• ২ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hamas

বিদেশ

তুরস্ক-যোগ, কাতার-যোগ—হামাসের ‘আন্তর্জাতিক জাল’ ভাঙার দাবি মোসাদের

ইউরোপ জুড়ে হামাসের গোপন জঙ্গি নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার দাবি করল ইসরায়েলের গোপনচর সংস্থা মোসাদ। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জটিল ও সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে এই জঙ্গি কাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে। জার্মানি, অস্ট্রিয়া-সহ একাধিক দেশে অভিযানের ফলে ধরা পড়েছে বহু জঙ্গি-সহযোগী এবং উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার। মোসাদের দাবি, এই অস্ত্রগুলি ইসরায়েল এবং ইউরোপে অবস্থিত ইহুদি সংগঠনগুলির উপর হামলা চালানোর জন্যই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। নির্দেশ পেলেই হামলার প্রস্তুতি ছিল বলেই মনে করছে ইসরায়েল।অভিযোগ, হামাসের ইউরোপের নেটওয়ার্ক তৈরিতে তুরস্কের কিছু সদস্যও ভূমিকা নিয়েছিল। তাদের মাধ্যমে পরিকল্পিত হামলার সূত্র মিলেছে। শুধু তাই নয়, কাতারে থাকা হামাস নেতৃত্বও ইউরোপের জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে সরাসরি যুক্তএমন দাবি করেছে মোসাদ।অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় গত সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ অভিযানে বড় সাফল্য মেলে। সেখানে লুকিয়ে রাখা ছিল বিস্ফোরক, হ্যান্ডগান-সহ একাধিক অস্ত্র। তদন্তে উঠে আসে, এই অস্ত্রগুলি ছিল হামাস সদস্য মোহাম্মদ নাইমের। তিনি হামাসের শীর্ষ নেতা বাসেম নাইমের ছেলে। অভিযোগ, বাবা ও ছেলের যৌথ নির্দেশেই ইউরোপে তৈরি হচ্ছিল গোপন জঙ্গি নেটওয়ার্ক। কাতারে তাদের বৈঠকের তথ্যও পেয়েছে তদন্তকারীরা।মোসাদের দাবি, ৭ অক্টোবর গাজায় হামলার পর থেকেই হামাস নতুন করে ইউরোপ-সহ বিভিন্ন দেশে জঙ্গি পরিকাঠামো গড়ে তুলতে উঠে পড়ে লাগে। ইরান ও ইরানপন্থী সংগঠনগুলির মতোই ইউরোপে সেল তৈরি, সদস্য সংগ্রহ এবং অস্ত্র মজুতের কাজ চলছিল বহুদিন ধরেই। বহুবার অস্বীকার করলেও, কাতার-নির্ভর হামাস নেতৃত্বের সন্ত্রাসে জড়িত থাকার প্রমাণ আগেও মিলেছে বলে দাবি ইস্রায়েলের।বর্তমানে বহু দেশের যৌথ তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছে, ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া এবং তুরস্ক-সহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে হামাসের আর কে কে এই নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
বিদেশ

চুপিসারে মৃতদেহ ফেরানোর সিদ্ধান্ত হামাসের! ২০১৪ সালের ইজরায়েলি সেনা হাদার গোল্ডিনের দেহ মিলল রাফায়

গাজা যুদ্ধের এক যুগ পেরিয়ে অবশেষে ঘরে ফিরছে এক ইজরায়েলি শহিদের দেহ। ২০১৪ সালে নিহত হয়েছিলেন লেফটেন্যান্ট হাদার গোল্ডিন। ১১ বছর পর রবিবার তাঁর মৃতদেহ ফেরানোর কথা ঘোষণা করেছে হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসাম ব্রিগেড। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোড়ন তৈরি করেছে এই ঘোষণা।হামাসের তরফে টেলিগ্রাম চ্যানেলে জানানো হয়, গাজার সময় দুপুর দুইটোর মধ্যে হাদার গোল্ডিনের দেহ হস্তান্তর করা হবে। জানা গিয়েছে, রাফা শহরের একটি সুড়ঙ্গে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ২৪ জন বন্দির দেহ বা অবশিষ্টাংশ ইজরায়েলকে ফিরিয়েছে হামাস। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল গোল্ডিনের নামও।২০১৪ সালের গাজা যুদ্ধের সময় মাত্র ২৩ বছর বয়সী ছিলেন হাদার গোল্ডিন। হামাসের নির্মিত সুড়ঙ্গগুলি খুঁজে ধ্বংস করার দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সেই অভিযানের সময় জঙ্গিদের অতর্কিত হামলায় নিহত হন গোল্ডিন। ঘটনার পর থেকে তাঁর দেহ গাজাতেই আটকে রাখে হামাস, কখনও প্রকাশ্যে স্বীকারও করেনি মৃত্যুর কথা।ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, রাফার ইজরায়েলি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় গোল্ডিনের দেহ খোঁজার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল হামাস ও রেড ক্রস কর্মীদের। সেই অনুমতির পরই দেহ উদ্ধারের খবর আসে। হামাসের তরফে ঘোষণার পর ইজরায়েলের সেনা প্রধান গোল্ডিনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের আশ্বাস দেন দেহটি ফিরিয়ে আনার সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে।২০১৪ সালের একই যুদ্ধে গোল্ডিনের সঙ্গী ওরোন সাহুলও নিহত হন। তাঁর দেহ চলতি বছরের শুরুতে উদ্ধার করা হয়েছিল। এতদিন ধরে একাধিক বন্দি বিনিময়ের চেষ্টাতেও ব্যর্থ হয়েছিল ইজরায়েল। তাই এই ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্তকে কূটনৈতিক দিক থেকেও বড় পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।মধ্যপ্রাচ্যের পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পদক্ষেপ হয়তো যুদ্ধবিরতির নতুন আলোচনার ইঙ্গিত। আবার কেউ কেউ বলছেন, এটি হামাসের কৌশলগত সৌজন্য, যাতে আন্তর্জাতিক চাপ কিছুটা হালকা হয়। তবে ইজরায়েলি প্রশাসনের বক্তব্য স্পষ্ট যে কোনও পরিস্থিতিতে আমাদের সেনাদের দেহ আমরা ফিরিয়ে আনব।১১ বছর পর মৃত ছেলের দেহ ফেরার খবরে ভেঙে পড়েছে গোল্ডিন পরিবার। তাঁর মা এক স্থানীয় চ্যানেলকে বলেন, ছেলের দেহ ফিরছে, এটাই এখন আমাদের একমাত্র সান্ত্বনা। ওর আত্মা অবশেষে শান্তি পাবে।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
বিদেশ

বাইডেনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উড়িয়ে চলছে হামাস-ইজরায়েলের লড়াই

কিছুতেই থামছে না হামাস ও ইজরায়েলের রক্তক্ষয়ী লড়াই। বিমান হানা ও রকেট হামলায় একে অপরকে নাজেহাল করে তুলেছে উভয়পক্ষই। এহেন পরিস্থিতিতে সংঘর্ষবিরতির জন্য ময়দানে নেমেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন । কিন্তু তাঁর যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সেই অর্থে সাড়া ফেলেনি কোনও পক্ষের কাছেই।সোমবার গাজায় লড়াই থামানোর জন্য ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। পরে হোয়াইট হাউসের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয় যে ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পক্ষে সওয়াল করেছেন বাইডেন। ওই এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে মিশর ও অন্যান্য মধ্যস্থকারী দেশের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ওয়াশিংটন। তবে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে ওয়াশিংটন সাফ জানিয়েছে, আত্মরক্ষার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে ইজ়রায়েলের। বিশ্লেষকদের মতে, ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে তেমন জোর দিচ্ছে না আমেরিকা। পালটা, নেতানিয়াহু সরকারের পক্ষেই সওয়াল করছে হোয়াইট হাউস। মঙ্গলবার বাইডেনের শান্তির প্রস্তাবের পরও ৬২টি যুদ্ধবিমান থেকে গাজায় প্রায় ১০০টি মিসাইল ছুঁড়েছে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। তাদের নিশানা ছিল মেট্রো। বলে রাখা ভাল, গাজায় মাটির নিচে সুড়ঙ্গের জাল তৈরি করে হাতিয়ার ও যোদ্ধাদের চলাফেরার পথ তৈরি করেছে জঙ্গি সংগঠন হামাস। ওই নেটওয়ার্ককেই মেট্রো নামে অভিহিত করেছে ইজরায়েল।এদিকে, প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের বাসস্থান গাজা শহর চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে। প্রায় ৫০০টি বহুতল বিমান হানায় ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার থেকে ত্রাণ নিয়ে আসা ট্রাক গাজায় ঢুকতে দিচ্ছে না ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। এপর্যন্ত সংঘর্ষে প্যালেস্তাইনের ২১২ জন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। ইজরায়েল লক্ষ করে কমপক্ষে ৩ হাজার রকেট ছুঁড়েছে হামাস। এতে মৃত্যু হয়েছে ইহুদি দেশটির অন্তত ১২ জন নাগরিকের। এর আগে ইজরায়েল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিদাই জিলবারমান আজ বলেন, হামাসের সাম্প্রতিকতম ঘাঁটিগুলির তালিকা আমরা তৈরি করে রেখেছি। সেগুলি লক্ষ্য করেই রকেট ছোঁড়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস আদপেই অস্ত্রসংবরণের কথা ভাবছে না। আমরা ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ চালিয়ে যাব।

মে ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিলিগুড়িতে মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস, বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি ও ১২ জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপে নতুন তীর্থক্ষেত্র

শিলিগুড়ি জেলার মাটিগাড়ায় এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রকল্পের সূচনা হল বুধবার। মহাকাল মহাতীর্থ-সহ একাধিক জনহিতকর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শুভ শিলান্যাস করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৭.৪১ একর জমির উপর গড়ে উঠতে চলা মহাকাল মহাতীর্থকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির নির্মাণ করা হবে। মন্দির চত্বরে থাকবে ভারতবর্ষের ১২টি জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপ এবং ১২টি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির। দুটি প্রবেশপথ, চার কোণে চার দেবতার মূর্তি, সাংস্কৃতিক হল ও কনভেনশন সেন্টার এই মহাতীর্থকে এক পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। মহাকাল মূর্তির মোট উচ্চতা হবে ২১৬ ফুট, যার মধ্যে ১০৮ ফুট উচ্চ ব্রোঞ্জের মূল মূর্তি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই মন্দির নির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু মন্দির নয়, মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তিও এখানে তৈরি করা হচ্ছে। বাংলার এই পুণ্যতীর্থ যুগ-যুগান্ত ধরে বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে থাকবে।ভাষণে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলা সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভূমি। কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াক, দিঘায় জগন্নাথ ধাম ও দুর্গা অঙ্গন নির্মাণের পাশাপাশি রাজ্য সরকার বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানের উন্নয়ন ও সংস্কারে নিরন্তর কাজ করেছে। তারকেশ্বর, তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, জল্পেশ মন্দির, ফুল্লরা মন্দির, মদনমোহন মন্দির থেকে শুরু করে পাথরচাপুরি মাজার, মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরএকাধিক তীর্থক্ষেত্রের সংস্কার ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন, জাহের থান ও মাঝি থানগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন, কবরস্থান সংস্কার এবং ইসকনকে ৭০০ একর জমি দেওয়ার মতো পদক্ষেপ রাজ্যের সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভাবনাকেই তুলে ধরে। ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি রক্ষায় দার্জিলিং ও কলকাতার বাড়ি রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও স্মরণ করান তিনি।মতুয়া সমাজ, রাজবংশী, তপশিলি ও আদিবাসী সম্প্রদায়-সহ সব শ্রেণির মানুষের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্ম মুখে প্রচার করা যায় না, ধর্ম হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। ভাষণের শেষে তিনি মহাদেবের আশীর্বাদে বিশ্বচরাচরে শান্তি, সৌহার্দ্য ও কল্যাণ কামনা করেন।মাটিগাড়ার মহাকাল মহাতীর্থ প্রকল্প শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটন, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল না পেলেও হাতে এল মেডেল, ট্রাম্পের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন নোবেলজয়ী নেত্রী

তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন তিনি, তাই নোবেল শান্তি পুরস্কার তাঁরই প্রাপ্য। কিন্তু নোবেল ঘোষণার সময় সেই পুরস্কার পাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বার ঘটল এক বিস্ময়কর ঘটনা। নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেলেও সেই পুরস্কারের মেডেল এসে পৌঁছল ট্রাম্পের হাতেই।নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। বৃহস্পতিবার তিনি হোয়াইট হাউসে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানেই নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেন মাচাদো। হোয়াইট হাউসে প্রায় এক ঘণ্টা দুজনের বৈঠকও হয়।বৈঠকের পরে হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে মাচাদো জানান, তিনি স্বেচ্ছায় নিজের মেডেল ট্রাম্পকে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার স্বীকৃতি হিসেবেই এই মেডেল তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে দিয়েছেন।যদিও আগেই নোবেল কমিটির তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এইভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার বা তার মেডেল অন্য কাউকে হস্তান্তর করা নিয়মবিরুদ্ধ। তবুও হোয়াইট হাউস সূত্রে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প এই মেডেল নিজের কাছেই রাখবেন বলে জানিয়েছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প নিজেও বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, মারিয়া তাঁর কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল তাঁকে দিয়েছেন।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন সামরিক অভিযান চালিয়েছিল আমেরিকা। সেই অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করে আমেরিকায় নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তাঁকে বন্দি রেখে মাদক পাচারের মামলায় বিচার চলছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, গত মাসে নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে মাচাদো নিজে উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর কন্যা। তার আগে প্রায় ১১ মাস ভেনেজুয়েলায় আত্মগোপনে ছিলেন মাচাদো।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
বিদেশ

বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর ফের হামলা, সিলেটে পরিচিত শিক্ষকের বাড়িতে আগুন

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলা যেন থামছেই না। একের পর এক হত্যার ঘটনার মাঝেই ফের আতঙ্ক ছড়াল সিলেটে। এবার নিশানায় এক পরিচিত হিন্দু শিক্ষক ও তাঁর পরিবার। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বাহোর গ্রামে বীরেন্দ্র কুমার দে নামে এক শিক্ষকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচে গোটা পরিবার। তবে আতঙ্ক এখনও কাটেনি তাঁদের।বীরেন্দ্র কুমার দে এলাকায় ঝানু স্যার নামেই পরিচিত। পেশায় শিক্ষক। অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। স্থানীয়দের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও ভালো ছিল। তাই এমন ঘটনার কথা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি। প্রতিবেশীরাও এই ঘটনায় হতবাক। পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই।সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, শিক্ষকের বাড়িতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। জ্বলন্ত বাড়ি থেকে কোনওমতে প্রাণ বাঁচিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। কে বা কারা এই অগ্নিসংযোগ করেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর হিংসা বেড়েছে বলে অভিযোগ। গত ১৮ ডিসেম্বর দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তারপর থেকেই একের পর এক হিন্দু হত্যার খবর সামনে এসেছে।চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮ থেকে ৯ জন হিন্দু নিহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। ১২ জানুয়ারি ফেনিতে সমীরকুমার দাস নামে ২৮ বছরের এক যুবককে খুন করা হয়। ১০ জানুয়ারি সিলেটে খুন হন আরেক হিন্দু যুবক। তার আগেও মিঠুন সরকার নামে এক যুবকের মৃত্যু হয় জনতার তাড়া খেয়ে। ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশে দুজন হিন্দু খুন হন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

নথি নেওয়ার অভিযোগে মমতার বিরুদ্ধে মামলা, কেন এই রায় জরুরি জানাল সুপ্রিম কোর্ট

এই মামলায় মূল অভিযোগ একটাই। ইডি যখন তল্লাশি চালাচ্ছিল, সেই সময় সেখানে ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে চুরি ও ডাকাতির মতো গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। সেদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।এই প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, দেশের সব তদন্তকারী সংস্থা যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কোনও নির্দিষ্ট রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আড়ালে অপরাধীরা যেন রক্ষা না পায়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। শীর্ষ আদালতের মতে, এই বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে এবং একাধিক রাজ্যে আইন ভাঙার মতো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছে, ইডি দলের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নথি বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করেছিল। সেই প্রসঙ্গে আদালত জানায়, কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থারই রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কাজকর্মে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। তবে একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট করে দেয়, কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত চললে রাজনৈতিক কাজের অজুহাতে তদন্তে বাধা দেওয়া চলবে না।এই মামলায় সব পক্ষকে আগামী দুসপ্তাহের মধ্যে জবাবি হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতিরা। নোটিসও জারি করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নিয়ে যাওয়া সমস্ত ডিজিটাল ডিভাইসের তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি যেখানে তল্লাশি হয়েছিল এবং সংলগ্ন এলাকার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ ও স্টোরেজ ডিভাইসও সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।উল্লেখ্য, আইপ্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশির সময় পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে এই মামলার শুরু। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হয়। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে ও পরে মিলিয়ে সারাদিন ধরে চলে দীর্ঘ শুনানি। শুনানি শেষে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ জানায়, এই মামলায় রায় দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। দেশের সামনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতেই এই সিদ্ধান্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন বিচারপতিরা।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে আকাশপথে অনুপ্রবেশের ছক? বারুদভর্তি পাক ড্রোন ভাঙল সেনা

এবার আর একটি জায়গায় নয়। সন্ধ্যা নামতেই রামগড় সেক্টর, পুঞ্চ এবং জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক এলাকায় পাকিস্তানের ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ভারতীয় সেনার তরফে সঙ্গে সঙ্গে গুলি চালানো হয়। সেনা সূত্রের খবর, একাধিক ড্রোন ভেঙে পড়েছে। সেই ড্রোনগুলিতে বারুদ ছিল বলেও জানা গিয়েছে।ভারতীয় সেনার দাবি, সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করেই এই ড্রোন হামলার ছক কষা হচ্ছিল। গত দুসপ্তাহে তিন থেকে চার বার অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে পাকিস্তানের ড্রোন ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করেছে। এর পিছনে বড় কোনও পরিকল্পনা রয়েছে বলেই মনে করছে সেনা। আগেও সীমান্তবর্তী এলাকায় বারবার পাক ড্রোন দেখা গিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন সেনা প্রধানও। পাকিস্তানের গতিবিধি নিয়ে তখনই সন্দেহ দানা বাঁধে।এরই মধ্যে গুজরাট উপকূলেও নতুন করে রহস্য ঘনিয়েছে। আরব সাগরে নজরদারির সময় ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী একটি সন্দেহজনক নৌকা ভেসে থাকতে দেখে। নৌকাটিতে পাকিস্তানের পতাকা লাগানো ছিল এবং নাম লেখা ছিল আল মদিনা। নৌকার ভিতর থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক বস্তু ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে বলে উপকূল রক্ষী বাহিনীর সূত্রে জানা গিয়েছে।এই নৌকা ব্যবহার করে কোনও অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়েছিল কি না, নাকি এর পিছনে আরও বড় কোনও ষড়যন্ত্র ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নৌকা থেকে ৯ জন পাকিস্তানি নাগরিককে আটক করা হয়েছে বলেও খবর। আকাশ ও সমুদ্রদুই দিক থেকেই পাকিস্তানের এই নড়াচড়া ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে নিরাপত্তা মহলে।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
বিদেশ

পেন্টাগনের পাশে হঠাৎ পিজ়ার ভিড়! ইরানে হামলার ইঙ্গিত?

আমেরিকার পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে হঠাৎ করেই বেড়েছে ভিড়। এই অস্বাভাবিক দৃশ্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। অনেকেরই প্রশ্ন, তবে কি খুব শীঘ্রই বড় কোনও সামরিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে আমেরিকা? বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে পরিস্থিতি যখন এমনিতেই উত্তপ্ত, তখন এই খবর নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।পেন্টাগন পিজ়া রিপোর্ট নামে একটি এক্স অ্যাকাউন্ট দাবি করেছে, ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের সদর দফতরের আশপাশের একাধিক পিজ়ার দোকানে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ক্রেতা দেখা যাচ্ছে। ওই অ্যাকাউন্টে লেখা হয়েছে, পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে আচমকা ভিড় বেড়ে গিয়েছে।ইন্টারনেটে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরনো একটি তত্ত্ব ফের আলোচনায় এসেছে। বহু বছর ধরে চলে আসা তথাকথিত পেন্টাগন পিজ়া ইনডেক্স অনুযায়ী, যখনই পেন্টাগন বা আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা দফতরে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ চলে, তখন আশপাশের পিজ়ার দোকানগুলিতে অর্ডার বেড়ে যায়। অনেকের ধারণা, জরুরি বৈঠক বা বড় সামরিক সিদ্ধান্তের সময়ই এমন দৃশ্য দেখা যায়।গত বছরের জুন মাসেও এমন একটি ঘটনা নজরে এসেছিল। মধ্যপ্রাচ্যে বড়সড় হামলার ঠিক আগের সন্ধ্যায় পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে হঠাৎ বিপুল ভিড় দেখা গিয়েছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনার কথা তুলে ধরে অনেকেই বলছেন, এবারও তেমন কিছু হতে চলেছে।যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশ এই তত্ত্ব মানতে নারাজ। তাঁদের মতে, পিজ়ার অর্ডার বাড়ার পিছনে অনেক সাধারণ কারণ থাকতে পারে। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক রাজনীতি বা যুদ্ধের কোনও সরাসরি যোগ নেই বলেই মত তাঁদের। তবু সামাজিক মাধ্যমে জল্পনা থামছে না।এমনও দাবি উঠেছে যে, যদি কোনও হামলার পরিকল্পনা থেকে থাকে, তবে তা শুক্রবার বাজার বন্ধ হওয়ার পরেই হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে হঠাৎ ধাক্কা লাগার আশঙ্কা কমবে বলে মত কিছু ব্যবহারকারীর। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ইরানে আন্দোলনকারীদের উপর অত্যাচার হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান নাকি আন্দোলনকারীদের হত্যা বন্ধ করেছে এবং ফাঁসির পরিকল্পনাও নেই।এছাড়া তিনি ইরানের বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বলেছেন, তারা যেন আন্দোলন চালিয়ে যায়, সাহায্য আসছে। অন্যদিকে, আমেরিকা নিজের নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার পরামর্শও দিয়েছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি যে ক্রমেই আরও জটিল হয়ে উঠছে, তা স্পষ্ট।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
দেশ

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় নতুন মোড়, মৃত পাইলটের আত্মীয়কে তলব ঘিরে তোলপাড়

এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল। ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান পাইলটস বা এফআইপি বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরোকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছে। অভিযোগ, তদন্তের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে তলব করা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ ক্যাপ্টেন আনন্দকে জানিয়েছে যে, তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে হাজিরা দিতে বলেছে।পাইলট সংগঠনের দাবি, ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দের সঙ্গে ওই দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের কোনও যোগ নেই। তিনি না তো ওই ফ্লাইটের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, না দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। এমনকি তিনি কোনও তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিগত বা বিশেষজ্ঞ সাক্ষীও নন। তবু তাঁকে ডাকা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।এফআইপি জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে তলব করা হয়েছে শুধুমাত্র এই কারণে যে তিনি মৃত পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সভারওয়ালের আত্মীয়। ক্যাপ্টেন সভারওয়ালই ছিলেন ওই বিমানের প্রধান পাইলট। পাইলট সংগঠনের আশঙ্কা, এর মাধ্যমে দুর্ঘটনার দায় মৃত বিমানকর্মীদের উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নিয়মের উল্লেখ করা হয়েছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী, বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ডাকা বেআইনি। আরও অভিযোগ, তলবের নোটিসে স্পষ্ট করে জানানো হয়নি কেন তাঁকে ডাকা হচ্ছে, কোন আইনি ভিত্তিতে ডাকা হচ্ছে বা তিনি কোন ভূমিকায় তদন্তে হাজির হবেন।ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দ বর্তমানে এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মরত পাইলট এবং এফআইপির সদস্য। তাঁকে ১৫ জানুয়ারি হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। পাইলট সংগঠনের মতে, এই সিদ্ধান্ত অপ্রয়োজনীয় এবং এতে তাঁর মানসিক ও পেশাগত ক্ষতি হয়েছে। যদিও ক্যাপ্টেন আনন্দ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তদন্তে অংশ নিতে রাজি হয়েছেন।প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমান আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। বিমানটি একটি হস্টেল ভবনে আছড়ে পড়ে। ওই দুর্ঘটনায় ২৬০ জনের মৃত্যু হয়। বিমানে থাকা ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনই প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিও। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে এখনও তদন্ত চালাচ্ছে বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

নিপা আতঙ্কের মাঝেই আশার খবর, কোমা কাটিয়ে সাড়া দিচ্ছেন আক্রান্ত নার্স

রাজ্যে নিপা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই মিলল কিছুটা স্বস্তির খবর। নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত পুরুষ নার্স চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এতদিন তিনি কোমায় ছিলেন। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বারাসাতের নারায়ণা হাসপাতালে ভর্তি ওই নার্সকে ধীরে ধীরে ভেন্টিলেটর থেকে বের করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।একই সময়ে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত মহিলা নার্সের শারীরিক অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তিনি এখনও চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা সন্দেহে আইসোলেশনে থাকা কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তবে তাঁদের শরীর থেকে নেওয়া নমুনার পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নদিয়া জেলা থেকে যাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য কল্যাণী এইমস-এ পাঠানো হয়েছিল, সেই ৪৫ জনের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে প্রশাসনের।এদিকে, দুই নার্স কীভাবে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, কাটোয়ার এক নার্স ১৫ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া নদিয়া জেলার ঘুঘরাগাছি গ্রামে গিয়েছিলেন। ওই এলাকা থেকেই সংক্রমণ হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই অঞ্চলে কাঁচা খেজুরের রস ও খেজুরের গুড় তৈরির চল রয়েছে। ওই নার্স কাঁচা খেজুরের রস বা গুড় খেয়েছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্বাস্থ্য দফতরের একটি দল ওই গ্রামে যেতে পারে।নদিয়া থেকে ফেরার পর ১৮ ডিসেম্বর থেকে ওই নার্সের সর্দি-কাশির উপসর্গ দেখা দেয়। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, তাঁর সংস্পর্শে এসেই পুরুষ নার্সের শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। ২০ ও ২১ ডিসেম্বর দুজনে একই হাসপাতালে নাইট ডিউটি করেছিলেন। চিকিৎসকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, কাঁচা খেজুরের রস না খাওয়াই ভাল। তবে খেজুরের গুড় বা পাটালি খেলে সমস্যা নেই।নিপা আক্রান্ত দুই নার্সের চিকিৎসার জন্য দাদরা ও নগর হাভেলি থেকে বিশেষ ধরনের অ্যান্টিভাইরাল ইঞ্জেকশন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সহযোগিতায় মঙ্গলবার রাতে সেগুলি কলকাতায় পৌঁছয়। বুধবার সকালে সেই ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করা হয়েছে।এর মধ্যেই নিপা সংক্রমণের আশঙ্কায় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আরও এক চিকিৎসক ও এক নার্সকে ভর্তি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার আক্রান্ত নার্সের কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করতে গিয়েই তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায়। তাঁরা দুজনেই বর্ধমান জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, আক্রান্ত দুই নার্সের সংস্পর্শে এসেছিলেন এমন পাঁচজন স্বাস্থ্যকর্মীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। প্রত্যেকের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal