• ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Corona

স্বাস্থ্য

রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় বাড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৯ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ৯৮৭। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৪ হাজার ৬১৭। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৯৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৪১ হাজার ১০০ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৩.০৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮২৭০। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে নিম্নমুখী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা শুক্রবার ৪৫ হাজার ১২৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৯৩ জন। যথারীতি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৫৮ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়ার সংক্রমণের ছবিটা অবশ্য বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ২৩৮ ও ২৩০। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১০২।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে নিম্নমুখী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

স্বাস্থ্যদপ্তরের নয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৩৫০৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৫৩৭ জন। এই মুহূর্তে ৯৩ শতাংশ সুস্থতার হারেই করোনাযুদ্ধে এগিয়ে বাংলা। স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট কোভিড রোগীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৯১, যার মধ্যে অ্যাকটিভ রোগী ২৪, ৬৭০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে প্রাণহানি ঘটেছে ৫২ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা তা নিয়ে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৮২২৪। কলকাতায় এই মুহূর্তে সংক্রমিতে সংখ্যা ৬৮২৮, উত্তর ২৪ পরগনায় তা সামান্য কম ৬৫৬৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪, ৭১৩ জনের, যার মধ্য়ে ৮.২৬ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৫৬,৫৪, ৫২৪।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫২৮ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৯১। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার ৭৫২। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬০৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬৭ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.৯৫ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮১৭২। বুধবার ৪৪ হাজার ৬৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৬ লক্ষ ৫৪ হাজার ৫২৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। একদিনে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ৮৮০ জন৷ এই পর্যন্ত শহরে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ২ হাজার ৫০৩ জন৷ এর পরই উত্তর ২৪ পরগণা৷ এই জেলায় মোট আক্রান্ত ৯৬ হাজার ৭৫৯ জন৷ কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণা মিলে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ৯৯ হাজার ২৬২ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭২৯ জন৷কলকাতায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ দুই জেলা মিলে একদিনে মোট মৃত্যু ২৬ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় একদিনে মোট মৃত্যু হয়েছে মাত্র ২৫ জনের৷

নভেম্বর ২৬, ২০২০
কলকাতা

করোনায় আক্রান্ত কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান

করোনায় আক্রান্ত হলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান। তিনি রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতাও। মঙ্গলবার রাতে তাঁর কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। হাই সুগার-সহ একাধিক কো-মর্বিডিটি থাকায় বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাকে ভরতি করা হয়েছে এক বেসরকারি হাসপাতালে। তবে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। আরও পড়ুনঃ অগ্নিমিত্রা পলের মন্তব্যের কড়া নিন্দা পার্থর জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দার্জিলিংয়ে গিয়েছিলেন চাঁপদানির এই বিধায়ক। সেখান থেকে ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁর ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। বিরোধী দলনেতার এই অসুস্থতার খবরে উদ্বিগ্ন বিধান ভবন। দ্রুত সুস্থতা কামনায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সহকর্মী, অনুরাগীরা।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

করোনা নিয়ন্ত্রণে আসায় বন্ধ হচ্ছে সেফ হোম

সাধারণ মানুষের সচেতনতার জেরে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে। তাই এবার হাওড়ার অধিকাংশ সেফ হোম বন্ধ করতে চলেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। আগামী ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। করোনা আক্রান্তদের পৃথকভাবে রাখতে জেলা জুড়ে তৈরি করা হয় বেশ কয়েকটি সেফ হোম। যেখানে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হত। গত কয়েকদিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত তিন দিনে হাওড়া জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন প্রতি ১৬০থেকে ১৭০-এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আরও পড়ুন ঃ দিলীপ ঘোষের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, জেলার দশটি সেফ হোমের মধ্যে সাতটি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১লা ডিসেম্বর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে। আমতা, ডোমজুড় ও বাকসীর সেফ হোম তিনটি চালু থাকবে। ওই আধিকারিক আরো জানান, বর্তমানে আক্রান্তরা সেফ হোমে থাকতে চাইছেন না। তাই তাঁদের বাড়িতেই চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক আক্রান্তের সাথে একজন চিকিৎসাকে ট্যাগ করে দেওয়া হচ্ছে। ওই চিকিৎসক রোগীর নিয়মিত খবর নেবেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৪৫ জন। বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৬৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৮৮০। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ৪৬২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.৮৮ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮১২১। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ৪৪ হাজার ৫৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৬ লক্ষ ৯ হাজার ৮৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩, ৫৪৫ জন। তাঁদের মধ্যে কলকাতার ৮৬৭ জন। দ্বিতীয়ে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ৮১৬ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানকার মোট ২৩২ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। নদিয়া (২১৯), হুগলি (১৯১), জলপাইগুড়ি (১৩৩), এছাড়াও প্রায় সব জেলা থেকেই মিলেছে নতুন আক্রান্তের হদিশ। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৬৩, ৪৬৩। এদিনে মৃত ৪৯ জনের মধ্যে ১৫ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ মৃত্যুর নিরিখে প্রথমে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে জিএসটি বাবদ বকেয়া দাবি মমতার

অতিমারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে টিকাকরণ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গও প্রস্তুত আছে। টিকাকরণের জন্য রাজ্যে প্রশিক্ষিত দক্ষ ব্যক্তি ও পরিকাঠামো প্রস্তুত। যত দ্রুত ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে, কেন্দ্র ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে তত তাড়াতাড়িই কাজ শুরু করে দেবে বাংলা। যাতে সবাই দ্রুত ভ্যাকসিন পায়, তা নিশ্চিত করা হবে। মঙ্গলবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে মোদীকে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সারা দেশে করোনার টিকার দিকে তাকিয়ে আছে। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, দুর্গাপুজো, কালীপুজো, ছট প্রভৃতি উৎসব ও লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়া সত্ত্বেও রাজ্যে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে। রাজ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমেছে। সুস্থতার হার বেড়েছে। বাংলা একটি সংবেদনশীল রাজ্য, বাংলাদেশ-ভুটানের সীমান্ত এই রাজ্যে রয়েছে। দেশগুলি থেকে রোগীরাও বাংলায় চিকিৎসার জন্য আসে। ফলে বাংলাদেশে করোনা রোগীর পরিমাণ বাড়লে তা এ রাজ্যেও প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশার রোগীরাও এ রাজ্যে চিকিৎসার জন্য আসে। তা সত্ত্বেও অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলায় মৃত্যুর হার কম। অন্যান্য বছরে রাজ্যে এর চেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গু, কিডনির রোগ বা হৃদরোগে মারা যেতেন। সে তুলনাতেও রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী এর আগেও বার বার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে জিএসটি বকেয়া নিয়ে অভিযোগ করেছেন মমতা। তবে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সামনে ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জিএসটি বাবদ রাজ্য কেন্দ্রের কাছ ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পায়। সেই টাকা কেন্দ্র দিচ্ছে না। এদিকে বিভিন্ন খাতে রাজ্যের খরচ বেড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য ৪০০০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে দিয়েছে মাত্র ১৯৩ কোটি টাকা।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সোমবারের মেডিক্যাল বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৭ জন। বাংলায় মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯১৮ জন। দৈনিক মৃতের কমেছে কিছুটা। একদিনে রাজ্যে কোভিডের বলি ৪৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়েছেন ৩ হাজার ৬৮৭ জন। তার ফলে করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২৬ হাজার ৮১৬ জন। বাংলায় করোনায় সুস্থতার হার ৯২.৮০ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার একদিনে বাংলায় কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪২ হাজার ৩৬৭ জনের। তার ফলে বাংলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৫৫ লক্ষ ৬৫ হাজার ৩৩১টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। অন্যদিকে, কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৪৭ জন। তার ফলে শুধুমাত্র মহানগরীতে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লক্ষ ৭৫৬ জন। তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩,৫৯১ জন। ফলে বাংলার মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৫৬, ৩৬১। এদিনে করোনার বলি হয়েছেন বাংলার ৪৯ জন। মোট মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে ৮ হাজারের গণ্ডি। তথ্য অনুযায়ী এই একদিনে করোনাকে পরাস্ত করেছেন বাংলার ৩,৭২৬ জন। এখনও পর্যন্ত করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন বাংলার মোট ৪, ২৩, ১২৯ জন। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মোট ৪৪, ৬৫৩ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৫, ২২, ৯৬৪ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়াল সাড়ে ৪ লক্ষের গণ্ডি এছাড়াও কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৭৯ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮২৮ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ৩৬৮ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নতুন আক্রান্ত ২৫৬ জন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়াল সাড়ে ৪ লক্ষের গণ্ডি

একদিনে বাংলায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৩৯ জন। ফলে এদিন বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৭০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন ৪ লক্ষ ১৯ হাজার ১০৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনাকে জয় করেছেন ৩ হাজার ৭৯৪ জন। তবে রাজ্যের সুস্থতার হার রয়েছে ৯২.৬৩ শতাংশ। বাংলায় চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৩৯১ জন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সেই হার আবার বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ৯৭৬ জন। এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে প্রায় ৫৫ লক্ষ৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৪৪ হাজার ২০৮ টি৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে একইদিনে করোনায় মৃত্যু ৫০ জনের কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯০ জন। এর সামান্য পিছনে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা। একদিনে এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪২ জন। ২০০-এর বেশি করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে হাওড়া, হুগলি ও নদিয়ায়। এদিকে যথারীতি উত্তরবঙ্গের চিন্তা বাড়িয়েছে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি। দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে শতাধিক মানুষ।

নভেম্বর ২২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে একইদিনে করোনায় মৃত্যু ৫০ জনের

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬২৬ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩১। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৫ হাজার ৫৯৯। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫০ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ১৫ হাজার ৬০৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯২.৫৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৯২৩। শুক্রবার ৪৪ হাজার ১৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ১০৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে অনেকটাই কমল কোভিডজয়ীর সংখ্যা কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮০ জন। অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭৪ জন। চিন্তা বাড়িয়ে হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ২২৬, ১৭৮, ৩০৩ এবং ২১০ জন। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১০৪।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভক্তদের জন্য বন্ধ বেলুড়ের সারদা পিঠ

করোনা জনিত কারণে বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠের জগদ্ধাত্রী পুজোয় জনসাধারণের প্রবেশ বন্ধ। ভোগ বিতরণ বন্ধ থাকবে। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ ৭৫ বছরের এই পুজো এবার হবে মা সারদার প্রার্থনা কক্ষেই। তবে পুজোর সরাসরি সম্প্রচার সারদাপীঠ ও বেলুড়মঠের নিজস্ব ওয়েবসাইটে দেখা যাবে। সন্ন্যাসী ও ব্রহ্মচারীরা মিলেই করবেন এই পুজো। অষ্টমীতে মায়ের অধিবাস ও আমন্ত্রণ। নবমী দিন সপ্তমী ও অষ্টমীর পুজো হবে। আরও পড়ুনঃ হাওড়া ব্রিজে মিনিবাসে অগ্নিকাণ্ড , উত্তেজনা দশমীতে সকাল সাতটায় দেবীর পুজো ও সাড়ে আটটায় দর্পণ বিসর্জন হবে। বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠের সম্পাদক স্বামী দিব্যানন্দ মহারাজ বলেন, এবার শারীরিকভাবে ভক্তদের পুজো দেখার অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না। তবে পুজো যে নিয়মে, যে রীতিতে এতদিন হয়ে এসেছে সেই ভাবেই হবে।

নভেম্বর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই কমল কোভিডজয়ীর সংখ্যা

স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৬২০ জন। সবমিলিয়ে এদিন বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫০৫ জন। রাজ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৮৭৩ জন। একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩ হাজার ৯৯০ জন। ফলে এদিন রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৭৫৯ জন। শতাংশের হিসেবে ৯২.৪৩। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭ হাজার ৮৭৩ জন। আরও পড়ুন ঃ ফের ঊর্ধ্বমুখী বাংলার কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৮২ জন। যথারীতি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৩ জন। চিন্তা বাড়িয়ে হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০০ জনেরও বেশি। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি।

নভেম্বর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

ফের ঊর্ধ্বমুখী বাংলার কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪২৯ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৭ হাজার ৭৬৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯২.২৮ শতাংশ। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৬৮ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৮৫। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৬ হাজার ২৯৬। এদিনের সংক্রমিতদের মধ্যে ৮৭৪ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮০৫ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন আক্রান্ত ২৪৯ জন। হুগলিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ২৪৫। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের দুই জেলা দার্জিলিং ও জলপাইগুড়িতে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনায় সুস্থতার হার গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৮২০। বুধবার ৪৪ হাজার ৫১৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৬৮১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্যে ফের লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন ৩৬৫৪ জন। এ নিয়ে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৬৩। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি রাজ্যের ৫২ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৭৬৬। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৩৮৮ জন। সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩ হাজার ৩৪০। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.০৪ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে ফের কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণগত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ২৩৮টি, যার মধ্যে ৮.২৭ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৩ লক্ষ ১ হাজার ১৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে উদ্বেগ বাড়িয়েছে সেই দুই জেলা কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। উভয় জেলাতেই ৬৯০০র বেশি অ্যাকটিভ করোনা রোগী এই মুহূর্তে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের কনস্টেবলের

কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হল আরও এক পুলিশকর্মীর। মৃতের নাম কমলকৃষ্ণ বল। তিনি কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। কয়েকদিন আগেই তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে। মঙ্গলবার তিনি মারা যান। এই ঘটনায় তাঁর পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত তাঁর সহকর্মীরাও। আরও পড়ুন ঃ ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের কলকাতা পুলিশের তরফে সবরকমভাবে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। লালবাজার সূত্রে খবর , এনিয়ে কোভিড সংক্রমণে কলকাতা পুলিশের ১৮ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে ফের কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১২ জন। এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৬৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৭ হাজার ৮৯৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৩ জনের মৃত্য়ু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৭১৪ জন। তবে স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটাই বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৯৮ হাজার ৯৫২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯১.৮১ শতাংশ। কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৭২৮ জন। তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৮ জন। একদিনে পরীক্ষা হয়েছে ৩৮ হাজার ১২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বাংলায় ৫২ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৯৭ জনের কোভিড টেস্ট হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের

ফের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল কলকাতা পুলিশের এক সাব ইন্সপেক্টরের। মৃতের নাম মানব মুখোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন। করোনা যুদ্ধে একেবারে সামনের সারি থেকে লড়ছিলেন তিনি। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি ভরতি হন হাসপাতালে। সোমবার তিনি মারা যান। আরও পড়ুন ঃ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহিলার , রণক্ষেত্র কাদাপাড়া মোড় এই নিয়ে করোনায় প্রাণ হারালেন কলকাতা পুলিশের ৯ জন সদস্য। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কলকাতা পুলিশের প্রায় পাঁচ হাজার জন। তাঁদের মধ্যে অবশ্য অধিকাংশই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মানববাবুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩, ০৫৩ জন। যা শেষ কিছুদিনের তুলনায় অনেকটাই কম। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৩১, ৫৫১। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫১ জনের মৃ্ত্যু হয়েছে। করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭, ৬৬১। তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ৪, ৪৮০ জন। বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা বেড়ে হল ৩, ৯৪, ৫৭৬। সুস্থতার হার বেড়ে হল ৯১.৪৩ শতাংশ৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ এই একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৮, ৬৫৮ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫১, ৮০, ১৩৯ জনের। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৭০১ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ২৪৩ জন।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮২৩ জন। তার ফলে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৪৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। তার ফলে বর্তমানে মোট করোনার বলি ৭ হাজার ৬১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৪৭৯ জন। তার ফলে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৯৬ জন। রাজ্যের সুস্থতার হার ৯১.০৪ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার বাংলায় একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ১২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বঙ্গে মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৫১ লক্ষ ৮০ হাজার ১৩৯ জনের। তার মধ্যে ৮.২৭ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৬ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮২০ জন।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

‘পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন’— মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে চাঞ্চল্য

সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনার মধ্যে বড় আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন।একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে এই ইস্যুতে প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, কেন ১ এপ্রিল থেকে ডিএ পেলেন না সরকারি কর্মীরা? আমি তো সব পরিষ্কার করে দিয়ে এসেছিলাম।এই বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়কার একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে অভিরূপ সরকারের কমিটি গঠিত হয়েছিল। আমি ২০১৬ সালে মন্ত্রী হই। ২০১৯ সালে আমি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে পে কমিশনের টাকা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, অর্থমন্ত্রী জানাচ্ছেন কমিশনের রিপোর্ট তৈরি হয়নি। আমি বলি, সেটা ভুল কথা। কমিশনের চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করুন।শুভেন্দুর দাবি, তখন কমিশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন যে অর্থমন্ত্রী তাঁকে রিপোর্ট জমা দিতে বারণ করেছিলেন, কারণ সরকারের কাছে টাকা ছিল না। তিনি বলেন, আমি তখনই বলেছিলাম, রিপোর্টটি দিয়ে দিন।পশ্চিমবঙ্গে ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। বকেয়া ডিএর দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মীরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। বহুদিন পেন-ডাউন আন্দোলনও চলেছে।এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ২০২০ সালে ষষ্ঠ পে কমিশনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ডিএ তুলে দেওয়া হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। সেই লড়াইয়ে আমারও ছোটখাটো ভূমিকা ছিল। যারা থার্ড পার্টির মাধ্যমে টাকা পান, তাঁদের বিষয়টিও আমরা দেখছি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের ডিএ-র ব্যবধান ধীরে ধীরে কমানো হবে। অনেকে ভেবেছিলেন ৪২ শতাংশ ডিএ দেওয়া হবে, আবার কেউ কেউ ১০ শতাংশের কথা বলছিলেন। আমরা কোনওটাই করিনি। হিসাব করে যা দেওয়া হয়েছে, তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাকি অংশও পূরণ করা হবে।তাঁর এই আশ্বাসে সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

‘বিজেপির পাশবালিশ হয়ে যান’— ঋত শিবিরকে মমতার কড়া বার্তা

এবারের ২১ জুলাইয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের এক ভিন্ন ছবি সামনে এল। একদিকে মেয়ো রোডে বিদ্রোহী ঋত শিবিরের কর্মসূচি, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে কালীঘাট তৃণমূলের সভা। একই সময়ে দিল্লিতেও বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের উদ্যোগে একুশে স্মরণ পালন করা হয়। সব মিলিয়ে দলের ভিতরের বিভাজন প্রকাশ্যে চলে আসে।কালীঘাট তৃণমূলের মঞ্চ থেকে বিদ্রোহী শিবিরকে একের পর এক আক্রমণ করা হয়। ভিড়ের তুলনা টেনে কটাক্ষ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন কুণাল ঘোষও।কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে ফাঁকা চেয়ার। বিজেপিকে ফোন করে লোক আনার চেষ্টা চলছে। তৃণমূলের প্রতীকে জিতে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, বাংলার মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী একজন, বাকি আমরা সৈনিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ও প্রতীকের বিরুদ্ধে কেউ গেলে তার কোনও জায়গা নেই।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিদ্রোহী শিবিরকে কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী র বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক দেশ, এক ভোট চালু হলে ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও বিধানসভা নির্বাচন হবে। তখনই ডেট অফ এক্সপায়ারি দেখা যাবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাষণে বিদ্রোহী ঋত শিবিরকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, নকল বেড়াল তপস্বী না হয়ে, বিজেপির পাশবালিশ না হয়ে সরাসরি বিজেপিতে যান। দলের প্রতীক নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব। আমি ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট। আইনত আমাদের প্রতীক কাড়তে পারবে না। যদি কাড়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে মনে রাখবে তোমাদের সবটা কেড়ে নেব।মমতা আরও বলেন, অভিষেকের বিরুদ্ধে চারশো মামলা হয়েছে। কিন্তু কোনও মামলায় প্রমাণ দিতে পারবে না। তিনি দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের প্রতিও সমর্থন জানান। তাঁর বক্তব্য, দরকার হলে আমি নিজেও তাদের কর্মসূচিতে যাব। কারণ আমাদের সমর্থন প্রথম থেকেই ছিল, আছে, থাকবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী শিবিরকে উদ্দেশ করে বলেন, পাঁচ ওয়াট, দশ ওয়াটের বাল্ব এখন ভাবছে সে হ্যালোজেন হয়ে গিয়েছে। আমি নেত্রীকে অনুরোধ করব, যারা দল ছেড়ে গেছে, তাদের কাউকে আর ফিরিয়ে নেওয়া হবে না।তিনি আরও বলেন, ইডি, সিবিআই, আয়কর, সিআইডি, এসটিএফ সবাই একসঙ্গে লাগলেও ভয় পাই না। গলা কেটে দিলেও আমার শরীর থেকে জয় বাংলা আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ শোনা যাবে।মঞ্চ থেকে উপাসনা চৌধুরীও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, যখনই মা-মাটি-মানুষের উপর আঘাত আসবে, তখনই সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়াবে।এবারের একুশে জুলাই তাই শুধু শহিদ স্মরণ নয়, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের প্রকাশ্য মঞ্চ হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে থাকল।

জুলাই ২২, ২০২৬
রাজ্য

সিকিমের টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমার আরও এক যুবকের মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ

সিকিমে টানেল নির্মাণের কাজে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল নাগরাকাটা ব্লকের মনমোহনধুরা গ্রামের যুবক অর্জুন সাউতালের। মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছাতেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার ও গোটা এলাকায়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস আগে বাড়তি রোজগারের আশায় সিকিমে শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন অর্জুন। সেখানে টানেল নির্মাণের কাজ চলাকালীন দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে মনমোহনধুরা গ্রাম। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা।অর্জুন সাউতাল ছিলেন পরিবারের সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য। পরিবারে বাবা-মা, চার ভাই ও বৌদিদের নিয়ে বড় সংসার। সংসারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির আশায় ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই স্বপ্নই শেষ পর্যন্ত দুঃস্বপ্নে পরিণত হল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিকিমের এই টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমা থেকে এখনও পর্যন্ত ছয় জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর মধ্যে মেটেলি ও নাগরাকাটা ব্লক মিলিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর গোটা মহকুমাজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।এলাকাবাসীদের অভিযোগ, নাগরাকাটা ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। বাধ্য হয়েই বহু যুবক জীবিকার সন্ধানে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন। কিন্তু কাজের খোঁজে গিয়ে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোর ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে বহু মানুষকে আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভিন রাজ্যে কাজের খোঁজে যেতে হতো না।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

বিরোধীদের চাপের মুখে কি নতি স্বীকার? নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সরকারের বড় ঘোষণা

নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র সরকার। বুধবার সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। নিট প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই বিরোধীরা সরব। একই সঙ্গে আন্দোলনে নামে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। তারা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি জানায়।সোমবার সিজেপি সংসদ অভিযানের ডাক দেয়। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের কাছে ধরনায় বসেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী -সহ কংগ্রেস নেতাকর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অখিলেশ যাদবও। পরে দিল্লি পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।ধরনার সময় কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তখন তিনি নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনার আশ্বাস দেন। তবে অভিযোগ, সেই আশ্বাসের পরও রাহুল গান্ধী ধরনা তুলতে রাজি হননি।এই পরিস্থিতিতে কিরেণ রিজিজু বলেন, বিরোধীরা আলোচনার সময় তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবে। কেউ তাদের বাধা দেবে না। কিন্তু আলোচনা শুরুর আগেই যদি শর্তের পাহাড় তোলা হয়, তাহলে বোঝা যায় তারা আসলে আলোচনা চায় না।সরকারি সূত্রের খবর, বিরোধীরা চাইলে বৃহস্পতিবার থেকেই নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনা শুরু হতে পারে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় তুমুল কাণ্ড! মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বের করে দিলেন স্পিকার

দুই তৃণমূলের দ্বন্দ্বে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। কুণাল ঘোষ ও আখরুজ্জামানের সংঘাতকে কেন্দ্র করে হট্টগোল শুরু হয় অধিবেশনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার রথীনন্দ্রনাথ বসু মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বিধানসভা থেকে বাইরে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে সাসপেন্ডও করা হয়।বিধানসভা গঠনের পর থেকেই কালীঘাটপন্থী তৃণমূল এবং ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের মধ্যে বিরোধ বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। বর্তমানে ঋতব্রত শিবির বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং আখরুজ্জামান মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন।বুধবার আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখতে উঠলে তাঁকে বাধা দেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান। বিজেপির মন্ত্রী শংকর ঘোষ ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ বিদ্রোহী তৃণমূলের বিধায়করাও ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান।এরপরই স্পিকার মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের অভিযোগ, তাঁদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হয়, তাতে কুণাল ঘোষের নাম থাকলেও মুখ্য সচেতক সেই নাম কেটে অন্য নাম যুক্ত করছেন। এই অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও আলিফা আহমেদ।আখরুজ্জামান পরে বলেন, ৮০ জন বিধায়ক রয়েছেন। সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিলে সময় হবে না। তাই কে বলবেন, তা আমরা ঠিক করব।ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন অসভ্যতা আমি বিধানসভায় আগে দেখিনি। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আখরুজ্জামান একজন প্রবীণ নেতা। তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।এই ঘটনার পর বিধানসভায় দুই তৃণমূল শিবিরের সংঘাত আরও প্রকট হয়ে উঠল বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

মহিলা সাংসদের সঙ্গে বচসা, তারপরই বড় সিদ্ধান্ত! কল্যাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

লোকসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অসংসদীয় আচরণের অভিযোগে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এনসিপিআই সাংসদ মিতালী বাগের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সূত্রের খবর, লোকসভায় মিতালী বাগের সঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময় তিনি মিতালী বাগকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য সাংসদ, যার মধ্যে বাপি হালদারও ছিলেন, তাঁরা কল্যাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।এনসিপিআই সাংসদদের অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার মহিলা সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এর আগেও কাকলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে অসম্মান করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বচসা একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছয় বলেও সূত্রের দাবি।এরপর এনসিপিআই সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল অসংসদীয় আচরণের প্রস্তাব আনেন। ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়।এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর দলের ভাঙনের ফলে কালীঘাট তৃণমূলে হাতে গোনা কয়েকজন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সংসদে দলের অন্যতম মুখ।এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, কল্যাণদা সবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। মহিলাদের গালাগালি দেন। এই নিয়ে আগেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল। স্পিকারকে ধন্যবাদ, তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

উচ্ছেদ নয়, এবার কলেজ স্ট্রিটের ‘মেকওভার’! কী কী বদল আসছে জানেন?

কলেজ স্ট্রিটকে উচ্ছেদ নয়, নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। বুধবার ভোরবেলা পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল কলেজ স্ট্রিটে গিয়ে পুরো এলাকা ঘুরে দেখেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্মিতা পাণ্ডে ও কলকাতা পৌরনিগমের আধিকারিকরা।এলাকা পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী পথচারী ও বই বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন, কীভাবে কলেজ স্ট্রিটকে আরও সুন্দর করে তোলা যায়।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলেজ স্ট্রিটের একটি অংশকে নো ভেহিকেলস জোন করা হবে। সেখানে কোনও গাড়ি চলবে না, হর্ন বাজবে না। বইপ্রেমীরা ওই এলাকায় সাইকেলে ঘুরতে পারবেন। তবে বাইরে থেকে সাইকেল আনা যাবে না; নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সাইকেল ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। বয়স্কদের জন্য ব্যাটারি চালিত গাড়ির ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি সেখানে ক্যাফে, বই পড়ার বেঞ্চ এবং শান্ত পরিবেশ তৈরি করা হবে।অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, কলেজ স্ট্রিট হল বইপাড়া। এখানে শুধু বই, খাতা, নোটপ্যাডের দোকান থাকবে। আমরা চাই জায়গাটি সুন্দর ও শান্ত হোক। তবে মূল কলেজ স্ট্রিট রাস্তায় আপাতত কোনও পরিবর্তন করা হবে না, কারণ সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্র্যাফিক জোন।তিনি আরও জানান, রেলিংয়ের সামনে থাকা কিছু দোকানকে অন্যত্র সরিয়ে একইরকম নকশার স্টলে বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্দেশ্য হল, এলোমেলো টিনের দোকানের বদলে একটি সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয় বইপাড়া গড়ে তোলা।দোকানদারদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, যাঁদের বইয়ের দোকান রয়েছে, তাঁদেরই পুনর্বাসন করা হবে। কারও রুজিরুটিতে আঘাত করা হবে না। শুধু জায়গাটিকে আরও সুন্দর ও পরিকল্পিতভাবে সাজানো হবে।বই বিক্রেতারাও এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। এক বিক্রেতা বলেন, সরকার বলছে দোকান তোলা হবে না, শুধু সুন্দর করে সাজানো হবে। সেটা হলে ভালোই। আরেকজনের কথায়, আমরা চাই কলেজ স্ট্রিট সুন্দর হোক, কিন্তু আমাদের পেটে যেন লাথি না পড়ে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব এবার বিধানসভায়! মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা

বিধানসভায় ফের বিরোধী দলনেতা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিল। বুধবার অধিবেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখতে উঠে আবার বসে পড়তে হল কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনা চলার সময় শোভনদেব বক্তব্য রাখতে উঠেছিলেন। কিন্তু তিনি বক্তব্য শুরু করতে পারেননি। তাঁকে বসে পড়তে হয়।এরপর কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদ বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হচ্ছে, তা কেটে দেওয়া হচ্ছে। এতে বিধায়কদের বক্তব্য রাখার নির্দিষ্ট সময় নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি জানান।আলিফা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে পাঠানো বক্তাদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। বিধানসভার সদস্য হিসেবে সকলের নির্দিষ্ট সময় আছে। আগে থেকে জানা গেলে সুবিধা হয়। তাই এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।এই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, এখানে অনেক বিরোধী দল আছে। কালীঘাটপন্থী আছেন, আইএসএফ আছে, সিপিআইএম আছে, কংগ্রেস আছে। আমরা চাই সবাই সময় ভাগ করে নিক।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমি নিজেও পাঁচ বছর বিরোধী দলনেতা ছিলাম। তখন চিফ হুইপ বক্তব্য রাখার সময় ঠিক করতেন। আপনাদের নিজেদের ঝগড়া নিজেরা মেটান। সেই ঝগড়া মেটানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী বা হাউস বসে নেই। নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে সুষ্ঠুভাবে অধিবেশন চলতে দিন।উল্লেখ্য, বিধানসভায় কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় রয়েছেন। অন্যদিকে ঋতব্রতপন্থীরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ফলে কোন শিবিরের তালিকা অনুযায়ী বক্তব্য হবে, তা নিয়ে বারবার বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

জুলাই ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal