• ১৩ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Short Film

বিনোদুনিয়া

অনলাইন বেটিংয়ের অন্ধকার থেকে ফেরার বার্তা, নন্দনে ‘পুনর্জন্ম’

দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিশিয়াল সিলেকশনে সূর্যদীপের স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি, ২১ অগাস্ট নন্দনে প্রদর্শনরাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন। হাতে থাকা স্মার্টফোনে কয়েকটি ক্লিক। আর সেই সহজলভ্যতার হাত ধরেই ধীরে ধীরে অনলাইন গেম, বেটিং অ্যাপ, লটারি কিংবা ডিজিটাল জুয়ার নেশায় জড়িয়ে পড়ছেন বহু মানুষ। শুরুটা হয় সামান্য বিনোদন কিংবা দ্রুত অর্থ উপার্জনের আশায়, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই নেশাই কেড়ে নিচ্ছে সঞ্চয়, সম্পর্ক এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন। এই বাস্তব সামাজিক সমস্যাকেই পর্দায় তুলে ধরতে তৈরি হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পুনর্জন্ম।পরিচালক সূর্যদীপের এই ছবি এবার জায়গা করে নিয়েছে দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিশিয়াল সিলেকশনে। আগামী ২১ অগাস্ট, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টায় কলকাতার নন্দন প্রেক্ষাগৃহে ছবিটির প্রদর্শন হবে।পুনর্জন্ম-এর মূল বিষয় শুধুমাত্র অনলাইন গেম বা বেটিং নয়। এর কেন্দ্রে রয়েছে আসক্তির ভয়াবহতা এবং সেই আসক্তি থেকে বেরিয়ে এসে নতুনভাবে জীবন শুরু করার বার্তা। নির্মাতাদের বক্তব্য, প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ করেছে ঠিকই, কিন্তু তার অপব্যবহার অনেকের কাছে ভয়াবহ বিপদের কারণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের একাংশ দ্রুত এবং সহজে অর্থ উপার্জনের আশায় অনলাইন বেটিং ও বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল জুয়ার ফাঁদে পা দিচ্ছেন।এর জেরে শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই নয়, পরিবারে তৈরি হচ্ছে অশান্তি, ভেঙে যাচ্ছে সম্পর্ক, বাড়ছে মানসিক চাপ। অনেক ক্ষেত্রেই সর্বস্ব হারিয়ে মানুষকে চরম সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এই অন্ধকার বাস্তবতাকেই গল্পের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে পুনর্জন্ম।ছবির লেখক, পরিচালক এবং অভিনেতা সূর্যদীপের কথায়, ছবিটি তৈরির পিছনে তাঁদের মূল উদ্দেশ্য বিনোদনের পাশাপাশি একটি সামাজিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া। তাঁর বক্তব্য, বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের নেশার মধ্যে অনলাইন গেম, বেটিং অ্যাপ এবং লটারির আসক্তি অত্যন্ত ভয়ংকর হয়ে উঠছে। তাঁর আশা, ছবিটি দেখে অন্তত একজন মানুষও যদি এই সর্বনাশা অভ্যাস থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলেই তাঁদের পরিশ্রম সার্থক হবে।নন্দনে প্রদর্শনের সুযোগকে তাই শুধুমাত্র একটি চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ হিসেবে দেখছেন না নির্মাতারা। তাঁদের কাছে এটি সামাজিক সচেতনতার বার্তা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালকে ছবিটি অফিশিয়াল সিলেকশনের জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছেন পরিচালক।নন্দনের পর ইউটিউবে মুক্তিনন্দনে প্রদর্শনের পরও দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করছে আরও একটি সুযোগ। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক দিবসে, এস. ডি এন্টারটেইনমেন্ট-এর ইউটিউব চ্যানেলে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের জন্য পুনর্জন্ম আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। অর্থাৎ প্রেক্ষাগৃহের দর্শকদের পাশাপাশি পরে অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও ছবিটি পৌঁছে যাবে বৃহত্তর দর্শকের কাছে।ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন সূর্য। অভিনয়ে রয়েছেন অনুপম মুখার্জী, সান্তনু চক্রবর্তী, পুষ্পিতা বক্সি, সূর্যদীপ, অভিক দাস, মেঘ কুন্ডু, অঞ্জন মাঝি, সুবির মুখার্জি, রাজা মুখার্জি, বিকাশ হালদার এবং দীপঙ্কর কাঁটাল।চিত্রগ্রহণের দায়িত্ব সামলেছেন সৌনক দাস। আলো ও স্থিরচিত্রের দায়িত্বে রয়েছেন সুমন বিশ্বাস।সব মিলিয়ে, পুনর্জন্ম শুধু একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নয়, বরং বর্তমান সময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যাকে ঘিরে সচেতনতার বার্তা দেওয়ার প্রয়াস। অনলাইন গেম, বেটিং কিংবা লটারির নেশা যেখানে ক্রমশ সমাজের বিভিন্ন স্তরে প্রভাব ফেলছে, সেখানে সেই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসার গল্পই নন্দনের পর্দায় বলতে চলেছে পুনর্জন্ম।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

'সূর্য-র' তেজ কি 'সিন্ডিকেট' রাজ-এ কোনও ছায়া ফেলতে পারবে?

বর্তমানে সিন্ডিকেট নাম টার সাথে সবাই কম বেশি পরিচিত। দিনে দিনে এই সিন্ডিকেটের দাদাগিরি বেড়েই চলেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা একটু একটু করে অর্থ সঞ্চয় করে অথবা ধার-দেনা করে নিজের আশ্রয়ের জন্য বাড়ি হোক বা ব্যাবসার জন্য কোনো নির্মান কার্য শুরু গেলেই হাজির হয়ে যায় সিন্ডিকেটের দাদাগিরি । এই ধরনের ঘটনার অভিযোগ বহুবার বহু জায়গায় লক্ষ্য করা গেছে। এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস সাধারণ মানুষের হয় ওঠেনা, তার একটাই কারণ বলে তাঁদের ধারণা এরা ক্ষমতাশালী। তবে সেই সাহসিকতার পরিচয় দেখিয়েছেন পরিচালক সূর্য। বর্তমান সমাজের এরকমই একটা বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে সিন্ডিকেট শর্টফিল্ম এর মাধ্যমে। ছবিটি পরিচালনার পাশাপাশি চিত্রনাট্য ও সংলাপও লিখেছেন সূর্য। এই ছবির টাইটেল গানের প্লেব্যাক করেছেন শপ্তর্ষি গাঙ্গুলী (সিআর) আর গানটির মিউজিক কম্পোজিশনের দায়িত্বে ছিলেন সুমিত মজুমদার (হায়ঘাত)। ছবিটি আগামী ২৩ শে আগস্ট তাঁদের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাচ্ছে। এই ছবির মুখ্য চরিত্র দেখা যাবে সৌনক দাস কে যিনি আদতেই একজন সিনেমাটোগ্রাফার। তবে এই ছবির পরিচালক সূর্য জনতার কথা কে জানায় আমি কখনো নাম দেখে অভিনেতা নির্বাচন করি না। যাকে আমার গল্পের জন্য একবারে উপযুক্ত মনে হয় তাকে দিয়েই অভিনয় করাই আর সে একেবারে নতুন হলেও তার জন্য সব রকম চ্যালেঞ্জ নিতে আমি সর্বদা প্রস্তুত। তবে সৌনক নিজেও এই ছবির জন্য নিজেকে যথেষ্ট সময় দিয়ে বহুদিন ধরে সিন্ডিকেট গল্পের শিবু চরিত্র হয়ে ওঠার জন্য সব রকম প্রস্তুতি নিয়েছেন। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন অশান্ত ব্যানার্জীর মতো অভিজ্ঞ অভিনেতার পাশাপাশি অঞ্জন মাঝি, অভ্রজিৎ নাথ, নিবেদিতা মাঝি, দিপ চ্যাটার্জী, ইন্দ্রজিৎ মন্ডল, স্বরূপ দাস, মধুমঙ্গল বৈদ্যর মতো এক ঝাঁক নতুন অভিনেতা। ছবিতে চিত্রগ্রাহকের দায়িত্ব ছিলেন আকাশ মুখার্জী।ছবির পরিচালক সূর্য জনতার কথা কে জানায়, তাঁদের আগের শর্টফিল্ম ফুডব্লগএখনো পর্যন্ত ছবিটি ১৩ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ অংশগ্রহণ করে ১২ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকেই সেরা বাংলা ছবি, সেরা গল্প, সেরা পরিচালক ইত্যাদি বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে। তিনি বলেন, তবে সব থেকে বড়ো ব্যাপার হলো এই ছবিটা দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে সিলেক্ট হয়ে নন্দন সিনেমা হলে প্রদর্শন হয়েছে। যা সিন্ডিকেট কলাকুশলীদের কাছে শ্রেষ্ঠ সন্মান। সিন্ডিকেট ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক সূর্য জানান আমার পরিচিতদের সাথেই বাড়ি বানানো কে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটেছে সেটাই আমি সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আমি সর্বদা এমন ছবি তৈরি করতে পছন্দ করি যা এক সামাজিক বার্তা প্রদান করে। সমাজকে শিক্ষা দেয়। আমি ছবির মাধ্যমে সমাজের অন্ধকার দিক গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করি। আশা করি এই ছবিটির মাধ্যমেও আমরা সমাজকে এক সচেতনমূলক বার্তা দিতে পারবো।

আগস্ট ১৬, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

'ফুড ব্লগ'! সস্তা জনপ্রিয়তার আড়ালে ভাইরাল 'অন্ধকার'

মুঠোফোন ধরে সামাজিক মাধ্যমে খানিক নাড়াচাড়া করতেই একের পর এক খাবারের দোকানের ভিডিও আসতে থাকে। প্লাস্টিকের চালা, একেবারেই অস্বাস্থকর পরিবেশ কিন্তু মানুষ লাইন দিয়ে খাবার খাচ্ছে। আবার সেই খাবার খেয়ে ক্যামেরার সামনে প্রস্বস্থি সূচক মন্তব্যও করে যাচ্ছেন। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমের দাপট এতটায় যে, কেউ নতুন উদ্যোগ নিলে উদ্বোধনের দিন প্রথমেই যাঁদের কথা তাঁদের মনে করেন তাঁরা হলেন ফুড ব্লগার। সামাজিক মাধ্যম খুললেই আমরা বিভিন্ন ধরনের ফুড ব্লগারদের কে দেখতে পাই। তাঁদের মধ্যে বেশকিছু ফুড ব্লগার আছেন যাঁদের ফুড ব্লগিংয়ের মাধ্যমে বহু সাধারণমানের খাবার স্টল রাতারাতি সেলিব্রিটি হয়ে গেছেন। আমরা কলকাতার নন্দিনীর ভাতের হোটেল দেখেছি, শিয়ালদার রাজুর পরটা, মোবাইল পরটা, বর্ধমানে মুনমুন দির পোলাও চিলি চিকেন ছাড়াও অনেক ভাইরাল ফুড ব্লগ দেখেছি, এরা প্রত্যেকেই সাধারণ থেকে খুব কম সময়ে অতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। আবার অন্যদিকে বেশকিছু ফুড ব্লগার আছেন যাঁরা রীতিমত ফুড ব্লগিংয়ের নামে এক কথায় নোংরামি চালায় বলে অভিযোগ। আর এদের কারণেই প্রায় সময়েই বিক্রেতাদের নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।চিত্র পরিচালক সূর্য বলেন, এই সমস্ত ফুড ব্লগারদের অযৌক্তিক সব প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে কোন বিক্রেতা হয়ে ওঠে খুব জনপ্রিয় আবার কেও হয় সমালোচনার শিকার। তাঁদের জীবন ও জীবিকা দুটোই দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। আর এই সমস্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি - ফুড ব্লগ। ছবিটির পরিচালনা করেছেন সূর্য। যেটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ২৮ শে জুন SD Entertainment youtube চ্যানেলে। এই ছবির মুখ্য চরিত্র দেখা যাবে অভিনেতা অনুপম মুখার্জিকে। যিনি থিয়েটারের পাশাপাশি বিভিন্ন মেগা সিরিয়ালে নিয়মিত অভিনয় করে চলেছেন।এ ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করেছেন পুষ্পিতা বক্সী, রাজা মুখার্জি, সুদিপ চক্রবর্তী, অনিরুদ্ধ দাসগুপ্ত, আকাশ ব্যানার্জি সহ আরো এক ঝাঁক নতুন অভিনেতা। ছবিতে চিত্রগ্রাহকের দায়িত্ব ছিলেন সৌনক দাস ও অভ্রজিৎ নাথ।এখনো পর্যন্ত ফুডব্লগ ছবিটি ৯ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ অংশগ্রহণ করে ৬ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে সেরা বাংলা ছবি, সেরা গল্প, সেরা পরিচালক বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ ও নেপাল আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অন্যতম।ফুড ব্লগ ছবিটি প্রসঙ্গে পরিচালক সূর্য জানান আমি সর্বদা এমন ছবি তৈরি করতে পছন্দ করি যা এক সামাজিক বার্তা প্রদান করে। আশা করি এই ছবিটির মাধ্যমেও আমরা সমাজকে এক শিক্ষামূলক বার্তা দিতে পারবো।

জুন ২৮, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

ইংরাজি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির পরিচালনায় পায়েল

পায়েল চৌধুরী চিত্রনাট্য ও পরিচালনা, জয়দীপ চক্রবর্তী ও সাবিত্রী প্রোডাকশন প্রযোজিত ইংরাজি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি দ্য ফোনেক্স। জয়দীপ চক্রবর্তীর লেখা এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়দীপ চক্রবর্তী, বোধিসত্ত্ব মজুমদার ও ত্রিপর্ণা বর্ধন। অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন রোশনি, পায়েল, ইন্দ্রজিৎ, সরোজ, সৌমিত ও সুকন্যা।এই ছবি প্রসঙ্গে পায়েল জানিয়েছেন, আমি এর আগে ৯৫টির বেশি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি পরিচালনা করেছি। এই ছবিটি কলকাতা, তার পাশ্ববর্তী এলাকা ও মান্দারমনিতে শুটিং হয়েছে। ডিমেনশিয়া ও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হলে কি হয় সেটা এই ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত রোগীকে যাতে সাধারণ মানুষের মতো দেখা হয় সেই বিষয়টা দেখানো হয়েছে। এছাড়া গল্পে আরো অনেক তম রয়েছে সেটা ছবি মুক্তি পেলেই দর্শকরা বুঝতে পারবেন।এই ছবির প্রয়োজন অভিনেতা জয়দীপ চক্রবর্তী বর্তমানে আবুধাবির বাসিন্দা। তাই দুবাইতেও এই ছবি মুক্তির পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি। ছবিটি দর্শকদের ভালো লাগবে আশাবাদী জয়দীপ।

অক্টোবর ০২, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

কেউ কথা রাখেনি, গল্প শুনে কফি খেয়ে ছবি তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েই পগারপার!

টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই তাঁকে দুর্মুখ, ঠোঁটকাটা সহ নানাবিধ বিশেষণ ভূষিত করতে শোনা যায়। আদতে তিনি শ্রীলেখা মিত্র সরলরেখায় চলতে অভ্যস্ত। কোনও বিষয়েই তাঁর ঢাকঢাক গুরুগুরু ব্যপারটা নেই। তিনি সোজা কথাটা সোজা ভাবেই বলতে অভ্যস্ত, তাতে বোমটা যত জোরেই ফাটুক। এর আগেও বহুবার তিনি যেমন ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও গরবর দেখলে সপাট জবাব দিয়েছেন, ঠিক তেমনই জ্বলে উঠেছেন পোষ্যদের (বিশেষ করে সারমেয়) অবহেলা নিয়েও। লকডাউনে পথ কুকুরদের অবহেলা নিয়ে বারবার শিরোনামে এসেছেন শ্রীলেখা। শ্রীলেখা মিত্র এর আগে বহুবার জানিয়েছেন, তিনি ফেবার পাওয়ার জন্য কখনই কারুর কাছে নিজেকে ফেবারিট করে তুলতে চাননি। কয়েকদিন আগেই টালিগঞ্জের এক রন্ধন পটীয়সী ঘোষীকা তাঁর প্রযোজক স্বামী কে নিয়ে করা কানাঘুঁশো অভিযোগ, প্রকাশ্য মিডিয়ায় সপাট জবাব দিয়ে শ্রীলেখা বুঝিয়ে দিয়েছেন সব ক্ষারক-ই ক্ষার নয়।একসময়ের টলিউডের জনপ্রিয় লাস্যময়ী নায়িকা, এখন পরিচালক, প্রযোজক এবং অবশ্যই একজন খ্যাতানামা অভিনেত্রী। সম্প্রতি তাঁর অভিনীত পরিচালিত বেশ কয়েকটা ছবি শিরোনামে উঠে এসেছে। উল্লেখযোগ্য ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা। কলকাতার শহরের ওপর আধারিত এই ছবিটি কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল বলে মনে করেছিলেন ফিল্ম ক্রিটিক্স রা। সেই ঘটনায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ করেও ছিলেন। অনেকেই সে সময় বলেছিলেন, যে অভিনেত্রী ভেনিস নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা আসে যায় কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক অনুপ্রেরণার আরাল থেকে মনে করেছিলেন, হ্যাঁ আসে! তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়।ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। অবশেষে তিনি বাংলা সংস্কৃতির প্রানকেন্দ্র নন্দনে হাজির হন তাঁর নিজের প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ এর সৌজন্যে। এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম শর্টফিল্ম। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস প্রযোজিত এবং ছাদ ছাড়াও আরও তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করার পরিকল্পনা শ্রীলেখার।এবং ছাদ ছবিটি নিয়ে তিনি প্রথম থেকেই বারবার বিড়ম্বনাই পড়েছেন। তিনি একাধিকার সামাজিক মাধ্যমে তাঁর আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। এমনকি সামাজিক মাধ্যমে প্রযোজকের জন্য আবেদন করতেও তাঁকে দেখা গেছে। অনেক ঘাত প্রতিঘাত, প্রত্যাখ্যান-র সিঁড়ি পেড়িয়ে তিনি সত্যিই ছাদ তুলতে পেরেছেন। আজ আক্ষরিক অর্থেই ছাদে উঠে শ্রীলেখা নিচের দিকে তাকিয়ে বলতে চাইছেন, তোমরা আমাকে বহু চেষ্টা করেও আমার ছাদে ওঠা আটকাতে পারলে না। সেই একগুচ্ছ অভিমান, আক্ষেপ, অবহেলা, বিশ্বাসঘাতকদের উদ্দেশ্যে গর্জে উঠেছে তাঁর কলম। তিনি সামাজিক মাধ্যমে উগরে দিয়েছেন সেই কথা।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেনঃছবি তো বানিয়েছি নিজের পয়সায়, প্রচুর festival ঘুরলো। সামনেই আবার দিল্লি যাচ্ছি এবং ছাদ নিয়ে। ছবিটা বানিয়ে ইচ্ছে হয়েছিল আরো তিনটে শর্ট বানাবো তারপর অ্যান্থোলজি হিসেবে হল রিলিজ করব। নতুন পরিচালকের পাশে দাঁড়ান বলে যারা দাবি করেন তারা অনেকেই ফোন ধরেননি বা মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করেননি।। যারা করেছেন তারা কফি খেয়ে এবং খাইয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ছবির জন্য পয়সা দেবেন। এক ভদ্রলোক সামান্য কিছু টাকা এডভান্স করেছিলেন ছবি আরম্ভের দশ দিন আগে থেকে উনি ফোন ধরা এবং মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করা বন্ধ করে দিলেন। আমরা তার আগে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি লোকেশন রেইকি করেছি একটার্সদের নিয়ে ওয়ার্কশপ করেছি কিছু কিছু টাকা এডভান্সও দিয়েছিলাম। প্রডিউসার ভদ্রলোক তখন গায়েব। এখন উনি এবং উনার পরিবার আমার কাছে সেই যৎসামান্য এডভান্স যেটা দিয়েছিলেন যা কিনা পুরোটাই খরচ হয়ে যায় তা ফেরত চাইছেন। নিয়ম মতে সেই টাকা দেওয়ার কথা নয় আমাদের সময় পরিশ্রমের কোন মূল্যই দেয়া হয়নি। তাও বলেছি ফাইন্যান্সার পেলে বা প্রোডিউসার পেলে কিছু দেবো। উনি টাকাটা দেখলেন সময়ের পরিশ্রমের মূল্যটা দিলেন না। এর মধ্যে হলো আমার টাকা চোট। আমি দমবো না ছবি তো আমি করবই দরকার হলে নিজের ফিক্স ডিপোজিট ভেঙ্গে করব। সাথে থেকো।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

ইজেডসিসি-তে অনুষ্ঠিত হবে শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

রোসট্রাম-এর উদ্যোগে ১,২ এবং ৩রা জুলাই ঐক্যতান ইজেডসিসি-তে অনুষ্ঠিত হবে বেঙ্গল শর্টস ইন্টারন্যাশনাল কম্পিটেটিভ শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। এই ছোট ছবি উৎসবের মূল দুই কান্ডারি হলেন পরিচালক সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, চিত্র সম্পাদক অনির্বাণ মাইতি এবং ক্যালিফোর্নিয়া নিবাসী সাহিত্যিক মণিদীপা দাস ভট্টাচার্য।এই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্ধোধনে থাকছেন অভিনেতা জয় সেনগুপ্ত, সুদীপ মুখার্জি, সুরকার জয় সরকার এবং কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়াও থাকছেন স্বরূপ বিশ্বাস ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু নবীন এবং প্রবীণ পরিচালকেরা এই চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য ছবি পাঠিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত মোট ২৫০ টির উপর ছবি জমা পড়েছে। তার মধ্যে ৪০টি ছবি বেঙ্গল শর্টস ইন্টারন্যাশনাল কম্পিটেটিভ শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ নির্বাচিত হয়েছে।এই ৪০টি ছবির মধ্যে থেকেই বেছে নেওয়া হবে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান। নাইজেরিয়া, স্পেন, আমেরিকা, বাংলাদেশ, ইরান এবং আরও অন্যান্য অনেক দেশের ছবি দেখানো হবে।ছবি পাঠানো এবং স্কিনিংয়ের জন্য কোনো টাকা নেওয়া হয়নি।ছোট ছবির ক্ষেত্রে ক্যামেরা হাতে সবাই বিদ্রোহী হয়ে উঠতে পারে এবং সেটাই তুলে ধরেছেন বহু পরিচালক। ছোট ছবি হলেও ছবির মেকিং অনেকটা পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবির মতো।মৎস্যজীবীদের পেশা সংকট থেকে মানুষের অস্তিত্ব সবরকমের ছবিই এই ফেস্টিভ্যালে নির্বাচিত হয়েছে এবং দেখানো হবে।একটি ই-পাশের বিনিময়ে ছবি দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা।

জুন ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নন্দনে প্রদর্শিত হল 'সোচ'

পরিচালক ইন্দিরা ধর মুখার্জির জন্য খুশির খবর। ১৫ মে শুরু হয়ে ১৮ ই মে পর্যন্ত নন্দনে চলবে সপ্তম বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। এই ফেস্টিভ্যালেই ইন্দিরা ধর মুখার্জি পরিচালিত সোচ মনোনীত হয়েছে। ১৫ মে ফেস্টিভ্যালের প্রথম দিনে দেখানোও হল ছবিটি।সোচ একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি হলেও, ছবির মধ্যে সমাজের একটা দিকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এটি একটি নারীকেন্দ্রিক ছবি। ছবিতে এক নারীর স্বপ্ন পূরণের গল্পকে তুলে ধরেছেন পরিচালক।ইন্দিরা ধর মুখার্জির সোচ ছবিতে অভিনয় করেছেন জয়া শীল ঘোষ, সাহেব চট্টোপাধ্যায় এবং শর্মিলা সেন। গোটা ছবি জুড়ে একা দাপিয়ে গেছেন জয়া শীল ঘোষ। সাহেব চট্টোপাধ্যায় এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন।ইন্দিরা ধর মুখার্জি জানিয়েছেন, সোচ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত হয়েছে এটা অনেক বড় পাওয়া। আমার বিশ্বাস সোচ এভাবেই আরও অনেকটা দূর যাবে এবং সকলের মনে জায়গা করে নেবে। সকলের কাছ থেকে খুব ভালো রিঅ্যাকশন পাচ্ছি আমি।

মে ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিষেক বসুর মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম 'নজরিয়া'

নজরিয়া- অ্যা মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম। গানের গল্প, গল্পে গল্পে গান, নৃত্য গীত আধারিত এই ছবিটির লেখক, সংগীত পরিচালক এবং সমগ্র কাজটি পরিচালনা করেছেন অভিষেক বসু। ছবির শুভ সূচনা হয়ে গেল ২০শে এপ্রিল, শহরের এক বিখ্যাত হোটেল ব্যাঙ্কোয়েটে। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী, সংগীত নাটক পুরস্কারে ভূষিত,প্রি গ্র্যামি নমিনি শ্রদ্ধেয় সন্তুর বাদক পন্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য, চলচ্চিত্র অভিনেতা ,চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা অনিন্দ্য সরকার, অভিনেত্রী অনিন্দিতা সরকার, এবং অন্যান্য বিশিষ্ট টলিউড ব্যক্তিত্ব।নজরিয়া - An incomplete love story is the greatest of all। নৃত্যগীত সমন্বিত ছবিটির পরিচালক অভিষেক বসু। দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার এবং বিবিসি পুরস্কার আরও নানান পুরস্কার এগিয়ে যাবার ছাড়পত্র হিসাবেই গ্রহণ করেছেন ধ্রুপদী ঘরানায় শিক্ষিত এই পারকাশনিস্ট অভিষেক বসু।অভিষেক পরিচালিত এই ছবির কেন্দ্রে রয়েছেন অভিজ্ঞ কত্থক শিল্পী তন্বী চৌধুরী, যিনি নিজে কত্থক নৃত্য পরিবেশন করে মোহিত করছেন সারা পৃথিবীর দর্শককে, গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে। রয়েছেন বিশিষ্ঠ অভিনেতা ফৈয়জ খান,মডেল ও অভিনেতা দেবারুণ স্বরাজ, পোশাক পরিকল্পনায় বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার তেজস গান্ধী, শ্রদ্ধেয় প্রযোজক হেমন্ত মার্দা, সন্তুর বাদক চিরদীপ সরকার, পিয়ানিস্ট অভিক গাঙ্গুলী এবং ছবিটির সঙ্গে যুক্ত আরও কলা কুশালিরা। তন্নী চৌধুরীর অভিযাত্রী হিসেবে এটি প্রথম কাজ। অভিনেত্রী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দুটি ভিন্ন শাজে নিজের বলিষ্ঠ অভিনয় দিয়ে নিজেকে ফুটিয়ে তুলেছেন।ছবিটি ইতিমধ্যেই দাদাসাহেব ফালকে, গেল্ডেন আর্থ ফিল্ম এওয়ার্ড, (টেক্সাস,ইউ এস এ) ওয়ান আর্থ এওয়ার্ড (ব্যাঙ্গালোর), লিফ্ট অফ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল প্যারিস, মিলান গোল্ড এওয়ার্ডস(ইটালি),নিউ ইয়র্ক মুভি এওয়ার্ড, ডাইরেক্ট মান্থলি অনলাইন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (ইউ এস এ) এর মত কিছু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নমিনেশন পেয়েছে। এবং আমেরিকান ট্র্যাক মিউজিক এওয়ার্ড, টেক্সাস শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, সুইডেন ফিল্ম এওয়ার্ড ভার্জিন স্প্রিং সিনে ফিস্টের মত কয়েকটি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। ইনডিঅন অনলাইন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে দুটি পুরস্কার এবং ভারত ইনডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল পুরস্কারও এসেছে। অপেক্ষায় আছে আরও আটটি পুরস্কারের।কাহিনী বিন্যাস অনেকটা এরকম-মহারাজা অভিমন্যু সিং এর মহারানী রানী সৌগন্ধ্যা, নৃত্যকলায় এবং সৌন্দর্যে অতুলনীয়া। রাজারা যেমন হয় রক্ষনশীল, রানীকে পর্দানসীন রাখতে চায়, তার অন্তঃস্থিত শিল্প সত্তায় কোন মনযোগ দেন না রাজা। একাকী রানী মনের মানুষ চায়, এমন মানুষ যে শিল্প বুঝবে, তার শিল্পী মনকে ছায়া দেবে, আলো দেবে। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে সাদা মাটা ধ্রুব আসে রানীর বন্ধুহীন জীবনে। প্রেমের বাঁধনে বাঁধা পড়ে সুগন্ধা ও ধ্রুব। এর পর কী হলো? প্রেম কী পরিনতি পেল? নাকি আধখানা কথাই ভালোবাসার গল্পটিকে শ্রেষ্ঠত্ব দেবে? জানতে হলে আপনাকে নজরিয়া দেখতে হবে।

এপ্রিল ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভিন্নধর্মী গল্পে চমক রাখছে 'ইনসেন'

আগামীকাল ১লা বৈশাখে মুক্তি পাচ্ছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি ইনসেন। এই ছবির কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার এবং পরিচালক স্নেহা কাঁড়ার এবং সৌরনীল সিংহ। গোধূলি প্রযোজনা সংস্থার অধীনে নির্মিত ছবির প্রযোজক রবীন্দ্রনাথ মিত্র। ছবিটি একটি ছেলের কথা বলে, যার নাম বিজিত ভট্টাচার্য। সে একজন বেকার যুবক। তার প্রেমিকা তাকে ছেড়ে দিয়েছে, তার পরিবার বলতে আছে কেবল শুধু তার বাবা - মা। সে বাড়ি থেকে বেরোয় না, ছোটো থেকেই একটু নিজের মধ্যে থাকতো, বিশেষ বন্ধু-বান্ধব নেই, পড়াশোনাতেও সে মোটামুটি ছিল। তার একটি ক্যামেরা আছে আর সে সেটি একদিন চালিয়ে একটি ভিডিও করে এবং তার জীবনের কথা বলে। এমন কিছু কথা উঠে আসবে যা তার ভাব ধারায় খুবই স্বাভাবিক লাগলেও অন্যান্য মানুষের কাছে তা খুবই অস্বাভাবিক এবং অস্বস্তি জনক লাগবে। এরকম মানুষ আমরা সাধারণত দেখে হয়তো চিনতে পারবো না কিন্তু এই ধরনের মানুষ আছে আমাদের সমাজে। বিজিত ভট্টাচার্যের চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেবপ্রিয় সাধুখাঁ। তিনি অভিনয়ের সাথেই যুক্ত। ছোটো থেকে স্কুলে নাটক করা থেকে অভিনয় প্রতি ভালোবাসা। তারপর রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাটক নিয়ে পড়াশোনা। বেশ কিছু থিয়েটার গ্রুপ এবং যাত্রা দলের সাথে যুক্ত ছিলেন তিনি। দুটো ছোটো ছবি এবং দুটো তথ্যচিত্রের পাশাপাশি একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবিতেও ইতিমধ্যে কাজ করে ফেলেছেন। তার অভিনয়ের পাশাপাশি সঙ্গীতেও বিশেষ আগ্রহ। গান শোনা এবং গান গাওয়া দুই তার কাছে ভালোবাসার জায়গা। এই ছবির একটি নিজস্ব গান আছে। যেটির নাম বিলম্বিত। এই গানটি গীতিকার, সুরকার তথাগত। গানটি আয়োজন করেছেন সৈকত মন্ডল। গানটি গেয়েছেন তথাগত। গানটি বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে আছে, এছাড়াও গোধূলির অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে আছে। ছবিটি জাতীয় এবং আন্তর্জাতীয় কিছু চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হয়েছিল এবং পুরস্কৃত হয়েছিল। ইংল্যান্ড, গ্রীস, বাংলাদেশ সহ ভারতবর্ষের বেশ কিছু শহরে দেখানো হয়েছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তির অপেক্ষায় "পঞ্চভুজ", নতুন ভূতের ছবি

শুরু হতে চলেছে স্বল্পদৈর্ঘ্যর ছবি পঞ্চভুজ এর শ্যুটিং। ডক্টর অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রযোজনা এবং পরিচালনায় তৈরি হচ্ছে এই ছবি।ফিলম্যাজিকের প্রযোজনায় এই ছবিটির সহকারী পরিচালনা করেছেন শুভম ঘোষ এবং সৃজিতা রানা। সংগীত পরিচালনা করেছেন সাহেব চক্রবর্তী।গানে রয়েছে হলিউডের ছোঁয়া। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন সুজন দে। ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৃজিতা রানা, অয়ন দেবনাথ, সুনরিতা দে এবং ইন্দ্রনীল চৌধুরী। এক অনবদ্য ভৌতিক ঘটনা নিয়ে তৈরি হচ্ছে এই ছবি। সাধারণত আমরা যে ধরণের ভৌতিক ছবি দেখে থাকি,এই ছবি তার থেকে একদমই আলাদা। ৪৬ মিনিটের এই ভৌতিক থ্রিলারটি একটি আত্মার পুনর্জন্মের উপর ফোকাস করে তৈরি হয়েছে। যে এই নশ্বর মহাবিশ্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য একটি নশ্বর দেহের সাথে সংযোগ করার চেষ্টা করে। অনির্বাণ বোস,তার স্ত্রী অনুরাধা বোস, ছেলে অনুরূপ বোস এবং কন্যা শ্রেয়া বোসকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। ছবির তিনটি চরিত্র একটি প্ল্যানচেট এর ব্যবস্থা করে। তারপর কি হল জানতে হলে ছবি মুক্তির জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

মার্চ ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মহারাষ্ট্রে পুরস্কৃত হল বাংলার স্বল্প দৈর্ঘের ছবি 'স্বপ্ন'

১২০০ টির ও বেশী স্বল্প দৈর্ঘের ছবি নিয়ে আয়োজিত রিল ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশানাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (Reel International Film Festival) প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হল বাংলার স্বল্প দৈর্ঘের ছবি স্বপ্ন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সূর্যদীপ। এই রিল ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশানাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয় মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে। ছবির পরিচালক জনতার কথাকে জানান, প্রতিযোগিতাটা খুব কঠিন ছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষার মোট ১২০০ এর বেশি স্বল্প দৈর্ঘ্য ছবি এই ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করেছিল। ভারত সহ ইংল্যান্ড, জার্মান, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, কানাডা, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা ও আরও অন্যান্য দেশের বিখ্যাত পরিচালকদের ছবির পাশাপাশি আমার পরিচালিত বাংলা ছবি স্বপ্ন স্পেশল জুড়ি পুরস্কার (Special Jury Award) পাওয়ায় আমি ভীষণ খুশি। ছবি সম্বন্ধে জানাতে গিয়ে তিনি জানান, বর্তমান বিশ্বের বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের প্রধান সমস্যা শিশুশ্রমিক, তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার বক্তব্য নিয়েই আমাদের এই গল্প।স্বপ্ন শর্টফিল্ম সম্মন্ধে বলতে গিয়ে ফিল্মের পরিচালক সূর্যদীপ জনতার কথাকে বলেন, আমি প্রথমেই ধন্যবাদ জানাবো গল্পের লেখক বিশ্বজিৎ চৌধুরী কে, এবং সেই সঙ্গে স্বপ্ন শর্ট ফিল্মের সকল কলা কুশলীদের। বিশ্বজিৎ বাবুর গল্পটা আমাকে ভীষণ ভাবে নাড়া দেয়, ভালো গল্প হলে পরিচালনার দায়িত্ব টাও অনেকটা বেড়ে যায়, তাই আমি আমার যোগ্যতা অনুযায়ী চেষ্টা করেছি একটা ভালো ছবি দর্শকদের উপহার দেওয়ার জন্য। বর্তমানে বাংলা ছবির দর্শক সংখ্যা হাতে গুনে বলে দেওয়া যায়, আর শর্টফিল্ম শুনলে তো সেটা হাসির খোরাক হয়ে যায় অনেকের কাছে, তাই মানুষ যাতে আরো বেশি করে বাংলা ছবি দেখে, বাংলা ছবি দেখার আগ্রহ দেখায় তার দায়িত্ব যেমন বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট বর্তমান পরিচালকদের, তেমনই আমাদের মতো নবাগত শর্টফিল্ম পরিচালকদের ও সেই দায়িত্বটা সমান ভাবে নিতে হবে, তবেই দর্শক বন্ধুরা বেশি করে বাংলা ছবি দেখার আগ্রহ দেখাবেন।স্বপ্ন তে অভিনয় করছেন একাধিক নতুন মুখ, যাদের মধ্যে অনেকেই ক্যামেরার সামনেও প্রথম বার। এই ছবির প্রধান দুই চরিত্র, দুই শিশু শিল্পী শান্তনু চক্রবর্তী ও বর্ষা পাল, যাদের অভিনয় ইতিমধ্যে বহু মানুষের প্রশংসা পেয়েছে, শুধু তাই নয়, পেয়েছে তিন তিনটি ফেস্টিভ্যাল থেকে শ্রেষ্ট শিশু শিল্পীর পুরস্কার। সূর্যদীপ আরও জানান, আমি ষ্টার কাস্ট এ বিশ্বাসী নই । সুপ্ত প্রতিভা গুলো বের করে আনতে সর্বদা চেষ্টা করি। কাজ টা যথেষ্ট কঠিন হলেও আমি ভরসা রাখি নতুনদের উপর। ছোট এবং নবাগত শিল্পীদের দের নিয়ে কাজ একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ, আমি সেটা সর্বদা নিতে প্রস্তুত। আমি মনে করি নতুন শিল্পী উঠে না আসলে প্রথম যে সমস্যাটা হবে সেটা হল, দর্শক দের মধ্যে একই মুখ দেখতে দেখতে একঘেয়েমি ক্লান্তি এসে যাবে, আর যেটা হবে সেটা হল, জেনেরেশন গ্যাপ বা সাপ্লাই চেন বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, কোনো পরিচালকের ক্ষমতা থাকে না কোনো অভিনেতা বা অভিনেত্রী কে ষ্টার বানানোর। তাদের চেষ্টা আর প্রতিভাই তাদের সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেয়। পরিচালকের কাজ তাদেরকে চরিত্রগুলো তে কি কি বৈশিষ্ট আছে, তা সন্মন্ধে একটা পরিষ্কার ধারণা দেওয়া আর টেকনিকালি সঠিক কিছু পদ্ধতি ও কৌশল তাদেরকে শিখিয়ে দেওয়া মাত্র।এই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গেছে বেশ কিছু থিয়েটার কর্মীদের, যার মধ্যে অনুপম মুখার্জি ও পুষ্পিতা বক্সী অন্যতম। সূর্যদীপ নিজেও একজন নাট্য জগতের মানুষ তাই নাটকের শিল্পীদের নিয়ে কাজ করতে হয়ত তিনি পছন্দ কড়েছেণ। এই প্রসঙ্গে তিনি জনতার কথাকে বলেন, নাটকের ছেলে মেয়েদের নিয়ে কাজ করলে কাজটা অনেকটাই সহজ হয়ে যায় কারণ পরিচালক ঠিক কি চাইছে তারা খুব সহজেই বুঝে যায়।স্বপ্ন শর্টফিল্মে চিত্রগ্রহনের দায়িত্বে ছিলেন সৌনক দাস ও সৌরভ সাহা। নতুন অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ্যে সুবীর মুখার্জী, লক্ষী হালদার, সুমন অধিকারী, পিন্টু ঘোষাল, অর্ণব সেন গুপ্ত ও বান্টি হালদারকে অভিনয় করতে দেখা গেছে এই ছবিতে। এখনো পর্যন্ত স্বপ্ন শর্টফিল্মটি পনেরো টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ অংশগ্রহণ করে সর্বমোট নয়টা ফেস্টিভ্যাল থেকে পুরস্কৃত হয়েছে।।

মার্চ ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম 'মন রে ফিরে আয়'

২১ ফেব্রুয়ারি বাঙালির কাছে বিশেষ দিন। আবেগের দিন। এই দিনটা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আর এই বিশেষ দিনে মুক্তি পেয়েছে মণিদীপ সাহার মিউজিক্যাল শর্টফিল্ম মন রে ফিরে আয়। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেবতনু ও ঐশ্বর্য সেন। প্রযোজনা করেছেন সৌমেন চ্যাটার্জি। ইতিমধ্যে ২৩ হাজারের কাছাকাছি দর্শক এই মিউজিক্যাল শর্টফিল্ম দেখেছেন। অনেকেই এরকম সুন্দর একটা প্রোজেক্টের প্রশংসা করেছেন। এই প্রোজেক্টে কাজ করার অনুভূতি বেশ ভালো সকলেরই। অভিনেতা দেবতনু তাঁর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নতুন কিছু করতে চেয়েছি। অডিয়েন্সের এত ভালো লেগেছে দেখে ভালো লাগছে। সবাই পাশে থাকলে বার বার নতুন কিছু করার সাহস পাবো। বিশ্বের দরবারে বাংলার কন্টেন্ট কে নিয়ে যাওয়া আমার স্বপ্ন। হয়তো পারবো সেটা। পুরো টিম কে অনেক ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালোবাসার দিনে নতুন কাজ

শ্রী দেলারট নিবেদিত সৌমেন চট্টোপাধ্যায় এর উদ্যোগে ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে সৌম্য চক্রবর্তীর শর্ট ফিল্ম পেন্ডুলাম এর ট্রেলার লঞ্চ হয়ে গেল। অভিনয় করেছেন সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা। জীবনটা আসলে পেন্ডুলাম এর মতো অনিশ্চিত। আজ যেখানে আছে, কাল সেখানে নাও থাকতে পারে। সেই অনিশ্চয়তার গল্প বলবে পেন্ডুলাম।এছাড়া দেখানো হল মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম আবদার। পরিচালনায় রয়েছেন অরুদীপ্ত দাশগুপ্ত। অভিনয় করেছেন ঋতব্রত মুখার্জি ও নবাগতা দেবাঙ্গী। মিউজিক করেছেন শুভ।মণিদীপ এর পরিচালনায় মন রে ফিরে আয় মিউজিক ভিডিওটি প্রদর্শিত হল। অভিনয় করেছেন দেবতনু ও ঐশ্বর্য সেন। প্রদর্শিত হল সুদীপ মৃধার মিউজিক ভিডিওর টুকরো অংশ। শঙ্খ চক্রবর্তী পরিচালিত শর্ট ফিল্ম রে অফ হোপ জীবনের সেই আশার আলো যে আলো আমাদের বাঁচিয়ে রাখে সেই আশার কথা বলবে। রাজ দাস অভিনীত ফেসিং দ্য ফেস বিখ্যাত পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষকে উৎসর্গিত। রাজ দাস নিজেও ট্রান্সজেন্ডার। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের জীবন ও যাপনের কথাই বলবে ফেসিং দ্য ফেস।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ধনিয়াখালী শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মঞ্চে সন্মাননা পেলেন পরিচালক রাজকুমার দাস

হুগলীর ধনিয়াখালীতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দুদিনের শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। রাজু মালিক ফিল্ম প্রোডাকশনের উদ্যোগে উক্ত ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল আয়োজিত করা হয়। প্রায় ত্রিশজন পরিচালকের ছবি উক্ত উৎসবে মনোনীত হয়ে প্রদর্শিত হয়। উক্ত উৎসবে পরিচালক রাজকুমার দাস পরিচালিত ও অভিনীত দা ব্লাইন্ড ভীষন-সেফ লাইফ সেভ ড্রাইভ এর উপর ভিত্তি করে সমাজ সচেতনতা মূলক ছবিটি দেখানো হয়।দর্শকদের কাছে সমাদৃত হয়। এদিনের মঞ্চে পরিচালক রাজকুমার দাসের হাতে সন্মাননা স্মারক ও মানপত্র তুলে তাকে সংবর্ধনা জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক পঙ্কজ সেন, চিত্রগ্রাহক-অরিন্দম ভট্টাচার্য, পরিচালক অজন্তা দেব বর্মণ, বাদল সরকার,অরূপ মুখার্জী,ধনঞ্জয় মন্ডল প্রমুখ।পরিচালক রাজকুমার দাস বলেন যেকোন সন্মান পাওয়া মানে আরও মানুষের জন্য ভালো ভালো ছবি করে যাওয়ার ইচ্ছা শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়,তাই মানুষের ভালোবাসা পেয়ে ভালো লাগছে। ইতিমধ্যেই রাজকুমার পরিচালিত নীল বিষ,অন্তরালে,চোরাবালি, বলিদান,বীর তিতুমীর, পল্লী কবি কুমুদ রঞ্জন ,জার্নি অব লাইফ, মিশন টলিউড, প্রমুখ ফিল্ম শর্ট ফিল্ম ও তথ্যচিত্র বানিয়ে দর্শকদের কাছে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছেন। আগামীতে কাজ করছেন আরও বেশকিছু নতুন ছবি। ধনিয়াখালী ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে র উদ্বোধন করেন স্থানীয় বিধায়ক অসীমা পাত্র। আয়োজনে ছিল চিত্রপরিচালক রাজু মালিক। উৎসবটি দ্বিতীয় বছরে পড়লো। আগামী দিনে এই উৎসব সুচারু ভাবে এগিয়ে চলুক। শুভেচ্ছা রইলো।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘চার এক্কে প্যাঁচ'-র জন্য জোড়া পুরস্কার পেলেন পরিচালক অরূপ সেনগুপ্ত

চালচ্চিত্র রোলিং অ্যাওয়ার্ড-এ জোড়া পুরস্কার পেল পরিচালক অরূপ সেনগুপ্তের ছবি চার এক্কে প্যাঁচ। গত ২ বছরের বন্দি দশা কাটিয়ে সাধারণ মানুষকে সিনেমা আবার হলমুখী করাচ্ছে। পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবির পাশাপাশি এই প্রতিযোগিতায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামিল হয়েছে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিও। আর এই প্রতিযোগিতায় বেস্ট কমেডি ফিল্ম এবং বেস্ট এন্থুসিয়াস্টিক ফিল্মমেকার পুরস্কার জিতল অরূপ সেনগুপ্তের স্বল্প দৈঘ্যের ছবি চার এক্কে প্যাঁচ।এই ছবির পুরো শুটিং এক দিনের শেষ করেছেন পরিচালক ও তার টিম। শুটিং হয়েছে বারুইপুর স্কুল ও যাদবপুরে। এখন বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালের জন্য পাঠানো হয়েছে ছবিটা। সেইসব ফেস্টিভ্যাল থেকে ভালো কিছু ফিডব্যাক পাবেন আশাবাদী অরূপ সেনগুপ্ত।পরিচালক জনতার কথা-কে জানিয়েছেন, আমার ছবিটা ১৭ মিনিট এর। একটি কমেডি শর্টফিল্ম। এই স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিতে অভিনয় করেছেন অসীম রায়চৌধুরী, দেবমাল্য গুপ্ত, ঈশিকা রায়, রাজ্জাক হোসেন, প্রিয়াঙ্কা সরকার। ছবির গল্প লিখেছেন বোধিসত্ব মজুমদার। চিত্রগ্রাহক রতন মন্ডল। সংগীত পরিচালকের দায়িত্ব সামলেছেন অরিন। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন নিখিল আগরওয়াল। এরকম একটা অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় পরিচালক হিসাবে ভালো কাজ করার উৎসাহটা আরও বেড়ে গেল।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাংবাদিক থেকে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার বিজেতা পরিচালক মুখোমুখি জনতার কথার

সৌম্যদীপ ঘোষ চৌধুরী, বহুল প্রচারিত সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিনোদন বিভাগে সাংবাদিকতা করতে করতে সিনেমা বানানোর প্রতি ভালোবাসা জন্মায়। সেই ভালোবাসার টানেই সাংবাদিকতা ছেড়ে ২০১৭ থেকে এখনও অবধি ছবি নির্মাণেই নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। সম্প্রতি গোল্ডেন মিরর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার জিতে নিল তাঁর এলএসসি। এলএসসি দিয়ে শুরু করে, সাংবাদিক থেকে চিত্র পরিচালক হয়ে ওঠার জার্নি ফোন-ইন্টারভিউতে জনতার কথা-র সায়ন্তন সেনের সঙ্গে শেয়ার করলেন সৌম্যদীপ।জনতার কথাঃ আপনার ছবি গোল্ডেন মিরর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার জিতে নিল। যেখানে গৌতম ঘোষের মত একজন ফিল্মমেকার উপস্থিত ছিলেন। সেখানে পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতিটা কেমন ছিল?সৌম্যদীপঃ যে কোনও ফেস্টিভ্যালে পুরস্কার পাওয়া ব্যাপারটা খুবই ইন্টারেস্টিং। ভালোই লাগে। পুরস্কারের থেকে বড় জিনিস হল ছোট ছবি দেখা এবং দেখানোর পরিসরটা তো খুব একটা বেশি নেই। বাংলা ছবির ক্ষেত্রে সেটা খুবই কম। এই ছোট-বড় যে কোনও ফেস্টিভ্যালে এই ছোট ছবি দেখা এবং দেখানোর যে পদ্ধতি থাকে সেটা সবসময়ই খুব ভালো লাগে। গৌতম ঘোষের মতো একজন সিনিয়র পরিচালক যখন এরকম একটা ফেস্টিভ্যালে থাকেন এবং বসে ছবি দেখেন সেটা একটা আলাদা অনুভূতির জায়গা। এঁরা ছোট ছবিকে ছোট পর্যায়ে রাখেন না। এঁদের প্রেসেন্সেটা পরিসরটাকে অনেকটা বড় করে তোলে।পুরস্কার বিতরনজনতার কথাঃ এলএসসি নিয়ে যদি সংক্ষেপে কিছু বলেন...সৌম্যদীপঃ এটার ফুল ফর্ম লাইক, শেয়ার, কমেন্ট (Like, Share, Comment)। সেটাকেই শর্ট করে এলএসসি করা হয়েছে। ইট সাউন্ডস লাইক এলএসডি। এলএসডি যেমন একটা ড্রাগ হয় তেমনই লাইক, শেয়ার, কমেন্টটাও এই জেনারেশনের কিছু মানুষের কাছে খানিকটা ড্রাগের মতোই পৌঁছাচ্ছে। সেটার কি কি খারাপ দিক আছে এবং সেটা কতটা খারাপ হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ার সেই জার্নিটা নিয়েই পুরো কাহিনীটা তৈরি করা। আগে কুকুরকে আমরা চেন দিয়ে বেঁধে রাখতাম। এখন ফোনের চার্জারের তারটা আমাদের সুইচবোর্ডের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এই ছবির গোটা কনসেপ্টটাই এটা নিয়ে।জনতার কথাঃ ছোট ছবি মানেই ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম। আপনারটাও নিশ্চয় সেটাই...সৌম্যদীপঃ ছোট ছবি মানেই বেশিরভাগ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি, কিন্তু এটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি না। এলএসসির প্রযোজক সোমনাথ দে। উনি আপাদমস্তক একজন কর্পোরেট মানুষ, দীর্ঘদিন ভারতের বাইরে কাটিয়ে দেশে ফিরে দেশের মানুষের জন্য কিছু করার উদ্যোগে নিচ্ছিলেন, আই অ্যাম ফরচুনেট যে, ওনার সঙ্গে সেই মুহূর্তে আমার দেখা হয়। এটা তারও প্রথম প্রযোজনা। আর এটা পুরোটাই বানানো হয়েছে হিন্দিতে। বাংলা শর্ট ফিল্ম করলে দর্শক তো পাওয়া যায় না, বিক্রি করারও জায়গা পাওয়া যায় না। কিন্তু হিন্দিতে শর্ট ফিল্ম করাতে কেনার পরিসরটা অনেকটা বড় এবং ডিস্ট্রিবিউশনটাও ভালো হয়। আমি লাকি যে সোমনাথ দে এই ছবি প্রযোজনা করতে রাজি রয়েছেন এবং তাঁর কাছে মনে হয়েছে এটা সমাজের জন্য খুব দরকারি একটা ছবি। প্রযোজক খুব সাপোর্ট করেছেন।জনতার কথাঃ এই ছোট ছবিটা কতক্ষণের এবং কে কে অভিনয় করেছেন?সৌম্যদীপঃ এটা ১৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের। মূল চরিত্রে প্রশান্ত সূত্রধর। এছাড়া রয়েছেন স্বস্তি দাস, মৌমিতা বি বোস।পরিচালক ও প্রযোজক সোমনাথ দেজনতার কথাঃ বাংলাতে বিগত দু-তিন বছরে অনেক শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হচ্ছে। এই শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উপযোগিতা কতটা রয়েছে বা স্বচ্ছতা কতটা আছে?সৌম্যদীপঃ বাংলায় অনেক শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হচ্ছে। তার একটা ভালো দিকও আছে। আবার একটা খারাপ দিকও আছে। ভালো দিক হল প্রচুর কন্টেন্ট তৈরি হবে। আবার প্রচুর আবোল-তাবোল কন্টেন্টও তৈরি হবে। গুণগত মানটাও কমে যায়। লকডাউনে আমি এরকম অনেক ছবি দেখেছি যারা কেউ প্রপার ফিল্মমেকার না। ফলে কোয়ালিটি ফল করছে। আর স্বচ্ছতার কথা বললে আমি খুব সহজভাবে বলি সব ফেস্টিভ্যালের খুব স্বচ্ছতা থাকে না। অস্বচ্ছতা বেশিরভাগ ফেস্টিভ্যালেরই আছে, তবে সব ফেস্টিভ্যালেরই যে আছে এমনটাও বলতে পারছি না। শর্টকাট ওয়েতে একটা অ্যাওয়ার্ড হয়তো পাওয়া যেতে পারে কিন্তু তাতে ভালো ছবি হয় না। কোনও ছবি বানানোর পর আমি যদি অ্যাওয়ার্ডের জন্য কাউকে রিকোয়েস্ট করি তার মানে সেই ছবির গুণগত মান ভালো হয়নি বলেই কিন্তু আমি রিকোয়েস্ট করছি। সেরকম একটা ছবি ফেস্টিভ্যালে পাঠানো ঠিক না। তাহলে শিল্পের গুণগত মান পড়বে বলেই আমার ধারনা। অ্যাওয়ার্ড পাওয়াটাই যদি মূল উদ্দেশ্য হয় সেটা খুব একটা ভালো ব্যাপার নয়।জনতার কথাঃ আপনার আপকামিং আর কি কি ছবি আসছে?সৌম্যদীপঃ আমার একটা ফিট অ্যান্ড ফো ছবি হল। যেখানে ক্যাকটাসের সিধু দা এবং সায়নী দত্ত অভিনয় করেছেন। এটা ৩০ মিনিটের একটা শর্ট এবং এটাই আমার শেষ শর্ট ফিল্ম। আমি এখন ফিচার ফিল্ম ও ওয়েব সিরিজের দিকে মন দিয়েছি।জনতার কথাঃ পেজ থ্রি জার্নালিস্ট থেকে পরিচালনায় আসায় কোনও সুবিধা কি পেয়েছেন?সৌম্যদীপঃ সুবিধা তো পেয়েছি। কন্ট্যাক্ট তৈরি হয়েছে। নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে আমি নাওয়াজ বলে ডাকতে পারি। ওর সঙ্গে একটা ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। আদিল হুসেন, পঙ্কজ ত্রিপাঠীর সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব তৈরিই হত না আমি টাইমস-এ চাকরিটা না করলে। সাংবাদিক থেকে ফিল্ম ডিরেক্টর হওয়ায় সাংবাদিক পরিমণ্ডলে থাকা আমার সাংবাদিক বন্ধুরা আমাকে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করেছে।গৌতম ঘোষ ও পরিচালক সৌম্যদীপজনতার কথাঃ শেষ প্রশ্ন, আগামি দিনে কি সাংবাদিকতায় ফেরার ইচ্ছে রয়েছে আপনার?সৌম্যদীপঃ না সেরকম ইচ্ছে নেই। পরিচালনা করছি, বই লিখছি এটাই ঠিক আছে। বইমেলায় আমার নতুন বইও প্রকাশ পাচ্ছে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'পরজীবী'-র জন্য সেরা অভিনেত্রী রূপ দে

পরিচালক রজত সাহার ও তাঁর পরজীবী টিমের জন্য খুশির খবর। তাঁর স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি পরজীবী ক্যালকাটা ইন্টারন্যাশনাল কাল্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিল। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই বেশ খুশি অভিনেত্রী রূপ দে। রজতের পোস্ট শেয়ার করে রূপ লেখেন,পুরো টিমকে শুভেচ্ছা। পরিচালক রজত দে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, আমার ছবি পরজীবী ক্যালকাটা ইন্টারন্যাশনাল কাল্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিল। টিমকে অনেক শুভেচ্ছা।উল্লেখ্য পরজীবী তে রূপ দে ছাড়াও অভিনয় করেছেন পৃথ্বীরাজ চৌধুরী, ফিরোজ শাহ এবং অনিমেষ চক্রবর্তী। অভিনেয়ের পাশাপাশি ক্যামেরার দায়িত্ব ও সামলেছেন অনিমেষ। অন্যদিকে পরিচালনার পাশাপাশি এই ছবির সম্পাদনার কাজটাও সামলেছেন রজত দে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Palok : প্রদর্শিত হল ছোট ছবি 'পালক'

নারীর ক্ষমতায়ন বা Women Empowerment হল বর্তমানে বহুল চর্চিত একটি বিষয়। আজকের নারী শুধুমাত্র স্বামী, সংসার, সন্তান এতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এই সমস্ত কিছু সামলে নিজের কেরিয়ার এবং স্বপ্নকে বাস্তব করে তুলতে বদ্ধপরিকর। এই বার্তা নিয়ে প্রর্দশিত হল স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি পালক।এই ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন পারমিতা ব্যানার্জী। যার নিজের জীবনটাই এই বিষয়ে একটা জলন্ত উদাহরণ। পেশায় স্কুল শিক্ষিকা পারমিতার স্বপ্ন নিজেকে একজন সফল পারফর্মিং আর্টিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এবং নিজের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে সে এগিয়ে চলেছে। মডেলিং ক্যরিয়ারে রাম্প ওয়াক, ফোটোশুট, ব্রান্ডশুট, এর পাশাপাশি একজন জাজ হিসেবেও কাজ করেছে সংগে আরও বেশ কিছু আগামী প্রজেক্ট। এবং তার জীবনের গল্পকেই একটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে পালক-এ।পারমিতা জানালেন এই প্রজেক্টে কাজ করার সুন্দর অভিজ্ঞতার কথা। পালক পরিচালনা এবং তার চিত্রনাট্য করেছেন আকাশ বণিক। এছাড়াও সিনেমাটোগ্রাফি এবং সম্পাদনায় আছেন সত্যজিৎ সি্ংহ নেগি, সংগে সৌনক। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক করেছেন পীযূষ যা এককথায় দূর্দান্ত। এক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য শুভময় ঘোষের বাঁশি। পালক দেখা যাচ্ছে ক্যালকলিং টিভির ইউটিউব চ্যানেলে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Musical short film : মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্মে নকশাল পিরিওডের প্রেম

যুগ যুগ ধরে প্রেমের পবিত্রতা এক হলেও সমাজের প্রতিবন্ধকতা তার পরিণতির দিক ভিন্ন ভিন্ন হয়। বিচারের চশমা পরে তর্ক চলতে পারে, কিন্তু দুটো পবিত্র আত্মা পবিত্রই থাকে। বেশিরভাগ বিখ্যাত প্রেমের পরিণতি এই চশমা বলে বিয়োগান্তক, কিন্তু দুটো আত্মাকে কোন শক্তি কি আলাদা করতে পেরেছে? এইরকম একটা চোখে জল ঝড়ানো গত সত্তর দশকে (১৯৭০-৮০) এই বাংলার সমাজ জীবনে তোলপাড় কেটেছিল অসংখ্য টাটকা তাজা প্রাণের। বুক ভরা সমাজের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে ঝাপিয়ে পরা যুব সমাজ নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছিল গঙ্গার বুকে। নিকশ কালো অন্ধকারে ওদের বুকের রক্তে গঙ্গার জল লাল হলেও কতজন তার খবর রেখেছে। এইরকম একটুকরো অল্প সময়ের জন্য হলেও অনন্ত সেই ভালোবাসার এই গল্প হলেও সত্যি ঘটনা। এই নিয়েই পরিচালক অরিন্দম গোস্বামীর মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম হামারে দরমিয়া। এখানে অভিনয় করছেন শুভ্রজ্যোতি রায়, শীপ্রা শীল ও কণাদ বণিক।এই মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম নিয়ে পরিচালক জনতার কথা কে জানালেন, এটা আমার দ্বিতীয় মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম হামারে দরমিয়া। ১৯৭১ সালের নকশালিস্ট পিরিওডের ওপর বেস করা। এটা একটা আনটোল্ড লাভ স্টোরি। বিষয়টা হচ্ছে আজকালকার দিনের প্রেম আর তখনকার দিনের প্রেমের মধ্যে আকাশ আর পাতাল তফাত আছে। তখনকার দিনের প্রেমের মেন ফোকাস থাকতো আইডোলজির ওপর। প্রচণ্ড শিক্ষিত সমাজ ছিল। এই বিষয়ের ওপর বেস করেই হামারে দরমিয়া। কবে শুটিং শুরু এবং কোথায় কোথায় শুটিং হবে উত্তরে জানালেন,শুটিং টা পুরো নর্থ কলকাতা জুড়ে হবে। তার মধ্যে রয়েছে বাগবাজার, উল্টোডাঙ্গার কিছু জায়গা।অভিনেতা কণাদ বণিক তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমি নকশাল লিডারের চরিত্রে অভিনয় করছি। আমি হচ্ছি লিডার। আমার সংগঠন আছে। সেখানে বিভিন্ন লোক আছে যারা আমার অর্ডারে কাজ করে। ১৯৭১ এর এই আনটোল্ড লাভ স্টোরি হামারা দরমিয়া আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। অভিনেতা শুভ্রজ্যোতি রায় তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমি ফ্রিডমের যে রাইটস তার জন্য লড়াই করছি। খুবই নতুন। আপনাদের ভালো লাগবে। এই গানটার সঙ্গে আপনারা অনেক কিছু রিলেট করতে পারবেন। অভিনেত্রী শিপ্রা শীল তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমাকে ১৯৭১ সালের একটা স্বদেশী ক্যারেক্টারে লিড করছি। আপনারা ভিডিওটা দেখুন। আপনাদের ভালো লাগবে।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Durga Puja : দুর্গাপুজোতে পরিচালক সৌভিক দে'র দুটো ভিন্নধারার প্রোজেক্ট

পুজোর মিউজিক ভিডিও জানি দেখা হবে ও স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি কোড 706 এর সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। দুটোই পরিচালনা করেছেন সৌভিক দে। জানি দেখা হবেতে অভিনয় করেছেন সৌভিক ব্যানার্জি ও মৌটুসী সর্দার। কোড 706 এ অভিনয়ে দেখা যাবে চাঁদনী সাহা ও অনিন্দ্য ব্যানার্জিকে।জানি দেখা হবে নিয়ে মৌটুসী জানালেন,পুজোর প্রেমের স্বাদ এই মিউজিক ভিডিওতে দেখা যাবে। পুজোর সময় কলকাতা যে আলাদা রূপ ধারণ করে, কলকাতার যে আলাদা ঐতিহ্য রয়েছে সেটা ডিরেক্টর তুলে ধরেছে। আমি আর সৌভিক দা মিলে এটাকেই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।কোড 706 এ রয়েছেন চাঁদনী সাহা। দর্শকরা অনেক বাংলা ধারাবাহিকে চাঁদনী কে দেখেছেন। কোড 706 নিয়ে তিনি জানালেন,অনিন্দ্য দার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে মনেই হয়নি যে একটা কাজ করছি। প্রচণ্ড মজার একটা মানুষ। কিছু কিছু সিনে তো মনিটারও দেখতে হয়নি আমাকে। এরকম অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে পারাটা বড় প্রাপ্তি। আমি আমার দিক থেকে ১০০ শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।পরিচালক সৌভিক দে জানালেন,সবাই লকডাউনে ছিল। লকডাউনের পর সবাই একটু আনন্দ চায়। সেরকমই কিছু ভাবনা নিয়ে আমি দুটো কাজ করেছি। আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগবে।জানি দেখা হবে গতকাল মুক্তি পেয়েছে তাইচি প্রোডাকশনের ইউটিউব চ্যানেলে। কোড 706 মুক্তি পাবে পুজোতে। কিন্তু মুক্তির দিন এখনও ঠিক হয়নি।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে পূর্ব বর্ধমানে দিনভর কর্মশালা, উপস্থিত জেলার বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকরা

গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অর্থ বরাদ্দের নিয়ম, প্রযুক্তিগত প্রয়োগ ও পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনানিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান: গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়নমূলক কাজের ধারাকে আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থের সঠিক ও সময়োপযোগী ব্যবহারের উপর জোর দিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। সোমবার, ২ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এবং STARPARD-এর উদ্যোগে আয়োজিত হল একদিনের বিশেষ কর্মশালা। জেলার সমস্ত সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও), যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ব্লক তথ্যপ্রযুক্তি আধিকারিক-সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।কালনা গেটের এগ্রিকালচার ফার্মে অবস্থিত জেলা পঞ্চায়েত প্রশিক্ষণ ও সম্পদ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায়।কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থ কোন কোন ক্ষেত্রে এবং কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকারি নির্দেশিকা মেনে অর্থ ব্যয়ের নিয়মকানুন, বরাদ্দ অর্থ ব্যবহারের প্রযুক্তিগত ও প্রায়োগিক দিক এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আধিকারিকদের অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র জমা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিগুলির থিমভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ কীভাবে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও প্রশিক্ষকরা বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্থানীয় স্তরে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে কর্মশালায় উঠে আসে।বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে স্থানীয় উন্নয়নে জোর২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে স্থানীয় স্তরে উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়ানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থ যাতে আরও কার্যকরভাবে জনস্বার্থে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশ দেন প্রশিক্ষকরা।কর্মশালার সভাপতি তথা জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায় বরাদ্দ অর্থের সঠিক, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী ব্যবহারের জন্য সকল আধিকারিকের কাছে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু আধিকারিক স্তরেই নয়, গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও ধাপে ধাপে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার আওতায় আনা হবে।দিনভর চলা এই কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ ও অর্থ ব্যবহারের নিয়মাবলি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং যথাযথ ব্যবহারের পর প্রয়োজনীয় শংসাপত্র প্রদানের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কাজে অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দীপাবলিতে বাজি না পোড়ানোর বার্তা দিতেই তীব্র আক্রমণ! মারাত্মক বিতর্কের মুখে বলি অভিনেত্রী দিয়া মির্জা

আদালতের নির্দেশে শব্দবাজি না পোড়ানোর বার্তা দেওয়াই যেন কাল হলো বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার জন্য। দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে আমজনতার কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল বৃহ্নমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। কিন্তু সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্কের ঝড়। মুম্বই বিজেপির সভাপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে দীপাবলি পালন করতে হবে তা নিয়ে কারোর কাছে কোনো জ্ঞান শুনতে চান না তিনি। চমকপ্রদ বিষয় হলো, একই ধরনের সচেতনতামূলক ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল মাধুরী দীক্ষিত, অজিঙ্ক রাহানে এবং নিশিগন্ধা ওয়াডকে দিয়েও। কিন্তু বাকি তিন তারকার বিরুদ্ধে একটি কথাও না উঠলেও, আক্রমণের সমস্ত তির গিয়ে বিধেছে কেবল দিয়া মির্জার গায়েই।আসলে কিছু দিন আগেই পরিবেশ রক্ষা ও শব্দদূষণ রুখতে বম্বে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, দূষণমুক্ত উৎসব পালনে পরিচিত মুখদের দিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালাক প্রশাসন। দিয়া মির্জা দীর্ঘ দিন ধরেই পরিবেশ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে সরব হন, সেই কারণেই হয়তো বিএমসি তাঁকে এই বার্তার জন্য বেছে নিয়েছিল। পুরনিগমের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে দিয়া সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তাঁরা বাজি না ফাটান এবং উৎসবের নামে শব্দদূষণ থেকে বিরত থাকেন।কিন্তু এই ভিডিও সামনে আসার পরেই চরম ক্ষোভ উগরে দেন মুম্বই বিজেপির সভাপতি অমিত সাতনাম। সরাসরি দিয়াকে নিশানা করে তিনি স্পষ্ট জানান, কীভাবে উৎসব উদযাপন করা হবে তা অন্য কারো কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই, কারণ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গেই এই রীতিনীতিগুলি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। মজার বিষয় হলো, যে পুরনিগম ভিডিওটি তৈরি করেছে সেই বিএমসির দায়িত্বে বর্তমানে এই দলই রয়েছে। নিজেদের প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি ভিডিও হলেও বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করতেই তড়িঘড়ি দিয়া মির্জার বার্তাটি সোশাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়। ঠিক কী কারণে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলো তা নিয়ে বিএমসি মুখ খোলেনি, তবে মাধুরী বা রাহানের মতো অন্য তারকাদের ভিডিও কিন্তু এখনও পেজে বহাল তবিয়তে রয়েছে। এই পুরো ঘটনাটি কেন্দ্র করে বর্তমানে চরম শোরগোল মুম্বইয়ের রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাস কেলেঙ্কারিতে এবার ইন্দ্রনীল-কন্যা! স্ত্রীকে জেরার পর সোমবারই লালবাজারে তলব আভেরিকে, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর নাম করে ইউনেস্কোর লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার ও পাস বিক্রির বিরাট দুর্নীতি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। শনিবার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রীকে জেরা করার পর, এবার লালবাজার গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে তাঁর মেয়ে আভেরি সেন। সোমবারই তাঁকে লালবাজারে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছেন তদন্তকারীরা। লালবাজার সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও মোটা টাকার অসংগতিপূর্ণ লেনদেনের চরম সূত্র পেয়েছেন সিটের আধিকারিকরা। আর সেই টাকার উৎসের খোঁজ পেতেই আভেরিকে সামনাসামনি বসিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রাক্তন মন্ত্রীকে গরাদে পুরার তিন দিনের মধ্যেই শনিবার তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনকে লালবাজারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা করে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। পাস বিক্রির দায়িত্বে থাকা মাস আর্ট নামক সংস্থার সভানেত্রী ছিলেন মধুছন্দাদেবী। সংস্থার নানা নথিপত্রে তাঁর সই যেমন রয়েছে, তেমনই ইউনেস্কোর লোগো অবৈধভাবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পেছনেও তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। লালবাজারের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সংস্থা থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে প্রায় ৬৬ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছিল এই মাস আর্ট সোসাইটিকে। এরপর সেই টাকার একটা বড় অংশ, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকা ঘুরপথে চলে যায় আইস্কেপ ও মায়রা নামের দুটি সংস্থায়। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই দুটি সংস্থার পুরোটাই পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন ইন্দ্রনীলের কন্যা আভেরি।সেই জটিল আর্থিক লেনদেনের জাল গুটিয়ে আনতেই এবার সেন বাড়ির মেয়েকে তলব করল লালবাজার। তদন্তকারীদের সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সংস্থার কর্মীদের উপরও কড়া নজর রাখা হচ্ছে। খুব দ্রুত তাঁদের প্রত্যেককেও একে একে ডেকে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বড় দুর্গোৎসবের উদ্যোক্তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে, ইউনেস্কোর লোগো দেখেই তাঁরা এই উদ্যোগে বিশ্বাস রেখেছিলেন। মাস আর্টের কর্মীরাই সরাসরি মণ্ডপে গিয়ে প্রিভিউ শো-এর সমস্ত বন্দোবস্ত করতেন। পরিবর্তে পুজো কমিটিগুলিকে সামান্য কিছু টাকা ও প্রবেশদ্বারে আলোর গেট বসানোর সুযোগ দেওয়া হতো। ওই বিজ্ঞাপনী গেট বাবদ দেড় থেকে দুলাখ টাকা হাতে পেলেও, কোটি কোটি টাকার পাস বেচে উদ্যোক্তাদের সামান্য কিছু টাকায় সন্তুষ্ট রাখা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে লালবাজার। সোমবার ইন্দ্রনীল-কন্যার জেরার পর এই দুর্নীতিতে আরও বড় মাথার নাম সামনে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি কার জন্য? দিল্লির ব্যবসায়ীদের অভিযোগের জবাব দিলেন রাহুল

দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের জনসভাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। ওই সভার কারণে এক দিনেই ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন। তাদের অভিযোগ, উৎসবের মরশুমের ঠিক আগে এই সভার আয়োজন করায় শহরের বহু বাজার বন্ধ রাখতে হয়েছিল। যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ জারি ছিল। ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসা থেকে শুরু করে পরিবহণ, হোটেল এবং পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতি হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দাবি, রবিবার ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের বড় সভার কারণে দিল্লির ব্যবসায়ীরা বিপুল লোকসানের মুখে পড়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, দীপাবলির আগে এই সভা না করার জন্য রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী নেতাদের কাছে বারবার আবেদন জানানো হয়েছিল। চিঠি লিখে তাঁদের অনুরোধ করা হয়েছিল, দীপাবলির পরে সভার আয়োজন করতে। কারণ, সভার জন্য যানজট এবং রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখা হয়নি বলে দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের।সংগঠনটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, রামলীলা ময়দানের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা একাধিক বড় বাজারে ব্যবসা বন্ধ ছিল। কাশ্মীরি গেট, মোরি গেট, চাঁদনি চক, চৌরি বাজার, খারি বাওলি, নয়া বাজার, সদর বাজার, আজমেরি গেট, দরিয়াগঞ্জ, পাহাড়গঞ্জ, কমলা মার্কেট, জামা মসজিদ, লাজপত রাই মার্কেট, তিলক বাজার, কনট প্লেস, গফ্ফর মার্কেট এবং করোল বাগের মতো এলাকার বাজারে এর প্রভাব পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির হিসাব বলছে, দিল্লির প্রায় তিন লক্ষ দোকানের মধ্যে আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ ছিল। এর ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসায় প্রায় ৮৮০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের।শুধু দোকানপাট নয়, পরিবহণ এবং পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। রামলীলা ময়দানের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকায় পরিবহণ ও পণ্য সরবরাহে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এ ছাড়া হাসপাতাল, হোটেল, রেস্তরাঁ এবং পর্যটন ক্ষেত্র মিলিয়ে আরও প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।সব মিলিয়ে এক দিনের জনসভার কারণে ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের। এই ক্ষতির দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।অন্য দিকে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এই অভিযোগের পাল্টা কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষতির জন্য বিরোধীদের সভাকে দায়ী করা ঠিক নয় বলেই তাঁর বক্তব্য।ব্যবসায়ী সংগঠনের অভিযোগ এবং রাহুল গান্ধীর পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে ১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি। এই অঙ্কের স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিনের সঙ্গীকেই আছড়ে দিল হাতি! আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে মাহুত হীরা

দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। সেই হাতির হামলাতেই গুরুতর জখম হলেন মাহুত হীরা রাভা। সোমবার সকালে আলিপুরদুয়ারের পানিঝোরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর মেরুদণ্ডে চোট লেগেছে। শরীরের একাধিক হাড়েও চিড় ধরেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় বনকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আহত মাহুতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ।বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ ইস্ট দমনপুর রেঞ্জের চেকো বিটের পানিঝোরা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। চন্দন নামে একটি হাতিকে জঙ্গলে ঘোরানোর পর ডিপোয় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাহুত হীরা। সেই সময় আচমকাই পিছন দিক থেকে হীরাকে ধাক্কা মারে হাতিটি। আচমকা এই আক্রমণে সামলে উঠতে পারেননি তিনি। গুরুতর জখম হন হীরা।ঘটনার পরেই ছুটে আসেন অন্য বনকর্মীরা। তাঁরা কোনও রকমে চন্দনকে ডিপোর ভিতরে আটকে রেখে আহত হীরাকে উদ্ধার করেন। এর পর তাঁকে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।হাসপাতালের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ অনিন্দ্য সাহা জানিয়েছেন, হীরার শারীরিক অবস্থা বেশ গুরুতর। তাঁর মেরুদণ্ডে সমস্যা রয়েছে। এ ছাড়া শরীরের একাধিক হাড়ে চিড় ধরেছে। চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করছেন।দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনার মুখে পড়লেন হীরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বনকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ আহত মাহুতের চিকিৎসার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, হীরার সঙ্গে দেখা করে তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহুতের শারীরিক অবস্থার দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

অন্ধ্রের দিকে ধেয়ে আসছে মুরাসু, বাংলায় সোমবার থেকে মঙ্গলবার কোথায় কোথায় বৃষ্টি?

ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মুরাসু। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার মাঝরাতের পর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের ওঙ্গোলের কাছে ঘূর্ণিঝড়টির আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলার আবহাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কি রাজ্যে দুর্যোগ নামবে?আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ মেঘলা থাকার পাশাপাশি কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। বিক্ষিপ্ত ভাবে এক-দুটি জায়গায় হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই।দক্ষিণবঙ্গেও সোমবার ও মঙ্গলবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।তবে ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার আশঙ্কা না থাকায় রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় আপাতত কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। অন্য দিকে, বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার পর্যন্ত পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ প্রশাসন। সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আপাতত নজর রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ এবং উপকূলে আছড়ে পড়ার পরিস্থিতির দিকে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

মাঝরাতে মহাকরণের কাছে ভয়াবহ আগুন! পুড়ে ছাই অফিসের নথি, ঘটনাস্থলে ১০টি ইঞ্জিন

মাঝরাতে কলকাতার বুকে ফের অগ্নিকাণ্ড। মহাকরণের পিছনে বিবাদী বাগের লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় একটি বহুতলের অফিসে আগুন লাগল। রবিবার ভোররাতে এই ঘটনা নজরে আসে স্থানীয় বাসিন্দাদের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। আগুনে অফিসের বহু নথিপত্র ও কম্পিউটার পুড়ে গিয়েছে বলে খবর। কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাকরণের ঠিক পিছনে লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় ওই বহুতলটি রয়েছে। সেখানে চার থেকে পাঁচটি সংস্থার অফিস রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রবিবার ভোররাত সাড়ে ৩টে নাগাদ বহুতলটি থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন আশপাশের বাসিন্দারা। এর পর দ্রুত দমকলে খবর দেওয়া হয়। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।আগুনের উৎস খুঁজতে এবং ভিতরে জমে থাকা ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে দমকল কর্মীরা বিশেষ যন্ত্র ও গ্যাস মাস্ক ব্যবহার করেন। সকালের দিকে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তার আগেই বহুতলের চারতলায় থাকা অফিসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।দমকল কর্মীদের দাবি, আগুনে অফিসের নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কম্পিউটারও ভস্মীভূত হয়েছে। সকাল ৮টার পরেও বহুতলের কিছু জায়গায় আগুনের ছোট ছোট অংশ জ্বলছিল। সেগুলি নেভানোর কাজ চালান দমকল কর্মীরা। এর পর শুরু হয় ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া, যাতে ফের আগুন ছড়িয়ে পড়তে না পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। কী কী নথি নষ্ট হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, দমকলের তরফে এখনও কোনও কারণ নিশ্চিত করা হয়নি। আগুন পুরোপুরি নিভে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে অগ্নিকাণ্ডের উৎস খোঁজা হবে। পাশাপাশি, বহুতলটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে বলে দমকল সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

দীর্ঘক্ষণ শৌচালয় থেকে বেরোলেন না, দরজা ভেঙে উদ্ধার দেহ! বিধানসভায় কী ঘটেছিল?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার শৌচালয় থেকে এক ক্যান্টিন কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম উমেশ চন্দ্র। তাঁর বয়স ৪৬ বছর। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে বিধানসভার ক্যান্টিনে কাজ করছিলেন। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। তদন্তে পুলিশ কুকুরও নামানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ৯টা ১০ মিনিট নাগাদ বিধানসভার শৌচালয় থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিদিনের মতো এ দিনও তিনি শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকক্ষণ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেননি। বিষয়টি নজরে পড়ে তাঁর সহকর্মীদের। তাঁরা ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাননি। এর পর সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে শৌচালয়ের দরজা ভেঙে ভিতর থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার করে।এর পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, উমেশের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তা হলে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।উমেশের এক সহকর্মীর দাবি, শৌচালয়ে গিয়ে কোনওভাবে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। পড়ে যাওয়ার সময় তাঁর মাথা বেসিনে লেগে থাকতে পারে বলেও জানান ওই কর্মী। তাঁর কথায়, উমেশের এক দাদা ও বৌদি রয়েছেন। তিনি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

নভেম্বর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal