• ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজনীতি

Mimi-Nusrat: সাসপেন্ড হতে পারেন মিমি-নুসরত!

নির্দেশ সত্ত্বেও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে গরহাজির ছিলেন তারকা সাংসদ মিমি চক্রবর্তী ও নুসরত জাহান। এ জন্য আগেই শো-কজ করা হয়েছিল তাঁদের। এবার দুই যাদবপুর ও বসিরহাটের সাংসদকে সাসপেন্ড-ও করা হতে পারে। এমনই সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে তৃণমূলে সূত্রে।জানা গিয়েছে, এবার থেকে দুই সাংসদকে রেজিস্টার্ডে উপস্থিতির রেকর্ড রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাজধানী দিল্লিতে গিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তৃণমূলের সব সাংসদদের সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠকে বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের বাকি দিনগুলিতে দলের গতিপ্রকৃতি কী হবে তার একটি নীল নকশা তৈরি হয় ওই বৈঠকে। তাই দলের সব সাংসদদের উপস্থিতি জরুরি বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও দুই তারকা সাংসদ অনুপস্থিত ছিলেন সেই এই বৈঠকে। এ নিয়ে ক্ষুণ্ণ হন শীর্ষ নেতৃত্ব। শো-কজ করা হয় মিমি ও নুসরতকে। কী কারণে তাঁরা অনুপস্থিত ছিলেন তার কারণ দর্শাতে বলা হয়েছিল।তৃণমূল সূত্রে খবর, দুই সাংসদ যাতে পরবর্তীতে এমন কাজ না করেন তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু মিমি বা নুসরত নন, দলের সমস্ত সাংসদের জন্য এই নির্দেশ বহাল থাকবে বলে খবর। পাশাপাশি সংসদে উপস্থিতির জন্য যে রেজিস্টার থাকে, তাতে যেন নিজেদের উপস্থিতি নিয়মিত রেকর্ড করেন দুই সাংসদ, সে কথাও বলা হয়েছে।তবে আপাতত শো-কজ করা হলেও পরবর্তীতে সাসপেন্ড করার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে খবর। ওয়াকিবহাল মহলের মতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন পদক্ষেপ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। দলের সব সাংসদের পক্ষেই যে একি নিয়ম প্রযোজ্য হবে , তারকা বলে যে আলাদা করে কোনও ছাড় নেই, মিমি-নুসরতকে শো-কজের মাধ্যমে যেন সেই বার্তা দিতে চাইলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Maldah-TMC: আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সেলফি তুলছেন তৃণমূল নেত্রী! ভাইরাল ছবি

নিজের দপ্তরে চেয়ারে বসে হাতে ধরা অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র,নিজস্বী তুলছেন জেলার প্রথম সারির তৃণমূল নেত্রী! নেটমাধ্যমে ভাইরাল এই ছবিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে পুরাতন মালদহে।জেলা সফরে মালদহেই রয়েছেন দলের সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় এই ছবি ভাইরাল হওয়ায় রীতিমতো অস্বস্তিতে তৃণমূল। হতবাক ব্লক আধিকারিকও। এর আগেও একাধিক বার বিতর্কে জড়িয়েছেন পুরাতন মালদহ পঞ্চায়েত সমিতি তথা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মৃণালিনী মণ্ডল মাইতি। যদিও এই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা।এই ছবি নিয়ে সবর হয়েছে বিজেপি-ও। দলের জেলা সভাপতি গোবিন্দচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ১১ বছরে গোটা রাজ্যের পাশাপাশি মালদহকেও বারুদের স্তূপে দাঁড় করিয়েছে শাসকদল। ওদের অফিসে এটাই সংস্কৃতি। পিস্তল আছে। খুঁজলে বোমাও পাওয়া যাবে। একে ৪৭-ও পাওয়া যেতে পারে। তবে, মৃণালিনী মণ্ডল মাইতি-কে এ নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ওটা বন্দুক নয় লাইটার। এক বছর আগের ছবি।এ নিয়ে রাজ্য তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী বলেন, সরকারি চেয়ারে বসে এই ধরনের কাজ বাঞ্ছনীয় নয়। আগ্নেয়াস্ত্রটি খেলনা না আসল সেটা পুলিশ অনুসন্ধান করে বলবে। তবে, আমি যেটা ছবিতে দেখলাম তাতে মনে হচ্ছে এটা আসল আগ্নেয়াস্ত্র। এই ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল।সম্প্রতি হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার এক পঞ্চায়েত প্রধানের দেওর আগ্নেয়াস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

BJP-TMC: এক ফ্রেমে বিজেপির শীর্ষ নেতা ও বর্ধমানের তৃণমূল বিধায়ক, জল্পনা শুরু রাজনৈতিক মহলে

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর থেকেই বিজেপি থেকে তৃণমল কংগ্রেসে যোগদানের হিরিক পড়ে গিয়েছে। রাজ্য স্তর থেকে জেলা স্তরে চলছে যোগদান পর্ব। এদিকে বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে জেলা বিজেপির এক নেতা পুষ্পস্তবক তুলে দিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়কের হাতে। সৌজন্য়মূলক দৃশ্য মনে হলেও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে ছবিকে ঘিরে। ছবিটি নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন স্বয়ং অঞ্জন মুখোপাধ্যায়।সম্প্রতি বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, তৃণমূল নেতা ইন্তেকাব আলম ও শিবশঙ্কর ঘোষ। ওই অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়কের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন বিজেপি নেতা অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। যদিও এই অনুষ্ঠান ছিল বর্ধমান ডিজ-এবেল্ড ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে। তবু দুই বিপরীত প্রান্তের রাজনৈতিক নেতৃত্ব হাজির থাকায় বিতর্ক সামনে এসেছে। তৃণমূল বিধায়ক ও অন্য তৃণমূল নেতারাই ছিলেন মঞ্চ আলো করে। তবে একাংশের বক্তব্য, উন্নয়ন যজ্ঞে এমন রাজনৈতিক সৌজন্য থাকাটাই স্বাভাবিক।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে ভাতার বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। এর আগে তিনি ছিলেন আরএসপির যুব সংগঠনের রাজ্য নেতা। এবার তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে তাঁকে এক ফ্রেমে দেখা যাওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বর্ধমানের একাধিক বিজেপি নেতা ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ গোয়ার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চোটআঘাতে জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গলআরও পড়ুনঃ জোরে বোলার থেকে স্পিনার, আজাজকে দারুণ উপহার ভারতীয় দলের

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
দেশ

Omicron-Loksabha: ওমিক্রন নিয়ে আলোচনায় চেয়ে লোকসভায় মুলতুবি প্রস্তাব তৃণমূল সাংসদের

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের আতঙ্ক এখন থরহরিকম্প গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওমিক্রনকে উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে। আর এই নয়া স্ট্রেইন নিয়ে লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনেও আলোচনার জন্য নোটিস দিলেন সাংসদরা। এদিন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় কোভিডের নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে লোকসভায় মুলতুবি প্রস্তাবের নোটিস দেন। অন্যদিকে বৃহস্পতিবারই কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ভাইরাস নিয়ে ১৯৩- এ-র অধীনে বিনায়ক রতন বহুরাও রাউত ও রতন লাল কাটারিয়া লোকসভায় নোটিস দিয়েছেন। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সার্বিক আলোচনাই যার উদ্দেশ্য।এদিকে এদিন সংসদে ওমিক্রন নিয়ে আলোচনার জন্য মুলতুবি প্রস্তুাব দেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। অর্থাৎ, এদিন আলোচনায় ওমিক্রনে গুরুত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি। এর জন্য ৫০ সাংসদের সমর্থন লাগবে। সংসদ মান্যতা দিলে ওমিক্রন নিয়ে আলোচনা হবে।করোনা ঢেউ কিছুটা থামতে আস্তে আস্তে সচল হচ্ছিল বিভিন্ন পরিষেবা। কিন্তু তার মধ্যেই দাঁতনখ নিয়ে আক্রমণ করতে হাজির করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। আর এই প্রেক্ষিতেই একসময় করোনায় সবচেয়ে প্রভাবিত রাজ্য মহারাষ্ট্রে জারি হল বেশ কিছু বিধিনিষেধ। এবার বিমান যাত্রীদের জন্য নয়া গাইডলাইন দিল সরকার। যেখানে শুধু করোনার দুটো টিকা নেওয়াই নয়, করোনার আরটি পিসিআর নেগেটিভ রিপোর্টও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মহারাষ্ট্রে। অন্যদিকে এদিকে ওমিক্রনের আশঙ্কাকে সামনে রেখে সিকিমে বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধের নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সিকিমে এখন বিদেশিদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

Rajyasabha Suspension: বিলম্বিত শাস্তি! বাদলের সাজা শীতে, সংসদের গোটা অধিবেশনে সাসপেন্ড রাজ্যসভার ১২ সদস্য

গোটা শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড হলেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ দোলা সেন ও শান্তা ছেত্রী। গত বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে সংসদে হইহট্টগোল করার জন্যই তাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দোলা ও শান্তা ছাড়াও সাসপেন্ড করা হয়েছে আরও ১০ রাজ্যসভা সাংসদকে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শিবসেনার প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী ও অনিল দেশাই, সিপিএমের এলামারাম করিম, কংগ্রেসের ফুলোদেবী নেতাম, ছায়া বর্মা, আর বোরা, রাজামণি প্যাটেল, সৈয়দ নাসির হুসেন, অখিলেশ প্রসাদ সিং।যাঁরা সাসপেন্ড হয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের প্রতি নজিরবিহীনভাবে অশ্রদ্ধা প্রদর্শন, দুর্ব্যবহার এবং ইচ্ছাকৃতভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের উপর আক্রমণ করে সংসদের কাজে বাধা দেওয়া। এরপরই সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, কারও সঙ্গে কথা না বলে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কোনও নিয়ম মানা হয়নি। কাউকে কথা বলা সুযোগই দেওয়া হয়নি। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাঁকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হয়। সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দলের সাংসদদের সাসপেন্ড করা হয়েছে।উল্লেখ্য, এভাবে বিরোধী সাংসদদের সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনা একেবারেই নতুন কিছু নয়। গত বাদল অধিবেশন থেকেই বিরোধী সাংসদদের আন্দোলন দমন করতে সাসপেনশনকে হাতিয়ার করে চলেছে সরকারপক্ষ। এর আগে লোকসভার বহু সাংসদকে হট্টগোলের জন্য সাসপেন্ড হতে হয়েছিল। রাজ্যসভাতেও বিরোধী সাংসদদের একাধিকবার সাসপেন্ড করেছে সরকার। তৃণমূলের যে দু জন সাংসদ শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড হলেন, তাঁরাও বাদল অধিবেশন চলাকালীন সাসপেনশনের শিকার হয়েছেন। এই সাসপেনশনের সিদ্ধান্তে বিরোধীরা যে ক্ষুব্ধ হবেন, সেটা বলাই বাহুল্য।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
রাজনীতি

Dilip Ghosh: বিরোধীদের বৈঠক নিয়ে মাথাব্যথা নেই, কেন এমন বললেন দিলীপ ঘোষ?

আজ থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালিন অধিবেশন। প্রথম দিনেই কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পেশ করা হবে কেন্দ্রের তরফে। আর তার আগেই বিরোধীদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছে কংগ্রেস। কিন্তু সেই বৈঠকে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। কংগ্রেস- তৃণমূলের সেই দ্বন্দ্ব নিয়ে এবার কটাক্ষ করলেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয়-সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার সকালেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে বিরোধীদের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বিরোধীদের বৈঠক কে ডাকবে, তা নিয়েই ঝগড়া। কংগ্রেস ডাকবে, নাকি তৃণমূল ডাকবে, না অন্য দল ডাকবে?তবে তিনি জানান, এ সবে বিশেষ গুরুত্ব দিতে রাজি নয় বিজেপি। দিলীপ ঘোষের কথায়, কে কংগ্রেস, কে তৃণমূল, কে নির্মূল! আমাদের মাথা ব্যাথা নেই। তিনি জানান, সংসদের কাজ যাতে সুষ্ঠভাবে হয় সেটাই একমাত্র উদ্দেশ্য শাসক দলের।তৃণমূলের নাম না করে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষের দাবি, কখনও কংগ্রেসের সঙ্গে, কখনও কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে চলছে তারা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যখন বিজেপি বিরোধী দল ছিল, তখন এই দলগুলোই একবার বিজেপির সঙ্গে, একবার বিজেপিকে বাদ দিয়ে চলত। বিরোধী দলগুলিকে কটাক্ষ করে কংগ্রেসের ডাকা বৈঠককে ড্রামা বলে উল্লেখ করেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, এইসব ড্রামা অনেক পুরনো হয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিরোধীদের বৈঠক কে ডাকবে? তা নিয়েই ঝগড়া। বিরোধীদের মধ্যে কে নেতা হবে? সে দ্বন্দ্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ওরা ঠিক করে নিক নেতা কে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতা হতে চাইছেন, সনিয়া গান্ধির দিন চলে গিয়েছে। এইসব করতে করতে এই সিজন পার হয়ে যাবে।উল্লেখ্য, সোমবার কংগ্রেসের ডাকে বিরোধীদের যে বৈঠক সেখানে তৃণমূল হাজির থাকছে না বলেই সূত্রের খবর। তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গের ডাকা বিরোধী দলগুলির বৈঠকে তৃণমূল উপস্থিত থাকবে না সোমবার।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Burdwan Municipality: লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে করোনা টিকাকরণ বর্ধমানে, চলছে শহর জুড়ে সার্ভে

সীমিত ক্ষমতার মধ্যে করোনা টিকাপ্রদানে রাজ্য খুব ভাল কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে দক্ষিণবঙ্গের বর্ধমান পুরসভা এলাকায় টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে চলছে দুয়ারে ভ্যাকসিন প্রকল্প। তাছাড়া শহরে যাঁরা এখনও করোনা ভ্যাকসিন নেননি তাঁদের খুঁজে বের করার জন্য সার্ভে করা হচ্ছে পুরসভার পক্ষ থেকে।করোনা সংক্রমণের নিরিখে এদিনও রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে কলকাতা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুসারে রবিবার কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৯৮ জন, তারপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায় ১৩০ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬২। গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১ জন। তার মধ্যে বর্ধমান শহরে মাত্র ১ জন। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭১৫। এদিকে ওমিক্রণ ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সারা বিশ্বেই। যদিও রাজ্যে করোনা টিকারকরণের গতি অব্যাহত।বর্ধমানের উপ-পুরপ্রশাসক আইনুল হক বলেন, বর্ধমানে দ্রুত গতিতে চলছে কোভিড টিকাকরণের কাজ। ইতিমধ্যে আমরা লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছি। প্রথম ডোজে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লক্ষ ৬০ হাজার। এরইমধ্যে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ হয়েছে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার। শহরের বাইরের বহু মানুষ টিকা নিচ্ছেন। পুর এলাকায় এখন ২০টি টিকারকরণ শিবির চলছে। এর আগে ২৭টি শিবির ছিল। রাজ্যে যেন একজনও কোভিড টিকা থেকে বাদ না যায় সেকথা ঘোষণা করেছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইনুল হক বলেন,, দুয়ারে ভ্যাকসিন প্রকল্পও শহরে চালু রয়েছে। অসুস্থ, শারীরিক ভাবে অক্ষম ও সিনিয়ার সিটিজেন-রা পৌরসভা-য় যোগাযোগ করলে আমাদের ভ্যাকসিন-ভ্যান তাঁদের বাড়ি গিয়ে টিকা দিয়ে আসছে। এর পাশাপাশি একজনও কোভিড টিকাকরণ থেকে বাদ না পড়ে তার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৮, ২০২১
কলকাতা

TMC Candidate List: ১৪২টি ওয়ার্ডে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের, রইল পূর্ণাঙ্গ তালিকা

১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পুরসভায় ভোট। শুক্রবারই কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৪২টি ওয়ার্ডে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কালীঘাট থেকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী এবং সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।বিদায়ী কাউন্সিলরদের মধ্যে ৩৫ জনের নাম বাদ গিয়েছে। সেখানে নতুন মুখ আনা হয়েছে। এ ছাড়াও চারজন কাউন্সিলর প্রয়াত হয়েছেন। সেই জায়গাতে স্বভাবতই নতুন প্রার্থী দিয়েছে দল। এই ৩৫ জনের মধ্যে উত্তর কলকাতা থেকে বাদ পড়েছে ১৭ জন কাউন্সিলরের নাম। দক্ষিণ কলকাতায় তালিকাটা ১৮ জনের নামের।একই সঙ্গে নিজের ওয়ার্ড ছেড়ে অন্য ওয়ার্ডে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন দেবব্রত মজুমদার, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা, ঘনশ্রী বাগ, নিজামুদ্দিন শামস, সুশান্ত ঘোষ (স্বরূপ), অরূপ চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার, মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায়।কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে কোন ওয়ার্ডে কে টিকিট পেলেন, তার তালিকা নিম্নরূপ প্রার্থী কোনও বিধানসভা কেন্দ্রের আওতাধীন১. কার্তিকচন্দ্র মান্না কাশীপুর বেলগাছিয়া২. কাকলি সেন কাশীপুর বেলগাছিয়া৩. দেবীকা চক্রবর্তী কাশীপুর বেলগাছিয়া৪.গৌতম হালদার কাশীপুর বেলগাছিয়া৫. তরুণ সাহা কাশীপুর বেলগাছিয়া৬. সুমন সিং কাশীপুর বেলগাছিয়া৭. বাপি ঘোষ শ্যামপুকুর৮. পূজা পাঁজা শ্যামপুকুর৯. মিতালি সাহা শ্যামপুকুর১০. সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শ্যামপুকুর১১. অতীন ঘোষ মানিকতলা১২. মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায় মানিকতলা১৩. অনিন্দ্যকিশোর রাউত মানিকতলা১৪. অমল চক্রবর্তী মানিকতলা১৫. শুক্লা ভোড় মানিকতলা১৬. স্বপন দাস মানিকতলা১৭. মোহনকুমার গুপ্ত শ্যামপুকুর১৮. সুনন্দা সরকার শ্যামপুকুর১৯. শিখা সাহা শ্যামপুকুর২০. বিজয় উপাধ্যায় শ্যামপুকুর২১. মীরা হাজরা শ্যামপুকুর২২. শ্যামপ্রকাশ পুরোহিত জোড়াসাঁকো২৩. সানোয়ারমল আগরওয়াল জোড়াসাঁকো২৪. ইলোরা সাহা জোড়াসাঁকো২৫. রাজেশ সিনহা জোড়াসাঁকো২৬. তারকনাথ চট্টোপাধ্যায় জোড়াসাঁকো২৭. মীনাক্ষী গুপ্তা জোড়াসাঁকো২৮. অয়ন চক্রবর্তী বেলেঘাটা২৯. ইকবাল আহমেদ বেলেঘাটা৩০. পাপিয়া ঘোষ বিশ্বাস বেলেঘাটা৩১. পরেশ পাল মানিকতলা৩২. শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু মানিকতলা৩৩. চিনু বিশ্বাস বেলেঘাটা৩৪. অলোকনন্দা দাস বেলেঘাটা৩৫. আশুতোষ দাস বেলেঘাটা৩৬. ঘোষণা হয়নি বেলেঘাটা৩৭. সোমা চৌধুরী জোড়াসাঁকো৩৮. সাধনা বোস জোড়াসাঁকো৩৯. মহম্মদ জসিমুদ্দিন জোড়াসাঁকো৪০. সুপর্ণা দত্ত জোড়াসাঁকো৪১. রীতা চৌধুরী জোড়াসাঁকো৪২. মহেশ শর্মা জোড়াসাঁকো৪৩. সগুফতা পরভিন জোড়াসাঁকো৪৪. রেহানা খাতুন চৌরঙ্গী৪৫. শক্তিপ্রতাপ সিং চৌরঙ্গী৪৬. প্রিয়াঙ্কা সাহা চৌরঙ্গী৪৭. বিমল সিং চৌরঙ্গী৪৮. বিশ্বরূপ দে চৌরঙ্গী৪৯. মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫০. মৌসুমী দে চৌরঙ্গী৫১. ইন্দ্রনীল কুমার চৌরঙ্গী৫২. সোহিনী মুখোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫৩. ইন্দ্রানী সাহা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫৪. আমিরুদ্দিন ববি এন্টালি৫৫. সবিতারানি দাস এন্টালি৫৬. স্বপন সমাদ্দার এন্টালি৫৭. জীবন সাহা এন্টালি৫৮. সন্দীপন সাহা এন্টালি৫৯. জলি বোস এন্টালি৬০. মহম্মদ ইয়েজুজার রহমান বালিগঞ্জ৬১. মনজর ইকবাল বালিগঞ্জ৬২. সানা আহমেদ বালিগঞ্জ৬৩. সুস্মিতা ভট্টাচার্য বালিগঞ্জ৬৪. সাম্মি জাহান বালিগঞ্জ৬৫. নিবেদিতা শর্মা বালিগঞ্জ৬৬. ফৈয়জ আহমেদ খান কসবা৬৭. বিজনলাল মুখোপাধ্যায় কসবা৬৮. তনিমা চট্টোপাধ্যায় বালিগঞ্জ৬৯. দিলীপকুমার বোস বালিগঞ্জ৭০. অসীম বোস ভবানীপুর৭১. পাপিয়া সিং ভবানীপুর৭২. সন্দীপরঞ্জন বক্সি ভবানীপুর৭৩. কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর৭৪. দেবলীনা বিশ্বাস ভবানীপুর৭৫. নিজামুদ্দিন শামস কলকাতা পোর্ট৭৬. ষষ্ঠী দাস কলকাতা পোর্ট৭৭. শামিমা রেহান খান ভবানীপুর৭৮. সোমা দাস কলকাতা পোর্ট৭৯. রাম পেয়ারি রাম কলকাতা পোর্ট৮০. আনওয়ার খান কলকাতা পোর্ট৮১. জুঁই বিশ্বাস রাসবিহারী৮২. ফিরহাদ হাকিম ভবানীপুর৮৩. প্রবীর মুখোপাধ্যায় রাসবিহারী৮৪. পারমিতা চট্টোপাধ্যায় রাসবিহারী৮৫. দেবাশিস কুমার বালিগঞ্জ৮৬. সৌরভ বসু রাসবিহারী৮৭. মনীষা বোস সাউ রাসবিহারী৮৮. মালা রায় রাসবিহারী৮৯. মমতা মজুমদার রাসবিহারী৯০. চৈতালি চট্টোপাধ্যায় রাসবিহারী৯১. বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় কসবা৯২. অভিষেক মুখোপাধ্যায় কসবা৯৩. মৌসুমী দাস রাসবিহারী৯৪. সন্দীপ নন্দী মজুমদার টালিগঞ্জ৯৫. তপন দাশগুপ্ত টালিগঞ্জ৯৬. বসুন্ধরা গোস্বামী যাদবপুর৯৭. দেবব্রত মজুমদার টালিগঞ্জ৯৮. অরূপ চক্রবর্তী টালিগঞ্জ৯৯. মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায় যাদবপুর১০০. প্রসেনজিৎ দাস টালিগঞ্জ১০১. বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত যাদবপুর১০২. সীমা ঘোষ যাদবপুর১০৩. সুকুমার দাস যাদবপুর১০৪. তারকেশ্বর চক্রবর্তী যাদবপুর১০৫. সুশীলা মণ্ডল যাদবপুর১০৬. অরিজিৎ দাসঠাকুর যাদবপুর১০৭. লিপিকা মান্না কসবা১০৮. সুশান্তকুমার ঘোষ কসবা১০৯. অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় যাদবপুর১১০. স্বরাজকুমার মণ্ডল যাদবপুর১১১. সন্দীপ দাস টালিগঞ্জ১১২. গোপালচন্দ্র রায় টালিগঞ্জ১১৩. অনিতা কর মজুমদার টালিগঞ্জ১১৪. বিশ্বজিৎ মণ্ডল টালিগঞ্জ১১৫. রত্না শূর বেহালা পূর্ব১১৬. কৃষ্ণা সিং বেহালা পূর্ব১১৭. অমিত সিং বেহালা পূর্ব১১৮. তারক সিং বেহালা পশ্চিম১১৯. ঘোষণা হয়নি বেহালা পশ্চিম১২০. সুশান্ত ঘোষ বেহালা পূর্ব১২১. রূপক গঙ্গোপাধ্যায় বেহালা পূর্ব১২২. সোমা চক্রবর্তী বেহালা পূর্ব১২৩. সুদীপ পোল্লে বেহালা পূর্ব১২৪. রাজীবকুমার দাস বেহালা পূর্ব১২৫. রত্না সরকার বেহালা পশ্চিম১২৬. ঘনশ্রী বাগ বেহালা পশ্চিম১২৭. মালবিকা বৈদ্য বেহালা পশ্চিম১২৮. পার্থ সরকার বেহালা পশ্চিম১২৯. সংহিতা দাস বেহালা পশ্চিম১৩০. অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম১৩১. রত্না চট্টোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম১৩২. সঞ্চিতা মিত্র বেহালা পশ্চিম১৩৩. রণজিৎ শীল কলকাতা পোর্ট১৩৪. শামস ইকবাল কলকাতা পোর্ট১৩৫. আখতারি নিজামি শাহজাদা কলকাতা পোর্ট১৩৬. শামসুজ্জামান আনসারি মেটিয়াবুরুজ১৩৭. রেহমত আলম আনসারি মেটিয়াবুরুজ১৩৮. ফরিদা পারভিন মেটিয়াবুরুজ১৩৯. শেখ মুস্তাক আহমেদ মেটিয়াবুরুজ১৪০. আবু মহম্মদ তারিক মেটিয়াবুরুজ১৪১. শিবনাথ গায়েন মেটিয়াবুরুজ১৪২. রঘুনাথ পাত্র বেহালা পূর্ব১৪৩. ক্রিস্টিনা বিশ্বাস বেহালা পূর্ব১৪৪. শেফালি প্রামাণিক পাত্র বেহালা পূর্ব

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Maldah TMC Leader: মালদায় প্রকাশ্যে বন্দুক চালানো প্র্যাকটিস করছেন তৃণমূল নেতা! ফুটেজ ভাইরাল হতেই অস্বস্তিতে দল

বন্দুক চালানো প্র্যাকটিস করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। মালদহের হরিশচন্দ্রপুরের কাতলামারিতে। টিপ করে গুলি চালানোর ছবি সামনে এল আজ। যদিও ভিডিও ফুটেজ বা ছবির সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে ওই ফুটেজ দেখেই আরজাউল হক নামে ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বেআইনি অস্ত্র রাখার আইনে মামলাও শুরু হয়েছে। আরজাউল কাতলামারি এলাকার মালিওর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান তোরিনা খাতুনের দেওর বলে পরিচিত।ভিডিওতে যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের মালিওর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান তোরিনা খাতুনের দেওর। তিনি ঝোপের মধ্যে বন্দুক তাক করে গুলি চালাচ্ছেন পরপর। আরজাউল দলের সক্রিয় সদিস্য।স্থানীয় নেতা। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে তাঁর হাতে বন্দুক এল? আর কেনই বা বন্দুকের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, সেটাও প্রশ্নের। তবে এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক।সার্বিক বিষয়কে ভীষণরকমভাবে অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতা।অন্যদিকে, ত্রিপুরার প্রসঙ্গে টেনে এনে তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, এখানে তো ওরা প্র্যাকটিস করছিল। ত্রিপুরায় তো গুলি করে মেরেই দিচ্ছে। আর আইনের শাসন না থাকলে কীভাবে গ্রেপ্তার হল ওই যুবক? পুলিশ তো তাকে গ্রেপ্তার করেছে। অনেকেই অনুপ্রবেশ করছে, তারাই দাবি করছে আমরা তৃণমূলের নেতা। তবে আদৌ তা কিনা, সেটাও দেখতে হবে। বিহার থেকে লোক ঢুকে পড়ছে। আর তারা তৃণমূলের নাম নিয়ে নিচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের কাতলামারি এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে দুই তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। মালিওর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষমতা দখলকে ঘিরে ফের ওই দুই গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মালিওর-২ এ বাম ও কংগ্রেস বোর্ড গঠন করে। পরে প্রধান ও বাকি সদস্যরা শাসক শিবিরে নাম লেখান। প্রধানের বিরুদ্ধে দলেরই একাংশ অনাস্থা পেশ করে। কিন্তু প্রধান আদালতের দ্বারস্থ হয়ে স্থগিতাদেশ পেয়েছেন। তা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। এই আবহেই প্রধানের দেওরের বন্দুক থেকে গুলি ছোড়ার ভিডিও ভাইরাল হতেই হইচই পড়ে গিয়েছে। এদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মালদা জেলা বিজেপি। বিজেপির পক্ষে প্রান গোবিন্দ মণ্ডল বলেন, তৃণমূল রাজ্য জুড়েই সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে রেখেছে। এখন তাদের তৃণমূল কর্মীদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। গ্রামে গ্রামে এখন উন্নয়ন কর্মসংস্থানের বদলে অস্ত্রপ্রশিক্ষণ দিয়ে জঙ্গি তৈরি করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এই প্রেক্ষিতে মালদা জেলা তৃণমূলের মূখপাত্র শুভময় বসু বলেন, যারা এমন কাণ্ড ঘটাবে দল তাদের পাশে থাকবে না। এরাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত বলেই পুলিশ অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যে তা কখনই হয়না। এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস জানান, আমরা আরজাউল হককে গ্রেপ্তার করেছি। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সমস্ত ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার ওপরে ওই এলাকায় চলছে পঞ্চায়েত প্রধানের নির্বাচনকে ঘিরে অনাস্থা। আর এরই মধ্যে তৃণমূল নেতার গেরিলা কায়দায় গুলি ছোড়ার ভিডিও ভাইরাল হতে এলাকায় বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

TMC Candidate List: তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় প্রমাণিত নেত্রীর প্রভাব, রয়ে গেলেন ফিরহাদ ও আরও পাঁচ বিধায়ক

পুরভোটের প্রার্থিতালিকায় কি এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি মানল না শাসকদল তৃণমূল? কলকাতা পুরভোটে ৩৯ জন কাউন্সিলারকে টিকিট দিল না শাসক তৃণমূল। কিন্তু বাদ দেওয়া হল না কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ ছয় বিধায়ককে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মুজমদার এবং প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। জল্পনা ছিল, এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি মেনে এঁদের পুরভোটের টিকিট দেওয়া হবে না।তবে পুরো বিষয়টিই ছিল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষ। দেখা গেল, মমতার অনুমোদন পায়নি সেই সিদ্ধান্ত। মমতা আবার বেছে নিয়েছেন তাঁর পুরোন দিনের লড়াইয়ের সঙ্গীদেরই। বস্তুত, প্রার্থিতালিকায় শেষমুহূর্তের রদবদলের কারণেই ছাপানো প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করতে খানিক বিলম্ব হয়ে যায় তৃণমূলের। পূর্ণাঙ্গ প্রার্থিতালিকা হাতে পেতে সংবাদমাধ্যমকে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।ফিরহাদ যেমন পুরভোটের টিকিট পেয়েছেন, তেমনই প্রার্থিতালিকায় নাম নেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র। জল্পনা ছিল, বাবুলকে সম্ভাব্য মেয়র হিসেবে তুলে ধরে পুরভোটের ময়দানে নামবে তৃণমূল। যদিও বদলের একাংশ বলছিলেন, বাবুল সদ্যই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন। এত দ্রুত তাঁকে কলকাতা পুরসভার মেয়রের মতো পদে তুলে ধরলে দলের একাংশে অনুযোগ তৈরি হতে পারে।ফিরহাদ নিজে পুরভোটেই দাঁড়াতে বেশি আগ্রহী ছিলেন। সূত্রের খবর, দলকে তিনি বলেছিলেন, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবেন। কিন্তু তাঁকে যেন পুরভোটের টিকিট দেওয়া হয়। দেখা গেল, শেষপর্যন্ত তাঁকে পুরভোটের টিকিট দেওয়া হল। মনে করা হচ্ছে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষমুহূর্তের হস্তক্ষেপে ফিরহাদ-সহ অন্য পুরোন অনুগত-রা পুরভোটের টিকিট পেলেন। যা থেকে এটা মনে করা হচ্ছে যে, দলের উপর নেত্রী মমতার প্রভাব এখনও নিরঙ্কুশ।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

TMC Candidate: কালীঘাটে দলীয় বৈঠকের পরই প্রার্থীতালিকা ঘোষণার পরিকল্পনা তৃণমূলের

শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় বৈঠকে বসবেন। তারপরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করা হবে বলে খবর। এবারের তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় যুবক ও মহিলাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। নতুন নেতৃত্ব তুলে আনার তাগিদে তারুণ্যকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা।এদিকে তৃণমূলের শীর্ষ সাংগঠনিক স্তর ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে আগামী সোমবার। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে ওই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ওয়ার্কিং কমিটির ২১ জন সদস্যই হাজির থাকতে বলা হয়েছে বলে শুক্রবার তৃণমূলের মুখপত্রে জানানো হয়েছে।দলের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে দলের অভিমুখ কী হবে, সে কথাই বৈঠকে জানাবেন মমতা এবং অভিষেক। পাশাপাশি, সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদেরা কী ভূমিকা নেবেন, তা-ও ঠিক করে দেওয়া হবে।গত কয়েক মাসে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সর্বভারতীয় স্তরের কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁদেরই অন্যতম, গান্ধি পরিবারের একদা ঘনিষ্ঠ হরিয়ানা প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অশোক তানওয়ারকেও ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তৃণমূলের মুখপত্রে বলা হয়েছে, দলের বাকি নেতাদের সঙ্গে তাঁকে (অশোক) আলাপ-পরিচয় করানো হবে।এর মধ্যে বিজেপি সূত্রের খবর, তাদের প্রার্থীতালিকা নিয়ে আলোচনা সেভাবে এগোয়নি। আজ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করবে বামফ্রন্টও। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা না হলেও কয়েকটি আসন ছেড়ে রেখেই তারা প্রার্থীদের নাম দেবে। যদিও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জোটের স্বার্থেই এই পথে হাঁটছে বামেরা। শোনা যাচ্ছে, বামফ্রন্টও জোর দিচ্ছে তারুণ্যের উপর।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
দেশ

Meghalaya: মমতাতেই আস্থা রেখে তৃণমূলে যোগ মুকুল সাংমা-সহ ১২ কংগ্রেস বিধায়কের

১১ জন বিধায়ককে নিয়ে দল ছেড়ে বৃহস্পতিবার তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা মুকুল সাংমা। এর ফলে মেঘালয়ে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ১৮ থেকে কমে হল ৬। সেই হিসেবে মেঘালয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এল তৃণমূল। ফের উত্তর পূর্বের রাজ্যে তৃণমূলী হানা। সব জল্পনাকে সত্যি করে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা-সহ ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক। কংগ্রেস শিবিরের জন্য এই ধাক্কা এক প্রকার অপ্রত্যাশিত ছিল। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর চলাকালীন, কাল রাতে এই বড় যোগদানের কথা সামনে আসে।This is New Beginning for the people of #Meghalaya - one that will take the state to even greater heights and usher in a bright future!We wholeheartedly welcome all 12 MLAs of @INCMeghalaya who joined the Trinamool Congress family. pic.twitter.com/0UMy3vYF6J All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 25, 2021আজ, মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কংগ্রেস ত্যাগী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা। সাংবাদিক সম্মলনে মুকুল বলেন, ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমরাই সরকারে আসব। কিন্তু কোনও কারণে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা না পেলেও ভোটের ফলে সর্ববৃহৎ দল হিসেবে আমরাই আত্মপ্রকাশ করি। কিন্তু তারপর কোন পদ্ধতিতে মেঘালয়ে সরকার গঠন হয়েছিল তা আপনারা সকলেই জানেন। গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা অপরিসীম। জনবিরোধী কাজকে বাধা দেওয়া ও সরকারে ভুল গুলি তুলে ধরাই বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব। আমরা সেই দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করে গিয়েছি। কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমরা সঠিকভাবে বিরোধী দলের নীতি পালন করতে পারিনি। দলীয় নীতি মেনে চলতে গিয়ে জনস্বার্থের সঙ্গে আপোশ করতে হয়েছে। তাই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে বিরোধী দলের মর্যাদা চেয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছেন মুকুল সাংমা। ত্রিপুরায় সুস্মিতা দেবের মতো নেত্রী কংগ্রেস ছেড়েছেন। গোয়াতেও ক্ষমতা বাড়াচ্ছে তৃণমূল। তাছাড়া, কীর্তি আজাদের মতো নেতা যোগ দিয়েছেন ঘাসফুল শিবিরে। যদিও তাতে ভাঙলেও মচকাতে চাইছে না কংগ্রেস। অন্তত প্রকাশ্যে তারা তেমনটাই বোঝাচ্ছে। লোকসভার কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেতা অধীর চৌধুরি বলেন, কংগ্রেসকে ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চল জুড়েই এই ষড়যন্ত্র চলছে। দিদি-মোদি সমঝোতা হয়েছে। কংগ্রেসকে দুর্বল করার জন্য দল ভাঙাচ্ছে তৃণমূল। আমি তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ করছি ও বিধায়কদের পদত্যাগ করতে বলুক তাঁরা।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Tripura Election: পুরভোটের সকাল থেকেই তাণ্ডব ত্রিপুরায়, আক্রান্ত তৃণমূলের দুই পোলিং এজেন্ট

ভোটপর্ব শুরু হতেই উত্তপ্ত ত্রিপুরা। এদিন সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ, চলবে বিকেল চারটে অবধি। তারই আগে আগরতলায় আক্রান্ত হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই পোলিং এজেন্ট। আহত কর্মীদের জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে চিকিৎসার জন্য। অভিযোগ উঠেছে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও।আগরতলার পুরভোট ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। প্রতিবেশী রাজ্য ত্রিপুরায় জায়গা দখলের লড়াইয়ে নেমেছে ওই রাজ্যের শাসক দল বিজেপি ও তৃণমূল। আর তা নিয়েই ত্রিপুরায় শুরু হয়েছে সংঘর্ষ। এ দিন সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর আগে আগরতলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রে যখন মক পোলিং চলছিল, সেই সময়ই তৃণমূলের দুই এজেন্টের উপর হামলা চালায় বিজেপির বাইক বাহিনী, এমনটাই অভিযোগ। আক্রান্ত দুই তৃণমূলকর্মীর নাম কৃষ্ণ নুপুর মজুমদার ও মনোজ চক্রবর্তী। লাঠির আঘাতে তাদের মাথা ফেটে গিয়েছে। চিকিৎসার জন্য আগরতলার জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।আহতকর্মী কৃষ্ণনুপুর মজুমদার জানান, এদিন সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ যখন মক পোলিং চলছিল, সেই সময়ই আচমকা একটি বাইক বাহিনী চড়াও হয়। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসতে বলা হয় তাদের। বেরতেই তাদের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। ব্যাপক মারধর করে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপিই এই হামলা চালিয়েছে।১৯ নম্বর ওয়ার্ডেও ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপি নেতা নন্দু বণিক তৃণমূলের ভোটারদের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ভিতর ঢুকতে দিচ্ছে না বলেই অভিযোগ উঠেছে।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Delhi-TMC Joining: দিল্লিতে তৃণমূলে তিন যোগদানের চমক

ত্রিপুরার পুরভোট থেকে গোয়ায় দলবদল। জাতীয় রাজনীতিতে ধারাবাহিক ভাবে খবরের শিরোনামে উঠে আসছে তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে মমতার দিল্লি সফরের সময় মঙ্গলবার জোড়াফুল শিবিরে যোগ দিলেন হিন্দি বলয়ের তিন প্রাক্তন সাংসদ কীর্তি আজাদ, অশোক তানওয়ার এবং পবন বর্মা।২০০৯ সালে হরিয়ানার সিরসা লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন অশোক। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে হেরে যান। এর কিছু দিন পরেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র সিংহ হুডার সঙ্গে মতবিরোধের জেরে দল ছাড়েন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে নতুন দল আপনা ভারত মোর্চা গড়ার কথা ঘোষণা করেন অশোক।Cricketer-turned-politician, Shri @KirtiAzaad joined our Trinamool Congress family today, in the presence of our Chairperson @MamataOfficial and our National General Secretary @abhishekaitc.We welcome him warmly and look forward to working together in this new journey! pic.twitter.com/89CWO3yCRW All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 23, 2021বিহারের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভগবৎ ঝা আজাদের ছেলে কীর্তি প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার। দুদফায় দ্বারভাঙা থেকে বিজেপি-র সাংসদও হয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের আগে কংগ্রেসে যোগ দেন। ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ লোকসভা কেন্দ্র কংগ্রেস প্রার্থী করলেও কীর্তি জিততে পারেননি। ২০২০ সালের দিল্লির বিধানসভা ভোটে সঙ্গম বিহার আসনে কংগ্রেসের টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়ে হেরে যান তাঁর স্ত্রীও।তৃণমূলের যোগদানকারী বিহারের আর এক নেতা পবন বর্মা রাজ্যসভার প্রাক্তন জেডি(ইউ) সাংসদ। প্রশান্ত কিশোরের (পিকে) ঘনিষ্ঠ ওই নেতা এক সময় নীতীশ কুমারের পরামর্শদাতা দলেরও সদস্য ছিলেন। নীতীশের বিজেপি-ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) বিরোধিতা করে ২০২০ সালের ২৯ জানুয়ারি জেডি(ইউ) থেকে বহিষ্কৃত হন। ঘটনাচক্রে, সেই দিনেই নীতীশ বহিষ্কার করেছিলেন পিকে-কে।Today, former @INCIndia MP Shri Ashok Tanwar joined the Trinamool Congress family in the presence of @MamataOfficial @abhishekaitc.As a prominent face in Haryana and an experienced politician, we are certain that together we shall ensure the welfare of all people. pic.twitter.com/lm9zWYtNtC All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 23, 2021তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরে অশোক টুইটারে সেই বার্তাই দিয়েছেন ভারতীয় রাজনীতি আজ এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এসে দাঁড়াল। এক দিকে আমরা বিজয়ের উল্লাস শুনছি। আর তার তলায় চাপা পড়ে যাচ্ছে প্রান্তিক মানুষের দুর্দশা এবং আর্তনাদ। স্রোতের মোড় ঘোরাতে এ বার আমাদের দরকার নতুন রাজনীতি।We are elated to welcome Shri @PavanK_Varma into our Trinamool Congress family.His rich political experience will help us serve the people of India and take this nation forward to even better days! pic.twitter.com/DlBiYtaqFX All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 23, 2021

নভেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: ত্রিপুরায় তৃণমূলের আন্দোলন নিয়ে খোঁচা দিলীপের

ত্রিপুরায় তৃণমূলের কার্যকলাপ নিয়ে ফের মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপের কটাক্ষ, পুরভোটের আগে নেতৃত্বের চোখে পড়ার চেষ্টা করছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।পুরভোটের আগে তৃণমূলের নেতারা খবরের শিরোনামে আসতে চাইছেন বলে মনে করেন দিলীপ। তিনি বলেছেন, ভোট আসছে। কেউ টিকিটের চেষ্টা করছেন তো কেউ পদের। খবরের শিরোনামে আসার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি চলছে নেতাদের চোখে পড়ার চেষ্টা। এখন এ রকম কিছু দিন চলবে।দিলীপের এই কথার প্রতিবাদে তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন বলেছেন, দিলীপবাবুরা ভোটের আগে লাইমলাইটে থাকার জন্য গোলমাল করতেন। উনি নিজেও সে কথা বলছিলেন। সে সব করেও লাভ কিছু হয়নি। তাই আবার এ সব বলছেন। যদি একটু প্রচারের আলোয় আসা যায়।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Tripura-Dilip: ত্রিপুরার ঘটনায় তৃণমূলের দিল্লি কর্মসূচিতে কটাক্ষ দিলীপের

দুটো ঢিল পড়েছে, তার জন্য নাকি দিল্লি আবার রাষ্ট্রপতি! ত্রিপুরার ঘটনার জেরে তৃণমূলের একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয়-সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ত্রিপুরার ঘটনার জেরে রাজধানীতে আজ একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূল শিবিরের। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছে তৃণমূল। পাশাপাশি, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন সাংসদরা।তৃণমূলের এই কর্মসূচিকেই কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূলের দিল্লি সফর নিয়ে তিনি বলেন, দিল্লি যাক, অন্য কোথাও যাক। দুটো ঢিল পড়েছে, তাতে নাকি দিল্লি, রাষ্ট্রপতি! আর যদি একটু বাড়াবাড়ি হয় তাহলে কি ইয়োনোতে যাবেন? সেটা ভেবে দেখুন।প্রসঙ্গত, ত্রিপুরার আঁচ এসে পৌঁছল শহর কলকাতায়। সোমবার সকালে বিজেপির সদর দপ্তরে লাগিয়ে দেওয়া হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। বিক্ষোভকারী তৃণমূল নেতা বলেন, বাংলার গণতন্ত্র রয়েছে। আজকে বিজেপির পার্টি অফিসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি লাগিয়ে দিয়ে আমরা প্রমাণ করে দিলাম, তৃণমূল চাইলে বাংলায় বিজেপি পার্টি অফিস নাও খাকতে পারত। কিন্তু তৃণমূল সেটা করবে না। তৃণমূল গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।

নভেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Abhishek Bannerjee: আজ নয়, সোমবার সকালেই ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেক

বিমান অবতরণে জটিলতা। ফলে সিদ্ধান্তে পরিবর্তন হল তৃণমূলের। রবিবার যাওয়ার কথা থাকলেও, ত্রিপুরা যাচ্ছেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার নয়, সোমবার পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনেই আগরতলা যাবেন অভিষেক। পুরভোটের প্রচারে তিনি সভাও করবেন।Our National Gen Secy Shri @abhishekaitc will reach Tripura tomorrow morning to stand beside our workers who were BRUTALLY ATTACKED by BJP goons. Permission to land today was denied.An autocrat is running the show in Tripura and we will fight tooth nail to end this torture! https://t.co/UQQXUHMZcM All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 21, 2021উত্তর-পূর্বের কয়েকটি রাজ্যের বিমানবন্দরে সন্ধ্যা ৭টার পর বিমান ওঠানামা বন্ধ থাকে। তার মধ্যে পড়ে আগরতলা বিমানবন্দরও। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে অভিষেক সেখানে যেতে পারেননি। তার পরির্বতে রাত ৮টায় বিশেষ বিমানে তিনি আগরতলা যেতে চেয়েছিলেন। সেই অনুসারে প্রস্তুতিও শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেখানেও ব্যাঘাত ঘটল। বিশেষ অনুমতি দেওয়া হল না অভিষেককে। ফলে বাতিল হল তাঁর রবিবারের ত্রিপুরা সফর। সূত্রের খবর, রবিবার সন্ধ্যায় তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে যান। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ মারফত জানতে পারেন, নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার কারণে আগরতলা বিমানবন্দরে তিনি নামার অনুমতি পাবেন না। যার কারণে ভঙ্গ হল অভিষেকের যাত্রা।

নভেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Agriculture Act: কৃষি আইন বাতিল ঘোষণায় লাড্ডু বিতরণ বর্ধমানে

কেন্দ্রীয় কৃষি আইন বাতিল ঘোষণায় তৃণমূল সহ বিরোধী দলের নেতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কৃষকদের অভিনন্দন জানাতে সোমবার বর্ধমানের বড়নীলপুর মেড়ে মানুষের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করা হয়। এই তিন আইন বাতিল করার জন্য তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে কুর্নিশ জানিয়েছেন বর্ধমানের তৃণমূল নেতা সুজিত ঘোষ।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণা করেছেন। অভিজ্ঞ মহলের মতে, আন্দোলনকারী কৃ্যক সংগঠন ও তৃণমূল কংগ্রেসের ক্রমাগত প্রতিবাদের ফলেই এই তিন কৃষি আইন বাতিল ঘোষণা করেছেন তিনি। সোমবার তৃণমূল নেতা সুজিত ঘোষ বলেন, আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় ও সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাই। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় কালা কৃষি আইনের টানা প্রতিবাদ করেছেন। পথে নেমে তৃণমূল আন্দোলন করেছে। কৃ্যকদের কোনও সমস্যা হলে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যে ভাবে নির্দেশ দেবে সে ভাবেই আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ব। আমরা কৃষকদের পাশে আছি। রাজ্য সরকার সবসময় কৃষকদের সঙ্গে থাকে। এদিকে দিল্লিতে আন্দোলনকারী কৃষকরা জানিয়ে দিয়েছে, শুধু মুখে ঘোষণা করলে হবে না কৃষি আইন বাতিলের পক্ষে সংসদে বিল আনতে হবে মোদি সরকারকে।

নভেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

TMC-Teacher: তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন বিষপানকারী শিক্ষিকারা

বদলির প্রতিবাদে গত অগস্ট মাসে বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন পাঁচ শিক্ষক। তাঁরাই এ বার তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। সূত্রের খবর, আগামী ২১ নভেম্বর, রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের রবীন্দ্র ভবনে তৃণমূলের সভায় শিক্ষক ঐক্য মুক্তি মঞ্চ-এর লক্ষাধিক সদস্য তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। ওই সভায় হাজির থাকবেন বিধায়ক তথা শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং তৃণমূলের ডায়মন্ড হারবার-যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী, বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শক্তি মণ্ডল প্রমুখ।গত ২৪ অগস্ট সল্টলেকের বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন পাঁচ শিক্ষক, পুতুল জানা মণ্ডল, অনিমা নাগ, ছবি চাকী দাস, শিখা দাস এবং জ্যোৎস্না টুডু। তড়িঘড়ি তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। চিকিৎসার পর সুস্থ হন তাঁরা। শিক্ষক ঐক্য মুক্তি মঞ্চ-এর ব্যানারে শিক্ষকদের বদলি-সহ একাধিক দাবিতে আন্দোলন করছিলেন তাঁরা। সেই সংগঠনই এ বার তৃণমূলে বিলীন হতে চলেছে।বিষপানকারী এক শিক্ষিকা ছবি চাকী দাস বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা খুশি। আমাদের সংগঠন তাই তৃণমূলে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

BSF: বিএসএফের ক্ষমতাবৃদ্ধি-বিরোধী প্রস্তাব পাশ বিধানসভায়

বিএসএফ-এর এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে আজ সরকারি প্রস্তাব আনা হয়েছিল বিধানসভায়। ভোটাভুটিতে পাশ হয়ে গেল সেই প্রস্তাব। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ১১২টি ও বিপক্ষে ভোট পড়েছে ৬৩টি। বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ালে সংবিধানের বিরোধিতা করা হবে বলে দাবি তৃণমূল সরকারের। এই ইস্যুতেই এ দিন সরব হয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়কেরা। এই প্রসঙ্গে বিধানসভার পরিষদীয় নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, ক্রমশ সীমান্তবর্তী নয়, এমন এলাকাতেও ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে বিএসএফ-এর। এ দিন ভোট দেননি আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএফের এলাকাবৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আদতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপরে আঘাত, এই মর্মেই সরকারি প্রস্তাব আনা হয় মঙ্গলবার। এই ইস্যুতে এ দিন বিধানসভায় সরব হন উদয়ন গুহ, তাপস রায়-সহ তৃণমূল বিধায়কেরা।এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, এই বিধানসভায় যেহেতু তৃণমূলের সংখ্যগরিষ্ঠতা আছে, তাই কোনও দিন আমরা হয়ত দেখব ভারতের সীমান্ত সুরক্ষার বিরুদ্ধে এরা প্রস্তাব পাশ করবে, কোনও দিন ভারতের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এরা প্রস্তাব পাশ করবে। বলবে ভারতের কোনও সুরক্ষার দরকার নেই। এরা ভুলে যায় যে এটা পশ্চিমবঙ্গের সুরক্ষার বিষয় নয়, ভারতের সুরক্ষার বিষয়। তৃণমূল সরকার বিধানসভায় বসে অধিকার বহির্ভূত চর্চা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, এ ভাবে তৃণমূল শত্রুদের ইন্ধন জোগাচ্ছে, সন্ত্রাসবাদীদের ইন্ধন জোগাচ্ছে। সরকারের এই প্রস্তাব নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • ...
  • 67
  • 68
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal