• ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Summons

কলকাতা

হাসপাতাল থেকে বাড়ি, অক্সিজেন-স্যালাইনে নজরদারিতে অভিষেক! সিআইডির তলব ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

সোনারপুরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্তার ঘটনায় তদন্তে নেমে চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি আরও তিন জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে বেআইনি জমায়েত, পথ অবরোধ এবং বিশৃঙ্খলা তৈরির মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আকাশ গায়েন, কাজল, দেবাশিস এবং জয় সেনগুপ্ত। তদন্ত এগোতেই ধৃতদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, অভিযুক্তদের কয়েক জনের সঙ্গে সোনারপুর দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন লাভলি মৈত্র। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি এলাকার বাইরে রয়েছেন। তাঁর দাবি, যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের কেউই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত নন। সেই সংক্রান্ত তথ্য ও ছবি তিনি দলের নেতৃত্বের কাছেও পাঠিয়েছেন বলে দাবি করেন।ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। লাভলি মৈত্র বলেন, একজন সাংসদ এলাকায় যাচ্ছেন, অথচ সেখানে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা ছিল না কেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া দরকার। তাঁর বক্তব্য, হামলার সময় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাল না কেন, সেটাও খতিয়ে দেখা উচিত। তিনি আরও বলেন, এলাকায় থাকলে তিনি নিজেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতেন।এদিকে ঘটনার তদন্ত জোরকদমে শুরু করেছে পুলিশ। এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, আগামী দিনে আরও কয়েক জনকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।অন্যদিকে, এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার প্রশ্ন তুলেছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনায় অন্য কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না। এক সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, অভিষেককে একটি মামলায় হাজিরার জন্য ডাকা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে এই ঘটনা পরিকল্পিত কি না, তা তদন্ত করে দেখা উচিত। তাঁর দাবি, গোটা ঘটনায় এখনও একাধিক প্রশ্নের উত্তর মেলেনি।সোনারপুরের এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। ফলে এই মামলার দিকে এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষেরও।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ফের ইডির মুখোমুখি সুজিত বসু, বাড়ছে চাপ!

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির মুখোমুখি হলেন প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সোমবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। এর আগেও গত পয়লা মে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই সময়ের জেরায় উঠে আসা নতুন তথ্যের ভিত্তিতেই ফের তাঁকে তলব করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, উত্তর দমদম, দক্ষিণ দমদম এবং হালিশহর-সহ একাধিক পুরসভায় নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন দক্ষিণ দমদম পুরসভার সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে সেই সময়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুজিত বসুর কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলায় ধৃত অয়ন শীল এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের জেরা করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। উদ্ধার হওয়া নথিতেও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম উঠে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই সুজিত বসুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন উপ-পৌরপ্রধান হিসেবে দায়িত্বে থাকার সময় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কীভাবে কর্মী নিয়োগ হয়েছিল, তা জানতে চাইছে ইডি। এছাড়াও মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন তাঁর সময়ে হওয়া নিয়োগ নিয়েও তথ্য সংগ্রহ করছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগেও এই মামলায় সুজিত বসুর বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। একই ঘটনায় তাঁকে সিবিআই-ও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। ফলে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নতুন করে চাপ বাড়ল প্রাক্তন মন্ত্রীর উপর।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

ইডির সমনে হাজিরা দিতে হবে সুজিত বসুকে! হাইকোর্টে বড় রায়

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুকে ঘিরে নতুন মোড়। এই মামলায় তাঁকে বারবার তলব করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। তবে আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেলেন তিনি। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এখনই হাজিরা দিতে হবে না, তবে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরা দিতেই হবে।দুবছর আগে এই মামলায় চার্জশিট জমা পড়লেও সেখানে সুজিত বসুর নাম ছিল না। তবুও ভোটের আগে থেকে তাঁকে একাধিকবার তলব করা হয়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁকে বারবার সমন পাঠানো হচ্ছিল। একবার তিনি নিজে না গিয়ে নিজের ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তা গ্রহণ করেনি তদন্তকারী সংস্থা।এরপর আবার তাঁকে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরার জন্য ডাকা হয়। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেন, ভোট চলাকালীন তিনি প্রার্থী হওয়ায় এখন হাজিরা থেকে ছাড় দেওয়া হোক। তাঁর দাবি ছিল, ভোট শেষ হওয়ার পর তাঁকে ডাকা হোক। অন্যদিকে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তাঁকে বারবার ডাকা হলেও তিনি সহযোগিতা করছেন না।সব দিক বিবেচনা করে আদালত জানিয়েছে, আগামী ১ মে সকাল সাড়ে দশটায় তাঁকে হাজিরা দিতে হবে। নিজের জায়গায় অন্য কাউকে পাঠানো যাবে না। তবে যেহেতু তিনি ভোটে প্রার্থী, তাই এই সময়সীমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ইডির তলব এড়িয়ে গেলেন ডিসি! শান্তনুকে নিয়ে নতুন রহস্য

ইডির তলব থাকা সত্ত্বেও আজও দফতরে হাজির হলেন না কলকাতা পুলিশের ডিসি স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চ শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী ইডি দফতরে গিয়ে জানান, আপাতত তিনি কাজে ব্যস্ত থাকায় আসতে পারছেন না। সেই কারণে তদন্তকারী সংস্থার কাছে কিছু সময় চাওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত, কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল ইডি। শুধু তিনি নন, তাঁর দুই ছেলেকেও তলব করা হয়েছিল। সোনা পাপ্পুর বেআইনি জমি জালিয়াতি মামলার তদন্তেই তাঁর নাম সামনে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে তাঁর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। একই এলাকায় তাঁর নামে থাকা আরও কয়েকটি ফ্ল্যাটেও অভিযান চালানো হয়।সূত্রের খবর, এই মামলার সূত্রে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করে ইডি। সেই সূত্র ধরেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের নাম উঠে আসে বলে জানা গিয়েছে। বিনিয়োগ সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে।এই মামলায় ইতিমধ্যেই এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগেও একাধিক মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করা হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁর ছেলে সায়ন্তনের নামও এই মামলায় জড়িয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। অভিযোগ, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বারবার তলব সত্ত্বেও হাজিরা না দেওয়ায় তদন্তে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সেদিকেই নজর এখন।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতি: ইডির জালে এবার মন্ত্রীর মেয়ে! জানুন কী কী প্রশ্ন ঝুলছে

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তের গতিবেগ আরও তীব্র করল ইডি। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর মেয়ে মোহিনী বসু মঙ্গলবার দুপুরে সল্টলেকের ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর আইনজীবীও। ঠিক তার আগের দিনই সুজিত বসুর জামাইকে কয়েক ঘণ্টা জেরা করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফলে আজ মোহিনীর জিজ্ঞাসাবাদ ঘিরে তৈরি হয় বিশেষ আগ্রহ।এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই কলকাতার নানা জায়গায় অভিযান চালিয়েছে। তল্লাশি চলে মন্ত্রী সুজিত বসুর সল্টলেকের বাড়িতে, তাঁর অফিসে এবং তাঁর ছেলের রেস্তরাঁতেও। এই দীর্ঘ তল্লাশিতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ নগদও পায় ইডি। তার পর থেকেই তদন্তের ফোকাস পরিবারে কার কী ভূমিকায় পড়েছে সেই দিকেও ঘুরে যায়।গত সপ্তাহেই মন্ত্রীর স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাকে তলব করে পাঠায় ইডি। তাঁদের সবার কাছে চাওয়া হয়েছিল ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি, ঋণের তথ্য এবং আর্থিক লেনদেনের ডকুমেন্টস। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার দুপুরে ইডির দপ্তরে হাজির হন মোহিনী বসু। তাঁর সঙ্গে বেশ কিছু নথিও ছিল বলে সূত্রের দাবি।হাজিরা দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি। প্রায় কয়েক ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলেই ইডি সূত্রে খবর। তদন্তকারীদের দাবিপুর নিয়োগ দুর্নীতি থেকে যে টাকা উঠেছিল, তা কোথায় কোথায় বিনিয়োগ হয়েছে, কোন কোন ব্যবসায় ব্যবহার করা হয়েছে, বিশেষত হোটেল ও রেস্তরাঁ ব্যবসায় কোনও অর্থ ঢুকেছে কি নাতা খতিয়ে দেখতেই মন্ত্রীকন্যাকে তলব করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থেই তাঁর সঙ্গে থাকা নথিগুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।ইডি মনে করছে, এই দুর্নীতির টাকায় একাধিক লেনদেন হয়েছে, এবং পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টে তার ছাপ থাকতে পারে। তাই তদন্তে এই জিজ্ঞাসাবাদকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

টলিউড অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব ED-র, কারণ জানলে তাজ্জব হবেন!

কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ED টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব করেছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ইডির কলকাতার সিএজিও কমপ্লেক্সের দফতরে অঙ্কুশ হাজরাকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যদিও অঙ্কুশ বা তাঁর প্রতিনিধি কারও তরফেই ইডির সমন প্রসঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে, বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর আগেও নানা ঘটনায় টলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীকে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা।গত বছর থেকে, বলিউড এবং দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র তারকাদের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের অবৈধ অনলাইন বেটিং অ্যাপের প্রচার নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্ত করছে। ইতিমধ্যেই এই তালিকায় নাম রয়েছে রানা দত্তুগুথি, বিজয় দেবেরাকোন্ডা (Vijay Deverakonda), প্রকাশ রাজ (Prakash Raj), হরভজন সিং, উর্বশী রাউতেলা এবং সুরেশ রৈনার মতো তারকাদের।এবার অঙ্কুশ হাজরাও সেই তালিকায় রয়েছেন। জানা গেছে যে নিষিদ্ধ অনলাইন বেটিং অ্যাপ প্ল্যাটফর্মের প্রচারের বিষয়ে ইডির চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে অভিনেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে, বাঙালি অভিনেতাকেও ইডি অফিসে হাজির হতে হবে।সূত্র জানিয়েছে, যে বেটিং কোম্পানিগুলি তাদের অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট প্রচারের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে। যেহেতু জনপ্রিয় তারকারা এই বিজ্ঞাপনের সাথে যুক্ত, তাই স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহারে প্রভাবিত হচ্ছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
রাজ্য

ফের পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের তলব

ফের তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের তলব। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের ভাল্কি পঞ্চায়েত এলাকার শাসক দলের জিতেন বাগদীকে তলব করলো সিবিআই।তবে তাকে দুর্গাপুর বা কলকাতার নিজাম প্যালেসে যেতে হবে না। ২ সেপ্টেম্বর জিতেন বাগদীর বাড়িতে গিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে এই মর্মে নোটিশ পাঠানো হয়েছে সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে। গতকাল অর্থাৎ ২৪ আগষ্ট জীতেন বাগদীর বাড়ি ঘুরে গেছে সিবিআইয়ের টিম। তার বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় সিবিআই জিজ্ঞসাবাদ করবে ২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩ টের সময়।তাকে বাড়িতে থাকাতে বলা হয়েছে।এখানে উল্লেখ্য গত ৬ আগষ্ট অরূপ মিদ্যাকে সরিয়ে তার জায়গায় জীতেন বাগদীকে ভাক্লি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি করা হয়। তবে তিনি নোটিস পাওয়ার কথা স্বীকার করেননি। তিনি টেলিফোনে বলেন, কোনও নোটিস পায়নি।প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় আউশগ্রামের শাসক দলের একাধিক নেতাকে তলবা করা হয় দুর্গাপুরে সিবিআইয়ের অস্থায়ী শিবিরে। সেখানে জেরা করা হয়েছে। যদিও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এই বিষয়ে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন,এরকম খবর শুনলাম। এই কদিন আগে তাকে অঞ্চল সভাপতি করেছে দল।তবে সবই তো বোঝা যাচ্ছে কি হচ্ছে। রাজনৈতিক হিংসা চরিতার্থ করার চেষ্টা।বিজেপি জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, আমরা তো বারে বারে আবেদন করেছি দুর্নীতিগ্রস্থ নেতাদের সিবিআই গ্রেপ্তার করে তদন্ত করুক। আগামীদিনে বাংলার দুর্নীতিবাজ নেতারা কেউ রেয়াত পাবে না। জীতেন বাগদীর বাড়ি আউশগ্রাম থানার প্রেমগঞ্জ গ্রামে গেলে তার দেখা মেলে নি। তার স্ত্রী চিন্তা বাগদী বলেন, বাড়িতে নাই। বাইরে গেছে। তিনিও জানান,তাদের বাড়িতে কোন চিঠি আসে নাই।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজ্য

নিজাম প্যালেসে ফের তলব অনুব্রত মণ্ডলকে

গোরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে ফের তলব। ১৪ মার্চ নিজাম প্যালেসে অনুব্রত মণ্ডলকে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকাল ১১টায় তাঁকে হাজিরা থাকতে বলা হয়েছে। এই নিয়ে চতুর্থবার তাঁকে তলব করা হয়েছে। শেষবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি। সেবার তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। এর আগেও তিন বার তিনি কখনও নির্বাচনী ব্যস্ততা, কখনও আবার শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। গ্রেপ্তারি এড়াতে তিনি হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন।গোরুপাচার মামলায় ১৪ ফেব্রুয়ারি সিবিআই তলব করেছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেদিনও হাজিরা এড়িয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। ২৫ ফেব্রুয়ারি ফের তাঁকে হাজিরার নোটিস দেওয়া হয়। অনুব্রত মণ্ডলের শারীরিক অবস্থার বিষয়টি আইনজীবীরা জানান। এদিন হাজিরা এড়িয়ে যান কেষ্ট।২৫ ফেব্রুয়ারি অবশ্য অনুব্রত মণ্ডলের তরফে আইনজীবী আদালতের দ্বারস্থ হন। অনুব্রতর তরফ থেকে জানানো হয়, তিনি হাজিরা এড়াতে চান না। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছিলেন, গোরু পাচার মামলায় তদন্তে সহযোগিতা করতে রাজি তিনি। জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। কিন্তু কলকাতায় সিবিআই দপ্তরে গিয়ে হাজিরা দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়, শারীরিক অসুস্থতার জন্য। বোলপুরে বাড়ির কাছাকাছি কিংবা কাছাকাছি কোথাও ডাকা হোক তাঁকে। এই মর্মে আইনজীবী মারফৎ চিঠিও পাঠিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

মার্চ ০৭, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটে হিংসার বিবরণ চেয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে তলব রাজ্যপালের

পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ বিরোধীদের। সেই অভিযোগ সম্পর্কে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানতে তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসকে বিকেলে সাড়ে তিনটের সময় ডেকে পাঠানো হয়েছে রাজভবনে। পুরভোটের শেষ দফায় রাজ্যজুড়ে একের পর এক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। সে বিষয়ে কথা বলার জন্য কমিশনারকে তলব করেন রাজ্যপাল। রাজভবন থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, পুরভোটে অশান্তি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা সংক্রান্ত যা অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন। আর সেই কারণেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ভোটগ্রহণে অশান্তির ঘটনার উল্লেখ করেন তিনি, সেটিকে গণতন্ত্রের ব্যর্থতা বলেও ব্যাখ্যা দেন রাজ্যপাল।এক্ষেত্রে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কী বক্তব্য থাকতে পারে, সেটাই দেখার। বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট, ইভিএম ভাঙচুর থেকে শুরু করে বোমাবাজি-র অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। যদিও ডিজি-র দাবি, ছোটখাটো ঘটনা ছাড়া নির্বাচন মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ হয়েছে।পুরভোটের সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে রাজ্য জুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধ করছে বিজেপি। বনধ সফল করতে রাজ্যের সর্বত্র বিজেপি কর্মীরা পথে নেমেছেন। গতকাল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরেও যায় বিজেপি-র প্রতিনিধি দল। সেই দলে ছিলেন রাজ্য নেতা শিশির বাজোরিয়া, বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। কমিশনে চিঠি দিয়ে ১০৮ পুরসভার ভোটই বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

গোরু পাচারকাণ্ডে অনুব্রতকেও তলব সিবিআইয়ের

ফের সিবিআই তলব বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। ভোট পরবর্তী সময়ে বিজেপিকর্মী খুনের মামলায় তাঁকে আগে তলব করেছিল ওই তদন্তকারী সংস্থা। তবে হাইকোর্টের নির্দেশে আপাতত স্বস্তিতে তিনি। সেই আবহে ফের অনুব্রতকে তলব করল সিবিআই। এ বার তাঁকে ডাকা হয়েছে গোরু পাচারকাণ্ডে।আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতার নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে অনুব্রতকে। বুধবারই জানা গিয়েছিল, গোরু পাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তৃণমূল সাংসদ দেবকেও তলব করেছে। তাঁকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তলব করা হল অনুব্রতকে। সিবিআই সূত্রে দাবি, গোরু পাচারকাণ্ডে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

কয়লাকাণ্ডে ফের তলব মলয় ঘটককে

কয়লাকাণ্ডে ফের মলয় ঘটককে তলব। ৮ ফেব্রুয়ারি তলব করেছে ইডি। ২ ফেব্রুয়ারির পর ৮ ফেব্রুয়ারি হাজিরা দেওয়ার জন্য ফের নোটিস দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। কয়লা পাচারকাণ্ডে মলয় ঘটকের বিরুদ্ধে কিছু তথ্য প্রমাণ পেয়েছে ইডি। তারই ভিত্তিতে তাঁকে সাক্ষী হিসাবে তলব করা হয়েছিল ২ ফেব্রুয়ারি। কোভিড পরিস্থিতির কথা জানিয়ে তিনি ইডি দপ্তরে হাজিরা দেননি। আবারও নোটিস দিয়ে তাঁকে ৮ ফেব্রুয়ারি তলব করা হল। তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্যও চেয়ে পাঠিয়েছেন তদন্তকারীরা। যেহেতু ইডির সদর দপ্তর দিল্লিতে কয়লা পাচারকাণ্ডে তদন্ত চলছে, তাই সেখানেই তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।একেবারে পুরভোটের মুখে ইডির এই পদক্ষেপ অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে শাসকশিবিরে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। ইডির নোটিস পাওয়ার পর রাজ্যের আইনমন্ত্রী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন? সেটাই দেখার।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

মুখ্যসচিবকে ফের তলব রাজ্যপালের

রাজ্যের মুখ্য সচিবকে ফের তলব করলেন রাজ্যপাল। আগামী সোমবার সকাল ১১ টার সময় তাঁকে রাজভবনে তলব করা হয়েছে। টুইট করে তাঁকে রাজভবনে তলব করেছেন রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। টুইটে রাজ্যপাল উল্লেখ করেছেন, গত ৭ ই জানুয়ারি নেতাইয়ে প্রবেশে বারবার বাধা দেয়া হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীকে। এর কারণ জানতেই তলব করা হল রাজ্যের মুখ্যসচিবকে।প্রসঙ্গত, গত ৭ ই জানুয়ারি ঝাড়গ্রামের নেতাইয়ে শহিদ দিবস পালনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঝিটকার জঙ্গলের কাছে পুলিশ তাঁর পথ রোধ করে। এরপর রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ পত্র পাঠিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজিকে । তবে, তাঁরা কেউই উপস্থিত হননি।রাজভবনে না গিয়ে তাঁরা রাজ্যপালকে চিঠি লিখেছিলেন। সেখানে তাঁরা জানিয়েছিলেন, আধিকারিকদের মধ্যে অনেকেই করোনা আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে আছেন। এর সঙ্গে সঙ্গেই সে সময় একদিকে রাজ্যের পরিস্থিতির দেখভাল, অন্যদিকে গঙ্গাসাগর মেলার কাজে অনেকেই বিশেষ দায়িত্বে রয়েছেন। এ কারণে তাঁরা রাজভবনে যেতে পারছেন না। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে নেতাই নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হবে।এভাবে তলব অগ্রাহ্য করায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন রাজ্যপাল। রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজি কিভাবে বৈঠক বাতিল করলেন? তা নিয়ে হতবাক হয়েছিলেন রাজ্যপাল। এরপর আজ আবার রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে তলব করলেন রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আগামী সোমবার সকাল ১১ টায় তাঁকে রাজভবনে তলব করা হয়েছে। রাজ্যপালের তলবের পর এবার রাজ্যের মুখ্যসচিব কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, সে দিকেই দৃষ্টি রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
কলকাতা

Dhankhar: কার নির্দেশে এলেন না? ফের মুখ্যসচিব ও ডিজির জবাব তলব রাজ্যপালের

রাজ্যপালের তলব পেয়েও রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং পুলিশ প্রধান সোমবার বেলা ১১টার মধ্যে হাজির হননি রাজভবনে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে চিঠি লিখে রাজ্যের দুই শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, নির্দেশ মেনেই করোনা পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপ করছেন তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল এ বার মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং ডিজি মনোজ মালব্যর কাছে জানতে চাইলেন, কার কাছ থেকে তাঁরা ওই নির্দেশ পেয়েছেন।নেতাইয়ে যেতে না পারায়, অভিযোগ জানিয়ে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যপালের কাছে অভিযোগপত্র পাঠান। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে, রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যকে রাজভবনে তলব করেন তিনি। সোমবার, সকাল ১১টার মধ্যে তলব করেছিলেন তিনি। এ দিন ১১টার কিছু আগেই আসতে না পারার কথা জানিয়ে দেন মুখ্যসচিব ও ডিজি।এই চিঠি পাঠানোর পিছনে কার নির্দেশ রয়েছে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মুখ্যসচিব এবং ডিজি কী ভাবে বৈঠক বাতিল করলেন, তাতে হতবাক তিনি। সোমবারই তাঁদের এই বিষয়ে জবাব দেওয়ার কথা বলেছেন রাজ্যপাল।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

Abhishek-Dilip: 'অভিষেককে কলকাতায় ডাকলে দলীয় কর্মীরা ঢিল মারবে'

কলকাতায় কার্যালয় থাকা সত্বেও কয়লাকাণ্ডে বার বার দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই নিয়ে কেন্ত্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা। তাঁদের দাবি, আইন মেনে কলকাতাতেই ডাকা হোক তাঁদের। এদিকে দিল্লিতে সস্ত্রীক অভিষেককে তলব নিয়ে যুক্তি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, কলকাতায় ডাকা হলে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা বাধা দেব। তাই যেখানে নিরাপদ সেখানেই ডাকা হবে।আরও পড়ুনঃ ৫০০ টাকা পেতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট থেক উধাও হল ৫ হাজার টাকা!শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এখানে ডাকলে তো ওদের কর্মীরা এসে ঘেরাও করবে, ঢিল মারবে, মুখ্যমন্ত্রী ধর্না দেবেন। এর আগেও অন্য মামলায় ভিন রাজ্যে ডেকে জেরা করা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। তাই যেখানে নিরাপদ মনে হবে সেখানেই ডাকা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে হওয়ার মামলার কথা মনে করিয়ে দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, বম্বে হাইকোর্টে স্থানান্তরিত করে তাঁদের গুজরাত থেকে সেখানে ডাকা হয়েছে। আমরা গিয়েছি। অশান্তি করিনি। আমাদের আইনের উপর আস্থা ছিল। তাঁর কথায়, আইনের আশ্রয় নিয়ে আমাদের নেতারা সোনার মত চকচকে হয়ে বেরিয়ে এসেছে। অভিষেকের এই ইস্যুতে হাইকোর্টে যাওয়াকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, আমার মনে হয় না এইভাবে বাঁচা যাবে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
দেশ

Abhishek-ED: অভিষেককে তৃতীয়বার তলব ইডি-র

কয়লা পাচার-কাণ্ডে ফের দিল্লিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দপ্তরে তলব করা হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ইডি-র একটি সূত্র জানাচ্ছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর হাজিরা দেওয়ার জন্য তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে তৃতীয়বার তলব করা হল অভিষেককে। গত সোমবার দিল্লির ইডি দপ্তরে প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল অভিষেককে। এর ৪৮ ঘণ্টা পরেই তাঁকে নোটিস পাঠিয়ে ফের শুক্রবার দিল্লিতে হাজির হতে বলে ইডি। কিন্তু ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ জানিয়ে ইডি-কে দেন, তিনি হাজির থাকতে পারবেন না। এর পর শনিবার আবার তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের অভিষেককে ইডি-র নোটিস পাঠানোর ঘটনা নিয়ে বুধবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। বুধবার ভবানীপুরে তৃণমূলের কর্মিসভায় নরেন্দ্র মোদি সরকার এবং বিজেপি-কে নিশানা করে তিনি বলেন, দুদিনও হয়নি অভিষেককে ডেকে ৯ ঘণ্টা জেরা করল। আবার ডেকে পাঠিয়েছে। রাজনীতিতে পেরে উঠছে না, তাই ৯ ঘণ্টা জেরা করার পর আবার ডাকল অভিষেককে। এরমধ্যেই ফের একবার ইডি তলব করল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: জল্পনাই সত্যি হল, সিআইডির হাজিরা এড়ালেন শুভেন্দু

দিনভর একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে তাই সোমবার সিআইডি-র কাছে হাজিরা দিতে পারবেন না শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে ই-মেল করে এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তবে এই সিআইডি তলব নিয়েই হাইকোর্টে সওয়ালের সম্ভবনা রয়েছে। উচ্চ আদালতে সওয়াল করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবীরা।শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর যে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রয়েছে সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই এদিন সকাল ১১টা নাগাদ শুভেন্দুকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু তাঁর আগে থেকে কিছু কর্মসূচি রয়েছে, তাই সোমবার হাজিরা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এমনইটাই জানিয়ে, সিআইডিকে ই-মেল করলেন শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, তাঁর জন্য তৈরি রাখা হয়েছে ৪৩ পাতার প্রশ্নপত্র। জিজ্ঞাসাবাদ করবেন ৫ সদস্যের তদন্তকারী দল। শুভেন্দুর ব্যক্তিগত গাড়ির চালক শম্ভু মাইতিকেও ডাকা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ প্রয়াত মার্কিন গায়িকা সারা হার্ডিংউল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী দলনেতা হওয়ায় তাঁকে নানাভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এটিও তেমন একটি মামলা। সেক্ষেত্রে সিবিআই দিয়ে যাতে এই সব মামলার তদন্ত করা হয়, তার আবেদন জানান শুভেন্দু। সোমবার সেই মামলারই শুনানি রয়েছে হাইকোর্টে। ফলে আজই তিনি সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দিতে পারবেন না বলে ইমেলে তদন্তকারীদের জানিয়ে দেন।প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে ১৩ অক্টোবর কাঁথির পুলিশ ব্যারাকে মাথায় গুলি লাগে শুভেন্দুর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর। পর দিন হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার আড়াই বছর পরে কাঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর স্ত্রী সুপর্ণা।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
কলকাতা

Narad Case: নারদ মামলায় ফের তলব সুব্রত-ফিরহাদ-মদন-শোভনকে

নারদ মামলায় ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট। চার্জশিটের তোড়জোড়ের মধ্যেই ফের তলব করা হল রাজ্যের দুই মন্ত্রী এবং এক তৃণমূল বিধায়ককে। জানা গিয়েছে, শুধু তাই নয়, বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও অধুনা তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধেও তদন্তের আর্জি জানিয়েছে ইডি।সূত্রের খবর, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং মদন মিত্রকে সমন জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ডেকে পাঠানো হচ্ছে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে।উল্লেখ্য, নারদ মামলায় ইতিমধ্যেই সিবিআই চার্জশিট পেশ করেছে। তবে এখনও ইডির চার্জশিট জমা পড়েনি। এই প্রেক্ষিতে ফাইনাল চার্জশিট জমা দেওয়ার আগে সিবিআই-র স্পেশ্যাল কোর্টে ইডি জানিয়েছে, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং ফিরহাদ হাকিমকে আগামী ১৬ নভেম্বর তারা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে সিবিআই-র বিশেষ আদালতের নির্দেশ, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাধ্যমে তিন বিধায়ককে সমন পাঠানো হবে।আরও পড়ুনঃ দেশে ফের ৮০ হাজারের গণ্ডি পেরোল করোনা সংক্রমণএকইসঙ্গে, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও প্রাক্তন পুলিশ কর্তা মির্জাকেও একই দিনে সমনও পাঠানো হচ্ছে। তাছাড়া নারদ মামলার এফআইআর-এ থাকা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এবং তৃণমূল নেতা মুকুল রায়কেও একই দিনে সমন পাঠানো হয়েছে। একই দিনে তাঁদেরও হাজির হতে হবে। তদন্তের স্বার্থে শুভেন্দু ও মুকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে গত ১৭ মে সুব্রত-মদন-ফিরহাদকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

ED Summons: কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-র

কয়লা-কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ১ সেপ্টেম্বর রুজিরা এবং ৩ সেপ্টেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে ইডি-র অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি সংবাদসংস্থা এএনআই-র।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানকে বিশেষ স্বীকৃতি ভারতীয় ডাক বিভাগেরসংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, পিনকন কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেকের আইনজীবী সঞ্জয় বসুকেও ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। বিধানসভা ভোটের আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরাকে বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বোনকেও। এবার নোটিস পাঠিয়ে দিল্লির অফিসে ডেকে পাঠানো হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও তাঁর স্ত্রীকে। একে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।ইডি সূত্রে দাবি, এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই নিয়ে তৃতীয় নোটিস পাঠানো হল। কয়লা মামলার তদন্তে তাঁর সহযোগিতা চেয়ে এই নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে খবর। এই আগে কয়লাকাণ্ডে খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁর স্ত্রী রুজিরা নারুলাকে সিবিআই-এর গোয়েন্দারা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল অভিষেকের আরও এক আত্মীয়কে। যদিও কয়লাকাণ্ডে অভিষেককে এখনও পর্যন্ত সিবিআই বা ইডি-র মুখোমুখি হতে হয়নি।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজনীতি

Dilip-Nadda: নাড্ডার তলবে দিল্লি গেলেন দিলীপ, সফর ঘিরে একাধিক জল্পনা

শনিবার রাতেই দিল্লি উড়ে গেলেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপি সূত্রে খবর, রবিবার দলের রাজ্য সভাপতির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বৈঠকে আর কেউ থাকবেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। মনে করা হচ্ছে রাজ্য বিজেপি-তে সাংগঠনিক রদবদল নিয়েই আলোচনা হবে। আরও পড়ুনঃ রয় কৃষ্ণাকে পেতে এবার আসরে নামল মুম্বই সিটি এফসিশনিবার প্রথমে ঝাড়গ্রাম ও পরে দক্ষিণ কলকাতা জেলা বিজেপি-র বৈঠক ছিল দিলীপের। তা মিটিয়ে রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ তিনি দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন। সাধারণত দিল্লিতে সাংগঠনিক বিষয়ে বৈঠকের জন্য রাজ্য সভাপতির পাশাপাশি রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)-কেও ডাকা হয় বৈঠকে। কিন্তু এ বার অমিতাভ চক্রবর্তীকে যেতে বলা হয়নি। একা দিলীপকে কেন ডাকা হল তা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাবুল সুপ্রিয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়ার পরে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দিলীপের কিছু মন্তব্য নিয়ে বাবুল যে অসন্তুষ্ট তা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন আসানসোলের সাংসদ। একই ভাবে সৌমিত্র খাঁকে নিয়েও অস্বস্তিতে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে দিলীপকে কেন ডাকা হল তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা কৌতুহল এবং জল্পনা। তবে দিলীপের দাবি, এটা নতুন কিছুই নয়। সর্বভারতীয় সভাপতি আর রাজ্য সভাপতি বৈঠক করবেন এটা তো স্বাভাবিক বিষয়। নিয়মিত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে টেলিফোনে কথা হচ্ছে। ভার্চুয়াল বৈঠকও হচ্ছে। কোনও বিষয়ে সামনাসামনি কথা বলা দরকার মনে করেই আমায় ডাকা হয়েছে। কখন বৈঠক হবে বা আর কারা থাকবেন সেটা আমার জানা নেই। আর এমন একটা বৈঠক যে হবে তা আগে থাকতেই ঠিক করা ছিল।সম্প্রতি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দিলীপের চাপা সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। শুরুটা হয়েছিল শুভেন্দুর দিল্লি সফর নিয়েই। বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর পর, দুবার দিল্লি গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে এসেছেন শুভেন্দু। প্রথম বার এ নিয়ে দিলীপকে প্রশ্ন করা হলে তাঁর উত্তর ছিল, আমাকে বলে যায়নি। সে বার নাড্ডা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন শুভেন্দু। পরের বার শাহর সঙ্গে বৈঠক হয়। এই দুই বৈঠক নিয়েই দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ অন্ধকারে ছিলেন। দিলীপকে দিল্লিতে ডাক এই অসন্তোষ ঢাকা দেওয়ার উদ্যোগও হতে পারে। দলের অভ্যন্তরীন নানা অসন্তোষ বা বেসুরো কথাবার্তা নিয়েও কথা হতে পারে তাঁর সঙ্গে। তবে এখনও ঠিক নেই ঠক কী ধরনের আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে।

জুলাই ১০, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যের নতুন মুখ্য সচিবকে তলব করলেন রাজ্যপাল

রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে টুইটারে ফের শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় । সেই সঙ্গে আগামিকাল, সোমবার মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে ডেকে পাঠিয়েছেন রাজভবনে।বাংলায় একুশের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় প্রাণ গিয়েছিল অন্তত ১৬ জনের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তৃণমূল-বিজেপি দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীরই মৃত্যু হয়েছিল। যদিও সে সময় দায়িত্বে কমিশন ছিল বলেই জানিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকেই রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে ক্রমাগত প্রশ্ন তুলে যাচ্ছেন রাজ্যপাল। রাজ্যে হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ভোটের পর থেকে বিরোধীরা যে অত্যন্ত ভয়ের সঙ্গে দিন কাটাচ্ছেন, সে কথাও টুইটে উল্লেখ করেন ধনখড়। তিনি লেখেন, রাজ্যের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। এহেন অবস্থায় তাই মুখ্য সচিবকে সোমবার রাজভবনে ডাকা হয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসা ঠেকাতে রাজ্য কী পদক্ষেপ করেছে? আইন শৃঙ্খলা নিয়ে তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে চাওয়া হবে।Extremely alarming law order scenario @MamataOfficial. Security environment is seriously compromised.In such a grim situation called upon Chief Secretary to brief me on the law and order situation on Monday 7th June and indicate all steps taken to contain post poll violence. pic.twitter.com/REf0JDTpcQ Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) June 6, 2021তিনি আরও লেখেন, বিরোধীদের ভোট দেওয়ার সাহস দেখানোর শাস্তি পাচ্ছেন অনেকে। বিরোধীদের সামাজিক বয়কট করা হচ্ছে। এখনও পুরোদমে ভোট পরবর্তী হিংসা চলছে। যা মানবতার লজ্জা। অথচ প্রশাসনের কোনও হেলদোল নেই। পুলিশও নীরব দর্শকে পরিণত হয়েছে। জগদীপ ধনখড়ের মন্তব্যের পরই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলে দেন, বিজেপির দালালের মতো কথাবার্তা বলছেন রাজ্যপাল। যা তাঁর একেবারেই শোভা পায় না। নির্বাচনের আগে বারবার পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন। রাজ্যপাল হিসেবে তা করা যায় না। কুণাল ঘোষের পালটা দিয়ে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি, রাজ্যপাল বর্তমানে বাংলার আসল পরিস্থিতিটা তুলে ধরছেন। আর সেটাই সহ্য হচ্ছে না শাসকদলের।

জুন ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal