• ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Texas

বিদেশ

টেক্সাস ইহুদি উপাসনালয় সন্ত্রাসবাদী মুক্ত! পুলিশের গুলিতে নিহত অপহরণকারী

কারাবন্দী পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদী আফিয়া সিদ্দিকীর মুক্তির দাবীতে, মহম্মদ সিদ্দিকী নামে একজন বন্দুকধারী দুষ্কৃতী আজ টেক্সাসের কোলিভিলে একটি ইহুদি উপাসনালয়ে (সিনাগগে) প্রবেশ করে এবং উপাসনালয়ের রাব্বি-সহ আরও দু-জনকে বন্দী করেছিলেন। আমেরিকায় বন্দী তার বোনের মুক্তির দাবিতেই তিনি এমনটা করেছেন বলে সুত্র থেকে জানা যায়। সকল বন্দি-ই অক্ষত ও সুরক্ষিত অবস্থায় সিনাগগ থেকে বেরিয়ে এসেছেন বলে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট জানিয়েছেন। পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে ওই ।শনিবার স্থানীয় সময় বিকাল ৫টাই এক জন বন্দিকে উদ্ধার করে পুলিশ। টেক্সাসের কোলিভিলে ওই সিনাগগে কত জন বন্দি রয়েছেন তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান ছিল স্থানীয় পুলিশ। তবে জানা গিয়েছে উপাসনালয়ের রাব্বি-সহ আর মাত্র দু-জনই বন্দী ছিলেন। টেক্সাসের স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম ডালাস থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে ওই সিনাগগে বেশ কয়েক জনকে পণবন্দি করে রাখার খবর তাঁদের কাছে আসে। এর পর পুলিশ ওই এলাকা সম্পূর্ন ঘিরে ফেলে। তাৎক্ষনিক ভাবে পুলিস সন্ত্রাসবাদী মহম্মদ সিদ্দিকী-র কাছে জানতে চায় কী কারণে তাঁদের বন্দি করা হয়েছে।টেক্সাস পুলিস সংবাদমাধ্যমকে জানায়, জেরার সামনে মহম্মদ সিদ্দিকী বলেন, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অভিযুক্ত আমেরিকার জেলে বন্দি তাঁর বোনের মুক্তির দাবিতেই তিনি এই কাজ করেছেন। সিদ্দিকী আরও জানান তাঁর বোনের নাম আফিয়া সিদ্দিকি, তিনি একজন প্রাক্তন পাক বিজ্ঞানী। সুত্র মারফত জানা যায়, তিনি ছিলেন একজন প্রথিতযশা স্নায়ুবিজ্ঞানী এবং খালিদ শেখ মুহাম্মদের ভাগ্নের পত্নী। ২০১০ সালে একজন আমেরিকার এক অধিকারিককে আফগানিস্থানে খুনের চেষ্টার (Attempt to murder) অভিযোগে মার্কিন বাহিনী আফিয়া সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছিল। আমেরিকান সেনাবাহিনীর রাইফেল লুঠ করার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি আহত হন এবং পরবর্তীতে তাকে নিউইয়র্কে প্রত্যর্পণ করা হয় এবং নিউইয়র্কের এক আদালত তাঁকে ৮৬ বছরের কারাদণ্ড-র সাজা দেয়। বতর্মানে তিনি টেক্সাসের একটি জেলে বন্দি রয়েছেন।সংবাদ সংস্থা কে উদ্ধৃত করে পুলিশ জানিয়েছে ওই ব্যক্তি জেরার সময় যে আরবি শব্দ ব্যবহার করেছিলেন তার মানে বোন, সে কারনে তাঁদের ধারনা হয় যে সে তাঁর বোনের মুক্তি চেয়ে এই কাজ করছে। কিন্তু পরে জানা যায় ওই দুষ্কৃতী আফিয়ার দাদা নয়। আমেরিকার প্রথম সারির সব সংবাদমাধ্যম-ই প্রাথমিক ভাবে ওই ব্যক্তিকে আফিয়ার ভাই বলেই সম্বোধন করে। পরে তাঁরা সংশোধন করে জানায় আফিয়ার ভাই আমেরিকাতেই হিউস্টনে রয়েছেন। এ খবর জানিয়েছেন আফিয়ার আইনজীবী।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
বিদেশ

ICU: বেড পেতে গেলে "আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে"!

আসমুদ্র হিমাচল যখন অধীর আগ্রহে টিভির পর্দায় তাকিয়ে কে দখল নিলো আফগানিস্থানের? তালিবান না আফগান? সর্বদলীয় বৈঠক হচ্ছে বিদেশনিতী নিয়ে। ঠিক সেই সময়ে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে বেসামাল আমেরিকা। ডালাস প্রদেশের কাউন্টি জজ ক্লে জেনকিন্স এক প্রেস বিবৃতীতে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কোভিড -১৯ আক্রান্ত শিশুদের জন্য তাঁদের কাছে একটিও শয্যা অবশিষ্ট নেই।তিনি ব্যখ্যা করে বলেন, এর মানে হল যদি আপনার সন্তান জন্মগত হার্টের ত্রুটি বা অন্য গভীর কোনও রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং তার আইসিইউ (ICU) বেডের প্রয়োজন হয়, অথবা যদি তার কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে আমাদের এখানে আপনার বাচ্চাকে ভর্তি করা অসম্ভব। খুব মর্মান্তিক কিন্ত বাস্তব সত্য এটাই যে, আরেকটি শিশুর মৃত্যুর জন্য আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। তিনি আরও জানান যে আপনি এই প্রদেশের যেকোনও জায়গায় আপনার বাচ্চা কে নিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু সাধারণ বেড ছাড়া কোনও সুরাহা হবে না।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারক্লে জেনকিন্স জানান, হাসপাতালগুলিকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক শয্যার জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয় এবং বেশিরভাগ হাসপাতালই তাদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেডের সংখ্যার তুলনায় কিছু কম শয্যা ও কর্মচারী নেয়। তারা এমন শয্যা ব্যবহার করতে পারে না যেখানে পর্যাপ্ত সংখ্যায় কর্মী নেই। কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে হাসপাতালগুলিতেও পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মীর ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। যে শয্যাগুলির জন্য তারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত, সেইগুলিরও কর্মচারী পাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠেছে। বিভাগের মুখপাত্র লারা অ্যান্টন একটি ই-মেলে বলেন, রাজ্যের কর্মী সংস্থাগুলি সমগ্র আমেরিকা জুড়ে আপাতকালীন ভাবে স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগে কাজ করছে।সপ্তাহের শুরুর দিকে, টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট ঘোষণা করেন, যে হাসপাতালগুলিতে কোভিড -১৯ রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারনে সহায়তা করার জন্য রাজ্যের হাসপাতালে ২,৫০০ এরও বেশি মেডিকেল কর্মী মোতায়েন করা হবে। সেখানকার সরকারি তথ্য অনুসারে, টেক্সাসে এই মুহুর্তে ১১,২০০ এরও বেশি লোক কোভিড-১৯ (COVID-19) আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন,সারা প্রদেশ জুড়ে মাত্র ৩২৩টি প্রাপ্তবয়স্কদের আইসিইউ শয্যা পড়ে আছে।আরও পড়ুনঃ কেন বন্ধ লোকাল ট্রেন? তা বিস্তারিত জানালেন মুখ্যমন্ত্রীডালাস প্রদেশের কাউন্টি জজ ক্লে জেনকিন্স কিছু বিষয়ে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট সাথে মতপার্থক্য উল্লেখ করেছেন। জেনকিন্স অন্যান্য নির্বাচিত কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ওয়ার্কার্স ডিফেন্স অ্যাকশন ফান্ড এবং অন্যান্য গ্রুপের নেতাদের সাথে কথা বলেছিলেন তাঁরা জানিয়েছেন যে অতিমারীটি সঠিক ভাবে পরিচালনা করার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে এই প্রদেশের বাসিন্দাদের বিপদে ফেলছে অ্যাবট। জুলাই মাসে, কোভিড-১৯ (COVID-19) সংক্রান্ত কিছু আদেশে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন, সেখানে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে যারা সরকারী কাজের সাথে যুক্ত এবং জেলার স্কুল গুলিতে মাস্ক-এর কোন প্রয়োজন নেই।ডালাস সহ টেক্সাস কাউন্টির সদস্যরা এই মাসে গভর্নরের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন এবং ভাইরাসের বিস্তার রোধের জন্য মাস্ক পরার আদেশ পুনঃ কার্যকর করতে অনুরোধ করা হয়। এবং তাঁরা অ্যাবটের আদেশের বিরুদ্ধে স্টে-অর্ডারও চেয়েছিলেন। মঙ্গলবার, বিচারক টনিয়া পার্কার এই মর্মে নির্দেশ দেন যে, ডালাস কাউন্টির বাসিন্দারা অ্যাবটের আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং কিছু সময় ধরে হতে থাকবেন এবং তিনি রায়ে উল্লেখ করে দিয়েছেন যে, কাউন্টি বিচারক জেনকিন্সকে সাধারণ জনসাধরনকে সুরক্ষার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সমস্ত রকম সতর্কতামূলক ব্যবস্তা বাস্তবায়নের অনুমতি দেওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!উক্ত রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে জেনকিনস এক জরুরী আদেশ জারি করেছেন, কাউন্টির নির্দিষ্ট পাবলিক স্পেসে মাস্ক বাধ্যতামূলক করেছেন, এছাড়াও কাউন্টি অফিস, ভবন এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সহ সরাসরি জনসাধারণকে পণ্য বা পরিষেবা প্রদানকারী সকল ব্যক্তিদেরও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছেন। জরুরী আদেশটিতে আরও বলা হয়েছে টিকা প্রদানকারী স্বাস্থ্য কর্মী, কাউন্টি চাইল্ড কেয়ার সেন্টার, স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী এবং অবিভাবকদের জন্যও মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।রাজ্যে করোনাভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা উত্তোরত্তর বৃদ্ধির ফলে মৃত্যুর সম্ভাবনা বৃদ্ধির আশঙ্কায় টেক্সাসের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে পাঁচটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত শববাহী মর্চারী ট্রেলারের জন্য অনুরোধ করেছেন। এজেন্সির মুখপাত্র ডগলাস লাভডে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অনুরোধটি করা হয়েছে। ট্রেলারগুলি সান আন্তোনিওতে রাখা হবে যদি কোন নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে করোনা আক্রান্ত শবদেহ রাখার জন্য অতিরিক্ত যায়গার প্রয়োজন হয়, আমেরিকার বিভিন্ন প্রদেশে এই ট্রেলারগুলির সম্ভাব্য প্রয়োজনের পূর্বাভাস বলে দিচ্ছে যে এই অতিমারির তৃতীয় ঢেউ কি ভয়ঙ্কর রুপ পেতে চলেছে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
উৎসব

Jamai Sasthi: হায়দ্রাবাদবাসী দুর্গাপুরের জামাইয়ের ষষ্ঠীর মহাভোজের আয়োজন ভায়া আমেরিকা

পার্বণ আর বাঙালি সমুচ্চারিত শব্দবন্ধ। বাঙালি পার্বণ ছাড়া বাঁচতে পারবে না,আবার পার্বণ-ও বৃথা বাঙালি ছাড়া। ইংরাজি মাধ্যমে পড়া আধো আধো বাংলা বলা বাঙালির বাঙ্গালিত্ব বেঁচে আছে শুধুমাত্র রীতি-রেওয়াজ পালন করেই। বাড়িতে আসকে পিঠে বানাবার সরঞ্জাম না থাকলেও তাঁরা সপরিবারে কোনও এক কর্পোরেট সংস্থা আয়োজিত পৌষ পার্বণ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে যায়। স্যোসাল প্লাটফর্মে লাইভ না হলেও সেলফী পোস্ট করে অন্তত এই গর্ব শেয়ার না করে ক্ষান্ত হন না। সেই বাঙালির আজ এক বিশেষ দিন জামাই ষষ্ঠী। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠ দিনটি হল জামাই ষষ্ঠী। বাংলায় দুটো বিশেষ দিন মাংসের (ছাগল) বাজেট পেশ হয়, এক ভাইফোঁটা আর এক জামাই ষষ্ঠী, সেই দাম-ই চলে আগামী দিন গুলিতে। জামাই ষষ্ঠী মানেই বাঙালিদের কাছে কার্যত মহা ভোজন উৎসব। বহু জামাই আছেন এমন দিনে সাবেকি বাঙালি সেজে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে হাতে মিষ্টির ঝোলা ও বিশাল মাছ হাতে শ্বশুরবাড়িতে হাজির হতে পছন্দ করেন। কিন্তু, কিছু নারীবাদী আবার রে রে করে এসে বলতে থাকেন জামাই হল গিয়ে মেয়ের বর। মেয়েকে ছেড়ে জামাই আদরের এত ঘটা কেন? সেটা কখনও কেউ কি ভেবেছেন? আসলে তাঁদেরকে সসন্মানে জানায়, তাহলে তো ভাইফোঁটার সাথে সাথে বোনফোঁটাও চালু করা উচিত? আসলে এই এক সমস্যা বাঙালিদের, ভাল কাজেও কাঠি না দিলে চলবে না, সেই জন্য শাশুড়িমায়েদের অনুরোধ চিংড়িমাছের মালাইকারির চিংড়ি থেকে কাঠি টা খুলে জামাইয়ের পাতে দিন। বেচারি একটা দিন শান্তিতে খাওয়া দাওয়া করুক।বাংলা বছরের নতুন ক্যালেন্ডার খুলেই নববিবাহিত বাঙালি যে দুটোদিন প্রথম খুঁজে দেখে তার একটি দুর্গাপুজা হলে অপরটি নিশ্চিত জামাইষষ্ঠী। আজ সেই বঙ্গজীবনের অঙ্গ এক বিশেষ দিন। বিবাহিতা কন্যা তথা জামাই বাবাজীবনদের জন্য বাঙালি সমাজে দারুণ এক পার্বণ। সে আনকোরা নতুন জামাই থেকে পুরনো জামাই বাবাজি সকলের জন্য বাংলা পঞ্জিকার এক বিশেষ দিন। বাংলার জামাইদের জন্য উৎসর্গীকৃত নির্দিষ্ট দিনটিতে জামাইয়ের মঙ্গল কামনায় শাশুড়িরা প্রতি বছর পালন করেন। এটি মূলত ষষ্ঠীদেবীর পার্বণ। দিনবদলের সাথে সাথে এই ধর্মীয় সংস্কার সামাজিকতায় স্থান পেয়েছে গেছে।আধুনিকতার দিক থেকে আমরা যতই সমকালীন হই না কেন, কিছু কিছু রীতিনীতি, প্রথা-পার্বণ আজও বাঙালি ঘরে থেকে গিয়েছে। তাই এই বিশ্বায়নের যুগে বাঙালি জীবন থেকে আচার-অনুষ্ঠান সবই যে এক-এক করে উঠে যাচ্ছে বলে হা হুতাশ করা ঠিক না। কখনও পুরনো লোকাচার হাজির হচ্ছে নব আঙ্গিকে, যেমন নতুন মোড়কে জামাই আদর। গ্রামবাংলা, মফস্বলের পাশাপাশি শহুরে পরিমণ্ডলেও জামাইষষ্ঠী পালনের রীতি-রেওয়াজ খুব একটা ফিকে হয়ে যায়নি আজও। জিভে জল আনা নানান পদ রেঁধে জমিয়ে জামাইকে খাওয়ানোর আহ্লাদ আগেও যেমন ছিল, সেটা এখনও তেমনই আছে। আদরের জামাইকে খাতির-আপ্যায়নের ধরনটা যদিও বদলে বদলে যাচ্ছে। যেমন বদলে যাচ্ছে আয়োজনের রকমও। করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতেও আয়োজনের ঘাটতি নেই। যারা কাছাকাছি আছেন তারা সপরিবারে হাজির হয়ে যাচ্ছেন শশুরবাড়ি। দূরপাল্লার ট্রেন ও যানবাহনের সমস্যায় অনেকেই এই মহা-অনুষ্ঠানে হাজির হতে পারেননি। সারা দিন ধরে ঘেমে নেয়ে বাটনা বেঁটে, সব্জী কেটে রান্নার জোগাড় করা থেকে শুরু করে জামাইয়ের জন্য ভুরিভোজ বানানোর ব্যাপার বদলে দিয়েছে কিছু বাঙালি রেস্তোরাঁর ষষ্ঠী স্পেশাল বা স্পেশাল থালি। জামাই প্রবাসী হলেও আজ আর দূরে নয়, জুম, স্কাইপ, হোয়াটসঅ্যাপ এর সৌজন্যে জামাইকে ভার্চুয়াল ফোঁটা দেওয়াও সেরে নেওয়া যাচ্ছে। এইরকমই পশ্চিম-বর্ধমানের দুর্গাপুরের এক পরিবার যাঁদের জামাই থাকেন সৈনিকপুরি, হায়দ্রাবাদে। ইচ্ছে থাকলেও তাঁদের পক্ষে এবারের জামাইষষ্ঠী অধরাই থেকে গিয়েছিলো। তাঁদের মনোকষ্ট বুঝতে পেরে সেটা নিরসন করতে এগিয়ে এলেন তাঁদের আমেরিকাবাসী বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত সন্তান সুরজিৎ বন্দোপাধ্যায়। বহুজাতিক সফটওয়্যার সংস্থায় কর্মরত হায়দ্রাবাদবাসী বাঙালি জামাই প্রীতম রায় সকালে নিয়মমাফিক অফিস যাওয়ার জন্য মধ্যাহ্ন ভোজনে বসার মুহুর্তে বাড়ির কলিং বেল বেজে ওঠে, ওনার সহধর্মিনী সুমানি রায় দরজা খুলে দেখেন হায়দ্রাবাদের এক সংস্থা আহার্ন্য জামাইষষ্ঠী-র মহা-আয়োজন নিয়ে হাজির তার দরজায়। তাঁরা জিঞ্জাসা করতেই জানতে পারেন তাঁর আমেরিকাবাসী দাদা সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ওই রেস্তঁরা-র সাথে যোগাযোগ করে এই জামাইষষ্ঠীর মহা আয়োজন করেছেন। কি ছিলো না -ওই মেনুতে? বাসমতী চালের ভাত, ফিশ কাটলেট, চিকেন কাটলেট, ফিশ ডেভিল, কাসুন্দি,সালাড, মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, সুক্তো, দই পটল, মিক্স ভেজিটেবল, দই বেগুন, সর্ষে দিয়ে মাছের ঝাল, মাছের কালিয়া, চিকেন কারি, চিংড়ির মালাইকারি, আলুর দম ও লুচি, লাচ্চা পড়োটা ও কষা মাংস, চাটনি,পাপড়, মোগলাই পড়োটা-আলুর তড়করি ও সালাড, নুডলস, চিকেন মনচুরিয়ান, চিলি মোমো, ডিমের কারি। দুর্গাপুরবাসি কমল বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাটা জানার পর জনতার কথাকে বলেন আমরা খুব খুসি আমার ছেলে সুরজিৎ আমেরিকা থেকে এই মহা আয়োজন করার জন্য। আক্ষেপ ছিল এবারে এই পরিস্থিতিতে মেয়ে জামাই না আসতে পারার জন্য। তার অনেকটাই আজ কেটে গেলো। সুমানি জনতার কথাকে বলেন আমরা এত দুরে থাকি, একটা দিনের অনুষ্ঠানের জন্য হটাৎ করে যাওয়া খুব চাপের,তারপর এই মহামারীর সময় বাবা মায়ের বয়স হয়েছে বাইরে থেকে গিয়ে ওঁদেরও বিপদে ফেলতে চাইনি। সকালে মা-বাবা ভিডিও কল করে ফোঁটা দেওয়ার সময়ও জানতো না দাদা এই রকম সারপ্রাইজ রেখেছিল আমাদের জন্য। আমি, প্রীতম ও মেয়ে জিনি, মাত্র তিন জন মানুষ কিন্তু খাওয়ার জন্য এটা আনেক বেশী, তাও আকস্মিক আনন্দ-র একটা আলাদা আমেজ আছে। এটাকে মূল্য দিয়ে হিসাব করা যায় না। আমরা এত দূরে থেকেও মুহূর্তের মধ্যে সব দুরত্ব ঘুচে গেল। আমার মেয়ে জিনি তো আনন্দে আত্মহারা হয়ে বলে কি মা সব ভালো করে রেখে দাও, সারা সপ্তাহ ধরে খাবো ।অনুষ্ঠান যেরকমই হোক, আপনার প্রিয় মানুষ সে যত দুরেই থাকুক না কেনও আধুনিক মিডিয়া, সামাজিক মাধ্যম ও বৈদ্যুতিকরণের জন্য সব কিছুই নাগালের মধ্যে। আপনি কি ভাবে পালন করতে চান সেটাই বড় কথা। সামাজিক মাধ্যমের কল্যাণে অনেক আগেভাগেই জানা যায়, কোন অনুষ্ঠানের জন্য কবে, কোথায় কী ব্যবস্থা থাকছে। পত্রিকা, সামাজিক মাধ্যমে সেই বিশেষ দিনের বিজ্ঞাপনী প্রচার, তামাশা, রঙ্গ, কেনাকাটার হরেক আয়োজন। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে জামাইদের নিয়ে নানা রঙ্গ-তামাশা চলতেই থাকে, এক জায়গায় লিখেছে জামাই কতপ্রকার? তার উত্তরে আরেকজন জানাচ্ছেনঃ ঘরজামাই, প্রবাসী জামাই, দায়িত্বশীল জামাই, উদাসীন জামাই, পেন্নামঠোকা জামাই, ইংলিশ-মিডিয়াম জামাই, ডাকসাইটে জামাই, প্রভাবশালী জামাই, সুবিধাবাদী জামাই, মিষ্টিমুখ জামাই, সুগার-ফ্রি জামাই, শৌখিন জামাই, আপনভোলা জামাই, টি-টোয়েন্টি ভক্ত জামাই, এমনই নানা প্রকার জামাইয়ের নিয়ে মজাদার মিম।জামাই নিয়ে মহান লোকসঙ্গীত শিল্পী স্বপ্না চক্রবর্তির সেই বিখ্যাত লোকগানঃ বলি ও ননদি, আর দুমুঠো চাল ফেলে দে হাঁড়িতেঠাকুরজামাই এল বাড়িতে!জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ১৬, ২০২১
বিদেশ

Mud Racing: টেক্সাসে কাদা রেসিং ইভেন্টে দুর্ঘটনায় মৃত ১, গুরুতর আহত ৮

রবিবার রাতে টেক্সাসের একটি কাদা রেসিং (Mud Racing) ইভেন্টে একটি গাড়ি ভিড়ের মধ্যে ঢুকে যাওয়ায় আটজন আহত হয়। এল পাসো কাউন্টি শেরিফ দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিকাল ৬টা ৩৫ মিনিট নাগাদ প্রতিযোগিতা চলাকালীন একটি গাড়ি মাটির ট্র্যাক ছেড়ে গার্ড রেল ভেঙ্গে দর্শকদের মধ্যে ঢুকে গিয়ে আঘাত করে। তিনজন দর্শককে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে এবং পাঁচজনকে স্থানীয় স্বাস্থকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন মারা যান। আহতদের কাউকেই পুলিশ সনাক্ত করতে পারেনি।এল পাসো অঞ্চলের নিরাপত্তা সংস্থা রক সলিড প্রোটেকশন-র কর্নধার স্কট স্মিথ এক সাংবাদিক সন্মেলনে বলেছেন, আজ রেসের সময় যা ঘটল তা আমরা একেবারেই প্রত্যাশা করিনি। সাধারণত কাদামাটিযুক্ত রাস্তাতেই গাড়িগুলির চলে। প্রত্যক্ষদর্শী এক দর্শক কার্ল হুয়ের্তা এই ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। হুয়ের্তা জানান, রেসটা ঠিকঠাক ভাবেই শুরু হয়েছিল এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা গাড়ি এবং দর্শকের মধ্যে গিয়ে পড়ে। তিনি আরও বলেন যে, পর্যাপ্ত সংখ্যায় অ্যাম্বুলেন্স থাকার জন্য খুব তাড়াতাড়ি আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করা গিয়েছে। ঘটনার আকস্মিকতায় বোঝা যায়নি যে ঘাতক গাড়িটি আরও তিনটি গাড়ীকে ধাক্কা মেরে দর্শকদের আঘাত করবে। কাদাযুক্ত রেসের ট্র্যাকটি এল পাসো থেকে প্রায় 40 মাইল দক্ষিণ-পূর্বে এবং মেক্সিকান সীমান্ত থেকে এক মাইলেরও কম টেক্সাসের ফ্যাবেন্সে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে, আসল ঘটনা সামনে এলে জানানো হবে।

জুন ১৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

জমি দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! লাঠি হাতে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে পৌঁছলেন বৃদ্ধ দম্পতি

পৈতৃক জমিতে বহুতল তৈরির আশায় জমি তুলে দিয়েছিলেন এক বৃদ্ধ। প্রতিশ্রুতি ছিল, ফ্ল্যাট তৈরি হলে তিনিও একটি ফ্ল্যাট পাবেন। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সেই ফ্ল্যাট আজও মেলেনি। উল্টে ফ্ল্যাট চাইতে গিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি ফ্ল্যাট পেতে আরও ১৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি তাঁর।অসহায় অবস্থায় শেষমেশ সোমবার জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হলেন অশীতিপর প্রবীর মুখোপাধ্যায়। হাতে লাঠি, পাশে স্ত্রীকে নিয়ে সকালেই সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছে যান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস পেয়েছেন বলে জানান প্রবীরবাবু।জানা গিয়েছে, জয়দেব কামদারের ছত্রছায়ায় থাকা সোনা পাপ্পুদের হাতে পৈতৃক জমি তুলে দিয়েছিলেন প্রবীরবাবু। সেখানে বহুতল তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে জয়দেব কামদার এবং সোনা পাপ্পুরা জেলবন্দি। ফলে ফ্ল্যাট পাওয়ার সম্ভাবনাও এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাথার উপর ছাদ হারিয়ে আপাতত স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে দিন কাটছে বৃদ্ধ দম্পতির।প্রবীরবাবুর আশা, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে হয়তো আবার নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁই ফিরে পাবেন।এদিন জনতার দরবারে চাকরিহারারাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। চাকরিহারা সুমন বিশ্বাস জানান, আগের সরকারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার সুযোগ ছিল না। কিন্তু এখন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজেদের কথা বলা যাচ্ছে। তিনি বলেন, চাকরিহারাদের দাবি সংক্রান্ত চিঠিও মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।জানা গিয়েছে, প্রতি সোমবারই জনতার দরবারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে তার আগে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

নেপাল থেকে চাকরির টোপ, শেষে সোনাগাছিতে বিক্রি! কলকাতায় ভয়ঙ্কর নারী পাচার চক্র ফাঁস

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

‘ডিটেক, ডিলিট, ডিপোর্ট’ শুরু হতেই তৎপর প্রশাসন! মুর্শিদাবাদের হোল্ডিং সেন্টারে ৩ অনুপ্রবেশকারী

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

‘আনুগত্যের পুরস্কার’ থেকে ইস্তফা— তৃণমূলে বিস্ফোরণ, মমতাকে বার্তা: ভুঁইফোঁড়দের নয়, ফিরুন পুরনো সৈনিকদের কাছে

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিলেন বারাসতের সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। দলের বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি কার্যত শাসকদলের বর্তমান সাংগঠনিক রণকৌশল নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন। শুধু পদত্যাগ করেই থেমে থাকেননি কাকলি, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-র উদ্দেশে সরাসরি আবেদন জানিয়েছেন নতুন ভুঁইফোঁড় সংস্থা বা বাহ্যিক পরামর্শদাতাদের উপর নির্ভর না করে, দলের পুরনো নিষ্ঠাবান কর্মীদের উপরেই আস্থা রাখা হোক।এই পদক্ষেপ ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, কয়েক দিন আগেই দলের সংসদীয় মুখ্যসচেতকের পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কাকলিকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ( Kalyan Banerjee)-কে। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনায় কালীঘাটে হওয়া বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল।পদচ্যুত হওয়ার ঠিক পরের দিন সমাজমাধ্যমে কাকলির একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছিল ব্যাপক আলোচনা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ১৯৭৬ থেকে পরিচয়, ১৯৮৪-তে পথচলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছিল তাঁর ক্ষোভ ও অভিমান।তার পর নয় দিন কাটতে না কাটতেই রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী (Subrata Bakshi)-র কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ালেন তিনি।চিঠিতে কাকলি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন,নেত্রী যদি আগের মতো পুরনো, পরীক্ষিত ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের নিয়ে দল চালান, তবে দলের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে। ভুঁইফোঁড় সংস্থার উপর ভরসা করে কঠিন রাজনৈতিক লড়াই জেতা সম্ভব নয়।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে পরোক্ষে নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে যুক্ত পেশাদার সংস্থাগুলির ভূমিকাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। বিশেষ করে নির্বাচনকেন্দ্রিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই প্যাক (Indian Political Action Committee)-এর ভূমিকা নিয়ে ভোট-পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের একাংশের অসন্তোষের ইঙ্গিত আগেও সামনে এসেছিল। কাকলির বক্তব্য সেই ক্ষোভকেই আরও প্রকাশ্যে নিয়ে এল বলে মনে করা হচ্ছে।ইস্তফাপত্রে তিনি রাজ্যের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে আশঙ্কা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করতে হলে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি এবং মূল্যবোধকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।নিজের সাংগঠনিক ব্যর্থতার দায়ও এড়িয়ে যাননি কাকলি। বিধানসভা ভোটে তাঁর সাংগঠনিক এলাকায় দল প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি বলে স্বীকার করে নিয়েছেন। সেই নৈতিক দায় নিজের কাঁধে নিয়েই জেলা সভাপতির পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, কাকলির এই পদত্যাগ শুধুই ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরে জমতে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচনী ধাক্কার পর দল যখন আত্মসমালোচনার পর্যায়ে, তখন এক প্রবীণ সাংসদের এমন প্রকাশ্য বার্তা নিঃসন্দেহে দলীয় নেতৃত্বের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ সতর্কবার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ফলতায় ঐতিহাসিক 'ফল', মোদীর বার্তা— ‘গণতন্ত্র জিতেছে, ভয়-হুমকি পরাজিত’

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে আর এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন। বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার রেকর্ড ব্যবধানের জয়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন আলোড়ন। এক লক্ষেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে এই জয় শুধু একটি আসন দখলের সাফল্য নয়, বরং তা রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের উপর মানুষের সিলমোহর বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।ফলাফল ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছাবার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, ফলতার মানুষ তাঁদের রায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে, ভয়ভীতি ও হুমকির রাজনীতি পরাজিত হয়েছে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পান্ডাকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই বিপুল জয় পশ্চিমবঙ্গবাসীর বিজেপির প্রতি ক্রমবর্ধমান আস্থারই প্রতিফলন।এ বারের নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ ছিল স্পষ্ট। রাজ্যে সদ্য গঠিত বিজেপি সরকারের আবহে ফলতায় গেরুয়া শিবিরের জয় অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল। তবে এত বিশাল ব্যবধান ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেককেই বিস্মিত করেছে। বিশেষ তাৎপর্যের বিষয়, তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ভোটের আগেই কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান থেকে সরে দাঁড়ান। শেষ পর্যন্ত তৃণমূল নেমে যায় চতুর্থ স্থানে, আর দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে সিপিএম।রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের মাত্র দুসপ্তাহের মাথায় এই নির্বাচন হয়েছিল। গত ৯ মে, রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ নিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই একাধিক জনমুখী প্রকল্প ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প চালু, সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে যাত্রা, এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তরের মতো সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বার্তায় এই পদক্ষেপগুলির উল্লেখ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে দ্রুত উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছে, তা সাধারণ মানুষের নজর এড়ায়নি। তাঁর কথায়, মানুষ উন্নয়নের পক্ষে রায় দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গবাসী আমাদের উপর আরও একবার আস্থা রেখেছেন। আমরা আগামী দিনেও তাঁদের উন্নয়নের জন্য নিরন্তর কাজ করে যাব।ফলতার এই ফলাফল বিধানসভার অঙ্কে খুব বড় পরিবর্তন না আনলেও রাজনৈতিক তাৎপর্য যথেষ্ট। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ২০৭ থেকে বেড়ে ২০৮ হয়েছে। তবে তার থেকেও বড় বার্তা হল সদ্য গঠিত বিজেপি সরকারের প্রতি জনসমর্থনের প্রাথমিক পরীক্ষায় গেরুয়া শিবির উতরে গেল স্বচ্ছন্দে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই জয় স্পষ্ট করে দিল পশ্চিমবঙ্গকে ঘিরে বিজেপির জাতীয় নেতৃত্ব কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্প্রতি ইউরোপ সফরে নেদারল্যান্ডসে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী যে আবেগঘন বার্তা দিয়েছিলেন, তারই যেন বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেল ফলতার ভোটবাক্সে।ফলতার রায় এখন শুধু একটি উপনির্বাচনের ফল নয়; তা পশ্চিমবঙ্গের আগামী রাজনৈতিক সমীকরণের দিকনির্দেশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বিজেপির দাবি, এ জয় পরিবর্তনের পথে রাজ্যের আরও এক ধাপ অগ্রগতি।

মে ২৪, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ছাড়াই মাঠের তালা খোলা! বর্ধমানে বিজেপি বিধায়ককে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ বহুদিন বন্ধ থাকা মোহনবাগান মাঠের তালা খোলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের তির উঠেছে বর্ধমান দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বা আনুষ্ঠানিক আলোচনা ছাড়াই তিনি সাধারণের ব্যবহারের জন্য মাঠ খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী রাজনৈতিক মহল যেমন প্রশ্ন তুলেছে, তেমনই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তরফেও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা ঐতিহ্যবাহী মোহনবাগান মাঠটি সাধারণের জন্য বন্ধ ছিল। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পরিদর্শনে এসে মাঠটি তালাবন্ধ অবস্থায় দেখতে পান বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। এরপর তিনি তাঁর সঙ্গে থাকা কর্মীদের তালা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঠ খুলে দেওয়া হয় এবং স্থানীয়দের প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিরোধীরা। স্থানীয় কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, বিধায়ক এখনও বুঝে উঠতে পারেননি কোন বিষয় তাঁর প্রশাসনিক এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে আর কোনটা পড়ে না। তিনি ব্যঙ্গের সুরে বলেন, নতুন বই হাতে পাওয়া বাচ্চারা যেমন আগ্রহ নিয়ে পাতা উল্টে দেখে, ঠিক তেমনই নতুন বিধায়ক গলায় মালা পরে সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে প্রতিদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন।যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে সওয়াল করেছেন বিজেপি বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। তাঁর বক্তব্য, এত বড় একটি মাঠ বছরের পর বছর বন্ধ পড়ে থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, এই মাঠ এলাকার মানুষের সম্পদ। শিশু থেকে প্রবীণ সকলে এখানে এসে খেলাধুলা করতে পারবেন, হাঁটাচলা করতে পারবেন। মানুষের স্বার্থেই মাঠ খুলে দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শঙ্কর কুমার নাথ স্পষ্ট জানিয়েছেন, মাঠ খোলার বিষয়ে তাঁকে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে না জানিয়েই মাঠ খুলে দেওয়া হয়েছে, যা সমস্যার সৃষ্টি করেছে। এই মাঠে সকাল-বিকেল স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ চলে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীরাও এখানে নিয়মিত অনুশীলন করেন। ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষক এক অধ্যাপক বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁকে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক অধিকার ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ক্ষমতার সীমা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এখন দেখার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ করে কি না এবং বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়।

মে ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal