• ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Zoo

কলকাতা

নতুন বছরে শীতের আমেজে ভিড়ে ঠাসা ইকোপার্ক থেকে চিড়িয়াখানা, কাশীপুর উদ্যানবাটী..কোথায় কত দর্শনার্থী?

ফি বছর বছরের শেষ সপ্তাহ থেকে নয়া বছর শুরুর সপ্তাহ পর্যন্ত কলকাতার রাস্তা-ঘাট, মেট্রোতে ভিড় লেগেই থাকে। এবারও তার ব্য়তিক্রম হয়নি। ২৫ ডিসেম্বর বড় দিনে ভিড়ের সূত্রপাত হয়। তারপর বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর, আর তার পরের দিন ১ জানুয়ারি নতুন বছরের শুরুর দিন। কলকাতার দর্শনীয় স্থানে পর্যটকেরা ভিড় করে থাকে। তবে ইকো পার্ক ও চিড়িয়াখানা সবাইকে এবার ভিড়ে টক্কর দিয়েছে। এবার অবশ্য কাশীপুর উদ্যানবাটি কিছুটা জায়গা করে নিয়েছে। প্রতিবছরই এই দিনগুলিতে আলিপুর চিড়িয়াখানায় ব্যাপক ভিড় হয়। হাটাচলাই সেখানে দায় হয়ে পড়ে। মানুষের তুলনায় যেন জায়গা কম পড়ে যায়। এবার নতুন বছরে খোলামেলা জায়গাকেই বেছে নিল আমজনতার বেশিরভাগ অংশ। মানুষ ভিড় জমাল ইকো পার্কে। পরিবার, বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে নতুন বছরে কলকাতার রাস্তায় বেরিয়ে পড়াই দস্তুর। এদিন ঠান্ডার আমেজই ছিল যথেষ্ট।ভিড়ের হিসেবে সকলকে টেক্কা দিয়েছে নিউ টাউনের ইকো-ট্যুরিজ়ম পার্ক। এই পার্কে ভিড় করেছেন ৯১ হাজার ৬৮৩ জন। অবশ্য তারপরেই আছে আলিপুর চিড়িয়াখানা। তবে বরাবর প্রথম স্থানে থাকে এই চিড়িয়াখানা। এবার সেখানে ভিড় জমিয়েছে ৮৫ হাজারের বেশি। দর্শনার্থীদের সংখ্যায় উত্তর কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটীও ইংরেজি নববর্ষে অন্য অনেক জায়গার থেকে এগিয়ে থেকেছে। কারণ কল্পতরু উৎসবকে কেন্দ্র করে এখানে মানুষ ভিড় করে থাকে। এবারও সেই আকর্ষণে ভিড় করেছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা। ভিক্টোরিয়ায় বছরের প্রথম দিনে ৩৮ হাজারের বেশি পর্যটক হাজির হয়েছিলেন। সায়েন্সসিটিতে ছিলেন ৩০হাজারের কিছু বেশি দর্শনার্থী। কলকাতা জাদুঘরেও কয়েক হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। তবে তা ১০হাজার অতিক্রম করতে পারেনি।

জানুয়ারি ০২, ২০২৫
বিবিধ

দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় নয়া অতিথি, জন্ম দুটি তুষার চিতা, চারটে রেড পান্ডার

ক্যাপটিভ ব্রিডিংয়ে এশিয়ায় যে সেরা তা ফের একবার প্রমান করল দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু চিড়িয়াখানা। এই চিড়িয়াখানার অধীনে তোপকেদ্বারা ব্রিডিং সেন্টারে চারটি রেড পান্ডা এবং দুটি তুষার চিতা শাবকের জন্ম হয়েছে। মাস খানেক আগে জন্ম হলেও ছয়টি শাবকই সুস্থ সবল রয়েছে বলে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষের দিকে রেডপান্ডা নিক্কি এবং প্রন্নের চার শাবকের জন্ম হয়েছে।অন্যদিকে, প্রায় একই সময়ে তুষার চিতা রাহানার দুই শাবকের জন্ম হয়েছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গিয়েছে। আপাতত মায়েদের সঙ্গেই রাখা হয়েছে ওই শাবকদের। ২৪ ঘণ্টাই খুদে অতিথিদের নজরদারি চালাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। নতুন চারটি শাবকের জন্মের পর বর্তমানে চিড়িয়াখানায় রেড পান্ডার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯। অন্যদিকে, তুষার চিতার সংখ্যা বেড়ে ১১ হল। আগে ৯টি তুষার চিতা ছিল দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিকাল পার্কে। দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর বাসবরাজ হোলেইচির বক্তব্য,ক্যাপটিভ ব্রিডিংয়ে সফল ভাবে আরও চারটি রেড পান্ডা এবং দুটি তুষার চিতা শাবক জন্ম নিয়েছে এবং প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছে।গোটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দার্জিলিং চিড়িয়াখানাতেই একমাত্র গত ৩০ বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে রেড পান্ডা এবং তুষার চিতার ক্যাপটিভ ব্রিডিং প্রক্রিয়া চলছে। এর বাইরে আরও আটটি বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী রয়েছে, যেগুলি আইউসিএন-এর লাল তালিকভুক্ত রয়েছে। সেই প্রানীগুলিরও ক্যাপটিভ ব্রিডিং হচ্ছে। ওই তালিকায় রয়েছে হিমালয়ান থার, ব্লু শিপ, হিমালয়ান উলফের মতো প্রাণী। তোপকেদ্বারা ব্রিডিং সেন্টারে চলছে এই প্রজনন প্রকল্প। প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত এই ব্রিডিং সেন্টারে ৭৯টি রেডপান্ডার জন্ম হয়েছে। তার মধ্যে ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ৬টি রেড পান্ডার একসঙ্গে জন্ম হয়েছিল। ওই সময়ের সবগুলিই শাবকই সুস্থ রয়েছে। যা এই ব্রিডিং প্রক্রিয়ার ইতিহাসে প্রথম বলেই পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে। নতুন চারটি রেড পান্ডা শাবকের জন্ম হওয়ায় আরও কয়েকটি রেড পান্ডাকে সিঙ্গালিলার জঙ্গলে ছাড়া হতে পারে বলে পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে।দার্জিলিং চিড়িয়াখানার এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যেই ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রেড পান্ডার সংখ্যা বাড়ানো। সেইমতো প্রতিবছরই নিয়ম করে দুটি থেকে তিনটি রেড পান্ডাকে কলার পরিয়ে সিঙ্গালিলা ন্যাশনাল পার্কের জঙ্গলে ছাড়া হয়। এরপর সেগুলির গতিবিধির ওপর বিশেষ নজর রাখা হয়। কোথায় যাচ্ছে, কতটা যাচ্ছে সেইসমস্ত বিষয় ট্র্যাক করা হয়। পাশাপাশি নতুন করে জঙ্গলে রেড পান্ডার জন্ম হচ্ছে কিনা সেই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।

আগস্ট ৩১, ২০২৪
দেশ

জুলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার ১০৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী

কেন্দ্রীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব জুলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার ১০৮ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনের সূচনা করবেন ১লা জুলাই, সল্টলেকের নিক্কো পার্ক সংলগ্ন ইস্ট প্যাভিলিয়নে। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে তিনি অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনোমি সামিট ২০২৩- শীর্ষক এক সম্মেলনেরও সূচনাও করবেন। এই অনুষ্ঠানে কেন্দ্র সরকারের মিশন লাইফ ভাবনাকে নিয়ে জেডএসআইয়ের কর্মকান্ডকে উপস্থাপন করা হবে। পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিতে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করার পরিকল্পনাও গৃহীত হয়েছে।এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী অ্যানিম্যাল ডিসকভারিজ ২০২২ শীর্ষক একটি পুস্তক প্রকাশ করবেন, যেখানে দেশ জুড়ে আবিষ্কৃত ৬০০ নতুন প্রজাতির সন্ধান থাকবে এই বইয়ে। তাছাড়া স্বাধীনতার ৭৫ বছরকে স্মরণ করতে ও আজাদি কি অমৃত মহোৎসবের অঙ্গ হিসেবে ৭৫ ওয়েটল্যান্ড ফনা অফ ইন্ডিয়া এবং ৭৫ এন্ডেমিক বার্ডস অফ ইন্ডিয়া শীর্ষক দুটি প্রামান্য বই প্রকাশিত হবে। অনুষ্ঠানে দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী অশ্বিণী কুমার চৌবে এবং বন দপ্তরের ডিরেক্টর জেনারেল তথা দপ্তরের বিশেষ সচিব চন্দ্র প্রকাশ গোয়েল উপস্থিত থাকবেন। ১০৮ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনমি সামিট ২০২৩-এ দেশ বিদেশের চার শতাধিক প্রাণীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ যোগদান করবেন। লন্ডনের ন্যাচারেল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। এই সম্মেলনে ১২ জন খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ পশু শ্রেণীকরণ, বায়োজিওগ্রাফি সহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখবেন। এই সম্মেলনে উপস্থাপিত গবেষণাপত্র সমূহ শতাব্দী প্রাচীন ইন্ডিয়ান জুলজি পত্রিকাতেও পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে। জেডএসআই-এর প্রথম মহিলা নির্দেশক ধৃতী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সংস্থা ভুটান সরকারের সঙ্গে কয়েকটি মৌ চুক্তিও স্বাক্ষর করবে। ভবিষ্যত গবেষণার আদান-প্রদানের লক্ষ্যেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনোমি সামিট চলবে ৩রা জুলাই পর্যন্ত। এই উপলক্ষে কলকাতা প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জুলাই ০৭, ২০২৩
কলকাতা

কলকাতার পাশেই এবার দ্বিতীয় চিড়িয়াখানা, দেখা মিলবে জিরাফ, জেব্রার সঙ্গে

আলিপুর চিড়িয়াখানা দেখার আক্ষেপ ভুলিয়ে দেবে নিউটাউনের চিড়িয়াখানা। নতুন চিড়িয়াখানায় নতুন জীবজন্তু দেখার সুযোগ নিউটাউনে। এই চিড়িয়াখানার সূত্রপাত হয়েছিল ২০১৬- তে। তখন সেটা ছিল ডিয়ার পার্ক। এখন আস্ত চিড়িয়াখানা।২০১৬-তে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিউটাউনে উদ্বোধন করেছিলেন হরিণালয়ের। যেখানে এতদিন শুধু দেখা মিলত হরিণের দলের। এবার হরিণালয় বদলে গেল চিড়িয়াখানায়। এখন হরিণের সঙ্গে জিরাফ, জেব্রা, ম্যাকাও, কালো রাজহাঁস, নানান রঙিন পাখি, সবই দেখা যাবে সেখানে। খুব শীঘ্রই নিয়ে আসা হবে বাঘও।বৃহস্পতিবার দুপুরে এই চিড়িয়াখানার ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নয়া চিড়িয়াখানার উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ বন দপ্তরের আধিকারিকরা। দ্বিতীয় এই চিড়িয়াখানাটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ১৯ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। এদিন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, এই চিড়িয়াখানার আকর্ষণ বাড়াতে বাঘ , সিংহ, শিম্পাঞ্জি সহ বিভিন্ন প্রজাতির বানর আনা হবে। আপাতত ঠিক হয়েছে আলিপুর চিড়িয়াখানার প্রবেশ মূল্যর সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এখানে প্রবেশ টিকিটের মূল্য ধার্য করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৩
কলকাতা

এবার জেব্রার দেখা মিলবে নিউটাউনে, নতুন বছরে আসছে আরও অতিথি

নিউটাউনের একের পর এক চিত্তাকর্ষক আয়োজন করছে এনকেডিএ। এবার জেব্রা দর্শন করতে পারবেন নিউ টাউন বাসী। এতদিন হরিণ, কুমির, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখার সুযোগ ছিল নিউটাউনে।সেগুলির পাশাপাশি সাদা কালো জেব্রা দর্শন করতে পারবেন নিউ টাউন বাসী। আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে একটি জেব্রা আনা হয়েছে নিউ টাউনের হরিণালয়ে। আপাতত লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছে জেব্রাটি। এখনই সাধারণ মানুষের দর্শন করার সুযোগ থাকছে না। তবে এক সপ্তাহ পরে জেব্রাটিকে দেখতে পাবেন হরিনালয় মিনি চিড়িয়াখানার সব দর্শকরা। এরপর আরও সুখবর আসছে। নতুন বছরের শুরুতে জিরাপ ও হিপোপটেমাস দেখার সুযোগ থাকছে নিউটাউনে। আসতে পারে বাঘ-সিংহ, চিতাও। সেজন্য দ্রুততার সঙ্গে এনক্লোজার তৈরির কাজে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মিনি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।২০১৬ সালে নিউ টাউনের ইকোপার্ক লাগোয়া ৬ নম্বর গেটের পাশে একটি হরিণালয় তৈরি করে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এজন্য প্রায় ১৩ একরের বেশি জমি দান করে হিডকো। প্রথমদিকে এটি হরিণালয় করার চিন্তাভাবনা থাকলেও পরে দর্শকদের চাহিদা ভেবে আরও কিছু পশু পাখি আনার চিন্তা ভাবনা করে কর্তৃপক্ষ। সেই মতো একে একে বিভিন্ন ধরনের পাখি কুমির এবং একাধিক প্রজাতির হরিণ রাখা হয়েছে পার্কে।আগামী দিনে এখানে বেঙ্গল টাইগার, লেপার্ড, সিংহ, জিরাফ, রেড ক্যাঙ্গারু, হিপোপটেমাস প্রভৃতি রাখার পরিকল্পনা করেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এই মিনি চিড়িয়াখানার প্রবেশ মূল্য মাত্র ৩০ টাকা। সোমবার ছাড়া সপ্তাহে বাকি ৬ দিন খোলা থাকে পার্ক। ইতিমধ্যেই সপ্তাহান্তে বহু দর্শক ভিড় জমাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

ডিসেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

দেশের সেরা চিড়িয়াখানার শিরোপা পেল পশ্চিমবঙ্গের চিড়িয়াখানা

দেশের মধ্যে সেরা চিড়িয়াখানার শিরোপা পেল দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিকাল পার্ক। দেশের প্রায় দেড়শোটা অন্যতম চিড়িয়াখানার মধ্যে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছে দার্জিলিংয়ের চিড়িয়াখানা। আর সেরার শিরোপা পেতেই উচ্ছ্বসিত পার্কের আধিকারিকদের থেকে কর্মীরা। পাশাপাশি কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানা চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে। সম্প্রতি ১০ সেপ্টেম্বর ওড়িশার ভুবনেশ্বরে দেশের সমস্ত চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কের ডিরেক্টরদের কনফারেন্সের আয়োজন হয়েছিল। সেই কনফারেন্সেই সেন্ট্রাল জু অথরিটি ওই তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকাতেই দার্জিলিং চিড়িয়াখানা প্রথম স্থান অধিকার করেছে বলে জানা যায়। পাশাপাশি চেন্মাইয়ের চিড়িয়াখানা দ্বিতীয় ও মাইশোরের চিড়িয়াখানা তৃতীয় স্থান অধিকার করে।মূলত পদ্মজা নাইডু চিড়িয়াখানার অন্যতম আকর্ষণ রেড পান্ডা, হিমালয়ান ব্ল্যাক বিয়ার, স্নো লেপার্ড, গোরাল, হিমালয়ার টার, নীল হরিণের মতো প্রানী। পাশাপাশি তোপকেদাড়া প্রজনন কেন্দ্র, রেড পান্ডা অগমেনটেশন প্রোগ্রামের মতো প্রক্রিয়ায় অন্যতম জায়গা করে নিয়েছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানা। যেকারণে ওই চিড়িয়াখানা দেশের বড় বড় চিড়িয়াখানাকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। শুধু স্থানীয় দর্শক নয়। দার্জিলিং চিড়িয়াখানা দেখতে দেশের বিভিন্ন রাজ্য ও বিদেশি পর্যটকদের ব্যাপক ঢল নামে।দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর বাসবরাজ হোলিইয়াচি বলেন, আমরা খুব আনন্দিত এই ফলে। এই কৃতিত্ব চিড়িয়াখানার সমস্ত কর্মীদের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

আলিপুর জু-এর মতো দত্তক শুরু বর্ধমানের রমনাবাগানে, শিশু হলেন অভিভাবক

এক শিশু সহ চার পক্ষীপ্রেমি দত্তক নিলেন বর্ধমানের রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে থাকা চারটি পাখির। পাখিগুলির মধ্যে রয়েছে ২ টি ময়ূর, ১টি এমু ও ১টি প্যারাকিট টিয়া। বর্ধমান রমনাবাগান কর্তৃপক্ষ বুধবার-ই প্রথম চার পক্ষীপ্রেমীর হাতে চারটি পাখির দত্তক সংক্রান্ত শংসাপত্র তুলে দিলেন। সাথে সাথে এদিন থেকেই পক্ষী প্রেমীরা চারটি পাখির যাবতীয় দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিন।আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে পশু-পাখি দত্তক দেওয়ার ক্ষেত্রে আলিপুর জু এর পাশাপাশি এবার বর্ধমানের রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কও জায়গা করে নিল। রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্ক কর্তৃপক্ষের কথায় জানা গিয়েছে, যে চারজন এদিন পাখি দত্তক নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে তিনজন বর্ধমানের বাসিন্দা।শুধুমাত্র বাবা মায়ের সাথে আসা শিশুটির বাড়ি কলকাতায়। তাঁরা প্রত্যেকেই বেশ কিছুদিন আগে পাখিগুলির দায়িত্ব অর্থাৎ দত্তক নেওয়ার জন্য বর্ধমান বনদপ্তরে আবেদন করেছিলেন। তাঁদের সেই আবেদনের স্বীকৃতি এদিন বনদপ্তরের পক্ষ থেকে দেওয়া হল। পাখির দত্তক নেওয়া সংক্রান্থ শংসাপত্র এদিন বন আধিকারিক নিশা গোস্বামী চারজনের হাতে তুলে দেন।পাখি দত্তক নেওয়াদের মধ্যে একজন হলেন অর্নব দাস। তিনি বলেন ছোট থেকেই আমি পশু-পাখিদের নিয়ে কাজ করছি।পশু-পাখিদের নিয়ে আমার থাকতে ভালো লাগে। পাখিদের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এক বছরের জন্য একটি ময়ূর আমি দত্তক নিয়েছি ।এক বছরের জন্য ময়ূরটির খাবার, রক্ষনাবেক্ষন সবেরই দায়িত্ব আমি আমার কাঁধে তুলে নিয়েছি। অর্ণব দাস এও বলেন, দেশের জাতীয় পাখির দত্তক নিতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি। অন্যদিকে কলকাতা নিবাসী শিশু সৌর্য দেবের বাবা সর্ণব দেব বলেন,আমি আমার শিশু পুত্রের পছন্দ মত এমু পাখিটি দত্তক নিয়েছি। আর আমার পুত্র সৌর্যের জীববৈচত্র্যের প্রতি ভীষণ আগ্রহ রয়েছে। তাই পুত্রের ইচ্ছানুসারে একটি ময়ূরের দায়িত্বও নিয়েছি। পূর্বে রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে বেড়াত এসেছিলাম।এখানকার পাখিদের দেখে খুব ভালো গেলেছিল। তার পরেই এখানকার পাখি দত্তক নেবাব ব্যাপারে মনস্থির করি ।এদিন সেই কাজ সম্পূর্ণ হল ।পেশায় অধ্যাপিকা সৌর্য্যের মা সঞ্চারীদেবী বলেন,আমাদের বেঁচে থাকতে গেলে চারপাশের প্রাণী জগৎকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। ছোট বয়সেই হয়তো এটা বুঝতে পেরে গিয়ে আমার ছেলের পশু পাখিদের প্রতি একটা ভালোবাসা তৈরি হয়েছে। ছেলে বইয়ের পাতা উলটে পাখির ছবি দেখতেও খুব ভালোবাসে ।ছেলের পাখিদের প্রতি এই ভালোবাসা দেখে আমরা স্বামী স্ত্রী মিলে ছেলেকে রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে নিয়ে এসে পাখি দত্তক নিতে পেরে খবই খুশি হয়েছি।আমাদের সন্তান সৌর্যও বেজায় খুশি হয়েছে ।পশু পাখি প্রেমী সকল মানুষ জন আমাদের মত এইভাবে এগিয়ে আসলে বনের প্রাণীরা বাঁচবে । জীববৈচিত্রও অটুট থাকবে ।পূর্ব বর্ধমান জেলার বন আধিকারিক নিশা গোস্বামী বলেন, বর্ধমানের রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে এদিন থেকেই প্রথম পশুপাখি দত্তক দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হল। এদিন চারজন চারটি পাখি দত্তক নিয়েছেন। এনাদের দেখে অন্যদেরও উৎসাহ বাড়বে। প্রত্যাশা রয়েছে পশু পাখি দত্তক নেওয়া জন্য আগামী দিনে আরো অনেকে এগিয়ে আসবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

virat kohli : কোহলির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটারের স্ত্রী?‌ সত্যিই আজব ব্যাপার

টি২০ বিশ্বকাপে ভারতপাকিস্তান লড়াই। আর কোহলির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন কিনা পাকিস্তানের এক ক্রিকেটারের ঘরণী! সত্যিই অবাক হওয়ার কথা। তবে পাকিস্তানের ক্রিকেটারের ওই ঘরণী বিরাট কোহলির হয়ে গলা ফাটালেও নিজের স্বামীর দেশেরই জয় চান। সত্যিই আজব ব্যাপার। পাঠকবর্গের খুব জানতে ইচ্ছে করছে কোন ক্রিকেটারের ঘরণী বিরাট কোহলির ভক্ত? তাঁর নামই বা কী। এবার খোলসা করা যাক।পাকিস্তানের জোরে বোলার হাসান আলির স্ত্রী শামিয়া আরজু কোহলির দুর্দান্ত ভক্ত। শামিয়ার কোহলি প্রেমের মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই। কারণ কোহলির আবেগ,আগ্রাসনে মুগ্ধ অগনিত ক্রিকেটপ্রেমী। শুধু ক্রিকেট প্রেমীই বা বলি কি করে। ক্রিকেটের বাইরেও অনেক ভক্ত রয়েছে কোহলির। নিজগুনে মহিলাদের মনেও জায়গা করে নিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক।শামিয়া আরজুর কোহলি প্রীতির মধ্যে রয়েছে অন্যরকম গল্প। আদতে ভারতের মেয়ে শামিয়া আরজু। হরিয়ানার ছান্দেনি গ্রামে বেড়ে ওঠা। ফরিদাবাদের মানব রচনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি টেক পাশ করেন। অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হওয়ার পর জেট এয়ারওয়েজে এয়ার হোস্টেস হিসেবে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে কাজ করার পর এমিরেটস এয়ারলাইনসে ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারের পদে যোগ দেন। দুবাইতে কর্মরত অবস্থাতেই হাসান আলির সঙ্গে পরিচয়। দুবছর ধরে চলে প্রেম পর্ব। তারপর বিয়ে। ২০১৯ সালে দুবাইতেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দুজনে।তিনি যে বিরাট কোহলির ভক্ত ভারতপাকিস্তান ম্যাচের আগে শামিয়া আরজু জানাতে দ্বিধা করেননি। বিরাটের ব্যাটে সাফল্য চাইলেও হাসান আলির স্ত্রী অবশ্য পাকিস্তানের জয় চান। পাকিস্তানের আর এক ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের স্ত্রী সানিয়া মির্জা অবশ্য শামিয়া আরজুর মতো খুল্লামখুল্লা নন। ভারতপাকিস্তান ম্যাচের আগে তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও অনেক দুরে সরে রয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে শামিয়া আরজু তাঁর কোহলি প্রেমের কথা জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
কলকাতা

আলিপুর চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে জখম ব্যক্তি

মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল শুক্রবার কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায়। আচমকাই সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েন এক ব্যক্তি। আর এরপরই সিংহের আঁচড়ে রক্তাক্ত হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে আপাতত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আর এই ঘটনা রীতিমতো উস্কে দিয়েছে সেই শিবার স্মৃতি। যেখানে শিবা নামের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গলায় মালা পরাতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ হারিয়েছিলেন এক যুবক।প্রত্যক্ষদর্শী এবং নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, এদিন আর পাঁচজন সাধারণ দর্শকের মতোই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু কেউ কিছু বোঝার আগেই আচমকা ঢুকে পড়েন সিংহের খাঁচায়। প্রথমে গাছে উঠে সামনের পাঁচিল টপকান। তারপর উঁচু ফেন্সটি টপকে ভিতরে ঢুকে পড়েন। এরপর সামনের ছোট নালা পেরিয়ে সিংহের এনক্লোজারে ঢুকে পড়েন। সেসময় একটি সিংহ ছাড়া ছিল। সেই পশুরাজই ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে। এরপর ছোট আরেকটি ঘরে ওই ব্যক্তিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তাকর্মী এবং সিংহের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিষয়টি নজরে আসে। তাঁরাই ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। দেখা যায়, সিংহের থাবা এবং আঁচড়ে ক্ষতবিক্ষত ওই ব্যক্তির সারা শরীর। এরপরই তাঁকে তড়িঘড়ি এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন তিনি। জানা গিয়েছে, গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন ওই ব্যক্তি। এদিকে, এই ঘটনা আরও একবার আলিপুর চিড়িয়াখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

মার্চ ১৯, ২০২১
কলকাতা

নিয়োগপত্র সত্ত্বেও কাজে যোগ দিতে বাধা, আলিপুর চিড়িয়াখানায় বিক্ষোভ

আলিপুর চিড়িয়াখানার বন সহায়ক পদে কাজে যোগ দেওয়ার নিয়োগপত্র হাতে রয়েছে। কিন্তু তাদের কাজে যোগ দিতে বাধা দেওয়া হয়। এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন চাকরিপ্রার্থীর্। গেটের বাইরে তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে বনসহায়ক পদের নিয়োগপত্র রয়েছে। আজ তাঁদের কাজে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। সেই মতো শুক্রবার সকালে চিড়িয়াখানায় যান চাকরিপ্রার্থীরা। অভিযোগ, সেই সময় তাঁদের অন্যায়ভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে। তারপরেই শুরু হয়ে যায় বিক্ষোভ। আরও পড়ুন ঃ অপমানজনক মন্তব্যের প্রতিবাদ, পরেশ পালকে আইনি নোটিশ শ্রেয়ার পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। অনেক চেষ্টায় তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। তাঁদের সামনেও বিক্ষোভ চলতে থাকে। এদিনের এই ঘটনায় সমস্যায় পড়েছেন চিড়িয়াখানার দর্শনার্থীরা। ভিতরে বহু মানুষ আটকে পড়েন। জানা গিয়েছে, এদিনের ঘটনার জেরে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্মী সংগঠন। জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে বন্ধ থাকবে আলিপুর চিড়িয়াখানা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মধ্যমগ্রামে কল সেন্টারে তল্লাশি, বিপুল সিম-মোবাইল উদ্ধার, গ্রেফতার ২৫

মধ্যমগ্রামের দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় একটি কল সেন্টারে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার হলেন ২৫ জন। ধৃতদের মধ্যে ৭ জন যুবক এবং ১৮ জন যুবতী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোমবার দুপুরে মধ্যমগ্রাম থানা ও সাইবার থানার যৌথ বাহিনী ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে ওই কল সেন্টার সম্পর্কে কিছু তথ্য পাওয়ার পরই অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইমতো সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় অ্যাসিওর মোটিভেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানে হানা দেন পুলিশকর্মীরা। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালানো হয়।অভিযানের সময় অফিস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৯টি মোবাইল ফোন। পাশাপাশি পাওয়া গিয়েছে শতাধিক সিম কার্ড, একাধিক নথি এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলি ঘিরে পুলিশের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপরই ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ২৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ৭ জন যুবক ও ১৮ জন যুবতী রয়েছেন। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারাসাত থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।তবে এই কল সেন্টারে ঠিক কী ধরনের কাজ চলত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক সিম কার্ড এবং মোবাইল ফোন কী কাজে ব্যবহার করা হতো, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কোনও সাইবার অপরাধের যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কল সেন্টারের কাজকর্ম এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ব্যবহার সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
দেশ

সাঁঝ আকাশে একফালি চাঁদের গায়ে উজ্জ্বল আলোক বিন্দু! সন্ধ্যার আকাশে এ কী রহস্য!

অমাবস্যার তিন দিনের মাথায় একফালি চাঁদ। তার পাশেই উজ্জ্বল আলোকবিন্দু। সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতা থেকে কোচবিহারআকাশ পরিষ্কার থাকলে উত্তর গোলার্ধের বহু জায়গা থেকেই দেখা গেল মনোরম এই মহাজাগতিক দৃশ্য। চাঁদের পাশে জ্বলজ্বল করা সেই আলোর বিন্দু আসলে শুক্র গ্রহ।সোমবার সন্ধ্যার আকাশে নজর কেড়েছে একফালি বাঁকা চাঁদ। তার ঠিক পাশে উজ্জ্বল আলোর বিন্দু। প্রথম দেখায় অনেকেরই মনে হয়েছে, চাঁদের গায়ে যেন কোনও তারা জ্বলছে। সমাজমাধ্যমেও সেই দৃশ্যের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ওই আলোকবিন্দু কোনও তারা নয়, শুক্র গ্রহ।অমাবস্যার পর সোমবার চাঁদের বয়স ছিল মাত্র তিন দিন। চাঁদের মাত্র প্রায় ১৪ শতাংশ অংশ আলোকিত ছিল। সেই সরু চাঁদের কাছেই দেখা যায় শুক্রকে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকলে এই দৃশ্য নজরে এসেছে।শুধু বাংলায় নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই সোমবার সূর্যাস্তের পর চাঁদ ও শুক্রের এই কাছাকাছি অবস্থান দেখা যাওয়ার কথা ছিল। উত্তর গোলার্ধে সূর্য ডোবার পর দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশে এই দৃশ্য সবচেয়ে সহজে নজরে পড়ে। দক্ষিণ গোলার্ধ থেকেও চাঁদের পাশে শুক্রকে দেখা যায়।কেন চাঁদের এত কাছে শুক্র?ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজ়িক্সের অধিকর্তা অধ্যাপক সন্দীপ চক্রবর্তীর ব্যাখ্যা, এটি কোনও বিরল মহাজাগতিক ঘটনা নয়। পৃথিবী, সূর্য এবং অধিকাংশ গ্রহ কার্যত একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে। কিন্তু চাঁদের কক্ষপথ সেই সমতলের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার সময় চাঁদ সাধারণত ওই সমতলের প্রায় ৫ ডিগ্রি উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থান করে।কখনও কখনও চাঁদ সেই সমতলের কাছাকাছি চলে আসে। তখন পৃথিবী থেকে দেখলে অন্য কোনও গ্রহের কাছাকাছি তাকে দেখা যেতে পারে। সোমবার এমনই এক অবস্থানে ছিল চাঁদ ও শুক্র।চাঁদের কক্ষপথ এবং পৃথিবীর কক্ষপথ একই সমতলে হলে অবশ্য এমন দৃশ্য আরও ঘন ঘন দেখা যেত। আবার চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে, তখনই তৈরি হয় সূর্যগ্রহণের পরিস্থিতি।তাই সোমবারের আকাশের এই দৃশ্য বিরল না হলেও, একফালি চাঁদের পাশে উজ্জ্বল শুক্রের অবস্থান যে দৃষ্টিনন্দন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ফের পুলিশ হেফাজতে বন্দির রহস্যমৃত্যুর অভিযোগ, চূড়ান্ত চাঞ্চল্যে হুলস্থূল কান্ড

ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরে। চন্দ্রকোনা থানায় চুরির মামলায় গ্রেফতার হওয়া ২০ বছরের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের দাবি, থানার শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন ওই যুবক। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও মৃতের পরিবারের অভিযোগ, থানার ভিতরেই তাঁকে খুন করা হয়েছে।মৃত যুবকের নাম রাহুল রুইদাস। তিনি চন্দ্রকোনা থানার অন্তর্গত বগেশ্বরপুরের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চার দিন আগে চুরির অভিযোগে রাহুলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ঘাটাল মহকুমা আদালত তাঁকে চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।পুলিশের দাবি, রবিবার থানার শৌচাগার থেকে কিছু শব্দ শুনতে পান কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। সেখানে গিয়ে রাহুলকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল মাদকাসক্ত ছিলেন। পরিবারের সদস্যরাও তাঁর মাদকাসক্তির কথা স্বীকার করেছেন। তবে একইসঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, থানার ভিতরেই রাহুলকে খুন করা হয়েছে। যদিও পরিবারের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।এক মাসের ব্যবধানে ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগচন্দ্রকোনার এই ঘটনার আগে গত মাসে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর থানাতেও পুলিশ হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মৃত ব্যক্তি ছিলেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওটের স্বামী বিরজু কেওট।তোলাবাজি-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বিরজুকে গ্রেফতার করেছিল হালিশহর থানার পুলিশ। পরে আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। মৃতের স্ত্রী জেনি শর্মার অভিযোগ ছিল, তিনি থানার বাইরে চলে যাওয়ার পর লকআপের ভিতরে তাঁর স্বামীকে পুলিশকর্মীরা বেধড়ক মারধর করেন।যদিও পুলিশের দাবি, লকআপের ভিতরে বিরজুকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে কল্যাণীর একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।এই ঘটনার পর পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ১০ আগস্ট মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের ঘোষণা করেন। পাশাপাশি মৃতের স্ত্রীকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য এবং সরকারি চাকরি দেওয়ার কথাও জানান।এর এক দিন আগে, ৯ আগস্ট, মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কাঁচরাপাড়ায় গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দোলা সেন। অভিযোগ, বিজপুর রোডের কাছে মমতার কনভয়কে লক্ষ্য করে স্থানীয়দের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। তাঁর গাড়িতে কাদা ও চটি ছোড়ার পাশাপাশি চোর, চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ায়।চন্দ্রকোনার সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে ফের পুলিশ হেফাজতে নিরাপত্তা, বন্দিদের সুরক্ষা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার একাধিক জনপ্রিয় রাস্তার নাম বদল? কেন তড়িঘড়ি বড় সিদ্ধান্তের পথে বিজেপি সরকার?

কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে বঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি। রাস্তা, সেতু এবং বিভিন্ন জনপ্রিয় পাবলিক প্লেসের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে এই কমিটি সুপারিশ করবে। ভারত সেবাশ্রম সংঘের স্বামী প্রদীপ্তানন্দ, যিনি কার্তিক মহারাজ নামে পরিচিত, এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন। দুর্গাপুজোর পর কমিটির প্রথম বৈঠক হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবগুলি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণি নাম পরিবর্তনের তালিকায় রয়েছে। তবে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে।কার্তিক মহারাজ জানিয়েছেন, যে ব্যক্তিদের নামে কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে, তাঁদের ভারতীয় ও বাঙালি ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর বক্তব্য, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব কমিটির কাছে জমা পড়েছে। কমিটির সুপারিশ রাজ্য বিধানসভায় পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।তথাগত রায়ের পক্ষ থেকেও একাধিক নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, লেনিন সরণির নাম করা হতে পারে প্রাক্তন ভারতীয় জনসঙ্ঘ সভাপতি দেবপ্রসাদ ঘোষের নামে। কার্ল মার্কস সরণির নাম বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অথবা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকার সঙ্গে দুই কবিরই যোগসূত্রের কথা উল্লেখ করেছেন তথাগত রায়। অন্যদিকে, হো চি মিন সরণির নাম বদলেরও প্রস্তাব রয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতার কোনও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের নামে করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, লেনিন সরণি একসময় ধর্মতলা স্ট্রিট নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭০ সালে লেনিনের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাস্তার নাম পরিবর্তন করে লেনিন সরণি করা হয়। এর পরের বছর সার্কুলার গার্ডেনরিচ রোডের নাম বদলে করা হয় কার্ল মার্কস সরণি। শুধু বামপন্থী নেতাদের নাম নয়, মুসলিম ব্যক্তিত্বদের নামে থাকা কিছু জায়গার নাম পরিবর্তনেরও প্রস্তাব এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে বারাসতের কাছে তিতুমিরের নামে থাকা বাসস্ট্যান্ডের নামও বদল করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তবে দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রাস্তার নাম বদলের উদ্যোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সমালোচকদের একাংশের আশঙ্কা, ঐতিহাসিক নাম পরিবর্তনের ফলে শহরের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলি মুছে যেতে বা তার চরিত্র বদলে যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্টে ৯২ হাজার! টেলর-এডকে টপকে বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাস ভারতীয় তারকার

পাঞ্জাবি গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় নজির গড়েছেন। লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে তাঁর একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। একদিনের একক কনসার্টে এত বড় দর্শকসমাগমের নজির ভারতীয় শিল্পীর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।গত ১২ সেপ্টেম্বর ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে মঞ্চে ওঠেন দিলজিৎ। তাঁর গান শুনতে সেখানে ভিড় করেন প্রায় ৯২ হাজার মানুষ। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এই কনসার্টের পর আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে দিলজিতের তুলনা শুরু হয়েছে। টেলর সুইফ্ট, এড শিরানের মতো তারকারাও ওয়েম্বলিতে বিপুল দর্শক টেনেছেন। তবে একদিনের একক কনসার্টে দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজার দর্শকের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।দিলজিৎ দোসাঞ্ঝই প্রথম ভারতীয় শিল্পী, যিনি ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টানার নজির গড়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে অ্যাডেলের দর্শকসংখ্যার রেকর্ড তিনি ছাপিয়ে যেতে পারেননি।২০২৪ সালে ওয়েম্বলিতে টেলর সুইফ্টের দ্য এরাস ট্যুর-এর প্রতিটি অনুষ্ঠানে প্রায় ৮৯ হাজার করে দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ফলে একদিনের কনসার্টের দর্শকসংখ্যার তুলনায় দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজারের উপস্থিতি টেলরের সেই সংখ্যার থেকেও বেশি।এড শিরানও ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একাধিকবার অনুষ্ঠান করেছেন। ২০১৮ সালের ডিভাইড ট্যুর এবং ২০২২ সালের ম্যাথমেটিক্স ট্যুর-সহ তাঁর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা প্রায় ৮০ থেকে ৮৪ হাজারের মধ্যে ছিল বলে জানা যায়। সেই তুলনায় দিলজিতের কনসার্টে দর্শকসংখ্যা আরও বেশি।মাইকেল জ্যাকসনের ওয়েম্বলি রেকর্ডের সঙ্গেও দিলজিতের কনসার্টের তুলনা শুরু হয়েছে। অতীতের হিসাব অনুযায়ী, ওয়েম্বলিতে সাতটি অনুষ্ঠানে মোট প্রায় ৫ লক্ষ ৪ হাজার মানুষ মাইকেল জ্যাকসনের অনুষ্ঠান দেখেছিলেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা ছিল ৭০ হাজারের বেশি। সেই পরিসংখ্যানের মধ্যেও একদিনের অনুষ্ঠানে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ যে বড় নজির তৈরি করেছেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।শুধু দর্শকসংখ্যাই নয়, লন্ডনের কনসার্টে ভক্তদের জন্য বিশেষ আয়োজনও করেছিলেন দিলজিৎ। বিনামূল্যে পাগড়ি বাঁধার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফলে অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হয়েছিল আলাদা আবহ।এর আগে ২০২৪ সালে দেশজুড়ে দিল-লুমানাটি সফরেও বড় ব্যবসা করেছিলেন দিলজিৎ। সেই সফর থেকে প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। এর ফলে একদিকে যেমন বহু মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছিল, তেমনই ভারতের সঙ্গীতশিল্পের অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছিল বলে আলোচনা হয়েছিল।এ বার লন্ডনের ওয়েম্বলিতে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন, ভারতীয় শিল্পীদের জনপ্রিয়তা এখন শুধু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও তাঁর গানের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় ছুটি কোনদিন? ১৭ না ১৮ সেপ্টেম্বর, ধন্দে সরকারি কর্মীরা

বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। আর সেই বিজ্ঞপ্তি ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। আগে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে ১৪ সেপ্টেম্বরের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বছর বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে ছুটি থাকবে ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। কিন্তু আগের ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিল করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। ফলে দুদিনই ছুটি থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে।রাজ্যের অর্থ দফতরের অডিট ব্রাঞ্চের ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে রাজ্য সরকারি ছুটি থাকবে। ওই দিন রাজ্য সরকারের সমস্ত দফতর, স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থা, স্ট্যাটুটরি বডি, বোর্ড, কর্পোরেশন এবং রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন বা মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।শুধু সরকারি দফতরই নয়, বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য অফিস ও প্রতিষ্ঠানও ওই দিন বন্ধ থাকবে।কিন্তু গোল বেঁধেছে ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি নিয়ে। ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর জারি করা বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চলতি বছরে বিশ্বকর্মা পুজো ১৮ সেপ্টেম্বর পালিত হবে বলে জানিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।এই নতুন বিজ্ঞপ্তিতে ১৮ সেপ্টেম্বরের ছুটির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও, ১৭ সেপ্টেম্বরের পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল করা হয়েছেএমন কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি কর্মীদের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে কি ১৭ এবং ১৮ সেপ্টেম্বরটানা দুদিনই সরকারি ছুটি থাকছে?অর্থ দফতরের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই এই প্রশ্ন ঘুরছে সরকারি কর্মী মহলে। কেউ মনে করছেন, নতুন বিজ্ঞপ্তির অর্থ হল ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি সরিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। আবার অন্য অংশের বক্তব্য, যেহেতু ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিলের কথা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি, তাই আগের ছুটিও বহাল রয়েছে।ফলে বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে আপাতত ১৭ না ১৮এই প্রশ্নের সঙ্গে জুড়েছে আরও একটি প্রশ্ন, দুদিনই কি ছুটি? সরকারি কর্মীদের মধ্যে সেই ধোঁয়াশাই এখন সবচেয়ে বেশি।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

২ কোটির ছবি ২৫০ কোটির ব্যবসা! ‘হনুমান অংশ’-এর পর এবার তুলসীদাসকে নিয়ে বড় চমক

মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি হনুমান অংশ বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা করে আলোড়ন ফেলেছে বলে দাবি নির্মাতাদের। মারকাটারি অ্যাকশন, রোম্যান্স কিংবা আলফা মেল ধরনের ছবির ভিড়ে আধ্যাত্মিক ছবির এমন সাফল্য নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে সিনেদুনিয়ায়। আর সেই সাফল্যের পরেই নতুন আধ্যাত্মিক ছবির ঘোষণা করলেন পরিচালক বিশাল চতুর্বেদী।এ বার তাঁর ছবির বিষয় মহাকবি গোস্বামী তুলসীদাসের জীবন। ছবির নাম রামবোলা। গণেশ চতুর্থীর শুভ দিনে ছবিটির ঘোষণা করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, মহাকবি তুলসীদাস কী ভাবে ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন, সেই কাহিনিই তুলে ধরা হবে এই ছবিতে।হনুমান অংশ-এর সাফল্যই যে নতুন ছবির ঘোষণায় বড় অনুপ্রেরণা, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নিম করোলি বাবার জীবনদর্শনকে কেন্দ্র করে তৈরি হনুমান অংশ কম বাজেটে বড় ব্যবসা করেছে বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে। সেই ছবির সাফল্যের পরেই তুলসীদাসের জীবন নিয়ে ছবি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশাল।ছবির ঘোষণা করে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে, গণেশ চতুর্থীর শুভক্ষণে বিনম্রতা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে দর্শকদের সামনে আনা হচ্ছে রামবোলা। গোস্বামী তুলসীদাসের অমর কাহিনিই এই ছবির মূল বিষয়। ছবিটি প্রযোজনা করছেন মহাবীর জৈন, বিশাল চতুর্বেদী, অমিত উপাধ্যায় এবং রঘুবেন্দ্র সিংহ। ছবিটি উপস্থাপনা করবে মহাবীর জৈন ফিল্মস।এর আগে থেকেই রণবীর কপূরের রামায়ণ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। ছবির নানা প্রচারঝলক ঘিরেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। তার মধ্যেই মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটের হনুমান অংশ-এর প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসার দাবি আধ্যাত্মিক ছবিকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।এ বার সেই তালিকায় যোগ হতে চলেছে রামবোলা। তুলসীদাসের জীবন, তাঁর আধ্যাত্মিক ভাবনা এবং তাঁর অমর সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই এই ছবির অন্যতম উদ্দেশ্য বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে।ভারতীয় সিনেমায় পুরাণ, ধর্মীয় কাহিনি এবং আধ্যাত্মিক বিষয় নিয়ে ছবি নতুন নয়। তবে এই ধরনের ছবি তৈরি করতে গিয়ে নানা ধরনের বিতর্কের আশঙ্কাও থাকে। ফলে অনেক পরিচালক এমন বিষয় থেকে দূরে থাকেন। কিন্তু হনুমান অংশ-এর সাফল্যের পর সেই পরিস্থিতিতে বদলের ইঙ্গিত দেখছেন অনেকে। আর সেই আবহেই তুলসীদাসের জীবনকে কেন্দ্র করে রামবোলার ঘোষণা নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।এখন প্রশ্ন একটাইহনুমান অংশ-এর মতোই কি দর্শকের মনে জায়গা করে নিতে পারবে রামবোলা? তুলসীদাসের জীবন ও তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রা বড় পর্দায় কী ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সিনেপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিদেশ

জঙ্গিকে ধরতে পুরস্কার বাড়ল, তবু কি ‘চোখে ধুলো’ পাকিস্তানের? মাসুদ আজহারকে ঘিরে রহস্য

ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে ঘিরে পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা মাসুদকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ঘোষিত পুরস্কারের পরিমাণ ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ লক্ষ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরেই প্রশ্ন উঠছে, আন্তর্জাতিক চাপ সামলাতেই কি এমন পদক্ষেপ করল ইসলামাবাদ?মাসুদ আজহার ভারতের একাধিক জঙ্গি হামলার ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়িয়েছে। ওই আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল। ভারতের তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, জইশ-ই-মহম্মদের নেপথ্যে থাকা মাসুদ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গিদের তালিকায় রয়েছে।২০২১ সালে পাকিস্তানের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা মাসুদ আজহারকে গ্রেফতারির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিলে ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। একই সঙ্গে ইসলামাবাদের দাবি ছিল, জইশ প্রধান পাকিস্তানে নেই, আফগানিস্তানে আত্মগোপন করে রয়েছে। তবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি দীর্ঘদিন ধরেই সেই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ভারতের গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, মাসুদ বর্তমানে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের নবাবশাহ এলাকায় রয়েছে। যদিও এই দাবির স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার তথ্য সামনে আসেনি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নতুন রেড বুকে মাসুদের নাম রাখা এবং পুরস্কারের অর্থ বাড়ানো পাকিস্তানের কৌশলগত পদক্ষেপ হতে পারে। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পাকিস্তান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিতে চাইছে কি না, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন।এর মধ্যেই পাকিস্তানের প্রকাশিত নতুন রেড বুক ঘিরেও চর্চা শুরু হয়েছে। ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার ঘটনায় অর্থ জোগান, হামলাকারীদের নৌকা ও রসদ সরবরাহের অভিযোগে ১৯ জনের নাম সেখানে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তালিকায় থাকা ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জনের ছবি এবং তাঁদের কার্যকলাপের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও বাকি দুজনের ক্ষেত্রে শুধু নাম রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ।২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। ওই হামলার নেপথ্যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে ভারত দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সরব।ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্র এবং কূটনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপকে শুধু জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বাস্তব ব্যবস্থা হিসেবে দেখার আগে তার কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে মাসুদ আজহারের অবস্থান নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের দাবির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিস্তর ফারাক রয়েছে।এখন প্রশ্ন, এফএটিএফের বৈঠকের আগে মাসুদ আজহারের মাথার দাম ২০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মহলে কতটা বিশ্বাসযোগ্যতা পায়। পাকিস্তান সত্যিই মাসুদের বিরুদ্ধে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করে কি না, নাকি এটি কেবল আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর কৌশল, তা নিয়েই নজর থাকবে কূটনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal