• ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ২২ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

West Bengal Government

রাজ্য

অবশেষে ডিএর টাকা ছাড়ছে রাজ্য! কবে, কীভাবে পাবেন কর্মীরা? জানুন বিস্তারিত

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর অবশেষে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই অর্থদপ্তর থেকে টাকা ছাড়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। গ্রুপ ডি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে সরাসরি তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে। অন্যদিকে বাকি কর্মীদের ক্ষেত্রে সেই টাকা জমা পড়বে জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ডে।জানা গিয়েছে, সরকারি কর্মীরা চাইলে এখন নিজেদের বকেয়া ডিএর হিসাবও দেখতে পাচ্ছেন। কীভাবে এই টাকা জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা হবে, সেই প্রক্রিয়াও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা বিল তৈরি করে তা অনুমোদন করলে সেই টাকা কর্মীদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। একইসঙ্গে কিস্তিতে কত টাকা দেওয়া হচ্ছে, তার বিস্তারিত তথ্যও দেখা যাবে।উল্লেখ্য, বহুদিন আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। সেখানে আদালত নির্দেশ দেয়, বকেয়া ডিএর ২৫ শতাংশ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। যদিও সেই সময়সীমার মধ্যে টাকা দেওয়া হয়নি। পরে অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন জানানো হয়।পরবর্তীতে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ডিএ কর্মীদের আইনি অধিকার এবং তা দিতেই হবে। মে মাসের মধ্যে দুই কিস্তিতে ২৫ শতাংশ বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তার মধ্যে প্রথম কিস্তি মার্চ মাসের শেষের মধ্যে দেওয়ার কথা বলা হয়।এরপর বাকি টাকা কীভাবে দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত পুরো টাকা কর্মীরা পাননি। রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, বহু পুরনো নথি ডিজিটাল না হওয়ায় তা যাচাই করতে সময় লাগছে। সেই কারণে ডিএ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা দেরি হয়েছে।এরই মধ্যে ভোটের দিন ঘোষণা হওয়ার দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, চলতি মাসের মধ্যেই ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ দিয়ে দেওয়া হবে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এবার ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন সরকারি কর্মীরা।

মার্চ ২৬, ২০২৬
দেশ

‘সময় নষ্টের চেষ্টা’! আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে তীব্র তর্কে জড়াল রাজ্য ও কেন্দ্র

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে আবারও সুপ্রিম কোর্টে সময় চাইল রাজ্য সরকার। বুধবার বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবী কপিল সিব্বল আরও সময়ের আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁরা নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার জন্য কিছুটা সময় চান।এই আবেদনের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা বলেন, এটি সময় নষ্ট করার চেষ্টা। তিনি অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং এতদিন পরেও সময় চাওয়া অস্বাভাবিক। বিচারপতিরাও মনে করিয়ে দেন, এর আগেই রাজ্যকে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল।রাজ্যের আইনজীবীরা বলেন, তাঁরা এখনও সম্পূর্ণভাবে নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার সুযোগ পাননি। তবে আদালত স্পষ্ট জানায়, বারবার সময় চাওয়া ঠিক নয়।এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে রাজ্য। রাজ্যের দাবি, এই সংস্থা সরাসরি এই ধরনের মামলা করতে পারে না। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, এই অধিকার শুধুমাত্র ব্যক্তি বা কোনও বৈধ সংস্থার থাকতে পারে। তাই এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অন্যদিকে, আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, তল্লাশির সময় সংঘর্ষ এড়াতেই তাদের কাজ থামাতে হয়েছিল। অভিযোগ করা হয়েছে, তল্লাশির সময় বাইরের লোকজন ঢুকে পড়ায় তদন্তে সমস্যা তৈরি হয়।বিচারপতি পর্যবেক্ষণে বলেন, কোনও মুখ্যমন্ত্রীর এইভাবে তদন্ত চলাকালীন ঢুকে পড়া মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ভবিষ্যতে অন্যরাও একই কাজ করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে আদালত রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল, ওই ঘটনার সমস্ত ভিডিও এবং প্রমাণ সংরক্ষণ করতে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্যও সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের সময় চাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত হয় কলকাতায় একটি সংস্থার কর্তার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি নিয়ে। সেই তল্লাশিকে ঘিরেই এই আইনি লড়াই শুরু হয়। কেন্দ্রের অভিযোগ, তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের দাবি, নির্বাচনের আগে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতেই এই তল্লাশি চালানো হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির দিকে এখন নজর সবার।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য? বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে ফের বড় আইনি লড়াই

মহার্ঘ ভাতা মামলায় রাজ্য সরকারকে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধ হয়নি বলে অভিযোগ সরকারি কর্মীদের। সেই কারণে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে ফের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আন্দোলন এবং অনশন কর্মসূচি চালিয়েছিলেন কর্মীরা। পরে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এর বেঞ্চ বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল, অবিলম্বে পঁচিশ শতাংশ বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে এবং একত্রিশ মার্চের মধ্যে বাকি পঁচাত্তর শতাংশ পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু অভিযোগ, এই নির্দেশ কার্যকর করতে এখনও কোনও উদ্যোগ নেয়নি রাজ্য সরকার। গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি জারি হওয়া আদালতের নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী কে আদালত অবমাননার নোটিস দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ জারির এক সপ্তাহ পরও বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় মামলাকারীরা ফের আইনি পথ বেছে নিয়েছেন এবং নতুন করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছেন। যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, রাজ্য সরকারের মধ্যে শীর্ষ আদালতের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মানসিকতা দেখা যাচ্ছে না। তাঁর দাবি, নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদনও করা হয়নি এবং প্রশাসনিক উদ্যোগের অভাবেই কর্মীরা বাধ্য হয়ে আবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

Safe Home: কলকাতা কাবু কোভিডে, ফের খুলছে সেফ হোম

কলকাতা ফের কাবু কোভিডে। ক্রমেই জাল ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। পরিসংখ্যান বলছে, একধাক্কায় প্রায় ৩ হাজার বৃদ্ধি। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৯ হাজার ৭৩। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬ জন করোনা রোগীর। কলকাতার সঙ্গে সংক্রমণে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বীরভূম, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা।যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে ফের খোলা হচ্ছে সেফ হোমগুলি। তিনটি সেফ হোমের শয্যা সংখ্যা ৩৫০। কলকাতার তিনটি সেফ হোম। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হল বাইপাস সংলগ্ন সেফ হোম। এখানে রয়েছে ২০০ টি শয্যা। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দুই কর্তা ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি পরিদর্শন করেছেন। বেডগুলির পরিকাঠামো, কাজের গুণগত মান, পরিচ্ছন্নতা-সব খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা। পরিদর্শনে গিয়েছেন রাজ্য দপ্তরের এক জন হেলথ অফিসারও।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত শ্রীজাত আরেকটি সেফ হোম হয়েছে কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে। এই সেফ হোমটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ আবার বৃদ্ধি পাওয়ায়, তা খোলা হয়েছে। সেগুলিকে চালু করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুর প্রশাসন। গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে ১০০ টি শয্যা রয়েছে। ইতিমধ্যেই তা পরিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্যভবনের তরফে চিকিৎসক ও নার্সরা এই সেফ হোমের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। কলকাতার তৃতীয় সেফ হোমটি রয়েছে উত্তর কলকাতায়। সেখানে ৫০টি শয্যা রয়েছে।তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ওমিক্রনের ক্ষেত্রে উপসর্গ অনেক হালকা। চিকিৎসক বলছেন, ভাগ্য ভালো আক্রান্তদের বেশিরভাগই ৫-৭ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠছেন। হয়তো হোম আইসোলেশনের যে লম্বা ১৭ দিনের পিরিয়ড, সেটাকেও কমিয়ে আনা হবে। যদি সেটা কমিয়ে আনা হয়, তাহলে ওয়ার্ক টার্নওভার বা অর্থনীতির ক্ষেত্রে অনেকটা উপকারী হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Suvendu Adhikari: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা রাজ্যের, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রাজ্যের আবেদন খারিজ করল শীর্ষ আদালত

সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি শুভেন্দু অধিকারীর। খারিজ হয়ে গেল রাজ্য সরকারের আবেদন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দেওয়ার যে নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকার, সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, তারা হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে চায় না।আগেই রাজ্যের করা লিভ পিটিশনে এই আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য ফের এলপিএ করে একই আবেদন জানায়। সেই আবেদনও এবার খারিজ হয়ে গেল।আরও পড়ুনঃ ওমিক্রন সাধারণ সর্দি জ্বর ছাড়া কিছুই নয়! দাবি আমেরিকাবাসী ইজরায়েলি চিকিৎসকেরএকবার লিভ পিটিশনে আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পরও কেন এলপিএ করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। লিভ পিটিশনের ক্ষেত্রে সব সওয়াল জবাব শুনেই হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখার কথা বলেছিল শীর্ষ আদালত। তাই আর এলপিএ শোনার প্রয়োজন নেই বলেই মনে করেন বিচারপতি। ১৩ ডিসেম্বর রাজ্যে করা লিভ পিটিশনের ভিত্তিতে রায় নির্দেশ বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে স্পষ্ট বলা হয়েছে, গত ১৩ ডিসেম্বর এই মামলায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। গত ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে শুভেন্দু অধিকারীরে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশই বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।আরও পড়ুনঃ আজ থেকে শুরু ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণগত সেপ্টেম্বরে শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন দেহরক্ষী মামলা-সহ তিনটি মামলায় স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। সেখানেও সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রাখা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর। সেই মামলার প্রায় তিন বছর পর গত জুলাই মাসে তদন্তের দাবি তুলে এফআইআর দায়ের করেন শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষীর স্ত্রী সুপর্ণা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল? সেই প্রশ্ন তুলে, সঠিক তদন্তের দাবিতে এফআইআর করেন নিহত দেহরক্ষীর স্ত্রী।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
দেশ

Pegasus: পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে রাজ্যের গঠিত কমিশনে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কমিশন গড়ার সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। জুলাই মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইজরায়েলি স্পাইওয়্যারের সাহায্যে ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্তের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মদন লোকুরের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ওই তদন্ত কমিশন গড়েছিলেন।রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির কাছে প্রধান বিচারপতি অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজ্য সরকার নিযুক্ত কমিশন স্বতন্ত্র এবং স্বাধীন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে পৃথক তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নোটিস জারির নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।উল্লেখ্য, ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে বিরোধী দলগুলির নেতা-নেত্রীদের ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় নিয়ে ইতিমধ্যেই নরেন্দ্রে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্রের যুক্তিও খারিজ করেছে প্রধান বিচারপতি এনভি রমণার বেঞ্চ। গত অক্টোবরে পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আর ভি রবীন্দ্রনের নেতৃত্বাধীন ওই কমিটি রয়েছেন দুই সাইবার বিশেষজ্ঞও।সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে পেগাসাস-তদন্ত শুরু হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কমিশনের পৃথক তদন্ত প্রয়োজন নেই বলে শীর্ষ আদালতে জানান কেন্দ্রে কৌঁসুলি হরিশ সালভে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

High Court: নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগ, প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা

নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগে ঘটনায় রাজ্য সরকারকে একহাত নিল হাইকোর্ট। প্রয়োজনীয় নথি না থাকা সত্ত্বেও এক ব্যক্তি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকের চাকরি পেয়েছিলেন। পরে ত্রুটি ধরতে পারে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। ওই শিক্ষককে টেটের প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে বললেও তিনি তা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ অসমে বড়সড় জঙ্গি হামলায় মৃত কমপক্ষে ৫আদালতে শুনানি চলাকালীন হাইকোর্ট প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ করে। নথি না দেখে চাকরি দেওয়ার ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে। কিন্তু পরে নথি না পেয়ে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। এর পরই ওই অভিযুক্ত শিক্ষক আরও ১২ জনের নামের তালিকা আদালতের কাছে জমা দেন। অভিযোগ, এই ১২ জনের কারও প্রয়োজনীয় নথি না থাকা সত্ত্বেও তাঁরা এখনও চাকরি করছেন স্কুল শিক্ষক হিসাবে।এ রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ। প্রাথমিক থেকে উচ্চ প্রাথমিক কিংবা বৃত্তিমূলক শিক্ষাক্ষেত্র, এমনকী শিক্ষক-চিকিৎসক নিয়োগ নিয়েও চূড়ান্ত অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে এ রাজ্যে। কিছুদিন আগেই মেডিক্যাল কলেজগুলিতে শিক্ষক-চিকিৎসক নিয়োগে ব্যাপক বেনিয়মের অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয় রাজ্যে। এমডিএমএসদের এড়িয়ে এমবিবিএসরা নিয়োগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। চিকিৎসা সংগঠনের একাংশ দাবি করে, এমবিবিএসকে সুযোগ করে দিতেই এই পথ অবলম্বন করেছে নিয়োগ সংক্রান্ত বোর্ড। এ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।

আগস্ট ২৭, ২০২১
দেশ

Pegasus: পেগাসাস ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা রাজ্যের

পেগাসাস ইস্যুতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এমবি লোকুরের নেতৃত্বে ২ সদস্যের তদন্ত কমিশন তৈরি করেছিল রাজ্য সরকার। তাকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছিল। এবার সেই ২ সদস্যদের কমিশনকে চ্যালেঞ্জ ইস্যুতে হলফনামা জমা দিল সরকার। নিরপেক্ষভাবে পেগাসাস ইস্যু খতিয়ে দেখতেই তদন্ত কমিশন গঠিত হয়েছে বলে শীর্ষ আদালতে স্বপক্ষে যুক্তি দিল রাজ্য।আরও পড়ুনঃ কর্মরত মহিলাদের আপাতত বাড়িতে থাকার পরামর্শ তালিবানেরসুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ রাজ্যকে নোটিস দেয়। হলফনামায় রাজ্য বলে, তারা চায় পেগাসাসকাণ্ডে রাজ্য গঠিত কমিটিই তদন্ত করুক। রাজ্যের অভিযোগ, জনস্বার্থ মামলাকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আরএসএস যোগ আছে। গত ১৮ অগস্ট এই মামলার শুনানি হয়। প্রসঙ্গত, পেগাসাস ইস্যুতে রাজ্য সরকার যে বিচারবিভাগীয় প্যানেল তৈরি করেছে তা তৈরি করার সাংবিধানিক অধিকার রাজ্যের রয়েছে বলেই হলফনামায় দাবি করা হয়েছে। পেগাসাস ইস্যুতে যখন গোটা দেশ উত্তাল তখন কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে তদন্তের উদ্যোগ না নেওয়ায় রাজ্য সরকার তার সাংবিধানিক ক্ষমতার আওতায় প্যানেল গঠন করেছে। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের আপত্তির কারণেই এই মামলা করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে হলফনামায় রাজনৈতিক উদ্দ্যেশের কথাই বলা হয়েছে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
কলকাতা

Maldah Murder: দিলীপের নিশানায় রাজ্য সরকার

দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে মা, বাবা, বোন এবং দিদাকে খুন করে মালদহের কালিয়াচকের আট মাইল এলাকার আসিফ মহম্মদ। নিজেদের হেপাজতে নিয়ে অভিযুক্তকে জেরা করছে পুলিশ। তারই মাঝে হাড়হিম করা এই হত্যাকাণ্ডে এবার লাগল রাজনীতির রং। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিকে,মালদা-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আসিফের বাড়ি বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ মাইলের দূরেই বাস খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্ত জিয়াউলের। বর্তমানে সে জেলবন্দি। সেই প্রসঙ্গ টেনেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এদিন দুষলেন দিলীপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সস্ত্রীক রাজ্যপালতিনি বলেন, রাজ্য দিনে দিনে উগ্রপন্থীদের গড় হয়ে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুই করতে পারছে না। তার কারণ ওদের ভোটে ক্ষমতায় তিনি। এ রাজ্যকে আফগান, সিরিয়া বানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আরও একবার সোনার বাংলা গড়ার ডাকও দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2021) আগেও বিজেপি নেতা-নেত্রীদের মুখে একাধিকবার সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান শোনা গিয়েছিল।

জুন ২১, ২০২১
কলকাতা

মমতাকে আক্রমণ স্মৃতির

ডুমুরজলার মঞ্চ থেকে নাম করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। বাংলার দুর্ব্যবস্থার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করেন তিনি। সভামঞ্চে বিজেপি সাংসদের নিশানায় ছিলেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, কেন বাংলার গরিব মানুষের এই অবস্থা জবাব দিন দিদি। আপনাকে জবাব দিতেই হবে? তিনি বক্তব্য রাখতে উঠে বাংলায় বেশ কিছু বক্তব্যও রাখেন।

জানুয়ারি ৩১, ২০২১
কলকাতা

কোভিড রোগীদের জন্য একাধিক জনমুখী পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের

ফের করোনা আক্রান্ত মানুযের কথা চিন্তা করে পুজো্র আগে জনমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। কলকাতা ও শহরতলিতে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে কোভিড টেস্ট করাতে গেলে এখন সাধারণ মানুষকে দিতে হয় ২২৫০। কিন্তু রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে , এই বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলিতে এখন থেকে টেস্ট করাতে গেলে লাগবে ১৫০০। এছাড়াও রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুরসভা বিনামূল্যে রাজ্যের সকল কোভিড রোগীকে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দেয়। কিন্তু যে সকল কোভিড রোগী বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন , তাদের জন্যও অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া কমানো দরকার। রাজ্য সরকার সেই সংক্রান্ত রেগুলেটরি কমিশনের কাছে অনুরোধ করছে , অবিলম্বে পুজো্র আগেই বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সহনশীল স্তরে নামিয়ে আনা হোক। আরও পড়ুনঃ স্পা-এর আড়ালে মধুচক্র , ধৃত টেলি অভিনেতা সহ ১৬ এছাড়াও গত ১০ অক্টোবর হাওড়ার এএসআই বালটুকরিতে ইতিমধ্যেই কোভিড রোগীদের ৪৮ টি শয্যা্র ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলকাতার এম আর বাঙুরে সো্মবার থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য চালু হল ৫৬ টি শয্যা। আরও ৪৯৬ টি শয্যা আগামী দু থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে চালু হবে। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন কোভিড হাসপাতালে ২৪৭৫ জন নার্স শীঘ্রই নিযুক্ত করা হবে। পুজোর সময় প্রশাসনের জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত অফিসার ও আধিকারিকদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
রাজ্য

প্রয়াত প্রবীণ সাংবাদিকের স্ত্রী-র হাতে চাকরির নিয়োগপত্র

একটি হিন্দি দৈনিক সংবাদপত্রের প্রয়াত সাংবাদিক সঞ্জীব সিনহার স্ত্রী-র হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর আসানসোলে। কিছুদিন আগে সঞ্জীববাবু করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন।পরে ঝাড়খণ্ডের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।সঞ্জীববাবুর স্ত্রী ও দুই সন্তান বর্তমান। এদিন মন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, প্রয়াত সাংবাদিক সঞ্জীব সিনহার পরিবারের কথা মাথায় রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জুডিশিয়াল দফতরে চাকরির জয়েনিং লেটার দেওয়া হলো।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের হদিস! জুতোর ব্যবসার আড়ালে চলত ভয়ঙ্কর খেলা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের বড় পর্দাফাঁস করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজকে। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।জানা গিয়েছে, কলকাতায় জুতোর ব্যবসা করত জাফর। তার দুটি কারখানাও ছিল। কিন্তু সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত গুপ্তচরবৃত্তির কাজ। নিজের নামে সিম কার্ড তুলে তা পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের হাতে পৌঁছে দিত সে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জাফরের বিয়ে হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা রাবিয়া জাফফার নামে এক মহিলার সঙ্গে। বিয়ের পর ২০১২ সাল পর্যন্ত তারা কলকাতাতেই থাকত। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা লাহোরেই পড়াশোনা করছে।২০১২ সালে একটি পথ দুর্ঘটনার পর জাফরের ব্যবসায় বড় ক্ষতি হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে স্ত্রীকে লাহোরে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় সে। এরপর থেকেই পাকিস্তানে তার যাতায়াত বাড়তে থাকে। এমনকি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টাও করছিল বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে দাবি, এই সুযোগকেই কাজে লাগায় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে নামানো হয় জাফরকে।পরবর্তীতে কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে প্রথমে দিল্লি এবং পরে পঞ্জাবে ঘাঁটি গাড়ে সে। তবে শেষ পর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০২২ সালে পঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযানকারী দল জাফর ও তার সহযোগী মহম্মদ শামশেদকে গ্রেফতার করে। ধৃত শামশেদ বিহারের মধুবনির বাসিন্দা।তদন্তকারীদের দাবি, জাফর ভারতের বিভিন্ন সেনা ছাউনি, সামরিক দফতর এবং জওয়ানদের গতিবিধির ছবি ও ভিডিও তুলে সরাসরি আইএসআই-এর কাছে পাঠাত। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় সিম কার্ড সংগ্রহ করে তার ওটিপি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানো হত।সেই নম্বর ব্যবহার করে পাকিস্তানের গুপ্তচররা সুন্দরী মহিলাদের ছবি দিয়ে ভুয়ো হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল তৈরি করত। এরপর ভারতীয় সেনার জওয়ানদের প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা চলত। তদন্তকারীদের দাবি, এই গোটা হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল মাথাদের অন্যতম ছিল জাফর।বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং গোটা নেটওয়ার্ক কতটা বড়, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

মে ২১, ২০২৬
বিদেশ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর তুমুল ঝামেলা! ফোনালাপেই চড়ল উত্তেজনা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এবার প্রকাশ্যে আসছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের মধ্যে বড় মতবিরোধের ইঙ্গিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এই ইস্যুতে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে। এমনকি সম্প্রতি দুই রাষ্ট্রনেতার দীর্ঘ ফোনালাপের সময় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও হয়েছে বলে খবর।যদিও এই ফোনালাপ নিয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকা বা ইজরায়েলের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর অবস্থান একেবারেই আলাদা।সূত্রের খবর, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এখনও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চান। তাঁর মতে, তেহরানের সামরিক শক্তি ও পরিকাঠামো আরও দুর্বল না করা পর্যন্ত অভিযান থামানো উচিত নয়। ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকেও চাপে ফেলতে চাইছে তেল আভিভ।অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি এই মুহূর্তে নতুন করে যুদ্ধ বাড়ানোর পক্ষপাতী নন। তিনি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছেন। যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনায় সমাধান না এলে আমেরিকা আরও বড় হামলা চালাতে পিছপা হবে না।রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে জানিয়েছেন যে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি বিশেষ চুক্তিপত্র তৈরির চেষ্টা চলছে। সেখানে আমেরিকা ও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারে। এরপর শুরু হতে পারে ৩০ দিনের আলোচনা পর্ব।সেই আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ইজরায়েল সরকারের একাধিক সূত্রের দাবি, ট্রাম্পের এই কৌশলে একেবারেই সন্তুষ্ট নয় তেল আভিভ। বরং এই পরিকল্পনায় হতাশ নেতানিয়াহু। তিনি আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই রয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মতবিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ফের বৃষ্টির দাপট! উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, দক্ষিণে বাড়বে অস্বস্তি

গত কয়েকদিন ধরে বাংলার একাধিক জেলায় দিনের বেলায় তীব্র গরম আর বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি দেখা যাচ্ছে। তবে এতেও গরম থেকে এখনই স্বস্তি মিলবে না বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। বরং আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম বিহারের উপরেও রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।বৃহস্পতিবার থেকে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে শুক্রবার, শনিবার এবং রবিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কিছু অংশে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। অন্যদিকে মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে দক্ষিণবঙ্গের জন্য খুব একটা সুখবর নেই। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া আরও কিছুদিন বজায় থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও তা খুব অল্প সময়ের জন্য হবে। ফলে গরম থেকে স্থায়ী স্বস্তি মিলবে না।সবচেয়ে বেশি গরম ও অস্বস্তি অনুভূত হবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায়। কলকাতা-সহ উপকূলের জেলাগুলিতে আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরম আরও বেশি অনুভূত হবে। আবহাওয়াবিদদের মতে, উপকূলবর্তী এলাকায় বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় অস্বস্তি অনেকটাই বাড়বে।

মে ২১, ২০২৬
কলকাতা

“দিল্লির কোন বাবা বাঁচাবে?” অভিষেকের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হাই কোর্ট, বড় নির্দেশ বিচারপতির

ভোট প্রচারে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও আপাতত তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত, তবে একাধিক শর্তও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না।ঘটনার সূত্রপাত ২৭ এপ্রিল। ওইদিন আরামবাগে ভোট প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার। আমি উদার নই। এবার বিষয়টা আমি দেখে নেব। ৪ মে ১২টার পর দেখব দিল্লির কোন বাবা বাঁচায়।সরকার পরিবর্তনের পর ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। এরপরই রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ। বৃহস্পতিবার ছিল সেই মামলার শুনানি।শুনানির সময় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তিনবারের সাংসদ এবং একজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক নেতা কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন। বিচারপতির বক্তব্য, ৪ মে যদি ভোটের ফল অন্যরকম হত, তাহলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারত।এরপর অভিষেকের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, অমিত শাহও তো অনেক কিছু বলেন। সেই প্রসঙ্গেই বিচারপতি ফের কড়া মন্তব্য করেন।শুনানির সময় বিচারপতি আরও বলেন, মানুষ ভালোর কথা ভেবেই ২০১১ সালে পরিবর্তন এনেছিল। এর উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ ২০২৬ সালেও ভালোর কথাই ভেবেছে। তখন বিচারপতি মন্তব্য করেন, সেটা সময় বলবে।তবে আদালত আপাতত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দিয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা ডাকলে তাঁকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। ভারচুয়ালি হাজিরার আবেদনও আদালত খারিজ করে দিয়েছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করতে হলে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে। এখন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

সরকারি গাড়ি ছেড়ে বাসে চড়লেন জেলাশাসক! মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যেতে পুরুলিয়ার অভিনব সিদ্ধান্ত

জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা মেনে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে সরকারি গাড়ির বদলে বাসে চড়ে দুর্গাপুর রওনা দিলেন জেলার আমলা ও পুলিশ কর্তারা। বৃহস্পতিবার সকালে এই ছবি ঘিরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যতটা সম্ভব জ্বালানি বাঁচাতে হবে এবং যাতায়াতে গণপরিবহনকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারই মধ্যে চলতি মাসের ১৮ তারিখ রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়ালও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মেনেই এবার একসঙ্গে বাসে চড়ে দুর্গাপুরে রওনা দিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে দশটা নাগাদ জেলা প্রশাসনিক ভবন থেকে দুটি বাসে করে রওনা দেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং বিডিওরা। একইভাবে পুলিশের আধিকারিকরাও গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে বৈঠকে যোগ দিতে যান।পুরুলিয়ার জেলাশাসক সুধীর কোন্থম বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা অনুযায়ী জ্বালানির খরচ কমাতে হবে। পাশাপাশি রাজ্যের তরফেও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ রয়েছে। আমরা সেই নির্দেশ মেনেই বাসে করে দুর্গাপুর যাচ্ছি।তিনি আরও বলেন, এটা শুধু সরকারি নির্দেশ পালন নয়, সাধারণ মানুষের কাছেও একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা। কম খরচে এবং কম জ্বালানিতে কীভাবে কাজ করা যায়, সেটাই দেখাতে চাইছি।দুপুর দুটো নাগাদ দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচ জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বিডিওদের পাশাপাশি থাকবেন ওসি, আইসি, বিধায়ক এবং সাংসদরাও।প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই বৈঠক থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব প্রশাসনিক খরচ কমানো নিয়ে সাত দফা নির্দেশ জারি করেছেন। সেই অনুযায়ী প্রতিটি জেলা প্রশাসন এবং সরকারি দফতরকে আগামী অর্থবর্ষের জন্য তাৎক্ষণিক, মধ্যবর্তী এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখ্যসচিবের দপ্তরে জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১ জুলাই থেকে প্রতি মাসে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ রয়েছে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

ফলতায় ভোটের আগেই ‘গায়েব’ পুষ্পা জাহাঙ্গির! বুথে বুথে নেই তৃণমূল এজেন্ট, হাসিমুখে ঘুরছেন বিজেপির দেবাংশু

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেখা গেল একেবারে অন্য ছবি। অধিকাংশ বুথে তৃণমূলের কোনও এজেন্টই ছিলেন না। অন্যদিকে ২৮৫টি বুথেই বিজেপির এজেন্টদের দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। সকাল থেকেই তিনি এলাকায় ঘুরে বেড়ান খোশমেজাজে। কোথাও ঘুগনি-মুড়ি খেয়ে ভোটের পরিবেশ উপভোগ করতে দেখা যায় তাঁকে।ভোট দিতে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যেও এদিন কোনও আতঙ্ক বা উত্তেজনার ছবি দেখা যায়নি। অনেকেই উৎসবের মেজাজে ভোট দেন। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় এদিন পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ।ফলতা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল জাহাঙ্গির খানের। ভোটের আগে তাঁকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। নিজেকে পুষ্পা বলেও পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর সংঘাতের ঘটনাও শিরোনামে আসে। তবে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই নীরব হয়ে যান জাহাঙ্গির। কয়েকদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানান, পুনর্নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অনেক শুনেছিলাম, খুব ধুরন্ধর নাকি! এখন কোথায় গেল? পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু পুলিশ ছাড়া লড়াই করার ক্ষমতা সবার থাকে না। আমরা লড়েছি, জিতেও এসেছি।গত এপ্রিল মাসে হওয়া বিধানসভা নির্বাচনের সময় বাংলার একাধিক বুথে বিরোধী দলের এজেন্ট না থাকার অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় অভিযোগ ছিল, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা বিরোধীদের বুথে বসতে দেয়নি। মাত্র এক মাসের মধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পুরো বদলে গিয়েছে। এখন রাজ্যে বিজেপির সরকার। আর ফলতার ভোটে দেখা গেল উল্টো ছবি।উল্লেখ্য, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৪৪। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ২১ হাজার ৩০০ জন। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৫ হাজার ১৩৫। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জন ভোটার রয়েছেন এই কেন্দ্রে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বেলুড় মঠে শুভেন্দু! প্রেসিডেন্ট মহারাজের পায়ে হাত দিয়ে নিলেন আশীর্বাদ

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এবার প্রথমবার বেলুড় মঠে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসনিক বৈঠকের আগে বেলুড় মঠে পৌঁছন তিনি। সেখানে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেন শুভেন্দু।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পর্ক বহুদিনের। কলকাতায় এলেই তিনি সময় করে বেলুড় মঠে যান। সেই পথেই এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বেলুড় সফর রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।এদিন শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলুড় মঠে পৌঁছতেই সন্ন্যাসীরা তাঁকে স্বাগত জানান। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যেও উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। শুভেন্দুও সকলকে জোড় হাত করে প্রণাম জানান।মঠে ঢুকে প্রথমে মূল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে আরতি দেখেন এবং পুজো দেন। এরপর স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত ঘরে গিয়ে প্রণাম জানান। একে একে স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির এবং মা সারদাদেবীর মন্দিরেও পুজো ও প্রণাম করেন তিনি।সবশেষে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজের ঘরে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান শুভেন্দু অধিকারী। মঠ সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্ট মহারাজের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজকর্মে ব্যস্ত শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তাঁর হাওড়া ও দুর্গাপুরে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। বেলুড় মঠ সফর শেষে তিনি হাওড়ার শরৎ সদনে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে রওনা দেন। সেখানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন তিনি। এরপর দুর্গাপুরেও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।

মে ২১, ২০২৬
দেশ

দেশে ফিরেই বড় বৈঠকে মোদী! মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের জল্পনা, বাংলা থেকে কি আসছেন নতুন মুখ?

বিদেশ সফর শেষ করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর দেশে ফিরেই তিনি বসতে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য সব কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দিল্লিতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত পরিস্থিতি এবং তার প্রভাবে ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং তার প্রভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বিগ্ন। তেলের দাম, জ্বালানি সরবরাহ এবং মুদ্রাস্ফীতির পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। বিদেশ সফর থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী মোদী গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রকের গত দুই বছরের কাজের রিপোর্টও পর্যালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।বেশ কিছুদিন ধরেই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও রদবদল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, আগামী জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় বড়সড় পরিবর্তন হতে পারে। কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব বদল বা নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সাফল্যের পর বাংলা থেকে নতুন কোনও মুখকে পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।এই আবহে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফর নিয়েও জল্পনা আরও বেড়েছে। যদিও তাঁর সফরের সরকারি কারণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি, তবু রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal