• ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Srilanka

রাজ্য

শ্রীলঙ্কায় তাণ্ডবের পর ভারতের দিকে ঘূর্ণিঝড়! বাংলায় কী প্রভাব পড়বে দিতওয়াহার?

শ্রীলঙ্কার উপকূলে তাণ্ডব চালিয়ে ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহা এখন ভারতের দিকে এগোচ্ছে। তবে আবহাওয়া দফতর স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ঝড়ের সরাসরি কোনও প্রভাব বাংলায় পড়বে না। ঝড়টি তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি উপকূলের কাছাকাছি এসে সমুদ্রের মধ্যেই শক্তি হারাবে। স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে হাওয়ার গতিপথ বদলাচ্ছে, যার ফলে বাংলায় তাপমাত্রার ওঠানামা শুরু হয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে কমছে রাতের তাপমাত্রা। রাতের দিকে সামান্য উষ্ণতা থাকলেও সকালবেলা হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। দু-একটি জায়গায় দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারের কাছাকাছি নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে কলকাতার তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে পারদ ১৫ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবারের পর ধীরে ধীরে আরও নামবে তাপমাত্রা। শুক্র ও শনিবার নাগাদ কলকাতায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রিতে এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১১ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে। উইকেন্ডে শীতের আমেজ ফের জোরালো হতে পারে।উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় আপাতত তাপমাত্রার বড় কোনও পরিবর্তন নেই। বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই। শুষ্ক আবহাওয়াই থাকবে। তবে মালদহ ও দুই দিনাজপুরে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সপ্তাহের মাঝামাঝি আবার পারদ নামতে শুরু করবে।দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া দিতওয়াহা উপকূলের কাছে এলেও সমুদ্রেই শক্তি হারাবে। ঝড়টি স্থলভাগ থেকে ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে। এর প্রভাবে দক্ষিণ ভারতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে হরিয়ানার উপর একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনাও আছে।কলকাতায় আগামী কয়েকদিন সকালে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা একটু বেশি থাকায় সকাল-সন্ধ্যায় শীতের আমেজ কিছুটা কম থাকবে। দিনের বেলাতেও শীত বিশেষ অনুভূত হবে না। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে, কোথাও আংশিক মেঘ দেখা যেতে পারে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকবে। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৯ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৪৮ থেকে ৯৪ শতাংশের মধ্যে।দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা তাপমাত্রার খুব একটা বদল হবে না। মঙ্গলবারের পর থেকে পরের দু-তিন দিনে প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতে পারে। শুক্রবার নাগাদ কলকাতা ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভালো রকম ঠান্ডা পড়তে পারে। আগামী কয়েক দিন রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে ভোরের দিকে। উপকূলের জেলাগুলিতে কুয়াশার প্রভাব বেশি হতে পারে। তবে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গেও শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ থাকবে, কিন্তু দিনের দিকে শীত অনেকটাই কম অনুভূত হবে। দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রির কাছে থাকতে পারে। মালদহে পারদ থাকবে প্রায় ১৭ ডিগ্রির ঘরে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে সকালের দিকে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। উইকেন্ডে পাহাড়ি এলাকাতেও কুয়াশা বাড়তে পারে

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
বিদেশ

এক রাতেই বদলে গেল দেশের চেহারা, শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব

ক্রমে ভয়াল রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় দেতোয়া। শ্রীলঙ্কা জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে এই শক্তিশালী ঝড়। বহু বছর পর এমন ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। একের পর এক প্রাণহানির খবর সামনে আসছে। এখনও পর্যন্ত সরকারি হিসেবে মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের, তবে উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ২১ জন। টানা ভারী বৃষ্টিতে একাধিক এলাকায় ধস নেমেছে। শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র বন্যার জল ঢুকে পড়েছে। বহু ঘরবাড়ি ভেসে গিয়েছে। প্রায় ৪৪ হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়ে পড়েছেন। জলস্তর এখনও বাড়ছে।দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনকে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কাজে নামার নির্দেশ দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমারা দিশানায়েকে। ২০২৫ সালের বাজেট থেকে জরুরি ত্রাণের জন্য ১.২ বিলিয়ন টাকা তাৎক্ষণিক সাহায্যের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে আরও ৩০ বিলিয়ন টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রশাসনিক কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য নতুন নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা সদর দফতরে খোলা হয়েছে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, চালু করা হয়েছে দশটি জরুরি হটলাইন।ভারি বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত পরিবহন ব্যবস্থা। রাজধানী কলম্বোর বহু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ এক্সপ্রেসওয়ের একাধিক অংশে যান চলাচল বন্ধ। খারাপ দৃশ্যমানতার কারণে বেশ কিছু বিমান তিরুঅনন্তপুরম, কোচিন ও মাত্তালায় ঘুরিয়ে দিতে হয়েছে।এই বিপদের সময়ে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। শুরু হয়েছে অপারেশন সাগর বন্ধু। শুক্রবার ভারতের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী ও জরুরি সাহায্য পাঠানো হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শ্রীলঙ্কাকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় দেতোয়ার কারণে যাঁরা প্রিয়জন হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি তাঁর গভীর সমবেদনা রইল। সব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নিরাপত্তা ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি।শ্রীলঙ্কা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, খারাপ আবহাওয়ার জেরে ১২,৩১৩টি পরিবারের ৪৩,৯০০ জনেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দেশজুড়ে এখনও চলছে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে এএফসি কাপের মূলপর্বে সবুজমেরুন

আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এএফসি কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল এটিকে মোহনবাগান। ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের ঢাকা আবহনীকে ৩-১ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ৬ মিনিটে বাদিক থেকে জনি কাউকোর বাড়ানো ক্রস থেকে এটিকে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৭ মিনিট পর সমতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ এসেছিল আবহনীর সামনে। কিন্তু জালে বল রাখতে পারেননি ড্যানিয়েল কলিন্ড্রেস।প্রথম গোল খাওয়ার পর চাপে পড়ে যায় ঢাকা আবাহনী। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেশ কয়েকবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসেন এটিকে মোহনবাগানের কাউকো-লিস্টনরা। তবে আবাহনীর রক্ষণের তৎপরতায় গোল মুখ খুলতে পারেনি সবুজমেরুন। ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় প্রবীর দাসের সেন্টার থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো। তাঁর শট বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দেওয়া সবুজমেরুন ২৯ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের গোলে ব্যবধান বাড়ায়। প্রবীর দাসের সাজিয়ে দেওয়া বল থেকে গোল তুলে আনতে কোনও ভুল করেননি ডেভিড উইলিয়ামস। প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক পুর্ণ করতে পারতেন এই অস্ট্রেলীয় স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে তিনি আবহনী গোলরক্ষকের গায়ে মারেন।দ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান হঠাৎই খেলা থেকে হারিয়ে যায়। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেয় আবহনী। ঢাকা আবহনী একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। পর পর সুযোগ তৈরি করেও সবুজমেরুনের বক্সের মধ্যে গিয়েই খেই হারিয়ে ফেলছিল ঢাকার দল। প্রায় দুটি ক্ষেত্রে নিশ্চিত গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আবহনী। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনার সুফল পায় ৬১ মিনিটে। রাকিব হোসেনের ডান পায়ের ফ্লিক ধরে বিশ্বমানের গোল করে যান কোস্টা রিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। ম্যাচের ৭০ মিনিটের পর আবার ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে এটিকে মোহনবাগান। আবহনীর মরিয়া লড়াই রুখে ফের আক্রমণাত্মক মেজাজে ফিরে আসে সবুজমেরুন। এই সময়ে দুটি সহজ সুযোগ মিসও করে বাগান জনতার প্রিয় ক্লাবটি। গোল নষ্টের মহরার মধ্যে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে ঢাকা আবহনীর কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ডেভিড উইলিয়ামস।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Sunil Chetri: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ভারত, পেলের কৃতিত্বের সামনে সুনীল ছেত্রি

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ড্র করায় বেশ বিপাকে ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে গেলে লিগের বাকি ম্যাচগুলোতে জিততে হবে ইগর স্টিম্যাকের দলকে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন সুনীল ছেত্রিরা।আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে ১০ জনে পেয়েও হারাতে পারেনি ভারত। সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স নিয়ে চারিদিকে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশের কাছে আটকে যাওয়াটা এখনও মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না কোচ থেকে ফুটবলাররা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। আগের ম্যাচ ড্র করে মনোবলে আঘাত লাগছেও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। আর আত্মবিশ্বাসের মূল কারণ বাংলাদেশের থেকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল শ্রীলঙ্কা। শক্তির বিচারে ভারতীয় দলের তুলনায় শ্রীলঙ্কা অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তা সত্ত্বেও বিপক্ষ শিবিরকে একেবারেই হালকা ভাবে নিচ্ছে ভারতীয় শিবির। পচা শামুকে পা কাটতে পারে, এই আশঙ্কায় ভুগছে ভারতীয় শিবির। তবে আগের ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে গোটা দল নতুনভাবে ঝাঁপাতে চাইছে। ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাকও বাংলাদেশ ম্যাচের কথা এখনও মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারছে না। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে আমাদের ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে। এবার আমাদের সামনে তাকাতে হবে। গ্রুপ লিগে এখনও তিনটে ম্যাচ বাকি। এই ম্যাচগুলিতে আমাদের আরও ভাল খেলতে হবে। বাকি ম্যাচগুলো জিতলে আমাদের ফাইনালে যেতে সমস্যা হবে না। ফুটবলারদের ধৈর্য ধরতে হবে।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের খেলায় হতাশ ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচে প্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। তবে প্রথম একাদশ খোলসা করেননি। এই ব্যাপারে তিনি বলেন, আমাদের হাতে এখনও অনেকটা সময় আছে। ম্যাচের আগে প্রথম একাদশ ঠিক করব। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে ফুটবলারদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমাদের বেশ কয়েকটা জায়গায় উন্নতি করতে হবে। রক্ষণ আরও মজবুত করতে হবে।স্টিম্যাক আরও বলেন, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয়ের জন্য যা কিছু করা সম্ভব, সবই করব। দল হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে সমীহ করতেই হবে। তবে একটা কথা বলব, দুই ম্যাচ খেলে ওরা ২ পয়েন্ট পেয়েছে ঠিকই। কিন্তু ওদের ১ পয়েন্টও পাওয়া উচিত ছিল না। এটাই ফুটবল। এদিকে, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পেলের মাইলস্টোন ছোঁয়ার লক্ষ্যে নামছেন সুনীল ছেত্রি। আর ১ গোল করলেই তিনি দেশের হয়ে পেলের করা ৭৭ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করবেন।

অক্টোবর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

P‌ak Cricket : পাকিস্তানে খেলার প্রস্তাব নাকচ বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার?‌ কেন

পাকিস্তান ক্রিকেটের সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না। কয়েকদিন আগেই নিরাপত্তা ও সুরক্ষার স্বার্থে সিরিজ না খেলেই দেশে ফিরে গেছে নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডও পাকিস্তানে সিরিজ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরমধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিল সে দেশে গিয়ে সিরিজ খেলার। কিন্ত এই দুই দেশ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের পক্ষে এই মুহূর্তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলা সম্ভব নয়।পাকিস্তানে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার কথা ছিল নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড দলের। নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার স্বার্থে পাকিস্তানে ক্রিকেট খেলতে রাজি হয়নি দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড। তাতেই দারুণ ক্ষুব্ধ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আইসিসিতে লড়াই করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান রমিজ রাজা পাকিস্তানকে ব্যবহার করার জন্য অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডসহ পশ্চিমের দেশগুলিকে ব্লক করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।নিউজিল্যান্ড দল পাকিস্তানের সিরিজ থেকে সরে যাওয়ার পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সংক্ষিপ্ত সিরিজের জন্য শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছে প্রস্তাব রেখেছিল। কিন্তু আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে দুই দেশেই সিরিজ খেলতে রাজি হয়নি। যদিও বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, পাকিস্তানে ক্রিকেট দল পাঠাতে তাদের কোনও অসুবিধা নেই। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও ওয়াসিম খান জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তান সফরে ইচ্ছুক ছিল। কিন্তু তাদের কাছে অন্য প্রতিশ্রুতি থাকায় এই সংক্ষিপ্ত নোটিশে সিরিজ খেলা সম্ভব নয়।ওয়াসিম খান এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান দুই দেশের বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছিলেন যাতে সংক্ষিপ্ত সিরিজ খেলতে আসে। দুই দেশের বোর্ড জানিয়েছে, পাকিস্তানে খেলতে তাদের কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু পূর্ব পরিকল্পিত সিরিজ বাতিল করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলা সম্ভব হয়নি।বাংলাদেশ মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পরপর দুটি সিরিজ খেলার পর খেলোয়াড়দের সময় ছিল না। তাই পাকিস্তান যাওয়া সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন যে, সরকারের কাছ থেকে কোনও ধরনের ছাড়পত্র পাওয়ার আগে বোর্ড জাতীয় স্তরের কোনও দল পাকিস্তানে পাঠাতে পারেনি। অন্যদিকে ঘরের মাঠে দুই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল হওয়া ভারতের বিরুদ্ধে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ এনেছে পাকিস্তানের কিছু মহল।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : ‌টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারত

একদিনের সিরিজের পর টি২০ সিরিজেও ভারতের দাপট অব্যাহত। প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৩৮ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। দুরন্ত বোলিং করে দলকে জেতালেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২২ রানে তুলে নিলেন ৪ উইকেট। ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন সূর্যকুমার যাদবআরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরটসে জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকা। মেঘলা আবহাওয়া ও মন্থর উইকেটের কথা মাথায় রেখেই তিনি প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অধিনায়কের সিদ্ধান্তর মর্যাদা দেন দুষ্মন্ত চামিরা। দিনের প্রথম বলেই তুলে নেন টি২০ ক্রিকেটে অভিষেককারী পৃথ্বী শকে (০)। শুরুর ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান ও সঞ্জু স্যামসন। সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই ফিরে যান সঞ্জু (২০ বলে ২৭)। ভারতের রান তখন ৫১/২।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেধাওয়ানের সঙ্গে পরে সূর্যকুমারের জুটি বেশ জমে উঠেছিল। মন্থর উইকেটে নিজেদের সেরা শট খেলতে পারছিলেন না ধাওয়ান ও সূর্যকুমার। ৩৬ বলে ৪৬ রান করে করুণারত্নের বলে আউট হন ধাওয়ান। পরের ওভারেই হাসারাঙ্গার বলে ফেরেন সূর্যকুমার। ৩৪ বলে তিনি করেন ৫০। সূর্যকুমারের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ২টি ৬। টি২০ সিরিজেও খারাপ সময় কাটিয়ে উঠতে পারলেন না হার্দিক পান্ডিয় (১২ বলে ১০)। ১৪ বলে অপরাজিত ২০ রান করে ভারতকে ২০ ওভারে ১৬৪/৫ রানে পৌঁছে দেন ঈশান কিশান।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। মিনোড ভানুকাকে (৭ বলে ১০) তুলে নিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে (১০ বলে ৯) ফেরান যুজবেন্দ্র চাহাল। আভিস্কা ফান্দান্দোকে (২৩ বলে ২৬) তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ৫০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। চরিথ আসালঙ্কা ও আশেন বান্দারা দলকে টেনে নিয়ে যান। বান্দারাকে (১৯ বলে ৯) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন হার্দিক পান্ডিয়া। আসালঙ্কাকে (২৬ বলে ৪৪) দীপক চাহার তুলে নিতেই শ্রীলঙ্কার জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। ১৮.৩ ওভারে ১২৬ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs Sri Lanka Match : ‌দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারত

এই মুহূর্তে ভারতীয় রিজার্ভ বেঞ্চের যা শক্তি, প্রথম সারির দলকেও হারানোর ক্ষমতা রাখে। শ্রীলঙ্কা তো কোন ছাড়। সমস্যায় জর্জরিত সিংহলীদের সেই সুদিন আর নেই। রণতুঙ্গা, ডিসিলভা, জয়বর্ধনে, ঙ্গাকারাদের কথা বাদ দিন, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ, কুশল মেন্ডিস, নিরোসান ডিকওয়েলার মতো ব্যাটসম্যানও দলে নেই। এইরকম তৃতীয় সারির ব্যাটিং লাইনের বিরুদ্ধেও উইকেট তুলতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হচ্ছে ভুবনেশ্বর কুমার, কুলদীপ যাদবদের। মান বঁাচালেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তিনি জ্বলে না উঠলে ৩০০ রানের গন্ডি টপকে যেত শ্রীলঙ্কা। যদিও দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে ৩ উইকেটে জিতল ভারত। ২০ ব্যবধানে সিরিজও জিতে নিল।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেয়েও প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামলেন না কোহলি, রাহানেরাটসে জিতে এদিনও প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। নতুন বল হাতে ব্রেক থ্রু দিতে ব্যর্থ ভুবনেশ্বর কুমার ও দীপক চাহার। এই দুই বোলারের বিরুদ্ধেও শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার দাপট দেখিয়ে গেলেন। ওপেনিং জুটিতে ১৩.২ ওভারে ৭৭ তুলে ফেলেন আভিস্কা ফার্নান্ডো ও মিনোন্দ ভানুকা। চাহালের হাত ধরে ব্রেক ব্রেক থ্রু। পরপর দুবলে ভানুকা (৪২ বলে ৩৬) ও রাজাপক্ষকে (১ বলে ০) তুলে নেন। ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে নিয়ে দলেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন আভিস্কা (৭১ বলে ৫০)। হাফ সেঞ্চুরির পরপরই মনসংযোগ হারিয়ে বাজে শট খেলে ভুবনেশ্বরকে উইকেট উপহার দিয়ে যান। ধনঞ্জয়ও (৪৫ বলে ৩২) আবিস্কার মতো বাজে শট খেলে আউট হন। চাহালের বলের লেংথ বুঝতে না পেরে শনাকা (২৪ বলে ১৬) বোল্ড। হাসারাঙ্গাকে (১১ বলে ৮) নাক্ল বলে তুলে নেন দীপক চাহার। আসালঙ্কার ৬৮ বলে ৬৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। করুণারত্নের ৩৩ বলে ৪৪ রানের ইনিংস শ্রীলঙ্কাকে ২৭৫/৯ রানে পৌঁছে দেয়। আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?প্রথম ম্যাচে টপ অর্ডার জ্বলে ওঠায় বেশ ঝকঝকে মনে হয়েছিল ভারতীয় ব্যাটিংকে। পৃথ্বী শর ঝোড়ো ব্যাটিং দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল। এদিন হাসারাঙ্গার গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড পৃথ্বী (১১ বলে ১৩)। ঈশান কিষানও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি। শট নির্বাচনে ভুল করে রাজিথার বলে বোল্ড ঈশান (৪ বলে ১)। তবে ভারতের কাছে বড় ধাক্কা অধিনায়ক শিখর ধাওয়ানের (৩৮ বলে ২৯) উইকেট। ৬৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। কিন্তু দ্রাবিড়ের এই দলের ব্যাটিং গভীরতা এতটাই যে সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। মণীশ পান্ডে ও সূর্যকুমার যাদবের জুটি দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। দুর্ভাগ্যের শিকার মণীশ (৩১ বলে ৩৭)। সূর্যর শট শনাকার হাতে লেগে যখন ননস্ট্রাইকিং প্রান্তের উইকেটে আঘাত করছে, ক্রিজ থেকে অনেক দুরে। হার্দিক পান্ডিয়াও (০) দ্রুত ফেরেন।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নজির গড়তে চলেছেন সানিয়া মির্জা, অবসর নিয়ে কী ভাবছেন?একসময় ১১৬ রানে ৫ উইকেট হারায় ভারত। এরপর হাল ধরেন সূর্যকুমার যাদব (৪৪ বলে ৫৩)। সান্দাকানের বলে তিনি এলবিডব্লিউ হতেই জয়ের স্বপ্ন ক্রমশ ফিকে হয়ে যায়। কিন্তু ক্রুনাল পন্ডিয়া (৫৪ বলে ৩৫ ), দীপক চাহারের ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন জেগে ওঠে। দুরন্ত ব্যাটিং চাহারের (৮২ বলে অপরাজিত ৬৯)। জীবনের সেরা ইনিংস খেলে দলকে জয় এনে দেন। ভুবনেশ্বরের (২৮ বলে অপরাজিত১৯) অবদানও অস্বীকার করা যাবে না। ৫ বল বাকি থাকতে ২৭৭/৭ তুলে ম্যাচ ও সিরিজ জিতে নেয় ভারত।

জুলাই ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kuldeep Yadav : ‌‌সাদা বলের ক্রিকেটজীবন এখনও শেষ হয়নি, মনে করছেন কুলদীপ

২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ভারতীয় দলে তিনি ছিলেন অটোমেটিক চয়েস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতিও বদলেছে। সাদা বলের ক্রিকেটে জাতীয় দলে নিজের জায়গা হারিয়েছেন কুলদীপ যাদব। এই মুহূর্তে টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনায় তিনি প্রথম একাদশে নেই। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তবুও নিজের ওপর বিশ্বাস হারাননি কুলদীপ যাদব। ভারতীয় দলের এই চাইনাম্যান বোলার মনে করছেন, তাঁর কেরিয়ার এখনও শেষ হয়ে যায়নি।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিকুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর আমি মনে করি না যে সাদা বলের ক্রিকেটে আমার কেরিয়ার শেষ হয়ে গেছে। একটাদুটো খারাপ ম্যাচে কেরিয়ার শেষ হয়ে যায় না। এমন অনেক পরিস্থিতি আসে যখন হাত থেকে রান বেরিয়ে যায়। আমি কখনও কখনও ৪৫ উইকেটও পেয়েছি। আমার মনে হয় মানুষ যদি এই সাফল্যগুলো নিয়ে কথা বলে তাহলে ভাল হবে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার কারণ প্রসঙ্গে কুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ড সিরিজে পুনের উইকেট ব্যাটিং সহায়ক ছিল। বোলারদের জন্য উইকেটে কিছুই ছিল না। রাহুল স্যার আমাকে দারুণ সাহায্য করছেন। অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। আশা করছি এই সিরিজে নিজেকে মেলে ধরতে পারব।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেলমঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। শিখর ধাওয়ানদের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। প্রথম ম্যাচে বোলাররা সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে কোনও পরীক্ষানিরীক্ষায় যেতে চাইছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বোলিংয়ে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।আরও পড়ুনঃ দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?ব্যাটসম্যানদের দাপটেই প্রথম ম্যাচে সহজ জয় এসেছে। শিখর ধাওয়ানের ব্যাট থেকে এসেছে অধিনায়কোচিত ইনিংস। অভিষেক ম্যাচেই দারুণ নজর কেড়েছেন ইশান কিষান। শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন পৃথ্বী শ। সূর্যকুমার যাদবের ছোট ইনিংসেও ছন্দে থাকার ইঙ্গিত। ব্যাটিং লাইনে কিছুটা বেমানান ছিলেন মণীশ পান্ডে। বাকিদের মতো জ্বলে উঠতে পারেননি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। তবুও ব্যাটিং অর্ডারে বদলের কোনও সম্ভাবনা নেই।

জুলাই ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ishan Kishan : জন্মদিনে অভিষেকে হাফসেঞ্চুরি করে নজির ইশান কিষানের, জিতল ভারত

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে সেই সুদিন আর নেই। সমস্যায় জর্জরিত একসময়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে দল গড়তেই হিমসিম থেকে হয়েছে। অনভিজ্ঞ, দুর্বল শ্রীলঙ্কা যে শিখর ধাওয়ানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে না, প্রত্যাশিতই ছিল। শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারিয়ে একদিনের সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। জন্মদিনে দেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে অর্ধশতরান করে নজির গড়লেন ইশান কিষান। টি২০ অভিষেকেও হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই নজির গড়লেন। একদিনের ম্যাচে অভিষেক হল সূর্যকুমার যাদবেরও। অধিনাকোচিত ইনিংস খেলে দলকে জেতালেন শিখর ধাওয়ান।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরকলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। ভালই শুরু করেছিলেন শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্ডো ও মিনোন্দ ভানুকা। দুজনে ওপেনিং জুটিতে তোলেন ৪৯। ভারতের অভিজ্ঞ জোরে বোলার ভুবনেশ্বর কুমার একেবারেই প্রভাব ফেলতে পারেননি। ভারতকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তুলে নেন আভিস্কা ফার্নান্ডোকে (৩৫ বলে ৩২)। ভানুকাকে (৪৪ বলে ২৭) ফেরান কুলদীপ যাদব। একসময় ১৬ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ছিল ৮৫/১। সেখান থেকে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। দুর্দান্ত বোলিং করে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখেন রাহুল চাহার (১/২৬)।A comprehensive 7-wicket win for #TeamIndia to take 1-0 lead in the series🙌How good were these two in the chase! 👏👏8⃣6⃣* runs for captain @SDhawan25 👊5⃣9⃣ runs for @ishankishan51 on ODI debut 💪Scorecard 👉 https://t.co/rf0sHqdzSK #SLvIND pic.twitter.com/BmAV4UiXjZ BCCI (@BCCI) July 18, 2021শ্রীলঙ্কার লোয়ার মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান দীপক চাহার। ২০১৯ সালে দেশের হয়ে শেষ একদিনের ম্যাচ খেলেছিলেন দীপক চাহার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জীবনের চতুর্থ একদিনের ম্যাচ খেলতে নেমে তুলে নিলেন ২টি উইকেট। প্রথমে ফেরান ক্রিজে জমে ওঠা আসালঙ্কাকে (৬৫ বলে ৩৮)। পরে তুলে নেন হাসারাঙ্গাকে (৭ বলে ৮)। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ২৬২/৯ তোলে শ্রীলঙ্কা। করুণারত্নে ৩৫ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদব ২টি করে উইকেট পান।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে ভারত। ওপেনিং জুটিতে মাত্র ৫.২ ওভারে ৫৮ তোলেন পৃথ্বী শ এবং শিখর ধাওয়ান। ২৪ বলে ৪৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন পৃথ্বী। অভিষেক ম্যাচে সফল ইশান কিশান। ব্যাট করতে নেমে তিনিও ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৫৯ রান করে তিনি আউট হন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও মণীশ পান্ডে। ধনঞ্জয় ডিসিলভার বলে ২৬ রান করে আউট হন মণীশ পান্ডে। ৯৫ বলে অপরাজিত ৮৬ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শিখর ধাওয়ান। সূর্যকুমার যাদব ২০ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩৬.৪ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত (২৬৩/৩)।

জুলাই ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : নজিরের সামনে দাঁড়িয়েও শিখর ধাওয়ানের মুখে দেশের কথা

রবিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে সিরিজ। এই প্রথম দেশকে নেতৃত্ব দেবেন শিখর ধাওয়ান। দেশের হয়ে ১৪২ ম্যাচ খেলার পর দেশকে প্রথম নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এই ওপেনার। সব থেকে বেশি বয়সে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার নজির গড়তে চলেছেন শিখর ধাওয়ান। আর ২৩ রান করলেই দ্রুততম ৬ হাজার রান করার দিক দিয়ে সৌরভকে টপকে যাবেন। ৬০০০ হাজার রানের মালিক হয়ে যাবেন শিখর। সৌরভ ৬ হাজার রান করতে ১৪৭ ম্যাচ খেলেছিলেন। আর শিখর খেলবেন ১৪২ ম্যাচ।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকনজিরের সামনে দাঁড়িয়েও নির্বিকার ধাওয়ান। তাঁর মুখে শুধু দেশের কথা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে তিনি বলেন, দেশের হয়ে খেলার গুরুত্বই আলাদা। দেশের হয়ে মাঠে নামতে পারছি, এর থেকে বড় কিছু আর হতে পারে না। সিরিজ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। বিপক্ষ শিবির অপেক্ষাকৃত দুর্বল হলেও খুব বেশি পরীক্ষানিরীক্ষা করতে চাইছেন না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রথম ম্যাচ খেলতে নামার আগে ধাওয়ান বলেন, আমাদের প্রথম লক্ষ্য সিরিজ জেতা। কোন ক্রিকেটারকে কোন ম্যাচে খেলানো হবে তা ঠিক হয়নি। সিরিজ জয় নিশ্চিত করে তবেই পরীক্ষানিরীক্ষার রাস্তায় হাঁটব। আর দলে থাকলেই যে সবাইকে খেলাতে হবে, এমন কোনও ব্যাপার নয়। শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় দলে ৬ জন স্পিনার রয়েছেন। সবাইকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলানো হবে কিনা নিশ্চিত নয়।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরশ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজে টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ক্রিকেটারদের দেখে নেওয়া হবে। দীর্ঘদিন তেমন ফর্মে নেই যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদব। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ এই জুটির কাছে অগ্নিপরীক্ষা। বিশ্বকাপের দলে থাকতে গেলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতেই হবে। রাহুল চাহারের কাছেও বড় পরীক্ষা। এই তিন স্পিনার সম্পর্কে ধাওয়ান বলেন, কুলদীপ ও চাহালের মধ্যে বোঝাপড়া খুবই ভাল। নেটে ভাল ছন্দে রয়েছে। রাহুল চাহারও নেটে নজর কেড়েছে। আশা করছি ম্যাচেও সাফল্য পাবে।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংঅন্যদিকে, একেবারে অনভিজ্ঞ দল নিয়ে মাঠে নামছে শ্রীলঙ্কা। কোভিড বিধি ভাঙায় নির্বাসনে রয়েছেন কুশল মেন্ডিস ও নিরোসান ডিকওয়েলা। তাই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে অনভিজ্ঞ দাসুন শনাকার হাতে। তরুণ দল নিয়েই লড়াই করার অপেক্ষায় শ্রীলঙ্কা।

জুলাই ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia-Srilanka: ভারত–শ্রীলঙ্কা সিরিজ কি অনিশ্চিত?‌ আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে এসেছে

নাসরীন সুলতানাভারতশ্রীলঙ্কা সীমিত ওভারের সিরিজ শেষ পর্যন্ত হবে তো? আশঙ্কার কালো মেঘ ক্রমশ ঘনীভূত হয়ে উঠছে। ১৩ জুলাই থেকে সিরিজ শুরু হওয়ার কথা। চারদিন আগেও দল ঘোষণা করতে পারল না শ্রীলঙ্গা। করোনায় জেরবার গোটা শিবির। যা পরিস্থিতি, শেষ পর্যন্ত হয়তো দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে শিখর ধাওয়ানদের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে হবে শ্রীলঙ্কাকে।ইংল্যান্ড সফর থেকে ফিরেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার। এবার দলের ডেটা অ্যানালিস্ট জি টি নিরোশানেরও করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ারের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসতেই গোটা দলকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। কোয়ারিন্টন পর্ব কাটিইয়ে শুক্রবারই জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে যাওয়ার কথা ছিল গোটা দলের। কিন্তু জি টি নিরোশানের রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আরও কয়েকদিন ক্রিকেটারদের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এর মধ্যে আবার করোনা পরীক্ষা করা হবে। তারপরই দল ঘোষণা করা হবে। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের কথা ভেবে দুটি দলকে আলাদা জায়গায় কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারইংল্যান্ড সফর চলাকালীন শ্রীলঙ্কার ৩ ক্রিকেটার কুশল মেন্ডিস, নিরোশান ডিকওয়েলা এবং ধানুষ্কা গুনথিলাকা জৈব সুরক্ষা বলয় ভেঙেছিলেন। আপাতত তাঁদের সাময়িক নির্বাসনে পাঠিয়েছে শ্রীলঙ্কা বোর্ড। এই তিনজনের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট জমা না পড়া পর্যন্ত তাঁদের দলে নেওয়া হবে না। এমনিতেই সমস্যার মধ্যে রয়েছে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট। চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বোর্ডের ঝামেলা চলছে। জোড়াতালি দিয়ে দল গড়ে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। ভারতের বিরুদ্ধে ব্যর্থ হলে দেশে সমালোচনার ঝড় উঠবে। উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের।আরও পড়ুনঃ রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভারএদিকে, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচে যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদবকে একসঙ্গে খেলানো উচিত বলে মনে করছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ভি ভি এস লক্ষ্মণ। তিনি মনে করছেন, এই দুজন নিয়মিত খেলার সুযোগ পেলে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে। ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতীয় বোলিং আক্রমণের বড় অস্ত্র ছিল কুলদীপচাহাল জুটি। লক্ষ্মণ বলেন, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজে ভারতীয় দলে ৬ জন স্পিনার রয়েছে। ওদের যত বেশি বোলিং করতে দেওয়া হবে, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে। চাহাল অভিজ্ঞ বোলার। ওর ছন্দে ফিরতে সময় লাগবে না। কুলদীপকে ছন্দে ফেরানো জরুরী।

জুলাই ০৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চেয়ার নিয়ে বিধানসভায় নাটক! মমতার আসনে বসতে রাজি নন ঋতব্রত, কেন?

বিধানসভায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের আবহে বুধবার বিরোধী দলনেতার ঘর ঘিরে তৈরি হল এক অন্যরকম পরিস্থিতি। বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে প্রবেশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার সচিবালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর তাঁকে ঘরের দায়িত্বও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে ঘরে ঢোকার পর একটি ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।ঘরে থাকা একটি চেয়ারে বসতে গেলে তাঁকে জানানো হয়, সেটি একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত চেয়ার। সেই কথা শুনেই ওই আসনে বসতে অস্বীকার করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিতদের কাছে তিনি অন্য একটি চেয়ার আনার অনুরোধ জানান। পরে তাঁর জন্য বিকল্প আসনের ব্যবস্থা করা হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। অনেকের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কারণেই তিনি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাবুধবারের সাংবাদিক বৈঠকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন ঋতব্রত। তিনি জানান, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং বর্তমান পরিষদীয় লড়াইয়ের লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করা নয়। বরং দলের ভবিষ্যৎ পথচলায় তিনি চাইলে পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেন।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, বিধানসভায় যে নতুন পরিষদীয় গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে কিছু নেতার মতপার্থক্য থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁদের সম্মান অটুট রয়েছে। তিনি আরও জানান, দলের ভবিষ্যৎ দিশা নিয়ে মমতার সঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছাও রয়েছে তাঁদের।উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়। একাধিক বিধায়কের অবস্থান বদল এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জোর জল্পনা। সেই আবহেই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতাবুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁদের রাজনৈতিক যাত্রা এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের মূল শিবিরের নেতারা দাবি করেছেন, দল এবং দলের নেতৃত্বের পাশে এখনও বিপুল সংখ্যক সমর্থক রয়েছেন।সব মিলিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে একটি চেয়ারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ঘটনাই এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিধানসভার তথাকথিত সই জাল কাণ্ড। এই ঘটনায় এবার সরাসরি আইনি চাপে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মুখে পড়ে গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং একই সঙ্গে সিআইডি-র তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চ তাঁর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি শুনানির অনুমতি দিয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে পারে।সমস্ত বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের একটি চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেপুটি লিডার এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। চিঠিটি বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তা যাচাই করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।তদন্তে উঠে আসে, তালিকাভুক্ত ৭০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের জায়গায় শুধুমাত্র বড় হাতের অক্ষরে নাম লেখা রয়েছে। আরও কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।আরও পড়ুনঃ মূল উপড়ে তৃণ ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রতঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত শনিবার সিআইডি-র একটি বিশেষ দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়। সেই নোটিশে নির্দিষ্ট দিনে ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে হাজিরা না দিয়ে অভিষেক তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চান। এরপরই তিনি আইনি পথে এগিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।এই মামলার রাজনৈতিক দিকটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই প্রথম এই জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক বিতর্ক নয়; বরং এটি রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, অন্যদিকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত আইনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন।এখন সকলের নজর আগামী শুক্রবারের হাইকোর্ট শুনানির দিকে। আদালত সিআইডি-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করে কি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পান কি না, এবং এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত কতদূর গড়ায়তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

'হেভিওয়েট'-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের 'কাকা'

বর্ধমানের রাজনীতিতে একসময় যাঁর নাম উচ্চারণ করতেই বিরোধী শিবিরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হতো, সেই খোকন দাসের বর্তমান পরিস্থিতি যেন একেবারেই ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে। তোলাবাজি, হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে তাঁকে এমন এক অবস্থায় দেখা গেল, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে, পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হল বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে।একসময় বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় খোকন দাসের রাজনৈতিক প্রভাব ছিল যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাঁকে তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালী মুখ হিসেবে ধরা হতো। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।গত ২৯ মে বর্ধমান থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো, মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করা, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর ঘটনাতেও খোকন দাসের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।তদন্তে নেমে বর্ধমান থানার পুলিশ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে তাঁর অবস্থানের খোঁজ পায়। এরপর গত ৩১ মে সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ট্রানজিট রিমান্ডে সোমবার রাতে তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়, যাতে অভিযোগগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগটি ২০২৫ সালের ৮ জুনের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ অনুযায়ী, বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় একটি বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন। সেই সময় খোকন দাসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সেখানে গিয়ে হামলা চালায় এবং কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।অভিযোগ আরও গুরুতর হয়ে ওঠে পরবর্তী ঘটনাকে ঘিরে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেলে সেখানেও তাঁদের উপর পুনরায় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুধু মারধরই নয়, ১০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি এবং টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভয় দেখাতে আগ্নেয়াস্ত্রও প্রদর্শন করা হয়েছিল।এই সমস্ত অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তদন্তকারীদের মতে, অভিযোগগুলির গুরুত্ব বিচার করে ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে, খোকন দাসের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। জেলা বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে আদালতে এখনও চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।মঙ্গলবার আদালতে তাঁকে পেশ করা ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য আদালত চত্বর ও বর্ধমান থানা এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।সব মিলিয়ে, যে নেতা একসময় এলাকায় নিজের রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন, আজ তাঁকেই জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে আদালতে যেতে হওয়ায় বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সকলের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভা, সিআইডির পর এবার অভিষেকের বাড়িতে ইডি! নতুন করে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। বাড়ির নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন তদন্তসব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে তাঁকে নিয়ে জোর চর্চা চলছে। এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।সূত্রের খবর, বিকেল নাগাদ দুই ইডি আধিকারিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। তাঁদের হাতে একটি সমন সংক্রান্ত নথি ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই এই নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।প্রথমে তদন্তকারী আধিকারিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য একটি ঠিকানায় যান। পরে জানতে পারেন তিনি সেখানে থাকেন না। এরপর তাঁরা কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় নথি পৌঁছে দেন বলে সূত্রের দাবি।তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অতীতে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তাঁদের নাম উঠে এসেছিল বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তেও অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তাঁর সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলি বিভিন্ন নথি ও তথ্য সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁরা আইন মেনেই সমস্ত তদন্তে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।বুধবারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সমনের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজনীতি

'মূল' উপড়ে 'তৃণ' ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে বুধবারের দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল। দীর্ঘ টানাপোড়েন, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং বিধানসভার সই-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত বিদ্রোহী শিবিরের হাতে চলে গেল। বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাঁর জন্য নির্ধারিত কক্ষও খুলে দেওয়া হয়। স্পিকার রথীন্দ্র বসু আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ঘরের চাবি তুলে দেন ঋতব্রতের হাতে।বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে ঋতব্রত দাবি করেন, তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ৬০ জন তাঁর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বর্তমানে ৫৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন তাঁদের হাতে রয়েছে বলেও তিনি জানান। আরও দুই বিধায়ক রাজ্যের বাইরে থাকলেও তাঁদের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই হিসেবে তৃণমূল পরিষদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যই এখন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন বলে তাঁর বক্তব্য।নতুন বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেন যে, বিধানসভায় মুখ্যসচেতকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আখরুজ্জামানকে। পাশাপাশি ডেপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। এই সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সমর্থনের চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।তবে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেও ঋতব্রত এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, তাঁদের লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে। সেই কারণেই তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের পরামর্শদাতা হওয়ার আহ্বান জানাবেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দূরত্ব এখন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ঋতব্রতের বক্তব্যে উঠে আসে বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখাও। তিনি বলেন, সরকারের ভুলের সমালোচনা যেমন করা হবে, তেমনই জনস্বার্থে গৃহীত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করা হবে। তাঁর কথায়, মানুষ আমাদের বিরোধী আসনে বসিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করব।এই নাটকীয় পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের তরফে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার জন্য যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তা নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সেই প্রস্তাবে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি সামনে আসে এবং পরবর্তীতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই একাধিক বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ, এই বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে নতুন করে আবেদন জানিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত শিবিরের দাবি মেনে নেওয়ায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নতুন মাত্রা পেল।অন্যদিকে, যখন বিধানসভায় ঋতব্রত নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা করছেন, ঠিক সেই সময় কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ফলে রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের অন্দরে ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, পরিষদীয় দলের নেতৃত্ব হারানো শুধু সাংগঠনিক ধাক্কাই নয়, বরং তৃণমূলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রেও বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করল। এখন নজর থাকবে কালীঘাট শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিদ্রোহী শিবিরের শক্তি কতটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখা যায়, তার উপর।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের! সাত দিনের মধ্যে দিতে হবে সব তথ্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে চলা বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সম্পত্তির কোন কোন অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে এবং কোথায় নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরনিগমকে।বুধবার বিচারপতি স্মিতা দাস দে নির্দেশ দেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে পুরনিগমকে এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আদালতে জানাতে হবে। সম্পত্তির কোন অংশে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, কতটা এলাকা সেই অভিযোগের আওতায় পড়ছে এবং কী ধরনের আপত্তি রয়েছে, তার পূর্ণ বিবরণ জমা দিতে হবে।আদালত আরও জানিয়েছে, পুরনিগমের রিপোর্ট জমা পড়ার পর সম্পত্তির মালিকপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে। এরপর চার সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।জানা গিয়েছে, এই মামলায় শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন নয়, তাঁর মায়ের নামে থাকা কালীঘাটের একটি সম্পত্তিও আলোচনায় এসেছে। পুরনিগমের দাবি, ওই সম্পত্তির কিছু অংশে নির্মাণ সংক্রান্ত অনিয়ম থাকতে পারে। সেই কারণেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধভাবে নির্মিত। তাঁদের বক্তব্য, কোনও বেআইনি নির্মাণ হয়নি। তা সত্ত্বেও পুরনিগম নোটিস পাঠিয়েছে। সেই কারণেই নোটিস বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে।আদালত স্পষ্ট করেছে, মামলার শুনানি চলাকালীন বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে পুরনিগম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হবে।এই নির্দেশের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংক্রান্ত মামলাটি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুরনিগমের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে এবং আদালত পরবর্তী শুনানিতে কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ, কালীঘাটে কী হল ভিতরে ভিতরে?

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, ঠিক সেই সময় কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। বুধবার তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়।দিনভর রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার আগে তিনি নবান্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন। এরপর কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানান।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কিছুদিন ধরেই মেয়র হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং পুরসভার বিভিন্ন কাজকর্ম পরিচালনা নিয়ে তাঁর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলেও আলোচনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। সেই কারণেই তিনি একাধিকবার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা যায়।মঙ্গলবারই কলকাতা পুরসভার এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর ইস্তফার পর রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়ে যায়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিমের একটি মন্তব্যও বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা একটি দল হিসেবে একসঙ্গে কাজ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও একসঙ্গেই নেন। এরপর থেকেই তাঁর ইস্তফা নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।বুধবার শেষ পর্যন্ত কালীঘাটে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ইচ্ছা জানান তিনি। প্রথমে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করা হলেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন ফিরহাদ। পরে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাতৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, মেয়র হিসেবে কাজ করতে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই কারণেই তিনি সম্মানের সঙ্গে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও তাঁর সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়েছে।ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের ফলে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব আপাতত পুর কমিশনারের হাতে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এদিকে চলতি বছরের শেষের দিকে পুরভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে নির্বাচন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিয়েছে।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

‘মমতা আমাদের পরামর্শদাতা হোন’! বিধানসভা কাঁপানো মন্তব্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দাবি করা একদল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে বিরোধী শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে দেখতে চান। তাঁর কথায়, মমতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং পরামর্শ তাঁদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তিনি জানান, গঠনমূলক বিরোধী রাজনীতি করতে গেলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরামর্শ প্রয়োজন এবং সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমান বিধানসভার কার্যক্রমের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই বলে তাঁদের মত। ঋতব্রতের দাবি, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত বহু বিধায়কের সমর্থন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে এবং সেই কারণেই তাঁরা নিজেদের প্রকৃত পরিষদীয় প্রতিনিধিত্বকারী গোষ্ঠী বলে মনে করছেন।সাংবাদিক বৈঠকে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কথা বলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁরা বিধানসভার ভিতরে গঠনমূলক বিরোধিতার পথেই হাঁটবেন। কোনও বিল বা প্রস্তাবের সঙ্গে মতভেদ থাকলে তাঁরা তার বিরুদ্ধে ভোট দেবেন, তবে শুধুমাত্র প্রতিবাদের জন্য সভা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে হাঁটবেন না।ঋতব্রতের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করতে চান তাঁরা। মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিষয়ে সরকারের সমালোচনা যেমন করবেন, তেমনই ভালো উদ্যোগকে সমর্থনও জানাবেন।এই মন্তব্যের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হিসেবে চাওয়ার বার্তা এবং বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। আগামী দিনে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal