• ১৫ মাঘ ১৪৩২, মঙ্গলবার ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Spin

রাজ্য

ছোট্ট অস্মিকাকে সাহায্যের আশ্বাস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, আশায় একরত্তি শিশুর পরিবার

ছোট্ট অস্মিকাকে সাহায্যের হাত বাড়ালেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যে লাখ লাখ মানুষ তাঁর লড়াইয়ের পাশে দাঁড়িয়েছে। অস্মিকার বাবা-মাকে কি আশ্বাস দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক? বাবা-মায়ের আদুরে এই এক রত্তি শিশু কন্যা পাঁচটা শিশুর থেকে অনেকটাই আলাদা। স্বাভাবিক ভাবে হাত-পা নড়া চড়া, উঠে বসা, কোন কিছুই সে নিজে নিজে পারে না। ছোট্ট মেয়েটাকে সুস্থ করে তোলার শেষ ভরসায় আজ সেবাশ্রয় শিবিরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ রানাঘাটের অস্মিকার পরিবার। জানা গিয়েছে, অস্মিকার চিকিৎসার বিষয়ে যাবতীয় খোঁজ-খবর নেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেক বন্দোপাধ্যায় অস্মিকার বাবার নাম ও ফোন নম্বর সংগ্রহ করেছেন। আশ্বাস দিয়েছেন পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগেরও। এতেই আশাবাদী পরিবার। কিছুটা হলেও মিলবে চিকিৎসার সাহায্য, আশায় বুক বাঁধছে রানাঘাট। স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি (SMA) টাইপ ওয়ান বিরল রোগে আক্রান্ত অস্মিকা। কলকাতা থেকে চেন্নাই হয়ে ব্যাঙ্গালুরু সব জায়গা ঘুরে বেড়িয়েছে বাবা-মা, তাদের রাজকন্যাকে সুস্থ করে তুলতে। তবে শেষমেষ ফিরতে হয়েছে খালি হাতেই। জানানো হয়েছে, কঠিন রোগ সারতে লাগবে ১৬ কোটির ইঞ্জেকশন। কিন্তু বিপুল পরিমাণ টাকার জোগাড় করা মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে অলীক কল্পনা ছাড়া আর কীই বা হতে পারে? অবশেষে ভরসা ক্রাউড ফান্ডিং। দেশ-বিদেশের সাড়ে তিন লক্ষের বেশি মানুষ ইতিমধ্যে ছোট্ট অস্মিকাকে সুস্থ করে তুলতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। জোগাড় হয়েছে ৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এখনো বাকি রয়েছে প্রায় ৮ কোটি। হাতে সময় কম। আদৌ কী মেয়ে কোনদিনও সুস্থ হবে? পারবে আর পাঁচটা শিশুর মত হেঁটে চলে বেড়াতে এই প্রশ্নে রাতের ঘুম উড়েছে অস্মিকার বাবা-মায়ের। তিন মাস বয়স পর্যন্ত বাকি বাচ্চাদের মতোই সবকিছুই স্বাভাবিক চলছিল। পা তুলত, হাত নাড়াত। সাড়ে তিন মাস বয়স যখন হল, তখনই হঠাৎ একদিন দেখলাম পা-টা আর তুলছে না। তিন-চার মাসের বাচ্চাদের ঘাড় শক্ত হয়ে যায় সাধারণত। উবুড় হয়ে যায়। কিন্তু ও কিছুই করতে পারছিল না। এমনটাই জানিয়েছেন অস্মিকার মা লক্ষ্মী সরকার দাস।

মার্চ ০৫, ২০২৫
রাজ্য

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ছোট্ট দেবস্মিতার পাশে দাঁড়াতে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আবেদন শ্রীলেখা মিত্রের

দূর্গা পুজোয় অনুদান আছে। ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়নে যথেচ্ছ অনুদান আছে,আছে স্বাস্থসাথীর মত মানবিক প্রকল্প, নেই বিরল রোগের আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়ানো। চিকিৎসার অধিকার থেকে কেন বঞ্চিত তাঁরা? তার কোনও সদুত্তর নেই সরকারের কাছে এমনিই অভিযোগ বিরলতম রোগে আক্রান্ত পরিবারগুলির। বিরলতম রোগের তালিকায় প্রথেমেই যে নাম মনে আসে তা স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি (এসএমএ)। রোগটির ভয়াবহতা স্মরণ করতে আগস্ট মাসটিকে এই রোগের সচেতনতা মাস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকার কতটা এই বিষয়ে সচেতন সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।গত কয়েক মাসে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে চার এসএমএ আক্রান্তের! অসহায় পিতা-মাতা-পরিবার আঙ্গুল তুলছেন সরকারি উদাসীনতার দিকে। চিকিৎসা করিয়েও তার ফলাফল নিশ্চিত হার জেনেও অদম্য মনোভাবের পরিচয় দিয়ে হার না মানা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই বিরলতম রোগের পরিবারের সদস্যরা।এসএমএ আক্রান্তের পাশে দাঁড়ানস্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি এক কথায় এসএমএ (SMA)। মানব দেহের পেশির সঞ্চালনকে নিয়ন্ত্রণ করে মোটর নিউরোন, সেই মোটর নিউরোনের কার্যকারিতা আসতে আসতে অকেজো হয়ে যাওয়াই জিনঘটিত এই বিরল রোগের মূল কারণ বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এসএমএ রোগের তীব্রতা অনুযায়ী, এটিকে টাইপ ওয়ান থেকে শুরু করে টাইপ ফাইভ পর্যন্ত ভাগ করা হয়ে থাকে। এই রোগ প্রতিকারের ওষুধ বাজারে পাওয়া গেলেও সাধারন মানুষের পক্ষে তা ক্রয় করা এক প্রকার অসাধ্য। এই কারণে সময়মত ওষুধ না পেয়ে ক্রমশ লম্বা হচ্ছে মৃতের তালিকা। অগস্ট মাস অবধি বঙ্গে চার এসএমএ (SMA)আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।এ-পর্যন্ত রাজ্যে ১০০ র ওপর এসএমএ (SMA) আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত পরিবার সুত্রে জানা গেছে,অন্য তাঁরা এই বিরলতম রোগের ওষধের জন্য স্বাস্থ্য ভবনে যোগাযোগ করলে তাঁদের জানানো হয়, যে ওষুধের জন্য তাঁরা আবেদন করেছেন, তা অনৈতিক ধরনের চড়া মূল্যের! (আনএথিকালি হাই) এবং তার সাফল্যের হারও উল্লেখযোগ্য নয়। সেই কারণে স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষজ্ঞ কমিটি এই আবেদন গ্রাহ্য করতে পারছে না। যাঁরা এই রোগের চিকিৎসার সাথে জড়িত সেই সমস্ত চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ওষুধের দাম বেশী বলা যাতেই পারে কিন্তু কোনও ভাবেই অনৈতিক বলা যেতে পারে না, আবার সেই ওষুধ যদি জীবনদায়ী হয় তাহলে তো কোনভাবেই বলা যায় না। এই ব্যাপারে কোনও ব্যাখ্যা স্বাস্থ দপ্তর থেকে পাওয়া যায়নি।ফুটফুটে দেবস্মিতাএসএমএ (SMA) আক্রান্ত পরিবারগুলির তরফে জানা গেছে, যেহেতু এসএমএ (SMA) ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা হয়নি সেই কারণে তাঁদের এই উদাসীনতা। আক্রান্ত পরিবারের এক সদস্যের আক্ষেপ, তাঁদের বাচ্চারা কি এতটা সময় পাবে! এই ওষুধ রশে(Roche) নামক এক সংস্থা তৈরি করে। চিকিৎসক সুত্র জানা যায়, এই ওষুধ খেলে এসএমএ (SMA) সেরে যায় না, নিয়ন্ত্রন করা যায়।স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি-তে আক্রান্ত বাঁশদ্রোনী-র ১২ বছরের মেয়ে দেবস্মিতা ঘোষ। ছোট্ট দেবস্মিতা ভালোবাসে গান গাইতে, পড়াশোনা করতে, আবৃত্তি করতে, খেলতে। তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষ রাস্ট্রায়ত্ত দূরভাষ সংস্থায় কর্মরত ও মা মৌমিতা চক্ষু বিশেষজ্ঞ। ছোট বেলায় দেবস্মিতা আর পাঁচটা বাচ্চদের মতই খেলত দৌড়াত গান করত। বয়স বাড়তেই শারীরিক অসুবিধা ধরা পরে। প্রথম দিকে আর পাঁচটা অবিভাবকের মতই তার বাবা-মাও ভেবেছিলেন এটা সাময়িক কোনও সমস্যা। চিকিৎসার দীর্ঘসুত্রিতা তে ধরা পড়ল এটা একটা বিরলতম রোগ। যার চিকিৎসা সরকারি সাহায্য ছাড়া কোনও সাধারণ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়। দেবস্মিতার বাবা মা তাদের শেষ সম্বল দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে আজ কপর্দক শূন্য। নিঃস্ব পিতা মাতা সরকারি সাহায্যের চেষ্টা করেও কোনও কিনারা করতে পারেননি। বহু আবেদন নিবদনের নিটফল শূন্য। এখন তাদের একমাত্র ভরসা, কোনও সহৃদয় মানুষ বা এনজিও যদি এগিয়ে আসেন। ইতিমধ্যেই অনেকে এগিয়ে এসেছেন যদিও প্রয়োজনের তুলনাই তা অপ্রতুল।গান দেবস্মিতার খুব প্রিয়দেবাশিষ দূর্গাপুর এনআইটি প্রাক্তনি। সেই প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনিরা তাঁদের সামর্থ অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। এই সাহায্যের আবেদন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও আছড়ে পড়েছে। আমেরিকাতে দেবস্মিতার জন্য তহবিল সংগ্রহের দ্বায়ীত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন এনআইটি আর এক প্রাক্তনী বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত দুর্গাপুরের সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সুরজিৎ জনতার কথাকে জানিয়েছেন, তিনি তাঁর পরিচিত জন ছাড়াও সামাজিক মাধ্যমে দুরারোগ্য এসএমএ (SMA) আক্রান্ত দেবস্মিতার চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের আবেদন রাখছেন। আবেদনে কিছু কিছু সাড়াও পাচ্ছেন।এগিয়ে এসেছেন দূর্গাপুরের বামপন্থী মনভাবাপন্ন সৌরভ দত্ত। সৌরভ দূর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের বাম শ্রমীক সংগঠন সিআইটিইউ-র জয়েন্ট সেক্রেটারি। তাঁর স্ত্রী মৌ সেন দেবস্মিতা-র বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে এনআইটি প্রাক্তনি সুত্রে পরিচিত। সমাজসেবী সৌরভ নিজের উদ্যোগে বিশিষ্ট মানুষজনদের দিয়ে আবেদন করাচ্ছেন যাতে এই আবেদনটা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছানো যায়। তিনি নিজেও বিভিন্ন ভাবে তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।নিষ্পাপ শিশু দেবস্মিতাদেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে টলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, মানসী সিনহা, দেবদুত ঘোষ সহ বিশিষ্ট গীতীকার কাজী কামাল নাসের। শ্রীলেখা মিত্র খুব তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজনৈতিক নেতাদের দেবস্মিতার পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন অনেক নেতা মন্ত্রীদের ঘর থেকে অনেক অনেক টাকা বেড়োলো, নানা জায়গায় অনেক মেলা উৎসব চলছে। তাঁর মধ্যে থেকে কোনও নেতা যদি দেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়ালে, ভিন্ন রাজনৈতিক সত্তার হলেও তাঁদের হয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভালো ভালো কথা পোস্ট করবেন। তিনি আরও জানান প্রত্যেক বাবা ময়ের কাছে তাঁদের সন্তান নয়নের মণি। সন্তান ভালো থাকুক সব বাবা মাই চায়। সেই সমস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও কেউ বাবা কেউ মা।ছোট্ট দেবস্মিতার সুস্থ থাকার জন্য এই মুহুর্তে আনুমানিক ১০ কোটি টাকা প্রয়োজন শুধুমাত্র ওষুধ কেনার জন্য। এক এক বছরে তাঁর ৭০ লক্ষ টাকার ওষুধ লাগছে। বিগত তিন বছরের ওষুধ দেবাশিষ রোচে সংস্থা থেকে বিনামুল্যে যোগার করেছেন। যা দিয়ে ২০২২ অবধি দেবস্মিতা কে সুস্থ রাখা যাবে। আগামী বছর তাঁকে সুস্থ থাকার জন্য এই পাহাড় প্রমান টাকা যোগার করতে হবে। কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা ব্যক্তিগত ভাবে যদি কেউ দেবস্মিতা কে অর্থ সাহায্য করতে চান, তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, তাঁর মোবাইল নম্বর +91 94330 00417

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

২৩ ওভার পর মনে পড়ল!‌ লর্ডসে অভিনব শ্রদ্ধা শেন ওয়ার্নকে

ইংল্যান্ডনিউজিল্যান্ড টেস্টের খেলা তখন ২৩ ওভার শেষ হয়েছে। মাঠের মধ্যেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে পড়লেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে। স্টেডিয়ামের বড় জায়ান্ট স্ক্রিনে ফুটে উঠল শেন ওয়ার্নের ছবি। ২৩ সেকেন্ড ধরে করতালি গোটা স্টেডিয়াম জুড়ে। প্রয়াত কিংবদন্তী স্পিনার শেন ওয়ার্নকে এভাবেই শ্রদ্ধা জানাল লর্ডস।কেন এই ২৩ সংখ্যাটা বেছে নেওয়া হয়েছিল? এই নম্বরটাই ছিল শেন ওয়ার্নের প্রিয়। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে শুরু করে বিগ ব্যাশ, আইপিএল, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, সব ধরণের ম্যাচেই ২৩ নম্বর জার্সি গায়ে খেলেছিলেন শেন ওয়ার্ন। তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতেই এই ২৩ সংখ্যাটা বেছে নেওয়া হয়েছিল। ওয়ার্নের মৃত্যুর পর তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে লর্ডসের কমেন্ট্রি বক্সের নাম রাখা হয়েছে তাঁর নামে। ইংল্যান্ডনিউজিল্যান্ডের প্রথম টেস্টেও এবার ফিরে এল তাঁর স্মৃতি। লর্ডস কখনও তাঁকে খালি হাতে ফেরায়নি। লর্ডসে চারটি টেস্ট খেলেছেন ওয়ার্ন। তিনটিতে জিতেছেন। একটা ড্র। লর্ডসে ৪ টেস্ট খেলে নিয়েছেন ১৯ উইকেট।শেন ওয়ার্নকে শ্রদ্ধা জানানো হলেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে বিপর্যয়ে নিউজিল্যান্ড। জেমস অ্যান্ডারসন ও ম্যাথু পটের দাপটে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেল মাত্র ১৩২ রানে। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে উইল ইয়ংকে (১) ফেরান জেমস অ্যান্ডারসন। ২ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। টম লাথামকে (১) আউট করেন অ্যান্ডারসনই।৭.১ ওভারে ডেভন কনওয়ে স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে আউট হন দলগত ৭ রানের মাথায়। কনওয়ে ৭ বলে ৩ রান করেন। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও ব্যর্থ। ৯.৫ ওভারে দলের ১২ রানের মাথায় তিনি আউট হন ২২ বলে ২ রান করে। এই টেস্টেই অভিষেক হওয়া ম্যাথু পটস টেস্ট কেরিয়ারের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই পেলেন উইলিয়ামসনের উইকেট। প্রথম ঘণ্টায় ১১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে কিউদের স্কোর ছিল মাত্র ১২। ১৭.৫ ওভারে ড্যারিল মিচেলকেও ফেরান পটস। মিচেল ৩৫ বল খেলে ১৩ রান করেন। ২৭ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট পড়ার পর নিউজিল্যান্ডের ষষ্ঠ উইকেটটি পড়ে ২১.৫ ওভারে ৩৬ রানের মাথায়। পটসের তৃতীয় শিকার টম ব্লান্ডেল। মিচেলের মতো তাঁকেও বোল্ড করেন পটস। ব্লান্ডেল ১৪ রানের বেশি করতে পারেননি। ৪৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ড। কলিন গ্র্যান্ডহোম ও টিম সাউদি কিছুটা রুখে দাঁড়ান। সাউদিকে (২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন অ্যান্ডারসন। আজাজ প্যাটেলকে (৭) ফেরান পটস। ট্রেন্ট বোল্টকে (১৪) তুলে নেন বেন স্টোকস। ৬৬ রানে ৪ উইকেট নেন অ্যান্ডারসন। ১৩ রানে ৪ উইকেট পটসের।

জুন ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন সৈনিক কুলদীপের ঘূর্ণিতেই বেহাল দশা নাইট রাইডার্সের

বৃহস্পতিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শ্রেয়স আয়ারদের কাছে ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জিততেই হত নাইট রাইডার্সকে। অথচ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রাক্তন সৈনিক কুলদীপ যাদবের স্পিনেই বেসামাল নাইটরা। তাঁর ঘূর্ণিতে ভেঙে পড়ল নাইটদের মিডল অর্ডার। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১৪৬ তুলল নাইট রাইডার্স। ১৪ রানে ৪ উইকেট নিলেন কুলদীপ। গত বছর আইপিএলে প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২টিতে জয় পেয়েছিল। শেষ ৭ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জিতে প্লে অফের টিকিট জোগাড় করে নিয়েছিল নাইটরা। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা অতীতে রয়েছে নাইট রাইডার্সের। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারল না। টানা ৪ ম্যাচে হারের ধাক্কা সামলে জয়ে ফেরার লক্ষ্যে এদিন প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল নাইট রাইডাস। প্রথম একাদশে ফেরানো হয় অ্যারন ফিঞ্চ। এছাড়া এদিন প্রথম সুযোগ দেওয়া হয় বাবা ইন্দ্রজিৎ ও হর্ষিত রানাকে। প্রথম একাদশে ফেরার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ফিঞ্চ। একবার জীবন পেয়েও মাত্র ৩ রান করে আউট হন। টস জিতে এদিন নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। দ্বিতীয় ওভারে চেতন সাকারিয়ার দ্বিতীয় বলে অ্যারন ফিঞ্চের ক্যাচ তালুবন্দী করতে পারেননি রভম্যান পাওয়েল। পরের বলেই অবশ্য ফিঞ্চের (৩) স্টাম্প ছিটকে দেন সাকারিয়া। প্রথম একাদশে ফিরেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। এদিন ওপেনিংয়ে ফেরানো হয়েছিল ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (৬)। তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। অষ্টম ওভারে পরপর দুবলে বাবা ইন্দ্রজিৎ (৬) ও সুনীল নারাইনকে (০) তুলে নিয়ে নাইটদের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান কুলদীপ যাদব। এরপর নীতিশ রানাকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার (৩৭ বলে ৪২)। পরপর দুবলে শ্রেয়স ও আন্দ্রে রাসেলকে (০) তুলে নিয়ে আবার নাইটদের চাপে ফেলে দেন কুলদীপ। শেষ পর্যন্ত নীতিশ রানা (৩৪ বলে ৫৭) ও রিঙ্কু সিংয়ের (১৬ বলে ২৩) সৌজন্যে ১৪৬/৯ রানে পৌঁছয় নাইট রাইডার্স। দুরন্ত বোলিং করে ৩ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন কুলদীপ। ১৮ রানে ৩ উইকেট মুস্তাফিজুরের।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

স্পিন বোলিংকে শিল্পের পর্যায়ে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন ওয়ার্ন, মত সৌরাশিস লাহিড়ীর

মাত্র ৫২ বছর বয়স। এই বয়সেই মারা যাবেন ক্রিকেটের কিংবদন্তী! না, শেন ওয়ার্নের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই। গোটা ক্রিকেট বিশ্ব স্তম্ভিত, শোকাহত। শোকাহত বললে কম বলা হয়। রীতিমতো বাক্যহারা হয়ে পড়েছেন সকলে।শেন ওয়ার্নের মৃত্যু মানতে পারছেন না বাংলার প্রাক্তন স্পিনার তথা বর্তমান বাংলা সিনিয়র দলের সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ী। কটক থেকে ফোনে সৌরাশিস জনতার কথার প্রতিনিধিকে বলেন, ওয়ার্নের মৃত্যুর খবর শুনে আমার হাতপা থরথর করে কাঁপছিল। বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। এত কম বয়সে চলে যাবেন, ভাবতেই পারছি না। সত্যিই অবিশ্বাস্য। গোটা ক্রিকেট বিশ্বকে স্তম্ভিত করে দিয়ে গেল।শেন ওয়ার্নের সঙ্গে কখনও সামনা সামনি মিলিত হওয়ার সুযোগ হয়নি সৌরাশিস লাহিড়ীর। তবে ওয়ার্নের বোলিং দেখে বড় হয়েছেন বাংলার এই প্রাক্তন স্পিনার। একসময় ওয়ার্নের স্পিনে মোহিত হয়ে থাকতেন বলে জানান সৌরাশিস। তিনি বলেন, ক্রিকেটারদের কাছে স্বপ্নের নায়ক। ওর বোলিংয়ে মোহিত ছিলাম। কখনও সাক্ষাৎ হয়নি। কিন্তু ওয়ার্নকে দেখেই বড় হয়েছি। আমি তো ওকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ স্পিনার হিসেবে মনে করি। শুধু দুর্দান্ত বোলারই ছিলেন না, বর্ণময় চরিত্রও ছিলেন। ওয়ার্নের হাত থেকে এমন কিছু বল বেরিয়েছে, ক্রিকেট যতদিন থাকবে, সেই বলগুলোর কথাও ততদিন থেকে যাবে।সৌরাশিস আরও মনে করেন, স্পিন বোলিং যে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পার্ট হতে পারে, সেটা শেন ওয়ার্নই দেখিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, স্পিন বোলিংকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন শেন ওয়ার্ন। স্পিন বোলিং যে ক্রিকেটের দুর্দান্ত পার্ট হতে পারে, তাঁর মতো অন্য কেউ তুলে ধরতে পারেননি। বিশ্ব ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা স্পিনার হিসেবে আমি ওয়ার্নকেই বেছে নেব। অধিনায়ক হওয়ার মতো সমস্ত গুনও ওয়ার্নের মধ্যে ছিল বলে মনে করেন সৌরাশিস। তিনি বলেন, দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো সব গুনই ছিল ওয়ার্নের মধ্যে। কিন্তু স্টিভ ওয়া ও রিকি পন্টিংয়ের ছায়ায় ঢাকা পড়ে থাকায় দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ হয়নি।ওয়ার্নের ক্রিকেট ধারাভাষ্যেও মুগ্ধ সৌরাশিস। তিনি বলেন, এত সুন্দর বিশ্লেষণ করতে খুব কম ধারাভাষ্যকারকেই দেখেছি। এককথায় অসাধারণ। আর বৈচিত্রময় চরিত্রর দিক দিয়ে ইমরান খান, ইয়ান বথামদের পাশেই শেন ওয়ার্নকে রাখব। সত্যি কথা বলতে কী, ওর মৃত্যু ক্রিকেট বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু স্পিনের যাদুকরের, বাহান্নতেই থেমে গেলো জীবন

থেমে গেলো স্পিনের যাদুকরের হাত, তাঁর আঙ্গুলের ছোঁয়া পেয়ে আর লাল বলটা বনবন করে ঘুড়বে না সবুজ গালিচায়। মাত্র ৫২ বছর বয়সে থেমে গেলো মহান ক্রিকেট শিল্পী-র জীবন। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকা স্পিনার মৃত্যুর সময় তাইল্যান্ডে তাঁর নিজ বাসভবনে ছিলেন।শ্যেন ওয়ার্নের সংস্থা শনিবার বিবৃতি দিয়ে এই মর্মান্তিক খবর জানায়। তারা এই বিবৃতিতে জানায়, শ্যেন তাইল্যান্ডে প্রয়াত হয়েছেন এবং তাঁর নিজস্ব বাংলোতে এই মহান ক্রিকেটারকে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের সমস্ত রকম চেষ্টা স্বত্তেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। তাঁর পরিবার এই সময়ে গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।Sad to hear the news that Rod Marsh has passed. He was a legend of our great game an inspiration to so many young boys girls. Rod cared deeply about cricket gave so much-especially to Australia England players. Sending lots lots of love to Ros the family. RIP mate❤️ Shane Warne (@ShaneWarne) March 4, 2022শনিবার ভারতীয় সময় ৭:২৩ মিনিটে, মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রাক্তন ক্রিকেটার রডনি মার্শের প্রয়াণে টুইট করেছিলেন শ্যেন। রডনি মার্শ বৃহস্পতিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন। সেই শোকবার্তায় শ্যেন ওয়ার্ন লিখেছিলেন, রড মার্শ প্রয়াত হওয়ার খবর শুনে খুবই খারাপ লাগছে। উনি ক্রিকেটেরএক কিংবদন্তি ছিলেন। বহু উদীয়মান ক্রিকেটারের অনুপ্রেরণা ছিলেন। রড ক্রিকেট ভালোবাসতেন। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। ওঁর পরিবারকে অনেক অনেক ভালবাসা জানাই।১৩ সেপ্টেম্বর ১৬৬৯ আপার ফার্নট্রি গলি, ভিক্টোরিয়াতে শ্যেন ওয়ার্ন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৪৫টি টেস্টে ৭০৮টি উইকেট সংগ্রহ করেন। শ্রীলঙ্কার মুথাইয়া মুরলিধরনের (৮০০) পর তিনি দ্বিতীয় সর্ব্বচ্চ উইকেট সংগ্রাহক।বর্তমানে শ্যেন তাঁর তাইল্যান্ডের নিজের বাংলোতে বসবাস করছিলেন। নিজের বাসস্থানেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ভারতে আইপিএল-এর প্রথম সংস্করনে বিজয়ী দল রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক ছিলেন শেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL: হাঁটুর চোটে কাবু বরুণ চক্রবর্তী, তাহলে কি টি২০ বিশ্বকাপ দলে চাহাল?‌

প্রায় একমাস হতে চলল টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা হয়েছে। বিশ্বকাপ দলে রয়েছে একাধিক চমক। কিন্তু দল নিয়ে একেবারেই স্বস্তিতে নেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিশ্বকাপে হার্দিক পান্ডিয়া আদৌও বোলিং করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তার মাঝেই চিন্তা বাড়িয়েছে বরুণ চক্রবর্তী। তামিলনাড়ুর এই রহস্যময় স্পিনার কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ভাল ফর্মে থাকলেও হঠাৎ তাঁকে ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভারতীয় বোর্ড সুত্রে জানা গেছে হাঁটুর চোট নিয়েই আইপিএলে খেলে যাচ্ছেন বরুণ চক্রবর্তী। চোটের ব্যাথা আরও বেড়েছে। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও অনিশ্চিত এই রহস্যময় স্পিনার। এই অবস্থায় টি২০ বিশ্বকাপের আগে তিনি কতটা ফিট হয়ে উঠতে পারবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বরুণ চক্রবর্তীর হাঁটুতে ভালই যন্ত্রণা হচ্ছে। এই আবস্থায় তাঁকে বিশ্বকাপের দলে রাখাটা বেশ ঝুঁকি হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন ভারতীয় বোর্ডের কর্তারা। আপাতত বরুণ চক্রবর্তীর হাঁটুর ব্যাথা কমানোর দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। তাঁর এই হাঁটুর চোট সারাতে বেশ কয়েকদিনের রিহ্যাবের প্রয়োজন বলে মনে করছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের মেডিকেল টিম। ১০ অক্টোবরের পর টি২০ বিশ্বকাপের দলে আর বদল করা যাবে না। তার আগেই বরুণকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে নির্বাচকদের। এই রহস্যময় স্পিনার যাতে ২৪ অক্টোবর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ খেলতে পারেন তা নিশ্চিত করতে বরুণের চোটের ব্যাপারে নজর রাখছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের মেডিক্যাল টিম। বোর্ডের মেডিকেল টিম সবসময় সর্বক্ষণ যোগাযোগ রেখে চলেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স মেডিকেল টিমের সঙ্গে।বরুণ চক্রবর্তীর জন্য আলাদা স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং চার্ট তৈরি করে দিয়েছে ভারতীয় দলের মেডিকেল টিম ও ফিজিও। সেই মতোই আপাতত কন্ডিশনিং করছেন বরুণ। বরুণকে ফিল্ডিংয়ের সময় ডাইভ দিতেও নিষেধ করা হয়েছে। তিনি কোথায় ফিল্ডিং করবেন তাও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, আইপিএলের ম্যাচে কোটার পুরো ওভার বল করার জন্য বরুণকে ব্যাথা নিরোধক ইঞ্জেকশন নিয়ে মাঠে নামতে হচ্ছে। তাসত্ত্বেও মাঠে তাঁর চলাফেরার অস্বস্তি নজর এড়াচ্ছে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের মেডিকেল টিম যদি মনে করে বরুণকে বিশ্বকাপের দলে রাখা ঠিক হবে না, তাহলে বিশ্বকাপের দরজা খুলে যেতে পারে যুজবেন্দ্র চাহালের।শুধু বরুণ চক্রবর্তীকে নিয়েই নয়, হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়েও চিন্তা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের। আইপিএলে এখনও বোলিং করেননি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই অলরাউন্ডার। টি২০ বিশ্বকাপে আদৌও তিনি বোলিং করতে পারবেন কিনা নিশ্চিত নয়। হার্দিকের মতোই সূর্যকুমার যাদবও ব্যাট হাতে চেনা ছন্দে নেই। এই অবস্থায় চিন্তা বাড়াচ্ছে বরুণ চক্রবর্তীর চোট।

অক্টোবর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌ri Lanka T20 Team : শ্রীলঙ্কার টি২০ বিশ্বকাপ দলে চমক রহস্যময় স্পিনার মহেশ থীক্ষণা

আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা। দলে একাধিক চমক রয়েছে। বিশ্বকাপে দলকে যেমন নেতৃত্ব দেবেন দাসুন শনাকা। দলে সুযোগ পেয়েছেন সদ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া ২১ বছর বয়সী মহেশ থীক্ষণা। এই রহস্যময় স্পিনার নাকি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার তুরুপের তাস হতে পারেন। এমনই মনে করছেন শ্রীলঙ্কার নির্বাচকরাআ। এছাড়াও নতুন মুখ প্রবীন জয়াবিক্রমা। তবে মিনোদ ভানুকার বাদ পড়াটা অন্যতম চমক।বলতে গেলে একপ্রকার ভাঙাচোরা দল নিয়েই এবার সংযুক্ত আরব আমীরশাহী ও ওমানে টি২০ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে করোনাবিধি ভাঙার জন্য নির্বাসিত হয়েচেন নিরোশন ডিকওয়েলা, কুশল মেন্ডিস, দানুষ্কা গুণতিলকেরা। সিনিয়র ক্রিকেটাররা না থাকায় অপেক্ষাকৃত তরুণ ক্রিকেটারদের ওপরই ভরসা করতে হয়েছে নির্বাচকদের। দাসুন শনাকার নেতৃত্বেই তরুণ দল ভারতের বিরুদ্ধে শেষ দুটি টি২০ ম্যাচে জিতেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকাকেও একদিনের সিরিজে ২১ ব্যবধানে হারিয়েছে। সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচেও জিতেছে। সুতরাং তরুণ দল ভরসা জোগাচ্ছে নির্বাচকদের।আরও পড়ুনঃ গোডাউনে বেআইনি গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের দায়ে মেমারিতে গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আইসিসির কাছে টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ক্রিকেটারদের তালিকা জমা দেওয়ার শেষদিন ছিল। কিন্তু আনু্ষ্ঠানিকভাবে তা করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। ১৫ জনের দল ঘোষণার পাশাপাশি ৪ জন ক্রিকেটারকে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। ঘোষিত ১৫ জনের দলে জায়গা পেয়েছেন : দাসুন শনাকা (অধিনায়ক), ধনঞ্জয় ডি সিলভা, আবিষ্কা ফার্নান্ডো, চরিথ আসালঙ্কা, কামিন্দু মেন্ডিস, ভানুকা রাজাপক্ষ, কুশল পেরেরা, দীনেশ চন্ডীমল, ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা, চামিকা করুণারত্নে, দুষ্মন্ত চামিরা, আকিলা ধনঞ্জয়, মহেশ থীক্ষণা, বিনুরা ফার্নান্দো, প্রবীণ জয়বিক্রমা। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রয়েছেন : নুয়ান প্রদীপ, পুলিনা থরঙ্গা, লাহিরু মাদুশঙ্কা, লাহিরু কুমারা।কুশল পেরেরার চোট ও অসুস্থতার কারণে মিনোদ ভানুকা শ্রীলঙ্কা দলে উইকেটকিপারের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁকে বিশ্বকাপের দলে রাখা হয়নি। তবে চমক রহস্যময় স্পিনার মহেশ থীক্ষণা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে তাঁর অভিষেক হয়েছে। অভিষেক ম্যাচেই ৩৭ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন মহেশ থীক্ষণা। তাঁর সঙ্গেই ১৫ সদস্যের দলে সুযোগ পেয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার প্রবীণ জয়বিক্রমা, আকিলা ধনঞ্জয় ও বাঁহাতি পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। জয়বিক্রমা দেশের হয়ে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক খেললেও টি ২০ আন্তর্জাতিক খেলেননি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেকে ১১ উইকেট নিয়েছিলেন। তবে ঘরোয়া টি২০ খেলার অভিজ্ঞতা ভালই রয়েছে। জোরে বোলার নুয়ান প্রদীপকে রাখা হয়েছে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে। আইপিএলে আরসিবিতে থাকলেও প্লে অফ না খেলেই শ্রীলঙ্কা শিবিরে যোগ দিতে হবে ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরাকে। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সুযোগ পেয়েছেন ভানুকা রাজাপক্ষ ও কামিন্দু মেন্ডিস। আর তেমন কোনও বড় চমক নেই শ্রীলঙ্কা দলে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kuldeep Yadav : ‌‌সাদা বলের ক্রিকেটজীবন এখনও শেষ হয়নি, মনে করছেন কুলদীপ

২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ভারতীয় দলে তিনি ছিলেন অটোমেটিক চয়েস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতিও বদলেছে। সাদা বলের ক্রিকেটে জাতীয় দলে নিজের জায়গা হারিয়েছেন কুলদীপ যাদব। এই মুহূর্তে টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনায় তিনি প্রথম একাদশে নেই। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তবুও নিজের ওপর বিশ্বাস হারাননি কুলদীপ যাদব। ভারতীয় দলের এই চাইনাম্যান বোলার মনে করছেন, তাঁর কেরিয়ার এখনও শেষ হয়ে যায়নি।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিকুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর আমি মনে করি না যে সাদা বলের ক্রিকেটে আমার কেরিয়ার শেষ হয়ে গেছে। একটাদুটো খারাপ ম্যাচে কেরিয়ার শেষ হয়ে যায় না। এমন অনেক পরিস্থিতি আসে যখন হাত থেকে রান বেরিয়ে যায়। আমি কখনও কখনও ৪৫ উইকেটও পেয়েছি। আমার মনে হয় মানুষ যদি এই সাফল্যগুলো নিয়ে কথা বলে তাহলে ভাল হবে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার কারণ প্রসঙ্গে কুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ড সিরিজে পুনের উইকেট ব্যাটিং সহায়ক ছিল। বোলারদের জন্য উইকেটে কিছুই ছিল না। রাহুল স্যার আমাকে দারুণ সাহায্য করছেন। অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। আশা করছি এই সিরিজে নিজেকে মেলে ধরতে পারব।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেলমঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। শিখর ধাওয়ানদের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। প্রথম ম্যাচে বোলাররা সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে কোনও পরীক্ষানিরীক্ষায় যেতে চাইছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বোলিংয়ে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।আরও পড়ুনঃ দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?ব্যাটসম্যানদের দাপটেই প্রথম ম্যাচে সহজ জয় এসেছে। শিখর ধাওয়ানের ব্যাট থেকে এসেছে অধিনায়কোচিত ইনিংস। অভিষেক ম্যাচেই দারুণ নজর কেড়েছেন ইশান কিষান। শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন পৃথ্বী শ। সূর্যকুমার যাদবের ছোট ইনিংসেও ছন্দে থাকার ইঙ্গিত। ব্যাটিং লাইনে কিছুটা বেমানান ছিলেন মণীশ পান্ডে। বাকিদের মতো জ্বলে উঠতে পারেননি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। তবুও ব্যাটিং অর্ডারে বদলের কোনও সম্ভাবনা নেই।

জুলাই ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

রাশিয়াকে পাশ কাটিয়ে তেল আমদানিতে নতুন দিশা ভারতের, ভেনেজুয়েলা ও আমেরিকার দিকে ঝুঁকতেই শুল্ক ছাঁট যুক্তরাষ্ট্রের

রাশিয়ার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিল ভারত। তেল আমদানির ক্ষেত্রে রাশিয়াকে ধীরে ধীরে পেছনে সরিয়ে এবার ভেনেজুয়েলা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকছে নয়াদিল্লি। ভারতের এই ঘোষণার অব্যবহিত পরেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল ওয়াশিংটনভারতের উপর আরোপিত আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হল।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুটি ঘটনাই পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।তেল আমদানিতে কৌশল বদল ভারতেরইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই রাশিয়া থেকে স্বল্পমূল্যে তেল আমদানি করছিল ভারত। তবে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ, নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এবার বিকল্প উৎসের দিকে নজর দিচ্ছে কেন্দ্র।সরকারি সূত্রের খবর, ভেনেজুয়েলা থেকে ভারী ক্রুড অয়েল এবং আমেরিকা থেকে লাইট সুইট ক্রুড আমদানির পরিকল্পনা করছে ভারত। এতে একদিকে যেমন সরবরাহে বৈচিত্র আসবে, তেমনই আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের দর কষাকষির ক্ষমতাও বাড়বে।আমেরিকার শুল্ক ছাঁটকূটনৈতিক বার্তা?ভারতের এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমদানি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন প্রশাসন। আগে যেখানে ভারতীয় পণ্যের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানো হত, তা কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে।বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধুই অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়বরং ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করার একটি কূটনৈতিক বার্তাও বটে। বিশেষ করে শক্তি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্ব বাড়াতে চাইছে আমেরিকা।ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনাশুল্ক কমার ফলে ভারতীয় পণ্যবিশেষ করে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, অটো যন্ত্রাংশ ও আইটি-সংক্রান্ত রপ্তানিতে সুবিধা মিলতে পারে। এর ফলে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের খরচ কমবে এবং মার্কিন বাজারে প্রতিযোগিতা আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের ভারসাম্যনীতিএকদিকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন না করে, অন্যদিকে আমেরিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারএই ব্যালান্সিং অ্যাক্ট-ই এখন ভারতের বিদেশনীতি। শক্তি নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও কূটনীতির মধ্যে ভারসাম্য রেখে চলার এই কৌশলই আগামী দিনে ভারতের অবস্থান আরও দৃঢ় করবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।সব মিলিয়ে, তেল আমদানি ও শুল্ক ছাঁটএই দুই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
দেশ

‘উনি জমিদার, আমরা চাকর নই’, কমিশন বৈঠকের পর ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এ বার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নির্বাচন সদনে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি অভিযোগ করেন, বৈঠকে তাঁদের অপমান ও অসম্মান করা হয়েছে। সেই কারণেই বৈঠক বয়কট করে বেরিয়ে এসেছেন তাঁরা।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সদ্য মৃত তিন জন বিএলও-র পরিবার এবং এসআইআর প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি পরিবারও। প্রায় ঘণ্টাখানেকের বেশি সময় ধরে বৈঠক চলে। বৈঠক শেষ হতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা বলেন, বৈঠকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে জানিয়েছেন যে, বিজেপির চাপে তিনি কাজ করছেন। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার মিথ্যে কথা বলেছেন এবং জেনে বুঝে তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এমন ভঙ্গিতে কথা বলা হয়েছে যেন কমিশনার নিজেকে জমিদার ভাবছেন আর অন্যরা তাঁর অধীনস্থ কর্মচারী।তিনি আরও বলেন, বহু নির্বাচন কমিশনার দেখেছেন তিনি, কিন্তু এমন আচরণ আগে কখনও দেখেননি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বিজেপির তোতাপাখি বলেও কটাক্ষ করেন মমতা। সেই সঙ্গে সীমা খান্নার নাম তুলে তিনি অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তি কমিশনের কেউ নন, বিজেপির আইটি সেলের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাবি, সীমা খান্নার নির্দেশেই প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।তবে এত অভিযোগের মধ্যেও মমতা স্পষ্ট করে দেন, তৃণমূল কংগ্রেস কোনওভাবেই নির্বাচন বয়কট করবে না। তিনি বলেন, এই ভুল তাঁর দল কখনও করবে না। ভোটের লড়াই তাঁরা রাস্তায় নেমেই লড়বেন।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
রাজ্য

অল্পের জন্য প্রাণ বাঁচল ২০২ পরীক্ষার্থীর! মাধ্যমিক কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরীক্ষার্থীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। যদিও পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।সোমবার নির্ধারিত সময়েই নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়। ওই কেন্দ্রে বালাভূত হাই স্কুল, বালাভূত বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ এবং কৃষ্ণপুর স্কুলের মোট ২০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই স্কুলের ক্যান্টিনে চা বানানোর সময় একটি গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন ধরে যায়।মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে স্কুল চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা দ্রুত সাহসিকতার পরিচয় দেন। তাঁরা জ্বলন্ত গ্যাস সিলিন্ডারটি টেনে দ্রুত স্কুল ভবনের বাইরে মাঠের মাঝখানে নিয়ে যান। ভিজে বস্তা দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় তুফানগঞ্জ দমকল কেন্দ্রে।দমকল বাহিনী পৌঁছনোর আগেই বিকট শব্দে গ্যাস সিলিন্ডারটি ফেটে যায়। বিস্ফোরণের শব্দে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই পরীক্ষা ছেড়ে দ্রুত স্কুলের মাঠে বেরিয়ে আসেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান তুফানগঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি, এসডিপিও কান্নেধারা মনোজ কুমার-সহ জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দুলাল বসাক জানান, পুলিশের তৎপরতার জন্যই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সিলিন্ডারটি ফাঁকা মাঠে বিস্ফোরিত হওয়ায় কেউ আহত হননি।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পরীক্ষার্থীরা আবার শান্তভাবে পরীক্ষায় বসেন এবং নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে বড়সড় বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
দেশ

হ্যালি রোড বন্ধ, পুলিশে ঘেরা বঙ্গভবন! বেরিয়ে এসে শাহকে চ্যালেঞ্জ মমতার

রবিবার বিকেলে দিল্লিতে পৌঁছান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সোমবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানী। হঠাৎ করেই দিল্লি পুলিশ ঘিরে ফেলে বঙ্গভবন। সেই পরিস্থিতিতে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন মমতা। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুজনেই সোজা চলে যান বঙ্গভবনে।সোমবার সকাল থেকে বঙ্গভবনে এক নজিরবিহীন ছবি দেখা যায়। এসআইআর সংক্রান্ত অভিযোগে বাংলায় স্বজন হারানো একাধিক পরিবারের সদস্য তখন বঙ্গভবনে ছিলেন। সেই ভবনই অল্প সময়ের মধ্যে পুলিশে ভরে যায়। ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় হ্যালি রোড। এই অবস্থায় বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সকাল থেকে দিল্লি পুলিশ বঙ্গভবন ঘিরে রেখেছে। ঘরে ঘরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে, কে কে এসেছে তা খোঁজা হচ্ছে। তাঁর দাবি, এভাবে তল্লাশি চালানোর অধিকার পুলিশের নেই। বঙ্গভবন তাঁদের নিজস্ব জায়গা বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মমতার অভিযোগ, এসআইআর আতঙ্কে ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই ওই পরিবারগুলি দিল্লিতে এসেছে। অনুমতি পেলে তাঁরা প্রতিবাদ জানাবেন বলেও জানান তিনি।মমতা বলেন, নির্বাচন কমিশন রয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট রয়েছে, অভিযোগ জানানোর সাংবিধানিক জায়গা রয়েছে। তারপরও যদি এভাবে বাধা দেওয়া হয়, তাহলে তৃণমূলও চুপ করে থাকবে না। প্রয়োজনে আরও কঠোর আন্দোলনের পথেও হাঁটতে পারেন বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।সেই সময়ই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন মমতা। তিনি বলেন, বাংলায় গেলে তাঁরা সম্মান দেখান, রেড কার্পেট পেতে দেন। কিন্তু দিল্লিতে যদি ব্ল্যাক কার্পেট দেখানো হয়, তাহলে তার ফলও ব্ল্যাক রেজাল্ট হবে। মমতা জানান, মঙ্গলবার বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক হবে। সেখানে স্বজনহারানো পরিবারগুলি নিজেরাই বলবেন, বাংলায় তাঁদের সঙ্গে কী ঘটেছে।এরপর বঙ্গভবনে ঢুকে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাঁদের পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁরা সাধারণ মানুষ। তাঁরা কোনও বিক্ষোভ করতে আসেননি। শুধু বিচার চাইতেই এসেছেন। দুই-তিন দিনের মধ্যেই তাঁরা দিল্লি ছেড়ে চলে যাবেন বলেও জানান মমতা। এত বছর দিল্লিতে থেকেও এমন পরিস্থিতি কখনও দেখেননি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এরপর স্বজনহারানো পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে বঙ্গভবনের ভিতরে যান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত করেন। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে হ্যালি রোডের পুরনো বঙ্গভবনের দিকে রওনা দেন তিনি।এই ঘটনা নিয়ে বিজেপির তরফেও পাল্টা প্রতিক্রিয়া এসেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন। তাঁর দাবি, বঙ্গভবন দিল্লিরই অংশ, তাই সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ ঢুকতেই পারে। নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

এক ম্যাচেই ৪৫০০ কোটি! ভারত-পাক না খেললে কাঁপবে ক্রিকেটের অর্থনীতি

টি-২০ বিশ্বকাপে যদি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ম্যাচ না হয়, তাহলে গোটা ক্রিকেটবিশ্বকে বড়সড় আর্থিক ধাক্কা খেতে হতে পারে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই একটি ম্যাচ না হলে প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বিপুল লাভ। সম্প্রচারকারী সংস্থা থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপনদাতা, স্পনসর, টিকিট বিক্রিসব ক্ষেত্রেই এই ম্যাচ সবচেয়ে বেশি আয় এনে দেয়।এই কারণেই প্রতি মেগা টুর্নামেন্টে ভারত ও পাকিস্তানকে সাধারণত একই গ্রুপে রাখা হয়। কিন্তু আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে যদি দুই দল মুখোমুখি না হয়, তাহলে ক্রিকেটের ব্যবসায়িক দুনিয়ায় বড় ধাক্কা লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ব্যবসার দিক থেকে ভারত-পাক ম্যাচের গুরুত্ব এতটাই বেশি যে, ভারত যদি অন্য কোনও দলের বিরুদ্ধে ফাইনালও খেলে, তাতেও এই পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয় না।প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, একটি ভারত-পাক ম্যাচ থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যবসা হয়। ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকা। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান যদি মাঠে না নামে, তাহলে এই বিশাল অঙ্কের লোকসান হবে বলেই আশঙ্কা।পরিসংখ্যান বলছে, শুধু বিজ্ঞাপন থেকেই এই ম্যাচে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আয় হয়। ম্যাচ চলাকালীন মাত্র ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের দাম উঠতে পারে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারেএই আশঙ্কা করেই সম্প্রচারকারী সংস্থা জিও হটস্টার আইসিসির কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে। আইসিসি যদি সেই ছাড় দেয়, তাহলে তাদের লাভ কমবে। আর আইসিসির আয় কমলে তার প্রভাব পড়বে সদস্য দেশগুলির উপরও। আইসিসি থেকে পাওয়া অর্থ কমে যেতে পারে বিভিন্ন বোর্ডের।ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অন্তত ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে অনুমান। এর জেরে বোর্ডের একাধিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি থমকে যেতে পারে। একই সঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ভারতীয় বোর্ডও। ভারত-পাক ম্যাচ ঘিরে সাধারণত হোটেল ভাড়া, বিমান ভাড়া এবং পর্যটন সংক্রান্ত খরচ বেড়ে যায়। ম্যাচ না হলে এই ক্ষেত্রগুলিও আর্থিক ধাক্কা খাবে।এছাড়াও আইসিসি থেকে যে বিপুল অর্থ পাওয়ার কথা, তা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে পাকিস্তান বোর্ড। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এইভাবে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ালে পাকিস্তানের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভবিষ্যতে তাদের উপর ভরসা করে বড় কোনও সংস্থা বিনিয়োগ করবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
কলকাতা

ঢাকুরিয়ায় গুলি-বোমার নেপথ্যে কে এই সোনা পাপ্পু? শাসক-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে তোলপাড়

রবিবার রাতে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোড এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকা দখলকে কেন্দ্র করেই এই হামলা। এই ঘটনার নেপথ্যে সোনা পাপ্পু এবং তাঁর দলবলের নাম উঠে এসেছে। কে এই সোনা পাপ্পু, আর কার মদতে তিনি এতটা প্রভাবশালী, তা নিয়েই এখন এলাকায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে।কসবা, ঢাকুরিয়া এবং রামলাল বাজার এলাকায় সোনা পাপ্পু এখন আতঙ্কের নাম বলে দাবি স্থানীয়দের। অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ এবং ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে এলাকায় নিয়ন্ত্রণের কাজ করেন তিনি। রবিবার রাতে ঘটনার পর ৯১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে কাঁকুলিয়া রোডে দেখা যায়। যদিও ওই এলাকা ৯০ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে পড়ে, যার কাউন্সিলর তাঁর স্ত্রী চৈতালি চট্টোপাধ্যায়।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুরভোট বা অন্য কোনও নির্বাচনের সময় বিরোধীদের ঘরবন্দি করে রাখার কাজেও সোনা পাপ্পুকে ব্যবহার করা হয়। মাসখানেক আগে কলকাতা পুরনিগমে ৬৭ এবং ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫টি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ জমা পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, এই সমস্ত বেআইনি নির্মাণের পিছনেও সোনা পাপ্পুর হাত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পুরনিগমের আধিকারিকরাও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাহস পান না। শাসক দলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতাই এর কারণ বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।কসবা বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বেআইনি নির্মাণ নিয়ে আগেও বহুবার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই নির্মাণকে ঘিরে শাসকদলের মধ্যেই দুই থেকে তিনটি গোষ্ঠী এলাকা দখলের লড়াইয়ে নেমেছে। সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই গোটা এলাকা দীর্ঘদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে, বিশেষ করে ৬৭ ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ড। রবিবার রাতের ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি স্থানীয়দের।এলাকাবাসীদের দাবি, ঢাকুরিয়ার পঞ্চাননতলা বস্তি দীর্ঘদিন ধরেই সোনা পাপ্পুর নজরে ছিল। অভিযোগ, বস্তির বাসিন্দাদের ভয় দেখিয়ে উচ্ছেদ করে সেখানে নির্মাণকাজ শুরুর পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু বর্তমানে ওই বস্তি নিয়ন্ত্রণ করেন বাপি নামে স্থানীয় এক যুবক। এলাকার বেশিরভাগ মানুষ এখন বাপির কথাতেই চলাফেরা করেন। স্থানীয় সূত্রে দাবি, বস্তির কয়েকজন মাতব্বর, যাঁরা শাসক দলেরই এক গোষ্ঠীর আশ্রয়ে রয়েছেন, সোনা পাপ্পুর পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। সেই কারণেই বস্তির দখল নিতে না পেরে সংঘর্ষের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় সোনা পাপ্পুর সঙ্গে শাসকদলের একাধিক নেতার ছবি সামনে এসেছে। কখনও তাঁকে কসবার বিধায়ক জাভেদ খানের পাশে দেখা গিয়েছে, আবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল জেলা সভাপতি দেবাশিস কুমারের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এমনকি বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রীকেও সোনা পাপ্পুর মেয়ের অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে বলে দাবি।তবে এই ঘটনার পর দেবাশিস কুমার বলেন, যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের গ্রেফতার করা উচিত। তিনি আরও বলেন, কারও সঙ্গে ছবি থাকলেই সে অপরাধী শাস্তি পাবে না, এমনটা নয়। যে অন্যায় করবে, সে যে মঞ্চেই থাকুক, তার শাস্তি হওয়া উচিত।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
কলকাতা

রবিবার রাতে ভয়াবহ তাণ্ডব দক্ষিণ কলকাতায়, গোলপার্কে গুলি-বোমা, আহত ২

দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্ক এলাকায় রবিবার রাতে ভয়াবহ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পিকনিককে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় বোমাবাজি ও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন। এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবর থানার অন্তর্গত কাঁকুলিয়া রোড এলাকায় রাত সাড়ে আটটা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রবিবার তাঁরা পিকনিক সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় হঠাৎ অন্য এলাকার কয়েকজন যুবক এলাকায় ঢুকে গোলমাল শুরু করে। তাদের আচরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার মানুষ। ভয়ে বহু মহিলা ঘরের ভিতরে চলে যান।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এই দুষ্কৃতীদের বাধা দিতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপক্ষের মধ্যে ইট ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। ইটের আঘাতে কয়েকজন আহত হন বলে অভিযোগ। রাস্তায় রক্তের দাগও দেখা যায়। অভিযোগ, সংঘর্ষ চলাকালীন দুষ্কৃতীরা বোমা ছোড়ে এবং অন্তত এক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এই ঘটনায় দুই জন আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ উত্তেজিত জনতাকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ, সেই সময় জনতার একাংশ পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। এই গোলমালের মধ্যে কয়েকটি বাইক ও স্কুটি ভাঙচুর করা হয়।এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, দক্ষিণ কলকাতার দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পুর গ্যাং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এলাকা দখলের উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এমনকি একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে হামলার পরিকল্পনাও ছিল বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল ও বোমার টুকরো উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
দেশ

মমতার কমিশন যাত্রার আগেই দিল্লিতে উত্তেজনা! ঘিরে ফেলা হল বঙ্গভবন

সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার আগেই দিল্লিতে তৈরি হয়েছে চরম উত্তেজনা। সোমবার সকাল থেকেই হঠাৎ রাস্তায় নামে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী। নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা যায় বঙ্গভবনের সামনে। কার্যত ঘিরে ফেলা হয় বঙ্গভবন। ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় হ্যালি রোড।কী কারণে এত কড়া নিরাপত্তা, দিল্লি পুলিশের কাছে ঠিক কী তথ্য রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে বঙ্গভবনে যে একাধিক পরিবার অপেক্ষা করছেন, সেই বিষয়টি ঘিরেই জল্পনা বাড়ছে। এসআইআর আতঙ্কে বাংলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে আগেই দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অভিযোগ নিয়েই তিনি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর সঙ্গে থাকবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোট ১৫ জন প্রতিনিধি।যাঁদের পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ, তাঁদের অনেকেই ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছেছেন। তাঁরা বর্তমানে বঙ্গভবনে রয়েছেন। এখানেই শুরু হয়েছে নতুন করে জল্পনা। প্রশ্ন উঠছে, মৃতদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কী কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। শুধুই কমিশনের সঙ্গে বৈঠক, নাকি সন্তপ্ত পরিবারগুলিকে সঙ্গে নিয়ে কমিশন ঘেরাও করার পরিকল্পনা রয়েছে? একশোর বেশি মানুষ যখন একত্রিত হয়েছেন, তখন শুধু বৈঠক সেরে ফিরে যাবেন কি না, তা নিয়েই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে চলছে জোর আলোচনা।এই পরিস্থিতির মাঝেই কার্যত দুর্গের চেহারা নিয়েছে বঙ্গভবন। মনে করা হচ্ছে, সেখান থেকে কেউ বেরোতে গেলে পুলিশ বাধা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যখন নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন, তখন যেন এসআইআর শুনানি কেন্দ্রের অশান্তির বিষয়টিও তুলে ধরেন। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, দিল্লি পুলিশ ভয় পেয়েছে। তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ভারত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, সংবিধান রয়েছে, নির্বাচন কমিশন ও সুপ্রিম কোর্ট রয়েছে। তাহলে আলাদা সরকার থাকা সত্ত্বেও দিল্লির সরকার কেন ভয় পাচ্ছে, সেই প্রশ্নই উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal