• ২২ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Surya Kumar

খেলার দুনিয়া

পেট্রোল পাম্প উদ্বোধন থেকে বিশ্বজয়ী অধিনায়ক! পুরনো ছবি পোস্ট করে আবেগঘন বার্তা সূর্যকুমারের

জীবন কত দ্রুত বদলে যেতে পারে, তার বড় উদাহরণ সূর্যকুমার যাদবের জীবন। কয়েক বছর আগেও জাতীয় দলে তাঁর জায়গা ছিল না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকও হয়নি। আর আজ তিনি দেশের অধিনায়ক। শুধু তাই নয়, বিশ্বজয়ী অধিনায়ক হিসেবেও নিজের নাম লিখিয়ে ফেলেছেন। কপিল দেব, মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং রোহিত শর্মার মতো অধিনায়কদের পাশে এখন জায়গা হয়েছে সূর্যকুমারের।বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের মধ্যেই নিজের অতীতের দিকে ফিরে তাকালেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে বারো বছর আগের নিজের একটি পুরনো ছবি শেয়ার করেছেন সূর্যকুমার। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি একটি পেট্রোল পাম্পের উদ্বোধনে উপস্থিত। তখন তিনি ক্রিকেটজগতে খুব একটা পরিচিত নন। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেললেও তখনও বড় নাম হয়ে ওঠেননি। জাতীয় দলের দরজাও ছিল অনেক দূরে।সেই পুরনো ছবির ক্যাপশনে তখন তিনি লিখেছিলেন, বন্ধুরা, পেট্রোল পাম্পের উদ্বোধনে এসেছি, আজ খুব খুশি। সেই ছবিটিই আবার নতুন করে শেয়ার করেছেন সূর্যকুমার। এবার তাঁর হাতে বিশ্বকাপের ট্রফি। ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, এই মানুষটার জন্য আজ খুব খুশি।আরও একটি পোস্টে তিনি দলের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, এই দলটা আসলে একটা পরিবার। এটা শুধু একটা ট্রফি নয়, কোটি কোটি মানুষের স্বপ্ন। এই দলের অংশ হতে পেরে তিনি গর্বিত। দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটাও তাঁর কাছে বড় সম্মানের। যারা তাঁর কঠিন সময়ে পাশে থেকেছেন, তাদের সকলকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।নিজের ক্রিকেট জীবনে সূর্যকুমার যাদব অনেক উত্থান পতনের সাক্ষী। দুই হাজার তেইশ সালে আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে তিনি খেলেছিলেন। কিন্তু সেদিন হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। স্বপ্নভঙ্গের সেই স্মৃতি এখনও মনে আছে তাঁর।তবে এবার সেই একই মাঠে তিনি বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ উপভোগ করেছেন। সূর্যকুমার বলেন, একজন ক্রীড়াবিদের জীবন এমনই হয়। কখনও সাফল্য আসে, কখনও হতাশা। দুই হাজার চব্বিশ সালে টি কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের সময় ফাইনালে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়েছিলেন তিনি। সেই মুহূর্ত তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।তারপর দলের নেতৃত্বের দায়িত্বও তাঁর হাতে আসে। তিনি জানতেন, দুই বছরের মধ্যে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। এখনও পর্যন্ত কোনও দল নিজেদের দেশে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। তাই সেই লক্ষ্য নিয়েই দলকে প্রস্তুত করেছিলেন তিনি।সূর্যকুমার বলেন, দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলার অনুভূতি সব সময়ই আলাদা। দর্শকদের প্রত্যাশা থাকে অনেক বেশি। কিন্তু সেই প্রত্যাশাই খেলোয়াড়দের আরও উৎসাহ দেয়। সেই উৎসাহ নিয়েই দল বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল এবং ঠিক যেভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেইভাবেই খেলেই শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছে ভারত।

মার্চ ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: ভারতের ঐতিহাসিক জয়, টানা দ্বিতীয় শিরোপা

ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে আর একটি সোনালি অধ্যায় যোগ হল। রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বার বিশ্বকাপ জিতল ভারত। বিশ্বের প্রথম দল হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধরে রাখার কৃতিত্বও অর্জন করল তারা। সব মিলিয়ে এটি ভারতের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা।২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ২০২৬ সালে আবার আইসিসি ট্রফি জিতল ভারত। অর্থাৎ দীর্ঘ ১১ বছরের শিরোপা খরা কাটার পর মাত্র তিন বছরের মধ্যে তিনটি বড় আইসিসি ট্রফি জিতে বিশ্ব ক্রিকেটে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করল ভারত।পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের মোড়ফাইনালের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় ভারতীয় ওপেনারদের। সঞ্জু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের দিক অনেকটা নির্ধারিত হয়ে যায়।প্রথম ছয় ওভারে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৯২/০, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে অন্যতম সেরা পাওয়ার প্লে স্কোর। শুরুতেই কিউয়ি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ভারত এমন রান তোলে যে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত তাদের হাতে চলে আসে।অন্যদিকে, নিউ জ়িল্যান্ড যখন ব্যাট করতে নামে তখন পাওয়ার প্লে-তেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায়ফিন অ্যালেন, রাচিন রবীন্দ্র এবং গ্লেন ফিলিপস। মাত্র ৫২ রানে তিন উইকেট পড়ে যাওয়ায় ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় তারা।সমালোচনার জবাব অভিষেকের ব্যাটেপুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল অভিষেক শর্মাকে নিয়ে। মাঝখানে একটি অর্ধশতরান ছাড়া তিনি বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন কেন তাঁকে দলে রাখা হয়েছে।ফাইনালের মতো বড় মঞ্চেই সেই সমালোচনার জবাব দিলেন তিনি। অধিনায়ক ও পুরো টিম মেনেজমেন্টের ভরসার মূল্য দিলেন অভিষেক। খেলার শুরু থেকেই নির্ভীক ব্যাটিং করে একের পর এক চার-ছক্কায় কিউয়ি বোলারদের চাপে ফেলেন। লকি ফার্গুসনের মতো দ্রুতগতির বোলারকেও অনায়াসে মাঠের বাইরে পাঠান। তাঁর আত্মবিশ্বাসী ইনিংস ভারতের বিশাল রানের ভিত তৈরি করে দেয়।শিবম তান্ডব!মাঝের ওভারে জিমি নিশামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে কিছুটা ধাক্কা খায় ভারত। একই ওভারে সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষাণ এবং সূর্যকুমার যাদব আউট হওয়ায় কিছুটা চাপে পড়ে দল।কিন্তু শেষদিকে শিবম দুবে স্বভাবসিদ্ধ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ম্যাচের চিত্র আবার বদলে দেন। শেষ ওভারে নিশামের বলে ২৪ রান তুলে ভারতের স্কোর ২৫০-র গণ্ডি পার করান তিনি। সেই অতিরিক্ত রানই শেষ পর্যন্ত বিশাল পার্থক্য গড়ে দেয়অক্ষর পটেলের বাপু ম্যাজিকভারতের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন অক্ষর পটেল। আহমেদাবাদ তাঁর ঘরের মাঠ হওয়ায় দর্শকদের সমর্থনও ছিল প্রবল।ম্যাচের শুরুতেই ফিন অ্যালেনকে আউট করে কিউয়িদের বড় ধাক্কা দেন তিনি। পরের ওভারে গ্লেন ফিলিপসকেও বোল্ড করে দেন দুর্দান্ত স্লাইডার ডেলিভারিতে। এরপর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে নিউ জ়িল্যান্ডকে ছিটকে দেন অক্ষর।দর্শকাসনের সামনে তাঁর উদযাপন বাপু ম্যাজিক হিসাবেই স্মরণীয় হয়ে থাকে।বুমরাহর বিধ্বংসী স্পেলবড় ম্যাচে জ্বলে ওঠা যেন অভ্যাসে পরিণত করেছেন জসপ্রীত বুমরাহ। ফাইনালেও তার ব্যতিক্রম হল না।চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে চারটি উইকেট তুলে নেন তিনি। তাঁর ইয়র্কার ও নিখুঁত লাইন-লেংথে কিউয়ি ব্যাটাররা কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েন। এই স্পেলই ভারতের জয় নিশ্চিত করে দেয়।ঈশানের দুর্দান্ত ফিল্ডিংফাইনালে উইকেটকিপিং না করেও আউটফিল্ডে অসাধারণ ফিল্ডিং করলেন ঈশান কিষাণ। ব্যাট হাতে ২৫ বলে ৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংসের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও নজর কাড়েন তিনি।রাচিন রবীন্দ্র, ড্যারিল মিচেল ও টিম সিফার্টের গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়ে ম্যাচে ভারতের আধিপত্য আরও বাড়িয়ে দেন ঈশান।নতুন চোকার্স তকমা?গত দশ বছরে নিউ জ়িল্যান্ড ছয়টি আইসিসি ফাইনাল খেলেছে। এর মধ্যে মাত্র একবার২০২১ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপজিততে পেরেছে তারা। বাকি পাঁচটি ফাইনালেই পরাজিত হয়েছে।এই ফাইনাল হারার পর আবারও প্রশ্ন উঠছেদক্ষিণ আফ্রিকার মতো কি নিউ জ়িল্যান্ডও চোকার্স তকমা পেতে চলেছে?শেষ কথা:আহমেদাবাদের সেই স্টেডিয়ামেই, যেখানে ২০২৩ সালের একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতকে হারতে হয়েছিল, সেখানেই এবার ইতিহাস রচনা করল ভারত। টানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আধিপত্য আরও দৃঢ় করল তারা।

মার্চ ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

“কাঁদাবি নাকি পাগল?” সূর্যকে জড়িয়ে সঞ্জুর আবেগঘন মুহূর্ত ভাইরাল, বিশ্বকাপে ইতিহাস ভারতীয় দলের

অপরাজিত ৫০ বলে ৯৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেললেন সঞ্জু স্যামসন। তাঁর ব্যাটের জোরেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ভারতীয় দল। ম্যাচ শেষে আবেগে ভেসে যান সঞ্জু। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে জড়িয়ে ধরে বলতে শোনা যায়, কাঁদাবি নাকি পাগল? সেই মুহূর্ত ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে।দলকে জেতানোর পর ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে টুপি খুলে সঞ্জুকে কুর্নিশ জানান সূর্য। উত্তেজনা আর আবেগে ভরা সেই মুহূর্তে সূর্য বলেন, অনেক কথা বলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। সঞ্জুর ইনিংস যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তা তাঁর প্রতিক্রিয়াতেই স্পষ্ট।একটা সময় দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল সঞ্জুকে ঘিরে। অন্য ব্যাটারের বদলে তাঁকে খেলানো নিয়ে বিতর্কও হয়েছিল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিনিই হয়ে উঠলেন ভরসা। সূর্য বলেন, তিনি সবসময় বিশ্বাস করেন, যারা পরিশ্রম করে তাদেরই সাফল্য আসে। সঞ্জু যখন দলে নিয়মিত ছিলেন না, তখনও কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে গিয়েছেন। ধৈর্যের ফল তিনি পেয়েছেন সঠিক সময়ে।অধিনায়ক আরও জানান, সঞ্জু অনেক উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন। নিজের পছন্দের ব্যাটিং জায়গা হারিয়েছেন, অন্য পজিশনে খেলেছেন, দল থেকেও বাদ পড়েছেন। তবুও লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। সাহসীরাই বড় ম্যাচ জেতায়, সঞ্জু সেটাই করে দেখিয়েছেন। তাঁর পরিবারকেও শুভেচ্ছা জানান সূর্য।ম্যাচ জেতার পর মাঠে বসে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানান সঞ্জু। পরে ড্রেসিংরুমে গিয়ে নিজের ব্যাটে চুম্বন করেন। বোঝা যাচ্ছিল, ইনিংসটি তাঁর কাছে কতটা বিশেষ। তাঁর ব্যাটেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারতের অন্যতম বড় রান তাড়া সফল হল।এই নিয়ে ষষ্ঠবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল ভারত। শেষ চারের লড়াইয়ে ভারতের সামনে ইংল্যান্ড। এখন প্রশ্ন, সঞ্জুর ব্যাট কি আবারও জ্বলে উঠবে সেমিফাইনালের মঞ্চে? ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ এখন সেদিকেই।

মার্চ ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১৯৮৩-২০২৪ ব্যবধান ৪১ বছর হলেও, একসুত্রে ধরা পরলো কপিল-সূর্য-র 'ক্যাচ'-এ

ভারতীয় ক্রিকেট দল শনিবার বর্বাডোসে ২০২৪-র টি-২০ বিশ্বকাপ জয়লাভ করে ক্রিকেট ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। মেন ইন ব্লু চূড়ান্ত খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে সাত রানে হারিয়ে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছে। ১১ বছরের দীর্ঘ আইসিসি ট্রফির খরার অবসান ঘটে। এশিয়ান জায়ান্টরা শেষবার ২০১৩ তে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল।ভরতের বারা ভাতে ছায় দিয়ে দিয়েছিলো অক্ষর প্যাটেলের ১৫ তম ওভার। হেনরিক ক্লাসেন অক্ষর প্যাটেলের ওই ওভারে ২৪ রান নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রায় জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে আসেন। ঠিক যখন ম্যাচটি ভারত হাত থেকে সরে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে, ঠিক সেই সময় ১৬ তম ওভারে হার্দিক পান্ড্য বল করতে এসেই বিপজ্জনক ক্লাসেনকে উইকেটের পিছনে ধরা দিতে বাধ্য করেন। এক্ষেত্রে উইকেটরক্ষক ঋষভ পন্থ কোনও ভুল করেননি। অক্ষর প্যাটেলের ওভারে বিশাল রান হওয়ার সাথে সাথে কমেন্ট্রী বক্সে বহু যুদ্ধের নায়ক রবি শাস্ত্রী কে বলতে শোনা যায়, যখন ব্যাটারকে কোনও কিছুতেই পরাস্ত করা যাচ্ছে না তখন মোমেন্টাম ব্রেক করতে হয়। মানে সাময়িক বিরতি খেলোয়ারের মনচ্যুতি বা ধৈর্জচ্যুতি ঘটে, এখানে লক্ষনীয় ঋষভ পন্থ পায়ে চোটের জন্য ফিজিও ডেকে ৩-৪ মিনিট সময় ব্রেক নিলেন। তাতেই কাজ। ক্লাসেন ধৈর্জ হারিয়ে বাইরের বল তারা করে উইকেটের পিছনে ধরা পরলেন।ক্রিজে ডেভিড মিলারের সাথে জনসেন, প্রোটিয়ারা তখনও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে, তাঁরা নিশ্চিত ছিল এই ম্যাচ তাঁরা বের করে নিতে পারবে। ক্লাসেনের বিদায়ের পরের তিনটি ওভার আরশদীপ, বুমরা, হ্রাদিক যেন অলৌকিক স্পেলিং করলেন। বল-রান প্রায় সমান-সমান অবস্থা থেকে আস্কিং রেট ক্রমশ বারতে থাকে। চাপ বাড়ে সাউথ আফ্রিকার। শেষ ওভার কে বল করবে এই নিয়ে ভাবনার মাঝেই হ্রাদিক বল হাতে রান-আপে দাঁড়ায়। ভারতীয় দলের দিকপাল ফিল্ডাররা তখন বাউন্ডারি লাইনের গা ঘেঁশে দাঁড়িয়ে। হ্রাদিকের ২০ তম ওভারের প্রথম বল, কিলার মিলার সোজা লং অফের দিকে তুলে মাড়লেন, হৃদস্পন্দন সাময়ীক ছন্দ হারালো বল মাঠের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে। সবাই যখন বলটাকে মাঠের বাইরে যেতে দেখছে, একজন কিন্তু ওটাকে বিশ্বকাপ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখছিলেন। লং অফ বাউন্ডারিতে দাড়িঁয়ে ধীর শান্ত ভাবে বলটিকে তালুবন্দি করলেন, নিজের ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য তালুবন্দি বলটিকে হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়ে মাঠের বাইরে গিয়ে ভারসাম্য ঠিক করে আবার মাঠে ঢুকে ফাইনালি বিশ্বকাপ (বল) তালুবন্দি করলেন সূর্যকুমার যাদব। তাঁর এই শান্ত মাথা তাঁকে চাপের মধ্যে সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্যাচ নিতে সাহায্য করেছিল।তাঁর এই অনবদ্য ক্যাচ ক্রিকেট ইতিহাসে আইসিসি বিশ্বকাপ ফাইনালে ইভেন্টে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ক্যাচ হয়ে থাকলো। অবধারিত ভাবেই সূর্যকুমার যাদবের এই মহাকাব্যিক ক্যাচ ১৯৮৩-র বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত অধিনায়ক কপিলদেবের ঐতিহাসিক ক্যাচ নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়। সেদিনও মদনলালের বলে ভিভিয়ান রিচার্ডসের ডিপ মিড-উইকেটে তোলা উঁচু ক্যাচ কপিল দেব প্রায় ২৫ মিটার পিছনে দৌড়ে গিয়ে অসামান্য দক্ষতায় তালুবন্দি করেন। সেদিনও ভিভ রিচার্ডস না ফিরলে ভারতের বিশ্বকাপ জয় হয়ত বা সম্ভব হত না। ৪১ বছর পর, সূর্যকুমার যাদবও শেষ ওভারে তার খেলা পরিবর্তনকারী ক্যাচ দিয়ে ভারতের ভাগ্য পরিবর্তন করলেন। যদিও কপিলের ক্যাচ ভারতীয় ক্রিকেটের চেহারা চিরতরে বদলে দিয়েছে, সূর্যকুমার যাদব ভারতীয় ক্রিকেটের ১১ বছরের দীর্ঘ যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়েছে কারণ রোহিতের অধিনায়কত্বে এই দলটি অধীর আগ্রহে আইসিসি খেতাবের জন্য অপেক্ষা করেছিল। ভারতীয় ক্রিকেট তাদের ক্রিকেট ইতিহাসে আরেকটি গৌরবময় অধ্যায় শুরু করার সাথে সাথে, কপিলদেব এবং সূর্যকুমার যাদব তাদের দুর্দান্ত ফিল্ডিং দিয়ে দলের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

জুন ৩০, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

Surya Kumar : ‌টেস্ট দলের দরজা খুলে গেল সূর্যকুমারের সামনে

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগেই একের পর এক চোটে জর্জরিত ভারতীয় শিবির। একপ্রকার বাধ্য হয়েই পরিবর্ত ক্রিকেটার ইংল্যান্ডে উড়িয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে। ক্রিকোটারদের চোট আঘাতের জন্য টেস্ট দলের দরজা খুলে গেল সূর্যকুমার যাদবের সামনে। তাঁর সঙ্গে যাচ্ছেন পৃথ্বী শও। পাঠানো হতে পারে জয়ন্ত যাদবকেও।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরনিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার সময় পিঠে চোট পেয়েছিলেন শুভমান গিল। সেই চোটের কারণে তিনি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে যান। তখন টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে বোর্ডের কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল পৃথ্বী শ অথবা দেবদত্ত পাড়িক্কলকে পাঠানোর জন্য। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে অভিমন্যু ঈশ্বরণ ইংল্যান্ডে থাকা সত্ত্বেও কেন পৃথ্বী শ কিংবা দেবদত্ত পাড়িক্কলকে ইংল্যান্ডে পাঠানো হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আসলে ইংল্যান্ডের মতো দলের বিরুদ্ধে অভিমন্যুর ওপর ভরসা করতে পারছে না টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই পৃথ্বী ও পাড়িক্কলের কথা বলেছিল।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেলবাছাই কাউন্টি একাদশের বিরুদ্ধে ম্যাচে আবেশ খান ও ওয়াশিংটন সুন্দরের চোট পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে। এই দুই ক্রিকেটারই ছিটকে গেছেন টেস্ট সিরিজ থেকে। তাই আবার নতুন করে ভাবতে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। বোর্ডের কাছে পরিবর্ত চেয়ে পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া সহঅধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট নিয়েও চিন্তিত টিম ম্যানেজমেন্ট। যদি প্রথম টেস্টে রাহানে মাঠে নামতে না পারেন, সেক্ষেত্রে লোকেশ রাহুলকে খেলানো হবে। বিকল্প হিসেবে সূর্যকে রাখা হবে। টিম ম্যানেজমেন্টের সুপারিশ অনুসারে পৃথ্বী ও সূর্যকুমারকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের বিকল্প হিসেবে জয়ন্ত যাদবকেও পাঠানোর কথা ভাবছে বোর্ড।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিসূর্যকুমার যাদব ও পৃথ্বী শ এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কায় সিরিজ খেলতে ব্যস্ত। তাঁরা দুজনেই সরাসরি ইংল্যান্ডে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। সূর্য ও পৃথ্বী জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকায় ইংল্যান্ডের কোয়ারেন্টিন নিয়মে কোনও সমস্যা হবে না। তবে সিরিজের মাঝপথেই দুজনকে পাঠানো হবে, না সিরিজ শেষে পাঠানো হবে, তা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। দুএকদিনের মধ্যেই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে।

জুলাই ২৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় নির্দেশ! রাতেই প্রকাশ পাবে সম্পূরক তালিকা

সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। এর আগে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বিচারবিভাগের তত্ত্বাবধানে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সেই মতো জুডিশিয়াল অফিসারদের নজরদারিতে কাজ চলছে। শুনানিতে জানানো হয়, ইতিমধ্যেই প্রায় ৫৯ লক্ষের বেশি আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে। কমিশনের তরফে জানানো হয়, বাকি প্রায় ছাব্বিশ হাজার আবেদনও খুব শীঘ্রই মিটিয়ে ফেলা হবে এবং সোমবারের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা চলছে।আদালতে জানানো হয়, বিভিন্ন সমস্যার মধ্যেও মালদহে প্রায় আট লক্ষ মানুষের আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আবেদনকারীদের স্বীকৃতি পত্র দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রত্যেক আবেদনকারীকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে এবং তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নোডাল অফিসারের উপর থাকবে।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত একটি চিঠি দেখানোর জন্য আদালতে মোবাইল ব্যবহার করেন, যা নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে ধরা হয়। একইসঙ্গে অ্যাপিল ট্রাইব্যুনালের পরিকাঠামো ও বিচারকদের পারিশ্রমিক নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। রাজ্যের পক্ষের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ওয়েবসাইটে আবেদন জমা দেওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই এবং অনেক ক্ষেত্রে জমা দেওয়া নথির কোনও রসিদ দেওয়া হয়নি।আদালত জানায়, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের বক্তব্য অবশ্যই শোনা উচিত এবং কেন নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করা জরুরি এবং সেই দিকেই নজর রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র অনুমানের ভিত্তিতে কাউকে ভোটাধিকার দেওয়া যাবে না।রাজ্যের তরফে আবেদন করা হয়, যাঁদের নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে, তাঁদের অন্তত ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হোক। তবে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো প্রক্রিয়া নিয়ম মেনেই চলছে এবং যাঁরা অসন্তুষ্ট, তাঁরা আপিল করতে পারেন।শুনানিতে রাজনৈতিক বিতর্কও উঠে আসে। মুখ্যমন্ত্রীর কিছু মন্তব্য আদালতে তুলে ধরা হয়। কমিশনের আইনজীবী দাবি করেন, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের পরিবেশকে প্রভাবিত করছে। অন্যদিকে, রাজ্যের পক্ষ থেকে পাল্টা একটি ভিডিও দেখিয়ে অভিযোগ করা হয়, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ট্রাইব্যুনাল দ্রুত সমস্ত আবেদন নিষ্পত্তি করবে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিকভাবে নথি যাচাই করা হবে। প্রাক্তন বিচারপতিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত বিজ্ঞপ্তি জারি করতে বলা হয়েছে এবং সমস্ত আবেদন ডিজিটাল স্বাক্ষর সহ প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালত আরও জানায়, শুধুমাত্র কলকাতায় নয়, জেলা স্তরেও আবেদন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারের দফতর থেকেও আপিল জমা নেওয়া যাবে এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রে রসিদ দিতে হবে।কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার রাতের মধ্যেই সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পোর্টালে আপলোড করা হবে। একটি বিশেষ ক্ষেত্রে নন্দলাল বসুর নাতির আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ৯ তারিখের মধ্যে তা সম্পূর্ণ করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে ১৩ এপ্রিল।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরক অভিযোগ! কেন্দ্রীয় বাহিনী মহিলাদের তল্লাশি করবে, দাবি মমতার

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। দফায় দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে রাজ্যে এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, নিরাপত্তার নামে মহিলাদেরও তল্লাশি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এর জন্য একটি বিশেষ সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মমতা প্রশ্ন তোলেন, বুথের ভিতরে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, আর বুথ এজেন্টদের বাইরে রাখা হবে কেন। তাঁর কথায়, ভোট তো কেন্দ্রীয় বাহিনী দেবে না, তাই তাদের বুথের ভিতরে থাকার প্রয়োজন কী। তিনি অভিযোগ করেন, অন্য রাজ্যে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এখানে সেই রকম কিছু করার চেষ্টা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এমন একটি সংস্থা নিযুক্ত করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ ঠিকভাবে ভোট দিতে না পারেন।এখানেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, আইটিবিপি এবং বিএসএফের আধিকারিকরা এসে জানিয়েছেন, মহিলাদেরও শারীরিক তল্লাশি করা হবে। এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন, মহিলাদের গায়ে হাত দেওয়া হলে মানুষ যেন তার জবাব ভোটের মাধ্যমে দেয়।মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই ধরনের মন্তব্য সরাসরি প্ররোচনামূলক এবং সংবিধানের পরিপন্থী। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে এই ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে এবং যারা এমন কথা বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে তাদের জনসভা করার অধিকার এবং প্রার্থীপদও বাতিল করা উচিত।মেটা বিবরণ: ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক অভিযোগ, মহিলাদের তল্লাশি নিয়ে বিতর্ক, পাল্টা আক্রমণ বিজেপির।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
দেশ

মমতার মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক, আদালতে ভিডিও পেশ, উত্তপ্ত শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে মোথাবাড়ি ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট জমা দিল এনআইএ। রিপোর্ট জমার আগে দিল্লিতে নিজেদের সদর দপ্তরে বিশেষ বৈঠক করেন সংস্থার আধিকারিকরা। এদিন শুনানিতে ভারচুয়ালি হাজির হন রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মালদহের জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারও। আদালতে দীর্ঘ সময় ধরে জোর সওয়াল জবাব চলে।শুনানির কয়েক ঘণ্টা আগে নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় এক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে হামলার ষড়যন্ত্র হতে পারে। সেই বক্তব্যও আদালতে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের তরফে আইনজীবী ডি এস নায়ডু একটি ভিডিও ক্লিপ জমা দেন এবং এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান।অন্যদিকে, কেন্দ্রের পক্ষের আইনজীবী তুষার মেহতা রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিচারকরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন এবং সাহায্য চাইছেন। রাজ্য প্রশাসন ঠিকমতো কাজ না করলে প্রয়োজন হলে আদালত হস্তক্ষেপ করবে বলেও জানিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এদিন এক নজিরবিহীন ঘটনায় প্রধান বিচারপতি নিজে আদালতে মোবাইল ব্যবহার করে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি দেখান। শুনানিতে আগের নির্বাচনের হিংসার প্রসঙ্গও উঠে আসে। কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীরা জানান, ভবিষ্যতের নির্বাচনেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উচিত নয় এবং আদালতের নজরদারি প্রয়োজন।এনআইএ-র রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় মোট বারোটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত স্থানীয় থানার পুলিশ করায় তদন্তে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মত সংস্থার। তাই সমস্ত তথ্যপ্রমাণ তাদের হাতে তুলে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, প্রয়োজন হলে এনআইএ নতুন করে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করতে পারে এবং সেই অনুযায়ী বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে আগের মামলাগুলির সমস্ত তথ্যও আদালতে দিতে হবে।রাজ্যের তরফে হলফনামা জমা দিয়ে জানানো হয়েছে, পুলিশ দ্রুত তদন্ত করে এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত তাদের এনআইএ-র হাতে তুলে দিতে হবে।ঘটনার সূত্রপাত পয়লা এপ্রিল। ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় মালদহের কালিয়াচকে ক্ষোভ ছড়ায়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিচারকদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। বিক্ষোভকারীরা দীর্ঘ সময় ধরে কয়েকজন বিচারককে একটি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকও ছিলেন। গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। বিষয়টি পৌঁছে যায় সুপ্রিম কোর্টে এবং তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-কে। রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজি, মালদহের পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে শোকজ নোটিস পাঠানো হয়। সেই অনুযায়ী সোমবার তাঁরা আদালতে ভারচুয়ালি হাজিরা দেন।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ড্রোন ঘিরে প্রাণনাশের চক্রান্ত! বর্ধমানের সভা থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

ভোটের আগে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মালদহে সভা থেকে ফেরার সময় তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। গত সপ্তাহে মালদহে একটি সভা শেষে হেলিকপ্টারে ওঠার আগে তাঁর নজরে আসে একটি ড্রোন। সেটি তাঁর হেলিকপ্টারের খুব কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছিল বলে জানান তিনি। তখনই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।সোমবার পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড়ে একটি সভা থেকে তিনি আরও সরব হন। মমতার দাবি, ওই ড্রোনের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত এবং হেলিকপ্টার ভেঙে পড়তে পারত। তাঁর কথায়, এই ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বিহারের তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর জীবন নাশের উদ্দেশ্যেই কি এই ঘটনা ঘটানো হয়েছিল? একইসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁকে ভয় দেখিয়ে চুপ করানো যাবে না এবং যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলবেন।মালতীপুরে যাওয়ার সময় ড্রোনটি হেলিকপ্টারের সামনে চলে আসার পরই তিনি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এদিনের সভা থেকে নাম না করে এই ঘটনার জন্য তিনি বিজেপির দিকেই ইঙ্গিত করেন।অন্যদিকে, কয়েকদিন আগে বাংলায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার সহানুভূতি পাওয়ার রাজনীতি করছেন। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এভাবে অভিযোগ করা বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
দেশ

প্রতিষ্ঠা দিবসে মোদীর বিস্ফোরক ভাষণ! কংগ্রেসকে নিশানা, বাংলার হিংসা নিয়ে বড় মন্তব্য

বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে দেশের মানুষের উদ্দেশে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি দলের কর্মীদের প্রশংসা করে বলেন, বিজেপি সবসময় দেশের সেবাকে অগ্রাধিকার দেয় এবং সেই আদর্শেই এগিয়ে চলেছে। তাঁর কথায়, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে এবং পরিবেশ রক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। একইসঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লাগাতার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। তিনি দাবি করেন, এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারে একমাত্র বিজেপিই।প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, তারা শুধুমাত্র একটি পরিবারকে গুরুত্ব দিয়েছে এবং অন্যদের প্রতি অবিচার করেছে। অন্যদিকে বিজেপি সকলকে যথাযোগ্য সম্মান দেয়। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর সম্মানে পরাক্রম দিবস পালন করা হচ্ছে, আন্দামানে তাঁর নামে দ্বীপের নামকরণ করা হয়েছে এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে আজাদ হিন্দ বাহিনীকে সম্মান জানানো হয়েছে।তিনি বলেন, বর্তমানে ভারত প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার পথে এগোচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষায় নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। নকশাল ও মাওবাদ দমনে সাফল্য এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি। এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত গড়ার লক্ষ্যেই দেশকে একসূত্রে বাঁধার কাজ চলছে। নতুন শিক্ষা নীতিতে মাতৃভাষায় শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষকে দারিদ্রতা থেকে তুলে আনার ক্ষেত্রে সরকার সফল হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর কথায়, যা একসময় অসম্ভব বলে মনে করা হত, তা বিজেপির দৃঢ় সংকল্পে সম্ভব হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে দেশের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রই প্রাধান্য পেয়েছিল, কিন্তু বিজেপি স্থিতিশীল নীতি ও শাসনের উদাহরণ তৈরি করেছে। মানুষ এখন বিশ্বাস করে যে বিজেপি যা প্রতিশ্রুতি দেয়, তা পূরণ করে। মহিলাদের ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সংগঠন এবং রাজনীতিতে মহিলাদের গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।তিনি বলেন, দেশের একতা ও উন্নয়নই বিজেপির মূল পরিচয়। জোট রাজনীতিতেও বিজেপি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট ক্রমশ আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বহু সরকারে অংশ নিয়েও বিজেপি সবসময় জনসেবাকে প্রাধান্য দিয়েছে, যার ফলে মানুষের বিশ্বাস বেড়েছে।১৯৮৪ সালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই সময় কংগ্রেস বিপুল জয় পেলেও মানুষের মধ্যে তাদের প্রতি আস্থা কমতে শুরু করে। তখনই ক্ষমতার রাজনীতির পরিবর্তে সেবার রাজনীতির উপর মানুষের বিশ্বাস তৈরি হয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় বহু কর্মী নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।পশ্চিমবঙ্গ ও কেরলে রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে হিংসাকে রাজনীতির অংশ করা হয়েছে। তবুও বিজেপি কর্মীরা ভয় পায়নি এবং আজও দেশসেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। কঠিন সময়েও কর্মীরা জেলে যেতে ভয় পাননি এবং নিজেদের আদর্শে অটল থেকেছেন। জরুরি অবস্থার সময় দমন-পীড়ন ও নানা ষড়যন্ত্রের মুখেও তারা পিছিয়ে যায়নি। তাদের সংকল্প ও পরিশ্রমের ফলেই আজ বিজেপি এই জায়গায় পৌঁছেছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরণ! ৭০০ ভোটারের নাম উধাও, রাস্তায় আগুন হাসনাবাদে

ভোটের মুখে হাসনাবাদে উত্তেজনা ছড়াল ভোটার তালিকা নিয়ে। রবিবার সকাল থেকেই কাঁথি-মালঞ্চ রোডে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন শতাধিক মানুষ। তাদের অভিযোগ, তিনটি বুথ থেকে প্রায় ৭০০ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাট উত্তর বিধানসভার মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ২৫১, ২৫২ এবং ২৫৩ নম্বর বুথে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, নতুন তালিকায় ২৫১ নম্বর বুথের এক পঞ্চায়েত সদস্যের নামও নেই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে।বিক্ষোভকারীরা রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। ফলে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরে এই এলাকায় বসবাস করেও তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি আসা কিছু মানুষের নাম তালিকায় রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।এক বাসিন্দা জানান, তাদের পরিবার বহু বছর ধরে এই এলাকায় থাকলেও এবার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। কেন এমন হল, তা তারা বুঝতে পারছেন না। এই ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।গত এক মাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে একই ধরনের অভিযোগ উঠছে। তালিকা সংশোধন নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি রয়েছে। কোথায় আবেদন করতে হবে, কীভাবে নাম তোলা যাবে, তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে।এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে বহু মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বড় বিক্ষোভের আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

অমিত শাহকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, কল্যাণের বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ

ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে চলেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক এবং অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করছে।বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে উস্কানিমূলক এবং হিংসাত্মক। এই ধরনের মন্তব্য যাতে আর না করা হয়, সেই জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। পাশাপাশি, তাঁর সেই বক্তব্যের ভিডিওও সরানোর দাবি জানিয়েছে বিজেপি।সম্প্রতি এক প্রচারসভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ৪ মে আপনাকে সবুজ আবির মাখাব। ১৫ দিন কেন, ১৫ মাস থাকুন। আপনার দাদাগিরি শেষ করে দেব। এই বক্তব্য ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বিজেপি এই মন্তব্যকে কুরুচিকর বলে দাবি করেছে। রবিবার নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে তারা। সেই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের ভিডিওর উল্লেখও করা হয়েছে।বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, একজন সাংসদের মুখে এই ধরনের ভাষা শোভা পায় না এবং এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবনতি ঘটাচ্ছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের! কসবা থানার ওসি সাসপেন্ড, চাঞ্চল্য শহরে

ভোটের আগে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানার ওসি বিশ্বনাথ দেবনাথকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অভিযোগ, এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকায় কুখ্যাত সোনা পাপ্পুর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি।নির্বাচনের আগে প্রতিটি থানার কাছে এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকা চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানাও সেই তালিকা পাঠায়। কিন্তু কমিশন সূত্রে খবর, সেই তালিকায় সোনা পাপ্পুর নাম ছিল না। এরপরই শনিবার কমিশনের আধিকারিকরা থানায় যান এবং ওসির সঙ্গে কথা বলেন। জানা গিয়েছে, তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এরপর রবিবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।উল্লেখ্য, সোনা পাপ্পু নামে পরিচিত বিশ্বজিৎ পোদ্দারের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনাতেও তাকে খোঁজা হচ্ছে। কসবা ও তোপসিয়া এলাকায় তার প্রভাব দীর্ঘদিনের বলে জানা যায়।স্থানীয়দের মতে, পরিবারের সোনার ব্যবসা থাকলেও ধীরে ধীরে অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে সে। ২০১৫ সালে বালিগঞ্জ রেল ইয়ার্ডে এলাকা দখল নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় তার নাম সামনে আসে। পরে ২০১৭ সালের একটি খুনের মামলাতেও তার নাম জড়ায়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বর্তমানে সে পলাতক।এই পরিস্থিতিতে এমন একজনের নাম দাগি তালিকায় না থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর মধ্যেই ভোটের আগে কলকাতা পুলিশের একাধিক থানায় বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। পার্ক স্ট্রিট থানার দায়িত্বে থাকা হীরক দলপতিকে গোয়েন্দা দফতরে পাঠানো হয়েছে। নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নীলকান্ত রায়। গড়িয়াহাট থানায় দায়িত্ব পেয়েছেন রাজকুমার মিশ্র। বিজয়গঞ্জ বাজার থানায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মনীশ সিংহকে। চেতলা থানার নতুন ওসি করা হয়েছে মনোজ দত্তকে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে পুলিশ প্রশাসনে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal