• ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Worker

রাজনীতি

Mamata Bannerjee: অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতার

চেতলার কর্মিসভার মঞ্চ থেকে বিজেপিকে কয়েক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ পরোক্ষে টেনে খুনের মামলায় তথ্য রয়েছে, তাও এফআইআর করা যাবে না, বলে আক্রমণ শানান তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। বুধবার মমতা নিজের ভাষণে কারও নাম না নিলেও তাঁর লক্ষ্যবস্তু শুভেন্দুই ছিলেন, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বেভবানীপুরে প্রার্থী ঘোষণার পর এ দিন অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভা করল জোড়াফুল শিবির। ওই মঞ্চ থেকেই মমতা বলেন, আমাদের কাছে মার্ডার কেসে তথ্য থাকলেও এফআইআর করা যাবে না? কেন এফআইআর করা যাবে না? ভগবানের জ্যেষ্ঠপুত্র?২০১৮ সালে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দুর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর অস্বাভাবিক মৃত্যু-মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার ভবানীভবনে শুভেন্দুকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু তিনি হাজির হননি। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কলকাতা-সহ রাজ্যের পাঁচটি থানায় দায়ের হওয়া পাঁচটি মামলায় ওই দিনই হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানায়, শুভেন্দুকে আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না। নতুন এফআইআর হলে শুভেন্দুকে জানাতে হবে। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হার নিয়েও বুধবার সুর চড়ালেন মমতা। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে লড়তে গিয়েছিলাম, অপরাধ তো করিনি৷ আমার একটা আবেগ ছিল। অনেকে অনুরোধও করেছিলেন৷ বুথ অফিসার, আইসি, পর্যবেক্ষক বদলে দিয়ে খালি ছাপ্পা মারা হয়েছে৷ বাধ্য হয়ে এক জায়গায় গিয়ে বসে থেকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছি৷ এঁদের ষড়যন্ত্রের জন্য ফের নির্বাচনে আবার দাঁড়াতে হল৷ কিন্তু আমি ভবানীপুরে নিজের ঘরে ফিরে আসতে পেরেছি৷ আমি নিশ্চিত, ভবানীপুরের মানুষও চেয়েছিলেন আমি এখানেই থাকি৷

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

BIG BREAKING: 'গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে' খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমান

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বর্ধমানে খুন হল এক তৃণমূল কর্মী। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই তৃণমূল কর্মীর নাম অশোক মাঝি (৩৮)। জখম অশোক মাঝিকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানেই মারা যান তিনি। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে শহর বর্ধমানে।আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!জানা গিয়েছে, বর্ধমানে পুরপ্রশাসক বোর্ড গঠন হওয়ার পর থেকেই শহরে দলের একাংশ পথ অবরোধ, পুরসভায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলেই দলীয় সূত্রে খবর। যদিও এটা তৃণমূলের নীচু তলার ক্ষোভের ফল বলেই বিধায়ক ঘনিষ্ঠদের দাবি। শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মিছিল পাল্টা মিছিল চলছে। একপ্রকার শহরের রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ওয়ার্ডে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। তারই মধ্যে এই খুনের ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল।মঙ্গলবার ফের অশান্তি বর্ধমানে। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের উপর হামলার অভিযোগ উঠলো দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, পৌরসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে খালাসি পাড়ায় সেলিম ও তার সহযোগীদের কয়েকজন বহিরাগত রড, লাঠি দিয়ে আক্রমণ করে। তাঁর অভিযোগ, আক্রমণকারীরা বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাস ও তৃণমূল নেতা শিবশংকর ঘোষের অনুগামী। তাদের অঙ্গুলি হেলনেই তাঁর উপর হামলা করা হয়। হামলার ঘটনায় প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম সহ তিনজন জখম হয়। যদিও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। তিনি এই ঘটনায় কোন ভাবেই জড়িত নন।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

BJP murder: দাঁতনে খোলা মাঠে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার

ফের রাজ্যে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার। শনিবার সকালে খোলা মাঠে পড়ে থাকতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীর দেহ। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন থানা এলাকার ঘটনা। সকালে শ্রীকান্ত পাত্র নামে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় দাঁতন থানার শরশংকা এলাকায়। পরিবারের অভিযোগ কেউ বা কারা খুন করে দেহ রেখে দিয়ে গিয়েছে শ্রীকান্তের। তবে এই ঘটনা তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে মৃতদেহ।আরও পড়ুনঃ আদিমতার উল্লাস-মধ্যযুগীয় বর্বরতা-অস্ত্রের ঝনঝনানি, চুপ! সভ্যতা মুখে কুলুপ এঁটেছেএ দিন সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় শ্রীকান্তকে পড়ে থাকতে দেখা তাঁর পরিবার। শরশংকা এলাকার সারিকুটা গ্রামের বাসিন্দা তিনি। কী ভাবে খুন করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। বিজেপির এক স্থানীয় নেতার দাবি, শুধুমাত্র বিজেপি করে বলেই এমন পরিণতি হয়েছে শ্রীকান্তের। তাঁকে তৃণমূলকর্মীরা পিটিয়ে মেরে ফেলেছে বলে অভিযোগ বিজেপির। অন্যদিকে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগাযোগ নেই। পারিবারিক সমস্যার জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি।

আগস্ট ২১, ২০২১
রাজ্য

Asha worker: আশাকর্মী মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি কর্মী ইউনিয়নের, বিক্ষোভ-মিছিল

মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে আশা কর্মী মণিকা বোসকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে তাঁর সৎ ছেলে ও বৌমা। এই দুই অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে সকল আশা কর্মীরা।নিহত মণিকা বোসের ছবি দেওয়া ফ্লেক্স হাতে নিয়ে এদিন র্যালি করে জামালপুর ব্লক হাসপাতাল থেকে জামালপুর থানায় পৌছান কয়েক শো আশা কর্মী। সেখানে দাঁড়িয়েই শ্লোগান তুলে তাঁরা মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি জানান। পরে দাবির বিষয়টি নিয়ে আশা কর্মীরা থানায় স্মারকলিপিও জমা দেন। মৃত আশা কর্মীর বাবা কাশীনাথ নন্দীও এদিন থানা চত্ত্বরে হাজির থেকে চোখের জল মুছতে মুছতেই তাঁর মেয়ের খুনিরদের কঠোর শাস্তির দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশপশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের পূর্ব বর্ধমান জেলা ইনচার্য ঝর্ণা পাল জানিয়েছেন,তাঁদের সহকর্মী বছর ৪৫ বয়সী মণিকা বোস জামালপুর ব্লক হাসপাতাল অধীনে কাজ করতেন। প্রকৃত অর্থেই মণিকা ছিলেন একজন করোনা যোদ্ধা। জামালপুর থানা সংলগ্ন কালাড়াঘাট গ্রামে তাঁর স্বামীর বাড়ি। বাবার বাড়ি কালাড়াঘাটের অনতি দূরে জামালপুরের হাওয়াখানা পাড় এলাকায়। ঝর্না পাল বলেন, কালাড়াঘাট নিবাসী দিলীপ বোষের স্ত্রী তাঁর পুত্রসন্তান সুভাষকে জন্ম দেওয়ার কয়েক বছর পর মারা যান। এরপর সংসার সামলানো ও নাবালক সন্তান সুভাষকে প্রতিপালনের জন্য ব্যবসায়ী দিলীপ বোস পুনর্বিবাহের মনস্থির করেন। বছর ১৬ আগে দিলীপ বোসের সঙ্গে মণিকার সঙ্গে বিয়ে হয়। মণিকা নিজে নিঃসন্তান থেকে গিয়ে সুভাষকে পুত্র স্নেহে বড় করে তেলেন। বছর ১০-১১ আগে দিলীপ বোস মারা যান। তারপরেও সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। মণিকার সংসারে অশান্তি শুরু তাঁর সৎ ছেলে সুভাষ ছয় মাস আগে মণিকার মতামতকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে নিছের ইচ্ছায় বর্ধমানের বড়শুলের তরুণী আল্পনাকে বিয়ে করার পর থেকে। মণিকা এই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি। তাই গত সোমবার মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে করোনা যোদ্ধা মণিকাকে প্রাণে মেরে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁরই সৎ ছেলে ও বৌমার বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে মণিকার বাবা কাশীনাথ নন্দী জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে মণিকার সৎ ছেলে সুভাষ বোস ও তার স্ত্রী আল্পনা বোসকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের নির্দেশে তারা এখন জামালপুর থানার পুলিশি হেপাজতে রয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভবিনিসুতোয় প্রসঙ্গে অনিন্দিতা সরকারএদিন থানায় স্মারকলিপি প্রদান করে সকল আশা কর্মীরা মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সৎ ছেলে সুভাষ ও বৌমা আল্পনার দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা করার দাবি এদিন পুলিশকে জানান। একই দাবি থানার পুলিশ কর্তাদের কাছে রাখেন আশা কর্মী মণিকার বাবা কাশীনাথ নন্দীও। থানায় হাজির হওয়া আশা কর্মী শম্পা দাস, মিতা বিশ্বাস প্রমুখরা বলেন, আমাদের সহকর্মী মণিকাকে এই ভাবে খুন হতে হবে তা আমরা কেউ কল্পনাও করতে পারিনি। আমরা চাই মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর সাজা।যথাযথ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আশা কর্মীদের আশ্বস্ত করেছেন জামালপুর থানার পুলিশ কর্তারা।

আগস্ট ২০, ২০২১
কলকাতা

Torch Rally: বিজেপির মশাল মিছিলে তুলকালাম

বিজেপির মশাল মিছিল ঘিরে বিকেল গড়াতেই জায়গায় জায়গায় শুরু উত্তেজনা। ৯ অগস্ট থেকে সপ্তাহব্যাপী বিজেপির বাংলা বাঁচাও সপ্তাহ উদযাপন কর্মসূচি রয়েছে। প্রথম দিনই ছিল মশাল মিছিল। মুরলীধর সেন লেন, ভবানীপুরে এই মিছিল ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে। বিজেপির রাজ্য দপ্তর থেকে মিছিল বেরোতেই করোনা পরিস্থিতির কারণে তা আটকে দেয় কলকাতা পুলিশ। এরপরই শুরু হয় গোলমাল। বিজেপি অফিসের সামনে থেকে সাতজনকে আটক করে পুলিশ।করোনা পরিস্থিতির কারণে মশাল মিছিলে অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। বিজেপির দপ্তরের সামনে সে সংক্রান্ত পোস্টারও লাগানো হয় কলকাতা পুলিশের তরফে। অভিযোগ, সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই মশাল হাতে পথে নামেন বিজেপি কর্মীরা। বিজেপির রাজ্য দপ্তর মুরলীধর সেন লেন থেকে মশাল মিছিল এগোতে পারেনি। সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি পর্যন্ত এই মিছিলের গন্তব্য হলেও শুরুর আগেই তা থেমে যায়। আটদিন ব্যাপী পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচির প্রথম দিনই ধাক্কা বিজেপি কর্মীদের।আরও পড়ুনঃ আজ ঝাড়গ্রাম সফরে মুখ্যমন্ত্রীপরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। বিজেপি কর্মীদের সামলাতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন হয়। পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগেনোর চেষ্টা হয়। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় পুলিশের। পরে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ চত্বরে মাটিতে বসে পড়ে বিক্ষোভে সোচ্চার হতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা।এদিকে, পুলিশ মিছিল আটকানোয় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, দ্বিচারিতা করছে তৃণমূল, পুলিশ দিয়ে বিজেপিকে আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। এরই পাশাপাশি এদিন বিজেপির মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় ভবানীপুরেও। মশাল মিছিল করতে আগেভাগে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে জড়ো হয়েছিলেন বিজেপি কর্মীরা। মিছিল শুরুর আগেই সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশ।মিছিল শুরুর চেষ্টা হলেই পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে আটক করে পুলিশ। এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলাতেও এদিন বিজেপির কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্তের নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয় ঘোলায়। পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পুলিশের সঙ্গে তুমুল তর্কাতর্কি বেধে যায় বিজেপি নেতৃত্বের।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

BJP: ফের উদ্ধার ২ বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ

ফের রাজ্যে ঝুলন্ত বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার। বীরভূম জেলার খয়রাশোল থানার অন্তর্গত হজরতপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, বিজেপির বুথস্তরের কর্মী ইন্দ্রজিৎ সূত্রধর হজরতপুর পঞ্চায়েতের ৪৬ নম্বর বুথের সভাপতি ছিলেন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর দেহ ঝুলছিল পরিত্যক্ত বাড়িতে। গলায় ফাঁস দিয়ে ওই ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে খয়রাশোল থানার পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, এগরা বিধানসভার কসবা এগরা অঞ্চলের হরিপুর বুথের বিজেপি কর্মী তপন খাটুয়াকে রাতের অন্ধকারে ডেকে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। গতকাল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আজ তাঁর দেহ উদ্ধার হয় বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে।

আগস্ট ০৩, ২০২১
দেশ

Railway: করোনায় প্রাণ গিয়েছে ২,৯০৩ জন রেলকর্মীর

করোনা মহামারি আঘাত হানার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ভারতীয় রেলে মোট ২ হাজার ৯০৩ জন কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সংসদে এমনটাই জানান। রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে লিখিত আকারে এই তথ্য পেশ করা হয়। অশ্বিনী আরও উল্লেখ করেছেন, এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত ২ হাজার ৭৮২ জন রেলকর্মীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুমন্ত্রী জানান, কর্মরত অবস্থায় কোনও কর্মীর মৃত্যু হলে ভারতীয় রেলের তরফে তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সংশ্লিষ্ট নীতি রয়েছে। রেলওয়ে কর্মীর ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের করোনায় মৃত্যু হলে এই স্কীমের সমস্তরকম সুবিধা রেলের তরপে দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, এখনও পর্যন্ত রেলের প্রায় ৮ লাখ ৬৩ হাজার ৮৬৮ জন কর্মীকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৮৪ জনকে দ্বিতীয় ডোজটিও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।রেলওয়ে কর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমান সেন্টার খুলে পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকাকর্মীও নিয়োগ করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব রেলওয়ের সমস্ত কর্মীকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্পূর্ণ করা হবে বলেও বৈষ্ণব জানিয়েছেন।RAILWAYS LOST 2,903 EMPLOYEES DUE TO COVID-19 : RAIL MINISTER. pic.twitter.com/zMF49PJcbz Eastern Railway (@EasternRailway) July 24, 2021

জুলাই ২৫, ২০২১
কলকাতা

Birati Murder: একুশের রাতে বিরাটিতে তৃণমূল কর্মী খুনে চাঞ্চল্য

একুশে জুলাইয়ের রাতে খুন তৃণমূল কর্মী। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বিরাটির বণিক মোড়ে। মৃত তৃণমূল কর্মীর নাম শুভ্রজিত দত্ত ওরফে পিকুন, বয়স ৩৮। তাকে গুলি করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠছে বিজেপির দিকে। জানা গিয়েছে, ঘটনার ওই তৃণমূল কর্মী উত্তর দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎই বাইকে করে একদল দুষ্কৃতী এসে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। মাথা ও বুক লক্ষ্য করে চার থেকে পাঁচটি গুলি করে। সেখানেই লুটিয়ে পড়েন শুভ্রজিৎ দত্ত। এই ঘটনার পরেই এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়েই সেখানে যায় নিমতা থানার বিশাল পুলিশ। উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে পুলিশ। সেখানে পৌঁছয় ব্যারাকপুর ও বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ বাহিনীও। আহত অবস্থায় তাকে উত্তর দমদম পুরসভার হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। রাতেই তাঁর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আরজিকর হাসপাতালে পাঠানো হয়। আরও পড়ুনঃ ফোন ট্যাপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চান মমতাএলাকায় চাপা উত্তেজনা থাকায় পুলিশ পিকেটিং বসানো হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে নিমতা থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকার দুষ্কৃতী বাবুলাল সিংয়ের নাম উঠে আসছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওইদিন দুপুরে বাবুলাল সিংকে মারধর করে কয়েকজন। এতে বাবুলালের মাথায় আঘাত লাগে। সেই সময় নিমতা থানার পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে বাইপাসের ধারে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাবুলাল। আর এরপর রাতেই গুলিবিদ্ধ হন তৃণমূল কর্মী। এই ঘটনার সঙ্গে দুপুরের ঘটনার কোন যোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে নিমতা থানার পুলিশ।

জুলাই ২২, ২০২১
দেশ

BJP: দিল্লিতে বিজেপির শহিদ দিবস পালন

প্রতি বছরের মতো এ বারও ২১ জুলাই শহিদ দিবস পালন করছে তৃণমূল। আর এ বার একুশের একুশে জুলাইয়ের চেহারা কিছুটা অন্যরকম। এক দিকে যখন তৃণমূল জাতীয় স্তরে শহিদ দিবস পালনের কর্মসূচি নিয়েছে, অন্যদিকে এই দিনটাকেই শহিদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বেছে নিয়েছে বিজেপি। এ দিন দিল্লিতে রাজঘাটে ধরনায় বসেছেন বিজেপি সাংসদেরা। সেখানে বসে দিলীপ এ দিন বলেন, যারা অহিংসার কথা বলছে, তারাই আজ হিংসা ছড়াচ্ছে। বিজেপির ১৭৫ জন কার্যকর্তা শহিদ হয়েছে বলে দাবি বিজেপির।আরও পড়ুনঃ ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস এবারও ভার্চুয়াল, হতাশ শক্তিগড়ের ল্যাংচা ব্যাবসায়ীরাবিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, এ দিন কলকাতা ও জেলার বিজেপি অফিসে শহিদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। এ ছাড়া সাংসদরা উপস্থিত হয়েছেন বিজেপি সাংসদেরা। এ দিন দিলীপ ঘোষ বলেন, বিজেপি ১৭৫ জন খুন হয়েছেন। অভিযোগ জানানোরও সুযোগ পায়নি তাদের পরিবার। মূলত হিংসার প্রতিবাদে এ দিন বিজেপি কর্মসূচি নিয়েছে।মঙ্গলবারই সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, রাজ্যের প্রকৃত অবস্থা জানাতে বুধবার মানুষের সামনে যাবে বিজেপি। আক্রান্ত মানুষ, বিপন্ন গণতন্ত্র। তাই শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলির পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। ২১ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টায় দিল্লির রাজঘাটে বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে অন্যান্য বিজেপি সাংসদরা ধরনায় বসেছেন।

জুলাই ২১, ২০২১
রাজ্য

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে মারধরে গ্রেপ্তার ২ বিজেপি কর্মী

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন বিজেপির দুই কর্মী। ধৃতদের নাম মুক্তিপদ কোলে ও চরণ দাস। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার বেরুগ্রাম অঞ্চলের হৈবতপুর গ্রামে তাদের বাড়ি। জামালপুর থানার পুলিশ সোমবার রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনার জেরে হৈবতপুর গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়েছে। বেরুগ্রাম অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি সেখ আব্দুস সালাম যদিও দাবি করেছেন, ধৃত দুইজনই তৃণমূলের কর্মী। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাঁদের বিজেপি কর্মী তকমা দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ গুগল পিসেমশাই জন্মদিনের তারিখ ভুল বলছে মনামীরপুলিশ জানিয়েছে, জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা অঞ্জনা দলুই সোমবার রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ ১০০ দিনের কাজ নিয়ে এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। অভিযোগ সেই সময় বিজেপির লোকজন রড, লাঠি প্রভৃতি নিয়ে তাঁদের উপর হামলা চালায়। পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে মারধর করা হয়। চোখে আঘাত লাগলে তিনি সংজ্ঞা হারান। তাঁর সোনার হার, কানের দুল ও মোবাইল খোয়া যায়। আক্রান্ত পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করায় দলের কর্মীরা। ঘটনার কথা জানিয়ে ওই রাতেই অঞ্জনা দলুই জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিজেপির দুজনকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তকারী অফিসারের কাছে সপ্তাহে ১ দিন হাজিরা এবং অভিযোগকারী ও ঘটনার সাক্ষীদের ভীতি প্রদর্শন না করার শর্তে সিজেএম ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।

জুলাই ১৩, ২০২১
কলকাতা

Bhatpara: ভরসন্ধেয় ভাটপাড়ায় গুলি

ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া। মঙ্গলবার বিকেলে পুরসভা কম্পাউন্ডে চলল গুলি। পুরসভার ঠিক উল্টোদিকে রয়েছে ভাটপাড়া থানা। অভিযোগ উঠেছে, থানার নাকের ডগায় এক দুষ্কৃতী গুলি চালিয়ে চম্পট দিল, অথচ পুলিশ তাকে পাকড়াও করতে পারলো না! জানা গিয়েছে, পুরসভা কম্পাউন্ডে একটি বেসরকারি ব্যাংকের এটিএম কাউন্টার আছে। সেখানে তৃণমূল কর্মী সৌরভ অধিকারীর সঙ্গে এক যুবকের বচসা চলছিল। বচসা থেকে দুপক্ষের মধ্যে মারপিট বেঁধে যায়। সৌরভকে বেধড়ক মারে ওই যুবক। এমনকী, সৌরভকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় ওই যুবক। যদিও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান ওই তৃণমূল কর্মী।আরও পড়ুনঃ কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মীর ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ হাইকোর্টেরআক্রান্ত তৃণমূল কর্মী সৌরভ অধিকারী ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর হিমাংশু সরকারের ছায়াসঙ্গী। ঘটনার সময় বিদায়ী কাউন্সিলর হিমাংশু সরকার পুরসভায় ছিলেন। আক্রান্ত সৌরভকে নিয়ে তিনি ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর সৌরভকে ছেড়ে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গুলি কাণ্ডে জড়িত যুবকের পুলিশ খোঁজ চালাচ্ছে। যদিও ঘটনার কারণ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে চায়নি আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী ও বিদায়ী কাউন্সিলর হিমাংশু সরকার। অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়ায় জেরেই মারপিট এবং গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। যদিও গোষ্ঠী দ্বন্দের তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছেন পুর প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য মুকসুদ আলম।

জুলাই ১৩, ২০২১
কলকাতা

High Court: কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মীর ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ হাইকোর্টের

বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন কাঁকুড়গাছিতে হিংসায় মৃত্যু হয় বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের। এবার অভিজিৎ সরকারের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সাত দিনের মধ্যে মুখবন্ধ খামে তা জমা দেওয়ার জন্য রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিনে ভাটা, বন্ধ হচ্ছে দিল্লির একাধিক টিকাকেন্দ্রভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিতের দেহ শনাক্ত করা যায়নি বলে হাইকোর্টে অভিযোগ জানিয়েছিল তাঁর পরিবার। মঙ্গলবার শুনানিতে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, অভিজিতের ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে। কলকাতার কম্যান্ড হাসপাতাল নমুনা সংগ্রহ করবে। তার পর সেই নমুনা পাঠানো হবে সিএফএসএল (সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি)-এর কাছে। সেখানেই নমুনা পরীক্ষা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে। এই পরীক্ষাটি অগ্রাধিকারের সঙ্গে করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। অভিজিতের দেহ শনাক্ত করার জন্য এই পরীক্ষা জরুরি বলেই জানিয়েছেন বিচারপতিরা। আরও পড়ুনঃ রাশফোর্ডদের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য, সাউথগেটের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উল্লেখ্য, গত ২ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে হিংসায় মৃত্যু হয়েছিল বিজেপি কর্মী অভিজিতের। তাঁর পরিবার অভিযোগ করে, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে মেরে ফেলেছে অভিজিৎকে। গত ২ জুলাই হাইকোর্ট অভিজিতের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয়। কিন্তু আদালতে অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার জানান, তাঁর ভাইয়ের মৃতদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তাঁরা নিশ্চিত হয়ে পারছেন না যে মৃতদেহটি অভিজিতেরই। তার পরেই এই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

জুলাই ১৩, ২০২১
কলকাতা

Gun fire at Santragachi: সাঁতরাগাছির বহুতল আবাসনে গুলি

হাওড়ার সাঁতরাগাছি এলাকার বহুতল আবাসনের এক ফ্ল্যাটে চলল গুলি। শুক্রবার সকালে দুষ্কৃতীরা বাইকে করে এসে গুলি চালায়। গুলিচালনার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় আবাসনে। অভিযোগ, এদিন সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ পেশায় রেলকর্মী সুনীল কুমার বেহেরার ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে গুলি চালান হয়। দুষ্কৃতীরা তাঁর ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে মোট ২ রাউন্ড গুলি চালায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। এই ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে সাঁতরাগাছি ঝিল সংলগ্ন স্যানচুয়ারি ভিউ অ্যাপার্টমেন্টে। সাঁতরাগাছি থানার পুলিশ ওই রেলকর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গুলি চালানোর বিষয়ে রেলের সিনিয়র প্যাসেঞ্জার গার্ড নন্দকিশোর রাম জানিয়েছেন, এদিন সকালে লোকো ইন্সপেক্টর এস কে বেহেরার ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে করে গুলি চলে। একটা গুলি দরজা ভেদ করে চলে যায়। তারপর দরজা খুললে আরও একটা গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। সেই গুলি ঘরের ভেতরে চলে যায়। দুই রাউন্ড গুলি চলেছিল। কেন গুলি চালানো হল তা জানা যায়নি। আরও পড়ুনঃ কসবা-কাণ্ডে দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে এফআইআরঅন্যদিকে, হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ প্রতীক্ষা ঝারখারিয়া জানিয়েছেন, এটা গুলি চালানোর ঘটনা। সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ দুজন লোক বাইকে করে এসে গুলি চালায়। পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা, আর তার জন্যই গুলি চালনা বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। যারা এই কাজ করেছে তারা রেলওয়ে কর্মী নয়, তবে রেলের কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে মনে করছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই তদন্তে কিছু তথ্য হাতে এসেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

ন্যাঁড়া হয়ে তৃণমূলে ফিরলেন ৫০০ কর্মী

এবার আরামবাগের বিজেপি শিবিরে ভাঙন। পদ্মশিবিরে যোগের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে ন্যাঁড়া হয়ে সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের হাত ধরে তৃণমূলে (TMC) ফিরলেন প্রায় ৫০০ কর্মী। এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। একুশের নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections) আগে তৃণমূল ত্যাগের হিড়িক পড়ে গিয়েছিল নেতা-কর্মীদের মধ্যে। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু কর্মী শিবির বদলে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। কিন্তু কয়েকমাসের মধ্যেই তাঁদের মোহভঙ্গ হয়েছে। দলবদলু বহু নেতা-কর্মীই ধীরে ধীরে ফিরছেন ঘরে। মঙ্গলবার তৃণমূলে ফিরলেন আরামবাগের ৫০০ বিজেপি কর্মী। এদিন তাঁরা প্রত্যেকে ন্যাঁড়া হন। জানা গিয়েছে, বিজেপিতে গিয়ে ভুল করেছিলেন, তার প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ ন্যাঁড়া হয়েছেন ওই কর্মীরা। ফিরে এসেছেন তৃণমূলে। এ বিষয়ে সাংসদ অপরূপা পোদ্দার বলেন, ভোটের আগে কর্মীদের ভুল বুঝিয়ে বিজেপিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এখন প্রত্যেকে ভুল বুঝতে পারছেন তাই ফিরে আসছেন। আর প্রত্যেকে স্বেচ্ছায় প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য ন্যাঁড়া হয়েছেন।

জুন ২২, ২০২১
রাজ্য

Homeless: জঙ্গলে তাবু খাটিয়ে দিন কাটানো ঘরছাড়া বিজেপি নেতাদের পাশে নকশাল নেতৃত্ব

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ঘরবাড়ি ছাড়া হয়ে জঙ্গলে তাঁবু খাটিয়ে দিন কাটানো বিজেপি কর্মী পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াননি কোনও বিজেপি নেতা।মানবিকতার খাতিরে শেষ পর্যন্ত নকশাল নেতৃত্বই পাশে দাঁড়ালেন পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের প্রেমগঞ্জ গ্রামের ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের পাশে।তাদের বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করার জন্য আউশগ্রাম ২ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির কাছে চিঠি লিখে আবেদন জানালেন সিপিআইএমএল(রেডস্টার) সংগঠনের বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক। এই ঘটনা বিজেপি নেতাদের মুখ যথেষ্টই পোড়াল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল । আউশগ্রাম ২ ব্লকের প্রত্যন্ত গ্রাম প্রেমগঞ্জ। এবারের বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর প্রেমগঞ্জ গ্রামে বিজয় মিছিল করে তৃণমূল । তার পরেই গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে। ঘরছাড়া থাকা বিজেপি কর্মী কমল বাগদি ,বলরাম বাগদি প্রমুখরা বলেন , তৃণমূলের বিজয় মিছিলে থাকা লোকজন বেছে বেছে এলাকার বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের বাড়িতে চড়াও হয় । বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধোর শুরু হয় । এরপর প্রাণভয়ে ওইদিন রাতেই তাঁরা প্রায় ২৫ - ৩০ টি বিজেপি সমর্থক পরিবার বাড়ি ছাড়েন। তার পর থেকে এক মাসের বেশি দিন হয়েগেল তারা প্রেমগঞ্জ থেকে বহু দূরে কাঁকশা লাগোয়া ভাতকুণ্ডা গ্রামের অদূরে জঙ্গলের ভিতরে দুটি তাঁবুতে বসবাস করছেন। সঙ্গে ১০টি ছোট বাচ্চাও রয়েছে। কমল বাগদি জানান, বাড়ি ফিরলে ফের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের হামলার মুখে পড়তে হতে পারে, এই ভয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারছেন না। আধপেটা খেয়ে তাঁবুতে অসহায়ভাবে দিন কাটিয়ে চললেও বিজেপি নেতারা কেউ পাশে দাঁড়াননি। ঘরছাড়ারাই জানান, এই অসময়ে তাঁদের কিছুটা হলেও সহযোগিতা করছে একমাত্র নকশাল সংগঠন।এই বিষয়ে সিপিআইএমএল(রেডস্টার) সংগঠনের জেলা সম্পাদক ফতেমা বেগম বলেন, ঘরছাড়া অসহায় পরিবারগুলি রাজনৈতিক হিংসার শিকার।তাঁরা খুব কষ্টে দিন কাটচ্ছে বলে মানবিকভাবেই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফতেমা বেগম জানান, ওই ঘর ছাড়াদের বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করার জন্যে তিনি চিঠি লিখেও আউশগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। আউশগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সৈয়দ হায়দর আলি বলেন,যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। ওদের গ্রামে ফিরতে কেউ নিষেধ করেনি।ওরা গ্রামে ফিরুক, কোন অসুবিধা নেই ।জেলা বিজেপির সম্পাদক শ্যামল রায় বলেন, ঘরছাড়াদের পাশে বিজেপি নেতারা দাঁড়ায়নি এই কথা সঠিক নয় । ওদের বিষয়ে প্রশাসনকে বলা হলেও কোন কাজ হয়নি। বাড়ি ফিরলেই তৃণমূলের লোকজন ফের আক্রমণ করবে এই ভয়ে ঘরছাড়ারা ঘরে ফিরতে পারছেন না।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

সাংবাদিক বৈঠক: 'তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান কর্মীরাই'

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেব দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেখান থেকে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, দলের আসল সম্পদ দলীয় কর্মীরাই। তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান তাঁরাই। বাংলা জয়ের পর তৃণমূলের দেশ জয়ের ব্লু প্রিন্টের প্রাথমিক খসড়াও দিয়ে দিলেন তিনি। সাংবাদিক সম্মেলন থেকে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে। সবমিলিয়ে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের মতোই সামলালেন সাংবাদিকদের প্রশ্নপর্বও। ২০০৭ সাল থেকে রাজনীতিতে থাকলেও এর আগে অভিষেককে সাংবাদিক সম্মেলন করতে দেখা যায়নি। এবার নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর সোমবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন তিনি। সেখান থেকে দলীয় কর্মীদের তাঁর বার্তা, দলে প্রথম বা প্রধান মুখই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান কর্মীরাই। আমি না। যাঁরা লড়াই করে বাংলায় দলকে ক্ষমতায় এনেছে। এদিন তিনি জানান, দল নতুন দায়িত্ব দিয়েছে। প্রবীণদের আর্শীবাদ নিয়ে কাজ করছি। গতকাল সুব্রত বক্সি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেছি। আজ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও দেখা করব। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেওয়ার পর অভিষেকের এহেন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।পরিবারতন্ত্র, পিসির ভাইপো এ ধরনের অরাজনৈতিক আক্রমণে বিদ্ধ তিনি। রাজনৈতিক পথেই তার সপাট জবাব দিয়েছেন।আর তাতেই পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদে।তিনি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রীর অত্যন্ত স্নেহ, ভরসার পাত্র বুঝিয়ে দিলেন তাঁর লক্ষ্য স্থির। বললেন, যে দায়িত্ব পেয়েছি, তাতে আগামী দিনে দলের বিস্তারে আরও কাজ করব।দলকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাব। লিখে রাখুন, আগামী কুড়ি বছর রাজ্য প্রশাসনের কোনও পদ আমি নেব না। পরিবারতন্ত্র নিয়ে কটাক্ষেরও জবাব দিলেন প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে।এদিনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও খোঁচা দেন অভিষেক। বললেন, বিরোধী দলনেতা কুৎসা করছেন। ৪০ লক্ষ বাঙালি বিজেপিশাসিত রাজ্যে রয়েছেন বলে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন। আমি বলব, কুৎসা করবেন না। বিরোধী দলনেতার ভূমিকা পালন করুন।

জুন ০৭, ২০২১
কলকাতা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসা ও মারামারি, বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে সাময়িক বন্ধ পরিষেবা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসার জেরে বুধবার সারাদিন বেহাল পরিষেবা অবস্থা থাকল হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় নানা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন রোগীরা। অনেক রোগীর পরিবারের সদস্যরাই অভিযোগ তোলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিনভর বচসা ও মারামারি করায় অনেকে খাবার জলটুকুও পাননি। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরজুড়ে এক অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় যত্রতত্র পড়ে থাকে পিপিই কিট। চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার মদ্যপ অবস্থায় মারধর করেছেন, এই অভিযোগেই কাজ বন্ধ করে দেন স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ। এমনকী, বুধবার দুপুরে এই কোভিড হাসপাতালের ভিতরেই স্বাস্থ্যকর্মীদের দুই পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি বেধে যায়। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কাজ। ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার রাতে। হিল্লোল বন্দোপাধ্যায় নামে চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীর অভিযোগ, তাঁদের এক কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার ওদিন রাতে মদ্যপ অবস্থায় মারধর করে। তাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। আর সে কারণেই নিরাপত্তার দাবিতে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেন। এদিন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের প্রায় ৩৭ জন চতুর্থ শ্রেণির চুক্তিভিত্তিক সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। অপরদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে সেই চুক্তিভিত্তিক সুপারভাইজার লাল্টু বিশ্বাস অবশ্য অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অনেক রোগীর পরিজনরাই তাঁদের রোগীদের ওই হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করার চেষ্টা করেন। পরিষেবা না পাওয়ার জন্য এদিন হাসপাতালে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা।৩০০ শয্যার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় সমস্যায় পড়েন বহু রোগী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এদিন বিকেলেই স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের ডেপুটি সুপার। সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয় বলে জানান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক।

মে ১২, ২০২১
কলকাতা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসা ও মারামারি, বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে সাময়িক বন্ধ পরিষেবা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসার জেরে বুধবার সারাদিন বেহাল পরিষেবা অবস্থা থাকল হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় নানা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন রোগীরা। অনেক রোগীর পরিবারের সদস্যরাই অভিযোগ তোলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিনভর বচসা ও মারামারি করায় অনেকে খাবার জলটুকুও পাননি। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরজুড়ে এক অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় যত্রতত্র পড়ে থাকে পিপিই কিট। চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার মদ্যপ অবস্থায় মারধর করেছেন, এই অভিযোগেই কাজ বন্ধ করে দেন স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ। এমনকী, বুধবার দুপুরে এই কোভিড হাসপাতালের ভিতরেই স্বাস্থ্যকর্মীদের দুই পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি বেধে যায়। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কাজ। ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার রাতে। হিল্লোল বন্দোপাধ্যায় নামে চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীর অভিযোগ, তাঁদের এক কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার ওদিন রাতে মদ্যপ অবস্থায় মারধর করে। তাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। আর সে কারণেই নিরাপত্তার দাবিতে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেন। এদিন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের প্রায় ৩৭ জন চতুর্থ শ্রেণির চুক্তিভিত্তিক সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। অপরদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে সেই চুক্তিভিত্তিক সুপারভাইজার লাল্টু বিশ্বাস অবশ্য অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অনেক রোগীর পরিজনরাই তাঁদের রোগীদের ওই হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করার চেষ্টা করেন। পরিষেবা না পাওয়ার জন্য এদিন হাসপাতালে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা।৩০০ শয্যার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় সমস্যায় পড়েন বহু রোগী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এদিন বিকেলেই স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের ডেপুটি সুপার। সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয় বলে জানান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক।

মে ১২, ২০২১
কলকাতা

শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মীরাই চড়তে পারবেন স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে

রেলকর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া আর কেউ চড়তে পারবেন না স্টাফ স্পেশ্যালে, সাফ জানালো রেল। স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে উপযুক্ত পরিচয়পত্র থাকলে তবেই তাঁরা উঠতে পারবেন ট্রেনে। অন্য কেউ যাতে রেল পরিষেবা ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য কঠোর পদক্ষেপ করছে রেল।এবিষয়ে হাওড়ার ডিআরএম সুমিত নারুলা বলেন, স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া আর কেউ স্টাফ স্পেশ্যালে উঠতে পারবেন না। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর নজর রাখতে ট্রেনগুলিতে কামরা আলাদা করে নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্যই তা বরাদ্দ থাকছে। হাওড়ামুখী ট্রেনগুলির একেবারে সামনের দুটি কামরা সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মীরা ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য তাঁদের কাছে সঠিক পরিচয়পত্র থাকতে হবে। টিকিট পরীক্ষক তাঁদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখবেন। রেলকর্মীরা যাতে সংক্রমিত না হন, তা সুনিশ্চিত করতেই দূরত্ব বিধি মেনে ট্রেন যাত্রার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ, রেলকর্মীদের মধ্যে অতিমাত্রায় সংক্রমণের ঘটনা ঘটছে। পূর্ব রেলের মেনস ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অমিত ঘোষ বলেন, নির্ধারিত দিনক্ষণ জানা না গেলেও কয়েকদিনের মধ্যে শিয়ালদহ ডিভিশনে কোভিডে মৃত কর্মীদের তালিকা সোমবার হাতে এসেছে। যাতে দেখা গিয়েছে, শিয়ালদহ ডিভিশনে ৩০ জন মারা গিয়েছেন অল্প কয়েকদিনের মধ্যে। তিনি বলেন, বিআর সিং হাসপাতালে পালমোনোলজিস্ট মাত্র একজন। ফলে চরম বিপদের মধ্যে পড়ছেন রেলকর্মীরা। উপযুক্ত চিকিৎসা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সোমবার করুণাময় মুখোপাধ্যায় নামের এক রেলকর্মী মাস দুয়েক আগে অবসর নিয়েছেন। তাঁর বুকে সংক্রমণ তীব্র আকার নিলেও চিকিৎসা হয়নি। তিনি আবার মেনস ইউনিয়নের দক্ষিণদাঁড়ির সাধারণ সম্পাদক। তাঁকে এদিন ভেন্টিলেশনে পাঠানো হয়। পূর্ব রেলের স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রিন্সিপ্যাল চিফ মেডিক্যাল ডিরেক্টর রুদ্রেন্দু ভট্টাচার্য বলেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ পাঠালেই তাঁকে নিয়োগ দেবে পূর্ব রেল।এদিকে দীর্ঘ দাবির পর সোমবার থেকে রামপুরহাটে রেলের হেলথ সেন্টারে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হল। এরপর বর্ধমান হেলথ সেন্টার পেলে দূর থেকে কর্মীদের কলকাতায় ভ্যাকসিন নিতে আসতে হবে না। এই দাবি বেশ কিছুদিন ধরে করে আসছিল রেলের চিকিৎসক মহল। এদিকে রেলের অসংখ্য টিকিট পরীক্ষক আক্রান্ত হওয়ায় শহরতলির টিকিট পরীক্ষকদের এবার মেল এক্সপ্রেসে টিকিট পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে।

মে ১১, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে ভোটপরবর্তী হিংসার বলি ৬ বিজেপি কর্মী

ভোটের ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই ফের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল কোচবিহারের শীতলকুচিতে। ফের রক্ত ঝরল সেখানে। সোমবার সকাল থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। দুপক্ষের সংঘর্ষে চলে গুলি। আর তাতেই পেটে গুলি লেগে মৃত্যু হল এক বিজেপি কর্মীর। এ নিয়ে ফের অশান্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের এই স্পর্শকাতর কেন্দ্র। সোমবার নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় তপ্ত রইল রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তও। পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় তৃণমূল সমর্থক এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। প্রসঙ্গত, এই জেলায় তৃণমূল-বিজেপি ১৬-০ ফলাফলের পর এমন অশান্তি বলে দাবি বিজেপির। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় খুন হয়েছেন এক আইএসএফ সমর্থকও।ভোটের দিন থেকে খবরের শিরোনামে কোচবিহারের এই কেন্দ্র। গত ১০ তারিখ ভোটের দিন এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ ভোটারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্য। এই কেন্দ্রের অন্তর্গত জোড়পাটকির ১২৬ নং বুথের বাইরে এই ঘটনার জেরে ভোটপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। ২৯ এপ্রিল ফের সেখানে ভোট নেওয়া হয়। জনরায় অবশ্য গিয়েছে বিজেপির পক্ষে। শীতলকুচি কেন্দ্রে ২১ হাজারের বেশি ভোটে তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়কে হারিয়ে জিতেছেন বিজেপির বরেনচন্দ্র বর্মন। এবার সেই ফলাফলের পরদিনও ফের উত্তাপ বাড়ল শীতলকুচিতে। বুড়াপঞ্চার হাট এলাকায় তৃণমূল-বিজেপি দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ের মাঝে পড়ে প্রাণ হারাতে হল তরতাজা এক যুবককে। তাঁকে নিজেদের সমর্থক বলে দাবি করেছে গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, পেটে গুলি লাগার পর তাঁকে দিনহাটার হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সমসপুর গ্রাম নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই উত্তপ্ত। সোমবার বেলার দিকে এখানে ফলাফল নিয়েই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। তা চরমে ওঠে, শুরু হয় হাতাহাতি, সংঘর্ষ। সমসপুরের বাসিন্দা বছর ষাটের গণেশ মালিক তা আটকাতে যান। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত হন তিনি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। গণেশ মালিকের পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা তাঁকে বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেদম প্রহারের পরই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দায়ের হয়েছে খুনের অভিযোগ। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্রের বক্তব্য, পূর্ব বর্ধমানের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৬টিতেই জিতেছে তৃণমূল। তার বদলা নিতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি। এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকাংশ আসনে তৃণমূলের জয়ের পর বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চলছে বলে অভিযোগ। খেজুরি, ভগবানপুর, উত্তর কাঁথি এলাকায় বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছেন বহু বিজেপি সমর্থক।গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৬ জন বিজেপি কার্যকর্তাকে খুন করা হয়েছে, তারা হলেন, জগদ্দলের শোভারানী মণ্ডল, রানাঘাটের উত্তম ঘোষ, বেলেঘাটার অভিজিৎ সরকার, সোনারপুর দক্ষিণের হরম অধিকারী, শীতলকুচির মোমিক মৈত্র, বোলপুরের গৌরব সরকার।

মে ০৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ভারতে আর শান্তি পাই না’, তুমুল বিতর্কের মাঝেই সঞ্জয় দত্তের ইউটার্ন! কী সাফাই দিলেন মুন্নাভাই?

ভারতে আর শান্তি পাই নাশেখর সুমনের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অভিনেতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে না হতেই এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন সঞ্জয়। অভিনেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং পুরো কথোপকথনটাই ছিল আগে থেকে লেখা ও হালকা মেজাজের।শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেছিলেন, ভারতের মানুষ অত্যন্ত ভালো ও অতিথিপরায়ণ। কিন্তু ইদানীং দেশে আগের মতো শান্তি তিনি অনুভব করছেন না। সেই শান্তির সময় যেন দ্রুত ফিরে আসে, শিবের কাছে এমন প্রার্থনা করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। এই মন্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক।এর পরেই সঞ্জয় দত্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে অপমান বা অসম্মান করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল না বলে জানান অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের কথোপকথনটি চিত্রনাট্য মেনেই তৈরি হয়েছিল এবং দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই তা বলা হয়েছিল।সঞ্জয়ের ব্যাখ্যা, তাঁর কথাগুলিকে অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা হয়েছে। মুন্নাভাই ছবির হাস্যরস ও ব্যঙ্গের ধাঁচেই কথাগুলি বলা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে গান্ধীগিরি-র ভাবনার মাধ্যমে ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়াই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই বক্তব্যের মূল ভাবটি হারিয়ে গিয়ে তা অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের সূত্রপাত মূলত অনুষ্ঠানের সেই অংশ নিয়ে, যেখানে সঞ্জয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করেছিলেন। পরে তাঁর বক্তব্যের আরও কিছু অংশও সামনে আসে, যেখানে মুন্নাভাই-এর ভঙ্গিতে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং শান্তির বার্তা ছিল। ফলে পুরো কথোপকথনটি কী প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।তবে বিতর্ক থামেনি। মন্তব্যটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে সঞ্জয়ের বক্তব্য, তাঁর কথার উদ্দেশ্য ছিল না কাউকে ছোট করা বা দেশের মানুষকে অসম্মান করা। বরং হাস্যরসের মাধ্যমে শান্তি, ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।ফলে একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অন্য মোড় নিয়েছে। প্রথমে ভারতে শান্তি নেই মন্তব্য, তার পর সমাজমাধ্যমে সমালোচনা এবং শেষে অভিনেতার চিত্রনাট্য-নির্ভর কথোপকথনের ব্যাখ্যাসঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এই বিতর্কে আপাতত নজর তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
দেশ

সর্বসম্মতি না থাকলে এসআইআর বাতিল? জ্ঞানেশ কুমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন ঘিরেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।মামলাকারীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব কমিশনারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী বিকাশ সিং আদালতে অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একক ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পর্যায়ে আদালত জ্ঞানেশ কুমারকে স্থগিত করার অন্তর্বর্তী আবেদন গ্রহণ করেনি।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক জোশীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কাজের ক্ষেত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেই রক্ষাকবচের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।এই মামলায় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলাকারীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়েই মূল আপত্তি জানানো হয়েছে।শুনানিতে ফর্ম-৬-এর পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে আসে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরে সেই পরিবর্তন সরিয়ে নেয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে দুই নির্বাচন কমিশনার ওই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।ফর্ম-৬ নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, ওই পরিবর্তন কে করেছিলেন। আদালতের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, ফর্ম-৬-এ যে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার জন্য আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে কী ভাবে এবং কার নির্দেশে পরিবর্তন হয়েছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এসআইআর নিয়েও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি সাংবিধানিক ভাবে নির্ধারিত যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থাকে, তা হলে সেই সিদ্ধান্তগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এসআইআর ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে বা আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেএমন কোনও নির্দেশ এই শুনানিতে দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নোটিস জারি করে পরবর্তী শুনানির পথ তৈরি হয়েছে।এর আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, গত এক বছরে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত ছিল। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য বা পরামর্শ থাকলেও তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। অন্য দিকে, প্রকাশিত নথি নিয়ে প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা উঠে এসেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।এখন নজর পরবর্তী শুনানির দিকে। ফর্ম-৬ পরিবর্তনের বিষয়টি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে আদালত কী বলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে মামলাটি কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই এখন অপেক্ষা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে হাজার হাজার মানুষ, ইসলামাবাদমুখী মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা!

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে ফের বড় মিছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকেরা। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছনো।ইমরানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই-ইনসাফের আলোচনা কোনও সমাধানে পৌঁছয়নি। এরপরই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মিছিল শুরু করে ইমরানপন্থীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সমর্থক লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হন। মিছিলের সঙ্গে থাকা বহর ধীরে ধীরে ইসলামাবাদের দিকে এগোচ্ছে।মিছিল আটকাতে প্রশাসনের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে কন্টেনার দিয়ে। রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।মিছিল ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলেও খবর। কিছু এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি এবং লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইমরানের দলও অভিযোগ করেছে, তাদের বহু সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে প্রায় দুই হাজার জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে। তবে আটকের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।অন্য দিকে, ইমরানপন্থীরা জানিয়েছে, প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাবে না। মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিকে আরও জোরালো করা। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতৃত্বের বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল না হওয়াতেই ফের রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকা খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াত থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, প্রদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও নীতি মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ইমরান খানের নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি সমর্থনও জানান তিনি।ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন মামলায় তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছে। ইমরান ও তাঁর দল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ মানে না। ফলে ইমরানের জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর মুক্তির দাবিকে ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে।এ বার সেই টানাপোড়েনই নতুন করে রাজপথে এসে পড়েছে। লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া মিছিল কত দূর এগোয়, ইসলামাবাদে পৌঁছতে পারে কি না এবং প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘাত কতটা বাড়ে, এখন নজর সেদিকেই। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মিছিল নতুন করে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার পায়ের রিপোর্ট প্রকাশ্যে! হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ভবনকে আইনি নোটিস, এবার কী হবে?

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকে সেই সময়ের একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে দাবি করেন, রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির প্রমাণ মেলেনি। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আইনি নোটিসে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে কোনও মেডিক্যাল নথি সংগ্রহ করলেও, সেই নথি সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করার অধিকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় না। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং সংবেদনশীল বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিসে সংবিধানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখা চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলেও আইনজীবীর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছেএই বিষয়টিকেও বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত নন্দীগ্রামের পুরনো ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ২০২১ সালের এগারো মার্চের বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের রেডিয়ো ডায়াগনসিস বিভাগের একটি রিপোর্ট দেখান। তাঁর দাবি, সেই রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নথি দেখিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তদন্তের কথা জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিষয়টি সিআইডির নজরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পর এই ঘটনা নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার অর্থ এই নয় যে ওই সময় কোনও ধরনের চোটই ছিল না। সমসাময়িক চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে পা ও শরীরের অন্য অংশে আঘাতের কথা উল্লেখ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে রিপোর্টের ব্যাখ্যা নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখন মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সরকারি দফতরের হাতে থাকলেই তা প্রকাশ্যে আনার অধিকার তৈরি হয় না। সেই কারণেই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, তৃণমূলের তরফেও রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে শাসক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের পায়ের চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতেই তদন্তের প্রয়োজন।ফলে নন্দীগ্রামের পাঁচ বছর আগের সেই পায়ের চোটের ঘটনা ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। এক দিকে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার দাবি, অন্য দিকে সেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে মমতার আইনি পদক্ষেপদুই দিকের প্রশ্নেই এখন নজর। তদন্ত এগোলে পুরনো ঘটনার আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পর এবার বিজেপি, রাজ্যসভার টিকিট হাতে কোয়েল! পুরনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অভিনেত্রী?

রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সোমবার সকালে দলীয় দফতরে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এর পরেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল জানান, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, কর্মসংস্থান এবং আরও বেশি স্কুল তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি নিজের মতো করে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান। গত কয়েক মাসে বাংলায় উন্নয়নের কাজ দেখে তিনি উৎসাহিত হয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, সামাজিক মাধ্যমে তিক্ততা বাড়ছে। কাজের সুযোগ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গেলে সেই পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।তবে কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের পর সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে তাঁর পুরনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। কয়েক মাস আগেই তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। রবিবার বিজেপি তাঁকেই ফের পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক পথবদল আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য দেননি কোয়েল। বরং তিনি জানান, অতীতে তিনি কারও সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে চান না। রাজনৈতিক মতবদলের পরেও ব্যক্তিগত আক্রমণের পথে হাঁটবেন না বলেই বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আরও বেশি দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন কোয়েল। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার সঙ্গে তাঁর পরিচয় রয়েছে। ছুটির সময়ে তাঁর মা তাঁকে মিশনারিজ় অব চ্যারিটিতে নিয়ে যেতেন বলেও জানান তিনি। মানুষের জীবনে সামান্য হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটাকেই নিজের সাফল্য বলে মনে করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের কটাক্ষও শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কোয়েল বলেন, যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান, তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও রাগ নেই। মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হিসাবে বিষয়টিকে তিনি অন্য ভাবে দেখেন বলেও জানান। কটাক্ষকারীদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।ফলে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের রাজনৈতিক যাত্রায় আরও একটি বড় মোড় এল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থেকে পদত্যাগ, তার পর বিজেপিতে যোগ এবং ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াপরপর এই ঘটনাগুলিই এখন বাংলার রাজনীতিতে কোয়েলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র তৈরি করেছে। আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রবিবারের সংঘর্ষের পর সকালেই বদলে গেল এসআরএফটিআই, গেটে গান্ধীর ছবি, ফের দেওয়াল লিখন!

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট। রবিবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। মিছিলকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বাইরে থেকে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরাও তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।রবিবার অজয়নগর থেকে মিছিল করে এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যেরা। সংগঠনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতাকে অসম্মান করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদেই এই মিছিল বলে জানানো হয়। মিছিল এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছনোর পর গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বন্ধ গেট ঠেলে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দিকে বাইরে থেকে ইট এবং জলের বোতল ছোড়া হয়। এক জন অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেও একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিছিলকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।এই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই এসআরএফটিআইয়ের সামনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। মূল ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না হয়। রবিবারের ঘটনায় মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরের দিন সকালে পড়ুয়ারা ফের ক্যাম্পাসের গেটে গান্ধীর ছবি টাঙিয়ে দেন।এদিকে, রবিবার পুলিশের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের দেওয়াল থেকে কিছু লেখা মুছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে পড়ুয়ারা ফের সেখানে দেওয়াল লিখন করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যের কাছেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।এসআরএফটিআইয়ে এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার উত্তেজনা তৈরি হল। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পড়ুয়া এবং ওই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পরেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের বাইরের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।ঘটনার পর এখন মূল নজর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং দুই পক্ষের ওঠানো অভিযোগের তদন্তের দিকে। একের পর এক রবিবারে এসআরএফটিআইয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং যাতে আর কোনও সংঘর্ষ না হয়, সেই জন্য নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে নন্দীগ্রামে বড় বদল! আইসি সরিয়ে নতুন আধিকারিক, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

রাত পোহালেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার ঠিক আগের দিন, সোমবার নন্দীগ্রাম থানার আইসি বদল করল নির্বাচন কমিশন। এত দিন এই পদে ছিলেন অজয়কুমার মিশ্র। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে এই বদলি কার্যকর করতে হবে। ভোটের ঠিক আগে এই রদবদল ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আইসি বদলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। দেবাশিস সরকার এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনস্পেক্টর ইন-চার্জ হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাঁকেই নন্দীগ্রাম থানার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কমিশন তাঁর যোগদানের রিপোর্টও দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি একটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন।নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব অবশ্য নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে শুভেন্দু জয়ী হন। পরবর্তী সময়েও নন্দীগ্রাম রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে থেকেছে। এবারের উপনির্বাচনেও তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন মিলন প্রধান। নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রচারে উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের আগে সোমবারই আইসি বদলের সিদ্ধান্ত সামনে এল।গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক থানার ওসি ও আইসি বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি স্তরে রদবদল করা হয়েছিল।তবে এবার ভোটের মাত্র এক দিন আগে নন্দীগ্রামের আইসি বদলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেও কারণ জানানো হয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তের এই প্রশাসনিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ভোটে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসির অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী থাকে, সেদিকেই এখন নজর।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-র ছকেই কি হামামির পরিকল্পনা? স্মিতকে সরিয়ে ইজরায়েলে বিমান আছড়ানোর ভয়ঙ্কর নকশা ফাঁস

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারী সূত্র ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি শুধু ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেনি, বরং বিমানটিকে ইজরায়েলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে। এমনকি তার পরিকল্পনার সঙ্গে ৯/১১-র ধাঁচের আত্মঘাতী বিমান হামলার মিল রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তদন্তকারীদের জেরায় হামামি কী জানিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে সরিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এরপর বিমানটিকে স্বাভাবিক ভাবে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে বিমানবন্দরের কোনও ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ইতালির সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও দাবি করা হয়েছে, ককপিটে প্রার্থনা করার অছিলায় হামামি কুঠার বের করে স্মিতকে আক্রমণ করে। প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে মরুভূমিতে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করারও চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায় যখন বিমানটি মাত্র কয়েক দশ সেকেন্ডে হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে আসে। এর আগে প্রকাশিত তদন্ত-তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট পর্যন্ত দ্রুত নেমে গিয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েও স্মিত ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য পাইলটদের হস্তক্ষেপে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়।তদন্তে হামামি একাই এই পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত হামামির সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসূত্রের প্রমাণ সামনে আসেনি এবং সে একাই কাজ করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের তদন্তকারী সংস্থা খোঁজখবর করছে।এদিকে আরও একটি দাবি সামনে এসেছে। হামামি নাকি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। জুলাই মাসেও তার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কেন বাতিল হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এমনকি তেল আভিভগামী উড়ানের জন্যই সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর হামামির আগের উড়ান-জীবন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে ওমানের একটি বিমান সংস্থা আগে তাকে উড়ানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি এখনও তদন্তাধীন এবং হামামির অতীত সম্পর্কে সব তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ হয়নি।গত বুধবারের সেই ঘটনার সময় বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। ককপিটে হামলার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। স্মিতের প্রতিরোধ, ককপিটের দরজা খোলা এবং যাত্রী ও অন্য পাইলটদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জেরেই বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তদন্তে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামামির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য, তার সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি না এবং বিমানটি ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলএই প্রশ্নগুলির তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal