• ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৯ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ear

বিদেশ

আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি! ভূকম্পন ভারতেও

আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তান সীমান্তের কাছে রবিবার গভীর রাতে ৬.০ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। আমেরিকার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) এ তথ্য জানিয়েছে।ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আফগানিস্তানের বাসাউল (Bāsawul) শহরের প্রায় ২২ মাইল উত্তর দিকে এবং এর গভীরতা ছিল ৬.২ মাইল। স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে এটি অনুভূত হয়।নানগারহার জনস্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র নাকিবুল্লাহ রহিমি জানান, ভূমিকম্পে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে।প্রায় ২০ মিনিট পর একই প্রদেশে আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর মাত্রা ছিল ৪.৫ এবং গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।আমেরিকার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার প্রকাশিত মানচিত্রে ভূমিকম্পের অবস্থান দেখানো হয়েছে।আফগানিস্তান ইউরেশীয় ও ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি প্রায়ই ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে ৬.৩ মাত্রার আরেকটি ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে তালেবান সরকারের হিসাব অনুযায়ী অন্তত ৪,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে রাষ্ট্রসঙ্ঘের হিসাবে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ১,৫০০ জনের। এটি সাম্প্রতিক ইতিহাসে আফগানিস্তানের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল।ইউনিসেফ জানিয়েছিল, নিহতদের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি নারী ও শিশু।এর আগে ২০২২ সালের জুন মাসে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল, যাতে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং দেড় হাজারের বেশি আহত হয়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

টলিউড অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব ED-র, কারণ জানলে তাজ্জব হবেন!

কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ED টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব করেছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ইডির কলকাতার সিএজিও কমপ্লেক্সের দফতরে অঙ্কুশ হাজরাকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যদিও অঙ্কুশ বা তাঁর প্রতিনিধি কারও তরফেই ইডির সমন প্রসঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে, বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর আগেও নানা ঘটনায় টলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীকে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা।গত বছর থেকে, বলিউড এবং দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র তারকাদের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের অবৈধ অনলাইন বেটিং অ্যাপের প্রচার নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্ত করছে। ইতিমধ্যেই এই তালিকায় নাম রয়েছে রানা দত্তুগুথি, বিজয় দেবেরাকোন্ডা (Vijay Deverakonda), প্রকাশ রাজ (Prakash Raj), হরভজন সিং, উর্বশী রাউতেলা এবং সুরেশ রৈনার মতো তারকাদের।এবার অঙ্কুশ হাজরাও সেই তালিকায় রয়েছেন। জানা গেছে যে নিষিদ্ধ অনলাইন বেটিং অ্যাপ প্ল্যাটফর্মের প্রচারের বিষয়ে ইডির চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে অভিনেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে, বাঙালি অভিনেতাকেও ইডি অফিসে হাজির হতে হবে।সূত্র জানিয়েছে, যে বেটিং কোম্পানিগুলি তাদের অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট প্রচারের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে। যেহেতু জনপ্রিয় তারকারা এই বিজ্ঞাপনের সাথে যুক্ত, তাই স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহারে প্রভাবিত হচ্ছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
দেশ

রক্ত ও জল একসঙ্গে নয়, স্বাধীনতা দিবসে ফের মোদীর আগুনে হুঙ্কার

আজ দেশের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে রাজধানী দিল্লির লালকেল্লা থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে তেরঙ্গা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীতের পর তিনি ভাষণ শুরু করেন। এদিন তিনি স্পষ্ট বার্তা দেনভারত আর কোনওভাবেই পারমাণবিক হুমকি বা ব্ল্যাকমেলিং সহ্য করবে না।অপারেশন সিঁদুরে অংশ নেওয়া সেনাদের স্যালুট জানিয়ে মোদী বলেন, সাহসী জওয়ানরা শত্রুকে কল্পনার বাইরে শাস্তি দিয়েছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দিল্লিজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে; ১০ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী ও ৩ হাজার ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন হয়েছে।জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মোদী বলেন, প্রতিটি ঘরে তেরঙ্গা উড়ছেহোক তা মরুভূমি, হিমালয়, সমুদ্রতট বা শহর। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানান এবং ১৪০ কোটি মানুষের সম্মিলিত সংকল্পকে দেশের গর্ব বলে উল্লেখ করেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেন।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
শিক্ষা

জেলিফিশ বা স্টারফিশ কি ভূমিকম্পের আগাম সর্তকতা দিতে পারে? কি জানাচ্ছেন পরিবেশবিদ ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত?

সম্প্রতি ভূমিকম্পের সময় সৈকত শহর দীঘা ঘুরে আসা পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক, জাতীয় শিক্ষক, শিক্ষারত্ন, জাতীয় মেন্টার, স্টেম এডুকেটর ও বিশিষ্ট পরিবেশবিদ ও গবেষক কি বলছেন শুনে নেব।ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত ১৯৮৬ -১৯৮৭ কলেজ লাইফ থেকে শিক্ষামূলক ভ্রমণ ও বেড়াবার জন্য ২০২৪ পর্যন্ত অন্তত দশবার দিঘার সমুদ্র বেড়াতে গেছেন, এবং সাতবার পুরীর সমুদ্র গেছেন । প্রথম যখন সরকারি অতিথিশালার সামনে নিউ দীঘায় যান, তখন নিউ দীঘা থেকে খুব সহজেই সি-বিচ ধরে ওল্ড-দিঘা ও মোহনা পায়ে হেঁটে যাওয়া যেত । তখন সৈকতে প্রচুর বিভিন্ন রকমের সামুদ্রিক জীবজন্তু দেখা পাওয়া যেত । কিন্তু বছর তিন চারেক পর ১৯৯১ থেকেই ওল্ড দিঘা সমুদ্র সৈকতের কিনারা ধরে হেঁটে যাওয়া যেত না, এবং জীবজন্তু আগের মত আর পাওয়া যেত না, পরিমাণও কমতে শুরু করে। ২০২৩-২৪ এর আগে জেলিফিশ জেলেদের মাছ ধরার জালে এলেও কখনো দীঘার ব্যাককারেন্টে বা ভাটার সময় সমুদ্র সৈকতে দেখা যেত না। সম্প্রতি ড. দত্ত ২৪ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ যখন দিঘার সমুদ্রে প্রাতঃভ্রমণে বের হন সকালবেলায় অসংখ্য এধার উধার ছড়িয়ে তারার মত স্টারফিশ, এবং জেলির মতো স্বচ্ছ ছাতার মত হালকা নীলাভ দাগ কাটা জেলিফিশ জলে ঢেউয়ের সঙ্গে ভাসতে দেখতে পান। তিনি জানান, এইরকমই দুটি জেলিফিশ ব্যাক কারেন্টে আটকে গেল। তার পাশাপাশি অসংখ্য তারামাছ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকলো । জেলিফিসের উপরের তল অর্থাৎ অ্যাবরাল সাইডে প্রচুর ছোট স্টারফিস ছোট ছোট শামুক, ঝিনুক, ও মাছ দেখতে পেলেন। ওরাল সাইডে বিভিন্ন জুওয়েড সহ হলুদ রঙের গোনোজুওয়েড। এখন ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত কি বলছেন; তিনি কিছু ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের নিয়ে জেলিফিস টিকে জলে ভাসিয়ে দিতে সমর্থ হলেন। কিছুটা চুপসে যাওয়া জেলিফিস গাড়ির টায়ারের মতো বা ছাতার মতো দেখতে লাগলো। সেইদিন দেখেছিলেন আগের দিনের থেকে সমুদ্র বেশ কিছুটা ক্ষেপে উঠেছে। ঢেউগুলো অনেক বেশ বড় বড় আকার নিচ্ছিল এবং তীর পর্যন্ত চলে আসছিল। তখন বোঝা যায়নি কেন এরকম হচ্ছিল।ফেব্রুয়ারি ২৫ তারিখ সকাল ছয়টা দশে ভূমিকম্প দিঘা-তে কম্পন এর মাত্রা ছিল ৫.৩০ যেটার উৎপত্তি সমুদ্রের ২৩ কিলোমিটার গভীর, এবং ১৩১ কিলোমিটার পূর্ব বঙ্গোপসাগরে।এখন ডক্টর সুভাষচন্দ্র দত্ত কি মনে করছেন?তার প্রশ্ন হলো ২০২৩ সালের আগে জেলিফিশ সেভাবে কখনো আসেনি? ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে দেখা গিয়েছিল। তারা মাছও এত সংখ্যায় দেখা যায়নি? বাড়ি এসে বিভিন্ন জার্নালের লিটারেচার সার্ভে করে ডক্টর দত্ত দেখলেন যে জলের দূষণ, তাপমাত্রা, চাপ, তাপ, চৌম্বকত্ব, তীব্রতা, কম্পাঙ্ক, প্লবতা, বিভিন্ন ভারী ধাতু বিশেষ করে ক্যাডমিয়াম, নিকেল, পারদ এর প্রাচুর্যতা ও প্লাস্টিক দূষণ, অত্যাধিক মাছের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত মাছ ধরা, মানুষের কার্যকলাপ, এবং জলবায়ুর পরিবর্তন ইত্যাদি জেলিফিশ কে বিব্রত করে তাদের বাস্তুতন্ত্রে থাকতে এবং এরা সক্রিয়ভাবে সারা দেয় ও ওই ইকোলজিক্যাল নিচ বা থাকার জায়গা থেকে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে। পিঁপড়ে, পাখি, হাতি, ইঁদুর, এবং বিভিন্ন প্রাণীরা যেমন আগে থেকে বুঝতে পারে ভূমিকম্পের কথা।এই সমস্ত কারণে তিনি মনে করেন জেলিফিশ ও স্টারফিস রা ২৪ তারিখে ভূমিকম্পের কথা আগাম বুঝতে পেরে ছিল এবং তাদের বাস্তুতন্ত্র ছেড়ে সমুদ্র সৈকতে চলে এসেছিল। ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত একই ঘটনা চাক্ষুষ করেছিলেন ২০০৪ সালের ২৪ শে ডিসেম্বর সমুদ্রের ভূমিকম্পে তথা সুনামিতে। সেই সময় সমুদ্রের জল পিছিয়ে গেছিল, সমুদ্রের তলদেশ ওঠা নামা করছিল, এবং বিভিন্ন কাংরা, শামুক, ঝিনুক, ও বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ প্রাণী সেদিন দেখেছিলেন। সেদিন বিভিন্ন জলজ প্রাণীরা ভূমিকম্পের তথা সুনামির ফলে সমুদ্র সৈকতের দিকে নিজস্ব বস্তুতন্ত্র ছেড়ে চলে এসেছিল।এই সমস্ত ঘটনা ও বৈজ্ঞানিক যুক্তি, ভবিষ্যতে জেলিফিশ ও স্টারফিশ কে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস জানার বায়ো-ইন্ডিকেটার হিসাবে কাজে লাগানো যেতে পারে । যদিও এ ব্যাপারে অনেক গবেষণা করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত ।

মার্চ ১৬, ২০২৫
কলকাতা

সাত সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকা, এবার উৎসস্থল সমুদ্র

সাত সকালে কেঁপে উঠল কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলি। আজ সকালে ঘড়িতে তখন ঠিক সকাল ৬ টা ১০। ভমিকম্প হল বাংলা ও ওড়িশার বিস্তীর্ণ এলাকায়। রিখটার স্কেলে পরিমাপ ৫.৫। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির করা পোস্টে উল্লেখ, ভূমিকম্পের উৎস স্থল বঙ্গোপসাগরের গভীরে। ১৯.৫২ উত্তর অক্ষাংশ, ৮৮.৫৫ পূর্ব দ্রাঘিমাংস ও ৯১ কিমি গভীরতায়। এদিনের ভূমিকম্পের উৎসস্থল কলকাতার অদূরেই। কলকাতা থেকে দূরত্ব ৩০১ কিলোমিটার। ওড়িশা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার পূর্বে সমুদ্রে ওই কম্পনের উৎসস্থল বলে জানা যাচ্ছে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ওড়িশাতেও এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই নয়, বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। উৎসস্থলের গভীরতা ছিল ৯১ কিলোমিটার। ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। গত জানুয়ারিতে তিব্বতের ভূমিকম্পেই কেঁপে উঠেছিল কলকাতা সহ সারা বাংলা। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.১। পাহাড়ী এলাকায় প্রায়সই ভূমিকম্প হয়, তবে এবার কম্পনের উৎস সমুদ্রের গভীরে। তবে এখনও পর্যন্ত সুনামির সতর্কতা জারি হয়নি। জানা গিয়েছে, কলকাতা, হাওড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ কলকাতা সংলগ্ন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। গতকালই উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদ ও হিমাচল প্রদেশের মান্ডি এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তারও আগে দিল্লি কেঁপে ওঠে কম্পনে। পর পর গত কয়েকদিন ধরেই ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে দেশের বহু এলাকায়।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজনীতি

জ্যোতি বসু সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ এন্ড রিসার্চের উদ্বোধনে কারাট, হাজির বাংলাদেশের সঙ্গীত শিল্পী

নিউটাউনে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর স্মরণে নির্মীয়মান জ্যোতি বসু সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ এর প্রথম পর্যায়ে ভবনের আজ উদ্বোধন হয়েছে। উদ্বোধন করেন সিপিআইএম এর পলিটব্যুরো ও কেন্দ্রীয় কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রকাশ কারাট। উপস্থিত ছিলেন বামফ্রণ্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটবুরো সদস্যরা, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা প্রমুখ। রকাশ কারাট বলেন,জ্যোতি বসু দেশের কমিউনিস্ট আন্দলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। বর্তমানে দেশে যেখানে উগ্র হিন্দুত্ব ও সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে সেখানে এই প্রতিষ্ঠান তথ্য সমৃ ধ গবেষণার মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত আর্থ সামাজিক ও রাজনৈতিক চিত্র তুলে ধরবে। সিপিআইএম এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য কোনো সরকারই কোনওবিষয়ে সঠিক তথ্য প্রকাশ করছে না। সেই কারণে গবেষণার প্রয়োজন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে স্বাধীন ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দেশকে আরো সুদৃঢ় করতে এই প্রতিষ্ঠানের বড় ভূমিকা থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। দো তোলা ভবনের নিচতলায় জ্যোতি বসুর সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন নথি নিয়ে গ্যালারি ও দোতলায় একটি লাইব্রেরি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৫
কলকাতা

নতুন বছরে শীতের আমেজে ভিড়ে ঠাসা ইকোপার্ক থেকে চিড়িয়াখানা, কাশীপুর উদ্যানবাটী..কোথায় কত দর্শনার্থী?

ফি বছর বছরের শেষ সপ্তাহ থেকে নয়া বছর শুরুর সপ্তাহ পর্যন্ত কলকাতার রাস্তা-ঘাট, মেট্রোতে ভিড় লেগেই থাকে। এবারও তার ব্য়তিক্রম হয়নি। ২৫ ডিসেম্বর বড় দিনে ভিড়ের সূত্রপাত হয়। তারপর বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর, আর তার পরের দিন ১ জানুয়ারি নতুন বছরের শুরুর দিন। কলকাতার দর্শনীয় স্থানে পর্যটকেরা ভিড় করে থাকে। তবে ইকো পার্ক ও চিড়িয়াখানা সবাইকে এবার ভিড়ে টক্কর দিয়েছে। এবার অবশ্য কাশীপুর উদ্যানবাটি কিছুটা জায়গা করে নিয়েছে। প্রতিবছরই এই দিনগুলিতে আলিপুর চিড়িয়াখানায় ব্যাপক ভিড় হয়। হাটাচলাই সেখানে দায় হয়ে পড়ে। মানুষের তুলনায় যেন জায়গা কম পড়ে যায়। এবার নতুন বছরে খোলামেলা জায়গাকেই বেছে নিল আমজনতার বেশিরভাগ অংশ। মানুষ ভিড় জমাল ইকো পার্কে। পরিবার, বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে নতুন বছরে কলকাতার রাস্তায় বেরিয়ে পড়াই দস্তুর। এদিন ঠান্ডার আমেজই ছিল যথেষ্ট।ভিড়ের হিসেবে সকলকে টেক্কা দিয়েছে নিউ টাউনের ইকো-ট্যুরিজ়ম পার্ক। এই পার্কে ভিড় করেছেন ৯১ হাজার ৬৮৩ জন। অবশ্য তারপরেই আছে আলিপুর চিড়িয়াখানা। তবে বরাবর প্রথম স্থানে থাকে এই চিড়িয়াখানা। এবার সেখানে ভিড় জমিয়েছে ৮৫ হাজারের বেশি। দর্শনার্থীদের সংখ্যায় উত্তর কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটীও ইংরেজি নববর্ষে অন্য অনেক জায়গার থেকে এগিয়ে থেকেছে। কারণ কল্পতরু উৎসবকে কেন্দ্র করে এখানে মানুষ ভিড় করে থাকে। এবারও সেই আকর্ষণে ভিড় করেছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা। ভিক্টোরিয়ায় বছরের প্রথম দিনে ৩৮ হাজারের বেশি পর্যটক হাজির হয়েছিলেন। সায়েন্সসিটিতে ছিলেন ৩০হাজারের কিছু বেশি দর্শনার্থী। কলকাতা জাদুঘরেও কয়েক হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। তবে তা ১০হাজার অতিক্রম করতে পারেনি।

জানুয়ারি ০২, ২০২৫
কলকাতা

বর্ষশেষে কড়া নিরাপত্তা কলকাতা মেট্রোতে, নজরে পার্কস্ট্রিট, ময়দান ও এসপ্ল্যানেড

নীল লাইনের যাত্রীদের সুবিধার্থে নববর্ষের প্রাক্কালে রাতে ছয়টি অতিরিক্ত পরিষেবা চালাতে চলেছে মেট্রো রেল। যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মেট্রো রেলওয়ে নতুন বছরের প্রাক্কালে মঙ্গলবার এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান, রবীন্দ্র সদন, দমদম এবং দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনগুলিতে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চলেছে। এই স্টেশনগুলিতে ভিড়ের পূর্বাভাস, সমস্ত প্রবেশ এবং প্রস্থান গেটে সুপ্রশিক্ষিত RPF কর্মীদের মোতায়েন করা হবে। মেট্রো RPF প্রত্যাশিত বিশাল ভিড় পরিচালনার পাশাপাশি যাত্রীদের ঝামেলামুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য এই স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের ব্যবস্থা করবে।মহিলা ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে পর্যাপ্ত মহিলা RPF অফিসার এবং কর্মী মোতায়েন করা হবে। একজন সাব-ইন্সপেক্টর/অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টরের সমন্বয়ে একটি বিশেষ দল এবং দুজন মহিলা স্টাফ সহ চারজন স্টাফ পার্ক স্ট্রিটে উপস্থিত থাকবে। ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন বছরের শেষ দিনে এই দলটি যেকোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকবে। বাস্তব সময়ের পরিস্থিতি নিরীক্ষণ করার জন্য, উত্তর-দক্ষিণ মেট্রোর সেন্ট্রাল কন্ট্রোলে পর্যাপ্ত কর্মী নিয়োগ করা হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ব্যাপকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।ওই দিন পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশনে একজন অফিসার এবং চারজন কর্মচারীর সমন্বয়ে আরেকটি বিশেষ দল মোতায়েন করা হবে। যাত্রীদের সঠিক নির্দেশনা দেওয়ার জন্য পার্ক স্ট্রিট, ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত সংখ্যক RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এসব স্টেশনে নাশকতাবিরোধী চেকিংও করা হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে উদ্ধার বিপুল কার্তুজসহ আগ্নেয়াস্ত্র, সিবিআইয়ের তদন্তে এনএসজি

সন্দেশখালিতে এনএসজি-র বম্ব স্কোয়াড। উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক। শুক্রবার বেলা বাড়তেই সন্দেশখালিতে হানা দেয় সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহান শেখের এক ঘনিষ্ঠ স্থানীয় তৃণমূল নেতার আত্মীয়ের বাড়িতে প্রচুর অস্ত্র ও বোমা মজুত রয়েছে। সেই খবর মিলতেই অভিযানে নামে সিবিআই। তল্লাশিতে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র মিলেছে বলে খবর। উদ্ধার করা হয়েছে ১২০টি নাইন এমএম বুলেট। বিভিন্ন ধরণের ৩৪৮টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিআই। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র।বাড়িটিতে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক জমা রয়েছে বলে সন্দেহ সিবিআই আধিকারিকদের। যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। সেই আশঙ্কায় NSG কম্যান্ডোদের ডাকা হয়। মাইন ডিটেক্টর থেকে রোবোটিক ডিভাইস দিয়ে অস্ত্রভাণ্ডারের তল্লাশি শুরু করে NSG কম্যান্ডোরা।সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার মল্লিকপাড়ায় শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ আবু আবু তালেব মোল্লার বাড়িতে এদিন তল্লাশি চালায় সিবিআই গোয়েন্দারা। তার বাড়িতেই লুকিয়ে রাখা রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক। এরপরই গোটা গ্রাম দখলে নেয় NSG কম্যান্ডোরা। ওই এলাকাটি ঘিরে নিয়ে তাঁদের নিজস্ব অত্যাধুনিক মেশিন, রোবট নিয়ে কাজ শুরু করেন তাঁরা।NSG কম্যান্ডোদের তল্লাশিতে সন্দেশখালি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি পিস্তল, দেশি বোমা, তিনটি বিদেশি রিভালবার, উদ্ধার হয়েছে একটি পুলিশের রিভালবার, মেঝে খুঁড়তেই উদ্ধার হয় বোমা-বারুদ। উদ্ধার করা হয়েছে ৩৫০ রাউন্ড কার্তুজ। পাশাপাশি মিলেছে বেশ কিছু নথি। যার সবের সঙ্গে যোগ রয়েছে শাহাজানের।এদিকে এই ঘটনার পরই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সঙ্গে সিমি বা পিএফআইয়ের কোন ফারাক নেই। মমতা ব্যনার্জিকে গ্রেফতার করে তৃণমূলকে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি পুলিশ এই ঘটনায় সরাসরি যুক্ত বলেও দাবি করেন বিরোধী দল নেতা।এদিকে শুভেন্দুর পালটা তৃণমূলের কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে অস্ত্রভান্ডার ছিল নাকি কেউ বদনাম করার জন্য ওখানে রেখে গেছে তা তদন্তসাপেক্ষ। কী পাওয়া গেছে তা আমরা জানি না। অফিসিয়াল কোনও বিবৃতি নেই। তা পুরো বিষয়টাই একটা চিত্রনাট্য ছাড়া এই মুহূর্তে কিছুই মনে হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
দেশ

ভোটের সুনামি

এই বছর কে বিশ্ব নির্বাচনী বর্ষ বললে খুব একটা ভুল হবেনা। বিশ্বজুড়ে যেন নির্বাচনের ধুম পড়েছে। Reuters যাকে বলছে নির্বাচনের সুনামি। নির্বাচন কে আমরা বলে থাকি গনতন্ত্রের উৎসব। আমাদের প্রতিবেশী সূর্যের নিচে থাকা দুই দেশ পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। সুদূর প্রান্তে রাশিয়াতে নির্বাচন হয়ে পুতিন আবার ক্ষমতায় ফিরেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ইউক্রেনেও এই বছরই নির্বাচন হতো। চলতি বছরে বাকি যে দেশগুলিতে নির্বাচন হবে তার মোট জনসংখ্যা পৃথিবীর জনসংখ্যার অর্ধেক।২৪-র শেষ দিকে দুই মার্কিনী বৃদ্ধ Donald Trump ও Joe Biden য়ের নির্বাচনী ভাগ্য নির্ধারিত হবে। চলতি বছরে ভোটের লাইনে দাঁড়াবে Britain ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এর পরেও ভোটমুখি দেশের তালিকাটা বেশ দীর্ঘ। Haiti, Indonesia, Cambodia,Iran, Slovakia, Portugal, Senegal, Kuwait, দক্ষিণ Korea এবং Solomon দ্বীপপুঞ্জ। এই তালিকা ভুক্ত কয়েক টি দেশের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে, বাকি কয়েকটিতে হবে এই বছরেই।বিশ্বজুড়ে এই গনতান্ত্রিক উৎসবের মেলায় সকল দেশের রানী হয়ে বসে আছে ভারতবর্ষ। ৪৭ -এ স্বাধীনতা। দেশ ভাগ, দাঙ্গা, ছিন্নমূল মানুষের দীর্ঘশ্বাস পেরিয়ে দেশ নির্মাণে গনতন্ত্রের ভিত গাঁথা শুরু। সদ্য স্বাধীন দেশে যার প্রকাশ ১৯৫২-র নির্বাচনে। ১৯৫১-র ২৫শে অক্টোবর থেকে ১৯৫২র ২১শে ফেব্রুয়ারি এই চার মাস ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সতেরো কোটি তিরিশ লক্ষ ভোটার ভোট দিয়েছিলেন। ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের এই বিপুল কর্মযজ্ঞ অবাক হয়ে দেখেছিল পৃথিবী। চলতি লোকসভা নির্বাচনে ৯৭ কোটি ভারতবাসী ভোট দেবেন। উত্তরে কাশ্মীর থেকে দক্ষিণে কন্যাকুমারী, পূর্বে অরুনাচল থেকে পশ্চিমে গুজরাত।পাহাড়, সমুদ্র, গহন বনাঞ্চল, ধুসর মরুভূমি, গ্ৰামীন ক্ষেত্র আর আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক শহরাঞ্চল বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র। এই গনতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ নির্বাচন। গনতন্ত্রের রীতি অনুযায়ী নির্বাচনে জিতে যারা দেশ চালাবেন দেশের সব প্রান্তের বৈচিত্র্য মাখা মানুষের প্রতিনিধি। কিন্তু গত লোকসভা নির্বাচনের ফল এই ভাবনায় কেমন যেন প্রশ্ন তুলেছে। ২০১৯শে ২০৩ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। হিন্দি বলয়ের দশটি রাজ্যে মোট লোকসভা আসন ২২৫। এই ২২৫ টি আসনের মধ্যে ২০৩টি আসন জিতেছিল গেরুয়া শিবির। সরকার গড়তে লাগে ২৭২ টি আসন। অর্থাৎ ওইখান থেকেই প্রায় finishing point য়ে পৌঁছে গিয়েছিল বিজেপি। দেশের পূর্ব বা দক্ষিণ ভারতের জনমত এই অঙ্কের সামনে কাঁটা বিছানোর অবস্থানে ছিল না। একেবারে সিনেমার চিত্রনাট্যের মতো।এখানেই লুকিয়ে রয়েছে ভারতীয় গনতন্ত্রের fallacy. নির্বাচনী সাফল্য হচ্ছে সংখ্যার খেলা। দিল্লির শাসক তো সারা দেশের শাসনভার সামলায়। অথচ কোনো রাজনৈতিক দল উত্তর ভারতের দশ রাজ্য দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, হরিয়ানা, হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, বিহার, ছত্তিশগঢ়, ঝাড়খণ্ডে বিজয়রথ ছোটাতে পারে তাহলে দিল্লির কুর্সি তার হাতের মুঠোয় চলে আসবে। যা হয়েছিল ২০১৯শে। এবারও ভোটের হাওয়া যা বলছে তাতে নরেন্দ্র মোদীর ই ক্ষমতায় ফেরার কথা।এই বিজয় পথের কেন্দ্রে রয়েছে উত্তর প্রদেশ। উত্তর প্রদেশে বড় সংখ্যায় জিতলে দিল্লির তক্ৎ নাগালের মধ্যে এসে যায় কথাটা প্রবাদে পরিনত হয়েছে। তবে এবারে বিজেপির লক্ষ্য ৩৭০ আসন। তাই এবারের নির্বাচনে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারত বিজেপির কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দফার নির্বাচনে বিজেপির heart land উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও বিহারে ভোট কম পড়েছে। একে তো হিন্দি বলয়ের বাইরে আসন বাড়ানোর লক্ষ্য, তার উপর হৃদয়পুরে ভোট কম পড়া। এই দুয়ে মিলে বিজেপির চিন্তা বেড়েছে। দ্বিতীয় দফাতেও যদি কম ভোট পড়ে তাহলে চিন্তা আরো বাড়বে। শেষ পর্যন্ত যদি ২০২৪ শে ও বিজেপির জেতার অঙ্কে ২০১৯শের ফলের পুনরাবৃত্তি হয় তাহলে বলতে হবে দেশের নির্বাচনী গনতন্ত্রের চালচিত্র বদলাচ্ছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
কলকাতা

'টাকা মিছিল'! বাঙালির ব্যবসা উদযাপন করতে নববর্ষে বাংলা পক্ষর অভিনব উদ্যোগ

পয়লা বৈশাখ বাঙালির হালখাতার দিন। হালখাতা কথাটির অর্থ জিজ্ঞ্যাসা করলে কতজন পারবে তা নিয়ে একসন্ধ্যা চায়ের পেয়ালাতে তুফান তোলা আলোচনা চলতেই পারে। আজকের ডিজিটাইজেসন যুগে কিউ আর এবং ইউপিআই এর দৌলতে ক্যাসলেস বাঙালীর হালখারাপ হতে বসা হালখাতা! তবুও পয়লা বৈশাখ বাঙালির আবেগের দিন। ব্যবসা উদযাপনের দিন। পয়লা বৈশাখ মানে শুধু গান-কবিতা না, পয়লা বৈশাখ মানে ব্যবসাও।বাঙালি তরুন প্রজন্মকে ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করতে, বাঙালি ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ করতে এক অভিনব ও বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল এর কথা আয়োজন করল বাংলা পক্ষ। এটি টাকা মিছিলর দ্বিতীয় বছর। রবিবার নববর্ষের প্রথম দিনের সন্ধ্যায় কলকাতার রাসবিহারী মোড় থেকে গড়িয়াহাট মোড় পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল হয়।মিছিলে বাঙালি শিল্পপতিদের (যেমন আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, চন্দ্রশেখর ঘোষ, রাজেন মুখার্জী, মতিলাল শীল, আলামোহন দাস, মোস্তাক হোসেন প্রমুখ) বিশাল বিশাল কাট আউট নিয়ে মিছিলে হাঁটা হয়। বাংলা ও বাঙ্গালীর সংগঠন বাংলা পক্ষর তরফে জানানো হয়, শুধুমাত্র সিনেমা বা খেলার নায়ক-নায়িকাদের চিনলে হবে না, বাঙালি পুঁজিপতিদের চিনতে হবে। মিছিলে ছিল ঢাক, রণ পা ও নানা সুসজ্জিত ট্যাবলো।এই মিছিল থেকে বাংলা পক্ষ দাবী তোলে।রাজ্য সরকারি টেন্ডার বাঙালিদের দিতে হবে।খুচরো বাজার থেকে পাইকারি বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে৷সমস্ত শহরাঞ্চলের হকারি স্পট ভূমিপুত্রদের দিতে হবে।এই টাকা মিছিলর নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চ্যাটার্জী, মনন মন্ডল, এমডি সাহীন, সৌম্য ঘোড়াই ও জেলা সম্পাদকরা।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
রাজ্য

সরকারি কর্মীদের ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা মুখমন্ত্রীর, তবে আন্দোলন থামছে না

জানুয়ারি মাস থেকে ৪ শতাংশ ডিএ বাড়ছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের। এর ফলে ১৪ লক্ষ সরকারি কর্মী সুবিধা পাবে। বৃহস্পতিবার পার্কস্ট্রিটের এলেন পার্কে বড় দিনের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বড় দিন ও নতুন বছরের এটা খুশির খবর। এর জন্য ২,৪০০ কোটি টাকা বাড়তি খরচ হবে। সরকারি কর্মী, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অশিক্ষক, পেনশন প্রাপকরা এই ডিএ পাবেন। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকারের ডিএ বাধ্যতামূলক, রাজ্যপর ডিএ তা ঐচ্ছিক।এদিকে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সরকারি নোটিফিকেশন না করে এমন ঘোষণা ঠিক নয়। সরকারি কর্মীরা ভিক্ষা চায় না। ৪০ শতাংশ বকেয়া রয়েছে ডিএ। ঘোষনা হল ৪ শতাংশের। আমাদের অবস্থান, বিক্ষোভ চলবে। পুরো ডিএ আদায় করে ছাড়বো। এই ঘোষণার পর এখনও কেন্দ্রের সঙ্গে ৩৬ শতাংশ ফারাক রয়েছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৩
রাজ্য

উপাচার্য নিয়োগে জটিলতা কাটাতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, গঠন করা হবে সার্চ কমিটি

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব চরমে চলছে। এরইমধ্যে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগে আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল নবান্ন। রাজ্য সরকারের যুক্তি, আনন্দ বোস যে পদ্ধতিতে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন তা আইনসম্মত নয়। রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা ছাড়াই এককভাবে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন আচার্য। এদিন ছিল সেই মামলার শুনানি। নির্দেশে জানানো হয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগের জন্য শীর্ষ আদালতই সার্চ কমিটি গঠন করে দেবে। সেই সার্চ কমিটিতে কাদের সদস্য করা হবে সে ব্যাপারে রাজ্য সরকার, রাজ্যপাল এবং ইউজিসি-কে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩ থেকে ৫ জনের নাম পাঠাতে হবে। সেই সুপারিশ করা নামের মধ্যে থেকে ব্যক্তিদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট সার্চ কমিটি গঠন করবে। যে কমিটি স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে।সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, রাজ্যপাল আচার্য হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদের নিয়োগ কর্তা। অর্থাৎ তিনি অ্যাপয়ন্টিং অথরিটি। কিন্তু রাজ্যপাল উপাচার্যদের নির্বাচন কর্তা নন। কারণ, রাজ্যপালের কাছে কোনও সিলেকশন কমিটি নেই।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৭ সেপ্টেম্বর।শীর্ষ আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, রাজ্য-রাজ্যপালের ভিন্ন মত থাকতে পারে। কিন্তু আদালত তার মধ্যে ঢুকতে চায় না। আদালত স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের লক্ষ্যে শুধু পদক্ষেপ করবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৩
প্রযুক্তি

আদিত্য এল-১ অভিযানের মূল কারিগরকে জানুন, আজ সুর্যাভিযানে যাবে 'আদিত্য'

রবির কিরণে হাসি ছড়াইয়া দিব রে পরান ঢালিশিখর হইতে শিখরে ছুটিব,ভূধর হইতে ভূধরে লুটিব।শনিতে রবির অভিযান। মহাকাশ গবেষণায় চন্দ্রযান-৩ এর মহা সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার ইসরোর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আর এক যানআদিত্য ছুটবে সৌর্য পর্যবেক্ষণে। আদিত্য এল ১ আজ ২রা সেপ্টেম্বর সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ হবে। এই অভিযান স্বমন্ধে জানাতে গিয়ে ইসরো জানিয়েছে, এটির মূল লক্ষ্য হল মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তির উৎস সম্পর্কে আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করা যাতে সূর্যের জটিল প্রক্রিয়াগুলির উপর খুব ঘনিষ্ঠ অধ্যয়নের মাধ্যমে আলোকপাত করা যায়।এই অভিযান কে আদিত্য এল ১ বলা হচ্ছে কেন? এর মানে কী?আদিত্য নামটি এক অর্থে সূর্যকে বোঝানো হয়। আদিত্য বা আদিতেয় বলতে অদিতির সন্তানকে বোঝায়। সাধারণত, আদিত্যগণ সংখ্যায় বারো। এদের একত্রে দ্বাদশ আদিত্য বলা হয়। এরা হলেন অর্যমা, পূষা, ত্বষ্টা, সবিত্র, ভগ, ধাত্রী, মিত্র, বিষ্ণু, বরুণ, মিত্র, অংশ, বিবস্বান বা সূর্য। অনেক পণ্ডিতের মতে, দ্বাদশ আদিত্য বলতে বারোটি মাসকে বুঝানো হয়। ঋকবেদে এর উল্লেখ আছে। আদিত্য নামকরণ করা হয়েছে হিন্দু দেবতানুসারে এবং L1 মানে সূর্য-পৃথিবী সিস্টেমের Lagrange পয়েন্ট ১।আদিত্য L1 এর উদ্দেশ্য কি?মিশনের মূল লক্ষ্য হল সূর্য, সুর্যের করোনা ও এর বাইরের স্তর এবং এর চারপাশের ঘটনা নিয়ে গবেষণা করা। প্রকল্পটি হিন্দু সূর্য দেবতা আদিত্য র নামে নামকরণ করা হয়েছে। সূর্যের কার্যকলাপ এবং মহাকাশ আবহাওয়া এবং পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে গঠনমূলক বৈজ্ঞানিক তথ্য এবং অন্তর্দৃষ্টি সংগ্রহ করতে এই অভযান।আদিত্য এল ১-এর যন্ত্রের বিন্যাস গবেষকদের সূর্যের পৃষ্ঠ এবং করোনাকে অভূতপূর্ব গভীরতায় বিভিন্ন আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যে সূর্যকে দেখে পরীক্ষা করতে সক্ষম হবে। মিশনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল চৌম্বক ক্ষেত্রের গতিশীলতা, সৌর শিখা এবং পৃথিবীর জলবায়ু এবং মহাকাশের আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে এমন অন্যান্য সৌর প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও জানা।PSLV-C57/Aditya-L1 Mission:The 23-hour 40-minute countdown leading to the launch at 11:50 Hrs. IST on September 2, 2023, has commended today at 12:10 Hrs.The launch can be watched LIVEon ISRO Website https://t.co/osrHMk7MZLFacebook https://t.co/zugXQAYy1yYouTube ISRO (@isro) September 1, 2023আদিত্য এল ১ মিশনের প্রধান বিজ্ঞানী কে?আদিত্য এল ১ মিশনের প্রধান বিজ্ঞানী হিসাবে ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার (ইউআরএসসি) বিশিষ্ট সৌর বিজ্ঞানী ডাঃ শঙ্কর সুব্রমণিয়ান কে. দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর বৈজ্ঞানিক গবেষণার মূল দিকগুলি হল, ইন্সট্রুমেন্টেশন, অপটিক্স এবং সৌর চৌম্বক ক্ষেত্র। ইসরোর অ্যাস্ট্রোসাট, চন্দ্রযান-১ ও চন্দ্রযান-২ এ ও তাঁর যথেষ্ট অবদান ছিলো।বর্তমানে তিনি ইউআরএসসির স্পেস অ্যাস্ট্রোনমি গ্রুপের (এসএজি) দায়িত্বে রয়েছেন। চন্দ্রযান-৩ প্রোপালশন মডিউলের উপরে আদিত্য-এল 1, এক্সপোস্যাট এবং বিজ্ঞানের পেলোডের আসন্ন মিশনের জন্য, SAG বৈজ্ঞানিক পেলোড তৈরি করার কাজ করছে। উপরন্তু, তিনি আদিত্য-এল ১ এর এক্স-রে পেলোডগুলির মধ্যে জন্য প্রধান গবেষক হিসাবে কাজ করছেন। আদিত্য-এল ১ সায়েন্স ওয়ার্কিং গ্রুপ, যার মধ্যে অনেক ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা রয়েছে, এর নেতৃত্বে রয়েছেন ড. শঙ্করসুব্রামনিয়ান কে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

প্রসঙ্গ নারী নির্যাতন: গতকাল কাঁদলেন লকেট, আজ তৃণমূল সাংসদের চোখে জল

পশ্চিমবঙ্গে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল্লিতে বসে সংবাদ মাধ্যমের সামনেই কেঁদে ভাসিয়েছেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। আর শনিবার চোখের জলে ভাসিয়ে দিলেন তৃণমূলের আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। যা লকেটের পালটা বলেই মনে করা হচ্ছে।২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে মণিপুর নিয়ে তোপ দেগেছিলেন স্বয়ং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। নারী সুরক্ষা নিয়ে সোচ্চার হয়ে বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করেছিলেন। পালটা রাজ্যে বেহাল নারী নিরাপত্তার কথা বলতে গিয়ে হাওড়ার পাঁচলার ঘটনাকে তুলে ধরেন লকেট। যা বাংলায় নারীদের অসহনীয় পরিণতির প্রমাণ বলে দাবি বিজেপি সাংসদের। সেই সময়ই হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি।লকেট চট্টোপাধ্যায় অসত্য বলছেন বলে এদিন দাবি করেছেন অপরূপা পোদ্দার। আরামবাগের সাংসদের দাবি, আপনি মুখ্যমন্ত্রীর নামে তো মিথ্যা বলছেন। অপরূপার প্রশ্ন, হাথরস, বালেশ্বরের মর্মান্তিক মৃত্যুর সময় লকেটদি আপনার মানবিক মুখ কোথায় ছিল? আপনার তো গর্ব হওয়া উচিত, ভাবা উচিত একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে কাজ করছেন তাতে আপনি পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলের সাংসদ হয়েও সুরক্ষিত। কিন্তু, আমরা এ রাজ্য থেকে গিয়ে ত্রিপুরায় সুরক্ষিত নই। মনে রাখবেন যেভাবে কাজ মমতাদি করেছেন, তাতে দেশের মানুষের মনে উনি রয়েছেন। স্মৃতি ইরানির উচিত মণিপুরে যাওয়া। তাহলেই ফারাক বুঝতে পারবেন।এরপরই ১৯৯৩ সালে তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার খাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে আনেন অপরূপা। তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাটিতে ফেলে মেরে সঙ্গে ১৩ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল, সেদিন কারও লজ্জা হয়নি? সেদিন গণতন্ত্র বিপন্ন ছিল না?

জুলাই ২২, ২০২৩
রাজনীতি

খুনের আশঙ্কা করেছিলেন, এবার বিশেষ নিরাপত্তার ঘেরাটোপে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ

নিজেই খুনের আশঙ্কা প্রকাশ করছিলেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। বিশেষ করে ভাঙড়ে পঞ্চায়েতে মনোনয়নে অশান্তি হওয়ার পর সেই শঙ্কা বেড়ে যায় নওশাদের। তাঁর বক্তব্য, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে জানিয়েও কোনরকম নিরাপত্তা না পাওয়ার কারণে মাননীয় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলাম।নওশাদ বলেন, কলকাতা হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আমার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার ব্যাপারে। সেই অনুযায়ী রবিবার বেলা চারটের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের (CISF) সাতজনের একটা টিম আমার বাড়িতে এসে পৌঁছায় এবং আমার নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করে।তবে কোন ক্যাটাগরির নিরাপত্তা তিনি পেয়েছেন তা জানা যায়নি। নওশাদ বলেন, কোন ক্যাটাগরির নিরাপত্তা চূড়ান্ত করা হচ্ছে সে বিষয় এখনো স্পষ্ট হয়নি, আগামীকাল কলকাতা হাইকোর্টে আমার নিরাপত্তা বিষয়ক মামলার শুনানি আছে হয়তো সেখানে বিস্তারিত জানতে পারবো।

জুন ২৫, ২০২৩
রাজ্য

গুনধর জামাইবাবাজির কান কাটল শাশুড়ি, থানায় অভিযোগকে ঘিরে চাঞ্চল্য

সালটা ১৯৯৭,আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে লাস ভেগাসে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্সিং ম্যাচ চলাকালীন, বক্সিং রিংয়ের ত্রাস মাইক টাইসন তাঁর প্রবল প্রতিপক্ষ ইভান্ডার হলিফিল্ডের কান কামড়ে ছিঁড়ে নিয়েছিলেন। সেই আপরাধে টাইসনকে বাউটের অযোগ্য ঘোষণা করা হয় এবং তাঁর বক্সিং লাইসেন্স কারে নেওয়া হয়। পরে অবস্য তিনি আবার রিংয়ে ফিরে আসেন।এবার টাইসন নন, স্বয়ং শাশুড়ি বাবাজীবন হলিফিল্ডের কান কামড়ে ছিঁড়ে নিলেন! মদ্যপান করে শ্বশুর বাড়িতে এসে চেঁচামেচি করাই কাল হল জামাই বাবাজির। অভিযোগ জামাইয়ের কান কেটে নিয়েছেন শাশুড়ি। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদার ইংরেজবাজারের নিমাসরাইতে।শ্বশুরবাড়িতে জামাই এসেছেন মদ্যপান করে। সেখানে গিয়েই স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়াও করতে শুরু করে জামাই। সেই পরিস্থিতি সহ্য করতে না পেরে গুণধর জামাইকে বটি দিয়ে কান কাটার অভিযোগ ওঠে শাশুড়ির বিরুদ্ধে। রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে ইংরেজবাজার থানার নিমাসরাই এলাকায়। আহতকে ভর্তি করানো হয় মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। আক্রান্ত জামাইয়ের বাম কানে গুরুতর আঘাত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা। জখম জামাইবাবাজি শাশুড়ি নিতলা চৌধুরীর বিরুদ্ধে ইংরেজবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।পুলিশ জানা গিয়েছে, আক্রান্ত জামাইয়ের নাম সুনীল চৌধুরী (৩৬)। অভিযুক্ত শাশুড়ির নাম নিতলা চৌধুরী। আক্রান্ত জামাই সুনীল চৌধুরীর সঙ্গে বিয়ে হয় নিতলা চৌধুরীর মেয়ে দুর্গা চৌধুরীর। দুর্গা চৌধুরী পরিবারের চার মেয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই মদ্যপ অবস্থায় গুণধর জামাই তার স্ত্রীর ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করছিল বলে অভিযোগ। এনিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পরিবারের মধ্যে গন্ডগোল বেঁধেই রয়েছে। এদিন সকালে সুনীল চৌধুরী মদ্যপ অবস্থায় এসে স্ত্রীকে গালিগালাজ করে। মেয়েকে গালিগালাজ করতে দেখেই জামাইয়ের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে শাশুড়ি। শুরু হয় লাঠি দিয়ে মারধোর। অভিযোগ এরপর বটি নিয়ে জামাইয়ের বাম কানে আঘাত করে শাশুড়ি। বাম কানের কিছুটা অংশ কেটে যায় জামাইয়ের। স্থানীয়রা আহতকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। এবিষয়ে অভিযুক্ত শাশুড়ির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আহত জামাই। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ০৭, ২০২৩
দেশ

রাতের উত্তর আকাশে হটাৎ আলোর ছটা! কি সেই আলোর উৎস? জানুন

বৃহস্পতিবার সব্ধায় উত্তর আকাশে টর্চের আলোর মত আলোর ফোকাস দেখে পথ চলতি মানুষের মনে কৌতুহল জন্মায়। তাঁদের নানা জনের মুখে নানা মত শোনা গেছে, কেউ বলছেন উল্কা তো আরেকজন বলছেন ভিন গ্রহের যান। ডিআরডিও-র নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫ যা পারমাণবিক আস্ত্র বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। অগ্নি ৫,৪০০ কিলোমিটারের বেশি দূরে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্রে বৃহস্পতিবার জানা গিয়েছে।শহর থেকে গ্রাম, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আকাশে অদ্ভুত আলো দেখে কৌতূহলী হয়ে পরে। সেই আলো নিয়েই ঘনায় রহস্য। ওই আলো ঘিরে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্কের-ও সৃষ্টি হয়। জল্পনার মধ্যেই সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা যায়,ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম যাচাই করার জন্য এই পরীক্ষাটি করা হয়েছিল এবং এটি প্রমাণ করেছে যে ক্ষেপণাস্ত্রটি এখন আগের চেয়ে আরও দূরে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে।ওড়িশার উপকূলের আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করা হয়েছে। এটি অগ্নি V- সিরিজের নবম ফ্লাইট। ২০১২ সালে অগ্নি-র প্রথম উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবারের নিক্ষেপণটি একটি সাধারণ পরীক্ষা বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সুত্রে জানা গিয়েছে।চীন সীমান্তে ভারত ও চীন সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের কয়েকদিন পর পরীক্ষাটি করা হয়েছে বলে অনেকের-ই মনে কৌতূহল জন্মায়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে এটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ভারত একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার দিন ঘোষণা করেছিল। এবং অরুণাচলের তাওয়াং-এ ঘটনার আগে এয়ারম্যানদের জন্য একটি নোটাম বা নোটিশ জারি করেছিল।অরুণাচলে অনুপ্রবেশের সাথে সাথে, চীন গত সপ্তাহে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নামে পরিচিত ডি ফ্যাক্টো সীমান্তে একতরফাভাবে স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছিল, সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছিল যা উভয় পক্ষের সেনাবাহিনী আহত হয়েছিল। সাময়িকভাবে সেই চেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২২
দেশ

পড়শি দেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃত ৬, দিল্লিসহ উত্তর ভারতেও কম্পন

ভোর রাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল। বুধবার ভোরের ভূমিকম্পে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬.৬। জানা গিয়েছে, ভয়াবহ ভূমিকম্পের জেরে অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে প্রতিবেশি দেশে। কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী দিল্লসহ উত্তর ভারতের একাধিক জায়গায়।জানা গিয়েছে, কম্পনের উৎসস্থল উত্তরপ্রদেশের পিলিভিট থেকে ১৫৮ কিমি উত্তর-পূর্বে। এটা নেপাল সীমান্ত লাগায়ো দোতি জেলা। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিমি গভীরে কম্পনের কেন্দ্রস্থল। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ভোর রাত ২.১২ মিনিট নাগাদ দোতিতেই কম্পনের জেরে বাড়ি ভেঙে ৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। নেপালের ভূমিকম্পের জেরে কম্পন অনুভূত হয়েছে দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের একাধিক স্থানে।এই কম্পনের আগে দুবার কম্পন হয়েছে। ওই একই উৎসস্থলে মঙ্গলবার রাত ৯.০৭ -এ রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার কম্পন হয়, তারপর রাত ৯.৫৬ নাগাদ একই কেন্দ্রস্থলে ৪.১ মাত্রার কম্পন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

খেটেখাওয়া জামাইবাবু-শ্যালক এক টিকিটেই কোটিপতি

দুজনের ভাগ্য জুড়ে এক টিকিটের সিরিজেই ১ কোটি! মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের জামাইবাবু-শ্যালক ১৫ টাকা করে ভাগে টিকিট কেটে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গিয়েছেন। এও যেন এক নজির। এক সিরিজের টিকিট কেটেছেন দুজন মিলে। তাই পুরস্কারের টাকাও দুভাগ করে নেবে তাঁরা।মালদার চাঁচোলের হরিশ্চন্দ্রপুরে পিপলা গ্রামের বাসিন্দা পিন্টু সাহা এবং কৃষ্ণ দাস। এরা সম্পর্কে জামাইবাবু-শ্যালক। এঁরা দুজনেই পানের দোকান চালান। কোনওরকমে দিনযাপন চলে। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। এবার এঁদের দুজনের সংসারে আলোর রোশনাই দেখা যাবে। কোটিপতি হতে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গিয়েছেন শ্যালক-জামাইবাবু। তাঁরা পুরস্কারের অর্থ মূল্য দুজন সমান ভাগে ভাগ করে নেবেন। তাঁদের এই সিদ্ধান্তে বেশ খুশি পরিবারে সদস্যরাও। পুরস্কার পড়েছে শুনে টিকিট নিয়েই তাঁরা ছোটেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

“পুলিশের গায়ে হাত পড়লে ছাড় নয়”, পার্ক সার্কাস কাণ্ডে কড়া শুভেন্দু

পার্ক সার্কাসে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগের পর কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার প্রতিবাদ কর্মসূচির সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সোমবার সকালে সাউথ ইস্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনারের দপ্তরে যান মুখ্যমন্ত্রী।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় জানান, পুলিশের উপর কোনও ধরনের হামলা বরদাস্ত করা হবে না। তিনি বলেন, পাথর ছোড়া শ্রীনগরেও বন্ধ হয়েছে। কলকাতাতেও বন্ধ হওয়া দরকার। যদি কেউ মনে করেন আগের সরকারের মতো পুলিশকে হাত-পা বেঁধে রাখা হবে, তাহলে ভুল ভাবছেন।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গুণ্ডামি বা অসামাজিক কাজকর্মের বিরুদ্ধে সরকার কড়া পদক্ষেপ নেবে। পুলিশমন্ত্রী হিসেবেও তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পুলিশের গায়ে হাত পড়লে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু গ্রেপ্তার নয়, অভিযুক্তদের শাস্তি নিশ্চিত করতেও সরকার নজর রাখবে।শুভেন্দু আরও বলেন, পুলিশ আহত হবে আর মুখ্যমন্ত্রী এসি ঘরে বসে থাকবে, সেই দিন শেষ। কোনও পুলিশ কর্মী আক্রান্ত হলে আমি নিজে বিষয়টি দেখব এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে পুলিশকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অতীতে রাজ্যে একাধিকবার পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল আমলেও বিভিন্ন ঘটনায় পুলিশকে ইটবৃষ্টির মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সেই সময় এসআই তাপস চৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনাও বড় বিতর্ক তৈরি করেছিল।প্রাক্তন ডেপুটি পুলিশ কমিশনার সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সরকারের দায়িত্ব। কেউ যদি পুলিশের উপর হামলা চালায় বা সরকারি কাজে বাধা দেয়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এবার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার! মাসে ৩ হাজার টাকা পাবেন কারা?

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। সোমবার নবান্নে বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকের পর পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, খুব শীঘ্রই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য একটি পোর্টাল চালু করা হবে। তারপরই প্রকল্পটি কার্যকর করা হবে।রাজ্য সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, যাঁরা বর্তমানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন, তাঁরা সকলেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আওতায় আসবেন। তাঁদের প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়াও সরকারের কাছে জমা পড়ে থাকা প্রায় ৯১ লক্ষ আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সমীক্ষার ভিত্তিতে নতুন উপভোক্তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাঁরা সিএএ-র জন্য আবেদন করেছেন, তাঁরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদেরও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আওতায় আনা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না, সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি সরকার।সরকারি সূত্রে খবর, যাঁরা এখনও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তা নন, তাঁদের আলাদা করে আবেদন করতে হবে। নতুন পোর্টাল চালু হওয়ার পর সেখানে নাম নথিভুক্তির সুযোগ থাকবে।এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম পে কমিশন, ধর্মীয় ভাতা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই বৈঠকের পরই নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘোষণা করেন, আগামী ১ জুন থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা চালু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।রাজ্যে সরকার বদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। বরং সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও নতুন প্রকল্প আনা হবে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে সরকারের এই ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মে ১৮, ২০২৬
ব্যবসা

১০০ টাকার পথে ডলার? টাকার নতুন রেকর্ড পতনে চাপে দেশবাসী

সোমবার বাজার খুলতেই ফের বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় টাকা। এক মার্কিন ডলারের দাম পৌঁছে গেল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়। এর ফলে টাকার দাম আরও ৪৪ পয়সা কমে সর্বকালীন রেকর্ড পতন ঘটল। অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই টাকার উপরে চাপ ক্রমশ বাড়ছে।গত ৪ মার্চ প্রথমবার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে ডলারের দাম ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। তখন এক ডলারের দাম হয়েছিল ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। তারপর থেকেই টাকার দামে একের পর এক পতন দেখা যাচ্ছে। গত ১২ মে এক ডলারের দাম পৌঁছেছিল ৯৫ টাকা ৫৮ পয়সায়। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে সোমবার টাকার দাম নেমে দাঁড়াল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতের অর্থনীতিতে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। দীর্ঘ সংঘর্ষের পর আপাতত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। হরমুজ প্রণালী ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতও তার প্রভাব থেকে বাদ যাচ্ছে না।তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সক্রিয় হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে একাধিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।এদিন শুধু টাকার দামই নয়, বড় ধাক্কা খেয়েছে দেশের শেয়ার বাজারও। বাজার খোলার পর প্রায় ৯৫০ পয়েন্ট পড়ে যায় সেনসেক্স। একইসঙ্গে বড় পতন দেখা যায় নিফটিতেও। যদিও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় বাজার। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বিএসই সেনসেক্স ৬৪৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৭৪ হাজার ৫৯২ দশমিক ৯৯-এ। নিফটি ২০৬ পয়েন্ট নেমে দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৪৩৭ দশমিক ২০-এ। ব্যাঙ্ক নিফটিতেও বড় ধস দেখা যায়। প্রায় ৬৮৫ পয়েন্ট কমে ব্যাঙ্ক নিফটির অবস্থান হয় ৫৩ হাজার ২৪ দশমিক ৭৫।অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনে টাকার উপরে আরও চাপ বাড়তে পারে। ফলে সাধারণ মানুষের খরচ থেকে শুরু করে আমদানি, জ্বালানির দাম এবং বাজারের উপরেও তার বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মে ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বৃষ্টি বিদায়, ফিরছে ভয়ংকর গরম! জৈষ্ঠ্য পড়তেই হাঁসফাঁস অবস্থা দক্ষিণবঙ্গে

মে মাসের শুরুতে টানা মেঘলা আকাশ, ঝড়-বৃষ্টি এবং ঠান্ডা হাওয়ার জেরে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা অনেকটাই স্বাভাবিকের নীচে ছিল। সন্ধে নামলেই একাধিক জেলায় শুরু হচ্ছিল ঝড়-বৃষ্টি। ফলে বৈশাখের তীব্র গরম থেকে খানিকটা স্বস্তি পেয়েছিল রাজ্যবাসী। কিন্তু জৈষ্ঠ্য মাস পড়তেই বদলাতে শুরু করেছে আবহাওয়া। ধীরে ধীরে বাড়ছে গরম এবং অস্বস্তি।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এই সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। কলকাতার তাপমাত্রা আপাতত ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।কলকাতায় আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকলেও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় আগামী দুদিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও গরম এবং গুমোট অস্বস্তি থেকে খুব একটা স্বস্তি মিলবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া একেবারেই আলাদা। দক্ষিণবঙ্গে যখন বাড়ছে গরম, তখন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা ভাসছে বৃষ্টিতে। সোমবার এবং মঙ্গলবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী তিন দিন বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

মে ১৮, ২০২৬
রাজ্য

উদয়ন ঘনিষ্ঠদের একের পর এক গ্রেফতার! থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন দিনহাটার প্রাক্তন পৌরপ্রধান

দিনহাটা পুরসভার বিল্ডিং প্ল্যান দুর্নীতি মামলায় ফের বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পৌরপ্রধান গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী এদিন নিজে থেকেই দিনহাটা থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গতকাল থেকেই তাঁকে খুঁজছিল তদন্তকারীরা।এর মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল উদয়ন গুহ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রী এবং দিনহাটা পুরসভার কর্মী মৌমিতা ভট্টাচার্যকে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি পুরসভায় কাজ করছিলেন। অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় পুলিশ তাঁকে আটক করে। এরপরই গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।পুলিশ সূত্রে খবর, গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী দিনহাটা পুরসভার পৌরপ্রধান থাকাকালীন বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন নিয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। পরে দলের চাপেই তিনি পৌরপ্রধান পদ থেকে ইস্তফা দেন বলে রাজনৈতিক মহলে দাবি।মৌমিতা ভট্টাচার্য এবং গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী দুজনেই প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। তাই তাঁদের গ্রেফতারের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এই দুর্নীতির তদন্তে আরও কার নাম সামনে আসতে পারে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই জেলায় উদয়ন গুহকে দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই মামলার তদন্তে তাঁর নাম জড়ায় কি না, তা নিয়েও বাড়ছে গুঞ্জন।অন্যদিকে, নদিয়াতেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে কৃষ্ণনগর এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সরজিৎ বিশ্বাসকে। তিনি দিগনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানও ছিলেন।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

চাকরিপ্রার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়ল জনতার দরবার! তারপরই নবান্নে শুভেন্দুর হাইভোল্টেজ বৈঠক

সোমবার নবান্নে বসছে বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। তার আগেই সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে জনতার দরবারে হাজির হলেন শুভেন্দু অধিকারী। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনি সেখানে পৌঁছন। উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা শুভেন্দুকে স্বাগত জানান। এরপর সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ শুনতে শুরু করেন তিনি। প্রথম দিনেই সেখানে চাকরিপ্রার্থীদের ভিড় চোখে পড়ে।সূত্রের খবর, জনতার দরবার শেষ করেই শুভেন্দু অধিকারী নবান্নে যাবেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। পাশাপাশি দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আর জি কর কাণ্ড, নারী নির্যাতন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, পে কমিশন এবং বকেয়া ডিএ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।গত সপ্তাহেই বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যুক্ত হওয়া, সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালুর মতো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। তাই দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন কী ঘোষণা হতে পারে, তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে সরকারি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, সুশাসন এবং নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়েই এগোবে নতুন সরকার। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।সরকারি কর্মীদের সবচেয়ে বড় নজর এখন বকেয়া ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশনের দিকে। আগের সরকারের সময় সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিলেও পুরো টাকা এখনও মেলেনি। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের একাংশের বকেয়া দেওয়া হলেও ২০০৮ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ডিএ এখনও বাকি রয়েছে।নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে আশা তৈরি হয়েছে যে, এবার হয়তো পুরো বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হতে পারে। অর্থ দপ্তর সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারেও সপ্তম বেতন কমিশনের প্রতিশ্রুতি ছিল। সরকারি কর্মীদের দাবি, সপ্তম বেতন কমিশন চালু হলে তাঁদের বেতন অনেকটাই বাড়বে। তাই আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal