• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

রাজ্য

রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ

রাজ্যের রাজ্যপালের পাহাড় সফর নিয়ে যাঁরা বিরোধিতা করছেন তাদের পাহাড়ে ওঠার হিম্মত নেই। তাই তাঁরা রাজ্যপালকে নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সমালোচনা করছেন। মঙ্গলবার সকালে বিষ্ণুপুর রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে চায়ে পে চর্চা কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে রাজ্যপালের স্বপক্ষে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি আরও বলেন , রাজ্যপালের পাহাড় সফর যুক্তি সম্মত। রাজ্যপালের পাহাড়ে যাওয়াতে পাহাড়ের মানুষ সাহস পাবে, উৎসাহিত হবে। একজন রাজ্যপাল তার দায়িত্ব কর্তব্যকে বজায় রেখে কাজ করছেন। আরও পড়ুন ঃ বিমল গুরং আইনের ঊর্ধ্বে নয়ঃ বিনয় উল্লেখ্য , পাহাড় ইস্যুতে বুধবার নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে বিনয় তামাংয়ের। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন , যাঁরা রাষ্ট্রদ্রোহী যাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ রয়েছে তাদের হাত ধরে মমতা ব্যানার্জী পাহাড়ে উঠতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাই করুক পাহাড়ে তৃণমুলের ঝান্ডা উড়বে না। এদিনের এই কর্মসূচিতে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
খেলার দুনিয়া

‌এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন জার্সিতে কীসের প্রতীক?‌ 

সরকারিভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হল এসসি ইস্টবেঙ্গলের জার্সি। সোমবার গোয়ার পানাজিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জার্সি প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। এবার আইএসএলের জন্য তিন ধরনের জার্সি তৈরি করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তিন জার্সিতে রাখা হয়েছে যথাক্রমে মশাল, ইলিশ ও রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রতীক। জার্সির ডিজাইন তৈরি করেছেন কলকাতার পরিবেশ সচেতন ডিজাইনার মেঘনা নায়েক। একটা জার্সি হোম ম্যাচের জন্য, একটা অ্যাওয়ে ম্যাচের জন্য। আর একটা বাড়তি জার্সি তৈরি করে রাখা হয়েছে। হোম ম্যাচের জার্সি লালহলুদ। সঙ্গে থাকছে মশাল দেওয়া ক্লাবের লোগো। অ্যাওয়ে জার্সির রং নীল ও সাদা। এই জার্সিতে থাকছে ইলিশ মাছ। আর তিন নম্বর জার্সিতে থাকছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রতীক। ক্লাবের নতুন জার্সি ভাল লেগেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রবি ফাউলারের। তিনি বলেন, জার্সিগুলো দেখতে খুব ভাল হয়েছে। হোম জার্সি ক্লাবের ঐতিহ্যবজায় রেখেছে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দু আসলে দরজা খোলা , জল্পনা বাড়িয়ে ইঙ্গিত দিলীপের

ওনারা ওকে বিজেপিতে পাঠিয়েই দেবেন? আমরা দরজা বড়ো করে খুলে রেখেছি সবাইকে নেওয়ার জন্য। ওনারা যদি কাউকে পাঠিয়ে দেন আমরা দলে নেব। রবিবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর সুলঙগুড়িতে চা চক্রে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত , ববি হাকিম বলেছিলেন , শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গিয়ে বিজেপি তাদের রাজ্য সদর দফতর মুরলিধর সেন স্ট্রিটে বসাক। সেই কথার সূ্ত্র ধরেই এদিন এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, একজন রাজনীতিবিদ রাজনীতি করতে চাইলে বিজেপি সুযোগ দেবে। আমার সঙ্গে অবশ্য কারও কোনো আলোচনা এখনও হয়নি। ববি-শুভেন্দুর বাকযুদ্ধ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, সেটা ওদের পার্টির ভিতরে চলছে। আমার কিছু বলার নেই। তারাই মিটিয়ে নিক নিজেদের ব্যাপার। আরও পড়ুন ঃ আগুনে পুড়ে মৃত্যু জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর রেল প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এই নিয়ে এতদিন বসেনি কেন ? কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চিঠি লিখেছে। ওনাদের কানে জল ঢোকেনি। যখন মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে , পুলিশ লাঠি চালাচ্ছে। তখন এই সরকার নড়েচড়ে বসছে। এদের চামরা এত মোটা হয়ে গেছে। কানে তালা লেগে গেছে। মানুষের দুঃখ - কষ্ট শুনতে পায় না। যদি অন্যান্য রাজ্যে লোকাল ট্রেন চলতে পারে , এই রাজ্যে মেট্রো , টোটো , অটো , বাস , ট্রাম চলতে পারে। তাহলে লোকাল ট্রেন কেন চলবে না ? এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, জেদের জন্য এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই বিষয়ে তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের অনুগতঃ ধনকড়

রাজ্য সরকার কোনও আইন-শৃঙ্খলা মানছে না। সংবিধান মানছে না। শাসন চালাতে গেলে সংবিধান মানতে হবে, তা এখানে মানা হচ্ছে না । ফের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যকে আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রসঙ্গত , শনিবার তিনি পৌঁছান শিলিগুড়িতে। রবিবার তিনি দার্জিলিঙের উদ্দেশে রওনা হবেন। তার আগে শিলিগুড়িতে এক সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেন , কেন্দ্রের প্রকল্পের বিরোধিতা করছে রাজ্য । রাজ্য আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সাহায্য নেয়নি । সংকটের সময় সাহায্য নেওয়া উচিত ছিল । করোনা পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে , রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে । প্রকল্পের সাহায্য নিলে পরিস্থিতি আলাদা হত । প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প নিয়ে তিনি বলেন , কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকা পেয়েছে কৃষকরা। দেশের সব জায়গায় সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা চলে গেছে । পশ্চিমবঙ্গের কৃষকরা তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে । আরও পড়ুন ঃ ট্রেন চালানোর আবেদন জানিয়ে রেলকে চিঠি মুখ্যসচিবের রাজ্যে নারী নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ , রাজ্যে ধর্ষণ বেড়েছে । মেদিনীপুরে 33 শতাংশের বেশি ধর্ষণের অভিযোগ এসেছে । সরকারি রিপোর্ট তাই বলছে । সরকারী কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাজ্যপাল বলেন , উত্তরবঙ্গে সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের অনুগত । আমার কাছে রিপোর্ট এসেছে। রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করবেন না । আপনাদের বয়স কম , আগুন নিয়ে খেলবেন না। আইন আপনাকে ছাড়বে না। পাশাপাশি তিনি জানান , রাজনীতিতে কে হারল , কে জিতল , সেটা আমি পাত্তা দিই না । যা করছি , সেটা আমার কাজ । উত্তরবঙ্গে সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করব ।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

ট্রেন চালানোর আবেদন জানিয়ে রেলকে চিঠি মুখ্যসচিবের

বিশেষ কয়েকজোড়া ট্রেন চালানোর আবেদন নিয়ে রেলকে চিঠি লিখলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এইচ কে দ্বিবেদী। রেলের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিলেন তিনি। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে টুইট করে খবরটি জানানো হয়েছে।সেখানে স্বরাষ্ট্রসচিব এইচ কে দ্বিবেদী লিখেছেন , এর আগে মেট্রো চলাচলও যথেষ্ট সতর্কতা ও দক্ষতার সঙ্গে চালু করতে সক্ষম হয়েছে রাজ্য। এবার রেলের সম্মতি মিললে সকাল ও সন্ধ্যেবেলায় বিশেষ কয়েকজোড়া ট্রেনও ভালভাবেই চলতে পারবে এ রাজ্যে। তাতে জনসাধারণেরও অনেক সুবিধা হবে। হাওড়ার ঘটনা নিয়ে তিনি চিঠিতে লিখেছেন , এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে শুধুমাত্র রেলকর্মীদের জন্য রাজ্যে বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে এবং তাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অধিকার নেই। স্পেশ্যাল ট্রেনে উঠতে চাওয়া যাত্রীদের প্রতি আরপিএফের আচরণ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। অন্যদিকে , শনিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রেল ও কেন্দ্রের এই ভূমিকা নিয়ে রাজ্য সরকার ক্ষুব্ধ ও ক্ষুন্ন। আলোচনার মাধ্যমে লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য আমরা অনেক আগেই চিঠি দিয়েছিলাম রেলকে। কিন্তু রেল আমাদের কথা শোনেনি। মেট্রো পরিষেবা যেরকম চালু হয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সেভাবে লোকাল ট্রেন চালুর জন্য আমরা পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে চিঠি দিয়েছি। পূর্ব রেল জানিয়েছে, সোম-মঙ্গলবারের মধ্যে তারা অফিসার পাঠিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি-ভাইরাসের ভ্যাকসিন কী? আরামবাগে জানালেন শান্তনু প্রসঙ্গত , আনলক পর্বে রাজ্যে শুধুমাত্র রেলকর্মীদের জন্যই বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে। সেই স্পেশাল ট্রেনে উঠতে চাইছেন সাধারণ নিত্যযাত্রীরা। এনিয়ে রেল পুলিশের সঙ্গে যাত্রীদের প্রতিদিন বচসা লেগেই রয়েছে। শুক্রবারের পর শনিবারও যাত্রী বিক্ষোভে উত্তাল হয় হাওড়া স্টেশন চত্বর। রেলকর্মীদের জন্য বরাদ্দ ট্রেনে ওঠার দাবি নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে জড়ো হন যাত্রীরা। ক্যাব রোডের গেট দিয়ে ওই যাত্রীরা ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করতেই আরপিএফ বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আরপিএফের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন যাত্রীরা।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করবঃ ধনকড়

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করব। শনিবার শনিবার সফরে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি গোটা নভেম্বর মাসই দার্জিলিংয়ে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। পাহাড় প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, সাংবিধানিক সীমার মধ্যে থেকে তিনি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন। এছাড়াও এই সফরে তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন , অনেক আশা নিয়ে যাচ্ছি এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে বিমল গুরুং আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থন করবেন বলে জানিয়েছেন। তার কিছুদিন পরেই রাজ্যপালের দার্জিলিং সফর নিয়ে জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। আরও পড়ুন ঃ দুর্গাপুর ব্যারেজের লকগেট ভেঙে বিপত্তি এদিন সকালে টুইট করে রাজ্যপাল জানান , সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাপূরণে উত্তরবঙ্গ পাড়ি দিচ্ছেন। পর্যটন, আর্থিক এবং শিক্ষাগত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের উন্নতি করা সম্ভব বলেও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে তিনি টুইটে আরও জানান, চলতি সফরে সাধারণ মানুষ এবং প্রশাসনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবেন। এদিন তিনি কাঞ্চনজংঘা এক্সপ্রেসে করে দার্জিলিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। রাজ্যপালের সফরসূচি অনুযায়ী ১ নভেম্বর শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করবেন তিনি। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের রাজভবনে থাকার কথা রয়েছে তাঁর।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে ফের রাজ্যে কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

শুক্রবারও কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৭৯ জন। এর ফলে আক্রান্তের সংখ্যা মোট বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৯ হাজার ৬৭১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ১৫ জন। এনিয়ে বাংলায় মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৮৮ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৮.১৬ শতাংশ। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৫৯ জন। এর ফলে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৭৮৪ জন। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় ফের দৈনিক করোনা সংক্রমণ চার হাজারের কাছাকাছি সংক্রমণের নিরিখে ফের শীর্ষে কলকাতা। একদিনে শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮০ জন। কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে সংক্রমিত ৮৬৬ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ৪৩ হাজার ৭৭৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় এখনও পর্যন্ত মোট কোভিড পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ লক্ষ ১২ হাজার ২৭০ জনের।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

প্রকাশিত আইএসএলের সূচি, মোহন-ইস্ট কবে মাঠে নামবে দেখে নিন !

আগামী ২০ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ২০২০-২১ মরশুমের ইন্ডিয়ান সুপার লিগ বা আইএসএল। ১১টি দলকে নিয়ে গোয়ায় শুরু হচ্ছে এবারের আইএসএল। শুক্রবার লিগের আংশিক সূচি ঘোষণা করল আইএসএল কর্তৃপক্ষ। গোয়ার ব্যাম্বোলিমে উদ্বোধনী ম্যাচে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কেরালা ব্লাস্টার্সের মুখোমুখি হবে এটিকে মোহনবাগান। এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএল অভিযান শুরু করছে কলকাতা ডার্বি দিয়ে। ইলিশ-চিংড়ির বহুচর্চিত লড়াইটি হবে ভাস্কোর তিলক ময়দান স্টেডিয়ামে, ২৭ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। আরও পড়ুন ঃ প্রথম কোভিড পরিবর্ত ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাসে নাম তুললেন কে? গোয়াতে বায়ো বাবলের মধ্যে ফতোরদার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম, ব্যাম্বোলিমের জিএমসি স্টেডিয়াম ও ভাস্কোর তিলক ময়দানে খেলাগুলি হবে ক্লোজড ডোরে অর্থাৎ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। ৯৫-এর বদলে এবার আইএসএলে ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে হচ্ছে ১১৫। ১১টি দল ডাবল রাউন্ড রবিন ফরম্যাটে পরস্পরের মুখোমুখি হবে। পয়েন্ট তালিকায় প্রথম চারে থাকা দলগুলি প্লে অফ খেলার সুযোগ পাবে। আপাতত ১১ রাউন্ডের ৫৫টি ম্যাচের ক্রীড়াসূচি ঘোষণা হয়েছে। বাকি ম্যাচ কবে হবে তা এএফসি-র ক্রীড়াসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হবে। ১১ রাউন্ডের মধ্যে ৬টি ডাবল হেডার রয়েছে অর্থাৎ একদিনে দুটি ম্যাচ। ডাবল হেডারের ক্ষেত্রে প্রথম ম্যাচ বিকেল ৫টা থেকে, এরপরের ম্যাচ শুরু সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যপালের

আজ অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যেবেলায় দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ২৯ অক্টোবর সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সেরে আগামী ৩০ অক্টোবর কলকাতায় ফিরে আসবেন তিনি। জগদীপ ধনখড়ের টুইটার অ্যাকাউন্টে এদিন এমনটাই জানানো হয়েছে। তারপরই তিনি পুরো নভেম্বর মাস উত্তরবঙ্গেই থাকবেন বলে রাজভবন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের জানা গিয়েছে , আগামী ১ নভেম্বর শিলিগুড়ি যাচ্ছেন রাজ্যপাল। সেখানে সাংবাদিক সম্মেলন করে চলে যাবেন দার্জিলিংয়ে। জগদীপ ধনকরের পাশাপাশি রাজভবনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও থাকবেন তাঁর সঙ্গে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে’ : দিলীপ

বিজয়া দশমীতে দলের নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এক খোলা চিঠিতে তিনি লেখেন, মা আমাদের জন্য নিয়ে আসেন শুভশক্তি ও তাঁর আশীর্বাদ দিয়ে যান , যা আমাদের অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রেরণা যোগায়।বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসেবে সংঘাত ও সফলতার সুপরিচিত যাত্রাপথে বেশ কয়েকটা বছর কেটে গেল। আজ বিজয়া দশমীর পুণ্য দিনে আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু অব্যক্ত মনের কথা তুলে ধরা খুব প্রাসঙ্গিক মনে হল। বিগত কয়েক বছর যাবৎ আপনারাই আমার ভাই , বোন, বন্ধু , পরিবার। আমার আজও মনে আছে সেদিনের কথা, যেদিন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমার কাঁধে রাজ্য সভাপতির গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেন এবং আপনারা পরম আন্তরিকতার সাথে আমাকে সসম্মানে বরণ করে নিয়েছিলেন। আপ্লুত হয়েছিলাম সেদিন, প্রতিজ্ঞা করেছিলাম সাফল্য অর্জন করে আপনাদের সম্মানিত করব। ঠিক সেদিন থেকেই আমি নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও আনুগত্যের সাথে দায়িত্ব নির্বাহ করার প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে গিয়েছি। অতি প্রয়োজন ছাড়া একদন্ড অবসর নিইনি।আপনাদের মত আমিও আমার ব্যক্তিগত সুযোগ সুবিধার চেয়েও দলের প্রয়োজনীয়তা কে অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আরও পড়ুনঃ হেরে গেলে তৃণমূলের অত্যাচার থেকে বাঁচতে অন্য রাজ্যে বাসস্থান খুঁজতে হবে , হুঁশিয়ারি অনুপমের দলীয় কর্মীদের সাথী সম্বোধন করে তিনি বলেন, একমাত্র আপনাদের ভালবাসা আর কর্তব্যনিষ্ঠার বলে বলীয়ান হয়ে, ঈশ্বরের আশীর্বাদকে সঙ্গী করে আজ আমরা আমাদের দলকে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে পেরেছি। আজ যখন আমি পেছন ফিরে দেখি স্মৃতির সরণি বেয়ে একাধিক আনন্দঘন ঘটনা স্মৃতিপটে প্রতিফলিত হয়, যা কিনা সম্পূর্ণভাবেই আপনাদের আন্তরিকতা ও একাগ্রতার ফসল বলে আমি কায়মনোবাক্যে বিশ্বাস করি। ২০১৬ সালের নির্বাচনে ১০% জনগণের আশীর্বাদপুষ্ট আমাদের দল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৪০% এর উপর মানুষের আশীর্বাদে ধন্য হয়েছে, যা আপনাদের হার না মানা জেদ তথা অধ্যাবসায়ের ফলেই সম্ভবপর হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৮ জন সাংসদ কে জিতিয়ে আনা, আপনাদের ত্যাগ তিতিক্ষা দায়বদ্ধতার স্বপক্ষেই এক প্রামাণ্য দলিল। ২০১৪ সালে সারা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গও যখন মোদী ম্যানিয়ায় আক্রান্ত ছিল তখন আমরা মাত্র ২ টি লোকসভা আসন জয় করতে সমর্থ হয়েছিলাম, যেখানে শতকরা ভোটার হার ছিল মাত্র ১৭%। 2016 সালে আমার কৰ্মলগ্ন শুরু হয় রাজ্যের তিন প্রান্তের মাত্র তিনটি বিধায়ক দিয়ে । সেখানেই আমরা থেমে থাকিনি। আমাদের বিজয়রথ ক্রমাগত শাসকের দমন-পীড়ন নীতিকে উপেক্ষা করে , পুলিশি নির্যাতন , কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা , খুন - সন্ত্রাস সত্ত্বেও এগিয়ে চলেছে।একটা সময় ছিল যখন বুথ ভিত্তিক কার্যকর্তা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ছিল। আজ প্রায় সব বুথেই একাধিক কর্মী সক্রিয়, কোন কোন বুথে তো কর্মী সংখ্যা শতাধিক অতিক্রান্ত। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে, কারণ পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র আজ বিপন্ন , শাসকের ক্রমাগত বঞ্চনা-দূর্নীতি-অপশাসনে মানুষ অতিষ্ঠ।সোনার বাংলা গড়তে আমরা রাজ্যবাসীর কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজ্য সভাপতি হিসেবে আপনাদের কাছে আবেদন যে, বাংলার স্বার্থে, বাঙালীর স্বার্থে আবারও একবার নিজেদের উজাড় করে দিয়ে আমাদের প্রমাণ করে দিতে হবে যে সদিচ্ছা থাকলে যে কোন অসাধ্য সাধন আমাদের কাছে অতি ক্ষুদ্র বিষয়। আমাদের পারদর্শিতা আমরা বারবার প্রমাণ করেছি তা সে লোকসভা ভোটই হোক অথবা পঞ্চায়েত। লক্ষ্য এবার একুশের বিধানসভা, আমাদের সকলকে একজোট হয়ে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনতেই হবে। সময় এসেছে যখন আমাদের এক সূত্রে গ্রথিত হয়ে সমবেত কণ্ঠে সঙ্কল্প গ্রহণ করে বলতে হবে যে করব মোরা লড়ব মোরা সোনার বাংলা গড়ব মোরা। এদিন তিনি অস্ত্র পুজো করেন। তিনি বলেন , অধর্মের ওপর ধর্মের বিজয়, অন্যায়ের উপর ন্যায়ের বিজয়, এটাই বিজয়াদশমীর আহ্বান। শস্ত্র হচ্ছে শক্তির প্রতীক, দেশ-ধর্ম-সমাজ রক্ষার জন্য শস্ত্রের প্রয়োজন, শস্ত্রই আমাদের রক্ষা করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
উৎসব

অতিমারীর খারাপ প্রভাব থেকে সকলকে রক্ষা করুক আনন্দ উৎসব , টুইট রাজ্যপালের

সকলকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানিয়ে টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ্তিনি টুইটে আরও লেখেন , এই মহাপর্ব মন্দের উপরে ভালোর জয় এবং অসত্যের উপরে সত্যের জয়কে চিহ্নিত করে। এই আনন্দ উৎসব অতিমারীর খারাপ প্রভাবের হাত থেকে সকলকে রক্ষা করুক। আরও পড়ুনঃ মহাষ্টমীতে ঢাকের তালে জমিয়ে নাচলেন নুসরত আমাদের সকলের জন্য নিয়ে আসুক শান্তি, সমৃদ্ধি, এবং সুখ। এর আগেও তিনি পুজো্র মধ্যে টুইট করে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, রবিবারের সকালেই তিথি অনুযায়ী বিজয়া দশমী পড়ে গিয়েছে। তারপরই তাঁর টুইটটি করেন রাজ্যপাল।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

সমস্ত রেকর্ড ভেঙে বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪১৫৭

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ১৫৭ জন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৩৭ হাজার ২৮৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৬৪। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬০৮ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৯১১ জন। আরও পড়ুনঃ সংক্রমণে রেকর্ড ভেঙে একইদিনে আক্রান্ত ৪ হাজার ৬৯ রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৪৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৩০৮। বৃহস্পতিবার ৪৪ হাজার ২৫২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৯৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
কলকাতা

ছাড়লেন এনডিএ , একুশে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোট ময়দানে বিমল গুরুং

এনডিএ ছাড়ছেন তিনি। একুশের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়বে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। হঠাৎ বুধবার কলকাতায় এক অভিজাত হোটেলে বসে সাংবাদিক বৈঠক করে এই মন্তব্য করেন গোর্খা নেতা বিমল গুরুং। তিনি বলেন, ১২ বছর ধরে লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন করছি। কিন্তু আমরা কী পেয়েছি? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ সকলেই আশ্বাস দিয়েছিলেন গোর্খাল্যান্ডের দাবির স্থায়ী সমাধানের ব্যাপারে। ভোট ইস্তেহারেও সে কথা লিখেছিলেন। কিন্তু গত ৬ বছরে কিছুই তো হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলে শুধু বলেন, দেখছি, হবে। তুলনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বরং ভাল। উনি আমাদের কথা শুনেছিলেন। তার পর কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন। সাংবাদিক বৈঠকে এর পরেই গুরুং বলেন, আমি কেন্দ্রে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট তথা এনডিএ-র শরিক। কিন্তু আজ এই মুহূর্ত থেকে এনডিএ ছাড়ছি। সেই সঙ্গে এই অঙ্গীকার করছি যে একুশের বিধানসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ে ভোট লড়ব। সেই সঙ্গে গোর্খাল্যাণ্ডের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করব। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে গুরুং বলেন , এখনও তৃণমূলের কারও সঙ্গে আমার আলোচনা হয়নি। গুরুংয়ের সঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে রোশন গিরি উপস্থিত ছিলেন। গুরুং আরও বলেন, আমি রাজনৈতিক কর্মী। কোনও অন্যায় করিনি। এর পরেও যদিব পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে তা হলে জেলে যেতে রাজি। সেখানে বসেই কাজ করব। আরও পড়ুনঃ পুলিশের প্রশংসা করে টুইট রাজ্যপালের প্রসঙ্গত , এদিন বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ সল্টলেকের গোর্খা ভবনের সামনে হাজির হয় গো্র্খা জনমুক্তি মোর্চার পলাতক এই নেতার গাড়ি। তবে এদিন গোর্খা ভবনের গেট বিমলের জন্য খোলেনি। এক পুলিশকর্মী গোর্খা ভবনের গেট খোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। এসময় বিমলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাঁকে তো পুলিশ খুঁজছে। তাহলে তিনি কিভাবে কলকাতায় এলেন? জবাবে এই গোর্খা নেতা বলেন, যা বলার তিনি গোর্খা ভবনের ভিতরে বলবেন। তবে শেষ পর্যন্ত গোর্খা ভবনের ভিতরে যেতে পারেননি তিনি। গেট না খোলায় শেষ পর্যন্ত গাড়ি ঘুরিয়ে অন্যদিকে চলে যান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর এদিন তিনি প্রকাশ্যে এলেন। শো্না যাচ্ছিল , পুজো্র সময় তিনি কলকাতায় আসতে পারেন। সেই জল্পনাকে সত্যি করে এদিন তিনি কলকাতায় এলেন। প্রসঙ্গত , পাহাড়ে অশান্তি ছড়ানো, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, সাব-ইনস্পেক্টর অমিতাভ মালিক খুনে অভিযুক্ত বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের খাতায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ইউএপিএ আইনের ধারাও রুজু রয়েছে তাঁর নামে। এবছরের মার্চে দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার ছেলের বিয়ের আসরে দেখা গিয়েছিল গুরুং এবং গিরিকে। তখনই বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে গুরুংয়ের যোগসাজশের জল্পনা বাড়ে। কিছুদিন আগে গোর্খাল্যান্ড নিয়ে আলোচনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মোর্চা, রাজ্য সরকারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন বিমল গুরুং ও রোশন গিরি। অবশেষে এদিন তিনি সামনে এলেন।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

বাংলা গান বাজানোর আবেদন জানিয়ে ত্রিধারা সম্মিলনীতে স্মারকলিপি বাংলা পক্ষের

বাংলা গান ও সংস্কৃতিকে সকলের সামনে তুলে ধরা ও বাঙালি শিল্পীদের প্রতিভাকে সকলের সামনে তুলে ধরার আবেদন জানিয়ে ত্রিধারা সম্মিলনীতে স্মারকলিপি জমা দিল বাংলা পক্ষ। সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁরা সেখানে আবেদন করেন, পুজো মণ্ডপে বাংলা গান বাজান। চলতি বছরে দূর্গাপুজোয় শিল্পীরা যে বাংলা গানগুলি পরিবেশন করেছেন , সেই গানগুলি ্সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান তারা। আরও পড়ুনঃ সামান্য ছাড় দিয়ে পুজো মামলায় আগের রায়ই বহাল হাইকোর্টের তাদের আবেদন , হিন্দি সাম্রাজ্যবাদকে প্রতিহত করে বাংলা গানকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন। নতুন শিল্পীদের তুলে ধরুন। কলকাতার অন্যান্য পুজো কমিটিগুলিকেও বাংলা পক্ষের তরফ থেকে একই অনুরোধ করা হচ্ছে। স্মারকলিপি প্রদানের সময় বাংলা পক্ষের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন কৌশিক মাইতি সহ আরও অনেকে।

অক্টোবর ২১, ২০২০
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল নুসরত- মিমি অভিনীত 'এসওএস কলকাতা '

আজ মুক্তি পেল অংশুমান প্রত্যুষ পরিচালিত ছবি এসওএস কলকাতা। কলকাতা সহ বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে বুধবার ছবিটি মুক্তি পেল। এই ছবিটিতে অভিনয় করেছেন যশ দাশগুপ্ত , নুসরত জাহান, মিমি চক্রবর্তী , এনা সাহা , সুদীপ মুখোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। সদ্য প্রকাশিত হয়েছে ছবিটির ট্রেলার ও টিজার। এটি একটি অ্যাকশন প্যাকড সিনেমা। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন এনা সাহা। কয়েক বছর আগে ঘটে যাওয়া কলকাতায় জঙ্গি হামলার ঘটনা অবলম্বনে ছবিটি তৈরি হয়েছে। মিমি এখানে যশের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। উল্লেখ্য , পুজোয় এবার মোট ১২ টি ছবি মুক্তি পাচ্ছে। এই ছবিটি কতটা দর্শকের মনোরঞ্জন করতে পারে , সেটাই এখন দেখার। আরও পড়ুনঃ নতুন মিউজিক ভিডিও লঞ্চ লক্ষীরতন শুক্লার প্রসঙ্গত , এর আগে অংশুমান প্রত্যুষ প্যান্থার নামে একটি ছবি পরিচালনা করেছিলেন। সেই ছবিতে ছিলেন সুপারস্টার জিৎ। ছবিটি ভালই চলেছিল। চলতি বছরে করোনা আবহে সরকারের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে , সিনেমা হলে ৫০ শতাংশ আসনে দর্শকরা বসতে পারবে।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

সামান্য ছাড় দিয়ে পুজো মামলায় আগের রায়ই বহাল হাইকোর্টের

পুজো উদ্যোক্তাদের রিভিউ পিটিশনের প্রেক্ষিতে আগের রায় পুনর্বিবেচনা করে সামান্য পরিবর্তন করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। বুধবারে তাদের দেওয়া পরিবর্তিত রায়ে বলা হয়েছে, ঢাকিরা মণ্ডপের নো এন্ট্রি জোনের মধ্যে থাকতে পারবেন। তা ছাড়া বড় পুজোগুলোর মণ্ডপে কমিটির ৬০ জন সদস্যের তালিকা তৈরি করা যাবে। একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৪৫ জন মণ্ডপে ঢুকতে পারবেন। আগে এই সংখ্যাটা ছিল ২৫। প্রতিদিন সকাল ৮টার মধ্যে মণ্ডপের সামনে টাঙাতে হবে এই তালিকা। মণ্ডপে প্রবেশ করা ব্যক্তিদের নাম রোজ বদল করা যাবে। বিচারপতিদের নির্দেশ অনুসারে, যে সব মণ্ডপের আয়তন ৩০০ স্কোয়ার মিটার বা তার বেশি সেগুলিকে বড় মণ্ডপ বলে বিবেচিত হবে। ছোট মণ্ডপের ক্ষেত্রে ১৫ জনের তালিকা তৈরি করতে হবে। একসঙ্গে ১০ জনের বেশি মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবে না। সেই তালিকাতেও প্রত্যেকদিন বদল ঘটানো যাবে। এই বদলগুলি ছাড়া পঞ্চমীতে দেওয়া রায়ে আগের নির্দেশই বহাল রেখেছে কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্ট এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে দশমীতে সিঁদুর খেলা যাবে না। দেওয়া যাবে না অষ্টমীতে অঞ্জলিও। আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে এমবিবিএস পড়ার আসন বেড়ে ৪০০০ করোনা পরিস্থিতিতে গত সোমবার ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। রায়ে বলা হয়েছিল , কোনও মণ্ডপেই দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন না। প্রতিটি মণ্ডপের বাইরে নো এন্ট্রি বোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে হবে। ছোট মণ্ডপ হলে তার ৫ মিটার এবং বড় মণ্ডপ হলে তার ১০ মিটারের মধ্যে কোনও দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না। দূর থেকে দেখতে হবে। দর্শক শূন্য রেখে পুজো পরিচালনার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করবে পুলিশপ্রশাসনকে। হাইকোর্টের রায় মোতাবেক কাজ হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কমিশনারদের লক্ষ্মীপুজোর পর আদালতে রিপোর্ট জমার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের এই রায়ের পরই পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে মঙ্গলবার আবেদন জানান পুজো উদ্যোক্তাদের সংগঠন ফোরাম ফর দুর্গোৎসব।

অক্টোবর ২১, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের রায় বলবৎ হতে দেবেন কিনা , সন্দেহ আছে : অধীর

হাইকোর্টের রায়কে কতটা বাস্তবায়িত করবেন মুখ্যমন্ত্রী ও তার পুলিশ প্রশাসন , তা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। বুধবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে নিজের ফেসবুক পেজে এমনই মন্তব্য করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তিনি আরও লেখেন, এই রায় বাস্তব রূপ তখনই পাবে যখন রাজ্যের আমলা পুলিশ এই আইনকে বলবৎ করার চেষ্টা করবে। মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের রায় রাজ্যে বলবৎ হতে দেবেন কিনা , তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ মানুষের জীবনের চেয়ে তার কাছে ভোটের অঙ্কটাই বড়। মুখ্যমন্ত্রীর সমালো্চনা করে আরও লেখেন , রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মানুষের ভোটের অঙ্কটাই বড়। তাই মহামারীর সময়েও যে টাকা মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবায় খরচ হতে পারতো , সেই বিপুল টাকা আগামী বছরের ভোটপুজোর জন্য ক্লাবগুলোকে দিলেন, সরকারি খাত থেকে।চিকিৎসার খরচ চালাতে না পেরে , বেডের অভাবে, চিকিৎসার অভাবে যেখানে প্রতিদিন রাজ্যে মানুষ মরছে। তিনি আরও বলেন , রাজ্য সরকার আসন্ন দুর্গোৎসবে মানুষের ভিড়ে সংক্রমণ কিভাবে আটকাবে তার কোনো পথ বাতলাতে পারেনি। আরও পড়ুনঃ হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় তৃণমূল ও রাজ্য প্রশাসনকে তোপ দিলীপ, সায়ন্তনের রাজ্য সরকারের হাইকোর্ট কে বোঝানো উচিত ছিল পুজোয় ভিড়ে সংক্রমণ আটকাতে সরকার এই এই ব্যবস্থা নিয়েছে, কিন্তু সরকার তা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছে। উপরন্তু সরকার নিজেই স্বীকার করেছে করোনা গোষ্ঠী সংক্রমণ স্তরে চলে গেছে, এ অবস্থায় হাইকোর্ট এর কাছে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণ বাঁচাতে আর কোনো পথ ছিল না। তিনি পশ্চিমবঙ্গবাসীদের অনুরোধ করেন , মনে রাখতে হবে উৎসবের থেকে জীবন আগে। আজকের উৎসবের আনন্দ আগামীকাল করোনার বিভীষিকায় না পরিণত হয়।

অক্টোবর ২১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে চার হাজারের গণ্ডি পেরল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

পুজোর চতুর্থীতেই চার হাজারের গণ্ডি পেরল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২৯ জন। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৫৭ জন। রাজ্যে দৈনিক মৃতের সংখ্যা যদিও সামান্য কমেছে। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৬১ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৮০ জন। রাজ্যের সুস্থতার হার ৮৭.৪৩ শতাংশ। একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৩ হাজার ৭৬২ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪০ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৫১ জনের। তাঁদের মধ্যে ৮.০৭ শতাংশ ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গে এমবিবিএস পড়ার আসন বেড়ে ৪০০০

পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তারি পড়ার আসন বেড়ে হল ৪ হাজার। মঙ্গলবার টুইটে একথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, পুরুলিয়া সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই প্রথম এমবিবিএস পড়ুয়াদের ব্যাচ শুরু হচ্ছে। একইসঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১০০টি এমবিবিএস আসন নিয়ে এই ব্যাচ শুরু হচ্ছে । আরও পড়ুনঃ আগামীকাল দুর্গাপুজো নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি হাইকোর্টে পাশাপাশি দুর্গাপুরের গৌরী দেবী মেডিক্যাল কলেজে আরও ১৫০টি এমবিবিএস আসন বাড়ানো হয়েছে। করোনা আবহে এমবিবিএস পড়ুয়াদের আরও আসন বাড়ার ঘোষণা চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে অত্যন্ত আশাব্যাঞ্জক।

অক্টোবর ২০, ২০২০
কলকাতা

করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন দিলীপ ঘোষ

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালেই হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয় । বিজেপি সাংসদ জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন তিনি। কোনওরকম সমস্যা নেই। আপাতত বাড়িতে থেকে বিশ্রাম নেবেন। তাতেই আরও সুস্থ হয়ে উঠবেন। এদিন চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, আমি সেভাবে অসুস্থ হইনি। প্রথম দিকে সামান্য কাশি আর জ্বর ছিল। বাড়িতেই ছিলাম। পরে জ্বর বাড়তেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিই। হাসপাতালে ভরতি হই। রাজ্যবাসীকে সতর্ক ও সচেতন থাকার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও পড়ুনঃ বিভেদের রাজনীতি করে আসছে বিজেপিঃ ডেরেক প্রসঙ্গত , শুক্রবার রাতে বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। জ্বর-কাশি ছিল তাঁর। রাতেই তাঁকে সল্টলেকের আমরি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। এরপরই জানা যায়, মারণ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি সভাপতি। শুরু হয় চিকিৎসা। ধীরে ধীরে উন্নতি হয় দিলীপ ঘোষের শারীরিক অবস্থার। এরপরই চিকিৎসকরা তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো মঙ্গলবার সকালে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন তিনি।

অক্টোবর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 56
  • 57
  • 58
  • 59
  • 60
  • 61
  • 62
  • 63
  • 64
  • 65
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পিতৃতর্পণের সময় গঙ্গার পাড়ে বাজবে মহিষাসুরমর্দিনী, সাজবে ঘাট! বড় উদ্যোগের খবর

২০২৬ সালের দুর্গাপুজো ঘিরে কলকাতায় একের পর এক নতুন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সেও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এর পাশাপাশি মহালয়ার ভোরে কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলিতেও বিশেষ আবহ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার বলে সূত্রের খবর।মহালয়ার ভোর মানেই বাঙালির কাছে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী শোনা। সেই দীর্ঘদিনের আবেগ ও ঐতিহ্যকেই এবার গঙ্গার ঘাটে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে কলকাতার পাঁচটি গঙ্গার ঘাটকে এই আয়োজনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাট। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মহালয়ার ভোরে এই ঘাটগুলিতে মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী বাজানো হতে পারে। মহালয়া ২০২৬ সালে ১০ অক্টোবর শনিবার।শুধু মহিষাসুরমর্দিনী বাজানোই নয়, ঘাটগুলিকে বিশেষ আলোয় সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে ভোরের গঙ্গার পাড়ে তর্পণের সময় এক অন্য ধরনের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। পিতৃতর্পণ করতে আসা মানুষের পাশাপাশি মহালয়ার আবহ উপভোগ করতে আসা মানুষের কাছেও এই আয়োজন আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।এই পরিকল্পনার আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ হতে পারে বিশাল আকারের রেডিয়োর প্রতিকৃতি। মহালয়ার ভোরে রেডিয়োয় মহিষাসুরমর্দিনী শোনার যে দীর্ঘদিনের বাঙালি ঐতিহ্য, সেই স্মৃতিকেই গঙ্গার ঘাটে তুলে ধরার ভাবনা রয়েছে। ঘাটের চত্বরে বড় রেডিয়োর আদল তৈরি করে তার মাধ্যমে পুরনো দিনের সেই আবহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।মহালয়ার সঙ্গে বাঙালির এই আবেগ বহু পুরনো। পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনার এই দিনে ভোর থেকেই কলকাতার গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে তর্পণ করতে মানুষের ভিড় হয়। তার সঙ্গে যদি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী এবং বিশেষ আলোকসজ্জা যুক্ত হয়, তা হলে ঘাটগুলির পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।এবারের দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজ্য সরকারের একাধিক বড় আয়োজনের পরিকল্পনার খবর ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে মহালয়া ২০২৬-এ কলকাতার গঙ্গার ঘাটে নতুন ধরনের আবহ তৈরির প্রস্তুতি চলছে। বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাটে শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা কী ভাবে বাস্তবায়িত হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা SFI নেতার! নেপথ্যে কারণ কী

জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র কলেজে ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরানোর চেষ্টা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুরে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রনেতা আচমকাই ক্লাসরুমে কেরোসিন ঢেলে নেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। পরে তিনি লাইটার বের করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করলে ক্লাসে থাকা অধ্যাপক তাঁকে থামিয়ে দেন।ওই ছাত্রের নাম অর্ণব সরকার বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে এসএফআইয়ের স্থানীয় কমিটির সম্পাদক হিসাবেও উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ইতিহাসের ক্লাস চলছিল। অর্ণব ব্যাগ থেকে কেরোসিনের বোতল বের করে নিজের গায়ে ঢেলে নেন। এরপর লাইটার জ্বালানোর আগেই অধ্যাপক তাঁর হাত থেকে সেটি নিয়ে নেন। পরে তাঁকে অধ্যক্ষের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশও কলেজে যায়।ঘটনার পর অর্ণব দাবি করেন, কলেজে তাঁকে নিয়মিত নিগ্রহ করা হচ্ছিল। তাঁর অভিযোগ, এ বিষয়ে এন্টি র্যাগিং কমিটিতে জানানো হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। তাঁর আরও দাবি, ঘটনার দিন কলেজে ঢোকার মুখেও তাঁকে মারধর করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই তিনি এমন পদক্ষেপ করেছেন বলে জানান অর্ণব।অর্ণবের দাবি, তিনি কাউকে মারতে চাননি। নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে তাঁর বক্তব্য। তাঁর আরও দাবি, বাড়ি থেকেই কেরোসিন নিয়ে কলেজে এসেছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষও তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। অধ্যক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, কলেজের ইতিহাসে এমন ঘটনা নজিরবিহীন এবং পড়ুয়া কী ভাবে দাহ্য পদার্থ নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকলেন, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।অন্য দিকে, অর্ণবের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে এবিভিপি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাটি পরিকল্পিত এবং দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তাদের বক্তব্য, অর্ণবকে কে বা কারা মারধর করেছে বলে অভিযোগ করা হলেও তিনি নির্দিষ্ট কারও নাম বলতে পারেননি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এবিভিপি।এসএফআই অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করেছে। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে-র দাবি, এবিভিপির বিরুদ্ধে ছাত্রদের মারধর এবং ক্যাম্পাসে ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কলেজের ভিতরে একটি নির্দিষ্ট অপরাধচক্র তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগও এখনও রাজনৈতিক পক্ষগুলির বক্তব্যের মধ্যেই রয়েছে এবং তা স্বাধীন ভাবে প্রমাণিত হয়নি।ঘটনার পর কলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কী ভাবে একজন পড়ুয়া কেরোসিনের মতো দাহ্য পদার্থ নিয়ে কলেজে ঢুকলেন, সেটি এখন তদন্তের অন্যতম বিষয়। একই সঙ্গে অর্ণবের অভিযোগের সত্যতা, তাঁকে কোনও ভাবে নিগ্রহ করা হয়েছিল কি না এবং ঘটনার পিছনে ঠিক কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।আনন্দচন্দ্র কলেজের এই ঘটনা ইতিমধ্যেই এসএফআই ও এবিভিপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি করেছে। ছাত্রনেতার অভিযোগ এবং এবিভিপির পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে আসল ঘটনা কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ! লেজেন্ডস লিগে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আয়োজকদের?

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আগামী ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণ। চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। এবারের প্রতিযোগিতায় মোট সাতটি দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের দল অংশ নিচ্ছে। ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি এবার প্রথম বার খেলছে বাংলাদেশ।ভারতের দলে রয়েছেন যুবরাজ সিংয়ের মতো প্রাক্তন তারকারা। পাকিস্তানের দলেও রয়েছেন শাহিদ আফ্রিদি। আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানকে এবারের প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। বরং ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে তাদের অভিযান শুরু হওয়ার কথা।সবচেয়ে বেশি নজর অবশ্য ১০ অক্টোবরের ম্যাচে। ওই দিন দুবাইয়ে মুখোমুখি হওয়ার কথা ভারত এবং পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের। আয়োজকদের সরকারি সূচিতে এই ম্যাচটি রাখা হয়েছে। ফলে পাকিস্তান অংশ নেবে না বা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল হয়েছেএমন তথ্য বর্তমান সরকারি সূচির সঙ্গে মিলছে না।এর আগে দ্বিতীয় সংস্করণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারতীয় কিংবদন্তিদের দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামেনি। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ওয়াকওভার পেয়ে পরের পর্বে পৌঁছেছিল। সেই ঘটনার প্রভাব এবারের প্রতিযোগিতাতেও পড়বে কি না, তা নিয়ে ক্রিকেটমহলে আলোচনা ছিল।তবে তৃতীয় সংস্করণের বর্তমান সূচিতে ভারত ও পাকিস্তানকে একই প্রতিযোগিতায় রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, দুই দলের মধ্যে ম্যাচের দিনও নির্ধারিত হয়েছে। ফলে গতবারের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।এবারের প্রতিযোগিতার আরও একটি বড় আকর্ষণ বাংলাদেশের অভিষেক। বাংলাদেশের কিংবদন্তি দল প্রথম বার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। সেই দলের অন্যতম পরিচিত নাম মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩ অক্টোবর প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণে মোট ২৪টি লিগ ম্যাচ হবে। শারজা এবং দুবাইয়ের মাঠে হবে ম্যাচগুলি। লিগ পর্বের পর ১৬ অক্টোবর সেমিফাইনাল এবং ১৮ অক্টোবর ফাইনাল হওয়ার কথা।ফলে পাকিস্তানকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়ার যে দাবি সামনে এসেছে, তা অন্তত বর্তমান সরকারি সূচি অনুযায়ী সঠিক নয়। বরং পাকিস্তান এবারের প্রতিযোগিতার অন্যতম অংশগ্রহণকারী দল এবং ১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তানের বহুল আলোচিত ম্যাচও সূচিতে রয়েছে। গতবারের বিতর্কের পর এবার সেই ম্যাচ সত্যিই মাঠে গড়ায় কি না, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
দেশ

যৌনাঙ্গ কাটা, চারতলা থেকে ঝাঁপ! প্রেমানন্দের শিষ্যের রহস্যজনক মৃত্যুতে ক্রমেই বাড়ছে ধোঁয়াশা

বৃন্দাবনে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধি ওরফে রসিক দুলারি শরণের রহস্যমৃত্যু ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন প্রশ্ন। পঁচিশ বছরের দীপক উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনের গুরু কৃপা কুঞ্জ আশ্রমের চারতলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে উপর থেকে পড়ে যেতে দেখা গিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে কী পরিস্থিতিতে তিনি ছাদ থেকে পড়েছিলেন, তা এখনও তদন্তের বিষয়।দীপক মূলত মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দুবছর আগে তিনি বৃন্দাবনে আসেন। পরে প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে দীক্ষা নিয়ে রসিক দুলারি শরণ নাম গ্রহণ করেন। এরপর তিনি বৃন্দাবনেই থাকতেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।ঘটনার পর দীপকের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি গ্রাইন্ডার উদ্ধার করা হয়। সেটিতে রক্তের দাগ ছিল বলে পুলিশ ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দীপকের শরীরে যৌনাঙ্গে কাটার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। গ্রাইন্ডারটি কী ভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং সেটিতে থাকা রক্ত কার, তা জানতে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।এই গ্রাইন্ডারই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠেছে। সেটি দিয়েই দীপকের শরীরে ওই আঘাত করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এই মুহূর্তে সেটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না। তদন্তকারীরা ফরেন্সিক রিপোর্ট এবং অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গে বিষয়টি মিলিয়ে দেখছেন।দীপকের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়েও সামনে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি উপর থেকে পড়ে যাওয়ার ফলে শরীরে গুরুতর আঘাতও হয়েছিল। ফলে মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল, তা বুঝতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ এবং ফরেন্সিক প্রমাণ মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দীপকের ঘর থেকে বেরিয়ে ছাদের দিকে যাওয়ার সময় এবং পরে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর শেষ কয়েক মিনিটের গতিবিধি এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি নিজেই ওই কাজ করেছিলেন, নাকি অন্য কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পুলিশ দীপকের মোবাইল ফোন, ডায়েরি, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী পরীক্ষা করছে। আত্মহত্যার সম্ভাবনার পাশাপাশি অন্য কোনও ঘটনা ঘটেছিল কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের তরফে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলেও সংবাদমাধ্যমে এসেছে।ফলে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধির মৃত্যু আপাতত একাধিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে তদন্তকারীদের। চারতলা থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা সিসিটিভিতে ধরা পড়লেও তার আগে কী ঘটেছিল, ঘরে রক্তমাখা গ্রাইন্ডার কেন ছিল এবং শরীরে কাটার চিহ্নের সঙ্গে তার কোনও যোগ রয়েছে কি নাএসব প্রশ্নের উত্তর ফরেন্সিক পরীক্ষা ও তদন্ত শেষ হলেই স্পষ্ট হতে পারে। আপাতত ঘটনাটিকে ঘিরে কোনও একটি তত্ত্বকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ইন্টারভিউ থেকে প্যানেল, সব তালিকাতেই বদল! একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগে এসএসসির বড় সিদ্ধান্ত

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বড় পরিবর্তন করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে আগের মেধাতালিকা ও প্যানেল পুনর্গঠন করা হচ্ছে। কমিশনের ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই সংশোধিত শূন্যপদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোট শূন্যপদ ১২ হাজার ৪৪৫টি।এর আগে একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। পরে রাজ্যে ওবিসি সংরক্ষণের কাঠামোয় পরিবর্তন আসে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়োগের মেধাতালিকা নতুন করে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। সেই পরিবর্তনের ভিত্তিতেই একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের শূন্যপদ এবং সংরক্ষণের হিসাব নতুন করে তৈরি করা হয়েছে।ফলে আগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগের যে প্রক্রিয়া চলছিল, তাতে পরিবর্তন আসছে। নতুন করে সংশোধিত মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। এরপর নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করবে স্কুল সার্ভিস কমিশন।তবে আগে যাঁরা ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের নতুন করে সেই ধাপগুলিতে অংশ নিতে হবে না। তাঁদের আগের লিখিত পরীক্ষা, শিক্ষাগত যোগ্যতার নম্বর, ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানের নম্বরই নতুন মূল্যায়নে বিবেচনা করা হবে বলে কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাঠামো থেকে জানা যাচ্ছে।নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নথিপত্র যাচাই করা হবে। সেই যাচাই পর্ব শেষ হওয়ার পরে পরবর্তী ধাপে এগোবে কমিশন। সংশোধিত মেধাতালিকার ভিত্তিতেই পরবর্তী কাউন্সেলিং এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হবে।এই পরিবর্তনের ফলে আগের তালিকায় থাকা কিছু প্রার্থীর অবস্থান বদলাতে পারে। আবার নতুন সংরক্ষণ কাঠামোর কারণে এমন কিছু প্রার্থীও নতুন তালিকায় সুযোগ পেতে পারেন, যাঁরা আগের তালিকায় প্যানেল বা অপেক্ষমাণ তালিকায় ছিলেন না। তবে ঠিক কতজন প্রার্থীর অবস্থান বদলাবে বা কতজন আগের তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, তা সংশোধিত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের এই প্রক্রিয়ায় আগে প্রকাশিত তালিকা পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তের মূল কারণই হল সংরক্ষণ বিধির পরিবর্তন। কমিশন জানিয়েছে, নতুন নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এর ফলে আগের তালিকার পরিবর্তে সংশোধিত মেধাতালিকাই নিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে একাদশ-দ্বাদশের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোচ্ছিল। পরে সংরক্ষণ কাঠামোয় পরিবর্তনের কারণে পুরো মেধাতালিকা পুনর্গঠনের প্রয়োজন তৈরি হয়।এখন চাকরিপ্রার্থীদের নজর সংশোধিত চূড়ান্ত মেধাতালিকার দিকে। নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, কার অবস্থান কোথায় বদলাল এবং কারা শেষ পর্যন্ত নিয়োগের সুযোগ পেলেন। কমিশনের পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির উপরেই এখন নির্ভর করছে একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের পরবর্তী ধাপ।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
বিদেশ

ছয় সেকেন্ডেই গলে গেল গোটা পাহাড়! নেপালে ভয়াবহ দৃশ্য, নদীতে মিশে গেল পাহাড়ের অংশ

নেপালে ফের প্রকৃতির তাণ্ডব। প্রবল বৃষ্টি, পাহাড় ধস এবং বন্যায় একাধিক এলাকা বিপর্যস্ত। মুস্তাং জেলার লেতে এলাকায় কালীগণ্ডকী নদীর দিকে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বিশাল পাহাড়ের অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে। সেই সময় স্থানীয়দের চিৎকারও শোনা যায়। ধসের জেরে নদীর গতিপথ কিছু সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।টানা বৃষ্টির জেরে নেপালের পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক নদীর জলস্তর বেড়েছে। মুস্তাং, মিয়াগদি, পার্বত এবং স্যাংজার মতো এলাকায় বন্যা ও পাহাড় ধসের খবর মিলেছে। পার্বত জেলার একটি বসতিতে কালীগণ্ডকী নদীর জল ঢুকে প্রায় ৮০টি বাড়ি ভেসে যাওয়ার খবরও সামনে এসেছে। বিভিন্ন জায়গায় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং উদ্ধারকাজেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড় ধসে নেপালের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আরও ১৪ জন নিখোঁজ বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দল একাধিক এলাকায় কাজ করছে। বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এর মধ্যেই মানাং জেলার হিমলুং হিমালেও ভয়াবহ তুষারধস নেমেছে। রবিবার ৭১২৬ মিটার উচ্চতার এই পর্বতের কাছে তুষারধসে পর্বতারোহী ও তাঁদের সহকারীদের একটি শিবির ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথমে প্রায় ১৪ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। পরে উদ্ধারকারীরা চারটি দেহ উদ্ধার করেন। আরও ১২ জন এখনও নিখোঁজ বলে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।এই নতুন বিপর্যয় এমন সময়ে ঘটল, যখন গত ২৬ অগস্টের ভয়াবহ বন্যা ও হড়পা বান থেকে এখনও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি নেপাল। সেই ঘটনায় দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বাড়িঘর, সেতু, রাস্তা এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পরবর্তী হিসাব অনুযায়ী, সেই বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা এক হাজার চারশোরও বেশি এবং নিখোঁজের সংখ্যাও কয়েক হাজারে পৌঁছেছে।২৬ অগস্টের বিপর্যয়ের পর থেকেই নেপালের একাধিক এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চলছে। কিন্তু নতুন করে প্রবল বৃষ্টি, বন্যা এবং পাহাড় ধস পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় দুর্গতদের কাছে দ্রুত পৌঁছনো নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে।মুস্তাংয়ের পাহাড় ধসের ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। চোখের সামনে পাহাড়ের বিশাল অংশ নদীতে তলিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। একই সময়ে মানাংয়ে তুষারধসের ঘটনায় নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।নেপালে একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগ উদ্ধারকাজ এবং দুর্গত মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। প্রবল বৃষ্টি ও নতুন করে ধস নামার আশঙ্কায় পাহাড়ি এলাকাগুলিতে সতর্কতাও জারি রাখা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সোনার বাজারে ভূমিকম্প! এক ঝটকায় হুড়মুড়িয়ে কমল দাম, কলকাতায় আজ ২২ ক্যারেটের দাম জানলে চমকে যাবেন

বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কার মাঝে ভারতীয় বাজারে পতন লক্ষ্য করা গেল সোনার দামে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) প্রতি গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১৫,০১৭ টাকায়, যা গত ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় গ্রাম প্রতি ২৫১ টাকা কম। একইভাবে ২২ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেটের সোনার দামও কমেছে। ভারতে আজ সোনার দর (প্রতি গ্রাম ও ১০ গ্রাম)২৪ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৫,০১৭ টাকা (১০ গ্রামে ১,৫০,১৭০ টাকা)। ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় দর কমেছে ২৫১ টাকা।২২ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৩,৭৬৫ টাকা (১০ গ্রামে ১,৩৭,৬৫০ টাকা)। দর কমেছে ২৩০ টাকা।১৮ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১১,২৬৩ টাকা (১০ গ্রামে ১,১২,৬৩০ টাকা)। দর কমেছে ১৮৮ টাকা।প্রধান শহরগুলিতে আজ সোনার দর (প্রতি ১০ গ্রাম)কলকাতা, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও পুনে: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৩০ টাকা।দিল্লি: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,৩২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৮০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৭৮০ টাকা।চেন্নাই: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১৫,৩৫০ টাকা।আহমেদাবাদ ও বরোদা: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,২২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৭০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৮০ টাকা।কেন কমছে সোনার দাম?অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের চাপই দেশীয় বাজারে সোনার দাম কমার প্রধান কারণ। ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম Giottus.com-এর সিইও বিক্রম সুব্বুরাজ জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪,২২৪ ডলারে নেমে এসেছে। পাশাপাশি ইউএস ফিউচার্স প্রতি আউন্সে প্রায় ৪,২৫৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে, যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডলারের শক্তি বৃদ্ধি ও সুদের হার বাড়ার কারণে অলঙ্কার ও সোনায় বিনিয়োগের প্রবণতা সাময়িকভাবে কমছে। তবে অন্যদিকে, রুপোর বাজারে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। এমসিএক্স (MCX)-এ সিলভার মিনি কন্ট্রাক্ট প্রতি কেজিতে প্রায় ২,৩৬,৬৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তাআন্তর্জাতিক অঙ্গনে পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সামুদ্রিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেস্তে গেছে। চুক্তি ভঙ্গের পর থেকেই দুই দেশ পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে এবং সব ধরনের কূটনৈতিক পথ বন্ধ করে দিয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত হলেও মার্কিন হামলার জবাবে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের জন্যও তৈরি। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সোনার চাহিদা ও দামের ওপর দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বজায় থাকছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘জোড়া ফুল’ প্রতীক ফ্রিজ মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, হাতছাড়া হতে চলেছে মমতার সাধের প্রতীক?

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা মামলায় বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূলের ভেতরে চলা উপদলীয় কোন্দলের জেরে দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিরোধ নিষ্পত্তিতে নির্বাচন কমিশনকে (ECI) একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে উভয় পক্ষকে নিজেদের লিখিত বক্তব্য পেশ করতে হবে এবং তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে কমিশনকে।দলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার এই সংক্রান্ত আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বেঞ্চ জানায়, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও স্পষ্টতা বজায় রাখতে দ্রুত এই বিরোধের সমাধান হওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, দলীয় কোন্দলের জের ধরে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী জোড়া ফুল (Flowers Grass) প্রতীক ফ্রিজ বা সাময়িকভাবে স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। দুই বিরোধী গোষ্ঠীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, বিতর্ক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিকল্প নতুন নাম ও প্রতীক বেছে নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণার ঠিক ১০ দিন পর কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন দুই পৃথক গোষ্ঠীই নিজেদের প্রার্থী মনোনীত করেছিল।কমিশনের ওই নির্দেশিকায় বর্তমানে বিকল্প প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছে দুই শিবির। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ফুটবলার প্রতীক নিয়ে এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির নির্বাচন লড়ছে খাম (Envelope) প্রতীক নিয়ে। তবে দলের আসল মালিকানা ও নাম-প্রতীক কার দখলে যাবে, আগামী ৩ মাসের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে দেশের রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal