• ১১ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Wriddhiman Saha

খেলার দুনিয়া

‌বাংলার সঙ্গে দীর্ঘ ক্রিকেট জীবনের সম্পক ছিন্ন করলেন ঋদ্ধিমান

২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলার সিনিয়র দলের জার্সি গায়ে অভিষেক। তারপর মাঝে কেটে গেছে ১৫টা বছর। অবশেষে ১৫ বছর পর বাংলার ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন ঋদ্ধিমান সাহা। বাংলা থেকে অন্য রাজ্যের হয়ে খেলার জন্য ছাড়পত্র নিয়ে নিলেন। চললেন ত্রিপুরায়। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের মরশুমে ত্রিপুরার হয়ে রনজি খেলতে দেখা যাবে ঋদ্ধিমানকে। সামনের সপ্তাহেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে ত্রিপুরার সঙ্গে চুক্তি।সোমবার দুপুর ১টা নাগাদ সিএবিতে আসেন ঋদ্ধিমান সাহা। তার আগেই সিএবিতে পোঁছে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া ও সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। তিনজনের মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শুরু হয়। টানা ৪০ মিনিট ধরে বৈঠক হয়। ঋদ্ধিমানকে বাংলা ছেড়ে না যাওয়ার অনুরোধ করেন অভিষেক ডালমিয়া ও স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। দুজনের অনুরোধে সাড়া দেননি ঋদ্ধি। নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। নো অবজেকশন সার্টিফিকেট নিয়ে নেন। সিএবির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ঋদ্ধিমান সাহা সিএবিতে এসে সভাপতি অভিষেক ডালমিয়ার কাছে রাজ্য ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার নো অবজেকশন সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেন। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য রাজ্যের হয়ে খেলার জন্য এনওসি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঋদ্ধিমানের জন্য শুভেচ্ছাও জানানো হয়েছে। ভারতীয় টেস্ট দল থেকে বাদ পড়ার পর ঋদ্ধি সিএবিকে জানিয়েছিলেন, তিনি এবছর রঞ্জি খেলবেন না। পারিবারিক কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান। তারপরই সিএবি যুগ্মসচিব দেবব্রত দাস ঋদ্ধিমানের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ঋদ্ধিমান দাবি করেছিলেন দেবব্রত দাসের নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা। সিএবি সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া অবশ্য দেবব্রতর বক্তব্যের দায় নিতে চাননি। এরপর রঞ্জি কোয়ার্টার ফাইনালে ঋদ্ধিমানকে বাংলা দলে রাখা হয়। কিন্তু ঋদ্ধির অভিযোগ ছিল, তাঁকে না জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত। এরপরই তিনি বাংলার হয়ে আর না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। এনওসি পেয়ে ঋদ্ধি বলেন, বাংলা না ছাড়ার জন্য আমাকে আগেও অনুরোধ করা হয়েছিল। আজকেও অনুরোধ করা হয়। কিন্তু আগে থেকেই আমার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে। আজ এনওসি নিয়ে নিলাম। কোন রাজ্যের হয়ে খেলবেন, সে প্রসঙ্গে ঋদ্ধি বলেন, এখনও সিদ্ধান্ত নিইনি। বেশ কয়েকটা রাজ্যের সঙ্গে কথা হয়েছে। চূড়ান্ত হলে সবাইকে জানাব। ত্রিপুরার সঙ্গে কথা অনেকদূর এগিয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে চূক্তি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। বাংলার সঙ্গে তাঁর কোনও ইগোর লড়াই ছিল না বলে জানিয়েছেন ঋদ্ধিমান।

জুলাই ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দর বাড়ানোর খেলায় মেতেছেন!‌ ঋদ্ধিকে নাকি প্রস্তাবই দেয়নি বরোদা–গুজরাট

সিএবির যুগ্মসচিব দেবব্রত দাসের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে বাংলা ছেড়ে অন্য রাজ্যে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঋদ্ধিমান সাহা। প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া আসরে নামলেও বরফ গলেনি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, ঋদ্ধির কাছে নাকি বেশ কয়েকটি রাজ্যের হয়ে খেলার জন্য প্রস্তাব রয়েছে। এই তালিকায় বরোদা ও গুজরাটও ছিল। কিন্তু বরোদা ও গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে, ঋদ্ধিমান সাহাকে তাদের রাজ্যের হয়ে খেলার কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষকর্তা অনিল প্যাটেল বলেছেন, ঋদ্ধিমান সাহাকে গুজরাটের হয়ে খেলার জন্য কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। হেট প্যাটেল নামে আমাদের একজন তরুণ উইকেটকিপার রয়েছে। ও দারুণ খেলছে। ঋদ্ধিমানকে দলে নিয়ে কেন আমরা ওর ক্রিকেটজীবন নষ্ট করব?বরোদার পক্ষ থেকেও ঋদ্ধিকে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। বরোদা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়শনের সচিব অজিত লেলে এই মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। সেখান থেকে সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, গত একমাস ধরে আমি দেশের বাইরে। ঋদ্ধিমান সাহাকে আমাদের হয়ে খেলার প্রস্তাব দেওয়ার কোনও খবর আমার কাছে নেই। অম্বাতি রায়ুডুকে আমরা নিয়েছি। নতুন করে ঋদ্ধিকে নেওয়ার কোনও পরিকল্পনা আমাদের নেই। ত্রিপুরা অবশ্য ঋদ্ধির ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছিল। কিন্তু ঋদ্ধির আর্থিক চাহিদা মেটানোর ব্যাপারে কিছুটা হলেও অনীহা রয়েছে।এদিকে, বোরিয়া মজুমদারের সঙ্গে তাঁর বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন ঋদ্ধি। চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তিনি। ঋদ্ধিমান জানিয়েছেন, ওই একবারই নয়, বোরিয়া মজুমদার নাকি আগেও এইরকম কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, আমি দেখাতে চেয়েছিলাম একটা সাক্ষাৎকারের জন্য একজন সাংবাদিক কতটা নীচে নামতে পারেন! আমি পরে জানতে পেরেছি ওই সাংবাদিক এমনটা আগেও করেছেন। সে কারণেই বিসিসিআই এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে এবং ওই সাংবাদিককে শাস্তি দিয়েছে। আমি প্রথমে মুখ খুলিনি বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকার শর্ত মেনেই। ঋদ্ধিমান আরও বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম যে হুমকির ঘটনার কথা প্রকাশ্যে নিয়ে আসব না। কেন না, সকলেরই কেরিয়ার রয়েছে। কিন্তু যদি এমন আচরণের পরেও কারও আক্ষেপ না থাকে, তাহলে কতক্ষণ আর চুপ থাকা যায়?

জুন ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সামনের মরশুমে কি গুজরাটের হয়ে খেলবেন ঋদ্ধিমান?‌

বাংলা যে ছাড়ছেন, এটা নিশ্চিত। কিন্তু বাংলা ছেড়ে সামনের মরশুমে কোন দলের হয়ে রনজি খেলবেন ঋদ্ধিমান সাহা? এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তবে বিশ্বস্তসূত্রের খবর, সামনের বছর গুজরাটের হয়ে খেলতে দেখা যেতে পারে দেশের অন্যতম সেরা এই উইকেটকিপারকে। শোনা যাচ্ছে, গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে নাকি প্রাথমিক কথাবার্তাও হয়ে গেছে ঋদ্ধিমান সাহার।এবছর রনজি শুরুর আগে পারিবারিক কারণ ও ক্লান্তির জন্য বাংলার হয়ে রনজি না খেলার কথা জানিয়েছিলেন ঋদ্ধি। তাড়াছা জাতীয় দলে তাঁকে যে আর ভাবা হবে না, সেকথাও জানিয়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড়। তাই রনজি খেলার মোটিভেশন হারিয়ে ফেলেছিলেন ঋদ্ধিমান। তাঁর রনজি না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সিএবির যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস। প্রশ্ন তুলেছিলেন ঋদ্ধির দায়বদ্ধতা নিয়েও। দেবব্রত দাসের মন্তব্য ভালভাবে নেননি ঋদ্ধি। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঋদ্ধিকে। কিন্তু দেবব্রত দাস রাজি হননি। ঋদ্ধি তখনই ঠিক করেন, বাংলার হয়ে আর খেলবেন না।রনজি কোয়ার্টার ফাইনালের দল গঠনের সময় ঋদ্ধিকে না জানিয়েই টিমে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। এতে আরও ক্ষেপে যান তিনি। সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়াকে পরিস্কার জানিয়ে দেন বাংলার হয়ে তিনি আর খেলবেন না। বাংলা থেকে ছাড়পত্র নিতে চান। অভিষেক ডালমিয়া থেকে শুরু করে বাংলার কোচ অরুণলালও ঋদ্ধিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তাতেও বরফ গলেনি। আইপিএল চলাকালীনই বাংলার রনজি দলের হোয়াটসআপ গ্রুপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন ঋদ্ধি। তখনই বিষয়টা পরিস্কার হয়ে যায় যে, বাংলার হয়ে না খেলার সিদ্ধান্তে তিনি অনড়।আইপিএলের ফাইনাল খেলে বুধবার কলকাতায় ফিরছেন ঋদ্ধিমান। তারপরই তিনি সিএবিতে যাবেন নো অবজেকশন সার্টিফিকেটের জন্য প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে কথা বলতে। সামনাসামনি বৈঠকে দুই পক্ষের বরফ গলে কিনা এখন সেটাই দেখার। অভিষেক ডালমিয়া যদি ঋদ্ধির মান ভাঙাতে পারেন, তাহলে বাংলারই লাভ।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সব প্রয়াস ব্যর্থ, বাংলার হয়ে খেলবেন না ঋদ্ধিমান

বিভিন্নভাবে ঋদ্ধিমান সাহার মান ভাঙানোর চেষ্টা করেছিল সিএবি। সব প্রয়াস ব্যর্থ হয়ে গেল। বাংলার হয়ে রনজি না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় ঋদ্ধিমান। বৃহস্পতিবার সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার সরকারি বিবৃতিতেই তার ইঙ্গিত। এই প্রথম ঋদ্ধিমান ইস্যু নিয়ে তিনি মুখ খুললেন। বাংলার কোচ অরুণলালও ফোন করেছিলেন ঋদ্ধিমানকে। তাঁকেও না খেলার কথা জানিয়েছেন ঋদ্ধি। পারিবারিক কারণে রনজির গ্রুপ পর্যায়ে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁর সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন সিএবির যুগ্মসচিব দেবব্রত দাস। এই নিয়ে ঋদ্ধিমানের মনে ক্ষোভ তৈরি হয়। তিনি বাংলার হয়ে না খেলার কথা বলেন। এমনকি সিএবির কাছ থেকে রিলিজও চান। সিএবি চেয়েছিল ঋদ্ধিমান রনজি ট্রফির নক আউটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলার হয়ে খেলুক। এইরকম ম্যাচে দলে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের প্রয়োজন। তাই ঋদ্ধিকে দলে চেয়েছিলেন কোচ অরুণলাল এবং সিএবি কর্তা। রনজি খেলার ব্যাপারে সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া ঋদ্ধিমানকে বারবার বোঝান। তিনি এও জানান, সিএবি যুগ্মসচিব দেবব্রত দাসের বক্তব্য সিএবির নয়। এমনকি তার দায়ও সিএবির নেই। তাতেও মন গলেনি ঋদ্ধিমানের। এমনকি বুধবার বাংলার রনজি ট্রফির জন্য তৈরি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ ছেড়েও বেরিয়ে যান। তখনই পরিস্কার হয়ে যায় বাংলার হয়ে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় ঋদ্ধিমান। ঋদ্ধিমান প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার অভিষেক ডালমিয়া বলেন , আমি ঋদ্ধিমানকে বলেছিলান যে তাকে রনজির নক আউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলার দরকার আছে। সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য ঋদ্ধিকে অনুরোধ করেছিলাম। ঋদ্ধিমান আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং জানিয়েছেন যে সে রনজি নকআউট পর্বে বাংলার হয়ে খেলতে ইচ্ছুক নয়। সিএবিঋদ্ধিমান বিতর্ক প্রকাশ্যে আসে ১৭ মে রনজির নক আউট পর্বের জন্য বাংলা দল ঘোষণার সময়। তাঁর সঙ্গে কথা না বলেই ঋদ্ধিকে দলে রাখা হয়। দলে নাম থাকার পরেও বাংলা ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা বলেন ঋদ্ধি। এরুপর ঋদ্ধি বাংলা ছেড়ে যাওয়ার জন্য এনওসি চেয়ে সিএবি প্রেসিডেন্ট সভাপতি অভিষেক ডালমিয়ার সাথে কথা বলেন। তিনি ডালমিয়াকে বলেন , তিনি আর বাংলার হয়ে খেলতে আগ্রহী নন এবং এনওসি চান। সিএবি যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাসের ওপর বিরক্ত হয়েই বাংলা ছাড়তে চান। কারণ দেবব্রত দাস ঋদ্ধির দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। অভিষেক ডালমিয়াকে ঋদ্ধি বলেন, দেবব্রত দাসকে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইতে হবে। সিএবি ঋদ্ধির প্রস্তাবে রাজি হয়নি।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সিএবি কর্তাকে ক্ষমা চাইতে বললেন!‌ বাংলার হয়ে খেলতে চান না ঋদ্ধিমান

বাংলার ক্রিকেটে বিতর্ক কিছুতেই পেছন ছাড়ছে না। একসময় কোচ অরুণলাল ও সিএবি কর্তাদের আচরণে বিরক্ত হয়ে বাংলা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অশোক দিন্দা। এবার সেই রাস্তায় হাঁটলেন ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁকে রেখেই রনজি কোয়ার্টার ফাইনালের জন্য সোমবার দল ঘোষণা করেছে বাংলা। কিন্তু বাংলার হয়ে খেলা তো দূর অস্ত, সিএবির কাছ থেকে ছাড়পত্র চাইলেন ঋদ্ধিমান। বাংলা ছেড়ে তিনি অন্য রাজ্যের হয়ে খেলতে চান। সোমবার রাতে রনজি নক আউটের জন্য দল বাছতে বসেছিলেন বাংলার নির্বাচকরা। সেই দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির ছিলেন সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া, সচিব স্নেহাশিষ গাঙ্গুলি, যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস, কোচ অরুণলাল, অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। দীর্ঘ ঘন্টা দুয়েকের বৈঠকের পর ২২ জনের দল বেছে নেওয়া হয়। ঋদ্ধিমান সাহার সঙ্গে মহম্মদ সামিকেও রনজি দলে রাখা হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড যদি অনুমতি দেয়, তাহলেই সামিকে রনজিতে খেলাতে পারবে বাংলা। রাতেই ঋদ্ধিমান সাহার কাছে বাংলা দলে থাকার খবর চলে যায়। এরপর তিনি রাতেই সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু যোগাযোগ করতে পারেননি। আজ দুপুরে অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় ঋদ্ধির। তখন তিনি সিএবি যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। রনজি গ্রুপ লিগ থেকে সরে দাঁড়ানোয় ঋদ্ধির দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দেবব্রত দাস। এতে দারুণ অপমানিত বোধ করেন ঋদ্ধি। তিনি ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছেন, দেবব্রত দাস যদি প্রকাশ্যে ক্ষমা না চান তাহলে তিনি আর কোনও দিন বাংলার হয়ে খেলবেন না। সেই কথা তিনি সিএবি প্রেসিডেন্টকে নাকি জানিয়েও দিয়েছেন। ঋদ্ধিমানের ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা গেছে, বাংলা দল নির্বাচনের আগে তাঁর সঙ্গে নাকি কোনও কথাই বলেনি সিএবির কোনও কর্তা ও নির্বাচকরা। এই নিয়ে অসন্তুষ্ট ঋদ্ধি। ঘনিষ্ঠমহলে তিনি বলেছেন, দল নির্বাচনের আগে তাঁর সঙ্গে একবার কথা বলে নিতে পারতেন সিএবি কর্তারা।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভাবেও ফিরে আসা যায়!‌ সম্মানের লড়াইয়ে শেষ ওভারে নাটকীয় জয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের

এভাবেও ফিরে আসা যায়! মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। নিশ্চিত হারা ম্যাচ জিতল রোহিত শর্মার দল। নাটকীয় ম্যাচে গুজরাট টাইটান্সকে হারাল ৫ রানে। শেষ ওভারে নাটক জমে ওঠে। ৬ বলে গুজরাটের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৯। ড্যানিয়েল স্যামসের প্রথম বলে ওঠে ১ রান। দ্বিতীয় বলে কোনও রান হয়নি। তৃতীয় বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট রাহুল তেওয়াটিয়া (৩)। চতুর্থ বলে ১ রান। পঞ্চম বলে কোনও রান হয়নি। শেষ বলেও কোনও রান নিতে পারেননি ডেভিড মিলার (১৪ বলে অপরাজিত ১৯)। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারালেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে যেত। নাটকীয় ম্যাচে ৫ রানে হেরে প্লে অফের ছাড়পত্র ঝুলিয়ে রাখল। জয়ের জন্য ১৭৮ রান তাড়া করতে নেমে ১৭২/৬ রানে থেমে গেল গুজরাট টাইটান্স। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে শেষ ওভারে নাটকীয় জয় এনে দেন ড্যানিয়েল স্যামস।এদিন গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। প্রথমে ব্যাট করে তুলেছিল ১৭৭। মনে হচ্ছিল আগের ম্যাচে চলতি আইপিএলে প্রথম জয় পাওয়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্স গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। ব্যাটারদের লড়াই একসময় মূল্যহীন হয়ে যাচ্ছিল বোলারদের ব্যর্থতায়। শেষ মুহূর্তে দারুণ প্রত্যাবর্তন। শুরুতে গুজরাট টাইটান্সের দুই ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা ও শুভমান গিলের সামনে তেমন কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বোলাররা। ওপেনিং জুটিতে ১২ ওভারে দুজনে তোলেন ১০৬। মুরুগান অশ্বিন গুজরাটকে প্রথম ধাক্কা দেন। ১৩তম ওভারের প্রথম বলে তুলে নেন শুভমান গিলকে। ৩৬ বলে ৫২ রান করে আউট হন শুভমান। একই ওভারের শেষ বলে ঋদ্ধিমানকেও ফেরান অশ্বিন। ৪০ বলে ৫৫ রান করেন ঋদ্ধি।একই ওভারে পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় গুজরাট। চাপ আরও বেড়ে যায় সাই সুদর্শন (১১ বলে ১৪) ও হার্দিক পান্ডিয়া (১৪ বলে ২৪) ১০ বলের ব্যবধানে আউট হওয়ায়। জয়ের জন্য শেষ ২ ওভারে ২০ রান দরকার ছিল গুজরাটের। ১৯তম ওভারে যশপ্রীত বুমরার বলে ওঠে ১১।টস জিতে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে প্রথম ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রশিদ খানের বলে এলবিডব্লু হন রোহিত। প্রথমে অন ফিল্ড আম্পায়ার রোহিতকে আউট দেননি। রশিদ ডিআরএসের আশ্রয় নেন। টিভি আম্পায়র রিপ্লে দেখে রোহিতকে আউট দেওয়ার কথা বলেন অন ফিল্ড আম্পায়ারকে। ৫টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন রোহিত। তিনি আউট হওয়ার ২ ওভার পরেই সূর্যকুমার যাদবকে তুলে নেন প্রদীপ সাঙ্গোয়ান। ১১ বলে ১৩ রান করেন সূর্যকুমার। দ্বাদশ ওভারের শেষ বলে ঈশান কিষানকে তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। ২৯ বলে ৪৫ রান করেন ঈশান। ঈশান আউট হওয়ার পর রান তোলার গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। কায়রন পোলার্ড চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে নেই। এদিন ১৪ বলে মাত্র ৪ রান করে রশিদ খানের গুগলিতে পরাস্ত হয়। তিলক ভার্মা ১৬ বলে করেন ২১ রান। শেষদিকে টিম ডেভিড ঝড় তুলে মুম্বইকে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছে দেন। ২১ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন টিম ডেভিড। এদিন দারুণ বোলিং করে ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন রশিদ খান।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্স আগ্রহ না দেখালেও দল পেলেন ঋদ্ধি

সীমিত ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ব্রাত্য। টি২০ ক্রিকেটে দেশের জার্সি গায়ে তোলার কখনও সুযোগ হয়নি। জীবনের শেষ একদিনে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ২০১৪ সালের নভেম্বরে। টেস্ট ক্রিকেটেও তাঁকে নাকি আর দলে চান না নির্বাচকরা। সেই অভিমানে এবছর রনজি ট্রফি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। আইপিএলের নিলামেও প্রথম দিন তাঁর প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। তাহলে কি ক্রিকেটজীবন শেষ ঋদ্ধিমান সাহার? প্রশ্নটা উঠেই গিয়েছিল। নিলামের দ্বিতীয় দিন একেবারে শেষলগ্নে অবশেষে দল পেলেন ঋদ্ধি। ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকায় তাঁকে তুলে নিল গুজরাট টাইটানস। ২০০৮ সাল থেকে আইপিএলের প্রতিটা সংস্করণে খেলছেন ঋদ্ধিমান সাহা। গত বছর ছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদে। উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করলেও ব্যাট হাতে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি। কয়েকটা ম্যাচে তাঁর পরিবর্তে শ্রীবৎস গোস্বামীকেও খেলিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। শনিবার নিলামে ঋদ্ধিমানকে নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। দ্বিতীয় দিন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির পক্ষ থেকে নিলামে তোলার জন্য অবিক্রিত ক্রিকেটারদের তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই তালিকায় ঋদ্ধিমান সাহা ছিলেন। রবিবার নিলামের দ্বিতীয় দিন শেষদিকে অবিক্রিত উইকেটকিপারদের আবার নিলামে তোলা হয়। ঋদ্ধিমানের নাম উঠতেই চেন্নাই সুপার কিংস প্রথমে দর হাঁকায়। এরপর আসরে নামে গুজরাট টাইটানস। চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকায় ঋদ্ধিকে তুলে নেয় গুজরাট টাইটানস। ঋদ্ধির বেস প্রাইস ছিল ১ কোটি টাকা। ব্যাটিংয়ে তেমন দক্ষতা না থাকলেও তাঁর কিপিং দক্ষতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু টি২০ ক্রিকেটে সব ফ্র্যাঞ্চাইজিই এমন উইকেটকিপার নিতে চায়, যার ব্যাটের হাত ভাল। এই জায়গাতেই পিছিয়ে ঋদ্ধি। তবুও কিন্তু ঋদ্ধির ব্যাটিং দক্ষতাকে একেবারেই অস্বীকার করা যাবে না। প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএল ফাইনালে সেঞ্চুরি রয়েছে ঋদ্ধির। পাঞ্জাব কিংস, কলকাতা নাইট রাইডার্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে বেশ কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। আইপিএলে মোট ১৩৩টি ম্যাচ খেলেছেন। রান করেছেন ২১১০। ১টি সেঞ্চুরি, ৮টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তবুও এবছর আইপিএলের নিলামে প্রথম দিন অবিক্রিত ছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Wriddhiman Saha : কানপুরেই জীবনের শেষ টেস্ট খেলে ফেললেন ঋদ্ধিমান?

কানপুরেই কি জীবনের শেষ টেস্ট খেলে ফেললেন ঋদ্ধিমান সাহা? প্রশ্নটা ইতিমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে। যদি শেষ পর্যন্ত এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ভবিষ্যৎ কিন্তু সেই দিকেই এগোচ্ছে। জল্পনা তৈরি হয়েছে কানপুরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন উইকেটকিপিং করতে না নামায়।বিশ্বের সব দেশই অলরাউন্ডার উইকেটকিপার দলে নিতে চায়। অর্থাৎ উইকেটকিপিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও যিনি দলকে ভরসা দিতে পারবেন। উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে ঋদ্ধিমানের দক্ষতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু ব্যাটিংয়ে অনেকটাই পিছিয়ে। ব্যাটিংয়ের জন্যই ঋষভ পন্থ নির্বাচকদের আস্থা অর্জন করে নিয়েছেন। ঋদ্ধিমানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছেন শ্রীকার ভরত, ঈশান কিষাণরা। ঋষভ পন্থকে নির্বাচকরা বিশ্রাম দেওয়ায় নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ পেয়েছেন ঋদ্ধিমান। কিন্তু ব্যাট হাতে দলকে একেবারেই ভরসা দিতে পারেননি। গত বছর ডিসেম্বরে অ্যাডিলেডে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন ঋদ্ধিমান। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত সেই ম্যাচে পরাজিত হওয়ার পর ঋষভ পন্থ টেস্ট দলে সুযোগ পেয়ে জায়গা পাকা করে নেন। টেস্ট দল থেকে বাদ পড়ার পর ঘরোয়া ক্রিকেট কিংবা আইপিএলেও দাগ কাটতে পারেননি ঋদ্ধি।ঘাড়ে যন্ত্রণার জন্য নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কানপুরে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন মাঠে নামতে পারেননি ঋদ্ধিমান। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এদিন খেলা শুরুর আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়, ঘাড়ে টান ধরায় ঋদ্ধি আজ খেলতে পারবেন না। মেডিক্যাল টিম তাঁর চিকিৎসা করছে। ঋদ্ধির পরিবর্তে উইকেটকিপিং করছেন কেএস ভরত।১৯৪৬ সালের পর সবচেয়ে বেশি বছরের উইকেটকিপার হিসেবে টেস্ট খেলছেন ঋদ্ধিমান। কানপুর টেস্টের প্রথম দিন ঋদ্ধির বয়স ছিল ৩৭ বছর ৩২ দিন। ফারুখ ইঞ্জিনিয়ার ৩৬ বছর ৩৩৮ দিনের মাথায় নিজের শেষ টেস্ট খেলতে নেমেছিলেন। ঋদ্ধি ইঞ্জিনিয়ারের রেকর্ড টপকালেন। তবে ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সের উইকেটকিপার হিসেবে টেস্ট খেলার রেকর্ডটি দখলে রয়েছে দত্তরাম হিন্দেলকরের। তিনি শেষ টেস্ট খেলেছিলেন ৩৭ বছর ২৩১ দিন। এই সিরিজের পর ঋদ্ধিমান যদি অবসর নেন, তাহলে দত্তরাম হিন্দেলকরের রেকর্ডটিও অক্ষত থাকবে। অবসর না নিলেও ঋদ্ধির দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়া কঠিন।/p

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wriddhiman Saha : নিজেকে প্রমাণ করার দারুণ সুযোগ ঋদ্ধিমানের সামনে

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটই বলুন কিংবা আইপিএল, সবসময় অন্যের ছায়ায় ঢাকা পড়ে থাকতে হয়েছে ঋদ্ধিমান সাহাকে। জাতীয় দলে মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্য প্রথম একাদশে খেলার সুযোগ পাননি। এখন ধোনির জায়গা নিয়েছেন ঋষভ পন্থ। আইপিএলেও কখনও ধোনির ছায়ায়, কখনও জনি বেয়ারস্টোর ছায়ায় ঢাকা থাকতে হয়েছে। এবছর আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ছবিটা বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা। ব্যক্তিগত কারণে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জনি বেয়ারস্টো। সেই কারণেই ঋদ্ধিমান সাহার সামনে প্রথম একাদশে খেলার সম্ভাবনা। ঋদ্ধিমান সাহার সামনেও বড় সুযোগ নিজেকে মেলে ধরার। প্রথম পর্বে বেয়ারস্টোর ছায়ায় ঢাকা পড়ে ছিলেন। শ্রীবৎস গোস্বামীও রয়েছে। তাঁকে খেলানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে বুধবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের তুলনায় এই ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালস অনেকটাই এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে। আইপিএলের প্রথম পর্বে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকে ছাড়াই বেশ ঝকঝকে লাগছিল দিল্লি ক্যাপিটালসকে। চোটের জন্য শ্রেয়স ছিটকে গেলে নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল ঋষভ পন্থের হাতে। দুর্দান্ত নেতৃত্ব দিয়ে দলকে শীর্ষে রেখেছিলেন ঋষভ। চোট সারিয়ে শ্রেয়স ফিরে এলেও ঋষভেই আস্থা রেখেছে দিল্লি ক্যাপিটালস টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁর সামনে এখন ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। দ্বিতীয় পর্বের শুরুতেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে দিল্লি ক্যাপিটালস। এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে সবার শেষে রয়েছে সানরাইজার্স। অন্যদিকে, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। অর্থাৎ লড়াইটা দুইয়ের সঙ্গে আটের। দ্বিতীয় পর্বে মাঠে নামার আগে শক্তিক্ষয় হয়েছে সানরাইজার্সের। দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী জনি বেয়ারস্টো আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছে। ফলে ব্যাটিং নিয়ে সমস্যা বেড়েছে। প্রথম পর্বে ডেভিড ওয়ার্নার, কেন উইলিয়মসন, মণীশ পান্ডেরা তেমন ফর্মে ছিলেন না। বেয়ারস্টো না থাকায় ডেভিড ওয়ার্নারকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। ব্যাটিং নিয়ে অবশ্য সানরাইজার্সের মতো চিন্তা নেই দিল্লি ক্যাপিটালসের। দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন শিখর ধাওয়ান। টি২০ বিশ্বকাপে জাতীয় দলে সুযোগ পাননি। নির্বাচকদের ভুল প্রমাণ করতে মরিয়া হবেন। পৃথ্বী শ, ঋষভ পন্থরাও দারুণ ছন্দে। শ্রেয়স ফিরে আসায় ব্যাটিং শক্তি আরও বেড়েছে। বোলিংয়ে আবেশ খান, কাগিসো রাবাডা, অমিত মিশ্র, অক্ষর প্যাটেলরা প্রথম পর্বে দারুণ নির্ভরতা দিয়েছিলেন। তবে ঋষভ পন্থদের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ প্রথম পর্বের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে মহারেকর্ড! গ্রুপ পর্ব শেষের আগেই যা ঘটল, তাকিয়ে বিশ্ব

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব এখনও শেষ হয়নি। কিন্তু তার আগেই তৈরি হয়ে গেল নতুন ইতিহাস। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এবারই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, চলতি বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ছত্রিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ম্যাচ উপভোগ করেছেন। ফলে আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়েছে এই আসর।এর আগে সর্বাধিক দর্শকের রেকর্ড গড়েছিল উনিশশো চুরানব্বই সালের বিশ্বকাপ। সেই আসরেও আয়োজক ছিল আমেরিকা। তখন বাহান্নটি ম্যাচে প্রায় পঁয়ত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দর্শক মাঠে বসে খেলা দেখেছিলেন। দীর্ঘ সময় সেই রেকর্ড অটুট ছিল। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এখনও প্রতিযোগিতার আটচল্লিশটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। তার আগেই সর্বাধিক দর্শকের নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে।বিশ্বকাপ শুরুর আগে অবশ্য একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপর ভিসা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, প্রবেশের জটিলতা এবং অতিরিক্ত খরচ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। খেলার টিকিট, যাতায়াত এবং থাকার খরচও ছিল বেশ বেশি। তাই অনেকের আশঙ্কা ছিল, দর্শক উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম হতে পারে।কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো ছবি। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমীরা মাঠে ভিড় জমিয়েছেন। অধিকাংশ ম্যাচেই প্রায় পুরো স্টেডিয়াম দর্শকে ভরে গিয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার দাবি, এখনও পর্যন্ত ছত্রিশ লক্ষ পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। অধিকাংশ স্টেডিয়ামেই আসন প্রায় সম্পূর্ণ পূর্ণ ছিল।এখনও নকআউট পর্ব শুরু হয়নি। তাই আগামী দিনে দর্শকের সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। সংস্থার অনুমান, প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার আগেই চল্লিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক মাঠে বসে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারেন। সেই সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপ ইতিমধ্যেই ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও! তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, গ্রেপ্তার আট

মন্দিরের দানবাক্স থেকে বিপুল পরিমাণ অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগে আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্সের টাকা সরানো হচ্ছিল, তা নিয়েও সামনে এসেছে নতুন অভিযোগ।তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা নজরদারি এড়াতে কৌশলে নজরদারি যন্ত্র ঢেকে রাখত। এরপর দানবাক্স থেকে টাকা বের করে তা প্রথমে শৌচাগারের ভিতরে লুকিয়ে রাখা হত। পরে সুবিধাজনক সময়ে সেই অর্থ গোপনে মন্দির চত্বরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হত। তদন্তে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পরে সেই টাকা বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে একাধিক ব্যক্তির মধ্যে বিলি করা হত।বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই এই চুরির ঘটনা শুরু হয়ে থাকতে পারে। চলতি বছরের সাতাশে এপ্রিল থেকে পাঁচই জুনের মধ্যে অন্তত সত্তরটি চুরির ঘটনা তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃতদের মধ্যে দুজন কয়েক জন ব্যাঙ্ক আধিকারিকের নামও উল্লেখ করেছেন বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েক জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঘটনায় আরও কয়েক জন সরকারি কর্মীর যোগ থাকতে পারে। তবে সেই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে।বিশেষ তদন্তকারী দলের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মন্দিরে নগদ অনুদান হিসেবে কয়েক হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছিল। পাশাপাশি প্রচুর সোনা ও রুপোর অলঙ্কারও দান করা হয়েছিল। তদন্তে অভিযোগ, সেই বিপুল সম্পদের একটি অংশের হিসাব এখনও মেলেনি। নগদের পাশাপাশি দান করা কয়েকটি মূল্যবান রুপোর সামগ্রীও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তদন্ত যত এগোবে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তাঁদের অনুমান। যদিও মোট কত টাকা বা সম্পদ খোয়া গিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! অনুপ্রবেশ থেকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, একের পর এক বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রবীন্দ্র সদনে অনুষ্ঠিত বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশ, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ধর্মান্তর এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, শরণার্থীদের কোনও ভয় নেই। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ গড়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষেও জোরালো সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি ভূমি দখল, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের মতো অভিযোগের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে আর কোনও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই সরকার এই পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করবে।বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রথম রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে কলেজ স্ট্রিট এবং নৈহাটিতে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, অতীতে একই ধরনের কর্মসূচি করতে গিয়ে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল।নিজের বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বন্দে মাতরম শুধু একটি গান নয়, এর মধ্যে দেশপ্রেম এবং জাতীয় চেতনার গভীর বার্তা রয়েছে। সেই মূল্যবোধ সমাজে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্দে মাতরমকে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে চালু করার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই এখন নিয়ম মেনে গান গাইছেন। সময়ের সঙ্গে আরও বেশি মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই গান গাইবেন বলেই তাঁর আশা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গিরকে দড়ি বেঁধে ঘোরানো নিয়ে বড় প্রশ্ন! মানবাধিকার ইস্যুতে কড়া বার্তা হাই কোর্টের

ফলতার জাহাঙ্গির খানকে গ্রেপ্তারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে এবং অস্বাভাবিক পোশাকে প্রকাশ্যে ঘোরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। জাহাঙ্গির খানের স্ত্রী সারিকা বিবির দায়ের করা মামলার শুনানিতে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তদন্ত চললেও কোনও অভিযুক্তের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে এমন কোনও আচরণ করা যাবে না, যা তাঁর মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করে। পাশাপাশি আদালত পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে জানাতে হবে জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে নতুন কোনও মামলা দায়ের হয়েছে কি না। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী পয়লা জুলাই।প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গির খান। নির্বাচনের আগে তাঁর একাধিক মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল। পরে ভোটের আগে তিনি নির্বাচনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর তিনি প্রকাশ্যে আর দেখা না গেলেও পরে বাংলা-নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী।গ্রেপ্তারের পর ফলতার সহরারহাট এলাকায় জাহাঙ্গির খানকে কোমরে দড়ি বেঁধে এবং সাধারণ পোশাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বহু মানুষ প্রথমে তাঁকে চিনতে না পারলেও পরে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় জাহাঙ্গির খানকে হাতজোড় করে হাঁটতে এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতেও দেখা যায়।এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর স্ত্রী। মামলার শুনানিতে হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, আইনের প্রক্রিয়া চলবে ঠিকই, তবে কোনও অবস্থাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নতুন করে শুরু হয়েছে আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

মেয়ের এক আবদারেই বদলে গেল সব! তারাতলার মৃত্যুফাঁদ থেকে অলৌকিকভাবে ফিরলেন শ্রমিক বাবা

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন এক শ্রমিক। আর সেই অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরার পিছনে রয়েছে তাঁর ছোট্ট মেয়ের এক আবদার। কাজে যেতে না দেওয়ার জন্য মেয়ের জেদের কাছে হার মেনেছিলেন বাবা। কয়েক ঘণ্টা পরেই ভেঙে পড়ে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। এখন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে বারবার ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন তিনি।জগদ্দলের মোমিনপুরের বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র চৌধুরী প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোরেও কাজে বেরোনোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। প্রতিদিন সাতশো টাকা মজুরি পেতেন। সেদিন অতিরিক্ত তিনশো টাকা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন ঠিকাদার। সংসারের আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে বাড়তি আয়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি ধর্মেন্দ্র।কিন্তু ঠিক সেই সময় ঘুম থেকে উঠে বাবাকে জড়িয়ে ধরে ছোট্ট মেয়ে। তার একটাই আবদার ছিল, সেদিন যেন বাবা আর কাজে না যান। প্রথমে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত মেয়ের জেদ আর ভালোবাসার কাছে হার মানেন ধর্মেন্দ্র। অতিরিক্ত আয়ের লোভ ছেড়ে বাড়িতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।কয়েক ঘণ্টা পর খবর আসে, দুপুরে আচমকাই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান ধর্মেন্দ্র। বুঝতে পারেন, সেদিন কাজে গেলে হয়তো তিনিও আর বেঁচে ফিরতেন না।শুক্রবার তিনি হাসপাতালে গিয়ে সেই সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করেন, যিনি তাঁর পরিবর্তে সেদিন কাজে গিয়েছিলেন এবং দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে ধর্মেন্দ্র বলেন, তাঁর মেয়েই আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। মেয়ের কথা না শুনলে হয়তো তিনিও আজ বেঁচে থাকতেন না।তারাতলার মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মধ্যে ধর্মেন্দ্র ও তাঁর ছোট্ট মেয়ের এই ঘটনা এখন অনেকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই শ্রমিকের কাছে এখন সবচেয়ে বড় সত্য, সন্তানের একটুকরো ভালোবাসাই তাঁর নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! এবার সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে অধীর, বড় অভিযোগে চাঞ্চল্য

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার নামে রাজ্যে প্রায় সাতাশ লক্ষ মানুষের নাম খামখেয়ালিভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এই ঘটনায় তিনি একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন।আদালতে দাখিল করা আবেদনে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দাবি, কোনওরকম শুনানির সুযোগ না দিয়েই সামান্য ভুলের অজুহাতে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদ জেলাতেই প্রায় পাঁচ লক্ষ ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে।অধীরের আরও দাবি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে যাওয়ার পর আপিলের শুনানির গতি আরও কমে গিয়েছে। বর্তমানে মুর্শিদাবাদে মাত্র দুটি ট্রাইব্যুনালে প্রতিদিন অল্প সংখ্যক মামলার শুনানি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জমে থাকা সব মামলার নিষ্পত্তি হতে আরও চার থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ফলে বহু দরিদ্র মানুষ সরকারি প্রকল্প এবং সামাজিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলিতে দ্রুত অতিরিক্ত আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করার আবেদন জানানো হয়েছে।অধীর রঞ্জন চৌধুরী আদালতের কাছে আরও আবেদন করেছেন, মুর্শিদাবাদ ও মালদার মতো জেলায় ব্লকভিত্তিক আপিল ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হোক। পাশাপাশি মামলার চাপ কমাতে পর্যাপ্ত কর্মরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া মামলার তালিকা এবং রায় সহজে দেখার জন্য একটি স্বচ্ছ ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর আবেদনও করা হয়েছে।একইসঙ্গে আদালতের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে, আপিল প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও নাগরিকের সরকারি সুযোগ-সুবিধা যাতে বন্ধ না হয়, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হোক।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত! এক মাসের জন্য থামছে বহুতল নির্মাণ, বাতিল হতে পারে অনুমোদন!

গার্ডেনরিচ ও তারাতলার মতো একের পর এক দুর্ঘটনার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। সেই কারণেই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতল নিয়ে। আগামী এক মাস কলকাতা-সহ একাধিক পুর এলাকায় পাঁচ তলার বেশি বাণিজ্যিক বহুতলের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে বিশেষ অডিট কমিটি প্রতিটি নির্মাণের নকশা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট বহুতলের অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নগরায়ণ থামানো সরকারের উদ্দেশ্য নয়। তবে কোনওভাবেই মানুষের জীবন নিয়ে ঝুঁকি নেওয়া হবে না।সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী এক মাস কলকাতা, বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন, পূজালি, বারুইপুর, মহেশতলা, রাজপুর-সোনারপুর, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগর এবং বালিতে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের কাজ বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যেই এগারো সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়েছে।এই কমিটি প্রথমে বহুতলের নকশা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করবে। এরপর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি রয়েছে কি না, তাও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।সরকার জানিয়েছে, যেখানে সামান্য ত্রুটি থাকবে সেখানে নির্মাণ সংস্থাকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে বহুতলের অনুমোদন সম্পূর্ণ বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।অডিট কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা রাখা হয়েছে নব্বই দিন। তবে যে সব বহুতল নিরাপত্তা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে, সেগুলির নির্মাণকাজ আগামী এক আগস্ট থেকে আবার শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে।সরকার আরও জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি নির্মাণ বা সংস্কারের কাজে কোনও বিধিনিষেধ থাকছে না। ফলে আগামী এক মাস নিজের বাড়ির নির্মাণ বা মেরামতির কাজ স্বাভাবিকভাবেই চালিয়ে যেতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জুন ২৬, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিন পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা! আদালতে নিয়ে যেতেই যা করল জনতা, তোলপাড় ক্যানিং

ভোটের পর থেকেই পলাতক ছিলেন ক্যানিংয়ের এক তৃণমূল নেতা। দীর্ঘদিন খোঁজ চালানোর পর অবশেষে তাঁকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় যে ঘটনা ঘটল, তা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ধৃত ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ইন্দ্রজিৎ সর্দারকে থানার বাইরে আনা মাত্রই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ তাঁকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছিল। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম ছোড়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কয়েকটি ডিম তাঁর মাথাতেও লাগে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি, কাটমানি আদায় এবং মারধরের মতো নানা অভিযোগ ছিল ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগও ওঠে। এছাড়া একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়দের একাংশ।স্থানীয়দের দাবি, একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই ক্ষোভ থেকেই গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই থানার সামনে বহু মানুষ জড়ো হন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশও। ধৃতকে থানার বাইরে আনার সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস, অস্ত্র মামলার তদন্ত এবং তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকে থাকা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জুন ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal