• ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tata

কলকাতা

সিঙ্গুরে ফের টাটা! শমীকের ঘোষণায় শুরু জোর চর্চা, বদলে যাবে কি বাংলার ভাগ্য?

সিঙ্গুরে ফের টাটা গোষ্ঠীকে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিল বিজেপি। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, বাংলার উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের জন্য শিল্পায়নের বিকল্প নেই। তাই একসময় সিঙ্গুর ছেড়ে চলে যাওয়া টাটা গোষ্ঠীকে আবার পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে শমীক ভট্টাচার্য স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর সিঙ্গুর ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল টাটা গোষ্ঠী। সেই সময়ের ঘটনাকে বাংলার শিল্পোন্নয়নের জন্য বড় ধাক্কা বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান চলে গেলে শুধু একটি সংস্থা নয়, তার সঙ্গে হারিয়ে যায় বহু কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং থমকে যায় উন্নয়নের গতি।বিজেপির মতে, পশ্চিমবঙ্গকে আবার শিল্পের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন শমীক।অর্থনীতিবিদদের একাংশও এই উদ্যোগকে ইতিবাচক বলে মনে করছেন। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ সুপর্ণ মৈত্রের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে শিল্পবিমুখ রাজ্যের ধারণা তৈরি হয়েছিল। যদি বড় কোনও শিল্পগোষ্ঠী আবার এখানে বিনিয়োগ করে, তাহলে তা শুধু কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেই নয়, রাজ্যের ভাবমূর্তির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে।অন্যদিকে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন, সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী এবং শিল্পপতিদের কাছ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, শুধু দেশের বিভিন্ন প্রান্ত নয়, বিদেশ থেকেও ব্যবসায়িক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। অনেকেই পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে বিনিয়োগ এবং ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে আগে যাঁরা পিছিয়ে ছিলেন, তাঁরাও এখন নতুন পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন।দিলীপ ঘোষের দাবি, আগামী এক বছরের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে শিল্প বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। ফলে সিঙ্গুরে টাটা গোষ্ঠীর সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ৩০, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি রাজ্যের! টাটাদের ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি পেল রাজ্য। টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের বেঞ্চ আগামী আট সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ জারি করেছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে।সিঙ্গুরে কারখানা তৈরি না করতে পারার কারণে টাটা মোটরসকে এই বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সালিশি আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই তৎকালীন তৃণমূল সরকার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল।জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তিন সদস্যের সালিশি ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেয়, পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শুধু তাই নয়, ২০১১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা মেটানো পর্যন্ত বছরে ১১ শতাংশ হারে সুদ এবং মামলার খরচ বাবদ আরও ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সিঙ্গুরে টাটাদের জন্য অধিগৃহীত ৯৯৭ একর জমিকে অবৈধ ঘোষণা করে। আদালতের নির্দেশে কৃষকদের জমি ফেরানোর কাজ শুরু করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। যদিও বহু কৃষকের অভিযোগ ছিল, জমি ফেরত পেলেও তা চাষের উপযুক্ত অবস্থায় ছিল না।২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু জমি আন্দোলন এবং রাজনৈতিক সংঘাতের জেরে ২০০৮ সালে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল সরকার সিঙ্গুর জমি পুনর্বাসন ও উন্নয়ন আইন পাশ করে জমি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।সিঙ্গুর মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের এই নতুন সিদ্ধান্ত ঘিরে ফের রাজনৈতিক এবং শিল্প মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

রাহুলের জবাবে এক জোড়া তরুণ তুর্কীর ব্যাটিং আস্ফালন দেখল দিল্লি

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম দেখল এক অসাধারণ ক্রিকেট ম্যাচের সাক্ষী থাকলো। দিনটা শুরু হোল রাহুলের ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী দিয়ে। শেষ করল গিল-সুদর্শনের এক ক্লাসিক যুগলবন্দী দিয়ে। এ বারের আইপিএলে এক অন্য রাহুল কে দেখা যাচ্ছে। অনেক বেশী দায়ীত্ব নিয়ে খেলার চেষ্টা করেছেন। বদলে ফেলেছেন তাঁর ব্যাটিংয়ের ধরন। কাজে এল না রাহুলের অসাধারণ শতরান। কিন্তু মাঠে দাঁড়িয়ে ফিল্ডিং করতে করতে রাহুলের সেই ক্লাসিক ব্যাটিং থেকে শিক্ষা নিয়ে মাত করল গুজরাত টাইটান্স। ভারতের ভবিষ্যতের অধিনায়ক শুভমন গিল ও সাই সুদর্শনের ওপেনিং জুটি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল কী ভাবে রান তাড়া করতে হয়। তাঁদের ঘরের মাঠে গুজরাটকে হারিয়ে এবারের আইপিএলের প্রথম দল হিসাবে প্লে-অফে উঠল গুজরাত।দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আইপিএল ২০২৫-এর ৬০তম ম্যাচে গুজরাট টাইটানস (GT) দিল্লি ক্যাপিটালসকে (DC) ১০ উইকেটে পরাজিত করে প্লে-অফে জায়গা নিশ্চিত করেছে। দিল্লি ক্যাপিটালস প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৯ রান সংগ্রহ করে। উল্লেখযোগ্য, অধিনায়ক কেএল রাহুল ৬৩ বলে অপরাজিত ১১২ রান করেন।গুজরাট টাইটানস জবাবে, ওপেনার সাই সুদর্শন ৬১ বলে অপরাজিত ১০৮ রান এবং শুভমান গিল ৫৩ বলে অপরাজিত ৯৩ রান করেন। তারা ১৯ ওভারে ২০৫ রান করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয়। গুজরাট টাইটানসের এই ১০ উইকেটের জয় আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে উইকেট না হারিয়ে জয়ের রেকর্ড। মিচেল স্টার্কের অনুপস্থিতিতে দিল্লির বোলিং আক্রমণ দুর্বল হয়ে পড়ে, যা গুজরাটের ব্যাটসম্যানদের সহজে রান করতে সাহায্য করে।এই জয়ের মাধ্যমে গুজরাট টাইটানস প্লে-অফে জায়গা নিশ্চিত করে, যেখানে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং পাঞ্জাব কিংসও ইতিমধ্যে যোগ্যতা অর্জন করেছে। এই পরাজয়ের ফলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে-অফে যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীন। অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল দলের ফিল্ডিং এবং বোলিং পারফরম্যান্স নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মে ১৯, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

প্রয়োজনীয় সময়ে জলে উঠলেন রাহুল, দিল্লি ক্যাপিটালসের সম্মান যোগ্য রান

সাময়ীক ক্ষরা কাটিয়ে রানে ফিরলেন এই মুহুর্তে ভারতীয় দলের মিস্টার ডিপেন্ডেবেল লোকেশ রাহুল। আইপিএলের শেষ কয়েকটি ম্যাচে বড় রান করতে না পারায় কিছুটা হলেও সমস্যায় পড়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ডু অর ডাই ম্যাচে রাহুলের ব্যাটের ওপর ভর করেই সম্মানযোগ্য রান দিল্লির। ৬০ বলে শতরান করলেন তিনি। চলতি মরসুমে এটিই রাহুলের প্রথম শতরান।রবিবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালস ও গুজরাট টাইটানসের মধ্যকার ম্যাচে কেএল রাহুল অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন। তিনি ৬৫ বলে অপরাজিত ১১২ রান করেন, যার মধ্যে ছিল ১৪ টি চার ও ৪টি ছয়। আজকের শতরান ধরে রাহুল আইপিএলে তার পঞ্চম শতক পূর্ণ করেন এবং তিনটি ভিন্ন দলের হয়ে শতরান করার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেনপাঞ্জাব কিংস, লখনউ সুপার জায়ান্টস এবং দিল্লি ক্যাপিটালস ।এছাড়াও, তিনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৮,০০০ রান পূর্ণ করে সবচেয়ে দ্রুততম ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে বিরাট কোহলির রেকর্ড ভেঙেছেন। কোহলি এই মাইলফলক অর্জন করেছিলেন ২৪৩ ইনিংসে, সেখানে রাহুল তা করেছেন মাত্র ২২৪ ইনিংসে । এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে রাহুল আইপিএলে শতকের সংখ্যায় চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছেন, সেই তালিকায় তার উপরে রয়েছেন বিরাট কোহলি (৮), জস বাটলার (৭) এবং ক্রিস গেইল (৬)।কে এক রাহুলের আজকের এই ইনিংসটি দিল্লি ক্যাপিটালসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এটি একটি মাস্ট-উইন ম্যাচ ছিল এবং রাহুলের এই পারফরম্যান্স দলকে ১৯৯/৩ রানে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে । আবারও কেএল রাহুল প্রমাণ করেছেন যে তিনি আইপিএলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান।

মে ১৮, ২০২৫
দেশ

টাটাদের সাতটি অত্যাধুনিক ক্যানসার হাসপাতাল অসমে, অনুপমের খোঁচা

অসমে সাতটি অত্যাধুনিক ক্যানসার হাসপাতাল তৈরি করছে টাটা। এই প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টাটাদের অসমের প্রকল্প বাংলাতেও হতে পারত বলে মনে করছে প্রাক্তন সাংসদ ও বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক ড. অনুপম হাজরা। সিঙ্গুর থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর থেকে টাটারা পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে বলে অনুপম মনে করেন।সিঙ্গুর কাণ্ডের পর এরাজ্য থেকে পুরোপুরি দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করে টাটা গোষ্ঠী। নতুন কোনও প্রকল্পের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ দেখা যায়নি। শুধু টাটা নয়, অন্য শিল্পগোষ্ঠীও বাংলায় আসতে অস্বস্তি প্রকাশ করেছে। তবে রাজ্য সরকার শিল্প সম্মেলন করে আদানিসহ বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীকে এরাজ্যে হাজির করেছে। শিল্প পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সিঙ্গুরের শিল্পে ব্যাঘাত নিয়ে এখনও খোঁচা মারতে ছাড়েন না বিরোধীরা। সম্প্রতি এসএসকেএম হাসপাতালে টাটাদের সঙ্গে রাজ্যের ক্যানসার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রকল্পের কথা জানিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শ্রী রতন টাটার উদ্যোগে আসামে আজ সাতটি অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন মাননীয় শ্রী @narendramodi; বাংলাতেও হতে পারতো যদি না বাংলার মানুষ 500 টাকা ভাতার টোপে পা দিয়ে পুনরায় তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনতো বা যদি না মাননীয়া আন্দোলন করে রতন টাটা কে বাংলা থেকে বিতাড়িত করতেন pic.twitter.com/RDxyvjqKdg Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 28, 2022অনুপম হাজরা টুইটে লিখেছেন, শ্রী রতন টাটার উদ্যোগে আসামে আজ সাতটি অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন মাননীয় শ্রী @narendramodi; বাংলাতেও হতে পারতো যদি না বাংলার মানুষ 500 টাকা ভাতার টোপে পা দিয়ে পুনরায় তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনতো বা যদি না মাননীয়া আন্দোলন করে রতন টাটা কে বাংলা থেকে বিতাড়িত করতেন{

এপ্রিল ২৯, ২০২২
ব্যবসা

৭০ বছর পর টাটা'র ঘরে প্রত্যাবর্তন 'মহারাজা'র

শেষ হল এয়ার ইন্ডিয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া। টাটা সন্সের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হল মহারাজা-কে। একসময় টাটা-র হাত ধরেই এয়ার ইন্ডিয়ার পথ চলা শুরু। মাঝে অনেক পথ পেরিয়ে আবারও টাটার ঘরেই ফিরল সেই সংস্থা। টাটার হাতে হস্তান্তর করা হল সংস্থার ১০০ শতাংশ শেয়ার ও দেওয়া হল ম্যানজমেন্টের নিয়ন্ত্রণ।এই হস্তান্তরের পর টাটা সন্সকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি জানান, সরকারি সংস্থা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এ দিন বড় সাফল্য পেল ভারত। ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়ায় ফের সাফল্য আসবে বলে মনে করেন তিনি।কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পুরো শেয়ার তুলে দেওয়া হয়েছে টাটার হাতে। সংস্থার ১২ হাজার কর্মীকে বহাল রাখবে টাটা।Shri N Chandrasekaran, the Chairman of Tata Sons called on PM @narendramodi. @TataCompanies pic.twitter.com/7yP8is5ehw PMO India (@PMOIndia) January 27, 2022প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার। এই সংস্থার জন্য প্রত্যেকদিন সরকারের ক্ষতি হচ্ছিল ২০ কোটি টাকা করে। এর আগেও একবার এয়ার ইন্ডিয়ার বেসরকারিকরণের চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু বিপুল ঋণের বোঝা থাকার কারণে কোনও সংস্থা উৎসাহ দেখাচ্ছিল না। ফলে, তখন সফল হয়নি কেন্দ্র। বছরের পর বছর লাভের মুখ দেখেনি এয়ার ইন্ডিয়া। কার্যত ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে পড়েছিল। এ ভাবে সংস্থা আর চালানো সম্ভব হচ্ছিল না সরকারের পক্ষে।#FlyAI : Air India Limited, Air India Express AISATS (AI stake) have become part of the Tata Group today.Senior Officials of @TataCompanies , @SecyDIPAM and @MoCA_GoI met at Airlines House New Delhi. pic.twitter.com/HA4aEkVwWX Air India (@airindiain) January 27, 2022গত বছর অক্টোবরে এয়ার ইন্ডিয়াকে ১৮ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে টাটা গোষ্ঠীর অনুসারি সংস্থা টালাস প্রাইভেট লিমিটেডকে বিক্রি করে কেন্দ্রীয় সরকার। এর পর থেকেই শুরু হয়ে যায় বিক্রির সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য প্রক্রিয়া। চুক্তি অনুযায়ী, এয়ার ইন্ডিয়ার পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এবং এয়ার ইন্ডিয়া স্যাটস (গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং বা উড়ান বাদে অন্যান্য বিষয় সামলানো হয় যে সংস্থাকে দিয়ে)-এর ৫০ শতাংশ শেয়ারও টাটা গোষ্ঠীর অনুসারি সংস্থার কাছে হস্তান্তর হয়। বৃহস্পতিবার শেষ হল ১০০ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া এবং সেই সঙ্গে পরিচালন ক্ষমতা সম্পূর্ণ ভাবে তুলে দেওয়া হল টাটা গোষ্ঠীর হাতে। ফলে এয়ার ইন্ডিয়া নিয়ে টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারের লেনদেন আনুষ্ঠানিক ভাবে সমাপ্ত হল।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL : ‌চীনা নয়, আইপিএলের স্পনসর এবার ভারতীয় গোষ্ঠী

ভারতচীন রাজনৈতিক টানাপোড়েনে একসময় ভারতীয় ক্রিকেট থেকে ব্রাত্য হয়েছিল ভিভো। পরে আবার ফিরে আসে আইপিএলের টাইটেল স্পনসর হিসেবে। এবার থেকে আর আইপিএলে দেখা যাবে না ভিভোকে। তার জায়গায় আইপিএলের নতুন টাইটেল স্পনসর টাটা। টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে চুক্তির কথা জানিয়েছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান ব্রিজেশ প্যাটেল।আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের নির্দেশে শুভেন্দুকে ছাড়াই গঙ্গাসাগরের নতুন কমিটি২০১৫ সালে আইপিএলের স্পনসর হিসেবে যুক্ত হয়েছিল ভিভো। প্রাথমিকভাবে ২ বছরের চুক্তি ছিল। পরে চুক্তি বাড়ানো হয়। ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চুক্তি ছিল। স্পনসরশিপের জন্য ভিভো ভারতীয় বোর্ডকে দেয় ২২০০ কোটি টাকা। ২০২০ সালে ভারতচীন সীমান্তে গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিবাদের জন্য গোটা ভারত উত্তাল হয়ে ওঠে। চীনের পন্য বর্জনের জন্য চারিদিকে রব ওঠে। সেই সময় রাজনৈতিক চাপে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ভিভোর সঙ্গে সাময়িকভাবে চুক্তি ছিন্ন করে। সেই সময় ভিভোর পরিবর্তে ড্রিম ইলেভেন আইপিএলের মূল স্পনসর হিসেবে দায়িত্ব নেয়। ২০২১ সালে আবার আইপিএলে ফিরে আসে চীনা মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা। ২০২২ আইপিএল পর্যন্ত তাদের সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তি ছিল। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সরে দাঁড়াল ভিভো।আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত লতা মঙ্গেশকর, ভর্তি আইসিইউ-তেভিভো সরে গেলেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে না। ভিভোর কাছ থেকে ২০২২ আইপিএলের জন্য বোর্ডের পাওনা ৪৪০ কোটি টাকা। নতুন স্পনসর টাটার কাছ থেকে এই অর্থ পাওয়া যাবে। আপাতত টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি হচ্ছে। অর্থাৎ ২০২২ ও ২০২৩ দুটি মরশুমে আইপিএলের টাইটেল স্পনসর হিসেবে থাকবে। ২০২৪ মরশুম থেকে পরবর্তী বছরের জন্য নতুন স্পনসরের জন্য আবার নতুন করে টেন্ডার ডাকবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, চীনের জিনিসের প্রতি মানুষের মনে খারাপ ধারণা তৈরি হয়েছে। ভিভোর উপস্থিতিও লিগের পক্ষে ভাল ছিল না। ওদের সরে যাওয়া ছাড়া রাস্তা ছিল না।

জানুয়ারি ১১, ২০২২

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মধ্যমগ্রামে কল সেন্টারে তল্লাশি, বিপুল সিম-মোবাইল উদ্ধার, গ্রেফতার ২৫

মধ্যমগ্রামের দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় একটি কল সেন্টারে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার হলেন ২৫ জন। ধৃতদের মধ্যে ৭ জন যুবক এবং ১৮ জন যুবতী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোমবার দুপুরে মধ্যমগ্রাম থানা ও সাইবার থানার যৌথ বাহিনী ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে ওই কল সেন্টার সম্পর্কে কিছু তথ্য পাওয়ার পরই অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইমতো সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় অ্যাসিওর মোটিভেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানে হানা দেন পুলিশকর্মীরা। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালানো হয়।অভিযানের সময় অফিস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৯টি মোবাইল ফোন। পাশাপাশি পাওয়া গিয়েছে শতাধিক সিম কার্ড, একাধিক নথি এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলি ঘিরে পুলিশের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপরই ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ২৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ৭ জন যুবক ও ১৮ জন যুবতী রয়েছেন। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারাসাত থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।তবে এই কল সেন্টারে ঠিক কী ধরনের কাজ চলত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক সিম কার্ড এবং মোবাইল ফোন কী কাজে ব্যবহার করা হতো, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কোনও সাইবার অপরাধের যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কল সেন্টারের কাজকর্ম এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ব্যবহার সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
দেশ

সাঁঝ আকাশে একফালি চাঁদের গায়ে উজ্জ্বল আলোক বিন্দু! সন্ধ্যার আকাশে এ কী রহস্য!

অমাবস্যার তিন দিনের মাথায় একফালি চাঁদ। তার পাশেই উজ্জ্বল আলোকবিন্দু। সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতা থেকে কোচবিহারআকাশ পরিষ্কার থাকলে উত্তর গোলার্ধের বহু জায়গা থেকেই দেখা গেল মনোরম এই মহাজাগতিক দৃশ্য। চাঁদের পাশে জ্বলজ্বল করা সেই আলোর বিন্দু আসলে শুক্র গ্রহ।সোমবার সন্ধ্যার আকাশে নজর কেড়েছে একফালি বাঁকা চাঁদ। তার ঠিক পাশে উজ্জ্বল আলোর বিন্দু। প্রথম দেখায় অনেকেরই মনে হয়েছে, চাঁদের গায়ে যেন কোনও তারা জ্বলছে। সমাজমাধ্যমেও সেই দৃশ্যের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ওই আলোকবিন্দু কোনও তারা নয়, শুক্র গ্রহ।অমাবস্যার পর সোমবার চাঁদের বয়স ছিল মাত্র তিন দিন। চাঁদের মাত্র প্রায় ১৪ শতাংশ অংশ আলোকিত ছিল। সেই সরু চাঁদের কাছেই দেখা যায় শুক্রকে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকলে এই দৃশ্য নজরে এসেছে।শুধু বাংলায় নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই সোমবার সূর্যাস্তের পর চাঁদ ও শুক্রের এই কাছাকাছি অবস্থান দেখা যাওয়ার কথা ছিল। উত্তর গোলার্ধে সূর্য ডোবার পর দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশে এই দৃশ্য সবচেয়ে সহজে নজরে পড়ে। দক্ষিণ গোলার্ধ থেকেও চাঁদের পাশে শুক্রকে দেখা যায়।কেন চাঁদের এত কাছে শুক্র?ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজ়িক্সের অধিকর্তা অধ্যাপক সন্দীপ চক্রবর্তীর ব্যাখ্যা, এটি কোনও বিরল মহাজাগতিক ঘটনা নয়। পৃথিবী, সূর্য এবং অধিকাংশ গ্রহ কার্যত একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে। কিন্তু চাঁদের কক্ষপথ সেই সমতলের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার সময় চাঁদ সাধারণত ওই সমতলের প্রায় ৫ ডিগ্রি উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থান করে।কখনও কখনও চাঁদ সেই সমতলের কাছাকাছি চলে আসে। তখন পৃথিবী থেকে দেখলে অন্য কোনও গ্রহের কাছাকাছি তাকে দেখা যেতে পারে। সোমবার এমনই এক অবস্থানে ছিল চাঁদ ও শুক্র।চাঁদের কক্ষপথ এবং পৃথিবীর কক্ষপথ একই সমতলে হলে অবশ্য এমন দৃশ্য আরও ঘন ঘন দেখা যেত। আবার চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে, তখনই তৈরি হয় সূর্যগ্রহণের পরিস্থিতি।তাই সোমবারের আকাশের এই দৃশ্য বিরল না হলেও, একফালি চাঁদের পাশে উজ্জ্বল শুক্রের অবস্থান যে দৃষ্টিনন্দন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ফের পুলিশ হেফাজতে বন্দির রহস্যমৃত্যুর অভিযোগ, চূড়ান্ত চাঞ্চল্যে হুলস্থূল কান্ড

ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরে। চন্দ্রকোনা থানায় চুরির মামলায় গ্রেফতার হওয়া ২০ বছরের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের দাবি, থানার শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন ওই যুবক। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও মৃতের পরিবারের অভিযোগ, থানার ভিতরেই তাঁকে খুন করা হয়েছে।মৃত যুবকের নাম রাহুল রুইদাস। তিনি চন্দ্রকোনা থানার অন্তর্গত বগেশ্বরপুরের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চার দিন আগে চুরির অভিযোগে রাহুলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ঘাটাল মহকুমা আদালত তাঁকে চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।পুলিশের দাবি, রবিবার থানার শৌচাগার থেকে কিছু শব্দ শুনতে পান কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। সেখানে গিয়ে রাহুলকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল মাদকাসক্ত ছিলেন। পরিবারের সদস্যরাও তাঁর মাদকাসক্তির কথা স্বীকার করেছেন। তবে একইসঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, থানার ভিতরেই রাহুলকে খুন করা হয়েছে। যদিও পরিবারের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।এক মাসের ব্যবধানে ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগচন্দ্রকোনার এই ঘটনার আগে গত মাসে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর থানাতেও পুলিশ হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মৃত ব্যক্তি ছিলেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওটের স্বামী বিরজু কেওট।তোলাবাজি-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বিরজুকে গ্রেফতার করেছিল হালিশহর থানার পুলিশ। পরে আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। মৃতের স্ত্রী জেনি শর্মার অভিযোগ ছিল, তিনি থানার বাইরে চলে যাওয়ার পর লকআপের ভিতরে তাঁর স্বামীকে পুলিশকর্মীরা বেধড়ক মারধর করেন।যদিও পুলিশের দাবি, লকআপের ভিতরে বিরজুকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে কল্যাণীর একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।এই ঘটনার পর পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ১০ আগস্ট মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের ঘোষণা করেন। পাশাপাশি মৃতের স্ত্রীকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য এবং সরকারি চাকরি দেওয়ার কথাও জানান।এর এক দিন আগে, ৯ আগস্ট, মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কাঁচরাপাড়ায় গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দোলা সেন। অভিযোগ, বিজপুর রোডের কাছে মমতার কনভয়কে লক্ষ্য করে স্থানীয়দের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। তাঁর গাড়িতে কাদা ও চটি ছোড়ার পাশাপাশি চোর, চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ায়।চন্দ্রকোনার সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে ফের পুলিশ হেফাজতে নিরাপত্তা, বন্দিদের সুরক্ষা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার একাধিক জনপ্রিয় রাস্তার নাম বদল? কেন তড়িঘড়ি বড় সিদ্ধান্তের পথে বিজেপি সরকার?

কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে বঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি। রাস্তা, সেতু এবং বিভিন্ন জনপ্রিয় পাবলিক প্লেসের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে এই কমিটি সুপারিশ করবে। ভারত সেবাশ্রম সংঘের স্বামী প্রদীপ্তানন্দ, যিনি কার্তিক মহারাজ নামে পরিচিত, এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন। দুর্গাপুজোর পর কমিটির প্রথম বৈঠক হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবগুলি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণি নাম পরিবর্তনের তালিকায় রয়েছে। তবে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে।কার্তিক মহারাজ জানিয়েছেন, যে ব্যক্তিদের নামে কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে, তাঁদের ভারতীয় ও বাঙালি ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর বক্তব্য, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব কমিটির কাছে জমা পড়েছে। কমিটির সুপারিশ রাজ্য বিধানসভায় পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।তথাগত রায়ের পক্ষ থেকেও একাধিক নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, লেনিন সরণির নাম করা হতে পারে প্রাক্তন ভারতীয় জনসঙ্ঘ সভাপতি দেবপ্রসাদ ঘোষের নামে। কার্ল মার্কস সরণির নাম বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অথবা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকার সঙ্গে দুই কবিরই যোগসূত্রের কথা উল্লেখ করেছেন তথাগত রায়। অন্যদিকে, হো চি মিন সরণির নাম বদলেরও প্রস্তাব রয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতার কোনও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের নামে করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, লেনিন সরণি একসময় ধর্মতলা স্ট্রিট নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭০ সালে লেনিনের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাস্তার নাম পরিবর্তন করে লেনিন সরণি করা হয়। এর পরের বছর সার্কুলার গার্ডেনরিচ রোডের নাম বদলে করা হয় কার্ল মার্কস সরণি। শুধু বামপন্থী নেতাদের নাম নয়, মুসলিম ব্যক্তিত্বদের নামে থাকা কিছু জায়গার নাম পরিবর্তনেরও প্রস্তাব এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে বারাসতের কাছে তিতুমিরের নামে থাকা বাসস্ট্যান্ডের নামও বদল করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তবে দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রাস্তার নাম বদলের উদ্যোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সমালোচকদের একাংশের আশঙ্কা, ঐতিহাসিক নাম পরিবর্তনের ফলে শহরের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলি মুছে যেতে বা তার চরিত্র বদলে যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্টে ৯২ হাজার! টেলর-এডকে টপকে বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাস ভারতীয় তারকার

পাঞ্জাবি গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় নজির গড়েছেন। লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে তাঁর একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। একদিনের একক কনসার্টে এত বড় দর্শকসমাগমের নজির ভারতীয় শিল্পীর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।গত ১২ সেপ্টেম্বর ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে মঞ্চে ওঠেন দিলজিৎ। তাঁর গান শুনতে সেখানে ভিড় করেন প্রায় ৯২ হাজার মানুষ। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এই কনসার্টের পর আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে দিলজিতের তুলনা শুরু হয়েছে। টেলর সুইফ্ট, এড শিরানের মতো তারকারাও ওয়েম্বলিতে বিপুল দর্শক টেনেছেন। তবে একদিনের একক কনসার্টে দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজার দর্শকের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।দিলজিৎ দোসাঞ্ঝই প্রথম ভারতীয় শিল্পী, যিনি ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টানার নজির গড়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে অ্যাডেলের দর্শকসংখ্যার রেকর্ড তিনি ছাপিয়ে যেতে পারেননি।২০২৪ সালে ওয়েম্বলিতে টেলর সুইফ্টের দ্য এরাস ট্যুর-এর প্রতিটি অনুষ্ঠানে প্রায় ৮৯ হাজার করে দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ফলে একদিনের কনসার্টের দর্শকসংখ্যার তুলনায় দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজারের উপস্থিতি টেলরের সেই সংখ্যার থেকেও বেশি।এড শিরানও ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একাধিকবার অনুষ্ঠান করেছেন। ২০১৮ সালের ডিভাইড ট্যুর এবং ২০২২ সালের ম্যাথমেটিক্স ট্যুর-সহ তাঁর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা প্রায় ৮০ থেকে ৮৪ হাজারের মধ্যে ছিল বলে জানা যায়। সেই তুলনায় দিলজিতের কনসার্টে দর্শকসংখ্যা আরও বেশি।মাইকেল জ্যাকসনের ওয়েম্বলি রেকর্ডের সঙ্গেও দিলজিতের কনসার্টের তুলনা শুরু হয়েছে। অতীতের হিসাব অনুযায়ী, ওয়েম্বলিতে সাতটি অনুষ্ঠানে মোট প্রায় ৫ লক্ষ ৪ হাজার মানুষ মাইকেল জ্যাকসনের অনুষ্ঠান দেখেছিলেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা ছিল ৭০ হাজারের বেশি। সেই পরিসংখ্যানের মধ্যেও একদিনের অনুষ্ঠানে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ যে বড় নজির তৈরি করেছেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।শুধু দর্শকসংখ্যাই নয়, লন্ডনের কনসার্টে ভক্তদের জন্য বিশেষ আয়োজনও করেছিলেন দিলজিৎ। বিনামূল্যে পাগড়ি বাঁধার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফলে অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হয়েছিল আলাদা আবহ।এর আগে ২০২৪ সালে দেশজুড়ে দিল-লুমানাটি সফরেও বড় ব্যবসা করেছিলেন দিলজিৎ। সেই সফর থেকে প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। এর ফলে একদিকে যেমন বহু মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছিল, তেমনই ভারতের সঙ্গীতশিল্পের অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছিল বলে আলোচনা হয়েছিল।এ বার লন্ডনের ওয়েম্বলিতে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন, ভারতীয় শিল্পীদের জনপ্রিয়তা এখন শুধু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও তাঁর গানের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় ছুটি কোনদিন? ১৭ না ১৮ সেপ্টেম্বর, ধন্দে সরকারি কর্মীরা

বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। আর সেই বিজ্ঞপ্তি ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। আগে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে ১৪ সেপ্টেম্বরের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বছর বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে ছুটি থাকবে ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। কিন্তু আগের ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিল করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। ফলে দুদিনই ছুটি থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে।রাজ্যের অর্থ দফতরের অডিট ব্রাঞ্চের ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে রাজ্য সরকারি ছুটি থাকবে। ওই দিন রাজ্য সরকারের সমস্ত দফতর, স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থা, স্ট্যাটুটরি বডি, বোর্ড, কর্পোরেশন এবং রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন বা মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।শুধু সরকারি দফতরই নয়, বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য অফিস ও প্রতিষ্ঠানও ওই দিন বন্ধ থাকবে।কিন্তু গোল বেঁধেছে ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি নিয়ে। ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর জারি করা বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চলতি বছরে বিশ্বকর্মা পুজো ১৮ সেপ্টেম্বর পালিত হবে বলে জানিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।এই নতুন বিজ্ঞপ্তিতে ১৮ সেপ্টেম্বরের ছুটির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও, ১৭ সেপ্টেম্বরের পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল করা হয়েছেএমন কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি কর্মীদের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে কি ১৭ এবং ১৮ সেপ্টেম্বরটানা দুদিনই সরকারি ছুটি থাকছে?অর্থ দফতরের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই এই প্রশ্ন ঘুরছে সরকারি কর্মী মহলে। কেউ মনে করছেন, নতুন বিজ্ঞপ্তির অর্থ হল ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি সরিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। আবার অন্য অংশের বক্তব্য, যেহেতু ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিলের কথা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি, তাই আগের ছুটিও বহাল রয়েছে।ফলে বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে আপাতত ১৭ না ১৮এই প্রশ্নের সঙ্গে জুড়েছে আরও একটি প্রশ্ন, দুদিনই কি ছুটি? সরকারি কর্মীদের মধ্যে সেই ধোঁয়াশাই এখন সবচেয়ে বেশি।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

২ কোটির ছবি ২৫০ কোটির ব্যবসা! ‘হনুমান অংশ’-এর পর এবার তুলসীদাসকে নিয়ে বড় চমক

মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি হনুমান অংশ বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা করে আলোড়ন ফেলেছে বলে দাবি নির্মাতাদের। মারকাটারি অ্যাকশন, রোম্যান্স কিংবা আলফা মেল ধরনের ছবির ভিড়ে আধ্যাত্মিক ছবির এমন সাফল্য নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে সিনেদুনিয়ায়। আর সেই সাফল্যের পরেই নতুন আধ্যাত্মিক ছবির ঘোষণা করলেন পরিচালক বিশাল চতুর্বেদী।এ বার তাঁর ছবির বিষয় মহাকবি গোস্বামী তুলসীদাসের জীবন। ছবির নাম রামবোলা। গণেশ চতুর্থীর শুভ দিনে ছবিটির ঘোষণা করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, মহাকবি তুলসীদাস কী ভাবে ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন, সেই কাহিনিই তুলে ধরা হবে এই ছবিতে।হনুমান অংশ-এর সাফল্যই যে নতুন ছবির ঘোষণায় বড় অনুপ্রেরণা, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নিম করোলি বাবার জীবনদর্শনকে কেন্দ্র করে তৈরি হনুমান অংশ কম বাজেটে বড় ব্যবসা করেছে বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে। সেই ছবির সাফল্যের পরেই তুলসীদাসের জীবন নিয়ে ছবি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশাল।ছবির ঘোষণা করে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে, গণেশ চতুর্থীর শুভক্ষণে বিনম্রতা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে দর্শকদের সামনে আনা হচ্ছে রামবোলা। গোস্বামী তুলসীদাসের অমর কাহিনিই এই ছবির মূল বিষয়। ছবিটি প্রযোজনা করছেন মহাবীর জৈন, বিশাল চতুর্বেদী, অমিত উপাধ্যায় এবং রঘুবেন্দ্র সিংহ। ছবিটি উপস্থাপনা করবে মহাবীর জৈন ফিল্মস।এর আগে থেকেই রণবীর কপূরের রামায়ণ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। ছবির নানা প্রচারঝলক ঘিরেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। তার মধ্যেই মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটের হনুমান অংশ-এর প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসার দাবি আধ্যাত্মিক ছবিকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।এ বার সেই তালিকায় যোগ হতে চলেছে রামবোলা। তুলসীদাসের জীবন, তাঁর আধ্যাত্মিক ভাবনা এবং তাঁর অমর সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই এই ছবির অন্যতম উদ্দেশ্য বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে।ভারতীয় সিনেমায় পুরাণ, ধর্মীয় কাহিনি এবং আধ্যাত্মিক বিষয় নিয়ে ছবি নতুন নয়। তবে এই ধরনের ছবি তৈরি করতে গিয়ে নানা ধরনের বিতর্কের আশঙ্কাও থাকে। ফলে অনেক পরিচালক এমন বিষয় থেকে দূরে থাকেন। কিন্তু হনুমান অংশ-এর সাফল্যের পর সেই পরিস্থিতিতে বদলের ইঙ্গিত দেখছেন অনেকে। আর সেই আবহেই তুলসীদাসের জীবনকে কেন্দ্র করে রামবোলার ঘোষণা নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।এখন প্রশ্ন একটাইহনুমান অংশ-এর মতোই কি দর্শকের মনে জায়গা করে নিতে পারবে রামবোলা? তুলসীদাসের জীবন ও তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রা বড় পর্দায় কী ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সিনেপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিদেশ

জঙ্গিকে ধরতে পুরস্কার বাড়ল, তবু কি ‘চোখে ধুলো’ পাকিস্তানের? মাসুদ আজহারকে ঘিরে রহস্য

ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে ঘিরে পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা মাসুদকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ঘোষিত পুরস্কারের পরিমাণ ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ লক্ষ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরেই প্রশ্ন উঠছে, আন্তর্জাতিক চাপ সামলাতেই কি এমন পদক্ষেপ করল ইসলামাবাদ?মাসুদ আজহার ভারতের একাধিক জঙ্গি হামলার ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়িয়েছে। ওই আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল। ভারতের তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, জইশ-ই-মহম্মদের নেপথ্যে থাকা মাসুদ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গিদের তালিকায় রয়েছে।২০২১ সালে পাকিস্তানের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা মাসুদ আজহারকে গ্রেফতারির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিলে ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। একই সঙ্গে ইসলামাবাদের দাবি ছিল, জইশ প্রধান পাকিস্তানে নেই, আফগানিস্তানে আত্মগোপন করে রয়েছে। তবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি দীর্ঘদিন ধরেই সেই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ভারতের গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, মাসুদ বর্তমানে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের নবাবশাহ এলাকায় রয়েছে। যদিও এই দাবির স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার তথ্য সামনে আসেনি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নতুন রেড বুকে মাসুদের নাম রাখা এবং পুরস্কারের অর্থ বাড়ানো পাকিস্তানের কৌশলগত পদক্ষেপ হতে পারে। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পাকিস্তান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিতে চাইছে কি না, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন।এর মধ্যেই পাকিস্তানের প্রকাশিত নতুন রেড বুক ঘিরেও চর্চা শুরু হয়েছে। ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার ঘটনায় অর্থ জোগান, হামলাকারীদের নৌকা ও রসদ সরবরাহের অভিযোগে ১৯ জনের নাম সেখানে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তালিকায় থাকা ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জনের ছবি এবং তাঁদের কার্যকলাপের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও বাকি দুজনের ক্ষেত্রে শুধু নাম রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ।২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। ওই হামলার নেপথ্যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে ভারত দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সরব।ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্র এবং কূটনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপকে শুধু জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বাস্তব ব্যবস্থা হিসেবে দেখার আগে তার কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে মাসুদ আজহারের অবস্থান নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের দাবির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিস্তর ফারাক রয়েছে।এখন প্রশ্ন, এফএটিএফের বৈঠকের আগে মাসুদ আজহারের মাথার দাম ২০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মহলে কতটা বিশ্বাসযোগ্যতা পায়। পাকিস্তান সত্যিই মাসুদের বিরুদ্ধে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করে কি না, নাকি এটি কেবল আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর কৌশল, তা নিয়েই নজর থাকবে কূটনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal