• ১৯ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Central Force

রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় শান্তির সপ্তম দফা

বড় কোনও অপ্রিতীকর ঘটনা ছাড়াই প্রায় শান্তিপূর্ণভাবে রাজ্যে সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে।তবে বিভিন্ন জেলা থেকে ভোট ঘিরে দিনভর বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তির ছবি সামনে এসেছে।সপ্তম দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।ভোট শেষের পর রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব জানিয়েছেন, বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটের হার পাঁচ জেলায় গড়ে ৭৫.০৫ শতাংশ। এই দফায় বিশেষ কোনও হিংসার ঘটনা নেই বলে জানিয়েছে কমিশন। হিংসা ছড়ানোর আশঙ্কায় আগে থেকেই ৭৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও ১৪৪ ধারা ভঙ্গের জন্য ১১ জন ও অন্যান্য নির্দিষ্ট কেসের ভিত্তিতে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।দিনভর ছোট ছোট কিছু হিংসার ঘটনা ঘটলেও এদিন ভোট পর্বের শেষলগ্নে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদার মালতিপুর।সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীকে মারধর এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের বুথ এজেন্টকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয় প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের মহিলা কর্মী-সমর্থকদের।কলকাতা বন্দরের গার্ডেনরিচেও ভোটের শেষ লগ্নে কংগ্রেস-তৃণমূল কংগ্রেস সংঘর্ষ লাগাতার ইটবৃষ্টিকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। বিরাট বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মাঝেরহাটে কলকাতা বন্দরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমকে ঘিরে বিজেপি সমর্থকদের জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।মালদার চাঁচলে ভোট দিতে যাওয়ার পথে তৃণমূল সমর্থক হিসাবে পরিচিত দম্পতির উপর ব্লেড দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে কমগ্রেসের বিরুদ্ধে। তবে নির্বাচন কমিশন অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর জানিয়েছে এর সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই।কলকাতার বেকবাগান, বেনিয়াপুকুর এলাকাতে দুপুরে বেআইনি জমায়েতে হঠাৎ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর অভিযানকে ঘিরে কিছুটা উত্তেজনা ছড়ায়। হবিবপুরে তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ বাহিনীর বিরুদ্ধে। বুথের মধ্যে শ্লীলতাহানির অভিযোগে রাসবিহারীর বিজেপি প্রার্থী সুব্রত সাহার এজেন্টকে আটক করেছে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ অস্বীকার বিজেপি এজেন্টের দাবি তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।কলকাতার রাসবিহারী কেন্দ্রে ভোট ঘিরে বিজেপি-তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের ধস্তাধস্তি বাধে। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে৷মুর্শিদাবাদের রানীনগরে দুই তৃণমূল কংগ্রেস নেতার বাড়ি ভাঙার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়েন দলের জেলা সভাপতি আবু তাহের। পাণ্ডবেশ্বরে বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে।মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের ৮৩ নং বুথের কিছুটা দূরে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। মারধরে ওই নেতার হাত ও ভেঙে যায় বলে অভিযোগ। ফরাক্কাতেওয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীকে বেধড়ক মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ও ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। দুর্গাপুর পূর্বের মলানদিঘিতে ভোটদাতাদের মধ্যে খাবার বিলির অভিযোগকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটার নিদান কেন্দ্রীয় বাহিনীর!

রাজ্যের ভোটপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল সাধারণ ভোটারদের মুখে। মুর্শিদাবাদের সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটারদের অভিযোগ, তাঁদের বিজেপিতে ভোট দিতে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নাহলে মারধর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদের যে কয়েকটি আসনে বিজেপি জয়ের স্বপ্ন দেখছে সুতি তার মধ্যে অন্যতম। এই কেন্দ্রে লড়াই কংগ্রেস, তৃণমূল, কং এবং তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং বিজেপির। গতবারের বিধায়ক হুমায়ুন রেজা, তৃণমূলের ইমানি বিশ্বাস এবং নির্দল মইদুল ইসলামদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আছেন বিজেপির তরুণ মুখ কৌশিক দাসকে। সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটাররা প্রকাশ্যেই অভিযোগ করছেন, টহলদারির সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের শাসিয়ে গিয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে গিয়েছেন বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটা করা হবে। আতঙ্কে এলাকাবাসীর একটা বড় অংশ ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থক যেমন রয়েছেন, তেমনই সাধারণ ভোটারও রয়েছেন।এদিকে, ভোটের দিন সকালেই বিজেপি প্রার্থীকে এলাকায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।বিজেপি প্রার্থী মসুহারা খাতুনকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সার্বিকভাবে ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রানিনগর বিধানসভা। এদিন সকালেই বেশ কয়েকটি বুথে কংগ্রেস এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ওই বিধানসভা কেন্দ্রে বোমাবাজি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।মুর্শিদাবাদের অন্যান্য প্রান্তেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। রানিগঞ্জের পানিপিয়ায় বোমার আঘাতে এক কংগ্রেস সমর্থক আহত হয়েছেন বলে খবর। রঘুনাথগঞ্জেও গতকাল রাতে বোমাবাজি করা হয়েছে। সবক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসকদল। তবে, তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটার নিদান কেন্দ্রীয় বাহিনীর!

রাজ্যের ভোটপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল সাধারণ ভোটারদের মুখে। মুর্শিদাবাদের সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটারদের অভিযোগ, তাঁদের বিজেপিতে ভোট দিতে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নাহলে মারধর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদের যে কয়েকটি আসনে বিজেপি জয়ের স্বপ্ন দেখছে সুতি তার মধ্যে অন্যতম। এই কেন্দ্রে লড়াই কংগ্রেস, তৃণমূল, কং এবং তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং বিজেপির। গতবারের বিধায়ক হুমায়ুন রেজা, তৃণমূলের ইমানি বিশ্বাস এবং নির্দল মইদুল ইসলামদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আছেন বিজেপির তরুণ মুখ কৌশিক দাসকে। সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটাররা প্রকাশ্যেই অভিযোগ করছেন, টহলদারির সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের শাসিয়ে গিয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে গিয়েছেন বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটা করা হবে। আতঙ্কে এলাকাবাসীর একটা বড় অংশ ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থক যেমন রয়েছেন, তেমনই সাধারণ ভোটারও রয়েছেন।এদিকে, ভোটের দিন সকালেই বিজেপি প্রার্থীকে এলাকায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।বিজেপি প্রার্থী মসুহারা খাতুনকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সার্বিকভাবে ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রানিনগর বিধানসভা। এদিন সকালেই বেশ কয়েকটি বুথে কংগ্রেস এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ওই বিধানসভা কেন্দ্রে বোমাবাজি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।মুর্শিদাবাদের অন্যান্য প্রান্তেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। রানিগঞ্জের পানিপিয়ায় বোমার আঘাতে এক কংগ্রেস সমর্থক আহত হয়েছেন বলে খবর। রঘুনাথগঞ্জেও গতকাল রাতে বোমাবাজি করা হয়েছে। সবক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসকদল। তবে, তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

ভোট শুরু হতেই রক্তাক্ত শীতলকুচি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে হত ৪

প্রাণহানি দিয়ে দিন শুরু হয়েছিল। বেলা বাড়তে সেই শীতলকুচিতেই বাড়ল মৃতের সংখ্যা। এ বার কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে সেখানে আরও ৪ ব্যক্তির প্রাণ গেল। মাথাভাঙা হাসপাতালে তাঁদের ময়নাতদন্ত চলছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে আরও ৪ ব্যক্তি জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিহতরা সকলেই তাঁদের সমর্থক বলে দাবি তৃণমূলের। অন্যদিকে, পাঠানটুলির ৮৫ নম্বর বুথ থেকে বলপূর্বক বিজেপির এজেন্ট আনন্দ বর্মনকে বের করে দেয় তৃণমূল। এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। বোমাবাজিও করা হয় ওই বুথের সামনে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা। জখম হন বেশ কয়েকজন।শীতলকুচির জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে। গোটা ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে। রাতভর মদ-মাংস খেয়ে সকালে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। সুষ্ঠ নির্বাচন করানোর ভার যাদের কাঁধে, তাঁদের নির্বিচারে গুলি চালানোর অধিকার কে দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জোড়াফুল শিবির।স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী সংবাদমাধ্যমে বলেন, দলে দলে মানুষ ভোট দিতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বিনা প্ররোচনায় গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুথের ভিতরে যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল, তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল।অন্যদিকে, বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিক গোটা ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দায়ী করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাগাতার উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন মমতা। মাথাভাঙা, শীতলকুচি, কোচবিহারের সভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরতে বলেন তিনি, তাতেই একটি বিশেষ শ্রেণির লোক উত্তেজিত এবং তা থেকে আক্রমণাত্মক হয়ে পড়েন। কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি গুলি চালিয়ে থাকে, তা আত্মরক্ষার্থেই চালিয়েছে। আসলে তৃণমূল জানে, ওরা হারছে। তাই উশৃঙ্খলতা তৈরি করছে। গোটা ঘটনায় অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, সিআরপিএফ নয়, গুলি চালিয়েছে সিআইএসএফ (সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স)। রাজ্য নির্বাচন পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে জানিয়েছেন, তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। বাধা দেওয়া হচ্ছিল ভোটদানেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরা হয়। রাইফেলও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাতেই গুলি চলে।কিন্তু স্থানীয় এক বাসিন্দার যুক্তি, নিহতদের পরিচয় তাঁদের বিশেষ কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতি তাঁদের সমর্থন নয়। তাঁরা ভোটার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়ে যদি গুলি চালাতে হয়, তাহলে পায়েও তো গুলি চালাতে পারত। তা না করে সোজাসুজি বুকে গুলি করা হল কেন প্রত্যেককে?কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শীতলকুচির তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়। তিনি বলেন, কী বলব আমি? শীতলকুচির মানুষ আমার স্বজন। চার-চারটি তরতাজা প্রাণ চলে যেতে দেখে চোখের জল চেপে রাখতে পারছি না। মানুষ এখনও ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন, ভোট দিচ্ছেন। দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করছেন। সেই মনোবল ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে। আজকের ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী। দায়ী বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনে এ সব হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ নিয়ে ফোনে কথা হয়েছে, তিনি পুরোটা দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন পার্থপ্রতিম।নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ফোনে প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়েছেন। কী কারণে গুলি চালাতে হল, কেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা গেল না, সব সমেত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।শনিবার সকালে চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে দফায় দফায় শীতলকুচিতে সঙ্ঘর্ষ বেধেছে তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। সকালে পাঠানটুলি শালবাড়ির ২৮৫ বুথে ভোট দিতে গিয়ে আনন্দ বর্মণ নামের এক ১৮ বছরের কিশোরের মৃত্যু হয়। তাঁর পরিবারের লোকজন নিজেদের বিজেপি সমর্থক বলে দাবি করলেও, আনন্দ কাদের পক্ষে, তা নিয়েও রাজনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়। তার মধ্যেই এই ঘটনা।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

শহরে এল ১০২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোটের সময় সামান্য গোলমালের খবর পেলেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে সেখানে পৌঁছনোর নির্দেশ দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এখনও পর্যন্ত কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ১০২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।শনিবার চতুর্থ দফার ভোটের আগেই বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। সেদিনই কলকাতা পুলিশের আওতায় দ্বিতীয় দফার ভোট। দক্ষিণ শহরতলি, বেহালা ও মেটিয়াবুরুজের কয়েকটি বিধানসভায় ভোটগ্রহণ হবে। ওই এলাকাগুলিতে যাতে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট হয়, এখন থেকেই সেই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে বলেন তিনি। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে দক্ষিণ শহরতলির দুটি থানার ওসিদের বদলি হয়েছে। গত মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশের আওতায় প্রথম দিনের ভোট অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই কেটেছিল। আগামী শনিবার কলকাতা পুলিশের ২৫টি থানা এলাকায় ভোট। ওই ভোটের দিনেও যাতে কোথাও কোনও গোলমাল না হয়, সেই ব্যাপারে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও যদি কোনওরকম গোলমালের খবর আসে, কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে যেন অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনে, পুলিশ আধিকারিকদের সেই নির্দেশই দিয়েছেন লালবাজারের শীর্ষকর্তারা।লালবাজারের সূত্র জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ১০২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেই বাহিনীর মধ্যে একটি বড় অংশকেই কাজে লাগানো হবে শনিবারের ভোটে। বাকি অংশ কলকাতার বিভিন্ন অংশে রুট মার্চ করবে। ভোটকেন্দ্রগুলিতে মোতায়েন করা থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাহিনী টহলও দেবে শহরজুড়ে। শনিবার কলকাতা পুলিশের আওতায় ৭২১টি ভোটকেন্দ্রের ২ হাজার ৩৪৩টি বুথে ভোট। যে এলাকায় নয়টি বা তার বেশি সংখ্যক বুথ রয়েছে, সেখানে মোতায়েন করা হচ্ছে দুই সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী, পাঁচটি ও তার বেশি বুথ থাকলে দেড় সেকশন এবং দুই থেকে চারটি বুথ কোনও ভোটকেন্দ্রে থাকলে এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। ভোটের দিন নামছে প্রায় সাড়ে চার হাজার অতিরিক্ত পুলিশ। ৩৩ জন ডেপুটি কমিশনার রাস্তায় থাকছেন। এ ছাড়াও অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ও ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরাও রাস্তায় থাকছেন। একাধিক জায়গায় উড়বে ড্রোন। আকাশপথে হবে নজরদারি। এছাড়াও পুলিশের পদস্থ কর্তারাও পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

তৃতীয় দফার ভোটে আজ মাঠে ৮৩২ কোম্পানি

রাজ্যে আজ তৃতীয় দফার নির্বাচনে তিন জেলার ৩১টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে বাংলায় আজ তৃতীয় দফার নির্বাচন হতে চলেছে। প্রথম দুই দফায় বড় সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামিয়েও অশান্তি পুরোপুরি এড়ানো যায়নি। এবার তাই বাড়তি তৎপরতা নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। তৃতীয় দফার নির্বাচনে ৮৩২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে ৩টি জেলার ৩১টি বিধানসভা কেন্দ্রে। তার মধ্যে ৬১৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয়বাহিনী থাকছে শুধুমাত্র বুথের নজরদারির জন্য। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে থাকছে ৩০৭ কোম্পানি। এর মধ্যে বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৩০ কোম্পানি, ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলায় ১১৩ কোম্পানি, সুন্দরবন পুলিশ জেলায় ৬৪ কোম্পানি। হাওড়তেও ১৪৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। তার মধ্যে ১৩২ কোম্পানি থাকছে হাওড়া গ্রামীণে ও হাওড়া কমিশনারেটে থাকছে ১১ কোম্পানি। হুগলি গ্রামীণে থাকছে ১৬৭ কোম্পানি বাহিনী। আজ তৃতীয় দফার নির্বাচন হতে চলেছে হাওড়া, হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ৩১টি বিধানসভা কেন্দ্রে। এর মধ্যে রয়েছে হাওড়ার ৭টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৬টি এবং হুগলির ৮টি বিধানসভা কেন্দ্র। হাওড়ার যে ৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে সেগুলি হল-- উলুবেড়িয়া উত্তর, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, শ্যামপুর, বাগনান, আমতা, উদয়নারায়ণপুর ও জগৎবল্লভপুর। হুগলিতে ভোট হবে জাঙ্গিপাড়া, হরিপাল, ধনেখালি, তারকেশ্বর, পুরশুড়া, আরামবাগ, গোঘাট ও খানাকুল। অন্যদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার যে ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে সেগুলি হল - বাসন্তী, কুলতলি, কুলপি, রায়দিঘি, মন্দিরবাজার, জয়নগর, বারুইপুর পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, ক্যানিং পশ্চিম, ক্যানিং পূর্ব, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম, ডায়মন্ডহারবার, ফলতা, সাতগাছিয়া ও বিষ্ণুপুর। এই পর্বে মোট ২০৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই পর্বে ৩১টি কেন্দ্রের ৭৮ লাখ ৫২ হাজারের বেশি ভোটার প্রার্থীদের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, তৃতীয় দফার এই নির্বাচনে ৩ জেলায় বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে ৬১৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় মোতায়েন করা হবে ৩০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। হুগলিতে মোতায়েন করা হবে ১৬৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাওড়ায় থাকবে ১৪৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাধারণত ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে ১০০জন জওয়ান থাকে। অর্থাৎ ৬১ হাজার ৮০০ জন জওয়ান তৃতীয় দফার ভোটে মোতায়েন হতে চলেছেন। তবে, একটি কোম্পানিতে ১০০ জন জওয়ানের মধ্যে কয়েকজন অন্যান্য নানা কাজে যুক্ত থাকেন। তাই তৃতীয় দফায় সরাসরি ভোটের সঙ্গে ৪৯ হাজারের কিছু বেশি জওয়ান মোতায়েন থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

ভোটারদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখবে না কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখতে পারবে না নিরাপত্তারক্ষীরা। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ভোটারদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখতে পারেন শুধু ফার্স্ট পোলিং অফিসার। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগের ভিত্তিতে কড়াভাবে এই নিয়ম কার্যকর করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের নির্বাচনী নোডাল অফিসার একে সিং এবং এডিজি আইনশৃঙ্খলা জগ মোহনকে এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে।আসলে গতকালই তৃণমূলের এক শীর্ষস্তরীয় প্রতিনিধিদল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ জানিয়ে আসে।তৃণমূলের অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন। বহু জায়গা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটকে প্রভাবিত করার অভিযোগ আসছে। এই প্রথম ভারতবর্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপিকে সহযোগিতা করছে। যেখানে বিজেপি জোর করে ভোট করার চেষ্টা করছে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নীরব। রাজ্যের শাসক শিবিরের দাবি, যেসব কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাঁদের যেন পরবর্তীকালে ভোটের কাজে মোতায়েন করা না হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটারদের মারধরের অভিযোগ

হিংসা শুরু হয়েছিল বুধবার রাত থেকেই। বৃহস্পতিবার সকালে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হওয়া ইস্তক পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষের খবর আসতে শুরু করেছে। যদিও ভোটদানের হার বলছে, রক্তপাত এবং সংঘর্ষও প্রভাব ফেলতে পারেনি গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের উৎসাহে। বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮০ শতাংশেরও বেশি। পাশের জেলা পূর্ব মেদিনীপুরেও একই ছবি।খড়গপুর সদরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এমনকি রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটারদের মারধরের অভিযোগ তোলেন তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক প্রদীপ সরকার। তাঁর অভিযোগ, বিনা প্ররোচনায় ভোটদাতাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে খড়গপুর সদর থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। প্রদীপ বলেন, অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আমি থানার সামনে ধর্নায় বসব।তাৎপর্যপূর্ণভাবে, দাসপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত বেরাকে কুলটিকরি বোর্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২২৫ এবং ২২৬ নম্বর বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। দাসপুরের সোনামুই এলাকার ২৬৬ নম্বর বুথে পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ হয়। তবে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছে কেশপুরে। সেখানে বুধবার রাতে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। রাত ১১টা নাগাদ কেশপুর ব্লকের ৪ নম্বর অঞ্চলের অন্তর্গত দাদপুর গ্রামের হরিহর চক বুথ এলাকায় তৃণমূল কর্মী উত্তম দলুইকে ছুরি মেরে খুন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে কেশপুরে পৃথকভাবে হামলা হয়েছে বিজেপি প্রার্থী প্রীতিশরঞ্জন কুঁয়ার এবং তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট তন্ময় ঘোষের উপর। তাঁদের গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি আক্রান্ত হয়েছে সংবাদমাধ্যমও। সেখানে হামলার অভিযোগে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার। অন্যদিকে, কেশপুরের তৃণমূল প্রার্থী শিউলি শাহার নির্বাচনী এজেন্ট হাবিবুর রহমানকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁকে কেশপুর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।বিজেপি সূত্রের খবর, স্থানীয় বাঁকাবর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথে গন্ডগোলের খবর পেয়ে যাচ্ছিলেন প্রীতীশ। সে সময় গুণহারা অঞ্চলে তাঁর গাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। যদিও তৃণমূলের দাবি, বিজেপি-র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই এই ঘটনা। ওই ঘটনার আগে বেলেরা এলাকার ১৭৩ নম্বর বুথে প্রীতিশরঞ্জনের নির্বাচনী এজেন্ট তন্ময় ঘোষের গাড়ি ভাঙচুর এবং বিজেপি মহিলা এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। তবে প্রীতিশ বা তন্ময়ের আঘাত লাগেনি। আবার তৃণমূলের তরফে কেশপুরের বিলাসবাড়ের ২৩৫ নম্বর বুথ বিজেপি কর্মীরা কেন্দ্রীয় বাহিনীর মদতে দখল করেছে বলে অভিযোগ তোলা হয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা বিধানসভার শানরপুর, জালিবান্দা পূর্ব, জালিবান্দা পশ্চিম এবং রাধাকান্তপুর থেকে বিজেপি-তৃণমূল গন্ডগোলের খবর এসেছে। ডেবরার বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। রাধাকান্তপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁকে ঢুকতে কেন্দ্রীয় বাহিনী বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের। আবার ডেবরার বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে চকমানু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথে গিয়ে ভোটদাতাদের স্যানিটাইজার দেওয়ার নাম করে প্রভাবিত করার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন। পিংলা বিধানসভার জলচকে তৃণমূলের প্রতীকে এবং পাইকান বুথে বিজেপির প্রতীকে কালি লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিশ্চিন্তা ও কাওয়াগেড়িয়া বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছেন পিংলার তৃণমূল প্রার্থী তথা দলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

নজিরবিহীন নিরাপত্তায় আজ হাইভোল্টেজ ভোট নন্দীগ্রামে

আজ নন্দীগ্রামে হাইভোল্টেজ ভোট। ভোটগ্রহণের অনেক আগে থেকেই নন্দীগ্রাম জুড়ে টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রয়েছে মহিলা সিআরপিএফ-এর দল। বুধবারই নন্দীগ্রামে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। বিকেল থেকেই মাইকে ঘোষণা শুরু করে দেয় পুলিশ। নন্দীগ্রামে ঢোকা ও বেরনোর প্রতিটি সীমানায় শুরু হয়েছে নাকা চেকিং। চলছে হেলিকপ্টারে নজরদারি। সব মিলিয়ে নন্দীগ্রাম কার্যত দুর্গের চেহারা নিয়েছে।এদিকে ভোটগ্রহণের কয়েক ঘণ্টা আগেই সিল করে দেওয়া হয় নন্দীগ্রাম। জলে এবং স্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ দিয়ে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে বেশ কিছু দিন ধরেই নন্দীগ্রাম এলাকায় বহিরাগত প্রবেশের অভিযোগ তুলে আসছিল তৃণমূল। বুধবার সন্ধ্যায় কার্যত সেই অভিযোগকে কার্যত মান্যতা দিয়েই বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়। যে ভাবে শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তায় মহিলা সিআরপিএফ নিয়োগ করা হয়েছে, একই ভাবে সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী মীনাক্ষীর নিরাপত্তাতেও জোর দেওয়া হয়েছে। বুধবার থেকেই তাঁর জন্য ৪ জন সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।বুধবার পুর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক সুমিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, কোনও রকম ঝামেলা বরদাস্ত নয়। প্রতিটি ক্ষেত্রে সুরক্ষায় কোনও খামতি থাকছে না বলে তিনি জানান। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী যে কোনও বুথ এলাকাতেই ১৪৪ ধারা জারি থাকে। কিন্তু নন্দীগ্রামের ক্ষেত্রে শুধু এটুকুই নয়, গোটা বিধানসভা এলাকাতেই ১৪৪ ধারা বজায় থাকবে। জেলাশাসক বলেন, এ বার নন্দীগ্রামে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে, যা বুধ ও বৃহস্পতিবার বলবৎ থাকবে। পাশাপাশি অতি সংবেদনশীল বুথগুলিতে ৪ ধরনের নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি বুথে থাকবে লাইভ ওয়েবকাস্টিং, সিসিটিভি, ভিডিওগ্রাফি এবং অবজার্ভার। এ ছাড়াও নন্দীগ্রামের ৫০ শতাংশ বুথে লাইভ ক্যামেরায় নজরদারি চলবে, যা তদারক করা হবে তমলুকের নিমতৌড়িতে জেলাশাসকের কার্যালয় থেকে।নন্দীগ্রামের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৯৯। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ২৫৭। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৮৯৮। পূর্ব মেদিনীপুরের নিরাপত্তা আরও আটোসাঁটো করতে হলদিয়ায় পাঠানো হয়েছে আইপিএস অফিসার প্রবীণ ত্রিপাঠীকে। নন্দীগ্রামে থাকবেন গেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী। এ ছাড়াও নজিরবিহীন ভাবে সুন্দরবন অঞ্চলে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় যে ৩০ কেন্দ্রে ভোট হবে, সেখানে ৫ হাজার ৫৩৫ বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে, যাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অনলাইন নজরদারি চালানো যায়। এ মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭৩২, পূর্ব মেদিনীপুরে ১ হাজার ৬১১, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১ হাজার ৮০২ আর বাঁকুড়াতে ১ হাজার ৩৯০টি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়াও ৩ হাজার ৪৯টি বুথে থাকছে সিসিটিভি ক্যামেরা। মাইক্রো অবজার্ভার থাকবে ১ হাজার ৯১৫টি বুথে। ২৮৬টি বুথে ভিডিয়ো ক্যামেরায় নজরবন্দি করা হবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। ইতিমধ্যেই ৬৩২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে ৩০ কেন্দ্রে। রাজ্যে এই মুহূর্তে ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। আরও ২০০ কোম্পানি আসছে ৮ এপ্রিলের মধ্যে।শেষবার এমন নিরাপত্তার মধ্যে কবে ভোট দেখেছে নন্দীগ্রাম তা স্থানীয়রা বলতে পারছেন না। তাই এবার ভালোয় ভালোয় ভোট মিটলেই তারা খুশি।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজনীতি

আজ প্রথম দফার ভোট, দেখে নিন কোথায় ক'টি আসনে হচ্ছে ভোট

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে জঙ্গলমহলের ৩০টি আসনে হতে চলেছে প্রথম দফার নির্বাচন।পূর্ব মেদিনীপুরমোট আসন: ১৬ | কত আসনে ভোট: ৭কোন আসনে ভোটপটাশপুর , কাঁথি উত্তর , ভগবানপুর , খেজুরি , কাঁথি দক্ষিণ , রামনগর , এগরাপশ্চিম মেদিনীপুরমোট আসন: ১৫ | কত আসনে ভোট: ৬কোন আসনে ভোটদাঁতন , কেশিয়াড়ি , খড়্গপুর , গড়বেতা , শালবনি , মেদিনীপুরবাঁকুড়ামোট আসন: ১২ | কত আসনে ভোট: ৪কোন আসনে ভোটরাইপুর , রানিবাঁধ , ছাতনা , শালতোড়াপুরুলিয়ামোট আসন: ৯ | কত আসনে ভোট: ৯কোন আসনে ভোটরঘুনাথপুর , পারা , কাশীপুর , মানবাজার , পুরুলিয়া , জয়পুর , বাঘমুন্ডি , বান্দোয়ান , বলরামপুরঝাড়গ্রামমোট আসন: ৪ | কত আসনে ভোট: ৪কোন আসনে ভোটনয়াগ্রাম , গোপীবল্লভপুর , ঝাড়গ্রাম , বিনপুর

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে আসছে ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

বঙ্গ বিধানসভা ভোটের সুর চড়ল আরও। চলতি মাসেই ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে রাজ্যে। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই ধাপে ধাপে বাহিনীর জওয়ানরা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঢুকতে শুরু করবে। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁদের চলে আসার কথা। রাজ্যে ইতিমধ্যেই মোতায়েন থাকা বাহিনীর সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করবেন তাঁরা। ভোট ঘোষণার আগেও বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহলদারি চালাবেন বাহিনীর জওয়ানরা। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা। তা মানছেন দিল্লির নির্বাচন কমিশনের কর্তারাও। কমিশনের ফুল বেঞ্চ ইতিমধ্যেই রাজ্যের পরিস্থিতি পরিদর্শন করে গিয়েছে তিনদিনের সফরে এসে। সেসময় তাঁরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে, প্রশ্ন করা হয়েছিল, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে কি ভোটের মাসখানেক আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বাংলায়? জবাবে তাঁরা জানিয়েছিলেন, নিয়ম মেনেই বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ধাপে ধাপে সেই সংখ্যা বাড়ানো হবে। তাছাড়া ভোটের সময় কত বাহিনী হাতে থাকবে, তার উপর নির্ভর করবে কোথায় তাঁদের কীভাবে বিন্যস্ত করা যাবে। স্পর্শকাতর ও অশান্ত জায়গার বাসিন্দাদের মনে ভরসা জোগাতে এমনিতেও ভোটের দিন কয়েক আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী সক্রিয় হয়ে ওঠে। এবারও তেমনটাই হতে চলেছে। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকেই রাজ্যে আধাসামরিক বাহিনী ঢুকতে শুরু করবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। সূত্রের খবর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ায় সবচেয়ে বেশি কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের বদলে চিনের দিকে মোড় নিল ইরানের তেলবাহী জাহাজ! মাঝসমুদ্রে কী ঘটল?

হরমুজ প্রণালী পেরোনোর পর মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করল ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ। ভারতের দিকে আসতে আসতেই সেটি ঘুরে চিনের দিকে চলে যায়। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পিং শান নামে ওই জাহাজটি একটি বড় তেলবাহী জাহাজ। প্রথমে এটি ভারতের পশ্চিম উপকূলে ভাদিনার বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু পরে আচমকাই দিক বদলে দক্ষিণ দিকে ঘুরে চিনের একটি বন্দরের দিকে যেতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত জাহাজটি কোথায় পৌঁছবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।প্রায় সাত বছর পর ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশে তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে এই পরিবর্তনে সেই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ছয় লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালের পর এটি ভারতের জন্য প্রথম ইরানি তেলের চালান হতে পারত।২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। সেই সময় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দেওয়ায় আবার তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অর্থ লেনদেন, পরিবহণ এবং বিমা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এই তেল ভাদিনার একটি রিফাইনারিতে পৌঁছবে। কিন্তু এখন সেই পরিকল্পনা বদলে গেছে।একসময় ভারত ইরানের অন্যতম বড় তেল ক্রেতা ছিল। দেশের মোট তেল আমদানির একটি বড় অংশই ইরান থেকে আসত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরে সেই সম্পর্ক পুরোপুরি থেমে যায়।এই পরিস্থিতিতে মাঝসমুদ্রে জাহাজের দিক পরিবর্তন নতুন করে নানা প্রশ্ন তুলেছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার স্পষ্ট উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে বেরিয়ে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেলেন পরিচালক উৎসব?

বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখোপাধ্যায়। শুক্রবারও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের মধ্যে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানায় খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি রেল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মোবাইলের শেষ অবস্থান উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছে ধরা পড়েছে। তারপর থেকেই ফোন বন্ধ হয়ে যায়।পরিচালকের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিমতার একটি ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন উৎসব। সেখানে একটি পুরনো অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার কথা ছিল। দুপুর দুইটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ তাঁদের শেষবার কথা হয়। তারপর থেকেই আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি।তিনি আরও জানান, নিজের মোবাইল বাড়িতে রেখে বাবার ফোন নিয়ে বেরিয়েছিলেন উৎসব। ব্যাঙ্কের কাজের জন্য ওটিপি আসার কথা ছিল বলে নিজের ফোন বাড়িতেই রেখেছিলেন।মৌপিয়ার দাবি, কিছুদিন ধরে সাইবার সংক্রান্ত সমস্যায় চিন্তিত ছিলেন উৎসব। সেই কারণে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও দূরে ছিলেন। পরিবার থেকে তাঁকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।ফোন নম্বরের অবস্থান খতিয়ে দেখে জানা গেছে, শেষবার সেটি উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছেই সক্রিয় ছিল। তারপর হঠাৎই সেটি বন্ধ হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কারও সঙ্গে বিশেষ কোনও বিরোধ ছিল না উৎসবের। তিনি সাধারণত নিজের মতোই থাকতেন এবং বিনোদন জগতের আড্ডা বা পার্টি থেকে দূরে থাকতেন। এখনও পর্যন্ত কোনও হুমকির ফোনও আসেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে এবং পরিচালকের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! দাগী নেতাদের নিরাপত্তা এক ঝটকায় তুলে নিল কমিশন

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন। অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এমন নেতাদের আর নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কমিশন জানতে চেয়েছে, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না।কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট থেকে নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পদবীসহ পূর্ণ তালিকা চেয়েছিল। এরপর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যাঁরা জামিনে মুক্ত বা প্যারোলে আছেন, কিংবা যাঁদের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। শুধুমাত্র পদ বা সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।এই নির্দেশ অনুযায়ী দুই এপ্রিল রাতের মধ্যেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার কমিশন সেই কাজ হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্য পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের শুক্রবার দুপুর বারোটার মধ্যে আপডেট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাবশালী নেতার নিরাপত্তা আপাতত তুলে নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে যাঁরা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আগামী দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে যেখানে অশান্তির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে যারা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল, সেই দুষ্কৃতীদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal