• ২৫ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Fake

কলকাতা

Fake Voter: ভুয়ো ভোটারকে ঘিরে ধুন্ধুমার খালসা হাইস্কুলে

ভবানীপুরে খালসা হাইস্কুলে ভুয়ো ভোটার ঘিরে তুমুল গোলমাল বিজেপি-তৃণমূলের। বিজেপির অভিযোগ, ভুয়ো ভোটার এনে ভোট করাচ্ছে তৃণমূল। পাল্টা শাসকদলের অভিযোগ, ভুয়ো ভোটার এনে অশান্তি ছড়াচ্ছে বিজেপি। এই নিয়েই ভোটকেন্দ্রের ভিতর মারামারি শুরু হয়ে যায়। এক যুবককে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌঁছয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান সংখ্যাও বাড়ানো হয়। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, কোনও প্রমাণপত্র ছাড়া অন্য একজনের স্লিপ নিয়ে ভোট দিতে এসেছে ওই ছেলেটি। সিআরপিএফ জিজ্ঞাসা করায় ও কোনও জবাব দিতে পারেনি। ও তৃণমূলের লোক। যদিও তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করে গোটা ঘটনার দায় বিজেপির ঘাড়েই ঠেলেছে।আরও পড়ুনঃ ৩৫ কোম্পানির ঘেরাটোপে তিন বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু ভোটগ্রহণএদিকে ভুয়ো ভোটার নিয়ে উত্তেজনার পরই খালসা হাইস্কুলে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছল জয়েন্ট সিপি নীলাঞ্জন বিশ্বাস। এ ছাড়াও ঘটনাস্থলে যান কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকও। বিজেপির অভিযোগ, তাদের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল খালসা হাইস্কুলে ভোট কেন্দ্রের ভিতরে গিয়ে দেখেন, এক যুবক সেখানে রয়েছেন। তাঁর হাতে কোনও রকম পরিচয়পত্র নেই, অন্যান্য কোনও পরিচয়পত্র নেই। অথচ তিনি ভোট দিতে ঢুকেছেন। তখন তাঁরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। অভিযোগ, এরপরই বিজেপির লোকজন ওই যুবককে মারতে মারতে বাইরে নিয়ে আসেন। ওই যুবক তৃণমূলেরই লোক বলে দাবি করেছে বিজেপি।পাল্টা তৃণমূলের দাবি, বিজেপি অশান্তি পাকাতেই এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে বিজেপি। যে ছেলেটিকে মারধর করা হয়েছে, বিজেপির লোকজন দীর্ঘক্ষণ ধরে তাঁকে আটকে রাখে। এর সঙ্গে ভুয়ো ভোটারের কোনও সম্পর্কই নেই। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটদান পর্ব চলছিল। বিজেপির প্রার্থী ঢুকতেই গোলমাল শুরু হয়। যদিও বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের বক্তব্য, গোটা রাজ্যটাই ভুয়ো আইপিএস, পুলিশ আধিকারিকে ভর্তি হয়ে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Adhar : আধার কার্ড তৈরিতে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রতিষ্ঠান মালিক

সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নতুন আধার কার্ড তৈরি ও সংশোধনের জন্য অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ব্যক্তি। ধৃত ব্যক্তির নাম খোকন শেখ ওরফে ফরজ। পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের কাঁসারিপাড়ায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখানেই খোকন আধার কার্ড তৈরির ব্যবসা ফেঁদেছিল। প্রতারিতদের অভিযোগের ভিত্তিতে কালনা থানার পুলিশ মঙ্গলবার সেখান থেকেই খোকন শেখকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। বিচরক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতারপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন মাস ধরে কালনা শহরের কাঁসারিপাড়ার ভাড়া বাড়িতে আধার কার্ড তৈরির কারবার চালাচ্ছিল খোকন শেখ। অভিযোগ, সেখানে বসেই আধার কার্ড তৈরির জন্য সাধারণ ও গরীব মানুষজনের কাছ থেকে তিনি ৬০০ ও তার বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছিল। এই বিষয়ে স্থানীয় দীপঙ্কর রায় সহ বেশ কিছু বাসিন্দা মঙ্গলবার প্রতিবাদে সরব হন। তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠলে কালনা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি পুলিশ খোকন শেখের প্রতিষ্ঠান থেকে বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করে। তাতে অনিয়মের প্রমাণ মেলায় পুলিশ খোকন শেখকে গ্রেপ্তার করে ।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Fake IPS: ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইপিএস

ফের পুলিশের জালে ভুয়ো আইপিএস। তবে শহরে নয়, শহরের বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই ভূয়ো আইপিএস অফিসারকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো আইপিএস পরিচয় দিয়ে টাকা চাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। রাজস্থানের আলওয়ার থেকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা গ্রেপ্তার করে রাহুল খান নামে এক যুবককে। আরও পড়ুনঃ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বেহালায় তাণ্ডবঅভিযোগ, ফেসবুকে নিজেকে আইপিএস পরিচয় বলে দিত ধৃত ব্যক্তি। সেই পরিচয় দিয়ে প্রতারণা চক্র চালাত। বিভিন্ন মানুষের থেকে টাকা চাইত। টাকা না দিলে ভয় দেখাত। ইতিমধ্যে তার নামে বেশ কয়েকটি অভিযোগ জমা পড়ে পুলিশের কাছে। এরপরই তদন্ত শুরু করেন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সাইবার বিভাগের অফিসাররা। তদন্তে নেমে অভিযুক্তের অবস্থান চিহ্নিত করেন তাঁরা। এরপর অভিযান চালিয়ে রাজস্থানের আলওয়ার থেকে রাহুল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতকে জেরা করে প্রতারণা সংক্রান্ত আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। কতদিন ধরে প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত ধৃত, কার কার কাছ থেকে, কত টাকা প্রতারণা করেছে, এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার চেষ্টা চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। কসবা ভুয়ো টিকা কাণ্ড এবং ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের প্রতারণা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে সজাগ কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশ। এরপর থেকে কলকাতা-সহ রাজ্যে একাধিক ভুয়ো অফিসারের পর্দা ফাঁস হয়েছে। ভুয়ো আইপিএস থেকে ভুয়ো মানবাধিকার আধিকারিক, পুলিশের জালে ধরা পড়েছে অনেকেই। ফের একবার পুলিশের জালে ভুয়ো আইপিএস।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

Fake Deed: জাল দলিল করে কোটি টাকা আত্মসাৎ, নাম জড়ালো মেমারির বিএলআরওর

জাল দলিল তৈরি করে অন্যের কোটি টাকার জমি হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নাম জড়াল ব্লক ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিকের। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি-২ ব্লকের বিএলআরওর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। এবিষয়ে মেমারি থানার বোহার গ্রামের বাসিন্দা সুজিত কুমার পাঁজা বর্ধমান সিজেএম আদালতে মামলা রুজু করেছেন। সিজেএম কেস রুজু করে তদন্তের জন্য মেরারি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। মেমারি থানার এক অফিসার জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ খতিয়ে দেখে আইন মাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মেমারির বোহার গ্রামের বাসিন্দা সুজিত কুমার পাঁজা অভিযোগ করেছেন, বোহারে তাঁদের একটি জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। ভূমি দপ্তরে জমিটি তাঁদের নামে নথিভুক্ত ছিল। জমির পরচাও তাঁদের কাছে রয়েছে। সুজিতবাবুর অভিযোগ, কিছুদিন আগে হঠাতই কয়েকজন ওই জমিটি তাঁদের বলে দাবি করেন। সেই কথা শুনে তিনি অবাক হয়ে যান। এরপর বিএলআরও অফিসে গিয়ে তিনি নতুন করে জমির পরচা তোলেন। সেই পরচা যাচাই করে তিনি জানতে পারেন, জমির অনেকটা অংশ অন্য জনের নামে রেকর্ড করা হয়েছে।কাউকে জমি বিক্রি না করা সত্ত্বেও কি করে এমনটা হল তা জানার জন্য তিনি মেমারি ২ ব্লক বিএলআরও অফিসে খোঁজখবর নেন। সেখান থেকে তিনি জানতে পারেন, মিউটেশন কেস করে জমিগুলি অন্যের নামে রেকর্ডে নথিভুক্ত করা হয়েছে। মিউটেশন কেসের সার্টিফায়েড কপি তুলে সুজিত বাবু জাল দলিলের বিষয়টি জানতে পারেন। সুজিতবাবুর দাবি, জাল সই করে দলিলটি করা হয়েছে। এমনটা নিশ্চিৎ হওয়ার পর সুজিতবাবু পুনরায় বিএলআরও অফিসে জমির মালিকের নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু, বিএলআরও অফিস থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। তার পরেই সুজিতবাবু বর্ধমান আদালতের দ্বারস্থ হন।মামলাকারী সুজিত কুমার পাঁজার আইনজীবী অতনু সরকার এদিন বলেন, জালিয়াতির বিষয়টি নিয়ে থানা সহ প্রশাসনের নানা মহলে জানানো হয়। জেলার পুলিশ সুপারকে জানানোর পরেও থানা ব্যবস্থা না নেওয়ায় আদালতে মামলা করা হয়েছে। জাল দলিল করে প্রায় ১ কোটি টাকার সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্বেরও ক্ষতি হয়েছে। পুলিশ এর পরেও ব্যবস্থা না নিলে বিষয়টি উচ্চমহলে জানানো হবে।মেমারি-২ ব্লকের বিএলআরও অচিন্ত্য চক্রবর্তী যদিও এদিন বলেন, এই বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। ঘটনার সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন না। তাই, এনিয়ে কিছু বলা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তবে, বিষয়টি সন্মন্ধে তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান ।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Rape : ঝাড়ফুঁকের নামে অসুস্থ তরুণীকে সারারাত ধর্ষণ, গ্রেফতার ভণ্ড ওঝা

ঝাড়ফুঁকের নাম করে রাতে অসুস্থ তরুণীকে নদীর চরে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ওঝা। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতি দূরে থকা শ্মশানের কাছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখ ওরফে খ্যাপাবাবা। তার বাড়ি জেলার কেতুগ্রাম থানার মোড়গ্রামে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ রবিবার রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ সোমবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। পাশাপাশি পুলিশ এদিনই নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি আদালতে নথিভুক্ত করায়। বিচারক ধৃতকে ১৪ দিন জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় অভিষেকের ওপর হামলা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ মমতারপুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা তরুনীর বাড়ি কেতুগ্রামের মোড়গ্রামে। একই গ্রামে বাড়ি মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখের। বুজরুকি কারবার চালানোর জন্য মারু শেখ নিজেই তাঁর নাম খ্যাপাবাবা রাখে। এলাকার দরিদ্র পরিবারের কেউ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকলে তাঁকে সুস্থ করে দেওয়ার কথা বলে মূল্য নিয়ে মারু ঝাড়ফুঁক করে দিত। নির্যাতিতা তরুনীর বাবা পুলিশেকে জানান, তাঁর ১৯ বছরের মেয়ে মাস খানেক ধরে অসুস্থ হয়ে রয়েছে। ডাক্তারি চিকিৎসা করানো হলেও রোগ সারেনি। ইদানিং তাঁর মেয়ের মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে থাকে। খ্যাপাবাবা ঝাড়ফুঁক করে দিলে মেয়ে যদি সুস্থ হয় এইকথা ভেবে তিনি খ্যাপাবাবার শরণাপন্ন হন। নির্যাতিতার বাবা বলেন, শনিবার অমাবস্যার দিন অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে মঙ্গলকোটের ঝিরেলা গ্রামের শ্মশানে নিয়ে যাবার কথা মারু তাঁকে বলে ।একই সঙ্গে মারু তাঁকে আরও জানায়,ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতিদূরে শ্মশানের কাছাকাছি পীরতলাতেই তার গুরু থাকেন। গুরু থাকলে ঝাড়ফুঁক করতে সুবিধা হবে। সেই মতো শনিবার সন্ধ্যায় অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে তিনি মারু শেখের সঙ্গেই ঝিরেলা গ্রামে যান।আরও পড়ুনঃ স্বামীর সঙ্গে মালদ্বীপে সানা, সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন সেই ছবিনির্যাতিতার অভিযোগ, তাঁরা ঝিরেলা গ্রামে পৌছানোর পর সেখানকার ধুমক্ষেত্রতলায় তাঁর বাবাকে বসিয়ে রাখে মারু। এর পর ঝাড়ফুঁক করার জন্য মারু তাঁকে অজয়নদের ধারে নিয়ে চলে যায় ।সেখানে যাওয়ার পর ভয় দেখিয়ে মারু ওরফে খ্যাপাবাবা তাঁকে সারা রাত ধরে ধর্ষণ করে। পরদিন বাড়ি ফিরে খ্যাপাবাবার কুকীর্তির কথা তরুণী তাঁর বাবা মাকে বলে। ঘটনা সবিস্তার জানিয়ে ওই দিনই নির্যাতিতা মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ ওই রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। ভণ্ড ওঝার দৃষ্টান্ত মূলক সাজার দাবি করেছে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ০৯, ২০২১
দেশ

Mumbai: বিগ বি-র বাড়িতে বোমা! মুম্বইয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য

উড়ো ফোন মুম্বইজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য। বিগ বি-র বাড়িতে রাখা রয়েছে বোমা। এছাড়াও মুম্বইয়ের তিন জনবহুল রেলস্টেশনেও কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণ হতে চলেছে। কন্ট্রোল রুমে এই ফোন আসতেই চাঞ্চল্য ছড়াল মুম্বই জুড়ে। ইতিমধ্যেই রেল স্টেশন ও অমিতাভ বচ্চনের বাড়িতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে ভারতশুক্রবার রাতে মুম্বই পুলিশের মেইন কন্ট্রোল রুমে একটি উড়ো ফোন আসে। সেখানে এক ব্যক্তি জানান, বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের বাড়িতে ও মুম্বইয়ের তিনটি স্টেশনে বোমা রাখা হয়েছে। তাড়াতাড়ি না পৌঁছলে বিস্ফোরণে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারাবে। এই খবর পেতেই উল্লেখিত স্থানগুলিতে পৌঁছয় পুলিশ, জিআরপি ও বম্ব স্কোয়াড। যদিও সেখানে গিয়ে কিছুই পাওয়া যায়নি। ভুয়ো বোমাতঙ্ক ছড়ানো হয়েছিল। জুহুতে অমিতাভ বচ্চনের বাড়ি ছাড়াও মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, বাইকুল্লা ও দাদার রেল স্টেশনে বোমা রাখা আছে বলে দাবি করেন অজ্ঞাত পরিচয় ওই ব্যক্তি। সন্দেহজনক কোনও বস্তু না মিললেও প্রতিটি জায়গাই জনবহুল হওয়ায় নিরাপত্তা আরও আঁটোসাটো করা হয়েছে। ভুয়ো ফোন করেছিলেন যে ব্যক্তি, তাঁর মোবাইলের লোকেশন ট্রাক করে খোঁজ চালানো হচ্ছে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
কলকাতা

Fake IPS: ২৯ বার হ্যান্ডসেট বদলেও শেষরক্ষা হল না

শহরে ফের একবার ভুয়ো আধিকারিক গ্রেপ্তার। নিজেকে আইপিএস অফিসার হিসেবে পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের কাজ করত বালির অঙ্কিত কুমার। পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন লোককে মেসেজ করে সাইবার থানায় তাদের বিরুদ্ধে কেস আছে বলে জানাত। সে টাকার বিনিময়ে পুরো ব্যযপারটা মিটিয়ে দিতে পারে বলে ২০,০০০ টাকা থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করত। এই কাজ করতে সে ব্যবহার করত কলকাতা পুলিশের লোগো, এমনকী, লোককে বিশ্বাস করাতে ব্যবহার করত ইন্টারনেট থেকে নেওয়া উচ্চপদস্থ আইপিএস অফিসারের ছবি।আরও পড়ুনঃ নতুন মিউজিক ভিডিওতে শাহির-হিনাদীর্ঘদিন ধরে অঙ্কিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ কলকাতা পুলিশের কাছে জমা পড়ে। সেই অনুযায়ী পুলিশ তার গতিবিধির উপর নজর রেখেছিল। এদিকে, অঙ্কিত আগেই আঁচ করেছিল সে পুলিশের জালে ধরা পড়তে পারে। পুলিশ সূত্রে খবর, তাই একাধিকবার নিজের মোবাইল নম্বর ও ২৯ বার নিজের হ্যান্ডসেট বদল করে অঙ্কিত। তবে তাতেও শেষরক্ষা হল না। পরিবর্তে হাওড়ার বালি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশ। ধৃতকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হবে। তাকে নিজের হেপাজতে নিয়ে জেরার পরই প্রতারণার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Fake Notes: জাল নোট সহ ২ জন গ্রেপ্তার পূর্বস্থলীতে

জাল নোট সহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হল দুই ব্যক্তি। ধৃতদের নাম চৈতন্য সরকার ও জিয়ার মল্লিক। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার পুলিশ বুধবার কালেখাতলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেছে।ধৃতদের মধ্যে প্রথমজনের বাড়ি নদীয়ার চাকদায় ও দ্বিতীয়জনের বাড়ি জেলার মঙ্গলকোটে। পুলিশের দাবি, ধৃতদের থেকে ১০ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে। ওই জাল নোট ও ধৃতদের ব্যবহৃত গাড়ি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, জাল নোট নিয়ে মঙ্গলকোট এলাকা থেকে একটি গাড়ি পূর্বস্থলীর দিকে ঢুকছে এই খবর গোপন সূত্রে পায় পূর্বস্থলী থানার পুলিশ। সেই খবর পেয়েই আই সি সন্দীপ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালায়। পুলিশ বুধবার দুপুরে কালেখাতলা এলাকায় ওই গাড়িটিকে ধরে।তল্লাশিতে গাড়ির চালক চৈতন্য সরকারের কাছ থেকে ২ হাজার ও ৫০০ টাকার নোট মিলিয়ে ১০ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়। এই জাল নোট পাচারে যুক্ত মঙ্গলকোটের জিয়ার মল্লিক নামে আরও এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করে।বৃহস্পতিবার দুই ধৃতকে কালনা মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতদের ১০ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। কালনার এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাটার্য বলেন, জাল নোট সহ ২ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেপাজতে নেওয়া হয়েছে। এই চক্রে আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

ভূয়ো ’ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস ব্যুরো ইন্ডিয়া’-র পর্দা ফাঁস, নয়া মোড়

রাজ্য পুলিশের জালে ইতিমধ্যেই ধরা পড়েছে ভুয়ো সিবিআই অফিসার, আইপিএস ও পুলিশ অফিসার। এবার ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস ব্যুরো ইন্ডিয়া লেখা প্লেট গাড়িতে লাগিয়ে ঘোরার দায়ে গ্রেপ্তার হল ৩ ব্যক্তি। ধৃতদের নাম আজিজ আলী শেখ, জাকির হোসেন ও আমজাদ হোসেন। আজিজ ও জাকির মুর্শিদাবাদ জেলার চকবাজার এলাকার বাসিন্দা। অপর ধৃত আমজাদ হোসেন মুর্শিদাবাদ থানা এলাকার বাসিন্দা। সে আজিজ ও জাকিরের ব্যবহৃত গাড়ির চালক। পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার পুলিশ তাঁদের সবাইকে গ্রেপ্তার করেছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ভুয়ো প্লেট লাগানো ধৃতদের ব্যবহৃত দামি চারচাকা গাড়িটি। সুনির্দিষ্ট ধারায় মালা রুজু করে পুলিশ শনিবার ৩ ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ৭ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতদের ৩ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকালে কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় একটি হোটেলের সামনে দাঁড়ায় সাদা রঙের দামি একটি চার চাকা গাড়ি। গাড়ি থেকে নেমে তিনজন সেখানকার হোটেলের ভিতর ঢুকে যায়। ওই সময়ে স্থানীয় লোকজন দেখেন ওই গাড়িটির সামনে নিল ও লালচে রঙের একটি প্লেট লাগানো রয়েছে। সেই প্লেটে লেখা রয়েছে ,ন্যাশানাল সেক্রেটারি- ইউথ সেল -ন্যাশানাল হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস ব্যুরো ইন্ডিয়া। গাড়িতে এমনসব কিছু লেখা প্লেট দেখে এলাকার লোকজনের সন্দেহ হয়।গাড়ির আরোহীরা ভুয়ো ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের লোক হতে পারে বলে তাঁরা মনে করে।পুলিশকেও তাঁরা বিষয়টি জানান। পুলিশ ওই হোটেলের সামনে পৌছায়। গাড়িটিতে লাগানো থাকা প্লেটের লেখা পড়ে পুলিশেরও সন্দেহ জাগে।এরপরেই কালনা থানার পুলিশ ওই গাড়িটি ও তার তিন আরোহীকে তুলে নিয়ে থানায় চলে যায়। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে আজিজ আলি ও জাকির হোসেন বিভিন্ন ধরনের পাথর(গ্রহরত্ন) বিক্রি করে। সেই কাজে বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা যাতায়াত করে।গাড়ি চালক আমজাদ হোসেন যাতে টোল ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে ও নাকা চেকিং টপকে যাতে অনায়াসে যাতায়াত করতে পারে তার কৌশল আঁটে পাথর ব্যবসায়ীরা। সেই কৌশল স্বরুপ তাঁরা গাড়িতে ন্যাশানাল হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস ব্যুরো ইন্ডিয়া লেখা প্লেট লাগায়। জেরায় এমন তথ্য উঠে আসার পরেই পুলিশ ওই গাড়ির চালক ও দুই পাথর ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি ধৃতদের কাছ থেকে অলংকারে ব্যবহারের বেশ কিছু পাথর পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি সহ ভুয়ো প্লেট লাগানো গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কালনার এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছে, ধৃতদের প্রকৃত পরিচয় উদ্ধার এবং তাঁদের সঙ্গে অন্য কোনও চক্রের যোগ আছে কিনা তা জানতে ধৃতদের পুলিশি হেপাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আগস্ট ০১, ২০২১
রাজ্য

এবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ’ভুয়ো’ সদস্য সন্দেহে কালনায় গাড়িসহ আটক তিন

রাজ্য পুলিশের জালে ইতিমধ্যেই ধরা পড়েছে ভুয়ো সিবিআই অফিসার,আইপিএস ও পুলিশ অফিসার। এবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ভুয়ো সদস্য সন্দেহে পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার পুলিশ তিন জনকে আটক করলো। পাশাপশি তাদের ব্যবহৃত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্লেট লাগানো দামি চারচাকা গাড়িটিও পুলিশ অটক করেছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই কালনার বাসিন্দা মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কালনা থানার পুলিশ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁদের প্রকৃত পরিচয় জানার চেষ্টা চালাচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় একটি হোটেলের সামনে দাঁড়ায় সাদা রঙের দামি একটি চার চাকা গাড়ি। গাড়ি থেকে নেমে তিনজন সেখানকার হোটেলের ভিতর ঢুকে যায়। ওই সময়ে স্থানীয় লোকজন দেখেন ওই গাড়িটির সামনে নিল ও লালচে রঙের একটি প্লেট লাগানো রয়েছে। সেই প্লেটে লেখা রয়েছে, ন্যাশানাল সেক্রেটারি- ইউথ সেল -ন্যাশানাল হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস ব্যুরো ইন্ডিয়া। গাড়িটিতে এমন সবকিছু লেখা প্লেট লাগাণো দেখে এলাকার লোকজনের সন্দেহ হয়। গাড়ির আরোহীরা ভুয়ো জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের লোক হতে পারে বলেই স্থানীয়রা মনে করতে শুরু করেন। পুলিশকেও তারা বিষয়টি জানান। পুলিশ ওই হোটেলের সামনে পৌছায়। গাড়িতে লাগানো থাকা প্লেটের লেখা পড়ে পুলিশেরও সন্দেহ জাগে। এরপরেই কালনা থানার পুলিশ ওই গাড়িটি ও তার তিন আরোহীকে তুলে নিয়ে থানায় চলে যায়। কালনার এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছে, একটি গাড়ি সহ তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজ্য

Sonarpur-Vaccine: সরকারি টিকা চুরি করে ভুয়ো ক্যাম্প, গ্রেপ্তার স্বাস্থ্যকর্মী

ডায়মন্ড হারবারের একটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে টিকা চুরি করে টাকা নিয়ে তা দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক যুবককে। তাঁর নাম মিঠুন মণ্ডল। জানা গিয়েছে, তিনি ডায়মন্ড হারবারের পঞ্চগ্রাম হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট। এ ছাড়া তিনি মশাট স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকার কো-অর্ডিনেটরও ছিলেন বলে খবর। সেখান থেকেই টিকাগুলো চুরি করেছিল সে।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপুলিশ জানিয়েছে, মিঠুন বাসন্তী থানা এলাকার বাসিন্দা। সোনারপুরে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। অভিযোগ, সম্প্রতি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের স্বরূপনগরে একটি বাড়িতে বেআইনি ক্যাম্প করে এলাকার প্রায় ৪০ জনকে টিকা দিয়েছেন তিনি। টিকার জন্য এক এক জনের কাছে ৫০০ থেকে হাজার টাকা করে মিঠুন নিয়েছেন বলে অভিযোগ। টিকা নেওয়ার পরে মোবাইলে মেসেজ না আসায় সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। তখনই তাঁরা সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।আরও পড়ুনঃ কিডস র্যাম্প শোর গ্রুমিং হলতদন্তে নেমে রূপনগর এলাকা থেকে মিঠুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর কাছে কোভিশিল্ডের দুটি ভায়াল পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। ধৃতকে তিন দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মিঠুনের কাছে উদ্ধার হওয়া টিকা আসল কি না তা জানার জন্য সেগুলি পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে জেলার স্বাস্থ্য দপ্তরও। শনিবার ডায়মন্ড হারবার জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক দেবাশিস রায়, বারুইপুরের মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিক ইন্দ্রনীল মিত্র, সোনারপুরের বিডিও সৌরভ ধল্ল ও ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অনুপ মিশ্র সোনারপুর থানায় গিয়ে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহ আগে মিঠুন ডায়মন্ড হারবার ১ নম্বর ব্লকের মশাট স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে কাছ ছেড়ে দেন। টিকাগুলি মিঠুন সেখান থেকে চুরি করেছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।এই ঘটনা নিয়ে টুইট করেছেন বিজেপি বিধায়ক তথা দলের মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এই ঘটনার জন্য তিনি রাজ্য সরকারকেই দায়ী করেছেন।

জুলাই ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

CAB : ভুয়ো নথি ৬৫ ক্রিকেটারের, কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে সিএবি

বেশ কিছুদিন আগেই সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া ঘোষণা করেছিলেন, কলকাতা ময়দানকে একেবারে দুর্নীতিমুক্ত করতে চান। সেই পথেই সে সিএবি এগোচ্ছে তার প্রমাণ পাওয়া গেল। পরিচয় গোপন করে, বয়স ভাঁড়িয়ে প্রচুর ক্রিকেটার কলকাতা ময়দানে খেলছেন। এইরকম ৬৫ জন ক্রিকেটারকে শনাক্ত করেছে সিএবি। তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে। এদের মধ্যে ৪৫ জনকে নথিপত্র সংশোধন না করা পর্যন্ত খেলতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি দুর্নীতি বন্ধ করতে বায়োমেট্রিক কোডও চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমারক্রিকেটারদের নথি যাচাই করার জন্য একটা সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছিল সিএবি। একটা কমিটি গঠনও করেছিল। সেই কমিটিতে রাখা হয়েছিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের এক কর্তাকে। ওই সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ক্রিকেটারদের খুঁটিনাটি যাচাই করা। কলকাতা লিগের দুই ডিভিশনের ক্রিকেটারদের নথি যাচাই করে প্রচুর গরমিল পাওয়া গেছে। সরকারি পোর্টালে দেখা গেছে, ৬৫ জন ক্রিকেটার আসল পরিচয় গোপন করে স্থানীয় পরিচয় দিয়ে কলকাতা ময়দানে খেলছেন।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরসিএবির অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠকে পরিচয় গোপন করে খেলা ক্রিকেটারদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্রিকেটাররা যাতে পরিচয় গোপন না করতে পারে তারজন্য বায়োমেট্রিক কোডও চালু করতে চলেছে সিএবি। এই ব্যাপারে সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া বলেন, অতীতে আমরা বারবার বলেছি, নথিপত্র জালিয়াতি করতে কোনও ভাবেই ক্ষমা করা হবে না। কঠিন শাস্তি পেতে হবে। আমরা নথিপত্র যাচাই করে দেখেছি ৬৫ জন ক্রিকেটার ভুয়ো পরিচয়পত্র জমা দিয়ে কলকাতা লিগে খেলছে। এদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন মরশুম শুরুর আগে আবার ক্রিকেটারদের নথি যাচাই করা হবে।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংসামনের মরশুম শুরুর আগে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব ক্রিকেটারকে টিকা দেওয়া হবে। অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে ২৫০০ নতুন আজীবন সদস্য নেওয়া হবে। এই ব্যাপারে সিএবির অনুমোদিত সংস্থাগুলিকে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয়েছে। বর্তমান আজীবন সদস্যদের সদস্যপদ নবীকরণ ১ আগস্ট থেকে শুরু হবে।

জুলাই ১৭, ২০২১
রাজ্য

Fake CBI: সিবিআই অফিসার সাজতে শুভদীপ ওয়াকি-টকিও ব্যবহার করত!

হাওড়ার জগাছার নকল সিবিআই শুধু নীল বাতির গাড়িতেই চড়ত না, ২টি ওয়াকি-টকির সেটও কিনেছিল। তদন্তকারী অফিসারদের কায়দায় ওয়াকিটকি ব্যবহারও করত। সিবিআই আধিকারিক সাজতে কোনও কসুর বাদ দেয়নি শুভদীপ। দিল্লি থেকে ধৃত শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করে গাড়ি উদ্ধার করে পুলিশ। পাশাপাশি বুধবার দুপুরে শুভদীপকে নিয়ে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে অনেক নথিপত্র ও দুটি ওয়াকি-টকি সেট উদ্ধার করলেন তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা।আরও পড়ুনঃ করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রেগতকাল রাতে ধৃতকে জেরা করে যে নীলবাতি লাগানো গাড়ি করে শুভদীপ ঘুরে বেড়াত সেটির সন্ধান পায় পুলিশ। গভীররাতে শুভদীপকে সাথে নিয়ে তদন্তকারীদের একটি দল হানা দেয় জোড়াবাগান থানা এলাকার ২৭৫ নম্বর রবীন্দ্র সরণীর বাড়িতে। সেখান থেকে গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করে জগাছা থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। সেই সঙ্গে গাড়ির মালিক রমেশ কায়স্থকে বুধবার সন্ধ্যায় থানায় দেখা করার নির্দেশ দেয়। তদন্তে জানা গিয়েছে ওই গাড়িতে শুধু নীল বাতি নয়, সিবিআইয়ের অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর লেখা বোর্ড লাগিয়ে শুভদীপ ঘোরা ফেরা করত।পুলিশসুত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুর ৩টে নাগাদ, ধৃতকে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে যান তদন্তকারীরা। পাড়ায় শুভদীপকে দেখে তাকে দেখতে লোকজনের ভিড় জমে যায়। পুলিশ জানায়, ধৃতের বাড়িতে তল্লাশি করে ২টি ওয়াকি টকিসহ সিবিআইয়ের জাল কাগজপত্র সহ অন্যান্য নথি উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত যুবক জানিয়েছে, সিবিআই অফিসাররা তদন্তে গেলে যেমন ওয়াকিটকি ব্যবহার করে থাকে, তেমনই সেও করত। ভুয়ো সি বি আই কান্ডে অভিযুক্ত শুভদীপ বন্দোপাধ্যায়কে দিল্লির অভিজাত হোটেল থেকে রবিবার গভীর রাতে গ্রেফতার করা হয়। ট্রানজিট রিমান্ডে মঙ্গলবার হাওড়ায় আনার পরে, হাওড়ার আদালতে পেশ করা হয়। আদালত ৮দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরায় এখন পর্যন্ত একের পর এক তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারীদের হাতে।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটপ্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, ওই যুবক কম করে ৫ বছর ধরে এই জালিয়াতির কারবারে যুক্ত। বিভিন্ন জায়গায় নানা ভুয়ো পরিচয়ে মানুষে্র কাছ থেকে লক্ষলক্ষ টাকা প্রতারণা করেছে। পুলিশ এখন জানার চেষ্টা করছে, ঠিক এই প্রতারণার জাল ঠিক কতদুর বিস্তৃত। এর পিছনে কোনও মাস্টার মাইন্ড রয়েছে কিনা তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজ্য

Fake CBI: বিয়ের শর্তই ছিল পুলিশে চাকরি, প্রেমে পাগল শুভদীপ সাজে সিবিআই আধিকারিক

পুলিশে চাকুরী না করলে বিয়ে হবে না। এমন কথাই জানিয়েছিল প্রেমিকা। আর সেই কথা শুনেই প্রেমিকাকে বিয়ে করতেই এমন পরিকল্পনা করে শুভদীপ বন্দোপাধ্যায়। প্রেমিকাকে বিয়ে করতেই পুলিশ নয় একেবারে সিবিআই আধিকারিক সাজে শুভদীপ। পুলিশ সূত্রে খবর জেরার মুখে এমনটাই জানািয়েছে ওই যুবক।ভুয়ো সিবিআই-কান্ডে দিল্লি থেকে ধৃত শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আনা হয় হাওড়ায়। তাকে ৩ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে হাওড়ায় নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার সকালে দিল্লি থেকে রাজধানী স্পেশাল এক্সপ্রেসে তাকে নিয়ে আসা হয় হাওড়ায়। এদিন দুপুরে তাকে হাওড়া জেলা আদালতে তোলা হয় । বিচারক ৮দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশের জেরা শুভদীপ জানায়, বিয়ের আগে তার স্ত্রীর সঙ্গে শুভদীপের প্রথমে ফেসবুকে আলাপ হয়। বন্ধুত্ব থেকে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুজনের বাড়িই জগাছা এলাকায় হওয়ায় দেখাসাক্ষাতও করে তারা। সেই প্রেমপর্ব চলার সময়ই ওই তরুণী শুভদীপকে পুলিশে চাকরি করার কথা বলে।আরও পড়ুনঃ দেবাঞ্জনের পর এবার হাওড়ায় ভূয়ো সিবিআই কর্তা সেজে প্রতারণাএকটি বেসরকারি সংস্থায় কনসালটেন্সির চাকরি করা শুভদীপ তরুণীর প্রেমে পড়ে তাকে বিয়ে করতে চেয়ে শেষ পর্যন্ত সিবিআই আধিকারিক সাজারই সিদ্ধান্ত নেয়। পুলিশ সূত্রের খবর, জেরার মুখে শুভদীপ স্বীকার করেছে ২০১৯ সালে বিয়ের আগে থেকেই হবু স্ত্রীয়ের কাছে পুলিশ সাজতে সিবিআইয়ের বেস ধরে সে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, শুভদীপ বৃহস্পতিবার থেকে দিল্লির তাজবেঙ্গল প্যালেস হোটেলের ৭৩৯ নম্বর, রূমে ৪দিন ছিল। সোমবার নেপালে পালানোর ছক করে সে। তার পরিকল্পনা ছিল ট্রেনে রক্সৌল হয়ে সে নেপাল পালাবে। কিন্তু তার আগেই রবিবার রাতে তাকে হোটেলের ঘর থেকেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ এ মাসেইবিবাহ বিচ্ছেদের মামলা হওয়ার পরই তার স্ত্রী, স্বামীর ভুয়ো সিবিআই আধিকারিক সাজার বিষয়টি সামনে আনেন। শুভদীপ সিবিআই সেজে ঠিক কী কী করেছে, কোথায় কোথায় সে প্রতারণার জাল বিছিয়েছিল, চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা চেয়েছিল কি না এসব কিছু জানতেই তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। নিজের স্ত্রীর কাছে সিবিআই আধিকারিক পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত জগাছার যুবক শুভদীপ বন্দোপাধ্যায়কে রবিবারই দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছিলো পুলিশ। অন্যদিকে এই কান্ডে বারে বারেই লালন কুমারের নাম উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, লালন কুমারের খোঁজে ভিন রাজ্যে পাড়ি জমাচ্ছেন তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা। লালন কুমারকে হাতে পেয়ে এই ঘটনার গভীরে পৌঁছাতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

জুলাই ১৪, ২০২১
রাজ্য

CBI: দেবাঞ্জনের পর এবার হাওড়ায় ভূয়ো সিবিআই কর্তা সেজে প্রতারণা

ভূয়ো টিকা কাণ্ডে ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের গ্রেফতারের পর রাজ্যজুড়ে ভূয়ো আধিকারিকের হদিশ ক্রমশ বাড়ছে। এবারে ভুয়ো সি বি আই অফিসার সেজে প্রতারণার অভিযোগ হাওড়ার জগাছার এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ করেছেন তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী। পাশাপাশি বধূ নির্যাতনের অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। ভুয়ো সি বি আই অফিসার সেজে নীল বাতি লাগানো গাড়িতে ঘোরা-ফেরা করতেন জগাছার সুবিনয় ঘোষ সরণী লেনের বাসিন্দা শুভদীপ বন্দোপাধ্যায় বলে অভিযোগ করেন শুভদীপের প্রাক্তন স্ত্রী।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেররবিবার অভিযোগকারিনী মহিলা বলেন, আমি বিয়ের পাঁচ মাস পরে সিজিও কমপ্লেক্সে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি আমার স্বামী মিথ্যা কথা বলছেন। উনি সিবিআই-এর পদস্থ অফিসার না হওয়া সত্বেও নীলবাতি গাড়ি, সিবিআইয়ের পরিচয় পত্র নিয়ে আমাকে প্রতারণা করেছেন। বহু লোকের থেকে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছেন। আমি তাই বাপের বাড়ি চলে গিয়ে ওর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে মামলা করেছি। যদিও হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক অবশ্য বলেন, ওই যুবকের বিরুদ্ধে ভুয়ো সিবিআই সেজে প্রতারণার কোনও অভিযোগ কেউ করেননি। তবে ওনার স্ত্রী গৃহবধূ নির্যাতনের মামলা ও জালিয়াতির মামলা করেছেন। সব কিছুরই তদন্ত চলছে। তদন্তে কিছু পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজিরঅভিযুক্ত যুবকের বাবা-মাও ছেলেকে সিবিআই অফিসার বলেই জানতেন। এমনটা রবিবার জানিয়েছেন তাঁরা। রাজকুমার বন্দ্যেপাধ্যায় বলেন, আমি জানতাম ছেলে সিবিআই আধিকারিক।আমাকে নিয়োগপত্র, আই কার্ড দেখিয়েছে। আমরা অত কিছু তো তখন বুঝিনি। এদিন শুভদীপের মা ছেলেকে জগাছা থানায় আত্মসমর্পন করতে বলেন। শুভদীপের কীর্তিতে বাবা-মা তিতিবিরক্ত। বর্তমানে শুভদীপ বাড়ি ছাড়া।

জুলাই ১১, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu-Mamata: "২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ", তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

বামেদের ২৩৫-এর দম্ভ যেন তাড়া করছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। এমনই দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি রাজ্যে ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা পুরসভার পুরপ্রশাসক, বিধায়ক, আইপিএস, আইএএসরা যুক্ত বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। সেই বিষয়ে বৃহস্পতিবার মূলতুবি প্রস্তাব অধ্যক্ষ বাতিল করে দেওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহার২০০৬-তে ২৩৫টি আসন পেয়ে বামফ্রণ্ট সরকার বাংলায় ক্ষমতায় ফিরে এসেছিল। সেই বিপুল জনসমর্থনে মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল বামফ্রণ্টকে, বিশেষত সিপিএমকে। মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন, আমরা ২৩৫, আপনারা ৩০। এভাবেই ক্ষমতা জাহির করেছিলেন তিনি। এবার সিপিএম বা বাম প্রতিনিধি বিধানসভায় শূন্য। সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, সব কথায় ক্ষমতা দেখাচ্ছেন। ২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ যদি দেখান, তাহলে বিএ কমিটিতে গিয়ে সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিবন্ধকতা আছে। তাই বিএ কমিটির বৈঠকে যাইনি। এটা আমাদের বয়কট নয়। এটা বলতে না দেওয়ার প্রতিবাদ। আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেভূয়ো টিকা নিয়ে এরইমধ্যে বেশ কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছে। একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। শুভেন্দু সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, আজ আমাদের বিধায়ক ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে আলোচনার জন্য মূলতুবি প্রস্তাব দেয়। কেন আলোচনা হবে না ভূয়ো টিকা নিয়ে? ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে মূলতুবি প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা কর্পোরেশনের পুরপ্রশাসক থেকে একাধিক বিধায়ক, আইপিএস, জনপ্রতিনিধি, ছোট থেকে বড় নেতা সকলেই যুক্ত। তা প্রমাণিত।

জুলাই ০৮, ২০২১
রাজ্য

Fake Sanitizer: বর্ধমানে নকল স্যানিটাইজারের রমরমা, গ্রেপ্তার ৪

ড্রাগ কন্ট্রোল ব্যুরো ও পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের যৌথ অভিযানে বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার হল শহর বর্ধমানের ৪ নকল স্যানিটাইজার কারবারী।উদ্ধার হয়েছে ৩০০লিটার নকল স্যানিটাইজার। এই ঘটনায় শহর বর্ধমানে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আরও পড়ুনঃ করোনার আসন্ন তৃতীয় ঢেউ, সৌজন্যে ডেল্টা প্লাসকোভিড অতিমারিতে চাহিদা বেড়েছে স্যানিটাইজারের। তারই সূযোগ নিয়ে শহর বর্ধমানে রমরমিয়ে চলছিল নকল স্যানিটাইজার বিক্রি। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌঁছায় ড্রাগ কন্ট্রোল ব্যুরো ও পূর্ব বর্ধমানা জেলা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্র্যাঞ্চে। এদিন এই দুই দপ্তরের আধিকারিকরা যৌথ ভাবে শহর বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। শহর বর্ধমানের কালিবাজার এলাকার প্রসেনজিৎ দাসের বাড়িতে অভিযান চালাতেই উদ্ধার হয় ২৫০ লিটার নকল স্যানিটাইজার। এর পর শহরের কল্যাণী মার্কেট সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হয় আরও ৫০লিটার নকল স্যানিটাইজার। উদ্ধার হওয়া স্যানিটাইজার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ টিকা না নিয়েই সার্টিফিকেট, সমস্যার সমাধানে হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরড্রাগ কন্ট্রোল ইন্সপেক্টর কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এদিন বর্ধমান শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় নকল স্যানিটাইজার বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে প্রায় ৩০০ লিটার নকল স্যানিটাইজার উদ্ধার হয়েছে। তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওইসব স্যানিটাইজারের বোতল ও ড্রামে কোনও ব্যাচ নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ কিছুই নেই। এমন স্যানিটাইজার বিক্রির অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত হওয়া সমস্ত স্যানিটাইজার পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হচ্ছে। নকল স্যানিটাইজার বিক্রি বন্ধে এমন অভিযান জেলা জুড়ে চলবে বলেপ ড্রাগ ইন্সপেক্টর জানিয়েছেন।

জুলাই ০৮, ২০২১
কলকাতা

Fake Officer: শহরে ফের আটক ৪ ভুয়ো অফিসার

দেবাঞ্জন দেবের পর থেকে রাজ্যে একের পর ভুয়ো সরকারি আধিকারিকের হদিশ পাওয়া যাচ্ছে। এদিন ফের ৪ ভুয়ো আধিকারিকের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। প্রতারণা করে ৩৫ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে ৪ জনকেই আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভুয়ো আ্ইএএস (IAS), ভুয়ো সিবিআই (CBI)-এর পর এবার ভুয়ো ডিএসপি পরিচয়ে হোম গার্ডে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ। ডিএসপি এবং সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকের ভুয়ো পরিচয় দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ এসেছে।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানহোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার নাম করে ৫ জনের থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছে বৌবাজার থানায়। বিশ্বাস অর্জন করতে খাকি টুপি ও বেল্ট এবং জাল নিয়োগপত্র দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মধ্যে মাসুদ রাণা (২৪) মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। এই নিজেকে ডিএসপি বলে পরিচয় দেয়। রবি মুর্মূ (৪০) মালদার গাজল, শুভ্র নাগ রায় (৪৪) দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পরিতোষ বর্মন (৫০) মেদিনীপুরের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশের ভুয়ো ইউনিফর্ম ও কাগজপত্র ব্যবহার করে বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতারণা করায় চোখ কপালে উঠেছে পুলিশের। অভিযোগ, ভুয়ো নামে ডিএসপি পরিচয় দিয়ে রাজ্য পুলিসের হোম গার্ডে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় অভিযুক্তরা। মেদিনীপুর ও চাঁদনি চকের কাছে কসমস হোটেলে ঘটনাটি ঘটেছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। গ্রেপ্তার হওয়া ৪ জনের একজন কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন কনস্টেবল। আগেও এই কাজের জন্য সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল অভিযুক্তকে। আজকেই আদালতে পেশ করা হবে এই চারজনকে। ধৃতদের নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার দাবি জানাবে পুলিশ।

জুলাই ০৮, ২০২১
কলকাতা

Fake Officer: ফের শহরে গ্রেপ্তার ভুয়ো অফিসার

দেবাঞ্জন-কাণ্ডের পর শহরে একের পরেক ভুয়ো অফিসারের খোজ পাওয়া যাচ্ছে। ফের শহরে ভুয়ো এক সরকারি অফিসার গ্রেপ্তার। নীল বাতির গাড়ি নিয়ে জালিয়াতিরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এই অভিযুক্তকে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। জানা গিয়েছে ধৃতের নাম সনাতন রায়চৌধুরী। জানা গিয়েছে, সনাতন নিজেকে স্ট্যান্ডিং কাউন্সিল অফ ওয়েস্ট বেঙ্গলের আধিকারিক পরিচয় দিতেন। নীল বাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে ঘুরতেন। দেবাঞ্জন কাণ্ডের পর থেকেই শহরের নীল বাতি লাগানো গাড়ির ওপর নজরদারি বেড়েছে পুলিশের। রাস্তায় চলছে চেকিংও। নীল বাতি লাগানো গাড়ি দেখলে, তা থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এরকম ভাবেই সনাতনের গাড়ি থামানো হয়। সনাতন এই নীল বাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে ঘুরে কী কী সুবিধা ভোগ করেছেন, আদৌ দেবাঞ্জনের মতো প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ আত্মঘাতী কিশোরী ক্যারাটে খেলোয়াড়, গ্রেপ্তার ১প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজেকে উচ্চ পদস্থ সরকারি আধিকারিকের পরিচয় দেন। কিন্তু যথাযথ কাগজপত্র দেখাতে পারেন না। চাপ বাড়াতেই ঘাবড়ে যান তিনি। কথায় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ। গত সপ্তাহেই, সেন্ট্রাল ভিজিলেন্স কমিশনার সেজে গাড়িতে নীলবাতি লাগিয়ে ঘোরার অভিযোগ এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বেনিয়াপুকুর থেকে মহম্মদ সাদিক নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরচেকিংয়ের সময়ে গত মঙ্গলবার বেনিয়াপুকুর থানার নিউ পার্কস্ট্রিট এলাকায় এ ধরনের একটি লাল বাতি লাগানো গাড়ি দাঁড় করান পুলিশ কর্তারা। তাতে নীল বাতি লাগানো ছিল আর সামনে ভিআইপি পার্কিং লেখা ছিল।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেপ্রসঙ্গত দেবাঞ্জন কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পরই শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এরকম ভুয়ো সরকারি আধিকারিকদের গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। দেবাঞ্জন কাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, নির্বাচনের সময় ভুয়ো গাড়ি, বাতি ব্যবহার করে ভোট প্রভাবিত করা হয়েছে। দেবাঞ্জনের মত আরও অনেকেই তাতে যুক্ত ছিলেন। সঠিক তদন্ত না হলে প্রয়োজনে আদালতে যাওয়া হবে।

জুলাই ০৬, ২০২১
কলকাতা

BJP-Corporation Abhiyaan: ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার

জাল টিকা-কাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপির পুরসভা অভিযান ঘিরে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে। এদিন দুপুর ১ টায় সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে জমায়েত করে শুরু হয় বিজেপির অভিযান। আগে থেকেই তৎপর ছিল পুলিশ। ব্যারিকেড টপকে এগোতে পারেনি বিজেপি নেতা-কর্মীরা। চাঁদনি চকেই ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে বিজেপির অভিযান।আরও পড়ুনঃ সোনামুখীতে আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক কোভিড বিধি নিষেধের কথা মাথায় রেখে অনুমতি না মিললেও এদিন কলকাতা পুরসভা অভিযানে পথে নামে বিজেপি। সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিজেপির মিছিল শুরু হয় মুরলীধর সরণি থেকে। প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যেতে থাকে মিছিল। কিন্তু চাঁদনিচক মেট্রোর কাছে দ্বিতীয় ব্যারিকেডে মিছিল আটকাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। গেরুয়া শিবিরের মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে সফল হয় পুলিশ। গণেশ অ্যাভিনিউ চত্বরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।আরও পড়ুনঃ চূড়ান্ত ট্রায়ালে সাফল্য, ডেল্টা প্রজাতি রুখতে সক্ষম কোভ্যাক্সিন!এদিন মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ, জয়প্রকাশ মজুমদার, ও রাজু বন্দোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য সাংসদ বিধায়ক ও কর্মীরা। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, গণেশ অ্যাভিনিউয়ের কাছে বিজেপি বিধায়কদের টেনেহিঁচড়ে বাসে তোলে পুলিশ।পুলিশের টানা হিঁচড়ার চোটে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক মহিলা বিজেপি এক কর্মী। একটি বাস এনে আটক করা হয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের। আটক করা হয় বিজেপি-র মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পলকেও। অগ্নিমিত্রা পল বলেন, আমরা ভুয়ো ভ্যাকসিন নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি বলে আমাদের গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। গণতন্ত্র নেই। দেবাঞ্জনের মতো মানুষের গ্রেপ্তারি হয় না। আমরা ভুয়ো ভ্যাকসিনের প্রতিবাদ করলে গ্রেপ্তার করা হয়।Using the full might today to stop BJPs Kolkata Corporation Abhijan.Use of force against innocent protesters arresting them wont deter us from raising our voice against this corrupt regime which breeds imposters who organise fake vaccination camps. pic.twitter.com/SDyzS6cJox Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 5, 2021শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে বলেন, সমস্ত শক্তি দিয়ে পুলিশ বিজেপির এই অভিযান আটকেছে। জোর খাটিয়ে নির্দোষ প্রতিবাদকারীদের আটক করে রাজ্যের ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডের প্রতিবাদকে আটকে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রতিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, রাজ্যে যখন দৈনিক ২০ হাজার সংক্রমণ হচ্ছিল, তখন ১৬ মে কার্যত লকডাউন পালন করা হচ্ছিল, তখন কীভাবে ১৭ মে নিজাম প্যালেসের বাইরে এত জমায়েত করা হয়েছিল? সেখানে অতিমারি আইন কোথায় ছিল কলকাতা পুলিশের? বিজেপির বিরুদ্ধে এধরনের অনৈক্য বন্ধ করা হোক।

জুলাই ০৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal