• ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২, সোমবার ০২ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Accident

কলকাতা

বাসস্টপে ধাক্কা, তারপর ডিভাইডারে সজোরে আঘাত—মত্ত চালকের তাণ্ডব

বেপরোয়া গতির জেরে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটল নিউটাউনে। শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে নিউটাউন-এর ইকো পার্ক-এর দুই নম্বর গেটের কাছে প্রথমে একটি গাড়ি বাসস্টপে ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এরপর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরও কিছুটা এগিয়ে সিগন্যালের কাছে ডিভাইডারে সজোরে ধাক্কা মারে। তারপরই গাড়িটি সম্পূর্ণ উল্টে যায়।রাস্তায় উল্টে পড়ে থাকতে দেখা যায় গাড়িটিকে। সামনের অংশ বেশ খানিকটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। গাড়িতে থাকা তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়িতে থাকা তিনজনের মধ্যে যিনি চালাচ্ছিলেন, তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটে।গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিউটাউনের ব্যস্ত রাস্তায় এ ধরনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

খোলা লিফটের গর্তে পড়ে মৃত্যু! তিন বছরের শিশুর মর্মান্তিক পরিণতি কলকাতায়

নির্মীয়মান বহুতলের একটি খোলা লিফটের গর্ত থেকে উদ্ধার হল তিন বছরের শিশুর নিথর দেহ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে এন্টালি থানার অন্তর্গত ৪/৫১ কনভেন্ট লেন এলাকায়। বুধবার রাতে ওই এলাকার একটি নির্মীয়মান বহুতলের লিফটের গর্ত থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাকে ঘিরে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও ক্ষোভ।পরিবারের অভিযোগ, নির্মাণস্থলে কোনও নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না। লিফটের গর্ত সম্পূর্ণ খোলা অবস্থায় পড়ে ছিল, তার চারপাশে কোনও ঘেরাটোপ বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এমন একটি বিপজ্জনক জায়গা অরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়েছিল।সন্তানকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন শিশুটির বাবা-মা। তাঁরা এই মৃত্যুর বিচার চাইছেন। পরিবারের আরও অভিযোগ, ঘটনার পর প্রোমোটারের কাছে বিচার চাইতে গেলে উল্টে শিশুটির বাবাকে হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয়, থানায় বেশি কিছু বললে বিপদ হতে পারে। এমনকী শিশুর মাকেই দোষারোপ করা হয় বলে অভিযোগ।এলাকাবাসীদের বক্তব্য, লিফটের গর্ত ঘিরে রাখা থাকলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটত না। তাঁদের অভিযোগ, অধিক মুনাফার আশায় নির্মীয়মান বহুতলে কোনও নিরাপত্তারক্ষী রাখা হয়নি। নিয়ম মানা হয়নি নির্মাণের ক্ষেত্রেও। তিন বছরের শিশুর মৃত্যুর পর বড়সড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে শহরের প্রোমোটার রাজ।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও লিখিত অভিযোগ নেয়নি পুলিশ বলে জানা গিয়েছে। যদিও এলাকার মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। শিশুর মৃত্যুর দায় কার, তা নিয়ে জোরদার তদন্তের দাবি উঠেছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

খাওয়ার থালা হাতে নামতে গিয়েই ঘটে ঘটল.... সুন্দরবনের পর্যটকের মর্মান্তিক পরিণতিতে কেঁপে উঠল রাজ্য

শীতের মরশুমে সুন্দরবনে পর্যটকদের ভিড়ের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রাতের অন্ধকারে লঞ্চ থেকে মাতলা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক পর্যটক। তাঁর খোঁজে রবিবার সকাল থেকে চলছে তল্লাশি। নিখোঁজ যুবকের নাম সুমন্ত পাল। বয়স ২৬ বছর। তিনি দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার বাসিন্দা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৬ জানুয়ারি গড়িয়া থেকে ২২ জনের একটি পর্যটক দল সুন্দরবনের কৈখালিতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখেন। ওই দলেরই সদস্য ছিলেন সুমন্ত। দুদিন জঙ্গল ভ্রমণের পর শনিবার রাতে তাঁরা আবার কৈখালিতে ফিরে আসেন। মাতলা নদীর উপর একটি লঞ্চেই তাঁদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল।শনিবার রাতে ওই লঞ্চেই ঘটে যায় দুর্ঘটনাটি। জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ খাওয়াদাওয়ার সময় সুমন্ত হাতে ভাতের থালা নিয়ে লঞ্চের সিঁড়ি দিয়ে উপর থেকে নীচে নামছিলেন। সেই সময়ই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে সিঁড়ি থেকে সরাসরি মাতলা নদীতে পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান তিনি।ঘটনার পর লঞ্চের চালক ও সঙ্গে থাকা কয়েক জন জলে নেমে তাঁকে খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাতলা নদীতে স্রোত প্রবল থাকায় তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। এরপর বনদপ্তর ও কুলতলি থানায় খবর দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকে নদীতে তল্লাশি শুরু হলেও দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।লঞ্চের চালক শুভেন্দু সরদার জানিয়েছেন, রাতে খাবার নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরেই ওই যুবক নদীতে পড়ে যান। পর্যটক দলের সদস্য জয় সাহা বলেন, তাঁদের সকলের বাড়িই গড়িয়ায়। ২২ জন বন্ধু মিলে সুন্দরবন ঘুরতে এসেছিলেন। এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।এই ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। লঞ্চে থাকা অন্যান্যদের জেরা করা হচ্ছে। নিখোঁজ যুবকের পরিবারের কাছেও ইতিমধ্যেই দুঃসংবাদ পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

টাকা তোলার অভিযোগ, পুলিশের পিছনে ধাওয়া! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তিন জনের

পিছনে পুলিশের গাড়ি দেখে আরও গতি বাড়িয়ে দিয়েছিল লরি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই সামনে থাকা টোটোতে সজোরে ধাক্কা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল টোটোর তিন যাত্রীর। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের নলহাটিতে, রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে রামপুরহাটের দিক থেকে নলহাটির দিকে যাচ্ছিল পেঁয়াজ বোঝাই একটি লরি। পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে নলহাটি থানার পুলিশ প্রহরারত ছিল। অভিযোগ, পুলিশ লরিটিকে থামার নির্দেশ দেয়। কিন্তু চালক গাড়ি না থামিয়ে উল্টে আরও জোরে গাড়ি চালাতে শুরু করেন। পুলিশের একটি বাইক লরিটিকে ধাওয়া করে।পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে অতিরিক্ত গতিতে লরি চালাতে থাকেন চালক। ঠিক সেই সময় সামনে একটি টোটো চলছিল। টোটোতে চালক ছাড়াও আরও তিন জন যাত্রী ছিলেন। দ্রুতগতির লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থেকে আসা ওই টোটোতে ধাক্কা মারে। তীব্র ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় টোটোটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় টোটোর তিন যাত্রীর।দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নলহাটি থানার পুলিশ। কিন্তু পুলিশ পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মৃতদের দেহ জাতীয় সড়কের উপর রেখে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় পুলিশের একাংশ পণ্যবাহী লরি থামিয়ে টাকা তোলে। সেই ভয়েই অনেক সময় লরিচালকরা বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালান। আর তারই পরিণতি হল এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
দেশ

এসি কামরায় আগুনের লেলিহান শিখা, মাঝরাতে ট্রেন থামিয়ে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই

চলন্ত দূরপাল্লার ট্রেনের এসি কামরায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। পুড়ে ছাই হয়ে গেল পরপর দুটি কোচ। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক যাত্রীর। সোমবার ভোরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার কথা জানায় রেলমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের টাটানগর থেকে কেরলের এর্নাকুলামগামী এক্সপ্রেস ট্রেনটি বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ে অন্ধ্র প্রদেশের আনাকাপালি জেলার কাছে।ঘটনাটি ঘটে গভীর রাতে। তখন রাত প্রায় ১টা। নিজের গতিতে ছুটে চলছিল এর্নাকুলামগামী ট্রেনটি। হঠাৎই চালকের নজরে আসে একটি কোচ থেকে আগুনের শিখা উঠছে এবং তা পাশের কোচের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থামিয়ে দেন চালক। দ্রুত যাত্রীদের নামিয়ে আনা হয় এবং আগুন লাগা কোচগুলি থেকে উদ্ধার শুরু হয়।রেল আধিকারিকদের মতে, আগুন লাগা কোচে মোট ৮২ জন যাত্রী ছিলেন। পাশের কোচে ছিলেন আরও ৭৬ জন। প্রায় সকলকেই নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও একজন যাত্রীকে বাঁচানো যায়নি। আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় চন্দ্রশেখর সুন্দরম নামে এক যাত্রীর।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে ট্রেনের বি১ এসি কোচে আগুন লাগে। সেখান থেকে দ্রুত তা বি২ কোচে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন যাতে গোটা ট্রেনে ছড়িয়ে না পড়ে, সে কারণে এম১ কোচ থেকে আগুন লাগা অংশ আলাদা করে দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। চারটি দমকল ইঞ্জিনের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ততক্ষণে দুটি এসি কোচ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।এই অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেলমন্ত্রক জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
দেশ

বড়দিনের ভোরে কর্ণাটকে মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনা, পুড়ে ছাই বাস, মৃত ১০-এর বেশি

বড়দিনের ভোররাতে কর্ণাটকে এক ভয়াবহ পথদুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ১০ জনেরও বেশি যাত্রী। একটি বেসরকারি ট্রাভেল বাস ও একটি লরির মুখোমুখি সংঘর্ষের পর মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ধরে যায় বাসটিতে। দুর্ঘটনার তীব্রতায় সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বাসটি, যার ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেঙ্গালুরু থেকে শিবমোগা হয়ে গোকর্ণ যাচ্ছিল বাসটি। বুধবার ভোর প্রায় তিনটে নাগাদ হিরিয়ুর গোরলাট্টু ক্রস সংলগ্ন জাভানাগোন্ডানহাল্লি এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লরির সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পরই বাসে আগুন ধরে যায় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন গোটা বাসটিকে গ্রাস করে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী ও পুলিশ। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে প্রায় ৩০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। আগুনে পুড়ে ও ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে বহু যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান।অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কুমারস্বামী বি.টি জানান, এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই লরি চালকের মৃত্যু হয়। এখনও পর্যন্ত ১০ জনের বেশি যাত্রীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহত অন্তত ১২ জনকে উদ্ধার করে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৯ জনকে তুমকুরু সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।প্রশাসনের প্রাথমিক তদন্তে লরি চালকের অবহেলাকেই দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। তবে সঠিকভাবে কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। মৃতদেহগুলি শনাক্ত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বড়দিনের আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়েছে। গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫
রাজ্য

তাহেরপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভার আগে মর্মান্তিক ঘটনা, কুয়াশায় প্রাণ গেল চারজনের

এসআইআর আবহের মধ্যেই শনিবার পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নদিয়ার তাহেরপুরে তাঁর সভা রয়েছে। সকাল থেকেই সভাস্থলের দিকে ভিড় জমতে শুরু করেছিল। ঠিক সেই সময়েই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ট্রেনের ধাক্কায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে শক্তিনগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, মৃত ও আহত সকলের বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলায়। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী মোদির সভায় যোগ দিতেই নদিয়ার তাহেরপুরে এসেছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন রেল ও পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার ভোরে তাহেরপুর স্টেশনের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদের বড়ঞার সাবলদহ গ্রাম থেকে প্রায় ৪০ জন তাহেরপুরে আসেন। ভোরবেলা তাঁদের মধ্যে কয়েক জন রেললাইনের ধারে প্রাতঃকৃত্য সারতে যান। সেই সময় আচমকাই দ্রুতগতির একটি ট্রেন চলে আসে। ট্রেনের ধাক্কায় চার জন লাইনের উপর ছিটকে পড়েন। আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়।একই ঘটনায় আরও দুজন আহত হন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। অন্য জনের চিকিৎসা চলছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, ভোরের ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা অনেকটাই কম ছিল। সেই কারণেই ট্রেন আসছে বুঝতে না পারায় এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে অন্য সম্ভাবনাগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মতুয়াগড় হিসেবে পরিচিত নদিয়ার তাহেরপুরে এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদির সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। তার মধ্যেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
দেশ

অসমে ট্রেন-হাতির সংঘর্ষ, লাইনচ্যুত রাজধানী, মৃত অন্তত ৮ হাতি

ভোরের ঘন কুয়াশায় কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। সেই অবস্থাতেই একপাল হাতিকে ধাক্কা মারল রাজধানী এক্সপ্রেস। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় লাইনচ্যুত হয়ে যায় রাজধানী এক্সপ্রেসের পাঁচটি কামরা। ট্রেনের ধাক্কায় অন্তত আটটি হাতির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। দুর্ঘটনার জেরে ওই রুটে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল।শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ভোরে অসমের যমুনামুখ-কামপুর সেকশনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এলাকাটি নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের লুমডিং ডিভিশনের আওতায়। জানা গিয়েছে, সাইরং থেকে নয়া দিল্লিগামী রাজধানী এক্সপ্রেস দ্রুত গতিতে আসছিল। সেই সময়ই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে রেললাইন পারাপার করছিল একপাল হাতি। চারদিকে ঘন কুয়াশা থাকায় দূর থেকে কিছুই দেখতে পাওয়া যায়নি। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান।গুয়াহাটি থেকে প্রায় ১২৬ কিলোমিটার দূরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অংশটি হাতির নির্দিষ্ট করিডর নয়। ট্রেনের লোকো পাইলট জানিয়েছেন, সামনে হাতির পাল দেখতে পেয়েই তিনি সঙ্গে সঙ্গে ইমার্জেন্সি ব্রেক কষেন। কিন্তু হাতিগুলি আরও এগিয়ে আসায় শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়নি।প্রবল ধাক্কার জেরে ট্রেনের ইঞ্জিন ও পাঁচটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়। তবে স্বস্তির খবর, এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও যাত্রীর আহত বা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার পর যেসব কামরা লাইনচ্যুত হয়েছিল, সেখানকার যাত্রীদের নিরাপদে অন্য কামরায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মোট আটটি হাতি রেললাইন পার হচ্ছিল। তাদের মধ্যে একাধিক হাতির মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত একটি রিলিফ ট্রেন পাঠানো হয়। রেল আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছেন।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, লাইনচ্যুত কামরা এবং হাতিগুলির দেহ ট্র্যাকে ছড়িয়ে থাকায় উদ্ধারকাজে বেশ সময় লাগছে। সেই কারণে অসমের উপরের অংশ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কয়েকটি রুটে ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।যাত্রীরা যাতে অসুবিধায় না পড়েন, সে জন্য গুয়াহাটি পৌঁছনোর পর রাজধানী এক্সপ্রেসে অতিরিক্ত কোচ জুড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে রেল সূত্রে খবর।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
রাজ্য

বাংলাদেশি জাহাজের ধাক্কা! ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে মিলল দুই মৎস্যজীবীর দেহ

বাংলাদেশি নৌসেনার জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষের পর গভীর সমুদ্রে ডুবে যাওয়া মৎস্যজীবীদের ট্রলার থেকে মিলল আরও দুজনের দেহ। নামখানার উপকূলে টেনে আনা দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলার থেকে ভোররাতে উদ্ধার হয় নিখোঁজ দুই মৎস্যজীবীর দেহ। তাঁদের নাম রঞ্জন দাস ও সঞ্জীব দাস। এখনও তিন জন মৎস্যজীবীর কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁদের নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে।উদ্ধার হওয়া দেহ দুটি পাওয়া গিয়েছে ট্রলার এফবি পারমিতা-১১-এর কেবিনের ভিতর থেকে। মৎস্যজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মৃত রঞ্জন দাসের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানে। সঞ্জীব দাস কাকদ্বীপের বাসিন্দা। ট্রলারের কেবিনে আর কোনও নিখোঁজ মৎস্যজীবী আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হলেও আর কোনও দেহ পাওয়া যায়নি।গত রবিবার ১৬ জন মৎস্যজীবী নিয়ে ট্রলারটি বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল। ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জলসীমানার কাছে আচমকাই ট্রলারটি ডুবে যায়। সেই সময় ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী এবং আশপাশের অন্য ট্রলারের মৎস্যজীবীদের তৎপরতায় ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।উদ্ধার হওয়া মৎস্যজীবীদের অভিযোগ, একটি বাংলাদেশি নৌসেনার জাহাজ ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁদের ট্রলারে ধাক্কা মারে এবং তারপর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। যদিও এই অভিযোগ বাংলাদেশ নৌসেনার পক্ষ থেকে অস্বীকার করা হয়েছে।দুর্ঘটনার পর পাঁচ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ ছিলেন। তাঁদের খোঁজে গতকাল গভীর রাতে ডুবে যাওয়া ট্রলারটিকে নামখানার উপকূলে টেনে আনা হয়। সেখান থেকেই এদিন উদ্ধার হয় দুজনের দেহ। প্রিয়জনের দেহ ফিরে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতদের পরিবার। এখনও নিখোঁজ তিন মৎস্যজীবীর খোঁজে দ্রুত তল্লাশির দাবি জানিয়েছেন তাঁদের পরিজনরা।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
দেশ

সাতসকালে দুঃস্বপ্ন! ৩৫ পুণ্যার্থী নিয়ে বাস খাদে—চিৎকারে কেঁপে উঠল পাহাড়ি এলাকা

সকালে দিন এখনও ঠিক ফোটেনি। ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল পাহাড়ি রাস্তা। ঠিক সেই সময়ই ঘটে গেল বড় বিপদ। অন্ধ্রপ্রদেশের আলুরি জেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে গেল একটি যাত্রীবাস। ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত আরও ১২ জন।আজ ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ তুলাসিপাকালু গ্রামের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাসটিতে মোট ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন, সকলেই পুণ্যার্থী। বাসে ছিলেন দুই চালক ও একজন সাফাই কর্মীও। পাহাড়ি ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল বাসটি। একটি বাঁক ঘোরানোর সময় হঠাৎই স্টিয়ারিং ঘুরে যায়, আর সঙ্গে সঙ্গেই বাসটি রাস্তা থেকে ছিটকে খাদে ঝুলে পড়ে। পুরোপুরি নিচে না পড়লেও উলটে ঝুলে থাকা অবস্থাতেই আটকে যায়।স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে বাসটিকে ওই ভয়ার্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। দ্রুত উদ্ধারকারী দল পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে এবং যাত্রীদের বের করতে শুরু হয় দমকা অভিযান। জেলাশাসক জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। সাতজন গুরুতর আহত, তাদের চিত্তুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ভদ্রাচলম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে।দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। তিনি জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আহতদের চিকিৎসায় কোনও ত্রুটি যেন না থাকে, তাও নিশ্চিত করতে বলেছেন।ঘন কুয়াশাই এই দুর্ঘটনার মূল কারণ বলে অনুমান পুলিশের।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
কলকাতা

শীতের কুয়াশায় কলকাতায় তাণ্ডব! বাইক দুর্ঘটনায় মৃত্যু, রেড রোডে বেপরোয়া গাড়ির মারাত্মক ধাক্কা

শীতের রাতে আবারও বিপত্তি কলকাতায়। গভীর রাতে ইএম বাইপাসে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর। কয়েক ঘণ্টা পরই ভিক্টোরিয়ার কাছে রেড রোডে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম হলেন দুই যাত্রী এবং এক পথচারী মহিলা। দুটি ঘটনারই তদন্তে নেমেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ইএম বাইপাসের সার্ভে পার্কের কাছে ঢালাই ব্রিজ থেকে রুবির দিকে যাচ্ছিলেন অলোকেশ হালদার নামে এক যুবক। বাইকের গতি ছিল অত্যন্ত বেশি। সিংহীবাড়ি মোড়ের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িকে তিনি প্রথমে ধাক্কা মারেন। তার পর বাইকটি গিয়ে ধাক্কা মারে রাস্তার ডিভাইডারে। ধাক্কার জেরে প্রচণ্ড জোরে ছিটকে পড়ে যান অলোকেশ। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময়ে তাঁর মাথায় হেলমেট ছিল না। অতিরিক্ত গতি ও মাথায় আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।বুধবার সকালে আরও একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটে রেড রোডে। এক বেপরোয়া গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা ধাক্কা মারে রাস্তার বিদ্যুতের খুঁটিতে ও একটি গাছে। ধাক্কার জেরে গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গাড়ির ভিতরে থাকা দুই যাত্রীযারা সম্পর্কে বাবা ও ছেলেগুরুতর জখম হন। তাঁদের দ্রুত এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গাড়ির ধাক্কায় আহত হয়েছেন এক সাফাই কর্মী মহিলা, তাঁর নাম রশিদা বেগম, বাড়ি রায়চকে। গাড়ির গতি এতটাই বেশি ছিল যে খুঁটি ও গাছ দুটিই ভেঙে পড়েছে।শহরে জোড়া দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ দুটি ঘটনাই খতিয়ে দেখছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
কলকাতা

হবু বরের সঙ্গে যাচ্ছিলেন বাইকে! মুহূর্তে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেল হাত

নিউটাউন সিটি সেন্টারের সামনে মঙ্গলবার দুপুরেই ঘটে গেল শিউরে ওঠার মতো এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা। চোখের পলকে থেঁতলে গেল এক তরুণীর হাত। সরকারি রুটের বাসের ধাক্কায় বাইক থেকে ছিটকে পড়ে ২৫ বছরের প্রতিশ্রুতি রায়চৌধুরীর ডান হাত দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ব্যস্ত রাস্তায় মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক ও চিৎকার।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিশ্রুতি তাঁর হবু স্বামীর বাইকে চড়ে নিউটাউনের দিকে আসছিলেন। ঠিক সেই সময় এয়ারপোর্টমুখী সরকারি বাসটি দ্রুত গতিতে একই দিকে এগোচ্ছিল। হঠাৎই বাইকটি বাসের সামনে চলে আসায় ভারসাম্য হারিয়ে দুজনেই ছিটকে পড়েন। প্রতিশ্রুতি মাটিতে পড়তেই বাসের পিছনের চাকা গড়িয়ে যায় তাঁর হাতের উপর দিয়ে। সঙ্গে সঙ্গে হাতটি দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে রাস্তায়।স্থানীয়রা ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তরুণীকে উদ্ধার করে ভিআইপি রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে তড়িঘড়ি বারাসতের আরও উন্নত বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। হাসপাতাল সূত্রের দাবি, প্রতিশ্রুতির অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক।দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে সরকারি বাসের বেপরোয়া গতিতে। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ভীষণ ভয়ঙ্কর ছিল দৃশ্যটা। বাসটার গতি খুব বেশি ছিল। মেয়েটা বাইক থেকে পড়ে যেতেই চাকা হাতের উপর দিয়ে গেল। সরকারি বাসগুলো এমনিতেই কোনও গতির পরোয়া করে না। ট্রাফিক পুলিশ সামনেই ছিল, তবুও এই বেপরোয়া চালানো আটকাতে পারে না।নিউটাউনের মতো ব্যস্ত এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দাবি ফের জোরদার হচ্ছে। সরকারি বাসগুলির গতি নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত নজরদারির অভাবেই এমন দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। শহরের বুকে এক তরুণীর এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলছে, রাস্তা কি সত্যিই সুরক্ষিত?

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
রাজ্য

পুকুরে সোজা গাড়ি! তিন শিশুর মৃত্যু—ফাঁস হল পুলকারের ভয়ঙ্কর অবস্থা

সোমবার বিকেলেই ভেঙে পড়ল একাধিক পরিবারের স্বপ্ন। বাড়ি ফেরার পথেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। পড়ুয়াদের নিয়ে ছুটে চলা পুলকারটি হঠাৎই সোজা গিয়ে পড়ে গভীর পুকুরে। মুহূর্তের মধ্যে জলের তলায় তলিয়ে যায় গাড়িটি। স্থানীয় বাসিন্দারা ঝাঁপিয়ে পড়ে পাঁচজনকে কোনওভাবে উদ্ধার করতে পারলেও তিন পড়ুকে বাঁচানো যায়নি।দুর্ঘটনার পরে উঠে এসেছে আরও ভয়ানক তথ্য। যে পুলকারে প্রতিদিন শিশুদের আনা-নেওয়া হত, সেই গাড়ি ছিল ২৩ বছরের পুরনো। ২০১৮ সালেই ফিটনেস ফেল করেছিল। ২০২২-এ শেষ হয়ে যায় বিমার মেয়াদ। দূষণের ছাড়পত্রও ছিল না। অর্থাৎ কোনও নথিই আর বৈধ ছিল না। তবু বছরের পর বছর ওই গাড়িই চলেছে রাস্তায়, শিশুদের নিরাপত্তা ভরসায় রেখেই।অভিভাবকদের দাবি, পুলকারটিতে নিয়মিতই সমস্যা থাকতপ্রবল শব্দ, লক না খোলা, যান্ত্রিক ত্রুটি। এক পড়ুয়ার মা বলেন, চালকের শরীর খারাপ ছিল। গাড়িতে ভীষণ আওয়াজ হচ্ছিল। আমি সকালেই বলেছিলাম, সাবধানে চালাতে। কিন্তু লকটা যদি ঠিক মতো খোলা যেত, তাহলে বাচ্চাগুলোকে হয়ত বাঁচানো যেত।দুর্ঘটনার সময় এক ছাত্রী কয়েক সেকেন্ড আগে গাড়ি থেকে নেমেছিল। তার সামনেই পুকুরে উলটে যায় পুলকারটি। কীভাবে সামলাবে, বুঝতেই পারেনি শিশুরা। ভয় আর আতঙ্কের সেই মুহূর্তেই আটকে যায় সব দরজা।স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, অভিভাবকরাই গাড়ি ঠিক করেন, স্কুলের সঙ্গে কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। কিন্তু অভিভাবকরা বলছেন উল্টো কথাস্কুলের মাধ্যমেই গাড়ি বাছাই ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়, তাঁরা কেবল টাকা দেন। ফলে দায় কারনিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।যে ভাবেই হোক, এই মৃত্যু যেন অকারণ উদাসীনতারই ফল। গাড়ির নথি নেই, নিরাপত্তার মান নেইতবু ছুটছে পুলকার। প্রশাসনিক নজরদারি কোথায়? তিনটি ছোট প্রাণ হারিয়ে একটাই প্রশ্ন বিরাট হয়ে দাঁড়িয়েছেপড়ুয়াদের নিরাপত্তা কি এতটাই উপেক্ষিত?ইনস্যুরেন্স নেই, ফিটনেস নেইএমন এক গাড়ি কীভাবে এতদিন রাস্তায় চললএ প্রশ্নের উত্তর এখনই চাইছে পুরো এলাকা।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
দেশ

ভোরের ট্র্যাজেডি... চোখের সামনে ছিন্নভিন্ন দেহ, ট্র্যাকে লুটিয়ে পড়লেন পুণ্যার্থীরা

উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে ভোরের শান্ত সকাল মুহূর্তে পরিণত হল বিভীষিকায়। কার্তিক পূর্ণিমার পুণ্যস্নান শেষ করে স্টেশনে ফিরছিলেন বহু ভক্ত। সকালের ব্যস্ততার মাঝেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা। প্ল্যাটফর্মের উল্টো দিকে নামতে গিয়ে হাওড়া-কালকা মেলের তলার তলায় চলে গেলেন তাঁরা। মুহূর্তের মধ্যে প্রাণ গেল অন্তত ছয় পুণ্যার্থীর, আহত একাধিক। চিৎকারে, কান্নায় আর আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়ে ভীতি, স্তব্ধ হয়ে যায় চুনার স্টেশন।বুধবার ভোরবেলা ঘটনাটি ঘটেছে মির্জাপুর জেলার চুনার রেলওয়ে স্টেশনে। কার্তিক মাস হওয়ায় বহু পুণ্যার্থী সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। রেলসূত্রে জানা যাচ্ছে, ভোরের সেই ভিড়ে অনেকেই প্ল্যাটফর্মের বিপরীত পাশে নেমে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। ঠিক সেই সময় দ্রুতগতিতে এসে পড়ে হাওড়া-কালকা মেল। আর তারই ধাক্কায় থেঁতলে যান পুণ্যার্থীরা। সেকেন্ডের মধ্যেই মৃত্যু, লুটিয়ে পড়ে নিথর দেহ, চারদিকে শুধু আর্তনাদ আর শোকের হাহাকার।ঘটনার পরই স্টেশন জুড়ে চরম বিশৃঙ্খলা। পুলিশ ও রেল আধিকারিকরা দ্রুত পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রেল প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেকেন মানুষজন ট্র্যাক দিয়ে নামলেন, স্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল কি না, সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ভয়াবহ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দ্রুত সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এসডিআরএফ ও এনডিআরএফ-কে উদ্ধারকাজে নেমে পড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আহতদের যত্নসহকারে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।উল্লেখ্য, মাত্র একদিন আগেই ছত্রিশগড়ের বিলাসপুরের কাছে মালগাড়ি ও যাত্রীবাহী ট্রেনের সংঘর্ষে প্রাণ যায় ১১ জনের। তার রেশ কাটার আগেই ফের ট্র্যাজেডি। রেল নিরাপত্তা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মনে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

ভয়াবহ! একের পর এক গাড়ি পিষে এগলো ডাম্পার—চিৎকারে কাঁপল জয়পুর

ভয়াবহ সড়কদুর্ঘটনায় কেঁপে উঠল রাজস্থানের জয়পুর। সোমবার দুপুরে লোহামান্ডি রোডে একটি বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু হল অন্তত দশ জনের। আহত হয়েছেন প্রায় পঞ্চাশ জন। তাঁদের মধ্যে বহুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সবাইকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা প্রাণপ্রত্যাশী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।চোখের সামনে এতগুলো প্রাণ হারাতে দেখে শিউরে উঠেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তাঁদের দাবি, ডাম্পারের চালক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিল। প্রথমে একটি গাড়িকে ধাক্কা মারে। তারপর আর থামেনি। একের পর এক তিন-চারটি গাড়িকে গুঁড়িয়ে এগিয়ে যায় ভয়ঙ্কর ডাম্পারটি। মুহূর্তে রক্তমাখা লোহামুখী রাস্তায় হাহাকার। চিৎকার-আর্তনাদে ভরে যায় এলাকা। আতঙ্কে জীবন বাঁচাতে ছুটোছুটি শুরু করেন মানুষ।খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। উদ্ধারকাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনও হয়তো কয়েকজন ডাম্পারের নিচে আটকে থাকতে পারেন। ভারি যন্ত্র এনে গাড়ি সরানোর চেষ্টা চলছে। ডাম্পারচালককে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি সত্যিই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন কিনা, তা খতিয়ে দেখতে মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হচ্ছে। পাশাপাশি গাড়ির নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।রাজস্থানে যেন দুর্ঘটনার অভিশাপ নেমেছে। একদিন আগেই, রবিবার সন্ধ্যায় যোধপুরে মালা এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৮ জন পুণ্যার্থী। কোলায়াত মন্দির থেকে ফেরার পথে তাঁদের ট্রাভেলার গাড়ি ধাক্কা মারে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে। এখনও সেই শোক কাটেনি রাজস্থানের মানুষের। তার মধ্যেই ফের মৃত্যুপুরীতে পরিণত হল জয়পুরের ব্যস্ত রাস্তা।দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠছেকেন এত প্রাণ হাঁটুর চাপে? কেন রাস্তায় এত নেশাগ্রস্ত চালক? নিরাপত্তা কোথায়? আর কত পরিবারকে এভাবে ভেঙে পড়তে হবে? এই রক্তাক্ত ছবিই হয়তো আবারও মনে করিয়ে দিলজীবন সেকেন্ডের খেল, আর গাড়ির স্টিয়ারিং ভুল হাতে পড়লেই সর্বনাশ অনিবার্য।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যু পথচারীর

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক পথচারীর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম জয়ন্ত মন্ডল (৫০)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারুইপুর থানার অন্তর্গত বিশালক্ষী তলা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন জয়ন্তবাবু। সেই সময় পিছন দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ছুটে আসে একটি রেসিং বাইক। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে ওই পথচারীকে। প্রবল আঘাতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে যান। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে তড়িঘড়ি বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর বাইকচালক পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয়রা সক্রিয় হয়ে তাঁকে ঘাতক বাইকসহ ধরে ফেলে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে বারুইপুর থানার পুলিশ বাইকচালককে আটক করে। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অকস্মাৎ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, জয়ন্তবাবু শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। রোজকার মতো বাজার সেরে ফিরছিলেন, তখনই ঘটে যায় এই দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় প্রায়ই বেপরোয়া বাইক দৌড় চলে। প্রশাসন এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিলে এ ধরনের ঘটনা রোখা সম্ভব হবে বলে দাবি তাঁদের।এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাস্তায় রেসিং বাইকের দৌরাত্ম্য নিয়ে। পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দুর্ঘটনার নেপথ্যে কারও গাফিলতি ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

মন্দিরবাজারে মাটির দেওয়াল ধসে মা ও দুই মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার থানার কামারপাড়া এলাকায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মাটির দেওয়াল ধসে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক মা ও তাঁর দুই মেয়ে। মৃতরা হলেন বৃহস্পতি কর্মকার (৪৩), তাঁর মেয়ে শিলা কর্মকার (১৫) এবং প্রিয়া কর্মকার (১০)। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে, যখন তারা তাদের মাটির বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ভোরবেলা হঠাৎ মাটির দেওয়াল ভেঙে পড়ায় তিনজনই চাপা পড়েন। স্থানীয়রা শব্দ শুনলেও প্রাথমিকভাবে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। সকালে দেওয়াল ধসে পড়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী নাইয়ারহাট হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পর মন্দিরবাজার থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পুরনো মাটির দেওয়ালের দুর্বল গঠনই এই দুর্ঘটনার কারণ। তবে ঘটনার বিস্তারিত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনাকে দায়ী করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা আবাস যোজনার আওতায় ওই পরিবারকে বাড়ি দেওয়ার জন্য দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছিল এবং বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার তিন বছর আগে তৃতীয় কিস্তির টাকা আটকে না রাখলে বাড়িটি সম্পূর্ণ হতো এবং এই মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো যেত। বিধায়ক আরও বলেন, আমরা পরিবারের পাশে রয়েছি এবং তাদের সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করছি।এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মাটির বাড়ির দুর্বল অবকাঠামোর কারণে এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। এই ঘটনা সরকারি আবাসন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, যোজনার টাকা সময়মতো দেওয়া হলে এই পরিবারের জীবন বাঁচানো যেত।মন্দিরবাজার থানার পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের পর ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্তের সঙ্গে দেউলটি–কোলাঘাটে বাইকের সংঘর্ষ, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শতাধিক যাত্রী

শুক্রবার দুপুরে হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্ত এক্সপ্রেসে চাঞ্চল্যকর দুর্ঘটনা। দেউলটি ও কোলাঘাট স্টেশনের মাঝপথে হঠাৎই রেললাইনে উঠে আসা একটি মোটরবাইকের সঙ্গে ধাক্কা খায় ট্রেন। অল্পের জন্য রক্ষা পান শতাধিক যাত্রী।চোখের সামনে দৃশ্যটা ছিল শিউরে ওঠার মতো। বেলা সাড়ে ১১টার পর এক বাইক আরোহী নির্ধারিত লেভেল ক্রসিং এড়িয়ে সরাসরি লাইনের ওপর দিয়ে পার হচ্ছিলেন। আচমকাই বাইক আটকে যায় রেলের মাঝে। ঠিক তখনই দ্রুতগতিতে আসে হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্ত এক্সপ্রেস। মুহূর্তের মধ্যে বাইকটিকে ধাক্কা মারে ট্রেন। স্ফুলিঙ্গ বেরোতে দেখা যায় সংঘর্ষে। আতঙ্কে যাত্রীরা চিৎকার শুরু করেন। তবে সৌভাগ্যবশত ট্রেনের ইঞ্জিনে বড় কোনও ক্ষতি হয়নি।সংঘর্ষের পর ট্রেন প্রায় এক ঘণ্টা থেমে থাকে। ইঞ্জিনিয়াররা জরুরি পরীক্ষা চালান। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে পুনরায় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় দুরন্ত। যাত্রীরা খানিকটা স্বস্তি পেলেও আতঙ্ক কাটেনি।স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় নজরদারির অভাব রয়েছে। বহু জায়গায় রেল ফেন্সিং ভাঙা বা অকার্যকর। প্রতিদিনই অবৈধ পারাপার হয়, অথচ রেলওয়ে কড়া ব্যবস্থা নেয় না। একজন যাত্রী ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, এভাবে বাইক নিয়ে লাইনে ওঠা মানে শত যাত্রীর জীবন নিয়ে খেলা। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এতবছর দেশে শতাধিক দুর্ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে রেললাইনে অবৈধ পারাপার। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সচেতনতা কর্মসূচি ও জরিমানার ব্যবস্থা চালু করলেও বাস্তবে কার্যকারিতা খুব সীমিত।দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের সূত্রে খবর, এই ঘটনা ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত। বাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরপিএফ ও জিআরপি ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। দেউলটি-কোলাঘাটের এই অঘটন আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখালরেললাইনে অবৈধ পারাপার কেবল বিপজ্জনকই নয়, একেকটা মুহূর্তে তা শত শত প্রাণের জন্য মৃত্যুফাঁদে পরিণত হতে পারে। এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, মৃত্যুমিছিল, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাহাকার

বর্ধমানের নবাবহাটের কাছে ফাগুপুরে জাতীয় সড়ক বড়সড় দুর্ঘটনা। পুণ্যার্থী বোঝাই বাস দূর্ঘটনা দুর্ঘটনার কবলে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে ধাক্কা মারে বাসটি। আহত হয়েছে ৩৫ জন। জখমদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসটি তারকেশ্বর থেকে দেওঘরের বাবাধাম যাচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। এঁরা সকলেই বিহারের বাসিন্দা।চোখের সামনে এই মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাসের সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অন্তত ৮ জনের, পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় আরও কয়েকজনের। মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে আশঙ্কা।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভাতার থানার পুলিশ ও দমকল। উদ্ধারকাজ চালাতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হাহাকার পরিস্থিতি তৈরি হয়। হাসপাতালের করিডরে শোকাহত পরিজনদের কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে দুই গাড়ির চালককেই আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক অনুমান, অতিরিক্ত গতি ও অবহেলাই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মূল কারণ।স্থানীয় প্রশাসন জানায়, আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে। মৃতদের পরিবারকে রাজ্য সরকারের তরফে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, মর্মান্তিক মৃত্যু ডেলিভারি বয়ের

মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা সল্টলেকে নতুন ব্রিজে। পথ দুর্ঘটনায় আগুনে ঝলসে মৃত এক ডেলিভারি বয়। আহত ওই চার চাকা গাড়িতে থেকে তিন জন লাফিয়ে প্রাণে বেঁচে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, কেষ্টপুর এর দিক থেকে একটি চার চাকা গাড়ি সল্টলেকে ঢুকছিল অন্য দিকে আরো একটি চার চাকা গাড়ি সল্টলেকে ওই নতুন ব্রিজ সিগনাল থেকে ইস্ট থানার দিকে যাওয়ার সময় ওই দুটি গাড়ির মধ্যে ধাক্কা লাগে। ধাক্কা লাগার পর যে চাচা গাড়িটিতে আগুন লেগে যায় সেটি রেলিং এ গিয়ে ধাক্কা মারে সঙ্গে সঙ্গে আগুন লেগে যায়। গাড়িতে থাকা সবাই বেরিয়ে আসে আহত অবস্থায় তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর ওই দুর্ঘটনার সময় এক ডেলিভারি বয় সাইকেল নিয়ে ওই দুর্ঘটনার মধ্যে পড়ে যায়। সেখান থেকে কোন ভাবে পালাতে গেলে রেলিং এর তার প্যান্ট আটকে যায় এবং তার গায়ে আগুন লেগে যায়। যার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে বলে এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর। দমকল গাড়ি দেরি করে আসার কারণে গাড়িতে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা।

আগস্ট ১৪, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

ইরানে ক্ষমতার পালাবদল আসন্ন? ভারতের সামনে কি ভেঙে পড়ছে চাবাহার সমীকরণ!

আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়েছে। আরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন। ইজরায়েলও সন্তোষ প্রকাশ করেছে। কিন্তু এই ঘটনাকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নয়াদিল্লিতে। কারণ খামেনেইয়ের মৃত্যু ভারতের কূটনীতি ও অর্থনৈতিক স্বার্থের উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা কূটনৈতিক মহলের একাংশের।ইজরায়েল ও ইরানের সংঘাতে ভারত এতদিন নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে। শুধু শান্তির বার্তা দেওয়া ছাড়া কোনও পক্ষেই সরাসরি সমর্থন জানায়নি কেন্দ্র সরকার। কারণ ইজরায়েল ও ইরান দুই দেশই ভারতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। কিন্তু ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে। ইরান দীর্ঘদিন ধরে ভারতের কৌশলগত সঙ্গী। কাশ্মীর ইস্যুতেও অতীতে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে ইরান। শুধু রাজনৈতিক সম্পর্ক নয়, সাংস্কৃতিক যোগাযোগও রয়েছে দুই দেশের মধ্যে।ইরানের সিস্তান বালুচিস্তান প্রদেশে অবস্থিত চাবাহার বন্দর ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানকে এড়িয়ে আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া, ইউরোপ ও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই বন্দরই ভারতের প্রধান ভরসা। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আমদানি ও রপ্তানির জন্য এটি একটি বড় ট্রানজিট কেন্দ্র। ইরানের শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে সমঝোতা করেই ভারত এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। গত বছর পর্যন্তও নিয়মিত বিনিয়োগ চলেছে। মধ্য এশিয়ায় প্রভাব বাড়াতে এবং চিনের কৌশলের মোকাবিলায় ভারত এই বন্দরকে কেন্দ্র করে নিজস্ব করিডর গড়ে তুলতে চেয়েছিল।কিন্তু খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর যদি ইরানে শাসন পরিবর্তন হয় এবং সেখানে আমেরিকা ঘনিষ্ঠ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে ভারতের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ধাক্কা খেতে পারে। মুসলিম বিশ্বে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য বন্ধু হিসেবে ইরানকে দেখত নয়াদিল্লি। নতুন সরকার যদি পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তাহলে কাশ্মীর-সহ ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে ইরানের অবস্থান বদলে যেতে পারে। এতে ভারতের কূটনৈতিক সমীকরণ বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।চাবাহার বন্দরের ভবিষ্যৎও তখন অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। এই পথ বন্ধ হলে আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কাজাখস্তান ও তুর্কমেনিস্তানের মতো দেশের সঙ্গে বাণিজ্যেও প্রভাব পড়বে। গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও জ্বালানি আমদানির পথ সংকুচিত হতে পারে। রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের একটি বড় অংশ ইরানের পথেই সম্পন্ন হয়। সেখানে পরিবর্তন এলে ভারত-রাশিয়া সম্পর্কেও প্রভাব পড়তে পারে। ফলে আমেরিকার উপর নির্ভরতা আরও বাড়তে পারে, যা কূটনৈতিক দিক থেকে সবসময় সুবিধাজনক নয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানে অস্থিরতা বাড়লে পাকিস্তান সুযোগ নিতে পারে। আমেরিকা যদি ইরান পরিস্থিতি সামলাতে পাকিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার করে, তাহলে ইসলামাবাদ কৌশলগত সুবিধা পেতে পারে। এতে পাকিস্তানে আমেরিকার আর্থিক ও সামরিক সহায়তা বাড়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে ইরানের এই অস্থিরতা ভারতের সামনে এক কঠিন সমীকরণ তৈরি করেছে। এখন নয়াদিল্লি কীভাবে পরিস্থিতি সামলায়, সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।মেটা বিবরণ: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবরে বদলে যেতে পারে ভারতের কূটনৈতিক সমীকরণ। চাবাহার বন্দর, রাশিয়া সম্পর্ক ও পাকিস্তান ইস্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ।

মার্চ ০১, ২০২৬
রাজ্য

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম নেই খোদ বিডিওর, উত্তরে তোলপাড় প্রশাসনিক মহল

দীর্ঘ চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষে প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কিন্তু তালিকা প্রকাশের পরই সামনে আসছে একের পর এক অসঙ্গতির অভিযোগ। এবার দেখা গেল, জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক প্রসেনজিৎ কুণ্ডুর নামই নেই ভোটার তালিকায়। ঘটনায় বিস্মিত প্রশাসনিক মহল এবং চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে স্থানীয় স্তরেও।প্রসেনজিৎ কুণ্ডু আলিপুরদুয়ার পুরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন। প্রায় দুবছর ধরে ময়নাগুড়িতে ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক হিসেবে কর্মরত। বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার সঙ্গেও তিনি সরাসরি যুক্ত ছিলেন এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিকের দায়িত্ব পালন করেছেন। অথচ তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, তাঁর নামই বাদ পড়েছে। যদিও এই বিষয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।আলিপুরদুয়ারের সাত নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পার্থপ্রতিম ঘোষ বলেন, এতদিন প্রশাসনিক পদে থাকার পরও যদি এক জন আধিকারিকের নাম বাদ যায়, তা হলে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে কী হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। তাঁর মতে, তাড়াহুড়ো করে কাজ হওয়ার ফলেই এমন অসঙ্গতি সামনে আসছে।উল্লেখযোগ্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর। সেই সময় রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় প্রায় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জনের নাম বাদ পড়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী রাজ্যে এখন মোট ভোটার ৭ কোটি ০৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪ জন। কমিশনের দেওয়া তথ্য বলছে, নাম বাতিলের আবেদন জমা পড়ার পর প্রায় ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ গিয়েছে। নতুন করে নাম যুক্ত হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৩৬ জনের। ঠিকানাসহ সংশোধনের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে আরও ৬ হাজার ৬৭১ জন।ভোটার তালিকা নিয়ে এই নতুন বিতর্কে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও প্রক্রিয়ার নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আগামী দিনে আরও কত অসঙ্গতি সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

মার্চ ০১, ২০২৬
কলকাতা

আতঙ্ক! দুবাইয়ের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে আটকে শুভশ্রী, পাশে ছোট্ট ইউভান

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই দুবাইয়ে আটকে পড়েছেন টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। ছেলে ইউভানের স্কুলে ছুটি পড়ায় তার ইচ্ছেতেই বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে পৌঁছনোর পর থেকেই পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করে। এখন তিনি ও তাঁর ছেলে দুবাইয়েই একটি হোটেলে অবস্থান করছেন।অভিনেত্রীর স্বামী রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, শনিবারই তাঁরা দুবাই পৌঁছেছেন। এরপর থেকেই উত্তেজনা বাড়তে থাকে। বর্তমানে তাঁরা পাম জুমেইরার একটি হোটেলে রয়েছেন। হোটেলের কাছেই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে জানা গেছে। এর জেরে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে নির্দেশিকা জারি করে সবাইকে ঘরের বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।রাজ জানান, তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। ছেলে সঙ্গে থাকায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ আরও বেড়েছে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন তাঁরা। দুবাইয়ে তাঁদের পরিচিত ও আত্মীয়রা রয়েছেন, তাঁরাই প্রয়োজনে সাহায্য করছেন বলে জানা গেছে।মধ্যপ্রাচ্যের অশান্ত পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে পর্যটকদের উপরও। বহু ভারতীয় পর্যটক এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। শুভশ্রী ও তাঁর ছেলে সুস্থ ও নিরাপদে দেশে ফিরবেন, সেই প্রার্থনাই করছেন অনুরাগীরা।

মার্চ ০১, ২০২৬
কলকাতা

বুট পরে নয়, চপ্পলেই পরীক্ষা! কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে রাজ্যে, বাড়তি সতর্কতায় কমিশন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রবিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা। এর আগে নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং ফলও প্রকাশিত হয়েছে। এবার পরীক্ষায় বসছেন শিক্ষাকর্মী পদপ্রার্থীরা। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে আগের পুরো প্যানেল বাতিল হওয়ার পর নতুন করে এই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।আজ রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীও আসছে। তবে পরীক্ষা চলাকালীন কোনও বাহিনী যাতে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ না করে, সে বিষয়ে কড়া নির্দেশ জারি করেছে কমিশন। ইতিমধ্যেই রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।পরীক্ষার্থীদের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। বুট পরে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। সাধারণ চপ্পল বা হাওয়াই চটি পরে আসতে হবে। স্বচ্ছ কলম এবং কাচের বোতলে জল নিয়ে আসার নির্দেশও বহাল রয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে কড়া নজরদারির ব্যবস্থাও করা হয়েছে।রাজ্যজুড়ে মোট ১৬৯৩টি কেন্দ্রে এই লিখিত পরীক্ষা হচ্ছে। মোট শূন্যপদ রয়েছে ২৯৮৯টি। আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় ৮ লক্ষ ৪ হাজার। দুপুর ১২টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত। প্রতিযোগিতা অত্যন্ত কঠিন হওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন বহু পরীক্ষার্থী। এক প্রার্থী বলেন, আগে পরীক্ষা দিই, তারপর বোঝা যাবে কী হয়।২০১৬ সালের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের নির্দেশে আগের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল হয়ে যায়। সেই কারণেই নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষকদের পরীক্ষা ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে গ্রুপ ডি পরীক্ষা। দীর্ঘ বিতর্কের পর এই নিয়োগ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়, সেদিকেই এখন নজর সবার।

মার্চ ০১, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক! ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ‘এবার আঘাত এলে নজিরবিহীন জবাব দেবে আমেরিকা’

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত ঘিরে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। ইরান যদি আরও বড় আঘাত হানে, তা হলে আমেরিকা এমন জবাব দেবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। নিজের সামাজিক মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ইরান যদি হুমকি মতো খুব বড় আক্রমণ চালায়, তা হলে আমেরিকার পাল্টা আঘাত হবে নজিরবিহীন।এই হুঁশিয়ারির আগে ইরান জানিয়েছিল, ইজরায়েল ও আমেরিকার বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সামরিক অভিযান শুরু করা হবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরই এই ঘোষণা করে তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানায়, খুব শিগগিরই বড় আকারের অভিযান শুরু হবে।রবিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন জানায়, ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘাঁটি লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের নেগেভ ও ডেড সি অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়। তেল আবিবে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়।ইরানের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে যে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে।এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়েছে, ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন খামেনেই। তাঁর মৃত্যুর পর ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডই বড় গণআন্দোলনের সূচনা করবে। ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমও জানিয়েছে, তেহরানে নিজের বাসভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে খামেনেইয়ের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।হামলায় খামেনেইয়ের পরিবারের একাধিক সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ ও জামাই। পাশাপাশি ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ এবং ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মহম্মদ পাকপৌরও নিহত হয়েছেন বলে খবর।মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত যে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এখন সবার নজর, পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয় ইরান ও আমেরিকা।

মার্চ ০১, ২০২৬
দেশ

বিশ্ব কাঁপানো সিদ্ধান্ত! হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান, তেলের দামে আগুন লাগার আশঙ্কা

ইরান-আমেরিকার সংঘাত নিয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা এবার সত্যি হল। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার জেরে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সাতটি দেশজর্ডন, কুয়েত, কাতার, বাহরিন, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল হামলার দাবি করেছে তেহরান। এরই মধ্যে আরও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হরমুজ প্রণালী।ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনও জাহাজ যাতায়াত করতে পারবে না। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের লেনদেনে বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মাত্র প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার চওড়া এই সরু জলপথ দিয়েই বিশ্বের প্রায় বিশ শতাংশ তেল আমদানি ও রফতানি হয়। বিশ্বে প্রতি পাঁচ ব্যারেল তেলের মধ্যে একটি ব্যারেল এই পথ ধরে আসে। সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার ও ইরানমধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব বড় তেল উৎপাদনকারী দেশই এই পথ ব্যবহার করে এশিয়ার বাজারে তেল পাঠায়। ভারত, চিন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া এই তেলের বড় ক্রেতা।হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় চাপে পড়তে পারে ভারতও। সূত্রের খবর, বর্তমানে ভারতের কৌশলগত তেল ভাণ্ডার দিয়ে প্রায় চুয়াত্তর দিন দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব। তার পর বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে। তেল সরবরাহ কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারেও।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা নিয়ে ভাবনা শুরু হয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে সম্প্রতি তেল আমদানি বাড়িয়েছিল ভারত। গত বছরে যেখানে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল তেল কেনা হয়েছিল, সেখানে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে দৈনিক প্রায় ছাব্বিশ লক্ষ ব্যারেলে পৌঁছয় আমদানি। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের মোট তেল আমদানির প্রায় অর্ধেকই এসেছিল এই পথ ধরে। এর আগে সেই পরিমাণ ছিল প্রায় চল্লিশ শতাংশ।হরমুজ প্রণালীর বিকল্প হিসেবে সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবুধাবি থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত পাইপলাইন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সেই ব্যবস্থারও সীমাবদ্ধতা রয়েছে এবং সরবরাহের পরিমাণ কম।এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকেও আবার তেল কেনার কথা ভাবতে হতে পারে ভারতকে। কিন্তু তাতেও জটিলতা রয়েছে। রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে আগে ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিল আমেরিকা। বর্তমানে দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। ফলে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে না। আমেরিকা চাইছে ভারত তাদের কাছ থেকে তেল কিনুক। পাশাপাশি পশ্চিম আফ্রিকার নাইজেরিয়া ও আঙ্গোলা, লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই ক্ষেত্রে খরচ অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের সাধারণ মানুষের পকেটে।

মার্চ ০১, ২০২৬
বিদেশ

কাবুল কাঁপাল বোমা ও গুলির শব্দ! পাক যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি তালিবানের

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আবহের মধ্যেই পাক-আফগান সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। চতুর্থ দিনে পড়ল দুই দেশের এই লড়াই। রবিবার ভোরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তালিবান সরকারের অভিযোগ, মধ্য কাবুলের একাধিক এলাকায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী গোলাবর্ষণ করেছে। পালটা জবাব দিয়েছে তালিবানও। শুরু হয়েছে গুলির লড়াই।সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আলো ফোটার আগেই কাবুলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। এখনও পর্যন্ত হতাহতের নির্দিষ্ট খবর মেলেনি। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, পাকিস্তান আবারও রাজধানীতে বিমান হামলার চেষ্টা করেছে। তবে আফগানিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে বলে তিনি জানান। কাবুলবাসীদের আতঙ্কিত না হওয়ারও আবেদন করেন তিনি।এর আগে গত রবিবার পাকিস্তানের হামলার পালটা দিতে বৃহস্পতিবার রাতে আফগান বাহিনী সীমান্ত পেরিয়ে আক্রমণ চালায় বলে দাবি করা হয়েছে। তালিবান প্রশাসনের বক্তব্য, পাকিস্তানের অন্তত বারোটি সামরিক পোস্ট তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং পাকিস্তানের বহু সেনা নিহত হয়েছে। যদিও এই দাবির স্বাধীনভাবে নিশ্চিতকরণ মেলেনি। শুক্রবার পাকিস্তানও আফগানিস্তানের একাধিক এলাকায় হামলা চালায়। রবিবারও সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।তালিবান আরও দাবি করেছে, জালালাবাদ এলাকায় একটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। এমনকি এক পাক বায়ুসেনা কর্মকর্তাকে বন্দি করার কথাও জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। দুই দেশের এই সংঘাত বৃহত্তর অঞ্চলের স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০১, ২০২৬
কলকাতা

দুবাই-দোহা-আবুধাবি রুট বন্ধ! মাঝআকাশের সংঘাতে নাজেহাল কলকাতার যাত্রীরা

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতেই তার সরাসরি প্রভাব পড়ল কলকাতায়। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শনিবার একের পর এক আন্তর্জাতিক উড়ান বাতিল করা হয়েছে। কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিগামী একাধিক বিমান বাতিল হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে দুবাইগামী এমিরেটসের একটি উড়ান, দোহাগামী কাতার এয়ারওয়েজের একটি উড়ান, আবুধাবিগামী এয়ার আরবিয়ার একটি উড়ান এবং আবুধাবিগামী এতিহাদ এয়ারওয়েজের একটি উড়ান বাতিল করা হয়েছে। মোট চারটি উড়ান বাতিল হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, সকাল থেকেই আন্তর্জাতিক সংঘাতের খবর শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু উড়ান বাতিল হওয়ার বিষয়ে আগাম কোনও বার্তা বা তথ্য তাঁদের কাছে পৌঁছয়নি। সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার তরফে কোনও স্পষ্ট বার্তা না পেয়ে তাঁরা বিমানবন্দরে পৌঁছে জানতে পারেন পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা ও চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়েছে বহু যাত্রীকে।শনিবার সকালে তেহরানের উপর পরপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইজরায়েল। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দাবি করেন, ওই অভিযানে আমেরিকারও অংশগ্রহণ ছিল। ইরানের পরমাণু প্রকল্পকে কেন্দ্র করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এর পরেই ইরান পাল্টা হামলা শুরু করে। ইজরায়েল ছাড়াও সৌদি আরব ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন সেনা ঘাঁটিগুলিতেও হামলার খবর সামনে আসে। এই সংঘাতের জেরেই পশ্চিম এশিয়ার আকাশসীমা কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং তার প্রভাব এসে পড়ে ভারতের বিমান পরিষেবাতেও।পরিস্থিতি কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক উত্তেজনার আবহে কলকাতা সহ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal