• ২ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২০ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Video

বিদেশ

মোদির ভিডিও ঘিরে তুমুল বিতর্ক! শেষমেশ মাথা নত, ক্ষমা চাইতেই হল জুকারবার্গকে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। সূত্রের দাবি, শুধু ভিডিও সরানোর ঘটনাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিষয়েও সংস্থা নিজেদের ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে।গত তেইশে জুলাই তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি সেলফি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিছু সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। প্রথমে মেটা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেও কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি।সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিও এই ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু ক্ষমা চাইলেই চলবে না, ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়। এরপরই মেটার প্রতিনিধিদের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকে তলব করা হয়।সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়া, অবৈধ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ভিডিও সরানোর কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেটার প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানালেও কেন্দ্র আরও কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দেয়।এদিকে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম সংস্থাগুলির আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করার বিষয়েও ভাবা হবে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মার্ক জুকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত বিতর্ক কিছুটা স্তিমিত হলেও মেটার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।ভারতে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাই এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তি মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

সমুদ্রের নিচে আমেরিকার গোপন হামলা! ইরানের ঘাঁটি উড়িয়ে দিল নতুন মারণাস্ত্র, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ল। এবার সমুদ্রপথে নতুন অস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, তাদের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও যুদ্ধে সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এই অভিযানে ইরানের একটি ডুবোজাহাজ এবং জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। হামলার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, রবিবার মানববিহীন সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বন্দর আব্বাসে অভিযান চালানো হয়। তাদের দাবি, তিনটি সামুদ্রিক ড্রোন দিয়ে ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতে সফল হামলা চালানো হয়েছে। এই অভিযানের ফলে হরমুজ প্রণালী এলাকায় ইরানের সামরিক সক্ষমতায় বড় ধাক্কা লেগেছে বলেও দাবি করেছে আমেরিকা।প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছোট মানববিহীন জলযান দ্রুত গতিতে জলের উপর দিয়ে এগিয়ে গিয়ে একটি স্থাপনার সঙ্গে ধাক্কা মারে। তার পরেই প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুনের বিশাল গোলা আকাশে ছড়িয়ে পড়ে। মার্কিন দাবি, ওই বিস্ফোরণে জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায়।এই হামলার আগে থেকেই হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। আমেরিকার অভিযোগ, ইরান একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি একটি মালবাহী জাহাজেও হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অন্যদিকে মার্কিন বাহিনীও টানা কয়েক দিন ধরে ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই ঘোষণা করেছিলেন, হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাহাজের বিরুদ্ধে আবারও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ওই জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজের জন্য নতুন শুল্ক আরোপের কথাও জানান তিনি। এর পাল্টা জবাবে ইরান বাহরিন, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একাধিক জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বিমানে উঠতেই মহুয়ার দিকে ‘চোর’ স্লোগান! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল শোরগোল

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জায়গায় জনরোষের মুখে পড়ছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এর আগে গণনাকেন্দ্রে অভিনেতা-পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর দিকে কাদা ছোড়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। অভিনেতা দেবকেও প্রকাশ্যে চোর স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।শুক্রবার দিল্লিগামী বিমানে উঠেছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, তাঁকে দেখামাত্রই কয়েকজন সহযাত্রী আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিমানের ভিতরেই ওঠে, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সব চোর স্লোগান। আচমকা এমন পরিস্থিতিতে অস্বস্তিতে পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ। তিনি নিজের আসনে বসে পড়েন। পরে বিমানকর্মীরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই দলের একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে প্রকাশ্যে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, অভিনেতা দেব কার্যত টি-শার্ট দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন। সেই ঘটনার পর এবার মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে নতুন ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ইতিমধ্যেই বিমানের ভিতরের সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ভোটের ফলের পর কি রাজ্যে জনরোষ আরও বাড়ছে? যদিও এই ঘটনা নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি মহুয়া মৈত্র।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

কাটা ভিডিয়ো না আসল সত্য? বিস্ফোরক দাবি হুমায়ুন কবীরের দলের

বিতর্কিত ভিডিয়ো ঘিরে জোর চর্চার মাঝেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল হুমায়ুন কবীরের দল। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দলের মুখপাত্র কামাল হোসেন জানান, যে ভিডিয়োকে ঘিরে এত বিতর্ক, তার সম্পূর্ণ অংশ খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।তিনি দাবি করেন, ভিডিয়োটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে সম্পাদনা করে প্রকাশ করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে হুমায়ুন কবীর-কে হেনস্থা করার চেষ্টা হয়েছে। তাঁর কথায়, আসল ভিডিয়ো সামনে এলেই সত্যিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।কামাল হোসেন আরও জানান, ভিডিয়োটি কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থও হয়েছে তাঁদের দল। তাঁর দাবি, ভিডিয়োটি গত বছরের উনিশে ডিসেম্বরের, কিন্তু তা প্রকাশ করা হয়েছে অনেক পরে। এতদিন পরে কেন এটি সামনে আনা হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। যে সোশ্যাল মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি ছড়ানো হয়েছে, তা নিয়েও অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করছে। তাঁর বক্তব্য, হুমায়ুন কবীর রাজনৈতিকভাবে তাদের চাপে ফেলেছেন বলেই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রকাশ্যে আসা এই স্টিং ভিডিয়ো ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভিডিয়োতে নাকি বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিপুল টাকার লেনদেনের ইঙ্গিত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও হুমায়ুন কবীর নিজে এই ভিডিয়োর সত্যতা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা ক্রমশ বাড়ছে এবং ভোটের আগে তা আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
রাজ্য

ভিড়ের মাঝে আগুনঝরা ভাষণ, তারপর গা ঢাকা! বাগডোগরায় ধরা পড়লেন মোফাক্কেরুল

বুধবার কালিয়াচকের ঘটনার পর একটি ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, একটি গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে এক ব্যক্তি ভিড়ের মাঝে বক্তৃতা দিচ্ছেন। তাঁর কথা শুনে উপস্থিত অনেকেই হাততালি দিচ্ছেন এবং মোবাইলে সেই মুহূর্ত রেকর্ড করছেন। ঘটনার পর থেকে ওই ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।অবশেষে শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের নাম মোফাক্কেরুল ইসলাম। পুলিশের দাবি, তিনি বেঙ্গালুরুতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন।পুলিশ জানিয়েছে, কালিয়াচকে বিচারকদের ঘেরাও করার ঘটনায় মোফাক্কেরুল ইসলামের উস্কানি ছিল। এই ঘটনায় তাঁর নামে তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি কেন মালদহে গিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা যায়, ২০২১ সালে তিনি একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে তারপর রাজনৈতিক ময়দানে তাঁকে খুব একটা দেখা যায়নি। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি প্রার্থী না হলেও, তাঁর দল মালদহ জেলায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও এই ঘটনার পর ওই দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।রাজনীতির পাশাপাশি মোফাক্কেরুল ইসলাম পেশায় একজন আইনজীবী। আগে তিনি জেলা আদালতে কাজ করতেন, বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করেন। হাইকোর্টে তাঁর বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে বলেই জানা গেছে। অনেকেই তাঁর বক্তব্য শুনতে ভিড় করেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁর প্রচুর অনুসারী রয়েছে।গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে নিজের গ্রেফতারির কথা জানান। গত কয়েকদিন ধরে তিনি বিভিন্ন রাজ্যের ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করছিলেন, যাতে মনে হয় তিনি রাজ্যের বাইরে রয়েছেন। কখনও তেলেঙ্গানা, কখনও তামিলনাড়ু, আবার কখনও পাঞ্জাবের আদালতের ছবি শেয়ার করেছিলেন। এমনকি একটি ভিডিয়োতে তিনি কেরল যাওয়ার কথাও বলেন।তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

রণবীরের কান্না, শাহরুখের জড়িয়ে ধরা! ভাইরাল পুরনো ভিডিওতে আবেগে ভাসছে অনুরাগীরা

ধুরন্ধর এবং ধুরন্ধর ২ ছবির বিপুল সাফল্যের পর এখন বলিউডে অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর সিং। বক্স অফিসে একের পর এক সাফল্যের ফলে তাঁকে নিয়ে চারদিকে আলোচনা চলছে। তবে এই সাফল্যের মাঝেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে একটি পুরনো ভিডিও, যা ঘিরে নতুন করে আবেগে ভাসছেন অনুরাগীরা।এই ভিডিওটি একটি পুরনো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের। তখন রণবীর সিং বলিউডে একেবারেই নতুন। নিজের প্রথম ছবি ব্যান্ড বাজা বারাত-এর জন্য সেরা নবাগত অভিনেতার পুরস্কার নিতে মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি। হাতে পুরস্কার নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগে ভেঙে পড়েন এবং কান্না শুরু করেন।বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ থেকে নামার সময় তাঁকে কাছে ডাকেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক শাহরুখ খান। রণবীরের চোখে জল দেখে তিনি মজা করে বলেন, তুমি কেন কাঁদছ, কাঁদা তো আমাদের উচিত। তুমি ইন্ডাস্ট্রিতে এসে গিয়েছ, এবার আমাদের কী হবে। তাঁর এই কথায় হাসিতে ফেটে পড়ে পুরো হলঘর। সেই সময় দর্শকাসনে থাকা সলমন খানকেও হাসতে দেখা যায়।এরপর শাহরুখ খান রণবীরকে জড়িয়ে ধরেন এবং বলেন, আমাদের একটু ভালোবাসা দাও, আমরা তোমাকে বলতে চাই তুমি কত ভালো একজন অভিনেতা। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে থাকা শাহিদ কাপুরও রণবীরকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন। শাহরুখ সবার সামনে রণবীরকে এই সময়ের অন্যতম সেরা অভিনেতা বলেও উল্লেখ করেন।২০১০ সালে অনুষ্কা শর্মার সঙ্গে ব্যান্ড বাজা বারাত ছবির মাধ্যমে বলিউডে যাত্রা শুরু করেন রণবীর সিং। সেই শুরু থেকে আজকের এই সাফল্যের জায়গায় পৌঁছনোর গল্প এখন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা। ধুরন্ধর ২ ছবির বিপুল সাফল্যের পর পুরনো সেই ভিডিও ফের সামনে আসতেই অনুরাগীরা বলছেন, শাহরুখের সেই কথাই যেন সত্যি হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
বিদেশ

মৃত্যু জল্পনার মাঝেই ভিডিও বার্তা, কী বলতে চাইলেন নেতানিয়াহু

মৃত্যু নিয়ে জল্পনার মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেই ভিডিওর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি সুস্থ আছেন। তবে ভিডিওটি প্রকাশের পরই সমাজমাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন নেতানিয়াহু। সেখানে তাঁর হাতে একটি কফির কাপ দেখা যায়। সেই ভিডিওতে ব্যঙ্গের সুরে তিনি বলেন, তিনি কফির জন্য মরতেও রাজি এবং দেশের জন্যও মরতে প্রস্তুত। এর আগে যে বিতর্কিত ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, সেই বিষয়েও তিনি প্রতিক্রিয়া জানান।কিন্তু সোমবার সকালে সমাজমাধ্যমে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর একটি পরিষেবা দাবি করে, নেতানিয়াহুর সেই ভিডিওটি নাকি আসলে কৃত্রিমভাবে তৈরি। তাদের মতে, ভিডিওতে কফির কাপের অবস্থান প্রায় একই রকম রয়েছে এবং ঠোঁটের নড়াচড়ার সঙ্গে কথার মিলও ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও তাঁর বাঁ হাতের অবস্থানও অস্বাভাবিক বলে অনেকের দাবি। এই সব কারণেই অনেকে মনে করছেন ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হতে পারে।এই বিতর্কের মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি অজানা পাহাড়ি জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন নেতানিয়াহু। তাঁর পাশে দুজন তরুণীকেও দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে একটি বার্তাও দেওয়া হয়েছে, যেখানে লেখা রয়েছে নির্দেশ মেনে চলেই জয় অর্জন করা হচ্ছে। তবে এই বার্তার অর্থ কী, তা স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে নতুন এই ভিডিও ঘিরে আবারও নানা প্রশ্ন উঠছে। বর্তমানে নেতানিয়াহু ঠিক কোথায় আছেন, তা নিয়েও কোনও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসেনি। ফলে গোটা ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও কৌতূহল এবং জল্পনা আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মোদির উদ্বোধন করা ট্রেনেই আবর্জনার পাহাড়, ভাইরাল ভিডিওতে ক্ষোভ

ভোটের মুখে বাংলায় এসে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু উদ্বোধনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিতর্কে জড়াল সেই আধুনিক ট্রেন। হাওড়া-গুয়াহাটি (কামাখ্যা) রুটের বন্দে ভারত স্লিপারের পরীক্ষামূলক যাত্রার সময় ট্রেনের ভিতরের একাধিক ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। ঝাঁ-চকচকে নতুন ট্রেনের কোচের মেঝেতে ছড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে প্লাস্টিকের প্যাকেট, চামচ ও বিভিন্ন আবর্জনা। উদ্বোধনের দিনেই যাত্রীদের আচরণ নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।১৭ জানুয়ারি, শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয় হাওড়া-গুয়াহাটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। যদিও বাণিজ্যিকভাবে এই ট্রেন চলবে ২২ জানুয়ারি, সরস্বতী পুজোর দিন থেকে। উদ্বোধনের দিন পরীক্ষামূলক যাত্রায় বন্দে ভারত স্লিপারের আধুনিক কোচ, উন্নত সুযোগ-সুবিধা এবং প্রায় বিমানের মতো অভিজ্ঞতার ছবি ও ভিডিও সামনে আসে। যা দেখে অনেকেই ট্রেনটিকে ভারতের রেলের নতুন যুগের প্রতীক বলে প্রশংসা করেন। কিন্তু সেই আনন্দের মধ্যেই ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিওতে ধরা পড়ে ট্রেনের ভিতরের নোংরা ছবি।ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্লিপার কোচের মেঝেতে ছড়িয়ে রয়েছে খাবারের প্যাকেট ও আবর্জনা। ওই ভিডিও পোস্ট করে এক ব্লগার সরাসরি যাত্রীদের একাংশের দিকে আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, এটা রেলের গাফিলতি নয় বা সরকারের গাফিলতি নয়, এটা যাত্রীদেরই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, উদ্বোধনের দিনেই একটি নতুন ট্রেনের এই অবস্থা করে ফেলেছি আমরা। এটাই কি আমাদের নাগরিক দায়িত্ববোধ? ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ট্রেন বিশ্বমানের হতে পারে, কিন্তু নাগরিক সচেতনতা এখনও অনেক পিছিয়ে।এই ভিডিও দেখে হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন বহু নেটিজেন। তাঁদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, সাধারণ মানুষেরও। কারণ ট্রেন ব্যবহার করেন যাত্রীরাই। ভাইরাল ভিডিও নজরে এসেছে রেল কর্তৃপক্ষেরও। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, রেলের সম্পত্তি পরিষ্কার রাখা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। এভাবে কোচে আবর্জনা ফেললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।একদিকে যখন যাত্রীদের একাংশের আচরণ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে, অন্যদিকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের খাবার নিয়েও একাধিক ভিডিও সামনে এসেছে। সেই সব ভিডিওতে খাবারের গুণমানের প্রশংসা করেছেন বেশিরভাগ যাত্রী। বিমানের মতো খাবার পরিবেশন ও পরিষেবায় খুশি অনেকেই। তবে সব প্রশংসার মাঝেও নতুন ট্রেনের প্রথম যাত্রাতেই এই নোংরা ছবি বন্দে ভারত স্লিপারের ভাবমূর্তিতে ধাক্কা দিয়েছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

দেবলীনা নন্দীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ! ফেসবুক লাইভে কী বললেন দুই যুবক?

গত কয়েকদিন ধরেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী ও সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার দেবলীনা নন্দী। আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনার পর থেকেই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনা চলছে সোশাল মিডিয়ায়। এরই মাঝে প্রকাশ্যে এল নতুন অভিযোগ, যা ঘিরে ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।শনিবার বিকেলে নীল ও রিভু নামে দুই যুবক ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেবলীনা নন্দীর ফেসবুক পেজ তাঁরা পরিচালনা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেবলীনাকে জনপ্রিয় করে তুলতে তাঁরা নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি, ভিডিও এডিট এবং পেজ ম্যানেজমেন্টের কাজ করেছেন। তাঁদের হাত ধরেই নাকি দেবলীনারের ফলোয়ার সংখ্যা ৭০ হাজার থেকে বেড়ে ১২ লক্ষে পৌঁছয়। কিছু মিউজিক ভিডিওর কাজও করেছেন তাঁরা।অভিযোগকারীদের দাবি, কাজ ছাড়ার পর দেড় বছর কেটে গেলেও তাঁদের প্রাপ্য টাকা দেননি দেবলীনা। বহুবার বকেয়া টাকা চাওয়া হলেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ। তাঁদের আরও দাবি, একাধিকবার ফোনে দেবলীনারের মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রতিবারই নাকি বলা হয়েছে, দেবলীনা অসুস্থ এবং হাসপাতালে ভর্তি।এই ফেসবুক লাইভ ছড়িয়ে পড়তেই সোশাল মিডিয়ায় শুরু হয় জোর আলোচনা। কমেন্ট বক্সে কেউ দেবলীনাকে কটাক্ষ করেন, আবার কেউ অভিযোগকারীদের প্রশ্ন তোলেন, এতদিন পরে কেন তাঁরা এই কথা প্রকাশ্যে আনলেন।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে পারিবারিক সমস্যার কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন দেবলীনা নন্দী। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।এই বিতর্কের মধ্যেই কয়েক ঘণ্টা পর অভিযোগকারীরা তাঁদের আগের ফেসবুক লাইভ ডিলিট করে নতুন একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তাঁরা জানান, প্রথম ভিডিও প্রকাশের পর দেবলীনা নিজে ফোন করে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমস্ত বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেন। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি দেবলীনা নন্দী।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

ভিডিও দেখে বুঝে যাবে—উমর কীভাবে ‘শহিদি পথ’ প্রচার করছিলেন! গোয়েন্দাদের হাতে চরম প্রমাণ

লালকেল্লার একেবারে কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর যে মুখটি প্রথমে প্রকাশ্যে আসে, তিনি উমর নবি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বিস্ফোরণের ঠিক আগে পার্কিং লটে ঘোরাফেরা করছেন তিনি। বিস্ফোরণের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তাঁর দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। পরে ডিএনএ পরীক্ষায় মায়ের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া গেলে সন্দেহ দূর হয়বিস্ফোরণে মারা যাওয়া ব্যক্তি নিঃসন্দেহে কাশ্মীরের বাসিন্দা উমর নবি।পেশায় চিকিৎসক উমর উন নবী ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, যাঁকে চেনা মানুষজন এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না যে তিনি এমন পথে হাঁটতে পারেন। তাঁর পুলওয়ামার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। সন্দেহ ঘনাতেই নিরাপত্তাবাহিনী বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেয়। পরিবার ও প্রতিবেশীদের দাবি, পড়াশোনায় দারুণ ভালো ছিলেন উমর, নিজের কাজে মগ্ন থাকতেন। তবে গত দুবছরে আচরণে এক অদ্ভুত পরিবর্তন টের পেয়েছিলেন তাঁরা। সেই সূত্রেই শুরু হয় তদন্ত।ঘটনার এক সপ্তাহ পর সামনে আসে একটি ভিডিয়োযাকে গোয়েন্দারা উমরের শেষ বার্তা বলেই ধরে নিয়েছেন। তাতে গম্ভীর মুখে আত্মঘাতী হামলাকে শহিদ হওয়ার পথ হিসেবে ব্যাখ্যা করতে দেখা যায় তাঁকে। তিনি বুঝিয়ে দিচ্ছেন কেমনভাবে আত্মঘাতী বোমা কোনও পাপ নয়, বরং সঠিক পথ। ভিডিও দেখে স্পষ্ট, নিজের কথায় অন্যদেরও প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন উমর।গোয়েন্দাদের মতে, যে কোনও নাশকতার আগে দীর্ঘদিনের মগজধোলাই কাজ করে। অল্পবয়সী ও শিক্ষিত যুবকদেরকেও বোঝানো হয় যে মৃত্যু এখানে কোনও অপরাধ নয়, বরং লক্ষ্যে পৌঁছনোর উপায়। তদন্তে উঠে এসেছে, টেলিগ্রামে বেশ কয়েকটি গোপন গ্রুপে নিয়মিত সক্রিয় ছিলেন উমর। সেখান থেকেই তাঁর মানসিকতার পরিবর্তন ঘটে বলে ধারণা গোয়েন্দাদের। অচিরেই চিকিৎসক উমর চলে যান সন্ত্রাসের অন্ধকার গহ্বরে।এই ভিডিও সামনে আসতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠছেকীভাবে একজন মেধাবী যুবক এত অল্প সময়ে চরমপন্থার পথে চলে যেতে পারেন? আর কতজন এমনভাবে অজ্ঞাত অন্ধকারে ঢুকে যাচ্ছে, যা পরিবার পর্যন্ত টের পাচ্ছে না?

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

কালী পুজোর নতুন মিউজিক ভিডিও

উমা বিদায়ের আবেগের মাঝেই অশুভ শক্তির বিনাশে মা কালির আবাহনে রাজ্য সহ গোটা দেশবাসী। কিন্তু মানবমনে এই দুর্গা বা কালীর ভাবাবেগ ঠিক কতটা আর তাকেই জাগ্রত করতে অর্পিতা রায় ও পরিচালক শুভ্রজিৎ দাসের পরিচালনায় সমস্ত অডিও প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে পুজোর নতুন গান জাগো দুগ্গা মা। কিশুর মিউজিক কম্পোজিশনে ও সৌহার্দ্যর কন্ঠে কালি পুজোর আগে মুক্তি পাওয়ার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই গান। এই মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন অর্পিতা রায়, প্রিয়া চন্দ, দিবেন্দু দাস দের মতো তরুণ প্রজন্মের শিল্পীদের। নারী ক্ষমতায়নের পাশাপাশি সাম্প্রতিক আরজিকরের ঘটনাও গান হয়ে ধরা দিয়েছে এই অডিও প্রোজেক্টটিতে। আর কিছুদিন অপেক্ষা। এরপরই প্রকাশিত হবে এই গানের ভিডিও। এই ভিডিওর দায়িত্বে রয়েছেন আরিয়ান শুভ্র ও অর্পন ঘোষ। প্রোজেক্টির পোস্টার ডিজাইন করেছেন সন্দীপন চক্রবর্তী।

নভেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুলকালাম, তুঙ্গে বিতর্ক

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে অস্বস্তি বেড়েছে পদ্মশিবিরে। এবার আরও অস্বস্তি বাড়াল পুলিশ। সন্দেশখালিতে যৌন নির্যাতন-ধর্ষণের ঘটনা সাজানো বলছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। সেই ভাইরাল ভিডিওর রেশ কাটতে না কাটতেই নয়া ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে মহিলারা দাবি করছেন, ভুল বুঝিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিল মহিলা মোর্চার নেত্রী। তাঁরা কোনও ধর্ষণের অভিযোগ করেননি। এবার সেই ঘটনায় বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাসকে সমন পাঠাল সন্দেশখালি থানার পুলিশ। তাঁকে জেরা করতে চায় পুলিশ।সন্দেশখালিতে ধর্ষণ কিংবা যৌন নির্যাতনের ঘটনা কি সাজানো? এবার আরও একটি নতুন ভিডিও-য় চাঞ্চল্যকর কিছু দাবি করতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। যদিও সেই ভিডিও-টির সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা।দিন কয়েক আগেই সন্দেশখালির (Sandeshkhali) BJP নেতা গঙ্গাধর কয়ালের বক্তব্য নিয়ে এটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেই ভিডিও প্রকাশ করে সন্দেশখালির গোটা ঘটনা নিয়ে BJP-কেই তুলোধনা করতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে। বৃহস্পতিবার ভাইরাল হওয়া আরও একটি ভিডিও-য় সন্দেশখালিরই আরেক বিজেপি নেতা অনুপ দাসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোনা গিয়েছে বসিরহাটের BJP প্রার্থী তথা সন্দেশখালি আন্দোলনের মুখ রেখা পাত্র সহ কয়েকজন মহিলাকে।এবার নতুন আরও একটি ভিডিও-য় মুখ খুলতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। সেই ভিডিও-য় তিন মহিলার দাবি, ধর্ষণ-সহ যে বিভিন অভিযোগ করা হয়েছে তা সাজানো। এমনকী মহিলা কমিশন যেদিন সন্দেশখালিতে গিয়েছিল ওই দিন এক বিজেপি নেত্রী তাঁদের মিথ্যা অভিযোগ করতে বলেছিলেন বলেও দাবি তাঁদের। সাদা কাগজে তাঁদের দিয়ে সই করিয়ে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ তাতে লেখা হয়েছে বলে দাবি কয়েকজন মহিলার।আদৌ তাঁদের সঙ্গে ধর্ষণের মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে ওই ভাইরাল ভিডিও-য় দাবি করেছেন মহিলারা। যদিও সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা। বর্তমানে মিথ্যা মামলা তাঁরা তুলে নিতে চাইলে বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাস ও এলাকার কয়েকজন বিজেপি নেতারা তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনায় মাম্পিকে জেরা করতে তাঁকে তলব করেছে পুলিশ।

মে ১০, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির নারদ আদলে তৃণমূল ভবনে সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও প্রদর্শন, ভয়ঙ্কর আক্রমণ অভিষেকের

নারদ-কাণ্ডে বিজেপি দফতরে ভিডিও ফুটেজ তুলে ধরে তৃণমূলকে নিশানা করেছিলেন গেরুয়া নেতারা। তখনও এরাজ্যে নির্বাচনী আবহ ছিল। এবার সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও তোলপাড় ফেলতেই একই কায়দায় এবার বিজেপিকে পাল্টা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পদ্ম বাহিনীকে কার্যত তুলোধনা করলেন তিনি। অভিষেকের সাফ কথা, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিও বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শনিবার রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পরে যায়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লকের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল স্বীকার করছেন, মহিলাদের ধর্ষণের ঘটনা পুরোটাই সাজানো। সে জন্য তাঁদের টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।এরপরই এক্স বার্তায় সরব হয়েছিলেন অভিষেক। পরে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। অভিষেক বলেন, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। ভিডিয়োতে উনি বলেছেন, তাবড় তাবড় মালকে গ্রেফতার করানোর কথা। গঙ্গাধর বলেছেন, শুভেন্দু তাঁদের বলেছেন, তাবড় তাবড় মাল গ্রেফতার না করালে তোমাদের কিছু হবে না। খবর যাচাই না করেই বাংলার নামে খবর প্রকাশ করেছে জাতীয় সংবাদমাধ্যমগুলি। তাতে বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। এঁদের প্রত্যেকের উচিত বাংলায় এসে ক্ষমা চেয়ে যাওয়া।পরিকল্পনা করে সন্দেশখালিতে রোবটও নামিয়ে দিল ওরা। যেন মনে হচ্ছিল চাঁদে চন্দ্রযানের প্রজ্ঞান নামছে। এই সব কিছুই দেখানোর জন্য। সব পরিকল্পিত।গঙ্গাধর বলেছে ২০০০টাকা দিয়ে অভিযোগ দায়ের করিয়েছে বাংলায়। রেখা পাত্র যিনি ওই এলাকার লোকসভা ভোটের প্রার্থী তিনিও ওই ২০০০ টাকার বিনিময়েই অভিযোগ করেছিলেন। পিঠে পাটিসাপটা বানানো নিয়ে কত কথা বলেছিল সংবাদ মাধ্যম। কী ভাবে খবর প্রকাশ হয়েছিল! আর এখন এরা বলছে ধর্ষণই হয়নি। উল্টে ধর্ষণ নিয়ে যাতে কোনও পরীক্ষা দিতে না হয়, সে জন্য ৭ মাস আগের অভিযোগ দায়ের করেছে।বাংলাকে কলুষিত করার জন্য বিজেপির পাশাপাশি বিচারমাধ্যমের একাংশও দায়ী বলে মনে করি আমি। এ কথা বলার জন্য যদি আমি আদালত অবমাননার দায়ে পড়ি, তবে পড়ব, কিন্তু সত্যি কথা বলা থেকে আমাকে আটকানো যাবে না। বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে মহিলাদের সম্ভ্রম ২০০০ টাকায় বিক্রি করেন, সেই দলকে ভোট দেওয়ার আগে দশবার ভাববেন।আমি চ্যালেঞ্জ করছি গঙ্গাধর কয়ালকে বিজেপি সাসপেন্ড করুক। এ ব্যাপারে সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যও মিলছে না। বিজেপির নেতারা আলাদা আলাদা কথা বলছেন। ওদের আসল চেহারা, ওদের নগ্নরূপ বেরিয়ে গেছে।বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিয়ো বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।বাংলায় ওরা থাকছে, খাচ্ছে আর বাংলার নাম কলুষিত করছে। আসলে বাংলাকে কলুষিত করে দখল করার পরিকল্পনা ছিল বিজেপির। যেভাবে, রাজস্থান, কর্ণাটক দখল করেছে সে ভাবেই বাংলাও দখল করবে। কিন্তু বাংলার দখল নেওয়া অত সহজ নয়। খালি কয়েকটা ভোটের জন্য যা নয় তাই করা হচ্ছে। সমস্যা আদৌ হয়েছে কি না যাচাই না করেই সিবিআই হয়ে যাচ্ছে। সংবিধান মেনে পুলিশকে সুযোগও দেওযা হচ্ছে না। তদন্ত করার সুযোগই দেওয়া হচ্ছে না।ওর (শুভেন্দু অধিকারী) সিবিআইকে বলুন, যদি ক্ষমতা থাকে আমাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে। ওর সিবিআই দেখিয়ে রাজনীতি অন্য জায়গায় করতে বলবেন। সিবিআইয়ের তল্পিবাহকতা করার জন্য বাংলার মানুষ বেঁচে আছে। ওর যদি ক্ষমতা থাকে, তা হলে ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? ওই বেইমানটাকে বলবেন, আমি ওকে বেইমান বলছি, গদ্দার বলছি, ঘুষখোর বলছি। কী করবে করে নিক।

মে ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

সন্দেশখালি নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যা বললেন.....

বিরোধী দলনেতার মদতেই হয়েছে। সন্দেশখালি সম্পর্কিত ভাইরাল ভিডিওতে সেই দাবিই শোনা গিয়েছে (সেই ভিডিও জনতার কথা যাচাই করেনি) বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের মুখ থেকে। এরপরই সরব হয়েছে তৃণমূল। শুভেন্দু অধিকারীকে তুলোধনা করেছেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের যুবরাজের সাংবাদিক বৈঠকের পরই এই ইস্যুতে মুখ খুললেন রাজ্যে বিরোধী দলনেতা। তিনি দাবি করলেন, সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে ই-মেল করে সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল তাঁর বক্তব্যের বিকৃত ভিডিও অভিযোগ আকারে পাঠিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই সন্দেশখালি থেকে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন গঙ্গাধর।ভাইরাল ভিডিওতে বিজেপি নেতার মুখে একাধিকবার শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর নাম। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, এই সব কিছু কয়লা ভাইপোর তৈরি। অর্থাৎ শুভেন্দুর নিশানায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগে এক্স বার্তায় এই ইস্যুতে দাবি করেছিলেন যে, ভোটে হারবেন বুঝেই এ সব করিয়েছেন। তাঁর নিশানায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।শনিবার সকালে স্টিং অপরেশনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিয়োতে বিজেপির সন্দেশখালির ২ নং মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালিতে ধর্ষণের অভিযোগ সাজানো। এ নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করে তৃণমূল। শুভেন্দু সেই আক্রমণ উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেছেন, ভিডিয়োটি বিকৃত।গঙ্গাধরের দাবি ওই ভিডিও বিকৃত। ভিডিওয় তাঁর ছবি এবং কথার মধ্যে কোনও মিল নেই। ভিডিয়োয় বক্তার মুখও স্পষ্ট নয়। এমন ভাবে ভিডিয়োটি এডিট করা হয়েছে, যাতে তা বোঝা না যায়। ভিডিও থেকে বক্তার ঠোঁটের নড়াচড়াও স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে না বলেই দাবি গঙ্গাধরের। ভিডিয়োর শব্দ স্পষ্ট নয়। ইচ্ছাকৃত অসাধু উদ্দেশ্যেই এমনটা করা হয়েছে বলে অভিযোগ গঙ্গাধরের।

মে ০৪, ২০২৪
দেশ

প্রচারে কলকাঠি নাড়ছে AI

লোকসভা ভোটের প্রচারে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। ভোট যুদ্ধের ময়দানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রথী- মহারথী রা একে অপরকে বিদ্ধ করতে তূন থেকে বার করছেন নানান তির। সামাজিক মাধ্যমে যেমন, facebook, Instagram, you tube আর x handle য়ে AI বা artificial intelligence ব্যবহার করে চলছে দলীয় প্রার্থীদের মহিমা প্রচার অথবা বিপক্ষ দলকে নিশানা করে ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে অভিনব প্রচার ভোটে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এবারে নির্বাচনের প্রচার মত এগোবে ততই AI য়ের ব্যাবহার বাড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এই প্রচারে ভোটার রা কতটা সাড়া দেবেন তা পরে বোঝা যাবে। AI য়ের সাহায্যে প্রচারের ঢেউতে যে শব্দটি ভাসছে তা হলো deep fake । সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রের সফল ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বকে অপদস্থ করতে বা জনমানসে হেয় করতে deep fake য়ের ব্যবহার বেড়েছে। AI ব্যবহার করে করে কোনো একজনের শরীরে সফল এবং জনপ্রিয় ব্যাক্তির মুখ বসিয়ে দিয়ে সামাজিক ভাবে হেনস্থা করতে সম্পুর্ন মিথ্যা ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়। চলতি বছরের শুরুতে রাজনীতির ময়দানে এই deep fake য়ের প্রবেশ ঘটেছে এই নিয়ে রাজনীতিতে তোলপাড় ও হয়েছে। Deep fake তৈরি করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় বিজেপি, কংগ্রেস, DMK সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নাম জড়িয়েছে।গত মার্চ মাসে রাহুল গান্ধী কে হাস্যস্পদ করতে deep fake ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। Instagram য়ে ছড়িয়ে পড়ে রাহুল গান্ধীর ছবি এবং সেখানে দেখা যায় রাহুল বলেছেন,আমি কোনো কাজ করি না ।সম্প্রতি বিজেপির বিরুদ্ধে এমন ই আরো একটি অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগ হল বিজেপির ছড়িয়ে দেওয়া একটি video clipping য়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অখিলেশ যাদব সহ আরো কয়েকজন বিরোধী নেতা নেত্রীদের দেখা যায়। AI ব্যবহার করে সেই video তে বিরোধী নেতা নেত্রীদের মুখে বিশেষ কিছু কথা বসানো হয়েছে।গত ফেব্রুয়ারি মাসে এক ই ধরনের অভিযোগ ওঠে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। কংগ্রেসের official Instagram য়ে নিশানা করা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে। Deep fake তৈরি করে চোর শীর্ষক নামের একটি জনপ্রিয় গানের শিল্পী জুস্থের শরীরে জুড়ে দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ। AI ব্যবহার করে গানের কথা এক রেখে সঙ্গীত শিল্পীর কণ্ঠস্বরের বদলে প্রধানমন্ত্রীর কন্ঠস্বর বসিয়ে দেওয়া হয়।ওই ফেব্রুয়ারি মাসেই এক অভিনব প্রচার চালায় তামিল নাড়ুর প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল AIADMK । ওই দলের তরফ থেকে প্রচারিত হয় এক অডিও clip। সেই audio বার্তায় শোনা যায় জনগণের কাছে AIADMK নেতা ইপালানিস্বামী কে সমর্থন করার আবেদন জানাচ্ছেন নেতৃ জয়ললিতা। যদিও ২০১৬ সালে এই জননেত্রীর মৃত্যু হয়। গত বছর তেলেঙ্গানা বিধান সভা নির্বাচনের প্রচার কালে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এক গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ কংগ্রেসের অফিসিয়াল x handle য়ে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। সেই video তে দেখা যায় , বিরোধী দল BRSয়ের নেতা কে টি রামারাও ভোটার দের কাছে নিজের দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন deep fake তৈরি করে এই মিথ্যা বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে গত জানুয়ারি মাসে কর্মী সম্মেলন করে তামিল নাড়ুর শাসক দল DMK । সেই সম্মেলনে অতিথি তালিকায় ছিলেন তামিল নাড়ুর political icon এম করুনানিধি। সম্মেলন স্থলে giant screen য়ে ট্রেড মার্ক কালো চশমা পরা সাদা শার্ট পরিহিত গায় হলুদ লাল জড়ানো অতি জনপ্রিয় নেতা এম করুনানিধি কে দেখা গিয়েছিল। তিনি কর্মীদের সামনে তামিল নাড়ুর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্তালিন ও অন্য নেতাদের অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন। যদিও এই অতি জনপ্রিয় নেতা ২০১৮ সালে মৃত্যু হয়। প্রচারে AI য়ের ব্যবহার যে ক্রমশ বাড়বে তা সহজেই অনুমান করা যায়। ভোটার দের মন জয় করতে AI য়ের ব্যবহারের জন্য রাজনৈতিক পরামর্শ দাতা সংস্থা গুলির দরজায় নেতা নেত্রীদের ভিড় বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচনের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আদর্শ আচরণবিধি চালু হয়। নির্বাচনী প্রচারে রাজনৈতিক দল গুলির কী করতে পারবে আর কী করতে পারবে না তাই নির্দিষ্ট করা থাকে নির্বাচন কমিশনের জারি করা ওই নির্দেশিকায়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে নির্বাচনী প্রচারে AI ব্যবহারের বিষয়ে ওই আচরণবিধিতে নীরব থেকে গিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও প্রচারে AI য়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই বিষয়ে নজর রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি রাখতে কমিশন কে তাঁরা অনুরোধ করেছেন।

মার্চ ২২, ২০২৪
রাজ্য

জেলাশাসকের উদ্যোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের ভিডিও প্রকাশ

পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ জেলাশাসকের মিটিং হলে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের এক তথ্যচিত্রের উদ্বোধন হল। তথ্যচিত্রটির উদ্বোধন করেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা। তিনি জানান, এই জেলার অনেক জায়গা আছে যেগুলি পর্যটকরা সেভাবে জানে না, সেই জায়গাগুলিকে এই ভিডিওর মাধ্যমে পর্যটন মানচিত্রে নিয়ে এসে মানুষের মধ্যে আরও জনপ্রিয় করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, পর্যটনে এই জেলার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ছাড়াও জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ জায়গায় প্রদর্শিত হবে।জেলাশাসক জানান, সামনেই দুর্গাপুজো, জেলার পুজো কমিটিগুলোকেও আমরা এই ভিডিও দেখানোর অনুরোধ করতে পারি। এছাড়াও জেলার ওয়েবসাইটে এই ভিডিওর লিঙ্ক দেওয়া থাকবে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, ইতিমধ্যে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দপ্তরকে এই ভিডিওটি পাঠিয়ে দিয়েছেন যাতে রাজ্যের পর্যটন নিয়ে যে সমস্ত প্রচার করা হয় সেখানে যাতে দেখনো হয়।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এদিন বলেন, পূর্ব বর্ধমান জেলার পর্যটন বৈচিত্র অনেক বেশী। এখানে যেমন উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় স্থান আছে তেমনই ডোকরা, শোলা, তাঁত, কাঠের তৈরি কারুশিল্পেও উল্লেখযোগ্য স্থান আছে। জেলায় বিস্তীর্ণ বনভূমি আছে। এছড়াও এই জেলায় কুমুদরঞ্জন মল্লিক, রাসবিহারী ঘোষ, রাসবিহারী বোস, কাসিরাম দাস, উপেন্দ্রনাথ ব্রম্ভচারী-র মতো বিশিষ্ট মানুষদের জন্মস্থান। জেলার প্রান্ত দিয়ে বয়ে চলেছে গঙ্গা, অজয়, দামোদরের মত নদ নদী।প্রিয়াঙ্কা সিংলা আরও জানান, যাঁরা এই জেলায় বেড়াতে আসতে চান, এই ভিডিও তাঁদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার বিশ্বাস, এই ভিডিওটি দেখার পরে অনেকেই এই জেলায় বেড়াতে আসার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত হবে।আজকের এই ভিডিও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলার বিশিষ্ট সাংবাদিকরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল ও টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল)। তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, এই ভিডিওটি সর্বস্তরে প্রচার করা হবে। এর ফলে দেশের ও রাজ্যের মানুষ আরও ভালো ভাবে পূর্ব বর্ধমান জেলাকে জানতে পারবে এবং এখানে বেড়াতে আসবে।টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল) জনতার কথাকে জানান, জেলাশাসক শ্রীমতি প্রিয়াঙ্কা শিংলার উদ্যোগে এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দপ্তরের আর্থিক সহযোগিতায় পূর্ব বর্ধমান জেলার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, হস্তশিল্প, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংমিশ্রনে একটি ভিডিও তৈরী করা হয় যা আজ জেলাশাসকের দপ্তর থেকে প্রকাশিত করা হলো। ভিডিওটি পূর্ব বর্ধমান জেলার অনাবিষ্কৃত পর্যটন সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে। ভিডিওটি প্রকাশের মূল লক্ষ্য জেলার পর্যটন সম্ভাবনার প্রচার করা। আগামী দিনে পর্যটনের উন্নয়নে আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দুর্গাপূজা উৎসবের আগে আমরা জেলার পর্যটনকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

রিমিক্সের ভিড়ে খোলা হাওয়া মধুরা'র বাংলা দেশাত্মবোধক গানের ভিডিও অ্যালবাম 'ন হন্যতে'

ভারতের ৭৭ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে সঙ্গীতশিল্পী মধুরা ভাট্টাচার্যের প্রযোজনায় প্রকাশিত হল অরিজিনাল বাংলা গান;ন হন্যতে ও তার মিউজিক ভিডিও। এই গানটির সুর দিয়েছেন সঙ্গীত শিল্পী মধুরা নিজেই। গানটি কথা লিখেছেন সৃজন। রিলিজ করেছে মধুরার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল ও লেবেল MADHURAA থেকে। ভারতের স্বাধীনতা ৭৬ বছর পুর্তী উপলক্ষে ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং তাদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতেই মূলত তাঁর এই উপস্থাপনা বলে জানান শিল্পী মধুরা। মধুরা তার নিজের দাদু (মাতামহ) শ্রী সাধনানন্দ মিশ্র কে (যিনি, দেশ ভাগের বিরুদ্ধে, অনশনে অন্যতম ভূমিকা পালন করে, জেলও খেটেছিলেন) তাঁর এই গান উৎসর্গ করেছেন।বাংলা সঙ্গীত জগতে মধুরা ভট্টাচার্য অতি পরিচিত নাম। টেলিভিশন সিরিয়াল থেকে রুপালি পর্দায় তাঁর অবাধ বিচরণ। বাংলা সিরিয়ালে গাওয়া তাঁর একাধিক হিট টাইটেল ট্র্যাক আজও বাঙ্গালির ঘরে ঘরে বাজতে শোনা যায়। ন হন্যতে গানটির যন্ত্রানুসঙ্গ ও ব্যবস্থাপনা সোমনাথ রায় ও সুব্রত বোস এর।ন হন্যতে, কথাটির অর্থ, যার ক্ষয় নেই বা মৃত্যু নেই! ন হন্যতে নামটির সাথে আমদের সম্ভবত প্রথম পরিচয় সাহিত্যিক মৈত্রেয়ী দেবীর আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসে। জানা যায় মৈত্রেয়ী দেবী তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক মির্চা এলিয়াদের লেখা Bengali Nights বা লা নুই বেঙ্গলী বইয়ের প্রত্যুত্তরে, ন হন্যতে বইটি লেখেন। মৈত্রেয়ী দেবী এই উপন্যাসটি লিখে ১৯৭৬ সালে সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পান। ন হন্যতে কথাটি ভগবত গীতা থেকে নেওয়া। আত্মার সম্বন্ধে সেখানে বলা হয়েছে (গীতা ২.২০):অজো নিত্যঃ শাশ্বতোঽয়ং পুরাণো, ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে।অর্থাৎ, (আত্মার) জন্ম নেই, (আত্মা) নিত্য, শাশ্বত, প্রাচীন শরীরকে হত্যা করলেও, একে হত্যা করা যায় না।ন হন্যতে গান টির প্রথমে ঘর ছেড়ে এসেছে, ঘরেরই হিফাজতে - প্রাণপাতে দ্বিধাহীন, নশ্বর দেহেও ন হন্যতে এই চারটি লাইনেই তাঁর সঙ্গীত প্রাজ্ঞ্যতার প্রমান দিয়েছেন শিল্পী মধুরা ভাট্টাচার্য। তাঁর গায়কী নিয়ে অতি বড় মূর্খও প্রশ্ন করবে না। কিন্তু তাঁর সুরারোপিত গান সত্যিই মনোরম। ৭ মাত্রার ৩|২|২ ছন্দের রুপক তালে, এই অনবদ্য গানটি মুক্তি পাওয়ার দু দিনের মধ্যেই সঙ্গীত পিপাসুদের মন জয় করতে সমর্থ হয়েছে।ন হন্যতে গানে র্যাপের অংশটির মূল আকর্ষন, গীতিকার ও র্যাপার সৃজনের অনবদ্য র্যাপের সাথে সাথে মধুরার অনবদ্য আলাপ। আহির ভৈরব রাগের আলাপের মুর্ছনায় সঙ্গীত পিপাসু শ্রোতারা মুগ্ধ হতে বাধ্য। ছোট থেকেই শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিমাপ্রাপ্ত মধুরা তাঁর সঙ্গীত প্রজ্ঞ্যার প্রতি সুবিচার করেছেন বলেই সমলোচকদের ধারণা।মধুরা এই প্রজেক্ট এর কথা বলতে গিয়ে, এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত সকলকে ও ঈশ্বরকে বারবার ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তার মতে, তার সঙ্গীত গুরুজি শ্রী সন্দীপ নাগ, ভিডিওগ্রাফার অভিষেক আগরওয়াল, লিরিসিস্ট সৃজন, মিউজিক আরেঞ্জর সোমনাথ রায়, সুব্রত বোস, ষ্টুডিও ভায়োলিনা ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার তরুণ দাস, এনাদের একজনকেও ছাড়া এই গানটি এতো অল্প সময়ে, মাত্র ৬/৭ দিনের মধ্যে কমপ্লিট করা সম্ভব হতোনা।

আগস্ট ১৫, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

অপরিচিত যুবকদের ঘোরাঘুরি, রানিনগরে পুলিশের জালে ৭ বাংলাদেশি, কেন এসেছিল এই দেশে?

মুর্শিদাবাদে ফের অনুপ্রবেশের অভিযোগে একসঙ্গে সাত বাংলাদেশিকে আটক করল পুলিশ। রানিনগর থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে কাহারপাড়া এলাকা থেকে ওই সাতজনকে আটক করে। বুধবার তাদের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের অভিযোগেই তাদের আটক করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে রানিনগর থানার ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে ওই সাত বাংলাদেশি বেআইনিভাবে এদেশে প্রবেশ করে। সীমান্ত পেরনোর পর কাহারপাড়া এলাকায় তারা গা-ঢাকা দিয়ে ছিল বলে অভিযোগ। কিন্তু এলাকায় বেশ কয়েকজন অপরিচিত যুবকের গতিবিধি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসে। সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রাই রানিনগর থানায় খবর দেন।খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে সাতজনকে আটক করা হয়। এরপর তাদের থানায় নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় আটক ব্যক্তিরা দক্ষিণ ভারতে কাজের উদ্দেশ্যেই সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের কথা জানিয়েছে।এই ঘটনায় সীমান্তবর্তী মুর্শিদাবাদে ফের অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে কীভাবে ওই সাতজন এ দেশে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তাদের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, অথবা সীমান্ত পেরনোর ক্ষেত্রে কোনও দালাল বা চক্র তাদের সাহায্য করেছে কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।মুর্শিদাবাদ-সহ সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ দীর্ঘদিনের। একের পর এক ঘটনায় সেই উদ্বেগ আরও বাড়ছে। যদিও পুলিশ-প্রশাসনের তরফে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অপরিচিত ব্যক্তিদের গতিবিধির উপরও নজর রাখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।আটক সাত বাংলাদেশিকে বুধবার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপের আগে তাদের পরিচয় এবং ভারতে প্রবেশের পথ-সহ অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হকি বিশ্বকাপে ফের পাকিস্তান-বধ, ৫-৩ গোলে উড়িয়ে দিল হরমনপ্রীতের ভারত

হকি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর মঞ্চে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল ভারত। ১৯ অগস্ট নেদারল্যান্ডসের আমস্টেলভিনের ওয়াগনার হকি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। হরমনপ্রীত সিংয়ের নেতৃত্বে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলেছে ভারতীয় দল। শেষ পর্যন্ত ৫-৩ গোলে পাকিস্তানকে হারিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় নিশ্চিত করে টিম ইন্ডিয়া।ম্যাচের শুরু থেকেই পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়াতে থাকে ভারত। ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটেই পেনাল্টি কর্নার থেকে দুর্দান্ত ড্র্যাগ-ফ্লিকে গোল করেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়িয়ে দেয় ভারত। ১১ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মনদীপ সিং। তাঁর গোলে প্রথম কোয়ার্টার শেষ হওয়ার আগেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও একই গতিতে আক্রমণ চালিয়ে যায় হরমনপ্রীতের দল।দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ফের গোল করেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। নিজের দ্বিতীয় গোল করে ভারতকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। তিন গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে চাপ আরও বেড়ে যায় পাকিস্তানের উপর। তবে হাল ছাড়েনি পাকিস্তান। ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা শুরু করে তারা। হন্নান শাহিদ পাকিস্তানের হয়ে প্রথম গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ৩-১ করেন। এরপর কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে ম্যাচ। পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ভারত আক্রমণের ধার একেবারেই কমায়নি।২৪ মিনিটে ফের ভারতীয় শিবিরে উচ্ছ্বাস। দুর্দান্ত ব্যক্তিগত দক্ষতায় গোল করেন অভিষেক। একসঙ্গে ৪-৫ জন পাকিস্তানি খেলোয়াড়কে কাটিয়ে তাঁর অসাধারণ ফিনিশ ভারতকে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। যদিও এরপরই পাকিস্তানের হয়ে সুফিয়ান গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ৪-২ করেন।দ্বিতীয় কোয়ার্টার শেষে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ভারত। প্রথমার্ধে হরমনপ্রীতের জোড়া গোল, মনদীপের একটি গোল এবং অভিষেকের দুর্দান্ত ফিনিশে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে ভারত। পাকিস্তানের হয়ে হন্নান শাহিদ ও সুফিয়ানের গোল অবশ্য তাদের ম্যাচে ফেরার আশা জিইয়ে রাখে। দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখে ভারত। আক্রমণাত্মক হকির পাশাপাশি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের হাতে রেখে শেষ পর্যন্ত ৫-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে হরমনপ্রীতের দল।চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই জয় হকি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযানে নিজেদের শক্তির পরিচয় দিল টিম ইন্ডিয়া।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পেনাল্টি শুটআউটে নাটকীয় জয়, ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল, প্রতিপক্ষ কে?

নাটকীয় পেনাল্টি শুটআউটে এসসি দিল্লিকে হারিয়ে ২০২৬ ডুরান্ড কাপের ফাইনালে জায়গা করে নিল ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের লড়াই গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৫-৩ ব্যবধানে জয় পায় লাল-হলুদ। শুটআউটে ইস্টবেঙ্গলের পাঁচ শুটারই নিজেদের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন। শেষ পর্যন্ত রশিদের নিখুঁত স্পট-কিকেই নিশ্চিত হয় ফাইনালের টিকিট।টাইব্রেকারের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় এসসি দিল্লি। তাদের হয়ে প্রথম পেনাল্টি নিতে আসেন পেনা। তাঁর নেওয়া স্পট-কিক অসাধারণ দক্ষতায় আটকে দেন ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার প্রভসুখন গিল। শুরুতেই প্রতিপক্ষের পেনাল্টি রুখে দিয়ে দলকে বাড়তি সুবিধা এনে দেন তিনি। দিল্লির দ্বিতীয় পেনাল্টিতে রদ্রিগুইনহো গোল করে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন।ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রথম পেনাল্টি নিতে এগিয়ে আসেন আনোয়ার আলি। চাপের মুহূর্তেও ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। এরপর দিল্লির ডুভানও গোল করেন। ফলে টাইব্রেকারের উত্তেজনা ক্রমশ বাড়তে থাকে।লাল-হলুদের দ্বিতীয় স্পট-কিক নিতে আসেন দানু। তিনিও কোনও ভুল করেননি। তাঁর শট জালে জড়িয়ে যায়। দিল্লির হয়ে আইমেনও নিজের পেনাল্টি থেকে গোল করে লড়াই জিইয়ে রাখেন। এরপর ইস্টবেঙ্গলের তৃতীয় শট নিতে আসেন চুংনুঙ্গা। তাঁর শটও সফল হয়।চতুর্থ পেনাল্টিতে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দায়িত্ব নেন ক্রিস ইকোনোমিডিস। তাঁর নিখুঁত শটে ফের বল জালে জড়িয়ে যায়। ফলে ফাইনাল থেকে আর মাত্র এক ধাপ দূরে ছিল লাল-হলুদ।এরপর ম্যাচ শেষ করার দায়িত্ব এসে পড়ে রশিদের উপর। চাপের সেই মুহূর্তেও বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি তিনি। অসাধারণ ঠান্ডা মাথায় স্পট-কিক নিয়ে বল গোলের বাঁ দিকের উপরের কোণে পাঠিয়ে দেন। সঙ্গে সঙ্গেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে ইস্টবেঙ্গল শিবির। ৫-৩ ব্যবধানে টাইব্রেকার জিতে ফাইনালে উঠে যায় আন্তোনিও হাবাসের দল।তবে পুরো ম্যাচে এসসি দিল্লিও যথেষ্ট লড়াই করেছে। সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার জন্য শেষ পর্যন্ত তাদের খেসারত দিতে হয়। প্রথমার্ধে রদ্রিগুইনহোর পেনাল্টি বাঁচিয়ে দেন গিল। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলের রশিদ ও জেসিনের শট-সহ মোট তিনটি প্রচেষ্টা গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা না মিললেও পেনাল্টি শুটআউটে নিজেদের স্নায়ুর জোর ধরে রাখে ইস্টবেঙ্গল। এখন ফাইনালে তাদের সামনে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট অথবা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন নর্থইস্ট ইউনাইটেডের চ্যালেঞ্জ।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অনলাইন বেটিংয়ের অন্ধকার থেকে ফেরার বার্তা, নন্দনে ‘পুনর্জন্ম’

দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিশিয়াল সিলেকশনে সূর্যদীপের স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি, ২১ অগাস্ট নন্দনে প্রদর্শনরাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন। হাতে থাকা স্মার্টফোনে কয়েকটি ক্লিক। আর সেই সহজলভ্যতার হাত ধরেই ধীরে ধীরে অনলাইন গেম, বেটিং অ্যাপ, লটারি কিংবা ডিজিটাল জুয়ার নেশায় জড়িয়ে পড়ছেন বহু মানুষ। শুরুটা হয় সামান্য বিনোদন কিংবা দ্রুত অর্থ উপার্জনের আশায়, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই নেশাই কেড়ে নিচ্ছে সঞ্চয়, সম্পর্ক এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন। এই বাস্তব সামাজিক সমস্যাকেই পর্দায় তুলে ধরতে তৈরি হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পুনর্জন্ম।পরিচালক সূর্যদীপের এই ছবি এবার জায়গা করে নিয়েছে দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিশিয়াল সিলেকশনে। আগামী ২১ অগাস্ট, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টায় কলকাতার নন্দন প্রেক্ষাগৃহে ছবিটির প্রদর্শন হবে।পুনর্জন্ম-এর মূল বিষয় শুধুমাত্র অনলাইন গেম বা বেটিং নয়। এর কেন্দ্রে রয়েছে আসক্তির ভয়াবহতা এবং সেই আসক্তি থেকে বেরিয়ে এসে নতুনভাবে জীবন শুরু করার বার্তা। নির্মাতাদের বক্তব্য, প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ করেছে ঠিকই, কিন্তু তার অপব্যবহার অনেকের কাছে ভয়াবহ বিপদের কারণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের একাংশ দ্রুত এবং সহজে অর্থ উপার্জনের আশায় অনলাইন বেটিং ও বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল জুয়ার ফাঁদে পা দিচ্ছেন।এর জেরে শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই নয়, পরিবারে তৈরি হচ্ছে অশান্তি, ভেঙে যাচ্ছে সম্পর্ক, বাড়ছে মানসিক চাপ। অনেক ক্ষেত্রেই সর্বস্ব হারিয়ে মানুষকে চরম সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এই অন্ধকার বাস্তবতাকেই গল্পের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে পুনর্জন্ম।ছবির লেখক, পরিচালক এবং অভিনেতা সূর্যদীপের কথায়, ছবিটি তৈরির পিছনে তাঁদের মূল উদ্দেশ্য বিনোদনের পাশাপাশি একটি সামাজিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া। তাঁর বক্তব্য, বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের নেশার মধ্যে অনলাইন গেম, বেটিং অ্যাপ এবং লটারির আসক্তি অত্যন্ত ভয়ংকর হয়ে উঠছে। তাঁর আশা, ছবিটি দেখে অন্তত একজন মানুষও যদি এই সর্বনাশা অভ্যাস থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলেই তাঁদের পরিশ্রম সার্থক হবে।নন্দনে প্রদর্শনের সুযোগকে তাই শুধুমাত্র একটি চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ হিসেবে দেখছেন না নির্মাতারা। তাঁদের কাছে এটি সামাজিক সচেতনতার বার্তা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালকে ছবিটি অফিশিয়াল সিলেকশনের জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছেন পরিচালক।নন্দনের পর ইউটিউবে মুক্তিনন্দনে প্রদর্শনের পরও দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করছে আরও একটি সুযোগ। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক দিবসে, এস. ডি এন্টারটেইনমেন্ট-এর ইউটিউব চ্যানেলে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের জন্য পুনর্জন্ম আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। অর্থাৎ প্রেক্ষাগৃহের দর্শকদের পাশাপাশি পরে অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও ছবিটি পৌঁছে যাবে বৃহত্তর দর্শকের কাছে।ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন সূর্য। অভিনয়ে রয়েছেন অনুপম মুখার্জী, সান্তনু চক্রবর্তী, পুষ্পিতা বক্সি, সূর্যদীপ, অভিক দাস, মেঘ কুন্ডু, অঞ্জন মাঝি, সুবির মুখার্জি, রাজা মুখার্জি, বিকাশ হালদার এবং দীপঙ্কর কাঁটাল।চিত্রগ্রহণের দায়িত্ব সামলেছেন সৌনক দাস। আলো ও স্থিরচিত্রের দায়িত্বে রয়েছেন সুমন বিশ্বাস।সব মিলিয়ে, পুনর্জন্ম শুধু একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নয়, বরং বর্তমান সময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যাকে ঘিরে সচেতনতার বার্তা দেওয়ার প্রয়াস। অনলাইন গেম, বেটিং কিংবা লটারির নেশা যেখানে ক্রমশ সমাজের বিভিন্ন স্তরে প্রভাব ফেলছে, সেখানে সেই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসার গল্পই নন্দনের পর্দায় বলতে চলেছে পুনর্জন্ম।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
দেশ

অগস্টেই শেষ হওয়ার কথা চাকরি, তার আগেই সুপ্রিম কোর্টে এসএসসি! ২৬ হাজারকে নিয়ে কী চাইছে কমিশন?

২৬ হাজার চাকরিহারার ভবিষ্যৎ নিয়ে ফের জটিলতা তৈরি হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ২৬ হাজার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও স্কুল সার্ভিস কমিশন যৌথ ভাবে শীর্ষ আদালতে এই আবেদন করেছে।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, অগস্ট মাসের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার কথা। সেই নির্দেশ মেনে নিয়োগের কাজ শুরু হয়েছিল। নবম ও দশম শ্রেণির নিয়োগের ক্ষেত্রে যাচাই প্রক্রিয়া চলছিল। পাশাপাশি একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের জন্য কাউন্সেলিংও শুরু হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বাধা তৈরি হয়।মূলত ওবিসি সংরক্ষণ নীতি নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকার ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম তৈরি করেছে। সেই নিয়ম কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে। আইনজীবীদের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে পরামর্শ করছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।এর মধ্যেই ২৬ হাজার চাকরিহারার চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার সময়সীমা ঘনিয়ে এসেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩১ অগস্ট তাঁদের চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার আগে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হলে নতুন করে সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই কারণেই চাকরির মেয়াদ আরও কিছুটা বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।যাঁরা ইতিমধ্যেই সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একদিকে নিয়োগের যাচাই ও কাউন্সেলিং চলছে, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি কার্যকর করার বিষয়টি এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। ফলে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।এর আগে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা নিয়ে সমস্যা হলে সময় বাড়ানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করা হবে। সেই মতোই এবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হল কমিশন।এখন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে ২৬ হাজার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশযাত্রায় সুপ্রিম কোর্টের স্বস্তি, এবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে নতুন ধাক্কা? অভিষেক মামলায় বড় দিন বৃহস্পতিবার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে বুধবার শুনানি হল না। মামলাটি বৃহস্পতিবার শুনবেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তার আগে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে নজর রয়েছে।অভিষেকের আইনজীবীর অভিযোগ, কী কারণে তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাঙ্কের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর আরও দাবি, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১০৭ নম্বর ধারা অনুসরণ না করেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, কোনও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে হলে পুলিশকে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হয় বলেই আদালতে জানানো হয়েছে।মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনও মামলা চলছে কি না। জবাবে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে অভিষেক তদন্তে সহযোগিতা করছেন। তবে সেই মামলাগুলির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়।এরপরই মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি। বুধবার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে বৃহস্পতিবার করা হয়েছে। ওই দিন ব্যাঙ্কের রিপোর্টের ভিত্তিতে মামলাটি ফের আদালতে উঠবে।এর আগে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক। রাজ্যে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা ছিল। প্রথমে হাই কোর্ট বিদেশে চিকিৎসা করানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং কলকাতার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পরামর্শ দেয়।হাই কোর্টের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যান অভিষেক। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বিষয়টি ফের হাই কোর্টে আসে। পরে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসার জন্য ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ। শর্তসাপেক্ষে তাঁকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেয় শীর্ষ আদালত।এখন বিদেশযাত্রার অনুমতির পরেই ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ নিয়ে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কের রিপোর্টে কী তথ্য উঠে আসে এবং আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোট মিটেছে, বাহিনী ফেরেনি! বাংলায় এবার ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, কারণ কী?

ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে। সাধারণত তার পর ধাপে ধাপে রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্যে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ফলে বাংলায় এখন মোট ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন থাকবে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য বাংলায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। ভোট মিটে যাওয়ার পর ধাপে ধাপে সেই বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে রাজ্যে ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে দেওয়া হয়েছিল।এ বার সেই সংখ্যাই আরও ৫০ কোম্পানি বাড়ানো হচ্ছে। নতুন করে যে বাহিনী বাংলায় আসছে, তার মধ্যে রয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী, সশস্ত্র সীমা বল এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী। নতুন ৫০ কোম্পানি যোগ হলে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ১০০ কোম্পানিতে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের পরেই প্রশ্ন উঠেছে, ভোট শেষ হওয়ার পরও কেন বাংলায় এত বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হচ্ছে? প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, এর পিছনে অন্য কোনও কারণ নেই। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টহলদারি চালাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকানো, এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করাই হবে বাহিনীর মূল লক্ষ্য। স্থানীয় পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিশেষ দলের সঙ্গেও সমন্বয় করে কাজ করবে তারা।নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। কিন্তু ভোট শেষ হওয়ার পর বাহিনীর সংখ্যা কমার বদলে আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনও বিশেষ ঘটনার যোগ নেই। শুধুমাত্র বাংলার আইনশৃঙ্খলা আরও সুদৃঢ় রাখতেই রাজ্যে অতিরিক্ত ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
কলকাতা

ঘুম ভাঙতেই চারপাশ কালো ধোঁয়া, সামনে শুধু আগুন! বাথরুমে ঢুকে স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে কী করলেন টিকন?

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের রাতে প্রাণে বেঁচে ফিরলেন টিকন সাউ, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে। মেয়ের প্রশিক্ষণের জন্য কলকাতায় এসে স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে ওই হোটেলে উঠেছিলেন টিকন। তিন দিনের জন্য ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন ১০ হাজার টাকায়। কিন্তু রাতে ঘুমোতে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি।রাতের খাওয়া সেরে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ঘরে চলে যান টিকন। রাত ১২টা নাগাদ ঘুমিয়েও পড়েন তাঁরা। রাত ২টো নাগাদ হঠাৎ ঘরের ভিতরে ধোঁয়া ঢুকতে শুরু করে। প্রথমে ঘুমের মধ্যে থাকায় তাঁরা কিছু বুঝতে পারেননি। শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার পর ঘুম ভাঙে। চোখ খুলেই দেখতে পান, চারপাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে।আগুন লেগেছে বুঝতে পেরে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে বাথরুমে ঢুকে পড়েন টিকন। প্রাণ বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টায় কল খুলে দেন। বাইরে তখন আগুন, চারদিকে ধোঁয়া। বাথরুমের ভিতর থেকেই সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে থাকেন তাঁরা।শেষ পর্যন্ত দমকলকর্মীরা বাথরুম থেকে টিকন, তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে উদ্ধার করেন। হোটেলের লোহার সিঁড়ি দিয়ে তাঁদের কোনও রকমে নীচে নামিয়ে আনা হয়। তবে ততক্ষণে ওই হোটেলের আরও নয় জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই হোটেল মালিক বীরেশ্বর মিত্রের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ কলকাতার বেহালার তিন নম্বর রায়বাহাদুর রোডে। সেই সূত্র ধরে সকালে বেহালা ও নিউ মার্কেট থানার পুলিশ যৌথ ভাবে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায়।পুলিশের তল্লাশিতে ফ্ল্যাটের ভিতরে বীরেশ্বর মিত্রকে পাওয়া যায়নি। বাড়ির একতলাতেও খোঁজ চালানো হয়। তাঁর ফ্ল্যাটের নীচে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরেশ্বরের দুটি গাড়ি রয়েছে। তার মধ্যে একটি গাড়ি নিয়ে তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। অন্য গাড়িটি এখনও বাড়ির নীচে রয়েছে।এই ঘটনায় হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, বহুতলের ভিতরে ঘরের পর ঘর তৈরি করা হয়েছিল। সরু জায়গার মধ্যে একাধিক কক্ষ থাকায় আগুন লাগার পর আবাসিকদের বেরিয়ে আসার পথও কঠিন হয়ে পড়ে। রাতের অন্ধকারে ঘুমন্ত মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরীও হোটেলের অনুমোদন ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের হোটেল কী ভাবে বাণিজ্যিক অনুমতি পেল, তা খতিয়ে দেখা হবে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।মির্জা গালিব স্ট্রিটের এই অগ্নিকাণ্ডে একাধিক প্রাণহানির পর এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে এমন একটি হোটেল এত দিন চলল এবং আগুন লাগার পর আবাসিকদের জন্য নিরাপদে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা কেন ছিল না। একই সঙ্গে হোটেল মালিকের খোঁজ না মেলায় তদন্তে নতুন করে রহস্যও তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal