• ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ৩০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TET

দেশ

শাহের দফতরের বাইরে তৃণমূল সাংসদদের টেনেহিঁচড়ে আটক! দিল্লিতে তুমুল উত্তেজনা

কলকাতায় আইপ্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি-র তল্লাশির প্রভাব পৌঁছে গেল রাজধানী দিল্লিতেও। শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দফতরের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূল কংগ্রেসের আট জন সাংসদ। সেই অবস্থান বিক্ষোভ ঘিরেই ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। দিল্লি পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল সাংসদদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত সাংসদদের আটক করে টেনেহিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তৃণমূল সাংসদরা। পাল্টা কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।শুক্রবার সকালে অমিত শাহের দফতরের বাইরে ধর্নায় বসেন ডেরেক ওব্রায়েন, সাকেত গোখলে, বাপি হালদার, শতাব্দী রায়, মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ, প্রতিমা মণ্ডল এবং শর্মিলা সরকার। তাঁদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড। সেখানে লেখা ছিল, মোদী, শাহ ও ইডি জেনে রাখো, যতই হামলা করো, বাংলা আবার জিতবে। আইপ্যাকের অফিসে ইডি তল্লাশি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন সাংসদরা।পুলিশ যখন তাঁদের সেখান থেকে সরানোর চেষ্টা করে, তখনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ ও সাংসদদের মধ্যে কার্যত ধস্তাধস্তি শুরু হয়। কাউকে টেনেহিঁচড়ে, কাউকে চ্যাংদোলা করে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়। পরে তাঁদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তোলেন সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল। তিনি বলেন, তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিলেন, কিন্তু দিল্লি পুলিশ তাঁদের উপর অত্যাচার করেছে, মারধর করেছে।বিজেপিকে আক্রমণ করে প্রতিমা মণ্ডল বলেন, বিজেপি বাংলার মানুষের ভোট পায় না বলেই রাজনৈতিক কৌশল চুরি করতে ইডি পাঠানো হয়েছে। মহুয়া মৈত্র বলেন, একজন নির্বাচিত সাংসদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশ কী আচরণ করছে, তা গোটা দেশ দেখছে। বিজেপিকে হারানোর লড়াই চলবে বলেও তিনি জানান।দিল্লিতে সাংসদদের আটক করার ঘটনায় সরব হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, গণতন্ত্রকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, অপরাধীদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং নির্বাচনকে প্রভাবিত করা হচ্ছে। তিনি আরও লেখেন, প্রতিবাদীদের জেলে ভরা হচ্ছে, অথচ ধর্ষকরা জামিন পাচ্ছে। বিজেপির নতুন ভারত-এর এই ছবির বিরুদ্ধেই লড়াই চলবে বলে বার্তা দেন তিনি। বাংলাকে কেউ মাথা নত করাতে পারবে না বলেও দাবি করেন অভিষেক।অন্যদিকে, শাহের দফতরের বাইরে তৃণমূল সাংসদদের ধর্না নিয়ে কটাক্ষ করেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, গৃহমন্ত্রণালয়ের সামনে ধর্না দিয়ে সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া যায় না। এতে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ আন্দোলন করলেও পুলিশ বিজেপি নেতাদের তুলে নিয়ে যায়। তৃণমূল সাংসদদের পুরনো বক্তব্য ও ভিডিও দেখার পরামর্শও দেন সুকান্ত।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
রাজ্য

আপাতত স্বস্তি যোগ্য শিক্ষকদের, চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি সুপ্রিম কোর্টের

অবশেষে কিছুটা স্বস্তির। সৌজন্যে সুপ্রিম কোর্ট। যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ৩১ ডিসেম্বর নয়, ২০২৬ সালের ৩১ অগস্ট পর্যন্ত চাকরিতে বহাল থাকবেন যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা। এই সময়সীমার মধ্যেই নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। এমনই স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। রাজ্যের তরফে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন জানানো হলেও আদালত সেই আবেদন আংশিক মঞ্জুর করে প্রায় আট মাসের অতিরিক্ত সময় দেয়। আদালত জানিয়ে দেয়, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এই সময়কালে যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিয়মিত বেতন পাবেন এবং পড়ানোর কাজও চালিয়ে যেতে পারবেন। তবে আদালত স্পষ্ট করেছে, এই সুবিধা শুধুমাত্র শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ কার্যকর হবে না।আজকের এই রায়ে বড় স্বস্তি পেল রাজ্য সরকারও। কারণ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখা এবং বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষক সংকট এড়ানো রাজ্যের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আগের যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পরিষেবা ও বেতন বহাল থাকবে।উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩ এপ্রিল ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেওয়ার সময় সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন করে পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরকে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই জটিল প্রক্রিয়া শেষ করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ায় রাজ্য সরকার সময় বাড়ানোর আবেদন জানায়।আদালতে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ স্তরের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও কয়েক মাস সময় প্রয়োজন। পাশাপাশি যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর আর্জিও জানানো হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫
দেশ

মুখ্যমন্ত্রীর ওপর হামলা! গ্রেফতার এক

বুধবার সকালে দিল্লির সিভিল লাইন্সে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার বাসভবনে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক জনশুনানি চলাকালীন এক ব্যক্তি তাঁকে আক্রমণ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ওই ব্যক্তি প্রথমে মুখ্যমন্ত্রীকে কিছু কাগজপত্র দেন এবং তারপর হঠাৎ করে তাকে আঘাত করেন। আক্রমণকারী, যার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর, তাকে ঘটনাস্থলেই আটক করে সিভিল লাইন্স থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছেছেন। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিজেপি এবং কংগ্রেস ও আপ নেতারাও মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আগস্ট ২০, ২০২৫
রাজ্য

টেট উত্তীর্ণদের বিক্ষোভে উত্তাল সল্টলেক, চ্যাংদোলা করে তোলা হল পুলিশ গাড়িতে

নিয়োগের দাবিতে ফের উত্তাল সল্টলেকের করুণাময়ী। ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণদের বিক্ষোভে উত্তাল। টেট উত্তীর্ণদের আন্দোলনে ধুন্ধুমার। সল্টলেক করুণাময়ীতে পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড়। আন্দোলনকারীদের সাথে ধাক্কাধাক্কি চলতে থাকে পুলিশের। ক্ষোভে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারীরা। মঙ্গলবার সকাল থেকে সল্টলেকে করুণাময়ী মোড়ে জমায়েত করেছিলেন ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণরা। প্রাথমিকে ৫০ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের দাবিতে তাঁদের এদিনের কর্মসূচি ছিল (এপিসি ভবন)পর্যদ অফিস অভিযান। সকাল থেকেই করুণাময়ীতে ভিড় বাড়তে থাকে। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী ব্যানার, প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান তুলতে শুরু করেন। কিন্তু আন্দোলন জমতে না জমতেই শুরু হয় পুলিশের ধরপাকড়। করুণাময়ী মেট্রো স্টেশনের বাইরে থেকেই পুলিশি বাধা তৈরি হয়। একে একে কর্মীদের ঘিরে ফেলে তাঁদের চ্যাংদোলা করে গাড়িতে তোলা হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই এলাকা জুড়ে তৈরি হয় উত্তেজনা। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। বহু চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সত্ত্বেও তাঁদের হেনস্তা করা হয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৫
রাজ্য

প্রাথমিকে প্যানেল প্রকাশ করতে সময় বেধে দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

বুধবার প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে প্রাথমিকের ৪২ হাজার ৯৪৯ প্রার্থীর প্যানেল প্রকাশ করতে হবে পর্ষদকে, শুনানি শেষে এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একই সঙ্গে পর্ষদকে তিনি বলেছেন, প্যানেল আগেই প্রকাশ হয়ে থাকলে সেই প্যানেলের হার্ড ও সফট কপি আদালতে পেশ করতে হবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে।জানা গিয়েছে, মামলাটি মূলত ২০১৪ সালের টেটের নিয়োগকে কেন্দ্র করে। ২০১৬ এবং ২০২০ সালে, দুদফায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। দুই নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা পর্ষদকে প্যানেল প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর পর্ষদ হলফনামা দিয়ে জানায় যে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে একটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু ২০১৬ সালের নিয়োগের রীতি মেনে প্যানেল প্রকাশের নিয়ম নেই।পর্ষদের যুক্তি খারিজ করে দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ প্যানেল দেখতে চায় আদালত। প্যানেল প্রকাশ না করে পর্ষদ কি কাউকে আড়াল করতে চাইছে? এই প্রশ্নও তেুলেছিলেন বিচারপতি সিনহা। একইসঙ্গে বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন, এমন ৯৪ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।গত ১২ ডিসেম্বর প্যানেল প্রকাশ করতে না চাওয়ার জন্য পর্ষদকে তিরস্কার করেন বিচারপতি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করে প্রাথমিক শিক্ষক পর্ষদ। ডিভিশন বেঞ্চ ওই মামলা ফেরৎ পাঠিয়ে দেয় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১৫ জানুয়ারি। ওই দিনই পর্ষদকে আদালতে প্যানেলের হার্ড কপি জমা দিতে হবে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৪
রাজ্য

শুধু টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক শিক্ষক, ৯৪ জনের চাকরি গেল পাকাপাকি

টেটই পাস করেননি, তবে চাকরি জুটেছিল প্রাথমিক শিক্ষক পদে। টাকার বিনিময়ে নাকি এই চাকরি হয়েছিল। শেষরক্ষা হল না শেষপর্যন্ত আদালতেও সঠিক নথি পেশ করতে ব্যর্থ হন ওই ৯৪ জন প্রাথমিক শিক্ষক। এরপরই প্রথামিক শিক্ষা পর্ষদ ওই ৯৪ জনের চাকরি বাতিলের কথা আদালতে জানিয়েছে।উল্লেখ্য, মানিক ভট্টাচার্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি থাকালীনই ওই ৯৪ জনকে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরিতে নিয়োগ করা হয়েছিল। যাঁরা টেট পাস করেননি।প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক মামলা হয়েছে। সেই সংক্রান্ত একটি মামলাতেই বিচারপতি অমৃতা সিনহা প্রশ্ন তুলেছিলেন যে কীভাবে টেট পাশ না করে চাকরি পেলেন প্রার্থীরা। পর্ষদের কাছে রিপোর্ট তলবও করেছিলেন বিচারপতি সিনহা। সেই রিপোর্টেই পর্ষদ জানিয়েছিল, টেট পাশ না করেই ২০১৪ ও ২০১৬ সালে চাকরি পেয়েছেন এমন ৯৬ জন প্রাথমিকে শিক্ষক হিসাবে কাজ করে চলেছেন। যা নিয়ে সর্বত্র শোরগোল পড়ে যায়।এরপরই বিচারপতি সিনহা ওই ৯৬ জনকে পর্ষদের কাছে তাঁদের নিয়োগ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। উচ্চ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ওই ৯৬ জনের থেকে নথি চেয়ে পাঠায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। জানা যায়, ৯৬ জনের মধ্যে ৯৪ জনই সঠিক নথি পেশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে ওই ৯৪ জনের চাকরি বাতিল করল পর্ষদ। চাকরি বাতিলের নির্দেশ ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ডিপিএসসি চেয়ারম্যানদের জানানো হয়েছে। আগামী সোমবার থেকেই পর্ষদের নির্দেশ কার্যকর হবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

কেন চাকরি বাতিল হাজার হাজার অপ্রশিক্ষিত প্রাথমিক শিক্ষকদের? কারণ জানালেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তেওয়ারি

অপ্রশিক্ষিত প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি বাতিল নিয়ে বিজ্ঞ মানুষজন টিভি চ্যানেল, সামাজিক মাধ্যম থেকে চায়ের আসরে ঝড় তুলছেন। কেউ জেনে বলছেন কেউ না জেনে বলছেন। মামলাকারী আইনজীবী তরুণজ্যোতি তেওয়ারি সামাজিক মাধ্যমে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরেছেন।গতকাল সন্ধ্যা থেকে অনেক গুণী ব্যক্তি প্রাইমারি প্যানেল ক্যানসেল নিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করছেন।। তারা কতটা জেনে বলছে সে বিষয়ে সন্দেহ আছে।যাদের চাকরি বাতিল হচ্ছে তারা সবাই অযোগ্য একথা অর্ডারেও বলা হয়নি।যাদের চাকরি বাতিল হয়েছে তারা সবাই ঘুষ দিয়ে চাকরি পেয়েছে এটাও কেউ বলেনি।।তাহলে বাতিল হল কেন? বাতিল হওয়ার অনেকগুলো কারণ আছে তার মধ্যে কয়েকটা লিখছি।।১. Aptitude Test হয়নি অথচ নাম্বার দেওয়া হয়েছে।।২. Reservation Roster মানা হয়নি।।৩. Recruitment Rules 2016 মানা হয়নি।।নিয়ম বা না মেনে নিয়োগ করলে কি হয় সেটা ত্রিপুরা শিক্ষক নিয়োগ মামলায় আশা করি আপনারা জানেন।।এবার আসি হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গে।।যাদের চাকরি বাদ গেল তারা সবাই সুযোগ পাবেন নতুন রিক্রুটমেন্ট প্রসেসে এবং তাদের সাথেই সুযোগ পাবেন অন্যান্যরা যারা চাকরিটা পায়নি।।Training যারা করেছেন তাদেরকেও এই রিক্রুটমেন্ট প্রসেসে non trained হিসাবেই ধরা হবে।।Viva + Aptitude টেস্ট পুরোটা ভিডিওগ্রাফি করা হবে।।যারা বাদ গেলেন তারাও এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং এই প্রক্রিয়ায় যদি তারা উত্তীর্ণ হন তাহলে তাদের সার্ভিস ব্রেক পর্যন্ত হবে না কিন্তু যদি অনূর্তির্ণ হন তাহলে চাকরিটা যাবে।।এবার আসি আমার মতামতের উপর।। যারা মামলাটার সাথে যুক্ত নয় এবং যারা কিছু জানেন না এই বিষয়ে তাদের মতামত শুনলাম তাই মনে হল নিজের মতামতটাও দেওয়া প্রয়োজন।।১. ২০১৬ র নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিয়োগের দিন পর্যন্ত যারা non trained ছিলেন তারা এই প্রক্রিয়ায় সুযোগ পাবেন।।২. Age bar থাকবে না সেই সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য।।৩. Reservation roster মেনে প্যানেল তৈরি হলে অনেক যোগ্য প্রার্থীরা চাকরি পাবেন।।৪. আপনাদেরকে বিভিন্ন পোষ্টের মাধ্যমে জানিয়েছিলাম এবং দেখিয়েছিলাম কিভাবে তৃণমূল নেতাদের সুপারিশ পাওয়া প্রার্থীদের Viva + Aptitude Test নম্বর বাড়ানো হয়েছে।। সেগুলো আর থাকবে না।।৫. যাদের চাকরি বাদ গেল তাদের মধ্যে অনেক জন আবার চাকরি ফিরে পাবেন কিন্তু আমার হিসাবে ২৫০০০+ নিয়ে অল্প সন্দেহ আছে এবং তার মধ্যে প্রায় ১২০০০+ এর ঘাপলা খালি চোখে ধরা পড়ছে।।অনেকে আবার এই চাকরি বাদ যাওয়া নিয়ে এই লজিক আনছেন যে এতগুলো পরিবারের কি হবে।। আপনাদের সাথে একমত, এদের পরিবার নিয়ে অবশ্যই চিন্তা করা উচিত।।কিন্তু এদের থেকে যোগ্য যারা রাস্তায় বসে আছে তাদের নিয়ে কোন সময় চিন্তা করেছেন কি? যারা যোগ্য হয়েও বঞ্চিত হয়ে আছে এত বছর তাদের নিয়ে ভেবেছেন কি? ১২৪০০০ TET পাশ করেছিল, তাদের কথা একবারও ভেবেছেন?

মে ১৩, ২০২৩
রাজ্য

রাত পোহালেই টেট, প্রস্তুতি তুঙ্গে

রাত পোহালেই টেট পরীক্ষা। প্রস্তুতি প্রায় সাড়া। পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট ৫৬টি সেন্টার আছে। একজন সেন্টার ইনচার্জ আছেন।একজন এক্সটেনশন লেভেল অফি সার আছেন।আর আছেন একজন অবজার্ভার। এই তিনজন মিলে পরীক্ষা পরিচালনা করবেন।মোট ৩২ হাজার টেট পরীক্ষার্থী আছেন পূর্ব বর্ধমান জেলায়।যারা দায়িত্বে আছেন তাদের ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। পুলিশ, আর টি ও, বিদ্যুৎ দপ্তর ও দমকল সবাইকে নিয়ে সমন্বয় বৈঠক হয়েছে। মোট ৫৬ জন অবজার্ভার রয়েছেন। যাতায়াতের জন্য আর টি ও দায়িত্বে আছেন। তিনি প্রতিটি সেন্টারে যাতে সকাল ১১ টা অবধি স্টেট বাস চলে তার ব্যবস্থা করবেন। ট্রাফিকে যাতে কোনো অসুবিধা না হয় তা পুলিশ দেখবে। অন্যদিকে রেলকে অনুরোধ করা হয়েছে যাতে ওইদিন অর্থাৎ রবিবার ট্রেন ঠিকমতো চলে।পরীক্ষা যাতে কোন অশান্তি না হয় তার জন্য জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা দফায় দফায় প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

অভিষেকের কথা শুনে অবস্থান ছেড়ে উঠে গেলে অনেক আগেই ওদের চাকরি হয়ে যেতঃ নির্মল মাঝি

কোর্টে না গিয়ে অভিষেকের কথা শুনে উঠে গেলে কবে সমস্যা মিটে যেত। আজ বর্ধমানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য শাখার প্রীতি সম্মেলন ও কর্মীসভায় এসে এই মন্তব্য করলেন প্রগ্রেসিভ ডক্টর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তথা বিধায়ক নির্মল মাঝি। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের কাছে যেদিন অভিষেক গিয়েছিল সেদিন অভিষেকের কথা শুনে তারা উঠে গেলে কবে এটা মিটে যেত।এমনকি দিদিও নিজে বলেছিলেন এদের চাকরি দিয়ে দেব। কিন্তু তারা শোনেনি। তারা বামপন্থী আইনজীবীদের কথা শুনে কোর্টে চলে গেল। এখন কোর্ট যা করার করবে। দিদির উপর ছেড়ে দিলে কবে হয়ে যেত। এখন মমতাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। সিপিএম কথায় কথায় কেস দিচ্ছে আর বিজেপি পিছন থেকে টাকা সাপ্লাই দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। নির্মল বাবু আরও বলেন, এখন কত জায়গায় আন্দোলন হচ্ছে। ইট ছুড়ছে, পাথর ছুড়ছে, বোম ছুড়ছে, কিন্তু পুলিশ মার খেয়েও কোথাও কিছু করছে না।বামফ্রন্টের সময় পুলিশ গুলি চালাত বলে মন্তব্য করেন তিনি। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা শুন্য হয়ে যাবে, মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে উজাড় করে ভোট দেবে বলে মন্তব্য করেন নির্মল বাবু। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ কনফারেন্স হলে আয়োজিত এদিনের সভায় নির্মল মাঝি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, বিধায়ক খোকন দাস, শম্পা ধারা সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতা কর্মীরা।

নভেম্বর ১৩, ২০২২
কলকাতা

পুলিশের কাজে বাধা, হিংসা ছড়ানো, গ্রেফতার ৩০ জনকে আদালতে পেশ করবে পুলিশ

২০১৪ টেট উত্তীর্ণ আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার ৩০ জনকে বৃহস্পতিবার আদালতে পেশ করা হবে। জানা গিয়েছে, এঁদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করেছে কলকাতা পুলিশ। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া, হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। বুধবার আন্দোলনকারী অরুনিমা পালকে কামড়ে দেয় এক মহিলা পুলিশকর্মী। সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই চারিদিকে নিন্দার ঝড় ওঠে। সেই অরুনিমা পালকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যদিও কামড়ে দেওয়া পুলিশ কর্মী ভর্তি হয়েছেন এসএসকেএমে। চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলনের জেরে গতকাল উত্তাল হয়ে যায় কলকাতার রাজপথ।এর আগে সল্টলেকে করুনাময়ীতে লাগাতার অনশন অবস্থানে বসেছিল ২০১৪ টেট উত্তীর্ণরা। তখন আদালত থেকে ১৪৪ ধারা অর্ডার বের করে গভীর রাতে আন্দোলন তুলে দিয়েছিল পুলিশ। সেদিনও টেনে-হিঁচড়ে পুলিশ ভ্যানে তোলা হয়েছিল। তারপর থেকে আগের মতো ধর্মতলায় মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তির পাদদেশে আন্দোলন করছিল। এদিন এক্সাইড মোড় ও ক্যামাকস্ট্রিটে চাকরি প্রার্থীরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। পুলিশ প্রায় ২৮০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করে। মাথা ফেটে যায় আন্দোলনকারীদের, পুলিশের গাড়ির তলায় শুয়ে পড়ে চাকরি প্রার্থীরা। পুলিশ কামড়ে দেয় অরুনিমা পালকে। তাঁকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২৮০ জনের মধ্যে ৩০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের আজ আদালতে পেশ করা হবে।

নভেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

চাকরি প্রার্থীদের পুলিশী হেনস্থার প্রতিবাদে ভাতারে বিক্ষোভ

আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীদের পুলিশী হেনস্থার জন্য উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। রাজ্য জুড়ে চলছে বিরোধীদের প্রতিবাদ সভা। অন্যান্য জায়গার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের ভাতার বিধানসভার বিজেপির পক্ষ থেকে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়।শনিবার ভাতার বিডি অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কর্মীরা। বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে চলে অবস্থান বিক্ষোভ। এদিনের বিক্ষোভ সভা থেকে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করা হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা, সহ-সভাপতি সঞ্জীব সেন সাধারণ সম্পাদক আশিস পাল।

অক্টোবর ২২, ২০২২
কলকাতা

টেনে-হিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে ৮৪ ঘন্টার অনশন-অবস্থান তুলে দিল পুলিশ, প্রতিবাদ বিরোধীদের

৮৪ ঘন্টার অনশন-অবস্থান বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তুলে দিল পুলিশ। বিক্ষোভরত টেট উত্তীর্ণরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও টেনে-হিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে গাড়িতে তোলে পুলিশ। যাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছিল তাঁদের অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বলপ্রয়োগ করে আন্দোলন তুলে দেওয়া হয়েছি প্রতিবাদ করেছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। রাতেই করুণাময়ীতে পৌঁছে যান সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি নেতৃত্ব। পুলিশ অবশ্য বলেছে, ১৪৪ ধারা জারি করেছে আদালত, তাই এলাকা খালি করতে হয়েছে। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দিয়েছে, তাঁরা এই দমনপিড়নে দমে যাবেন না। ফের রাস্তায় নেমে আন্দোলন করবেন। আন্দোলনকারীদের তুলে দেওয়ার পর পুরকর্মীরা ঝাড়ু দিয়ে রাস্তা পরিস্কার করে দেয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ, শুক্রবার রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন করবে এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই। করুণাময়ীতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে বাম ছাত্র যুবরা।The Trinamool govt is flouting the basic democratic rights of the hunger-strikers! Section 144 issued against a non-violent protest! Why? I strongly condemn the undemocratic and unethical action of the West Bengal govt! Aparna Sen (@senaparna) October 21, 2022প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে করুণাময়ীতে অনশন অন্দোলনে বসেছিল ২০১৪ টেট উত্তীর্ণরা। তাঁদের যুক্তি ছিল, টাকা নিয়ে দুর্নীতি করে নিয়োগ হওয়ার ফলে তাঁরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। পর্ষদের দাবি, দুবার ইন্টারভিউ দিয়েও এরা চাকরি পায়নি। আন্দোলনকারীদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল। এরপর করুণাময়ীতে ২০১৭ টেটে উত্তীর্ণরা অবস্থানে বসে। শেষমেশ আদালতে জারি করা ১৪৪ ধারাকে হাতিয়ার করে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে অবস্থান তুলে নেওয়ার জন্য পুলিশ মাইকে ঘোষণা করতে থাকে। তারপর জোর করে তাঁদের অবস্থান তুলে দেওয়া হয়। অভিনেত্রী অপর্ণা সেন বলপ্রয়োগ করে আন্দোলন তুলে দেওয়ার সমালোচনা করেছেন।*তুমি ভুখা পেটে গরম ভাতের জিদ**তুমি সেই জাদুকর, হারের দেশেও জিত.. **বাংলার কালো সকালে ঘুরে দাঁড়ান সপরিবারে।* pic.twitter.com/gbQzrNZlaX Surjya Kanta Mishra (@mishra_surjya) October 21, 2022পুলিশের এই চূড়ান্ত সক্রিয় হয়ে ওঠার আগে রাতের দিকে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দেখা করতে যান বাম ছাত্র-যুব নেতৃত্ব। তাঁরা বিক্ষোভকারীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। বিক্ষোভস্থলে গিয়েছিলেন গেরুয়া শিবিরের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরাও। তাঁদের সঙ্গেও পুলিশের বচসা বেধে যায়। তৃণমূলের দাবি, অযথা আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছে বিরোধীরা।WBs current situation is alarming.Mamata Police applying brute force on agitating candidates of Teacher Eligibility Test 2014 candidates at Salt Lake to forcefully end their legitimate sit-in demonstration near the State Primary Education Board Office.WB or Hitlers Germany? pic.twitter.com/D0Ry9x3hnc Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) October 20, 2022

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

শেষমেশ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য

টানা ১০ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। সোমবার রাতে দফায় দফায় ইডির সিজিও কমপ্লেক্সের দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ককে। তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় জোকা ইএসআই হাসপাতালে। তারপর তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। ইডি সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদে অসহযোগিতা করছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। পাশাপাশি তাঁর বয়ানে অসঙ্গতিও রয়েছে বলে সূত্রের খবর। তাই মানিক ভট্টাচার্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জেরা করতে চায় ইডির আধিকারিকরা।সুপ্রিমো কোর্টে গিয়ে একাধিকবার নিজের গ্রেফতারি এড়াতে আবেদন করেছেন। কয়েকবার আদালত তাঁকে রক্ষাকবচও দিয়েছে। তাঁর পরিবারের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের কক্ষাকবচ থাকা সত্বেও তাঁকে গ্রেফতার করা হল। ইডি আধিকারিকদের বক্তব্য, রক্ষাকবচ দিয়েছে সিবিআইয়ের মামলায়{ সেক্ষেত্রে ইডির গ্রেফতার করতে কোনও অসুবিধা নেই। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা তাঁর গতিবিধির ওপরে নজর রেখেছেন। নিয়োগের বেআইনি তালিকা তৈরির বিষয়ে মানিক ভট্টাচার্যের বিশেষ ভূমিকা আছে কী না, তা নিয়েই জোরদার তদন্ত করছে ইডি।

অক্টোবর ১১, ২০২২
রাজ্য

সুপ্রিম স্বস্তি মানিকের, আপাতত গ্রেফতার নয় অপসারিত পর্ষদ সভাপতিকে

এক দিনের জন্য মানিকের স্বস্তি। ২৪ ঘন্টার জন্য মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারের মতো কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না, টেট সংক্রান্ত সিবিআই তদন্ত মামলায় নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামীকাল ফের শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। উল্লেখ্য, এদিন রাত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, আজ রাত ৮টার মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজির হতে হবে প্রথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। সহযোগিতা না করলে প্রয়োজনে সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করতে পারে। তবে সুপ্রিম নির্দেশে কড়া পদক্ষেপ থেকে স্বস্তি পেয়েছেন মানিক। তবে তাঁকে হাজিরা দিতে হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

টেটের OMR শিট নষ্ট নিয়ে তদন্তের নির্দেশ, আজই সিবিআইতে হাজিরা মানিকের

এবার ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার উত্তরপত্র OMR শিট নষ্ট করা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। মোট ১২ লক্ষের বেশি OMR শিট নষ্ট করার অভিযোগ করা হয়েছিল আদলতে। আদালত জানতে চায়, কেন এবং কার নির্দেশে সেগুলি নষ্ট করা হয়েছে? পর্ষদের জবাব, এর কোনও রেকর্ড নেই। মঙ্গলবার OMR শিট নষ্ট সংক্রান্ত মামলায় এক মাসের মধ্যে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।এদিকে পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। তদন্তে সহযোগিতা না করলে প্রয়োজনে সিবিআই মানিক ভট্টাচার্যকে হেফাজতে নিতে পারে বলেও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন রাত ৮টার মধ্যেই মানিক ভট্টাচার্যকে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হবে।শুনানিতে বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, OMR শিট অপরাধমূলক উদ্দেশ্য নিয়ে নষ্ট করা হয়েছিল, বাছাই করা সংস্থাকে নষ্ট করার বরাত দেওয়া হয়েছিল, তাই গোটাটা খতিয়ে দেখবে সিবিআই। এছাড়াও বিচারপতি জানান, ২০ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে কাদের OMR শিট নষ্ট করা হয়েছে সেই তথ্য পর্ষদের জানা নেই। এদিকে পর্ষদের এই ভূমিকা মোটেই প্রত্যাশিত নয়। বলেছেন বিচারপতি।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে টেট ১১ ডিসেম্বর, প্রাথমিকে শূন্য পদে ১১ হাজার নিয়োগের সম্ভাবনা

আগামী ১১ ডিসেম্বর প্রাথমিকে টেটের দিন ঘোষণা করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের অ্যাড হক কমিটির সভাপতি গৌতম পাল জানিয়েছেন, পুজোর আগে চলতি সপ্তাহে জারি করা হবে টেটের বিজ্ঞপ্তি।লক্ষ্মীপুজোর পর থেকে প্রাথমিকের টেটের জন্য নির্দিষ্ট একটি পোর্টাল চালু হবে। ওই পোর্টালে পরীক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। আবেদনের পদ্ধতি পরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে জানিয়ে দেওয়া হবে।১১ হাজারের বেশি শূন্যপদে প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগের ঘোষণা করা হয়েছে এদিন। এক্ষেত্রেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, নিয়োগ জট কেটে যাবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়য়ের উপর ভরসা রাখুন। উনিই নিয়োগ সংক্রান্ত সব জট ছাড়াতে পারবেন।এদিন ফের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক পদে ২০২০ সালে প্রাথমিকে নিয়োগের পর এখনও যে শূন্যপদগুলি রয়ে গিয়েছে সেখানে ৩৯২৯ জনকে চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

টেট মামলাকারী ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু, উঠল একাধিক প্রশ্ন

এসএসসি, প্রাইমারি সহ শিক্ষাক্ষেত্রে নানা কাণ্ডকারখানার মধ্য়েই এক টেট আন্দোলনকারীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। প্রাইমারি টেটে উত্তীর্ণ হতে না পেরে পরীক্ষায় অকৃতকার্য করানোর অভিযোগ এনে মামলা করেছিলেন ওই চাকরিপ্রার্থী। আন্দোলনে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন। সেই মামলা এখনও চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। ওর পরিবার ও বন্ধুরা মনে করছে, ওই মামলার রায় জানার আগেই অবসাদে আত্মঘাতী হলেন বসিরহাটের বাদুড়িয়ার চাকরিপ্রার্থী। ২০১৭ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের নির্ণায়ক টেট দিয়েছিলেন রাজু গাজি(২৯)। মৃতের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের বাদুড়িয়া থানার চাতরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ৷ যোগ্য় প্রার্থীরা চাকরি পেলে এভাবে ছেলে চলে যেত না, আক্ষেপ মৃতের বাবা ইসরাইল গাজী।রাজু গাজির আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত হাইকোর্ট মামলা করেন। এই মর্মে প্রাথমিক টেট ২০১৭ পরীক্ষা ১৫০ টি প্রশ্নের মধ্যে ৮ টি প্রশ্নের উত্তর ভুল দেওয়া হয়েছে। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। কিন্তু ওই মামলার রায় জানার আগেই মৃত্যু হল রাজুর।জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন রাজু। বাড়ি ফিরতে দেরি করায় তাঁর পরিবারের লোকজন চিন্তায় পড়েন। পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ তাঁর ফোনে কথাও হয়নি। দেরি হতে থাকায় তাঁদের টেনশন আরও বাড়তে থাকে। রাজুকে ফোন করলে এক জিআরপি আধিকারিক ফোনটা ধরেন। তখন দুঃসংবাদ জানাতে পারে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, ঠাকুরনগর ও চাঁদপাড়া স্টেশনের মাঝে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে রাজুর।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মাঝেই অসুস্থ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, এসএসসি দুর্নীতি মামলায় হানা ১৩ জায়গায়

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের জিজ্ঞাসাবাদের মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেখলিগঞ্জের বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি-র অফিসারদের একটি দল। ইডির অন্য একটি দল অভিযান চালায় উপেন বিশ্বাসের বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মন্ডলের বাড়িতে। পিংলায় গিয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাইয়ের মামার বাড়িতেও গিয়েছে ইডি। ইডি হানা দিয়েছে এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহার বাড়িতেও, গিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্যের বাড়িতও। শুক্রবার এসএসসি দুর্নীতি মামলায় মোট ১৩টি জায়গায় একযোগে ইডি অভিযান চালিয়েছে। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ইডির আধিকারিকরা অভিযানে বের হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার শহিদ দিবসের মঞ্চেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি নিয়ে সরব হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরের দিনই রাজ্যের দুই মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি করছে ইডি। এদিন সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ইডির অফিসারদের একটি দল নাকতলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। ৮-১০ জনের একটি দল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই ঢোকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। ভিতরে তল্লাশি ও মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ চলতে থাকে। গেটের সামনে পাহারায় থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পার্থ চট্টোপাধ্যায় অসুস্থ বোধ করায় বাড়িতে চিকিৎসক আনা হয়। মেখলিগঞ্জে আরেক মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি। যদিও মন্ত্রী তখন বাড়িতে ছিলেন না। তিনি কলকাতায় রয়েছেন। আগেই বেআইনিভাবে নিয়োগের দরুন তাঁর মেয়েকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে হাইকোর্ট।

জুলাই ২২, ২০২২
কলকাতা

টেট উত্তরপত্র দেখাতে হবে পর্ষদকে, নির্দেশ হাইকোর্টের

শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নিয়ে জট যেন আর কিছুতেই পর্ষদের পিছু ছাড়ছে না। এবার টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট বা টেট -এর ওএমআর সিট প্রকাশের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার এক মামলার শুনানি চলাকালীন এই নির্দেশ দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। দ্রুত এই ওএমআর দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শান্তনু সিট আদালতে গিয়ে দাবি করেন, টেটের ওএমআর সিট বা উত্তরপত্র দেখাতে হবে। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এই ওএমআর সিট দেখানো হয় না। শান্তনুর পাশাপাশি আরও ২৭ জন আদালতে এই একই দাবি করেন। তাঁদের দাবি, ওএমআর সিট দেখালেই পরিষ্কার হয়ে যাবে কে কেমন পরীক্ষা দিয়েছেন।এই মামলার প্রেক্ষিতেই শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, মামলাকারীদের ওএমআর সিট দিতে হবে।প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদও জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনে ওএমআর শিট দেখাতে তাদের কোনও সমস্যা নেই। ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষা নিয়ে এর আগেও একাধিক মামলা হয়েছে। সেই তালিকায় আরও এক মামলার সংযোজন হল এবার। শান্তনু সিট নামে এক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা পুরোপুরি বাতিল করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। তাঁর বক্তব্য, টেটের ফল নিয়ে সংশয় রয়েছে তাঁর মনে।প্রাথমিক পর্ষদকে এই প্রথমবার কোনও মামলার প্রেক্ষিতে ওএমআর সিট দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হল। যদিও পর্ষদের ওএমআর দেখাতে কোনও আপত্তি নেই বলেই জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের দাবি, স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হচ্ছে। স্পিড পোস্টের মাধ্যমে যথাযথ আবেদন এলে ওএমআর-এর প্রতিলিপি দিয়ে দেওয়া হবে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
কলকাতা

চাকরি না হলে স্বেচ্ছামৃত্যু, করোনাবিধি শিকেয় তুলে ফের বিক্ষোভ এসএসসি প্রার্থীদের

আট বছর পরেও কেন নিয়োগ হল না, এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ শুরু করেন ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট উর্ত্তীর্ণরা। আন্দোলনকারীদের মুখে শোনা গেল নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ। অবিলম্বে চাই নিয়োগ। না হলে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হোক। এদিন দুপুর থেকে এমমনই দাবি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সামনে তীব্র আন্দোলনে এসএসসি প্রার্থীরা।বারবার আদালতে উঠেছে এসএসসি মামলা। তাতে যেমনি উঠেছে প্রাইমারি নিয়োগ মামলা তেমনি উচ্চ প্রাথমিকও। এদিকে সদ্য এসএসসি-র চেয়ারম্যান বলদল হয়েছে। এতদিন শুভশঙ্কর সরকার এসএসসির চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। তিনি জানান, তাঁর সময়ে এসএসসি নিয়োগে কোনও অনিয়ম হয়নি। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার ব্যাপারেও অভিমত জানান। অন্যদিকে নতুন চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার তিনিও জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করতে হবে।কোনও হবু শিক্ষকের কোলে একরত্তি শিশু, কারও হাতে পোস্টার, রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে তাঁরা জড়ো হয়েছেন সল্টলেকের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র ভবনের সামনে। চাকরি প্রার্থীদের দাবি, তাঁরা টেট উর্ত্তীর্ণ হয়েছেন, ডিএলএড রয়েছে, তার পরেও দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বঞ্চিত। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ করে প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন এঁরা। তাঁদের বক্তব্য, বারবার সরকারের দ্বারস্থ হয়েও কাজের কাজ কিছু হয়নি। এমতাবস্থায় তাঁরা বাধ্য হয়েছেন আন্দোলনে নামতে। উঠল এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবিও করেন আন্দোলনকারীরা।এদিকে করোনা অবস্থায় এমন জমায়েত ও আন্দোলন ঠেকাতে পথে নামে পুলিশ। তারা আন্দোলনকারীদের কাছে আবেদন করেন দাবিদাওয়া নিয়ে এসএসসি কর্তাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা কাকলির, "ভালো তৃণমূল" নিয়ে জোর চর্চা

তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে লেখা চিঠিতে তিনি মহিলা শাখার জাতীয় সভাপতির পদ-সহ সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। একই সঙ্গে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় ভালো তৃণমূল নিয়ে। ইস্তফাপত্রে কাকলি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেছেন। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং দলের ওপর ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। চিঠিতে তিনি লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার বিবেক গভীরভাবে পীড়িত।আরজি কর মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্রী হিসেবে সেখানে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এবং পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নাড়া দিয়েছে বলেও জানান কাকলি। তবে সাংগঠনিক পদ ছাড়লেও আপাতত দল ছাড়ছেন না তিনি। সাধারণ কর্মী হিসেবেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন বারাসাতের সাংসদ।উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত একটি প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলীয় আপত্তি উপেক্ষা করে সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এর মধ্যেই তাঁর ইস্তফা তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ২৮, ২০২৬
রাজনীতি

সোশাল মিডিয়া তোলপাড় ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূলে, এই তত্বে ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা

ভালো তৃণমূল, খারাপ তৃণমূলে তোলপাড় সোশাল মিডিয়া। তৃণমূল কংগ্রেসে ভালো কিছু আছে বলে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা কোনওভাবেই মানতে নারাজ। তাই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যকে কোনও ভাবে সমর্থন করছে না তাঁরা। তৃণমূলের যাঁরা দুর্নীতি বা অন্যায়ের সঙ্গে যারা যুক্ত নন তাঁরা কবে দড়জায় কড়া নাড়বেন, সেকথাই বলেছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাতেই ভালো তৃণমূল তত্ব ভেসে ওঠে। বিগত ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর। খুন, ধর্ষণ থেকে বাড়ি-ঘর ভেঙে তছনছ করে পুড়িয়ে দেওয়ার মত আক্রমণের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল বাংলা। এমনকী গত পাঁচ বছরে ৩২১ জন বিজেপি কর্মী তৃণমূলের হাতে শহিদ হয়েছেন বলে রাজ্য বিজেপির দাবি। বগটুই থেকে আরজিকরের মতো নারকীয় ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। গ্রেফতার হয়েছেন মন্ত্রী থেকে নেতারা। শেষমেশ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তৃণমূলের একাংশের বক্তব্যে গিরগিটিও যেন হার মানবে। টিভি শো থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের যে নেতৃত্ব বিজেপিকে গালমন্দ না করে মুখে অন্ন তোলেনি তারা এখন মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। ভাবটা এমন যে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের থেকেও তারা অত্যাচারিত ছিল। অথচ দিনের পর দিন তারা ক্ষমতার অলিন্দে থেকে সবরকম ভোগ বিলাস করেছেন। তৃণমূল জমানার কোনও ঘটনা নিয়ে টু শব্দটি করেননি। বরং বিজেপিকে যতটা বেশি কোনঠাসা করা যায় ততটাই করেছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূল সাজতে উঠেপড়ে লেগেছেন। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হচ্ছে। সঙ্গে আরও বহু সামগ্রী। এরা এখন পরিস্থিতির চাপে পড়ে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে মন ভোলানো সুর তুলেছেন। কিন্তু তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে এদের এই রূপ কিছুতেই দেখতে পেত না বাংলার মানুষ। টিভি চ্যানেলে দিনের পর দিন বিজেপি বক্তাদের অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমান করেছেন, ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূলের দৌড়ে অংশ নিয়েছেন। বিজেপি কর্মী সর্থকরাই বলছেন এভাবে ভালো তৃণমূল বাছলে তারা আবার খারাপ না হয়ে যান। তাঁদের বক্তব্য়, ২০২৬-এর ভোটে জয় বিজেপির লড়াই ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণেই সম্ভব হয়েছে। ওই ভালো তৃণমূলীরা বিজেপিকে পদদলিত করতে চেয়েছিল। নির্বাচনে হেরে গেলে জীবন বিপন্ন হয়ে যেতে নীচুতলার বিজেপি কর্মীদের। তাই তারা বিজেপি নেতৃত্বের কাছে আবেদন করছেন, এই ভালো তৃণমূল খোঁজার নামে দলকে বিপদগামী করবেন না। বাস্তবে একটা পচা আলু গোটা বস্তার আলুকে পচিয়ে দেয়। তাতে দলের কর্মীরা হতাশ তো হবেনই পাশাপাশি সামনের দিন বাংলায় বিজেপির শাসন দরকার। ভোট বলে বিষয়বস্তু কিন্তু থাকবে। সাংসদ রাহুল সিনহা বলেছেন, বিজেপি আগামী ২৫ বছর থাকবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলতেন আগামী ৫০ বছর তৃণমূল থাকবে। মানুষ কিন্তু সব মনে রাখে। সময়ের অপেক্ষায় থাকে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, বিজেপি সাধারণের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে অথবা পরবর্তীতে যাতে কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ না থাকে তার জন্য এই তত্ব ছেড়েছে। এখন দেখার বিষয় বিজেপির কাছে ভালো তৃণমূল কারা, খারাপ তৃণমূল কারা।

মে ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সীমান্তে ফের লম্বা লাইন! আতঙ্কে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করলেন সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীরা

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে সীমান্ত এলাকা। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর প্রশাসনিক তৎপরতাও অনেকটাই বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।এরই মধ্যে বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় ফের দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। সীমান্তের কাছে বহু মহিলা, পুরুষ ও যুবককে ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এদের অনেকেই সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, যারা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।কয়েক মাস আগেও একই ধরনের ছবি দেখা গিয়েছিল। তখনও সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহু মানুষ বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ শ্রমিক, মাছের ভেড়িতে কাজ কিংবা দৈনিক মজুরির বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সোমবার দুপুরে হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত কয়েকজন জানান, দালালচক্রের মাধ্যমে এক থেকে দেড় বছর আগে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এসেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং নজরদারি বাড়ায় তাঁরা ফের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।যদিও প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে প্রশাসনের একাংশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ! বাংলার রাজনীতিতে বড় চমক কাকলির উপস্থিতিতে

বাংলার রাজনীতিতে এক বিরল ছবি দেখা গেল মঙ্গলবার। কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি।মঙ্গলবার সকালে বৈঠক শুরুর আগেই সভাস্থলে পৌঁছে যান কাকলি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েছি, তাই এসেছি। প্রশাসনটা কারও একার নয়। এটা কোনও দলীয় সভা নয়।শুধু কাকলি নন, এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আরও তিন বিধায়ক। হাজির ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন এবং স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ছবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তৃণমূল জমানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের সাধারণত দেখা যেত না। সেই জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। তাই এখানে এসেছি।এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ছিল। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।এরপর তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে কাকলি জানান, তিনি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিচ্ছেন। আর তার মধ্যেই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় অভিযান! বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতি এখন আরও কঠোর। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতিকে সামনে রেখেই দেশজুড়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার রাজ্যে সফরে বের হচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অমিত শাহের এই সীমান্ত সফর। প্রথমে তিনি যাবেন রাজস্থানের বিকানেরে। সেখানে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের কাজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সীমান্ত এলাকার একটি বিএসএফ পোস্টেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।রাজ্য ইতিমধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার মধ্যেই অমিত শাহের এই সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএসএফকে একযোগে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।কেন্দ্রের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনবিন্যাসের পরিবর্তন রুখতে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal