• ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ০৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu Adhikari

রাজ্য

উনি (মমতা) মেদিনীপুরের নেতা করে রেখেছিলেন, বিজেপি রাজ্যনেতা করেছে, বললেন শুভেন্দু

একসময় দুজনই একদলে ছিলেন। জনগণ মনো অধিনায়কা বলে বক্তব্য শুরু করতেন। এখন ২ জন সম্মুখ সমরে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী নিশানা করতেই ওয়াকআউট করে পরে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী নজিরবিহীন আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।শুভেন্দুর বক্তব্য, উনি আমাকে মেদিনীপুরের নেতা করে রেখেছিলেন। বিজেপি আমাকে রাজ্যে নেতা করে দিয়েছে। বিরোধী দলনেতাকে হজম করা মুশকিল তাই ভাববাচ্যে কথা বলছেন। ২০১৮ সালে আমার এলাকা কাঁথিতে ভোট লুঠ করতে দিইনি বলেই উনিশের নির্বাচনে কাঁথি-তমুলকে আপনাকে জিতিয়েছিলাম।২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলেই ছিলেন। বাবা শিশির অধিকারী ও ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী তৃণমূলের সাংসদ হয়েছিলেন। তার আগে ২০১৮-তেও ঘাসফুল ভোট লুট করেছিল বলে ফের সরব বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেছেন, ২০১৮ সালে ভোট লুঠ করেছিলেন বলেই উনিশের লোকসভা ভোটে মেদিনীপুর, মালদহ উত্তর, বালুরঘাট, রানাঘাট, ব্যারাকপুর, বর্ধমান, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রামে হেরেছিলেন। যাদের ভোট দিতে আটকেছেন তাঁরাই বদলা নেবে।শুভেন্দুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে জেলার নেতা করে রেখেছিলেন। বিজেপি তাঁকে রাজ্যের নেতা করেছে।

জুলাই ২৭, ২০২৩
রাজনীতি

সরগরম বিধানসভা! এবার মুখোমুখি বাকযুদ্ধে মমতা-শুভেন্দু

মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার ২ জনই হাজির ছিলেন বিধানসভায়। দুজনের উপস্থিতিতে বিধানসভায় উত্তেজনা ছড়াল। বিরোধীরা লকআউট করলেন। পরে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন শুভেন্দু অধিকারী।এদিন পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা নিয়ে বিজেপির মুলতুবি প্রস্তাব এনেছিল বিধানসভায়। তাতে সায় দেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সময় বুধবার বিধানসভা কক্ষ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তুলে আনেনে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের জয় পরাজয় প্রসঙ্গ।একুশের ভোটে নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে অবশ্য নন্দীগ্রামের ফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে মামলা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শুভেন্দুর উদ্দেশে মমতা বলেন, নন্দীগ্রামের ঘটনা ভুলে গেছেন? ২ ঘণ্টা লাইট বন্ধ করে জিতেছেন, আমায় হারিয়ে দিয়েছেন।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সহ বিজেপি বিধায়করা। ওয়াকআউট করেন পদ্মশিবিরের বিধায়করা। পরে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, সংবিধান মানে না বলেই মুখ্যমন্ত্রী এ ধরণের কথা বলছেন। এরা শুধু সংবিধানই নয়, বিচার ব্যবস্থাকেও মানে না। আজ নন্দীগ্রামের মানুষকে অপমান করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পঞ্চায়েতের ঘটনা নিয়ে আমি অনেক প্রশ্ন করেছি। তাতেই দিকভ্রান্ত হয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। উল্টোপাল্টা জবাব দিচ্ছেন। মমতা ব্যানার্জী বাংলার লজ্জা, গণতন্ত্রের কলঙ্ক। একুশ সালে নন্দীগ্রামের মানুষকে আমাকে ধন্যবাদ জানাতে দেননি স্পিকার। বলেছিলেন এটা বিচারাধীন বিষয়। যদিও কোর্টের কোনও স্তগিতাদেশ ছিল না। কিন্তু আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম নিয়ে বললেন, তাঁকে আটকালেন না স্পিকার। যে কেন্দ্রে গণনা হয়েছিল, সেখানে তিন কেন্দ্রের গণনা হয়েছিল। মহিষাদলে তৃণমূল জেতে, বাকি দুটিতে জিতেছিল বিজেপি। আপনি ১৯৫৬ ভোটে হেরেছেন। এটা মানতে না পেরে আপনি কোর্টে গিয়েছিলেন। পরে বিচারপতি পছন্দ না হওয়ায় পাল্টানোর আবেদন করেন। আপনার রিট পিটিশনের সবটাই চোখে দেখার ভিত্তিতে। প্রমাণ নেই। বিধানসভার স্পিকার এক চোখে দেখছেন বলেও কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা-র অভিযোগ নিয়ে আলোচনা চলছিল বিধানসভায়। বক্তৃতা শুরু করেন কোচবিহার দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে। পরে নিজের বক্তব্যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্য সরকার বলছে পঞ্চায়েত ভোটে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সংবাদমাধ্যম বলছে ৫৫ জন মারা গেছেন। ২০ হাজার বুথে ভোট লুঠ হয়েছে। পঞ্চায়েত ভোট পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য প্রশাসন সহায়তা করে। নির্বাচন কমিশন প্যানেলের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়। নতুন নির্বাচন কমিশনার ৮ জুন নিজের পদে বসেই ভোট ঘোষণা করেছেন। ৯ তারিখে ভোট প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি। ১৯৭৮ সাল থেকে ভোটে এ রকম হয়নি। সবার আগে সর্বদলীয় বৈঠক হয়। প্রশাসনের বৈঠক হয়। ব্লক স্তরে সর্বদলীয় বৈঠক হয়। কেন্দ্রীয় সরকার এই ভোটে অংশ নেয় না। এর পর ডিজি, মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন কমিশনার। সব কিছুর পর ভোট ঘোষণা হয়। কিন্তু এবার ভোট চুপি চুপি হয়েছে। ২৫ ব্লের নাম পড়ে শুভেন্দুর দাবি, ত্রিস্তরীয় লুঠ হয়েছে এবার।এরপরই বলতে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখানে কেউ বলতে পারবেন না, সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয়। সকালে বলে দেওয়া হয়, বিজেপির পক্ষে খবর করতে হয়।বিজেপির বিরুদ্ধে বলা যাবে না। যারা তৃণমূলকে গালাগালি দিয়ে বাংলাকে অসম্মান করে, তখন খারাপ। যিনি এর আগে বললেন (শুভেন্দু অধিকারী) তিনি তৃণমূলে ছিলেন, তিনি আগের কথা বললেন না।সিপিএম জমানার কথা বলা হয় না। কেন্দ্র যেমন ভোট করায় না, তেমনই রাজ্য সরকার ভোট করায় না।লোকসভা ও বিধানসভা ভোট চিরকুটে পুলিশ বদল।নন্দীগ্রামে দু ঘণ্টা লাইট বন্ধ করে দিয়ে কী হয়েছিল ভুলে গেলেন।মমতা নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গ তুলতেই বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী বলতে থাকেন, আমারও কথা বলার অধিকার রয়েছে। মামলা হয়েছিল। সেটা পেন্ডিং রয়েছে। আপনারা বলেছেন, সারা ভারতে কোথাও সন্ত্রাস হয়নি। ত্রিপুরায় কী হয়েছে?এরপর বিজেপি বিধায়কেরা কালো কাপড় দেখিয়ে ওয়াক আউট করেন বিধানসভা থেকে। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বলতে থাকেন সেম সেম।

জুলাই ২৭, ২০২৩
রাজ্য

নির্বাচন কমিশনের গেটে পরপর লাথি শুভেন্দু অধিকারীর, সিসিটিভি এবং ভিডিওগ্রাফি দেখার দাবি

নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে একাধিকবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কমিশনের নানা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে গিয়েছেন। আজ ভোট চলাকালীন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে ফোনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কমিশনের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। পূর্ব ঘোষণা মতো শনিবার ভোটগ্রহণ শেষ হলে সন্ধ্যা ৬টার পর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে দেখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা দরজায় তালা লাগিয়ে দেন। তাই দেখে বেজায় চটে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি কমিশনের গেটে পরপর লাথি মারতে থাকেন।কমিশনারের কর্মীকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমাকে দেখে তালা দিলেন কেন? আপনাদের মাইনে কি মমতা ব্যানার্জি দেয়? কয়লা (অভিষেক ব্যানার্জি) দেয়? দরজা খুলুন। এখন তিনটে লাথি মেরেছি। আরও মারব। অসভ্য কোথাকার! একথা বলার পাশাপাশি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা দরজা খোলার জন্য অপেক্ষাও করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শিশির বাজোরিয়া-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা শুভেন্দু অধিকারীর জন্য গেটের দরজা খোলেননি।এরপর শুভেন্দু অধিকারী সদলবলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি এরপর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দরজার বাইরে প্রতীকী বিক্ষোভের অঙ্গ হিসেবে তালা ঝুলিয়ে দেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা দাবি করেছি, কাল দুপুরের মধ্যে সিসিটিভি এবং ভিডিওগ্রাফি দেখতে হবে। যেসব বুথে ছাপ্পা হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করতে হবে। দরকার হলে ভোটের ফল ঘোষণার দিন পিছিয়ে দিতে হবে। ছাপ্পা হওয়া বুথগুলোয় নতুন করে ভোটগ্রহণ করাতে হবে। অবশ্যই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রেখে।এদিন বিজেপি কর্মীরাও এর আগে পৃথকভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে বিক্ষোভ দেখান। পাশাপাশি, বিক্ষোভ দেখান রাজ্য বামফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃত্বও। বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়নি। নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির জন্যই সেটা হয়নি।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

কুণাল-শুভেন্দু নন্দীগ্রামে মুখোমুখি, তৃণমূলের সভা থেকে চোর চোর স্লোগান

শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বৃহস্পতিবার ছিল শেষদিনের প্রচার। ডান-বাম সব দলই প্রার্থীদের প্রচারে শেষ ল্যাপে ব্যস্ত। তার মধ্যেই নিজের গড় নন্দীগ্রামে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। চোর-চোর স্লোগান শুনতে হল তাঁকে। কনভয় যাওয়ার সময় নন্দীগ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষের উসকানিতে এই কাণ্ড ঘটেছে বলে বিজেপির দাবি।নন্দীগ্রামে এদিন তৃণমূলের প্রচারসভা চলছিল। স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দলের প্রচারে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। প্রচারসভা চলাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর কনভয় যাওয়ার সময় শুভেন্দুকে উদ্দেশ্য করে ওঠে চোর চোর স্লোগান। চোর চোর চোরটা, শিশিরবাবুর ছেলেটা বলে কটাক্ষ করা হয়। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের উপস্থিতিতেই ওঠে চোর চোর স্লোগান। তিনিই কার্যত সভা বন্ধ করে ইশারায় স্লোগান দিতে নির্দেশ দেন।চোর চোর স্লোগান শুনে গাড়ির ভিতর থেকে মাথা বের করে বিরক্তি দেখান শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা মেজাজ হারান, আঙুল তুলে শাসিয়ে বলেন, অ্যারেস্ট করাব সবকটাকে। তা সত্ত্বেও চলে চোর-চোর স্লোগান। শুভেন্দুর সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা যাঁরা ভিডিও করছিলেন তাঁদের সরিয়ে দেন। কনভয় চলে যাওয়া পর্যন্ত চলছিল স্লোগান।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েত ভোটে এবার নয়া ইস্যু 'ছাতা ধর' রাজনীতি

ছাতা এবার রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রবিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ একটি ছবি টুইট করে বলেন যে, দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুইয়ের মাথায় ছাতা ধরে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দুদিন আগে অন্ডালের একটি নির্বাচনী সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই। সেখানে দেখা যায় যে বিধায়কের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, তিনি ছাতা ধরে রয়েছেন বিধায়কের মাথায়। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে কাঁকসায় তৃণমূলের একটি সভায় শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায়ের মাথায় পুলিশের ছাতা ধরার টুইট করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার পাল্টা টুইট কুনালের। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক লক্ষন ঘড়ূইয়ের পাল্টা কটাক্ষ, ওর কথায় কি উত্তর দেব, সাড়ে তিন বছরের জেল খাটা আসামী। পাশাপাশি তিনি বলেন আমি বিধায়ক, আমাকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমার নিরাপত্তা রক্ষীর। কিন্তু কে প্রভাত চ্যাটার্জী? প্রশ্ন তোলেন তিনি

জুলাই ০৩, ২০২৩
রাজ্য

এখন বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরী, তোপ অভিষেকের

মালদায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বলেন, বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরি । কাজেই বাংলায় কংগ্রেস সম্পর্কে যত কম বলা যায় ততই ভালো। বাংলায় অধীর চৌধুরী শুভেন্দুর সুরে কথা বলে।পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে বিরোধী দল বিজেপি, কংগ্রেস সিপিএমের সেটিং তত্ত্ব নিয়ে সোচ্চার হলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দুপুরে সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হাতিমারি মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন অভিষেক ব্যানার্জি। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ মৌসুম বেনজির নূর, জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী, চেয়ারম্যান সমর মুখার্জি, রাজ্যের সেচ দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বলেন, আমরা মীরজাফর নযই, আমাদের মেরুদন্ড সোজা। সুতরাং ইডি-সিবিআই যতই আমাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হোক না কেন, তৃণমূলকে অপদস্ত করা যাবে না। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএমের চরম বোঝাপড়া চলছে। এখনও পর্যন্ত ওরা কেউ কারোর বিরুদ্ধে নির্বাচন বিষয় নিয়ে এতটুকু অভিযোগ করেনি। সবাই দলনেত্রী মমতা বন্দযোপাধ্যায়কে আক্রমণ করছে। কিন্তু তাতে কোনও লাভ নেই। যে উন্নয়ন সাধারন মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করেছেন, তাতে মানুষকে ভুল বোঝানো যাবে না। তাই আবারও বলি আপনারা কানে শুনে নয়, চোখে দেখে ভোট দিন।বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক বলেন, আপনারা তো টিভির পর্দায় দেখেছেন টাকার বান্ডিল হাতে কে নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যেখানে পরিষ্কার হয়ে গেল শুভেন্দু অধিকারী টাকা নিচ্ছে। সবাই দেখেছে টিভিতে। তাহলে প্রধানমন্ত্রী তাদের দলের ওই নেতার বিরুদ্ধে কেন কোনও ব্যবস্থা নিলেন না। আসলে প্রধানমন্ত্রী মুখে বড় বড় কথা বলেন। ৯ বছরের রাজত্বে কেন্দ্রের মোদি সরকার সাধারণ মানুষের জন্য কোন সুবিধাটুকু করে দিতে পারিনি। এরাজ্যে শুধু উন্নয়ন করেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, বাংলায় অধীর চৌধুরী শুভেন্দু ও মোদির সুরে কথা বলছে। এখন বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরী। তাই ওদেরকে বিশ্বাস করা যায় না। অথচ পাটনায় দিদির পাশেই বসেছিলেন রাহুল গান্ধী। বলেছিলেন একজোট হয়ে লড়াই করার কথা। কিন্তু কোথায় কি। এখানে তো বিরোধীদের সবকিছুই হচ্ছে সেটিং-এর মাধ্যমে। কিছুদিন আগেই পাটনায় ১৬ দলের একজোট হয়ে বৈঠকের পর পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেছে বিজেপির। তাই ওরা এখন কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তৃণমূলের মেরুদন্ড সোজা। কাউকে ভয় পায় না। মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চলবে।এদিন মালদার উন্নয়নের প্রসঙ্গে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, গত পাঁচ বছরে মালদার বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে ২,৫০০ কোটি টাকা প্রকল্পে পিএইচইর কাজ হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের সহযোগিতা নিয়ে মালদায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। মালদা শুধু নয়, গোটা রাজ্যের উন্নয়নের দায়িত্ব তৃণমূলের সরকারের।কেন্দ্রের মোদি সরকারের বকেয়া নিয়েও সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তিনি বলেন , গত দুই বছর ধরে ১০০ দিন প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। আবাস যোজনা টাকাও বন্ধ করে দিয়েছে। এভাবে গরিব মানুষের পেটে ভাত মারাটা উচিত নয়। গরিবের অধিকার ফিরিয়ে পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই দিল্লিতে অবস্থান করার কথা জানিয়েছেন সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন মিটে গেলে দশ লক্ষ লোক নিয়ে দিল্লিতে জমায়েত এবং অবস্থান করব। দেখি ওরা কিভাবে এরাজ্যের গরিবের অধিকার আটকে রাখতে পারে।এদিন পঞ্চায়েত প্রার্থী প্রসঙ্গে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, আমি গত দুইমাস নবজোয়ার কর্মসূচির মাধ্যমে রাস্তায় সময় কাটিয়েছি। মানুষের জনমত সংগ্রহ করেছি। সাধারণ মানুষ তৃণমূলের ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের প্রার্থী যাদের চেয়েছিলেন তাদেরই করা হয়েছে। তাই আবারও বলি, ওরা যতই বলুক না কেন, বিরোধীদের ফাঁদে পা দিবেন না। তৃণমূল সরকারের হাত শক্ত করুন। উন্নয়নের ধারা বজায় থাকবে। কোনও মানুষ উন্নয়নের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজনীতি

৩ মাসের মধ্যে পতন হবে মমতা সরকারের, হুঙ্কার শুভেন্দুর

তিন মাসের মধ্যে মমতা সরকারের পতন হবে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি আগামী লোকসভায় এরাজ্যে বিজেপি কত আসন পাবে সেই ঘোষণাও করেছেন শুভেন্দু। বিজেপির কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা অমিত শাহর লক্ষ্যকে ছাপিয়ে গেলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।গত এপ্রিলে বীরভূমের শিউড়িতে সভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামী লোকসভার জন্য বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে জয়ী আসনের টার্গেট বেঁধে দেন। তাঁর দাবি ছিল, লোকসভায় বাংলা থেকে বিজেপিকে ৩৫টি আসন দিন, দেখবেন ২০২৬-এর আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার পড়ে গিয়েছে।মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির ক্রান্তির সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন হল সেমি ফাইনাল। ফাইনাল হবে চব্বিশে। আর সেখানে দেশ থেকে বিজেপির বিদায়ঘণ্টা বাজবে। বিজেপির আয়ু আর ছমাস।বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারসভা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি উত্থাপন করেন। সেই প্রসঙ্গেই খানিকটা চ্যালেঞ্জের সুরে বলেন উনি বলেছেন, পঞ্চায়েত সেমিফাইনাল। আমি বলছি সেমিফাইনাল নয়। পঞ্চায়েত হল কোয়ার্টার ফাইনাল। সেমিফাইনাল হবে চব্বিশে। উনিশে ১৮টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। এবার ৩৬টি পাব। তারপর তিন মাসের মধ্যে বাংলায় সরকার পড়ে যাবে। অর্থাৎ শাহ যা লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন এ রাজ্য থেকে লোকসভা ভোটে তার থেকেও বেশি আসন জিততে মরিয়া বিরোধী দলনেতা।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, শুভেন্দু একটা বদ্ধ উন্মাদ। মাঝেমাঝেই একটা করে তারিখ বলে, সংখ্যা বলে, তারপর আবার চুপসে যায়। বিজেপির বাকি লোকেরাও ওঁর কথা বিশ্বাস করে না।

জুন ২৮, ২০২৩
রাজনীতি

মুকুল, শুভেন্দুকে ভাঙিয়েছে বিজেপি, অভিষেকের সরাসরি চ্যালেঞ্জ গেরুয়া শিবিরকে

মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী এখন বিজেপিতে। তাঁদের পুরনো দল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় দাবি করেছেন, তাঁকেও ভাঙাতে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তাঁকে এভাবে দমানো যাবে না বলেও স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। অভিষেকের অভিযোগ, গেরুয়া শিবিরে নাম লেখালেই সাত খুন মাফ। দল বদলে যে নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁরা ইডি-সিবিআইয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। কয়লা পাচার থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-ইডি। কখনও দিল্লিতে কখনও নিজাম প্যালেস, সম্প্রতি ইডি তলব করেছিল সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। পঞ্চায়েত ভোট চলাকালীন রবিবার ডায়মন্ড হারবারের ফলতার জনসভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ আনেন অভিষেক।অভিষেক বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে পেরে না উঠে, ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। ইডি-সিবিআইকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের দলকে শ্রীবৃদ্ধি করছে বিজেপি। যেমনভাবে মুকুল রায়, হেমন্ত বিশ্বশর্মা, শুভেন্দু অধিকারীদের ভাঙিয়ে নিয়ে গিয়েছে, তেমনই চেষ্টা করছে হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভাঙাও, নইলে বসাও, নইলে জেলে ঢোকাও। কিন্তু এভাবে আমাকে দমানো যাবে না। তাঁর বক্তব্য, আমি যতদিন রাজনীতি করব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই করব। আমার গলা কেটে দিলেও জয় বাংলাই বেরবে। আর যেদিন রাজনীতি করব না, সেদিন নিষ্ক্রিয় হয়ে যাব। চব্বিশে প্রধানমন্ত্রী পাল্টানোর ডাক দিয়েছেন অভিষেক।

জুন ১৮, ২০২৩
রাজনীতি

কমিশনে গিয়ে শুভেন্দুর দাবি, ২০ হাজার আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই লক্ষ্য

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে নিজে হাতে ব্যারিকেডের দড়ি খুললেন বিরোধী শুভেন্দু অধিকারী। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে বেনজির দৃশ্য দেখা গেল। যেসব প্রার্থী মনোনয়ন জমা করতে পারেননি তাঁদের নিয়ে কমিশনের দফতরের সামনে হাজির হয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেই সময় হাজির ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এরপরই কলকাতায় কমিশন দফতরেরর সামনে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। কমিশনের দফতরে বিজেপি নেতা-কর্মীরা যাতে ঢুকতে না পারে তার জন্য পুলিশ আগে থেকেই ব্যারিকেড করে রেখেছিল। প্রথমে সেই ব্যারিকেড নিজে হাতে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে ব্যারিকেডের দড়ি খুলে দেন নিজে হাতে।এরপর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে কমিশন দফতরে ঢোকেন কথা বলতে। কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধী দলনেতা। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্য বলে কটাক্ষ করেন। শুধু তাই নয়, কমিশন তৃণমূলকে সুবিধা করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। ১৪৪ ধারা থাকা সত্ত্বেও রোজ কীভাবে রক্ত ঝরছে? প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল, কমিশন এবং পুলিশ মিলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মনোনয়ন জমা দিতে দিচ্ছে না। ২০ হাজর আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই এদের লক্ষ্য।একটা সময় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। কমিশনের দফতরের সামনেই জয় শ্রী রাম স্লোগান চলতে থাকে। রাজ্য পুলিশের উদ্দেশে হায় হায় ধ্বনি দেওয়া হয়। শুভেন্দুর দাবি, আদালত স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু স্পর্শকাতর এলাকা বলে কিছু রয়েছে, তা মানতেই চাইছে না কমিশন। হাইকোর্ট অভিযোগ জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে বললেও, কমিশনে তেমন কোনও ব্যবস্থা নেই।শুভেন্দুর দাবি, যাঁর মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি, কমিশনের দফতরেই তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা নিতে হবে। আশান্তি রুখতে ও মনোনয়নে অশান্তি থামাতে কমিশন পদক্ষেপ না করলে বৃহস্পতিবার থেকে কমিশন দফতরের সামনে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনও তাঁর মুখে নো ভোট টু মমতা সুর শোনা যায় নির্বাচন ল কমিশনের দফতরে। মমতাকে ভোট লুঠ না করতে দেওয়াই তাঁর চ্যালেঞ্জ বলে দাবি করেন তিনি।

জুন ১৪, ২০২৩
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে অভিষেকের ক্ষোভের কড়া জবাব দিলীপ ঘোষের, কেন?

ইডির কাছে যে তথ্য তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপধ্যায় দিয়েছেন তা জেনে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই অভিযোগ করেছেন অভিষেক। মঙ্গলবার এর জবাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, না, সবাই জানে তো, আপনি রাজার ছেলে! হাকডাক করে যাচ্ছেন, লোকে জানে না! আপনি কোথায় খান? কোথায় ঘুমোন ? আপনার কত টাকা পয়সা আছে{ সব পাবলিক জেনে গিয়েছে। লুকোনোর আর কিছু নেই। আমরা সাধারণ মানুষ আমাদের নিয়ে পাবলিক ভাবে না। তাছাড়া সবাই এসব জানেন। আরেকটু বিদেশ মন্ত্রকে খোঁজ করলে সব পাওয়া যায়।অভিষেক দাবি করেছেন তিনি নন্দীগ্রামে ২০ কিমি পদযাত্রা করেছেন, তারই পুরস্কার তাঁর স্ত্রীকে ইডির তলব। এই প্রসঙ্গে মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, জীবনে প্রথম হাঁটাহাঁটি করছেন। সবে তো একটু ঘাম বেরিয়েছে। রোদে একটু মুখটা পুড়ুক! তাহলে রাজনীতি বোঝা যাবে। আপনি কার জন্য হাঁটছেন? নিজের ভবিষ্যতের জন্য! নিজের পার্টির জন্য হাঁটছেন। তাতে জনগণের কি যায় আসে!! মানুষ তো আপনার কথা ভুলেই গিয়েছে।রুজিরাকে তলব করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করেছেন অভিষেক। তাঁরও জবাব দিয়েছে দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, কোথায় চাঁদ আর কোথায় বাঁদর! কে কাকে চ্যালেঞ্জ করছে। লোকে হেসে মরে যাচ্ছে এসব দেখে। যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন, গলির লোক গলিতেই থাকুন। রাজপথে আসতে পারবেন না কোনদিন। যতই আপনি তুলসী গাছে জল ঢালুন অশ্বত্থ গাছ হবে না কখনও। অশ্বত্থ গাছ অশ্বত্থ গাছই থাকবে। আর ছাগলকে নিয়ে যতই গরুর গোয়ালে বাঁধুন, সে গরু হবে না কোনও দিন।সোমবার রুজিরা ছাড়া রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটককেও ইডি তলব করেছে। দিলীপ ঘোষের দাবি, আগেও ডেকেছে। আরও অনেককে ডাকবে। এই যে বছরের পর বছর কোটি কোটি টাকার কয়লা কেলেঙ্কারি চলছে। তার ভাগ অনেকেই পেয়েছে। আমরাও জানি সবাই জানে। ডাকা হয়নি এতদিন। এবার ডাক শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কটক সফর নিয়ে দিলীপের কটাক্ষ, এ সবই ড্রামা। কটক কেন? কেন দার্জিলিং গেলেন না! উঠল বাই কটক যাই!উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, কেন ইডি ছাড় দিচ্ছে দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু ্অধিকারীকে? বিজেপি করে বলে? কেন তাঁদের ডাকছে না? প্রশ্ন তুলেছেন অভিষেক। অন্য দিকে জঙ্গলমহলে কুড়মিদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছেন দিলীপ ঘোষ। কুড়মিদের সঙ্গে শুভেন্দুর ভাল সম্পর্ক বলেই জানে জঙ্গলমহল। রাজনৈতিক মহলের মতে, ওই বিবাদ মেটাতে প্রয়োজন শুভেন্দু অধিকারীকে।

জুন ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ, অভিষেক বললেন, ‘নির্যাসশূন্য। শুভেন্দুকে কেন ডাকছে না সিবিআই?’

রাজ্য়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। শনিবার সকাল ১১টায় নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে ঢোকেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বেরিয়েছেন রাত 8টা 40 মিনিটে। জিজ্ঞাসাবাদের পরই সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক দাবি করেন, জিজ্ঞাসাবাদের নির্যাস শূন্য। আমারও সময় নষ্ট। তদন্তকারীদেরও সময় নষ্ট। অযথা তাঁকে ডাকা হয়েছে বলে এদিনও দাবি করেন অভিষেক। পাশাপাশি অভিষেক তুলোধোনা করেন বিজেপির। নাম না করে তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। অভিষেক বলেন, প্রথম দিন থেকেই আমাকে টার্গেট করেছে। বিজেপির জন্য এক আইন, আমার জন্য এক আইন। আমি দিল্লির পোষা কুকুর হয়ে থাকব না। আমরা বশ্যতা স্বীকার করব না। সর্বভারতীয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি লাগিয়েও মাথানত করাতে পারছেন না। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার হয়ে থাকব। সব চোর, দুর্নীতিগ্রস্ত বিজেপির সম্পদ। অভিষেকের প্রশ্ন, সুদীপ্ত সেন চিঠি লিখে অধীর, সুজন, শুভেন্দুর নাম বলেছে। একজনকেও ডাকা হয়েছে? সুদীপ্ত সেনের চিঠির ভিত্তিতে কেন শুভেন্দুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে না? প্রসন্ন রায়ের বাড়িতে দিলীপের দলিল, তাঁকে কেন জিজ্ঞাসাবাদ নয়? নারদায় টাকা নিতে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে, তাঁকে ডাকা হয়েছে?তদন্ত প্রসঙ্গে অভিষেক জানান, যাঁদের নাম জিজ্ঞাসা করছেন, তাঁদের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদে। পূর্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদে দলের দায়িত্বে কে ছিলেন? অথচ, শুভেন্দু অধিকারীকে ডাকছে না। তদন্ত চলছে এর থেকে বেশি বলা যাবে না বলেও জানিয়ে দেন অভিষেক।

মে ২০, ২০২৩
রাজ্য

দিনভর এগরার গ্রাম ক্ষোভের আগুনে ফুটলো, রাতে এল ৬জনের নিথর দেহ

বেআইনি বাজি তৈরির কারখানা ৯ জনের মৃত্যুর পর আজ, বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামে যান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই ঘটনায় কাউকে রেয়াত করা হবে না। এর শেষ দেখে ছাড়ব। পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন শুভেন্দু। তৃণমূলের নেতৃত্ব গ্রামে এলে চোর চোর বলে স্লোগান তোলে স্থানীয়রা। তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইয়্যা, দোলা সেন, সৌমেন মহাপাত্রদের বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। পাশাপাশি এই বিষ্ফোরণ কাণ্ডে কোনও বিষ্ফোরক সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়নি। তা নিয়েও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে স্থানীয়রা। এই কেস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারীও। এদিন রাতে ৬ জনের নিথর দেহ গ্রামে আসে। সমস্ত নিস্তব্ধতা ভেঙে গ্রামে প্রিয়জন হারাদের পরিবারে কান্নার রোল ওঠে। অভিযুক্ত ভানু ভাগ এখনও পলাতক। তাঁকে খুঁজে বেড়াচ্ছে পুলিশ।গ্রামবাসীদের দাবি ভানু বাগের কারখানায় বোমা তৈরি হত। এদিন ফরেন্সিক বিশেজ্ঞরাও নমুমা সংগ্র করে। বাজি প্রস্তুতকারকেদর বক্তব্য, তাঁদের বদনাম করা হচ্ছে। যেখানে পরিবেশ বান্ধব বাজি ছাড়া কিছু প্রস্তুত করাই বেআইনি সেখানে বিস্ফোরণ হওয়ার সম্ভাবনা কোথায়? এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রামে পৌঁছাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। চোর চোর স্লোগান চলতে থাকে। মানস ভুঁইয়্যারা নিহতের পরিবারের সদস্যদের আশ্বাস দেন সঠিক তদন্তের। দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে। ভানু বাগের কারখানায় বারে বারে বিষ্ফোরণ ঘটলেও কীভাবে দিনের পর দিন বেআইনি ভাবে কারখানা চালাতে পারে তা নিয়ে এদিনও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। এখন দেখার বিষয় কবে ভানু বাগ কবে গ্রেফতার হন।

মে ১৭, ২০২৩
রাজ্য

বুথ সভাপতি খুনে ময়নায় ১২ ঘন্টার ডাকা বিজেপির বনধে উত্তেজনা

এদিন সকাল থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থানার বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির ডাকা বনধ শুরু হয়ে হয়েছে। চলে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ, বিক্ষোভ, অধিকাংশ দোকানপাট এদিন বনধ আছে। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বনধ সমর্থকদের বচসা বাধে। দোকান খোলা নিয়ে বেশ কিছু বাজারে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে অপহরণ করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃ্তীরা খুন করেছে বলে অভিযোগ করা হয় গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে। সোমবার রাতে ঘটনার পর থেকে থেকে দফায়-দফায় উত্তেজনা ছড়ায় ময়নায়। রাতভর থানায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তারপর মঙ্গলবারও সারা দিন টায়ার জ্বালিয়ে চলে পথ অবরোধ-বিক্ষোভ পূর্ব মেদিনীপুরের নানা স্থানে। ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার ময়না এলাকায় বনধের ডাক দেয় বিজেপি।এদিকে সোমবার শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দেন, বুধবার ১২ ঘণ্টার বনধ। পাঁশকুড়া থেকে দিঘা পর্যন্ত ১০০ জায়গায় অবরোধ হবে। ৪ মে ময়নায় প্রতিবাদ মিছিল হবে। নিহতের পরিবারের দায়িত্ব নিচ্ছি। সিবিআই তদন্তের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাব।এদিন ময়না থানা এলাকার বিভিন্ন বাজার এলাকায় বনধের চিত্র দেখা যায়। অন্নপূর্ণা বাজারে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এদিনও দফায় দফায় টায়ার জ্বালিয়ে, রাস্তায় বেঞ্চ পেতে, পাতাকা টাঙিয়ে অবরোধ-বিক্ষোভ করে বিজেপি। বিজেপির দাবি, সোমবার রাতে দলের বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে অপহরণ করে খুন করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল।

মে ০৩, ২০২৩
রাজ্য

‘মানুষকে অপমান করেছেন’, অভিষেকের মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের সভামঞ্চ থেকে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আবাস যোজনা ও শৌচাগারের প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু। শৌচাগার প্রকল্পের দুর্নীতির সঙ্গে তৃণমূলের এক বিধায়ক জড়িত বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, জেলাপ্রশাসনও এই কাজে যুক্ত। এমনকী গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জোর করে বিজেপিকে হারানো হয়েছিল বলে গুরুতর অভিযোগ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বাঁকুড়ায় অভিষেকের মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শুভেন্দু।এদিন ওন্দার সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাঁকুড়াবাসীকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে বলেছেন। মানুষ ভুল করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ২০১৯ লোকসভা ও ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভাল ফল প্রসঙ্গে একথা বলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা। অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া, এটা শুধু বাঁকুড়ার অপমান নয়, বাংলার সমস্ত ভদ্র মন্ডলীকে অপমান। শুভেন্দু বলেন এত ঔদ্ধত্য যে একজন বলছেন জনগণ ভুল করেছেন। এ কথা বলার সাহস একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে কেউ কীভাবে পান? আমাদের সংবিধানটাই মানুষকে নিয়ে। সেই জনগণকেই বলছেন পাপ করেছেন প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। হেলিকপ্টার চড়ে গিয়ে বড় বড় কথা।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে ভারতীয় জনতা পার্টির জনসভায় উপস্থিত হয়ে রাজ্য সরকারের অপশাসন, তৃণমূলের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিজেপির প্রার্থীদের বিপুল সংখ্যক ভোটে নির্বাচিত করে এর জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এপ্রিল ১২, ২০২৩
রাজনীতি

কবে হবে পঞ্চায়েত ভোটের ঘোষণা, কিভাবে চলবে নির্বাচন প্রক্রিয়া, জানালেন শুভেন্দু

পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির ঠাকুরনগরের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার দিন জানিয়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকী কি ধরনের ভোট হতে চলেছে তা-ও আগাম ঘোষণা করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এর আগে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। মমলা গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। শুভেন্দুর আবেদনে সাড়া মেলেনি আদালতে। পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণায় বাধা নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত।সোমবার খেজুরির ঠাকুরনগরে শুভেন্দু বলেন, পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা করবে ২রা মে। সব খবর থাকে আমার কাছে। একটা পর্যায়ে ভোট হবে। পুলিশ দিয়ে একটা পর্যায়ে ভোট করাতে যাতে রক্তগঙ্গা বয়ে যায় বাংলায়। যাতে শত শত মানুষ মারা যান তাই এই ব্যবস্থা করছেন অত্য়াচারী, অহংকারী পিসির একমাত্র ভাইপো। এখনও পর্যন্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি। দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শেষ হলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের তোরজোড় শুরু হবে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই রাজ্যে খুনোখুনি শুরু হয়ে গিয়েছে।এদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করে আসছে বিরোধীরা। তবে এবিষয়ে আদালতে গিয়ে খুব একটা লাভ হয়নি। এদিনই পঞ্চায়েত ভোট উপলক্ষ্যে ভার্চুয়ালি সাংগঠনিক বৈঠক করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনে বামেদের সমর্থনে কংগ্রেসের জয় একটু হলেও পঞ্চায়েত ভোটে প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
রাজ্য

সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান বেঁধে দিলেন অভিষেক

মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনের প্রচার একেবারে জমজমাট। ইতিমধ্যেই সেখানে প্রচার সেরেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবাসরীয় প্রচারে গিয়ে জয়ের ব্যবধানের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের স্পষ্ট বার্তা, উপনির্বাচনে একটা বুথেও হারলে সেটা হবে মীরজাফরের বুথ। কোনও বুথেই হারা চলবে না বলেই জনসভায় জানিয়ে দিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।সাগরদিঘি উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেখান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপির যোগসাজশ চলছে। ভোটে জিতলেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিজেপিতে চলে যাবে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কি করে শুভেন্দু বলছেন সংখ্যালঘু বুথগুলিতে আর যেই হোক জোড়াফুল জিতবে না। সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছি।আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ২ মার্চ ভোটগণনা। এখানে বিজেপি, তৃণমূল ও কংগ্রেসের প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হচ্ছে। বামেরা এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন করছে। লড়াই ত্রিমুখি হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২০১৬-তে কোনওরকমে জয় পেয়েছিল তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। রাজ্যর এই মন্ত্রীর অকাল প্রয়াণের কারণেই এই উপনির্বাচন। সামনেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। স্বভাবতই তার আগে এই উপনির্বাচন সব দলের কাছেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৩
রাজ্য

বাংলায় আবাস যোজনা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

আবাস কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে আরও উত্তপ্ত হচ্ছে বঙ্গ রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব থেকে শাসকদলের পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। যদিও অনেকে তাঁদের নাম কাটিয়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় বিডিওর কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে এই কেলেঙ্কারি বিশদে খতিয়ে দেখতে আসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কেন্দ্রীয় দল মূলত দুটি ভাগে পূর্ব মেদিনীপুর ও মালদা জেলা পরিদর্শন করবেন। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পক্ষে বুধবারই পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রধান সচিবকে পত্র মারফত বিষয়টি জানানো হয়েছে।বাংলার গ্রামে গ্রামে আবাস দুর্নীতি নিয়ে সরব শুভেন্দু অধিকারী, সকান্ত মজুমদাররা ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নালিশও জানিয়েছেন। তাঁরা দেখা করেছিলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতমন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও। এদিকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তহবিলও আটকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর মতো পদক্ষেপ আদতে মমতা সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং-য়ের লেখা চিঠিতে রাজ্যকে জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রের দুটি দল আসবে বাংলায়। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুর এবং অপরটি মালদহের আবাস যোজনার প্রাপক তালিকা খতিয়ে দেখবেন। দুটি দলেই তিনজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। পূর্ব মেদিনীপুরে যাবেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ডিরেক্টর শৈলেশ কুমার, আন্ডার সেক্রেটরি অনিল কুমার সিং এবং সিনিয়র স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসার সুভাষ দ্বিবেদী। মালদহে পর্যালোচনা করবেন, মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি শক্তিকান্ত সিং, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার চাহাত সিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার গৌরব আহুজা। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় দল আসবেন। আবাস যোজনার আপডেট করা নথি ও লজিস্টিক সাপোর্ট কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের জন্য রাজ্যের তরফে ওই দুই জেলায় আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। স্বভাবতই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে উচ্ছ্বসিত বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

মালদার গাজোলের সভা থেকে হুংকার শুভেন্দু অধিকারীর

বন্দে ভারত থেকে কিছুতেই ঘুচছে না রাজনীতির ছোঁয়া। নাম না করে রাজ্যের একটি দলের বিরুদ্ধে বন্দে ভারতের পাথর ছোঁড়া পার্টি বলে মালদায় তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা তথা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সভা মঞ্চ থেকেই সংশ্লিষ্ট থানার আইসিকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী । তিনি বলেন, গাজোলের আইসি সাহেব খুব মাল তুলছেন। এখনও সময় আছে সাবধান হয়ে যান, তৃণমূল দল আপনাকে বাঁচাতে পারবে না। আইনের কাজ করুন। যা করছেন সব খবর আমাদের কাছে আছে।মঙ্গলবার গাজোল থানার বিএসএ ময়দানে উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিজেপির বিধায়ক তথা রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন, উত্তর মালদার সাংগঠনিক সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত, দলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরী প্রমূখ।এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যারা বন্দে ভারতে পাথর ছুঁড়েছে সেই পাথর ছোড়ার পার্টির দিন ঘনিয়ে এসেছে। মানুষ এর জবাব দিবে।বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় চরম দুর্নীতি হচ্ছে। যাদের পাকা বাড়ি, চারচাকা গাড়ি, আড়াই একরের ওপর জমি আছে, তাদের এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃত গরীব মানুষেরা বঞ্চিত হয়ে একশ্রেণীর বড়লোকদের এই সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাই আমি বলছি বঞ্চিত লোকেদের নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করবে বিজেপি।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এরাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে ৭০ লক্ষ শৌচালায় তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও বহু গ্রামীণ এলাকায় এই সুবিধা পাননি সাধারণ মানুষ। সবেতেই দুর্নীতি। তৃণমূল একটা দুর্নীতির সরকারের পরিণত হয়েছে। এই সরকারের এখন এমন অবস্থা যে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া দিয়ে দিতে গেলে মাইনে বন্ধ হবে । আর মাইনে দিতে গেলে লক্ষী ভান্ডার বন্ধ হবে। কোন কিছুই ওরা বুঝে উঠতে পারছে না কি করবে। তাই এবারে মতোই ইতি টানতে হবে এই চোর সরকারকে।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় এত দুর্নীতি হয়েছে, যে ভয়ে নিজেরা প্রশাসনিকভাবে কাজ না করে খেটে খাওয়া অঙ্গনওয়াড়ি এবং আশা কর্মীদের দিয়ে সমীক্ষা করাতে বলেছে। আসলে তৃণমূল দল কিছুই করতে পারবে না। তবে এটা মনে রাখতে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বহু ভোট লুঠ হয়েছিল। কিন্তু এবার মানুষ বদ্ধপরিকর। ভোট এবার লুঠ হতে দেওয়া যাবে না। গাজোল তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। এই বিধানসভা কেন্দ্রে বহু জায়গায় পঞ্চায়েতের ভোট লুঠ আটকে দিয়েছিল জনগণ এবং বিজেপি। ফলে বহু আসন বিজেপি পেয়েছিল। এবারে সোচ্চার হয়েছে। বন্যার টাকা নিয়েও দুর্নীতি করা হয়েছে মালদার বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে। একজন প্রধানও জেল খাটছে। বাকিরা ও বাদ যাবেন না।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

'গোলগাল, নাদুস নুদুস, মেরুদণ্ড নেই, গলায় গেরুয়া উত্তরীয়' পোস্টারে ছয়লাপ বর্ধমানসহ নানা জেলা, বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়

বর্ধমান, সল্টলেক, মালদা সহ রাজ্যের নানা জায়গায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কার্টুন ছবি দিয়ে নিরুদ্দেশ সংবাদের পোস্টার পড়ায় হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সমস্ত ক্ষেত্রেই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল। বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটের পাশে বড় বড় করে পোস্টার লাগানো আছে। সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে-নিরুদ্দেশ সংবাদ- শুভেন্দুর কার্টুন ছবি তার নীচে লেখা রয়েছে এমন কোন ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে দ্রুত সন্ধান দিন। রূপ-দেখতে গোলগাল, নাদুস নুদুস। মেরুদণ্ড নেই। গলায় গেরুয়া উত্তরীয়। ঠিকানা-কাঁথি।অসুখ-ভোট এলে লাইট বন্ধ করে দেন। নিয়মিত ২০০ চিৎকার করে মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠে পড়েন। অকারণ ভ্যাট বকতে ভালোবাসেন। ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন ,তারপর লজ্জাবতী হয়ে মুখ লুকান ক্যামেরায় ঠোঙ্গা মুড়িয়ে খাম নিতে দেখা যায়।বিশেষ চিহ্ন-অভিষেক শব্দটি শুনলে দাঁত খেচিয়ে কামড়াতে আসেন। বেগম বেগম করে হেঁচকি তোলেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হলে বিরোধিতা করেন, কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে চুপ থাকেন। এই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল এদিন মালদা শহর জুড়ে এমনই পোস্টারকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র পোস্ট অফিস মোড়, নেতাজি মোড় এলাকায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির পাশেই নিরুদ্দেশ সংবাদ বলে শুভেন্দুর কার্টুন পোস্টার দেখা যায়।একই ধরনের পোস্টার দেখা গিয়েছে বিধান নগর স্টেশন ও সল্টলেকের করুণাময়ী, বিকাশ ভবনের সামনে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস টাঙিয়েছে, যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব অস্বীকার করেছে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২২
রাজনীতি

২১ ডিসেম্বরের আগের দিনই দিল্লিতে শাহ-শুভেন্দু-সুকান্ত বৈঠক, নয়া কৌশল?

ডিসেম্বর ডেডলাইন দেওয়ার পর তিনটে তারিখ খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে নজর রাখতে বলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার মধ্যে ১২ ও ১৪ ডিসেম্বর পেরিয়ে গিয়েছে। সামনে ২১ ডিসেম্বর, বুধবার।১২ ডিসেম্বর সিবিআই হেফাজতে বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। তারপর ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলে বিজেপির কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে তিন জনের মৃত্যু। এই অনুষ্ঠানে শুরুতে হাজির ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল অভিযোগ করে এই দুদিনের দুটি ঘটনাই কি শুভেন্দুর ডিসেম্বর ধামাকা? এবার বাকি রইল তৃতীয় তারিখ ২১ ডিসেম্বর।এদিকে ২০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে থাকবেন দলের রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। স্বভাবতই ২০ ডিসেম্বরের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২১ ডিসেম্বরের আগে দিল্লিতে ওই বৈঠকের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্থায়ীকরণ ও ‘সমকাজে সমবেতন’-এর দাবিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দ্বারস্থ SACTWA, ইতিবাচক আশ্বাসে বাড়ল প্রত্যাশা

উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মরত রাজ্য-সহায়তা প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক কল্যাণ সমিতি (State Aided College Teachers Welfare Association - SACTWA)-এর দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা-র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে SACT শিক্ষকদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সমকাজে সমবেতন নীতি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত SACT শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোরালো দাবি তোলা হয়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও SACT শিক্ষকদের বেতন ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁদের ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়।এছাড়াও প্রতিনিধি দল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র নির্বাচনী সংকল্প পত্রে SACT শিক্ষকদের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানায়। সংগঠনের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব রূপ দেওয়া উচিত।সংগঠনের দাবি ও বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দেন যে, আগামী দিনে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও মন্ত্রীর এই আশ্বাসে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল দাস, জেলা সভাপতি নন্দন মান্না, মনোজ কুমার মাইতি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ি, পীযূষ দাস মহাপাত্র, সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, SACT শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ! মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের পরই সিট গঠন, একের পর এক গ্রেপ্তার

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার ভোরে দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। দ্রুত তদন্তের স্বার্থে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের পরই তদন্তে আরও গতি আসে। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্তের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের এগারো বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির কাছের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। কুলপি রোডে নাবালিকার দেহ রেখে পথ অবরোধ করা হয়। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। এর জেরে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচলও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় এবং একাধিক পুলিশ গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।এই ঘটনার জেরে বারুইপুর থানায় মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলা নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে। এছাড়া সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশকে আক্রমণ, অবরোধ, ভাঙচুর এবং এক অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

বর্ষায় ত্বক ও চুলের যত্নে প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্কতা, কী রাখবেন বিউটি কিটে?

এ বছর বর্ষার আগমন কিছুটা দেরিতে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। তবে এখন বর্ষা সক্রিয় হওয়ায় একদিকে যেমন মিলেছে স্বস্তি, অন্যদিকে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ওপরও পড়ছে বিশেষ প্রভাব। অতিরিক্ত ঘাম, ধুলো এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষাকালে সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্ষা মানেই একদিকে স্বস্তির বৃষ্টি, অন্যদিকে ত্বক ও চুলের নানাবিধ সমস্যা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ঘাম, ধুলো এবং বৃষ্টির জল মিলিয়ে এই সময়ে ত্বক হয়ে উঠতে পারে তৈলাক্ত, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা। তাই বর্ষাকালে প্রসাধনী ব্যবহারে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত প্রসাধনীর বদলে হালকা, নন-কমেডোজেনিক (যা সহজে রোমছিদ্র বন্ধ করে না) এবং জলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক সতেজ থাকে এবং ব্রণের ঝুঁকিও কমে।বর্ষার বিউটি কিটে কী কী রাখবেন?১. মৃদু ফেসওয়াশ:দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ধুলো ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়। তবে অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে পারে।২. হালকা ময়েশ্চারাইজার:অনেকেই মনে করেন বর্ষায় ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হালকা জেল বা ওয়াটার-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।৩. সানস্ক্রিন:মেঘলা আকাশ থাকলেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে উপযুক্ত এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।৪. ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ:বর্ষায় সাধারণ মেকআপ সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ওয়াটারপ্রুফ কাজল, মাসকারা, আইলাইনার ও লং-লাস্টিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকে।৫. হালকা লিপ বাম:বৃষ্টির সময়েও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম ও সুরক্ষিত থাকে।চুলের যত্নেও নজর দিনবর্ষায় চুলে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি পড়ে। ফলে খুশকি, চুল পড়া বা স্ক্যাল্পে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখা বা অপরিষ্কার রাখা উচিত নয়।প্রসাধনী ব্যবহারে যেসব ভুল এড়াবেন* মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।* অন্যের মেকআপ বা প্রসাধনী ভাগ করে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।* ভেজা হাতে প্রসাধনীর পাত্রে বারবার হাত দেবেন না।* ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ করুন।* সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণপ্রসাধনী ব্যবহার যতই হোক, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমই ত্বক ও চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি। বর্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করলেই এই মৌসুমেও সৌন্দর্য থাকবে অটুট।মনে রাখবেন: বাজারে নতুন কোনও প্রসাধনী কেনার আগে তার উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই নতুন পণ্য ব্যবহার করুন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর পরও মেলেনি বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় নতুন তদন্তের দাবিতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

আরও একটি পাঁচ জুলাই। প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে হত্যার চৌদ্দ বছর পূর্ণ হলেও এখনও প্রকৃত বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ তুলছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘদিনের তদন্তেও মূল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি বলে দাবি তাঁদের। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ সত্য সামনে আসুক এবং প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গোবরডাঙা স্টেশনের বাইরে গুলিতে নিহত হন উত্তর চব্বিশ পরগনার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার শিক্ষক ছিলেন। সুটিয়া গণধর্ষণ মামলায় তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ড গোটা রাজ্যকে নাড়া দিয়েছিল।ঘটনার এত বছর পরেও মামলার পূর্ণ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে পরিবার ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসেনি। রাজনৈতিক মহলেও এই মামলাকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই সব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবার এবং সুটিয়ার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, মামলাটি আবার তদন্ত করে সমস্ত সত্য প্রকাশ্যে আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যার নেপথ্যে যারা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকীতে এদিন সুটিয়ার বিভিন্ন জায়গায় তাঁর স্মরণে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এলাকাজুড়ে তাঁর স্মৃতিতে ব্যানার ও শ্রদ্ধার্ঘ্য দেওয়া হয়। প্রতিবাদ মিছিল, শোকসভা এবং তাঁর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন স্থানীয় মানুষ। উপস্থিত বক্তারা একটাই দাবি তোলেন, এত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চের সদস্য প্রমানন্দ কবিরাজ বলেন, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি হয়নি। তাই নতুন করে তদন্ত করে সমস্ত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। মঞ্চের সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দারের বক্তব্য, নতুন সরকার বিভিন্ন পুরনো ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছে। তাই বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলাতেও নতুন তদন্ত শুরু হবে বলে তাঁদের আশা।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমিলা রায় বিশ্বাস জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও দাবি তাঁর।অন্যদিকে বরুণ বিশ্বাসের দাদা অসিত বিশ্বাস অভিযোগ করেছেন, প্রতিবাদী মঞ্চের উদ্যোগে বসানো আবক্ষ মূর্তিটি বরুণ বিশ্বাসের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি নয়। এই বিষয় নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
দেশ

দানবাক্সের চুরি বন্ধ হতেই অবিশ্বাস্য বদল! প্রতিদিন কোটি টাকার বেশী বাড়ছে রাম মন্দিরের

pরাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে নিয়মিত চুরির অভিযোগ সামনে আসার পর বদলে গিয়েছে ছবিটা। তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে দানবাক্সের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা বন্ধ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তার পরেই মন্দিরের দৈনিক নগদ আয়ে চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি হয়েছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ষোলো থেকে আঠারো লক্ষ টাকা সরকারি হিসাবে জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় আট লক্ষ টাকা বেশি জমা পড়ছে।সূত্রের দাবি, বিশেষ উৎসব বা বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের দিনে অনুদানের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। তবে সাধারণ দিনগুলিতেও এতদিন যে পরিমাণ অর্থ জমা পড়ত, এখন তার তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। মন্দিরের অনুদান গ্রহণের কাউন্টারগুলিতেও আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ষাট হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্কও বেড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্স থেকে নগদ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল বলেই সরকারি হিসাবে কম টাকা জমা পড়ছিল।শুধু নগদ অর্থ নয়, দানে পাওয়া সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়েও তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া সোনার কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সোনা গলিয়ে সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে, যাতে সহজে শনাক্ত করা না যায় এবং লুকিয়ে রাখা যায়।বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই মন্দিরে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দানে পাওয়া গয়না, মূল্যবান সামগ্রী, সংরক্ষণের নথি এবং সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি সরকারি টাঁকশালের সঙ্গে মন্দির কর্তৃপক্ষের লেনদেনের নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যাঙ্ক এবং সরকারি টাঁকশালে পাঠানো সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর পূর্ণাঙ্গ হিসাবও চাওয়া হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দানে পাওয়া সমস্ত সোনা ও মূল্যবান ধাতু নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংরক্ষণ বা জমা করা হয়নি। এর একটি অংশ নগদ অর্থের সঙ্গে আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়ের হিসাব প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। তবে সেই বৈঠকগুলিতে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর পরিমাণ ও সংরক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হত না বলেই তদন্তে উঠে এসেছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে পুলিশের জালে কুখ্যাত মিনি ফিরোজ! মাথায় ৩৭টি মামলা, ভোরে নাটকীয় গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে গ্রেপ্তার হল গুলশন কলোনির কুখ্যাত দুষ্কৃতী মিনি ফিরোজ ওরফে মহম্মদ ফিরোজ খান। তাঁর সঙ্গে ধরা পড়েছে ঘনিষ্ঠ সহযোগী মহম্মদ সাজিদও। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছ থেকে গুন্ডাদমন শাখার বিশেষ অভিযানে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের তপসিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে মোট সাঁইত্রিশটি মামলা রয়েছে। গুলিচালনা, বেআইনি অস্ত্র রাখা, ভয় দেখানো, দুষ্কৃতী কার্যকলাপ এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মামলা দায়ের হয়েছে। বহুবার পুলিশের নজরে এলেও তিনি গ্রেপ্তার এড়িয়ে গিয়েছিলেন।গত প্রায় এক দশক ধরে মধ্য কলকাতার গুলশন কলোনিতে মিনি ফিরোজের দাপট ছিল বলে অভিযোগ। গত বছর গুলিচালনার একটি ঘটনায় তাঁর নাম সামনে আসে। সেই সময় অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় এবং পরে দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পরও তাঁর দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ।তদন্তে উঠে এসেছে, মিনি ফিরোজ একা নয়, নিজের একটি দল নিয়েই এলাকায় সক্রিয় ছিল। সেই দলে মহম্মদ সাজিদ, মুস্তাফা-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। কসবার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গেও তাঁর বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। এতদিন সবাই গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও পুলিশের নজরদারি থেকে শেষ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি।রাজ্যে সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে চলা বিশেষ অভিযানের মধ্যেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছে অভিযান চালায় গুন্ডাদমন শাখা। সেখান থেকেই মিনি ফিরোজ এবং সাজিদকে আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে তপসিয়া থানায় একাধিক মামলা থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া মেনে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের আশা, এই গ্রেপ্তারের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
উৎসব

রথযাত্রায় ঐতিহ্যের পাশে রাজ্য, ১০০-১৫০ বছরের প্রাচীন রথ কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান; জেলাজুড়ে বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ নবান্নের

রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী রথ উৎসবগুলিকে আরও সুষ্ঠু ও জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ১০০ থেকে ১৫০ বছর বা তারও বেশি পুরনো ঐতিহ্যশালী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলার প্রশাসনের মাধ্যমে এই ধরনের ঐতিহাসিক রথযাত্রা কমিটিগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, আগামী ১৩ জুলাই এই অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদিত প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন রথযাত্রা কমিটির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে পারেন বলেও নবান্ন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, রাজ্যজুড়ে রথযাত্রা এবং উল্টোরথকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক (ডিএম)-দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, রথযাত্রা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দেশের নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও পর্যটক এই উৎসবে অংশ নেন। ফলে তাঁদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।এই উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলায় রথযাত্রার রুট এবং প্রধান জনসমাগমস্থলে সেবা শিবির (ফ্যাসিলিটেশন ক্যাম্প) গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের শিবির উল্টোরথের দিনও চালু রাখতে হবে। প্রতিটি জেলার জন্য এই শিবির পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি সেবা শিবিরে বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওআরএস প্যাকেট, প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা, তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র, প্রবীণ নাগরিক, মহিলা, শিশু এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ভক্তবান্ধব পরিষেবাও চালু করা যাবে।এছাড়াও, কোনও জেলার প্রশাসনের মতে যদি কোনও রথযাত্রা কমিটি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বিপুল জনসমাগম বা উৎসবের ব্যাপ্তির কারণে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার যোগ্য হয়, তবে বিস্তারিত কারণ উল্লেখ করে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।রথযাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উৎসবের আগেই জেলা প্রশাসনকে পুলিশ, স্বাস্থ্য দপ্তর, দমকল, পূর্ত দপ্তর, পুরসভা, পঞ্চায়েত, পরিবহণ দপ্তর, রথযাত্রা কমিটি, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকগুলিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, রথযাত্রার রুট ও সেবা শিবিরে সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচার নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনেই করতে হবে। পাশাপাশি, ভক্তদের সুবিধার জন্য শিবিরে কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কেও প্রচারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।উৎসব শেষ হওয়ার পরে প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে গৃহীত পদক্ষেপ, বরাদ্দ অর্থের ব্যবহার, কর্মসূচির আলোকচিত্র এবং সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন দ্রুত তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে জমা দিতে হবে। প্রশাসনের মতে, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রাগুলিকে সংরক্ষণ, উৎসাহ প্রদান এবং ভক্তদের আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে প্রাচীন রথযাত্রা হিসেবে সর্বাধিক স্বীকৃত হল মাহেশ রথযাত্রা।মাহেশ রথযাত্রা (হুগলি),স্থান: মাহেশ,জেলা: হুগলী,শ্রীরামপুর মহকুমা,শুরু: আনুমানিক ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ,প্রতিষ্ঠাতা: ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী (Dhrubananda Brahmachari)-এর মাধ্যমে জগন্নাথদেবের পূজার প্রচলন হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয়।বয়স: প্রায় ৬৩০ বছরেরও বেশি (২০২৬ সালের হিসেবে)।বিশেষত্ব: এটি শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, India-র অন্যতম প্রাচীন এবং Puri-র বাইরে সবচেয়ে বিখ্যাত জগন্নাথ রথযাত্রাগুলির একটি।ইতিহাসমাহেশের জগন্নাথ মন্দিরে বহু শতাব্দী ধরে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমান বিশাল কাঠের রথটি ১৯শ শতকে নতুনভাবে নির্মিত হলেও রথযাত্রার ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরোনো। প্রতি বছর লক্ষাধিক ভক্ত এই উৎসবে অংশ নেন।উল্লেখযোগ্য প্রাচীন রথযাত্রামহেশ রথযাত্রা, শ্রীরামপুর (হুগলী জেলা)(Mahesh Rath Yatra) প্রায় ৬৩০+ বছরের ঐতিহ্য।গুপ্তিপাড়া রথযাত্রা (হুগলী জেলা) Guptipara Rath Yatra প্রায় ২৭০৩০০ বছরের ঐতিহ্য; ভাণ্ডার লুঠ উৎসবের জন্য বিখ্যাত।ময়না রথযাত্রা, চিরঞ্জীবপুর (পূর্ব মেদিনীপুর) Moyna Rath Yatra কয়েক শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য।মহিষাদল রথযাত্রা, (পূর্ব মেদিনীপুর) Mahishadal Rath Yatra রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক রথযাত্রা।পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক ঐতিহাসিক রথযাত্রা হিসেবে হুগলির মাহেশ রথযাত্রা-ই স্বীকৃত। এর ইতিহাস প্রায় ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে ধরা হয়, ফলে এটি ৬০০ বছরেরও বেশি পুরোনো।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

পলাতক সুমিতকে খুঁজতে এবার বড় পদক্ষেপ! রাতভর জেরায় উঠে এল কোন নতুন সূত্র?

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় এখনও অধরা। তাঁকে খুঁজে বের করতে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে সুমিতের সম্ভাব্য যোগাযোগের সূত্র ধরে দেবরাজ চক্রবর্তীকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের আশা, এই জেরার সূত্র ধরেই পলাতক সুমিতের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রাতে দেবরাজ চক্রবর্তীকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, দেবরাজের সঙ্গে সুমিত রায়ের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সেই কারণেই দেবরাজের কাছ থেকে সুমিতের বর্তমান অবস্থান এবং তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় প্রথম সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। তাঁকে খুঁজতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। পাশাপাশি সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও তল্লাশি করা হলেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।অন্যদিকে, সম্প্রতি তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রতারণার অভিযোগে দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। বর্তমানে তিনি তদন্তকারীদের হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত সাড়ে দশটা থেকে বাগুইআটি থানায় তাঁকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।তদন্তকারীদের সন্দেহ, দেবরাজের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সুমিত রায়ের কোনও যোগ ছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে তোলাবাজির মাধ্যমে আদায় হওয়া টাকা সুমিতের কাছে পৌঁছত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। পুলিশ মনে করছে, দেবরাজের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে এই মামলার আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই কারণেই আগামী দিনেও তাঁকে ফের জেরা করা হতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal