• ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC

রাজ্য

রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অতি-তৎপরতা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিবাদ

রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থার অতি-তৎপরতার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলো তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেপ্তার হওয়ার পর রাজ্য শাসকদলের প্রেস বিবৃতি দিতে এসে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন শুক্র ও শনিবার রাস্তায় নামবে তৃণমূল ছাত্র যুব সংগঠন। সিবিআই নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করুক এই দাবিতে রাস্তায় নামলো পুর্ব বর্ধমান জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস ও জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। শুক্রবার বিকালে শহরের বীরহাটা থেকে কার্জনগেট চত্বর পর্যন্ত মহামিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিল শেষে কার্জনগেট চত্বরেই হয় বিক্ষোভ সভা। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, বিধায়ক খোকন দাস, অলোক মাঝি, রাজ্যে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শান্তনু কোনার, তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সহ যুব তৃণমূলের নেতৃত্বরা।প্রসঙ্গত, অনুব্রত মন্ডলের গ্রেপ্তারির পর দিকে দিকে চলছে বিরোধীদের বিক্ষোভ। এই পরিস্থিতিতে দলীয় কর্মীদের মনোবলকে চাঙ্গা করতে তৃণমূল নেতৃত্বের এদিনের প্রতিবাদ মিছিল বলে রাজনৈতিক সূত্রে খবর। তাঁদের দাবী কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদের ভাষা কেড়ে নিয়ে কন্ঠরোধ করতে আসরে নেমেছে।তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সিবিআই ও ইডি কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ব্যবহার করছে। তাঁরা মিছিল থেকে এই অভিযোগ তোলে। বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসের মনোবল ভেঙে দেবার চেষ্টা করছে। কিন্তু তৃণমূলকে চমকে, ধমকে কিছু হবে না বলে প্রতিবাদ মিছিল থেকে দাবি করেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ত্ব। সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে বুকে পোষ্টার লাগিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হয় তৃণমূল নেতৃত্ত্ব। মিছিল থেকে ওঠে সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে স্লোগান।

আগস্ট ১২, ২০২২
রাজ্য

দল ও সরকারে অধিপত্য শুরু, 'এক ব্যক্তি এক পদ' নীতিতেই শীলমোহর

দলে আগেই আধিপত্য বিস্তার হয়েছে, এবার রাজ্য প্রশাসনেও শুরু হল অভিষেকরাজ। এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতার হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণ করা, দলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে সাসপেন্ড করার মতো দৃঢ় পদক্ষেপ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই বুধবার রাজ্যে নয়া মন্ত্রীদের শপথে অভিষেকের নীতির মান্যতা দেওয়ার ছবি স্পষ্ট।এক ব্যক্তি এক পদের দিকে তাকিয়ে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ঘটেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যার প্রধান প্রবক্তাই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দুজনকে জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর মন্ত্রী করা হয়েছে। হুগলির স্নেহাশিষ মুখোপাধ্য়ায়, উত্তর ২৪ পরগণার পার্থ ভৌমিক। এই দুজনই একসময়ে দুই জেলার যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি হয়েছিলেন স্নেহাশিষ ও পার্থ। এবার সাংগঠনিক পদ ছেড়ে একেবারে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।ফিরহাদ হাকিমের কাছ থেকে পরিবহণ নিয়ে ওই দফতর দেওয়া হয়েছে স্নেহাশিষকে। এই ফিরহাদ হাকিমের নাম মেয়র হিসাবে ঘোষণার দিন অভিষেক হাজির ছিলেন না। এক ব্যক্তি এক পদ ঘোষণার পরও দলের একাংশ একাধিক সাংগঠনিক পদ ও একাধিক মন্ত্রিত্ব আঁকড়ে বসে রয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করে, এদিন মূলত ফিরহাদের কাছ থেকে দুটি দফতর সরিয়ে নিয়ে বোঝানো হয়েছে একাধিক পদ নিয়ে বসে থাকা যত বড় নেতাই হোক না কেন দল কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না।

আগস্ট ০৩, ২০২২
রাজ্য

'ঘনিষ্ঠ বন্ধু' অর্পিতা'র ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হলেও পার্থ'র কাছে না আছে 'বাড়ি , না গাড়ি...! সম্বল সামান্য কিছু টাকা......

বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ইডি দাবি করেছে, এই ১৯ ঘণ্টার ম্যারাথন অভিযানে বেলঘড়িয়ায় পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার, ইডি জানিয়েছিল টালিগঞ্জের করুণাময়ী অভিজাত আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অর্থাৎ দু-দিনে সব মিলিয়ে ৪৯.৮ কোটি টাকা উদ্ধার করল ইডি। এখন প্রশ্ন হল, তাঁর কি আসলেই এত টাকা আছে? যদিও এই টাকা তার অন্তরঙ্গ বন্ধুর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল, সুত্রের খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন যে সমস্ত টাকা বা সম্পদ যা এখনও অবধি পাওয়া গেছে তা সবই পার্থর। যদিও ইডি এখনও কিছু এ ব্যাপারে জানায়নি।২০২১ এ বিধানসভা নির্বাচনে পার্থ বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই সময় তিনি নির্বাচন কমিশনে যে নমিনেশনের জমা দিয়েছেলেন তাতে এক হলফনামা জমা দেন, সেই হলফনামাতে তৃণমূলের এই অপসারিত হেভিওয়েট নেতা সম্পত্তির যা বিবরন দেন তা নিম্নরূপঃ১। সে সময় পার্থর কাছে নগদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৬ টাকা ছিল। তার সাথে দুটি ব্যাংকের ৪টি শাখায় তাঁর রয়েছে ২৪ লাখ ৮১ হাজার, ২৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৩৫, ১৫ লাখ ১ হাজার ১৬১ ও ১ লাখ ৮ হাজার ৬৯ টাকা জমা ছিল।২। একটি জীবন বীমা পলিসি তার নামে ছিল, যার সাম অ্যাসিওর ২৫ লাখ টাকা। জীবন বীমা, ব্যাংকে জমাসহ তাঁর মোট সঞ্চয় ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা!৩। পার্থ নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন, তাঁর একটি গাড়িও নেই।৪। পারিবারিক সূত্রে বা নিজের উপার্জন থেকে কেনা কোনও কৃষিজমিও তার নেই।৫। পার্থ জানান, পারিবারিক সূত্রে তার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়ি নাকতলায়। নাম বিজয়কেতন। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ওই বাড়ি থেকেই পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি।৬। হলফনামায় পার্থ জানিয়েছেন, বাবার কাছ থেকে পাওয়া দেড় কাঠা জমিতে বানানো বাড়িটি পেয়েছেন তিনি। বাড়িটি নির্মান করা হয়েছিলো ১৯৮৯-এ। তৎকালীন মুল্যে সেই বাড়িটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ৬ লাখ টাকা। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বাড়িটির আনুমানিক মুল্য ২৫ লাখ টাকা।৭। পার্থ হলফনামায় দাবি করেছেন যে তাঁর কাছে কোনও সোনা-হীরে-প্ল্যাটিনামের গয়না নেই!৮। এ ছাড়া পার্থের জমা দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, তার নামে কোথাও কোনো ঋণ নেই।৯। এছাড়াও, তিনি আরও জানান যে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে মোট আয় ছিল ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৭২০ টাকা।১০। পার্থের হলফনামা অনুযায়ী, পার্থের মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা।এসএসসিতে স্কুল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর নাম জড়ানোর পর, সম্প্রতি তাকে ইডি গ্রেপ্তার করেছে। যদিও তার বাড়ি থেকে বিশেষ কিছু উদ্ধার হয়নি, ইডি দাবি করেছে যে পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে তারা প্রায় ৪৯.৪ কোটি টাকা ও প্রচুর পরিমাণে সোনার গহনা উদ্ধার করেছে।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের পর তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড পার্থ চট্টোপাধ্যায়

সাসপেন্ড করা হল তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তিন দফতরের মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দিল দল। এদিন তৃণমূল ভবনে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্যদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থকে সাসপেন্ডে করার কথা ঘোষণা করেছেন। তৃণমূলের মহাসচিব, সর্বভারতীয় তৃণমূলের সহসভাপতি, কার্যকরি সমিতির সদস্য, শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্য ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ২২ জুলাই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হানা দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ২৩ তারিখ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি।এর আগে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছিল দোষী প্রমাণ হলে দল ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু তড়িঘড়ি এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিত্ব ও দলের পদ থেকে সরিয়েও ক্ষান্ত থাকেনি দল, তাঁকে সাসপেন্ড করে দিল দল। অভিষেক বলেন, আশপাশের তথ্য় উঠে এসেছে। তাতে আমরা মানুষের কাছে বদ্ধপরিকর। নেতার কাছে নয়। বেনিফিট অফ ডাউট দিচ্ছি যাঁদের বিরুদ্ধে অবিচার হচ্ছে তাঁদের। আমরা যাঁরা বসে আছি তাঁদের বিরুদ্ধেও যদি দুর্নীতির অভিযোগ আসে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিষেক জানিয়ে দেন, পরবর্তীতে কার্যকরি সমিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করবেন কে দলের মহাসচিব হবেন।

জুলাই ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)...কাদের নাম করলেন শ্রীলেখা?

এই মহুর্তে এসএসসি দুর্নীতি মামলার ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী ও বর্তমান রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এসএসকেএম হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাস্কুলার সায়েন্সেস-এর আইসিসিইউতে চিকিৎসা চলছে। ইন্টেনসিভ করোনারি কেয়ার ইউনিটের ১৮ নম্বর কেবিনে তিনি ভর্তি আছেন। তাঁকে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসকরা পরীক্ষা করেন। আপাতত মন্ত্রীকে কার্ডিওলজি বিভাগের স্পেসাল কেবিনে ভর্তি করে চিকিৎসা হচ্ছে বলে জানা যায়। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে তাঁর চিকিৎসার জন্য।শনিবার সকাল তখন ১০টা নাগাদ মন্ত্রীর বাসভবন নাকতলাথেকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছিল ইডি। । জোকা ইএসআই, সল্টলেক সিজিও কম্পলেক্স ভায়া ব্যাঙ্কশাল কোর্ট তাঁকে সাড়ে সাতটা নাগাদ আনা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। গাড়ি থেকে নামিয়ে হুইল চেয়ারে করে পার্থকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। বিগত ২৬-২৬ ঘণ্টা র জেরা ইতি হয়ে মন্ত্রী গ্রেপ্তার হতেই সামাজিক মাধ্যম ভরে যায় যা নানা সমলোচলনা ও মিমে। বিরোধী দল বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেস তো আছেই। শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন মহলের বিশিষ্ট জনেদের মন্তব্য।জনপ্রিয় চিত্র পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ইডির টুইট করা ছবি দেখে তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন যা দেখছি, কেউ নায়ক ছবির remake করলে স্বপ্নদৃশ্যের জন্যে টাকার পাহাড়ের অভাব হবে না এই বাংলায় !!! তিনি আরেকটা পস্টে লিখেছেন এবার ভুঁড়িটা কমাতেই হবে। ফ্রেঞ্চ কাট বা ঘনিষ্ঠ রূপসী - বা থিম পুজো - নৈব নৈব চ। ইঙ্গিত স্পষ্ট, সাধরণ মানুষের বুঝে উঠতে খুব একটা ক্ষত করতে হয় না।বাংলা চলচিত্র অভিনেতাদের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেত্রী শ্রীলেখা। চলমান জগতে কোনও গুরুত্বপূর্ন বা স্পর্শকাতর বিষয়-ই তাঁর নজর এড়িয়ে যায় না। রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাটে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা উদ্ধার মাত্র দুই বান্ধবীর নাম সামনে এসেছে তাতেই ইতিমধ্যে ২১কোটি ২০ লক্ষ টাকা সাথে ৭৯ লক্ষ গহনার হদিস পেয়েছে ইডি। এছাড়াও বীরভুমে ও কোলকাতায় একধিক বাংলো ও ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গেছে ইডি সুত্রে খবর। এবার সামাজিক মাধ্যমে বোমা ফাটালেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)। বলবো নাকি নাম গুলো?। শ্রীলেখা কি কিছু ইঙ্গিত দিলেন?অভিজ্ঞ মহলের ধারনা ইডি কোনও আধিকারিক যদি শ্রীলেখার সামাজিক মাধ্যম ফলো করে থাকেন অবশ্যই এই প্রশ্ন তাঁরা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে রাখবেন। এবং তদন্ত করে শ্রীলেখার বক্তব্য থেকে তাঁরা সারমর্ম খুঁজে বার করার চেষ্টা করবেন-ই। তাৎপর্যপূর্ন ভাবে শুক্রবার সাত সকালে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডি-র তদন্তকারী দল পৌঁছানোর পরপরই মন্ত্রীর বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখার্জি নাম সামনে আসে, তারপরই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মন্ত্রীর শান্তিনিকেতন (বীরভূম) যোগ নিয়ে সরব হন। আজ সারাদিন সমস্ত সার্চ লাইট বোলপুর ও কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে এসে যায়। রবীন্দ্র-নজরুল মিলে মিশে একাকার।শ্রীলেখাকে আক্ষেপের সুরে বলতে দেখা যায় সেই সমস্ত (অদৃশ্য) বন্ধুদের কাছে কত কোটি দিয়েছে কে জানে। পরক্ষনেই তিনি এক অজানা কারনে নিজেকে গুটিয়ে নিলেন। তাঁর ধারনা প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কিছু বলে শত্রু বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর আশঙ্কা এসব পাবলিক করলে হয়ত সুপারি কিলার-ও পিছনে লাগাতে পারে।এই মন্তব্যের পর তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে তাঁর ফ্যান ফলোয়াররা চেপে ধরতে থাকেন নাম প্রকাশ করার জন্য, কেউ কেউ লেখেন নেশন ওন্টাস টু নো। কিন্তু অভিনেত্রী বরাবরের মতোই বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন এই বিতর্কে থেকে। এমনকি জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়,রূপা ভট্টাচার্যের মত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী দের জোরাজুরিতেও তিনি রা কারেননি। মুখ খুলেও মুখ লোকালেন শ্রীলেখা...... ভয়ে না আশঙ্কায়! নেশন ওন্টাস টু নো

জুলাই ২৪, ২০২২
রাজ্য

দোষী সাব্যস্ত হলে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দল, তবে এখনই পথে নয়

তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট গ্রেফতারের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেস তাদের অবস্থান স্পষ্ট করল। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন ফিরহাদ হালিম, কুণাল ঘোষ, অরূপ বিশ্বাস ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে, দোষী সাব্যস্ত হলে ব্যবস্থা নেবে দল। রাজনৈতিক মহলের মতে, আপাতত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়াল দল।সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল নেতৃত্ব বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস অন্যায় করে না অন্যায় সহ্য করে না। এটা বিজেপির চক্রান্ত। আইন আইনের পথে চলবে। আদালতে ভরসা আছে তৃণমূল কংগ্রেসের। আইনে দোষী সাব্যস্ত হলে পার্থর বিরুদ্ধে দল ও সরকার নিশ্চিতভাবে ব্যবস্থা নেবে।পাশাপাশি তাঁদের বক্তব্য, ইডি পশ্চিমবঙ্গে হানা দিলে ভাল? সেই ইডি সনিয়া, রাহুলকে ডাকলে প্রতিবাদ। এটা কী করে হয়। এদিকে বিজেপি রাজনৈতিক ভাবে পরাজিত হয়ে একাজ করছে। যার বাড়িতে টাকা মিলেছে তিনি তৃণমূলের কেউ নয়। দোষী প্রমান না হওয়ার আগে বিরোধিরা কেনও কথা বলতে পারে না। ২ মাস আগে বিজেপিতে গেলে এমন এ ঘটনা ঘটতো না। নৈতিক ভাবে আমরা মাথানত করব না। সারদা কর্তা চিঠি লেখা সত্বেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না শুভেন্দুর বিরুদ্ধ। তৃণমূলে থাকলে ব্যবস্থা নিত।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে টানা ২৬ ঘন্টা ইডির তদন্তকারীরা, বাড়ল ঘনিষ্ঠের বাড়িতে টাকা উদ্ধারের পরিমান

পেরিয়ে গেল ২৬ ঘন্টা। এখনও রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডির তল্লাশি চলছে। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে মন্ত্রীকে। রাতভর অভিযান করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এদিকে মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি টাকা, ৫০ লক্ষ টাকার গহনাসহ বিভিন্ন নথি উদ্ধার করেছে। ইডি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে টাকার পাহাড় মিলেছে। এই টাকা ও গহনার সঙ্গে এসএসসি দুর্নীতি মামলার যোগ রয়েছে বলে মনে করছে ইডি।সূত্রের খবর, জিজ্ঞাসাবাদে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায় সহযোগিতা করছে না। শনিবার সকালে ফের অসুস্থ বোধ করেন মন্ত্রী। চিকিতসকদের একটা দল পার্থর বাড়িতে যায়। বাড়িতে পাহারায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রয়েছে নেতাজিনগর থানার পুলিশ। তল্লাশি চলাকালীন তদন্তকারীদের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। শেষমেশ ইডি কী সিদ্ধান্তে পৌঁছয় সেদিকে নজর রাখছে অভিজ্ঞ মহল।এদিকে তৃণমূলের মহাসচিবের বাড়িতে ইডি হানা দেওয়ায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। যদিও তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইট করে জানিয়ে দিয়েছে টাকা উদ্ধারের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সম্পর্ক নেই। তাছাড়া এই ঘটনায় যাঁদের নাম আসছে তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীরা এর জবাব দেবেন। টুইটে কুণাল লিখেছেন, ইডি যে টাকা উদ্ধার করেছে, তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই তদন্তে যাদের নাম এসেছে, এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীদের। কেন দলের নাম জড়িয়ে প্রচার চলছে, দল নজর রাখছে। যথাসময়ে বক্তব্য জানাবে।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

টানা ১৫ ঘন্টা পার্থর বাড়িতে ইডি, চলছে তল্লাশি, জিজ্ঞাসাবাদ, দায় নেবে না তৃণমূল

সকাল সাড়ে ৮টায় রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ৮ জনের ইডি আধিকারিকের দল সেখানে বিভিন্ন নথি উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদ করে মন্ত্রীকে। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আরেকজন ইডির আধিকারিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঢোকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়। এর পাশাপাশি কলকাতা পুলিশ রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে। আইনজীবীরা পার্থর বাড়িতে অপেক্ষা করছেন কথা বলার জন্য। এরই মাঝে দুপুরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসক এসে মন্ত্রীকে পরীক্ষা করেন।ইডি যে টাকা উদ্ধার করেছে, তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই তদন্তে যাদের নাম আসছে, এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীদের। কেন দলের নাম জড়িয়ে প্রচার চলছে, দল নজর রাখছে। যথাসময়ে বক্তব্য জানাবে। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) July 22, 2022এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে বস্তা বস্তা টাকা উদ্ধার হয়েছে। টাকার পরিমান ২০ কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছে ইডি। মনে করা হচ্ছে এবিষয়ে মন্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডির আধিকারিকরা। টানা ১৫ ঘন্টা মন্ত্রীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি অত্য়ন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম, তাঁরাই জবাব দেবে। অর্থাৎ দল এবিষয়ে দায় ঝেড়ে ফেলল বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ২২, ২০২২
কলকাতা

শহিদ দিবসে লাগামছাড়া ভিড় মেট্রোতে, রেকর্ড সংখ্যক যাত্রী

তৃণমূলের শহিদ দিবসে ২১ জুলাই কলকাতা মহানগর যেন ভেঙে পড়েছিল। যাত্রী সংখ্যাতে রেকর্ড করেছে মেট্রো রেল। সম্প্রতি শিয়ালদা থেকে সেক্টর ফাইভ অর্থাৎ ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো চালু হয়েছে। এছাড়া কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত যাত্রী পরিষেবা আগে থেকেই চালু রয়েছে।মেট্রো রেল সূত্রে খবর, ২১ জুলাই নর্থ-সাউথ মেট্রোতে যাত্রী সংখ্যা ছিল ৫, ০২, ০৩0 জন। অন্যদিকে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোতে ছিল ৪১,৯৫৬। মোদ্দা কথা এদিন মেট্রো রেলেই ভিড় ছিল ঠাসাঠাসি। ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে এদিন হাজার মানুষ শহরে এসেছে। তাছাড়া সড়ক পথে যানজট থাকায় অনেকেই মেট্রোতে যাতায়াত করেছেন। বৃহস্পতিবার একমাত্র যাতায়াতের পথ বলতে ছিল মেট্রো। সেই কারণে মেট্রোতে ভিড় অনেকটা বেশি ছিল।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূলের অভ্যন্তরের বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর, তৃণমূলের ভোট কার ঘরে?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূল ক্রশ ভোটিং করেছে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কেউ ভোট দিয়েছেন এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে, আবার কারও কারও ভোট বাতিল বলে ঘোষিত হয়েছে। বিরোধী দলনেতার এহেন অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেনি।এদিনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগণনা ছিল। তৃণমূলের শহিদ দিবসের দিন সাধারণত অন্য দল থেকে ঘাসফুল শিবিরে কেউ কেউ যোগ দেন। এবার এই দিনে তৃণমূলের অভ্যন্তরে বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে বলে শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে অভিযোগ করে বসলেন।রাজ্য বিধানসভা থেকে দ্রৌপদী মুর্মু ভোট পেয়েছেন ৭১টি। শুভেন্দুর বক্তব্য, ইচ্ছাকৃতভাবে তৃণমূলের চার বিধায়ক নিজেদের ভোট বাতিলযোগ্য করেছেন। এক বিধায়ক দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিয়েছেন। কারণ, তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের হুইপ মেনে বিরোধীদের প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে ভোট দিতে চাননি। দ্রৌপদী মুর্মুকে রাজ্যের ৭০ জন বিজেপি বিধায়কের ৭০ জনই ভোট দেবেন। তাহলে ১টি ভোট কে দিলেন? তৃণমূলের এক বিধায়ক বিধানসভায় ক্রশ ভোট দিয়েছেন বলে শুভেন্দুর দাবি।As promised by me all 70 @BJP4Bengal MLAs voted in favour of Smt. Draupadi Murmu ji.While 1 @AITCofficial MLA cross voted in favour of the President Elect, 4 TMC MLAs ensured that their votes were regarded invalid !71 votes were polled in favour of Smt. Murmu ji in WB Assembly: pic.twitter.com/QDwIy2LKkB Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 21, 2022এমনকী লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের ৪ সাংসদের ২ জন দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিয়েছেন বলেই দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। বাকি দুজনের ভোট বাতিল হয়েছে। বিজেপির প্রশ্ন তাহলে যাঁরা প্রকাশ্যে তৃণমূলেই আছেন তাহলে তাঁরা কি করে দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে বিজেপি-তৃণমূল দুপক্ষই দাবি করেছিল বিরোধী দলের সাংসদ-বিধায়করা ক্রশ ভোট করবেন। শুভেন্দুর দাবি নিয়ে জোর জল্পনা চলছে রাজনৈতিক মহলে।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

গলসিতে সমীকরণ চেঞ্জ, তৃণমূলের নতুন গোষ্ঠীর উত্থান

শহিদ দিবসে মুখে গোষ্ঠী কোন্দলে দাঁড়ি টেনে তৃণমূলের ঐক্যের ছবি দেখা গেল গলসির ১ ব্লকে। রবিবার বিকেলে রামগোপালপুর বাজারে একুশে জুলাই প্রস্তুতি পথসভাতে একই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মাথা গলসি ১ ব্লকের সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায় ও প্রাক্তন ব্লক সভাপতি তথা জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি জাকির হোসেন। জামালপুরের বিধায়ক (গলসির প্রাক্তন বিধায়ক) তথা জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি অলোক মাঝি, তৃণমূলের ব্লক সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান জাহির আব্বাস, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রোকেয়া বেগম প্রমুখ। জনার্দনবাবু বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আমরা সকলকে ডেকেছিলাম। জাকির হোসেন এসেছেন। সবাই দলের হয়ে লড়াই করবো। আর জাকিরবাবুর বক্তব্য, আমাদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি ছিল। তবে আমাকে ব্লক সভাপতি ডেকেছিলেন। জনার্দন দা আমার রাজনৈতিক গুরু। গুরুর ডাকে এসেছি। এবার গুরুশিষ্য এক সঙ্গে দলের কাজ করবো। যদিও বিরোধীদের দাবি, আজই নতুন গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। সেই গোষ্ঠীর এক দিকে প্রধান জাকির, জনার্দন আর অন্যদিকে বিধায়ক নেপাল ঘরুই, দল যুব সভাপতি পার্থ মণ্ডল, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির এক জেলা নেতার দাবি, এবার তো গলসি ১ ব্লকের তৃণমূলের নতুনগোষ্ঠীর খেলা হবে। রাজনৈতিক মহলের দাবি,গলসিতে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নতুন নয়। দলের বিভাজন তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই। তখন এক গোষ্ঠীর মাথায় ছিলেন জনার্দনবাবু আর অন্য গোষ্ঠীর শীর্ষে ছিলেন প্রাক্তন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পরেশ পাল। মাঝে দুজনেই রাজনীতি থেকে অনেকটাই দূরে সরে যান। সেই সময়ে দলের ব্লক সভাপতি দায়ীত্ব সামলদেন জাকির হোসেন। আর দলের ব্লক যুব সভাপতির পদে আসীন ছিলেন পার্থ মণ্ডল। তখন এক গোষ্ঠীর একটি মাথা হয়ে যান জাকিরবাবু আর অপর গোষ্ঠীর শীর্ষে থেকে যান পার্থবাবু। কিন্ত ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব জাকিরকে সরিয়ে এক প্রকার ঘর থেকে তুলে এনে জনার্দনবাবুকে ব্লক সভাপতির পদে বসিয়ে দেন। সেই থেকেই জনার্দনের সঙ্গে জাকিরের সম্পর্কের অবনতি শুরু। তারপরে ব্লকে একাধিক বার একাধিক গ্রামে অশান্তির ঘটনা ঘটে। লাগাতার বোমা গুলিগালা চলে। শনিবার সন্ধ্যাতেও খলসেগড়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারামারি হয়। ভাঙচুর হয় বাইক, টোট সহ দলীয় কার্যলয়। এই পরিস্থিতির জন্যও জাকির গোষ্ঠী এবং জনার্দন গোষ্ঠী পরস্পরকে দোষারোপ করে।দলের একাংশের দাবি, ক্রমে এই কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। শুধু তাই নয়, বিধানসভা ভোটের প্রচার নিয়েও বিবাদ প্রকাশ্যে এসেছিল। গলসি বিধানসভার দলীয় প্রার্থী নেপাল ঘরুই সমর্থনে পৃথক প্রচার চালায় দুই গোষ্ঠী।দলীয় কর্মীদের দাবি, দলের ক্রমাগত দ্বন্দ্বের ফলে গত লোকসভা নির্বাচনে গলসি বিধানসভাতে বিজেপি থেকে অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছিল তৃণমূল।লোকসভাতে পিছিয়ে থাকা তার উপর দলের চরম গোষ্ঠী কোন্দল বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল কে ভাবিয়ে তুলেছিল বলে দাবি তাঁদের। তাঁরা জানান, এমন পরিস্তিতি তৈরি হয় অলোক মাঝিকে গলসি বিধানসভা থেকে সরিয়ে তার পরিবর্তে নেপাল ঘরুইকে ২০২১ সালে প্রার্থী করতে হয়। সেই সময় বহু পরিশ্রম করে তৃণমূলকে বৈতরণী পার হতে হয়েছে। গলসিতে তৃণমূল জিতলেও গোষ্ঠীকোন্দল কিছুতেই থামছিল না। জেলার এক নেতার দাবি, এই পরিস্থিতিতে দলের স্বার্থেই বিবদমান দুই নেতাকে কাছাকাছি আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। সামনে পঞ্চায়েত, বছর দুয়েকের মধ্যে আবার লোকসভা ভোট। এই পরিস্থিতিতে দলের দ্বন্দ্ব মিটানোই লক্ষ্য। কিন্তু, তা হয়ে উঠছিল না। এ দিন মিছিলের পরে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন জেলা নেতৃত্ব। হাঁফ ছাড়েন অলোকবাবুও। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ২০১৬ সালের এই টিম গলসি বিধানসভা জিতিয়ে দিদির হাতে তুলে দিয়েছিল। আবার এক মঞ্চে তারা। খুব ভালো লাগছে। অলোক বাবু আশাবাদী হলেও এদিন সভাতে দেখা যায়নি, গলসির বিধায়ক নেপাল ঘরুই, ব্লকের যুব সভাপতি পার্থবাবুকে, দলের সংখ্যালঘু সেলের জেলা সহ সভাপতি মহম্মদ মোল্লা আর গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়কেও। দলের একাংশের দাবি, তাঁরা জাকিরবাবু বিরোধী হয়ে উঠেছে। এক সঙ্গে বিভিন্ন জায়গাতে মিছিল মিটিংও করছেন। জাকিরবাবু আর জনার্দনবাবুকে এক করতে গিয়ে নতুন একটা গোষ্ঠীর জন্ম করে দিয়ে গেলেন অলোকবাবু এমনটাই অভিযোগ দলের নীচু তলার বহু কর্মীর।

জুলাই ১৭, ২০২২
রাজ্য

'পায়ে হেঁটে, সাইকেলে ঘুরুন, চারচাকা গাড়িতে ঘোরার দরকার নেই,' নেতা-কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি অভিষেকের

আলিপুরদুয়ারের সভাতে গিয়ে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে দলীয় নেতা-কর্মীদের বার্তা দিলেন মানুষের পাশে থাকার। অভিষেক বলেন, রাজনীতি মানে শুধু ভোটের রাজনীতি নয়। ১০০দিনের কর্মসূচি নিতে হবে। মানুষের কথা বলতে এসেছি। আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি। নিশ্চিতভাবে আমাদের গাফিলতি ছিল। অপনাদের আস্থা বা ভালবাসা আমাদের দোষেই হারিয়েছি। যে কোনও প্রয়োজনে 7887778877 নম্বরে ফোন করবেন।অভিষেক কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলের একশ্রেণির নেতাদের। তিনি বলেন, মানুষ ভোট দিতে চায়। কয়েকটা লোকের মুখ দেখে ভোট দেয় না। তাঁদের টিকিট দেওয়া হবে না। জেলার দায়িত্ব মানে কেউ কেটা হয়ে গিয়েছে, সেটা চলবে না। বাইকে করে ঘুরুন, পায়ে হেঁটে ঘুরুন, বড় চারচাকায় ঘোরার দরকার নেই। সাইকেলে ঘুরুন। বিরোধী মনে করে ঘুরুন।এরইমধ্যে বিজেপির মন্ত্রী থেকে বিধায়ক নয়া উত্তরবঙ্গ রাজ্যের দাবি তুলেছেন। এই নিয়ে বিতর্ক চলছেই। এদিন অভিষেক জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের অভিধানে আর উত্তরবঙ্গ শব্দটাই থাকবে না{ এমনকী তিনি সাংবাদিকদের কাছেও আবেদন করেছেন উত্তরবঙ্গ না লিখতে। অভিষেক বলেন, কোনও দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গ নয়। একটাই বঙ্গ।বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক চলছে। একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার অর্থ দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করে আসছে রাজ্য। অভিষেক বলেন, বাংলার মানুষের প্রকল্প বাংলার নামে হবে না প্রধানমন্ত্রীর নামে হবে? পঞ্চায়েত সমিতির নামে রাস্তা হলে এলাকার নামে হবে না সদস্যর নামে হবে? প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর নামে হবে না বাংলার নামে হবে। মুখ্যমন্ত্রী গ্রাম সড়ক প্রকল্প করতে পারত, করেনি। বাংলার নামে করেছে। তাঁর দাবি, ১০০ দিনের ৯হাজার কোটি টাকা, বাংলার আবাস যোজনা ৮হাজার কোটি টাকা, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা ৫হাজার কোটি টাকা আটকে রেখে দিয়েছে কেন্দ্র।

জুলাই ১২, ২০২২
রাজ্য

'মা কালি' বিতর্কে কড়া সমালোচনা করলেন টলিউডি অভিনেত্রী

ভারতীয় চিত্র পরিচালক লীনা মানিমেকালাইয়ের তথ্যচিত্রের একটি পোস্টারে দেবী কালী রূপে এক মহিলাকে ধূমপান করতে দেখা যায়। সেই পোস্টার নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে সোমবার কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে বেফাঁস কথা বলে ফেলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মিত্র। যার জেরে আসমুদ্র হিমাচল রে রে শুরু করে দেন। তাঁর করা সেই মন্তব্য নিয়ে দানা বাঁধে নতুন এক বিতর্ক। মহুয়ার করা মন্তব্য নিয়ে কড়া বিবৃতি দেই ভারতীয় জনতা পার্টি। তাঁর মন্তব্য নিয়ে একের পর এক আক্রমণ শানাতে শুরু করে বিজেপি। সাংসদের দল সর্বভারতীয় তৃণমূলের তরফেও টুইট করে জানিয়ে দেওয়া হয়, তৃণমূল দল মহুয়ার বক্তব্যকে সমর্থন করছে না।চিত্র জগতের পক্ষ থেকেও এই মন্তব্য নিয়ে বিবৃতি দেওয়া শুরু হয়ে গেছে। ইতি মধ্যে মৌবনি সরকার তাঁর সামাজিক মাধ্যমে কড়া ভাষায় নিন্দা করেছেন এই বিতর্কিত মন্তব্যের, তিনি লিখেছেন আমি একবার মা কালীর উপর একটি সংক্ষিপ্ত সঙ্গীত চলচ্চিত্র তৈরি করেছিলাম, যা আমি শেয়ার করব, কিন্তু রাজনীতিবিদরা যারা নিজেদের অত্যন্ত স্মার্ট মনে করে বক্তব্য রাখেন, আমার কাছে মা কালী শুধুমাত্র একজন মহিলা যিনি মদ্যপান করেন..., ইত্যাদি ইত্যাদি, দয়া করে আগে নিজেদেরকে শিক্ষিত করুন তারপর মা কালী সম্পর্কে বলার সাহস দেখান। এটা লজ্জার যে আপনি বাংলার, যেখানে মা কালী দেবীরুপে পুজিত হন এবং আপনার নিজের সাংস্কৃতির প্রতি সত্যিই অকৃতজ্ঞ, সেকারনে আপনাকে আরও স্মার্ট বা শিক্ষিত করে তুলতে পারে না। আপনাদের মত এমন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ভোট দিতে এবং সমর্থন করতে আমাদের লজ্জা হওয়া উচিত যার যারা নিজেদেরকে ঈশ্বরের ওপরে মনে করেন। তিনি আরও বলেন আমার মনে হয় আমরা ইতিমধ্যেই এর জন্য অনেক মূল্য পরিশোধ করছি।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে হিন্দু দেবতা শিব কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে দলকে বিপাকে ফেলেছিলেন বর্তমান তৃনমূল কংগ্রেসের যুব সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। সম্প্রতি বিজেপির অপসারিত যুবনেত্রী নুপুর শর্মা-র মন্তব্য ঘিরে সারা দেশ জুড়ে অস্থিরতার বাতাবরণ তৈরি হয়। তৃনমূল সংসদ মহুয়া মিত্র সেই একই পথে হেঁটে ধর্মীয় ভাবাবেগকে আবার আযাচিত ভাবে আঘাত হানলেন বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।এখানে উল্লেখ্য হিন্দু দেবতা মা কালী কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য তৃণমূল সাংসদের গ্রেফতারির দাবিতে সরব হয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্যেরা বৌবাজার থানায় বুধবার দুপুরে মোট ৫৬টি অভিযোগ দায়ের করেন। মহুয়ার গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

জুলাই ০৬, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল ভাতার, ব্যাপক বোমাবাজি, জখম আট

তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার। শুক্রবার ভাতারের মোহনপুরে খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্য়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি চলে। গুলিও চলে বলে অভিযোগ। সংঘর্ষে জখম হয়েছে ৮ জন। ঘটনাস্থলে গিয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। আহতদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হালপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এদিন সংঘর্ষের পর মোহনপুর গ্রাম জনমানব শূন্য হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভাতার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ। নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা যাতে না ঘটে তাই পুলিশি টহল চলছে। বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে ভাতার থানার পুলিশ।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি জখম আমির মল্লিক জানান, ভাতারের প্রাক্তন বিধায়ক সুভাষ মণ্ডলের সঙ্গে বর্তমান বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর অনুগামীদের মধ্যে ঝামেলা হয় জমি দখলকে নিয়ে।

জুন ২৪, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সভা সফল করতে প্রস্তুতি বৈঠক রায়ানে

আগামী ২৭ জুন বর্ধমানের এগ্রিকালচার ফার্মের ময়দানে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরে ২১ জুলাই ধর্মতলায় শহিদ দিবস। এই দুই অনুষ্ঠানকে সফল করতে বর্ধমান এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি ময়দানে নেমে পড়েছে। দেওয়াল লিখন থেকে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভা করছে। বৃহস্পতিবার রায়ান অঞ্চলে সভা করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই সভায় বক্তব্য রাখেন বর্ধমান এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কাকলি তা গুপ্ত। এদিন তৃণমূলের কর্মীসভা ছিল ভিড়ে ঠাসা। উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, ডাঙাপারা অঞ্চলের তৃণমূল সদস্য সেখ জামাল, কার্ত্তিক, রিন্টু, সেখ সিরাজ। কাকলি তা গুপ্ত বলেন, এক দেড়শো নয়, এলাকার সমস্ত মানুষকে নিয়ে এগ্রিকালচার ফার্মে পৌঁছাতে হবে আগামী ২৭ জুন। আমাদের এখানে মুখ্যমন্ত্রীর সভা হচ্ছে। দায়িত্ব অনেক বেশি। ১০০ দিনের কাজে মোদী সরকার বাংলাকে বঞ্চনা করছে। সেই দাবি জোরালো করতে হবে। ২৭ জুন মুখ্যমন্ত্রীর সভাকে কেন্দ্র করে বর্ধমানে সাজো সাজো রব। ওই দিনই প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুন ২৩, ২০২২
রাজ্য

মহারাষ্ট্রের সঙ্কট-ছায়া বাংলায় দেখছেন শুভেন্দু অধিকারী

মহারাষ্ট্রে মহাসঙ্কটে শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে সরকারের। সরকার ভাঙার মুখে। সঙ্কটে শিবসেনা-কংগ্রেস-এনসিপিজোট। নির্বাচনে জোট হয়েছিল শিবসেনা ও বিজেপির মধ্যে। কিন্তু তারপর বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে বিরোধীদের হাত ধরে সরকার গঠন করেছিল শিবসেনা। এই দলের অধিকাংশ বিধায়ক এখন বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাতে চলেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি বাংলায় হবে বলে দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।এদিন পশ্চিমবঙ্গ দিবসে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। রাজ্য দুবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। ওখানে সুপ্রিকোর্ট বলছে সব তো ২ মে-র পরের ঘটনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন বলে মামলা। তাই ভাইপো ও ভাইপোর বউকে ডাকলো বলে মামলা। ওসব নাটক খাটবে না। এরপরই শুভেন্দু মহারাষ্ট্রের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, দেখতে থাকুন। মহারাষ্ট্র হয়ে গিয়েছে, ঝাড়খন্ড হবে এবার বাংলা হবে।

জুন ২৩, ২০২২
রাজ্য

নতুন গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত গলসি, নজর রাখছে জেলা নেতৃত্ব

নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব এবং তার জেরে অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগ ঘিরে তেতে উঠেছে গলসি ১ ব্লকের রাজনৈতিক পারদ। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে তাতে রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা বড় বিপদে পড়তে পারে শাসক তৃণমূল। এমনকি ওই ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির কাজকর্ম শিকেয় উঠতে পারে।রাজনৈতিক মহলের দাবি, দিন দুয়েক আগে শাসকদলের পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পেছনে দলেরই কোন্দল রয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, কাজ না করে তৃণমূল পরিচালিত গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের টাকা পাওয়ার অভিযোগ তুলে সবর হয়েছেন ওই সমিতিরই সদস্য-সদস্যাদের একাংশ, বেশ কয়েকজন কর্মাধ্যক্ষ সহ খোদ সভাপতি রোকেয়া বেগমও। যদিও লিখিত কোন অভিযোগ নেই। তবে তাঁদের দাবি, ঠিকাদার কোন কাজ না করেই দুদফায় কাজের অনুমোদিত সমস্ত অর্থ তুলে নিয়েছে। আর তা হয়েছে ঠিকাদার অনুপবাবুর ঘনিষ্ঠ বলে। আর এই অভিযোগকে ঘিরে সরগরম গলসির রাজনীতি। কিন্তু সেই সব অভিযোগ উড়িয়ে অনুপবাবুর পাল্টা দাবি, যা হয়েছে সব নিয়ম মেনেই হয়েছে। ঘোলাজলে মাছ ধরতে নেমে দলের ভাবমূর্তি, প্রাশাসনের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইছেন অভিযোগকারীরা। কিন্তু, দলের জেলা নেতৃত্ব জানেন কোথায় কি হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, গলসি ১ ব্লকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থাকলেও তার তীব্রতা সব থেকে বেশি দেখা যাচ্ছে গত এক মাসধরে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, দলের আদিগোষ্ঠীর পরিবর্তে নতুন গোষ্ঠী মাথা চড়া দিয়েছে ওই ব্লকে। ফলে দিন যত যাচ্ছে ততই নতুন গোষ্ঠীর কোন্দল প্রকাশে চলে আসছে। এলাকায় কোন গোষ্ঠী আধিপত্য বিস্তার করবে, তা নিয়েই নতুন গোষ্ঠী-বিরোধ। যার এক দিকে রয়েছেন ব্লক তৃণমূল প্রাক্তন সভাপতি তথা জেলা সহ সভাপতি জাকির হোসেন এবং তাঁর অনুগামীরা। অন্য দিকে, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্রোপাধ্যায় ও তাঁর গোষ্ঠী।স্থীনায় সূত্রে খবর, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতিতে আধিপত্য রয়েছে অনুপবাবুর। আর সভাপতি রোকেয়া সহ বেশ কয়েকজন কর্মাধ্যক্ষ আর সদস্য রয়েছেন জাকিরের দিকে। কিন্ত এমনটা ছিল না। মাস পাঁচেক আগেও জাকিরের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিল অনুপ। আর তাঁদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল দলের ব্লক সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায়ের। এলাকার রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দলের ওই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলছে। তারই জেরে মারপিট, পার্টি অফিস ভাঙচুর, বোমাবাজির একাধিক অভিযোগ উঠছে দুই পক্ষের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই লড়াইয়ে তিতিবিরক্ত ছিলেন। কিন্ত নতুন করে জাকির আর অনুপের কোন্দল দলকে ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্ধমান সফরের আগেই গলসির এই দুই নেতার দ্বন্দ্ব ঘুম ছুটিয়েছে জেলা নেতৃত্বের।কিন্তু কেন এমন হলো?রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাকির আর অনুপের দূরত্ব বেড়েছে পারাজ-শিল্ল্যা রোডের উপর পঞ্চায়েত সমিতির টোল নিয়ে। তাঁদের দাবি, ওই টোল নিজের ঘনিষ্ঠদের পাইয়ে দেওয়ার জন্য উঠে-পরে লেগেছিলেন জাকির হোসেন। কিন্তু, পঞ্চায়েত সমিতি নিয়ম মেনে দরপত্র ডেকে দেওয়াতে তা হয়নি। এরপর যত দিন গড়িয়েছে ততই দূরত্ব বেড়েছে জাকির আর অনুপের। সম্প্রতি পারাজে কাঠের সেতুর উপর টোল আদায় বন্ধ করেছে প্রশাসন। যে কাঠের সেতুর উপর অবৈধভাবে টোল নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল জাকিরের অনুগামীদের বিরুদ্বে। এই টোল আদায় বন্ধ করার পেছনে অনুপ কলকাটি নেড়েছে বলে মনে করছেন জাকিরের অনুগামীরা। ফলে জাকির আর অনুপের সম্পর্ক পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, দলের ভেঙে দেওয়া গলসি ১ ব্লক সভাপতি পদে দুজনই দৌড়ঝাঁপ করছেন। আর সেই দৌড়ে অনুপকে পেছনে ফেলতে জাকির গোষ্ঠী অনুপ ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারকে কাজের আগে টাকা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে সবর হয়েছেনে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।জেলাস্তরে এক নেতার বক্তব্য, গলসির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অবৈধ বালি খাদান চালানো, বৈধ বালি খাদান থেকে টাকা তোলার অভিযোগ ছিলই। তারপরে নতুন করে এমন সব অভিযোগ আসছে যা দলকে ভাবিয়ে তুলছে। তবে দল এইসব বেনিয়ম বরদাস্ত করবে না। আগামীতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তৃণমূলের জেলা শীর্ষ জানিয়ে দিয়েছে।

জুন ২৩, ২০২২
রাজ্য

এবার তৃণমূলের শহিদ দিবস ধর্মতলায়, বিশেষ গুরুত্ব উত্তরবঙ্গকে

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ও পরের বছরে একুশে জুলাই শহিদ দিবস ভার্চুয়ালি আয়োজন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ফের ধর্মতলায় শহিদ দিবস পালন করবে ঘাসফুল শিবির। উত্তরবঙ্গের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে তৃণমূল। দল চাইছে উত্তরবঙ্গ থেকে আরও কর্মী-সমর্থক ওই দিন ধর্মতলায় আসুক।তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, গত ২ বছর করোনা আবহে আমরা এই অনুষ্ঠান করতে পারিনি। যদিও ভার্চুয়ালি মিটিং হয়েছে। কোনও জনসমাগম করা হয়নি। এবার ২১ জুলাই পথ চলায় কর্মীদের দিক নির্দেশ দেবেন মমতা। এই দিনটা আগে আয়োজন করতো যুব কংগ্রেস তারপর তৃণমূল কংগ্রেস।সম্প্রতি দিল্লি গিয়ে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, এবার শহিদ দিবসে আরও বেশি করে সারা দেশ তাকিয়ে আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি থেকে আরও বেশি কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত হতে পারেন তার ওপর জোর দিতে হবে। জেলায় জেলায় স্লোগান তুলতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ শুনতে ধর্মতলা চলো। এবার আগের থেকেও রেকর্ড সংখ্যক ভিড় হবে। ভিন রাজ্য থেকেও প্রতিনিধিরা আসবে।এদিন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ২১ জুলাই আয়োজনের প্রস্তুতি বৈঠক হয়। উত্তরবঙ্গে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের পর ২০২১ বিধানসভা ভোটেও দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। একজন সাংসদও নির্বাচিত হয়নি ঘাসফুল শিবিরের। আলিপুরদুয়ার জেলায় একজন বিধায়কও নেই তৃণমূলের। এই পরিস্থিতিতে আগামী ২১ জুলাই উত্তরবঙ্গকে বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছে তৃণমূল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ২১ জুলাই উপলক্ষ্য়ে কেউ যেন চাঁদা না তোলে। তাহলেই কড়া ব্যবস্থা নেবে দল।

জুন ১৭, ২০২২
রাজ্য

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও ১০০ দিনের কাজের প্রাপ্য টাকার দাবিতে বর্ধমানে মহামিছিল

রাজ্যে যখন বিজেপি-র সর্ব-ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা দলকে অক্সিজেন যোগান দিতে এসেছেন, ঠিক সেই সময় সারা রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামল তৃণমূল কংগ্রেস। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প-র বকেয়া প্রদান ও পেট্রোপণ্য সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক মুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার বর্ধমান শহরে এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেন তৃণমূল কংগ্রেস। মিছিলটি শুরু হয় বংশগোপাল টাউন হল থেকে। মিছিলের নেতৃত্ব দেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, উত্তরফটক-এ গিয়ে এক পথসভা করে মিছিলের পরিসমাপ্তি হয়।বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস জানান বর্ধমান পুরসভার ৩৪টি ওয়ার্ডের অধিকাংশ পুরপিতা এই মহা মিছিলে অংশ নেন। তিনি আরও জানান আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ হাজার তৃণমূল সমর্থক পা মেলান এই প্রতিবাদ মিছিলে। বিধায়ক খোকন দাস জানান, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যেভাবে পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিন ও রান্না গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে তাতে করে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।বর্ধমান শহরে তৃনমুলের মহামিছিলবর্ধমান শহর আর এক তৃণমূল নেতৃত্ব সুজিত কুমার ঘোষ জনতার কথা কে জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বিচারিতা ও বৈমাতৃক সুলভ আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানাই, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বারংবার বিভিন্ন সভায় জানিয়েছেন ৯৪ হাজার কোটি টাকা জিএসটি থেকে প্রাপ্য রাজ্যের পাওনা কেন্দ্রের এই অমানবিক সরকার আটকে রেখেছে। আমরা জানি দেশের অন্য বিজেপি শাষিত রাজ্যের এই পরিস্থিতি নেই।সুজিত ঘোষ আরও জানান, পেট্রোপণ্যের আস্বাভাবিক মুল্যবৃদ্ধির প্রত্যক্ষ প্রভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় দাম আজ আকাশ ছোঁয়া। সাধারণ মানুষ দেখছে, এর উত্তর ২০২৪ লোকসভা তে তাঁরা দেবে। বাংলার দিদি ভারতের দিদি হতে কিছু সময়ের অপেক্ষা। আজকের মিছিলে অগণিত মানুষের উপস্থিতি সেই বার্তা-ই দিচ্ছে। বিধায়ক খোকন দাস ছাড়া এই মিছিলে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, বর্ধমান পুরসভার উপ-পৌরপতি মৌসুমি দাস, ৪ নং ওয়ার্ডের পুরপিতা নুরুল আলম, উজ্জ্বল প্রামাণিক, সুজিত কুমার ঘোষ, আব্দুল রব, শিবশঙ্কর ঘোষ, ইন্তেকাব আলম সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

জুন ০৭, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন খগেন মুর্মু! বিষ্ফোরক দাবি বিজেপি সাংসদের

কিছু দিন আগেও ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করে এসেছে, দরজা খুললেই দলে দলে বিজেপির লোকজন ঢুকে যাবে। এবার তৃণমূলের প্রস্তাব নিয়ে বিষ্ফোরক মন্তব্য করলেন মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস গেরুয়া শিবিরের সাংসদের প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়েছেন। বিজেপির উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মুর দাবি করেছেন, ২০১৯-এর ১০ মার্চ মুর্শিদাবাদের এক মহিলা তৃণমূল বিধায়ক তাঁকে দলবদলের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দলবদল করলে কী ফায়দা পাবেন তা-ও জানিয়েছিলেন ওই বিধায়ক। খগেনের দাবি, তখন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল তৃণমূল যোগ দিলে পূর্ণ মন্ত্রী হবেন। সঙ্গে অনুগামী ১০ জনের সরকারি চাকরি মিলবে। এর পাশাপাশি আর্থিক সাহায্য পাবেন। তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি খগেনের বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছেন। খগেন মুর্মুর দাবি, তৃণমূল ২০১১ সাল থেকে আমার পেছনে লেগেছে। আমি বারে বারে একই কথা বলেছি তৃণমূলে যাওয়ার আমার মনের কোনও ইচ্ছা নেই। তৃণমূল কংগ্রেসকে আমি পার্টি মনে করি না। তৃণমূল কংগ্রেস মানে একটা ক্লাব বলা যায়। তবে ক্লাবের মধ্যে যে শৃঙ্খলা আছে, তা তৃণমূলে নেই। সুতরাং তৃণমূলে কংগ্রেসে যাওয়ার কথা কোনও দিনই আমি বলিনি। ভাবিওনি। তৃণমূলে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই আমার। আমি এক সময় বামফ্রন্টে ছিলাম, সিপিএম করতাম। নীতিগত কারণে অমিল হওয়ায় আমি দল পরিবর্তন করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলাম। ব্যক্তিগত কিছু মতামতের কারণে আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বারে বারে প্রস্তাব এসেছে দলবদল করার জন্য। আমি প্রতিটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি। ২০১৯-এর ১০মার্চ কলকাতায় এমএলএ হস্টেলে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেছেন।আব্দুর রহিম বক্সি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের এত দুর্দিন আসেনি যে বিজেপির মত একটি সাম্প্রদায়িক দল, মানুষ-মারা দলের সাংসদ বা কর্মীকে প্রস্তাব দিয়ে দলে নিতে হবে। এমনিতে ওরা সারিবদ্ধ ও দলবদ্ধ ভাবে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে দিদির অনুমোদনের অপেক্ষায়। দিদি যদি আজ অনুমোদন দেন তাহলে বিজেপি পার্টিটা আর এখানে থাকবে না। তাদের কোনও জনপ্রতিনিধিও থাকবে না।

জুন ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • ...
  • 60
  • 61
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিমানে উঠতেই মহুয়ার দিকে ‘চোর’ স্লোগান! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল শোরগোল

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জায়গায় জনরোষের মুখে পড়ছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এর আগে গণনাকেন্দ্রে অভিনেতা-পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর দিকে কাদা ছোড়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। অভিনেতা দেবকেও প্রকাশ্যে চোর স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।শুক্রবার দিল্লিগামী বিমানে উঠেছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, তাঁকে দেখামাত্রই কয়েকজন সহযাত্রী আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিমানের ভিতরেই ওঠে, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সব চোর স্লোগান। আচমকা এমন পরিস্থিতিতে অস্বস্তিতে পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ। তিনি নিজের আসনে বসে পড়েন। পরে বিমানকর্মীরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই দলের একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে প্রকাশ্যে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, অভিনেতা দেব কার্যত টি-শার্ট দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন। সেই ঘটনার পর এবার মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে নতুন ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ইতিমধ্যেই বিমানের ভিতরের সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ভোটের ফলের পর কি রাজ্যে জনরোষ আরও বাড়ছে? যদিও এই ঘটনা নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি মহুয়া মৈত্র।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি রাজ্যের! টাটাদের ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি পেল রাজ্য। টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের বেঞ্চ আগামী আট সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ জারি করেছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে।সিঙ্গুরে কারখানা তৈরি না করতে পারার কারণে টাটা মোটরসকে এই বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সালিশি আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই তৎকালীন তৃণমূল সরকার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল।জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তিন সদস্যের সালিশি ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেয়, পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শুধু তাই নয়, ২০১১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা মেটানো পর্যন্ত বছরে ১১ শতাংশ হারে সুদ এবং মামলার খরচ বাবদ আরও ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সিঙ্গুরে টাটাদের জন্য অধিগৃহীত ৯৯৭ একর জমিকে অবৈধ ঘোষণা করে। আদালতের নির্দেশে কৃষকদের জমি ফেরানোর কাজ শুরু করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। যদিও বহু কৃষকের অভিযোগ ছিল, জমি ফেরত পেলেও তা চাষের উপযুক্ত অবস্থায় ছিল না।২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু জমি আন্দোলন এবং রাজনৈতিক সংঘাতের জেরে ২০০৮ সালে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল সরকার সিঙ্গুর জমি পুনর্বাসন ও উন্নয়ন আইন পাশ করে জমি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।সিঙ্গুর মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের এই নতুন সিদ্ধান্ত ঘিরে ফের রাজনৈতিক এবং শিল্প মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় কি সত্যিই বন্ধ হচ্ছে মদ? অমিত শাহকে ঘিরে ভাইরাল পোস্টে তুমুল চাঞ্চল্য!

বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জল্পনা ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিজেপি। আর তার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি পোস্ট, যেখানে দাবি করা হয়েছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মদ বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি এমন ঘোষণা করেছেন।ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের নামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে লেখা রয়েছে, পশ্চিমবঙ্গকে ড্রাই স্টেট ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ রাজ্যে আর কোথাও মদ বিক্রি করা যাবে না। এই পোস্ট সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়ে যায় তুমুল চর্চা। অনেকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, তাহলে কি সত্যিই বিহারের মতো বাংলাতেও মদ নিষিদ্ধ হতে চলেছে? কেউ আবার দাবি করেন, বিজেপি সরকার এলে মাছ-মাংসের পাশাপাশি মদের উপরও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।তবে এই ভাইরাল দাবির সত্যতা সামনে আনল প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবি। কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অমিত শাহ এমন কোনও ঘোষণা করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মদ নিষিদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনাও নেই। ভাইরাল হওয়া ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।পিআইবি জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই ধরনের ভুয়ো খবর সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তাই কোনও খবর যাচাই না করে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, ভুয়ো খবর বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেখলে সরকারি মাধ্যমে অভিযোগ জানানো যেতে পারে।রাজ্যে সরকার গঠনের আগেই এই ভুয়ো পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে মদ নিষিদ্ধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়কে কেন্দ্র করে হঠাৎ এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে কেন্দ্রের স্পষ্ট বার্তার পর আপাতত এই জল্পনায় জল পড়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘আমি না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথ বাঁচত!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু, কাঁপছে বাংলা রাজনীতি

নতুন সরকার গঠনের আবহের মধ্যেই ফের ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। ফল প্রকাশের মাত্র দুদিনের মাথায় খুন হলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। নিজের দীর্ঘদিনের সহকর্মীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।বৃহস্পতিবার চন্দ্রনাথের দেহ কলকাতা থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে নিয়ে যাওয়ার সময় আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, আমি ভবানীপুরে না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথকে খুন হতে হতো না। আমি বিরোধী দলনেতা ছিলাম বলেই আমার পিএ হিসেবেও ও টার্গেট হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, এই খুনের ঘটনায় চার্জশিট জমা পড়বে এবং দোষীরা কঠোর শাস্তি পাবে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত প্রায় দশটা পনেরো নাগাদ মধ্যমগ্রামে নিজের ফ্ল্যাটের দিকে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। সেই সময় একটি চারচাকা গাড়ি এসে তাঁর গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি চালায়। গাড়িতে চালকের পাশাপাশি পিছনের সিটে আরও একজন ছিলেন। হামলার সময় তিনি সিটের নীচে লুকিয়ে পড়ায় প্রাণে বেঁচে যান বলে জানা গিয়েছে।গুলিতে গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। দ্রুত তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথ রথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখনও তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর।এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই খুনের ঘটনায় সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই হামলা কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

নাটকীয় মোড় বাংলার রাজনীতিতে! সংবিধানের ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিধানসভা ভাঙলেন রাজ্যপাল

নতুন সরকার গঠনের আর মাত্র দুদিন বাকি। তার আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় মোড়। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্তফা না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল রবি নারায়ণ রবি। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।রাজভবন সূত্রে খবর, ভারতীয় সংবিধানের একশো চুয়াত্তর নম্বর অনুচ্ছেদের দুই নম্বর দফার খ উপদফা অনুযায়ী রাজ্যপাল এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভার কার্যকালের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে। এর ফলে অষ্টাদশ বিধানসভা গঠনের পথ সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে গেল।রাজনৈতিক মহলে গত কয়েক দিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা নিয়ে জোর চর্চা চলছিল। নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি সরেননি। এর আগেও এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বলেছিলেন, আমরা হারিনি। আমাদের একশো আসন লুঠ করা হয়েছে। সেই কারণেই তিনি পদত্যাগ করতে নারাজ বলেও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন।এদিকে শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন ব্রিগেডে হতে চলেছে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। নতুন সরকারকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে এসপিজি, কলকাতা পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। ব্রিগেড চত্বর ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ খুনে বিস্ফোরক মোড়! সিবিআই তদন্তের দাবি তুলল তৃণমূল

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তরফে সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করে চন্দ্রনাথ রথের হত্যার পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত তিন তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে।অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের বার্তায় বলা হয়েছে, মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, আদর্শ আচরণ বিধি চালু থাকা সত্ত্বেও গত কয়েক দিনে বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতীদের হাতে তিনজন তৃণমূল কর্মী নিহত হয়েছেন। ঘটনায় আদালতের তত্ত্বাবধানে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে শাসকদল। দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়া এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইকে করে এসে দুই দুষ্কৃতী শুভেন্দুর আপ্তসহায়কের গাড়ির পথ আটকায়। এরপর খুব কাছ থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলাকারীদের বাইকে কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। চন্দ্রনাথ রথের বুকে, পেটে এবং মাথায় গুলি লাগে। ঘটনায় আহত হন তাঁর গাড়ির চালকও।গুরুতর আহত অবস্থায় চন্দ্রনাথকে দ্রুত মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালের সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। সেখানে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং, কৌস্তভ বাগচী-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই খুনের পিছনে রয়েছে।এদিকে ব্যারাকপুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী বলেন, এই ঘটনার ফল তৃণমূলকে ভুগতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পুরো ঘটনাই পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার না করা হলে চন্দ্রনাথের দেহ দাহ করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে’! চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে পৌঁছে এই ঘটনাকে ঠান্ডা মাথায় খুন বলে দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।চন্দ্রনাথ রথ দীর্ঘদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। গত প্রায় এক দশক ধরে রাজনৈতিক সফর থেকে সাংগঠনিক কাজ সবক্ষেত্রেই শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রামে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইক এবং গাড়িতে করে আসা একদল দুষ্কৃতী চন্দ্রনাথের স্করপিও গাড়ির পথ আটকায়। তারপর খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, অন্তত আটজন হামলাকারী চারটি মোটরবাইকে করে এসেছিল। প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট ছিল বলেও জানা গিয়েছে।তদন্তে আরও উঠে এসেছে একটি সন্দেহজনক গাড়ির তথ্য। শিলিগুড়ির নম্বরযুক্ত একটি গাড়ি চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই গাড়ি থামতেই আততায়ীরা গুলি চালাতে শুরু করে। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা।পুলিশ জানিয়েছে, চন্দ্রনাথের বুকে এবং পেটে গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। চিকিৎসকেরা প্রাণ ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।ঘটনায় আহত হয়েছেন চন্দ্রনাথের সঙ্গে থাকা বুদ্ধদেব নামে আরও এক ব্যক্তি। তাঁর শরীরেও একাধিক গুলি লেগেছে। পরে তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তিনি এখনও সচেতন অবস্থায় রয়েছেন এবং তাঁর অস্ত্রোপচার করা হবে।এদিকে রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত গাড়িতে ভুয়ো নম্বর প্লেট লাগানো ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করেছে। গাড়ির গতিবিধি এবং হামলাকারীদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।ঘটনার খবর ছড়াতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। সেখানে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং-সহ আরও অনেকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

হার্ট ভেদ করে গুলি! কেন বাঁচলেন ড্রাইভার, মৃত্যু হল চন্দ্রনাথের?

ভোট পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যমগ্রাম। শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে গাড়ি আটকে খুব কাছ থেকে তাঁর উপর এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় আহত হয়েছেন তাঁর গাড়ির চালকও। তাঁকে পরে বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, রাতেই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। চিকিৎসকদের দাবি, চন্দ্রনাথের বুকে বাঁদিক দিয়ে দুটি গুলি লাগে। গুলি হৃদযন্ত্র ভেদ করে যাওয়ায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রামের দোলতলা এলাকার কাছে বাড়ি ছিল চন্দ্রনাথ রথের। বুধবার রাতে তিনি গাড়ি করে ফিরছিলেন। সেই সময় একটি ছোট চারচাকার গাড়ি এসে তাঁদের গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর পিছন দিক থেকে বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা গুলি চালাতে শুরু করে। অভিযোগ, মোট ছয় রাউন্ড গুলি চালানো হয়। সেই সময় চন্দ্রনাথ চালকের পাশের আসনে বসেছিলেন।স্থানীয় সূত্রে খবর, মূল রাস্তা থেকে একটু ভিতরের দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। গাড়ি দাঁড়িয়ে যেতেই খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। চন্দ্রনাথ গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যাওয়ার পর আততায়ীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছোট গাড়িও উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। আহত চালক কিছুটা সুস্থ হলে তাঁর বয়ান থেকে হামলার বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।

মে ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal