• ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ০৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Model

বিনোদুনিয়া

মিসেস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স ২০-২১ দেবশ্রীতা

জীবন যুদ্ধে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে নিজেকে তৈরি করেছিলেন । তিনিই প্রথম বাঙালি যিনি বিশ্বের দরবারে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া র হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০২০-২১ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া মিসেস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স এর শিরোপা ওঠে তার মাথায়। মডেলিং এবং ফ্যাশন জগতে তার নাম প্রথম সারিতে। তিনি হলেন দেবাশ্রীতা মুখার্জি। তার জন্ম ও বড়ো হয়ে ওঠা কলকাতায়। আইন নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক তার পর বিদেশে ম্যানেজমেন্ট। বর্তমানে বিবাহের পর তিনি অস্ট্রেলিয়া বাসি। তার ১০ বছরের মেয়ে রয়েছে। এক সংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া কে একযোগে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে খুব খুশি। গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নিয়ে এখনও অনেকের মনে অনেক ভীতি রয়েছে। কিন্তু নিজের লক্ষ্যে যদি স্থির থাকা যায় তাহলে কোনো সমস্যা হয় না। স্বামীর থেকে পাওয়া সহযোগিতার কথাও উল্লেখ্য করেন দেবশ্রী। এছাড়া তার ঝুলিতে রয়েছে মিসেস ইউনিভার্স অস্ট্রেলিয়ার ফার্স্ট রানারআপ , মিসেস কার্ভস অ্যান্ড কার্ল ইন্টারন্যাশনাল ২০২১। মিসেস সিক্রেট অস্ট্রেলিয়া পুরস্কার রয়েছে তার কাছে। ওয়ান্ডার অফ ওম্যানহুড র ব্র্যান্ড এম্বাসেডর তিনি। ওয়ান্ডার অফ ওম্যানহুড এডভোকেসি অ্যাওয়ার্ড ২০২১ পেয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত তার মা রুবি মুখার্জি বলেন, প্রাথমিক ক্ষেত্রে গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নিয়ে আমি একটু সংকোচ বোধ করি। কিন্তু বর্তমানে মেয়ের সাফল্য সেই দ্বিধা কে সম্পূর্ণ দূর করে দিয়েছে। আগামী প্রজন্মের কাছে আমি বলতে চাই যারা এই গ্ল্যামার ওয়ালড নিয়ে নিজের জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় তারা অবশ্যই পারিবারিক সম্মতিতে এগিয়ে যেতে পারবে। উপস্থিত ডেভিনা সেনগুপ্ত দেবাশ্রীতার ১০ বছরের কন্যাও তার মায়ের সাফল্যে উচ্ছসিত। এই সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবা অসিত মুখার্জি, কে কে চ্যাটার্জী, সেলিব্রিটি স্টাইলিস্ট তেজাস গান্ধী, তুষার ঢালীওয়ালা, সৌমী দত্ত প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মডেলিং ও অভিনয়ের পর শর্বরী কি এবার গ্রুমার?

মডেল ও অভিনেত্রী শর্বরী দাস এখন খুবই ব্যস্ত। সম্প্রতি বেশ কিছু ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি শেয়ারও করেছেন তিনি। কয়েকদিন আগে মার্সিডিজ বেঞ্জের সঙ্গে কাজ করলেন তিনি। তবে এখন তিনি কলকাতায় নেই। কলকাতা ছেড়ে নভি মুম্বইয়ে পাড়ি দিলেন শর্বরী। সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু ছবিও দেখে ফেলেছেন তার ফ্যানরা। তবে মুম্বইতে কেন হঠাৎ? নতুন কোনো ব্র্যান্ডের সঙ্গে কি কাজ করছেন শর্বরী? জনতার কথা থেকে শর্বরীকে ফোন করা হলে তিনি জানালেন, মুম্বইতে আমি কোনো ব্র্যান্ডের কাজে আসিনি। আমি গ্রুমিং এর কোর্স করতে এসেছি। কাউকেই এখনো জানাইনি। তোমাদেরই প্রথম জানালাম। কলকাতায় কবে ফিরবে? শর্বরী জানাল,কয়েকদিন মুম্বইতে থাকবো। ৩ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ফেরার কথা আছে আমার। আগামী দিনে কি তাহলে মডেলিং, অভিনয়ের পাশাপাশি গ্রুমিংয়েও দেখা যাবে তোমাকে? শর্বরী জানালেনগ্রুমিংয়ের কোর্স করতে এসেছি। ভালোভাবে শিখতে চাই। ইচ্ছা তো আছে গ্রুমিং শেখানোর। লেটস সি কি হয়।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনয়-মডেলিং জনতার কথায় জার্নি শেয়ার করলেন শর্বরী দাস

বর্তমানে টলিউড মডেলদের মধ্যে পরিচিত নাম শর্বরী দাস। হাবরায় বড় হয়ে ওঠা শর্বরী কোনো ইনস্টিটিউট থেকে মডেলিং না শিখেও নিজের একটা জায়গা তৈরি করেছেন। সিরিয়ালে অভিনয় দিয়ে তার অভিনয়ের জার্নি শুরু হয়। শর্বরী জানালেন,২০১১-১২ তে সিরিয়াল করেছি। ২০১৩-র অক্টোবর পর্যন্ত আমি সিরিয়াল করেছি। আমি তারপর সিরিয়াল ছেড়ে মডেলিং করা শুরু করি। সতী, রাশি ও অগ্নিপরীক্ষা এই তিনটে ধারাবাহিকে আমি অভিনয় করেছি। সিরিয়াল ছেড়ে শর্বরী বিনোদনের জগত থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন।তিনি জানালেন,উচ্চমাধ্যমিক দেওয়ার অনেকে বলেছিল আমি মডেলিং কেন করছি না। তারপর কিছু এজেন্সি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারপর থেকে মডেলিংটাই চলছে। বর্তমানে বেশ কিছু ভালো ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। কোভিডের মধ্যেও সেইভাবে চাপে পড়তে হয়নি শর্বরীকে। তিনি জানালেন,আমি লাস্ট করলাম আভামা জুয়েলার্সের সঙ্গে। তার আগে কিছু ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছি। আমি মান্থলি পাঁচ-ছটা ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করবো টার্গেট রাখি। নেক্সট টিভিজেড জুয়েলার্সের সঙ্গে কাজ আছে। কোভিডের জন্য একটু তো চাপ আছে।শর্বরী দাসকোভিডের মধ্যে কাজ করাটা কতটা চাপের উত্তরে শর্বরী জানিয়েছেন, লকডাউনের সময় তো ৫-৬ মাস কাজ বন্ধ ছিল। তারপরে যখন ঠিক হয়ে গেল আস্তে আস্তে কাজ শুরু হল। ভিড়টা একটু কমেছে। মেকআপ আর্টিস্ট রা মাস্ক পড়ে, ফটোগ্রাফাররা মাস্ক পড়ে, প্রপার স্যানিটাইজ করে কাজ করছে। তবে সাবধানতা অবলম্বন করে এইভাবেই চলতে হবে।সবশেষে শর্বরী জানিয়েছেন, নতুন যারা মডেলিং-এ আসছে তাদের ঠিক জায়গা বেছে নিতে হবে। অনেক ভুল মানুষ আসবে তাদের ইগনোর করতে হবে। কোভিডের জন্য কলকাতায় মডেলিং এর সুযোগ আছে। ঠিকঠাক। তবে কোভিডের জন্য একটু প্রবলেম চলছে। আস্তে আস্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
সম্পাদকীয়

মেগা কোভিড-১৯ টেস্টিং ড্রাইভ' হোক রাজ্য জুড়ে, কেন বঞ্চিত বাকি অঞ্চল

বাংলায় করোনার পজিটিভিটি রেট ৩০ শতাংশের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। পাশাপাশি করোনা-আক্রান্তের মৃতের সংখ্যাও ক্রমশ বেড়ে চলেছে। গত কয়েক দিন ধরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গড়ে ২০ হাজারের বেশি। কিন্তু এখনও সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ সচেতন নয়। উৎসব, মেলা অনেক হল, এবার সরকারি উদ্যোগেও ঘাটতি থাকা উচিত নয়। ডায়মন্ডহারবারে এক দিনে ৫০ হাজার কোভিট টেষ্ট করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে রাজ্যের অন্য সংসদীয় এলাকায়ও এমন উদ্যোগ নেওয়া হোক। একটি লোকসভা কেন্দ্রে সরকার পরীক্ষার ব্যবস্থা করবে বাকি কেন্দ্রে তা হবে না তা কোনও গণতান্ত্রিক দেশে হওয়া বাঞ্ছিত নয়। এক্ষেত্রে একই রাজ্যে তো নয়ই।করোনা আমাদের সামাজিক পরিকাঠামোর সর্বনাশ করেছে। শিক্ষা ব্যবস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, ছোট-বড় বেসরকারি সংস্থার কর্মী, খেটে খাওয়া মানুষরা আজ বড় অসহায়। তবু করোনা বিধিকে তোয়াক্কা করছেন না একটা অংশ। কেন তাঁদের এই অনীহা এটা আজ প্রশ্ন। তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়লেও অল্প দিনে সেরে ওঠায় অনেকে হালকা ভাবে নিচ্ছেন। কিন্তু পজিটিভিটি রেট ও মৃত্যুর সংখ্যা চিন্তায় রেখেছে চিকিৎসক মহলকে। অতএব করোনা নিয়ে সচেতন না হলে আগামি দিনে কী বড় বিপদ অপেক্ষা করছে তা কারও জানা নেই।বিশেষজ্ঞরা নানা আশার বানী শোনাচ্ছেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের একটা অংশের দাবি, ভ্যাকসিনের কাজ করবে ওমিক্রণ। তাহলে তো অতি উত্তম। কিন্তু যে ভাইরাসটা সম্পর্কে কোনও গবেষণা সম্পূর্ণ নেই, তা সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করা শ্রেষ্ঠ উপায় বলেই মনে করা হচ্ছে। কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচন ও শীতের উৎসবের পর তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে যায়। মুখে মাস্ক ও ভিড় এড়ানোই করোনা মোকাবিলার সেরা অস্ত্র বলে আসছেন, তা কেন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না সেটাই মূল প্রশ্ন। সরকারের সঙ্গে সাধারণ মানুষকে করোনা মোকাবিলায় শরিক হতে হবে। আজ মনে হতে পারে আমার কিছু হবে না, ঘুরিয়ে সেই বিপদ কখন নিজের বাড়িতে হাজির হয়ে যাবে তার কোনও গ্যারান্টি নেই।এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ডহাবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্যে পজিটিভিটি রেট ৩ শতাংশের নীচে কমিয়ে আনতে হবে। ডায়মন্ডহারবার সংসদীয় কেন্দ্রে একদিনে ৫০ হাজার মানুষের করোনা টেষ্ট করা হয়েছে। খুব ভালো উদ্য়োগ। কিন্তু কেন রাজ্যের বাকি ৪১টি কেন্দ্রে এই উদ্যোগ নেওয়া হল না সেটা বড় প্রশ্ন। ওই ৫০ হাজার মানুষের করোনা টেষ্ট তো সরকারি অর্থেই হয়েছে। এমন নয় তো বেসরকারি সংস্থা সমাজেসেবা করেছে। তাহলে একই রাজ্যের অন্য সংসদীয় কেন্দ্রেও এমন উদ্যোগ নেওয়া উচিত। প্রথমত এক রাজ্যে ভিন্ন নীতি হবে কেন? অন্য় সংসদীয় কেন্দ্রের নাগরিকরা কেন বঞ্চিত হবে? সংসদীয় কেন্দ্র ভিত্তিক না হোক জেলা ভিত্তিক, মহকুমা বা ব্লক ভিত্তিক করোনা পরীক্ষার করার ব্যবস্থাও করতে পারে সরকার।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজনীতি

অভিষেকের 'ডায়মন্ডহারবার মডেল' নিয়ে তৃণমূল যুবনেতার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ডহারবার মডেল নিয়ে প্রকাশ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসে বিরোধ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সোশাল মিডিয়ায় দলের সাধারণ সম্পাদকের হয়ে গলা ফাটাতে শুরু করেছেন যুবনেতারা। তৃণমূলের রাজ্য যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের পর এবার তৃণমূল যুবর রাজ্য সহসভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় আই সাপোর্ট ডায়মন্ডহারবার মডেল লিখে ফেসবুক পোষ্ট করেছেন। ওই পোস্টে ইঙ্গিতে এক সাংসদের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাবও দিয়েছেন শান্তনুবাবু।করোনা নিয়ে অভিষেকের কিছু ঘোষণা নিয়ে রাজনৈতিক মহল তোলপাড়। বিরোধীরা তা নিয়ে ইতিমধ্যে সমালোচনা করেছেন। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেছেন, দলে থেকে ভালো সাজার চেষ্টা হচ্ছে। সিপিএমের বক্তব্য, এখন করোনা মোকাবিলায় ২ মাস রাজনৈতিক, ধর্মীয় সভা-সমাবেশ বন্ধ করার কথা বলছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। কিন্তু ডায়মন্ডহারবারের এমপি কাপে ভিড়ের কথা কী ভুলে গিয়েছেন তিনি। তাছাড়া পুরভোট বন্ধ নিয়ে এখনও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। এদিকে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেকের বক্তব্য নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য কখনও ব্যক্তিগত হয় না। এটা একপ্রকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করা। তবে রাজনৈতিক মহল তৃণমূল কংগ্রেসের এসব কান্ডকে এখনই গুরুত্ব দিতে নারাজ। এটা আদি-নব্য মতানৈক্য নাকি দলের রণকৌশল তা নিয়ে জল্পনা চলছে। সময় এর জবাব দিয়ে দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিকে রাজ্য তৃণমূল যুব নেতা তথা হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্য়ায় তাঁর ফেস বুক পোস্টে সরাসরি অভিষেকের ডায়মন্ডহারবার মডেলকে সমর্থন করেছেন। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন-#I_Support_Diamond_Harbour_Modelরাজনীতি তে মানুষই শেষ কথা বলে।মমতা ব্যানার্জীর আদর্শে এবং তাঁর দেখানো পথে মানুষের পাশে অভিষেক ব্যানার্জী ছিল, আছে আর থাকবে। মানুষ এর আশীর্বাদ সাথে থাকলে কোনো অ-কল্যান কামি শক্তি কিছু করতে পারে না।মমতা ব্যানার্জী জিন্দাবাদ।।অভিষেক ব্যানার্জী জিন্দাবাদ।।#তফাৎছিল তফাৎআছে তফাৎ_থাকবে ।।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নামে জয়ধ্বনী দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অ-কল্যান কামী শব্দটি নিয়েই রাজনৈতিক মহল তোলপাড়। কেন অকল্যান অ-কল্যান হল, তা নিয়েই গবেষণা চলছে তৃণমূলে। যদিও এনিয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেননি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। তাছাড়া তফাৎ কার সঙ্গে কার তা নিয়েও গুঞ্জন অব্যাহত।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

Christmas: বিশ্বপিতার আবহনে মেতে উঠলো বর্ধমান শহরের স্কুল

কলকাতা সহ সারা রাজ্যে মহা-সমারোহে পালিত হল বড়দিনের উৎসব। বাঙালি বারো মাসে তেরো পার্বন অতিক্রম করে শত-পার্বনের দিকে ধাবিত। পর-কে আপন করে নেওয়া এই জাতির এক সহজাত ক্ষমতা। সেই ব্যাপারে সেরা-র উদাহরণ টানতে গেলে বাঙালির নাম প্রথম সারিতেই আসবে, হয়ত বা প্রথমেই। আদ্যান্ত এক খ্রীস্টান ধর্মাবলাম্বিদের প্রানের উৎসবকে আজ বাঙালি আপন করে নিয়েছে। ২৫ ডিসেম্বরে মহাপ্রান যিশু খ্রিষ্ট বা ঈসা মসিহের জন্মদিনকে বড়দিন বলা হয়। জানা যায় যিশু খ্রিষ্টের জন্ম হয়েছিল, হেরোদ রাজার রাজত্বকালে যিহুদিয়ার বেথলেহেম বলে এক গ্রামে একটি গোয়াল ঘরে পবিত্র আত্মার (পাক-রুহের) শক্তি দ্বারা কুমারী মরিয়মের মাধ্যমে যিশু খ্রিষ্ট জন্ম গ্রহণ করেন। প্রভু যিশু খ্রিষ্টের জন্মগ্রহণ নিয়ে অনেকে অনেক মত পোষণ করেন।রাজ্যের অন্য জায়গার মতই গতকাল সন্ধ্যায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে বর্ধমান মডেল স্কুলে পালিত হল বড়দিন। অতিমারির কারণে বিদ্যালয় ছাত্র ছাত্রীদের বাদ দিয়ে শুধুমাত্র শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষা কর্মীরা এই উৎসব পালন করেন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে তারা ছাত্রছাত্রী দের জন্য আগামী তিনদিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ খোলা রাখবেন। উৎসব উপলক্ষে এক মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গান নাচ আবৃত্তি নাটক প্রভৃতির পাশাপাশি মঞ্চে যোগব্যায়াম-ও প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্কুলের ছাত্র প্রশংসা ধন্য শিক্ষিকা নাসরিন ম্যাম। অনুষ্ঠানটি ভার্চুয়ালি ছাত্রছাত্রীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানা যায়। ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েসন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ-র সম্পাদক ও বিদ্যালয় এর ম্যানেজার অচিন্ত্য কুমার মন্ডল বলেন, অতিমারির কারণে রাজ্যের সর্বত্র প্রাইমারি এবং আপার প্রাইমারি সেকশন বন্ধ রয়েছে। আমরা যীশুর কাছে প্রার্থনা করছি আমাদের দেশ তথা সমগ্র বিশ্ব যেন অতিসত্ত্বর মারণ ভাইরাসের হাত থেকে মুক্তি লাভ করে। নতুন বছর আসছে নতুন আশা নিয়ে। বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী, অভিভাবক অভিভাবিকা, শিক্ষক শিক্ষিকা এবং সংশ্লিষ্ট সকলেই যেন সুস্থ থাকেন। পড়াশুনার ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি! আমরা যেন প্রতিটা দিনকেই বড়দিন বলে ভাবি, পবিত্র মনে ভবিষ্যৎ গড়ার কাজে নতুন উদ্যম ঝাঁপিয়ে পড়ি। তিনি বিদ্যালয় এর সুনাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি তাঁদের ধন্যবাদ জানান।সন্ধ্যাকালীন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সারেগামাপা খ্যাত সংগীতশিল্পী অতনু ঘোষ। সঙ্গীত পরিবেশনের পাশাপাশি তিনি এমন এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হওয়ার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কে অভিনন্দন জানান। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডঃ খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, সদস্য অনন্তদেব গুহ (শিক্ষক), সদস্যা সহকারী অধ্যাপক ডঃ ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায়, বিআইএমএস এর টিচার-ইন-চার্য লিজা বন্দ্যোপাধ্যায়, সহকারি অধ্যাপক ডঃ বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্ধমান ফিজিওথেরাপি কলেজের (BIMLS) প্রিন্সিপাল ও বিশিষ্ঠ ফিজিওথেরাপিস্ট এবং সহকারী অধ্যাপক ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্য্য, ইউআইটি কলেজের অধ্যাপক ডঃ শিবকালী গুপ্ত।ম্যানেজিং কমিটি-র সদস্য অনন্তদেব গুহ বলেন,একটা বিদ্যালয় কথা বলে আপন খেয়ালে! শিক্ষকরাই বিদ্যালয়কে কথা বলায় তাদের ছাত্র ছাত্রীদের মাধ্যমে! আজ সন্ধ্যায় যখন মডেল স্কুলে বড়দিন পালন হচ্ছে তখন হয়তো স্কুলেরই কোন কৃতি ছাত্র বা ছাত্রী প্যারিস কিংবা লস এঞ্জেলেসের কোন বড়দিনের উৎসবের মঞ্চে দাঁড়িয়ে এই স্কুলের গল্প করছে। কনফুসিয়াস বলেছিলেন প্রত্যেকটি পাথরের মধ্যেই মূর্তি আছে। একজন ভাস্কর নিপুণতার সঙ্গে অতিরিক্ত অংশগুলি বাদ দিয়ে সেই মূর্তির প্রকৃত রূপ দেন। শিক্ষাও তেমনি প্রত্যেকটি মানুষের মধ্য থেকে আদর্শ মানুষকে বের করে আনে। আর এখানে ভাস্করের কাজটি করেন শিক্ষকরা তাই তাদের আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই।বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা প্রসংসার বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা অনেকেই এই বিদ্যালয়কে শহরের সেরার তকমা দিচ্ছেন। কেউ কেউ বলেছেন শুধুমাত্র পড়াশোনা নই খেলাধুলা, নাচ, গান সব বেপারেই অন্য যেকোনো বিদ্যালয়-কে পিছনে ফেলে দিতে পারেন। গত কয়েকবারের মত এইবারেরও খ্রিস্টমাস যেভাবে পালন করা হল সেটা একটা দৃষ্টান্ত হয়ে রইলো।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Lara Dutta : ডেটিং অ্যাপে ভুয়ো প্রোফাইল নিয়ে সরব লারা

ডেটিং অ্যাপে লারা দত্তের ভুয়ো প্রোফাইল। বিষয়টি জানতে পেরে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন বলিউড অভিনেত্রী। ভিডিয়োয় লারা বলেন, গতকাল থেকে প্রচুর মিম এবং মেসেজ পেয়েছি। সবাই আমাকে বলেছেন, আমি নাকি ডেটিং অ্যাপে প্রোফাইল খুলেছি। কাল থেকে আমার পাগল পাগল লাগছে। সবাইকে বলার চেষ্টা করছি সত্যিটা কী। তিনি আরও বললেন, আমার মনে হল অনলাইনে এখনই সত্যিটা বলা ভাল। আমি কোনও ডেটিং অ্যাপে নেই। আগেও ছিলাম না। ভিডিয়োয় লারা বলেন, গতকাল থেকে প্রচুর মিম এবং মেসেজ পেয়েছি। সবাই আমাকে বলেছেন, আমি নাকি ডেটিং অ্যাপে প্রোফাইল খুলেছি। কাল থেকে আমার পাগল পাগল লাগছে। সবাইকে বলার চেষ্টা করছি সত্যিটা কী। তিনি আরও বললেন, আমার মনে হল অনলাইনে এখনই সত্যিটা বলা ভাল। আমি কোনও ডেটিং অ্যাপে নেই। আগেও ছিলাম না।লারার ভুয়ো প্রোফাইলটি নজরে আসতেই মিম-মেসেজের বন্যা বইতে শুরু করেছে। লারা দত্ত বলেছেন, ডেটিং অ্যাপগুলি নিয়ে তাঁর কোনও সমস্যা নেই। তাঁর কথায়, আমি মনে করি, ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে সত্যিই দুজন মানুষের পরিচয় হতে পারে। কিন্তু এই মুহূর্তে আমি এরকম কোনও অ্যাপ ব্যবহার করছি না।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Academy : নতুনদের পথ দেখাচ্ছে সুপার স্টারডম ফিল্মস অ্যাকাডেমি

সুপার স্টারডম ফিল্মস অ্যাকাডেমি অ্যান্ড ইভেন্টস এর তরফ থেকে নতুন কিছু ভালো কাজের উদ্যোগ নিলেন এই প্রতিষ্ঠানের ফাউন্ডার এবং ডিরেক্টর, প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা, মডেল এবং ব্ল্যাক বেল্ট মার্শাল আর্ট এক্সপার্ট অর্কদ্যুতি সাউ। এই ইন্সটিটিউটের প্রযোজনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় আগামী দিনে ওয়েব সিরিজ, মিউজিক ভিডিও, ফিল্ম ইত্যাদির কাজ শুরু হতে চলেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নতুন ট্যালেন্টেড ছেলে ও মেয়েদের প্যাশন কে প্রফেশনে বদলে দিতে নানা ধরনের কোর্সের ক্লাস শুরু হল ১৬ আগস্ট থেকে। ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞ ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা প্র্যাক্টিক্যাল ও থিওরি ক্লাস শেখাবে। বিভিন্ন ক্লাসে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। অভিনয় ক্লাসে থিওরি, ক্যামেরা সেন্স অ্যাক্টিং শেখানো হবে মডেলিং-এ সঠিক গ্রুমিং করানো হবে পরবর্তীতে নিজের ভিত তৈরি করে দেওয়ার জন্য। নাচের মধ্যে ওয়েস্টার্ন, বলিউড ও ক্ল্যাসিক্যাল ড্যান্স শিখিয়ে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করে দেওয়া হবে। মেপ আপে ব্রাইডাল, র্যা ম্প ও সিনেমার জন্য সঠিক মেকআপ কোর্স করানো হবে। এছাড়া রয়েছে মার্শাল আর্ট, যোগা এবং জুম্বা। গত ১৫ই আগস্ট ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসের দিন একটি ছোট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্দ্বোধন করা হলো সুপার স্টারডম ফিল্মস অ্যাকাডেমি অ্যান্ড ইভেন্টসের। উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন অভিনয় জগতের কিছু বিশিষ্ট মানুষ। মহালয়া ছবি খ্যাত অভিনেতা, শুভময় চ্যাটার্জি এবং পরিচালক, সুশান্ত পাল চৌধুরী এই অনুষ্ঠানে পৌঁছে যান এরকম একটা উদ্যোগকে উৎসাহ দিতে।

আগস্ট ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pornography: পর্নোগ্রাফি কাণ্ডে গ্রেফতার অভিনেত্রী নন্দিতা

পর্ণ কাণ্ডে ব্যবসায়ী ও অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা গ্রেফতার হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনার মধ্যে কলকাতায় আবার পর্নোগ্রাফির ঘটনা সবার সামনে এল। কলকাতার পর্নোগ্রাফি চক্রে গ্রেফতার করা হয়েছে মূল দুই অভিযুক্তকে। ঘটনাস্থল নিউটাউনের এক তিন তারা হোটেল। নিউটাউন থানার পুলিশই অভিযোগ পেয়ে ময়দানে নামে। এরপরই রহস্য উন্মোচন হয়। ওই হোটেল থেকে নিজেকে নায়িকা বলে দাবি করা নন্দিতা দত্ত এবং মৈনাক ঘোষ নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মুম্বইয়ের পাশাপাশি যে খাস শহর তিলোত্তমাতেও একই অপরাধচক্র মাথা চাড়া দিয়ে ব্যবসা ফেঁদে বসেছিল, তা হয়তো কেউ ঠাহরও করতে পারেনি।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?সূত্রের খবর, ধৃত নন্দিতা বহুদিন ধরেই পর্নোগ্রাফি চক্রের সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি উঠতি মডেলদেরও এই কাজে আনার চেষ্টা করতেন বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি নিউটাউন থানায় দুই তরুণী অভিযোগ দায়ের করেন যে, মডেল শ্যুটের আশ্বাস দিয়ে এক তিন তারা হোটেলে তাঁদের ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে তাঁদের দিয়ে পর্নফিল্মের শ্যুটিং করানো হয়। এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। সেই হোটেল থেকে শ্যুটিং চলাকালীন গ্রেফতার করা হয় নন্দিতা ও মৈনাককে। বারাসত আদালতে তোলা হয় চার দিনের পুলিশ হেফাজত দেওয়া হয় তাদের। এই ঘটনায় আর কারা কারা জড়িত সেটা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

জুলাই ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

fashion fuss production : মডেলিং জগতে নতুন প্রতিভা অন্বেষণে শুভ সূচনা হল ফ্যাশনফাস প্রোডাকশনের

নবাগত তরুণ মডেলদের ভালো পোর্টফোলিও করার মাধ্যমে ও তাদের আরও কাজের সুযোগ করে দিতে এই সময়ের তিন তরুণ প্রজন্ম শুভ্রজিত, সৌরভ ও তমোনাশের যৌথ প্রচেষ্টায় শুভ সূচনা হল ফ্যাশনফাস প্রোডাকশন হাউসের। এই হাউসের ব্যানারেই শুভ সূচনা হল বিশিষ্ট ফ্যাশন ডিজাইনার সন্দীপ শীলের আরও একটি নতুন ব্যান্ড এস এস ট্র্যাডিশনাল স্টাইল লফ্টের। গত শনিবার দ: কলকাতার আর্টোগ্রাফ স্টুডিওতে কলকাতা মেট্রোর আধিকারিক প্রত্যুষ ঘোষ, বিশিষ্ট গীতিকার অভিজিত পাল ও অভিনেত্রী তথা মডেল অনুমিতা দত্তের হাত দিয়েই শুভ সূচনা হয় তাদের এই দুটি প্রজেক্টের। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মডেলিং জগতের পরিচিত মেকআপ আর্টিস্ট অন্বেষা, দীশানি, নূপুর, তনুশ্রী ও স্বর্ণভা এবং এই হাউসের সঙ্গে সদ্য যুক্ত হওয়া তিন তরুণ মুখ সিমরন, স্নেহা ও সায়নী। এই দুটি নতুন প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে মডেলরা খুবই খুশি। প্রতি ৬ মাস অন্তর একটি ম্যাগাজিনের মাধ্যমে এই হাউসের সঙ্গে যুক্ত হওয়া মডেলদের ছবি পৌঁছে যাবে দিল্লি, মুম্বই, হায়দ্রাবাদ সহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রচার হবে টিভি মিডিয়াতেও। মডেলদের ব্যাক্তিগত নৈপূণ্যের বিকাশ ঘটানোর দায়িত্বে বিদিশা ব্যানার্জী ও তার সংস্থা টক অ্যান্ড টক। তাদের এই সমগ্র প্রয়াসটির বিশেষ পরামর্শ দাতা হায়দ্রাবাদের বালাজী পটলা। মডেলিং জগতে নতুন মুখ তুলে ধরতে তাদের এই উদ্যোগ যে সফল হবে সে ব্যাপারে আশাবাদী ফ্যাশনফাস প্রোডাকশন।

জুলাই ১০, ২০২১
শিক্ষা

NTSE: বর্ধমানের মেয়ের রাজ্য স্তরে সাফল্য

ন্যাশানাল ট্যালেন্ট সার্চ এক্সাম (NTSE) প্রতিযোগিতায় রাজ্যে সপ্তম ও বর্ধমান জেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে সমন্বিতা পাল। বর্ধমান মডেল স্কুলের একাদশ শ্রেনীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী সমন্বিতা।প্রতি বছর এন সি ই আর টি (National Council of Educational Research and Training/ NCERT) এই পরীক্ষার আয়োজন করে। সাধারণভাবে দেশের মেধাবী পড়ুয়াদের চিহ্নিত করতেই এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। এন সি ই আর টি-র তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা দুটি পর্যায়ে হয়। পর্যায়-১ (Stage-I), পর্যায়-২ (Stage-II)। প্রথম পর্যায়ের (Stage-I) পরীক্ষার জন্য দশম শ্রেণীর ছাত্ররাই আবেদন করতে পারে। আবেদকারীকে ভারতের কোনও রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্বীকৃত স্কুলে শেষ শিক্ষাবর্ষে উত্তীর্ন সহ ৬০% নম্বর পেতে হবে। সংখ্যালঘু ও তপসিলিজাতির আবেদনকারীরা ৫% ছাড় পাবে। অবশ্যই ১৮ বছরের অনুর্দ্ধ হতে হবে। প্রথম পর্যায়ের রাজ্য ভিত্তিক পরীক্ষায় ৮০% বা তার বেশী নম্বরের পরীক্ষার্থীরা দ্বিতীয় পর্যায়ের (Stage-II) প্রতিযোগিতার জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে সফল ছাত্রছাত্রীদের জাতীয় স্তরে প্রথম ১০০০ জনকে বৃত্তি প্রদান করা হয় এবং উচ্চশিক্ষা অবধি তাদের দায়িত্ব নেওয়া হয়। ওরিয়েন্টাল এসোসিয়েসান ফর এডুকেসন এন্ড রিসার্চ-এর সেক্রেটারি অচিন্ত্য কুমার মন্ডল ছাত্রছাত্রী দের সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, তিনি বলেন সমন্বিতার এই সাফল্য প্রতিষ্ঠানের অন্য ছাত্রছাত্রীদের আরও উৎসাহিত করবে। বর্ধমান মডেল স্কুলের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং জনতার কথাকে বলেন, সমন্বিতা প্রাথমিক শ্রেণী থেকে এই স্কুলে পড়ছে, ছোটো থেকেই সে পড়াশোনার ব্যাপারে প্রচন্ড মনযোগী। সিবিএসসি-র নিয়মানুসারে আমরা র্যাঙ্কিং দিতে পারি না। কিন্তু ওর রেজাল্ট বরাবরই প্রথম দিকেই থাকত।ওই স্কুলেরই বাংলার শিক্ষক সুমন নাগ জনতার কথাকে বলেন সমন্বিতা শুধু পড়াশোনা নয় ওর আরও নানা বিষয়ে আগ্রহ আছে। ও অসাধারণ আবৃত্তি করে, স্কুলের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মেসমারাইজ সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নানা ভূমিকায় অভিনয় করেছে। সমন্বিতা প্রতিভার আরেকদিক হল অঙ্কন শৈলী। অঙ্কনে বর্ধমান জেলা আয়োজিত উৎকর্ষ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান লাভ করেছে এবং ওই বছরে কুইজ প্রতিযোগিতায় জেলায় তৃতীয় স্থান লাভ করে। আমি একজন শিক্ষক হিসাবে অত্যন্ত গর্ববোধ করি ওর জন্য এবং সাফল্য কামনা করি।স্কুলের সার্বিক সহযোগিতার জন্য এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমন্বিতা। জনতার কথাকে সমন্বিতা পাল বলেন, আমি পড়াশোনার ফাঁকে সুযোগ পেলেই পেনসিল কাগজ নিয়ে আঁকতে বসে পড়ি। নানা রকমের প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী আঁকতে বেশী পছন্দ করি। তার কথায় আমার বেড়ে ওঠার পিছনে বর্ধমান মডেল স্কুলের অবদান অনস্বীকার্য, কিন্তু মায়ের অবদান কখনও ভুলতে পারব না। মা সারাক্ষণ আমাকে নিয়েই পড়ে থাকেন। এছাড়া আমাদের স্কুলে বছরভর নানা রকম কালচারাল অ্যাক্টিভিটি চলতেই থাকে। তাতে পার্টিসিপেসন করেও অনেক কিছু শিখেছি। শিক্ষকরাও প্রচণ্ড যত্নশীল। কোভিড পরিস্থিতির জন্য আমরা দীর্ঘদিন স্কুল যেতে পারিনি। কিন্তু শিক্ষকরা অনলাইনের মাধ্যমে এতটাই সতর্ক ও আন্তরিক যে আমি তো মাঝে মাঝে ভুলে যাই যে আমি স্কুলে নেই। কোভিডের সময় স্কুল থেকে বাড়িতে এসে আমাদের বই দিয়ে গেছে। এতটা সাহায্য না পেলে হয়ত আমাদের পক্ষে পড়াশোনা করাটা খুব চাপ হয়ে যেত। তিনি আরও জানান তাঁর লক্ষ্য জেইই অ্যাডভান্স। সেই সংক্রান্ত পড়াশোনাই চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও ওই স্কুলের সোহম ঘোষ (৭৬) ও আরমান ভট্টাচার্য্য (২০০) ভালো ফলাফল করেন।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ২২, ২০২১
কলকাতা

অরূপ বিশ্বাসের ভাইপো পরিচয় দিয়ে মডেলদের প্রতারণা, গ্রেপ্তার যুবক

রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাইপো হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। সেই পরিচয় দিয়ে টলিউডে মহিলা মডেলদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার টোপ ও ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি করছিলেন। সেই অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক যুবককে। ধৃতের নাম রণজিৎ বিশ্বাস ওরফে আকাশ।রিজেন্ট পার্কের ২৭, বাবুরাম ঘোষ রোডে তার বাড়ি। সম্প্রতি এক প্রতারিতা ফেসবুকে ওই যুবকের ছবি সহ পুরো বিষয়টি শেয়ার করেন। আর সেটা নজরে পড়ে মন্ত্রীর। এরপর অরূপ বিশ্বাসই এফআইআর দায়ের করেন রিজেন্ট পার্ক থানায়। সোমবার রাতে পুলিশ ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে রয়েছে মমতাক্রেসিঃ অধীর পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে কয়েকজন মডেলের সঙ্গে ছবি শেয়ার করেই প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল রণজিৎ।এই প্রতারণা চালাতে ফেসবুকে আটটি অ্যাকাউন্ট খুলেছিল সে। আর সেগুলি থেকেই উঠতি মডেলদের টোপ দিত রণজিৎ। কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা টাকা চাইত সে। এরপর কিছু ঘনিষ্ঠ ছবি দেখিয়ে ভয় দেখাতো সে। ঝাড়গ্রামের এক উঠতি মডেল এভাবেই প্রতারিত হন। তিনি টাকা ফেরত চাইতেই হুমকি পান বলে অভিযোগ।এরপরেই ওই তরুণী ফেসবুকে পুরো বিষয়টি জানিয়ে একটি পোস্ট করেন। সেই সঙ্গে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে কয়েকটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন।এরপরেই বিষয়টি নজরে আসে পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের। তারপর তিনি থানায় এফআইআর দায়ের করলে রণজিৎ গ্রেফতার হয়।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্থায়ীকরণ ও ‘সমকাজে সমবেতন’-এর দাবিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দ্বারস্থ SACTWA, ইতিবাচক আশ্বাসে বাড়ল প্রত্যাশা

উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মরত রাজ্য-সহায়তা প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক কল্যাণ সমিতি (State Aided College Teachers Welfare Association - SACTWA)-এর দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা-র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে SACT শিক্ষকদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সমকাজে সমবেতন নীতি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত SACT শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোরালো দাবি তোলা হয়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও SACT শিক্ষকদের বেতন ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁদের ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়।এছাড়াও প্রতিনিধি দল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র নির্বাচনী সংকল্প পত্রে SACT শিক্ষকদের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানায়। সংগঠনের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব রূপ দেওয়া উচিত।সংগঠনের দাবি ও বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দেন যে, আগামী দিনে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও মন্ত্রীর এই আশ্বাসে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল দাস, জেলা সভাপতি নন্দন মান্না, মনোজ কুমার মাইতি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ি, পীযূষ দাস মহাপাত্র, সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, SACT শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ! মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের পরই সিট গঠন, একের পর এক গ্রেপ্তার

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার ভোরে দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। দ্রুত তদন্তের স্বার্থে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের পরই তদন্তে আরও গতি আসে। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্তের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের এগারো বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির কাছের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। কুলপি রোডে নাবালিকার দেহ রেখে পথ অবরোধ করা হয়। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। এর জেরে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচলও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় এবং একাধিক পুলিশ গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।এই ঘটনার জেরে বারুইপুর থানায় মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলা নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে। এছাড়া সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশকে আক্রমণ, অবরোধ, ভাঙচুর এবং এক অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

বর্ষায় ত্বক ও চুলের যত্নে প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্কতা, কী রাখবেন বিউটি কিটে?

এ বছর বর্ষার আগমন কিছুটা দেরিতে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। তবে এখন বর্ষা সক্রিয় হওয়ায় একদিকে যেমন মিলেছে স্বস্তি, অন্যদিকে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ওপরও পড়ছে বিশেষ প্রভাব। অতিরিক্ত ঘাম, ধুলো এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষাকালে সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্ষা মানেই একদিকে স্বস্তির বৃষ্টি, অন্যদিকে ত্বক ও চুলের নানাবিধ সমস্যা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ঘাম, ধুলো এবং বৃষ্টির জল মিলিয়ে এই সময়ে ত্বক হয়ে উঠতে পারে তৈলাক্ত, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা। তাই বর্ষাকালে প্রসাধনী ব্যবহারে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত প্রসাধনীর বদলে হালকা, নন-কমেডোজেনিক (যা সহজে রোমছিদ্র বন্ধ করে না) এবং জলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক সতেজ থাকে এবং ব্রণের ঝুঁকিও কমে।বর্ষার বিউটি কিটে কী কী রাখবেন?১. মৃদু ফেসওয়াশ:দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ধুলো ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়। তবে অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে পারে।২. হালকা ময়েশ্চারাইজার:অনেকেই মনে করেন বর্ষায় ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হালকা জেল বা ওয়াটার-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।৩. সানস্ক্রিন:মেঘলা আকাশ থাকলেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে উপযুক্ত এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।৪. ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ:বর্ষায় সাধারণ মেকআপ সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ওয়াটারপ্রুফ কাজল, মাসকারা, আইলাইনার ও লং-লাস্টিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকে।৫. হালকা লিপ বাম:বৃষ্টির সময়েও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম ও সুরক্ষিত থাকে।চুলের যত্নেও নজর দিনবর্ষায় চুলে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি পড়ে। ফলে খুশকি, চুল পড়া বা স্ক্যাল্পে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখা বা অপরিষ্কার রাখা উচিত নয়।প্রসাধনী ব্যবহারে যেসব ভুল এড়াবেন* মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।* অন্যের মেকআপ বা প্রসাধনী ভাগ করে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।* ভেজা হাতে প্রসাধনীর পাত্রে বারবার হাত দেবেন না।* ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ করুন।* সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণপ্রসাধনী ব্যবহার যতই হোক, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমই ত্বক ও চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি। বর্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করলেই এই মৌসুমেও সৌন্দর্য থাকবে অটুট।মনে রাখবেন: বাজারে নতুন কোনও প্রসাধনী কেনার আগে তার উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই নতুন পণ্য ব্যবহার করুন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর পরও মেলেনি বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় নতুন তদন্তের দাবিতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

আরও একটি পাঁচ জুলাই। প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে হত্যার চৌদ্দ বছর পূর্ণ হলেও এখনও প্রকৃত বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ তুলছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘদিনের তদন্তেও মূল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি বলে দাবি তাঁদের। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ সত্য সামনে আসুক এবং প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গোবরডাঙা স্টেশনের বাইরে গুলিতে নিহত হন উত্তর চব্বিশ পরগনার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার শিক্ষক ছিলেন। সুটিয়া গণধর্ষণ মামলায় তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ড গোটা রাজ্যকে নাড়া দিয়েছিল।ঘটনার এত বছর পরেও মামলার পূর্ণ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে পরিবার ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসেনি। রাজনৈতিক মহলেও এই মামলাকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই সব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবার এবং সুটিয়ার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, মামলাটি আবার তদন্ত করে সমস্ত সত্য প্রকাশ্যে আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যার নেপথ্যে যারা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকীতে এদিন সুটিয়ার বিভিন্ন জায়গায় তাঁর স্মরণে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এলাকাজুড়ে তাঁর স্মৃতিতে ব্যানার ও শ্রদ্ধার্ঘ্য দেওয়া হয়। প্রতিবাদ মিছিল, শোকসভা এবং তাঁর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন স্থানীয় মানুষ। উপস্থিত বক্তারা একটাই দাবি তোলেন, এত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চের সদস্য প্রমানন্দ কবিরাজ বলেন, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি হয়নি। তাই নতুন করে তদন্ত করে সমস্ত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। মঞ্চের সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দারের বক্তব্য, নতুন সরকার বিভিন্ন পুরনো ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছে। তাই বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলাতেও নতুন তদন্ত শুরু হবে বলে তাঁদের আশা।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমিলা রায় বিশ্বাস জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও দাবি তাঁর।অন্যদিকে বরুণ বিশ্বাসের দাদা অসিত বিশ্বাস অভিযোগ করেছেন, প্রতিবাদী মঞ্চের উদ্যোগে বসানো আবক্ষ মূর্তিটি বরুণ বিশ্বাসের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি নয়। এই বিষয় নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
দেশ

দানবাক্সের চুরি বন্ধ হতেই অবিশ্বাস্য বদল! প্রতিদিন কোটি টাকার বেশী বাড়ছে রাম মন্দিরের

pরাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে নিয়মিত চুরির অভিযোগ সামনে আসার পর বদলে গিয়েছে ছবিটা। তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে দানবাক্সের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা বন্ধ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তার পরেই মন্দিরের দৈনিক নগদ আয়ে চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি হয়েছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ষোলো থেকে আঠারো লক্ষ টাকা সরকারি হিসাবে জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় আট লক্ষ টাকা বেশি জমা পড়ছে।সূত্রের দাবি, বিশেষ উৎসব বা বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের দিনে অনুদানের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। তবে সাধারণ দিনগুলিতেও এতদিন যে পরিমাণ অর্থ জমা পড়ত, এখন তার তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। মন্দিরের অনুদান গ্রহণের কাউন্টারগুলিতেও আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ষাট হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্কও বেড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্স থেকে নগদ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল বলেই সরকারি হিসাবে কম টাকা জমা পড়ছিল।শুধু নগদ অর্থ নয়, দানে পাওয়া সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়েও তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া সোনার কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সোনা গলিয়ে সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে, যাতে সহজে শনাক্ত করা না যায় এবং লুকিয়ে রাখা যায়।বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই মন্দিরে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দানে পাওয়া গয়না, মূল্যবান সামগ্রী, সংরক্ষণের নথি এবং সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি সরকারি টাঁকশালের সঙ্গে মন্দির কর্তৃপক্ষের লেনদেনের নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যাঙ্ক এবং সরকারি টাঁকশালে পাঠানো সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর পূর্ণাঙ্গ হিসাবও চাওয়া হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দানে পাওয়া সমস্ত সোনা ও মূল্যবান ধাতু নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংরক্ষণ বা জমা করা হয়নি। এর একটি অংশ নগদ অর্থের সঙ্গে আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়ের হিসাব প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। তবে সেই বৈঠকগুলিতে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর পরিমাণ ও সংরক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হত না বলেই তদন্তে উঠে এসেছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে পুলিশের জালে কুখ্যাত মিনি ফিরোজ! মাথায় ৩৭টি মামলা, ভোরে নাটকীয় গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে গ্রেপ্তার হল গুলশন কলোনির কুখ্যাত দুষ্কৃতী মিনি ফিরোজ ওরফে মহম্মদ ফিরোজ খান। তাঁর সঙ্গে ধরা পড়েছে ঘনিষ্ঠ সহযোগী মহম্মদ সাজিদও। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছ থেকে গুন্ডাদমন শাখার বিশেষ অভিযানে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের তপসিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে মোট সাঁইত্রিশটি মামলা রয়েছে। গুলিচালনা, বেআইনি অস্ত্র রাখা, ভয় দেখানো, দুষ্কৃতী কার্যকলাপ এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মামলা দায়ের হয়েছে। বহুবার পুলিশের নজরে এলেও তিনি গ্রেপ্তার এড়িয়ে গিয়েছিলেন।গত প্রায় এক দশক ধরে মধ্য কলকাতার গুলশন কলোনিতে মিনি ফিরোজের দাপট ছিল বলে অভিযোগ। গত বছর গুলিচালনার একটি ঘটনায় তাঁর নাম সামনে আসে। সেই সময় অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় এবং পরে দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পরও তাঁর দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ।তদন্তে উঠে এসেছে, মিনি ফিরোজ একা নয়, নিজের একটি দল নিয়েই এলাকায় সক্রিয় ছিল। সেই দলে মহম্মদ সাজিদ, মুস্তাফা-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। কসবার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গেও তাঁর বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। এতদিন সবাই গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও পুলিশের নজরদারি থেকে শেষ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি।রাজ্যে সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে চলা বিশেষ অভিযানের মধ্যেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছে অভিযান চালায় গুন্ডাদমন শাখা। সেখান থেকেই মিনি ফিরোজ এবং সাজিদকে আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে তপসিয়া থানায় একাধিক মামলা থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া মেনে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের আশা, এই গ্রেপ্তারের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
উৎসব

রথযাত্রায় ঐতিহ্যের পাশে রাজ্য, ১০০-১৫০ বছরের প্রাচীন রথ কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান; জেলাজুড়ে বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ নবান্নের

রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী রথ উৎসবগুলিকে আরও সুষ্ঠু ও জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ১০০ থেকে ১৫০ বছর বা তারও বেশি পুরনো ঐতিহ্যশালী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলার প্রশাসনের মাধ্যমে এই ধরনের ঐতিহাসিক রথযাত্রা কমিটিগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, আগামী ১৩ জুলাই এই অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদিত প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন রথযাত্রা কমিটির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে পারেন বলেও নবান্ন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, রাজ্যজুড়ে রথযাত্রা এবং উল্টোরথকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক (ডিএম)-দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, রথযাত্রা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দেশের নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও পর্যটক এই উৎসবে অংশ নেন। ফলে তাঁদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।এই উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলায় রথযাত্রার রুট এবং প্রধান জনসমাগমস্থলে সেবা শিবির (ফ্যাসিলিটেশন ক্যাম্প) গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের শিবির উল্টোরথের দিনও চালু রাখতে হবে। প্রতিটি জেলার জন্য এই শিবির পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি সেবা শিবিরে বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওআরএস প্যাকেট, প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা, তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র, প্রবীণ নাগরিক, মহিলা, শিশু এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ভক্তবান্ধব পরিষেবাও চালু করা যাবে।এছাড়াও, কোনও জেলার প্রশাসনের মতে যদি কোনও রথযাত্রা কমিটি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বিপুল জনসমাগম বা উৎসবের ব্যাপ্তির কারণে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার যোগ্য হয়, তবে বিস্তারিত কারণ উল্লেখ করে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।রথযাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উৎসবের আগেই জেলা প্রশাসনকে পুলিশ, স্বাস্থ্য দপ্তর, দমকল, পূর্ত দপ্তর, পুরসভা, পঞ্চায়েত, পরিবহণ দপ্তর, রথযাত্রা কমিটি, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকগুলিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, রথযাত্রার রুট ও সেবা শিবিরে সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচার নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনেই করতে হবে। পাশাপাশি, ভক্তদের সুবিধার জন্য শিবিরে কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কেও প্রচারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।উৎসব শেষ হওয়ার পরে প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে গৃহীত পদক্ষেপ, বরাদ্দ অর্থের ব্যবহার, কর্মসূচির আলোকচিত্র এবং সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন দ্রুত তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে জমা দিতে হবে। প্রশাসনের মতে, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রাগুলিকে সংরক্ষণ, উৎসাহ প্রদান এবং ভক্তদের আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে প্রাচীন রথযাত্রা হিসেবে সর্বাধিক স্বীকৃত হল মাহেশ রথযাত্রা।মাহেশ রথযাত্রা (হুগলি),স্থান: মাহেশ,জেলা: হুগলী,শ্রীরামপুর মহকুমা,শুরু: আনুমানিক ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ,প্রতিষ্ঠাতা: ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী (Dhrubananda Brahmachari)-এর মাধ্যমে জগন্নাথদেবের পূজার প্রচলন হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয়।বয়স: প্রায় ৬৩০ বছরেরও বেশি (২০২৬ সালের হিসেবে)।বিশেষত্ব: এটি শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, India-র অন্যতম প্রাচীন এবং Puri-র বাইরে সবচেয়ে বিখ্যাত জগন্নাথ রথযাত্রাগুলির একটি।ইতিহাসমাহেশের জগন্নাথ মন্দিরে বহু শতাব্দী ধরে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমান বিশাল কাঠের রথটি ১৯শ শতকে নতুনভাবে নির্মিত হলেও রথযাত্রার ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরোনো। প্রতি বছর লক্ষাধিক ভক্ত এই উৎসবে অংশ নেন।উল্লেখযোগ্য প্রাচীন রথযাত্রামহেশ রথযাত্রা, শ্রীরামপুর (হুগলী জেলা)(Mahesh Rath Yatra) প্রায় ৬৩০+ বছরের ঐতিহ্য।গুপ্তিপাড়া রথযাত্রা (হুগলী জেলা) Guptipara Rath Yatra প্রায় ২৭০৩০০ বছরের ঐতিহ্য; ভাণ্ডার লুঠ উৎসবের জন্য বিখ্যাত।ময়না রথযাত্রা, চিরঞ্জীবপুর (পূর্ব মেদিনীপুর) Moyna Rath Yatra কয়েক শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য।মহিষাদল রথযাত্রা, (পূর্ব মেদিনীপুর) Mahishadal Rath Yatra রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক রথযাত্রা।পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক ঐতিহাসিক রথযাত্রা হিসেবে হুগলির মাহেশ রথযাত্রা-ই স্বীকৃত। এর ইতিহাস প্রায় ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে ধরা হয়, ফলে এটি ৬০০ বছরেরও বেশি পুরোনো।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

পলাতক সুমিতকে খুঁজতে এবার বড় পদক্ষেপ! রাতভর জেরায় উঠে এল কোন নতুন সূত্র?

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় এখনও অধরা। তাঁকে খুঁজে বের করতে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে সুমিতের সম্ভাব্য যোগাযোগের সূত্র ধরে দেবরাজ চক্রবর্তীকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের আশা, এই জেরার সূত্র ধরেই পলাতক সুমিতের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রাতে দেবরাজ চক্রবর্তীকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, দেবরাজের সঙ্গে সুমিত রায়ের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সেই কারণেই দেবরাজের কাছ থেকে সুমিতের বর্তমান অবস্থান এবং তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় প্রথম সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। তাঁকে খুঁজতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। পাশাপাশি সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও তল্লাশি করা হলেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।অন্যদিকে, সম্প্রতি তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রতারণার অভিযোগে দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। বর্তমানে তিনি তদন্তকারীদের হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত সাড়ে দশটা থেকে বাগুইআটি থানায় তাঁকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।তদন্তকারীদের সন্দেহ, দেবরাজের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সুমিত রায়ের কোনও যোগ ছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে তোলাবাজির মাধ্যমে আদায় হওয়া টাকা সুমিতের কাছে পৌঁছত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। পুলিশ মনে করছে, দেবরাজের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে এই মামলার আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই কারণেই আগামী দিনেও তাঁকে ফের জেরা করা হতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal