• ৩ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trinamool Leader

রাজনীতি

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে ভোটের লড়াই থেকে সরে আসার আহ্বান তৃণমূল নেতার, কেন এই অনুরোধ?

এবার সরাসরি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁর শুভানুধ্যায়ী হিসেবে কুণাল ঘোষ। এখনও সময় আছে, আপনি নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে থাকুন। পরাজয়ের দিনটি দেখা বড় কঠিন। এক্স হ্যান্ডলে প্রাক্তন বিচারপতিকে এই অনুরোধ জানিয়ে রবিবার সকালে এই পোস্টটি করেছেন তৃণমূল নেতা ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।কুণালের বার্তা, শ্রী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, পরিচয় থাকার সুবাদে একটি অনুরোধ। আপনি বিচারপতি থাকাকালীন বিতর্কিত। ইস্তফা দিয়ে প্রশ্নের মুখে। বিজেপিতে গিয়ে সমালোচিত। অনুরোধ, এখনও সময় আছে, ওদের বলে দিন, প্রার্থী হবেন না। তমলুকে তৃণমূল জিতবে। দুমাস পর আপনার সব সম্মান নষ্ট হবে। যে আপনাকে তমলুক নিয়ে যাচ্ছে, সেও আপনাকে হারাবে। তার দলে অন্য বড় নাম সে সহ্য করতে পারে না, বাড়তে দেবে না। এখনও সময় আছে, আপনি নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে থাকুন। পরাজয়ের দিনটি দেখা বড় কঠিন। শুভানুধ্যায়ী হিসেবে ভাবতে বললাম।শ্রী অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়,পরিচয় থাকার সুবাদে একটি অনুরোধ।আপনি বিচারপতি থাকাকালীন বিতর্কিত।ইস্তফা দিয়ে প্রশ্নের মুখে।বিজেপিতে গিয়ে সমালোচিত।অনুরোধ, এখনও সময় আছে, ওদের বলে দিন, প্রার্থী হবেন না।তমলুকে @AITCofficial জিতবে।দুমাস পর আপনার সব সম্মান নষ্ট হবে।যে আপনাকে তমলুক Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) March 17, 2024উল্লেখ্য, প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় স্বেচ্ছা অবসর নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁর তমুলক কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, তমলুক থেকেই তৃণমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তরুণ তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। সিপিএম ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিকে, ইতিমধ্যেই তমলুকে গিয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে এক দফায় আলোচনা সেরে এসেছেন অভিজিৎ গাঙ্গুলি। তাঁর সঙ্গে আগাগোড়া ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।বিজেপি এরাজ্যে প্রথম পর্বে ২০ টি কেন্দ্রে তাঁদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। বাকি কেন্দ্রগুলিতে সম্ভবত শীঘ্রই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেবে গেরুয়া দল। তবে তার আগে বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলির প্রতি এমন বার্তা দিয়ে কুণাল ঘোষের এমন পোস্ট রাজ্য রাজনীতিতে নয়া মাত্রা যোগ করেছে।

মার্চ ১৭, ২০২৪
রাজ্য

শাহজাহান, সিরাজুদ্দিন সঙ্গী অজিত মাইতিকে জনরোষ থেকে উদ্ধার করল পুলিশ, ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি

শেখ শাহজাহান, শেখ সিরাজউদ্দিনদের বিরুদ্ধে ক্ষোভের পাহাড় সন্দেশখালিতে। তাদেরই দোসর এলাকার এক তৃণমূল নেতাকে গত শুক্রবারের পর আজ রবিবারেও ঝাঁটা-জুতো নিয়ে তাড়া গ্রামের মহিলাদের। কয়েকশো জনতার রোষের হাত থেকে বাঁচতে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিলেন তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি। সাংবাদিকদের সামনেই শেষমেশ সুর বদল সন্দেশখালির বেড়মজুরের তৃণমূল নেতার। শেষমেশ ৪ ঘন্টা পরে অজিত মাইতিকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। গত শুক্রবারেও সন্দেশখালির বেড়মজুর গ্রামের তৃণমূল নেতা অজিত মাইতির বাড়িতে চড়াও হয়েছিলেন কয়েকশো গ্রামবাসী, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন মহিলা। শেখ শাহজাহান, সিরাউদ্দিনদের সঙ্গে অজিত মাইতি ভয় দেখিয়ে জমি দখলে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। সেদিন তাঁর বাড়ির বাইরে ভাঙচুরের পাশাপাশি তাঁকে মারধরও করা হয়।এরপর থানায় নালিশ করেছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। রবিবার এলাকায় তাঁকে দেখে আবারও তেড়ে যান গ্রামবাসীরা। ধাওয়া করে বেশ কিছু দূর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাণভয়ে শেষমেশ এলাকারই এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন ওই তৃণমূল নেতা। সেখানে ৪ ঘন্টা লুকিয়ে ছিলেন। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তালা লাগানো গেটের ভিতর থেকে তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি বলেন, জমি দখলের বিষয়ে কিছু জানতাম না। আমি নির্দোষ। ওরা আইনের দ্বারস্থ হোক। আইন যা সাজা দেবে মেনে নেব। আমি কারও জমি নিইনি। এটা তদন্ত করে দেখা হোক। শেখ শাহজাহান, সিরাউদ্দিনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও বলেন, আগে আমি BJP করতাম। আমাকে মারধর করে নিয়ে এসেছিল। শেখ শাহজাহান, সিরাউদ্দিন শেখের নেতৃত্বে এই কাজ হয়েছিল। তবে আটক অজিত মাইতিকে আদৌ পুলি গ্রেফতার করে কিনা তা এখনও জানা যায়নি।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজ্য

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তমত রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি হলেন রাজীব কুমার, শুভেচ্ছা জানিয়েও খোঁচা তৃণমূল নেতার

রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আইপিএস রাজীব কুমার। বুধবার মমতা মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রাজীব কুমারকে নিয়ে বহু বিতর্ক হয়েছে তিনি কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন। এহেন আইপিএসকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিজি পদমর্যাদায় উন্নীত করায় বিরোধীরা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে কসুর করছেন না। ইউপিএসসি-র কিছু নিময়ের ফেরে, আপাতত রাজীব কুমার ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে কাজ করবেন।কলকাতা পুলিসের প্রাক্তন কমিশনার রাজীব কুমার তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের প্রধান সচিবের পদে কর্মরত ছিলেন। বুধবার মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজীবের এই পদন্নোতির কথা জানানো হয়। রাজীব কুমার কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন তাঁর নাম একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছিল। ২০১৩ তে বহু চর্চিত সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলায় তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট গঠন করে রাজ্য সরকার। সে সময় সরকারের পক্ষ থেকে বিধাননগর পুলিস কমিশনারের দায়িত্বে থাকা রাজীব কুমারকে সিট-এর দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।২০১৩ তে সারদাকাণ্ডে প্রাক্তন সাংবাদিক ও তৎকালীন তৃণমূলের সাংসদ এবং বর্তমানে ওই দলেরই মুখপাত্র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে গ্রেফতার করেছিলেন রাজীব কুমার। এবং ২০১৯ সালে সেই সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলাতেই রাজীব কুমারকে অভিযুক্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সিবিআই রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে সারদা মামলার তথ্য প্রমান লোপাটের মত ভয়ানক অভিযোগ তোলে। বেশ কিছুদিন লুকোচুরি খেলার পর রাজীব কুমারকে সেই সময় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিতে হয়। ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি মাসে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাঁর বাসভবনে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তার প্রতিবাদে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় সিবিআই দাবি করে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারদা-সহ একাধিক অর্থ লগ্নি সংস্থার টাকা ও সুবিধা কারা ভোগ করেছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সে সময় সিবিআই আরও জানায়, তাঁরা তদন্তে রাজীব কুমারের থেকে কোনও রকম সহযোগিতা পাননি।প্রসঙ্গ: রাজীব কুমার ডিজি।উনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্যবিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনো নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) December 27, 2023রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল-র (ডিজি) পদে বসানোর খবরে তৃণমূলের দলীয় মুখপাত্র ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েও তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় খোঁচা দিতেও ছাড়েননি। রাজীবকে দক্ষ আইপিএস অফিসার বলার পরমুহুর্তেই কুণালের কটাক্ষঃউনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্য বিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনও নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

ফের পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের তলব

ফের তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের তলব। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের ভাল্কি পঞ্চায়েত এলাকার শাসক দলের জিতেন বাগদীকে তলব করলো সিবিআই।তবে তাকে দুর্গাপুর বা কলকাতার নিজাম প্যালেসে যেতে হবে না। ২ সেপ্টেম্বর জিতেন বাগদীর বাড়িতে গিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে এই মর্মে নোটিশ পাঠানো হয়েছে সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে। গতকাল অর্থাৎ ২৪ আগষ্ট জীতেন বাগদীর বাড়ি ঘুরে গেছে সিবিআইয়ের টিম। তার বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় সিবিআই জিজ্ঞসাবাদ করবে ২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩ টের সময়।তাকে বাড়িতে থাকাতে বলা হয়েছে।এখানে উল্লেখ্য গত ৬ আগষ্ট অরূপ মিদ্যাকে সরিয়ে তার জায়গায় জীতেন বাগদীকে ভাক্লি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি করা হয়। তবে তিনি নোটিস পাওয়ার কথা স্বীকার করেননি। তিনি টেলিফোনে বলেন, কোনও নোটিস পায়নি।প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় আউশগ্রামের শাসক দলের একাধিক নেতাকে তলবা করা হয় দুর্গাপুরে সিবিআইয়ের অস্থায়ী শিবিরে। সেখানে জেরা করা হয়েছে। যদিও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এই বিষয়ে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন,এরকম খবর শুনলাম। এই কদিন আগে তাকে অঞ্চল সভাপতি করেছে দল।তবে সবই তো বোঝা যাচ্ছে কি হচ্ছে। রাজনৈতিক হিংসা চরিতার্থ করার চেষ্টা।বিজেপি জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, আমরা তো বারে বারে আবেদন করেছি দুর্নীতিগ্রস্থ নেতাদের সিবিআই গ্রেপ্তার করে তদন্ত করুক। আগামীদিনে বাংলার দুর্নীতিবাজ নেতারা কেউ রেয়াত পাবে না। জীতেন বাগদীর বাড়ি আউশগ্রাম থানার প্রেমগঞ্জ গ্রামে গেলে তার দেখা মেলে নি। তার স্ত্রী চিন্তা বাগদী বলেন, বাড়িতে নাই। বাইরে গেছে। তিনিও জানান,তাদের বাড়িতে কোন চিঠি আসে নাই।

আগস্ট ২৫, ২০২২

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মৃত্যু জল্পনার মাঝেই ভিডিও বার্তা, কী বলতে চাইলেন নেতানিয়াহু

মৃত্যু নিয়ে জল্পনার মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেই ভিডিওর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি সুস্থ আছেন। তবে ভিডিওটি প্রকাশের পরই সমাজমাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন নেতানিয়াহু। সেখানে তাঁর হাতে একটি কফির কাপ দেখা যায়। সেই ভিডিওতে ব্যঙ্গের সুরে তিনি বলেন, তিনি কফির জন্য মরতেও রাজি এবং দেশের জন্যও মরতে প্রস্তুত। এর আগে যে বিতর্কিত ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, সেই বিষয়েও তিনি প্রতিক্রিয়া জানান।কিন্তু সোমবার সকালে সমাজমাধ্যমে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর একটি পরিষেবা দাবি করে, নেতানিয়াহুর সেই ভিডিওটি নাকি আসলে কৃত্রিমভাবে তৈরি। তাদের মতে, ভিডিওতে কফির কাপের অবস্থান প্রায় একই রকম রয়েছে এবং ঠোঁটের নড়াচড়ার সঙ্গে কথার মিলও ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও তাঁর বাঁ হাতের অবস্থানও অস্বাভাবিক বলে অনেকের দাবি। এই সব কারণেই অনেকে মনে করছেন ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হতে পারে।এই বিতর্কের মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি অজানা পাহাড়ি জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন নেতানিয়াহু। তাঁর পাশে দুজন তরুণীকেও দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে একটি বার্তাও দেওয়া হয়েছে, যেখানে লেখা রয়েছে নির্দেশ মেনে চলেই জয় অর্জন করা হচ্ছে। তবে এই বার্তার অর্থ কী, তা স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে নতুন এই ভিডিও ঘিরে আবারও নানা প্রশ্ন উঠছে। বর্তমানে নেতানিয়াহু ঠিক কোথায় আছেন, তা নিয়েও কোনও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসেনি। ফলে গোটা ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও কৌতূহল এবং জল্পনা আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

বকেয়া ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা, তবে পুরোটা নয়—নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কী জানাল রাজ্য

বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগেই সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছিলেন, মার্চ মাস থেকেই এই বকেয়া ভাতা দেওয়া শুরু হবে। সেই ঘোষণার পর সোমবার নবান্নের অর্থদফতর ডিএ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি কর্মীরা বকেয়া ডিএ পাবেন ঠিকই, তবে আপাতত পুরোটা নয়। প্রথম ধাপে জানুয়ারি দুই হাজার ষোলো থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার উনিশ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে।এর আগে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল সমস্ত বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে। তবে অর্থদফতরের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের কিছু আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বড় অঙ্কের খরচের কারণে একবারে সব টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে এই বকেয়া ভাতা মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই বকেয়া ডিএ দুই সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালের মার্চ মাসে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে।বকেয়া ডিএ হিসাব করা হবে সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে। পর্যবেক্ষণ কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজন হলে এই অঙ্কের কিছু সমন্বয়ও করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।এপ্রিল দুই হাজার আট থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার পনেরো পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ কবে দেওয়া হবে, তা পরে আলাদা করে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।সরকারি কর্মীদের মধ্যে যাঁরা গ্রুপ এ, বি এবং সি শ্রেণির কর্মী, তাঁদের বকেয়া ডিএ সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। গ্রুপ ডি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।বর্তমান পেনশনভোগী এবং পারিবারিক পেনশনভোগীদের বকেয়া ভাতা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। কলকাতার বাইরে যাঁরা ট্রেজারি থেকে পেনশন নেন, তাঁদের টাকা সংশ্লিষ্ট ট্রেজারির মাধ্যমে দেওয়া হবে। আর কলকাতা অঞ্চলে যাঁরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন পান, তাঁদের ক্ষেত্রে পেমেন্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যাঙ্কেই টাকা পৌঁছে যাবে।যাঁরা এখন চাকরিতে নেই কিন্তু দুই হাজার ষোলো থেকে দুই হাজার উনিশ সালের মধ্যে কিছু সময় কাজ করেছেন, তাঁরাও সেই সময়ের জন্য বকেয়া ডিএ পাওয়ার যোগ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে তাঁদের শেষ কর্মস্থলের দপ্তরের প্রধানের কাছে আবেদন করতে হবে। কোনও কর্মচারী যদি এর মধ্যে মারা গিয়ে থাকেন, তবে তাঁর মনোনীত ব্যক্তি বা আইনগত উত্তরাধিকারী এই বকেয়া পাওয়ার অধিকারী হবেন।এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার আদালতের নির্দেশ মানেনি। তাঁর কথায়, এই টাকা সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা হলে কর্মচারীরা অনেকদিন পর্যন্ত তা ব্যবহার করতে পারবেন না। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং খুব শিগগিরই তারা আন্দোলনে নামতে পারেন।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

আবার মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু? ভবানীপুর ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যের নজর ছিল নন্দীগ্রামে। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত জয় পাননি তিনি। পাঁচ বছর পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। কিন্তু এবারও হয়তো একই ধরনের রাজনৈতিক লড়াই দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।কারণ বিজেপি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই ধারণা, এবারও ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই লড়তে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় একাধিক কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সরস্বতী পুজোর সময় ভবানীপুরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপেও ঘুরতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর পর থেকেই জল্পনা আরও বাড়তে থাকে।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী নিজে নন্দীগ্রাম থেকেই লড়তে আগ্রহী ছিলেন। তবে বিজেপির তরফে তাঁকে ভবানীপুরে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কেন্দ্রে কেন শুভেন্দুকে প্রার্থী করা হল।২০২১ সালের নির্বাচনের আগে দীর্ঘদিন নন্দীগ্রামে থেকে প্রচার করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অন্য অনেক কেন্দ্রে প্রচারে যেতে পারেননি। তবে তৃণমূল নেত্রী প্রায়ই বলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেরই প্রার্থী। সেই হিসেবে রাজ্যের সব জায়গায় তাঁর প্রচার করাও গুরুত্বপূর্ণ।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই মনে করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ব্যস্ত রাখতেই বিজেপি এই কৌশল নিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ঝন্টু বরাইকও প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধীরা কি মমতাকে ওই কেন্দ্রেই ব্যস্ত রাখতে চাইছে। যাতে তিনি সেখানেই বেশি সময় দেন, সেটাই কি উদ্দেশ্য।তবে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হবেন কি না। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ভবানীপুরের বিধায়ক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই আবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

হিরণকে সরিয়ে দিলীপের প্রত্যাবর্তন, খড়্গপুর সদরে নতুন সমীকরণ

খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত নাম দিলীপ ঘোষের। তিনি এক সময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। পরে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় তাঁকে। তবুও খড়্গপুর সদর এলাকার রাজনীতির সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। এবার সেই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে।সোমবার বিজেপি একশো চুয়াল্লিশ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে রয়েছে দিলীপ ঘোষের নাম। ফলে বর্তমান বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে আর প্রার্থী করা হল না।দুই হাজার ষোলো সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা জ্ঞানসিং সোহনপালকে পরাজিত করেছিলেন। সোহনপাল দীর্ঘদিন ধরে এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। তাঁকে হারানোর পরই রাজ্য রাজনীতিতে বড় করে আলোচনায় আসেন দিলীপ ঘোষ।দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত তিনি খড়্গপুর সদরের বিধায়ক ছিলেন। পরে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বিধায়ক পদ ছাড়েন তিনি। সেই সময় উপনির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে জয়ী হন তৃণমূলের প্রদীপ সরকার।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এবারও তিনি টিকিট পাওয়ার আশা করেছিলেন। অন্যদিকে গত লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে খড়্গপুর এলাকায় যাতায়াত বাড়িয়েছিলেন দিলীপ ঘোষও।গত বছর দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার পর দিলীপ ঘোষকে ঘিরে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। সেই সময় বিজেপির কর্মসূচিতে তাঁকে খুব বেশি দেখা যাচ্ছিল না। তবে পরে কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহের রাজ্য সফরের পর আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই তাঁকে আবার পুরনো ভঙ্গিতে রাজনীতিতে সক্রিয় দেখা যেতে থাকে।এই সময়ের মধ্যেই খড়্গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়। প্রথম স্ত্রীকে আইনি ভাবে বিচ্ছেদ না দিয়েই দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়। এমনকি তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় অভিযোগও দায়ের করেন।এই সব বিতর্কের আবহেই শেষ পর্যন্ত হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী না করে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে দিলীপ ঘোষকে টিকিট দিল বিজেপি। এখন দেখার, দুই হাজার ষোলো সালের মতো আবারও কি এই কেন্দ্রে জয় ছিনিয়ে আনতে পারেন তিনি।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কাঁথি–তমলুকে নতুন সমীকরণ, শুভেন্দুর শক্ত ঘাঁটিতে লড়াই জমাতে মাঠে বামেরা

পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে কাঁথি ও তমলুক অঞ্চলে অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব অনেকদিনের। এই উপকূলের জেলার বহু এলাকায় মানুষ একে শুভেন্দুর গড় হিসেবেই চেনে।রাজনীতিতে সাধারণত গড় বলতে এমন একটি এলাকাকে বোঝানো হয় যেখানে কোনও নেতা বা রাজনৈতিক দলের দীর্ঘদিনের শক্ত প্রভাব থাকে। সেই অর্থে কাঁথি, তমলুক ও আশপাশের অঞ্চলকে অধিকারী পরিবারের প্রভাবের এলাকা বলেই মনে করেন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক। এই পরিস্থিতিতেই সেই এলাকাগুলিতে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামেরা।বাম শিবিরের তরফে তমলুক কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিআই নেতাকে। ময়না কেন্দ্রে লড়ছেন সিপিআইয়ের স্বপন বর্মন। হলদিয়া কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে অশোক পাত্রের। পটাশপুর কেন্দ্রে সিপিআইয়ের সৈকত গিরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।কাঁথি উত্তর কেন্দ্রে, যেখানে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি, সেই এলাকায় সিপিএম প্রার্থী হিসেবে লড়বেন সুতনু মাইতি। আবার কাঁথি দক্ষিণ কেন্দ্রে সিপিআইয়ের প্রার্থী করা হয়েছে তেহরান হোসেনকে। রামনগর কেন্দ্রে লড়বেন অশোক কুমার মাইতি।পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর, কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, কাঁথি পূর্ব, খেজুরি, এগরা এবং তমলুক এলাকায় বহু বছর ধরেই অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী এবং ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীও দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশেষ করে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পর এই অঞ্চলে শুভেন্দু অধিকারীর জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। সেই কারণেই এই উপকূলের জেলাকে অনেকেই তাঁর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে মনে করেন। এবার সেই এলাকাতেই একাধিক প্রার্থী ঘোষণা করে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিল বামেরা।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোট ঘোষণার পরই বড় চমক, ১৯২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বামফ্রন্টের

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামফ্রন্ট। মোট একশো বিরানব্বইটি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু। এই তালিকায় যেমন একাধিক নতুন মুখ রয়েছে, তেমনই রয়েছে অভিজ্ঞ ও প্রবীণ নেতারাও। পাশাপাশি কয়েকজন পরিচিত ও ভারী ওজনের নেতাকেও লড়াইয়ের ময়দানে নামানো হয়েছে।যাদবপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হলেও গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা থেকে শুরু করে বকেয়া ভাতা সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি আদালতে সক্রিয় ছিলেন এবং বেশ কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও পেয়েছেন।উত্তরপাড়া কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। তিনি বাম শিবিরের অন্যতম তরুণ ও পরিচিত মহিলা মুখ। এর আগেও বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মতো বড় নেতাদের বিরুদ্ধেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে তাঁর সরাসরি বক্তব্য এবং তীব্র বক্তৃতা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচিত হয়েছে।রানিবাঁধ কেন্দ্রে আবারও প্রার্থী করা হয়েছে দেবলীনা হেমব্রমকে। তিনি দীর্ঘদিন রানিবাঁধের বিধায়ক ছিলেন। দুই হাজার ছয় থেকে দুই হাজার এগারো পর্যন্ত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় তিনি অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানে তিনি সিপিএমের জেলা নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। দলের তরফে তাঁকে লড়াকু নেত্রী হিসেবেই তুলে ধরা হয়।মহেশতলা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি পেশায় আইনজীবী এবং সিপিএমের তরুণ মুখ হিসেবে পরিচিত। আগের লোকসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন।পানিহাটি কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে কলতান দাসগুপ্তকে। তিনি বামেদের অন্যতম পরিচিত সংগঠক। অতীতে একটি বিতর্কের জেরে তাঁর নাম আলোচনায় উঠেছিল। পরে তিনি জামিন পান এবং নিজেকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন। বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমে বামেদের মুখপাত্র হিসেবেও তাঁকে দেখা গেছে।দমদম উত্তর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দীপ্সিতা ধরকে। তিনি বামেদের অন্যতম তরুণ নেত্রী। আগের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছিলেন। পরে লোকসভা নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে দলের তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে তাঁর নাম গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।এই প্রার্থী তালিকার মাধ্যমে বামফ্রন্ট একদিকে অভিজ্ঞ নেতাদের ভরসা রাখার পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বকেও সামনে আনার চেষ্টা করেছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে। এখন দেখার, আসন্ন নির্বাচনে এই প্রার্থী তালিকা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতার, “বিনাশকালে বুদ্ধি নাশ” মন্তব্যে তোলপাড়

রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুতে পথে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই মিছিলে যোগ দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাতের মধ্যে বার্তা পেয়ে তিনি অবাক হয়ে যান। তাঁর প্রশ্ন, মধ্যরাতে এভাবে কোনও রাজ্যের মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দেওয়া কি আগে কখনও দেখা গিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগে এই ধরনের ক্ষেত্রে রাজ্যের কাছে কয়েকটি নাম চাওয়া হত এবং সেখান থেকে নির্বাচন করা হত। কিন্তু এবার কোনও প্রক্রিয়া মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই সিদ্ধান্ত যেন জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, যাঁকে সরানো হয়েছে তিনি একজন বাঙালি মহিলা আধিকারিক। তাঁর মতে, এই সিদ্ধান্তের মধ্যে নারী বিদ্বেষের ইঙ্গিত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলার প্রতি এক ধরনের বিরূপ মনোভাব দেখানো হচ্ছে।মিছিলের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যদি কেউ মনে করে ভয় দেখিয়ে তাদের থামানো যাবে, তা হলে তারা ভুল করছে। তাঁর কথায়, লড়াই করতে হলে তারা প্রস্তুত।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, শুধু বাঙালি আধিকারিক নয়, অবাঙালি আধিকারিকদেরও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পিযুষ পাণ্ডে নামে এক আধিকারিককেও বদলি করা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল এবং রাজ্যের মতামত নেওয়া হল না।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি এই বিষয়টিকে বাঙালি এবং অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের সঙ্গেই যুক্ত করে দেখাতে চাইছেন। তাঁর মতে, যারা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নির্দেশ মেনে চলে তাদেরই পছন্দ করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী একসঙ্গে দুই ধরনের ভোটারের কাছেই বার্তা দিতে চাইছেন। বিশেষ করে এমন এলাকায় যেখানে বাঙালি ও অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের ভোটই গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচনে সেই ভোট সমীকরণ কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ১৬, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের বড় ডাক, ভারত কি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে? স্পষ্ট জানাল দিল্লি

ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলিকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের এখনও কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। কিন্তু এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক কোনও আলোচনা এখনও হয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতি নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা করছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।এর আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে থাকলে বহু দেশ তার প্রভাবের মুখে পড়বে। তাই চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেনসহ একাধিক দেশকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিরাপদ ও খোলা রাখার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক ক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল করা হয়েছে। তবুও ওই অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মাইন হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই আশঙ্কা থেকেই মিত্র দেশগুলিকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।নিজের বার্তায় ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বহু দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আন্তর্জাতিক শক্তিগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে ওই জলপথকে নিরাপদ রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে আমেরিকা সমুদ্রপথে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং যে কোনও উপায়ে হরমুজ প্রণালীকে মুক্ত ও নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই সংবেদনশীল বিষয়ে ভারত কী অবস্থান নেয়, তা আন্তর্জাতিক মহলেও নজরে রাখা হচ্ছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal