• ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ০২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sp

রাজনীতি

রাজনীতির মঞ্চে দেখা হবেঃ শুভেন্দু

রাজনীতির মঞ্চে দেখা হবে। লড়াইয়ের মাঠে দেখা হবে। শুভেন্দু ভয় পায় না। ২০০৭ সালের রক্তস্নাত সূর্যোদয় দিবসের বর্ষপূতি উপলক্ষে গড়চক্রবেড়িয়া হাইস্কুল মাঠে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবারের এই সভায় তিনি আরও বলেন , রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে থেকে রাজনৈতিক কথা বলব। কোন রাস্তায় গর্ত, কোথায় হোঁচট খাঁচ্ছি, কোন রাস্তায় হাঁটলে মসৃণ ভাবে চলব, সেটা তো রাজনৈতিক মঞ্চে বলব। পবিত্র প্ল্যাটফর্মে রাজনীতি করি না, করব না। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন , আমি জানি সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অপেক্ষা করে আছেন। তারা আমার মুখ থেকে কিছু শুনতে চান। আমি বলব। সব বলব। নন্দীগ্রামের মঞ্চ থেকে একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর। এছাড়াও তৃণমূলের নাম না করে শুভেন্দু খোঁচা দিয়ে বলেন, ১৩ বছর পর নন্দীগ্রামকে মনে পড়ল? ভোটের পর নন্দীগ্রামে আসবেন তো। এদিনের অরাজনৈতিক মঞ্চ থেকে বারবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি নন্দীগ্রামে নতুন লোক নই, চেনা বামুনের পৈতের দরকার নেই। সবসময় আপনাদের পাশে রয়েছি। ক্ষমতা নিয়ে কোনও কিছু করিনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করেছি। এই আন্দোলন শুভেন্দু অধিকারীর আন্দোলন নয়, স্বত:স্ফূর্ত লোকের আন্দোলন। তিনি আরও বলেন , নন্দীগ্রামের আন্দোলন কারও একার নয়। শুভেন্দু নিজের বক্তব্য শেষ করেছেন ভারতমাতা জিন্দাবাদ বলে। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুর সঙ্গে তৃণমূলের বিভাজন? সভা-পাল্টা সভায় সরগরম নন্দীগ্রাম নন্দীগ্রামে অত্যাচারের কাহিনী তুলে ধরে বাংলার সুশীল সমাজের অবদানের প্রসঙ্গ টেনে মহাশ্বেতা দেবী, শুভাপ্রসন্ন, পল্লব কীর্তনীয়া, অর্পিতা ঘোষদের নাম নেন শুভেন্দু। সভার শেষে শুভেন্দুর জয় জয় নন্দীগ্রাম স্লোগানে মুখরিত হয়েছে গোটা এলাকা। এদিনের শুভেন্দুর সভায় উপস্থিত ছিলেন তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী, খেজুরীর বিধায়ক রণজিৎ মণ্ডল, নন্দীগ্রামের শহিদ মাতা ফিরোজা বিবি, সংগ্রাম দলুই সহ ভূমি উচ্ছেদ কমিটির সদস্যরা। শুভেন্দুর ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যের পূর্বে মঞ্চ থেকে উপস্থিত জনস্রোতকে প্রণাম জানিয়ে নন্দীগ্রামের আন্দোলনের ইতিহাস বর্ণনা করেন। সঙ্গে নন্দীগ্রামের প্রতিটি শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে শীতের চাদর তুলে দেন।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে চালু এবার নতুন ওয়েবসাইট

পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে এবার নতুন ওয়েবসাইট চালু করল আমরা দাদার অনুগামীরা। www.dadaranugami.com এই লিঙ্ক-এ গিয়ে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করা যাবে ১২ নভেম্বর থেকে। তিনিই যে প্রকৃ্ত জননেতা , তা সকলের সামনে তুলে ধরার জন্য এই ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন অবিলম্বে পাস করানোর দাবিতে বিধায়ককে স্মারকলিপি বাংলা পক্ষের প্রসঙ্গত , সম্প্রতি দলের ব্যানার ছাড়া বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি বিভিন্ন বক্তব্য রাখছেন। তাঁর এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে শাসক দলের অন্দরে। এরইমধ্যে আগামিকাল মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সভা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। পালটা সভা করবেন ফিরহাদ হাকিম। এই দুটি সভার দিকে সকলের লক্ষ্য রয়েছে। ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অশোক করন বলেন, প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। তিনটে মঞ্চ করা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর জন্য আলাদা একটি মঞ্চের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা আশা করছি মঙ্গলবারের সভায় লক্ষাধিক লোক আসবেন। মাঠে ৫০ হাজারের ওপর লোক হবে। অন্য জেলা থেকেও একাধিক গাড়িতে মানুষ আসবেন সভা শুনতে। উল্লেখ্য , শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পোস্টার পড়েছে। এনিয়ে দলের মধ্যে থেকে শুভেন্দু বিরোধী কিছু বক্তব্য মাঝেমধ্যেই প্রকাশ্যে চলে আসছে। রবিবারই দেখা গিয়েছিল , দলনেত্রীর সঙ্গে একই ব্যানারে শুভেন্দুর ছবি জায়গা করে নিয়েছে। এই ছবি দলের মধ্যে বেড়ে চলা বিরোধকে কিছুটা মেটাতে চেষ্টা করবে বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

ভুবনেশ্বরে সিবিআই-এর স্পেশাল সেলে মারা গেলেন আইকোর কর্তা অনুকূল মাইতি

মারা গেলেন আইকোর কর্তা অনুকূল মাইতি। রবিবার ভুবনেশ্বরে সিবিআই-এর স্পেশাল সেলে মৃত্যু হয় তাঁর। জানা গিয়েছে , তাঁর ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা ছিল। শনিবার রাতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। জেলের হাসপাতালেই ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। সেখানেই তিনি মারা যান। প্রসঙ্গত , বছর ১২ আগে বাংলায় তৈরি হওয়া একাধিক চিটফান্ড সংস্থার মধ্যে আইকোর ছিল অন্যতম। ২০০৭ সালে নিজের সংস্থা তৈরি করেন। ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে অনুকূলকে গ্রেফতার করে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা। আরও পড়ুন ঃ বিভিষণ হাঁসদার মেয়ের চিকিৎসায় সবরকম সাহায্যের আশ্বাস বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকারের দক্ষিণ কলকাতায় নিজের বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। তাঁর স্ত্রীকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই এই মামলায় হাত দেয় সিবিআই। এই সময় দেখা যায় ডিবেঞ্চার, ফিক্সড ডিপোজটের মতো নানা প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা বাজার থেকে তুলেছেন অনুকূল। ভুবনেশ্বরে সিবিআইয়ের স্পেশাল সেলে রাখা হয়েছিল অনুকূল মাইতি ও অন্যান্য ধৃতদের। মাত্র কয়েক মাস আগেই জামিনে মুক্তি পান অনুকূলের স্ত্রী। অনুকূলের পরিবারের দাবি, সম্প্রতি কটক হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছিলেন অনুকূলও।কিন্তু জামিনের শর্ত হিসাবে প্রয়োজনীয় বন্ডের টাকা জমা দিতে না পারায় জেল থেকে ছাড়া পাননি তিনি।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

ক্ষমতার দম্ভ থাকলে মানুষ পাশে থাকে নাঃ শুভেন্দু

ক্ষমতার দম্ভ থাকলে মানুষ পাশে থাকে না। ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হয়। মঙ্গলবার পটাশপুরে এক সভা থেকে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আরও বলেন , আপনারা দেখেছেন ২০০৯ সালে আমার মার্জিন ছিল এক লক্ষ ৭২ জাজার, ২০১৪-তে মার্জিন আড়াই লক্ষ হয়ে যায়। ভাল কাজ করলে, মানুষের সঙ্গে থাকলে সমর্থন বাড়বে। আরও পড়ুন ঃ ক্যানিংয়ে গুলিবিদ্ধ তিন তৃণমূল কর্মী , ধৃত ২ আর ক্ষমতার দম্ভ দেখালে ২৩৫ যেমন এখন উঠে গেছে, যারা পঞ্চায়েতে আছেন তারা মানুষকে নিয়ে চলেন অনেক দিন থাকবেন মানুষকে নিয়ে না চললে মানুষই সরিয়ে দেবে। তাঁর বক্তব্য , পার্টি দেখে কাজ করলে বেশি দিন থাকবেন না। মানুষকে নিয়ে কাজ করলে বেশি দিন থাকবেন। যতই ক্ষমতার দম্ভ দেখান না কেন মানুষ শেষ কথা বলে। আমি তা নন্দীগ্রামে দেখেছি। ২৩৫ আমরা, ৩০ জনের কথা শুনব কেন? তাঁর এদিনের করা মন্তব্য নিয়ে ফের রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করুন , এসপি , ডিএমদের বার্তা ধনকড়ের

নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করুন। সোমবার দার্জিলিঙের রাজভবনে এসপি ও ডিএমদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সেখানে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে লেখেন, কাজের সময় রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকা উচিত। কোনও আপস করা চলবে না। এদিন তিনি দার্জিলিঙের ডঃ সন্তোষ নিম্বলকর ও জেলাশাসক এস পুনমবালমের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় উঠে আসে। রাজ্যপাল তাদের অনুরোধ করেন, যা্তে তারা রাজনীতির উব্ধে উঠে নিরপেক্ষভাবে কাজ করেন। আরও পড়ুন ঃ এখনও শুরু হয়নি দুর্গাপুর ব্যারাজের ৩১ নং লকগেটের মেরামতির কাজ প্রসঙ্গত , রবিবারই তিনি দার্জিলিঙে এসেছেন। আগামী এক মাস তাঁর উত্তরবঙ্গে থাকার কথা। এই সময়ে তিনি প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন। এছাড়াও বৈঠক করবেন সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
দেশ

বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধার আগে রাজনীতি থেকে অবসর নেবঃ মায়াবতী

বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধার আগে রাজনীতি থেকে অবসর নেব। ভো্লবদল করে সোমবার একথা জানালেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। প্রসঙ্গত , সম্প্রতি তিনি বলেছিলেন, সপা প্রার্থীকে হারাতে প্রয়োজনে তিনি বিজেপিকে সমর্থন করবেন। বিএসপি নেত্রী এদিন বলেছেন , রাজনৈতিক ফায়দার জন্য তাঁর বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করেছে সমাজবাদি পার্টি ও কংগ্রেস। ভবিষ্যতে কোনও নির্বাচনেই বিজেপির সঙ্গে বিএসপির জোট হতে পারে না। আমাদের আদর্শ সর্বধর্ম সেবা। আর বিজেপি আপাদমস্তক সাম্প্রদায়িক দল। ওঁদের সঙ্গে জোট করার আগে আমি রাজনীতি থেকে অবসর নেব। আরও পড়ুন ঃ বিহারের মসনদের জন্য লড়াই করা যুবরাজকে মানুষ ধরাশায়ী করে দেবেঃ মোদি মায়াবতী আরও বলেন, তিনি সপা প্রার্থীকে সমর্থন করবেন না বলে জানিয়েছিলেন। বহুজন সমাজবাদি পার্টির দিক থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের সমর্থন কেড়ে নিতেই তাঁকে বিজেপির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।উল্লেখ্য , মায়াবতীর বিজেপিকে সমর্থন করা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় দলের অন্দরে। তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে কংগ্রেসও। পরিস্থিতি সামাল দিতেই তাই এদিন নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মায়াবতী।

নভেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

ফের স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে সাধারণ যাত্রী উঠতে চাওয়ায় ধুন্ধু্মার বৈদ্যবাটি স্টেশনে

ফের স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে সাধারণ যাত্রীরা উঠতে চাওয়ায় ধুন্ধু্মার পরিস্থিতি তৈরি হল হুগলির বৈদ্যবাটি স্টেশনে। মঙ্গলবার সকালে রেললাইনে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ চলতে থাকে। এর জেরে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। জানা গিয়েছে , সকাল সাড়ে ৭ টা নাগাদ ওই ট্রেনটি বৈদ্যবাটি স্টেশনে আসে। তখন সেই ট্রেনে উঠতে গেলে বাধা পায় যাত্রীরা। এরপরেই তারা রেললাইনে গাছের গুড়ি ফেলে অবরোধ শুরু করে। অনেকক্ষণ অবরোধ চলার পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরো্ধ উঠে যায়। আরও পড়ুন ঃ বাংলা পক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত পুরুলিয়া বঙ্গভুক্তি দিবস প্রসঙ্গত, আজই নবান্নে রাজ্যে নিয়মিত ট্রেন চলাচল নিয়ে রেল-রাজ্য সরকার গুরুত্বপূ্র্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দিতে আজ বিকেলে নবান্নে আসছেন পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আধিকারিকরা। সম্ভবত তারপরই লোকাল ট্রেনের চাকা গড়ানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। এরইমধ্যে এই ঘটনা ঘটায় চিন্তা বাড়ছে সব মহলেই।

নভেম্বর ০২, ২০২০
রাজনীতি

সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে উঠেছিঃ শুভেন্দু

ছোটলোকদের দিয়ে বাজে কথা বলিয়ে ভেবেছে আমি উত্তর দেব। আমার লেভেলটা ওই নাকি ? শনিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে শহিদ তীর্থ নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজে এক বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তাঁকে মঞ্চে পুষ্পস্তবক দিয়ে সম্মান জানানো হয়। সেখানে তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে কটাক্ষ করে এই মন্তব্য করেন। তিনি বিরোধীদের সমালোচনা করে আরও বলেন , কুকুর পায়ে কামড়ালে মানুষ কখনো কুকুরের পায়ে কামড়ায় না। আমি প্যারাসুটে নামিনি এবং লিফটেও উঠিনি। সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে উঠছি। আমাকে ওসব করে লাভ নেই। তিনি আরো বলেন, ভোটের পরে সংকীর্ণ রাজনীতি আমাদের নন্দীগ্রামের প্রতিনিধি করেনি। আমার বিভিন্ন সময়ে পদের পরিবর্তন হয়েছে , হতে পারে। আমি আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব। সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, যতক্ষণ না আমার মুখ থেকে কিছু শুনছেন , ততক্ষণ বাজারি সংবাদপত্র ও ঘরে এসিতে বসে পোর্টাল চালাচ্ছেন, এগুলো উপেক্ষা করুন। নিজের লড়াই নিজে করুন। আরও পড়ুন ঃ জেপি নাড্ডার বদলে নভেম্বরে রাজ্যে অমিত শাহ এদিন তিনি ঘোষণা করেন , ১০ নভেম্বর রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তি। সাড়ে দশটায় করপল্লিতে আসব। আমার সমস্ত আত্মীয়রা সেখানে থাকবেন। সেখানে পুষ্পার্ঘ্য দেব। তারপরে গোকূলনগরে হাইস্কুলের মাঠে সমাবেশ করব। খেজুরির সাধারণ মানুষকে সেই সভায় যোগ দেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কোভিড যখন আমার হয়েছিল তখন বহু মানুষ ফোন বা মেসেজ করেছিলেন কিন্তু এমন অনেকেই ফোন করেননি যাঁদের নাম বললে তাঁরা বিপদে পড়বেন। এদিন তিনি বললেন, আশ্চর্য হয়ে যায় কেউ কেউ অতীত ভুলে যায়। তিনি কিভাবে ধাপে ধাপে আন্দোলন করেছেন , সে কথা এদিনের সভা থেকে তিনি তুলে ধরেন। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, একক শক্তি দিয়ে কোনও কাজ কেউ করতে পারেন না। স্বামী বিবেকানন্দ এটা বলেছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন আমি, আমি করা হল সর্বনাশের মূল। শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্য ঘিরে জোরদার জল্পনা শুরু হয় রাজ্য রাজনীতিতে।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
দেশ

সমাজবাদী পার্টিকে হারাতে প্রয়োজনে বিজেপিকে ভোটঃ মায়াবতী

আসন্ন বিধান পরিষদের নির্বাচনে আমরা সমাজবাদী পার্টির বিরোধিতা করব। যে কোনও মূল্যে ওদের দ্বিতীয় প্রার্থীকে হারাব। আর সেজন্য যদি আমাদের বিজেপিকে ভোট দিতে হয়, সেটাই দেব। বৃহস্পতিবার সরাসরি বিজেপিকে সমর্থন করে নিজের অবস্থান পরিস্কার করলেন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতী। আরও পড়ুন ঃ বিহারে প্রথম দফার বিধানসভা ভোট শান্তিপূর্ণ তিনি আরও বলেন , যখন আমরা উত্তরপ্রদেশের লোকসভা নির্বাচনের জন্য সমাজবাদী পার্টির সাথে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তখন আমরা এর জন্য খুব কঠোর পরিশ্রম করেছি। কিন্তু আমাদের জোটের প্রথম দিন থেকে সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব এসসি মিশ্রকে বলে চলেছেন যেহেতু বিএসপি-সপা হাত মিলিয়েছিল, তাই আমার উচিত ১৯৯৫ সালের জুন মাসে দায়ের করা মামলাটি তুলে নেওয়া। বন্ধুত্ব রাখতে সেটাই করেছি। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের পরে যখন আমরা সমাজবাদী পার্টির আচরণ দেখেছি তখন আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে আমরা তাঁদের বিরুদ্ধে ১৯৯৫ সালের ২ জুনের মামলাটি ফিরিয়ে নিয়ে বড় ভুল করেছি এবং তাঁদের সঙ্গে আমাদের যোগ দেওয়া উচিত হয়নি। প্রসঙ্গত , এর আগে বিভিন্ন ইস্যু্তে তিনি পরোক্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এবার তিনি তার সমর্থনের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করলেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাজ্য

কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্যর জন্য কাজ করলে হবে নাঃ শুভেন্দু

যার হুঁশ আছে , তাকে মানুষ বলে। আর এই হুঁশযু্ক্ত মানুষই একে অপরের জন্য কাজ করে। বুধবার বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে এসে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মনীষিদের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন , কো্নও নির্দিষ্ট লক্ষ্যর জন্য কাজ করলে হবে না। সকলের জন্য কাজ করতে হবে। আরও পড়ুন ঃ নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ রাজ্য সরকারের তিনি আরও বলেন , মানুষের জন্য কাজ করতে গেলে কারও ছাড়পত্র লাগে না। কোনও পদ লাগে না। ভারত সেবাশ্রম সংঘকে সঙ্গে নিয়ে লকডাউনের সময় সাড়ে চার হাজার লোককে খাইয়েছি। সব রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক ব্যক্তির নির্দিষ্ট গণ্ডি আছে। তিনি সকলের কাছে আবেদন করেন, চলুন এবার আমরা নিজেদের মানুষের কাজে লাগাই।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে ডায়ালিসিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের

একইরকম রয়েছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা। বুধবার ডা. অরিন্দম কর জানান, নতুন করে সৌমিত্রবাবুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি যেমন হয়নি, তেমনই পরিস্থিতির অবনতিও হয়নি। তাঁর রক্তক্ষরণ বন্ধ করা গিয়েছে। হিমোগ্লোবিন-সহ অন্যান্য বিষয়গুলিও স্থিতিশীল। গত ২৪ ঘণ্টায় ১.৫ লিটার ইউরিন হয়েছে। তবে রেনাল ফাংশানের উন্নতির প্রয়োজন। এর জন্য ২-৩টি এপিসোডের ডায়ালিসিসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ করোনায় আক্রান্ত অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য এতে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণ কমবে। যার ফলে আচ্ছন্নভাব কিছুটা হলেও কাটবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফুসফুসের অবস্থাও মোটামুটি স্থিতিশীল। প্রবীণ অভিনেতার অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৪০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যেই রয়েছে। গত ৬ অক্টোবর থেকে তিনি বেলভিউ হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। করোনা আক্রান্ত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। কিন্তু বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমেই অবনতি হওয়ায় তাঁকে ডায়ালিসিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কতৃ্পক্ষ ।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
কলকাতা

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল কলকাতা পুলিশের এক সাব ইন্সপেক্টরের। মৃত সাব ইন্সপেক্টরের নাম সঞ্জয় সিং। তিনি কলকাতা আর্মড পুলিশের তৃ্তীয় ব্যাটেলিয়নে কর্মরত ছিলেন। একেবারে সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে তিনি করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছিলেন ৷ সম্প্রতি হাসপাতালে ভরতি হন তিনি। সেখানে তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আরও পড়ুন ঃ আগুন লেগে ভস্মীভূত এফডি ব্লকের পুজো মণ্ডপ প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসায় তিনি সাড়া দিলেও পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে থাকায় তাঁকে আইসিইউতে ভরতি করা হয়। বুধবার ভোররাতে তাঁর মৃত্যু হয়। সঞ্জয়বাবুর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন নগরপাল অনুজ শর্মা ৷

অক্টোবর ২৮, ২০২০
কলকাতা

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন অনুপম হাজরা

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন বিজেপির জাতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। সোমবার তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। কয়েকদিন আগে তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে বিপি পোদ্দার হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। তার কোনও কো- মরবিডিটি ছিল না। আরও পড়ুনঃ রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে অ্যাম্বুল্যান্স ও বেডের পর্যাপ্ত ব্যবস্থার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর তিনি দলের এক কর্মীসভায় বলেছিলেন , আমার করোনা হলে আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জড়িয়ে ধরব। তার কয়েকদিন বাদে তিনি নিজেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর থেকেই তিনি হাসপাতালে ভরতি ছিলেন।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে অ্যাম্বুল্যান্স ও বেডের পর্যাপ্ত ব্যবস্থার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে করোনার সংক্রমণ আরও বিপজ্জনক হতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদেরও। এই পরিস্থিতি সোমবার রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত বেডের ব্যবস্থা ও রাজ্যের নানা প্রান্তে পর্যাপ্ত সংখ্যায় অ্যাম্বুল্যান্স তৈরি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পুজোর আগে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হয়। ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, ডিজি, কলকাতা, হাওড়ার পুলিশ কমিশনার। এছাড়াও ছিলেন কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশনের কমিশনার, বিপর্যয় মোকাবিলা এবং অন্যান্য দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ অন্য প্রশাসনিক আধিকারিকরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুনঃ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মতলায় মিছিল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের নবান্নের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নিজে উপস্থিত না থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টেলিফোনে আরও একবার পুজোয় মাস্কের আবশ্যকতার কথাও উল্লেখ করেন। এছাড়া সকলে মাস্ক পরছেন কিনা সেদিকে পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের নজর রাখার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। তাছাড়া সকলকে পুজোয় ঠাকুর দেখার সময় মাস্ক (Mask) পরার কথাও বলেন তিনি। সকলে আদৌ মাস্ক পরছেন কিনা তা পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সুনিশ্চিত করার নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

জ্বর নেমেছে দিলীপ ঘোষের, কো মর্বিডিটি না থাকায় স্বস্তি

করোনায় আক্রান্ত হয়ে শুক্রবারই রাত দশটা নাগাদ সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শনিবার সকালে অনেক ভাল আছেন দিলীপ ঘোষ। জ্বর অনেকটাই কমেছে। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতির শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক নয় বলে জানানো হয়েছে হাসপাতালের তরফ থেকে। কারণ , কোনও কোমর্বিডিটি নেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ বলবিন্দরকে মুক্তি না দিলে আজ নবান্নের সামনে অনশনে বসবেন স্ত্রী ও পুত্র জানা গিয়েছে, গত তিনদিন ধরেই হালকা জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। অসুস্থ থাকায় বাতিল করেছিলেন একাধিক দলীয় কর্মসূচিও।শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁর করোনা পরীক্ষা করানো হলে সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ১০২ ডিগ্রি জ্বর থাকায় তাঁকে শুক্রবার এইচডিইউতে ভর্তি করা হয়। তাঁর আক্রান্ত হওয়ার খবরে রীতিমতো চিন্তায় বিজেপিকর্মী সমর্থকরা।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
রাজ্য

স্পেশাল ট্রেনে ওঠাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার লিলুয়া স্টেশন

ফের স্পেশাল ট্রেনে ওঠাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোল। এবার হাওড়ার লিলুয়া স্টেশনে যাত্রীদের বিক্ষোভ তুমুল আকার ধারণ করল। হল ভাঙচুর। জানা গিয়েছে, সো্মবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ একটি স্পেশাল ট্রেন জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে যাছিল হাওড়ার দিকে। সেই ডাউন ট্রেনে আগেই উঠে পড়েছিলেন কয়েকজন যাত্রী । ট্রেনে চলছিল স্পেশাল চেকিং। ফলে ধরা পড়ে যান তারা। স্পেশাল ট্রেনে ওঠার বৈধতা না থাকায় তাঁদের ফাইন করতে চান টিকিট পরীক্ষকরা । ঘটনায় যাত্রীদের সঙ্গে টিকিট পরীক্ষকদের বচসা শুরু হয় । টিকিট পরীক্ষকরা জানিয়ে দেন, যাত্রীদের জরিমানা দিতে হবে । তবেই তাঁরা ছাড়া পাবেন । এতে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা লিলুয়া স্টেশনের একটি ঘরে ভাঙচুর চালান । ঘরের সামনে রাখা ফুলের টব, বাইরে লেখা সাইনবোর্ড সমস্ত কিছু ভেঙে দেন। আরও পড়ুন ঃ ট্রাকের ধাক্কায় মৃত ৩ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে রেলপুলিশ ও র্যাফ । যদিও তার আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যান বিক্ষোভকারী যাত্রীরা । খানিকক্ষণ পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। প্রসঙ্গত, এর আগে হুগলির পাণ্ডুয়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার সো্নারপুর স্টেশনে লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে অবরোধ করেন যাত্রীরা । সো্মবারও চুঁচুড়া স্টেশনে অবরোধ করা হয়।

অক্টোবর ১২, ২০২০
কলকাতা

স্পা-এর আড়ালে মধুচক্র , ধৃত টেলি অভিনেতা সহ ১৬

স্পা-এর আড়ালে চলছিল মধুচক্রের আসর। সেখানে হানা দিয়ে বাংলা সিরিয়ালের এক অভিনেতা-সহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করল কলকাতা পুলিশের এসটিএফ ও গোয়েন্দা পুলিশ। কলকাতার রাসবিহারী অ্যাভিনিউ ও রফি আহমেদ কিদোয়াই রোড়ের ওই স্পা দুটিতে মধুচক্র চালানো হচ্ছে, কিছুদিন আগে এমন খবর পৌঁছয় পুলিশের কাছে। সেই খবরের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে ওই স্পা-তে হানা দেয় তদন্তকারীরা। সেখান থেকে বেশ কয়েকজন তরুণীকেও উদ্ধার করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ একটি রাজনৈতিক দল রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে , টুইট নবান্নের এদিন রাতে প্রথমে তল্লাশি চালানো হয় রাসবিহারী অ্যাভিনিউয়ের স্পা-তে। সেখান থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে একজন বাংলা সিরিয়ালের পরিচিত মুখ। অভিযোগ তিনিও নাকি ক্রেতা হিসেবেই ওই মধুচক্রের আসরে গিয়েছিলেন। এরপরই তালতলা থানা এলাকার রফি আহমেদ কিদোয়াই রোড়ের স্পায়ে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ৫ জনকে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অক্টোবর ১১, ২০২০
রাজ্য

স্পেশাল ট্রেনে উঠতে দেওয়ার দাবিতে রেল অবরোধ যাত্রীদের

এবার ট্রেন চালালে সকলের জন্য চালাতে হবে । এই দাবিতে রবিবার সকাল ৭টা থেকে পাণ্ডুয়া স্টেশনে রেল অবরোধ করল যাত্রীরা । যাত্রীদের দাবি , সাধারণ ট্রেন পরিষেবা যত দ্রুত সম্ভব চালু করতে হবে। যাত্রীদের দাবি , বাজারে সব কিছু খুলে গেছে । শুধু ট্রেন চলছে না । চললে সব চলবে , না হলে সব বন্ধ হোক । এদিন সকালে স্পেশাল ট্রেন পান্ডুয়া স্টেশনে ঢুকতেই তা আটকে দেয় যাত্রীরা । রেললাইনে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় ব্যান্ডেল ও পাণ্ডুয়া জিআরপি ও আরপিএফ কর্মীরা। তারা যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার পর অবরোধ উঠে যায়। আরও পড়ুনঃ গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে প্রাণ হারালেন ৬২ জন অবরোধকারীদের বক্তব্য, প্রায় সাত মাস ধরে চরম অসুবিধার মধ্যে দিনযাপন করতে হচ্ছে তাদের । যারা দিন আনে দিন খায় , তারা স্পেশাল ট্রেনে চড়লে তাদের নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে । ফাইন করা হচ্ছে । অনেকে ছোট কারখানায় বা কোনও সংস্থায় কাজ করে । অনেকে দোকানে কাজ করে। পরের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে । তাদের কাজে যেতে হচ্ছে । অথচ যাওয়ার কোনও রাস্তা নেই। কারণ , রেল কর্মচারীদের জন্য যে কয়েকটি স্পেশাল ট্রেন চলছে , তাতে সাধারণ মানুষ যেতে পারবে না । তবুও সবকিছুকে উপেক্ষা করেই অনেকেই বাধ্য হয়ে স্পেশাল ট্রেনেই কর্মস্থলে যাচ্ছিল। কিন্তু রেল পুলিশ তাতেও বাধা দিচ্ছে। এছাড়াও এদিন একই দাবিতে রেল অবরোধ হয় হুগলি এবং খন্যান স্টেশনে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই প্রসঙ্গে বলেন , কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার বসে আলোচনা করুক , সুরক্ষাবিধি মেনে কিভাবে লো্কাল ট্রেন চালানো যায়। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি স্পেশাল ট্রেনে সাধারণ যাত্রীদের উঠতে দেওয়ার দাবিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছিল সো্নারপুর স্টেশন।

অক্টোবর ১১, ২০২০
দেশ

সাম্প্রতিককালে দেশে বাক স্বাধীনতার চূড়ান্ত অপব্যবহার হচ্ছেঃ সুপ্রিম কোর্ট

বাক স্বাধীনতার চূড়ান্ত অপব্যবহার হচ্ছে। আর এই বিষয়ে সরাসরি দেশের গণমাধ্যমগুলির উপরে সরাসরি আঙুল তুলল শীর্ষ আদালত। করোনা আবহের প্রাক্কালে দিল্লিতে যে তাবলিগি জমায়েত হয়েছিল তার রায় দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এস বোবদে। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মিডিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়ার মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই আবেদনের শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি জানান, সম্প্রতি বাকস্বাধীনতা সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার হচ্ছে। গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্ব নিয়ে খবর পরিবেশন করা উচিত। না হলে যেকোনও সময়ে হিংসা ছড়িয়ে যেতে পারে। আরও পড়ুনঃ ধর্ষণ করিনি, নির্যাতিতাকে মেরেছে মা এবং দাদা, চিঠিতে দাবি অভিযুক্তদের যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে গণমাধ্যমের হয়ে হলফনামায় বলা হয়েছে ওই সময় খারাপ প্রতিবেদনের কোনও উদাহরণ নেই।এদিন অবশ্য এই হলফনামা তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের এক জুনিয়র অফিসার পেশ করেন। যা চূড়ান্ত অপমানজনক বলে মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট -এর প্রধান বিচারপতি বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিবকে এই নিয়ে ফের হলফনামা দায়ের করতে হবে। এদিন বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন আজ যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে তার যথোপযুক্ত প্রমাণ কি আপনাদের কাছে আদৌ আছে? যদি থাকে তাহলে সেটা পেশ করা উচিৎ ছিল। তাই আজকের পেশ করা হলফনামা বাতিল করা হল।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

কবর থেকে দেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো্র নির্দেশ বিচারকের

ময়লা ফেলা নিয়ে বিবাদকে কেন্দ্র করে খুন হয় ইশরার। তিনি আসানসোল উত্তর থানার রেলপাড়ের বাসিন্দা। তার পিতার নাম হাজি ইমতিয়াজ। ইশরারের শশুর মুস্তাফিজ আলম আসানসোল দক্ষিণ থানায় ইশরারকে খুন করার অভিযোগ দায়ের করেন।মামলা আদালতে গেলে বিচারক কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ পালন করতে গিয়ে স্থানীয় লো্কজনের বাধায় ফিরে আসতে হয় পুলিশকে। এরপর শুক্রবার বিশাল পুলিশ বাহিনী, বিচারক, চিকিৎসকের উপস্থিতিতে কবর থেকে মৃতদেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও ১ জানা গিয়েছে, কাপড়ের দোকানের সামনে ময়লা ফেলা নিয়ে বিবাদ। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানায় ইশরার।এরপর মহঃ জালোর পাঁচ ছেলে মিলে ইশরারকে মারধর করে। ঘটনাটি ঘটেছে, গত রবিবার আসানসোল বাজারে। এরপর ইশরারকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই মারা যান তিনি। এরপর তার মৃতদেহ শীতলাডাঙ্গা কবরস্থানে কবর দেওয়া হয়।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ইটাহারের বিডিওর বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ বিজেপির; পাল্টা অভিযোগ বিডিওর

উত্তর দিনাজপুর: ইটাহার ব্লকের বিডিও দিব্যেন্দু সরকারের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থের অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সরকারি কাজের আড়ালে ব্যক্তিগত খরচের বিল সরকারি খাতে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। পাশাপাশি নিরপেক্ষ অডিট ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবিও জানিয়েছে দল।বিজেপির অভিযোগ, ২০২৪ সালে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার নির্মাণ ও সংস্কারের বিভিন্ন কাজের জন্য এক ঠিকাদারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দলের দাবি, সরকারি টেন্ডার ও ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে কিছু কাজ হলেও, তৃণমূল বিধায়ক মোশারফ হোসেনের কার্যালয়ের সৌন্দর্যায়ন এবং বিডিওর ব্যক্তিগত কিছু কাজ সরকারি নিয়ম না মেনে মৌখিক নির্দেশে করানো হয়।অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, খাসির মাংস, বাড়ির রাঁধুনি ও গৃহকর্মীর বেতন, ট্রলিব্যাগ, এমনকি বাড়ির ছাদের দোলনার খরচও সরকারি বিল হিসেবে জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা সরকারি অর্থের চরম অপব্যবহারের নজির হতে পারে বলে দাবি অভিযোগকারীদের।বুধবার বিকেলে বিজেপি নেতা নিমাই সিংহের নেতৃত্বে দলের এক প্রতিনিধি দল এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার হুমায়ুন রহমান ইটাহার বিডিও অফিসে গিয়ে বকেয়া বিল মেটানোর দাবি জানান। অভিযোগ, এ নিয়ে বিডিওর সঙ্গে বচসা শুরু হয়। বিজেপি কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে লাইভ সম্প্রচার শুরু করলে বিডিও আপত্তি জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর ঠিকাদার হুমায়ুন রহমান ও বিজেপি নেতারা ইটাহার থানায় বিডিওর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।ঠিকাদার হুমায়ুন রহমানের দাবি, আমি লক্ষ লক্ষ টাকার কাজ করেছি। কিন্তু এখন বিডিও সমস্ত কাজ অস্বীকার করছেন এবং বিল মেটাতে অস্বীকার করছেন। তাই বাধ্য হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিডিও দিব্যেন্দু সরকার। তাঁর বক্তব্য, সরকারি কোনও কাজই মৌখিক নির্দেশে করা হয় না। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ভুয়ো বিল জমা দিয়ে বৈধ নথি ছাড়াই টাকা দাবি করছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে তাঁকে তিন বছরের জন্য ব্ল্যাকলিস্ট করার সুপারিশ করেছি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আর্থিক নিরীক্ষার দাবি উঠেছে। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তদন্তের পরই প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে।

আগস্ট ০১, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত, ছাব্বিশ অগস্টের মধ্যে খালি করতে হবে ময়দান মার্কেট! এসপ্ল্যানেড মেট্রো প্রকল্পে নতুন নির্দেশ

এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনের সম্প্রসারণের কাজ দ্রুত শেষ করতে বড় পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। ময়দান মার্কেটের পাঁচশো আটাশ জন ব্যবসায়ীকে আগামী ছাব্বিশ অগস্টের মধ্যে দোকান খালি করে অন্যত্র সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের পূর্ত দফতরের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই এই নোটিস জারি করা হয়েছে (Dharmatala)।জোকা থেকে এসপ্ল্যানেড (Dharmatala) পর্যন্ত মেট্রো প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল এসপ্ল্যানেড স্টেশন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই স্টেশনটি তৈরি হবে বর্তমান ময়দান মার্কেটের নিচে। সেই কারণেই নির্মাণকাজ শুরু করার আগে পুরো বাজার এলাকা খালি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ীদের সাময়িকভাবে কলকাতা পুলিশের মাউন্টেড প্যাডক মাঠে স্থানান্তর করা হবে। সেখানে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।এই বাজার স্থানান্তর নিয়ে অতীতে একাধিকবার বিতর্ক ও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘ আলোচনার পর ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ স্থানান্তরে সম্মতি জানিয়েছেন। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়ে প্রশাসন নির্মাণকাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে (Dharmatala)।এদিকে জোকা-এসপ্ল্যানেড মেট্রো প্রকল্পের কাজও দ্রুত এগোচ্ছে (Dharmatala)। ভিক্টোরিয়া স্টেশনের নির্মাণকাজ জোরকদমে চলছে। টানেল বোরিং যন্ত্র ইতিমধ্যেই ভিক্টোরিয়া পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। ফলে এসপ্ল্যানেড স্টেশনের কাজও দ্রুত শুরু করতে চাইছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাজার খালি হলে প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ শুরু করা আরও সহজ হবে বলে প্রশাসনের আশা।

আগস্ট ০১, ২০২৬
কলকাতা

আজ থেকেই শুরু ডিজিটাল জনগণনা! মাত্র দশ মিনিটে ঘরে বসেই করুন কাজ, জানুন পুরো নিয়ম

রাজ্যজুড়ে আজ থেকে শুরু হল ষোড়শ জনগণনার কাজ। এবার প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা হচ্ছে। পাশাপাশি চালু হয়েছে স্বগণনার সুবিধাও। অর্থাৎ সাধারণ মানুষ চাইলে নিজেরাই অনলাইনে তথ্য জমা দিতে পারবেন। শনিবার নবান্নে বসে নিজেই অনলাইনে স্বগণনা সম্পন্ন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সকলকে এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের জনগণনার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হল সম্পূর্ণ ডিজিটাল ব্যবস্থা এবং স্বগণনার সুযোগ। তিনি জানান, সাধারণ মানুষ চাইলে নিজেরাই অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়ায় কোনও ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হবে না বলেও আশ্বাস দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, জনকল্যাণ এবং উন্নত ভারতের লক্ষ্য পূরণে এই আধুনিক জনগণনাকে সফল করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, জনগণনার কাজে রাজ্যজুড়ে তিন হাজার চারশো জন সুপারভাইজার এবং মোট চৌদ্দ হাজার তিনশো নিরানব্বই জন কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। তবে যাঁরা অনলাইনে আবেদন করবেন, তাঁরা বাড়ির তথ্যের পাশাপাশি পরিবারের তথ্যও নিজেরাই জমা দিতে পারবেন।এই জনগণনায় অনলাইনে মোট চৌত্রিশটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। বাড়ি এবং পরিবারের বিভিন্ন তথ্য জমা দেওয়ার জন্য বিশেষ পোর্টাল চালু করা হয়েছে। সেখানে খুব অল্প সময়েই ফর্ম পূরণ করা সম্ভব।স্বগণনার প্রথম পর্ব চলবে পনেরোই আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ষোলোই আগস্ট থেকে চৌদ্দই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে আগামী আটাশে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সরকার আশা করছে, নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে জনগণনার কাজ আরও দ্রুত, স্বচ্ছ এবং নির্ভুল হবে।

আগস্ট ০১, ২০২৬
রাজ্য

আজ থেকে আর আধার বা ভোটার কার্ড নয়! সরকারি বাসে ফ্রি যাতায়াতের জন্য বাধ্যতামূলক এই নতুন কার্ড

আজ থেকে রাজ্যে চালু হল মহিলাদের জন্য বিশেষ গোলাপি কার্ড। সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত করতে এখন থেকে এই কার্ড দেখাতে হবে। গত পয়লা জুন থেকে রাজ্যের মহিলাদের জন্য সরকারি বাসে বিনামূল্যে ভ্রমণের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। এতদিন পর্যন্ত আধার কার্ড বা ভোটার পরিচয়পত্র দেখিয়ে সেই সুবিধা পাওয়া যাচ্ছিল। তবে আজ থেকে সেই ব্যবস্থার পরিবর্তে গোলাপি কার্ডই হবে প্রধান পরিচয়পত্র।রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শহর, শহরতলি এবং দূরপাল্লার সরকারি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও সাধারণ সব বাসেই এই সুবিধা মিলবে। পরিবহণ দপ্তর জানিয়েছে, গোলাপি কার্ডের জন্য অনলাইন এবং অফলাইনদুই পদ্ধতিতেই আবেদন করা যাবে।অনলাইনে আবেদন করতে হলে প্রথমে রাজ্য সরকারের নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে গোলাপি কার্ডের আবেদন লিঙ্কে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে নিজের নাম ও মোবাইল নম্বর দিয়ে নথিভুক্ত করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করে আবেদন জমা দিলেই একটি রসিদ পাওয়া যাবে। সেই রসিদ সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।আবেদনের জন্য প্রয়োজন হবে আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র, সংশোধিত ভোটার তালিকায় নাম থাকার প্রমাণ, স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র, এক কপি পাসপোর্ট মাপের ছবি এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর।যাঁরা অফলাইনে আবেদন করতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের বিডিও কার্যালয়ে এবং পুরসভা এলাকার বাসিন্দাদের সংশ্লিষ্ট পুরসভায় গিয়ে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। সমস্ত নথি যাচাইয়ের পর আবেদনকারীর হাতে গোলাপি কার্ড তুলে দেওয়া হবে।পরিবহণ দপ্তরের আশা, এই নতুন ব্যবস্থার ফলে মহিলাদের বিনামূল্যে সরকারি বাসে যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ হবে।

আগস্ট ০১, ২০২৬
দেশ

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, শেষমেশ কাঁদতে কাঁদতে ক্ষমা! ভাইরাল ভিডিওতে কী বললেন তরুণী?

দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে আলোচনায় উঠে আসা এক তরুণীর একটি ভিডিও এখন সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওতে তাঁকে হাত জোড় করে ক্ষমা চাইতে দেখা যাচ্ছে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।পুলিশের দায়ের করা শূন্য নম্বর এফআইআরে ওই তরুণীর বয়স পঁচিশ বছর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভাইরাল ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বয়স মাত্র পনেরো বছর। তিনি বলেন, কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কনট প্লেস থেকে যন্তর মন্তরের আন্দোলনে গিয়েছিলেন। সেখানে আশপাশের মানুষের বক্তব্যে প্রভাবিত হয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। সেই মন্তব্যের জন্য তিনি ক্ষমাও প্রার্থনা করেন।ভিডিওতে ওই তরুণী বলেন, তিনি বড় ভুল করেছেন এবং তাঁর মন্তব্য ক্ষমার অযোগ্য। তিনি গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চেয়ে জানান, এই ভুল আর কোনও দিন করবেন না। নিজের আচরণের জন্য তিনি লজ্জিত বলেও দাবি করেন।এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় কয়েকজন তাঁর এবং তাঁর মাকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে তিনি তাঁদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দেশবাসীর কাছে আবেদন জানান, তরুণ প্রজন্মকে শুধুমাত্র শাস্তি নয়, সঠিক পথও দেখানো উচিত।উল্লেখ্য, গত তেইশে জুলাইয়ের বিক্ষোভে আপত্তিকর স্লোগান ও মন্তব্যের অভিযোগে ঊনত্রিশে জুলাই নয়ডা এক্সপ্রেসওয়ে থানায় শূন্য নম্বর এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। ভাইরাল ভিডিও এবং তরুণীর দাবির সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

আগস্ট ০১, ২০২৬
রাজ্য

ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেপ্তার অর্পিতা! হামিমের গোপন চক্রে নতুন বিস্ফোরক মোড়

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে অর্পিতা সরকার নামে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হামিমের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়েছে। শনিবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, হামিমের মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে অর্পিতার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। হোয়াটসঅ্যাপে তাঁদের একাধিক কথোপকথনের তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে দাবি। সেই সূত্র ধরেই অর্পিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গোটা নেটওয়ার্ক সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।প্রাথমিক তদন্তে দাবি করা হয়েছে, হামিম বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছিল। সেই কাজে অর্পিতাকে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। তবে এই সমস্ত তথ্য এখনও তদন্তাধীন এবং সরকারি ভাবে চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিমের পরিবারের আদি বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর এলাকায়। পরে তার পরিবার হাওড়ার পিলখানায় বসবাস শুরু করে। কয়েক মাস আগে তারা বর্ধমানের একটি আবাসনে ভাড়া থাকতে শুরু করে। সেখান থেকেই হামিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার পর আবাসনের বাসিন্দারা জানান, তাঁরা কখনও বুঝতেই পারেননি তাঁদের পাশেই এমন একজন থাকতেন, যাকে নিয়ে এত বড় তদন্ত চলছে।এসটিএফ এখন হামিম, অর্পিতা এবং তাঁদের সম্ভাব্য যোগাযোগের পুরো নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখছে। উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন, চ্যাট এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত একাধিক বিষয় সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয় বলে তদন্তকারী মহলের বক্তব্য।

আগস্ট ০১, ২০২৬
কলকাতা

আজ থেকেই স্কুলে বড় বদল! পড়ুয়াদের পাতে নতুন খাবার, নিজেই রান্নাঘরে মুখ্যমন্ত্রী

আজ থেকে সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য নতুনভাবে মিড ডে মিল সরবরাহ শুরু হল। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী পাইলট প্রকল্পের আওতায় বড় রান্নাঘরের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উদ্বোধনের আগে যজ্ঞে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি তিনি রান্নাঘর ঘুরে দেখেন এবং প্রতীকীভাবে খাবার তৈরির কাজেও অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকেরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কয়েকটি স্কুলের পড়ুয়ারাও উপস্থিত ছিল। পরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য বৈদ্যুতিক গাড়িরও উদ্বোধন করা হয়।অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জানান, অন্নামৃত ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আজ থেকেই সরকারি স্কুলে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়া শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই উদ্যোগের ফলে স্বাস্থ্যসম্মত, পরিচ্ছন্ন এবং উন্নত মানের খাবার পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছাবে। তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীদের স্কুলমুখী করা এবং তাদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখেই বহু বছর আগে মিড ডে মিল প্রকল্প চালু হয়েছিল। বর্তমানে বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় সেই উদ্যোগ আরও শক্তিশালী হচ্ছে।সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, আধুনিক রান্নাঘরে তৈরি খাবার বৈদ্যুতিক গাড়িতে করে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রতিটি খাবারের পাত্র সিল করা থাকবে যাতে খাবারের মান ও নিরাপত্তা বজায় থাকে। স্কুলে পৌঁছে কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে সেই সিল খোলা হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রায় আড়াই লক্ষ পড়ুয়ার কাছে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মিড ডে মিলের বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি জানান।মিড ডে মিল নিয়ে সমালোচনার জবাবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সমালোচনা থাকবেই। তবে সরকারের লক্ষ্য পড়ুয়াদের উন্নত মানের খাবার পৌঁছে দেওয়া। তিনি আরও জানান, অন্যান্য রাজ্যের অভিজ্ঞতা খতিয়ে দেখে রাজ্যের স্কুলগুলিতেও সপ্তাহে দুই দিন ডিম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মিড ডে মিল প্রকল্পে যুক্ত রাঁধুনিদের নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, কোনও রাঁধুনি কাজ হারাবেন না। নতুন ব্যবস্থাতেও তাঁদের যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি তাঁদের মাসিক সম্মানী দুই হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আগস্ট ০১, ২০২৬
কলকাতা

বিশ বছর পর কলকাতায় ফিরেই আবেগে ভাসলেন তসলিমা! বললেন, ‘মনে হচ্ছে নিজের দেশেই ফিরেছি’

প্রায় দুই দশক পর আবার কলকাতায় ফিরলেন বাংলাদেশের লেখিকা তসলিমা নাসরিন। দীর্ঘদিন পর এই শহরে পা রেখে নিজের আবেগ লুকিয়ে রাখতে পারেননি তিনি। বিমানবন্দরে পৌঁছেই জানান, কলকাতায় ফিরে তাঁর মনে হচ্ছে যেন নিজের দেশেই ফিরে এসেছেন। বহু বছর পর এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে সাহিত্য মহলেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।কলকাতায় এসে তসলিমা বলেন, তিনি বাংলা ভাষা এবং এই শহরের টানেই একসময় এখানে থাকতে এসেছিলেন। ইউরোপের স্বচ্ছন্দ জীবন ছেড়ে বাংলা ভাষার জন্যই কলকাতাকে বেছে নিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, বাংলা ভাষা, বাংলা সংস্কৃতি এবং এই শহরের মানুষের সঙ্গে তাঁর গভীর আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।বাংলাদেশে ফিরতে না পারার কষ্টের কথাও তুলে ধরেন তসলিমা। তিনি বলেন, নিজের দেশে ফিরতে না পারার যন্ত্রণা কিছুটা কমে যায় যখন তিনি পশ্চিমবঙ্গে আসেন। তাঁর অনুভূতি, বাংলার এই অংশে এলেই মনে হয় তিনি নিজের মাটির কাছাকাছি চলে এসেছেন। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় ফিরে সেই অনুভূতিই আবার নতুন করে ফিরে এসেছে বলে জানান তিনি।দুই হাজার সাত সালে তাঁর লেখা একটি বইকে ঘিরে বিতর্কের পর কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। সেই সময়কার অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তাঁকে অস্থায়ীভাবে অন্যত্র যাওয়ার কথা বলা হলেও পরে আর কলকাতায় ফিরে আসার সুযোগ পাননি। সেই সময়ের নানা কঠিন অভিজ্ঞতা আজও তাঁর মনে দাগ কেটে রয়েছে। তবে অতীতের সেই কষ্টের স্মৃতি আর মনে করতে চান না বলেও জানিয়েছেন তিনি।দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কলকাতায় ফিরে তসলিমার এই সফর ঘিরে সাহিত্যপ্রেমী এবং পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

আগস্ট ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal