ডাকে অন্য দেশগুলি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। তার দাবি, অনেক সময় প্রয়োজনের মুহূর্তে এই দেশগুলি পাশে থাকে না।তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা বিভিন্ন দেশকে আর্থিক সাহায্য দিয়ে এসেছে। তবুও এই পরিস্থিতিতে তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রিটেনের মতো দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কেউই এগিয়ে আসেনি। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে ইরানের সঙ্গে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নিজেদের জ্বালানিবাহী জাহাজ নিরাপদে পার করার চেষ্টা চালাচ্ছে।সব মিলিয়ে এই পরিস্থিতিতে বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকা কিছুটা একা হয়ে পড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। হরমুজ প্রণালী নিয়ে উত্তেজনা এখনও বজায় রয়েছে এবং পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের বড় ডাক, ভারত কি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে? স্পষ্ট জানাল দিল্লি

ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলিকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের এখনও কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। কিন্তু এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক কোনও আলোচনা এখনও হয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতি নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা করছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।এর আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে থাকলে বহু দেশ তার প্রভাবের মুখে পড়বে। তাই চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেনসহ একাধিক দেশকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিরাপদ ও খোলা রাখার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক ক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল করা হয়েছে। তবুও ওই অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মাইন হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই আশঙ্কা থেকেই মিত্র দেশগুলিকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।নিজের বার্তায় ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বহু দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আন্তর্জাতিক শক্তিগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে ওই জলপথকে নিরাপদ রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে আমেরিকা সমুদ্রপথে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং যে কোনও উপায়ে হরমুজ প্রণালীকে মুক্ত ও নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই সংবেদনশীল বিষয়ে ভারত কী অবস্থান নেয়, তা আন্তর্জাতিক মহলেও নজরে রাখা হচ্ছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকায় পঞ্চাশ বছরে প্রথম তেল শোধনাগার, গড়ছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা

আমেরিকায় নতুন একটি তেল শোধনাগার তৈরি হতে চলেছে এবং সেই প্রকল্পে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স। এমনই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, টেক্সাসের ব্রাউনসভিল এলাকায় এই নতুন শোধনাগার তৈরি হবে। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে এটিই হবে আমেরিকার প্রথম নতুন তেল শোধনাগার।ট্রাম্প বলেন, এই প্রকল্প আমেরিকার জ্বালানি শক্তিকে আরও মজবুত করবে। তাঁর কথায়, আমেরিকা আবার শক্তির আধিপত্যের পথে ফিরছে এবং দেশের স্বার্থই সবার আগে থাকবে। তিনি এই প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য ভারতের অংশীদার এবং দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা রিলায়েন্সকে ধন্যবাদ জানান।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই শোধনাগারটি বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন তেল শোধনাগার হবে। এর ফলে আমেরিকার বিপুল আর্থিক লাভ হবে বলেও তিনি জানান। তবে এই প্রকল্প ভারতের সঙ্গে কোনও বড় চুক্তির অংশ কি না, তা তাঁর ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়নি।জানা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মুকেশ আম্বানির মধ্যে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। গত বছর কাতারে একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছিলেন রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। এছাড়া ভেনেজুয়েলার তেল কেনার বিষয়েও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রিলায়েন্স। এবার আমেরিকার মাটিতে তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা সেই সম্পর্ককেই আরও স্পষ্ট করে তুলল।উল্লেখ্য, ইরানকে ঘিরে ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাতের আবহে এই ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এই সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ হয়। সেই পথ এখন বড়সড় চাপের মুখে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেক তেলের ট্যাঙ্কার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলাচল করতে পারছে না বলে জানা যাচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এই জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই পড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আমেরিকায় নতুন তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের নতুন নেতাকে নিয়ে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি! “শান্তিতে বাঁচতে পারবেন না”

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। সংঘাত থামার কোনও লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যেই ইরানকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, তাঁর মনে হয় না নতুন নেতা শান্তিতে থাকতে পারবেন। তবে উত্তেজনা বাড়লেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোলা রয়েছে বলেই দাবি করেছে ওয়াশিংটন।আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেইকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তে তিনি মোটেও খুশি নন। এরপরই কড়া সুরে মন্তব্য করেন যে নতুন নেতা শান্তিতে থাকতে পারবেন বলে তাঁর মনে হয় না।এর আগেই তেহরানকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা। তাঁর কথায়, ইরানের ভেতরে আরও বড় আঘাত হানার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এবার আরও বেশি যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমান ব্যবহার করা হবে। গোয়েন্দা তথ্যও আগের চেয়ে আরও নির্ভুল হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, গত চব্বিশ ঘণ্টায় ইরান খুব কম সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা আমেরিকার পদক্ষেপের ফল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে কয়েক দিন আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান যুদ্ধ কার্যত শেষ হয়ে গেছে এবং আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে বড় সাফল্য মিলেছে। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই আরেক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুদ্ধ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। এই মন্তব্য ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখনও থামেনি। বরং নতুন করে বড় হামলার সতর্কবার্তা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতে প্রথম দিকে ইরান মূলত ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হয়েছে। তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ বাড়িয়েছে। একই সময়ে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল ও আমেরিকাও। ইজরায়েলের হামলায় ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত দপ্তর ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে।এই যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ইরানে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যুদ্ধের এই পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, তার প্রভাব পড়ছে গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে এবং তেলের বাজারেও। যুদ্ধ আর কত দিন চলবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

“ট্রাম্পকে ছাড়ব না” হুমকিতে কাঁপছে বিশ্ব, প্রতিশোধের বার্তা ইরানের নিরাপত্তা প্রধানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাঁকে এর মূল্য চোকাতে হবে। এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি। সরাসরি ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে তিনি এই বার্তা দিয়েছেন।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সেই ঘটনার পর থেকেই ইরানের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিশোধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি। দিন যত যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতিও ততই জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে লারিজানি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, তাঁদের নেতা খামেনেই এবং দেশের মানুষের রক্তের বদলা নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, ট্রাম্পকে এর মূল্য দিতেই হবে। শত্রুদের হামলার জবাব ইরান অবশ্যই দেবে বলেও জানান তিনি।লারিজানির দাবি, ইতিমধ্যেই কয়েকজন মার্কিন সেনাকে বন্দি করেছে ইরান। ইরানের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ট্রাম্প তাঁদের নেতাকে হত্যা করেছেন এবং প্রায় এক হাজার ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইরানেই এখনও পর্যন্ত এক হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। গত পাঁচ দিনে ইরান প্রায় পাঁচশো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজার ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েলও ইরানের দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহল এখন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ক্ষমতা হারিয়ে রক্তক্ষরণে তৃণমূল, ‘একলা চলার’ কঠিন পরীক্ষায় মমতা

রাজনীতিতে পালাবদল ঘটেই থাকে। কেন্দ্রে বা রাজ্যে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে কোনো কোনো সময় অপ্রতিরোধ্য দেখায়। মনে হয় শাসন ক্ষমতায় থাকাটাই সেই রাজনৈতিক দলের কুক্ষিগত। কিন্তু, সময় বদলায়। ঐতিহাসিক নিয়মেই অতি ক্ষমতাধর শক্তিকেও ক্ষমতা থেকে সরতে হয়। দেশ, কাল ভেদের এই পরিবর্তনের বহু নিদর্শন ইতিহাসে রয়েছে। যেমন, পশ্চিমবঙ্গ। স্বাধীনতার পর থেকে এই রাজ্যে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থেকেছিল কংগ্রেস। তারপর কংগ্রেস কে সরিয়ে ক্ষমতায় বসে বামফ্রন্ট। দীর্ঘ ৩৪ বছর শাসন ক্ষমতায় ছিল সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন সরকার। অনেকেই ভাবতেন বাম শাসনের বোধহয় অবসান হবেনা। তা হয়নি। দীর্ঘ বাম শাসনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে মসনদে বসে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসন ক্ষমতায় থাকাকালীন যে দলকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয় ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পরে তাদের রক্তক্ষরণ শুরু হয়।এই পরিস্থিতি থেকেই শুরু হয় দল বদলের পালা। দেশ জুড়ে নেতা নেত্রীর ক্ষমতা হারানো দল থেকে ক্ষমতাসীন দলে যাওয়া অতি সাধারণ ঘটনা। মানুষ ও এই প্রবণতাকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নিয়েছে। তবে, এখান থেকে বিজয়ী দলের ও সমস্যা শুরু হয়। নেতা নেত্রীদের দল বদলের থেকে অতি দ্রুত এই যাওয়ার পালা শুরু হয় পরাজিত দলের নিচু স্তরের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। বাম আমলেও এই ঘটনা শুরু হয়েছিল। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্য জুড়ে সিপিএম এর ওপর আক্রমণ শুরু হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে থাকার লোভ, অর্থের লোভ ও সন্ত্রাস মূলত এই তিনটি কারণে সিপিএম থেকে তৃণমূলে আসার পালা শুরু হয়। এর ফলে যারা দীর্ঘদিন তৃণমূলে ছিলেন তাদের সঙ্গে দল বদলের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।সেই সময় তৃণমূলের মধ্যে সেই দ্বন্দ্ব এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছিল। যার প্রতিফলন হয়েছিল Red TMC বনাম Green TMC দ্বন্দ্বে। তৃণমূলের ১৫ বছর পরে ক্ষমতা থেকে সরায় নিচের তলার এই চলন শুরু হয়েছে। রাতারাতি, রাজ্যের আনাচে কানাচে বিজেপির পতাকা হাতে বহু জনকে দেখা যাচ্ছে যাদের এতদিন ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গেই দেখা যেত। রাজ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিতে বার বার দলীয় কর্মীদের সতর্ক করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস ও জানে দলের কোনো মজবুত সাংগঠনিক কাঠামো ছিল না। ক্ষমতায় থাকার কারণে বিভিন্ন আর্থিক ও সামাজিক সুবিধা ছিল। এই সুযোগে, সুবিধা পাওয়ার বন্দোবস্ত তৃণমূলকে একটা সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির সুবিধা দিয়েছিল।এখন ক্ষমতার বৃত্তে না থাকার কারণে দলের চেহারা ক্রমশ শীর্ণকায় হবে। এই কারণেই খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতে নামার জন্য বাম, কংগ্রেস ও আই এস এফ কে সঙ্গে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও, তিনি ভালোই জানেন যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল এই তিন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে কী ব্যবহার করেছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ রাজ্যে ছিল না। সবটাই ছিল পেশীশক্তির ভিত্তিতে। কংগ্রেস ও বামেরা পাঁচ বছর বিধানসভার বাইরে ছিল। এই নির্বাচনে তাদের যেটুকু সাফল্য এসেছে তা তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই এসেছে। এখন তারা যদি তৃণমূলের পাশে এসে দাঁড়ায় তাহলে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠবে।INDIA ব্লক টিঁকিয়ে রাখার জন্য কংগ্রেস এই রাজ্যে তৃণমূলের সুরে বিজেপি বিরোধীতা করলেও সরাসরি তৃণমূলের সঙ্গে আন্দোলনে নামবে না বলেই মনে হয়। অন্যদিকে, আই এস এফ বা বাম দলগুলি তো প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেত্রী কে এই আহ্বানের জন্য রাজনৈতিক ভাবে বিঁধতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে মনে হয় ভালো, মন্দ যাই হোক তৃণমূল কে তা মেনে নিয়ে একলাই চলতে হবে। একলা পথ চলার কথাই নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনসভায় বলেছেন মমতা। এখন অন্যদের দিকে হাত বাড়ালেও তাঁকে একলাই চলতে হবে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হিলারির পর এবার মার্কো রুবিও! হঠাৎ কলকাতায় মার্কিন বিদেশসচিব, বাড়ছে জল্পনা

প্রায় ১৪ বছর পর আবার কলকাতায় এলেন মার্কিন বিদেশসচিব। হিলারি ক্লিনটনের পর এবার শহরে পা রাখলেন মার্কো রুবিও। শনিবার সকালে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। তারপর সোজা যান তালতলার মাদার হাউজে। সেখানে প্রায় দুঘণ্টা কাটানোর পর চিলড্রেনস হোমেও যান তাঁরা। এরপর তাঁর ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ঘুরে দেখার কথাও রয়েছে। কলকাতা সফর শেষ করে দুপুরেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন মার্কো রুবিও। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর।ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোর সমাজমাধ্যমে রুবিওর কলকাতা সফরের কথা জানান। তিনি লেখেন, মার্কিন বিদেশসচিবের এটি প্রথম ভারত সফর। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা এবং কোয়াড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। সূত্রের খবর, শুধু কলকাতা ও দিল্লি নয়, আগ্রা এবং জয়পুরেও যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে সরকার বদলের পর নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিজেপি প্রথমবার বাংলার ক্ষমতায় এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের উন্নয়ন এবং শিল্পায়ন নিয়ে একাধিক বার্তা দিয়েছেন। দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক সেরে শিল্প বিনিয়োগ টানার কথাও বলেছেন তিনি।অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বারবার বিদেশি বিনিয়োগের উপর জোর দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন বিদেশসচিবের কলকাতা সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অনেকের মতে, শিল্পক্ষেত্রে নতুন বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েই আলোচনা হতে পারে।এছাড়াও সম্প্রতি লালমনিরহাট বিমান ঘাঁটিতে চিনের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেই আবহে মার্কিন বিদেশসচিবের ভারত সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিকেও নজর রয়েছে। অনেকের মতে, চিনকে কড়া বার্তা দিতেই এই সফর গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।সব মিলিয়ে মার্কো রুবিওর কলকাতা সফর যে শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তার পিছনে বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় বদল! ড্রোন-ক্যামেরায় নজরদারি, ‘স্মার্ট বর্ডার’ নিয়ে বড় ঘোষণা অমিত শাহের

অনুপ্রবেশ রুখতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্মার্ট বর্ডার তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিএসএফের বার্ষিক রুস্তমজি মেমোরিয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।অমিত শাহ বলেন, প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তে শুধুমাত্র জওয়ান মোতায়েন করে নজরদারি চালানো অত্যন্ত কঠিন। তাই এবার সীমান্ত পাহারায় ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। সীমান্ত এলাকায় থাকবে ড্রোন, হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং একাধিক আধুনিক নজরদারি যন্ত্র। পাশাপাশি বিএসএফ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান আরও শক্তিশালী করতে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, স্মার্ট বর্ডার তৈরি হলে সীমান্ত আরও দুর্ভেদ্য হয়ে উঠবে। অনুপ্রবেশ এবং জনবিন্যাস বদলের যে চেষ্টা চলছে, তাতেও অনেকটাই লাগাম টানা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসম সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতিকে সমর্থন করেছে। প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও দাবি করেন শাহ।বাংলায় সরকার বদলের পর সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন কাঁটাতার বসানো নিয়ে জমি সমস্যার কারণে কাজ আটকে ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার পর বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপর সম্প্রতি বাংলায় পুশব্যাক আইন কার্যকর করার ঘোষণাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। পরে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তাঁদের বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।এই ঘোষণার পর মতুয়া সমাজের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। যদিও মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিএএ-র আওতায় থাকা কোনও হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করা হবে না। বরং নিয়ম মেনে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।এর মধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকও করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকের পরই শাহের স্মার্ট বর্ডার ঘোষণা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে ভাঙা হল যুবভারতীর বিতর্কিত মূর্তি! নিশীথের নির্দেশে সকালেই বড় পদক্ষেপ

অবশেষে যুবভারতী স্টেডিয়ামের সামনে থাকা বিতর্কিত মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হল। শনিবার সকালে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের নির্দেশ মেনে সেই কাজ শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই মূর্তি নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বিতর্ক চলছিল। রাজ্যে সরকার বদলের পর সেই বিতর্কিত মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নতুন সরকার।২০১৭ সালে সল্টলেকে যুবভারতী স্টেডিয়ামের সংস্কারের সময় এই মূর্তি তৈরি করা হয়েছিল। মূর্তিটিতে কোমর পর্যন্ত একটি শরীরের অংশ ছিল, তার উপরে বসানো হয়েছিল বিশ্ববাংলার প্রতীক। নীচে ফুটবলের উপর লেখা ছিল জয়ী। সেই সময়ের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই মূর্তির নকশা তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়। তবে শুরু থেকেই এই মূর্তির অর্থ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বহু ফুটবলপ্রেমী। অনেকেই এটিকে অদ্ভুত ও অর্থহীন বলে সমালোচনা করেছিলেন।গত ১৭ মে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের ডার্বি ম্যাচ দেখতে যুবভারতীতে গিয়েছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই মূর্তি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। নিশীথ বলেন, এরকম বিদঘুটে মূর্তি কেন বানানো হয়েছিল বুঝতে পারি না। আমার মনে হয় এই মূর্তি বসানোর পর থেকেই আগের সরকারের খারাপ সময় শুরু হয়েছিল। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, পূর্ত দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত মূর্তিটি সরিয়ে ফেলা হবে।ঘোষণার কয়েকদিনের মধ্যেই সেই কাজ শুরু হয়ে গেল। শনিবার সকালে মূর্তিটি ভেঙে ফেলার পর এখন সেখানে শুধু দুটি বুট এবং একটি ফুটবল দেখা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, ভবিষ্যতে ওই জায়গায় কোনও বিখ্যাত ফুটবলারের মূর্তি বসানো হতে পারে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ডার্বির রাতেই নিশীথ জানিয়েছিলেন, এমন একটি মূর্তি বসানো হবে যা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে অর্থপূর্ণ এবং অনুপ্রেরণাদায়ক হবে। সেই কারণেই নতুন পরিকল্পনা নিয়ে ভাবনা শুরু করেছে ক্রীড়া দপ্তর।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজ ঘনিষ্ট তৃণমূল কাউন্সিলরের রহস্যমৃত্যু! ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য, সামনে এল ভয়ংকর অভিযোগ

দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল স্বাস্থ্য সঞ্জয় দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার তাঁর বাড়ি থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাঁকে নাগেরবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে।সঞ্জয় দাস রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছে যান অদিতি মুন্সিও। ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।এর মধ্যেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি কিরণ ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, সঞ্জয় দাসকে কিছু লোক দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিচ্ছিল। এমনকি তাঁর কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। কিরণের দাবি, যারা এই চাপ দিচ্ছিল তারা আগে তৃণমূল করলেও এখন বিজেপির সঙ্গে যুক্ত।তিনি বলেন, সঞ্জয় দাস নাকি ওই ব্যক্তিদের বলেছিলেন, এখন ১০ হাজার টাকা নিতে, পরে বাকি টাকা দেবেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপে ছিলেন। কিরণ ভট্টাচার্যের অভিযোগ, সেই চাপই শেষ পর্যন্ত সঞ্জয়কে ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। যদিও বিজেপির বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করতে চাননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এ ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই সমর্থন করবে না। তবে যারা হুমকি দিয়েছিল, তাদের দ্রুত খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই দুর্নীতির অভিযোগে একের পর এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই বিধাননগর পুরনিগমের একাধিক কাউন্সিলর পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন। গ্রেফতার হয়েছেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশোভন মণ্ডল এবং ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দার। একদিন আগেই গ্রেফতার হয়েছেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল পার্থ বর্মাও।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সঞ্জয় দাসের মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

চাকরিতে বড় বদল! পরীক্ষার্থীদের হাতে থাকবে ওএমআর কপি, দুর্নীতিতে কড়া বার্তা শুভেন্দুর

রাজ্যে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অতীতে শিক্ষা ও পুর নিয়োগে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই সমস্ত মামলার তদন্ত এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় এসেই স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থার উপর জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার শিয়ালদহে রোজগার মেলায় যোগ দিয়ে নিয়োগ পদ্ধতিতে একাধিক বদলের কথা ঘোষণা করেন তিনি।বক্তব্যের শুরুতেই পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ নিয়ে বহু বদনাম হয়েছে। শিক্ষা থেকে পুর নিয়োগ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। এমনকি ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরিও বাতিল হয়েছে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু জানান, এতদিন ওএমআর শিটে পরীক্ষা হলেও পরীক্ষার্থীদের সেই কার্বন কপি জমা দিয়ে দিতে হত। ফলে পরে নিজেদের উত্তর যাচাই করার সুযোগ থাকত না। এবার থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের ওএমআর কপির কার্বন বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন বলে ঘোষণা করেন তিনি। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর কমানোর কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, মৌখিক পরীক্ষায় দুর্নীতির সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই সেই অংশে নম্বর কম রাখা হবে। শুধু তাই নয়, পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।শুভেন্দু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে আর নিয়োগ হবে না। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। এদিনের রোজগার মেলায় ৫০ হাজারেরও বেশি চাকরিপ্রার্থী অংশ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, এতদিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্তরের বহু পরীক্ষাও ঠিকমতো হতে দেওয়া হত না। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর আদর্শকে সামনে রেখেই এবার কেন্দ্রীয় সরকারের ধাঁচে রাজ্যের নিয়োগ প্রক্রিয়া গড়ে তোলা হবে। নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

মে ২৩, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, দক্ষিণবঙ্গে পচা গরমে হাঁসফাঁস! কবে মিলবে স্বস্তি জানাল হাওয়া অফিস

উত্তরবঙ্গে টানা ভারী বৃষ্টিতে পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় আজ অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। পাহাড় ও ডুয়ার্সে আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে। সোমবার ও মঙ্গলবারও জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবারের পর থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। উত্তরবঙ্গে যখন মুষলধারে বৃষ্টি চলছে, তখন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল মানুষ। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তাপমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানে অস্বস্তি সবচেয়ে বেশি থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গে গরম থেকে তেমন স্বস্তি মিলবে না। তবে এরপর দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতে পারে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই ধীরে ধীরে কমতে পারে গরমের দাপট।কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাতেও আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।বর্তমানে ওড়িশার উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। উত্তর প্রদেশ থেকে ওই ঘূর্ণাবর্ত পর্যন্ত একটি অক্ষরেখাও বিস্তৃত রয়েছে। এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির জেরেই উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় এমন বড় ফারাক দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের হদিস! জুতোর ব্যবসার আড়ালে চলত ভয়ঙ্কর খেলা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের বড় পর্দাফাঁস করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজকে। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।জানা গিয়েছে, কলকাতায় জুতোর ব্যবসা করত জাফর। তার দুটি কারখানাও ছিল। কিন্তু সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত গুপ্তচরবৃত্তির কাজ। নিজের নামে সিম কার্ড তুলে তা পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের হাতে পৌঁছে দিত সে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জাফরের বিয়ে হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা রাবিয়া জাফফার নামে এক মহিলার সঙ্গে। বিয়ের পর ২০১২ সাল পর্যন্ত তারা কলকাতাতেই থাকত। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা লাহোরেই পড়াশোনা করছে।২০১২ সালে একটি পথ দুর্ঘটনার পর জাফরের ব্যবসায় বড় ক্ষতি হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে স্ত্রীকে লাহোরে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় সে। এরপর থেকেই পাকিস্তানে তার যাতায়াত বাড়তে থাকে। এমনকি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টাও করছিল বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে দাবি, এই সুযোগকেই কাজে লাগায় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে নামানো হয় জাফরকে।পরবর্তীতে কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে প্রথমে দিল্লি এবং পরে পঞ্জাবে ঘাঁটি গাড়ে সে। তবে শেষ পর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০২২ সালে পঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযানকারী দল জাফর ও তার সহযোগী মহম্মদ শামশেদকে গ্রেফতার করে। ধৃত শামশেদ বিহারের মধুবনির বাসিন্দা।তদন্তকারীদের দাবি, জাফর ভারতের বিভিন্ন সেনা ছাউনি, সামরিক দফতর এবং জওয়ানদের গতিবিধির ছবি ও ভিডিও তুলে সরাসরি আইএসআই-এর কাছে পাঠাত। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় সিম কার্ড সংগ্রহ করে তার ওটিপি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানো হত।সেই নম্বর ব্যবহার করে পাকিস্তানের গুপ্তচররা সুন্দরী মহিলাদের ছবি দিয়ে ভুয়ো হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল তৈরি করত। এরপর ভারতীয় সেনার জওয়ানদের প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা চলত। তদন্তকারীদের দাবি, এই গোটা হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল মাথাদের অন্যতম ছিল জাফর।বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং গোটা নেটওয়ার্ক কতটা বড়, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

মে ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal