• ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UPA

রাজ্য

বীরভূমে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের হেলিপ্যাড বেদখল, আবর্জনার স্তুপে দুর্গন্ধে এলাকায় টেকাই দায়

আবর্জনার স্তুপে মুখ ঢেকেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের হেলিপ্যাড। মুখ্যমন্ত্রী বোলপুর সফরে এলেই ওই হেলিপ্যাড ব্যবহার করেন। এখন সেই জায়গার উপর নজর পড়েছে ঠিকাদারদের। ফলে লোকচক্ষুর আড়ালে হেলিপ্যাডটিকে রীতিমতো ভাগাড়ে পরিণত করা হয়েছে। ফাঁকা অংশ ঠিকাদারদের ফেলে রাখা ইমারতি দ্রব্য দখল করে নিয়েছে। তবে বিষয়টি নাকি জানা নেই পুরসভার। শুক্রবার সেই হেলিপ্যাড পরিদর্শন করেন বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ, বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা।রাজ্যে পালা বদলের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন তীর্থক্ষেত্র এবং পর্যটন কেন্দ্র থেকে কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য হেলিকপ্টার চলাচলের সিদ্ধান্ত নেন। সেই তালিকায় বোলপুরের পাশাপাশি ছিল তারাপীঠ, দিঘা সহ বেশ কয়েকটি জায়গা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয় হেলিপ্যাড। বোলপুরে গীতাঞ্জলী প্রেক্ষাগৃহ সংলগ্ন এলাকায় সেই হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বোলপুর সফরে এলে তাঁর হেলিকপ্টার সেখানেই অবতরণ করত। এখন সেই জায়গা কার্যত ঠিকাদারদের দখলে চলে গিয়েছে। হেলিপ্যাডের চারিদিক আগাছায় ঢেকেছে। পুরসভা শহরের আবর্জনা সেখানে ফেলে ভাগাড়ের রুপ দেওয়া হয়েছে। আর এক শ্রেণির ঠিকাদার বিল্ডিং নির্মাণ করার জন্য ইমারতি দ্রব্য মজুতের জায়গা করে নিয়েছে সেই হেলিপ্যাড। এনিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ। তবে বিষয়টি জানা নেই বোলপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পর্ণা ঘোষের। তিনি জানিয়েছেন, স্থানীয় কাউন্সিলরের মাধ্যমে খোঁজ নেবেন।এদিকে খবর পেয়ে শুক্রবার সেই হেলিপ্যাড পরিদর্শনে যান বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। তিনি বলেন, তৃণমূল এক বিচিত্র দল। বোলপুরে স্বয়ং দলনেত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের জায়গাটার অর্ধেক দখল করে নিয়েছে দিদিমনির স্থানীয় কিছু প্রমোটার এবং তোলাবাজ ভাইয়েরা। এলাকায় গিয়ে দেখলাম কেষ্টবাবুর পাচার করতে না পারা দু-চারটে গরু ঘুরে বেড়াচ্ছে। আশপাশটা আবর্জনায় ভরে গিয়েছে। পুরসভার সহযোগিতায় দুর্গন্ধে পারিপার্শ্বিক এলাকা সুরভিত। যারা মুখ্যমন্ত্রীর হেলিপ্যাড দখল করতে পারে তারা সমস্ত জায়গা দখল করতে পারে। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বোলপুরে এসে তাঁর হেলিপ্যাড একবার দেখে যান।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

‘দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো’, বিজেপির কাকে কটাক্ষ অনুপমের?

সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু মন্তব্য পোস্ট করে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা।আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু মন্তব্য পোস্ট করে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। এর মাধ্যমে দলেরই একাংশকে দুষেছেন অনুপম, তারঁ পোস্টে এই ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির কোনও নেতার নাম নিয়েছেন অনুপম? সংবাদমাধ্যমে নিজের এই ফেসবুক পোস্ট সম্পর্কে মুখ খুলেছেন বিজেপির এই কেন্দ্রীয় নেতা।অনুপম হাজরার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন..আপনার সাংগঠনিক দায়িত্বকে কাজে লাগানোর দায়িত্ব আমার। আর যদি এখনও মনে হয় পার্টির সংগঠনের থেকে নিজের ইগো বা অভিমানটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ বা পদ আগলে বসে থেকে ভেতরে-ভেতরে দলের ক্ষতি করবেন, তাহলে আমি অন্তত আমার সীমিত ক্ষমতার মধ্যে এটুকু চেষ্টা করব যে আপনি যেন কোনওভাবেই আপনার পদের বা ক্ষমতার অপব্যবহার না করতে পারেন!!! কারণ অতি প্রচলিত একটি প্রবাদ রয়েছে- দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো!!!নিজের এই ফেসবুক পোস্ট সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমেও এদিন মুখ খুলেছেন অনুপম। অনুপম বলেছেন, এটা বলতে কোনও বাধা নেই প্রতিটি সাংগঠনিক জেলাতেই এমন লোকজন আছেন যারা দলের পুরনো কর্মী, যাদের সংগঠন আছে। কিন্তু মান-অভিমান করে নিজেদের সরিয়ে রেখেছেন বা বসে আছেন বা সক্রিয় নন। তাঁদেরই এই পোস্টের মাধ্যমে বার্তা দিতে চেয়েছি। দলের অনেকে অনেক পদে আছেন, কিন্তু মাঠে নামছেন না। তাঁরাই দুষ্টু গরু।বিজেপি নেতা আরও বলেন, অনেকে দলের পদে থেকেও মাঠে নামছেন না। অনেকে নিজেও কাজ করেন না, অন্যদেরও করতে দেন না। এই দাদা ওই দাদার লবি না ধরে মোদীর লবি ধরে দলকে শক্তিশালী করুন। দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যলয়ের কার্যকলাপ নিয়ে তোপ বিজেপি'র কেন্দ্রীয় সম্পাদকের, আশ্রমিকদের সাথে দেখা করে চাপে রাখলেন উপাচার্যকে

দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে গত দুদিনের বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যেই আরও এক বিদ্যুৎ বিভ্রাট আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্টিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় গত দশ জুড়ে বারবারই আলোচনা কেন্দ্র বিন্দুতে, কখনো কেষ্ট মণ্ডলের (অনুব্রত মণ্ডল) দাপটে তো কখনো অমর্ত্য সেনের বাড়ি বিতর্ক তো আবার কখনো বর্তমান বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে নিয়ে একাধিক বিতর্ক দানা বেঁধেছে। মাঝেমাঝেই বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর করা মন্তব্য উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে।এবার বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে নিয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ছাত্র, অধ্যাপক ও শান্তিনিকেতনের বাসিন্দা তদুপরি বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ (তৃণমুল কংগ্রেস) ডঃ অনুপম হাজরা। তিনি সামাজিক মাধ্যমে বরাবরই খুব অ্যাক্টিভ। সামাজিক মাধ্যমের তাঁর চাঁচাছোলা বক্তব্যের জন্য ভীষন জনপ্রিয় অনুপম। তিনি সামাজিক মাধ্যমে জানান, উপাচার্যের স্বেচ্ছাচারিতার জন্যই বিশ্বভারতীর বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীকে সমালোচিত হতে হয়। ইতিমধ্যে বিশ্বভারতীকে সার্চ কমিটি গঠন করার নির্দেশ এসেছে দিল্লী থেকে। বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে নতুন উপাচার্য নিয়োগের জন্য সার্চ কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।এরই মধ্যে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ বিশ্বভারতীর হৃত সম্মান পুনরুদ্ধারের জন্য মাঠে নেমে পরেছেন। তিনি প্রবীন আশ্রমিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিশ্বভারতীর সমস্যা, কোন কোন যায়গায় আরও উন্নয়ন প্রয়োজন তা জানার চেষ্টা করছেন। বৃহস্পতিবার সকালে অনুপম শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর প্রবীন আশ্রমিক তথা কবিগুরুর আত্মীয় সুপ্রিয় ঠাকুর ও তাঁর স্ত্রী শুভ্রা ঠাকুরের বাসভবনে যান বিশ্বভারতীর হালহকিকত সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল হতে। একাধিক বিষয় নিয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করেন বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা।বেশ কিছু দিন দলীয় দায়িত্ব নিয়ে দিল্লিতে বসবাস করতেন অনুপম। কিছুদিন আগেই বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি তাঁকে দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক ঘোষণার করার পর থেকেই অনুপমের বাংলা যাত্রা আধিক্য লক্ষণীয়। বৃহস্পতিবার কবিগুরুর আত্মীয় তথা আশ্রমিক সুপ্রিয় ঠাকুরের বাড়ি থেকে ফিরে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন। বিশষজ্ঞদের ধারণা পোস্টটি যথেষ্ট ইঙ্গিতপুর্ণ।পোস্টে তিনি লেখেনঃ এবার আজ সকাল বেলা সুপ্রিয় দা (শ্রী সুপ্রিয় ঠাকুর) এবং তাঁর স্ত্রী শুভ্রা দির (শ্রীমতি শুভ্রা ঠাকুর) সঙ্গে বিশ্বভারতী নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং আড্ডা...বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রক্ত যাঁর শরীরে বইছে, সেই শ্রদ্ধেয় সুপ্রিয় ঠাকুরের মতো আরো অনেক প্রবীণ আশ্রমিকদের ব্রাত্য করে রেখেছেন বিশ্বভারতীর বর্তমান উপাচার্য! সৌজন্যের খাতিরেও বিশ্বভারতী পরিচালনার কাজে কখনো তাঁদের মতো প্রবীণ আশ্রমিকদের কোন পরামর্শ নেন না। আর অন্যদিকে বিশ্বভারতীর পঠন-পাঠনএর গুণগত মান সর্বভারতীয় স্তরে দিন দিন তলানিতে ঠেকেছে । উপাচার্যের স্বেচ্ছাচারিতার জন্য সমালোচিত হতে হচ্ছে বিশ্বভারতীর আচার্য তথা আমাদের দেশের সকলের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি Narendra Modi মহাশয়কেও, আর অন্য দিকে বিভিন্ন উপায়ে উপাচার্য নিজেকে অতি-বিজেপি প্রমাণ করার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। হয়তো কোনো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা রয়েছে বা রয়েছে নিজের মেয়াদ কালকে বৃদ্ধি করার প্রবল তাগিদ; অথচ এই মহামানবেরই কার্যকালে বন্ধ হয়ে গেছে শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলা থেকে শুরু করে বসন্ত উৎসব, যা ছিল শান্তিনিকেতনের প্রধান আকর্ষণ !!!বিশ্বভারতীর মতো ঐতিহ্যময় প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের দরুন অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতিকে আর বেশিদিন প্রশ্রয় দেওয়া সমীচীন হবে না !!!আমার অফিসে জমা পড়া বহু লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এটুকু বলতে অন্তত কোনো দ্বিধা নেই যে - বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ছাত্র, প্রাক্তন অধ্যাপক, শান্তিনিকেতনের একজন বাসিন্দা এবং বোলপুরে প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে বিশ্বভারতী পরিচালনা করার বর্তমান আদব-কায়দা আমার আমার মতো বহু প্রাক্তনী, শান্তিনিকেতনের বহু আশ্রমিক তথা বোলপুর শান্তিনিকেতনের স্থানীয় মানুষদের আবেগে আঘাত করে !!!প্রবীণ আশ্রমিক ও ঠাকুর পরিবারের সদস্য সুপ্রিয় ঠাকুর বলেন,বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ছাত্র ও প্রাক্তন অধ্যাপক অনুপম হাজরা বিশ্বভারতী প্রসঙ্গে সদিচ্ছা দেখাচ্ছেন এটা দেখে আমার খুবই ভালো লাগছে। ওনার বিশ্বভারতীর উন্নতির জন্য উৎসাহ দেখে খুবই আনন্দিত হয়েছি। আশা করব, ভবিষ্যতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি জন্য আরও সদর্থক ভূমিকা পালন করবেন।।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৩
দেশ

দিলীপ ঘোষ ফের কি রাজ্যে সংগঠনের দায়িত্বে? অনুপম কেন্দ্রীয় সম্পাদকই থেকে গেলেন

আগমী লোকসভা নির্বাচনের আগে জেপি নাড্ডার সর্বভারতীয় টিম থেকে বাদ পরলেন দিলীপ ঘোষ।কিন্তু সম্পাদক পদে থেকে গিয়েছেন অনুপম হাজরা। দলের সর্বভারতীয় স্তরে সাংগঠনিক ক্ষেত্রে রদবদল করল গেরুয়া দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এতদিন দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ছিলেন দিলীপ ঘোষ। এবার সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।লোকসভা নির্বাচনের আগে দলের সাংগঠনিকস্তরে রদবদল শুরু করল বিজেপি। সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক করেছিলেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। কেন্দ্রীয় স্তর থেকে সরিয়ে ফের কি রাজ্যে দিলীপ ঘোষকে দায়িত্বে আনা হতে পারে? সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।তাঁর এই পদ খোয়ানো প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা লড়বেন, তাঁরা যাতে আরও বেশি করে নিজেদের সংসদীয় ক্ষেত্রে সময় দিতে পারেন সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।Honble Sri @narendramodi ji 🙏Honble Sri @JPNadda ji 🙏 pic.twitter.com/0XHpLliibd Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 ডঃ অনুপম হাজরা ✨ (@tweetanupam) July 29, 2023সূত্রের খবর, শীঘ্রই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও রদবদল হতে পারে। সেক্ষেত্রে কি এবার দিলীপ ঘোষকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্বে আনা হবে? বাড়ছে সেই জল্পনাও। এদিকে ৩ বছর কেন্দ্রীয় সম্পাদক পদে থাকার পর ফের তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি করল দল। অনুপম হাজরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও দলের সভাপতি জেপি নাড্ডাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

জুলাই ২৯, ২০২৩
রাজ্য

প্রসঙ্গ নারী নির্যাতন: গতকাল কাঁদলেন লকেট, আজ তৃণমূল সাংসদের চোখে জল

পশ্চিমবঙ্গে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল্লিতে বসে সংবাদ মাধ্যমের সামনেই কেঁদে ভাসিয়েছেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। আর শনিবার চোখের জলে ভাসিয়ে দিলেন তৃণমূলের আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। যা লকেটের পালটা বলেই মনে করা হচ্ছে।২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে মণিপুর নিয়ে তোপ দেগেছিলেন স্বয়ং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। নারী সুরক্ষা নিয়ে সোচ্চার হয়ে বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করেছিলেন। পালটা রাজ্যে বেহাল নারী নিরাপত্তার কথা বলতে গিয়ে হাওড়ার পাঁচলার ঘটনাকে তুলে ধরেন লকেট। যা বাংলায় নারীদের অসহনীয় পরিণতির প্রমাণ বলে দাবি বিজেপি সাংসদের। সেই সময়ই হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি।লকেট চট্টোপাধ্যায় অসত্য বলছেন বলে এদিন দাবি করেছেন অপরূপা পোদ্দার। আরামবাগের সাংসদের দাবি, আপনি মুখ্যমন্ত্রীর নামে তো মিথ্যা বলছেন। অপরূপার প্রশ্ন, হাথরস, বালেশ্বরের মর্মান্তিক মৃত্যুর সময় লকেটদি আপনার মানবিক মুখ কোথায় ছিল? আপনার তো গর্ব হওয়া উচিত, ভাবা উচিত একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে কাজ করছেন তাতে আপনি পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলের সাংসদ হয়েও সুরক্ষিত। কিন্তু, আমরা এ রাজ্য থেকে গিয়ে ত্রিপুরায় সুরক্ষিত নই। মনে রাখবেন যেভাবে কাজ মমতাদি করেছেন, তাতে দেশের মানুষের মনে উনি রয়েছেন। স্মৃতি ইরানির উচিত মণিপুরে যাওয়া। তাহলেই ফারাক বুঝতে পারবেন।এরপরই ১৯৯৩ সালে তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার খাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে আনেন অপরূপা। তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাটিতে ফেলে মেরে সঙ্গে ১৩ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল, সেদিন কারও লজ্জা হয়নি? সেদিন গণতন্ত্র বিপন্ন ছিল না?

জুলাই ২২, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

এবার একসঙ্গে কি পরিকল্পনা অরিজিৎ ও রূপমের? সুরের মূর্চ্ছনায় মাতবে কলকাতা!

নিউটাউনের কনসার্টে অরিজিত সিং ও রূপম ইসলামের যুগলবন্দি দেখেছিল দর্শকরা। তাঁদের গান মোহিত করেছিল স্রোতাদের। সোশাল মিডিয়ায় অরিজিৎ সিং ও রূপম ইসলাম তাঁদের ফেস বুক পেজে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। অরিজিতের গলা বসে গিয়েছে। রূপমই কথা বলেছেন। কার্যত অরিজিৎ তাতে সায় দিয়েছেন। রূপম বলেছেন, এর আগে অরিজিতের কনসার্টে অতর্কিতে গান করাটা প্লানিং ছিল না। আজ যে দাঁড়িয়ে আছি অনেক দিন ধরে কথা ছিল একসঙ্গে পাশাপাশি দাঁড়াব। একসঙ্গে কাজ করব। অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছে আমরা কি একসঙ্গে কাজ করব? কি বলছ অরিজিত? অরিজিত বলেন, একসঙ্গে কাজ করব বলেই তো এখানে। তারপরই গিটারে রূপমের গানের ধুন তোলেন অরিজিত। এই এক মিনিট আটান্ন সেকেন্ডের ভিডিওটি রীতিমতো সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। রূপম ইসলামের কথায়, অনেক দিন ধরেই দেখা হওয়ার কথা ছিল। কখনও ও স্টেজে আমি অডিটোরিমে, আবার কখনও আমি স্টেজে ও অডিটোরিমে। শেষমেষ আমরা একসঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৩
সম্পাদকীয়

আয়করের ছাড় বৃদ্ধি, ব্যাংকে একাধিক সুবিধাঃ সাধারণের এসব শোনাই যেন বিলাসিতা

কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে একপক্ষ দিনভর উচ্ছ্বাস করছে। দেশের আরেক পক্ষের এই বাজেট নিয়ে কোনও উৎসাহ নেই বা সেই পরিস্থিতিও নেই। পকেট যেখানে গড়ের মাঠ, বাজেট সেখানে বিলাসিতাই। এবারের বাজেটের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে, করকাঠামোয় ছাড় ঘোষণা। আয়কর ছাড়ের উর্ধ্বসীমা বেড়ে ৭ লক্ষ টাকা। আগে ছিল ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করশূন্য। মহিলাদের জন্য নতুন সঞ্চয় প্রকল্প মহিলাদের জন্য নতুন সঞ্চয় প্রকল্প ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। এতে মহিলারা ২ লক্ষ টাকার সঞ্চয়ের উপর ৭.৫ % সুদ পাবেন। সহজ কর ব্যবস্থার প্রস্তাব। ৭২ লক্ষ রিটার্ন একদিনে গ্রহণ করছে আয়কর বিভাগ। জয়েন্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা রাখা যাবে। আগে ৯ লক্ষ পর্যন্ত রাখা যেত। সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিমে টাকা জমা রাখার ঊর্ধ্বসীমা বাড়ল। ৪.৫ লক্ষ থেকে বেড়ে হল ৯ লক্ষ টাকা। তথ্য অনুযায়ীদেশের ৮কোটি মানুষ আইটি রিটার্ণ জমা দেয়। তবে সবাই যে মোটা টাকা কর দেন তা কিন্তু নয়। অভিজ্ঞ মহলের প্রশ্ন, আয়করের ৭ লক্ষ টাকা উর্ধ্বসীমা করা হয়েছে। এতেই আনন্দে আত্মহারা কেউ কেউ। কিন্তু এই বাংলার কতজন মানুষ এই টাকার ধারে কাছে রোজগার করে? তাঁরা জানেই না আইটি ফাইল কি। কেন দিতে হয়। একেই জিএসটির নামে প্রায় সর্বক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষকে করের বোঝা টানতে হয়। আর আয়ই শূন্য় তার আবার আয়কর। দেশ তথা রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে ঘাটতি থাকায় এই আয়করের উর্দ্ধসীমার কাছাকাছি রোজগার নেই অধিকাংশ সাধারণের। করোনা আবহে লকডাউনের ফলে আরও বিপদে পড়েছে সাধারণ মানুষ। নুন আনতে পান্তা ফুরনোর অবস্থা। রাজনীতির শিল্প করে যাঁরা কোটিপতি হয়েছেন তাঁদের কথা পৃথক। কলকারখানা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে সাধারণের আয়ের ব্যালান্স করা খুব জরুরি। তা নাহলে আয়কর বা ব্যাংকে জমানোর টাকা সুদ বাড়ল না কমল তাতে অধিকাংশ মানুষের কিচ্ছু যায় আসে না। পেট চালানোই যেখানে দায় সেখানে আবার টাকা ডিপোজিটের ভাবনা! আর পাগলের প্রলাপের মতো একদল বলে চলেছে আয়কর ছাড়ের ঘোষণা নিয়ে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৩
রাজ্য

অবশেষে ভূপতিনগরের বিস্ফোরণস্থলে ফরেন্সিক দল

ঘটনার চার দিনের মাথায় পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরের বিস্ফোরণস্থলে পৌঁছিয়েছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। কেন ওখানে যেতে এত দেরি তাই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এদিকে কলকাতা হাইকোর্টে ওই ঘটনার এনআইএ তদন্ত করার আবেদন জানিয়ে মামলাও হয়েছে। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে ভূপতিনগরের ঘটনার এনআইএ তদন্ত চেয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার পিছনে রয়েছে বিজেপি। তাই তারাই এনআইএ তদন্তের দাবি করেছে।কাঁথিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির অনতিদূরেই গত শনিবার জনসভা করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই জনসভায় বক্তব্য রাখেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগের দিন শুক্রবার রাতে ভূপতিনগরে স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজকুমার মান্নার বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ওই নেতাসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। জখম হয়েছেন আরও ২ জন। এরপরই ভূপতিনগরের বিস্ফোরণ নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে দাবি, পাল্টা দাবি শুরু হয়ে যায়। তবে নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রীর দাবি, বাজি বানানোর সময় বিড়ি ধরাতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটেছে।এরইমধ্যে ঘটনার পর দিনও ভূপতিনগরের ওই বিস্ফোরণস্থলে দেখা যায়নি পুলিশকে। পরবর্তীতে সেখানে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে। চার দিনের মাথায় সেই স্থানে নমুনা সংগ্রহ করতে যান ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। আদৌ বিস্ফোরণের সমস্ত তথ্য়প্রমান মিলবে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন পুলিশ অধিকারিকরা। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা গাঁইতি, কোদাল নিয়ে বিস্ফোরণস্থলে খোঁড়াখুঁড়ি করেন। সূত্রের খবর, ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ওই ঘরের মেঝের নীচেই বিস্ফোরক মজুত ছিল। সেই থেকেই সম্ভবত বিস্ফোরণ। জানা গিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টে এদিন এনআইএ আবেদনের মামলার শুনানি হতে পারে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২২
রাজনীতি

অখিল গিরি বচনঃ অন্য রাজ্য হলে মন্ত্রী কারাগারে যেতেন, বললেন সুকান্ত

এ রাজ্যের কারামন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন উনি অন্য কোন রাজ্যের মন্ত্রী হলে কান ধরে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হত। শনিবার বর্ধমানে এসে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে সারা রাজ্যজুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ অব্যাহত।এদিন বিকালে বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি প্রতিবাদ র্যালি আয়োজিত হয়। এই প্রতিবাদ র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ, বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব। র্যালি শেষ হয় বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে। র্যালি শেষে বক্তব্য রাখতে এসে সুকান্ত মজুমদার বলেন, অখিল গিরির বিরুদ্ধে গোটা দেশ জুড়ে মামলা করা হবে। ওনাকে জেলে পাঠাবো। বক্তব্য রাখতে এসে তিনি আরও বলেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। জেলায় জেলায় পালা করে বোমা উদ্ধার হচ্ছে। নেতা মন্ত্রীদের আত্মীয়দের বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হচ্ছে। বিক্ষোভ সভা শেষে অখিল গিরির কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয় কার্জনগেট চত্ত্বরে।পাশাপাশি তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস আসছে। শীত পড়বে থরহরি কম্পন শুরু হবে। এই কম্পন কিসের ইঙ্গিত তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একাধিকবার ডিসেম্বরে সরকারের বিপদ বলে দাবি করে এসেছেন।

নভেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

গণ প্রতিরোধ মঞ্চের চার সদস্য দেখা করলেন অসুস্থ মীনাক্ষী দত্তের সঙ্গে

পানিহাটি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নিহত পৌরপিতা অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী দত্তের সাথে দেখা করতে আজ গণ প্রতিরোধ মঞ্চের চার সদস্য টুম্পা কয়াল, প্রতিমা দত্ত, কাঞ্চন শর্মা ও প্রতাপ বসু মীনাক্ষী দত্তের আগরপাড়ার বাড়িতে যান। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা দীর্ঘ ৪০ মিনিট আলোচনা করেন মীনাক্ষী দত্তের সাথে। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে প্রতিনিধি দলের পক্ষে প্রতিমা দত্ত জানালেন, শারীরিকভাবে অসুস্থ রয়েছেন মীনাক্ষী দত্ত সে কারণেই দীর্ঘ আলোচনা করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আশ্বস্ত করেছেন যে কোন প্রয়োজনে গণ প্রতিরোধ মঞ্চের সদস্যরা সর্বতভাবে সাহায্য করবে মীনাক্ষী দত্তকে।উল্লেখ্য, ২০২২ র মার্চ মাসে মীনাক্ষী দত্তের স্বামী অনুপম দত্ত দুস্কৃতী দ্বারা গুলি বিদ্ধ হয়ে নিজের বাড়ি থেকে ঢিল ছোরা দুরত্ব মারা যান। অনুপম আগরপাড়া স্টেশন রোডে তাঁর আরোহী স্কুটারে পিছনের সিটে ওঠার মুহুর্তে এক দুষ্কৃতী কয়েক হাত দূর থেকে অনুপমকে লক্ষ করে গুলি চালায়। তৎকালীন পানিহাটি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপমের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় । সেই রাতের মধ্যে গ্রেফতার হয় অমিত পণ্ডিত নামে এক দুস্কৃতী। সেই ঘটনার পর থেকেই অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী ও আত্মীয় পরিজনেরা দোষীদের চরম শাস্তির দাবি করে আসছিলেন। যার নেতৃত্বে এই ঘটনাটি ঘটে সে বাপি জামিন পেয়ে গেলে তাঁদের কোনও ক্ষতি হতে পারে সেই আশঙ্কায় মীনাক্ষী ও তাঁর তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘরের মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

স্বামীর খুনের আসামী ছাড়া পাওয়ায়, আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন অনুপম দত্তের স্ত্রী

এদিন আদালত থেকে মূল অভিযুক্ত বাপি পণ্ডিতের জামিনের খবর এলাকায় জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। তারা একজোট হয়ে রাত পৌনে দশটা নাগাদ আগরপাড়া তেঁতুলতলা মোড়ে বিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকে। এদিকে জামিন পাওয়ার ঘটনার খবরে বিক্ষোভ চলাকালীনই অনুপম দত্তের স্ত্রী তথা ওই ওয়ার্ডের পৌরমাতা মীনাক্ষী দত্ত তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘরের মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তার মায়ের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে কামারহাটি সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাকে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিক্ষোভকারী বলেন, যদি বাপিকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন ।এখানে উল্লেখ্য, ১৩ মার্চ ২০২২ অনুপমের বাড়ি থেকে সামান্য দূরে, আগরপাড়া স্টেশন রোডে স্কুটারে ওঠার মুহুর্তে এক দুষ্কৃতী কয়েক হাত দূর থেকে অনুপমকে লক্ষ করে গুলি চালায়। তৎকালীন পানিহাটি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপমের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় । সেই রাতের মধ্যে গ্রেফতার হয় অমিত পণ্ডিত। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে আসে, খুনের সুপারি দিয়েছিল বাপি। জানাযায় এর আগে অন্য এক দুষ্কৃতীকে অনুপমকে মারা জন্য সুপারি দেইয়েছিল বাপি, সে কাজটি না করায় পুর ভোটের ঠিক পরেই অমিতকে কাজে লাগায়। সেই ঘটনার পরেই অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী ও আত্মীয় পরিজনেরা দোষীদের চরম শাস্তির দাবি করে আসছিলেন। এমতবস্থায় বাপি জামিন পেয়ে গেলে তাঁদের কোনও ক্ষতি হতে পারে সেই আশঙ্কায় মীনাক্ষী ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি অনুপমের, জুতো ছুঁড়ে ভাইরাল শুভ্রাদেবীকে ইতিহাসে জায়গা দেওয়ার অনুরোধ

বেআইনি ভাবে স্কুল শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে ইডি পার্থ চট্টোপাধায়কে গ্রেপ্তার করেন। এবং তাঁর বিশেষ বন্ধু মডেল ও অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও গ্রেপ্তার করা হয়। উল্লেখ্য, ইডির হানাতে প্রায় ৫০ কোটি নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার ও বহু স্থাবর সম্পত্তির দলিল উদ্ধারে রাজ্য জুড়ে চাঞ্চল্য শুরু হয়ে যায়। এই ঘটনার পরপরই বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্ত্রিত্বের অপসারণের দাবিতে সরব হয়। প্রথম দিকে তৃণমূল ব্যাপারটা সেভাবে আমল না দিলেও, অর্পিতার বেলঘরিয়া আবাসন থেকে বিপুল পরিমাণে টাকা উদ্ধারের পর নড়েচড়ে বসে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সরকারি সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দেন এবং ওইদিন বিকেলে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকেও বহিস্কার করেন।এই ঘটনার পর থেকেই নানা মহল থেকে রাজ্য সরকারি স্কুলের পাঠ্য পুস্তক থেকে সিঙ্গুর আন্দোলন চ্যাপ্টারে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম বাদ দেওয়ার দাবি উঠতে শুরু করেছিল। বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরার গলায় আবার উল্টো সুর। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি লেখেন, কয়েকদিন আগে আমি অনুরোধ করেছিলাম পার্থ চট্টোপাধায়ের নাম ইতিহাস বইয়ের পাতা থেকে মুছে দিতে আর আজ আমিই আপনাকে অনুরোধ করছি ইতিহাসের পাতায় ওনাকে স্থান দেওয়ার জন্য - কারণ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত উনিই প্রথম এবং একমাত্র রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সর্বোপরি প্রাক্তন মন্ত্রী - যিনি প্রকাশ্য দিবালোকে জনগণের কাছ থেকে জনসমক্ষে জুতো খেয়েছেন; এ এক অনন্য নজির !!!প্রতিমাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীশ্রীমতি @MamataOfficial pic.twitter.com/8AhyBIBCk7 Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) August 3, 2022তিনি আরও লেখেন, সঙ্গে শুভ্রা (ঘোড়ুই) দেবীকেও ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দেওয়ার অনুরোধ জানাই। কারণ তিনি যে অতুলনীয় ভঙ্গিমায় আপনার সরকারের প্রতি জনগণের রোষ প্রতিফলিত করেছেন - তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে !!! আশা করি আমার এই অনুরোধ রাখিয়া পশ্চিমবঙ্গের আপামর জনগণকে বাধিত করিবেন !!! ইতি, অনুপম !!!প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার শারীরিক পরীক্ষা করার জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে জুতো ছুড়ে মারেন এক মহিলা। প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জুতো ছুঁড়ে গোটা বাংলায় ভাইরাল শুভ্রা ঘড়ুই নামক ওই মহিলা। জানা যায় তিনি আমতলায় থাকেন। মঙ্গলবার ইএসআই হাসপাতালে পার্থকে দেখেই তিনি খেপে যান। তার পর তাঁকে লক্ষ্য করে নিজের জুতো ছুড়ে মারেন। এর পর অপর পাটিটি খুলে ফেলে দিয়ে গটগট করে খালি পায়ে বাড়ি ফিরে আসেন।অনুপম হাজরার ওই পোস্টে এক নেটিজেন সাম্প্রতিক কালে দলবদল (ফুল বদল) নিয়ে কটাক্ষ করে লেখেন, একজন নিয়মিত ফলোয়ার হয়ে আমি আপনার মতামতকে প্রশংসা করি, কিন্তু আমি সন্দেহ, কোনও এক সুন্দর সকালে বাবুল সুপ্রিয়র মতো আপনিও আপনার মন পরিবর্তন করে চোরের মণ্ডপে ফিরে যাবেন, আপনি কি করবেন? প্রত্যুত্তরে অনুপম লেখেন প্রাথমিকভাবে একজন শিক্ষাবিদ হওয়ার কারণে, রাজনীতিতে থাকা সত্ত্বেও কিছু নৈতিকতা বজায় রাখার জন্য সর্বদা আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করি, তাই নিশ্চিন্ত থাকুন!!!মঙ্গলবার শুভ্রা ঘড়ুই বলেন, তিনি আত্মীয়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন জোকা ইএসআই হাসপাতালে। সেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঠান্ডা গাড়িতে আসতে দেখে তাঁর নাকি মাথায় রাগ চেপে যায়। তিনি বলেন, ওঁরা লোকের টাকা মেরে কোটি কোটি অর্থ করেছে। কলকাতার একাধিক জায়গায় ফ্ল্যাট বাড়ি কিনেছে। বড় গাড়ি করে হাসপাতালে আসছে। এতে আমাদের খুব সমস্যা হচ্ছে। ওঁকে গলায় দড়ি লাগিয়ে টানতে টানতে নিয়ে আসা উচিত ছিল। সাধারণ মানুষ ঠিক মতো চিকিৎসা করাতে পারছি না ওদের জন্য। সেই জন্যই জুতো ছুড়েছি। জুতোটা ওঁর নাকে লাগলে খুশি হতাম। এটা আমাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। হাজার মানুষ চাকরি পায়নি ওঁদের জন্য। তাঁদের সবার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

আগস্ট ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মডেলিং থেকে অভিনয়ে পা অভিনেত্রী উপাসনা ঘরুই

মডেলিং জগতে বেশ জনপ্রিয় নাম উপাসনা ঘরুই। বিভিন্ন ব্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে তাকে। বেশ জনপ্রিয়তার শিখরে উপাসনা ঘরুই। কলকাতা শহর ও মুম্বই শহরে দেখা গিয়েছে তাকে নানান শ্যুটিং এ।তবে এবার তার মডেলিং থেকে অভিনয় জীবনে পা। খুব তাড়াতাড়ি তার নতুন ছবির শ্যুটিং শুরু হবে। কলকাতা শহরে হবে নতুন ছবির শ্যুটিং। তবে ছবির গল্প নিয়ে উপাসনা এখনই সেরকম কিছু জানাতে চান না।এর আগে মিউজিক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে উপাসনা ঘরুই কে। তবে অভিনেত্রী উপাসনা ঘরুই জানান, এই মুহূর্তে আমি সিনেমা করতে চাই। ভালো চরিত্রে অভিনয় করতে চাই।

জুলাই ১৫, ২০২২
দেশ

দ্রৌপদী মুর্মু ভোটপ্রচারে শিলিগুড়িতে, কাল কলকাতায়

এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু শিলিগুড়ি পৌঁছেছেন। সোমবার তিনি বাগডোগরা বিমান বন্দরে অবতরণ করেন। বিধায়ক-সাংসদদের কাছে ভোট চাইতে তিনি বাংলায় এসেছেন। শিলিগুড়িতে দ্রৌপদী মুর্মু সিকিম ও আশেপাশের রাজ্যের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আগমিকাল তিনি কলকাতায় যাবেন। সেখানে এরাজ্যের দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন উত্তরবঙ্গে আছেন। তৃণমূল নেত্রী এর আগে রাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। অবিজেপি দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন যশবন্ত সিনহা। যদিও পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিজেপি প্রার্থী নিয়ে আলোচনা করেনি। দ্রোপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়ে দেন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২২
দেশ

রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীকে ইঙ্গিতে সমর্থন দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমো শুক্রবার বলেন, বিজেপি প্রার্থীর নাম আগে জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি একসঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলে ভালই হত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধীরা রেরে করে উঠেছেন। বিজেপির দাবি, বিরোধীদের প্রার্থী হেরে যাবেন বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন মন্তব্য করেছেন।রাষ্ট্রপতি ভোটে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ প্রার্থী হয়েছেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মু। বিরোধীদের যৌথ প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহসভাপতি যশবন্ত সিনহা। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগেই বিরোধী দলগুলি রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাই করতে দিল্লিতে বৈঠকে বসেছিল। পরে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বিরোধীরা যশবন্ত সিনহাকেই লড়াইতে মনোনীত করে।আদিবাসী মহিলাকে প্রার্থী করে জঙ্গলমহলে প্রচারও শুরু করে দেয় বিজেপি। গেরুয়া শিবির যে আদিবাসীদের জন্য চিন্তাভাবনা করে সেকথা প্রচার হতে থাকে। কিছুটা চাপে পড়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিরোধী শিবিরের নেতারা। হুল দিবসে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জঙ্গলমহলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আদিবাসীদের পাশে সবসময় রয়েছে বিজেপি। জয়ী হওয়ার পর দ্রৌপদী মুর্মু জঙ্গলমহলে আসবেন বলেও তিনি ঘোষণা করেন।এদিকে এদিন রথযাত্রার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি আগে প্রার্থীর নাম জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলেই ভাল হত। এখন বিরোধীরা যা সিদ্ধান্ত নেবেন আমি সেটাই মানব। মাঝখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারি না। আদিবাসী, দলিত সকলেই আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলেই মনে করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুলাই ০২, ২০২২
দেশ

ওডিষার উপজাতি মহিলাই রাষ্ট্রপতি! কে এই দ্রৌপদী মর্মু? জানুন

বিজেপির চমক। বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা মঙ্গলবার ন্যাশানাল ডেমক্রেটিক ফ্রন্ট-র পক্ষ থেকে রাস্ট্রপতি পদপার্থীর নাম ঘোষণা করলেন। নাড্ডা ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মু-র নাম ঘোষণা করেন। তিনি নির্বাচিত হলে, ওড়িষার ৬৪ বছর বয়সী দ্রৌপদীই হবেন দেশের প্রথম আদিবাসী এবং দ্বিতীয় মহিলা রাষ্ট্রপতি।জেপি নাড্ডা বলেন, সমস্ত এনডিএ শরিকদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর আমরা রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে দ্রৌপদী মুর্মুর নাম প্রস্তাব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নাড্ডা মঙ্গলবার বিরোধী জোটের রাষ্ট্রপতি পদপার্থী যশবন্ত সিনহার নাম ঘোষণার এক ঘণ্টা পরেই তাঁদের পার্থীর নাম ঘোষণা করেন।নাড্ডা আরও বলেন,ইতিপুর্বে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং আমি রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর বিষয়ে ঐকমত্য হওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গপ আলোচনা করছিলাম। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। এখন যখন ইউপিএ ইতিমধ্যে সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে তখন আমরাও আমাদের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়েও আলোচনা করেছি। তিনি বলেন, প্রায় ২০টি নাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আমরা স্থির করেছিলাম দেশের পূর্বাঞ্চল থেকেই প্রার্থী করা হবে। এছাড়াও একজন নারী ও একজন উপজাতিকে প্রার্থী করারও ব্যাপারটা বিবেচনায় ছিল।কে এই দ্রৌপদী মুর্মু?দ্রৌপদী মুর্মু ২০ জুন ১৯৫৮ তে ওড়িষার ময়ূরভঞ্জ জেলার বাইদাপোসি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম বিরাঞ্চি নারায়ণ টুডু। আদিবাসী পরিবারের অন্তর্গত, একটি উপজাতীয় জাতিগোষ্ঠীর পরিবার নারায়ণ। দ্রৌপদী মুর্মুর স্বামীর নাম শ্যাম চরণ মুর্মু। এই দম্পতির দুই ছেলে ও এক মেয়ে ছিল। তিনি তাঁর স্বামী ও দুই ছেলেকে হারান।দ্রৌপদী একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য। তার রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু হয় যখন তিনি ওডিষার রায়রাংপুরে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হন। পরে তিনি রায়রাংপুর থেকে ২০০০ এ বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদন্দ্বিতা করে জয়ী হন এবং রাজ্যের বিজেডি-বিজেপি সরকারে মন্ত্রীত্ব লাভ করেন। ওডিষায় বিধায়ক এবং মন্ত্রী হিসাবে তার মেয়াদে তিনি প্রচুর সম্মান অর্জন করেছিলেন।Congratulations Smt #DraupadiMurmu on being announced as candidate of NDA for the countrys highest office. I was delighted when Honble PM @narendramodi ji discussed this with me. It is indeed a proud moment for people of #Odisha. Naveen Patnaik (@Naveen_Odisha) June 21, 2022ওড়িষায় ভারতীয় জনতা পার্টি এবং বিজু জনতা দলের জোট সরকারের বাণিজ্য ও পরিবহন, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ উন্নয়নের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্য মন্ত্রী ছিলেন। তিনি ঝাড়খণ্ডের প্রথম মহিলা রাজ্যপাল। তিনি ওডিষা থেকে প্রথম মহিলা এবং উপজাতীয় নেত্রী যিনি ভারতের একটি রাজ্যে গভর্নর নিযুক্ত হয়েছেন।১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহণ করা হবে। এবং ২১ জুলাই গণনার দিন ধার্য করা হয়েছে। এই নির্বাচনের প্রতিদন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়ণ জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ জুন। ২০১৭-র রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও তাঁর না বিবেচনার মধ্যে ছিল। শেষ মুহুর্তে বিবেচনায় আসে রামনাথ কোবিন্দ-র নাম। কেন দ্রৌপদী মুর্মু?সামনের বছর গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং ছত্তিশগড়ের বিধানসভা নির্বাচন। তাঁর আগে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রার্থী হিসাবে দ্রৌপদী মুর্মু-র নাম প্রস্তাবের পিছনে বিজেপির এক বড় পদক্ষেপ। এই চারটি রাজ্যে তফসিলি উপজাতিদের জন্য ১২৮টি আসন সংরক্ষিত রয়েছে, এবং সেই ১২৮টি আসনের মধ্যে ২০১৭-র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি মাত্র ৩৫টি আসন জিতেছিল।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করে বিজপি উপজাতীয় ভোটারদের মধ্যে অনেক বেশী জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে বিজেপি আশা করছে। এছাড়াও, ওড়িষায় ক্ষমতাসীন বিজেডি সরকারের থেকেও সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে তাঁরা প্রায় নিশ্চিত। ইতিমধ্যে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেডি নেতা নবীন পট্টনায়েক দ্রৌপদী মুর্মু প্রার্থি পদের জন্য বিবেচিত হওয়ায় তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং তাঁর সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।একই ভাবে, মুর্মুকে প্রার্থী করার জন্য ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী এবং জেএমএম নেতা হেমন্ত সোরেনকেও দ্বিধায় রাখবে। সোরেনের দল উপজাতীয় রাজনীতির জন্যই বিশেষ পরিচিত এবং একজন উপজাতীয় মহিলার বিরোধিতা করা তার পক্ষে কঠিন হবে, বিশেষ করে যিনি তার রাজ্যের গভর্নর ছিলেন। মজার ব্যাপার হল, ইউপিএ প্রেসিডেন্ট প্রার্থী যশবন্ত সিনহাও ঝাড়খণ্ডের। বিজেপি গুজরাট এবং রাজস্থানে বিধায়ক রয়েছে এমন ভারতীয় উপজাতি পার্টির মতো ছোট দলগুলির কাছ থেকেও সমর্থন পাওয়ার আশা করতে পারে, বলে মনে করছে বিদগ্ধ জনেরা।পরিশেষে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের পাখির চোখ পশ্চিমবঙ্গের দিকে। তাঁদের আরও ধারনা দ্রৌপদী মুর্মুকে প্রার্থী করে সবচেয়ে অসুবিধায় ফেলে দেওয়া হল বাংলার অগ্নি কন্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এনডিএ বিরোধী জোটের মূল আহ্বায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-র বিরোধিতার রাশ টানতেই মুর্মুর নাম ঘোষণা। ২০২০ থেকেই তাঁর রাজনৈতিক পদক্ষেপে নারীবাদী স্লোগান সাধারণ মানুষের মন জয় করে নিয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। এবং তারই ফলস্রুতি ২০২১-র নির্বাচনের ফলাফল। তাঁর বাংলা নিজের মেয়েকেই চায় স্লোগান হয়ত এক্ষেত্রে বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। একজন নারীবাদী কি আর এক উপজাতী নারীর বিরিধিতায় রাস্তায় নামতে পারবেন? আপামর জনসাধারণের চোখ থাকবে সে দিকেই......

জুন ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কে কে র মৃত্যুর জন্য এবার রূপঙ্করকে ট্রোল ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের

ভারতীয় সঙ্গীতের এক তারকা কে কে কে হারিয়ে আমরা সবাই মুহ্যমান। নজরুল মঞ্চে গতকাল পর্যন্ত যার লাইভ পারফরম্যান্সের সাক্ষী থাকলেন দর্শকরা সেই কে কে আজ আমাদের সঙ্গে নেই ভাবতে পারছেন না অনেকেই। এরকম একটা পরিস্থিতিতে সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্করের ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল সমালোচনা। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারা কেউই রূপঙ্করকে ছেড়ে কথা বলেননি। এবার অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় রূপঙ্করের বিরুদ্ধে তার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাস্বর লিখেছেন, আজ থেকে রূপুংকরবাবুর নাম দিলীপ ঘোষ হোক। কারণ উনিও আলটপকা কথা বলে লাইমলাইটে থাকতে চান। কি অসহ্য সময়, নিজেকেই বলছেন KK-র থেকে ভালো গায়ক। সে তো মানুষ বলবে আপনি লাফাচ্ছেন কেন? রাঘবদা বা কাউকে তো এসব বলতে শুনি না। কমেন্ট বক্সে অভিনেত্রী রিমঝিম গুপ্ত লিখেছেন, এই লোকটা কারও মৃত্যুকেও একটা পাবলিসিটি স্টান্ট করতে পারে জাস্ট ভাবে না। ছি!! আমরা কোন সমাজে, কোন যুগে বসবাস করছি।প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে রূপঙ্কর সংবাদবাদ্যমকে কেকে-র মৃত্যু প্রসঙ্গে দুঃখপ্রকাশ করেছেন রূপঙ্কর। তিনি বলেছেন, দু:খ লাগছে, কষ্ট হচ্ছে। কেকে অত্যন্ত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন। এটা ওঁর মৃত্যুর বয়স নয়। অতীতে অনেক মিউজিশিয়ান ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ওর সেই বয়স নয়। তাঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আমি কেকে-র বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইনি। মানুষ বুঝতে না পারলে সত্যি খারাপ লাগবে। বাংলা গান, বাংলা সাহিত্য নিয়ে বলতে চেয়েছিলাম আমি। চিনিই না মানুষটাকে। ওঁর উপর কেন রাগ থাকবে। আমি ওঁর ভক্ত। আমার বক্তব্য নিয়ে কেউ অন্য কিছু ভেবে থাকলে সেটা তাঁদের ভুল।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ঋতুপর্ণ ঘোষের স্মৃতিচারণায় প্রসেনজিৎ

ঋতুর পরিবর্তন হয়। তবে ঋতুপর্ণ ঘোষ বাঙালির জীবনে, বাঙালির মননে চিরজীবনের মতো থেকে যায়।আজ বাঙালির জীবনে তাই বিশেষ দিন। আজ আরও একটা ৩০মে। আজ থেকে ঠিক ৯ বছর আগে বাঙালি কোনো উৎসবে আর ঋতুপর্ণ ঘোষের নতুন ছবি মন ছুঁয়ে যায়নি। সেদিন থেকে শুরু হয়েছিল তার পুরনো ছবির স্মৃতিচারণ। সেদিনই না ফেরার দেশে পারি দিয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। টলিউডের বুম্বা দা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ঋতুপর্ণ ঘোষের একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। দোসর এ অভিনয় করেছেন জিতেছেন জাতীয় পুরস্কারও। পেশাদার সম্পর্কের বাইরে ঋতুপর্ণ ছিলেন বুম্বাদার খুব কাছের মানুষ। পরিচালকের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিমেদুর হয়ে পড়লেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঋতুপর্ণের উদ্দেশে একটি আবেগঘন পোস্ট লেখেন বুম্বাদা। হাসিমাখা মুহূর্তের একটি ছবি শেয়ার করে লেখেন, কিছু শূন্যস্থান কখনো পূরণ হয় না... ভালো থাকিস ঋতু।

মে ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রথমবার বড়পর্দায় শন, বলিউড তারকা রিতেশ দেশমুখ এবার বাংলা ছবিতে

বলিউডের জনপ্রিয় নাম, ১১৪টির বেশি ছবিতে সফলভাবে ক্যামেরার দায়িত্ব সামলানো কবীর লাল সিং প্রথম ছবি পরিচালনা করলেন। মোট ৪টি ভাষায় ছবিটি দর্শকদের কাছে পৌঁছবে। বাংলাতে ছবিটির নাম অন্তদৃষ্টি। এখানে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তার স্বামীর চরিত্রে দেখা যাবে ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী কে। এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার বড়পর্দায় দর্শকরা দেখতে পাবেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা শন ব্যানার্জিকে। ভিলেনের চরিত্রে দেখা যাবে শন কে। এর পাশাপাশি বলিউড তারকা রিতেশ দেশমুখ কে প্রথমবার কোনো বাংলা ছবিতে পেতে চলেছেন দর্শকরা।কলকাতার একটি বড় হোটেলে ছবির প্রথম লুক প্রকাশ্যে এল। উপস্থিত ছিলেন ছবির মুখ্য চরিত্র ছাড়াও অন্যান্য কলাকুশলীরাও। অন্তদৃষ্টি তে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর দুটি চরিত্র রয়েছে। কঙ্গনা ও রঙ্গনা দুই চরিত্রে রয়েছেন টলিউডের গ্ল্যামারাস এই অভিনেত্রী। ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তীর চরিত্রের নাম জন। সুজয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন শন ব্যানার্জি। রিতেশ দেশমুখের চরিত্রের নাম কার্তিক যোশী

মে ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় বিউটি পেজেন্টে বলি তারকা আরবাজ খান

বিউটি পেজেন্টের ফাইনালে হাজির থাকতে কলকাতায় বলিউড অভিনেতা ও পরিচালক আরবাজ খান।আরবাজ খান, বাঙালি মেগাস্টার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে কলম্বাস ডিজিপ্লেক্স-এর উদ্যোগে জিও কিং অ্যান্ড কুইন মিস্টার/মিসেস এবং মিসেস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সিজন-২-এর মেগা ফাইনাল ইভেন্ট আয়োজিত হল।সংস্থার মুখপাত্র সুকন্যা গুপ্তা বলেন, এই পেজেন্ট সমস্ত আইকনিক পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য ব্যক্তিত্ব, প্রতিভা, আত্মবিশ্বাস এবং বুদ্ধিমত্তার উপর তাদের স্বতন্ত্রতা প্রদর্শনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম দিতে চেয়েছে। আমরা পুরুষ ও মহিলাদের জন্য অনেক সুযোগ নিয়ে আসতে চলেছি। আমরা বিশ্বাস করি যে আপনি যদি কোনও কিছুতে খুব উৎসাহী হন তবে কোনও কিছুই আপনাকে উচ্চতায় পৌঁছাতে এবং নতুন মাইলফলক স্থাপন করতে বাধা দিতে পারে না। বয়স একটি সংখ্যামাত্র। আপনার প্রচেষ্টা এবং আপনার লক্ষ্যের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটাই গুরুত্বপূর্ণ।মুম্বইয়ের পূজা ব্যাস জিও কুইন মিসেস বিজয়ী হয়েছেন৷ মাস্কাটের নীলম সিং এবং দিল্লির রবিন্দর কৌর যৌথভাবে প্রথম রানার আপ হন। দ্বিতীয় রানার আপ হন বেঙ্গালুরুর শালিনী পারুপুদি এবং দুবাইয়ের মিসেস নেহা সিং গুপ্তা। এঁরা জিওকুইন ইন্টারন্যাশনাল মিসেস গ্লোবাল কুইনের মুকুট লাভ করেন।

মে ১৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal