• ২৭ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Work

রাজ্য

রাজ্যজুড়ে ভোটপরবর্তী হিংসার বলি ৬ বিজেপি কর্মী

ভোটের ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই ফের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল কোচবিহারের শীতলকুচিতে। ফের রক্ত ঝরল সেখানে। সোমবার সকাল থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। দুপক্ষের সংঘর্ষে চলে গুলি। আর তাতেই পেটে গুলি লেগে মৃত্যু হল এক বিজেপি কর্মীর। এ নিয়ে ফের অশান্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের এই স্পর্শকাতর কেন্দ্র। সোমবার নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় তপ্ত রইল রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তও। পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় তৃণমূল সমর্থক এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। প্রসঙ্গত, এই জেলায় তৃণমূল-বিজেপি ১৬-০ ফলাফলের পর এমন অশান্তি বলে দাবি বিজেপির। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় খুন হয়েছেন এক আইএসএফ সমর্থকও।ভোটের দিন থেকে খবরের শিরোনামে কোচবিহারের এই কেন্দ্র। গত ১০ তারিখ ভোটের দিন এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ ভোটারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্য। এই কেন্দ্রের অন্তর্গত জোড়পাটকির ১২৬ নং বুথের বাইরে এই ঘটনার জেরে ভোটপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। ২৯ এপ্রিল ফের সেখানে ভোট নেওয়া হয়। জনরায় অবশ্য গিয়েছে বিজেপির পক্ষে। শীতলকুচি কেন্দ্রে ২১ হাজারের বেশি ভোটে তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়কে হারিয়ে জিতেছেন বিজেপির বরেনচন্দ্র বর্মন। এবার সেই ফলাফলের পরদিনও ফের উত্তাপ বাড়ল শীতলকুচিতে। বুড়াপঞ্চার হাট এলাকায় তৃণমূল-বিজেপি দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ের মাঝে পড়ে প্রাণ হারাতে হল তরতাজা এক যুবককে। তাঁকে নিজেদের সমর্থক বলে দাবি করেছে গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, পেটে গুলি লাগার পর তাঁকে দিনহাটার হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সমসপুর গ্রাম নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই উত্তপ্ত। সোমবার বেলার দিকে এখানে ফলাফল নিয়েই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। তা চরমে ওঠে, শুরু হয় হাতাহাতি, সংঘর্ষ। সমসপুরের বাসিন্দা বছর ষাটের গণেশ মালিক তা আটকাতে যান। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত হন তিনি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। গণেশ মালিকের পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা তাঁকে বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেদম প্রহারের পরই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দায়ের হয়েছে খুনের অভিযোগ। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্রের বক্তব্য, পূর্ব বর্ধমানের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৬টিতেই জিতেছে তৃণমূল। তার বদলা নিতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি। এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকাংশ আসনে তৃণমূলের জয়ের পর বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চলছে বলে অভিযোগ। খেজুরি, ভগবানপুর, উত্তর কাঁথি এলাকায় বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছেন বহু বিজেপি সমর্থক।গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৬ জন বিজেপি কার্যকর্তাকে খুন করা হয়েছে, তারা হলেন, জগদ্দলের শোভারানী মণ্ডল, রানাঘাটের উত্তম ঘোষ, বেলেঘাটার অভিজিৎ সরকার, সোনারপুর দক্ষিণের হরম অধিকারী, শীতলকুচির মোমিক মৈত্র, বোলপুরের গৌরব সরকার।

মে ০৩, ২০২১
রাজ্য

ভোটের আগে ফের রক্তাক্ত মুর্শিদাবাদ

ভোটের মরশুমে রাজ্যজুড়ে হিংসা অব্যাহত। সোমবার রাতে রাজনৈতিক হিংসায় রক্তাক্ত হল মুর্শিদাবাদ । বোমাবাজি, সংঘর্ষের জেরে প্রাণ গেল এক কংগ্রেস কর্মীর। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসকদল। এদিকে এদিন রাতেই বড়ঞ্যা এলাকাতেও বোমাবাজি হয়। বোমার ঘায়ে গুরুতর জখম হন এক তৃণমূল কর্মী। সবমিলিয়ে ভোটের আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদ।অষ্টম দফায় মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভোটগ্রহণ। তার আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হল এই এলাকা। স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল রাতে হরিহরপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত বিলধারীপাড়ার ঘোষালপুর এলাকায় তৃণমূল ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। চলে দেদার বোমাবাজি। এমনকী গুলি ছোঁড়ার অভিযোগও রয়েছে। সংঘর্ষের জেরে এক কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়। নাম কাশেম আলি। জখম হয়েছেন দুপক্ষের অন্তত ১০ জন।সূত্রের খবর, নমাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন কাশেম। ঠিক তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বোমার আঘাতে জখম কাশেম আলিকে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক পরীক্ষার পর তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। যদিও বোমবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, হরিহরপাড়ার এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।অন্যদিকে প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে এক তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বড়ঞ্যা বিধানসভার অন্তর্গত ভবানীপুর গ্রামে। দলীয় সূত্রে খবর, প্রচার সেরে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল কর্মী দলু শেখ। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। গুরুতর জখম হয়ে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। ঘটনা প্রসঙ্গে বড়ঞ্যা কেন্দ্রে তৃণমূ প্রার্থী জীবনকৃষ্ণ সাহা জানিয়েছেন, দলু শেখ আমাদের কর্মী। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। অভিযোগের তির স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের দিকে। তবে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এপ্রিল ২০, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মরশুমে কালনায় ফের খুন বিজেপি কর্মী

নদিয়ার চাকদহের পর এবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু। সোমবার সকালে বাড়ির পাশের বাগান থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল গেরুয়া শিবিরের ওই কর্মীকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দিয়ে গিয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের পালটা দাবি, আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি। তাঁকে বিজেপি কর্মী হিসেবে মানতেও নারাজ তৃণমূল। এই ঘটনায় এলাকার উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছে কালনা থানার পুলিশ। তবে দেহ আটকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। শান্তিপূর্ণভাবেই মিটেছে রাজ্যের ভোটপঞ্চমী। কিন্ত তার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটছে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের পরদিন অর্থাৎ রবিবার সকালে নদিয়ার চাকদহ বিধানসভার অন্তর্গত শিমুরলিয়া গ্রামে এক বিজেপি কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ করা হয়েছিল, পিটিয়ে খুন করা হয়েছে তাঁকে। ঘটনার জন্য তৃণমূলকেই দায়ি করেছিল বিজেপি শিবির। এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই কালনায় আরেক বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হল।স্থানীয় সূত্রে খবর, কালনার কল্যাণপুরে নিজের বাড়ির পাশেই এক বাগান থেকে অখিল প্রামাণিকের (৪৫) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর ভাই দেবু প্রামাণিকের অভিযোগ, গত কয়েকমাস ধরেই আমাকে আর আমার ভাইকে হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল কর্মীরা। ওরাই আমার ভাইকে খুন করল। পরিবার সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন অখিল। এদিন সকাল হতেই তাঁর খোঁজে বের হন স্ত্রী ও ভাই। তখনই বাড়ি থেকে দুশো-তিনশো মিটার দূরে অখিলের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতদেহটির পা মাটিতে ঠেকেছিল। মাটিতে কয়েক ফোঁটা রক্তও পড়েছিল। তা দেখেই পরিবার ও বিজেপি কর্মীদের দাবি অখিলকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
রাজ্য

মাঝরাত থেকে জায়গায় জায়গায় অশান্তি, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

ভোটপর্ব চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। রবিবার রাতের মধ্যেই অন্তত তিনটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। প্রতি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল। রাতদুপুরে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে শুটআউট, গুলিবিদ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি এক বিজেপি কর্মী। এছাড়া কসবার আনন্দপুর এবং হাওড়ার বাঁকড়াতেও আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কসবা কেন্দ্রের অন্তর্গত আনন্দপুরের পশ্চিম চৌবাগায় বিজেপি কার্যালয় বৈঠক চলাকালীন দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। গেরুয়া শিবিরের মহিলা সদস্যদের হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পার্টি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়, চলে বোতল ছোঁড়াছুঁড়িও। প্রতিবাদে রাতে আনন্দপুর থানা ঘেরাও করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।এরপর আরও রাতের দিকে খবর মেলে, নৈহাটিতে গুলি চলেছে। এক বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কল্যাণীপর জেএনএম হাসপাতালে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের দলের এই সদস্যকে বেশ কয়েকদিন ধরেই হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আগামী ২২ তারিখ এলাকায় ভোটের আগে প্রচারে বেরতেই তিনি আক্রান্ত হলেন। এ নিয়ে রাত পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা ছিল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে পালটা দাবি করেছে, বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নৈহাটিতে শুটআউটের ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, প্রতি দফা ভোটের আগেই এভাবে বিজেপির উপর হামলা চালিয়ে লড়াই থেকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্বাবধানে স্বচ্ছভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। পাশাপাশি, হাওড়ায় ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত। বাঁকড়ার রাজীব পল্লি এলাকায় একদল বিজেপি কর্মী, সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোরে কোচবিহারের সিতাইয়েও আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেও চলে হামলা।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

ভোটের দিন সকালেই নন্দীগ্রামে আত্মঘাতী বিজেপি কর্মী

ভোটের দিন সকালে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল নন্দীগ্রামের ভেকুটিয়ায়। অভিযোগ, বুধবার রাতে তৃণমূলের তরফে উদয়শংকর দেব নামে ওই ব্যক্তিকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। মৃতের পরিবারের দাবি, সেই আতঙ্কেই আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি তৃণমূলের তরফে। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামের পূর্ব ভেকুটিয়ার বাসিন্দা উদয়শংকর দেব। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত তিনি। সক্রিয় কর্মী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ, সেই কারণেই বারবার তৃণমূলের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। রাস্তাঘাটে হেনস্তা করা হত তাঁকে। মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, বুধবার গভীর রাতে একদল তৃণমূল কর্মী তাঁদের বাড়িতে যান। অভিযোগ, ভোট দিতে গেলে তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত আতঙ্কে ভুগছিলেন উদয়শংকর। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়িতেই উদ্ধার হয় ওই ব্যক্তির দেহ। ভোটের দিন সকালে অধিকারীদের গড় নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। তৃণমূলের হুমকির জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন উদয়শংকর, এই অভিযোগ তুলে পথে নামেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব হন তাঁরা। বলেন, তৃণমূল যেভাবে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তাতে আমাদের পক্ষে ভোট দিতে যাওয়া কার্যত অসম্ভব।পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত হবে।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

ভোটের দিন কেশিয়াড়িতে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ

রাজ্যে ভোট শুরুর দিন একাধিক বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে আরও দুঃসংবাদ। ভোটের দিন সাতসকালে বাড়ির উঠোন থেকে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে। এই বিধানসভা কেন্দ্রের বেগমপুর বুথ এলাকার এই ঘটনায় তপ্ত হয়ে ওঠে কেশিয়াড়ি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগে সরব কেশিয়াড়ির বিজেপি প্রার্থী সোনালি মুর্মু। ঘটনার খবর পেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় সূত্রে খবর, কেশিয়াড়ির বেগমপুরে মঙ্গল সোরেন নামে এক বিজেপি কর্মী শুক্রবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। দীর্ঘক্ষণ না ফেরায় থানায় খবর দেয় তাঁর পরিবার। এদিন সকালে মঙ্গল সোরেনের আত্মীয় জানান, দুশ্চিন্তা হচ্ছিল, তাই রাতভর না ফেরায় থানায় গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু সকালের বাড়ির উঠোনেই তাঁর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে তুমুল তরজা শুরু হয়েছে। কেশিয়াড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সোনালি মুর্মূর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে তৃণমূল কর্মীরা মঙ্গলকে খুন করে বাড়ির সামনে উঠোনে ফেলে রেখে যায়। তাঁর মাথায়, ঘাড়ে আঘাত রয়েছে, আঁচড়ের দাগও রয়েছে। পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। সকালে হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের পদস্থ কর্তারা। তদন্ত শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৭, ২০২১
কলকাতা

টিটাগড়ে প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মী

নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা। কোথাও দেওয়াল লিখন নিয়ে বিবাদ তো কোথাও আবার সভাস্থল নিয়ে গণ্ডগোল মাথাচারা দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে শুটআউট ঘিরে বুধবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল টিটাগড় এলাকা। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক বিজেপি কর্মী। এই ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল। যদিও তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধেয় টিটাগড় বাজারে বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর মিছিল ছিল। সেই মিছিল থেকে বিজেপি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ভরসন্ধে বেলা বাজারে পাঁচ রাউন্ড গুলি চলে বলে খবর। বিজেপি কর্মীর বুকে গুলি লাগে। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে রেফার করা হয় তাঁকে।আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম মধু রাও। তিনি টিটাগড়ের বউ বাজারে তাঁর নিজের দোকান রয়েছে। সন্ধেবেলা তিনি সেখানেই বসেছিলেন। তখনই তাঁর উপর হামলা চালায় তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রমণি শুক্লা জানান, রাজ চক্রবর্তীর মিছিল চলাকালীন মধু রাওয়ের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছিলেন তৃণমূল কর্মীরা। মিছিল শেষে তাঁর উপর হামলা চালায়। উল্লেখ্য, মধু রাও আগে তৃণমূল কর্মী ছিলেন। সদ্য বিজেপিতে যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিকে নদিয়ার বেথুনাডহরিতেও থানার সামনে শুটআউটের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ভয়ে দীর্ঘদিন ঘর ছাড়া ছিলেন নাকাশিপাড়া ব্লকের বাসিন্দা ফিরোজ শেখ। দিন দুয়েক আগেই বাড়ি ফিরেছিলেন। তার পরই স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য জাহিদুল শেখের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। এর পর তাঁকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ রয়েছে পঞ্চায়েত সদস্যদের বিরুদ্ধে। তিনি থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে থানার সামনেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মার্চ ২৫, ২০২১
রাজনীতি

একাধিক কর্মসূচি আজ ফের সারাদিন কলকাতায় নাড্ডা

বুধবার রাতে কলকাতা পৌঁছেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আজ দিনভর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। মধ্যাহ্নভোজ সারবেন গৌরীপুরের এক জুটমিল শ্রমিকের বাড়িতে। কী কী থাকবে মেনুতে?জানা গিয়েছে, নাড্ডার মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে থাকবে ভাত, ডাল, আলুভাজা, বেগুনভাজা, করলাভাজা, পনিরের তরকারি, এঁচোড়ের তরকারি, ক্ষির, পাঁপড়, চাটনি। বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টা ১০ নাগাদ জুটমিলে শ্রমিক বিজেপির বুথ সভাপতি দেবনাথ যাদবের বাড়ি যাবেন জেপি নাড্ডা। উল্লেখ্য, আজ কলকাতার হেস্টিংস অফিসের সামনে থেকে লক্ষ্য সোনার বাংলা কর্মসূচির সূচনা করবেন জেপি নাড্ডা। আম জনতা কী চায় সে বিষয়ে সরাসরি জনগণের কাছ থেকেই মতামত বা পরামর্শ নিতে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে আজ থেকে ছুটে বেড়াবে ২৯৪টি ডিজিটাল মোবাইল ভ্যান বা এলইডি রথ। তাতে থাকবে সাজেশনস ড্রপ বক্স। আম জনতার সেই পরামর্শ নিয়েই তৈরি হবে বঙ্গ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার। এদিন নাড্ডা যাবেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। বারাকপুরের আনন্দপুরী কালীবাড়ি মন্দির দর্শন করবেন। আনন্দপুরী খেলার মাঠে জনসভা করবেন তিনি। মঙ্গল পাণ্ডের মূর্তির পাদদেশেও যাবেন তিনি। ৬ ফেব্রুয়ারি নবদ্বীপ থেকে যে রথযাত্রার সূচনা করেছিলেন তিনি। আজ সেই রথযাত্রার সমাপ্তিও এই জনসভার মধ্যে দিয়ে করবেন। বিকেলে নিউটাউনের হোটেলে সাংগঠনিক বৈঠক সেরে সন্ধেয় সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে সভা করবেন তিনি। রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে এই সভা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজ্য

বাম শ্রমিক সংগঠনের আইন অমান্য ঘিরে উত্তাল হাওড়া

বাম শ্রমিক সংগঠনের ডাকে কৃষি আইন বাতিল, বিদ্যুৎ বিল ২০২০ বাতিল, দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদসহ একাধিক দাবিকে সামনে রেখে হাওড়ায় জেলাশাসকের দপ্তরে সামনে আইন অমান্য কর্মসূচি পালিত হল। সোমবার দুপুরে হাওড়া ময়দান উত্তাল হল বামেদের এই কর্মসূচিতে। এদিন মিছিল করে বাম শ্রমিক সংগঠনের কয়েকশো কর্মী হাওড়া ময়দানে আসেন। সেখানে তাঁদের গতিবিধি রুখতে দুটি ব্যারিকেড করে পুলিশ। প্রথম ব্যারিকেড ভেঙ্গে দ্বিতীয় ব্যারিকেডের ওপরে চড়াও হন বাম সমর্থকরা। সেখানে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় বাম শ্রমিক সংগঠন কর্মীদের। দফায় দফায় ব্যারিকেডের ওপরে চড়াও হন বিক্ষোভকারীরা। প্রায় ১ঘন্টা ধরে চলে ওই তান্ডব। উত্তেজিত বিক্ষোভকারীদের সামলাতে হিমশিম খান বাম নেতৃত্ব। শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে ব্যক্তিগত জামিনে মুক্তি দেয়। এই প্রসঙ্গে হাওড়া জেলার সিআইটিইউ সম্পাদক সমীর সাহা বলেন, কৃষি আইন বাতিল, বিদ্যুৎ বিল ২০২০ বাতিল, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ একাধিক জন বিরোধী নীতির প্রতিবাদে এদিনের আইন অমান্য কর্মসূচী নেওয়া হয়।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

পূর্বস্থলীতে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধা্র

ফের বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধা্র। এবার ঘটনাস্থল পূর্বস্থলী। মৃতের নাম সুখদেব প্রামাণিক। পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধা্র করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সুখদেবের বাঁ চোখে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, খুনের নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূলের দাবি, বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই সুখদেব প্রামানিককে খুন করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি কার্যালয়ে আগুন, দেওয়াল লিখন নিয়ে অশান্তি, দিনভর উত্তপ্ত বর্ধমান প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগানায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির কনভয়ে হামলা হয়। ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে শুক্রবার পূর্বস্থলীতে প্রতিবাদ সভা করে বিজেপি। জানা গিয়েছে, সেখানে হাজির ছিলেন সুখদেব প্রামানিকও। এরপরই পূর্বস্থলীতে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। আটকে রাখা হয়েছিল দলীয় কর্মীর দেহ। পরে পুলিশ গিয়ে বিজেপি কর্মী সুখদেবের দেহ উদ্ধার করে কালনা হাসপাতালে পাঠায় ময়নাতদন্তের জন্য।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

কোচবিহারে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

এক বিজেপি কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল তুফানগঞ্জের সুভাষপল্লী এলাকায়। বুধবার স্থানীয় এক স্কুলের সাইকেল স্ট্যান্ড এলাকায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় দেহ। বিজেপির অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ দুর্গাপুরে কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে একযোগে কাজের বার্তা মমতার জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তুফানগঞ্জ মহকুমার অন্দরানফুলবাড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষ পল্লী এলাকার বাসিন্দা স্বপন দাস (৩৫)। বিজেপি কর্মী স্বপনবাবু ছিলেন পেশায় স্বর্নকার। বুধবার সকালে স্থানীয় গার্লস স্কুলের সাইকেল স্ট্যন্ডের বারান্দায় স্বপন দাসের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃতের স্ত্রী সকালে এসে তাঁর স্বামীকে শনাক্ত করেন। মৃতদেহের আশপাশে রক্তের দাগ থাকায় স্থানীয়দের অনুমান স্বপন দাসকে কে বা কারা মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাটি জানাজানি হতেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমান স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি কর্মীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই ঘটনাস্থলে আসে তুফানগঞ্জ থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী। বিজেপির অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধে স্বপন দাসকে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। একই অভিযোগ করেছেন মৃতের স্ত্রী চুমকি দাস। তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পূর্নাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন। ঘটনার রাজনৈতিক কোন রং রয়েছে কিনা তার তদন্ত শুরু করেছে তুফানগঞ্জ থানা পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান হয়েছে কোচবিহার জেলা হাসপাতালে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

উলেন রায়ের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

উলেন রায়ের মৃত্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি। মঙ্গলবার উলেন রায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ বনধ ডাকে বিজেপি। এদিন সকাল থেকেই বনধকে সফল করতে শিলিগুড়ির রাজপথে মিছিল করে বিজেপির একাধিক সাংসদ, রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব। মিছিলে নেতৃত্ব দেন সায়ন্তন বসু, সাংসদ রাজু বিস্তা, নিশিথ প্রামাণিক এবং অগ্নিমিত্রা পাল সহ বিজেপির জেলার অন্যান্য কার্যকর্তারা। এই মিছিল থেকেই মৃত বিজেপি কর্মীর উলেন রায়ের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত দাবি করেন দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা। এই দাবিতে অবিলম্বেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে বিজেপি এমনটাও জানান তিনি। এদিন উলেন রায়ের ময়নাতদন্তের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংসদ। পাশাপাশি গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হচ্ছেন বিজেপি সাংসদরা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। প্রমান লোপাট করতেই রাতের অন্ধকারে ময়নাতদন্ত করেছে প্রশাসন। যদিও রাজ্যপুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে যে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী শটগানের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। পুলিশ শটগান ব্যবহার করে না। বিক্ষোভকারীদের মধ্যেই কেউ শটগান এনেছিলেন এবং খুব কাছ থেকেই গুলি ছোঁড়া হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি নিজে খুন করে বলছে পুলিশ মেরেছেঃ মমতা অন্যদিকে, উলেন রায়ের মৃত্যু নিয়ে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ময়নাতদন্ত শেষ করে রাতারাতি দেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় পরিবারকে। এমন অভিযোগ মৃতের পরিবারের। তবে এই অবস্থায় দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে অস্বীকার করেন উলেন রায়ের পরিবার। পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তারা। তাঁদের অভিযোগ, ময়নাতদন্ত হয়ে গিয়েছে জানিয়ে তাঁদের মুচলেকা লিখতে বলা হয় পুলিশের তরফে। মুচলেকায় অজ্ঞাত পরিচয়ের দেহ লিখতে বলায় তাঁরা দেহ নিতে অস্বীকার করেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সাদা কাগজে পুলিশের লেখা বয়ানেই জোর করে সই করতে হয়েছে তাঁদের। এমনকি মুচলেকায় উলেন রায়কে বিজেপি কর্মী বলে উল্লেখ করা হয়নি। রাতে কেন ময়নাতদন্ত হল? পাশাপাশি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার চাপ কেন এমন একাধিক অভিযোগ জানিয়ে ফের দেহের ময়নাতদন্তের দাবি করেছে উলেন রায়ের পরিবার। এছাড়াও উত্তরকন্যা অভিযানে মৃত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের পরিবারের যাবতীয় দায়িত্ব নিল উত্তরবঙ্গের বিজেপির চার সাংসদ। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের মান্তাদারি গ্রামপঞ্চায়েতের মেনঘোড়া গ্রামে যান কোচবিহারে বিজেপি সাংসদ, নিশিথ প্রামানিক, জলপাইগুড়ির সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত কুমার রায়, দার্জিলিং -এর সাংসদ রাজু বিস্তা, বিজেপির রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, বিজেপির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন মৃতের পরিবারকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। এছাড়াও ওই পরিবারের পাশে সবসময় থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

উত্তরকন্যা অভিযানে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি পুলিশের

উলেন রায়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নামল সিআইডি ও এসটিএফ। মঙ্গলবার সকালে এনজেপি থানায় যান এসটিএফ ও সিআইডির এক প্রতিনিধিদল। কীভাবে উলেন রায়ের মৃত্যু হল সেই বিষয়ে থানার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সকালে রাজ্য পুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়, শিলিগুড়িতে নিহত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের ময়নাতদন্ত হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর শরীরে ছররা গুলি লাগার চিহ্ন রয়েছে। তবে পুলিশ ছররা গুলি ব্যবহার করে না। নিশ্চয়ই ওই মিছিল কোনও দুষ্কৃতী ছিল। তারাই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির ময়নাতদন্ত রিপোর্টে স্পষ্ট যে, কেউ খুব সামনে থেকে ওই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। অশান্তি তৈরির জন্য এ কাজ করা হয়েছে। সিআইডি ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সত্যি সামনে আসবে। তিন চিকিৎসকের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। ভিডিওগ্রাফিরও দাবি জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিঠিও দিয়েছে বিজেপি। সায়ন্তন বসু বলেন, পুলিশই গুলি চালিয়েছে। পরিবারকে জোর করে মুচলেকা লেখা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানে রণক্ষেত্র শিলিগুড়ি, মৃত্যু এক কর্মীর

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানে পুলিশের লাঠির ঘায়ে এক বিজেপি কর্মীর মৃত্যু্র অভিযোগ উঠল। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম উলেন রায়। বয়স ৫০ বছর। বাড়ি গজলডোবায়। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আমাদের কর্মী উলেন রায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। খবর পাওয়া গেছে, সেখানে তিনি মারা গেছেন। আমাদের বহু কর্মী আহত হয়েছেন। কয়েকজন রাস্তায় আছেন। আর কয়েকজন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তৃণমূল খুনের রাজনীতি শুরু করেছে। সিপিএম খুনের রাজনীতি করে বিদায় নিয়েছে। তৃণমূলকেও একইভাবে বিদায় নিতে হবে। উলেন রায়ের মৃত্যু্র পর হাসপাতালে যান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি সেখানে মৃতের পরিবারের লোকেদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিবারের লোকেরা দাবি করেন, পুলিশের লাঠির ঘায়ে বিজেপই কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক দীপেন প্রামানিক অভিযোগ করেন উত্তরকন্যার দিকে এগোনোর সময় বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। লাঠির আঘাতে তাঁদের বেশ কয়েকজন ঘায়েল হন। এঁদের মধ্যে মহিলা কর্মীরাও রয়েছেন। গুরুতর জখম উলেন রায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে মারা যান তিনি। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে অবশ্য মন্ত্রী গৌতম দেব বলেছেন, এই অভিযানে কারও মৃত্যু হয়নি। পুলিশের তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি। পুলিশের তরফ থেকে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, কোনওরকম গুলি চালানো হয়নি। আরও পড়ুন ঃ ভোটের আগে ব্ল্যাকমেলিং, বার্গেনিং করার চেষ্টা করে তৃণমূলকে জব্দ করতে পারবেন নাঃ মমতা অন্যদিকে, বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি এলাকা। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করতেই তিনবাত্তি মোড়ে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপির কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নেমে পড়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী। সোমবার বেলা একটু বাড়তেই বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা জড়ো হন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নেয়। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি মোড় থেকে মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসু। বাকি দুটি মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়। বেলা ২ টো নাগাদ শিলিগুড়ির তিনবাত্তি মোড়ে আচমকা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন যুব মোর্চার কর্মীরা। পুলিশ-বিজেপি কর্মী ধস্তাধস্তিতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিনবাত্তি মোড়ের কাছে রাস্তায় বসে পড়েন যুব মোর্চার কর্মীরা। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে পুলিশের তরফে ঘোষণা করা হয়, ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। বিজেপির এই জমায়েতকে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেনি বিজেপির যুব মোর্চা। অভিযোগ উঠেছে, বিজেপির মিছিল আটকাতে তিনবাত্তি মোড়ে যে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে তাতে ব্যবহার করা হয়েছে মোবিল ও গ্রিজ। আন্দোলনকারীরা যাতে এই ব্যারিকেড টপকাতে না পারে সেই জন্য এই ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। আর কেমিক্যালের এই ব্যবহার নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। সবমিলিয়ে এলাকায় দুই-তরফে খন্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। পুলিশের তরফে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, লাঠিচার্জ ব্যবহার করা হয়। পাল্টা ঢিল, লাঠি দিয়ে পুলিশের উপর আক্রমণ করে বিজেপিরও। এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। ইতিমধ্যেই পুলিসের বহু আধিকারিক আক্রান্ত হয়েছেন। জখম হয়েছেন বিজেপির নেতা- কর্মীরাও। কাঁদানে গ্যাসের জেরে অসুস্থ বোধ করতে থাকেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। ব্যারিকেড ভাঙতে গিয়ে আহত হন কোচবিহার জেলা বিজেপি সভানেত্রী মালতি রাভা রায়ও।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

খেজুরিতে বিজেপি কর্মীদের উপর বোমাবাজি ও গুলির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি থানার খেজুরি ২ দক্ষিণ মণ্ডলের বোগা মোড়ে বিজেপির তরফে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে জমায়েত করেন বিজেপি কর্মীরা। কিছুক্ষণ পরেই হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও গুলিও চলে। আরও পড়ুন ঃ টুইটে করে ফের রাজ্যের পাওনার দাবিতে সরব ডেরেক অভিযোগ, একের পর বিজেপি কর্মীদের বাইকে ভাঙচুর চালায় অভিযুক্তরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় খেজুরি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। বিজেপির অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতেই এই হামলা। যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বে। তাদের দাবি, এটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্ধের ফল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তারাতলা

মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে তারাতলায় বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার। পুলিশ মিছিল আটকালে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তাদের তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায়। বেঁধে যায় ধস্তাধস্তিও। ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারাতলা মোড় থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচি ছিল। কিন্তু মিছিল শুরু হওয়ার আগেই তা আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপরই তারাতলা মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। তাঁদেরও বিক্ষোভ থেকে উঠিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোনর চেষ্টা করে বিক্ষোভকারিরা। এমনকি তাঁরা গার্ডরেল গুলিও ছুঁড়ে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মোড়ের আশেপাশের গলিতে থাকা বিজেপির নেতা-কর্মীদেরও টেনে বের করে আনতে দেখা যায়। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব কল্যাণ আটক করা হয় বহু বিজেপি নেতা কর্মীদের। রেহাই পাননি মহিলা মোর্চার কর্মীরাও। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায়। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুলিশ কর্মী। অটোয় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও লাঠিচার্জ-গ্রেপ্তারির পরও বারবার করে ফের জমায়েত করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পরে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ। আমরা জনতার সুবিধার জন্য মিছিল করেছি। কিন্তু মমতার সরকার তা হতে দেবে না। দুর্নীতির বড় উদাহরণ মাঝেরহাট ব্রিজ।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
কলকাতা

সম্মান না পাওয়ায় তৃণমূল ভবনের সামনে বিক্ষোভ দলীয় কর্মীদের

দলে পর্যাপ্ত সম্মান পাচ্ছেন না , এই অভিযোগে শনিবার তৃণমূল ভবনের সামনে বিক্ষোভে সামিল হলেন দলীয় কর্মীরা। এদিন বেলার দিকে মেদিনীপুর থেকে দার্জিলিং বিভিন্ন প্রান্তের কয়েকশো কর্মী জড়ো হন তৃণমূল ভবনের সামনে। নিরাপত্তারক্ষীরাও তাঁদের সরাতে পারেননি। সারা দুপুর তৃণমূল ভবনের সামনের রাস্তা দুধারে তাঁরা অবস্থান করেন। কখনও কখনও স্লোগান তুলে বিক্ষোভও দেখান। বারবারই দাবি করতে থাকেন যে তাঁরা নেত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁকেই সমস্যার কথা জানাবেন। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রে এখন ফেক নিউজের সরকার চলছেঃ কাকলি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাঁদের বক্তব্য, আমরা দলের বহু পুরনো কর্মী। কিন্তু তেমন গুরুত্ব পাচ্ছি না। ভোট কিংবা দলের অন্যান্য কাজে আমাদের ডাকা হচ্ছে না। তাই আমরা নেত্রীর কাছে জানতে এসেছি, এর কারণ কী। আমরা আবার ভোটের কাজ করতে চাই আগের মতো। আমাদের দলকে ফের ক্ষমতায় আনতে চাই।এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নামেন সুব্রত বক্সি। তিনি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন, অভিযোগের কথা শোনেন। তারপর জানান যে আগামী বৃহস্পতিবার তাঁদের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তিনি নিজে আলোচনায় বসবেন। সমস্ত শুনে সমাধানের চেষ্টা করবেন। এতে খানিকটা আশ্বস্ত হন দলীয় কর্মীরা। অবস্থান বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে ফিরে যান।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

দলীয় কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির

অন্যায়ভাবে বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকেই খড়্গপুর টাউন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিক্ষোভ চলতে থাকে। বিক্ষোভ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের প্রথমে বচসা বাধে। তারপর ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। প্রসঙ্গত , বুধবার খড়্গপুর শহরের আঠারো নম্বর ওয়ার্ডের কার্যকর্তা লিপু বেরাকে গ্রেপ্তার করে খড়্গপুর টাউন থানার পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে শুরু লোকাল ট্রেন চলাচল এরই প্রতিবাদ জানাতে খড়গপুর টাউন থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেয় বিজেপি। বিজেপির এই কর্মসূচির জেরে খড়্গপুর শহরে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় প্রচুর পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীদের উপর হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ফের বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হালিশহর মহাশ্মশানে। এই ঘটনায় বিজেপি যুব মোর্চার দুজন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ , হালিশহর শ্মশানে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ দাহ করতে এসে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে এই দুই বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম শান্তনু গাঙ্গুলি ও সুকান্ত গাঙ্গুলি। শ্মশানে তাঁদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। আহত হয়ে দুজনই আপাতত কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার গভীর রাতে এক বন্ধুর বাবার শেষকৃত্যের জন্য শ্মশানে গিয়েছিলেন সুকান্ত ও শান্তনু। আরও পড়ুন ঃ দলের মহিলা কর্মীকে কুপ্রস্তাব, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাতে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডাবাহিনীর প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন আমাদের উপর আচমকা চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। আমরা বিজেপি যুব মোর্চার সদস্য, সেটাই আমাদের অপরাধ।এদিকে এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে নদীয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে জখম বিজেপি কর্মীদের দেখতে যান ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং । তিনি বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে । জনসমর্থন নেই। তাই আমাদের নিরীহ কর্মীদের উপর হামলা করছে। তৃণমূলের সরকার আর বেশিদিন নেই। এভাবে মারধর করে বিজেপির জয় আটকাতে পারবে না। পুলিশকে বলে লাভ হবে না। বাঁচতে গেলে আমাদের পালটা দিতে হবে। তৃণমূলের তরফ থেকে অবশ্য বিজেপির উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার

রাজ্য সফরে এসে পূর্বসূচি অনুযায়ী চতুরদিহি গ্রামে গিয়ে বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুপুর তিনটে নাগাদ তিনি বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে আসেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্বাগত জানান। তিনি প্রথমে উঠোনে থাকা খাটিয়াতে বসেন। তারপর তাকে যখন খেতে দেওয়া হয় , তখন তিনি খেঁজুর পাতার চাটাইয়ের উপর বসেন। কাঁসার থালার উপর কলাপাতায় মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। মেনুতে ছিল, ভাত, শাক, পটল বেগুন ভাজা, বিউলির ডাল, কুমড়োর ডালনা, আলু পোস্ত ও পোস্তর বড়া। আর শেষ পাতে ছিল চাটনি ও বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ। তিনি অবশ্য মিষ্টি খাননি। তাঁর সঙ্গে খেতে বসেছিলেন বিভীষণ হাঁসদা , দিলীপ ঘোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা-সহ অন্য নেতারাও। খাওয়ার পর রান্নার প্রশংসা করতে ভোলেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি টুইটে লেখেন, চতুরডিহি গ্রামে শ্রী বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে চমৎকার বাঙালি খাবার খাওয়ার সুযোগ পেলাম। কোনো শব্দই তাদের আতিথেয়তা বর্ণনা করতে পারবে না। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে রেঁধে খাওয়ানো গীতা মাহালিকে হোমগার্ডের চাকরি দিল রাজ্য অবশ্য বিজেপি কর্মী বিভীষণ হাঁসদা বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী মণিকাকে নিয়ে আমাদের পরিবারে মোট ৬ জন সদস্য। দিনমজুরির কাজ করেই সংসার চলে। আমার একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। মেয়ে রচনা হাঁসদা বর্তমানে ক্লাস টুয়েলভ পড়ে। এমনিত পড়াশোনায় ভাল তবে মধুমেহ রোগের জন্য তাকে মাসে তিন বার ইনসুলিন নিতে হয়। এর জন্য প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা খরচ হয়। আমি ভেবেছিলাম আজ এই বিষয়ে সাহায্য করার জন্য আবেদন জানাব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। কিন্তু, প্রচুর মানুষের ভিড় তাঁকে আর সেই কথা বলে উঠতে পারলাম না। তাই ভাবছি চিঠি লিখে মেয়ের চিকিৎসায় সাহায্য করার জন্য ওনার কাছে আবেদন জানাব।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পাঁচ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা! সামনে কঠিন সপ্তাহের সতর্কতা

টানা কয়েক দিনের ঝড়বৃষ্টির পর রাজ্যে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। রবিবার সকাল থেকেই রোদের তেজ চোখে পড়ছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী সপ্তাহে রাজ্যজুড়ে গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া আরও বাড়বে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। চৌদ্দ থেকে সতেরো এপ্রিল পশ্চিমের জেলাগুলিতে তীব্র গরমের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। দক্ষিণবঙ্গে চৌদ্দ ও পনেরো এপ্রিল দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমের কিছু জেলা এবং উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে এবং শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তিও বাড়বে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকবে, ফলে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। মঙ্গলবার থেকে গরমের তীব্রতা বাড়বে এবং শুক্রবার পর্যন্ত অস্বস্তিকর আবহাওয়া চলবে। কোথাও কোথাও বজ্রগর্ভ মেঘের কারণে সামান্য ঝড়বৃষ্টি হতে পারে, বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়।মঙ্গলবার ও বুধবার এই জেলাগুলিতে গরমের সঙ্গে অস্বস্তিও বাড়বে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা। আবহাওয়া দফতর সতর্ক থাকতে বলেছে।উত্তরবঙ্গে রবিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-সহ উপরের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার গতিতে দমকা হাওয়া বইতে পারে। তবে সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টি চললেও বাকি জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে।কলকাতাতেও তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে। রবিবার সকাল থেকেই আকাশ পরিষ্কার, দিনের দিকে আংশিক মেঘলা হতে পারে। আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আগামী সপ্তাহে গরম ও অস্বস্তি বাড়বে শহরেও। রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ছাব্বিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য বেশি। দিনের তাপমাত্রা তেত্রিশ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ছিল। আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় তাপমাত্রা চব্বিশ থেকে পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
বিদেশ

কুষ্টিয়ায় পিটিয়ে খুন পীর, ধর্মীয় বিতর্কে তোলপাড় বাংলাদেশ

কবি জীবনানন্দ দাশ-এর লেখা অদ্ভুত আঁধার যেন আবারও বাস্তবের সঙ্গে মিলে গেল। বাংলাদেশের কুষ্টিয়ায় এক পীরকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সীমান্তবর্তী এই এলাকায় ধর্মীয় বিতর্ক ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং তারই জেরে ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা।জানা গিয়েছে, পীর শামিম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরকে শনিবার বেধড়ক মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেল চারটের দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযোগ, এরপর তাঁর আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।স্থানীয়দের একাংশের দাবি, শামিম রেজা দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ভিন্নভাবে ধর্মীয় পরিচয় দিতেন এবং নানা বিতর্কিত বক্তব্য রাখতেন। তাঁর এই কর্মকাণ্ডে এলাকায় ক্ষোভ বাড়ছিল। সম্প্রতি তাঁর কিছু বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, তিনি প্রচলিত ধর্মীয় আচার মানতেন না এবং অনুসারীদেরও অন্যভাবে চলার কথা বলতেন।ঘটনার দিন সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই ক্ষুব্ধ জনতা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। পরে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।জানা গিয়েছে, শামিম রেজা উচ্চশিক্ষিত ছিলেন এবং এক সময় শিক্ষকতা করতেন। পরবর্তীতে নিজ এলাকায় ফিরে এসে একটি ধর্মীয় আস্তানা গড়ে তোলেন। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল এবং পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা যায়।এই ঘটনায় সোশ্যাল মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি এটিকে ধর্মীয় হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশ্ন তুলেছেন সহিংসতার বিরুদ্ধে।এই ঘটনায় নতুন করে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে চরম টানাপোড়েন, চুক্তি ছাড়াই ফিরল আমেরিকা

দীর্ঘ একুশ ঘণ্টার বৈঠক, তবু মেলেনি কোনও সমাধান। ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ম্যারাথন আলোচনা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। বৈঠক শেষে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স জানান, তাদের পক্ষ থেকে সব চেষ্টা করা হলেও ইরান শর্ত মানতে রাজি হয়নি। ফলে কোনও চুক্তি ছাড়াই ফিরতে হয়েছে তাঁদের।এই মন্তব্যের পরই পাল্টা সুর চড়ায় ইরান। তেহরানের দাবি, আমেরিকার শর্তগুলো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ছিল এবং সেই কারণেই আলোচনায় অগ্রগতি হয়নি। ইরানের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই তারা দীর্ঘ সময় আলোচনা চালিয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও রফাসূত্র মেলেনি।এই বৈঠকে অন্যতম বড় জট ছিল হরমুজ প্রণালী নিয়ে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের উপর তাদের অবস্থান বদলাবে না। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, হরমুজ খুলতেই হবে এবং সেই লক্ষ্যেই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।প্রায় এক মাসের উত্তেজনার পর দুই দেশের এই বৈঠকের দিকে নজর ছিল গোটা বিশ্বের। বৈঠকের পরে ভান্স জানান, আমেরিকা তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেকোন বিষয়ে আপস সম্ভব এবং কোথায় নয়। যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে, তবুও চুক্তি না হওয়ায় পরিস্থিতি জটিলই রয়ে গেছে।সূত্রের খবর, আবারও নতুন করে আলোচনায় বসতে পারে দুই দেশ। ইসলামাবাদের তরফে বৈঠক বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হতে পারে। তবে সেই বৈঠক আদৌ হবে কি না এবং হলেও কোনও সমাধান মিলবে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে অনিশ্চয়তা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
বিদেশ

জ্বালানি সংকটে কাঁপছে বাংলাদেশ! ভারতের দরজায় ফের কড়া নাড়ল ঢাকা

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির জেরে জ্বালানি সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ। এই পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। ইতিমধ্যেই একাধিক দফায় ডিজেল পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশে। সংকট কাটাতে এবার নতুন পরিকল্পনার পথে হাঁটছে ঢাকা।সূত্রের খবর, রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে তা ভারতে পরিশোধন করানোর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। এরপর সেই পরিশোধিত জ্বালানি আবার ভারত থেকেই আমদানি করবে তারা। এই পুরো প্রক্রিয়ার খরচ বাংলাদেশই বহন করবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সঙ্গেও বিকল্প ব্যবস্থার জন্য আলোচনা চলছে।বাংলাদেশে মাত্র একটি তেল পরিশোধনাগার থাকায় সমস্যা আরও বাড়ছে। বিশেষ করে রাশিয়ার ভারী অপরিশোধিত তেল সেখানে সহজে পরিশোধন করা যায় না। সেই কারণেই অন্য দেশের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের নির্ভরতা ভবিষ্যতে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামার কারণেও উদ্বেগ বাড়ছে।অন্যদিকে, ভারতের তরফে ইতিমধ্যেই ধাপে ধাপে ডিজেল সরবরাহ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, অসমের নিউমালিগড় শোধনাগার থেকে এপ্রিল মাসে মোট চল্লিশ হাজার টন ডিজেল পাঠানো হবে বাংলাদেশের পার্বতীপুরে। তার মধ্যে ইতিমধ্যেই পনেরো হাজার টনের বেশি পৌঁছে গিয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নীতিতে পরিবর্তন আনা জরুরি হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রভাব যে দক্ষিণ এশিয়ার উপরও পড়ছে, এই ঘটনায় তা স্পষ্ট।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

মোদী-মমতার শোকবার্তা, সুরের জগতে অপূরণীয় ক্ষতি

সুরের জগতে নেমে এল গভীর শোক। প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে। রবিবার মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। চিকিৎসকদের মতে, একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল বিরানব্বই বছর। এই খবরে শোকস্তব্ধ সঙ্গীত জগৎ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।পরিবারের তরফে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, আগামীকাল বিকেল চারটেয় মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে সম্পন্ন হবে তাঁর শেষকৃত্য। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনুরাগীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় জমাবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানান, আশা ভোঁসলে ছিলেন দেশের অন্যতম প্রতিভাবান ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। দীর্ঘ সঙ্গীতজীবনে তিনি ভারতীয় সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং তাঁর গান বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। তাঁর কণ্ঠের ঔজ্জ্বল্য ও বৈচিত্র্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ও। তিনি বলেন, আশা ভোঁসলে ছিলেন এক অনন্য শিল্পী, যিনি প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করেছেন। বাংলা গানেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য এবং বাংলার মানুষ তাঁকে বিশেষভাবে ভালোবাসতেন। তাঁর প্রয়াণে দেশের সংস্কৃতি জগতে অপূরণীয় ক্ষতি হল বলে মন্তব্য করেন তিনি।আশা ভোঁসলের দীর্ঘ সঙ্গীতজীবন এবং অসংখ্য জনপ্রিয় গান তাঁকে চিরকাল অমর করে রাখবে বলেই মনে করছেন অনুরাগীরা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাটা ভিডিয়ো না আসল সত্য? বিস্ফোরক দাবি হুমায়ুন কবীরের দলের

বিতর্কিত ভিডিয়ো ঘিরে জোর চর্চার মাঝেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল হুমায়ুন কবীরের দল। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দলের মুখপাত্র কামাল হোসেন জানান, যে ভিডিয়োকে ঘিরে এত বিতর্ক, তার সম্পূর্ণ অংশ খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।তিনি দাবি করেন, ভিডিয়োটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে সম্পাদনা করে প্রকাশ করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে হুমায়ুন কবীর-কে হেনস্থা করার চেষ্টা হয়েছে। তাঁর কথায়, আসল ভিডিয়ো সামনে এলেই সত্যিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।কামাল হোসেন আরও জানান, ভিডিয়োটি কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থও হয়েছে তাঁদের দল। তাঁর দাবি, ভিডিয়োটি গত বছরের উনিশে ডিসেম্বরের, কিন্তু তা প্রকাশ করা হয়েছে অনেক পরে। এতদিন পরে কেন এটি সামনে আনা হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। যে সোশ্যাল মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি ছড়ানো হয়েছে, তা নিয়েও অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করছে। তাঁর বক্তব্য, হুমায়ুন কবীর রাজনৈতিকভাবে তাদের চাপে ফেলেছেন বলেই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রকাশ্যে আসা এই স্টিং ভিডিয়ো ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভিডিয়োতে নাকি বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিপুল টাকার লেনদেনের ইঙ্গিত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও হুমায়ুন কবীর নিজে এই ভিডিয়োর সত্যতা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা ক্রমশ বাড়ছে এবং ভোটের আগে তা আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিলিগুড়ি করিডর নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, তৃণমূলকে নিশানা মোদীর

শিলিগুড়ির সভা থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি অভিযোগ করেন, শিলিগুড়ি করিডর কেটে উত্তর-পূর্ব ভারতকে দেশ থেকে আলাদা করার যে হুমকি এক সময় উঠেছিল, সেই ধরনের শক্তিকে নাকি তৃণমূল সমর্থন করেছে। মোদীর কথায়, তথাকথিত টুকরে টুকরে মানসিকতার লোকদের রাস্তা থেকে সংসদ পর্যন্ত মদত দেয় তৃণমূল, এটাই তাদের আসল চরিত্র।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নিরাপত্তা এবং উন্নতির জন্য শিলিগুড়ি করিডর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই করিডরের নিরাপত্তা সবসময় নিশ্চিত করতে হবে বলেও জোর দেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার পাল্টা জবাবে বলেন, যাঁরা উত্তরবঙ্গ আলাদা করার কথা বলেছেন, তাঁদের মধ্যে বিজেপির সঙ্গেই যুক্ত কিছু নাম রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সেইসব নেতাদের বিরুদ্ধে কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।তৃণমূলের দাবি, বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করতে এই করিডরের প্রসঙ্গ তুলছে। তাদের মতে, সীমান্ত সুরক্ষা এবং করিডরের নিরাপত্তা সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রের দায়িত্ব, সেখানে রাজ্য সরকারকে দায়ী করা ঠিক নয়।উল্লেখ্য, এর আগে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজ উত্তরবঙ্গকে আলাদা প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনার দাবি তুলেছিলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অস্বস্তিও তৈরি হয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে উত্তরবঙ্গের মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
রাজ্য

মধ্যরাত থেকে বড় অপারেশন! খণ্ডঘোষে বিস্ফোরক দাবি মমতার

ভোটের মুখে খণ্ডঘোষের সভা থেকে বড় অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, বিজেপির বিরুদ্ধে একটি বড় ষড়যন্ত্র চলছে এবং রবিবার মধ্যরাত থেকেই সেই পরিকল্পনা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। যদিও এই পরিস্থিতিতেও দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং প্রার্থীদের আরও জোর দিয়ে প্রচার চালানোর নির্দেশ দেন তৃণমূল নেত্রী।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোটের যন্ত্র ব্যবহার নিয়ে সবাইকে খুব সতর্ক থাকতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ধীরগতিতে ভোট গ্রহণ ও গণনা করানোর চেষ্টা হতে পারে। তিনি দাবি করেন, প্রথমে এমনভাবে ফলাফল দেখানো হতে পারে যাতে মনে হয় বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। পাশাপাশি অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ তাঁর।তিনি আরও বলেন, টেলিভিশনে যদি দেখানো হয় বিজেপি জিতছে, তা মিথ্যে হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে তিনি জানান, শেষ পর্যন্ত তাঁর দলই জিতবে এবং তাঁদের হারানোর ক্ষমতা কারও নেই। এর আগেও একাধিকবার ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।এছাড়াও বহিরাগতদের দিয়ে ভোটে প্রভাব ফেলার চেষ্টা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করতে টাকা বিলি করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনওভাবেই নিজের ব্যাঙ্কের তথ্য বা অ্যাকাউন্ট নম্বর কাউকে দেওয়া উচিত নয়।এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি।

এপ্রিল ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal