• ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mint

টুকিটাকি

প্রতিদিনের রান্নায় রাখছেন কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনা? কোন পাতায় লুকিয়ে বেশি স্বাস্থ্যগুণ?

প্রতিদিনের রান্নায় কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ব্যবহার নতুন কিছু নয়। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি এই তিন ভেষজ পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এগুলি যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, অতিরিক্ত খাওয়া সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই গুণাগুণের পাশাপাশি সতর্কতার বিষয়টিও জানা জরুরি।কারিপাতার উপকারিতাকারিপাতা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে, বিশেষ করে ডায়াবেটিসে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে, এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে। চুল ও ত্বকের জন্যও কারিপাতা উপকারী পুষ্টি সরবরাহ করে। এছাড়া এতে লৌহ, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে।শিশু থেকে বয়স্ক, সাধারণ পরিমাণে রান্নার সঙ্গে কারিপাতা খেতে পারেন। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারাও অল্প পরিমাণে উপকার পেতে পারেন।তবে অতিরিক্ত কাঁচা কারিপাতা খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ চললে বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।ধনেপাতার উপকারিতাধনেপাতা ভিটামিন A, C ও K-এর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং শরীরে প্রদাহ কমাতে সহায়ক কিছু উপাদানও এতে থাকতে পারে।পরিষ্কার করে ধুয়ে শিশু, তরুণ ও বয়স্কসবাই পরিমাণমতো ধনেপাতা খেতে পারেন। সালাদ, চাটনি, ডাল কিংবা বিভিন্ন তরকারিতে এটি ব্যবহার করা যায়।তবে কারও কারও ধনেপাতায় অ্যালার্জি হতে পারে। এছাড়া বাজার থেকে কেনা ধনেপাতা ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা জরুরি, বিশেষ করে বর্ষাকালে।পুদিনাপাতার উপকারিতাপুদিনাপাতা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তিতে কিছু মানুষের আরাম দিতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ কমাতেও সহায়ক। গরমের দিনে পুদিনার শরবত শরীরকে সতেজ রাখে।সাধারণভাবে শিশু ও বড়রা অল্প পরিমাণে পুদিনাপাতা খেতে পারেন। চাটনি, শরবত, রায়তা কিংবা রান্নায় এটি ব্যবহার করা যায়।তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, তারা অতিরিক্ত পুদিনা খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ছোট শিশুদের খুব বেশি কাঁচা পুদিনা না দেওয়াই ভালো।ঋতুভেদে কী সতর্কতা?বর্ষাকালে ভেষজ পাতাগুলি মাটির কাছাকাছি জন্মায় বলে জীবাণু বা ময়লা থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই কয়েকবার ভালোভাবে ধুয়ে তবেই ব্যবহার করা উচিত।গরমকালে পুদিনা ও ধনেপাতা সতেজ খাবার হিসেবে জনপ্রিয় হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।শীতকালে এই পাতাগুলি সহজেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?যাদের কোনো ভেষজ পাতায় অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। যাদের দীর্ঘদিনের পেটের বিশেষ সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। এছাড়া ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করাই ভালো।সব মিলিয়ে, কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা, তিনটিই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে এগুলি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত জীবনযাপনের সঙ্গে এই ভেষজ পাতাগুলি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই, অল ইংল্যান্ড শিরোপা হাতছাড়া

অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বপ্ন এবারও অপূর্ণই থেকে গেল ভারতের। ফাইনালে উঠেও খেতাব জিততে পারলেন না ভারতের তরুণ শাটলার লক্ষ্য সেন। রবিবার (৯ মার্চ) পুরুষদের সিঙ্গলস ফাইনালে চাইনিজ তাইপেইয়ের লিন চুন ই-র কাছে হেরে যান তিনি। লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই থেকে গেল।প্রায় ৫৭ মিনিট ধরে লড়াই চলা এই ম্যাচে লক্ষ্য ১৫-২১ এবং ২০-২২ ব্যবধানে পরাজিত হন। ফলে গত ২৫ বছর ধরে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের খেতাব জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হল। অন্যদিকে, এই জয়ের মাধ্যমে লিন চুনই প্রথম চাইনিজ তাইপেই শাটলার হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টের খেতাব জিতলেন।উল্লেখ্য, চার বছর আগে অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্স-আপ হয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। চলতি বছর আবারও ফাইনালে উঠে সেই আক্ষেপ মেটানোর সুযোগ এসেছিল। আলমোড়ার ২৪ বছরের এই শাটলার ফাইনালেও লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা অধরাই থেকে যায়।এই টুর্নামেন্টে ফাইনালে ওঠার পথে লক্ষ্য সেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। তিনি বিশ্বের এক নম্বর শাটলার শি ইউ কি এবং বিশ্ব তালিকার ছয় নম্বরে থাকা লি শি ফেংকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছান। সেমিফাইনালে কানাডার ভিক্টর লেইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে পায়ের চোট নিয়েও ৯৭ মিনিট লড়াই করে জয় তুলে নেন তিনি।ভারতের ইতিহাসে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের পুরুষদের সিঙ্গলসে এখনও পর্যন্ত মাত্র দুই ভারতীয় শাটলার খেতাব জিতেছেন, প্রকাশ পাড়ুকোন (১৯৮০) এবং পুলেল্লা গোপীচাঁদ (২০০১)। এছাড়া প্রকাশ নাথ (১৯৪৭) এবং সাইনা নেহওয়াল (২০১৫) ফাইনালে উঠলেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেননি।এবার লক্ষ্য সেন ফাইনালে উঠলেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না। ফলে অল ইংল্যান্ডে ভারতের শিরোপা জয়ের অপেক্ষা এখনও অব্যাহত রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কোর্টে আর নয়! অবসর ঘোষণা করলেন সাইনা নেহওয়াল

অবশেষে প্রতিযোগিতামূলক ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানালেন সাইনা নেহওয়াল। ভারতের ব্যাডমিন্টনে প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেওয়া এই তারকা খেলোয়াড় দীর্ঘদিন ধরেই চোট-আঘাতে ভুগছিলেন। শেষ দুবছরে তাঁর শারীরিক সমস্যা এতটাই বেড়েছে যে আর কোর্টে ফেরা সম্ভব হয়নি। শেষবার ২০২৩ সালের সিঙ্গাপুর ওপেনে তাঁকে খেলতে দেখা গিয়েছিল।একটি পডকাস্টে নিজের অবসরের কথা জানিয়ে সাইনা বলেন, তিনি আসলে অনেক আগেই ব্যাডমিন্টন খেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নিজের ইচ্ছাতেই এই খেলায় এসেছিলেন, আবার নিজের ইচ্ছাতেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। আলাদা করে অবসর ঘোষণা করার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। যখন বুঝেছেন আর খেলা সম্ভব নয়, তখনই থেমে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছেন তিনি।চোটের কথা খোলাখুলিভাবেই জানান সাইনা। তিনি বলেন, তাঁর হাঁটুর কার্টিলেজ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যাও রয়েছে। বাবা-মা ও কোচদের আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে উঠছে। বিশ্বমানের খেলোয়াড় হতে গেলে দিনে আট থেকে নয় ঘণ্টা অনুশীলন প্রয়োজন, কিন্তু তিনি সেখানে দুঘণ্টার বেশি চালিয়ে যেতে পারছিলেন না। হাঁটু আর আগের মতো সঙ্গ দিচ্ছিল না বলেই কেরিয়ার থামানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।মাত্র ১৫ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে ব্যাডমিন্টনে পেশাদার কেরিয়ার শুরু করেছিলেন সাইনা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে বড় নাম। ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন তিনি। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ব্যাডমিন্টনে ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেন সাইনা নেহওয়াল।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে একটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। ২০১৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসে আবারও সোনা এবং এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন। জুনিয়র স্তরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও সোনা জিতেছিলেন সাইনা। তবে ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকের পর থেকেই হাঁটুর চোট তাঁর কেরিয়ারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে ছন্দ হারান তিনি। শেষ পর্যন্ত বুঝে যান, আর নয়। সেই সঙ্গে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের এক গৌরবময় অধ্যায়েরও পর্দা নামল।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কোর্টে আর নয়! অবসর ঘোষণা করলেন সাইনা নেহওয়াল

অবশেষে প্রতিযোগিতামূলক ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানালেন সাইনা নেহওয়াল। ভারতের ব্যাডমিন্টনে প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেওয়া এই তারকা খেলোয়াড় দীর্ঘদিন ধরেই চোট-আঘাতে ভুগছিলেন। শেষ দুবছরে তাঁর শারীরিক সমস্যা এতটাই বেড়েছে যে আর কোর্টে ফেরা সম্ভব হয়নি। শেষবার ২০২৩ সালের সিঙ্গাপুর ওপেনে তাঁকে খেলতে দেখা গিয়েছিল।একটি পডকাস্টে নিজের অবসরের কথা জানিয়ে সাইনা বলেন, তিনি আসলে অনেক আগেই ব্যাডমিন্টন খেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নিজের ইচ্ছাতেই এই খেলায় এসেছিলেন, আবার নিজের ইচ্ছাতেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। আলাদা করে অবসর ঘোষণা করার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। যখন বুঝেছেন আর খেলা সম্ভব নয়, তখনই থেমে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছেন তিনি।চোটের কথা খোলাখুলিভাবেই জানান সাইনা। তিনি বলেন, তাঁর হাঁটুর কার্টিলেজ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যাও রয়েছে। বাবা-মা ও কোচদের আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে উঠছে। বিশ্বমানের খেলোয়াড় হতে গেলে দিনে আট থেকে নয় ঘণ্টা অনুশীলন প্রয়োজন, কিন্তু তিনি সেখানে দুঘণ্টার বেশি চালিয়ে যেতে পারছিলেন না। হাঁটু আর আগের মতো সঙ্গ দিচ্ছিল না বলেই কেরিয়ার থামানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।মাত্র ১৫ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে ব্যাডমিন্টনে পেশাদার কেরিয়ার শুরু করেছিলেন সাইনা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে বড় নাম। ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন তিনি। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ব্যাডমিন্টনে ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেন সাইনা নেহওয়াল।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে একটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। ২০১৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসে আবারও সোনা এবং এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন। জুনিয়র স্তরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও সোনা জিতেছিলেন সাইনা। তবে ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকের পর থেকেই হাঁটুর চোট তাঁর কেরিয়ারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে ছন্দ হারান তিনি। শেষ পর্যন্ত বুঝে যান, আর নয়। সেই সঙ্গে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের এক গৌরবময় অধ্যায়েরও পর্দা নামল।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

Exclusive: মিলার সতীর্থদের নিয়ে ডিনার সারলেন বন্ধুর রেস্তোরাঁয়, জাপানি খাবারে মজলেন ডি কক-মার্করামরা

বৃহস্পতিবারই ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে কলকাতায় পৌঁছেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, কাল অনুশীলন সারেনি। আজ দুপুরে ইডেনে প্রোটিয়াদের অনুশীলন রয়েছে।শুক্রবার রাতে দক্ষিণ কলকাতার মিন্টো পার্কে টাকি টাকি নামে এক রেস্তোরাঁয় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গেলেন একঝাঁক প্রোটিয়া ক্রিকেটার। মেন ইন ব্লু দের মুখোমুখি হওয়ার আগে জাপানি খাবারে মজলেন তাঁরা।সান্ধ্য কলকাতায় তখন ঝিরঝিরে বৃষ্টি নেমেছে। ইডেনের সবুজ গালিচা তখন ঢাকা হয়েছে কভার দিয়ে। বৃষ্টি মাথায় নিয়েও ইডেনের গেটের সামনে লাইফ মেম্বাররা টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। ক্লাব হাউসের প্রতিটি তলাতেই টিকিট প্রত্যাশীদের ভিড়। সিএবি কর্তাদের ঘরে রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়ক থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিধায়কদের আনাগোনা।এ সব থেকে অনেকটাই দূরে, ফুরফুরে মেজাজে দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশ্বকাপের পয়েন্ট তালিকার যা পরিস্থিতি তাতে দক্ষিণ আফ্রিকার সেমিফাইনালে ওঠা প্রায় নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছে। ইডেনে ভারতকে গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে কঠিন ম্যাচের মোকাবিলা করতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থেকে কারা শেষ চারে যাবে তা ঠিক করে দেবে রবিবাসরীয় ইডেন।মাঠমুখো না হলেও স্ত্রী, বান্ধবী বা সন্তানদের নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার একঝাঁক ক্রিকেটার গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ যান মিন্টো পার্কের রেস্তরাঁটিতে। টাকি টাকি নামক রেস্তোরাঁটি জাপানি খাবারের জন্য বিখ্যাত। এই রেস্তরাঁর কর্ণধার রাজদীপ চক্রবর্তী ৭-৮ বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ডেভিড মিলারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। রাজদীপের বাবা প্রাক্তন বিধায়ক সমীর চক্রবর্তী, মা কৃষ্ণা চক্রবর্তী বিধাননগরের মেয়র।রাজদীপ জনতার কথাকে জানালেন, আইপিএলের আসরেই মিলারের সঙ্গে আলাপ। সেই থেকেই আমাদের বন্ধুত্ব, যা এখনও অটুট। আমাদের টাকি টাকি রেস্তরাঁয় সবরকম জাপানি খাবারই পাওয়া যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা এখানে আড়াই ঘণ্টা কাটিয়ে গিয়েছেন। মিলার ছাড়াও এসেছিলেন কুইন্টন ডি কক, রাসি ভ্যান ডার ডুসেন, এইডেন মার্করাম, হেইনরিখ ক্লাসেন, মার্কো জানসেন ও তাবরেজ শামসি।রবিবার ম্যাচ। ফলে সোমবারের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের রেস্তরাঁয় সময় কাটানোর ছবি বা ফুটেজ প্রকাশ করা যাবে না বলে শর্ত আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু রেস্তরাঁয় হাজির অত্যুৎসাহীদের সৌজন্যে সেই সব ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। জানা গিয়েছে, সু সি, সাশিমি-সহ প্রতিটি পদই দারুণ পছন্দ হয়েছে মিলারদের।

নভেম্বর ০৪, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

৭৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম, ব্যাডমিন্টনের বিশ্বকাপে সেরা ভারত

ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করল ভারত। ৭৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার ব্যাডমিন্টনের বিশ্বকাপে সেরার তকমা ছিনিয়ে নিল। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে কিদাম্বী শ্রীকান্তরা ৩০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছেন ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়াকে। ফেবারিটের তকমা নিয়েই এবারের টমাস কাপে খেলতে নেমেছিল ইন্দোনেশিয়া। ফাইনালে ওঠার পথে একটা ম্যাচও হারেনি। প্রচন্ড শক্তিশালী দল। ফাইনালে ওঠার পথে ভারতকে গ্রুপ লিগে চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে হারতে হয়েছিল। সেই অর্থে কিছুটা পিছিয়ে থেকেই ফাইনালে কোর্টে নেমেছিল ভারতীয় দল। কিন্তু ফাইনালে তার প্রভাব দেখা যায়নি। ফাইনালে ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে এদিন প্রথম সিঙ্গলসে কোর্টে নেমেছিলেন লক্ষ্য সেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিশ্বের ৪ নম্বর তারকা অ্যান্টনি সিনিসুকা জিনটিং। এবছর মার্চে জার্মান ওপেনে ইন্দোনেশিয়ার এই তারকাকে হারিয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। সেই জয়ই এদিন লক্ষ্যর কাছে অনুপ্রেরণার কাজ করেছিল। তাই প্রথম গেম হেরে গিয়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন লক্ষ্য। প্রথম গেমে লক্ষ্যকে দাঁড়াতেই দেননি বিশ্বের ৪ নম্বর তারকা অ্যান্টনি সিনিসুকা জিনটিং। ২১৮ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন জিনটিং। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন লক্ষ্য সেন। ২১১৭ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেম ২১১৬ পয়েন্টে জিতে ভারতকে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিশ্বের ৪ নম্বর তারকার বিরুদ্ধে লক্ষ্য সেনের জয় চাগিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় ব্যাডমিন্টন দলকে। চিরাগ শেট্টি ও সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডির কাছে টনিকের মতো কাজ করেছিল। ডাবলসে এই ভারতীয় জুটি খেলতে নেমেছিল মহম্মদ এহসান ও সুকামুলিয়োর বিরুদ্ধে। প্রথম গেমে ১৮২১ ব্যবধানে হেরে যায় চিরাগ শেট্টি ও সাত্ত্বিকসাইরাজ জুটি। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান চিরাগরা। দুর্দান্ত লড়াই করে ২৩২১ ব্যবধানে বিতীয় গেম জিতে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেমে চিরাগরা জেতেন ২১১৯ ব্যবধানে। ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত।তৃতীয় গেমে প্রতিযোগিতায় দুরন্ত ছন্দে থাকা কিদাম্বি শ্রীকান্ত কোর্টে নামেন বিশ্বের ৮ নম্বর তারকা জোনাথন ক্রিস্টির বিরুদ্ধে। প্রথম গেমে ২১১৫ ব্যবধানে জেতেন শ্রীকান্ত। দ্বিতীয় গেমে জোনাথান ক্রিস্টি প্রতিরোধ গড়ে তুললেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ২৩২১ ব্যবধানে জিতে ভারতকে প্রথমবারের মতো টমাস কাপ জেতার স্বাদ এনে দেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। ভারত ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ায় বাকি দুটি সিঙ্গলস খেলার প্রয়োজন হয়নি।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌৮ বছর পর এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে নজির সিন্ধুর

এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে আবার সিন্ধু গর্জন। ৮ বছর পর আবার পদক নিশ্চিত করলেন ভারতের মহিলাদের ১ নম্বর তারকা পি ভি সিন্ধু। ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় কোয়ার্টার ফাইনালে চীনের হে বিং জিয়াওকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছেন তিনি। সেমিফাইনালে ওঠার পথটা অবশ্য ততটা মসৃন ছিল না সিন্ধুর সামনে। ২৫ বছর বয়সী চীনের হে বিং জিয়াও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিলেন সিন্ধুকে। শেষ পর্যন্ত ১ ঘন্টা ১৬ মিনিটের লড়াইয়ে ২১৯, ১৩২১, ২১১৯ ব্যবধানে জেতেন সিন্ধু। গত ১ বছরের মধ্যে এই নিয়ে টানা তিনবার হে বিং জিয়াওয়ের বিরুদ্ধে জিতলেন তিনি। গতবছর টোকিও অলিম্পিকে চীনের এই শাটলারকে হারিয়েই ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সিন্ধু। এদিনও হে বিং জিয়াওকে হারিয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করলেন। ২০১৪ সালে শেষবার দক্ষিণ কোরিয়ার গিমচেওনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে বোঞ্জ জিতেছিলেন সিন্ধু। ৮ বছর পর আবার পদক নিশ্চিত করলেন এই ব্যাডমিন্টন তারকা। ২০১৭ সালে ইউহানে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিং জিয়াওয়ের কাছেই পরাজিত হয়েছিলেন সিন্ধু। সেই পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধও নিলেন। দুজনের মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য এখনও ৯৮ ব্যবধানে এগিয়ে বিং জিয়াও।এদিন কোয়ার্টার ফাইনালে দারুণ শুরু করেছিলেন সিন্ধু। শুরুর দিকে বিং জিয়াওকে একেবারে দাঁড়াতেই দেননি। একসময় ১১২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। মাত্র ১৩ মিনিটেই প্রথম গেম ২১৯ ব্যবধানে জিতে নেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান বিং জিয়াও। ২১১৩ ব্যবধানে জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেম জমে ওঠে। শুরুর দিকে সিন্ধুর দাপট থাকলেও পরে খেলায় ফেরেন বিং জিয়াও। এক সময় ৬১১ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে সমতা ফেরান। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। বিং জিয়াওয়ের একের পর এক আনফোর্সড এররের সুবিধা কাজে লাগিয়ে শেষপর্যন্ত ২১১৯ ব্যবধানে তৃতীয় গেম জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান সিন্ধু।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সুইৎজারল্যান্ডের বাসেলে সিন্ধু গর্জন, কী এমন করলেন এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা?

রবিবার সুইৎজারল্যান্ডের বাসেলে ঘটল সিন্ধু গর্জন। থাইল্যান্ডের বুসানন ওংবামরুঙ্গফনকে উড়িয়ে সুইস ওপেনে মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু। চলতি বছরে এটা দ্বিতীয় খেতাব সিন্ধুর। জার্মান ওপেন ও অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ালেন দেশের এই এক নম্বর মহিলা শাটলার। সুইস ওপেনের ফাইনালে জিতলেন ২১১৬, ২১৮ ব্যবধানে। এবছরের শুরুতেই সৈয়দ মোদী আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হন সিন্ধু। এবার সুইস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন। এই নিয়ে সুইস ওপেনে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেছিলেন সিন্ধু। এদিন ফাইনালে প্রতিযোগিতার চতুর্থ বাছাই বুসাননকে হারাতে সময় নেন মাত্র ৪৯ মিনিট। বুসাননের বিরুদ্ধে সিন্ধুর পরিসংখ্যান যথেষ্ট ভাল। সুইস ওপেনে মুখোমুখি হওয়ার আগে ১৬ বার সাক্ষাৎকারে ১৫ বার জিতেছিলেন সিন্ধু। ২০১৯ সালে হংকং ওপেনেই একমাত্র বুসাননের কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন সিন্ধু। সুতরাং ফেবারিট হিসেবেই এদিন ফাইনাল খেলতে নেমেছিলেন। এদিনের ফাইনালে প্রথম গেমে সিন্ধু ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপরই ঘুরে দাঁড়ান বুসানন। এসময় প্রথম গেমে ফল দাঁড়ায় ৭৭। আবার এগিয়ে যান সিন্ধু । বুসানন কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দেন সিন্ধুকে। তুল্যমূল্য লড়াই করে এক সময় ১৩১৩ করে ফেলেন। কিন্তু এরপর একের পর এক ভুল করতে থাকেন বুসানন। তাঁর সেই ভুল কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যান সিন্ধু। সিন্ধু ১৬১৩ লিড নিয়ে নেন। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন। প্রথম গেমে তবু একটু লড়াই দিয়েছিলেন বুসানন। দ্বিতীয় গেমে দাঁড়াতেই পারেননি। দ্বিতীয় গেমের শুরুতেই ৫০ ব্যবধানে এগিয়ে যান সিন্ধু। এই সময় তিনি অনেক বেশি আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলছিলেন। বিরতিতেই তিনি এগিয়ে যান ৯ পয়েন্টের ব্যবধানে। একসময় ১৮৪ ব্যবধানে এগিয়ে খেতাবের কাছাকাছি পৌঁছে যান। শেষ অবধি দ্বিতীয় গেম ২১৮ ব্যবধানে জিতে চ্যাম্পিয়ন হন সিন্ধু। মহিলাদের সিঙ্গলসে সিন্ধু চ্যাম্পিয়ন হলেও পুরুষদের সিঙ্গলসে ব্যর্থ এইচএস প্রণয়। ইন্দোনেশিয়ার জোনাথন ক্রিস্টির কাছে হেরে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায় এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার। ক্রিস্টি ২১১২, ২১১৮ ব্যবধানে প্রণয়কে হারিয়ে খেতাব জেতেন।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

সোমবার শুরু মাধ্যমিক, একগুচ্ছ ব্যবস্থা রাজ্যের

চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা আগামী সোমবার শুরু হচ্ছে। পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের মতো ঘটনা এড়াতে এবং নির্বিঘ্নে পরীক্ষার পর্ব সম্পন্ন করতে রাজ্য সরকার একগুচ্ছ ব্যবস্থা নিয়েছে। পরীক্ষার দিনগুলোতে ইন্টারনেটে প্রশ্ন ফাঁস বা অন্য সমস্যা রুখতে যে সমস্ত এলাকায় নেট সার্ভারে অনিয়ম হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে সেই এলাকাগুলোতেই বিশেষভাবে নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।পরীক্ষার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নবান্নে একপ্রস্থ বৈঠক সেরেছেন পুলিশ কর্তারা। প্রথমে ঠিক হয়েছিল পরীক্ষার দিনগুলোতে প্রশ্ন ফাঁস আটকাতে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ রাখা হবে। তবে পরে সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।আগামী ৭,৯,১১,১২ ও ১৪ তারিখ মাধ্যমিক পরীক্ষার দিনগুলোতে সকাল ১১টা থেকে দুপুর সওয়া ৩টে অবধি ইন্টারনেটে সাইবার বিশেষজ্ঞ দলের বিশেষ নজরদারি থাকবে বলে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে।এছাড়া প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরারও ব্যবস্থা থাকছে। পুলিশকেও বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় এবার অফলাইনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে।তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার হোম সেন্টারেই হবে পরীক্ষা।পরীক্ষা চলাকালীন কঠোরভাবে কোভিড বিধি নিষেধ মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে পরীক্ষার্থীদের শারীরিক দূরত্ব বিধি মেনে বসাতে বলা হয়েছে। মাস্ক ও স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্য কোনও পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে পেন, পেন্সিল, স্কেল ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গাঙ্গুলী শনিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, সব মিলিয়ে চার হাজার ১৫৪টি কেন্দ্রে ১১ লাখ ২৬ হাজার ৮৬৩ জন পরীক্ষার্থী এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। যেটা একটা রেকর্ড। এর মধ্যে ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৮০৪ জন ছাত্রী রয়েছে। সকাল পৌনে বারোটায় পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য পনেরো মিনিট সময় পাবেন। বেলা তিনটে পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। প্রশ্ন ফাঁস এড়াতে পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা পনেরো মিনিটের আগে ছাত্রছাত্রীরা কক্ষের বাইরে বের হতে পারবেন না।করোনার বাড়বাড়ন্তের কারণে গত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে অফলাইনে।৭ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ অবধি চলবে পরীক্ষা। ইতিমধ্যেই অ্যাডমিট কার্ড হাতে পেয়ে গেছেন পড়ুয়ারা। এর আগে হোয়াটসঅ্যাপে মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই এবার বিশেষভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকছে মাধ্যমিক পরীক্ষায়।

মার্চ ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌অবশেষে ট্রফির খরা কাটল পিভি সিন্ধুর, মুকুটে সৈয়দ মোদি খেতাব

ইন্ডিয়ান ওপেনের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল পিভি সিন্ধুকে। সৈয়দ মোদি আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন। মালবিকা বাঁসোদকে হারিয়ে মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন পিভি সিন্ধু। সৈয়দ মোদি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দীর্ঘদিনের ট্রফি খরা কাটালেন ভারতের এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা।ইন্ডিয়ান ওপেনে সাইনা নেহালকে ছিটকে দিয়ে চমক দেখিয়েছিলেন মালবিকা বাঁসোদ। কিন্তু সৈয়দ মোদি আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় পিভি সিন্ধুর সামনে দাঁড়াতেই পারলেন না মালবিকা। মাত্র ৩৫ মিনিটেই তাঁকে হারিয়ে খেতাব জিতে নিলেন পিভি সিন্ধু। ম্যাচের ফল ২১১৩, ২১১৬।ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল সিন্ধুর। প্রথম গেমে একসময় ১১১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপর মালবিকা কিছুটা খেলায় ফিরলেও তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন পিভি সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ান মালবিকা। তবে সিন্ধুর সামনে তা যথেষ্ট ছিল না। একসময় ১৩৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান সিন্ধু। ব্যবধান কমিয়ে ২০১৫ করে ফেলেন মালবিকা। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যান সিন্ধু। মহিলাদের সিঙ্গলসে সিন্ধু চ্যাম্পিয়ন হলেও পুরুষদের সিঙ্গলসের ফাইনাল ঘিরে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল আর্নন্ড মার্কলে ও লুকাস ক্লেয়ারবাউটের। এদের মধ্যে একজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যজন করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন। ফলে রবিবার ফাইনাল বাতিল করা হয়। এই পরিস্থিতিতে কাকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। পুরুষদের সিঙ্গলসের বিজয়ীর ব্যাপারে আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন সংস্থা পরে সিদ্ধান্ত নেবে। মিক্সড ডাবলসে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারতের ইশান ভাটনগর ও তানিশা ক্রাস্টোর জুটি। ফাইনালে এই জুটি ২১১৬, ২১১২ ব্যবধানে হারিয়েছে ভারতের টি হেমা নগেন্দ্র ও শ্রীবেদ্য জুটিকে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

World Badminton Championship : ‌বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ইতিহাস গড়লেন কিদাম্বি শ্রীকান্তের

বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে দেশবাসীকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। সুযোগ ছিল সোনা জিতে ইতিহাস তৈরি করার। কিন্তু সেই সুযোগ হাতছাড়া করলেন এই ভারতীয় শাটলার। সিঙ্গাপুরের লো কিন ইউএর কাছে হেরে প্রথম ভারতীয় পুরুষদের হিসেবে বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল কিদাম্বি শ্রীকান্তের। তবে রুপো জিতে ইতিহাস তৈরি করেছেন তিনি। শ্রীকান্তের আগে কোনও ভারতীয় পুরুষ ব্যাটমিন্টন তারকা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে পারেননি।এবছর ব্যাডমিন্টনের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে একজন ভারতীয়র ওঠা নিশ্চিত ছিল। সেমিফাইনালে লক্ষ্য সেনের মুখোমুখি হয়েছিলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছিল শ্রীকান্তকে। তাঁর বিরুদ্ধে দারুণ শুরু করেছিলেন লক্ষ্য। প্রথম গেম ২১১৭ ব্যবধানে জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমেও একসময় এগিয়েছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ২১১৪ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন শ্রীকান্ত। তৃতীয় গেমে ২১১৭ ব্যবধানে জিতে প্রথম ভারতীয় হিসেবে ফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস গড়েন শ্রীকান্ত।ফাইনালে লো কিন ইউয়ের বিরুদ্ধে ভাল শুরু করেছিলেন শ্রীকান্ত। প্রথম গেমে একসময় ১১৭ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। এরপর খেলায় ফেরেন লো কিন ইউ। সমতা ফিরিয়ে আস্তে আস্তে এগিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ২১১৫ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমে লড়াই দারুণ জমে ওঠে। শুরুর দিকে এগিয়ে ছিলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। একসময় তাঁর পক্ষে ফল ছিল ৯৮। দুরন্ত নেট প্লেতে বিব্রত করছিলেন লো কিনকে। অন্যদিকে দীর্ঘ র্যালিতে শ্রীকান্তকে ক্লান্ত করে দেন কিন। সমতা ফিরিয়ে ১৪১৪ করেন লো কিন ইউ। আবার ১৬১৪ পয়েন্টে এগিয়ে যান শ্রীকান্ত। তবে শেষরক্ষা করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২২২০ ব্যবধানে জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা দখল করেন লো কিন ইউ।ফাইনালে হারলেও রুপো জিতে ইতিহাস গড়লেন শ্রীকান্ত। এর আগে পুরুষদের বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন প্রকাশ পাড়ুকোন ও সাই প্রণীত। এবছর শ্রীকান্তের কাছে হেরে ব্রোঞ্জ জিতেছেন লক্ষ্য সেন। তবে এদের সকলের কৃতিত্বকে ছাপিয়ে গেছেন পিভি সিন্ধু। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ২০১৯ সালে বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতেছিলেন। এই কৃতিত্ব অন্য কোনও ভারতীয় শাটলারের নেই।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : ‌কাঁটা সেই তাই জু, ব্যাডমিন্টনের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ থেকে বিদায় সিন্ধুর

তাই জু যেন কাঁটা কিছুতেই সরাতে পারছেন না ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকা পি ভি সিন্ধু। টোকিও অলিম্পিকের সেমিফাইনালে এই তাই জুর কাছেই হেরে রুপো জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল ভারতের ১ নম্বর মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকার। এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেও ছিটকে যেতে হল তাই জুর কাছে হেরে। খেতাব ধরে রাখার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল সিন্ধুর। তাইওয়ানের শাটলার তাই জু ২১১৭, ২১১৩ ব্যবধানে সিন্ধুকে হারিয়ে পৌঁছে গেলেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে।ম্যাচের শুরু থেকেই তাই জুর আধিপত্য ছিল। প্রথমে ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। একসময় তাই জুর পক্ষে ফল ছিল ১১৬। পরে সিন্ধু ব্যবধান কিছুটা কমিয়ে নিয়ে আসেন। ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৩ পয়েন্টের। শেষ পর্যন্ত ২১১৭ পয়েন্টে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন তাই জু। দ্বিতীয় গেমে একসময় দারুণ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল। ফল ছিল ১২১২। সেখান থেকে আস্তে আস্তে ব্যবধান বাড়াতে থাকেন তাই জু। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান তাইওয়ানের এই শাটলার। এই নিয়ে টানা ৫ বার তাই জুর কাছে হারলেন সিন্ধু। দুজনে মোট মুখোমুখি হয়েছেন ২০ বার। এর মধ্যে তাই জু জিতেছেন ১৫ বার। পি ভি সিন্ধু জিতেছেন ৫ বার।সিন্ধু বিদায় নিলেও পদক জয় নিশ্চিত করলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত ও লক্ষ্য সেন। পুরুষদের সিঙ্গলসের কোয়ার্টার ফাইনালে হল্যান্ডের মার্ক ক্যালজাউকে ২১৮, ২১৭ ব্যবধানে উড়িয়ে পৌঁছে গেলেন সেমিফাইনালে। এই প্রথম ক্যালজাউয়ের বিরুদ্ধে কোর্টে নেমেছিলেন শ্রীকান্ত। অচেনা প্রতিপক্ষ হলেও দারুণ দাপট দেখান এই ভারতীয় শাটলার। প্রথম গেমে একসময় ১১৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান। ব্যবধান ধরে রেখে ২১৮ ব্যবধানে শেষ পর্যন্ত প্রথম গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমেও একইরকম দাপট ছিল শ্রীকান্তের। ১১৩ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ২১৭ পয়েন্টে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান। অন্যদিকে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে চিনের জুন পেং ঝাউকে ২১১৫, ১৫২১, ২২২০ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন লক্ষ্য সেন।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌PV Sindhu : প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধু

টোকিও অলিম্পিকে দেশকে পদক এনে দিলেন পিভি সিন্ধু। চীনের হে বিং জিয়াংকে ২১১৩, ২১১৫ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতলেন। অলিম্পিকে প্রথম ভারতীয় মহিলা খেলোয়াড় হিসেবে ব্যক্তিগত বিভাগে দুদুটি পদক জিতে ইতিহাস গড়লেন সিন্ধু। সেমিফাইনালে বিশ্বের একনম্বর তারকা তাই জুর কাছে হেরে গিয়েছিলেন। সেমিফাইনালে হারলেও পদক জয়ের সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যায়নি পিভি সিন্ধুর। ব্রোঞ্জের সম্ভাবনা ছিল। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ের এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার প্রতিপক্ষ ছিল হে বিং জিয়াও। অলিম্পিকে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামার আগে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে হে বিং জিয়াও এগিয়ে ছিলেন। এর আগে এই দুই শাটলার মুখোমুখি হয়েছিলেন ১৫ বার। বিং জিয়াও জিতেছিলেন ৯ বার, আর সিন্ধু জিতেছিলেন ৬ বার। অলিম্পিকে জিতে পরিসংখ্যান কিছুটা উন্নত করলেন সিন্ধু।আরও পড়ুনঃ স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারেরপ্রথম গেমের শুরুতেই হে বিং জিয়াওয়ের বিরুদ্ধে ৪০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিলেন পিভি সিন্ধু। সেখান থেকে সমতা ফেরান চীনের এই তারকা। একসময় ম্যাচের ফল ছিল ৮৮। এরপর ম্যাচের ওপর আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন পিভি সিন্ধু। পরপর ৬ পয়েন্ট তুলে নিয়ে ১৪৮ ব্যবধানে এগিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ পয়েন্টে প্রথম গেম জিতে নেন সিন্ধু। সেমিফাইনালে তাই জুর বিরুদ্ধে যে যে ভুল করেছিলেন এই ভারতীয় শাটলার, এদিন প্রথম গেমে সেই ভুল গুলি শুধরে নেন। স্ম্যাশ, নেট প্লে, ড্রপ শট নেওয়ার ক্ষেত্রে দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দেন। দ্বিতীয় গেমেও সিন্ধু ধারবাহিকতা দরে রেখেছিলেন। দারুণ শুরু করে ৪১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। কিন্তু দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন চীনের হে বিং জিয়াও। ১১৮ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় স্কোর ১১১১ করেন। সেখান থেকে আবার ম্যাচে এগিয়ে যেতে থাকেন সিন্ধু। শেষ পর্যন্ত ২১১৫ পয়েন্টে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন এইই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। আরও পড়ুনঃ স্ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাপ্রথম ভারতীয় মহিলা খেলোয়াড় হিসেবে অলিম্পিকে ব্যক্তিগত বিভাগে দুদুটি পদক জয়ের কৃতিত্ব দেখালেন পিভি সিন্ধু। আর ভারতীয় হিসেবে দ্বিতীয়। তাঁর আগে এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন কুস্তিগীর সুশীল কুমার। তিনি ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে একধাপ ভাল করে রুপো জিতেছিলেন। অন্যদিকে পিভি সিন্দু ২০১৬ রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন।

আগস্ট ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic: সেমিফাইনালেও পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে পিভি সিন্ধুর

টোকিও অলিম্পিকের সেমিফাইনালে বিশ্বের এক নম্বর তারকা চাইনিজ তাইপের তাই জু-র কাছে হেরে গেলেন ভারতের পিভি সিন্ধু। সেমিফাইনালে হারলেও পদক জয়ের সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যাচ্ছে না সিন্ধুর। রবিবার ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে চিনের হি বিংজিয়াওর মুখোমুখি হবেন ভারতের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শাটলার।সেমিফাইনালে চাইনিজ তাইপের তাই জু-র বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও প্রথম গেম হারেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে সিন্ধুকে দাঁড়াতে দেননি তাই জু। স্ট্রেট গেমে ম্যাচ হারেন হায়দরাবাদি শাটলার। সিন্ধুর বিরুদ্ধে চাইনিজ তাইপের ২৭ বছর বয়সী তাই জু জিতেছেন ২১-১৮, ২১-১২ পয়েন্টের ব্যবধানে। এর ফলে টোকিও অলিম্পিকে সিন্ধুর রুপো বা সোনা জয়ের স্বপ্নে ইতি ঘটেছে। যদিও ব্রোঞ্জ জয়ের সম্ভবনা রয়েছে।ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্তভাবেই করেন পিভি সিন্ধু। প্রথম গেমে চাইনিজ তাইপেই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পয়েন্টের ব্যবধান বাড়িয়েও নিয়েছিলেন ভারতীয় শাটলার। একটা সময় ৯-৬ এবং ১১-৮ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন পিভি। অভিজ্ঞতায় ভর করে সেখান থেকেই ম্যাচে ফিরতে শুরু করেন তাই জু। ১৪-১৪ হয়ে যাওয়ার পর প্রথম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। কখনও ভারতীয় শাটলার এগোচ্ছিলেন তো কখনও টেক্কা দিচ্ছিলেন বিশ্বের এক নম্বর শাটলার। ১৮-১৮ হওয়ার পর গেমে সিন্ধুকে আর ফিরতে দেননি তাই জু-ইং। ২১-১৮ ব্যবধানে তিনি প্রথম গেম জেতেন।দ্বিতীয় গেমে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন তাই জু। কোর্টের নানা প্রান্তে ছোট ছোট চকিত শট খেলে পিভি সিন্ধুকে নাজেহাল করতে থাকেন চাইনিজ তাইপেইয়ের শাটলার। মাঝে বেশ কয়েকবার রণনীতি পরিবর্তন করেন ভারতীয় তারকা। তাই জু-ইংয়ের ছন্দ কাটতে আক্রমণাত্মক ঢঙে খেলা শুরু করেন পিভি। কিন্তু সব কিছুরই জবাব ছিল চাইনিজ তাইপেই শাটলারের কাছে। দ্বিতীয় গেমে একটা সময় ৪-৫ পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন সিন্ধু। এরপর ৪-৭, ৫-৭ থেকে ৭-১১ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েন ভারতের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। একটা সময় সিন্ধুর থেকে ১৬-৯ পয়েন্টে এগিয়ে যান চাইনিজ তাইপেইয়ের শাটলার। সেখান থেকে কোনও মতে আরও তিন পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হন পিভি। সবশেষে ২১-১২ পয়েন্টের ব্যবধানে সেমিফাইনাল জিতে যান বিশ্বের এক নম্বর শাটলার। সেমিফাইনালে জাজমেন্টে অনেক ভুল করেন পিভি সিন্ধু। আবার নিজের দুর্দান্ত অনুমান ক্ষমতা প্রয়োগ করে সিন্ধু মারা শটের আনফোর্সড এরর থেকেও পয়েন্ট অর্জন করেন তাই জু। সেমিফাইনাল হেরে গেলেও পিভি টোকিও অলিম্পিকে পিভি সিন্ধুর লড়াইয় মুগ্ধ করেছে দেশের ক্রীড়া জগতকে।

জুলাই ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sindhu: টোকিও অলিম্পিকে সিন্ধুগর্জন, পৌঁছে গেলেন পদকের আরও কাছে

টোকিও অলিম্পিকে ভারতীয় নারী শক্তির দাপট। ভারোত্তোলনে পদক জিতে দেশে ফিরে এসেছেন মীরাবাই চানু। বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাইয়ের বক্সিংয়ে পদক নিশ্চিত করেছেন। এবার পদকের দিকে পিভি সিন্ধুও অনেকটাই এগিয়ে গেলেন।২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকের রুপোজয়ী ভারতীয় শাটলার সিন্ধু এদিন কোয়ার্টার ফাইনালে হারালেন চতুর্থ বাছাই জাপানের আকানে ইয়ামাগুচিকে। সিন্ধু জেতেন ২১-১৩, ২২-২০ ব্যবধানে। এদিনের আগে ১৮টি সাক্ষাতেই ইয়ামাগুচি পরাস্ত হয়েছিলেন সিন্ধু কাছে। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না।বিশ্বের ষষ্ঠ বাছাই সিন্ধু প্রথম গেমে আগাগোড়া দাপট বজায় রাখেন। ইয়ামাগুচিও যথেষ্ট ভালোই টক্কর দিচ্ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার সঙ্গে। কিন্তু সিন্ধুর সঙ্গে পেরে উঠছিলেন না। ২৩ মিনিটে প্রথম গেম জিতে নেন ২১-১৩ ব্যবধানে। দ্বিতীয় গেমের প্রথম দিকেও সমানে সমানে টক্কর দিতে থাকেন ইয়ামাগুচি। কিন্তু অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সিন্ধু দাপট দেখাতে থাকেন। দ্বিতীয় গেমের মাঝামাঝি অবস্থাতেও সিন্ধু এগিয়ে ছিলেন ১১-৬ ব্যবধানে। এরপর দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসে সমতা ফেরান ইয়ামাগুচি। ১৫-১৫ করে ফেলেন ইয়ামাগুচি, পরে এগিয়েও যান। যদিও স্নায়ুযুদ্ধ জিতে শেষ হাসি হাসেন সিন্ধু। খেলার ফল ২১-১৩, ২২-২০। ৩১ জুলাই তাঁর সেমিফাইনাল ম্যাচ। তবে শীর্ষ বাছাইয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে না সেমিফাইনালে।

জুলাই ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Shindhu : পদকের দিকে আরও একধাপ এগোলেন সিন্ধু

টোকিও অলিম্পিক থেকেও কি পদক নিয়ে ফিরবেন পিভি সিন্ধু? সেই সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল হল। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে ডেনমার্কের মিয়া ব্লিচফেল্ডকে হারিয়ে পৌঁছে গেলে মহিলাদের সিঙ্গলসের কোয়ার্টার ফাইনালে। শেষ আটে সিন্ধুর সামনে জাপানের ইয়ামাগুচি।অলিম্পিক অভিযানে নামার পর থেকেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন দারুণ ছন্দে রয়েছেন। পিভি সিন্ধুর ঝড়ে প্রথম ম্যাচেই উড়ে গিয়েছিলেন ইজরায়েলের কেসিনিয়া পোলিকারপোভা। হংকংয়ের এনগান চেয়াংকে গ্রুপ লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে হারিয়ে পৌঁছে যান প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে। ডেনমার্কের মিয়া ব্লিচফেল্ড একেবারেই অপরিচিত প্রতিপক্ষ ছিলেন না। এর আগে দুজনে দুবার মুখোমুখি হয়েছিলেন। দুজনেই ১টি করে ম্যাচ জিতেছিলেন। অলিম্পিকের প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে জিতে এগিয়ে গেলেন পিভ সিন্ধু।গ্রুপ লিগের মতো সহজ প্রতিপক্ষ ছিল না প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে। যথেষ্ট লড়াই করে প্রথম গেম জিততে হয় পিভি সিন্ধুকে। যদিও প্রথম গেমের শুরুতেই ২০ পয়েন্টে এগিয়ে যান ব্লিচফেল্ড। সেখান থেকে সমতা ফিরিয়ে ক্রমশ আধিপত্য বিস্তার করতে থাকে। একসময় ১৩৬ ব্যবধানে এগিয়ে যান সিন্ধু। এরপরই ছন্দ হারান এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। সেই সুযোগে পরপর পরপর ৫ পয়েন্ট তুলে নিয়ে স্কোর ১৩১১ করে ফেলেন ব্লিচফেল্ড। প্রথম গেমের শেষদিকে লড়াই দারুণ জমে ওঠে। সিন্ধুকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়েননি ডেনমার্কের তারকা। তবে ১৬১৫ অবস্থা থেকে ব্লিচফেল্ডকে আর কোনও সুযোগ দেননি সিন্ধু। স্নায়ুচাপ ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত ২১১৫ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা।প্রথম গেম জিতে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল পিভি সিন্ধুর। দ্বিতীয় গেমের শুরু থেকেই অনেক বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। রীতিমতো দাপট দেখিয়ে ৫০ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপর প্রথম পয়েন্ট পান ব্লিচফেল্ড। তবে সিন্ধুকে খুব বেশি চাপে ফেলতে পারেননি। দ্বিতীয় গেমেও আধিপত্য রেখে এগিয়ে যান। তবে ১২৭ অবস্থায় সিন্ধুর পরপর কয়েকটা আনফোর্সড এররের সুযোগে ৯১৩ করে ফেলেন ব্লিচফেল্ড। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যান সিন্ধু। রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। টোকিও থেকে সোনা নিয়ে আসার স্বপ্ন। স্বপ্নপূরণের দিকে আরও একধাপ এগোলেন।

জুলাই ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধু

গ্রুপ লিগে দুটি ম্যাচেই জয়। অলিম্পিকে মহিলাদের ব্যাডমিন্টনের সিঙ্গলসে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেন পিভি সিন্ধু। পদক জয়ের পথে এগোলেন আরও একধাপ। পিভি সিন্ধু গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার ঝড়ে উড়ে গিয়েছিলেন ইজরায়েলের কেসিনিয়া পোলিকারপোভা। জে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচেও ছন্দ ধরে রাখলেন। সিন্ধু এদিন চেয়াংকে হারালেন ২১৯, ২১১৬ ব্যবধানে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএনগান চেয়াংয়ের পক্ষে খুব বেশি প্রতিরোধ করার সুযোগ ছিল না। প্রথম গেমে এদিন চেয়াংকে দাঁড়াতেই দেননি। শুরু থেকেই ম্যাচে লিড নিতে থাকেন সিন্ধু। একসময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপর আস্তে আস্তে লিড বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত ২১৯ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরেন এনগান চেয়ুং। সিন্ধুর সঙ্গে সমানে সমানে লড়াই করতে থাকেন। একসময় ৬২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন সিন্ধু। সেখান থেকে টানা ৫ পয়েন্ট তুলে নিয়ে ৭৬ ব্যবধানে এগিয়ে যান চেয়ুং। দ্বিতীয় গেমের শেষ দিকে লড়াই দারুণ জমে ওঠে। কখনও এগিয়ে যান চেয়ুং, কখনও আবার সিন্ধু। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যান বিশ্বে ৬ নম্বর এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াগ্রুপের প্রথম ম্যাচে ইজরায়েলের কেসিনিয়া পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচেও সহজ জয়। গ্রুপ লিগে সহজ প্রতিপক্ষ পেলেও এবার আসল লড়াই কোয়ার্টার ফাইনালে। তবে পদক জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করলেন পিভি সিন্ধু। রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। টোকিও থেকে সোনা নিয়ে আসার স্বপ্ন। স্বপ্নপূরণের দিকে আরও একধাপ এগোলেন।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Badminton : গ্রুপ লিগে শেষ ম্যাচ জিতেও বিদায় সাত্ত্বিকসাইরাজ ও চিরাগ জুটির

গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে জিতেও শেষরক্ষা হল না। টোকিও অলিম্পিকে ব্যাডমিন্টনে পুরুষদের ডাবলস থেকে ছিটকে যেতে হল এই ভারতীয় জুটিকে। কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি। গ্রুপ লিগে চাইনিজ তাইপে, ইন্দোনেশিয়া ও ভারত দুটি করে ম্যাচ জিতলেও বেশি সেট জেতার ব্যাপারে পিছিয়ে থাকায় বিদায় নিতে হলে ভারতীয় জুটিকে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলেরগ্রুপ লিগে অবশ্য দারুণভাবে শুরু করেছিল সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি জুটি। গ্রুপ এতে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই উড়িয়ে দিয়েছিল বিশ্ব ডাবলস র্যাঙ্কিংয়ে তিন নম্বরে থাকা চাইনিজ তাইপের ইয়াং লি এবং চিলিন ওয়াং জুটিকে। গ্রুপ লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্বের ১ নম্বর জুটি ইন্দোনেশিয়ার মার্কাস ফার্নাল্ডো গিডেয়োন ও কেভিন সঞ্জয়া সুকামুলজো বিরুদ্ধে আত্মবিশ্বাস নিয়েই কোর্টে নেমেছিল। কিন্তু পেরে উঠেননি। হারতে হয় ২১১৩, ২১১২ ব্যবধানে।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াগ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচ ছিল গ্রেট ব্রিটেনের বেন লেন ও সিন ভেন্ডির বিরুদ্ধে। শুরু থেকেই ম্যাচে দাপট দেখাতে থাকে সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি জুটি। প্রথম সেটে একসময় অনেকটা এগিয়েও যায়। পরের দিকে বেন লেন ও সিন ভেন্ডি খেলায় ফেরেন। ব্যবধান কমালেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ২১১৭ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমে অবশ্য লড়াই বেশ জমে উঠেছিল। কখনও এগিয়ে যায় ভারতীয় জুটি, কখনও আবার গ্রেট ব্রিটেনের জুটি। তবে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত ২১১৯ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেয় সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি জুটি।আরও পড়ুনঃ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারতজিতেও হতাশ হতে হল ভারতীয় জুটিকে। কারণ চাইনিজ তাইপের লি ইয়ং এবং ওয়াং চি লিন বিশ্বের ১ নম্বর জুটি ইন্দোনেশিয়ার মার্কাস ফার্নাল্ডো গিডেয়োন ও কেভিন সঞ্জয়া সুকামুলজোকে হারায়। চাইনিজ তাইপে, ইন্দোনেশিয়া ও ভারতীয় জুটির পয়েন্ট সমান হয়ে যায়। বেশি সেট জেতায় চাইনিজ তাইপের জুটি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছে। ভারতীয় ব্যাডমিন্টনে এখন পদকের আশা শুধু পিভি সিন্ধুর।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic Medal Winner: মাত্র ৩৬-এই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত ব্যাডমিন্টন তারকা কিডো

ইউরো কাপে ডেনমার্কের তারকার আচমকা হৃদরোগে আক্রান্তু হওয়ার ঘটনায় আঁতকে উঠেছিল বিশ্ববাসী। সেই রেশ কাটতে না কাটতে খেলার দুনিয়ায় ফের নামল শোকের ছায়া। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই প্রাণ হারালেন অলিম্পিক পদকজয়ী ব্যাডমিন্টন তারকা মার্কিস কিডো। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে স্তম্ভিত সকলেই। স্বাভাবিকভাবেই শোকাহত ব্যাডমিন্টন জগতের রথী-মহারথীরা। অনেকেই টুইটারে শোক প্রকাশ করেছেন। কিডোর পার্টনার হিসেবে খেলার সুযোগ হয়েছিল ভারতীয় শাটলার জোয়ালা গুট্টারও। সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে কিডোর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন তিনি। টুইটারে শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা প্রণয়, সত্বিক সাইরাজ, অজয় জয়রাম-সহ আরও অনেকে।It was an absolute honour ❤️🙏🏻#RIP MARKIS KIDO pic.twitter.com/k7aOIw5i7n Gutta Jwala (@Guttajwala) June 14, 2021সোমবার সন্ধেয় সাড়ে ৭টা নাগাদ টুইট করে ইন্দোনেশিয়ার তারকা মৃত্যু সংবাদ দেয় বিশ্ব ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন (BWF)। যদিও তাঁর আগে থেকেও কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল কিনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি ফেডারেশন।অত্যন্ত অল্প বয়সেই ব্যাডমিন্টনের ব়্যাকেট হাতে নজর কেড়েছিলেন কিডো। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকে হেন্ড্রার সঙ্গে জুটি বেঁধে ডাবলসে সোনা জেতেন তিনি। ঠিক তার আগের বছরই কুয়ালালামপুরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পুরুষ ডাবলসে সেরার শিরোপা পান কিডো। সেখানেও সঙ্গী ছিলেন হেন্ড্রা। এর পাশাপাশি ২০০৬ ব্যাডমিন্টন বিশ্বকাপেও পেয়েছিলেন চূড়ান্ত সাফল্য। সোনায় মোড়ানো ছিল তাঁর সাফল্যের ইতিহাস। এশিয়ান গেমসেও ডাবলসে সোনা জয়ের নজির রয়েছে ইন্দোনেশিয়ান তারকার। এমন একজন প্রতিভাবান শাটলারকে যে এত অল্প বয়সে হারাবে ব্যাডমিন্টনের দুনিয়া, তা কল্পনাও করা যায়নি।

জুন ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

করোনা আক্রান্ত দীপিকা পাড়ুকোন, সংক্রমিত গোটা পরিবারও

বলিউডে আরও ভয়াবহ করোনা চিত্র। এবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। মঙ্গলবার সকালেই খবর মিলেছিল, দীপিকার বাবা, প্রাক্তন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় প্রকাশ পাড়ুকোন কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। সন্ধেবেলাই দীপিকার করোনা সংক্রমণের দুঃসংবাদ এল। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুর বাড়িতে থাকা দীপিকার শরীরেও মারণ করোনা ভাইরাস হানা দিয়েছে। মৃদু উপসর্গ নিয়ে আপাতত তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, সপ্তাহখানেক আগে দীপিকার বাবা প্রকাশ, মা উজ্জ্বলা এবং ছোট বোন অনিশার করোনা উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। সকলের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ হয়। তাঁরা সকলেই হোম আইসোলেশনে ছিলেন। প্রকাশ পাড়ুকোনের জ্বর না কমায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে এবার দীপিকার করোনা সংক্রমিত হওয়ার খবরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, গত মাসে মুম্বই থেকে বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন দীপিকা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী অভিনেতা রণবীর কাপুরও। দীপিকা নিজের পরিবারের সঙ্গে কয়েকদিন থাকতে চেয়েছিলেন। তবে তা খুব একটা আনন্দদায়ক হল না। পরিবারের সকলেই পড়লেন করোনার কবলে। এই মুহূর্তে দীপিকার হাতে বলিউডের বেশ কিছু কাজ রয়েছে। কিন্তু তিনি আচমকা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেসব কাজই অনেকটা পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। যদিও খবর, এখনও পর্যন্ত দীপিকার তেমন গুরুতর অসুস্থতা নেই। তাই বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। প্রিয় নায়িকার এই অবস্থার কথা জানতে পেরে মুষড়ে পড়েছেন অনুরাগীরা। সকলেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তবে এই মুহূর্তে রণবীর কেমন আছেন, তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি।

মে ০৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডেনে মোদীর জন্য ‘হোম’ ড্রেসিংরুম, শুভেন্দু'র ‘অ্যাওয়ে’! ১০ হাজার শিল্পীর অনুষ্ঠান, সাজছে ক্রিকেটের নন্দনকানন

কলকাতা: ইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে তুঙ্গে তৎপরতা। সূত্র মারফত জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের হোম ড্রেসিংরুমযে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য রাখা হবে অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম। দুই ড্রেসিংরুমের মাঝখানের মাঠে যাওয়ার কমন পথটিও থাকবে ব্যবহারের উপযোগী।দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকছে ড্রেসিংরুম দুটির সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত। ড্রেসিংরুমে আহার-সহ আপ্যায়নের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ড্রেসিংরুমের সামনের লনেই।মাঠের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য মাঠের ভিতরে প্রায় ১২ ফুট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঘাসের ক্ষতি না করেই যাবতীয় কাজ করার পরিকল্পনা। সামান্য বদল আসতে পারে শুধু ঘাসের রঙে।অনুষ্ঠান চলাকালীন গল্ফ কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চের উপর থাকবে ছাউনি। ইডেনের বিভিন্ন ব্লকে চেয়ার সরিয়ে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ইডেন উদ্যান থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার সাংস্কৃতিক শিল্পী। তাঁদের পারফরম্যান্সের জন্য ইডেনের উল্টো দিকে থাকা মাঠ এবং নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া ব্যবস্থা। ৯ অক্টোবর অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় ইডেনের ক্লাব হাউস কার্যত সিল করে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, প্রায় তিন ঘণ্টা ক্লাব হাউসের গতিবিধিতে থাকবে কড়া নিয়ন্ত্রণ। গোটা অনুষ্ঠান চলবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।এদিকে, ক্লাব হাউসে সিএবির আধিকারিকদের উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পাঁচ অফিস বেয়ারার, সিইও এবং সিএও যাতে ক্লাব হাউসে থাকতে পারেন, তার জন্য এসপিজির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অন্তত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতির অনুমতি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ রাখা হয়েছে।সিএবির অ্যাফিলিয়েট সদস্যদের জন্যও বিশেষ বন্দোবস্তের আবেদন করা হয়েছে। অন্তত প্রতিটি ক্লাব থেকে দুজন করে যাতে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল তৈরির কাজ থেকে শুরু করে নৈশালোকের বন্দোবস্তসব ক্ষেত্রেই সিএবির তরফে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর ইডেনের ১৪ নম্বর গেটের কাছে কনফারেন্স রুমে অস্থায়ী অফিস তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে আসা তারকা শিল্পীদের সেখানে অথবা কর্পোরেট বক্সে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ইডেনের সাজসজ্জা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে আসবে পূর্ত দফতর (PWD)। মাঠ, মঞ্চ, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাসব দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বাইরের এক অন্য ভূমিকায় এবার সেজে উঠতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননেই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হতে চলেছে এক বর্ণময়, বিশাল আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

নেপালের বিপর্যয়ে চারপেয়ে ত্রাতা! ভারতের সাম্বার নাকেই মিলল ২০টি দেহের সন্ধান

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের পরিজনেরা। কিন্তু উদ্ধারকাজ এখনও থামেনি। কাদামাটি, ভেঙে পড়া বাড়ির অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজে চলেছেন নেপালের সেনা, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে প্রশিক্ষিত সারমেয় বাহিনীও।তাদের মধ্যেই অন্যতম সাম্বা। ল্যাব্রাডর প্রজাতির এই সারমেয় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষিত সারমেয় দলের সদস্য। তবে সাম্বার সঙ্গে ভারতেরও যোগ রয়েছে। নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই তাকে আনা হয়েছিল। পরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে উদ্ধারকাজের উপযোগী করে তোলা হয়।মানুষের দেহের গন্ধ শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বার করাই সাম্বার মূল দায়িত্ব। সেই দায়িত্বই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে সে। রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সাম্বার দেওয়া সংকেতের ভিত্তিতে ২০টি দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু কী ভাবে এত নিখুঁত ভাবে কাজ করে সাম্বা? তার প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বক্তব্য, সাম্বা ধ্বংসস্তূপের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেত এবং মাটি শুঁকত। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলে আচমকাই থেমে যেত সে। এরপর জোরে ডাকতে শুরু করত। সেটিই ছিল তার হ্যান্ডলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।সাম্বার সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই জায়গায় পৌঁছে মাটি খুঁড়ে দেখতেন। অনেক সময় সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে দেহ। সাম্বার কাজের সময় সবসময় তার সঙ্গে থাকেন এক জন প্রধান হ্যান্ডলার এবং এক জন সহযোগী। দুজনই নিরাপত্তারক্ষী। সাম্বার আচরণের অর্থ বুঝে সঠিক জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করাই তাঁদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সাম্বা সবসময় একই ভাবে সংকেত দেয় না। কখনও হাঁটতে হাঁটতে আচমকা থেমে যায়। কখনও কোনও নির্দিষ্ট জায়গার চারপাশে বার বার ঘুরতে থাকে। আবার কখনও মাটিতে বসে পড়ে পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তার প্রতিটি আচরণই আসলে একটি সংকেত। সেই সংকেতের অর্থ বুঝতে পারেন শুধু তার সঙ্গে কাজ করা হ্যান্ডলার এবং সহযোগী।এই ভাবেই কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে সাম্বা। নিখোঁজদের সন্ধানে তার ভূমিকা এখন নেপালের উদ্ধারকারী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী সাম্বার মতো আরও পাঁচটি প্রশিক্ষিত সারমেয়কে উদ্ধারকাজে নামিয়েছিল। পাশাপাশি নেপাল সেনার তরফেও আরও ছটি সারমেয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ যত দীর্ঘ হচ্ছে, প্রশিক্ষিত এই সারমেয়দের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

প্রাদার পর এবার রালফ লরেন! ভারতীয় নকশা ‘চুরি’র অভিযোগে তোলপাড়

কিছুদিন আগেই নকশা চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাদার বিরুদ্ধে। এ বার একই ধরনের অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড রালফ লরেন। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।সম্প্রতি রালফ লরেনের একটি গোলাপি পোশাক প্রকাশ্যে এসেছে। সেই পোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ছোঁয়া স্পষ্ট বলে দাবি করেছেন ফ্যাশন জগতের অনেকে। কিন্তু পোশাকটির বর্ণনায় ভারত বা ভারতীয় কারিগরদের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু হাতের কাজ করা সজ্জা হিসাবে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা নিয়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।১২ সেপ্টেম্বর রালফ লরেনের সমাজমাধ্যম পাতায় পোশাকটির ছবি প্রকাশ করা হয়। পোশাক তৈরির কাপড় এবং সুতো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও হাতের কাজের বিষয়ে মাত্র একটি শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পোশাকটির নকশায় যদি কোনও দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রভাব থাকে, তা হলে সেই শিল্প এবং কারিগরদের যথাযথ পরিচয় দেওয়া হল না কেন?এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার প্রখর রাও সিং চান্ডেল। তাঁর বক্তব্য, পোশাকের কাপড় নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হলেও যে কারিগররা সূক্ষ্ম হাতের কাজ করেছেন, তাঁদের শিল্পকে একটি অস্পষ্ট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।রালফ লরেনের প্রচারে বলা হয়েছিল, প্রতিটি পোশাকের যেন নিজস্ব ইতিহাস ও চরিত্র থাকে। সেই কথাকেই সামনে রেখে প্রখর প্রশ্ন তুলেছেন, সেই পোশাকে আসলে কার ইতিহাস এবং কার চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে?প্রখরের দাবি, বিতর্কিত পোশাকটিতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্প জরদৌসির ব্যবহার রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লখনউ এবং আশপাশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পের চর্চা চলছে। বহু কারিগর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটিকে শুধুমাত্র পোশাকের অলঙ্করণ হিসেবে দেখলে সেই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের ইতিহাস ও পরিশ্রমকে আড়াল করা হয়।এই প্রসঙ্গে প্রখর গত বছর প্রাদাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কোলাপুরি চটির নকশা ব্যবহার করা হলেও সেটিকে শুধুমাত্র চামড়ার স্যান্ডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে মহারাষ্ট্রের একটি বাণিজ্য সংগঠনের তরফে চিঠি দেওয়ার পর ভারতের নাম যুক্ত করা হয় বলে দাবি তাঁর।নিজের দলের সঙ্গে কাজ করা জরদৌসি শিল্পী বাবলু ভাইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রখর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের শিল্পের পিছনে বহু কারিগরের বছরের পর বছর পরিশ্রম রয়েছে। তাঁদের পরিচয় বাদ দিয়ে শুধু নকশাকে ব্যবহার করলে সেই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।রালফ লরেনের এই পোশাক নিয়ে শুধু জরদৌসি নয়, আরও একটি ভারতীয় সূচিশিল্প আরির ব্যবহার নিয়েও সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের দাবি, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী শিল্প বিদেশি ফ্যাশন সংস্থাগুলি ব্যবহার করলেও অনেক সময় সেই শিল্প বা কারিগরদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।কোলাপুরি চটি ছাড়াও বাঁধনি ছাপ, তামবুরা, কুমকোর মতো বিভিন্ন ভারতীয় নকশা নিয়েও বিদেশি ফ্যাশন সংস্থার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু কারিগর নিজেদের পরিশ্রমে এই শিল্পগুলিকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাঁদের পরিচয় এবং প্রাপ্য সম্মান না পেলে ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে পারে।ফলে রালফ লরেনের নতুন পোশাক ঘিরে বিতর্কটি শুধু একটি নকশা বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ব্যবহার, কারিগরদের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থাগুলির দায়িত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

মেটার উপর কেন্দ্রের চাপ, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত! নজরে শিশুদের ক্ষতিকারক কনটেন্ট

প্রায় দুমাস ধরে আলোচনা ও বৈঠকের পর কেন্দ্রের দাবি মেনে কাজ করতে রাজি হয়েছে মেটা। সরকারি সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক এবং আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে প্রশাসনকে তথ্য জানাতে রাজি হয়েছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যমকে আরও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রায় দুমাস আগে মেটার উপর চাপ বাড়ানো হয়েছিল। ডিপফেক, বিকৃত তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মতো কনটেন্ট রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সংস্থাকে। পাশাপাশি মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনাও জমা দিতে বলা হয়েছিল।তবে শুরু থেকেই শিশুদের নিয়ে তৈরি আপত্তিকর এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট বন্ধ করার উপর বিশেষ জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনা ও একাধিক বৈঠকের পর সেই দাবিতে মেটা সম্মত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট চিহ্নিত হওয়ার পর সেই বিষয়ে প্রশাসনকে জানাবে মেটা। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। শুধু মেটা নয়, আগামী দিনে অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থাকেও একই ধরনের ক্ষতিকারক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং আটকানোর আওতায় আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।শিশু নির্যাতনের কনটেন্টের পাশাপাশি ডিপফেক, ভুয়ো খবর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়েও মেটাকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পরে মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ভিডিওটি সরানো হয়েছিল। ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি ফের প্রকাশ করা হয়।ঘটনার পর মেটার শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের উপর আরও কড়া নজরদারির বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্র এবং মেটার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর চলছিল।এখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে মেটার সম্মতির খবর সামনে আসায় সেই টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী ভাবে কার্যকর হবে এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র একই ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ভ্রমণের ভিডিও করতেই কি বিপদ? আফগানিস্তানে কেরলের মহিলা ভ্লগারের ‘গ্রেপ্তার’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কেরলের জনপ্রিয় মহিলা ভ্লগার অরুণিমা আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি জানান, বামিয়ান শহরে তাঁকে মুজাহিদিনরা গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা নামে সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ওই তরুণী কিছুদিন আগে ভারত থেকে আফগানিস্তানে যান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি নিয়মিত ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করছিলেন। সোমবার একটি পোস্টে অরুণিমার দাবি, আফগানিস্তানে গিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন এবং বামিয়ান শহরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। নিজের সোশাল মিডিয়া পাতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত কিছু নথিও প্রকাশ করেছেন অরুণিমা। ফলে তাঁর দাবি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।তবে ঠিক কী কারণে অরুণিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন বা আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কী বলা হয়েছে, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।এই ঘটনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অরুণিমার প্রকাশ করা পোস্ট এবং নথির সত্যতাও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্য, তা নিয়েও আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলেন অরুণিমা। সেখান থেকে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। বিশেষ করে তালিবান শাসনে মহিলাদের জীবন, তাঁদের উপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং ভয়-আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি।আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সময় কাটানোর ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন অরুণিমা। সেই সফরের মধ্যেই হঠাৎ তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কী কারণে আটক হয়েছেন, কোথায় রয়েছেন এবং ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে কেরলের এই জনপ্রিয় ভ্লগারের আফগানিস্তান সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক রহস্য। অরুণিমার দাবি এবং প্রকাশ করা নথি যাচাই হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

বামেদের নবান্নে ডেকে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণ! গণেশ পুজোর মঞ্চে শুভেন্দুর বিস্ফোরক বার্তা

গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মকে আফিং বলা এবং নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও উপদেশ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোকে শারদোৎসব বলা নিয়ে বিতর্ক এবং গণেশ পুজোর বিস্তারসবকিছু নিয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন শুভেন্দু।সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে শুভেন্দু বলেন, সনাতন ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে বাইরের কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, কোনও দিন নিরামিষ খাবার দিয়ে পুজো হয়, আবার কোনও দিন মাছ দিয়ে দেবতাকে ভোগ দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মের মানুষ কোন পুজোয় কী নিয়ম মানবেন, তা তাঁরা নিজেরাই জানেন।বাগেশ্বর বাবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, পুজোর পদ্ধতি, পুজোর পাঠ এবং পঞ্জিকার নিয়ম বদলে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, প্রাদেশিকতার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল।এর আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানেও পুজো এবং শারদোৎসব নিয়ে চলা বিতর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। কমিউনিস্ট নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাঁদের পুজো নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা নবান্নে এসে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কমিউনিস্ট নেতাদেরও সেখানে এসে একসঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তাতে তাঁরাও পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন।পুজোর নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান না কি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসব হিসাবে দেখা হবে, তা নিয়ে যে রাজনৈতিক তরজা চলছে, সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বক্তব্য।এ দিন বামেদের আক্রমণ করার পাশাপাশি আগের সরকারের আমলে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর সূচনা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, পিতৃপক্ষে কাঁচি নিয়ে বের হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।দেশবিরোধী শক্তি নিয়েও এ দিন সতর্ক করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, অসুরদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাঁদের থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশবিরোধী শক্তি এবং টুকরে টুকরে গ্যাং থেকেও দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।গণেশ পুজো কেন বাড়ছে, তা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদেরও এ দিন পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রের বিষয় নয়। সনাতন ধর্মের ঐক্যের মধ্যেই এর বিস্তার রয়েছে।শুভেন্দুর দাবি, একসময় মারাঠি, গুজরাতি, বিহারি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রাচীর তুলে রাখা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সেই প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গণেশ পুজোর বিস্তারকে তিনি সনাতনীদের ঐক্যের প্রতীক হিসাবেই তুলে ধরেন।গণেশ পুজোর সূচনা থেকে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোর নাম নিয়ে রাজনৈতিক তরজা থেকে বামেদের নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণসব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সোমবারের বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার পরেও কংগ্রেসের দরজায় মমতা! নন্দীগ্রাম নিয়ে কেন এত মরিয়া তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপিকে আটকাতে দুই কেন্দ্রে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে তিনি এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, ফোনে মমতা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে কংগ্রেস সমর্থন করুক, সেই আবেদনও জানান তিনি। এমনকি নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে খবর।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জোট হতে চলেছে? তবে সূত্রের খবর, মমতার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে, জোট চাইলে দুই আসনেই কালীঘাট তৃণমূলকে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, কালীঘাট তৃণমূল যদি সত্যিই জোট চায়, তা হলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরদুই আসনেই কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, এমনটা হলে ভবিষ্যতে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকতে পারে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতেশামুল হক। রেজিনগরে তাঁদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। অন্য দিকে, কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করা নিয়েও স্থানীয় স্তরে কিছুটা অস্বস্তি রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁর নাম ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে দলের স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠেছে বলে খবর। যদিও প্রকাশ্যে এখনও কোনও বড় ধরনের ক্ষোভ দেখা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে অস্বস্তির কারণেই কি মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেন? নাকি মূল লক্ষ্য ছিল নন্দীগ্রামে বিজেপিকে আটকাতে বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় আনা? রাজনৈতিক মহলে এই দুই সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার সন্ধ্যায় কেসি বেনুগোপালকে ফোন করে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রাম কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান। রেজিনগরে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পিছনে পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও সামনে আনছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামেদের সরাতে তৎকালীন সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল তৃণমূল। সেই জোটের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মমতা। এরপর রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা এবং খুনের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি কংগ্রেসের।মমতার এবারের জোটের প্রস্তাব সামনে আসার পর কংগ্রেসের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই ক্ষোভকে গুরুত্ব দিয়েই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত আলাদা পথেই লড়াই করতে চলেছে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূল। তার উপর দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রার্থী থাকায় লড়াই আরও জটিল হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal