• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Zoo

কলকাতা

নতুন বছরে শীতের আমেজে ভিড়ে ঠাসা ইকোপার্ক থেকে চিড়িয়াখানা, কাশীপুর উদ্যানবাটী..কোথায় কত দর্শনার্থী?

ফি বছর বছরের শেষ সপ্তাহ থেকে নয়া বছর শুরুর সপ্তাহ পর্যন্ত কলকাতার রাস্তা-ঘাট, মেট্রোতে ভিড় লেগেই থাকে। এবারও তার ব্য়তিক্রম হয়নি। ২৫ ডিসেম্বর বড় দিনে ভিড়ের সূত্রপাত হয়। তারপর বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর, আর তার পরের দিন ১ জানুয়ারি নতুন বছরের শুরুর দিন। কলকাতার দর্শনীয় স্থানে পর্যটকেরা ভিড় করে থাকে। তবে ইকো পার্ক ও চিড়িয়াখানা সবাইকে এবার ভিড়ে টক্কর দিয়েছে। এবার অবশ্য কাশীপুর উদ্যানবাটি কিছুটা জায়গা করে নিয়েছে। প্রতিবছরই এই দিনগুলিতে আলিপুর চিড়িয়াখানায় ব্যাপক ভিড় হয়। হাটাচলাই সেখানে দায় হয়ে পড়ে। মানুষের তুলনায় যেন জায়গা কম পড়ে যায়। এবার নতুন বছরে খোলামেলা জায়গাকেই বেছে নিল আমজনতার বেশিরভাগ অংশ। মানুষ ভিড় জমাল ইকো পার্কে। পরিবার, বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে নতুন বছরে কলকাতার রাস্তায় বেরিয়ে পড়াই দস্তুর। এদিন ঠান্ডার আমেজই ছিল যথেষ্ট।ভিড়ের হিসেবে সকলকে টেক্কা দিয়েছে নিউ টাউনের ইকো-ট্যুরিজ়ম পার্ক। এই পার্কে ভিড় করেছেন ৯১ হাজার ৬৮৩ জন। অবশ্য তারপরেই আছে আলিপুর চিড়িয়াখানা। তবে বরাবর প্রথম স্থানে থাকে এই চিড়িয়াখানা। এবার সেখানে ভিড় জমিয়েছে ৮৫ হাজারের বেশি। দর্শনার্থীদের সংখ্যায় উত্তর কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটীও ইংরেজি নববর্ষে অন্য অনেক জায়গার থেকে এগিয়ে থেকেছে। কারণ কল্পতরু উৎসবকে কেন্দ্র করে এখানে মানুষ ভিড় করে থাকে। এবারও সেই আকর্ষণে ভিড় করেছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা। ভিক্টোরিয়ায় বছরের প্রথম দিনে ৩৮ হাজারের বেশি পর্যটক হাজির হয়েছিলেন। সায়েন্সসিটিতে ছিলেন ৩০হাজারের কিছু বেশি দর্শনার্থী। কলকাতা জাদুঘরেও কয়েক হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। তবে তা ১০হাজার অতিক্রম করতে পারেনি।

জানুয়ারি ০২, ২০২৫
বিবিধ

দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় নয়া অতিথি, জন্ম দুটি তুষার চিতা, চারটে রেড পান্ডার

ক্যাপটিভ ব্রিডিংয়ে এশিয়ায় যে সেরা তা ফের একবার প্রমান করল দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু চিড়িয়াখানা। এই চিড়িয়াখানার অধীনে তোপকেদ্বারা ব্রিডিং সেন্টারে চারটি রেড পান্ডা এবং দুটি তুষার চিতা শাবকের জন্ম হয়েছে। মাস খানেক আগে জন্ম হলেও ছয়টি শাবকই সুস্থ সবল রয়েছে বলে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষের দিকে রেডপান্ডা নিক্কি এবং প্রন্নের চার শাবকের জন্ম হয়েছে।অন্যদিকে, প্রায় একই সময়ে তুষার চিতা রাহানার দুই শাবকের জন্ম হয়েছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গিয়েছে। আপাতত মায়েদের সঙ্গেই রাখা হয়েছে ওই শাবকদের। ২৪ ঘণ্টাই খুদে অতিথিদের নজরদারি চালাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। নতুন চারটি শাবকের জন্মের পর বর্তমানে চিড়িয়াখানায় রেড পান্ডার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯। অন্যদিকে, তুষার চিতার সংখ্যা বেড়ে ১১ হল। আগে ৯টি তুষার চিতা ছিল দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিকাল পার্কে। দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর বাসবরাজ হোলেইচির বক্তব্য,ক্যাপটিভ ব্রিডিংয়ে সফল ভাবে আরও চারটি রেড পান্ডা এবং দুটি তুষার চিতা শাবক জন্ম নিয়েছে এবং প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছে।গোটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দার্জিলিং চিড়িয়াখানাতেই একমাত্র গত ৩০ বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে রেড পান্ডা এবং তুষার চিতার ক্যাপটিভ ব্রিডিং প্রক্রিয়া চলছে। এর বাইরে আরও আটটি বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী রয়েছে, যেগুলি আইউসিএন-এর লাল তালিকভুক্ত রয়েছে। সেই প্রানীগুলিরও ক্যাপটিভ ব্রিডিং হচ্ছে। ওই তালিকায় রয়েছে হিমালয়ান থার, ব্লু শিপ, হিমালয়ান উলফের মতো প্রাণী। তোপকেদ্বারা ব্রিডিং সেন্টারে চলছে এই প্রজনন প্রকল্প। প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত এই ব্রিডিং সেন্টারে ৭৯টি রেডপান্ডার জন্ম হয়েছে। তার মধ্যে ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ৬টি রেড পান্ডার একসঙ্গে জন্ম হয়েছিল। ওই সময়ের সবগুলিই শাবকই সুস্থ রয়েছে। যা এই ব্রিডিং প্রক্রিয়ার ইতিহাসে প্রথম বলেই পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে। নতুন চারটি রেড পান্ডা শাবকের জন্ম হওয়ায় আরও কয়েকটি রেড পান্ডাকে সিঙ্গালিলার জঙ্গলে ছাড়া হতে পারে বলে পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে।দার্জিলিং চিড়িয়াখানার এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যেই ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রেড পান্ডার সংখ্যা বাড়ানো। সেইমতো প্রতিবছরই নিয়ম করে দুটি থেকে তিনটি রেড পান্ডাকে কলার পরিয়ে সিঙ্গালিলা ন্যাশনাল পার্কের জঙ্গলে ছাড়া হয়। এরপর সেগুলির গতিবিধির ওপর বিশেষ নজর রাখা হয়। কোথায় যাচ্ছে, কতটা যাচ্ছে সেইসমস্ত বিষয় ট্র্যাক করা হয়। পাশাপাশি নতুন করে জঙ্গলে রেড পান্ডার জন্ম হচ্ছে কিনা সেই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।

আগস্ট ৩১, ২০২৪
দেশ

জুলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার ১০৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী

কেন্দ্রীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব জুলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার ১০৮ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনের সূচনা করবেন ১লা জুলাই, সল্টলেকের নিক্কো পার্ক সংলগ্ন ইস্ট প্যাভিলিয়নে। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে তিনি অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনোমি সামিট ২০২৩- শীর্ষক এক সম্মেলনেরও সূচনাও করবেন। এই অনুষ্ঠানে কেন্দ্র সরকারের মিশন লাইফ ভাবনাকে নিয়ে জেডএসআইয়ের কর্মকান্ডকে উপস্থাপন করা হবে। পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিতে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করার পরিকল্পনাও গৃহীত হয়েছে।এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী অ্যানিম্যাল ডিসকভারিজ ২০২২ শীর্ষক একটি পুস্তক প্রকাশ করবেন, যেখানে দেশ জুড়ে আবিষ্কৃত ৬০০ নতুন প্রজাতির সন্ধান থাকবে এই বইয়ে। তাছাড়া স্বাধীনতার ৭৫ বছরকে স্মরণ করতে ও আজাদি কি অমৃত মহোৎসবের অঙ্গ হিসেবে ৭৫ ওয়েটল্যান্ড ফনা অফ ইন্ডিয়া এবং ৭৫ এন্ডেমিক বার্ডস অফ ইন্ডিয়া শীর্ষক দুটি প্রামান্য বই প্রকাশিত হবে। অনুষ্ঠানে দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী অশ্বিণী কুমার চৌবে এবং বন দপ্তরের ডিরেক্টর জেনারেল তথা দপ্তরের বিশেষ সচিব চন্দ্র প্রকাশ গোয়েল উপস্থিত থাকবেন। ১০৮ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনমি সামিট ২০২৩-এ দেশ বিদেশের চার শতাধিক প্রাণীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ যোগদান করবেন। লন্ডনের ন্যাচারেল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। এই সম্মেলনে ১২ জন খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ পশু শ্রেণীকরণ, বায়োজিওগ্রাফি সহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখবেন। এই সম্মেলনে উপস্থাপিত গবেষণাপত্র সমূহ শতাব্দী প্রাচীন ইন্ডিয়ান জুলজি পত্রিকাতেও পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে। জেডএসআই-এর প্রথম মহিলা নির্দেশক ধৃতী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সংস্থা ভুটান সরকারের সঙ্গে কয়েকটি মৌ চুক্তিও স্বাক্ষর করবে। ভবিষ্যত গবেষণার আদান-প্রদানের লক্ষ্যেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনোমি সামিট চলবে ৩রা জুলাই পর্যন্ত। এই উপলক্ষে কলকাতা প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জুলাই ০৭, ২০২৩
কলকাতা

কলকাতার পাশেই এবার দ্বিতীয় চিড়িয়াখানা, দেখা মিলবে জিরাফ, জেব্রার সঙ্গে

আলিপুর চিড়িয়াখানা দেখার আক্ষেপ ভুলিয়ে দেবে নিউটাউনের চিড়িয়াখানা। নতুন চিড়িয়াখানায় নতুন জীবজন্তু দেখার সুযোগ নিউটাউনে। এই চিড়িয়াখানার সূত্রপাত হয়েছিল ২০১৬- তে। তখন সেটা ছিল ডিয়ার পার্ক। এখন আস্ত চিড়িয়াখানা।২০১৬-তে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিউটাউনে উদ্বোধন করেছিলেন হরিণালয়ের। যেখানে এতদিন শুধু দেখা মিলত হরিণের দলের। এবার হরিণালয় বদলে গেল চিড়িয়াখানায়। এখন হরিণের সঙ্গে জিরাফ, জেব্রা, ম্যাকাও, কালো রাজহাঁস, নানান রঙিন পাখি, সবই দেখা যাবে সেখানে। খুব শীঘ্রই নিয়ে আসা হবে বাঘও।বৃহস্পতিবার দুপুরে এই চিড়িয়াখানার ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নয়া চিড়িয়াখানার উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ বন দপ্তরের আধিকারিকরা। দ্বিতীয় এই চিড়িয়াখানাটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ১৯ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। এদিন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, এই চিড়িয়াখানার আকর্ষণ বাড়াতে বাঘ , সিংহ, শিম্পাঞ্জি সহ বিভিন্ন প্রজাতির বানর আনা হবে। আপাতত ঠিক হয়েছে আলিপুর চিড়িয়াখানার প্রবেশ মূল্যর সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এখানে প্রবেশ টিকিটের মূল্য ধার্য করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৩
কলকাতা

এবার জেব্রার দেখা মিলবে নিউটাউনে, নতুন বছরে আসছে আরও অতিথি

নিউটাউনের একের পর এক চিত্তাকর্ষক আয়োজন করছে এনকেডিএ। এবার জেব্রা দর্শন করতে পারবেন নিউ টাউন বাসী। এতদিন হরিণ, কুমির, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখার সুযোগ ছিল নিউটাউনে।সেগুলির পাশাপাশি সাদা কালো জেব্রা দর্শন করতে পারবেন নিউ টাউন বাসী। আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে একটি জেব্রা আনা হয়েছে নিউ টাউনের হরিণালয়ে। আপাতত লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছে জেব্রাটি। এখনই সাধারণ মানুষের দর্শন করার সুযোগ থাকছে না। তবে এক সপ্তাহ পরে জেব্রাটিকে দেখতে পাবেন হরিনালয় মিনি চিড়িয়াখানার সব দর্শকরা। এরপর আরও সুখবর আসছে। নতুন বছরের শুরুতে জিরাপ ও হিপোপটেমাস দেখার সুযোগ থাকছে নিউটাউনে। আসতে পারে বাঘ-সিংহ, চিতাও। সেজন্য দ্রুততার সঙ্গে এনক্লোজার তৈরির কাজে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মিনি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।২০১৬ সালে নিউ টাউনের ইকোপার্ক লাগোয়া ৬ নম্বর গেটের পাশে একটি হরিণালয় তৈরি করে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এজন্য প্রায় ১৩ একরের বেশি জমি দান করে হিডকো। প্রথমদিকে এটি হরিণালয় করার চিন্তাভাবনা থাকলেও পরে দর্শকদের চাহিদা ভেবে আরও কিছু পশু পাখি আনার চিন্তা ভাবনা করে কর্তৃপক্ষ। সেই মতো একে একে বিভিন্ন ধরনের পাখি কুমির এবং একাধিক প্রজাতির হরিণ রাখা হয়েছে পার্কে।আগামী দিনে এখানে বেঙ্গল টাইগার, লেপার্ড, সিংহ, জিরাফ, রেড ক্যাঙ্গারু, হিপোপটেমাস প্রভৃতি রাখার পরিকল্পনা করেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এই মিনি চিড়িয়াখানার প্রবেশ মূল্য মাত্র ৩০ টাকা। সোমবার ছাড়া সপ্তাহে বাকি ৬ দিন খোলা থাকে পার্ক। ইতিমধ্যেই সপ্তাহান্তে বহু দর্শক ভিড় জমাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

ডিসেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

দেশের সেরা চিড়িয়াখানার শিরোপা পেল পশ্চিমবঙ্গের চিড়িয়াখানা

দেশের মধ্যে সেরা চিড়িয়াখানার শিরোপা পেল দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিকাল পার্ক। দেশের প্রায় দেড়শোটা অন্যতম চিড়িয়াখানার মধ্যে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছে দার্জিলিংয়ের চিড়িয়াখানা। আর সেরার শিরোপা পেতেই উচ্ছ্বসিত পার্কের আধিকারিকদের থেকে কর্মীরা। পাশাপাশি কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানা চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে। সম্প্রতি ১০ সেপ্টেম্বর ওড়িশার ভুবনেশ্বরে দেশের সমস্ত চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কের ডিরেক্টরদের কনফারেন্সের আয়োজন হয়েছিল। সেই কনফারেন্সেই সেন্ট্রাল জু অথরিটি ওই তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকাতেই দার্জিলিং চিড়িয়াখানা প্রথম স্থান অধিকার করেছে বলে জানা যায়। পাশাপাশি চেন্মাইয়ের চিড়িয়াখানা দ্বিতীয় ও মাইশোরের চিড়িয়াখানা তৃতীয় স্থান অধিকার করে।মূলত পদ্মজা নাইডু চিড়িয়াখানার অন্যতম আকর্ষণ রেড পান্ডা, হিমালয়ান ব্ল্যাক বিয়ার, স্নো লেপার্ড, গোরাল, হিমালয়ার টার, নীল হরিণের মতো প্রানী। পাশাপাশি তোপকেদাড়া প্রজনন কেন্দ্র, রেড পান্ডা অগমেনটেশন প্রোগ্রামের মতো প্রক্রিয়ায় অন্যতম জায়গা করে নিয়েছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানা। যেকারণে ওই চিড়িয়াখানা দেশের বড় বড় চিড়িয়াখানাকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। শুধু স্থানীয় দর্শক নয়। দার্জিলিং চিড়িয়াখানা দেখতে দেশের বিভিন্ন রাজ্য ও বিদেশি পর্যটকদের ব্যাপক ঢল নামে।দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর বাসবরাজ হোলিইয়াচি বলেন, আমরা খুব আনন্দিত এই ফলে। এই কৃতিত্ব চিড়িয়াখানার সমস্ত কর্মীদের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

আলিপুর জু-এর মতো দত্তক শুরু বর্ধমানের রমনাবাগানে, শিশু হলেন অভিভাবক

এক শিশু সহ চার পক্ষীপ্রেমি দত্তক নিলেন বর্ধমানের রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে থাকা চারটি পাখির। পাখিগুলির মধ্যে রয়েছে ২ টি ময়ূর, ১টি এমু ও ১টি প্যারাকিট টিয়া। বর্ধমান রমনাবাগান কর্তৃপক্ষ বুধবার-ই প্রথম চার পক্ষীপ্রেমীর হাতে চারটি পাখির দত্তক সংক্রান্ত শংসাপত্র তুলে দিলেন। সাথে সাথে এদিন থেকেই পক্ষী প্রেমীরা চারটি পাখির যাবতীয় দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিন।আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে পশু-পাখি দত্তক দেওয়ার ক্ষেত্রে আলিপুর জু এর পাশাপাশি এবার বর্ধমানের রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কও জায়গা করে নিল। রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্ক কর্তৃপক্ষের কথায় জানা গিয়েছে, যে চারজন এদিন পাখি দত্তক নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে তিনজন বর্ধমানের বাসিন্দা।শুধুমাত্র বাবা মায়ের সাথে আসা শিশুটির বাড়ি কলকাতায়। তাঁরা প্রত্যেকেই বেশ কিছুদিন আগে পাখিগুলির দায়িত্ব অর্থাৎ দত্তক নেওয়ার জন্য বর্ধমান বনদপ্তরে আবেদন করেছিলেন। তাঁদের সেই আবেদনের স্বীকৃতি এদিন বনদপ্তরের পক্ষ থেকে দেওয়া হল। পাখির দত্তক নেওয়া সংক্রান্থ শংসাপত্র এদিন বন আধিকারিক নিশা গোস্বামী চারজনের হাতে তুলে দেন।পাখি দত্তক নেওয়াদের মধ্যে একজন হলেন অর্নব দাস। তিনি বলেন ছোট থেকেই আমি পশু-পাখিদের নিয়ে কাজ করছি।পশু-পাখিদের নিয়ে আমার থাকতে ভালো লাগে। পাখিদের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এক বছরের জন্য একটি ময়ূর আমি দত্তক নিয়েছি ।এক বছরের জন্য ময়ূরটির খাবার, রক্ষনাবেক্ষন সবেরই দায়িত্ব আমি আমার কাঁধে তুলে নিয়েছি। অর্ণব দাস এও বলেন, দেশের জাতীয় পাখির দত্তক নিতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি। অন্যদিকে কলকাতা নিবাসী শিশু সৌর্য দেবের বাবা সর্ণব দেব বলেন,আমি আমার শিশু পুত্রের পছন্দ মত এমু পাখিটি দত্তক নিয়েছি। আর আমার পুত্র সৌর্যের জীববৈচত্র্যের প্রতি ভীষণ আগ্রহ রয়েছে। তাই পুত্রের ইচ্ছানুসারে একটি ময়ূরের দায়িত্বও নিয়েছি। পূর্বে রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে বেড়াত এসেছিলাম।এখানকার পাখিদের দেখে খুব ভালো গেলেছিল। তার পরেই এখানকার পাখি দত্তক নেবাব ব্যাপারে মনস্থির করি ।এদিন সেই কাজ সম্পূর্ণ হল ।পেশায় অধ্যাপিকা সৌর্য্যের মা সঞ্চারীদেবী বলেন,আমাদের বেঁচে থাকতে গেলে চারপাশের প্রাণী জগৎকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। ছোট বয়সেই হয়তো এটা বুঝতে পেরে গিয়ে আমার ছেলের পশু পাখিদের প্রতি একটা ভালোবাসা তৈরি হয়েছে। ছেলে বইয়ের পাতা উলটে পাখির ছবি দেখতেও খুব ভালোবাসে ।ছেলের পাখিদের প্রতি এই ভালোবাসা দেখে আমরা স্বামী স্ত্রী মিলে ছেলেকে রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে নিয়ে এসে পাখি দত্তক নিতে পেরে খবই খুশি হয়েছি।আমাদের সন্তান সৌর্যও বেজায় খুশি হয়েছে ।পশু পাখি প্রেমী সকল মানুষ জন আমাদের মত এইভাবে এগিয়ে আসলে বনের প্রাণীরা বাঁচবে । জীববৈচিত্রও অটুট থাকবে ।পূর্ব বর্ধমান জেলার বন আধিকারিক নিশা গোস্বামী বলেন, বর্ধমানের রমনাবাগান জুয়োলজিক্যাল পার্কে এদিন থেকেই প্রথম পশুপাখি দত্তক দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হল। এদিন চারজন চারটি পাখি দত্তক নিয়েছেন। এনাদের দেখে অন্যদেরও উৎসাহ বাড়বে। প্রত্যাশা রয়েছে পশু পাখি দত্তক নেওয়া জন্য আগামী দিনে আরো অনেকে এগিয়ে আসবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

virat kohli : কোহলির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটারের স্ত্রী?‌ সত্যিই আজব ব্যাপার

টি২০ বিশ্বকাপে ভারতপাকিস্তান লড়াই। আর কোহলির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন কিনা পাকিস্তানের এক ক্রিকেটারের ঘরণী! সত্যিই অবাক হওয়ার কথা। তবে পাকিস্তানের ক্রিকেটারের ওই ঘরণী বিরাট কোহলির হয়ে গলা ফাটালেও নিজের স্বামীর দেশেরই জয় চান। সত্যিই আজব ব্যাপার। পাঠকবর্গের খুব জানতে ইচ্ছে করছে কোন ক্রিকেটারের ঘরণী বিরাট কোহলির ভক্ত? তাঁর নামই বা কী। এবার খোলসা করা যাক।পাকিস্তানের জোরে বোলার হাসান আলির স্ত্রী শামিয়া আরজু কোহলির দুর্দান্ত ভক্ত। শামিয়ার কোহলি প্রেমের মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই। কারণ কোহলির আবেগ,আগ্রাসনে মুগ্ধ অগনিত ক্রিকেটপ্রেমী। শুধু ক্রিকেট প্রেমীই বা বলি কি করে। ক্রিকেটের বাইরেও অনেক ভক্ত রয়েছে কোহলির। নিজগুনে মহিলাদের মনেও জায়গা করে নিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক।শামিয়া আরজুর কোহলি প্রীতির মধ্যে রয়েছে অন্যরকম গল্প। আদতে ভারতের মেয়ে শামিয়া আরজু। হরিয়ানার ছান্দেনি গ্রামে বেড়ে ওঠা। ফরিদাবাদের মানব রচনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি টেক পাশ করেন। অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হওয়ার পর জেট এয়ারওয়েজে এয়ার হোস্টেস হিসেবে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে কাজ করার পর এমিরেটস এয়ারলাইনসে ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারের পদে যোগ দেন। দুবাইতে কর্মরত অবস্থাতেই হাসান আলির সঙ্গে পরিচয়। দুবছর ধরে চলে প্রেম পর্ব। তারপর বিয়ে। ২০১৯ সালে দুবাইতেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দুজনে।তিনি যে বিরাট কোহলির ভক্ত ভারতপাকিস্তান ম্যাচের আগে শামিয়া আরজু জানাতে দ্বিধা করেননি। বিরাটের ব্যাটে সাফল্য চাইলেও হাসান আলির স্ত্রী অবশ্য পাকিস্তানের জয় চান। পাকিস্তানের আর এক ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের স্ত্রী সানিয়া মির্জা অবশ্য শামিয়া আরজুর মতো খুল্লামখুল্লা নন। ভারতপাকিস্তান ম্যাচের আগে তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও অনেক দুরে সরে রয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে শামিয়া আরজু তাঁর কোহলি প্রেমের কথা জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
কলকাতা

আলিপুর চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে জখম ব্যক্তি

মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল শুক্রবার কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায়। আচমকাই সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েন এক ব্যক্তি। আর এরপরই সিংহের আঁচড়ে রক্তাক্ত হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে আপাতত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আর এই ঘটনা রীতিমতো উস্কে দিয়েছে সেই শিবার স্মৃতি। যেখানে শিবা নামের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গলায় মালা পরাতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ হারিয়েছিলেন এক যুবক।প্রত্যক্ষদর্শী এবং নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, এদিন আর পাঁচজন সাধারণ দর্শকের মতোই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু কেউ কিছু বোঝার আগেই আচমকা ঢুকে পড়েন সিংহের খাঁচায়। প্রথমে গাছে উঠে সামনের পাঁচিল টপকান। তারপর উঁচু ফেন্সটি টপকে ভিতরে ঢুকে পড়েন। এরপর সামনের ছোট নালা পেরিয়ে সিংহের এনক্লোজারে ঢুকে পড়েন। সেসময় একটি সিংহ ছাড়া ছিল। সেই পশুরাজই ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে। এরপর ছোট আরেকটি ঘরে ওই ব্যক্তিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তাকর্মী এবং সিংহের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিষয়টি নজরে আসে। তাঁরাই ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। দেখা যায়, সিংহের থাবা এবং আঁচড়ে ক্ষতবিক্ষত ওই ব্যক্তির সারা শরীর। এরপরই তাঁকে তড়িঘড়ি এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন তিনি। জানা গিয়েছে, গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন ওই ব্যক্তি। এদিকে, এই ঘটনা আরও একবার আলিপুর চিড়িয়াখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

মার্চ ১৯, ২০২১
কলকাতা

নিয়োগপত্র সত্ত্বেও কাজে যোগ দিতে বাধা, আলিপুর চিড়িয়াখানায় বিক্ষোভ

আলিপুর চিড়িয়াখানার বন সহায়ক পদে কাজে যোগ দেওয়ার নিয়োগপত্র হাতে রয়েছে। কিন্তু তাদের কাজে যোগ দিতে বাধা দেওয়া হয়। এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন চাকরিপ্রার্থীর্। গেটের বাইরে তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে বনসহায়ক পদের নিয়োগপত্র রয়েছে। আজ তাঁদের কাজে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। সেই মতো শুক্রবার সকালে চিড়িয়াখানায় যান চাকরিপ্রার্থীরা। অভিযোগ, সেই সময় তাঁদের অন্যায়ভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে। তারপরেই শুরু হয়ে যায় বিক্ষোভ। আরও পড়ুন ঃ অপমানজনক মন্তব্যের প্রতিবাদ, পরেশ পালকে আইনি নোটিশ শ্রেয়ার পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। অনেক চেষ্টায় তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। তাঁদের সামনেও বিক্ষোভ চলতে থাকে। এদিনের এই ঘটনায় সমস্যায় পড়েছেন চিড়িয়াখানার দর্শনার্থীরা। ভিতরে বহু মানুষ আটকে পড়েন। জানা গিয়েছে, এদিনের ঘটনার জেরে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্মী সংগঠন। জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে বন্ধ থাকবে আলিপুর চিড়িয়াখানা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চেয়ার নিয়ে বিধানসভায় নাটক! মমতার আসনে বসতে রাজি নন ঋতব্রত, কেন?

বিধানসভায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের আবহে বুধবার বিরোধী দলনেতার ঘর ঘিরে তৈরি হল এক অন্যরকম পরিস্থিতি। বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে প্রবেশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার সচিবালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর তাঁকে ঘরের দায়িত্বও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে ঘরে ঢোকার পর একটি ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।ঘরে থাকা একটি চেয়ারে বসতে গেলে তাঁকে জানানো হয়, সেটি একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত চেয়ার। সেই কথা শুনেই ওই আসনে বসতে অস্বীকার করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিতদের কাছে তিনি অন্য একটি চেয়ার আনার অনুরোধ জানান। পরে তাঁর জন্য বিকল্প আসনের ব্যবস্থা করা হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। অনেকের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কারণেই তিনি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাবুধবারের সাংবাদিক বৈঠকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন ঋতব্রত। তিনি জানান, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং বর্তমান পরিষদীয় লড়াইয়ের লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করা নয়। বরং দলের ভবিষ্যৎ পথচলায় তিনি চাইলে পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেন।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, বিধানসভায় যে নতুন পরিষদীয় গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে কিছু নেতার মতপার্থক্য থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁদের সম্মান অটুট রয়েছে। তিনি আরও জানান, দলের ভবিষ্যৎ দিশা নিয়ে মমতার সঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছাও রয়েছে তাঁদের।উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়। একাধিক বিধায়কের অবস্থান বদল এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জোর জল্পনা। সেই আবহেই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতাবুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁদের রাজনৈতিক যাত্রা এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের মূল শিবিরের নেতারা দাবি করেছেন, দল এবং দলের নেতৃত্বের পাশে এখনও বিপুল সংখ্যক সমর্থক রয়েছেন।সব মিলিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে একটি চেয়ারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ঘটনাই এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিধানসভার তথাকথিত সই জাল কাণ্ড। এই ঘটনায় এবার সরাসরি আইনি চাপে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মুখে পড়ে গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং একই সঙ্গে সিআইডি-র তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চ তাঁর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি শুনানির অনুমতি দিয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে পারে।সমস্ত বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের একটি চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেপুটি লিডার এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। চিঠিটি বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তা যাচাই করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।তদন্তে উঠে আসে, তালিকাভুক্ত ৭০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের জায়গায় শুধুমাত্র বড় হাতের অক্ষরে নাম লেখা রয়েছে। আরও কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।আরও পড়ুনঃ মূল উপড়ে তৃণ ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রতঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত শনিবার সিআইডি-র একটি বিশেষ দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়। সেই নোটিশে নির্দিষ্ট দিনে ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে হাজিরা না দিয়ে অভিষেক তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চান। এরপরই তিনি আইনি পথে এগিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।এই মামলার রাজনৈতিক দিকটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই প্রথম এই জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক বিতর্ক নয়; বরং এটি রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, অন্যদিকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত আইনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন।এখন সকলের নজর আগামী শুক্রবারের হাইকোর্ট শুনানির দিকে। আদালত সিআইডি-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করে কি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পান কি না, এবং এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত কতদূর গড়ায়তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

'হেভিওয়েট'-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের 'কাকা'

বর্ধমানের রাজনীতিতে একসময় যাঁর নাম উচ্চারণ করতেই বিরোধী শিবিরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হতো, সেই খোকন দাসের বর্তমান পরিস্থিতি যেন একেবারেই ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে। তোলাবাজি, হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে তাঁকে এমন এক অবস্থায় দেখা গেল, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে, পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হল বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে।একসময় বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় খোকন দাসের রাজনৈতিক প্রভাব ছিল যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাঁকে তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালী মুখ হিসেবে ধরা হতো। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।গত ২৯ মে বর্ধমান থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো, মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করা, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর ঘটনাতেও খোকন দাসের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।তদন্তে নেমে বর্ধমান থানার পুলিশ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে তাঁর অবস্থানের খোঁজ পায়। এরপর গত ৩১ মে সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ট্রানজিট রিমান্ডে সোমবার রাতে তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়, যাতে অভিযোগগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগটি ২০২৫ সালের ৮ জুনের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ অনুযায়ী, বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় একটি বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন। সেই সময় খোকন দাসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সেখানে গিয়ে হামলা চালায় এবং কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।অভিযোগ আরও গুরুতর হয়ে ওঠে পরবর্তী ঘটনাকে ঘিরে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেলে সেখানেও তাঁদের উপর পুনরায় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুধু মারধরই নয়, ১০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি এবং টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভয় দেখাতে আগ্নেয়াস্ত্রও প্রদর্শন করা হয়েছিল।এই সমস্ত অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তদন্তকারীদের মতে, অভিযোগগুলির গুরুত্ব বিচার করে ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে, খোকন দাসের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। জেলা বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে আদালতে এখনও চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।মঙ্গলবার আদালতে তাঁকে পেশ করা ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য আদালত চত্বর ও বর্ধমান থানা এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।সব মিলিয়ে, যে নেতা একসময় এলাকায় নিজের রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন, আজ তাঁকেই জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে আদালতে যেতে হওয়ায় বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সকলের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভা, সিআইডির পর এবার অভিষেকের বাড়িতে ইডি! নতুন করে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। বাড়ির নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন তদন্তসব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে তাঁকে নিয়ে জোর চর্চা চলছে। এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।সূত্রের খবর, বিকেল নাগাদ দুই ইডি আধিকারিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। তাঁদের হাতে একটি সমন সংক্রান্ত নথি ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই এই নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।প্রথমে তদন্তকারী আধিকারিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য একটি ঠিকানায় যান। পরে জানতে পারেন তিনি সেখানে থাকেন না। এরপর তাঁরা কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় নথি পৌঁছে দেন বলে সূত্রের দাবি।তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অতীতে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তাঁদের নাম উঠে এসেছিল বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তেও অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তাঁর সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলি বিভিন্ন নথি ও তথ্য সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁরা আইন মেনেই সমস্ত তদন্তে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।বুধবারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সমনের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজনীতি

'মূল' উপড়ে 'তৃণ' ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে বুধবারের দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল। দীর্ঘ টানাপোড়েন, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং বিধানসভার সই-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত বিদ্রোহী শিবিরের হাতে চলে গেল। বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাঁর জন্য নির্ধারিত কক্ষও খুলে দেওয়া হয়। স্পিকার রথীন্দ্র বসু আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ঘরের চাবি তুলে দেন ঋতব্রতের হাতে।বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে ঋতব্রত দাবি করেন, তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ৬০ জন তাঁর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বর্তমানে ৫৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন তাঁদের হাতে রয়েছে বলেও তিনি জানান। আরও দুই বিধায়ক রাজ্যের বাইরে থাকলেও তাঁদের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই হিসেবে তৃণমূল পরিষদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যই এখন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন বলে তাঁর বক্তব্য।নতুন বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেন যে, বিধানসভায় মুখ্যসচেতকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আখরুজ্জামানকে। পাশাপাশি ডেপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। এই সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সমর্থনের চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।তবে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেও ঋতব্রত এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, তাঁদের লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে। সেই কারণেই তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের পরামর্শদাতা হওয়ার আহ্বান জানাবেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দূরত্ব এখন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ঋতব্রতের বক্তব্যে উঠে আসে বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখাও। তিনি বলেন, সরকারের ভুলের সমালোচনা যেমন করা হবে, তেমনই জনস্বার্থে গৃহীত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করা হবে। তাঁর কথায়, মানুষ আমাদের বিরোধী আসনে বসিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করব।এই নাটকীয় পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের তরফে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার জন্য যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তা নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সেই প্রস্তাবে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি সামনে আসে এবং পরবর্তীতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই একাধিক বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ, এই বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে নতুন করে আবেদন জানিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত শিবিরের দাবি মেনে নেওয়ায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নতুন মাত্রা পেল।অন্যদিকে, যখন বিধানসভায় ঋতব্রত নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা করছেন, ঠিক সেই সময় কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ফলে রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের অন্দরে ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, পরিষদীয় দলের নেতৃত্ব হারানো শুধু সাংগঠনিক ধাক্কাই নয়, বরং তৃণমূলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রেও বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করল। এখন নজর থাকবে কালীঘাট শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিদ্রোহী শিবিরের শক্তি কতটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখা যায়, তার উপর।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের! সাত দিনের মধ্যে দিতে হবে সব তথ্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে চলা বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সম্পত্তির কোন কোন অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে এবং কোথায় নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরনিগমকে।বুধবার বিচারপতি স্মিতা দাস দে নির্দেশ দেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে পুরনিগমকে এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আদালতে জানাতে হবে। সম্পত্তির কোন অংশে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, কতটা এলাকা সেই অভিযোগের আওতায় পড়ছে এবং কী ধরনের আপত্তি রয়েছে, তার পূর্ণ বিবরণ জমা দিতে হবে।আদালত আরও জানিয়েছে, পুরনিগমের রিপোর্ট জমা পড়ার পর সম্পত্তির মালিকপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে। এরপর চার সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।জানা গিয়েছে, এই মামলায় শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন নয়, তাঁর মায়ের নামে থাকা কালীঘাটের একটি সম্পত্তিও আলোচনায় এসেছে। পুরনিগমের দাবি, ওই সম্পত্তির কিছু অংশে নির্মাণ সংক্রান্ত অনিয়ম থাকতে পারে। সেই কারণেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধভাবে নির্মিত। তাঁদের বক্তব্য, কোনও বেআইনি নির্মাণ হয়নি। তা সত্ত্বেও পুরনিগম নোটিস পাঠিয়েছে। সেই কারণেই নোটিস বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে।আদালত স্পষ্ট করেছে, মামলার শুনানি চলাকালীন বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে পুরনিগম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হবে।এই নির্দেশের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংক্রান্ত মামলাটি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুরনিগমের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে এবং আদালত পরবর্তী শুনানিতে কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ, কালীঘাটে কী হল ভিতরে ভিতরে?

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, ঠিক সেই সময় কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। বুধবার তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়।দিনভর রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার আগে তিনি নবান্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন। এরপর কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানান।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কিছুদিন ধরেই মেয়র হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং পুরসভার বিভিন্ন কাজকর্ম পরিচালনা নিয়ে তাঁর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলেও আলোচনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। সেই কারণেই তিনি একাধিকবার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা যায়।মঙ্গলবারই কলকাতা পুরসভার এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর ইস্তফার পর রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়ে যায়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিমের একটি মন্তব্যও বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা একটি দল হিসেবে একসঙ্গে কাজ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও একসঙ্গেই নেন। এরপর থেকেই তাঁর ইস্তফা নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।বুধবার শেষ পর্যন্ত কালীঘাটে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ইচ্ছা জানান তিনি। প্রথমে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করা হলেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন ফিরহাদ। পরে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাতৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, মেয়র হিসেবে কাজ করতে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই কারণেই তিনি সম্মানের সঙ্গে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও তাঁর সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়েছে।ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের ফলে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব আপাতত পুর কমিশনারের হাতে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এদিকে চলতি বছরের শেষের দিকে পুরভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে নির্বাচন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিয়েছে।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

‘মমতা আমাদের পরামর্শদাতা হোন’! বিধানসভা কাঁপানো মন্তব্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দাবি করা একদল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে বিরোধী শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে দেখতে চান। তাঁর কথায়, মমতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং পরামর্শ তাঁদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তিনি জানান, গঠনমূলক বিরোধী রাজনীতি করতে গেলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরামর্শ প্রয়োজন এবং সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমান বিধানসভার কার্যক্রমের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই বলে তাঁদের মত। ঋতব্রতের দাবি, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত বহু বিধায়কের সমর্থন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে এবং সেই কারণেই তাঁরা নিজেদের প্রকৃত পরিষদীয় প্রতিনিধিত্বকারী গোষ্ঠী বলে মনে করছেন।সাংবাদিক বৈঠকে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কথা বলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁরা বিধানসভার ভিতরে গঠনমূলক বিরোধিতার পথেই হাঁটবেন। কোনও বিল বা প্রস্তাবের সঙ্গে মতভেদ থাকলে তাঁরা তার বিরুদ্ধে ভোট দেবেন, তবে শুধুমাত্র প্রতিবাদের জন্য সভা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে হাঁটবেন না।ঋতব্রতের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করতে চান তাঁরা। মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিষয়ে সরকারের সমালোচনা যেমন করবেন, তেমনই ভালো উদ্যোগকে সমর্থনও জানাবেন।এই মন্তব্যের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হিসেবে চাওয়ার বার্তা এবং বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। আগামী দিনে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal