• ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৫ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

হলুদ সতর্কতা জারি! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে রবিবার থেকে

শীতের পর বসন্তের আবহ উপভোগ করতে না করতেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদলের ইঙ্গিত মিলছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল। এবার ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ায় জারি করা হচ্ছে হলুদ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। সোমবার সেই বৃষ্টি আরও জোরালো হতে পারে। কলকাতা সহ একাধিক জেলায় রবিবার ও সোমবার হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুধু দুদিন নয়, আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।কিছু জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। বজ্রপাতের সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।শনিবার দক্ষিণবঙ্গের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। এদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি রয়েছে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলায়। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে।তবে রবিবার থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হতে পারে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং নদিয়া জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার কলকাতাতেও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সপ্তাহ জুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে এবং বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।এদিকে কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঁচিশ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল তেত্রিশ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল বাহান্ন থেকে চুরানব্বই শতাংশের মধ্যে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
দেশ

গ্যাস আতঙ্কে বড় সিদ্ধান্ত! ফের রেশন দোকানে কেরোসিন দেওয়ার অনুমতি কেন্দ্রের

দেশজুড়ে রান্নার গ্যাস নিয়ে উদ্বেগের আবহে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র সরকার। এবার থেকে আবার রেশন দোকানেই কেরোসিন তেল পাওয়া যাবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা সংঘাতের জেরে রান্নার গ্যাস নিয়ে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক সেই সময় কেরোসিনের গণবণ্টনে সাময়িক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।দুই হাজার বাইশ সাল থেকে রেশন দোকানে কেরোসিন তেল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল কেন্দ্র। পরিবেশ দূষণের কথা মাথায় রেখেই কেরোসিনের গণবণ্টন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার জেরেই আবার কেরোসিন বিতরণের অনুমতি দেওয়া হল।এই সিদ্ধান্তের আগে রেশন ডিলারদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশন কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছিল। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর কাছে চিঠি পাঠানো হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই কেরোসিনের গণবণ্টনে ফের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন রেশন দোকানে কেরোসিন তেল বিতরণ শুরু হতে পারে। জ্বালানি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, সেই পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে এই অনুমতি স্থায়ী নয়। আপাতত সাময়িক ভাবে কেরোসিন বণ্টনের অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র।কত দিন এই ব্যবস্থা চালু থাকবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেশন ডিলার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের জন্য চার হাজার একশো কিলোলিটার কেরোসিন তেলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের কাছে এই পরিমাণ তেল সংগ্রহ করার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।তিনি আরও বলেন, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে এই তেল সংগ্রহ করতে হবে। এরপর রেশন ডিলারদের মাধ্যমেই তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে রেশন ডিলাররা খুশি হলেও তাঁদের আরও দাবি রয়েছে। তাঁদের মতে, এই সাময়িক অনুমতিকে স্থায়ী করে দেওয়া উচিত। কারণ রান্নার গ্যাসের দাম সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।রেশন ডিলার সংগঠনের বক্তব্য, গ্যাসের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে অনেক মানুষের পক্ষে রান্নার গ্যাস ব্যবহার করা কঠিন হয়ে উঠছে। তাই কেরোসিনের এই বণ্টন ব্যবস্থা যেন আবার বন্ধ না করা হয়, সেই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মার্চ ১৩, ২০২৬
রাজ্য

বসন্তেই হঠাৎ বৃষ্টির দাপট! কোন কোন জেলায় নামবে ঝড়বৃষ্টি, নতুন সতর্কবার্তা আবহাওয়া দফতরের

বসন্তের মাঝেই হঠাৎ বদলে গেল আবহাওয়া। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মিলিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ অনেক জায়গায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হয়েছে, আবার কোথাও হালকা ঝিরঝিরে বৃষ্টিও দেখা গেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।এই বৃষ্টির জেরে আপাতত গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন মানুষ। গত বছর এই সময়েই পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছিল। কলকাতাতেও তখন তীব্র ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল অবস্থা ছিল। তবে এ বার পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। বৃষ্টির কারণে এখনো সেই তীব্র গরমের মুখে পড়তে হয়নি রাজ্যবাসীকে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বাংলাদেশ এলাকায় তৈরি হওয়া একটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই এই বৃষ্টি হচ্ছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া কিছুটা শুষ্ক থাকতে পারে। তবে কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পরিমাণ আবার বাড়তে পারে। বিশেষ করে রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার, সোমবার এবং মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই সময় কলকাতাতেও বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং বাঁকুড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি বেশি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃহস্পতিবার থেকেই ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শুক্রবারও পাহাড় এবং সংলগ্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।শনিবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে রবিবার থেকে আবার বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।শুক্রবার সকালে কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ কিছুটা বেড়েছে। আজ শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব একটা নেই বললেই চলে। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী রবিবার থেকে আবারও কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে আলাদা নজরদার, নজিরবিহীন পদক্ষেপ কমিশনের

রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, দুই হাজার ছাব্বিশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন পরিকল্পনা করেছে কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এ বার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা করে এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার ভাবনা চলছে।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজ্যে মোট একশো ষাট জন সাধারণ পর্যবেক্ষক ছিলেন। সে ক্ষেত্রে এক জন আধিকারিককে একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব সামলাতে হয়েছিল। কিন্তু এ বার সেই ব্যবস্থা বদলাতে পারে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা পর্যবেক্ষক থাকলে নজরদারি আরও শক্ত হবে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।শুধু সাধারণ পর্যবেক্ষকই নয়, ভোটের খরচের হিসেব দেখার জন্য ব্যয় পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও এ বার বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও।গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট সাতত্রিশ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। কিন্তু এ বার সেই সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে পারে। সূত্রের খবর, জেলা বা মহকুমা ভিত্তিক নিয়োগের বদলে নির্দিষ্ট এলাকা বা বিধানসভা কেন্দ্র ধরে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হতে পারে। এমনকী কিছু স্পর্শকাতর কেন্দ্রে এক জনের বেশি পুলিশ পর্যবেক্ষকও থাকতে পারেন।কমিশনের এই সূক্ষ্ম পরিকল্পনা থেকেই স্পষ্ট, ভোটের সময় কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই ভোট ঘোষণা হওয়ার আগেই বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। তালিকায় ন্যূনতম পদমর্যাদা হিসেবে মহকুমা শাসক স্তরের আধিকারিকদের রাখা হয়েছে। যদিও সিনিয়র পদমর্যাদার আধিকারিকও থাকতে পারেন, কিন্তু সবচেয়ে নিচের স্তর হিসেবে মহকুমা শাসক পদই নির্ধারণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এতদিন ডিএমডিসি পদমর্যাদার আধিকারিকরা রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেতেন। কিন্তু নতুন নির্দেশিকায় সেই পদমর্যাদার কাউকে রাখা হয়নি। যাঁদের নাম রাখা হয়েছে, তাঁরা সকলেই তুলনামূলক ভাবে সিনিয়র আধিকারিক বলে জানা গেছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বাংলায় নতুন রাজ্যপাল! শপথ নিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি, অনুপস্থিত বিজেপি

বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বাংলায় দায়িত্ব নিলেন নতুন রাজ্যপাল। রবীন্দ্র নারায়ণ রবি এ দিন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন। কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।রাজভবনে আয়োজিত এই শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্যের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। তবে এ দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বিজেপির কোনও প্রতিনিধিকেও এই অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি।কয়েক দিন আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেন সি ভি আনন্দ বোস। তাঁর ইস্তফার পরই নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় রবীন্দ্র নারায়ণ রবিকে। এর আগে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।তামিলনাড়ুতে দায়িত্বে থাকাকালীন একাধিক ইস্যুতে সে রাজ্যের সরকারের সঙ্গে তাঁর সংঘাত তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে বিভিন্ন বিল নিয়ে রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের মধ্যে টানাপোড়েন বাড়ে। সেই সময় ডিএমকে সরকার একাধিকবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে তাঁকে রাজ্যপাল পদ থেকে সরানোর আবেদন জানিয়েছিল।এই পরিস্থিতিতেই এবার পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। অন্যদিকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যবাসীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখেছিলেন সি ভি আনন্দ বোস। রাজভবনের সরকারি সামাজিক মাধ্যমের পাতায় সেই চিঠি প্রকাশ করা হয়।সেই চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সবসময় অটুট থাকবে। বাংলার আবেগকে সামনে রেখে তিনি মহাত্মা গান্ধীর একটি বক্তব্যও উল্লেখ করেন। সেখানে লেখা ছিল, আমি বাংলা ছেড়ে যেতে পারছি না, আর বাংলা আমাকে ছেড়ে যেতে দেবে না।এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, এই বক্তব্য থেকেই বোঝা যায় যে তাঁকে হঠাৎ করেই পদ ছাড়তে হয়েছে। প্রায় তিন বছর চার মাস আগে রাজ্যপালের দায়িত্ব নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন আনন্দ বোস।দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর একাধিক বিষয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা থেকে প্রশাসনিক নানা বিষয় নিয়ে তিনি রাজ্য সরকারকে বারবার সমালোচনা করেছিলেন। রাজ্যপাল এবং নবান্নের মধ্যে একাধিক ইস্যুতে ঠান্ডা লড়াই চলেছিল দীর্ঘদিন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর ইস্তফা এবং নতুন রাজ্যপাল হিসেবে রবীন্দ্র নারায়ণ রবির আগমন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের একাংশের দাবি, তামিলনাড়ুতে দায়িত্বে থাকাকালীন রাজ্য সরকারের সঙ্গে বারবার সংঘাতে জড়ানো একজনকে বাংলায় পাঠানোর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।এদিকে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরে নিজের পদত্যাগ নিয়ে আনন্দ বোস সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সময় হলে সব কথা জানাবেন। এরপর আর রাজভবনে ওঠেননি তিনি। সৌজন্যের খাতিরে তাঁকে রাজ্য সরকারের তরফে সৌজন্য নামে একটি ভবনে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। এমনকি যাওয়ার আগে নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিতে রাজভবনেও আর যাননি তিনি।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার ভোটের দিন কি ১৬ মার্চই ঘোষণা? তুঙ্গে জল্পনা, ঝুলে ৬০ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। সূত্রের খবর, সম্ভবত ১৬ মার্চ রাজ্যের ভোটের দিন ঘোষণা করা হতে পারে। বাংলার পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরির নির্বাচন সূচিও একই সঙ্গে ঘোষণা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।তবে ভোটের দিন ঘোষণার আগেই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের ভবিষ্যৎ। এখনও তাঁদের নাম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তার মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণার সম্ভাবনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ভোটের দিন ঘোষণা হতে পারে। সেই সম্ভাবনাই এখন আরও জোরালো হয়েছে। ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ বেঞ্চ রাজ্যে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে গিয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও দীর্ঘ আলোচনা করেছে কমিশন। আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতেই কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক বলে জানা গিয়েছে।রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। এক থেকে তিন দফার মধ্যে ভোট হতে পারে বলে একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে রাজ্যের প্রায় সব বিরোধী দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছে, তারা এক বা দুই দফাতেই ভোট চায়। তাদের দাবি, যত কম দফায় ভোট হবে, ততই অশান্তির সম্ভাবনা কম থাকবে।সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম দফার ভোট হতে পারে। আর ভোটের ফল ঘোষণাও এপ্রিল মাসের মধ্যেই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এরই মধ্যে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে বিচারাধীন ভোটারদের বিষয়টি। বর্তমানে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এই তালিকার ভাগ্য নির্ধারণের কাজ করছেন বিচারিক আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচশো জন বিচারিক আধিকারিক এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।গত সোমবার এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি আগাম আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। তবে সেই আবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, গত সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষের বিষয় ঝুলে রয়েছে।জানা যাচ্ছে, বিচারাধীনদের শুনানির প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত সম্পূরক ভোটার তালিকাও প্রকাশ করা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব এই তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে।অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের আগেই বিচারাধীন ভোটারদের ভাগ্য নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হবে। এখন সবাই তাকিয়ে রয়েছে ১৬ মার্চের দিকে। ওই দিনই কি বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

আজই বাংলায় আসছেন নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি, শপথের আগে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা

পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে বুধবারই কলকাতায় আসছেন আর এন রবি । জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা প্রায় ছয়টা পঁচিশ মিনিটে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে । এরপর বৃহস্পতিবার তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।এর আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন ডক্টর সিভি আনন্দ বোস । তবে নিজের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি গত পাঁচ মার্চ আচমকা দিল্লিতে গিয়ে ইস্তফা দেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করার পরই ঘোষণা করা হয় যে আর এন রবি পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপাল হচ্ছেন। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র আলোচনা এবং বিতর্ক।নতুন রাজ্যপালকে নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিজেপি ছাড়া আর কোনও কাজ করেন না এমন একজন ব্যক্তিকে রাজ্যপাল করা হয়েছে । তিনি আরও বলেন, তামিলনাড়ুতে যা করেছেন করেছেন, কিন্তু বাংলা সম্পূর্ণ আলাদা।আর এন রবি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের আইপিএস অফিসার। কর্মজীবনে তিনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি মেঘালয় এবং তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবেও কাজ করেছেন। এবার তাঁকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এরই মধ্যে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিদায়ী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করেন। তার আগে তিনি এসআইআর বিরোধী অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। সেই কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর ধর্মতলা থেকে সরাসরি রাজভবনে যান তিনি।সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর সঙ্গে সিভি আনন্দ বোসের সম্পর্ক ভালো ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে হঠাৎ করে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি আনন্দ বোসকে বলেছেন যে এতদিন বাংলায় থাকার ফলে তিনি এই রাজ্যকে ভালোভাবে চেনেন, তাই ভবিষ্যতে আবার বাংলায় আসার জন্যও তাঁকে অনুরোধ করেছেন।এখন নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আর এন রবির আগমনের পর রাজভবন এবং নবান্নের সম্পর্ক ভবিষ্যতে কীভাবে গড়ে ওঠে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা ইস্তফার পর বাংলাবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন চিঠি রাজ্যপাল আনন্দ বোসের

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যের মানুষকে উদ্দেশ করে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি লিখলেন সিভি আনন্দ বোস। চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন।চিঠির শুরুতেই তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে নিজের প্রিয় ভাই ও বোন বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, এই রাজ্যের মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন এবং সহযোগিতার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কখনও শেষ হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ এখন তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি এবং ভবিষ্যতেও তিনি এই রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আন্তরিকতা ও উষ্ণতার কথা স্মরণ করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া, শিশুদের উচ্ছ্বাস, তরুণদের দৃঢ় করমর্দন এবং প্রবীণদের স্নেহময় দৃষ্টিএই সব স্মৃতি তাঁর কাছে অমূল্য হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি।আনন্দ বোস মহাত্মা গান্ধীর একটি উক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন তিনি বাংলাকে ছেড়ে যেতে পারেন না এবং বাংলা তাঁকে যেতে দেবে না। এই কথার সঙ্গে নিজের অনুভূতির মিল খুঁজে পেয়েছেন বলেও তিনি জানান।চিঠিতে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উক্তির কথাও তুলে ধরেন। সেখানে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। গত কয়েক বছরে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন বলে জানান। গ্রামের মানুষের বাড়িতে বসে খাওয়া, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পড়াশোনা করা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে খুবই মূল্যবান বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও লেখেন, বাংলার মানুষ তাঁদের সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে গর্ব অনুভব করেন এবং এই বিষয়টি বাংলার মানসিকতার পরিচয় দেয়।চিঠির শেষে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে আগামী দিনে বাংলা আরও সাফল্যের শিখরে পৌঁছাবে। সবশেষে তিনি বাংলার মানুষের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করে লেখেন, মা দুর্গা যেন এই রাজ্যের মানুষকে রক্ষা করেন।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

বুথে গোলমাল হলেই পুনর্নির্বাচন! বাংলায় বড় বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

বাংলায় বিভিন্ন নির্বাচনে বুথ জ্যাম, ভোট লুঠ বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। অনেক সময় বুথের সিসিটিভি বন্ধ করে গন্ডগোলের অভিযোগও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতি রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপের কথা জানাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।রাজ্যে এসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, বুথে কোনও ধরনের গন্ডগোল বা অনিয়ম দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি প্রয়োজনে সেই বুথে পুনর্নির্বাচনও করা হবে।রবিবার রাতে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ দল রাজ্যে পৌঁছয়। সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। এরপর মঙ্গলবার দিল্লিতে ফেরার আগে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করতেই একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভোটের সময় অশান্তি বা গন্ডগোল কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তিনি জানান, এবার প্রতিটি বুথে সিসিটিভি এবং ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। শুধু বুথের ভিতরেই নয়, বুথের বাইরেও নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে।এর আগে অনেক বুথে সিসিটিভি থাকলেও সেখানে গন্ডগোলের অভিযোগ উঠেছে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে সিসিটিভির উপরে চুইনগাম লাগিয়ে বা সেটি বিকল করে বুথ জ্যাম করা হয়েছে।এই ধরনের ঘটনার কথা মাথায় রেখেই নির্বাচন কমিশন নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদি দেখা যায় কোনও বুথে সিসিটিভি ইচ্ছাকৃতভাবে বিকল করে দেওয়া হয়েছে, তবে সেই বুথে সঙ্গে সঙ্গেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।শুধু বুথের ভিতরের দৃশ্য নয়, বুথের বাইরের পরিস্থিতিও নজরে রাখা হবে। যদি বাইরে কোনও ধরনের গোলমালের ছবি ধরা পড়ে, তবে কমিশন থেকে তা পর্যবেক্ষণ করে সেই বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে কমিশনের এই কড়া বার্তাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ এবং স্বচ্ছ রাখতে কমিশন যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের পরই কি ভোটের দিন ঘোষণা? বড় ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন কবে হবে এবং কবে ফল ঘোষণা করা হবে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। নানা মহল থেকে নানা ধরনের জল্পনা শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই ভোট ঘোষণার সময় নিয়ে একটি ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে ধর্মতলায় চলা ধরনা কর্মসূচি তুলে নেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের সামনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, বিজেপিকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিজেপির ইঙ্গিতেই কাজ করছে।এই প্রসঙ্গেই কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রিগেডের সভার পর যদি ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তিনি দাবি করেন, এর আগেও এমন হয়েছে যে ব্রিগেডে সভা করার পরই ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার চৌদ্দ মার্চ ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভার পরই নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে আদালত। তাঁর কথায়, সব কথা লিখিত নির্দেশে থাকে না, অনেক বিষয় শুনানির ভিডিও দেখলে বোঝা যাবে।বিবেচনাধীন ভোটারদের প্রসঙ্গেও বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পঁচিশ তারিখ এই বিষয়ে আবার শুনানি রয়েছে। তিনি বলেন, ভোটের দিন যদি পনেরো বা ষোলো তারিখে ঘোষণা করা হয়, তাতেও চিন্তার কিছু নেই। কারণ এই পুরো বিষয়টি তারা নজরে রাখছেন এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বাংলার ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

“একুশের মতো পরিস্থিতি আর নয়”—বাংলায় ভোট ঘিরে কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর যেন বাংলায় না ফিরে আসে, সেই বার্তাই বারবার দিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ছাব্বিশের নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও চাপমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় দুদিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বা ভয় দেখানো বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার রক্ষা করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই বৈঠকে ভোট কত দফায় হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে এক বা দুই দফায় ভোট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। জ্ঞানেশ কুমার জানান, রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। দিল্লিতে ফিরে কমিশন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করে বলেন, এবারের ভোটে কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ভোট যেন সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত ও ভয়মুক্ত পরিবেশে হয়, সেই বিষয়ে কমিশন বিশেষ নজর দেবে। ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করার ঘটনাও কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি বলেন, অতীতে ভোটের আগে এবং ভোটের পরে যে ধরনের হিংসার ঘটনা দেখা গিয়েছিল, কমিশন আশা করছে এবারে সেই পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না। যদি কারও বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।সোমবার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেখানে রাজ্যের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের কড়া বার্তা দেন তিনি। কোথাও কোনও অশান্তি বা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। নির্দেশ না মানলে শুধু পদ থেকে সরানোই নয়, বিভাগীয় তদন্তের মুখেও পড়তে হতে পারে বলে জানিয়ে দেন।এবারের নির্বাচনে প্রতিটি বুথে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সব বুথেই ওয়েব সম্প্রচারের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট দিতে যাওয়ার সময় বুথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রেখে তবেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে ভোটারদের। ভোটযন্ত্রে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেখানোর ব্যবস্থাও থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে ভোটের সাত দিনের মধ্যে ভোটযন্ত্র পরীক্ষা করার সুযোগও দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র খোলা হবে, যাতে ভোটাররা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সাহায্য পেতে পারেন।

মার্চ ১০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, দিনহাটায় অনশনে বসলেন উদয়ন গুহ

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও জোরদার করল তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন একই ইস্যুতে কোচবিহারের দিনহাটায় গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার তাঁর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।উদয়ন গুহ অভিযোগ করেছেন, বিজেপির ইঙ্গিতে নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। অনেক ভোটারের নাম আবার অমীমাংসিত তালিকায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই দিনহাটায় গণ অনশন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামে বহু ভোটারের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রাখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী দিনহাটায় ইতিমধ্যেই বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তার উপর আরও বহু নাম এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।জেলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে দুই লক্ষ সাতত্রিশ হাজারেরও বেশি নাম। এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন উদয়ন গুহ।অনশন শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতায় দলের নেতা কর্মীরা অবস্থান করছেন। বিজেপির চাপে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে অথবা তাঁদের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রেখে মানসিক চাপ তৈরি করছে। বিচারাধীন তালিকার নিষ্পত্তি কবে হবে, সে বিষয়ে কমিশন স্পষ্ট করে কিছু জানাচ্ছে না। সেই কারণেই দিনহাটায় এই গণ অনশন শুরু করা হয়েছে।বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই তাদের সবচেয়ে নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এত পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন তিনি কখনও দেখেননি বলেও দাবি করেন।উদয়ন গুহর অভিযোগ, বিজেপির সুবিধা হবে কি না সেই দিকেই নজর রেখে কমিশন কাজ করছে। তবে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ অনেক বেশি সচেতন। এই ধরনের চক্রান্তকে কীভাবে প্রতিহত করতে হয় তা বাংলার মানুষ জানে।রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি যে দাবি করছে, সেই প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন উদয়ন গুহ। তিনি বলেন, যাঁরা এই দেশে জন্মেছেন তাঁদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। যদি সত্যিই রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারী পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু সেই অজুহাতে সাধারণ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া চলবে না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, যেখানে বিজেপি দুর্বল সেখানে পরিকল্পনা করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই তাঁদের আন্দোলন। অনশন কতক্ষণ চলবে, সেই প্রশ্নের উত্তরে উদয়ন গুহ বলেন, শরীরে যতক্ষণ শক্তি থাকবে ততক্ষণ তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন। ভোটের আগে ভোটার তালিকা ঘিরে এই বিতর্ক ও আন্দোলন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি বিরোধীদের! বাংলায় এক দফায় ভোট চাইল বাম ও বিজেপি

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার। তার আগেই নির্বাচন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সহ কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল। সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে।এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বামফ্রন্ট এবং বিজেপি দুপক্ষই বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।দিনের শুরুতেই বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিশির বাজোরিয়া বলেন, রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাই প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেও তাদের তৎপরতা চোখে পড়ছে না। অনেক জায়গায় রুট মার্চও দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই বিষয়ে কমিশনের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান।বিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি বুথে ওয়েব ক্যামেরা সহ সমস্ত নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হোক। পাশাপাশি নির্বাচন যেন খুব বেশি দফায় না করা হয় সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে। বিজেপি চায়, বাংলায় সাত বা আট দফার বদলে এক বা সর্বাধিক দুই দফায় নির্বাচন হোক।অন্যদিকে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরাও এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে। বৈঠক শেষে সেলিম জানান, তারাও বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছেন। তবে প্রয়োজনে সর্বাধিক দুই দফায় ভোট হলেও তাদের আপত্তি নেই।তিনি আরও বলেন, প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে যে বিষয়গুলি এখনও বিচারাধীন রয়েছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ করে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়েছে। যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও কমিশনকে বলা হয়েছে।এদিকে এসআইআর ইস্যু ঘিরে উত্তেজনার আবহেই এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং রাজীব কুমার।বৈঠক শেষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের উপর তাদের আস্থা রয়েছে। তবে সেই নিরপেক্ষতা সবসময় দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলি উঠছে, সেগুলি সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফর্ম ছয় এবং ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্য বিভ্রাট নিয়েও তারা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলেও তারা উল্লেখ করেছে।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে কমিশনের এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে হঠাৎ পদত্যাগ! অবশেষে মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

ভোটের আগে আচমকা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ ঘিরে এখনও জল্পনা থামেনি। তিনি কি কোনও চাপের মুখে পড়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। মুখ্যমন্ত্রীও এই বিষয়ে ইঙ্গিত করে বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছেন। তবে সেই জল্পনার মধ্যেই রবিবার কলকাতায় ফিরে নিজেই মুখ খুললেন সিভি আনন্দ বোস।দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে কিছুটা দার্শনিক সুরেই তিনি বলেন, এটি তাঁর নিজের সচেতন সিদ্ধান্ত। তাঁর কথায়, এটাই বিদায় নেওয়ার সঠিক সময়। একজন গেলে তবেই তো আরেকজন আসবে।এ সময় তিনি করজোড়ে প্রণাম জানিয়ে বলেন, বাংলায় যে সময় তিনি কাটিয়েছেন, তা তাঁর কাছে খুবই সুন্দর অভিজ্ঞতা। বাংলার মানুষের ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন বলেও জানান। পাশাপাশি তিনি এও জানান, এখন তিনি চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের একজন ভোটার হয়েছেন। সেটি তাঁর কাছে দ্বিগুণ আনন্দের বিষয়।তবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু বলতে চাননি বিদায়ী রাজ্যপাল। আসন্ন নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হবেন কি না বা অন্য কোনও ক্ষেত্রে কাজ করবেন কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাঁর কথায়, আপাতত সে ধরনের কোনও পরিকল্পনা নেই।তবে ভোটের মুখে তাঁর এই পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই মনে করছেন, এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিতও থাকতে পারে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
দেশ

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর শিলিগুড়ি সফরে প্রোটোকল বিতর্ক, কেন্দ্র রাজ্যকে রিপোর্ট তলব

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে রবিবার সকালে এই নির্দেশ পাঠানো হয়। বিকেল পাঁচটার মধ্যে লিখিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে স্বাগত জানাতে যাননি মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোটবোনের মতো। আমি বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা হয়তো রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি বা কোনও মন্ত্রী আসেননি। তবে এটা বড় বিষয় নয়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবারই প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ওঁর (দ্রৌপদী মুর্মু) অনুষ্ঠানের কথা আমি জানতাম না। এটি কোনও সরকারি অনুষ্ঠান নয়, সম্পূর্ণ বেসরকারি। আমরা এখানে কী করব? আমি এখন ধরনায় আছি, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছি। আপনারা বিজেপির অগ্রাধিকার হতে পারেন, আমার কাছে আমার জনতাই সব। তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রপতি একজন সর্বোচ্চ সাংবিধানিক ব্যক্তি, আমরা তাঁকে সম্মান করি। কিন্তু বিজেপি তাঁকে রাজনীতি করতে পাঠিয়েছে।রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছিল, ঘটনা শান্ত হতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করেছেন। মুখ্যসচিবকে জানতে চাওয়া হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সফরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল।

মার্চ ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বেকারদের জন্য বড় চমক! ঘোষণার আগেই ঢুকছে ভাতা, আজ থেকেই টাকা পাচ্ছেন যুবক-যুবতীরা

বাজেট ঘোষণার সময়েই জানানো হয়েছিল, রাজ্যের মাধ্যমিক পাশ করা অথচ এখনও চাকরি না পাওয়া যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন ভাতা চালু করবে রাজ্য সরকার। যুবসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে এই ভাতা।প্রথমে জানা গিয়েছিল, চলতি বছরের অগস্ট মাস থেকে এই টাকা পাওয়া যাবে। পরে সেই সময়সীমা অনেকটাই এগিয়ে এনে ঘোষণা করা হয়, ১ এপ্রিল থেকেই ভাতা দেওয়া শুরু হবে। তবে শনিবার আরও বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু হচ্ছে এই ভাতা। অর্থাৎ ১ এপ্রিল নয়, শনিবার ৭ মার্চ থেকেই যুবসাথীর টাকা পাওয়া শুরু করবেন বেকার যুবক-যুবতীরা।কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১ এপ্রিল থেকে যেটা ঢোকার কথা ছিল সেটা আজ থেকেই ঢুকবে। যুবসাথীর টাকা আজ থেকেই পাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ফেব্রুয়ারি থেকেই দেওয়া শুরু হয়েছে। আমরা যা বলি, তা করি।যুবসাথী প্রকল্পে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই গোটা রাজ্যে বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে। অফলাইন এবং অনলাইন দুই ভাবেই লাখ লাখ আবেদন জমা পড়েছে।অন্যদিকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও সম্প্রতি ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের মহিলারা এখন আগের থেকে আরও পাঁচশো টাকা বেশি পাচ্ছেন। তবে এই বিষয়টি নিয়েও রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর চলছে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে, ভোটের আগে ভাতা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। আবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হবে।এই পরিস্থিতিতে বেকার ভাতা আগেভাগে চালু হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 59
  • 60
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

সমুদ্রের নিচে আমেরিকার গোপন হামলা! ইরানের ঘাঁটি উড়িয়ে দিল নতুন মারণাস্ত্র, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ল। এবার সমুদ্রপথে নতুন অস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, তাদের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও যুদ্ধে সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এই অভিযানে ইরানের একটি ডুবোজাহাজ এবং জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। হামলার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, রবিবার মানববিহীন সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বন্দর আব্বাসে অভিযান চালানো হয়। তাদের দাবি, তিনটি সামুদ্রিক ড্রোন দিয়ে ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতে সফল হামলা চালানো হয়েছে। এই অভিযানের ফলে হরমুজ প্রণালী এলাকায় ইরানের সামরিক সক্ষমতায় বড় ধাক্কা লেগেছে বলেও দাবি করেছে আমেরিকা।প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছোট মানববিহীন জলযান দ্রুত গতিতে জলের উপর দিয়ে এগিয়ে গিয়ে একটি স্থাপনার সঙ্গে ধাক্কা মারে। তার পরেই প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুনের বিশাল গোলা আকাশে ছড়িয়ে পড়ে। মার্কিন দাবি, ওই বিস্ফোরণে জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায়।এই হামলার আগে থেকেই হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। আমেরিকার অভিযোগ, ইরান একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি একটি মালবাহী জাহাজেও হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অন্যদিকে মার্কিন বাহিনীও টানা কয়েক দিন ধরে ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই ঘোষণা করেছিলেন, হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাহাজের বিরুদ্ধে আবারও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ওই জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজের জন্য নতুন শুল্ক আরোপের কথাও জানান তিনি। এর পাল্টা জবাবে ইরান বাহরিন, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একাধিক জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
দেশ

ইরানের হামলায় মৃত্যু ভারতীয় নাবিকের! আগুনে জ্বলল তেলবাহী জাহাজ, বাড়ছে যুদ্ধের উত্তাপ

যত দিন যাচ্ছে, ততই জটিল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর কাছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুটি তেলবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। এই হামলায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন ভারতীয় এবং দুজন ইউক্রেনের নাগরিক। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।জানা গিয়েছে, ওমানের জলসীমায় হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণ অংশ দিয়ে যাওয়ার সময় মোমবাসা এবং আল বাহিয়াহ নামে দুটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। নিহত ভারতীয় নাবিক মোমবাসা জাহাজে কর্মরত ছিলেন। হামলার পর দুই জাহাজেই আগুন লাগে। পরে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এবং ভারতের বিদেশ মন্ত্রক পুরো ঘটনার উপর নজর রাখছে।ঘটনার পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তাদের দাবি, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে, ওই দুটি জাহাজ তাদের সতর্কবার্তা অমান্য করেছিল। তাদের অভিযোগ, জাহাজগুলি নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রেখে নিষিদ্ধ পথ ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল। সেই কারণেই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। একই সঙ্গে তাদের অভিযোগ, আমেরিকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে ভুল পথে চলাচলে উৎসাহ দিচ্ছে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।এদিকে আমেরিকাও টানা সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, ড্রোন ঘাঁটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী জাহাজের উপর নতুন কর আরোপের কথাও জানিয়েছে আমেরিকা। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই আশঙ্কা বাড়ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
দেশ

অনশনে সোনম, উদ্বেগে ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর অভিনেতা! কী এমন বললেন ওমি বৈদ্য?

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি। নিট-সহ একাধিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিও জানিয়েছে তারা। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবেই অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেছেন সমাজকর্মী ও গবেষক সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের জেরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন থ্রি ইডিয়টস ছবির অভিনেতা ওমি বৈদ্য।সম্প্রতি সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করেন ওমি বৈদ্য। পরে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, সোনমের শারীরিক অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে চিন্তিত। তাঁর কথায়, দীর্ঘ অনশনের কারণে সোনমের যেন কোনও অঘটন না ঘটে, সেটাই তিনি চান।ভিডিও বার্তায় ওমি বৈদ্য সকলকে সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানার আবেদন জানান। তাঁর দাবি, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, লাদাখের স্বায়ত্তশাসন এবং পরিবেশ রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আন্দোলন করছেন সোনম। এই বিষয়গুলি সম্পর্কে মানুষের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।ককরোচ জনতা পার্টির দাবি, অনশন শুরুর পর থেকে সোনম ওয়াংচুকের ওজন প্রায় আট কেজি কমে গিয়েছে। রক্তে শর্করার মাত্রাও কমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। তবুও তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি।ভিডিও বার্তায় আবেগঘন সুরে ওমি বৈদ্য বলেন, আমি চাই না ফুনসুখ ওয়াংড়ু মারা যান। উল্লেখ্য, থ্রি ইডিয়টস ছবির ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রটি বাস্তবের সোনম ওয়াংচুককে অনুপ্রেরণা করেই তৈরি হয়েছিল। অভিনেতা আরও বলেন, আপনি তাঁর সঙ্গে একমত না-ও হতে পারেন, কিন্তু তাঁর মতো একজন অনুপ্রেরণাদায়ক মানুষকে হারানো উচিত নয়।শেষে তিনি সকলকে সমাজ ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি থ্রি ইডিয়টস-এর জনপ্রিয় সংলাপের ঢঙে নিজের বক্তব্য শেষ করেন ওমি বৈদ্য।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

সুখবর লাখো মানুষের জন্য! আয়ুষ্মানে নাম না থাকলেও মিলবে বিনামূল্যে চিকিৎসা, সামনে এল নতুন পরিকল্পনা

রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বহু মানুষ নাম নথিভুক্ত করতে শুরু করেছেন। তবে এই প্রকল্পের সুবিধা সবাই পাবেন না। নির্দিষ্ট কিছু শর্তের ভিত্তিতে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে অনেকেই এই প্রকল্পের বাইরে থেকে যাচ্ছেন। তাঁদের জন্যই নতুন স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প চালুর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, খুব শীঘ্রই চালু হবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প। এই প্রকল্পেও পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন চিকিৎসার সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আসবেন না, তাঁরাই মূলত মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আয়ুষ্মান ভারতের নির্দিষ্ট যোগ্যতার তালিকায় যাঁদের নাম নেই, যাঁদের পাকা বাড়ি রয়েছে অথবা নির্দিষ্ট শ্রমভিত্তিক পেশার সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের অনেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।তবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে কীভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আবেদন প্রক্রিয়ার রূপরেখা এখনও তৈরি হচ্ছে। আগে যাঁদের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে নাম ছিল, তাঁদের তথ্য সরাসরি নতুন প্রকল্পে যুক্ত করা হবে কি না, নাকি নতুন করে আবেদন করতে হবে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই আবেদন পদ্ধতি, যোগ্যতার শর্ত এবং প্রয়োজনীয় নথি সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে। ফলে যাঁরা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন না, তাঁদের আপাতত সরকারি ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের আগে বড় চমক! ইংল্যান্ড ম্যাচে মেসিদের বিশেষ অস্ত্রে সায়, তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনাকে ঘিরে নানা আলোচনা চলছে। এবার সেমিফাইনালের আগে নতুন করে সেই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে নিজেদের সৌভাগ্যের গাঢ় নীল জার্সি পরার অনুমতি চেয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে ফিফা। ফলে বুধবারের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পরিচিত নীল-সাদা জার্সির বদলে গাঢ় নীল জার্সিতেই মাঠে নামতে পারে লিওনেল মেসিদের দল।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ফুটবল মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে গাঢ় নীল জার্সি পরে খেলতে নেমে অতীতে একাধিকবার জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। সেই কারণেই এই জার্সিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করেন অনেক সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমী।উনিশশো ছিয়াশি সালের বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে হারানোর সময়ও আর্জেন্টিনার গায়ে ছিল গাঢ় নীল জার্সি। পরে উনিশশো আটানব্বই সালের বিশ্বকাপেও একই রঙের জার্সি পরে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল তারা। অন্যদিকে, দুই হাজার দুই সালের বিশ্বকাপে নীল-সাদা জার্সি পরে মাঠে নেমে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যেতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে।এই কারণেই সেমিফাইনালের আগে আবার সেই গাঢ় নীল জার্সি পরার আবেদন জানায় আর্জেন্টিনা। অনুমতি মেলায় অনেকেই মনে করছেন, এটি দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। যদিও ম্যাচের ফল শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে মাঠের পারফরম্যান্সের উপরই।আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিশেষ জার্সি বা নির্দিষ্ট রীতিনীতি মানার প্রচলন রয়েছে। এই বিশ্বাসকে তারা কাবালা নামে চেনে। সেই বিশ্বাস থেকেই এবারও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গাঢ় নীল জার্সি বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা এর আগে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে। তার মধ্যে তিনটি ছিল নকআউট ম্যাচ। এবার চতুর্থ নকআউট লড়াইয়ে আবারও মুখোমুখি দুই ফুটবল শক্তি। এখন দেখার, ইতিহাসের সৌভাগ্য নাকি মাঠের লড়াই শেষ পর্যন্ত কোনটি জয় এনে দেয় মেসিদের।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বনদফতরের চাকরিতে বড় বদল! মুখ্যমন্ত্রীর এক ঘোষণাতেই বদলে গেল নিয়োগের নিয়ম

বনদফতরের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে বনদফতরের নিয়োগ হবে পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে বলেই মনে করছে প্রশাসনের একাংশ। অতীতে বনদফতরের নিয়োগ নিয়ে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের পর এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে অরণ্য উৎসবের উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বনদফতরের কর্মীরা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কর্মীর অভাব এবং পরিকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে। এই পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন করা হবে। তিনি বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁকে নির্দেশ দেন, কোথায় কত শূন্যপদ রয়েছে এবং কী কী পরিকাঠামোর প্রয়োজন, তার বিস্তারিত তালিকা তৈরি করে মুখ্য সচিবের কাছে জমা দিতে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, বনদফতরের সমস্ত নতুন নিয়োগ পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে করা হবে। তাঁর দাবি, এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং যোগ্য প্রার্থীরাই সুযোগ পাবেন।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। প্রায় দুই হাজার শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওঠে। পরে কলকাতা হাই কোর্ট পুনরায় সাক্ষাৎকার নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই ঘটনার পর থেকেই বনদফতরের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।অনুষ্ঠান থেকে আগের সরকারেরও কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বন ও জঙ্গলের উন্নয়নে কোনও কাজ করা হয়নি। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো বনাঞ্চল আজ নানা সমস্যায় জর্জরিত। আকাশপথে সেই এলাকাগুলি দেখলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট বোঝা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে সাত কোটি পঞ্চাশ লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষ্যও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পঞ্চায়েত সদস্যদের এক হাজার করে এবং বিধায়কদের এক লক্ষ করে গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ফের ট্রলার বিপর্যয়! মৃত্যুর মুখ থেকে কীভাবে ফিরলেন ১৩ মৎস্যজীবী?

ফের বঙ্গোপসাগরে ট্রলার দুর্ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক ছড়াল উপকূল জুড়ে। তবে এবার বড় বিপদ থেকেও অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেন ১৩ জন মৎস্যজীবী। মাঝসমুদ্রে ট্রলার ডুবে গেলেও পাশ দিয়ে যাওয়া অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের তৎপরতায় সকলকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় স্বস্তি ফিরলেও কয়েক দিন আগের ভয়াবহ ট্রলার দুর্ঘটনার স্মৃতি আবারও তাজা হয়ে উঠেছে।স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের বাসিন্দা লক্ষ্মীনারায়ণ দাসের এফবি সিদ্ধিবিনায়ক নামে একটি ট্রলার ১৩ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিল। সোমবার রাতে মাছ ধরে ফেরার পথে বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে আচমকা আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারের নিচের অংশ ফেটে জল ঢুকতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রলারটি ডুবতে থাকে।বিপদ বুঝে মৎস্যজীবীরা চিৎকার করে সাহায্য চান। সেই সময় কাছাকাছি থাকা অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। উদ্ধারকারীদের তৎপরতায় ডুবন্ত ট্রলার থেকে ১৩ জন মৎস্যজীবীকেই নিরাপদে তুলে আনা সম্ভব হয়। যদিও এফবি সিদ্ধিবিনায়ক ট্রলারটি সমুদ্রের জলে তলিয়ে যায়। এখনও সেটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধার হওয়া মৎস্যজীবীদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরপর তাঁদের উপকূলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। সকলেই নিরাপদে ফিরে আসায় পরিবার ও প্রশাসন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। তবে পরপর ট্রলার দুর্ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে মৎস্যজীবীদের মধ্যে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বঙ্গোপসাগরে মা কালী নামে একটি ট্রলার নিখোঁজ হয়ে যায়। শঙ্করপুর বন্দর থেকে ১৫ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে রওনা হওয়ার পর ট্রলারটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বকখালি উপকূলের কাছে উল্টে থাকা অবস্থায় সেটি উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় ৯ জনের দেহ উদ্ধার হলেও এখনও ৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নতুন এই দুর্ঘটনার পর সমুদ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ফের বড় ধাক্কা সুপ্রতিম সরকারের! রাতারাতি সরিয়ে দিল রাজ্য, পুলিশে ব্যাপক রদবদল

রাজ্য পুলিশে ফের বড় রদবদল করল সরকার। মঙ্গলবার জারি হওয়া নির্দেশে একাধিক আইপিএস এবং রাজ্য পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকের দায়িত্ব বদল করা হয়েছে। এই রদবদলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত হল প্রাক্তন কলকাতা পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া। তাঁকে এবার টেলিকম শাখার অতিরিক্ত মহানির্দেশকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধ তদন্ত দফতরের নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন নটরাজন রমেশবাবু।একইসঙ্গে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হয়েছে সৎ ও দক্ষ আধিকারিক হিসেবে পরিচিত কে জয়রামনকে। তাঁকে অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকেও সরানো হয়েছে ত্রিপুরারি অথর্ভকে। তাঁর জায়গায় নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অমিত রাঠোর।বারুইপুরের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেও প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। সেখানে কর্মরত দুই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের মধ্যে পিনাকি দত্তকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় অতীশ বিশ্বাসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছাতে দেরি হওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পরই এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সরানো হয়েছিল। পরে তাঁকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশক করা হয়। এছাড়া ভিনরাজ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন তিনি।এবার তাঁকে টেলিকম শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই শাখা রাজ্য পুলিশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক পরিচালনা করলেও প্রশাসনিক গুরুত্বের বিচারে এটি তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ পদ বলে পুলিশ মহলের একাংশের মত।

জুলাই ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal