• ২ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rbi

রাজ্য

তোলা না দেওয়ায় গাছে বেঁধে কাপড় ব্যবসায়ীকে মারধর

পাঁচ লক্ষ টাকা তোলা না দেওয়ায় গাছে বেঁধে এক কাপড় ব্যবসায়ীকে মারধর এবং সালিশি করে গ্রাম ছাড়া করার অভিযোগ উঠলো স্থানীয় একদল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচক থানার ফতেখানি এলাকায়। এই ঘটনায় আক্রান্ত ব্যবসায়ীর পরিবার কালিয়াচক থানার দ্বারস্থ হলেও চারদিন পরে পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। অবশেষে বুধবার ওই ব্যবসায়ী দম্পতি সমস্ত ঘটনার বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানালেন পুলিশ সুপারের কাছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মালদার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব। এদিকে কালিয়াচকের ওই ব্যবসায়ীর ওপর আক্রমণ এবং পাঁচ লক্ষ টাকা তোলাবাজির ঘটনায় রীতিমতো অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জেলার সর্ববৃহৎ ব্যবসায়ীদের সংগঠন মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সভাপতি জয়ন্ত কুন্ডু জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনার আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বারবার যদি ব্যবসায়ীদের ওপর দুষ্কৃতীদের হামলা নেমে আসে, তাহলে আমরা যাব কোথায়। অবিলম্বে পুলিশ সুপার যাতে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে, সেই আবেদন জানাচ্ছি। এদিকে পুলিশকে অভিযোগে কালিয়াচক থানার ফতেখানি এলাকার পোশাক ব্যবসায়ী মহম্মদ রহিম বিশ্বাস জানিয়েছেন, পুরনো একটি মামলার ঘটনায় গত শনিবার এলাকার এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী জহরুল খান এবং তার দলবল তাকে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায়। তাদের একটি ডেরায় তাঁকে গাছে বেঁধে ব্যাপক মারধর করা হয়। এরপর পাঁচ লক্ষ টাকার তোলা চাওয়া হয়। সেই টাকা না দেওয়ায় আশেপাশের আরও কিছু সাগরেদদের জুটিয়ে সালিশি ডাকা হয়। সেই সালিশির মাধ্যমে তাদের পরিবারকে গ্রাম ছাড়া করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। আর এই ঘটনার পর থেকেই গত চারদিন ধরেই ওই ব্যবসায়ী পরিবার নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্য এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন হয়ে রয়েছেন। এমনকি ফতেখানি স্ট্যান্ডের কাছে ওই ব্যবসায়ী তার নিজের পোশাকে শোরুম খুলতে পারছেন না।

জুন ১৮, ২০২৫
দেশ

বাড়িতে ২ হাজার টাকার নোট আছে? এটা না করলেই পস্তাতে হবে

বহুদিন ধরে বাজারে খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না, কানাঘুষোও চলছিল বিস্তর। অবশেষে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ঘোষণা করে দিল। ফের হইচই দেশজুড়ে।এনডিএ সরকারের দ্বিতীয় দফায় নোট বাতিল ঘোষণা হল। এবার ২ হাজার টাকা নোট বাতিলের বড়সড় ঘোষণা করল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আরবিআই জানিয়েছে, বাজার থেকে ২ হাজার টাকার নোট তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ হাজার টাকার নোট ব্যাঙ্কে জমা করা যাবে। ওই সময়ের মধ্যে ব্যাঙ্কে গিয়ে ২০০০ টাকার নোট বদলাতে পারবেন সাধারণ মানুষ৷ আগামী ২৩ মে থেকে ব্যাঙ্কগুলিতে এই সুবিধা মিলবে৷ তবে একবারে ২০০০ টাকার নোটে ২০ হাজার টাকার বেশি বদলানো যাবে না। এই নোটের বৈধতা থাকবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।অবশ্য ইতিমধ্যে আরবিআই ব্যাঙ্কগুলিকে ২ হাজার টাকার নোট দেওয়া বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে। ২০১৮-১৯ -তেই ২০০০ টাকার নোট ছাপানো বন্ধ করে দিয়েছিল আরবিআই৷ এই নোট বাতিল অনেকটাই পূর্ব পরিকল্পিত।২০১৬-তে নোট বন্দিতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২হাজার নোট বাজারে নিয়ে আসে আরবিআই। ৫০০ টাকার নতুন নোট ছাড়লেও ১হাজার টাকার নোট বাজারেই আনেনি আরবিআই। এবার গোলাপি রংয়ের ২ হাজার টাকার নোট তুলে দিচ্ছে আরবিআই। নোটবন্দির পর ছিল উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন। সামনের ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন।

মে ১৯, ২০২৩
দেশ

আরবিআই-র অনুমোদনহীন এই ব্যাঙ্ক গুলি থেকে টাকা তোলায় বিধিনিষেধ, আপনি কি ওই ব্যাঙ্ক গুলির গ্রাহক?

ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, দুটি বাঙ্কের আর্থিক অবস্তার অবনতির দিকে নজর রেখে আপাতত ছয় মাস ওই দুই ব্যাঙ্কের লেনদেনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে।উত্তরপ্রদেশের দুটি সমবায় ব্যাঙ্কের আর্থিক অবস্থার অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে টাকা তোলা সহ একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এই দুই ব্যাঙ্ক হল লক্ষ্ণৌ আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক এবং আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক লিমিটেড, সীতাপুর। ব্যাঙ্কিং নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে এই বিধিনিষেধ ছয় মাসের জন্য আপাতত বলবৎ থাকবে।ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বিবৃতি জারী করে বলেছে, লক্ষ্ণৌ আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের গ্রাহকরা ৩০,০০০ টাকার বেশি তুলতে পারবেন না। আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে টাকা তোলার সীমা গ্রাহক প্রতি ৫০,০০০ টাকা।জানা গেছে যে, এই দুটি ব্যাঙ্ক-ই আরবিআই-এর অনুমোদন হীন। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই দুই ব্যাঙ্ক কোনওরকম ঋণ দিতে পারবে না, কোনও সংস্থা তে বিনিয়োগ করতে পারবে না, কোনও দায় বহন করতে পারে না ... সহ একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এই দুই ব্যাঙ্কের ওপর।

জুলাই ২৯, ২০২২
দেশ

Booster Dose: করোনার বাড়বাড়ন্তের মধ্যেই আজ থেকে শুরু বুস্টার ডোজ

নতুন বছরের শুরুতেই ছোটদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আর এবার টিকাকরণের আরও এক নতুন পর্যায় শুরু হচ্ছে। সোমবার থেকে দেশজুড়ে শুরু বুস্টার ডোজ বা প্রিকশন ডোজ দেওয়ার পর্ব। গত বছরের শেষে করোনার ভ্যাকসিনের এই তৃতীয় ডোজ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সেই প্রক্রিয়া।মূলত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, যাঁরা করোনার প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত, তাঁদের এই প্রিকশন ডোজ দেওয়া হবে। এ ছাড়া ৬০ বছরের বেশি বয়স হলে ও কো-মর্বিডিটি অর্থাৎ ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো কোনও অসুস্থতা থাকলে তাঁদের এই প্রিকশন ডোজ দেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত সব প্রাপ্তবয়স্কদের কবে প্রিকশন ডোজ দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। গত বছর মে মাসে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, প্রথম টিকা নেওয়া পর যাঁরা কোভিড পজিটিভ হয়েছেন, তাঁদের দ্বিতীয় টিকা নিতে অন্তত তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু তৃতীয় টিকা সংক্রান্ত নির্দেশিকায় এ ব্যাপারে কিছু বলা নেই। ফলে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, তৃতীয় টিকা নেওয়ার জন্য আগে থেকে কোউইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করার প্রয়োজন নেই। টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করালেই এই বুস্টার টিকা পাওয়া যাবে। স্বাস্থ্যকর্মী, প্রথম সারির কর্মীরা ছাড়া ষাটোর্ধ্ব যে সব ব্যক্তির হাইপার টেনশন, ডায়বেটিস এবং অন্য কোন অসুখ রয়েছে, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এই টিকা নিতে পারবেন।স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার অন্তত ৯ মাস পর এই বুস্টার টিকা নেওয়া যাবে। প্রথম এবং দ্বিতীয় টিকার মতোই তৃতীয় টিকা এক হতে হবে। কোনও মিশ্রণ চলবে না। অর্থাৎ যাঁরা কোভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁদের ওই টিকাই নিতে হবে। আবার যাঁরা কোভিশিল্ড নিয়েছেন, তাঁদেরও তৃতীয় টিকা কোভিশিল্ডেরই নিতে হবে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

RBI Governor: ৩ বছর মেয়াদবৃদ্ধি আরবিআই গভর্নরের

রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নর পদে আরও তিন বছর থাকছেন শক্তিকান্ত দাস। আরবিআই গভর্নর হিসাবে পুনর্নিযুক্ত হলেন তিনি।শুক্রবার ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাসের কার্যকালের মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানোর ঘোষণা করে কেন্দ্র। একটি সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার নিয়োগ কমিটি ১০ ডিসেম্বর, ২০২১ সালের পরে তিন বছরের জন্য বা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত শক্তিকান্ত দাসকে আরবিআই গভর্নর হিসাবে পুনর্নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে।আগামী ১০ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট পদে তাঁর চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটি জানায়, আগামী ৩ বছরের জন্য-ও শক্তিকান্ত দাসকে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর পদে পুনরায় নিয়োগ করা হল। মোদি সরকারের আমলে শক্তিকান্ত দাসই প্রথম আরবিআই গভর্নর যাঁর মেয়াদ বাড়ানো হল।অর্থ মন্ত্রকের অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগের সচিব ছিলেন শক্তিকান্ত দাস। তাছাড়া অর্থ, কর, শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) থেকে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এনডিবি) এবং এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)-এ ভারতের বিকল্প গভর্নর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন শক্তিকান্ত। এহেন শক্তিকান্ত দাস গত ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর তিন বছরের জন্য ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের প্রধান হিসাবে নিযুক্ত হন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

রেশনের খাদ্যসামগ্রী পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার দুই, চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানে

রেশনের খাদ্যসামগ্রী পাচারের অভিযোগে ডিলারসহ ২ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে ১০টি বস্তায় ভর্তি ৫ কুইন্টল চাল ও ৮টি বস্তায় ভর্তি ৪ কুইন্টাল গম। ধৃতরা হলেন ডিলার তুলসীরঞ্জন মুখোপাধ্যায় ও মোটর ভ্যান চালক তাপস দাস। প্রথমজনের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতরের এওড়া গ্রামে। অপর ধৃত ভাতারের আড়া গ্রামের বাসিন্দা। ভাতার থানার পুলিশ বুধবার সন্ধ্যায় তাদের গ্রেফতার করে। বাজেয়াপ্ত করা হয়ে উদ্ধার হওয়া খাদ্য সামগ্রী। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। দুই ধৃতকেই বৃহস্পতিবার পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম দুই ধৃতের জামিন নামাঞ্জুর করে বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন । পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সুত্রে বুধবার সন্ধ্যায় পুলিশ খবর পায় এওড়া গ্রামের রেশন ডিলার তুলসিরঞ্জন মুখোপাধ্যায় রেশনের বেশ কিছু খাদ্য সামগ্রী পাচার করছে। সেই খবর পেয়েই পুলিশ সেখানে হানা দেয়। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তাপস দাসের মোটরভ্যানে রেশনের ১০ বস্তা চাল ও ৮ বস্তা গম লোড করে ফেলেছিল ডিলার। পুলিশ হাতেনাতে তাদের ধরে ফেলে। খবর পেয়ে ব্লক খাদ্য আধিকারিক দয়াময় গোস্বামীও ঘটনাস্থলে পৌঁছান । পুলিশ দুজনকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জেরায় খাদ্যসামগ্রী পাচারের কথা কবুল করার পরেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তাদের গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে রেশনের খাদ্য সামগ্রী পাচার করা হচ্ছিল।

জুলাই ২২, ২০২১
ব্যবসা

Bank's Profit: করোনা অতিমারিতেও ব্যাংকের রেকর্ড লাভ

২০২০-২১ অর্থবর্ষে দেশের ব্যাংকিং বিভাগ করোনা অতিমারিতেও রেকর্ড লাভ করেছে। যখন দেশের বাকি সমস্ত সংস্থা এই অতিমারিতে অর্থনৈতিক ভাবে বিপর্যস্ত, সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই ফলাফল খুবই আশাব্যঞ্জক। ওই অর্থবর্ষে বাঙ্কিং বিভাগ ১,০২,২৫২ কোটি টাকা লাভ করেছে, যা গত অর্থবর্ষের ১৮,০০০ কোটি টাকার মোট লোকসানের তুলনায় বেশ ভাল বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।মোট মুনাফার ৫০% এসেছে প্রধান দুইটি ব্যাংক এইচডিএফসি এবং স্টেট বাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া থেকে। এইচডিএফসি বাঙ্ক ৩১,১১৬ কোটি টাকা যা প্রায় মোট লাভের ৩০% এবং গত অর্থবর্ষের তুলনায় ১৮% বেশী। দেশের সর্ববৃহৎ ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ২০,৪১০ কোটি টাকা লাভের কথা ঘোষণা করেছে, যা গত অর্থবর্ষের তুলনায় ২০% বেশী। তৃতীয় সর্বোচ্চ স্থানে আইসিআইসিআই ব্যাংক, তারা ১৬,১৯২ টাকা লাভ করে, যা আগের অর্থবর্ষের প্রায় দ্বিগুন। সরকারি ব্যাংকগুলি (পিএসবি) ঋণদানের ক্ষেত্রে ধীরগতির নীতি অবলম্বন করায় বেসরকারী ব্যাংকগুলিরও বাজারের শেয়ার বৃদ্ধি পেয়েছে।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাসবচেয়ে বড় ব্যাপার বেসরকারি ব্যাংকগুলি গত পাঁচ বছরে এই প্রথম সম্মিলিত ভাবে নিট লাভ করেছে। সারকারি অধিগৃহীত ব্যাংকের মধ্যে মাত্র দুটি ব্যাংক যথাক্রমে পাঞ্জাব ও সিন্ধ ব্যাংক এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া-তে এই বছরে নিট লোকসান হয়েছে।বেসরকারী ক্ষেত্রে ইয়েস ব্যাংক ৩,৪৬২ কোটি টাকার নিট লোকসান করে লাল তালিকাভুক্ত হয়েছে। তারা বিগত বছরের মত একই ধারা অব্যহত রেখেছে। লাল তালিকাভুক্ত হওয়ার কারণ, তারা বিগত বছরের ন্যায় কম লোকসান করেছে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচিসারকারি অধিগৃহীত ব্যাংকের এই সাফল্যের মুল কারন, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ব্যাংকগুলিকে বাধ্য করেছিল সর্বোচ্চ ১০টি আনাদায়ী ঋণ গ্রহীতার ঋণের টাকা উদ্ধার করার জন্য। তারপর তারা পরবর্তী ৪০টি অনাদায়ী ঋণ গ্রহীতার থেকে ঋণের টাকা উদ্ধার করে তাদের দেউলিয়ার ঘোষণা থেকে নিরস্ত করে।রেটিং এজেন্সি আইসিআরএ রিপোর্ট অনুসারে, চলতি বছরের লাভের মুল কারণ হল সরকারি ব্যাংকের বন্ড-এ ব্যাপক বিনিয়োগ। রেটিং এজেন্সিটি আরও জানিয়েছে, এসবিআই ছাড়া বন্ড বিক্রয় থেকে লাভ অন্যান্য সমস্ত সরকারি ব্যাংকের কর-পূর্বের মুনাফা বেড়েছে। আরও পড়ুনঃ কাঞ্চনের বিরুদ্ধে এফআইআর স্ত্রী পিঙ্কিরসুদের হার কমে গেলে সরকারী বন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পায়। সুদের হার কম রাখার জন্য আরবিআইয়ের আগ্রাসী পদক্ষেপে সুদের আয় হ্রাস পেয়েছে তবে ট্রেজারি আয়ের ক্ষেত্রে প্রচুর লাভ দিয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরটি দশটি সরকারী ব্যাংকের একত্রীকরণ করে চারটি ব্যাংকে পরিণত করার জন্য বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য।ব্যাংকগুলির ব্যালান্স শিটগুলিতে মহামারির প্রভাব এখনও সেইভাবে প্রতিফলিত না হওয়ার কারণ ঋণগ্রহীতাদের ঋণখেলাপি অনেকাংশেই আটকানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পুরসভার কর্মী বদলিতে বিধায়কের সম্মতি! শোরগোল বর্ধমানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে আরবিআই ব্যাংকগুলিকে নির্দেশ দেয় যেন তারা ঋণগ্রহীতাদের আরও এক বছর সময় দিয়ে ঋণ পুনরুদ্ধার করতে। বৃহত্তর কর্পোরেট অ্যাকাউন্টগুলির ওপর যাতে এর প্রভাব কোন ভাবেই না পড়ে সেই দিকেও খেয়াল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ব্যাংকগুলি আতিমারির কারণে ঋণখেলাপি হয়ে ভবিষ্যতে লোকসানের প্রত্যাশা করছেনা না।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

জ্বর নেমেছে দিলীপ ঘোষের, কো মর্বিডিটি না থাকায় স্বস্তি

করোনায় আক্রান্ত হয়ে শুক্রবারই রাত দশটা নাগাদ সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শনিবার সকালে অনেক ভাল আছেন দিলীপ ঘোষ। জ্বর অনেকটাই কমেছে। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতির শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক নয় বলে জানানো হয়েছে হাসপাতালের তরফ থেকে। কারণ , কোনও কোমর্বিডিটি নেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ বলবিন্দরকে মুক্তি না দিলে আজ নবান্নের সামনে অনশনে বসবেন স্ত্রী ও পুত্র জানা গিয়েছে, গত তিনদিন ধরেই হালকা জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। অসুস্থ থাকায় বাতিল করেছিলেন একাধিক দলীয় কর্মসূচিও।শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁর করোনা পরীক্ষা করানো হলে সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ১০২ ডিগ্রি জ্বর থাকায় তাঁকে শুক্রবার এইচডিইউতে ভর্তি করা হয়। তাঁর আক্রান্ত হওয়ার খবরে রীতিমতো চিন্তায় বিজেপিকর্মী সমর্থকরা।

অক্টোবর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবশেষে ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে কবে ভোট জানলে চমকে যাবেন

অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বাংলা সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় জানা গেছে, ঊনত্রিশে এপ্রিলের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হবে। ভোটগণনা হবে চার মে। গতবারের তুলনায় এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোট হবে।প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। এই দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে।বাংলা ছাড়াও আরও চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এবারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।অসমে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো ছাব্বিশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেখানে ভোটগ্রহণ হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ। ভোটগণনা হবে চার মে।কেরলে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো চল্লিশ। এই রাজ্যেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।তামিলনাড়ুতে মোট বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে দুইশো চৌত্রিশটি। এই রাজ্যেও এক দফাতেই ভোট হবে। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা তিরিশ। এখানেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই পাঁচ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল এখন ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচার এবং কৌশল ঠিক করতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে জনসমুদ্র না ফাঁকা চেয়ার? মোদীর সভা ঘিরে শুরু তুমুল রাজনৈতিক তরজা

বিধানসভা ভোটের আগে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। সভায় ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত বিজেপি নেতৃত্ব পরিবর্তনের স্লোগান তুলেছে। তাদের দাবি, এই ভিড়ই প্রমাণ করছে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ভিড়ের সংখ্যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।ব্রিগেডের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দূর চোখ যাচ্ছে শুধু মানুষ আর মানুষ। এই দৃশ্য তাঁকে অত্যন্ত আনন্দিত করেছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, এই ভিড়ই বুঝিয়ে দিচ্ছে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। সভা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সভার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন এবং মানুষের উপস্থিতির প্রশংসা করেন।বিরোধী দলনেতার দাবি, ব্রিগেডের সভায় আট থেকে দশ লক্ষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, গোটা ব্রিগেড ময়দান কানায় কানায় ভর্তি ছিল এবং কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায়ও মানুষের ভিড় ছিল।বিজেপি নেতাদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস স্পষ্ট ছিল। দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে মঞ্চে গলা থেকে উত্তরীয় খুলে ঘোরাতে দেখা যায়। সেই ভিডিও তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। দলের সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও কর্মীদের উচ্ছ্বাসের ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, বাংলার প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ব্রিগেডে এসেছেন। তাঁর কথায়, কলকাতা যেন গেরুয়া সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল এবং এই উচ্ছ্বাসই বুঝিয়ে দিচ্ছে পরিবর্তনের সময় এসেছে।তবে এই দাবি মানতে নারাজ তৃণমূল। তাদের দাবি, ব্রিগেডে বিজেপির সভায় তেমন ভিড় হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে সারিবদ্ধ ফাঁকা চেয়ারের ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বিজেপিকে গ্রহণ করেননি।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও কটাক্ষ করে বলেন, একটি অংশের ছবি দেখিয়ে বড় সভা বলা যায় না। তাঁর দাবি, এর থেকেও বড় সমাবেশ অন্য রাজনৈতিক দল আগে করেছে।এদিকে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাদের কর্মীদের ব্রিগেডে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় বাস আটকে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।সব মিলিয়ে ব্রিগেডের সভা শেষ হলেও ভিড় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এখনও জোরদার। ভোটের আগে এই সভা যে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি করেছে, তা বলাই যায়।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে আসছে বকেয়া ডিএ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে সামাজিক মাধ্যমে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন বহু সরকারি কর্মচারী।মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ করছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার কর্মীরাও এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন।তিনি আরও জানান, রাজ্যের অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী রোপা দুই হাজার নয় অনুযায়ী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। মার্চ মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করবে।উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেখানে আদালত বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ পরিশোধ করার নির্দেশ দেয় এবং তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়।কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ভাতা মেটানো হয়নি। পরে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আবেদন করে। দুই হাজার পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। এরপর গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, মহার্ঘ ভাতা কর্মীদের আইনি অধিকার এবং তা মেটাতেই হবে।আদালত জানায়, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ দুই দফায় পরিশোধ করতে হবে এবং তা মে মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি দিতে হবে একত্রিশে মার্চের মধ্যে।এর পর বাকি কত টাকা দেওয়া হবে এবং কত সময়ের মধ্যে দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছিল, ডিএ দেওয়ার জন্য তিন লক্ষ সতেরো হাজারেরও বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হচ্ছে। দুই হাজার ষোলো সালের আগের অনেক তথ্য এখনও ডিজিটাল নয়, সেগুলি হাতে লেখা সার্ভিস বুক আকারে রয়েছে। সেই সব নথি ডিজিটাল করতে সময় লাগছে বলেও জানানো হয়।এ ছাড়াও প্রশাসনিক কাজের চাপ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও আদালতে উল্লেখ করেছিল রাজ্য সরকার। তবে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ না মেলায় সরকারি কর্মীদের একাংশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। সম্প্রতি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছিল। যদিও সেই ধর্মঘট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি।এর মধ্যেই রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় পরিষ্কার হয়েছে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ চলতি মাসেই কর্মীদের দেওয়া হবে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ল

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকার পরিমাণ আগেই বাড়ানো হয়েছিল। যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণাও করা হয়েছে। তবে বাজেট ঘোষণার সময় পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের জন্য আলাদা কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এবার ভোট ঘোষণার ঠিক আগেই তাঁদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, রবিবার বিকেল চারটের সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার কিছু আগেই দুপুর দুটো চল্লিশ মিনিট নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানান।এতদিন পর্যন্ত পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমরা মাসে এক হাজার পাঁচশো টাকা করে ভাতা পেতেন। সেই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়িয়ে এখন থেকে দুই হাজার টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন করে যাঁরা পুরোহিত ও মুয়াজ্জেম হিসেবে ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের আবেদনও রাজ্য সরকার গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সমাজের সব সম্প্রদায় যেন সম্মান পায় এবং সব সংস্কৃতি যেন সমান মর্যাদা পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই ঘোষণা ঘিরে বিরোধীদের তরফে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এখন পুরোহিত ভাতা বাড়িয়ে বাংলার মানুষকে পাঁচশো টাকা দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।ভোটের ঠিক আগে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal