• ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tangra

কলকাতা

ভোটের আগে তাণ্ডব! ট্যাংরায় ৫০ জনের হামলায় রণক্ষেত্র এলাকা

ভোটের আবহে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা। গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে ট্যাংরা এলাকায় ভয়াবহ অশান্তির ঘটনা সামনে এসেছে। মঙ্গলবার রাত প্রায় সোয়া নটা নাগাদ পুলিন খাটিক রোডে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, একই পরিবারের তিন সদস্যকে বেধড়ক মারধর করা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার বাসিন্দা বিক্রম খাটিক প্রতিদিনের মতো নিজের বাড়ির সামনে গাড়ি পার্ক করতে যান। কিন্তু সেদিন সেখানে অন্য একটি গাড়ি রাখা ছিল। সেই গাড়ি সরাতে বলতেই দুপক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয় এবং প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ জন একসঙ্গে বিক্রম খাটিক ও তাঁর পরিবারের উপর চড়াও হয়।এই হামলায় গুরুতর আহত হন বিক্রম খাটিক, সাবিত্রী খাটিক ও সানি খাটিক। তাঁদের লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুধু মারধরই নয়, অভিযুক্তরা বাড়ির ভিতর ঢুকে ভাঙচুর চালায় বলেও দাবি পরিবারের।বিক্রমবাবুর স্ত্রী প্রীতি খাটিক অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা এলাকার শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, এর আগেও থানায় অভিযোগ জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।পরিবারের দাবি, তারাও ওই দলের সমর্থক হিসেবেই পরিচিত। বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে খাটিক পরিবার। বিক্রম খাটিকের আর্জি, তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক, কারণ তিনি আশঙ্কা করছেন ফের হামলার শিকার হতে পারেন।এই ঘটনায় ট্যাংরা থানায় ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ভোটের আগে এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ট্যাংরা-তপসিয়া জুড়ে সিবিআই অভিযান! কোন কেলেঙ্কারির খোঁজ?

ট্যাংরার শিল্পতালুকে সিবিআইয়ের হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। ভারা টেকনোলজি নামে একটি সংস্থার অফিসে তল্লাশি চালান সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, ওই সংস্থার সঙ্গে কানোরিয়া ফাউন্ডেশনের যোগ রয়েছে। যে বহুতলে ভারা টেকনোলজির অফিস রয়েছে, সেটিও কানোরিয়া গোষ্ঠীর সংস্থা শ্রেই ফাউন্ডেশনের নামে নথিভুক্ত। একই দিনে তপসিয়াতেও সংস্থার আর একটি অফিসে তল্লাশি চালায় সিবিআই।প্রায় এক হাজার কোটি টাকার প্রতারণা মামলার তদন্তে সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেন সিবিআই আধিকারিকরা। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে সিবিআইয়ের একটি দল নিউ রোডের ৩২ কিউ নম্বর বাড়িতে সুনীল কানোরিয়ার অফিসে পৌঁছয়। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে ওই ঠিকানায় সুনীল কানোরিয়া থাকেন না। সেখানে তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা থাকেন।এর কিছু সময় পরে সিবিআই আধিকারিকরা আলিপুরের ৭ নম্বর আলিপুর অ্যাভিনিউয়ে সুনীল কানোরিয়ার আরও একটি অফিসে যান। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিপুল অঙ্কের টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক হাজার কোটি টাকার একটি বিনিয়োগ স্কিমের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এই মামলার সূত্র ধরেই শ্রেই ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফিন্যান্স প্রাইভেট লিমিটেড-এর কর্ণধার সুনীল কানোরিয়া ও হেমন্ত কানোরিয়ার বিভিন্ন অফিস এবং বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি মাসেই কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি আধিকারিকরা মোট দশটি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিলেন। সেই তালিকায় ছিল আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসও। ওই তল্লাশির সময়েই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নথি হাতে নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় তাঁকে, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, ভোটের আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি পুরনো মামলাগুলি নতুন করে সক্রিয় করে তুলছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ট্যাংরার তিন মহিলা কি পরিকল্পিত খুনের শিকার? কেন এমন কাণ্ড?

আত্মহত্যা না খুন? ট্যাংরার বাড়ি থেকে তিন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের পর এটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন। মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকেই সন্দেহ ক্রমশ বাড়ছিল ৷ খুনের অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর সেই সন্দেহ আরও ঘণীভূত হয়। এদিকে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর দেখা গেল সেই সন্দেহই কার্যত সত্যি হল৷ খুনই করা হয়েছে ট্যাংরার রোমি দে, সুদেষ্ণা দে ও এক নাবালিকাকে ৷বুধবার ট্যাংরা থানা এলাকার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে তিন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ৷ সেই তিনজন রোমি-সুদেষ্ণা ও এক নাবালিকার দেহের ময়নাতদন্ত হয় বৃহস্পতিবার ৷ সেখানে ওই নাবালিকার শরীরে বিষ পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান (জয়েন্ট সিপি-ক্রাইম) রূপেশ কুমার ৷ তিনি বলেন, ওই নাবালিকার শরীরে বিষ মিলেছে ।কলকাতা পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী রোমির দুই হাতের কবজির শিরা কাটা ছিল ৷ তাঁর গলা বাঁদিক থেকে ডানদিকে কাটা হয় ৷ রোমির হাতের শিরা যখন কাটা হয়, তখন তিনি বেঁচেছিলেন ৷ সুদেষ্ণাকেও একইভাবে হত্যা করা হয় ৷ অন্যদিকে নিহত নাবালিকার বুক, দুই পা, ঠোঁট-সহ বিভিন্ন অংশে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। মাথাতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে৷ পাকস্থলিতেও রক্তক্ষরণের প্রমাণ মিলেছে ৷ এছাড়া পাকস্থলিতে সামান্য পরিমাণে আংশিকভাবে হজম হওয়া খাবার, হলুদ ও সাদা দানাজাতীয় পদার্থ মিলেছে। যার গন্ধ অনেকটা ওষুধের মতো ৷ময়নাতদন্তের পাশাপাশি ফরেনসিক তদন্তেও একাধিক তথ্য উঠে এসেছে ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, ওই বাড়ি থেকে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার হয়েছে ৷ বেসিনে রক্তের দাগ পাওয়া গিয়েছে ৷ ফলে তদন্তকারীদের ধারনা, অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয় ৷ তার পর রক্তমাখা জামাকাপড় বাড়িতে রেখে সাফসুতরো হয়ে বেরিয়ে যান৷এক্ষেত্রে মূল প্রশ্ন হল, খুন কে করল? আপাতত এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ ৷ সন্দেহের তির প্রাথমিকভাবে দুই ভাই প্রণয় দে ও প্রসূন দের ওপর৷ কারণ, আত্মহত্যার যে তত্ত্ব বুধবার পুলিশকে দিয়েছিলেন এই দুই ভাই, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর অনেকটাই ভুল বলেই তদন্তকারীরা মনে করছে৷বৃহস্পতিবার ওই পরিবারের গাড়ির চালক কৈলাস দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ৷ তার পরই তদন্তকারীদের ধারণা, পুরো ঘটনাই পূর্ব পরিকল্পিত৷ কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের গোয়েন্দাদের কৈলাস কী জানিয়েছেন? পুলিশ সূত্রে খবর, কৈলাস সোমবার শেষবার ডিউটিতে এসেছিলেন ৷ সকালে বাচ্চাদের স্কুলে ছেড়ে আসেন। পরে সন্ধ্যায় টিউশনে ছেড়ে আসতে যান তিনি। পরে তিনি বাড়ি চলে আসেন।মঙ্গলবার তাঁকে আসতে বারণ করা হয়, পুলিশকে জানিয়েছে কৈলাস৷ কৈলাস সাড়ে ১৫হাজার টাকা বেতন পেতেন ৷ সেই টাকা পেতেও এতদিন কোনও সমস্যা হয়নি ৷ এছাড়া দে পরিবারের কারখানার কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলে আর্থিক অনটনের বিষয়ে কোনও তথ্য মেলেনি ৷ ফলে ঋণের যে বিষয়টি বুধবার সামনে এসেছিল, সেটাও সঠিক নয় বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা ৷এর আগে ট্যাংরায় এই তিনজনের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় খুনের মামলা রুজু করল পুলিশ। মৃত গৃহবধূ সুদেষ্ণা দে-র বাবার দাবি, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ট্যাংরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তার ভিত্তিতেই অজ্ঞাতপরিচয়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিনভর পাওনাদাররা ডাকাডাকি করলেও কেউ দরজা খোলেনি বলে জানতে পেরেছে তদন্তকারীর? এখানেই বড় প্রশ্ন, তাহলে মহিলাদের মৃত্যু কি আরও আগেই হয়েছে? রহস্য ক্রমশ বাড়ছে।কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা জানিয়েছিলেন, সুইসাইড নোট কিছু আমরা পাইনি। আসলে কারণ কী, কেন মারা গেছে, সেটা পোস্টমর্টেম থেকে বোঝা যাবে। ভিসেরার কেমিক্যাল পরীক্ষাও গুরুত্বপূর্ণ। ৩জন মহিলা মারা গেলেন! তিনজন পুরুষ এখনও বেঁচে! এটাও বড় রহস্য।মৃত গৃহবধূ সুদেষ্ণা দে-র বাবার দাবি, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ট্যাংরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তার ভিত্তিতেই অজ্ঞাতপরিচয়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ব্য়বসায়ে ক্ষতির ফলেই এমন ঘটনা, সেই প্রশ্নও উঠছে। নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রহস্য আছে? খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
কলকাতা

খাস কলকাতায় ভয়াবহ কাণ্ড, ট্যাংরায় একই পরিবারের তিন মহিলার রহস্যমৃত্যু

সাতসকালেই খাস কলকাতায়, ভয়ঙ্কর ঘটনা, তুমুল চাঞ্চল্য। ট্যাংরায় একই পরিবারের তিনজনের রহস্যমৃত্যু। পথ দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে মিলল এই তিন মহিলার মৃতদেহের খোঁজ। দুর্ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে খবর। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন ভোরে একটি গাড়ি রুবি হাসপাতালের মোড় থেকে অভিষিক্তার মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি ইএম বাইপাসের উপর কবি সুকান্ত মেট্রো স্টেশনের পিলারে ধাক্কা মারে। ঘটনার তদন্তে নেমে ট্যাংরার একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তিন মহিলার নিথর দেহ। আদৌ দুর্ঘটনা না আত্মহত্যার চেষ্টা তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বাড়িতে কোনও ঘটনা ঘটিয়ে তাঁরা গাড়িতে বাইরে বেরিয়ে ছিল কিনা সেই প্রশ্নও উঠছে।পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে মৃত্যু? খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতদের হাতের শিরাকাটা অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। তিনটে ঘর থেকে তিনজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, তিন জনের মধ্যে একজনের স্বামী দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। পুলিশ সূত্রে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণে তিনজনই আত্মঘাতী হয়েছেন। আত্মহত্যা না খুন, সব দিকটাই তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ জোগার করা হচ্ছে। তদন্ত নিয়ে মুখে না খুললেও পুলিশের দৃঢ়় ধারনা ওই পরিবারের নিজেদের মধ্যে বড় কোনও সমস্যা আছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৫
কলকাতা

ফের ট্যাংরায় বিধ্বংশী আগুন, ভষ্মীভূত গাড়ি সমেত গ্যারাজ

টিনের শেডের নীচে এখনও দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দেড়মাসের মধ্যে দুবার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটল ট্যাংরায়। ট্যাংরার ক্রিস্টোফার রোডের বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে একাধিক গ্যারাজ। পুড়ে যায় বেশ কিছু গাড়িও। আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল পাশের গুদাম ঘরেও। বাড়ির ছাদ থেকে জল দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে গিয়েছে।আগুন লাগার আড়াই ঘন্টা পরেও জ্বলছে আগুন। বহু দূর থেকেও আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলতে দেখা যায়। রবিবার গ্যারাজগুলি বন্ধ ছিল। এখনও পর্যন্ত প্রাণহানির কোনও খবর নেই। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্কে স্থানীয়রা দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দেয়। আশেপাশের বাড়ির ছাদ থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা জল দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করে। ঘিঞ্জি এলাকা বলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার ভয়ও ছিল বেশি।দেড় মাস আগে এই রোডের ওপরই আগুন লেগেছিল। সেই আগুন নেভাতে ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছিল। এদিনও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেকটা সময় লাগবে বলে মনে করছে দমকল কর্মীরা। টিনের শেডের নীচে আগুন চাপা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ওপর থেকে দেখলে তা বোঝা যাবে না। সেই আগুন নেভাতে আরও সময় লাগবে।

এপ্রিল ২৪, ২০২২
কলকাতা

ট্যাংরায় চামড়ার কারখানায় ভয়াবহ আগুন

শনিবার সন্ধ্যায় আগুন লাগে ট্যাংরায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন। আগুন আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন দমকল কর্মীরা। তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নেভাতে সমস্যার মুখে পড়েছেন দমকল কর্মীরা। ঘটনাস্থলে রয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন নেভাতে গিয়ে দুজন দমকলকর্মী আহত হয়েছে। তাঁদের এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।অগ্নিকাণ্ডের জেরে ওই গুদামের দেওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি গুদামের ছাউনিও ভেঙে পড়েছে। এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের জেরে আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই আশপাশের বাড়ি এবং বহুতলগুলি খালি করে দিয়েছেন দমকলকর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশ এখন রাস্তায় নেমে এসেছেন। তাঁদের সাবধানে সরে যেতে বলা হচ্ছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ আগুন দেখতে পাওয়া যায় ট্যাংরার তিন নম্বর মেহের আলি লেনে একটি চর্ম কারখানায়। দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে। কিছু ক্ষণের মধ্যেই তা গোটা গুদাম গ্রাস করে নেয়। কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে আকাশে। খবর পেয়ে একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন। তবে গুদামটি ঘিঞ্জি এলাকায় হওয়ায় প্রাথমিক ভাবে দমকলের ইঞ্জিন ঢুকতে সমস্যা হয়। আগুন আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দমকল পরে এসেছে। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে দমকল বাহিনী।ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তাঁর কথায়, আধিকারিকরা আগুন আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে সরু গলি হওয়ায় দমকলের গাড়ি ঢুকতে অসুবিধা হচ্ছে। আগুন আয়ত্তে আনার কাজ চলছে। রাত নটা নাগাদ ঘটনাস্থলে আসেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

মার্চ ১২, ২০২২
কলকাতা

রবিনসনকাণ্ডের ছায়া এবার ট্যাংরায়

রবিনসন কাণ্ডের ছায়া এবার ট্যাংরায়। তিনদিন ধরে মায়ের মৃতদেহ আগলে বসে রইলেন মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণী। শেষমেশ রবিবার পুলিশ এসে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার নাম কৃষ্ণা দাস। তাঁরা তিন মেয়ে। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তবে আরেক মেয়ে সোমা দাস থাকতেন মায়ের সঙ্গেই। কৃষ্ণা দাসের স্বামী রেলকর্মী ধীরেন দাসও বাড়ি প্রায় আসেন না বললেই চলে। স্থানীয়দের দাবি, ট্যাংরার শীল লেনের ওই বাড়িতে মায়ের সঙ্গে শুধু সোমাকেই দেখা যেত। মানসিক ভারসাম্যহীন সোমা কাউকেই বাড়িতে ঢুকতে দিতেন না। বাইরের কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই চিৎকার করতেন। জিনিসপত্র, বাসন ইত্যাদি ছুঁড়ে মারতেন। তাই তাঁদের বাড়িতে খুব একটা যাতায়াত ছিল না কারওরই। ফলে কৃ্ষ্ণা দাসের মারা যাওয়ার বিষয়টি অজানাই ছিল এলাকার বাসিন্দাদের কাছে। মেয়েও এনিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেননি।কিন্তু এদিন সকালে শীল লেনের ওই বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরতে শুরু করে। আর তাতেই সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। তাঁরাই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে ঘরের ভিতর থেকে কৃষ্ণা দাসের মৃতদেহ উদ্ধার করে। সেই সময় মায়ের পচন ধরা দেহের পাশেই বসেছিলেন সোমা দাস। জানা যায়, তিনদিন আগেই মায়ের মৃত্যু হয়েছিল। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, ময়নাতদন্তের পরই তা পরিষ্কার হবে। কৃষ্ণা দাসের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

জুন ২৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সুপ্রিম কোর্টে আজ আই-প্যাক মামলা: মমতার ভূমিকা নিয়ে কড়া প্রশ্নের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভবনা

বহুল চর্চিত আই-প্যাক (I-PAC) মামলার শুনানিতে আজ ফের সরগরম হয়ে সম্ভবনা ওঠার সম্ভাবনা সুপ্রিম কোর্ট। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বান্দ্যোপাধ্যায়-র ভূমিকা নিয়ে আদালতের কড়া পর্যবেক্ষণ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর অভিযোগ, চলতি বছরের জানুয়ারিতে কলকাতায় আই-প্যাকের দফতর ও কর্ণধারদের বাড়িতে তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজে সেখানে গিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালতে মামলা চলছে।এর আগে শুনানিতে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি এন.ভি. আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় জানায়, কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তদন্ত চলাকালীন সরাসরি সেখানে উপস্থিত হয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হতে পারে। আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; এটি আইনের শাসন ও তদন্তের স্বাধীনতার প্রশ্ন।ইডির তরফে সলিসিটর জেনারেল আদালতে দাবি করেন, আই-প্যাকের তল্লাশির সময় শুধু তদন্তে বাধা দেওয়া হয়নি, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক তথ্যও সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তাঁদের বক্তব্য, এর ফলে তদন্ত প্রক্রিয়া গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা চায়, এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত হোক এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করা হোক।অন্যদিকে, সরকারের বদল হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে আইনজীবীরা আদালতে কি দাবি করেন সেটাই দেখার অপেক্ষায় আম জনতা। এর আগে তদানীন্তন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে আইনজীবীরা জানান, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি ছিল রাজনৈতিকভাবে প্ররোচিত অভিযানের প্রতিবাদ হিসেবে। তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ভিত্তিহীন। রাজ্যের দাবি ছিল, ইডি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ইস্যুকে বড় করে দেখাতে চাইছে।শুনানির এক পর্যায়ে আদালত মন্তব্য করে, এ ধরনের পরিস্থিতি সংবিধান প্রণেতারাও কল্পনা করেননি। এই মন্তব্য ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, আগামী শুনানিতে আদালত মামলার গ্রহণযোগ্যতা এবং তদন্তের পরবর্তী দিকনির্দেশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানাতে পারে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

মে ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সবুজ-মেরুনের অভিভাবকের বিদায়: প্রয়াত টুটু বসু, শোকে স্তব্ধ ময়দান

কলকাতার ফুটবল মহলে নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন স্বপন সাধন বসু (টুটু বসু)। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মোহনবাগানের এই প্রাক্তন সভাপতি ও প্রাক্তন সাংসদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।সোমবার সন্ধ্যায় আচমকাই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন টুটু বসু। দ্রুত তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মঙ্গলবার গভীর রাতে চিরবিদায় নিলেন সবুজ-মেরুনের এক স্বর্ণযুগের নির্মাতা।ময়দানের ইতিহাসে টুটু বসুর নাম উচ্চারিত হবে শ্রদ্ধার সঙ্গে। মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant)-এর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল আত্মার মতো গভীর। ১৯৯১ সালে ক্লাবের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একাধিক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে বদলে দেন মোহনবাগানের ভবিষ্যৎ। তাঁর হাত ধরেই ক্লাবে প্রথম বিদেশি ফুটবলার হিসেবে এসেছিলেন নাইজিরিয়ান ফুটবলার চিমা ওকেরি কে যা সে সময় ছিল সাহসী এবং ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।পরবর্তীতে সভাপতির আসনে বসে আরও বড় পরিবর্তনের পথ খুলে দেন তিনি। শিল্পপতি সাঞ্জীব গোয়েঙ্কা-র হাতে ক্লাবের মালিকানার দায়িত্ব তুলে দিয়ে ভারতীয় ফুটবলের কর্পোরেট যুগে প্রবেশ করান মোহনবাগানকে। যদিও এটিকে-মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) নামকরণ ঘিরে বিতর্ক হয়েছিল প্রবল, তবু ভবিষ্যতের কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।শুধু ক্রীড়া প্রশাসক নন, টুটু বসুর পরিচয় বিস্তৃত ছিল রাজনীতি ও ব্যবসার জগতেও। তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress)-এর হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। সংবাদমাধ্যম ও ব্যবসায়ও ছিল তাঁর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি।দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন তিনি। হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। ফলে সক্রিয় প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও, মোহনবাগান সমর্থকদের কাছে তিনিই ছিলেন ক্লাবের অভিভাবক।মাত্র গত বছরই মোহনবাগান দিবসে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল ক্লাবের সর্বোচ্চ সম্মান মোহনবাগান রত্ন। উপস্থিত ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি, বাইচুং ভুটিয়া, আই.এম. বিজয়ন, হোসে রামিরেজ ব্যারেটো-সহ বহু তারকা। সেই মঞ্চেই যেন শেষবারের মতো সবুজ-মেরুন পরিবার তাঁকে জানিয়েছিল শ্রদ্ধা।বর্ষীয়ান সবুজ-মেরুন সমর্থকদের কথায়, টুটু বসুর প্রয়াণে শুধু একজন প্রশাসকের মৃত্যু নয়, শেষ হল মোহনবাগানের এক গৌরবময় অধ্যায়। তাঁর বিদায়ে আজ শোকে স্তব্ধ গোটা ময়দান।

মে ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে হারের পর ডিগবাজি? ভাইরাল অডিওতে ‘বিজেপি নেতা’ খোকন দাস, বর্ধমানে তোলপাড়

বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে। সেই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমিও এখন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধী বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।বিজেপির দাবি, কাঞ্চননগরের একটি দুর্গামন্দির নির্মাণের কাজ করেও এক রাজমিস্ত্রি প্রাপ্য টাকা পাননি। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই ফোনে তাঁকে ধমক দেন খোকন দাস। ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, মন্দিরের হিসেব, ট্রাস্টের টাকা এবং ভোটে হারের প্রসঙ্গ তুলে কথা বলছেন তিনি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, তুই এখন সুযোগ নিয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছিস। আমরাও এখানে আছি। আর শুনে রাখ, আমিও এখন বিজেপি নেতা।যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই কথোপকথনে স্পষ্টভাবে প্রাক্তন বিধায়কের হুমকির সুর ধরা পড়েছে। জেলা বিজেপির মুখপাত্র কল্যাণ মাজি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা হারিয়েও খোকন দাস এখনও প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তাই কখনও এফআইআরের ভয় দেখাচ্ছেন, আবার কখনও নিজেকে বিজেপি নেতা বলছেন।অন্যদিকে খোকন দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অডিও নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানো তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মন্দির ও ট্রাস্টের নামে অপপ্রচার রোখার জন্যই পুলিশে জানানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজমিস্ত্রি হিসেব না দেওয়ায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি অডিওর প্রথম অংশে নিজের কণ্ঠস্বর স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাহলে একই অডিওতে থাকা আমিও বিজেপি নেতা মন্তব্যকে অস্বীকার করা হচ্ছে কেন? এই নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তে কাঁটাতারের সিদ্ধান্তেই চাঞ্চল্য, হাই এলার্টে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাংলাদেশে। সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে হাই এলার্টে রাখা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকারের আশঙ্কা, সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ শেষ হলে অনুপ্রবেশ রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে ভারত। বিশেষ করে পুশব্যাক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও জোরদার হতে পারে বলেই মনে করছে ঢাকা। সেই কারণেই সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে।বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের পদক্ষেপের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী প্রচারে পুশব্যাক নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যে কড়া মন্তব্য করেছিলেন, সরকার পরিচালনায় সেই অবস্থান হয়তো এতটা কঠোর হবে না।অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি শুরু থেকেই সরব ছিল। বাংলায় অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা আগেই দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি নিয়ে আগের সরকারের আপত্তির কারণে বহু এলাকা দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় ছিল। নতুন সরকার জানিয়েছে, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার কিছু মন্তব্য নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করেছিল বাংলাদেশ সরকার। সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়, হঠাৎ সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা

আরজি কর কাণ্ড সংক্রান্ত মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার শুনানি চলাকালীন নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিচারপতি। এর ফলে মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন, এই মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে।শুনানির সময় বিচারপতি মান্থা জানান, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে আলাদা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠনের পথে এগোচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শোনার প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেই তিনি মনে করছেন।মামলার গুরুত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, এই মামলা শুধু আবেদনকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, গোটা রাজ্য এবং দেশের বহু মানুষের নজর রয়েছে এই মামলার দিকে।এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। রাজ্য সরকারের তরফে তদন্ত কমিশন গঠনের ইঙ্গিত মিলতেই মামলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নিজে থেকেই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান। মামলার সমস্ত নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন নজর রয়েছে, এই মামলার জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করা হবে নাকি আরও বড় কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মে ১২, ২০২৬
দেশ

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে বড় সিদ্ধান্ত, বাতিল নিট ইউজি পরীক্ষা

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠতেই বাতিল করে দেওয়া হল নিট ইউজি পরীক্ষা। গত ৩ মে দেশজুড়ে ডাক্তারি পড়ার এই প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়েছিল। প্রায় তেইশ লক্ষ পড়ুয়া পরীক্ষায় বসেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষার পর থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। সোমবার বিষয়টি আরও বড় আকার নেয়। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। এর পরেই নড়েচড়ে বসে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, নিট ইউজি পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই।তদন্তে উঠে এসেছে, রাজস্থানে পরীক্ষার অন্তত এক মাস আগে কিছু পড়ুয়ার হাতে একটি সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল। অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল বিশাল বনশন জানিয়েছেন, ওই সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রে মোট চারশো দশটি প্রশ্ন ছিল। পরীক্ষার পরে দেখা যায়, তার মধ্যে একশো কুড়িটি রসায়নের প্রশ্ন আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন নয়, উত্তরের বিকল্পও একই ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।অন্য একটি সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রের মোট দুশো একাশি প্রশ্নের মধ্যে একশো পঁয়ত্রিশটি প্রশ্ন আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গিয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন পরীক্ষার দিন কবে ঘোষণা করা হবে, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকেরা।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের হানা, ভিতরে যা মিলল তাতে হতবাক সবাই

শিবপুরে তৃণমূল নেতা মহম্মদ শামিম ওরফে বরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চমকে উঠল পুলিশ। বাইরে থেকে সাধারণ বাড়ি মনে হলেও ভিতরে ঢুকতেই সামনে আসে একের পর এক গোপন ব্যবস্থা। বাড়ির ভিতরে রয়েছে একাধিক সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় নীচের ফ্লোরে। সেখানে তৈরি করা হয়েছে বিলাসবহুল ঘর। দামী কাঠের আসবাব, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা, ফ্রিজ-সহ নানা আধুনিক সুবিধায় সাজানো এই বাড়ি দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এলাকায়।জানা গিয়েছে, হাওড়া পুরসভার ছত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সামিমা বানোর স্বামী মহম্মদ শামিম। তিনি তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর গত বৃহস্পতিবার শিবপুরে বিজেপির জেলা সংখ্যালঘু মোর্চার আহ্বায়কের বাড়িতে হামলা, গুলি ও বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্তে শামিমের নাম সামনে আসে।বোমাবাজির ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পলাতক ছিলেন শামিম। শুক্রবার তাঁর খোঁজে শিবপুরে বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানেই এই বিলাসবহুল বাড়ির ভিতরের ছবি সামনে আসে। স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার এমন জীবনযাপন দেখে বিস্মিত তদন্তকারীরাও।যদিও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও শামিমের খোঁজ মেলেনি। তিনি এখনও পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এর আগেও একাধিক অসামাজিক কাজের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছে। শিবপুরে রামনবমীর মিছিল ঘিরে অশান্তির ঘটনাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার মামলাতেও তাঁর নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। বিজেপির অভিযোগ, সমাজবিরোধীদের আশ্রয় দিচ্ছে শাসক দল। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথ হত্যা তদন্তে নতুন মোড়, রাজ্য পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার নিল সিবিআই

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় তদন্তে বড়সড় মোড় এল। বহু আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের হাতে তুলে নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সুপারিশের পর মঙ্গলবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থা এই মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হচ্ছে। কলকাতা অঞ্চলের যুগ্ম নির্দেশকের নেতৃত্বে এই সিট কাজ করবে। তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ আধিকারিকদের এই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই মামলার যাবতীয় নথিপত্র, প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট এবং গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের সংক্রান্ত তথ্য সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তঃরাজ্য চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তে নেমে রাজ্য পুলিশ উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন জন সন্দেহভাজন শার্পশুটারকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি। তাঁদের সঙ্গে এই হত্যার মূলচক্রীদের যোগাযোগ ছিল কি না, কার নির্দেশে তারা কলকাতায় এসেছিল এবং খুনের পেছনে রাজনৈতিক না কি অন্য কোনও ব্যক্তিগত বা আর্থিক কারণ রয়েছে সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার সরাসরি মাঠে নামছে সিবিআই।সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালানো হতে পারে। ধৃতদের কল রেকর্ড, আর্থিক লেনদেন, যাতায়াতের রুট এবং স্থানীয় যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের সাহায্যও নেওয়া হবে।চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। বিরোধী শিবির থেকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছিল। সেই আবহেই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ায় মামলার রহস্যভেদে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর সিবিআইয়ের তদন্তে এই খুনের নেপথ্যে থাকা আসল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ কবে খুলে যায়, সেটাই দেখার।

মে ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal