• ১১ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu ADhikari

রাজনীতি

কাঁথিতে অধিকারী পরিবারের বাড়ির কাছের সভা থেকে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগের বন্যা অভিষেকের

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির ঢিলছোড়া দূরত্বে কাঁথির জনসভা থেকে দীর্ঘ বক্তব্য রাখলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রায় সারাক্ষণই নিশানা করে গেলেন শুভেন্দু অধিকারীকে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের বিরুদ্ধে আনলেন একের পর এক ভয়ঙ্কর অভিযোগ। তৃণমূল ছাড়া থেকে নির্বাচনে জয়, তোলাবাজি থেকে কয়লাপাচারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ সমস্ত অভিযোগ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে অভিষেক বলেন, আগে সরকারি পরিষেবা থেকে টাকা মারত। আমি ১০টা ক্যামেরা ও মোবাইলের সামনে বলে যাচ্ছি ইডি, সিবিআই ও এনআইয়ের নাম করে টাকা তুলছে। যদি বুকের পাটা থাকে আমার বিরুদ্ধে মামলা কর। আমার কাছে কাগজ-পত্র আছে। আদালতে গিয়ে জমা দিয়ে দেব। এর পাশাপাশি এদিন কয়লাপাচারে প্রধান অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের সঙ্গে শুভেন্দুর কথোপকথনের অডিও ক্লিপ তাঁর কাছে আছে বলেও দাবি করেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, বিনয় মিশ্র ও শুভেন্দু অধিকারীর কথোকথন, অডিও ক্লিপ আছে। সেটা ছাড়িনি। কথায় কথায় বলত না কয়লা চোর, গরু চোর। কে কার সঙ্গে কথা বলেছে বোঝাপড়ার কি চুরি সংক্রান্ত, কে কত বড় তোলাবাজ, কে কত বড় মিরজাফর, কে কত বড় গদ্দার। সব বার করব।এসবের পাশাপাশি সারদা-নারদায় টাকা নেওয়া ও স্থানীয় স্তরে নানা দুর্নীতি নিয়ে অভিষেক শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন।শুভেন্দু অধিকারীর দলবদল ইস্যুকে সামনে রেখে বিশ্বাসঘাতক, মিরজাফর তকমা থেকে সেরে আসতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস। এত দিন এভাবে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। শনিবার কাঁথির এই জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মিরজাফরকে যেমন বিশ্বাসঘাতক হিসেবে বাংলার মানুষ মনে রেখেছেন। তেমনই শুভেন্দু অধিকারীকেও আগামী ৫০০ বছর বিশ্বাসঘাতকতার জন্য বাংলার মানুষ মনে রাখবেন। আগামীকাল থেকেই প্রতিটি বুথে আগামী একমাসের জন্য বেইমান মুক্ত কর্মসূচি চালাবে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার ঘরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু, সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকে দুজনের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। নন্দীগ্রামে একজন তৃণমূল অন্যজন বিজেপির প্রার্থী। নির্বাচনে ছিল চরম উত্তেজনা। ভোটের ফলপ্রকাশের পর দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। ভোট গড়াল আদালত পর্যন্ত। দীর্ঘ দিন বাদে একই ঘরে মুখোমুখী আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও শুভেন্দুর সঙ্গী ছিলেন তিন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, মনোজ টিগ্গা ও অশোক লাহিড়ী। বিধানসভায় মমতার ঘরে শুভেন্দু, এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। বিধানসভাও সাক্ষী থাকল বিরল ছবির।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাাধ্যায়ের ঘরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরা ছিলেন মেরে-কেটে ৩-৪ মিনিট। এটাকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। তাঁকে নাকি একাই ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সঙ্গে দলের আরও তিন বিধায়ককে নিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে। সূত্রের খবর, এদিন মার্শালকে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ডেকেছিলেন বিরোধী দলনেতাকে।শুক্রবার বিধানসভার এই সাক্ষাতের ঘটনায় তোলপাড় হয়ে পড়ে রাজ্য-রাজনীতি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাকে ডেকেছিলেন। সংবিধান দিবসে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্যই ডেকেছিলেন। সাক্ষাতের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, শুভেন্দুকে চা খেতে ডেকেছিলাম। সংবিধান দিবসে উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর উদ্দেশে বলেন, ভাইয়ের মতো স্নেহ করতাম। রাজ্যে তৃণমূল বনাম বিজেপির চরম সংঘাতের মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে বিরোধী দলনেতার সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে জল্পনা ছড়িয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। রে রে করে উঠেছে বাম-কংগ্রেস।

নভেম্বর ২৫, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূলের ১০০ বিধায়ক, নেতার সম্পত্তি ও পার্টি অফিসে বসে টাকা নেওয়ার ছবি ইডিকে দেবঃ শুভেন্দু

তৃণমূল যখন শুভেন্দু অধিকারীকে ব্যক্তি আক্রমণে নেমেছে, তখন বৃহস্পতিবার কাগজপত্র হাতে নিয়ে ফোঁস করলেন বিরোধী দলনেতাও (Suvendu Adhikari)। এদিন বিধানসভা (WB Assembly) চত্বরে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার এক বিধায়ক ও তিন জন নেতার সম্পত্তির খতিয়ান দেন শুভেন্দু। আর তার পরই তিনি বলেন, তৃণমূলের একশ জন বিধায়ক, নেতা, ব্লক সভাপতির সম্পত্তির হিসাব আমার কাছে রয়েছে। পার্টি অফিসে এদের অনেকের টাকা নেওয়ার ছবিও আমার কাছে আছে। একটু একটু করে সব ফাঁস করব।শুভেন্দু এও হুমকি দিয়ে বলেন, কারও হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ও আয়কর দফতরের তদন্ত করার অধিকার রয়েছে। সাধারণ মানুষ চাইলে কারও বিরুদ্ধে তথ্য তাদের কাছে দিতেই পারে। আমি ঘোষণা করে বলছি, তৃণমূলের এই সব নেতার সম্পত্তির হিসাব ইডিকে দেব।বৃহস্পতিবার বিধানসভা অধিবেশন সকাল থেকেই ছিল জমজমাট। তৃণমূলের বিরুদ্ধে যখন চোর স্লোগান তোলে বিজেপি, তখন জোড়াফুলের মূল নিশানাই ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগান বিধানসভার উঠোন পর্যন্ত গড়ায়। এর পরই সাংবাদিক বৈঠক করেছেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেদিন বলেছেন, তৃণমূলের ৯৯ শতাংশ কর্মী সত্। আমি বলছি তৃণমূলের ৯৯ শতাংশ নেতাই অসত্। তাঁদের অসততা কতদূর প্রসারিত তা আমি ফাঁস করব।শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এদিন পাল্টা চোর স্লোগান তুলেছে তৃণমূল বিধায়করা। আর শুভেন্দু বলেছেন, আজকে শুভারম্ভ করলাম। অর্থাত্ শিলান্যাস করে চার জন তৃণমূল নেতার সম্পত্তির হিসাব দিলাম। আগামী সপ্তাহে ফের চার জন তৃণমূল বিধায়ক-নেতার সম্পত্তির হিসাব দেব। এটা তো হিমশৈলের চূড়ামাত্র। জানা গেছে, এদিন শুভেন্দু যে চার তৃণমূল নেতার সম্পত্তি হিসাব দিয়েছেন তাঁরা হলেন গণেশ চন্দ্র মণ্ডল, জাহাঙ্গীর খান, গৌতম অধিকারী ও শামিম আহমেদ।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
রাজনীতি

অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধী দলনেতাকে গ্রেফতারঃ সুকান্ত

বিজেপি-র নবান্ন অভিযানের মিছিলে যগদান করার মুহুর্তেই গ্রেপ্তার করা হয় দলের তিন প্রথম শ্রেনীর নেতৃত্ব শুভেন্দু, লকেট ও রাহুল সিনহাকে। তাদের গ্রেফতার করে লালাবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারই মধ্যে হাওড়া স্টেশনে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে ঘিরে উত্তেজনা। হাওড়া স্টেশনেই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিতে শোনা যায় তাঁকে। মিছিল করে নবান্নের উদ্দেশে যাত্রা শুরু বিজেপি রাজ্য সভাপতির।সুকান্ত বলেন, গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এমারজেন্সির সময় যে ধরনের ব্যরিকেড করা হয়েছিল সেই একই জিনিস দেখতে পেলাম কলকাতার রাস্তায়। অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধী দলনেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজেপির নবান্ন অভিযান সফল করতে মরিয়া বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। অন্যদিকে রাজ্য পুলিশও তা রুখতে কোনও রকম খামতি রাখেননি।আর এই দুয়ের মাঝে পড়ে নাজেহাল দশা সাধারণ মানুষের। যাঁরা রাস্তায় নেমেছেন রুটিরুজির জন্য কিংবা যাঁর ঘরের মানুষটাকে এদিন হাসপাতালে না নিয়ে গেলেই নয়, তাঁরা কার্যত দিশাহারা। নবান্ন অভিযান ঘিরে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে কলকাতা অভিমুখী যে রাস্তা, অর্থাৎ হাওড়া থেকে আন্দুল থেকে কলকাতা অভিমুখী যে রাস্তা তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ। সাঁতরাগাছিতে একের পর এক গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়েছে। দাঁড়িয়ে অ্যাম্বুল্যান্সও। নবান্ন অভিমুখে যতগুলি রাস্তা, এদিন কার্যত সবই রুদ্ধ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজনীতি

জলপাইগুড়ি তে শুভেন্দু'র সভা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতর

রাজ্য জুড়ে চলা বিজেপির তোলা দুর্নীতি বিরোধী ঝড়ে জলপাইগুড়ি থেকে বেশ খানিকটা হাওয়া তুলে দিলেন শুভেন্দু, আর তাতেই কি সভা শেষ হতেই তৃণমূল নেতাদের বয়ান জারির প্রতিযোগিতা শুরু।১৩ই সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযান। তার আগে জেলায় জেলায় চষে বেড়াচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী সহ রাজ্য বিজেপির নেতারা। শুক্রবার জলপাইগুড়িতে আসেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি শহরে পদযাত্রা শেষে সভা করলেন শুভেন্দু। নবান্ন অভিযানের প্রস্তুতিতে শুভেন্দু অধিকারীর জলপাইগুড়ি সফর ঘিরে দিন কয়েক ধরেই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে পারদ চড়ছিল। আগেই শুভেন্দুর কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি ও উপপুরপ্রধান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। এদিন সকালে শুভেন্দু অধিকারী শহরে ঢোকার আগেই বিরোধী দলনেতাকে আক্রমণ করে রাস্তায় নামতে দেখা যায় তৃণমূলের ছাত্র-যুবদের। চোর চোর চোর টা শিবিরবাবু ছেলেটা নামাঙ্কিত ফ্লেক্স শহরের বিভিন্ন স্থানে টাঙিয়ে দেন টিএমসিপি ও যুব তৃণমূলের সদস্যরা। যদিও স্থানীয় তৃণমূলীদের সমালোচনাকে পাত্তা দিলেন না শুভেন্দু।তৃণমূল জেলা যুব সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়কে ছোড়া বলে সম্বোধন করে সাংবাদিকদের কাছে শুভেন্দু বলেন, ভাইপোর টাকা তোলে এক ডাকাত আছে এখানে। যদিও এই প্রসঙ্গে জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর মতো নেতা যখন আমার সমালোচনা করে তখন বুঝতে হবে, এখন সে আর অভিষেক ব্যানার্জীর মোকাবিলা করার মতো জায়গায় নেই।অপরদিকে জেলার আরেক তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস শুভেন্দু বাবুর করা মন্তব্য প্রসঙ্গে অনেক কথার মধ্যে রাজবংশী ভাষায় বলা একটি কথা দিয়েই বাকিটা বোঝানোর চেষ্টা করেন, কৃষ্ণ দাস বলেন, চোরের মায়ের ডাঙ্গর গলা।শুধু যে জলপাইগুড়ির তৃণমূল নেতৃত্বই শুভেন্দুর সভা নিয়ে প্রীতিক্রিয়া দিতে ব্যাস্ত নয় সেটাও লক্ষ্য করা যায়, জলপাইগুড়ির সভার আগে শুভেন্দু অধিকারী আলিপুরদুয়ারে বিজেপি দলের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন বিকেলে, সেই সভা সমাবেশকে কটাক্ষ করে সম্প্রতি সম্পত্তি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হবার পর থেকে বর্তমানে রাজনৈতিক ভাবে কিছুটা ব্যাকফুটে থাকা এসজেডি এর চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা সৌরভ চক্রবর্তী ও নিজের প্রতিক্রিয়া ভিডিও রেকর্ডিং করে সংবাদ মাধ্যমের হাতে পৌঁছে দেন। সেখানে তিনি, শুভেন্দু অধিকারীর উত্তরবঙ্গ সফর প্রসঙ্গে বলেন, একজন চূড়ান্ত ফ্রাষ্ট্রেটেড ছেলে শুভেন্দু, নিজে কিছু করতে পারেনি তাই সবাইকে চোর বলে বেড়াচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

দেবযানীর সামনে শুভেন্দু ও সুজনকে টাকা সারদাকর্তার, মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ সিআইডির- অভিযোগ শর্বরীর

এর আগে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেন। এমনকী আদালত থেকে বেরিয়ে আসার সময়ও তিনি সাংবাদিকদের কাছেও এই দাবি করেছিলেন। এবার অবশ্য সিআইডির বিরুদ্ধে মিথ্য়া বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করলেন সারদা মামলায় জেলবন্দি দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মা শর্বরী মুখোপাধ্যয়। তাঁর দাবি, দেবযানীর ওপর মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে সিআইডি।রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ এনে সিবিআইকে চিঠি সারদা কেলেঙ্কারিতে জেলবন্দি দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মায়ের। তাঁর অভিযোগ, মেয়ের উপর মানসিক চাপ তৈরির চেষ্টা করছে সিআইডি, মিথ্যা বয়ানের জন্য জোর করা হচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের থেকে ৬ কোটি করে টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা দেবযানীর সামনে দেওয়া হয়েছিল। এমন বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে সিআইডি।একথা দেবযানী তাঁকে বলেছে বলে দাবি করেছেন মা শর্বরী মুখোপাধ্যায়। যদিও দেবযানী তা দিতে অস্বীকার করেছে। তাঁকে আরও ৯টি মামলায় ফাঁসানো হবে বলে সিআইডি-র এক আধিকারিক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় চাপ দিয়েছেন বলেই শর্বরীদেবীর অভিযোগ।শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগঅভিযোগ সামনে আসতেই সিআইডির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী ও সুজন চক্রবর্তী। শুভেন্দু অধিকারী টুইটে লিখেছেন, অপমান, সম্পূর্ণ অসম্মান! এক সময়ের গৌরবময় সিআইডি এখন পশ্চিমবঙ্গের বুয়া-ভাতিজার বেতনভুক্ত দাড়োয়ান হয়ে উঠেছে। রাজ্যের বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বিবৃতি দেওয়ার জন্য বিচারাধীন বন্দীদের ভয় দেখিয়ে ব্যানার্জিদের ঘৃণ্য স্বার্থকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সিআইডি অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে। সুজন চক্রবর্তীর দাবি, রাজ্যকে খুশি করতে চাইছে সিআইডি। ২০২১ সালে ভোটের আগে ওরা একই চেষ্টা করেছিল, তখন বিমান বসুর সঙ্গে আমার নাম ছিল। সকলে তখন হেসেছিল। সুজনের দাবি, কোর্টের রক্ষাকবচ বা হাসপাতালে ভর্তি হবো না। তদন্তের মুখোমুখি হতে আমি প্রস্তুত।শর্বরী মুখোপাধ্য়ায় চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, দেবযানী এখন দমদম জেলে বন্দি। গত ২৩ অগাস্ট জেলে দেবযানীকে সিআইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তখনই বেশ কয়েকটি প্রশ্নের পর সিআইডি-র এক অফিসার নাকি দেবযানীকে বলেন, শুভেন্দু ও সুজনকে ৬ কোটি টাকা দিয়েছিলেন বলে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন আগেই জানিয়েছেন। দেবযানীকে বলতে হবে, তাঁর সামনেই সেই টাকা শুভেন্দু ও সুজনকে দেওয়া হয়েছিল। এটা করলে দেবযানীকে রাজসাক্ষী করা হবে।Disgrace, total disgrace!The once glorious CID has now become the paid janitor of WBs Bua-Bhatija.CID is indulging in criminality for advancing the nefarious interest of the Banerjees by intimidating under trial prisoners to give false statements against WB Opposition Leaders: pic.twitter.com/fHdZJyLgvZ Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 8, 2022এর আগে শুভেন্দু অধিকারী ও বিমান বসুর নাম করেছিলেন সুদীপ্ত সেন। সুদীপ্ত সেনকে চাপ দিয়ে সেকাজ করানো হয়েছিল বলে শুভেন্দু দাবি করেছিলেন। এবার খোদ সিআইডির বিরুদ্ধে মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য অভিযোগ ওঠায় সারদা মামলা অন্য মোড় নিল।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজনীতি

'উনাকে মিথ্যাশ্রী পুরস্কার দেওয়া উচিত', কাকে একথা বললেন শুভেন্দু অধিকারী

মুখ্যমন্ত্রীর মিথ্যা লগ্নে জন্ম সেই কারণে উনাকে মিথ্যাশ্রী পুরস্কার দেওয়া উচিত। এদিন বিজেপির একটি জনসভায় যোগ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এই ভাষাতেই আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রানাঘাট দক্ষিণ বিজেপি জেলা সাংগঠনের উদ্যোগে নদীয়ার দত্তপুলিয়ায় একটি প্রকাশ্য জন সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেখানেই প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃষ্টির কারণে জনসভা শুরু হতে দেরি হলেও বক্তব্য মধ্য দিয়ে রাজ্য সরকারকে ঝাঝালো আক্রমণ করেন তিনি।জনসভার শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজেই মিথ্যা লগ্নে জন্মগ্রহণ করেছেন। তাই সবার আগে তাকে মিথ্যাশ্রী পুরস্কার দেওয়া দরকার। পাশাপাশি চাকরি প্রসঙ্গে তিনি বলেন গতকাল মুখ্যমন্ত্রী নাকি বলেছেন এক কোটি ৬৯ লক্ষ মানুষকে শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রে চাকরি দিয়েছেন? এই প্রথম নয়, বহুদিন ধরে তিনি এই ধরনের মিথ্যা কথা বলেন। সরকারি কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন সকলকে বলবো ট্রান্সফারের ভয়ে চুপ করে বসে না থেকে রাস্তায় নামতে হবে। তার কারণ পথে নেমে জনরসের মাধ্যমেই এই দুর্নীতির সরকার কে পাল্টে ফেলা যাবে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
রাজনীতি

'গণপতি বাপ্পাকে সামনে রেখে এরকম চোর ডাকাতদের সম্বন্ধে বলা উচিত না' অভিষেক প্রসঙ্গে শুভেন্দু

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে ইডির তলব নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানান, আমি রাজনীতির কথা বলবো না গণপতি বাপ্পাকে সামনে রেখে এরকম চোর ডাকাতদের সম্বন্ধে বলা উচিত না। অন্য জায়গায় বলবো জায়গাটাকে অপবিত্র করবেন এইরকম গরু চোর গরুকে আমরা মাতা বলি আর এরা গরু পাচার করে।পানিহাটি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপম দত্তের খুনের ঘটনায় অভিযুক্তের জামিন নিয়ে বলেন, আমাদের সহানুভূতি আছে আমি যে বিধানসভায় সাসপেন্ড হয়েছিলাম পানিহাটি ঝালদা রামপুরহাটের বাগটুই এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে উনি আমাদের দলের কাউন্সিলর ছিলেন না কিন্তু আমাদের সহানুভূতি ছিল আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলাম প্রথম দিন তার পরিবারের তরফ থেকে সিবিআই তদন্ত চাওয়া হয় কিন্তু পরবর্তীকালে শাসক দলের লোকেরা ওনাকে বুঝিয়ে বলেন এই সরকারের পুলিশ সিআইডি থেকে বিচার পাবেন সাময়িকভাবে ভুল বুঝিয়ে আজকে খুনিদের ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে ওনার স্ত্রী এবং বাড়ির লোককে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা সিআইডি তদন্তের উপর আস্থা রাখবেন না উচ্চ আদালতে যাবেন সিবিআই তদন্তের দাবিতে।অনুপম দত্তের স্ত্রী আত্মহত্যা করতে যাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, আমি জানি খুব খুব বেদনাদায়ক ঘটনা গণপতি বাবার কাছে ওনার পরিবারের সুস্থতা কামনা করব এবং মানসিক দৃঢ়তা বাড়ুক তিনি যে ধরনের আইনি সাহায্য বা লিডার অপজিশন হিসেবে যেহেতু পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপি ছাড়া আর কোন দলের এমএলএ নেই তাই এই সরকারের দ্বারা এখানকার গুন্ডাদের দ্বারা যেই পীড়িত হবে যে দলেরই যারা সরকার বিরোধী তাদের পাশে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি মনোনীত বিরোধী দলনেতা তাদের পাশে থাকবে।মিনাক্ষী দত্ত মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিল কিন্তু পাইনি, এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি এগুলো বলতে পারব না। আমি শুধু বলবো এই রাস্তাটা তাড়াতাড়ি সারানোর ব্যবস্থা করতে।

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজ্য

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূলের অভ্যন্তরের বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর, তৃণমূলের ভোট কার ঘরে?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূল ক্রশ ভোটিং করেছে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কেউ ভোট দিয়েছেন এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে, আবার কারও কারও ভোট বাতিল বলে ঘোষিত হয়েছে। বিরোধী দলনেতার এহেন অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেনি।এদিনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগণনা ছিল। তৃণমূলের শহিদ দিবসের দিন সাধারণত অন্য দল থেকে ঘাসফুল শিবিরে কেউ কেউ যোগ দেন। এবার এই দিনে তৃণমূলের অভ্যন্তরে বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে বলে শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে অভিযোগ করে বসলেন।রাজ্য বিধানসভা থেকে দ্রৌপদী মুর্মু ভোট পেয়েছেন ৭১টি। শুভেন্দুর বক্তব্য, ইচ্ছাকৃতভাবে তৃণমূলের চার বিধায়ক নিজেদের ভোট বাতিলযোগ্য করেছেন। এক বিধায়ক দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিয়েছেন। কারণ, তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের হুইপ মেনে বিরোধীদের প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে ভোট দিতে চাননি। দ্রৌপদী মুর্মুকে রাজ্যের ৭০ জন বিজেপি বিধায়কের ৭০ জনই ভোট দেবেন। তাহলে ১টি ভোট কে দিলেন? তৃণমূলের এক বিধায়ক বিধানসভায় ক্রশ ভোট দিয়েছেন বলে শুভেন্দুর দাবি।As promised by me all 70 @BJP4Bengal MLAs voted in favour of Smt. Draupadi Murmu ji.While 1 @AITCofficial MLA cross voted in favour of the President Elect, 4 TMC MLAs ensured that their votes were regarded invalid !71 votes were polled in favour of Smt. Murmu ji in WB Assembly: pic.twitter.com/QDwIy2LKkB Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 21, 2022এমনকী লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের ৪ সাংসদের ২ জন দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিয়েছেন বলেই দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। বাকি দুজনের ভোট বাতিল হয়েছে। বিজেপির প্রশ্ন তাহলে যাঁরা প্রকাশ্যে তৃণমূলেই আছেন তাহলে তাঁরা কি করে দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে বিজেপি-তৃণমূল দুপক্ষই দাবি করেছিল বিরোধী দলের সাংসদ-বিধায়করা ক্রশ ভোট করবেন। শুভেন্দুর দাবি নিয়ে জোর জল্পনা চলছে রাজনৈতিক মহলে।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

'গোপনে সারদা কর্তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন শুভেন্দু, নিয়েছেন টাকা,' গ্রেফতারের দাবি কুণালের

দলের রাজ্য দফতরে নারদের টাকা নেওয়ার ভিডিও দেখিয়ে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবি করেছিল বিজেপি। এবার একই পরথে হাঁটল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের প্রধান দফতরে সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের বক্তব্য শোনানো হল। সাংবাদিকদের দেখানো হল সুদীপ্ত সেনের চিঠি। এসব দেখিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব শুভেন্দু অধিকারীর গ্রেফতারির দাবি তুলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা সারদাকান্ডে অভিযুক্ত কুণাল ঘোষ এদিন বলেন, সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের চিঠিতে অভিযুক্ত নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু চোর, ব্ল্যাকমেলার। সুদীপ্ত সেনের কাছ থেকে নগদে টাকা নিয়েছেন। বিজেপি করছে নিজেকে বাঁচাতে। আগের চিঠিতে সুদীপ্ত সেন লিখেছেন তিনি যখন রহস্যজনক ভাবে উধাও হয়েছিলেন তখনও শুভেন্দু দেখা করতে গিয়েছিলেন তাঁর সঙ্গে। বিজেপি অফিসে নারদার ফুটেজ দেখিয়ে গ্রেফতারের দাবি করা হয়েছিল। তদন্ত শুরু করে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। বাদ ছিল শুধু শুভেন্দু।কুণালের দাবি, ৫০ লক্ষ টাকা কাঁথি পুরসভার নামে ব্যাংক ড্রাফটের কথা বলেছেন সুদীপ্ত। শুভেন্দুকে গ্রেফতার করে তদন্ত করতে হবে। তৃণমূল নেতা তাপস রায় সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে শুভেন্দুকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানান। শুভেন্দু ইস্যুতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে নিশানা করেছেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যপাল কিসের বিনিময়ে শুভেন্দুকে রাজনৈতিক প্রশ্রয় দিচ্ছেন। এই বিষয়েও তদন্ত হওয়া উচিত। যদিও শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলেছেন কুণালের কথার তিনি জবাব দেন না।

জুন ২৪, ২০২২
রাজ্য

মহারাষ্ট্রের সঙ্কট-ছায়া বাংলায় দেখছেন শুভেন্দু অধিকারী

মহারাষ্ট্রে মহাসঙ্কটে শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে সরকারের। সরকার ভাঙার মুখে। সঙ্কটে শিবসেনা-কংগ্রেস-এনসিপিজোট। নির্বাচনে জোট হয়েছিল শিবসেনা ও বিজেপির মধ্যে। কিন্তু তারপর বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে বিরোধীদের হাত ধরে সরকার গঠন করেছিল শিবসেনা। এই দলের অধিকাংশ বিধায়ক এখন বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাতে চলেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি বাংলায় হবে বলে দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।এদিন পশ্চিমবঙ্গ দিবসে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। রাজ্য দুবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। ওখানে সুপ্রিকোর্ট বলছে সব তো ২ মে-র পরের ঘটনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন বলে মামলা। তাই ভাইপো ও ভাইপোর বউকে ডাকলো বলে মামলা। ওসব নাটক খাটবে না। এরপরই শুভেন্দু মহারাষ্ট্রের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, দেখতে থাকুন। মহারাষ্ট্র হয়ে গিয়েছে, ঝাড়খন্ড হবে এবার বাংলা হবে।

জুন ২৩, ২০২২
রাজ্য

গাড়ি ভাঙছে, গাড়ি পুড়ছে, আইন-শৃঙ্খলা হাতের বাইরে, সেনা নামানো হোকঃ শুভেন্দু

বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র নুপুর শর্মার মন্তব্যের প্রতিবাদে এদিনও হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ জারি ছিল। প্রতিবাদ কার্যত তান্ডবে পরিনত হয়। গাড়ির পর গাড়ি ভেঙে-পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উলুবেড়িয়ায় বিজেপির কার্যালয় পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। ডোমজুর থানা আক্রান্ত হয়েছে। এই ঘটনা সামলাতে সেনা নামানোর আর্জি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।গতকাল, বৃহস্পতিবার হাওড়ায় জাতীয় সড়কে অবরোধের জেরে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছিল। এদিন রীতিমোত তান্ডব চালায় বিক্ষোভকারীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। গতকাল অবরোধের ফলে রাস্তায় সন্তান প্রসব করার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবাদের নামে বিশৃঙ্খলা চলছে। যা নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ। কেন রাজ্য সরকার প্যারামিলিটারি ও মিলিটারিকে নামাল না। আমি সিপিএমের সব কথার নিন্দা করেও বলব, রিজানুরের সময় মিটিলারি ডেকে তৎকালীন মুখ্যসচিব মানুষের সম্পত্তি রক্ষা করেছিলেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, উলবেড়িয়াসহ হাওড়ায় কয়েকশো গাড়ি ভাঙা হয়েছে, গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। গোটা রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। বিরোধী দলনেতা হিসাবে রাজ্যপালকে একাধিক ভিডিও পাঠিয়েছি। টুইট করেছি। এখন ইমেল করে আর্মি নামিয়ে মানুষের জীবন সম্পত্তি রক্ষা করতে অনুরোধ করেছি। বিক্ষোভকারীদের মূল লক্ষই বিজেপি। তৃণমূলের উসকানি আছে। বিজেপির জেলা কার্যলয়ে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী হামলার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এসএসসি দুর্নীতির অভিমুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

জুন ১০, ২০২২
রাজ্য

এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতিঃ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় সারা বাংলা। এবার এই দুর্নীতির তদন্তে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরই প্রাক্তন সতীর্থ ক্যাবেনেট সদস্য তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে এক স্মরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই দাবি জানান বিজেপি নেতা শুভেন্দু।এদিনই হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটি এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগের তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দেন। সেখানেই শিক্ষাদফতরের এই নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে শান্তিপ্রসাদ সিনহাসহ একাধিক ব্যক্তি জড়িত বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। নিয়োগে ভয়ঙ্কর বেনিয়মের কথা সেই রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে। এই মামলার শুনানি হবে আগামী ১৮ মে।এদিন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর মূলাধার। এসপি সিনহা কমিটি পার্থ চট্টোপাধ্যায় তৈরি করেছেন। লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীর চোখের জল বৃথা যেতে পারে না। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা উচিত। তাহলেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় পিসি-ভাইপোর নাম বলবে। তাঁর দাবি, টাকার বিনিময়ে চাকরি হয়েছে। এই জাহাজবাড়ির মালিক চাকরি বিক্রি করেছে। নিরপেক্ষ এজেন্সি তদন্ত করলেই লাইন দিয়ে তথ্যপ্রমান দিয়ে আসবে। এদিন বিরোধী দলনেতার মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে

মে ১৩, ২০২২
রাজ্য

কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যাবে বহরমপুরে? কটাক্ষ শুভেন্দুর

রাজনীতি ও ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি এখন সমার্থক শব্দ। বাংলায় ঘটনা ঘটলে বিজেপি কেন্দ্রীয় ভাবে ঘটনার বিস্তারিত জানতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠাচ্ছে। বিজেপি শাসিত রাজ্য বা কেন্দ্রীয় পুলিশের তত্বাবধানে কোনও ঘটনা ঘটলে সেখানে এই কমিটি গঠন করছে তৃণমূল কংগ্রেস। নাম একই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এবার বহরমপুরের ছাত্রী খুনের ঘটনায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠানো নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দু সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, জানতে চাই মাননীয়া কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠাচ্ছেন বহরমপুরে? @MamataOfficial আপনার শাসনকালে অপরাধীদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি আইন শৃঙ্খলার অবনতির দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন এবং যোগ্য কাউকে দায়িত্ব দিন।জানতে চাই মাননীয়া কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠাচ্ছেন বহরমপুরে?@MamataOfficial আপনার শাসনকালে অপরাধীদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি আইন শৃঙ্খলার অবনতির দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন এবং যোগ্য কাউকে দায়িত্ব দিন। Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) May 3, 2022রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধান খুন হওয়ার পর গণহত্যায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরে আরও ২জন অগ্নিদগ্ধের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। এই ঘটনার বিস্তারিত জানতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিলেন। তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নাড্ডাকে রিপোর্ট দিয়েছিল। পরে হাঁসখালিতে গণধর্ষণের ঘটনাতেও দলের মহিলা সদস্যের নিয়ে ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘটনা স্থলে গিয়ে মৃতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে।এরইমধ্যে উত্তরপ্রদেশে একই পরিবারের ৫ সদস্যকে গলার নালি কেটে কেটে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। সেখানে পৌঁছায় তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। তারপর দিল্লির ঘটনায় ফের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠায় তৃণমূল। উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় রয়েছে যোগীর সরকার। আর দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে। বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির পাল্টা তৃণমূলও গঠন করে।গতকাল সোমবার সন্ধ্য়ায় বহরমপুরে চাকু দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে অনেকের সামনে এক কলেজছাত্রীকে খুন করে যুবক। অভিযুক্ত সুশান্ত চৌধুরীকে কয়েক ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনার ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।

মে ০৩, ২০২২
রাজ্য

মমতা মুখ্যমন্ত্রী থাকলেও রাজ্যে ৩৫৫ চাইছেন বিরোধী দলনেতা

রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার প্রতিবাদে বীরভূমের সিউড়িতে আইন অমান্য আন্দোলন করে বিজেপি। বুধবার এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন শুভেন্দু বলেন, ওনার মেজরিটি আছে। মুখ্যমন্ত্রী আছেন, থাকুন। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে নিক কেন্দ্র। তাঁর প্রভিশন আছে ৩৫৫-তে। এসেম্বলিতে তাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। তবে রাজ্যে ৩৫৬-এর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষের শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, রাজ্যে কিছু সামাজিক বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। ওর তালু গরম হয়ে গিয়েছে। তাই এসব বকছে।গত কয়েক দিনে রাজ্যের মোট ৫টি আইন-শৃঙ্খলা জনিত ঘটনার ক্ষেত্রে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। বগটুইতে গণহত্যা থেকে ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর খুন। নদিয়ার হাঁসখালিতে গণধর্ষণ করে নাবালিকার ডেথ সার্টিফিকেট না থাকা সত্বেও শ্মশানে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই ঘটনাতেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সিবিআই। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা তলানিতে বলে দাবি করে আসছে বিজেপি সহ বিরোধী দলগুলি। তবে এদিন সরাসরি শুভেন্দু জানিয়ে দিলেন, তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর পরিবর্তন চান না। কেন্দ্রের হাতে আইন-শৃঙ্খলার নিয়ন্ত্রণ চাইছেন।এদিকে শুভেন্দুর দাবির প্রেক্ষিতে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে রক্ষা করার জন্য সুকৌশলে দিল্লি পরিকল্পনা নিয়েছে। সারদা-নারদায় তা আগেই বোঝা গিয়েছে। এটা দিল্লির মতো পরিকল্পনা আছে। জম্মুকাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস অসহ্য। তবে বিজেপি সিরিয়াস হলে সারদা-নারদায় শাস্তি দিতে পারত। তা করেনি।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
রাজনীতি

বগটুই কাণ্ডঃ 'অনুব্রত মন্ডলের কল রেকর্ড আগে ধরা উচিত,' দাবি শুভেন্দুর

সিবিআই তদন্তের নির্দেশের পরও রামপুরহাট কাণ্ডে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। শনিবার রামপুরহাটে এসডিও অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ করে বিজেপি। চলবে রবিবারও। এদিন অবস্থানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুব্রত মন্ডল ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধোনা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বীরভূমের অশান্তির জন্য দুজনকে দায়ী করেছেন তিনি।শুভেন্দু বলেন, প্রশাসনিক সভাতে একজন অশিক্ষিত তোলাবাজ, একজন গুন্ডা সর্দার জেলা সভাপতি হাজির থাকেন। প্রশাসনিক সভাতে তাঁকে বসিয়ে আইসি, ওসি, বিডিও, এসডিও, ডিএম, এসপিকে তিনি নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশ, এই লোকটার কথা আপনাদের শুনে চলতে হবে। এভাবে গোটা জেলাতে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতাকে ধংস করে দেওয়া হচ্ছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশকে নষ্ট করে দিচ্ছে। তার ফল এই বগটুইয়ের মর্মান্তিক ঘটনা। শুভেন্দু বলেন, সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। এখন আমাদের দুটি দাবি আছে। পুলিশমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। গোটা বীরভূম জুড়ে বছরের পর বছর ধরে যে খুন-সন্ত্রাস-লুটের রাজনীতি করছে তাঁদেরকে কঠিনতম শাস্তি দিতে হবে। মূলত এই দুই দাবিতে আমাদের অবস্থান। গত সোমবার বাড়শালের উপপ্রধান ভাদু শেখকে খুন করে দুষ্কৃতীরা। তারপর বগটুই গ্রামে ৮ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। শুভেন্দুর দাবি, উপপ্রধানকে খুন করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরা। বখড়ার গন্ডগোল নিয়ে বিবাদ। পরবর্তী সময়ে দেড় ঘণ্টার মধ্যে পুরো বাইকবাহিনী ব্যবহার করে। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধী শূন্য করা হয়েছিল এই বাহিনী দিয়ে। এদের দিয়ে এবার পুরভোট লুঠ হয়েছে। পাথর ও বালু নিয়ে গোটা জেলা জুড়ে লুটের ব্যবসা চলছে। ভাদু শেখ ও আনারুলের মতো অজস্র বাড়ি আজ সর্বত্র তৈরি হয়েছে। তারা আগে ফাটা জামা পড়ত, সাইকেলে চড়ত, বিড়ি নিভিয়ে নিভিয়ে খেত, রাস্তার পাশে বসে তাস খেলত। মুখ্যমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে এসেছেন। তাঁর নাম এখন আকাশরাণী। বাম জমানায় সূচপুরে ১১ জন তৃণমূল কর্মী-সমর্থককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল সিপিএমের বিরুদ্ধে। শুভেন্দু বলেন, সুচপুরের ঘটনায় সিপিএম শেষ হয়ে গিয়েছে, রামপুরহাটের ঘটনায় বীরভূম শুধু নয় বাংলা থেকে শেষ হয়ে যাবে তৃণমূল। শুধু খুনীদের ধরলে হবে না, শুধু বাইকবাহিনীকে ধরলে হবে না, যাঁরা ফোন করেছেন তাঁদের কল রেকর্ড ধরতে হবে। অনুব্রত মন্ডলের কল রেকর্ড আগে ধরা উচিত। তারপর পশ্চিমবঙ্গের পুলিশমন্ত্রীর কতবার কথা হয়েছে সেটা প্রকাশ্যে আসা উচিত। তিনি কী নির্দেশ দিয়েছিলেন সেটাও আসা উচিত। আমরা দাবি করব, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের ধরতে হবে।

মার্চ ২৬, ২০২২
কলকাতা

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আনা স্বাধিকারভঙ্গের প্রস্তাব গ্রহণ করলেন স্পিকার

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের প্রস্তাব গ্রহণ করলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। চার বিধায়ক বুধবার আলাদা আলাদাভাবে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে আয়কর হানার বন্দোবস্ত করার হুমকি দিয়েছেন শুভেন্দু। দিয়েছেন খুনের হুমকিও। বৃহস্পতিবার অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার জানিয়ে দেন, বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ তাঁর কাছে জমা পড়েছে। স্বাধিকারভঙ্গের প্রস্তাবটি তিনি গ্রহণ করেছেন। শুভেন্দু অবশ্য বুধবারই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন।শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা চার বিধায়ক হলেন বাগদার বিশ্বজিৎ দাস, বড়জোড়ার তন্ময় ঘোষ, রায়গঞ্জের কৃষ্ণ কল্যাণী এবং কালিয়াগঞ্জের সৌমেন রায়। এঁরা চারজনই বিজেপি-র টিকিটে বিধানসভা নির্বাচনে জেতেন। কিন্তু পরবর্তীতে তৃণমূলের কাছাকাছিই তাঁরা থাকছেন। ওই চার বিধায়ক দাবি করেছিলেন, বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা চলাকালীন বারবার বাধা দিচ্ছিলেন বিরোধী দলনেতা। এর প্রতিবাদ করেছিলেন তাঁরা। বাকবিতণ্ডা চলে। পরে শুভেন্দুর নেতৃত্বে ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা। চার বিধায়কদের অভিযোগ, অধিবেশন ছাড়ার সময় বিরোধী দলনেতা তাঁদের উদ্দেশ্য করে বলে যান তোমাদের আয়করের নোটিস পাঠানোর বন্দোবস্ত করছি। এর পর মেরে ফেলার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ।দুই বিধায়কের এই অভিযোগ নিয়ে তখনই উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্পিকার। স্পিকার বলেন, অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর, সদস্যদের নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যবস্থা নিচ্ছি। কড়া প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রীও। মমতা বলেন, তাহলেই বুঝুন কে আয়কর দপ্তর চালায়, কেই বা চালায় সিবিআই। মুখ্যমন্ত্রীই ইঙ্গিত দেন শুভেন্দুর বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস আনা উচিত। পরে চার বিধায়ক বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের নোটিস দিয়েছেন। বাগদার বিশ্বজিৎ দাস, রায়গঞ্জের কৃষ্ণ কল্যাণী, বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ ও কালিয়াগঞ্জের সৌমেন রায় ওই নোটিসে সই করেছেন।

মার্চ ১৭, ২০২২
রাজনীতি

‘ক্ষমতা থাকে তো ছুঁয়ে দেখান,’ মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

রাজ্যে বাজেট অধিবেশন চলছে। বাজেট অধিবেশন শুরুর দিন থেকেই হই হট্টগোল দেখা গিয়েছে অধিবেশন ঘিরে। বাজেট অধিবেশন সূচনার আগে বিজেপির হট্টোগোলের জেরে বারংবার ভাষণ পাঠে বাধা পেয়েছিলেন রাজ্যপাল। অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে চলে যেতে চেয়েও অবশ্য তৃণমূল বিধায়কদের ঘেরাও-এর জেরে তা পারেননি। পরে কোনওমতে প্রথম এবং শেষ লাইন পাঠ করে অধিবেশন কক্ষ্য ত্যাগ করেছিলেন রাজ্যপাল। রাজ্যে তৃণমূল-বিজেপি বিবাদ নতুন ঘটনা নয়। সেই বিবাদের প্রতিফলন ঘটে রাজ্য বিধানসভায়ও। এদিন বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করে ভারতীয় জনতা পার্টি। তারপর বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয় নিয়ে শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ জানান মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি এদিন বলেছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করেছি যদি আপনার ক্ষমতা থাকে আমাকে ছুঁয়ে দেখান। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা গিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টে। দুই আদালতেই রায় শুভেন্দুর পক্ষেই গিয়েছিল। আদালতে তরফে রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনার উল্লেখ করেই মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন বিরোধী দলনেতা।প্রসঙ্গত, কাঁথি পুরসভার গোডাউন থেকে ত্রিপল চুরির অভিযোগ ওঠে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। সেই মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট অবধি। এই মামলার রায়ে হাইকোর্ট থেকে রক্ষাকবচ পান শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর রহস্যমৃত্যুসহ পাঁশকুড়া এবং নন্দীগ্রামের মামলায়ও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে। পাশাপাশি মানিকতলা এবং তমলুকের মামলায় রাজ্যের শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। হাইকোর্টের এই রায়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে।বুধবার পুলিশ বাজেট পেশ করেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের পুলিশকে দলদাস হিসেবে অভিহিত করে শুভেন্দু বলেন, বাংলায় শাসকের আইন চলছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, দলবিরোধী তিন-চার জনকে শিখিয়ে নিয়ে এসে বিজেপি বেঞ্চ থেকে পরিকল্পিত ভাবে গোলমাল করানোর চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের কয়েকজন ও দিকে চলে গিয়েছে। তাঁদের সম্পর্কে যদি বলতে শুরু করি আমি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি, আমার বিরুদ্ধে এত মামলা দিয়েছেন। আমি হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ পেয়েছি। আপনার ক্ষমতা থাকে শুভেন্দু অধিকারীকে ছুঁয়ে দেখান। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে এই সব মন্তব্য করছেন। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মিথ্যাচার ও হাউসকে অচল করার চেষ্টার প্রতিবাদ করে, দলদাস পুলিশ বাজেটের বিরোধিতা করে ওয়াকআউট করেছি।

মার্চ ১৬, ২০২২
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে হেরেছি বলেছিলেন শুভেন্দু, বিস্ফোরক দাবি রাজীব-জয়প্রকাশের

নন্দীগ্রাম নিয়ে ফের তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এবার নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে বোমা ফাটালেন ঘর ওয়াপসি করা তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামের ভোট স্বচ্ছ হয়নি। এমনটাই দাবি রাজীবের। শুভেন্দু অধিকারী নাকি তাঁকে গণনার দিন বিকেলেই জানিয়েছিলেন, তিনি হেরে গিয়েছেন । তাঁর বক্তব্য, কারচুপি করে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী।শনিবার বিকেলে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি আজ দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি। নন্দীগ্রামের কথা উনি (শুভেন্দু অধিকারী) বার বার বলেন। আমিও সেই সময় ভারতীয় জনতা পার্টিতে ছিলাম। বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নন্দীগ্রামের ভোট কতটা স্বচ্ছ হয়েছে! বাংলার মানুষ জানে, নন্দীগ্রামের ভোট কীভাবে হয়েছে। নন্দীগ্রামের ভোট স্বচ্ছ হয়নি। যেদিন ফলাফল ঘোষণা হয়, তিনি নিজে আমায় বিকেলে ফোন করে বলেছিলেন, নন্দীগ্রামে হেরে গিয়েছেন। তারপর কোন জাদুবলে আবার নন্দীগ্রামে তিনি জিতলেন? হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছে, আমরা চাই এর বিচার হোক, যাতে হয় পুনরায় নির্বাচন নাহলে পুনরায় ভোট গণনা হোক। তাহলেই কী আছে তা পুরোপুরি স্পষ্ট হয়ে যাবে।উল্লেখ্য, এই অভিযোগ নতুন কিছু নয়। এর আগেও তৃণমূল এমন অভিযোগ তুলেছিল এবং সেই জল আদালত পর্যন্তও গড়িয়েছে। এখন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দল বদলের পর সেই প্রসঙ্গকে ফের একবার উস্কে দিলেন। নন্দীগ্রামের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার প্রথম দিন থেকেই নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এরপর শনিবার বিকেলে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সদ্য জার্সি বদল করা জয়প্রকাশ মজুমদার, উভয়েই দাবি করেন তাঁদের কাছে খবর ছিল শুভেন্দু অধিকারী হেরে গিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী নিজে নাকি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছিলেন যে তিনি হেরে গিয়েছেন।

মার্চ ১২, ২০২২
কলকাতা

২ বিজেপি বিধায়কের সাসপেনশন নিয়ে বাজেট অধিবেশনে তুমুল হট্টগোল, ওয়াক আউট বিজেপির

রাজ্য বিধানসভার চলতি বাজেট অধিবেশন যে উত্তপ্ত হবে প্রথম দিনই তার ইঙ্গিত মিলেছিল।সোমবার অধিবেশনের শুরুর দিনই রাজ্যপালের ভাষণের সময় নজিরবিহীন বিক্ষোভ দেখিয়ে সেই চড়া সুর বেঁধে দিয়েছিল বিরোধী বিজেপি। বুধবার অধিবেশনের তৃতীয় দিনেও নিজেদের অবস্থান অপরবর্তিত রাখল শাসক দল। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের দেওয়া বক্তব্যের জবাবি ভাষণ দিতে উঠলে পদ্মশিবিরের বিধায়কেরা চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দেন।তাদের দাবি সাসপেন্ড হওয়া দুই সদস্যের ওপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার করতে হবে।স্পিকার সেই দাবি না মানলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রায় একঘন্টা ভাষণ চলাকালীন স্লোগান শাউটিং চালিয়ে যান তাঁরা।এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিজেপি বিধায়কদের লক্ষ্য করে তিনি বলেন, হাউজে রীতিমতো মস্তানি চলছে। বাংলার বহুশ্রুত প্রবাদের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওরা যত গর্জন করে, তত বর্ষায় না।ওদের কাজ শুধু সভায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করা।সোমবার রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের সূচনায় রাজ্যপালের ভাষণের সময় বিধানসভায় অভব্য আচরণ বিশৃঙ্খলা তৈরির অভিযোগে দুই বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হল। বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী এবং সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে চলতি অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করেছেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার,বিধানসভায় সরকারপক্ষের তরফে ঐদিন বিধানসভায় গোলমাল জন্য বিরোধী বিজেপিকে দায়ী করে একটি প্রস্তাব আনা হয়। পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ওই প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন সেদিন বিজেপি সদস্যরা যেভাবে চিৎকার-চেঁচামেচি করে কাগজ ছুড়ে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছেন তাতে শুধুমাত্র রাজ্যপাল নয় বিধানসভারও মর্যাদা লংঘন হয়েছে।মিহির গোস্বামী এবং সুদীপ মুখোপাধ্যায় এই কর্মসূচিতে সামনের সারিতে ছিলেন। এই আচরণের শাস্তি স্বরূপ চলতি অধিবেশনের জন্য ওই দুই বিধায়ক কে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। অধ্যক্ষ প্রস্তাবটি সভায় ভোটাভুটির জন্য পেশ করলে ধ্বনি ভোটে সেটি গৃহীত হয়।এদিকে দুই বিধায়কের সাসপেনশনের প্রতিবাদে বিরোধী বিজেপি বিধায়করা অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিধায়করা অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখান। তারা সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবিতে স্লোগান দেন। বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন,সাসপেনশন তোলা না হলে অধিবেশনের বাকি দিনগুলি ওই দুই বিধায়ক লবিতেই বসে থাকবেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পরিষদীয় দল গত সোমবার বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে সূচনায় রাজ্যপালের ভাষণের সময় বিশৃংখলার ঘটনা নিয়ে একটি প্রস্তাব আনতে চলেছে। এদিন কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপির বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, শাসকদলের হিটলার, মুসোলিনিদের মতো আচরণ আমরা জানি। নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেছেন, বিধানসভা অধিবেশনে প্রথম দিন রাজ্যপালের বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। টেবিল হয়েছে। দ্বিতীয় দিন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃ্ত্যু নিয়ে শোকজ্ঞাপনের কথা ছিল। সেখানে আমরা অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু আমরা আশা করেছিলাম সাধন পাণ্ডে, যিনি বর্তমানে মন্ত্রী থাকা অবস্থায় মারা গিয়েছেন তাঁর শোক প্রস্তাব আলোচনা হবে। এর আগে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে নোশনে শোকপ্রস্তাব রাখার সবাই সুযোগ পেয়েছিল। তিনি আরও বলেছেন, সাধন পাণ্ডে নিয়ে শোক প্রস্তাব হলে আমাদের তরফ থেকে মনোজ তিগ্গা এবং আরও দুইজন বিধায়ককে তা নিয়ে আলোচনা করার দায়িত্ব দিয়েছিলাম। কিন্তু রীতি ভেঙে এইবার সাধন পাণ্ডেকে স্মরণ করার সুযোগ কোনও বিধায়কদের দেওয় হয়নি। তিনি তাঁর কারণ হিসেবে বলেছেন, এখানে একটাই পোস্ট। সেটা মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি নজরুল মঞ্চে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করবেন তাই এখানে দুই মিনিটে হাউস শেষ হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা কবে ফিরবে? হাই কোর্টের নির্দেশে সামনে এল নির্দিষ্ট সময়

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর কাজ চললেও তার গতি যথেষ্ট নয় বলে আদালতের পর্যবেক্ষণ। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতির হিসাব আদালতে জমা দিতে হবে।বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এবং বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করাই সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির মূল দায়িত্ব। এর বাইরে কমিটির কোনও অতিরিক্ত আইনি ক্ষমতা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকা সহযোগী সংস্থা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে হোটেল পরিচালনার যে চুক্তি করেছিল, তার অনুমোদনের ক্ষমতা কমিটির ছিল না। ফলে ওই ধরনের অনুমোদনহীন চুক্তিগুলিকে শুরু থেকেই বাতিল বলে ঘোষণা করেছে আদালত।আমানতকারীদের পক্ষের আইনজীবীর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে কমিটির হাতে বিপুল সম্পত্তি থাকলেও সেই তুলনায় টাকা ফেরানোর কাজ খুব ধীর গতিতে হয়েছে। আদালতে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তাতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ৫৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি। গত ১১ বছরে মাত্র ১০টি সম্পত্তির নিলাম এবং ৮০টি সম্পত্তির মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।অন্যদিকে, রোজভ্যালি সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একাধিক দফায় এক লক্ষেরও বেশি দাবিদারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩২ লক্ষ দাবি নথিভুক্ত হয়েছিল। ফলে আগের বছরগুলিতে কাজের গতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াটিও আদালতের নজরে রয়েছে।হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা মুলতুবি থাকা দাবিগুলির ভিত্তিতে যোগ্য আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে। আদালতের নির্দেশে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার ২২০টি মুলতুবি দাবির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকি সম্পত্তি বিক্রি এবং সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুধু সময়সীমা বেঁধে দিয়েই থামেনি আদালত। প্রতি মাসে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটিকে আদালতে কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অর্থাৎ কতগুলি সম্পত্তি বিক্রি হল, কত টাকা বণ্টন করা হল এবং কতগুলি দাবি এখনও বাকি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত অগ্রগতির হিসাব আদালতের নজরে থাকবে।আদালত আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার পরেও যদি কাজ বাকি থাকে, তা হলে অবশিষ্ট সম্পত্তি, অর্থ এবং অন্যান্য অসম্পূর্ণ বিষয় বিচারপতি এস পি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন এক সদস্যের কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।রোজভ্যালি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও যুক্ত রয়েছে। এবার বাজেয়াপ্ত না হওয়া বাকি সম্পত্তি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তে চিহ্নিত নতুন সম্পত্তির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।এ ছাড়া সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিসকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরেনসিক অডিট শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এর ফলে রোজভ্যালির সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি বাড়তে চলেছে।রোজভ্যালি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বহু আমানতকারী। আদালতের এই নির্দেশে এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে সম্পত্তি বিক্রি, দাবির যাচাই এবং টাকা বণ্টনের কাজ কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে সরাসরি এশিয়ান গেমস! বৃষ্টির মধ্যেই সোনা জিতে ইতিহাস নীরুর

এই কাহিনী শুনলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য। লক্ষ্য যদি অবিচল থাকে তাহলে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি আসুক না কেন, কেউ তাঁকে হারাতে পারবে না। এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার মাত্র ১০ দিন আগেও তাঁর কেরিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় অনিশ্চয়তা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় ট্র্যাপ শুটার নীরু ধান্ডা। সংক্রমণের কারণে শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমসে আদৌ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই অসুস্থতাকেই পিছনে ফেলে মঙ্গলবার ইতিহাস গড়লেন ২৬ বছরের এই ভারতীয় শুটার।জাপানের গ্রামীণ টয়োটার উরেনোচো শুটিং রেঞ্জে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ট্র্যাপ শুটিংয়ের ফাইনালে ৩০টির মধ্যে ২৮টি লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। এর ফলে এশিয়ান গেমসের নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন তিনি। চিনের সুন ইউনং ২৬টি লক্ষ্যভেদ করে রুপো পান। এশিয়ান গেমসে এটিই ভারতের পঞ্চম সোনা। তবে নীরুর সাফল্যের গুরুত্ব শুধু পদকের হিসাবেই নয়। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা ট্র্যাপ শুটিংয়ে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। একইসঙ্গে ১৯৭৮ সালের পর এই ইভেন্টে কোনও ভারতীয় শুটারের ব্যক্তিগত সোনার অপেক্ষাও শেষ হল। ১৯৭৮ সালে রণধীর সিং ট্র্যাপ শুটিংয়ে সোনা জিতেছিলেন।এই সাফল্যের নেপথ্যে ছিল কঠিন এক প্রত্যাবর্তনের গল্প। নয়াদিল্লিতে জাতীয় শিবিরে প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন করতে পারেননি নীরু। অসুস্থতার সময় টানা পাঁচ দিন খাবারও খাননি, শুধু জল খেয়ে ছিলেন। হাসপাতালেও তিন দিন কাটাতে হয় তাঁকে। এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর কোচ অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত মনশের সিং। প্রতিদিন ফোন করে নীরুকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতেন তিনি। নীরুর কথায়, কোচ তাঁকে বলতেন কয়েক দিন অনুশীলন না করলেও কিছু যায় আসে না, তিনি প্রতিভাবান এবং তারকা হয়েই থাকবেন। প্রাক্তন সাংসদ তথা ক্রীড়ামন্ত্রী যশোধরা রাজের কাছ থেকেও সমর্থনের বার্তা পেয়েছিলেন নীরু।ভারতের ট্র্যাপ শুটিং কোচ পিটার উইলসন জানান, হাসপাতালে থাকার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই নীরু প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন না করেও জাপানে মাত্র দুদিন শুটিং করে ফাইনালে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। নীরুর শুটিংয়ে আসার গল্পও বেশ চমকপ্রদ। ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে তাঁর খুড়তুতো ভাই লক্ষ্য শেওরান ট্র্যাপ শুটিংয়ে রুপো জেতার পর এই খেলায় আগ্রহী হন তিনি। পরে ভোপালের মধ্যপ্রদেশ স্টেট শুটিং অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু করেন।গত বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ISSF বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত ট্র্যাপ সোনা জেতার পর এবার এশিয়ান গেমসেও সাফল্য পেলেন নীরু। তার উপর মঙ্গলবার ছিল প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির জল শুটারদের হাতে পড়ছিল, মনোযোগও নষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে বারবার প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনে লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। হাসপাতালের বিছানা থেকে এশিয়ান গেমসের মঞ্চ, এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের শেষে তাঁর হাতেই উঠল ঐতিহাসিক সোনা।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জেএমবি-যোগের সন্দেহে মঙ্গলকোটের মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার এনআইএ-র, বাজেয়াপ্ত ডায়েরি ও মোবাইল

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহেই পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদের ইমাম পিয়ার মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলকোট থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদে অভিযান চালায় এনআইএ। সেখান থেকেই তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়ার মোহাম্মদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার কুলুট গ্রামে। গত প্রায় তিন-চার বছর ধরে তিনি মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তদন্তকারীরা তাঁর পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জানতে পেরেছেন, একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছেন তিনি।এনআইএ সূত্রে খবর, মসজিদে ইমাম থাকার জন্য যে ঘরটি পিয়ার মোহামদ ব্যবহার করতেন, সেখান থেকে একটি ডায়েরি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই ডায়েরিতে বাংলাদেশের কয়েকজনের ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই যোগাযোগগুলির সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।চলতি বছরের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকেন্দ্রিক কথিত সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল এনআইএ। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই পিয়ার মোহাম্মদের নাম তদন্তকারীদের নজরে আসে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাবলিগ জামাতের কাজে বৈধভাবে প্রায় ৪০ দিন বাংলাদেশে ছিলেন পিয়ার মোহাম্মদ। তবে সেই সফরের সময়ে তিনি জেএমবির কোনও সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না, কোনও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন কি না, কিংবা বাংলাদেশের কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, এই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পিয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে আরও কারও যোগাযোগ ছিল কি না, তাঁর মাধ্যমে কোনও বৃহত্তর জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ ও স্থানীয় পুলিশ।ইমামকে জঙ্গি-যোগের সন্দেহে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পালিশ গ্রামে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, পিয়ার মোহাম্মদকে তাঁরা বরাবরই শান্ত এবং সাধারণ স্বভাবের মানুষ হিসেবেই জানতেন। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর তাঁদের বিস্মিত করেছে।এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত ইমামকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএ। তাঁকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।পিয়ার মোহাম্মদের আইনজীবী কাজি সাহাবাব জামান জানিয়েছেন, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে বার্তালাপের অভিযোগে তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁর মক্কেল নির্দোষ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

২৭০০ থেকে ২৭ হাজার! ক্যানসারের ওষুধে দশ গুণ দাম দেখে সুপ্রিম কোর্টে তোলপাড়

ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ওষুধের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। একটি ক্যানসারের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা খুচরো বিক্রেতাকে যে দামে ওষুধ দিচ্ছে, তার তুলনায় সর্বোচ্চ খুচরো দামের ব্যবধান দশ গুণ পর্যন্ত হতে পারেএমন তথ্য শুনানিতে উঠে আসে। উদাহরণ হিসেবে আদালত জানতে পারে, ২৭০০ টাকায় খুচরো বিক্রেতার কাছে পৌঁছনো একটি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো দাম ২৭ হাজার টাকা। এই বিপুল ব্যবধান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত।বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল। সেখানেই ক্যানসারের ওষুধের দামে খুচরো বিক্রেতার জন্য নির্ধারিত দাম এবং রোগীর জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরো দামের মধ্যে এত বড় ফারাক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালত জানতে চায়, ২৭০০ টাকায় যে ওষুধ বিক্রেতার কাছে যাচ্ছে, সেটির সর্বোচ্চ খুচরো দাম কেন ২৭ হাজার টাকা হবে।আদালতের প্রশ্ন ছিল, এই অতিরিক্ত টাকার বড় অংশ কোথায় যাচ্ছে এবং এর ফলে কারা লাভবান হচ্ছে। বিচারপতিরা এমন দামের ব্যবধানকে রোগীদের উপর গুরুতর আর্থিক চাপ হিসেবে দেখেছেন। বিশেষ করে ক্যানসারের মতো রোগে চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় ওষুধের দাম বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে রোগী এবং পরিবারের উপর।শীর্ষ আদালত বেসরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেছে। শুনানিতে এমন অভিযোগের প্রসঙ্গ ওঠে যে, কিছু কর্পোরেট হাসপাতাল রোগীদের নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করে। বাইরে থেকে একই ওষুধ কিনে আনলে চিকিৎসা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কাও রোগীদের সামনে থাকে বলে আদালতে বিষয়টি উঠে আসে।সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ওষুধের বাড়তি দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। কারণ কোনও সরকারি প্রকল্পে চিকিৎসা বা ওষুধের খরচ বেশি হলে শেষ পর্যন্ত সেই ব্যয়ের একটা অংশ সরকারি অর্থ থেকে মেটানো হয়। ফলে এর আর্থিক প্রভাব সাধারণ মানুষের উপরও পড়তে পারে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে।শুনানিতে ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় এবং অনত্যাবশ্যকীয়এই ভাগ করে আলাদা নিয়ম রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিচারপতিরা জানতে চান, সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রেই কি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না। আদালতের তরফে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমার কথাও আলোচনায় আসে।কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের অবস্থান আদালতকে জানানো হবে। কেন্দ্র আরও সময় চেয়েছে বলেও সাম্প্রতিক শুনানির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর হওয়ার কথা।তবে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমা এখনই কার্যকর কোনও নতুন নিয়ম নয়। এটি শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বা প্রশ্ন। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ক্যানসারের ওষুধের দাম নিয়ে এই শুনানি তাই রোগীদের চিকিৎসার খরচ, ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির পদ্ধতিতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কেই সামনে এনেছে। এখন কেন্দ্রের বক্তব্য এবং পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের অবস্থানের দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি! কাঠুয়ায় সিআইএসএফ শিবিরে ভয়াবহ ঘটনায় মৃত্যু ৪ জওয়ানের

জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সিআইএসএফের একটি শিবিরে ভয়াবহ গুলিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসার পর এক সহকর্মী কয়েকজন জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় চার সিআইএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সিআইএসএফ সূত্রে খবর, বিকেলে ডিউটি পরিবর্তনের সময় হেড কনস্টেবল অবধেশ সিংয়ের সঙ্গে কয়েকজন জওয়ানের বচসা হয়। প্রথমে বিষয়টি কথা কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই বচসা বড় আকার নেয়।অভিযোগ, এক পর্যায়ে অবধেশ সিং নিজের রাইফেল তুলে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে চার জওয়ান গুরুতর আহত হন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনেরই মৃত্যু হয়।নিহত জওয়ানদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী কমান্ড্যান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষ্মণ সিং, কনস্টেবল সঞ্জীব কুমার এবং কনস্টেবল মহম্মদ রফিক।ঘটনার পর কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কী কারণে ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসা শুরু হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইএসএফ সদর দপ্তরের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সিআইএসএফের মহাপরিচালক গোটা পরিস্থিতি এবং তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করার পর তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। চার সহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে এখন তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal