• ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ২৯ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rajasthan

দেশ

পরিত্যক্ত গুদামে লুকোনো ছিল মৃত্যু মজুত, উদ্ধার ৯৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

প্রজাতন্ত্র দিবসের ঠিক আগেই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। প্রায় ১০ হাজার কেজি বিস্ফোরক মিলল একটি পরিত্যক্ত ওয়ারহাউস থেকে। এত বিপুল বিস্ফোরক কোথা থেকে এল, কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় নাশকতার ছক ছিল কি না, তা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৪ জানুয়ারি শনিবার রাতে রাজস্থানের নাগৌর জেলার হারসৌর গ্রামে একটি পরিত্যক্ত গুদামে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় ৯ হাজার ৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। মোট ১৮৭টি বস্তায় ভরা ছিল এই বিস্ফোরক। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযান চালানো হয়।এই ঘটনায় সুলেমান খান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে আগেও তিনটি অপরাধমূলক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। তাকে জেরা করে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।প্রসঙ্গত, এর আগেও দেশের একাধিক বড় বিস্ফোরণের ঘটনায় অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার হয়েছিল। গত বছরের নভেম্বর মাসে দিল্লির লালকেল্লার কাছে যে গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, সেখানেও এই বিস্ফোরক ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছিল।শুধু অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট নয়, ওই ওয়ারহাউস থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে নয় কার্টন ডিটোনেটর, ১২ কার্টন নীল ফিউজ তার এবং পাঁচ বান্ডিল লাল তার। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই সবই বিস্ফোরক তৈরির কাজে ব্যবহার করা হত।তবে ধৃত সুলেমান খান জেরায় দাবি করেছে, এই বিস্ফোরক রাজস্থানের বেআইনি খননকারীদের কাছে সরবরাহ করার পরিকল্পনা ছিল। যদিও পুলিশ এই দাবি খতিয়ে দেখছে। পুরো ঘটনার পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
দেশ

ভয়াবহ! একের পর এক গাড়ি পিষে এগলো ডাম্পার—চিৎকারে কাঁপল জয়পুর

ভয়াবহ সড়কদুর্ঘটনায় কেঁপে উঠল রাজস্থানের জয়পুর। সোমবার দুপুরে লোহামান্ডি রোডে একটি বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু হল অন্তত দশ জনের। আহত হয়েছেন প্রায় পঞ্চাশ জন। তাঁদের মধ্যে বহুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সবাইকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা প্রাণপ্রত্যাশী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।চোখের সামনে এতগুলো প্রাণ হারাতে দেখে শিউরে উঠেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তাঁদের দাবি, ডাম্পারের চালক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিল। প্রথমে একটি গাড়িকে ধাক্কা মারে। তারপর আর থামেনি। একের পর এক তিন-চারটি গাড়িকে গুঁড়িয়ে এগিয়ে যায় ভয়ঙ্কর ডাম্পারটি। মুহূর্তে রক্তমাখা লোহামুখী রাস্তায় হাহাকার। চিৎকার-আর্তনাদে ভরে যায় এলাকা। আতঙ্কে জীবন বাঁচাতে ছুটোছুটি শুরু করেন মানুষ।খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। উদ্ধারকাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনও হয়তো কয়েকজন ডাম্পারের নিচে আটকে থাকতে পারেন। ভারি যন্ত্র এনে গাড়ি সরানোর চেষ্টা চলছে। ডাম্পারচালককে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি সত্যিই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন কিনা, তা খতিয়ে দেখতে মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হচ্ছে। পাশাপাশি গাড়ির নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।রাজস্থানে যেন দুর্ঘটনার অভিশাপ নেমেছে। একদিন আগেই, রবিবার সন্ধ্যায় যোধপুরে মালা এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৮ জন পুণ্যার্থী। কোলায়াত মন্দির থেকে ফেরার পথে তাঁদের ট্রাভেলার গাড়ি ধাক্কা মারে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে। এখনও সেই শোক কাটেনি রাজস্থানের মানুষের। তার মধ্যেই ফের মৃত্যুপুরীতে পরিণত হল জয়পুরের ব্যস্ত রাস্তা।দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠছেকেন এত প্রাণ হাঁটুর চাপে? কেন রাস্তায় এত নেশাগ্রস্ত চালক? নিরাপত্তা কোথায়? আর কত পরিবারকে এভাবে ভেঙে পড়তে হবে? এই রক্তাক্ত ছবিই হয়তো আবারও মনে করিয়ে দিলজীবন সেকেন্ডের খেল, আর গাড়ির স্টিয়ারিং ভুল হাতে পড়লেই সর্বনাশ অনিবার্য।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
দেশ

বাংলার রাজ্যপাল হওয়ার পর থেকেই বন্ধ ছিল, ফের পেনশনের আবেদন জগদীপ ধনখড়ের

প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় দক্ষিণ দিল্লির ছাত্তরপুর এনক্লেভে ব্যক্তিগত আবাসনে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পাশাপাশি, তিনি আবারও রাজস্থান বিধানসভার প্রাক্তন সদস্য (এমএলএ) হিসেবে পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ৭৪ বছর বয়সী ধনখড়কে সংসদ ভবন চত্বর সংলগ্ন চার্চ রোডে অবস্থিত উপরাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন খালি করতে হবে। গত ২১ জুলাই তিনি স্বাস্থ্যজনিত কারণে পদত্যাগ করেন।ধনখড় গত বছরের এপ্রিলে উপরাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনে ওঠেন। সরকারি আবাসন মেলানো পর্যন্ত তিনি ছাত্তরপুর এনক্লেভেই থাকবেন বলে জানা গেছে।নিয়ম অনুযায়ী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীদের টাইপ-৮ বাংলো বরাদ্দ করা হয়। এর দায়িত্বে থাকে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের এস্টেটস দফতর। যদিও সূত্রের খবর, দফতরের আধিকারিকেরা ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করলেও নতুন আবাসন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।ধনখড়ের দফতর ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাসস্থানের আবেদন জমা দিয়েছে। সাধারণত বিকল্প বাংলো প্রস্তাব দেওয়ার পর নির্বাচন ও সিপিডব্লিউডি-র সংস্কারকাজ মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়ায় অন্তত তিন মাস সময় লাগে। তাই এর মধ্যেই তিনি আপাতত ব্যক্তিগত আবাসনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।একই সঙ্গে ধনখড় রাজস্থান বিধানসভার সচিবালয়ে বিধায়ক পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত তিনি কিশনগড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এমএলএ ছিলেন। তখন থেকে তিনি বিধায়ক পেনশন পেতেন। ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিযুক্ত হওয়ার পর সেটি বন্ধ হয়। ২০২২ সালে তিনি উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।সূত্রের খবর, ধনখড়ের আবেদন ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, একবারের বিধায়ক পেনশন মাসে ৩৫,০০০ টাকা। বয়স ও মেয়াদের ভিত্তিতে তা বাড়ে। ৭০ বছরের বেশি হলে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি মেলে। ফলে ধনখড়ের ক্ষেত্রে মাসিক পেনশন দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৪২,০০০ টাকা।এছাড়া, তিনি প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রায় ২ লক্ষ টাকা মাসিক পেনশন এবং প্রাক্তন সাংসদ (১৯৮৯-১৯৯১, ঝুঝনু) হিসেবে আরও প্রায় ৪৫,০০০ টাকা মাসিক পেনশন পাবেন।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে মোহনবাগানের পথে ইস্টবেঙ্গল

ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল মোটেই সুখের হল না ইমামি ইস্টবেঙ্গলের কাছে। রাজস্থান ইউনাইটেডের কাছে আটকে যেতে হল লালহলুদ ব্রিগেডকে। সুহের, সুমিত পাসিদের অজস্র গোলের সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে। ম্যাচের ফল গোলশূন্য।রবিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ম্যাচ। তার আগে প্রথম একাদশ বেছে নেওয়ার জন্য রাজস্থান ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ম্যাচই ছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গলের কাছে ড্রেস রিহার্সাল। এদিন প্রথম একাদশে চারচারটি পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইন। দুই বিদেশি অ্যালেক্স লিমা ও কিরিয়াকু প্রথম একাদশে। সঙ্গে আগের ম্যাচে পরিবর্ত হিসেবে নামা তুহিন দাস ও জেরি। আগের ম্যাচে মাত্র একজন গোলকিপার নিয়ে খেলতে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। এদিন রিজার্ভ বেঞ্চে নবীন কুমার।রাজস্থান ইউনাইটেডের কাছে হারতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। তাই এদিন সতর্ক হয়ে মাঠে নেমেছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের শুরু থেকেই অবশ্য লালহলুদের আধিপত্য। ভিপি সুহের, সুমিত পাসিরা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন। ১৭ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ইমামি ইস্টবেঙ্গল। বাঁদিক থেকে আক্রমণে উঠে এসে সেন্টার করেন সুহের। সামনে রাজস্থান ইউনাইটেডের গোলকিপারকে একা পেয়েও বাইরে হেড করেন সুমিত। এক মিনিট পরেই সুহেরের সুযোগ নষ্ট। ২৬ মিনিটে অমরজিৎ সিংয়ের দুর্দান্ত শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট। পেনিট্রেটিভ জোনে সুহের, সুমিত, অমরজিৎরা আর একটু তৎপর হলে প্রথমার্ধেই ৩ গোলে এগিয়ে যেত ইমামি ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধে দুদুটি পরিবর্তন করেন স্টিফেন কনস্টানটাইন। কিরিয়াকুর জায়গায় ইভান গঞ্জালেস ও অমরজিৎ সিংয়ের জায়গায় সৌভিক চক্রবর্তী। প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে লালহলুদের আক্রমণের ঝাঁঝ বেশি ছিল। তবে গোলের মুখ খুলতে পারেননি সুমিত পাসি, সুহের। বরং রাজস্থান ইউনাইটেডের সামনে জয়ের সুযোগ এসে গিয়েছিল। ৬১ মিনিটে পেনাল্টি পায় রাজস্থান। বারবোসার শট ঝাঁপিয়ে বাঁচান লালহলুদ গোলকিপার কমলজিৎ। শেষদিকে ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার আলেজান্দ্রোকে। তাতেই লাভের লাভ কিছু হয়নি। পরপর দুটি ম্যাচ ড্র করে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার কাজ কঠিন করে ফেলল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। এটিকে মোহনবাগানের মতোই অবস্থা লালহলুদের।

আগস্ট ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রথম ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ল এটিকে মোহনবাগান!‌ অঘটন রাজস্থানের

ডুরান্ড কাপে চ্যাম্পিয়নের অন্যতম দাবিদার হিসেবে ধরা হচ্ছিল এটিকে মোহনবাগনকে। ধারেভারে অন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। এইরকম শক্তিশালী দলই কিনা ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচে মুখ থুবড়ে পড়ল! জুয়ান ফেরান্দোর দলকে ৩২ ব্যবধানে হারিয়ে অঘটন ঘটাল রাজস্থান ইউনাইটেড। তুলে নিল রুদ্ধশ্বাস জয়। দুদুবার এগিয়ে গিয়েও সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল এটিকে মোহনবাগানকে।শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান। প্রতিপক্ষ রাজস্থান ইউনাইটেড ধারেভারে অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। তাসত্ত্বেও এদিন দারুণ ফুটবল উপহার দিল। যদিও ম্যাচের শুরু থেকেই সবুজমেরুণের প্রাধান্য ছিল। একের পর এক সুযোগ তৈরি হলেও হেলায় নষ্ট করেন আশিক কুরুনিয়ান, কিয়ান নাসিরিরা। ম্যাচের ৪০ মিনিট পর্যন্ত কোনও দলই গোল করতে পারেনি। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে কিয়ান নাসিরি গোল করে এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন। মিনিট তিনেক পরেই প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে গোল করে রাজস্থান ইউনাইটেডের হয়ে সমতা ফেরান আমনজেলদিয়েভ। এরপর ৪৬ মিনিটে আশিক কুরুনিয়ানের গোলে ফের এগিয়ে যায় সবুজ মেরুন।দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এটিকে মোহনবাগান। কিয়ান নাসিরি, জনি কাউকোদের বেশ কয়েকটি শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন রাজস্থান ইউনাইটেডের গোলকিপার নীরজ কুমার। ৬১ মিনিটে রেমসাঙ্গার গোলে সমতা ফেরায় রাজস্থান ইউনাইটেড। ৭৬ মিনিটে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে সহজতম সুযোগ নষ্ট করেন মনবীর সিং। ফাঁকা গোল পেয়েও তিনি ক্রসবারে মারেন। ৭৯ মিনিটে রাজস্থানের উইলিয়ামসও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।শেষ ১০ মিনিটে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে এটিকে মোহনবাগান। কিয়ান, মনবীর, আশিস রাইরা সহজ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে বাজিমাত রাজস্থান ইউনাইটেডের। একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দেন নিকুম। শেষ অবধি জেতা ম্যাচ মাঠে ফেলে আসতে হল এটিকে মোহনবাগানকে।

আগস্ট ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত বোলিং ও নেতৃত্ব, হার্দিক পান্ডিয়াই ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দিল রাজস্থানকে

চলতি আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের ফাইনালে ওঠার পেছনে সবথেকে বেশি অবদান জস বাটলারের। একার হাতেই দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ফাইনাল বৈতরণী পার হওয়ার জন্য তাঁর দিকেই তাকিয়ে ছিল গোটা দল। ফইনালে জ্বলে উঠতে পারলেন না জস বাটলার। বাকিরাও দায়িত্ব নিতে পারলেন না। হার্দিক পান্ডিয়ার দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৩০/৯। আগের ম্যাচে আমেদাবাদের বাইশ গজে দ্বিতীয় ইনিংসে স্পিনারদের সাহায্য পেতে দেখেছিলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। সেকথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। মহম্মদ সামি ও যশ দয়ালের প্রথম দুই ওভারে তেমন সুবিধা করতে পারেননি রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও যশস্বী জয়সোয়াল। আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে গিয়ে যশ দয়ালকে উইকেট তুলে দেন যশস্বী। ১৬ বলে ২২ রান করে তিনি সাই কিশোরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। যশস্বী আউট হওয়ার পর বাটলারের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। রাজস্থানের স্ট্র্যাটেজি ছিল বাটলার ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেবেন, বাকি ব্যাটাররা আক্রমণের রাস্তায় যাবেন। কিন্তু সঞ্জুকে ঝড় তোলার সুযোগে দেননি গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে সঞ্জুকে (১১ বলে ১৪) তুলে নেন। ব্যাট করতে নেমে দেবদত্ত পাড়িক্কলও হার্দিক, রশিদ খানদের বিরুদ্ধে একেবারেই সাবলীল ছিলেন না। পাড়িক্কল ক্রিজে আসতেই রশিদকে আক্রমণে নিয়ে আসেন হার্দিক। সাফল্যও পান। পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন রশিদ। আইপিএলের শুরু থেকেই ব্যাট হাতে বোলারদের শাসন করে গেছেন জস বাটলার। তাঁর ব্যাটিংয়ের বৈশিষ্ট্য হল শুরুর দিকে খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেন না। ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেন। পরের দিকে ঝড় তোলেন। এদিন অবশ্য তাঁকে ঝড় তোলার সুযোগ দেননি হার্দিক পান্ডিয়া। হার্দিকের অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ঋদ্ধিমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন বাটলার। ৩৫ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। বাটলার আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজস্থান রয়্যালসের বড় রানের ইনিংস গড়ার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। শিমরন হেটমায়ার (১১), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৬), ট্রেন্ট বোল্টরা (১১) দায়িত্ব নিতে পারেননি। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন হার্দিক। ১৮ রানে ১ উইকেট নেন রশিদ খান। ২০ রানে ২ উইকেট নেন সাই কিশোর।

মে ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’, রাজস্থানকে উড়িয়ে ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স

জস বাটলারের দুরন্ত ইনিংস ম্লান হয়ে গেল ডেভিড মিলারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে। তাঁর দাপটেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অভিষেক আইপিএলেই ফাইনালে পৌঁছে গেল গুজরাট টাইটান্স। ৩ বল বাকি থাকতে ১৯১/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয়। ট্র্যাজিক হিরো হয়েই থেকে গেলেন বাটলার।বাটলারের দাপটে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান তুলে গুজরাট টাইটান্সের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল সঞ্জু স্যামসনের দল। বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। সেটাই হয়নি গুজরাট টাইটান্সের। আগের বেশ কয়েকটা ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে বড় রান তুলে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা ও শুভমান গিল। ঘরের মাঠে এদিন প্রত্যাশার চাপ পূরণ করতে পারেননি ঋদ্ধি। ট্রেন্ট বোল্টের ওভারে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তিনি উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নিজের আঁতুর ঘরে খালি হাতেই ফিরতে হল ঋদ্ধিকে। বল হাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন মহম্মদ সামি। ৪ ওভারে দিয়েছিলেন ৪৩। মাত্র ১ উইকেট পেয়েছিলেন। ব্যাট হাতে আরও এক ঘরের ক্রিকেটার হতাশ করেন।বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই ঋদ্ধি আউট। মনে হচ্ছিল ট্রেন্ট বোল্টদের সামনে ভেঙে পড়বে গুজরাট টাইটান্স। তা কিন্তু হয়নি। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে রাজস্থান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন শুভমান গিল ও ম্যাথু ওয়েড। ৭ ওভারেই পৌঁছে যায় ৬৮ রানে। ওয়েডের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে শুভমান আউট। ২১ বলে ৩৫ রান করেন শুভমান। এরপরই ছন্দপতন। দশম ওভারের তৃতীয় বলে ওয়েডকে তুলে নেন ওবেদ ম্যাকক। ৩০ বলে ৩৫ রান করেন ওয়েড।ওয়েড আউট হওয়ার পর গুজরাটের হাল ধরেন ডেভিড মিলার ও হার্দিক পান্ডিয়া। এই দুজনই দলকে টেনে নিয়ে যান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান দরকার ছিল গুজরাট টাইটান্সের। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার প্রথম তিন বলে তিনটি ৬ মেরে দলকে ফাইনালে তোলেন মিলার। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া।প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসেরও। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। যশ দয়ালের আউট হন যশস্বী জয়সওয়াল (৩)। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন সঞ্জু স্যামসন। জস বাটলার এদিন শুরু থেকেই ছিলেন সতর্ক। শুরুর দিকে খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। ৪২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তারপরই ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৬ বলে ৮৯ রান করে রান আউট হন। ২৬ বলে ৪৭ রান করেন সঞ্জু স্যামসন। এই দুজনের দাপটেই গুটরাজ টাইটান্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। ২০ বলে ২৮ রান করেন দেবদত্ত পাড়িক্কল।

মে ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ক্রিকেটের নন্দনকাননে ‘‌বাটলার শো’, গুজরাটকে বড় রানের চ্যালেঞ্জ রাজস্থানের

আগের তিনটি ম্যাচে রান পাননি। ক্রিকেটের নন্দনকাননে তিন ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে আবার জ্বলে উঠলেন জস বাটলার। তাঁর দাপটেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজস্থান রয়্যালস। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৮৮/৬। ক্রিকেটের নন্দনকানন মাতালেন জস বাটলার।চলতি আইপিএসে টস ভাগ্য একেবারে সহায় ছিল না সঞ্জু স্যামসনের। লিগ পর্বে ১৪ ম্যাচের মধ্যে ১২টিতেই টসে হারতে হয়েছিল। প্রথম কোয়ালিফায়ারেও ভাগ্য সহায় হল না। হার্দিক পান্ডিয়ার কাছে আবারও টসে হার। এবং প্রথমে ব্যাট করার ডাক। ব্যাট করতে নেমে এদিন দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। যশ দয়ালের বলে উইকেটের পেছনে ঋদ্ধিমান সাহার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন যশস্বী জয়সওয়াল (৩)। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। আগের তিন ম্যাচে রান না পাওয়া জস বাটলার এদিন শুরু থেকেই ছিলেন সতর্ক। খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। ঝড় না তুলে ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেন। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৮ রান। সাই কিশোরকে ৬ মেরে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে গিয়ে লং অন বাউন্ডারির ধারে আলজেরি জোশেফের হাতে ধরা পড়েন সঞ্জু। ২৬ বলে তিনি করেন ৪৭ রান।সঞ্জু আউট হওয়ার পর ক্রিজে এসে রাজস্থানের রানের গতি ধরে রাখেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। ২০ বলে ২৮ রান করে তিনি হার্দিক পান্ডিয়ার বলে বোল্ড হন। রাজস্থান ব্যাটাররা এদিন রশিদ খানের ওপর খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার সুযোগ পাননি। কোনও উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করেন রশিদ। রশিদ খানের কোটা শেষ হওয়ার পরেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন বাটলার। ৩৮ বলে তাঁর রান ছিল ৩৯। সেখান থেকে ৪২ বলে তিনি হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এই নিয়ে চলতি আইপিলে চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি করলেন বাটলার। হেটমায়ার এদিনও দলকে ভরসা দিতে পারলেন না। ৭ বলে মাত্র ৪ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে রাহুল তেওয়াটিয়ার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। বাটলার শো অবশ্য অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৬ বলে ৮৯ রান করে রান আউট হন। গুজরাটের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন সামি, যশ দয়াল সাই কিশোর ও হার্দিক।

মে ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওয়ার্নার ও মার্শের দাপটে প্লে অফের লড়াইয়ে রইল দিল্লি ক্যাপিটালস

রাজস্থান রয়্যালসকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে উড়িয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণভাবে ঢুকে পড়ল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জয়ের নায়ক দুই অস্ট্রেলিয়ান তারকা মিচেল মার্শ ও ডেভিড ওয়ার্নার। এই দুই ব্যাটারের সামনে উড়ে গেলেন রাজস্থানের বোলাররা।ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্য দিল্লি ক্যাপিটালসের সামনে এদিন জয়ের জন্য খুব বড় রানের টার্গেট দিতে পারেনি রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে তুলেছিল ১৬০/৬। দিল্লির যা ব্যাটিং শক্তি তাতে ১৬১ রান তোলা খুব একটা কঠিন ছিল না। দ্বিতীয় বলে শিকর ভরতের উইকেট হারালেও সমস্যায় পড়তে হয়নি দিল্লিকে। শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামাল দেন মার্শ ও ওয়ার্নার। পৃথ্বী শর না থাকাটা যে কতটা ক্ষতি, বুঝতে পারছে দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। শিকর ভরত আর যাইহোক পৃথ্বীর বিকল্প হতে পারেন না। পরপর দুম্যাচে ব্যর্থ ভরত। এদিন তো কোনও রান না করেই ইনিংসের প্রথম ওভারে ট্রেন্ট বোল্টের বলে উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। প্রথম ওভারে উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি দিল্লি। ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের সৌজন্যে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। রাজস্থানের কোনও বোলারই দিল্লির এই দুই ব্যাটারকে সমস্যায় ফেলতে পারেননি। ওয়ার্নারের থেকেও এদিন বেশি বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন মিচেল মার্শ। সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন। চাহালকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে কুলদীপ সেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মার্শ। ৬২ বলে ৮৯ রান করেন তিনি। মার্শের ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৭টি ছয়। এরপর ডেভিড ওয়ার্নার দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ৪১ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১১ বল বাকি থাকতে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দিল্লি। এদিন টস জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ইনিংসের শুরুতেই চেতন সাকারিয়ার বলে ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে বাটলার শার্দূল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আর এক ওপেনার যশস্বী জয়সোয়ালও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৯ বলে ১৯ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ডাগ আউটে ফেরেন। শুরুতে বাটলার আউট হওয়ায় মনে হচ্ছিল খুব বড় রানে পৌঁছতে পারবে না রাজস্থান। কিন্তু রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের ব্যাটে ভর করে ঘুরে দাঁড়ায় রাজস্থান। জুটিতে ওঠে ৫৩। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে তিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কাজে লেগে গেল। ৩৮ বলে ৫০ রান করে অশ্বিন মিচেল মার্শের বলে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (৬), রিয়ান পরাগরা (৯) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান পাড়িক্কল। ৩০ বলে ৪৮ রান করে তিনি আনরিচ নর্টিয়ের বলে কমলেশ নাগরকোটির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ১০ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শুরুতে বাটলারকে হারিয়েও লড়াই করার মতো রান রাজস্থান রয়্যালসের

বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে অফ কার্যত নিশ্চিত। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরুতে জস বাটলারের মতো ব্যাটারকে হারিয়েও লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল রাজস্থান রয়্যালস। রাজস্থানের মান বাঁচল রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের সৌজন্যে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬০ রান তুলল রাজস্থান।এদিন রাজস্থান রয়্যালস একটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। শিমরন হেটমায়ার সন্তানের জন্মের জন্য গায়ানা ফিরে গেছেন। তাঁর পরিবর্তে প্রথম একাদশে আসেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। অন্যদিকে, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুটি পরিবর্তন করে দিল্লি ক্যাপিটালস। রিপাল প্যাটেলের পরিবর্তে প্রথম একাদশে ফেরানো হয় ললিত যাদবকে। আর খলিল আমেদের জায়গায় প্রথম একাদশে ঢোকেন চেতন সাকারিয়া। তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট যে কোনও ভুল করেনি, শুরুতেই জস বাটলারকে তুলে নিয়ে প্রমাণ করে দেন সাকারিয়া। দীর্ঘক্ষণ ক্রিজে থাকলে ঝড় তুলে রাজস্থানকে ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়এ যেতেন বাটলার। ইংল্যান্ডের এই ওপেনারকে সেই সুযোগ দেননি সাকারিয়া।টস জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ইনিংসের শুরু থেকেই চেতন সাকারিয়ার বোলিংয়ের সামনে অস্বস্তিতে ছিলেন বাটলার। শেষ পর্যন্ত সাকারিয়াকেই উইকেট উপহার দেন বাটলার। ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে তিনি শার্দূল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আর এক ওপেনার যশস্বী জয়সোয়ালও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৯ বলে ১৯ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ডাগ আউটে ফেরেন। ৫৪ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের ব্যাটে ভর কর রুখে দাঁড়ায় রাজস্থান। জুটিতে ওঠে ৫৩। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে তিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কাজে লেগে গেল। ৩৮ বলে ৫০ রান করে অশ্বিন মিচেল মার্শের বলে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (৬), রিয়ান পরাগরা (৯) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান পাড়িক্কল। ৩০ বলে ৪৮ রান করে তিনি আনরিচ নর্টিয়ের বলে কমলেশ নাগরকোটির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ১০ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে প্লে অফের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস

শনিবার আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে বোর্ডে বড় রান তুলেও শেষরক্ষা করতে পারল না পাঞ্জাব কিংস। মায়াঙ্ক আগরওয়ালের দলকে হারিয়ে ১৪ পয়েন্টে পৌঁছে গেল রাজস্থান রয়্যালস।এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। জনি বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান দারুণ শুরু করেন। ওপেনিং জুটিতে ৪ ওভারে ওঠে ৪৭। ষষ্ঠ ওভারে শিখর ধাওয়ানকে (১৬ বলে ১২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাবকে প্রথম ধাক্কা দেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দলের ৮৯ রানের মাথায় আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষ। ১৮ বলে ২৭ রান করে তিনি যুজবেন্দ্র চাহালের বলে বোল্ড হন। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে এদিনও বড় রান করতে পারলেন না পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ১৩ বলে ১৫ রান করে তিনি চাহালের বলে আউট হন। একই ওভারে চাহাল তুলে নেন জনি বেয়ারস্টোকে। বেশ কয়েকটা ম্যাচে ব্যর্থতার পর অবশেষে এদিন রান পেলেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। ৪০ বলে ৫৮ রান করেন তিনি।বাটলার যখন আউট হন তখন ১৪.৪ ওভারে পাঞ্জাব কিংসের রান ১১৯/৪। মনে হচ্ছিল বড় রানে পৌঁছতে পারবে না পাঞ্জাব কিংস। শেষ ৫ ওভারে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা, লিয়াম লিভিংস্টোনরা। ১৪ বলে ২২ রান করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার বলে বোল্ড হন লিভিংস্টোন। ১৮ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন জিতেশ শর্মা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৯ তোলে পাঞ্জাব কিংস। এদিন রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে নজরকাড়া বোলিং করেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২৮ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালসও ভাল শুরু করেছিল। ৪ ওভারেই তুলে ফেলে ৪৬। ঝড় তোলা জস বাটলারকে তুলে রাজস্থানকে প্রথম ধাক্কা দেন কাগিসো রাবাডা। ১৬ বলে ৩০ রান করে বাটলার আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন এদিন বড় রান করতে ব্যর্থ। ১২ বলে ২৩ রান করে তিনি আউট হন। ৮৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর রাজস্থানকে টেনে নিয়ে যান যশস্বী জয়সোয়াল ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। জুটি ওঠে ৫৬। পাঞ্জাব কিংসকে ব্রেক থ্রু এনে দেন অর্শদীপ সিং। যশস্বী জয়সোয়ালকে তুলে নেন। ৪১ বলে ৬৮ রান করেন যশস্বী।এরপর শিমরন হেটমায়ারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান দেবদত্ত পাড়িক্কল। ৩২ বলে ৩১ রান করে অর্শদীপের বলে পাড়িক্কল আউট হলেও রাজস্থান রয়্যালসকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শিমরন হেটমায়ার। ১৬ বলে ৩১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২ বল বাকি থাকতে ১৯০/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান। ২৯ রানে ২ উইকেট নেন অর্শদীপ সিং।

মে ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হ্যাজেলউডের দাপটে ব্যর্থ বাটলার, বড় রানে ব্যর্থ রাজস্থান

বড় রানের জন্য রাজস্থান রয়্যালস তাকিয়েছিল স্বপ্নের ফর্মে থাকা জস বাটলারের দিকে। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্টকে হতাশ করলেন রাজস্থানের এই বিধ্বংসী ব্যাটার। জস হ্যাজেলউডের অফ স্টাম্পের বাইরে পড়া শর্ট বল মিড অনের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন বাটলার। মিড অনে সিরাজের হাতে সহজ ক্যাচ। রাজস্থান রয়্যালসের বড় রানের স্বপ্নের সেখানেই সলিলসমাধি। বাকিরা দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৪/৮ রানের বেশি তুলতে পারল না রাজস্থান রয়্যালস। দুরন্ত বোলিং করেন জস হ্যাজেলউড।নৈশালোকে ম্যাচ হলে টস জিতে বিপক্ষকে ব্যাট করতে পাঠানো ট্র্যাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে সব দলের কাছেই। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। চতুর্থ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (৭) তুলে নেন মহম্মদ সিরাজ। এদিন পিঞ্চ হিটার হিসেবে তিন নম্বরে নামানো হয়েছিল রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে। ভালোই শুরু করেছিলেন এই বর্ষীয়ান অফ স্পিনার। কিন্তু চতুর্থ ওভারে সিরাজের শেষ বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৯ বলে ১৭ রান করে আউট হন অশ্বিন। পরের ওভারেই হ্যাজেলউড বাটলারকে তুলে নিয়ে রাজস্থানকে সবথেকে বড় ধাক্কা দেন।এরপর মনে হচ্ছিল অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াবে রাজস্থান। ভাল শুরুও করেছিলেন সঞ্জু। শাহবাজ আমেদের বলে পরপর দুটি ছক্কাও হাঁকান। কিন্তু ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন। ১টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ২১ বলে ২৭ রান করেন সঞ্জু। এরপরই রানের গতি কমে যায় রাজস্থানের। ড্যারেল মিচেল নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ২৪ বলে মাত্র ১৬ রান করে আউট হন। শিমরন হেটমায়ারও এদিন ব্যর্থ। ৭ বলে মাত্র ৩ রান করে হাসারাঙ্গার বলে তিনি আউট হন।একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় বড় রানের স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়ে যায় রাজস্থানের। একা লড়াই করেন রিয়ান পরাগ। এই তরুণ ব্যাটারের দাপটেই মান বাঁচায় রাজস্থান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে তোলে ১৪৪/৮। ৩১ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকেন রিয়ান পরাগ। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন জস হ্যাজেলউড ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১ মেডেন সহ ১৯ রানে ২ উইকেট তুলে নেন তিনি।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার সেঞ্চুরি!‌ স্বপ্নের ফর্মে বাটলার, উড়ে গেলেন কুলদীপরা

আবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন জস বাটলার। এদিন ওয়াংখেড়েতে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে পেলেন চলতি আইপিএলের তৃতীয় শতরান। সেই সঙ্গে আইপিএলে তাঁর মোট শতরানের সংখ্যা দাঁড়াল ৪। বাটলার স্পর্শ করলেন ডেভিড ওয়ার্নার ও শেন ওয়াটসনকে। নিজের শেষ ৮ আইপিএল ইনিংসের চারটিতেই শতরান হাঁকালেন বাটলার।রাজস্থান রয়্যালস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে লড়াইটা ছিল মূলত রাজস্থানের ব্যাটারদের সঙ্গে দিল্লির বোলারদের লড়াই। কুলদীপ যাদব, মুম্তাফিজুর রহমান, অক্ষর প্যাটেলদের নক আউট করে দিয়ে রীতিমতো দাপট দেখিয়ে গেলেন বাটলারদেবদত্ত পাড়িক্কলরা। এই দুই ওপেনারের সৌজন্যেই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে বড় রান রাজস্থান রয়্যালসের। এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ভেবেছিলেন ১৫০১৬০ রানের মধ্যে রাজস্থান রয়্যালসকে আটকে রাখতে পারবেন। ভরসা করেছিলেন দলের সেরা লেগ স্পিনার কুলদীপ যাদবের ওপর। কিন্তু দিল্লি বোলারদের কোনও রকম সুযোগ দেননি রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। চলতি আইপিএলে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন বাটলার। এদিন ললিত যাদবের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। দেবদত্ত পাড়িক্কলও নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন। তাঁর হাফ সেঞ্চুরি আসে ৫০ বলে। রাজস্থানের বাটলার ও দেবদত্তর এই দুই ওপেনার সবথেকে বেশি নির্দয় ছিলেন কুলদীপ যাদবের ওপর। শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে ৫৪ রান করে খলিল আমেদের বলে এলবিডব্লুউ হন দেবদত্ত পাড়িক্কল।প্রথম দিকে বাটলার খুব বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন না। হাফ সেঞ্চুরি করার পর রীতিমতো ঝড় তোলেন। পরের ৫০ আসে ২২ বলে। অর্থাৎ ৫৭ বলে সেঞ্চুরি। আইপিলে মোট ৪ সেঞ্চুরির মালিক হলেন বাটলার। চলতি মরশুমে ৩টি। শেষ পর্যন্ত ৬৫ বলে ১১৬ রান করে তিনি মুস্তাফিজুরের বলে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সঞ্জু স্যামসনও ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন। ১৯ বলে ৪৬ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২২২ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস।

এপ্রিল ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাটকীয় ম্যাচে লখনউকে হারিয়ে জয়ের সরনিতে ফিরল রাজস্থান

এক দলের সামনে ছিল জয়ে ফেরার লড়াই। অন্য দলের সামনে ছিল জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াই। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের পরাজয়ের সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না লখনউ সুপার জায়ান্টস। জয়ের কাছাকাছি এসেও শেষরক্ষা করতে পারল না। লোকেশ রাহুলের দলকে ৩ রানে হারিয়ে জয়ের সরনিতে ফিরল রাজস্থান রয়্যালস।মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ভাল শুরু করেছিলেন রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। আগের ম্যাচগুলিতে ব্যর্থ হওয়ায় এদিন যশস্বী জয়সওয়ালকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখে রাজস্থান টিম ম্যানেজমনেন্ট। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হয় রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে। বাটলারের সঙ্গে ওপেনে পাঠানো হয় দেবদত্ত পাড়িক্কলকে। বাটলার ব্যর্থ হলেও দলকে ভালোই টানছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি।রাজস্থানের ওপেনিং জুটিতে ৫ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই লখনউকে ব্রেক থ্রু এনে দেন আবেশ খান। নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই তুলে নেন বাটলারকে। এদিন দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। ১১ বলে মাত্র ১৩ রান করে আবেশ খানের বলে তিনি বোল্ড হন। ব্যাটিং অর্ডারে এদিন ওপরে উঠে এসে অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনও দলকে টানতে পারেননি। জেসন হোল্ডারের বলে তিনি এলবিডব্লুউ হন। ১২ বলে ১৩ রান করেন সঞ্জু। রাজস্থানের মিডল অর্ডারে ধস নামান অপ স্পিনার কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। একই ওভারে ৪ বলের ব্যবধানে তুলে নেন দেবদত্ত পাড়িক্কল (২৯ বলে ২৯) ও ভ্যান ডার ডুসেনকে (৪)। ১০ ওভারের মধ্যে ৬৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শিমরন হেটমায়ের ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ক্রুনাল পান্ডিয়ার হাতে একবার জীবন পেয়ে শেষ দিকে রীতিমতো ঝড় তোলেন হেটমায়ের। ১টি ৪ এবং ৬টি ৬এর সাহায্যে ৩৬ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৩ বলে ২৮ রান করে অবসৃত হন অশ্বিন। নির্ধারিত ২০ ওভারে রাজস্থান তোলে ১৬৫/৬। লখনউর হয়ে ৩০ রানে ২ উইকেট নেন কৃষ্ণাপ্প গৌতম। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে লখনউ। ট্রেন্ট বোল্টের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি লখনউ সুপার জাযান্টসের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম বলেই তুলে নেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (০)। পরের বলেই ফেরান কৃষণাপ্পা গৌতমকে (০)। চতুর্থ ওভারে জেসন হোল্ডারকে (৮) তুলে নিয়ে লখনউকে আইসিইউ-তে পাঠিয়ে দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ১৪ রানে ৩ উইকেট হারায় লখনউ। এরপর দলকে টানছিলেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। ২৪ বলে ২৫ রান করে কুলদীপ সেনের বলে আউট হন হুডা। আয়ুষ বাদোনি করেন ৫। কুইন্টন ডিকক (৩২ বলে ৩৯), ক্রুনাল পান্ডিয়াদের (২২) জ্বলে উঠতে দেননি যুজবেন্দ্র চাহাল (৪/৩৫)। চামারা করেন ১৩। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৫ রান দরকার ছিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। কুলদীপ সেনের ওভারে ১১ রান ওঠে। ১৬২/৮ রানে থেমে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৭ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন স্টইনিস।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌গত বছরের মতোই প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতা, বদলায়নি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

গত বছর আইপিএলে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য ডুবতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। সময় গড়িয়েছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদে কিন্তু কোনও পরিবর্তন হয়নি। এবারও আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই ডুবতে হল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। রাজস্থান রয়্যালসের কাছে প্রথম ম্যাচে হারতে হল ৬১ রানে। বোলারদের পাশাপাশি জ্বলে উঠতে ব্যর্থ ব্যাটাররাও। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২১০ রান তোলে রাজস্থান। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন হাফসেঞ্চুরি করলেও বাকি ব্যাটাররাও দলের বড় ইনিংসে অবদান রাখেন। দারুণ শুরু করে ছিলেন দুই ওপেনার জস বাটলার ও জস্বশ্বী জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে জুটিতে ওঠে ৫৮। এরপরই আউট হন জয়োসোয়াল (১৬ বলে ২০)। তাঁকে তুলে নেন রোমারিও শেফার্ড। জস বাটলার ২৮ বলে করেন ৩৫। ২৯ বলে ৪১ রান করে আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল।আগের বছরের ফর্ম ধরে রেখেছেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। তিনি ২৭ বলে ৫৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ১৩ বলে ৩২ রান করে তিনি টি নটরাজনের বলে বোল্ড হন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে টি নটরাজন ও উমরান মালিক ২টি করে উইকেট নেন। ভুবনেশ্বর কুমার ও রোমারিও শেফার্ড ১টি করে উইকেট পান। এবছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটিং শক্তি খুব একটা খারাপ নয়। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, রাহুল ত্রিপাঠী, নিকোলাস পুরান, এইডেন মার্করামের মতো ব্যাটাররা রয়েছেন। তা সত্ত্বেও প্রথম ম্যাচে ব্যর্থতা। আসলে সামনে বড় রানের টার্গেট চাপে ফেলে দিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। তার ওপর ট্রেন্ট বোল্ট, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদের দুরন্ত বোলিং। শুরু থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে। পরপর ফিরে যান উইলিয়ামসন (২), রাহুল ত্রিপাঠী (০), নিকোলাস পুরান (০), অভিষেক শর্মা (৯), আব্দুল সামাদ (৪), রোমারিও শেফার্ডরা (২৪)। একসময় ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারায় সানরাইজার্স। এরপর রুখে দাঁড়ান মার্করাম ও ওয়াশিংটন সুন্দর। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৯ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ওয়াশিংটন সুন্দর ১৪ বলে করেন ৪০। মার্করান ৪১ বলে ৫৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। যুজবেন্দ্র চাহাল ২২ রানে ৩টি, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ১৬ রানে ২টি ও ট্রেন্ট বোল্ট ২৩ রানে ২টি উইকেট নেন।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ যুজবেন্দ্র চাহালের

এবারের মেগা নিলামে সব দলই খোলনলচে বদলে গেছে। আগে প্রতিযোগিতায়গুলিতে ভাল পারফরমেন্স করা সত্ত্বেও নিয়মের যাঁতাকলে অনেক ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে পারেনি পুরনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। যুজবেন্দ্র চাহালকে অবশ্য কথা দিয়েও কথা রাখেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। পুরনো দলের বিরুদ্ধে এমনই মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন চাহাল।আইপিএলে মঙ্গলবার মুখোমুখি হচ্ছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালস। এবছর রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে নামবেন যুজবেন্দ্র চাহাল। রাজস্থান অবশ্য তাঁর কাছে নতুন নয়। ২০১০ সালে এই ফ্র্যাঞ্চাইজিতেই নাম লিখিয়েছিলেন। কিন্তু সেই মরশুমে একটা ম্যাচেও খেলার সুযোগ পাননি চাহাল। পরের বছর যোগ দেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে। ২০১১ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত থাকলেও মাত্র ১টা ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০১৪ সালের নিলামে তাঁকে তুলে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ২০১৪ থেকে ২০২১, টানা ৮ বছর ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে। খেলেছেন ১১৩টি ম্যাচ। উইকেট নিয়েছেন ১৩৯টি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সঙ্গে অন্যরকম সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সেই দল তাঁকে রাখবে না, ভাবতে পারেননি চাহাল।রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করার আগে পুরনো দলের প্রতি অভিমান ঝড়ে পড়ছিল চাহালের গলায়। তিনি বলেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর আমাকে নিজেকে মেলে ধরার প্ল্যাটফর্ম দিয়েছিল। খ্যাতি, ভালবাসা সব পেয়েছি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স থেকে। কিন্তু আমার সঙ্গে এইরকম ব্যবহার করবে, ভাবতে পারিনি। কখনোই ভাবিনি আমাকে আরসিবি ছাড়তে হবে। অনেকেই হয়তো ভাবছে, আমি টাকার জন্য দল ছেড়েছি। আসলে তা নয়। আমাকে আরসিবির ক্রিকেট ডিরেক্টর মাইক হেসন বলেছিলেন, ওরা বিরাট, ম্যাক্সওয়েল ও মহম্মদ সিরাজকে ধরে রাখছে। সঙ্গে এও বলেছিলেন, আমাকে নিলাম থেকে নেওয়া হবে। কথা দিয়েও কিন্তু ওরা কথা রাখেনি।চাহাল আরও বলেন, আরসিবি যদি আমাকে ধরে রাখার প্রস্তাব দিত, আমি রাজি হয়ে যেতাম। কিন্তু সে সুযোগ দেয়নি। রাজস্থান রয়্যালস আমার ওপর ভরসা রেখেছে। এটাই আমার প্রথম দল। সেরাটা দিয়ে রাজস্থানকে সাফল্য এনে দেওয়ার চেষ্টা করব। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে যেমন পারফরমেন্স করতাম, রাজস্থানের জার্সি গায়েও নিজেকে সেভাবে উজার করে দেব।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌IPL : রাজস্থানকে উড়িয়ে কার্যত প্লে অফে নাইট রাইডার্স

কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্লে অফের ভাগ্য অনেক আশাআশঙ্কায় ভুগছিল। রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হারলেই অনিশ্চিত ভবিষ্যতে ডুবে যেত নাইটরা। তাকিয়ে থাকতে হত মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের দিকে। আশঙ্কা ছিল রাজস্থান হয়তো নাইটদের প্লে অফের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু মর্গ্যান ব্রিগেডের সামনে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারল না সঞ্জু স্যামসনের দল। একেবারে অসহায় আত্মসমর্পন। রাজস্থান রয়্যালসকে ৮৬ রানে উড়িয়ে কার্যত প্লে অফের টিকিট জোগাড় করে নিল নাইট রাইডার্স। নেট রান রেট এমন জায়গায় নিয়ে গেল, শেষ ম্যাচে মুম্বইয়ের পক্ষে টপকে যাওয়া অসম্ভব। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইট টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তা ছিল আন্দ্রে রাসেলকে নিয়ে। অনেক চেষ্টা করেও মাঠে নামার মতো অবস্থায় নিয়ে আসা যায়নি এই অলরাউন্ডারকে। তবে রাসেলের অভাব বুঝতে দিল না নাইট রাইডার্সের ব্যাটসম্যানদের সম্মিলিত প্রয়াস। আলাদা করে অবশ্য শুভমান গিল ও বেঙ্কটেশ আয়ারের কথা বলতেই হবে। এই দুই ওপেনারের দাপটেই বড় রানের প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়ে যায় নাইটদের।টস জিতে নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ১০.৪ ওভারে ওপেনিং জুটিতে ৭৯ রান তোলেন শুভমান ও বেঙ্কটেশ। ৩৫ বলে ৩৮ রান করে রাহুল তেওয়াটিয়ার বলে আউট হন বেঙ্কটেশ। পরের ওভারেই ফিরে যান নীতীশ রানা (৫ বলে ১২)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শুভমান ও রাহুল ত্রিপাঠী। ৪৪ বলে ৫৬ রান করে ক্রিস মরিসের বলে আউট হন শুভমান। ত্রিপাঠীকে (১৪ বলে ২১) ফেরান চেতন সাকারিয়া। এরপর নাইটদের ১৭১/৪ রানে পৌঁছে দেন দীনেশ কার্তিক (১১ বলে অপরাজিত ১৪) ও অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান (১১ বলে অপরাজিত ১৩)। শারজার এই উইকেটে ১৭২ রানের লক্ষ্য যথেষ্ট কঠিন। তার ওপর প্রথম ওভারে উইকেট হারালে অসম্ভব হয়ে পড়ে। ৪ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। রাজস্থানকে প্রথম ধাক্কা দেন সাকিব। ইনিংসের তৃতীয় বলে তিনি তুলে নেন যশস্বী জয়সোয়ালকে (০)। পরের ওভারের প্রথম বলেই সঞ্জু স্যামসনকে (১) ফেরান শিবম মাভি। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে রাজস্থানের। একসময় ৩৫ রানে ৭ উইকেট পড়ে যায়। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফেরা সম্ভব হয়নি রাজস্থানের। শেষ পর্যন্ত ১৬.১ ওভারে ৮৫ ওভারে গুটিয়ে যায় রাজস্থানের ইনিংস। সর্বোচ্চ রান করেন রাহুল তেওয়াটিয়া (৩৬ বলে ৪৪)। নাইট রাইডার্সের হয়ে শিবম মাভি ২১ রানে ৪টি, ফার্গুসন ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌টি২০ ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ঋতুরাজ

শেষ হয়েও হইল না শেষ। খাদের কিনারা থেকে উঠে এসে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণভাবে টিকে রইল রাজস্থান রয়্যালস। লিগ টেবিলেনর শীর্ষে থাকা চেন্নাই সুপার কিংসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে জমিয়ে দিল আইপিএলের প্লে অফের লড়াই। যদিও সঞ্জু স্যামসনের দলের কাছে কাজটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ নেট রান রেটে রাজস্থান রয়্যালস অনেকটাই পিছিয়ে। প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি ম্যাচগুলোতে শুধু জিতলেই হবে না, অন্যদলগুলির দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের টি২০ কেরিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি জেতাতে পারল না চেন্নাইকে।রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস যে হারতে পারে, কল্পনারও অতীত ছিল। কিন্তু ক্রিকেট যে মহান অনিশ্চয়তার খেলা। ২০ ওভারে ১৮৯/৩ রান তুলে রাজস্থানের সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল চেন্নাই। ১৫ বল বাকি থাকতে অবলীলায় সেই রান তুলে সঞ্জু স্যামসনরা বুঝিয়ে দিলেন তাঁদেরও ক্ষমতা আছে চেন্নাইকে হারানোর। টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। ভাল শুরু করেছিলেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার ডুপ্লেসি ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৯ বলে ২৫ রান করে আউট হন ডুপ্লেসি। সুরেশ রায়না (৩), মঈন আলি (২১), অম্বাতি রায়ডুরা (২) ব্যর্থ হলেও দুর্দান্ত ব্যাট করেন ঋতুরাজ। আইপিএলের প্রথম পর্বে একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থ হলেও তাঁর ওপর ভরসা হারাননি ধোনি। অধিনায়করে আস্থার মর্যাদা দিয়েই চলেছেন ঋতুরাজ। ৯টি বাউন্ডারি ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ৬০ বলে ১০১ রানে তিনি অপরাজিত থাকেন। ইনিংসের শেষ বলে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে আইপিএল তথা টি২০ কেরিয়ারে প্রথম শতরানটি পান ঋতুরাজ। এই ইনিংস খেলার ফাঁকে চলতি আইপিএলে সর্বাধিক রানের মালিক হয়ে কমলা টুপি নিজের দখলে নিলেন। রবীন্দ্র জাদেজা অপরাজিত থাকেন ১৫ বলে ৩২ রান করে। জাদেজা ৪টি চার ও ১টি ছয় মারেন।জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য একেবারেই সহজ ছিল না রাজস্থানের সামনে। কিন্তু শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান রাজস্থানের দুই ওপেনার এভিন লুইস (১২ বলে ২৭) ও যশস্বী জয়সোয়াল (২১ বলে ৫০)। ওপেনিং জুটিতে ৫.১ ওভারে ওঠে ৭৭। পরপর দুই ওপেনার ফিরে গেলেও চাপে পড়েনি রাজস্থান। দুরন্ত ব্যাট করে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন তরুণ ক্রিকেটার শিবম দুবে। তিনি ৪২ বলে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন। গ্লেন ফিলিপ ৮ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন ২৪ বলে করেন ২৮। ১৭.৩ ওভারে ১৯০/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান। ১২ ম্যাচে রাজস্থানের পয়েন্ট ১০।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Fake IPS: ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইপিএস

ফের পুলিশের জালে ভুয়ো আইপিএস। তবে শহরে নয়, শহরের বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই ভূয়ো আইপিএস অফিসারকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো আইপিএস পরিচয় দিয়ে টাকা চাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। রাজস্থানের আলওয়ার থেকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা গ্রেপ্তার করে রাহুল খান নামে এক যুবককে। আরও পড়ুনঃ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বেহালায় তাণ্ডবঅভিযোগ, ফেসবুকে নিজেকে আইপিএস পরিচয় বলে দিত ধৃত ব্যক্তি। সেই পরিচয় দিয়ে প্রতারণা চক্র চালাত। বিভিন্ন মানুষের থেকে টাকা চাইত। টাকা না দিলে ভয় দেখাত। ইতিমধ্যে তার নামে বেশ কয়েকটি অভিযোগ জমা পড়ে পুলিশের কাছে। এরপরই তদন্ত শুরু করেন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সাইবার বিভাগের অফিসাররা। তদন্তে নেমে অভিযুক্তের অবস্থান চিহ্নিত করেন তাঁরা। এরপর অভিযান চালিয়ে রাজস্থানের আলওয়ার থেকে রাহুল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতকে জেরা করে প্রতারণা সংক্রান্ত আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। কতদিন ধরে প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত ধৃত, কার কার কাছ থেকে, কত টাকা প্রতারণা করেছে, এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার চেষ্টা চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। কসবা ভুয়ো টিকা কাণ্ড এবং ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের প্রতারণা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে সজাগ কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশ। এরপর থেকে কলকাতা-সহ রাজ্যে একাধিক ভুয়ো অফিসারের পর্দা ফাঁস হয়েছে। ভুয়ো আইপিএস থেকে ভুয়ো মানবাধিকার আধিকারিক, পুলিশের জালে ধরা পড়েছে অনেকেই। ফের একবার পুলিশের জালে ভুয়ো আইপিএস।

আগস্ট ২৬, ২০২১
দেশ

Pak-Spy: রাজস্থান থেকে গ্রেপ্তার আইএসআই চর

মুখোশের আড়ালে থেকে দিনের পর দিন ধরে গোপন তথ্য পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছে পাক চর। এমনকী, দেশবিরোধী কাজও চালিয়ে গিয়েছে। কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। সম্প্রতি, রাজস্থানের পোখরান থেকে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। বুধবার রাতে তাকে দিল্লিতে আনা হয়। জেরা করে তার কাছ থেকে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আরও পড়ুনঃ জাতীয় স্তরের নাবালিকা ক্যারাটে খেলোয়াড়ের আত্মহত্যা, গ্রেফতার যুবকজানা গিয়েছে, সামান্য সবজি বিক্রেতার ছদ্মবেশে ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পড়শি দেশের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স (ISI)-এর হাতে তুলে দিত ওই ব্যক্তি। ধৃতের নাম হাবিব খান। অভিযোগ, সবজি বিক্রেতার ছদ্মবেশে জওয়ানদের সঙ্গে ভাব জমিয়ে, তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করে, সেনার গোপন তথ্য পাক গুপ্তচর সংস্থার হাতে তুলে দিত ধৃত। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই হাবিব খানের উপর নজর ছিল। সূত্রের খবর, প্রাথমিক জেরায় ধৃতের কাছ থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

জুলাই ১৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা কাকলির, "ভালো তৃণমূল" নিয়ে জোর চর্চা

তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে লেখা চিঠিতে তিনি মহিলা শাখার জাতীয় সভাপতির পদ-সহ সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। একই সঙ্গে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় ভালো তৃণমূল নিয়ে। ইস্তফাপত্রে কাকলি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেছেন। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং দলের ওপর ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। চিঠিতে তিনি লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার বিবেক গভীরভাবে পীড়িত।আরজি কর মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্রী হিসেবে সেখানে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এবং পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নাড়া দিয়েছে বলেও জানান কাকলি। তবে সাংগঠনিক পদ ছাড়লেও আপাতত দল ছাড়ছেন না তিনি। সাধারণ কর্মী হিসেবেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন বারাসাতের সাংসদ।উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত একটি প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলীয় আপত্তি উপেক্ষা করে সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এর মধ্যেই তাঁর ইস্তফা তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ২৮, ২০২৬
রাজনীতি

সোশাল মিডিয়া তোলপাড় ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূলে, এই তত্বে ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা

ভালো তৃণমূল, খারাপ তৃণমূলে তোলপাড় সোশাল মিডিয়া। তৃণমূল কংগ্রেসে ভালো কিছু আছে বলে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা কোনওভাবেই মানতে নারাজ। তাই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যকে কোনও ভাবে সমর্থন করছে না তাঁরা। তৃণমূলের যাঁরা দুর্নীতি বা অন্যায়ের সঙ্গে যারা যুক্ত নন তাঁরা কবে দড়জায় কড়া নাড়বেন, সেকথাই বলেছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাতেই ভালো তৃণমূল তত্ব ভেসে ওঠে। বিগত ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর। খুন, ধর্ষণ থেকে বাড়ি-ঘর ভেঙে তছনছ করে পুড়িয়ে দেওয়ার মত আক্রমণের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল বাংলা। এমনকী গত পাঁচ বছরে ৩২১ জন বিজেপি কর্মী তৃণমূলের হাতে শহিদ হয়েছেন বলে রাজ্য বিজেপির দাবি। বগটুই থেকে আরজিকরের মতো নারকীয় ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। গ্রেফতার হয়েছেন মন্ত্রী থেকে নেতারা। শেষমেশ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তৃণমূলের একাংশের বক্তব্যে গিরগিটিও যেন হার মানবে। টিভি শো থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের যে নেতৃত্ব বিজেপিকে গালমন্দ না করে মুখে অন্ন তোলেনি তারা এখন মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। ভাবটা এমন যে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের থেকেও তারা অত্যাচারিত ছিল। অথচ দিনের পর দিন তারা ক্ষমতার অলিন্দে থেকে সবরকম ভোগ বিলাস করেছেন। তৃণমূল জমানার কোনও ঘটনা নিয়ে টু শব্দটি করেননি। বরং বিজেপিকে যতটা বেশি কোনঠাসা করা যায় ততটাই করেছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূল সাজতে উঠেপড়ে লেগেছেন। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হচ্ছে। সঙ্গে আরও বহু সামগ্রী। এরা এখন পরিস্থিতির চাপে পড়ে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে মন ভোলানো সুর তুলেছেন। কিন্তু তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে এদের এই রূপ কিছুতেই দেখতে পেত না বাংলার মানুষ। টিভি চ্যানেলে দিনের পর দিন বিজেপি বক্তাদের অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমান করেছেন, ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূলের দৌড়ে অংশ নিয়েছেন। বিজেপি কর্মী সর্থকরাই বলছেন এভাবে ভালো তৃণমূল বাছলে তারা আবার খারাপ না হয়ে যান। তাঁদের বক্তব্য়, ২০২৬-এর ভোটে জয় বিজেপির লড়াই ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণেই সম্ভব হয়েছে। ওই ভালো তৃণমূলীরা বিজেপিকে পদদলিত করতে চেয়েছিল। নির্বাচনে হেরে গেলে জীবন বিপন্ন হয়ে যেতে নীচুতলার বিজেপি কর্মীদের। তাই তারা বিজেপি নেতৃত্বের কাছে আবেদন করছেন, এই ভালো তৃণমূল খোঁজার নামে দলকে বিপদগামী করবেন না। বাস্তবে একটা পচা আলু গোটা বস্তার আলুকে পচিয়ে দেয়। তাতে দলের কর্মীরা হতাশ তো হবেনই পাশাপাশি সামনের দিন বাংলায় বিজেপির শাসন দরকার। ভোট বলে বিষয়বস্তু কিন্তু থাকবে। সাংসদ রাহুল সিনহা বলেছেন, বিজেপি আগামী ২৫ বছর থাকবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলতেন আগামী ৫০ বছর তৃণমূল থাকবে। মানুষ কিন্তু সব মনে রাখে। সময়ের অপেক্ষায় থাকে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, বিজেপি সাধারণের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে অথবা পরবর্তীতে যাতে কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ না থাকে তার জন্য এই তত্ব ছেড়েছে। এখন দেখার বিষয় বিজেপির কাছে ভালো তৃণমূল কারা, খারাপ তৃণমূল কারা।

মে ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সীমান্তে ফের লম্বা লাইন! আতঙ্কে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করলেন সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীরা

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে সীমান্ত এলাকা। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর প্রশাসনিক তৎপরতাও অনেকটাই বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।এরই মধ্যে বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় ফের দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। সীমান্তের কাছে বহু মহিলা, পুরুষ ও যুবককে ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এদের অনেকেই সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, যারা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।কয়েক মাস আগেও একই ধরনের ছবি দেখা গিয়েছিল। তখনও সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহু মানুষ বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ শ্রমিক, মাছের ভেড়িতে কাজ কিংবা দৈনিক মজুরির বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সোমবার দুপুরে হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত কয়েকজন জানান, দালালচক্রের মাধ্যমে এক থেকে দেড় বছর আগে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এসেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং নজরদারি বাড়ায় তাঁরা ফের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।যদিও প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে প্রশাসনের একাংশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ! বাংলার রাজনীতিতে বড় চমক কাকলির উপস্থিতিতে

বাংলার রাজনীতিতে এক বিরল ছবি দেখা গেল মঙ্গলবার। কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি।মঙ্গলবার সকালে বৈঠক শুরুর আগেই সভাস্থলে পৌঁছে যান কাকলি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েছি, তাই এসেছি। প্রশাসনটা কারও একার নয়। এটা কোনও দলীয় সভা নয়।শুধু কাকলি নন, এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আরও তিন বিধায়ক। হাজির ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন এবং স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ছবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তৃণমূল জমানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের সাধারণত দেখা যেত না। সেই জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। তাই এখানে এসেছি।এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ছিল। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।এরপর তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে কাকলি জানান, তিনি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিচ্ছেন। আর তার মধ্যেই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় অভিযান! বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতি এখন আরও কঠোর। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতিকে সামনে রেখেই দেশজুড়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার রাজ্যে সফরে বের হচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অমিত শাহের এই সীমান্ত সফর। প্রথমে তিনি যাবেন রাজস্থানের বিকানেরে। সেখানে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের কাজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সীমান্ত এলাকার একটি বিএসএফ পোস্টেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।রাজ্য ইতিমধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার মধ্যেই অমিত শাহের এই সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএসএফকে একযোগে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।কেন্দ্রের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনবিন্যাসের পরিবর্তন রুখতে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal