• ১৩ কার্তিক ১৪৩৩, সোমবার ০২ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Son

রাজ্য

’পাড়ায় শিক্ষালয়ের’ প্রাঙ্গন মাতাচ্ছে বর্ধমানের চতুর্থ শ্রেণীর খুদে পড়ুয়া

করোনা অতিমারীর প্রভাব শিথিল হতেই খুদে পড়ুয়াদের স্বার্থে রাজ্য সরকারের নির্দেশে শুরু হয়েছে পাড়ায় শিক্ষালয়। সেই শিক্ষালয় নিয়েই গান রপ্ত করে গেয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে খুদে ছাত্র অভিষেক সানা। পূর্ব বর্ধমানের বড়শুল নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র অভিষেকের গাওয়া গান পাড়ায় শিক্ষালয় কর্মসূচীকে মাধুর্য দিয়েছে বলেই মনে করছেন প্রশাসনের কর্তারা। তাঁদের মতে, অভিষেকের গাওয়া গান খুদে পড়ুয়াদের পাড়ার শিক্ষালয় মুখী হতে উৎসাহ যোগাচ্ছে। করোনা অতিমারীর বাড়বাড়ন্তে তৈরি হয়েছিল আতঙ্ক।তার কারণে প্রায় দুবছর ধরে এই রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ফলে স্কুলমুখী আর হতে না পেরে খুদে পড়ুয়াদের দিন কাটছিল ঘরে বন্দি থেকেই । শুধু তাই নয়, করোনা স্কুল গুলি থেকে কেড়ে নিয়েছিল পড়ুয়াদের কোলাহলও। বাজেনি স্কুলের ক্লাস শুরুর ঘন্টা। ক্লাসের চেয়ার, টেবিল সবেতেই পড়ে গিয়েছিল ধুলোর আস্তরণ । চলতি সময়ে সংক্রমণ শিথিল হতেই এই রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দল ও তাদের ছাত্র সংগঠনগুলি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে জোরদার আন্দোলনে নামে। পড়ুয়াদের অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে সরব হন। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে মামলাও হয়। এরপরেই রাজ্য সরকার স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ফের খুলে যায় এই রাজ্যের সমস্ত স্কুলের সদর দরজা। পড়ুয়া কোলহলে ফের ভরে ওঠে স্কুল প্রাঙ্গন। শুধুমাত্র প্রাক প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণীর খুদে পড়ুয়াদের জন্য সরকার ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়। ক্লাসরুমে পড়াশুনার বদলে খুদে পড়ুয়াদের জন্য পাড়ায় শিক্ষালয় কর্মসূচি নেয় রাজ্য সরকার। রাজ্যের অন্যান্য স্কুলের পড়ুয়াদের মতই বড়শুল নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালের পড়ুয়ারাও সরকারের পাড়ায় শিক্ষালয় খোলার সিদ্ধান্তের কথা জেনে খুশিতে ভরে ওঠে। আর সেই খুশিতেই নিজের সংগীত গুরু মঙ্গল কালিন্দির লেখা ও সুর দেওয়া গান রপ্ত করে ফেলে বড়শুল নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের ছাত্র অভিষেক সানা। ওই গান গেয়েই এখন অভিষেক পাড়ায় শিক্ষালয়ের আসরও মাতাচ্ছে। পাড়ায় শিক্ষালয় নিয়ে খুদে ছাত্র অভিষেকের গাওয়া গান মুগ্ধ করেছে বর্ধমান সদর ২ ব্লকের বিডিও সুবর্ণা মজুমদারকেও। তিনি বলেন, করোনা অতিমারীর কারণে পড়ুয়ারা দীর্ঘদিন স্কুলমুখী হতে পারেনি। বাচ্চারা অনেকদিন স্কুলচ্যুত ছিল। তাদের কথা বিবেচনা করে সরকার পাড়ায় শিক্ষালয় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এটা খুব ভালো উদ্যোগ। বড়শুল নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনুপম সাধু বলেন, প্রায় দুবছর বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। মুক্ত প্রাঙ্গনের পাড়ায় শিক্ষালয়ে এখন আবার ফিরে এসেছে খুদে পড়ুয়াদের কোলাহল। সেখানে শিশুদের পাঠদান করতে পেরে আমরা শিক্ষকরাও খুশি। তারই মধ্যে সেখানে উপরি পাওনা হিসাবে মিলছে পাড়ার শিক্ষালয় কর্মসূচী নিয়ে আমাদের বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র অভিষেক সানার গান।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

বাংলা গানে নিষেধাজ্ঞা, বাংলা পক্ষের বিক্ষোভে পিছু হটল কলকাতার নামীদামী রেস্তোরাঁ

শহর কলকাতার রেস্তোঁরাতে বাংলা গান চালাতে অস্বীকার করার প্রতিবাদে মুখর সঙ্গীত জগত থেকে শুরে করে সাধারন মানুষজন। বাংলা পক্ষও এই ব্যবস্থার চরম প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সংস্থার মুখ্য পারিষদ কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান বাংলার রাজধানী বাঙালির রাজধানী কলকাতায় সেহগালের মালিকানাধীন ব্রডওয়ে রেস্তোঁরাতে বাংলা ভাষার গান প্রোহিবিটেড, নিষিদ্ধ। বাংলায় বহিরাগত যত বাড়বে তত কোনঠাসা হব আমরা আমাদের মাটিতে। আজ বাংলার রেস্তোরাঁয় বাংলা ভাষায় গান নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, একদিন তোমার মুখে তোমার ভাষার গান, শব্দ নিষিদ্ধ করবে।রবিবার সন্ধায় বাংলা পক্ষের সদস্যরা গণেশ চন্দ্র এভিনিউতে চাঁদনীচক মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ওই বার কাম রেস্তোঁরাতে প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠে। তাঁদের অভিযোগ, ওই বারে বারাসত থেকে শ্রীকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পরিবার নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সারতে এসে টানা হিন্দী গান চলছে বলে একটা বাংলা গান শোনানোর অনুরোধ জানান। তাঁকে কতৃপক্ষ জানান এখানে বাংলা গান বাজানো নিষেধ আছে। মালিকের নির্দেশ ছাড়া তাঁরা এখানে বাংলা গান চালাতে পারবেন না।বাংলা পক্ষ তাঁদের প্রতিবাদ সভা থেকে আওয়াজ তোলেন ওই রেস্তোঁরাতে বাংলা গান নিষিদ্ধ হলে বাংলার বুকে ওই রেস্তোঁরাকেও নিষিদ্ধ করা হোক। এরপর তাঁরা ওই রেস্তোঁরাতে প্রবেশ করে দ্বীজেন্দ্রলাল রায়ের ধন ধান্য পুষ্পে ভরা গানটি সমবেত ভাবে গান এবং ওই রেস্তোঁরাতে উপস্থিত সকল বাঙালিকে অনুরোধ করেন গানটি তাঁদের সঙ্গে সমবেত ভাবে গাওয়ার জন্য। এর পর তাঁরা মুক্তির মন্দির সোপান তলে, আমি বাংলায় গান গাই- গেয়ে আরও জোরালো প্রতিবাদ তোলে বাংলা পক্ষ। বাংলাপক্ষ-র প্রতিবাদের ঝড়ে পিছু হঠে সেই রেস্তোঁরাতে বেজে ওঠে এই পথ যদি না শেষ হয়...... কৌশিক মাইতি আরও জানান, তাঁদের প্রতিবাদে পিছু হঠে রেস্তোঁরা মালিকপক্ষ ক্ষমা চেয়ে নেন। কতৃপক্ষ কথা দিয়েছে সেখানে বাংলা গান বাজবে। তিনি বলেন, বাঙালি এক হলে বাংলার শত্রুরা লেজ গুটিয়ে পালাবে। তিনি বলেন এই জয় প্রতিটা বাঙালি শিল্পী, প্রতিবাদী বাঙালির জয়। এভাবেই আমরা জিতব, বাঙালি জিতবে। প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, সোয়েব আমিন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, বাংলা পক্ষর সামাজিক মাধ্যম সমন্বায়ক সায়ন মিত্র প্রমুখ।এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায় বলেন বাংলা ভাষা আমাদের নিজেদের ভাষা, আমাদের বাংলায় আমরা বাংলায় কথা বলি, বাংলায় গান গাই, আবশ্যই অনান্য ভাষা যেমন হিন্দী, ইংরাজি এবং উর্দুর প্রতি আমাদের সমান শ্রদ্ধা আছে, সব ভাষাকেই সম্মান করি। বিশেষ করে নিজের মাতৃ ভাষাকে তো অবশ্যই সম্মান করি। তাই বাংলায় বসবাসকারী সকলকে আমার অনুরোধ আপনারা বাংলা গান, কবিতা, সাহিত্য, নাটক ও সিনেমাকে শ্রদ্ধা করুন ভালোবাসুন এবং আমাদের বাংলাকে আরও অনেক দুর এগিয়ে নিয়ে চলুন। আরও এক সঙ্গীত শিল্পী ভুমী ব্যন্ডের সৌমিত্র রায় বলেন, আজ ওখানকার ঘটনা শুনলাম মনটা খারাপ হয়ে গেলো, আমি বিশ্বাস করি গানবাজনায় কোনও জাতি বা কোনও ভাষা থাকে না। যে ভাষায় হোক সেটা উপভোগ করি। আমরা বিদেশে মন্টেরিয় জ্যাজ ফেস্টিভ্যাল মত অনুষ্ঠানে বাংলা ভাষায় গান গেয়েছি, ইউনাইটেড নেশন মত যায়গায় ভুমী বাংলায় গান করেছে, যেখানে কোনও বাঙ্গালি ছিলো না। ব্রডওয়ের মত একটা যায়গায় একটা দুটো বাংলা গান গাইলে ক্ষতিটা কি হত?এই ঘটনার প্রতিবাদ কি ভাবে করব আমি জানি না। আমার প্রতিবাদের ভাষা হচ্ছে গানকে গানের মত থাকতে দাও। ওদের গাইতে দাও। বাংলায় থেকে বাংলায় কথা বলতে দাও। বলতে দাও নয়, আপনারাও বলুন।সঙ্গীত শিল্পী ইমন সেন বলেন, বাংলায় থেকে যদি বাংলা গান না নিশিদ্ধ করা হয়ে থাকে, তাহলে ওই রেস্তোরাঁ কেই বাংলায় নিশি করা হোক। আর যদি পাব খোলা রাখতে হয় তাহলে বাংলা গান চালাতে হবে। এই প্রতিবাদ কর্মসুচীর জন্য বাংলা পক্ষ কে ধন্যবাদ জানান। জয় হৃদয় বলে তাঁদের জয় কামনা করেন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

সোমবার অর্ধ দিবস ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ১৫ দিন বাজবে লতার গান

লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে সোমবার অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ১৫ দিন রাজ্যে বাজবে লতার গাওয়া গান, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার সকাল ৮টা ১২ মিনিটে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন লতা মঙ্গেশকর। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেন দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী-সহ অসংখ্য মানুষ।While offering my sincerest condolences to her family and the billions of admirers that she leaves behind all over the world, I express my deepest sadness at the demise of the genius that the Nightingale of India truly was. (2/3) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 6, 2022পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের তরফে জারি করা মুখ্যমন্ত্রী শোকবার্তায় লেখা হয়, কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে আমি গভীরতম শোক প্রকাশ করছি। তিনি আজ মুম্বইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তাঁর প্রয়াণে আমরা রিক্ত হলাম। সুরসম্রাজ্ঞী ও অনন্য প্রতিভাময়ী সর্বজনশ্রদ্ধেয় লতা মঙ্গেশকর দীর্ঘ আট দশক ধরে কণ্ঠের জাদুতে শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রেখেছিলেন। হিন্দি, মরাঠি, বাংলা-সহ ৩৬টিরও বেশি ভারতীয় ও বিদেশি ভাষায় তাঁর গাওয়া অগণিত ক্লাসিকাল,গজল, ভজন, আধুনিক ও সিনেমার গান আজও সমান জনপ্রিয়। বাংলার সঙ্গীতজগতের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগ ছিল। আমাদের নক্ষত্রদের সাধনা ও তাঁর প্রতিভা পরস্পরকে সমৃদ্ধ ও অভিষিক্ত করেছিল।I pay my heart-felt tribute to the departed icon of India, Bharatratna Lata Mangeshkar. (1/3) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 6, 2022ভারতরত্ন, পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, লিজিয়ন অফ অনার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড সহ অজস্র পুরস্কার ও সম্মানে তিনি ভূষিত হয়েছেন। তাঁর প্রয়াণে সঙ্গীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতি হল। আমি লতা মঙ্গেশকরের আত্মীয়-পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রাচ্য-প্রাশ্চাত্য-র এক অনবদ্য মেলবন্ধন 'রবির কিরণে সর্বজিৎ ও বন্ধুরা '!

সম্প্রতি মুক্তি পেল এক অনন্য মিউজিক অ্যালবাম। একইসঙ্গে নতুন বছরের ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হল। রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর-র গানকে পাশ্চিমি সঙ্গীতের সাথে মেলবন্ধন করিয়ে সেই আঙ্গিকে যন্ত্রানুষঙ্গ দ্বারা পরিবেশিত করার এক অনন্য প্রয়াস এই অ্যালবাম। অ্যালবামের নামকরণ করা হয়েছে রবির কিরণে সর্বজিৎ ও বন্ধুরা। জনতার কথার মাধ্যমে অ্যালবামের গানগুলি শুনে দেখতে অনুরোধ জানান অ্যালবামের কলাকুশলীরা। তাঁরা কয়েকটি গানের কয়েক-কলি গেয়েও শোনান কেউ কেউ। অ্যালবাম অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত জয়েন্ট কমিশনার সুজয় চন্দ, জিও ব্রডব্যান্ড সার্ভিসের রাজ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ বসু, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ও স্বনামধন্যা চিত্রকর সৌমিতা সাহা, অভিনেত্রী মৌবনী সরকার। জানুয়ারির শেষ রবিবার তাঁদের হাতেই ঘটল অ্যালবামের শুভমুক্তি ও এস আর এল-র বার্ষিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ।করোনাকালীন প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা জারী থাকায় জমায়েত করা যায় নি। সে-কারনেই হয়ত ঝাঁ-চকচকে ব্যবস্থাপনার মাঝে শয়ে শয়ে অতিথির উপস্থিতি লক্ষ করা গেলো না। তবু ও এসআরএল মোশন পিকচার্সের নতুন বছরের ক্যালেন্ডার প্রকাশ এবং রবির কিরণে সর্বজিৎ ও তার বন্ধুরা নামক মিউজিক অ্যালবামটির মুক্তি অনুষ্ঠান বিন্দুমাত্র ফিকে হয়নি। তাঁরা সম্পূর্ণ কোভিডবিধি মেনেই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন দক্ষিন কলকাতার এক ওপেন এয়ার স্টুডিওতে। নতুন বছরে নতুন করে রবি ঠাকুরের গান কে জি মিউজিক থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের যন্ত্রানুষঙ্গের সাথে প্রকাশ করার প্রসঙ্গে অভিনেত্রী মৌবনি সরকার বলেন কোভিড প্রোটোকল মেনে মিউজিক ভিডিও শুট করার এক মধুর অভিঞ্জতা হল। তিনি আরো বলেন কাজটা করে তিনি যথেষ্ট সন্তুষ্ট। সুজয় বাবু ও যোগ দেন গান রেকর্ড করার অভিনবত্বের অভিজ্ঞতার স্মৃতি চারণে। সঙ্গীতশিল্পী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্না চিত্রকর সৌমিতা সাহা বলেন, এই অ্যালবাম দারুনভাবে নতুন প্রজন্মের মন ছুঁয়ে গিয়ে, রবি ঠাকুরের গ্লোবালাইজেশনের দিকে একটি মাইল স্টোন। সাথে দীর্ঘ দিনের বন্ধু, ভাতৃ-সম সর্বজীতের প্রয়াস-কে এক অনবদ্য প্রয়াসের আক্ষা প্রদান করেন।SRL বার্ষিক ক্যালেন্ডার প্রকাশআমরা যেকোনো অনুষ্ঠানেই আক্ষরিক অর্থে যারা ব্যাক স্টেজ কর্মী তাঁদের উপেক্ষীত-ই থাকে। সেই ব্যাক স্টেজ কর্মী যাঁরা সারাবছর কলাকুশলীদের সাজানো থেকে শুরু করে লাইট-ক্যামেরাঅ্যাকশনে ব্যস্ত থাকেন, সমস্ত অতিথি-দর্শকদের সামনে তাঁদের ডেকে স্বীকৃতি দিলেন, সম্মানিত করলেন এসআরএল মোশন পিকচার্সের কর্ণাধার সর্বজিৎ ঘোষ৷ কাজের শেষে পারিশ্রমিক ছাড়াও সম্মান যে তাঁদের পাওনার মধ্যেই পড়ে, উপলব্ধিতে ভাসলেন ওঁরাও৷ বিশেষ সম্মানে ভূষিত হন চিত্রকর দিপঙ্কর সমাদ্দার।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
ব্যবসা

৭০ বছর পর টাটা'র ঘরে প্রত্যাবর্তন 'মহারাজা'র

শেষ হল এয়ার ইন্ডিয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া। টাটা সন্সের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হল মহারাজা-কে। একসময় টাটা-র হাত ধরেই এয়ার ইন্ডিয়ার পথ চলা শুরু। মাঝে অনেক পথ পেরিয়ে আবারও টাটার ঘরেই ফিরল সেই সংস্থা। টাটার হাতে হস্তান্তর করা হল সংস্থার ১০০ শতাংশ শেয়ার ও দেওয়া হল ম্যানজমেন্টের নিয়ন্ত্রণ।এই হস্তান্তরের পর টাটা সন্সকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি জানান, সরকারি সংস্থা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এ দিন বড় সাফল্য পেল ভারত। ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়ায় ফের সাফল্য আসবে বলে মনে করেন তিনি।কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পুরো শেয়ার তুলে দেওয়া হয়েছে টাটার হাতে। সংস্থার ১২ হাজার কর্মীকে বহাল রাখবে টাটা।Shri N Chandrasekaran, the Chairman of Tata Sons called on PM @narendramodi. @TataCompanies pic.twitter.com/7yP8is5ehw PMO India (@PMOIndia) January 27, 2022প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার। এই সংস্থার জন্য প্রত্যেকদিন সরকারের ক্ষতি হচ্ছিল ২০ কোটি টাকা করে। এর আগেও একবার এয়ার ইন্ডিয়ার বেসরকারিকরণের চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু বিপুল ঋণের বোঝা থাকার কারণে কোনও সংস্থা উৎসাহ দেখাচ্ছিল না। ফলে, তখন সফল হয়নি কেন্দ্র। বছরের পর বছর লাভের মুখ দেখেনি এয়ার ইন্ডিয়া। কার্যত ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে পড়েছিল। এ ভাবে সংস্থা আর চালানো সম্ভব হচ্ছিল না সরকারের পক্ষে।#FlyAI : Air India Limited, Air India Express AISATS (AI stake) have become part of the Tata Group today.Senior Officials of @TataCompanies , @SecyDIPAM and @MoCA_GoI met at Airlines House New Delhi. pic.twitter.com/HA4aEkVwWX Air India (@airindiain) January 27, 2022গত বছর অক্টোবরে এয়ার ইন্ডিয়াকে ১৮ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে টাটা গোষ্ঠীর অনুসারি সংস্থা টালাস প্রাইভেট লিমিটেডকে বিক্রি করে কেন্দ্রীয় সরকার। এর পর থেকেই শুরু হয়ে যায় বিক্রির সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য প্রক্রিয়া। চুক্তি অনুযায়ী, এয়ার ইন্ডিয়ার পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এবং এয়ার ইন্ডিয়া স্যাটস (গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং বা উড়ান বাদে অন্যান্য বিষয় সামলানো হয় যে সংস্থাকে দিয়ে)-এর ৫০ শতাংশ শেয়ারও টাটা গোষ্ঠীর অনুসারি সংস্থার কাছে হস্তান্তর হয়। বৃহস্পতিবার শেষ হল ১০০ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া এবং সেই সঙ্গে পরিচালন ক্ষমতা সম্পূর্ণ ভাবে তুলে দেওয়া হল টাটা গোষ্ঠীর হাতে। ফলে এয়ার ইন্ডিয়া নিয়ে টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারের লেনদেন আনুষ্ঠানিক ভাবে সমাপ্ত হল।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বলিউডে আইটেম নাম্বার এ দেখা যাবে পুষ্পা খ্যাত সামান্থা কে?

তাঁর অভিনয় দক্ষতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন ওঠার কথা নয়। সম্প্রতি পুষ্পা: দ্য রাইজ ছবিতে তাঁর আইটেম নাম্বার দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে। একটা আইটেম নাম্বারের জন্য নাকি ৫ কোটি নিয়েছিলেন তিনি এমনটাও শোনা গেছে। দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থার এই আইটেম নাম্বারের সাফল্য এবার তাকে বলিউডেও নিয়ে আসতে পারে।শোনা যাচ্ছে কর্ণ জোহর প্রযোজিত লাইগার ছবিতে একটি আইটেম গানে দেখা যেতে পারে সামান্থাকে। এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে থাকবেন জনপ্রিয় দক্ষিণী অভিনেতা বিজয় দেভরাকোন্ডা। এই ছবির মাধ্যমে বলিউড ডেবিউ হতে চলেছে সামান্থার। এই বিষয়ে আরও জানা গেছে যে সামান্থার জন্য বিশেষ একটি গানও নাকি ভেবে রেখেছেন কর্ণ জোহর। তবে এই বিষয়ে সামান্থার প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। পুষ্পা: দ্য রাইজ এর পারিশ্রমিকের সমস্যার জন্য প্রথমে আইটেম নাম্বার করতে নিমরাজি ছিলেন সামান্থা। পরে অল্লু অর্জুনের অনুরোধে তিনি আইটেম নাম্বার করতে রাজি হন। বলিউডে এখন সামান্থা কি করেন তার অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
দেশ

মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত বিজেপি বিধায়কের ছেলে-সহ ৭ ডাক্তারি পড়ুয়া, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বিজেপি বিধায়কের পুত্র-সহ আরও ৬ জনের।মৃতরা সকলেই ডাক্তারি পড়ুযা।সোমবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ ওই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওয়ার্ধা থেকে দেওলি অভিমুখে যাচ্ছিল গাড়িটি। সেই সময় সেলসুরার কাছে একটি সেতু থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে পড়ে যায়। মৃত্যু হয় গাড়িতে থাকা সাতজনেরই। তাঁরা সকলেই সাওয়াঙ্গি মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া।Maharashtra | 7 medical students, including BJP MLA from Tirora constituency Vijay Rahangdales son Avishkar Rahangdale, died after their car fell from a bridge near Selsura around 11.30 pm on Monday (January 24) pic.twitter.com/Hc9WC7sZvx ANI (@ANI) January 25, 2022ঘটনায় টুইটে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাশাপাশি, দুর্ঘটনাগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন নমো। টুইটেই জানিয়েছেন মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।Pained by the loss of lives due to an accident near Selsura in Maharashtra. In this hour of sadness, my thoughts are with those who have lost their loved ones. I pray that those injured are able to recover soon: PM @narendramodi PMO India (@PMOIndia) January 25, 2022দুর্ঘটনায় মৃতদের মধ্যে অন্যতম মহারাষ্ট্রের তিরোরা বিজেপি বিধায়ক বিজয় রাহাংদালের পুত্র আবিষ্কার রাহাংদালে। পবন শক্তি নামে আরও একজন ছিলেন প্রথম বর্ষের পড়ুয়া। বাকি চারজন ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র।PM @narendramodi announced that Rs. 2 lakh each from PMNRF would be given to the next of kin of those who have lost their lives in the accident near Selsura. Those who are injured would be given Rs. 50,000. PMO India (@PMOIndia) January 25, 2022

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

প্রেসিডেন্সির বন্দি নিখোঁজের তদন্ত করবে ডিজিপি মর্যাদার আধিকারিক, নির্দেশ হাইকোর্টের

সংশোধনাগার থেকে বন্দি নিখোঁজ মামলায় শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিল প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সংশোধনাগারের ক্যামেরা চলছে। লাইভ ছবি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) থেকে সেই রেকর্ড সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। অভিজ্ঞ, পেশাদারদের দেখানো হলেও, তারাও ওই রেকর্ড উদ্ধার করতে পারেননি। কিন্তু প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের এই রিপোর্টে মোটেই খুব একটা সন্তুষ্ট নয় আদালত। রিপোর্টের ভিত্তিতে আদালতের মন্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কি রাতেই ছাড়তে হল? তিনি কোথায় আছেন? ভিডিও ফুটেজ নেই। খাতায় কোনও রেকর্ড নেই।রাজ্যের তরফে আরও বলা হয়েছে, যখন তাকে আনা হয়েছিল তখন ওয়ার্ড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি দেখার জন্য রাজ্যের তরফে রাজীব কুমারের নাম প্রস্তাব দেওয়া হয়। মামলাকারীর আইনজীবী জানিয়ে দেন, তাঁর হাতে দায়িত্ব না দিতে। বরং মামলাকারীর আইনজীবী সওয়াল করেন, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল বা এএসজিকে দায়িত্ব দেওয়া হোক। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে দুই পক্ষের মন্তব্য শোনার পর আদালতের নির্দেশ, পুলিশকে দায়িত্ব দেব না, সরাসরি যার নিয়ন্ত্রণে জেল আছে।পাশাপাশি এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের যে গাফিলতি ছিল তা-ও উঠে এসেছে। সেই প্রেক্ষিতেই ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, এমন পুলিশ আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া যাবে না, যিনি সরাসরি জেলের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী অমিতেশ বন্দোপাধ্যায় বলেন, জেলের ক্যামেরা চলছিল। লাইভ ছবিও উঠেছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) কাজ না করায় রেকর্ড হয়নি। ওই বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের দেখানো হলে তাঁরাও ফুটেজ উদ্ধার করতে পারেননি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ ফেব্রুয়ারি।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
বিদেশ

আশা দেখাচ্ছে ব্রিটেন, দ্রুত সংক্রমণ কমছে ওমিক্রনের, বাধ্যতামূলক নয় মাস্ক পরা

সারা পৃথিবী যখন ওমিক্রন ঝড়ে বেসামাল, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী-র গলায় অন্য সুর, তিনি সরকারি ভাবে বিবৃতি দিয়ে জানালেন আর মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নয়। তাঁর অর্থ কেউ মাস্ক ব্যবহার না করলেও তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি ভাবে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। বুধবার ব্রিটেনে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,০৮,০৬৯ যা গত সাত দিনের তুলনায় ৩৭.২% কম, এবং ৩৫৯ জন করোনা আক্রন্তের মৃত্যু হয়েছে, সেক্ষেত্রেও ৮.২% কম। প্রধানমন্ত্রী বাইডেন আরও জানিয়েছেন যে, এখন থেকে থাকছে না ওয়ার্ক ফ্রম হোমও, সকলকে অফিসে এসে কাজ করতে হবে। করোনা ও ওমিক্রনের সংক্রমণ খুব দ্রুত হ্রাস পাওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ঘোষণা করলেন বরিস। তিনি জানিয়েছেন, সামনের সপ্তাহ থেকেই কোভিড সংক্রান্ত আরও অন্য যে সমস্ত বিধিনিষেধ আছে সেগুলিও প্রত্যাহার করা নেওয়া হবে।সামাজিক মাধ্যমে টুইট করে বরিস জনসন জানান, আমাদের বিজ্ঞানীরা সরকারি ভাবে জানিয়েছেন যে, ব্রিটেন-এ ওমিক্রনের সংক্রমণ পিক শিখড়ে পৌঁছে গিয়েছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কাউকেই বাড়ি থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করতে বলবে না, সকলেই অফিসে এসে কাজ করতে পারে। তিনি দাবি করেন, ব্রিটেনই বিশ্বে প্রথম টিকা তৈরি করে এবং সমগ্র ইউরোপের সমস্ত দেশের আগে টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু করে।We were the first nation in the world to administer a vaccine, and one of the fastest in Europe to roll it out.This was because we made the big call to pursue our own vaccine procurement, outside of the EMA.1/5 Boris Johnson (@BorisJohnson) January 19, 2022তিনি টুইট করে আরও জানান, আমরা নিজেদের উদ্যোগে টিকা তৈরি হওয়ার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে ৷ আমরা যখন আগের গ্রীষ্মকালে সবকিছু স্বাভাবিক রাখার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তখন বাকিরা বলেছিল এটা করা উচিত নয়৷ এই শীতেও যখন অন্যান্য দেশ লকডাউন ঘোষণা করে দিয়ছে, তখনও আমাদের সবকিছু স্বাভাবিক খোলা ছিল ৷ এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে ব্রিটেনের অর্থিনীতিতে ক্ষতি বাকিদের থেকে অনেক কম হয়েছে। বরিস জনসন জানান, আমাদের বিজ্ঞানীরা সরকারি ভাবে জানিয়েছেন যে, ব্রিটেন-এ ওমিক্রনের সংক্রমণ পিক শিখড়ে পৌঁছে গেছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার আরও জানান ইউরোপে মধ্যে কেবলমাত্র আমাদেরই অর্থনীতি এবং সমাজ সবচেয়ে উন্মুক্ত এবং জি-৭ অন্তভুক্ত দেশ গুলির মধ্যে ব্রিটেন-ই সবচেয়ে দ্রুত এগিয়ে চলা অর্থনীতির দেশ৷ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দাবি, খুব দ্রুত বুস্টার ডোজের প্রচারের জন্য এবং প্ল্যান-বি নির্দেশিকায় মানুষ খুব ভালো সাড়া দেওয়ায়, তাঁরা প্ল্যান-এ-তে আবার ফিরে যাচ্ছেন এবং প্ল্যান বি-র নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন৷ প্ল্যান-বি নির্দেশিকা বলতে তিনি জানিয়েছেন বাধ্যতামূলক ফেস মাস্ক, বাধ্যতামূলক কোভিড পাস ও ওয়ার্ক ফ্রম হোমের মত পরামর্শের কথা অখানে বলা হয়েছে৷We delivered the biggest and fastest vaccine roll out in Europe, resisted lockdown, and can now restore freedoms with the end of Plan B.Labours answer was 𝐥𝐨𝐜𝐤𝐝𝐨𝐰𝐧.Ours is a plan thats protecting health, kept unemployment low and restored the economy. pic.twitter.com/noX3j5ihy7 Oliver Dowden (@OliverDowden) January 19, 2022ব্রিটেনে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫,২১,৫১,৬৪৩ (৯০.৭০%) প্রথম ডোজ নিয়েছেন, দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪,৮০,১৯,০৬৯ (৮৩.৫%) এবং বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৩,৬৬,২১,৬৭১ (৬৩.৭%) জন ৷ এখানে বিশেষ উল্লেখ্য ভারতে যেখানে ১৫ বছরের উর্ধে করোনা টিকা দেওয়া হচ্ছে, ব্রিটেনে ১২ বছর বয়সের উর্ধে সকলকেই টিকা দেওয়া হচ্ছে। ব্রিটেন-ই সেই দেশ যারা প্রথম সারা বিশ্বকে কোভিড-১৯-এর রূপ বদল (ভেরিয়েন্ট) নিয়ে সতর্ক করেছিল এবং ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ রোখার জন্য তাঁরা ডিসেম্বরের প্রথমেই আন্তর্জাতিক উড়ানে সফর নিয়ন্ত্রণ করার পদক্ষেপ নিয়েছিল ও তাদের প্ল্যান-বি শুরু করে দিয়েছিল।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরা

চারপাশে সবুজে ভরা ক্ষেত। তারাই মাঝে কোনওরকমে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে ভাঙা ফুটো একচিলতে কুঁড়ে ঘর। প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যে সেই কুঁড়ে ঘর থেকে ভেসে আসে শিশু পুত্র অভিষেক সানার মায়াবী কন্ঠে ভরা লোক গানের সুর। নিথুর প্রেম ভিখারি করেছে মোরে। মা হারানো অভিষেকের গাওয়া এই গানের সুর মূর্ছনাতেই মোহিত পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলের আট থেকে আশি সকলে। মায়াবী কন্ঠে ভরা গানের জাদুতেই একরত্তি ছেলে অভিষেক গ্রামের সকলের মনের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে। বড়শুলের সকল বাসিন্দাই মনেপ্রাণে চান দিন দরিদ্র পরিবারের ছেলে অভিষেক বড় হয়ে নামজাদা বাউল কিংবা লোকগানের শিল্পী হোক। অভিষেকও সেই স্বপ্নকে আঁকড়েই নিজেদের কুঁড়ে ঘরে নিত্যদিন রেওয়াজ চালিয়ে যাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পুরভোট বন্ধ নিয়ে সরাসরি রায় নয় হাইকোর্টের, নির্বাচন পিছানোর সিদ্ধান্ত বর্তাল কমিশনের ওপরবর্ধমান সদর ২ ব্লকের বড়শুল ২ পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্রাম বালিমাঠ। এই গ্রামের চারপাশে থাকা চাষের জমির মাঝেই রয়েছে ছিটেবেড়া আর খড়ের চালার তৈরি অভিষেকদের কুঁড়ে ঘরটি। নিজভূমি নিজগৃহ প্রকল্পে পাওয়া জায়গায় গড়ে তোলা ভাঙা ফুটো সেই ঘরেই ৯ বছর বয়সী অভিষেক ও তাঁর ছোট ভাই সহ বাবা, বৃদ্ধা ঠাকুমা ও পিসি বসবাস করেন। জায়গা মিললেও এখনও পাকা বাড়ি তাঁদের মেলেনি। অভিষেকের যখন ৪ বছর বয়স তখন তাঁকে ও তাঁর ছোটভাই কৌস্তভ কে বাড়িতে ফেলে রেখে গায়েব হয়েযান মা ভারতীদেবী। অভিষেকের বাবা তারকচন্দ্র সানা বালি খাদানে শ্রমিকের কাজ করে যৎসামান্য যা রোজগার করেন তা দিয়েই তাঁদের দিন গুজরান হয়। অভিষেক বড়শুল নিম্নবুনিয়াদি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র। তাঁর ভাই কৌস্তভ একই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর পড়ুয়া। বাড়িতে বিদ্যুতের বাতির আলোয় পড়াশুনা করার সৌভাগ্যও এখনও তাঁদের হয়নি। সন্ধ্যা নামলেই লম্ফ অথবা হারিকেনের আলোই ভরসা অভিষেকদের। তবে কষ্টের সংসারে অভিষেকই গানের সুরে সবার মন ভুলিয়ে রেখেছে।তারকচন্দ্র সানা জানিয়েছেন, তিনি গান-বাজনা ভালোবাসেন। বাউল ও লোকগান শোনার টানে আগে তিনি বীরভূমে জয়দেবের মেলায় যেতেন। তখন ছোট্ট অভিষেককেও সঙ্গে নিয়ে যেতেন। জয়দেব মেলায় হাজির হওয়া বাউল ও লোকগানের শিল্পীদের গাওয়া গান শুনে অভিষেকেরও গান গাওয়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। প্রথমদিকে সে বাড়িতেই গুনগুন সুরে গান গাইতো। তা দেখে অভিষেককে একটা হারমোনিয়াম কিনে দেয় ওর মামারা। হারমোনিয়াম পাওয়ার পর প্রথম প্রথম অভিষেক নিজেই হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান করতো। বছর দুই হল বড়শুল নিবাসী মঙ্গল কালিন্দী কোনও পারিশ্রমিক না নিয়ে গান শেখাচ্ছেন অভিষেককে। মঙ্গলবাবু নিজেই গান লিখে গানের সুর দেন। সেই গানই এখন গেয়ে অভিষেক বড়শুলবাসীর মন জয় করে নিয়েছে। পাশাপাশি অভিষেক তাঁর নিজের ছোট ভাই কৌস্তবকেও একটু একটু করে গানের তালিম দিচ্ছে।আরও পড়ুনঃ যন্ত্রের যুগেও গ্রাম বাংলায় পৌষ পার্বণের পিঠে-পুলি তৈরিতে আজও অনবদ্য ঢেঁকিখুদে শিল্পী অভিষেক জানিয়েছে, বাবার হাত ধরে সে জয়দেবের মেলায় যেত। সেখানে বাউল ও লোকগানের শিল্পীদের গাওয়া গান শুনেই সে গান গাওয়ার ব্যপারে অনুপ্রাণিত হয়। অভিষেক এও জানায়, বাউল ও লোকগান শেখার প্রতিই তাঁর টান বেশী। বড় হয়ে স্বনামধন্য বাউল গানের শিল্পী হতে চায় বলে অভিষেক। মঙ্গল কালিন্দী বলেন, তাঁর ছাত্র অভিষেকের প্রতিভা রয়েছে। গান গেয়ে এত ছোট বয়সে ও যে ভাবে সবার মন জয় করে নিয়েছে সেটাই সবথেকে গৌরবের বলে মঙ্গলবাবু দাবি করেছেন। এলাকার বাসিন্দা নয়ন মণ্ডল বলেন, মায়াবী কন্ঠে ছোট্ট অভিষেকের গাওয়া গান তাঁদের মুগ্ধ করে।আরও পড়ুনঃ বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরিঅভিষেকের গাওয়া গানের সুর মর্ছনাতেই এখন মোহিত বড়শুলবাসী। দূর দূরান্তের সংগীত প্রেমীরাও অভিষেকের কন্ঠে গান শুনতে এখন তাদের কুঁড়ে ঘরে হাজির হচ্ছে। বর্ধমান ২ ব্লকের বিডিও সুবর্ণা মজুমদার ও ছোট্ট অভিষেকের গাওয়া গান শুনে মুগ্ধ। জানা গিয়েছে, তিনি অভিষেক ও তাঁর পরিবারকে সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছেন। অভিষেকের প্রতিভার কথা শুনে যারপরনায় মুগ্ধ বিশিষ্ঠ বাউল গান শিল্পী তথা অমৃত বাউল লোকগান প্রসার সমিতির রাজ্য সম্পাদক মণিমোহন দাস। তিনি জানিয়েছেন, অভিষেকের বাবা চাইলে তিনি সহ তাঁদের সংগঠনের অন্য শিল্পীরাও বিনা পারিশ্রমিকে অভিষেককে গান শেখাতে রাজি রয়েছেন। তবে অভিষেকের বাড়ি গিয়ে হয়তো গান শেখানো সম্ভব হবে না।অমৃত বাউল লোকগান প্রসার সমিতির আখড়ায় এসে অভিষেককে গান শিখতে হবে। অভিষেককে দিয়ে বড় মঞ্চে গান গাওয়ানোর ব্যাপারেও প্রয়োজনে উদ্যোগ নেবেন বলে মনিমোহন দাস জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

STF Operation Burdwan: বর্ধমানে এসটিএফের অভিযানে ৬৫ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, ব্যাপক চাঞ্চল্য

স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের অভিযানে ফাঁস হল হেরোইন তৈরি ও পাচারের সঙ্গপ যুক্ত আন্ত রাজ্য চক্রের।অভিযানে ধরা পড়েছে মোট ৬ জন। তাঁদের মধ্যে দুজনকে এসটিএফ রবিবার রাতে ধরে বর্ধমানে বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে। পৌরসভা ভোটের আগে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে শহর বর্ধমানে।আরও পড়ুনঃ কেপ টাউন টেস্টের আগে ঋষভকে কেন সতর্ক করলেন কোহলি?এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকা থেকে ধৃতদের নাম বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডল। এঁরা সম্পর্কে বাবা ও ছেলে। এই দুই ধৃতর আদি বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গকোটে। তবে ১০ বছর আগে সেখান থেকে চলে এসে তাঁরা ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বর্ধমানে পালার- শ্রীরামপুর এলাকায় থাকতে শুরু করে। পরে তাঁরা শহর বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে বাড়ি ক্রয় করে। রবিবার রাতে এসটিএফ বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডলদের বর্ধমানের ডেরায় অভিযান চালিয়ে ১৩ কেজি হেরোইন ও হেরোইন তৈরির রাসায়নিক উপকরণ রাজেয়াপ্ত করেছে। যার আনুমানিক মূল্য ৬৫ কোটি টাকা বলে এসটিএফের দাবি। এছাড়াও ধৃতদের ডেরা থেকে উদ্ধার হয়েছে ২০ লক্ষ ১০ হাজার ১০০ টাকা। বাকি চার ধৃতর মধ্যে ২ জন ওড়িশা ও ২ জন মণিপুরের বাসিন্দা। এদের বিষয়ে হাওড়ার গোলাবারি থানা মামলা রুজু করেছে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট মামলার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন বাবর মণ্ডল ও তাঁর ছেলে বর্ধমানের ডেরার হেরোইন তৈরি করে ওড়িশা ও মণিপুরে পাচার করতো।আরও পড়ুনঃ করোনা সচেতনায় মেমারির বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্যর বার্তাতদন্তকারীদের কথায় জানা গিয়েছে, হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার রুজু হওয়া একটি মামলার সূত্র ধরে এসটিএফ ওড়িশা ও মণিপুর থেকে ৪ মাদক-পাচারকারীকে গ্রেফতার করে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন বর্ধমানের দুজনের কাছ থেকে তাঁরা মদক দ্রব্য কেনে। বর্ধমানের মাদক কারবারীদের ৫ জন এজেন্ট ওড়িশাতে থাকার কথাও জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে। এমনকি বর্ধমানে দৈনিক ৪-৫ কোটি টাকার মাদক তৈরি হয়ে পাচারের তথ্যও তদন্তকারীদের কাছে উঠে আসে। এরপরেই রবিবার রাতে এসটিফ কর্তা আমিনুল ইসলাম খাঁনের নেতৃত্বে বর্ধমানের গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকায় বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডলদের ডেরায় অভিযান চালানো হয়।আরও পড়ুনঃ করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্নএসটিএফের দাবি বাবর ও রাহুলদের বর্ধমানের ডেরা থেকে ১৩ কেজি হেরোইন, হেরোইন তৈরির রাসায়নিক উপকরণ ও নগদ ২০ লক্ষাধিক টাকা ছাড়াও টাকা গোনার যন্ত্র এবং অন্যান সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। দুটি বাড়ির ভিতরে বস্তাবন্দি করে বড় বড় প্লাস্টিক ড্রামের ভিতর হেরোইন ও অন্যান্য সামগ্রী লুকিয়ে গুলি রাখা ছিল। তদন্তকাীরা জেনেছেন, বর্ধমানে বাবর ও রাহুলের গোপন ডেরায় যে হেরোইন তৈরি হত তার কাচা মাল আসতো মণিপুর থেকে। হেরোইন তৈরি হওয়ার পর তা পাচারের জন্য দেওয়া হত ওড়িশার এজেন্টদের হাতে। হেরোইনের কারবার চক্রে বর্ধমানের আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা সেই বিষয়টি নিয়েও এসটিএফ খোঁজ খবর চালাচ্ছে।হেরোইনের কারবারের বিষয়ে বর্ধমান অভিযান চালিয়ে এসটিএফ প্রচুর হেরোইন সহ দুজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেলেও পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ এই বিষয়ে সম্পূর্ণ অন্ধকারেই ছিল। এদিন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় বলেন, এই বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারবো না।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Sonu Nigam : সপরিবারে কোভিড পজিটিভ সোনু নিগম

বলিউডে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর পরপর আসছে। বিগত কয়েকদিনে অনেক বলিউড তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এবার সপরিবার কোভিডে আক্রান্ত বলিউড গায়ক সোনু নিগম। টুইট করে সোনু নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। কোভিডে আক্রান্ত তাঁর স্ত্রী মধুরিমা নিগম এবং ছেলে নীভম।বর্তমানে সপরিবারে দুবাইতে রয়েছেন সোনু। কয়েক দিনের মধ্যেই ভুবনেশ্বরে একটি শো-এর শ্যুটিংয়ের জন্য যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় আপাতত নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। সোনু জানিয়েছেন, সামান্য উপসর্গ রয়েছে তাঁর। তবে অসুস্থ নন তিনি। মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে দুবাইয়ে। দেশে ফেরার কথা ছিল। ভুবনেশ্বরে একটি রিয়ালিটি শোয়ের শ্যুটিংয়ের কথা রয়েছে। কিন্তু কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ায় আপাতত নিভৃতবাসেই রয়েছি। যত বার পরীক্ষা করিয়েছি, তত বারই রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমি সুস্থ আছি। কিন্তু আমার জন্য যাঁদের ক্ষতি হল তাঁদের জন্য খারাপ লাগছে।সম্প্রতি সুমনা চক্রবর্তী, একতা কপূর, জন আব্রাহাম এবং তাঁর স্ত্রী প্রিয়া রুঞ্চল, প্রেম চোপড়া-সহ অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে করিনা কাপুর, নোরা ফতেহির মতো তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তাঁরা এখন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

New song : পথের গানওয়ালা মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ এর প্রথম গান মুক্তি নতুন বছরে

বছর শুরুতে পাহাড়ের গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন কলকাতার স্ট্রিট মিউজিকে অতি চেনা নাম মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ। এই ব্র্যান্ডে বেশ পরিচিত নীলাঞ্জন সাহা। গোলপার্কে সাইকেলকে সম্বল করে স্ট্রিট মিউজিক নিয়ে কাজ করার তাগিদেই স্যান্ডউইচ বিক্রির এই অভিনব পন্থা নেন নীলাঞ্জন। দেখতে, দেখতে বছর তিন পার করে ফেলেছেন এই তরুণ তুর্কী।এই প্রথম অরিজিনাল গান করলেন নীলাঞ্জন। সম্ববত এই প্রথম শহরের কোনো স্ট্রিট মিউজিশিয়ান গান রেকর্ড করলেন।আর এই গানের নেপথ্যে থাকা মানুষটি শহরের প্রথম স্ট্রিট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর উদ্যোক্তা, পাশাপাশি মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এরও আয়োজক, সুদীপ্ত চন্দ। গানের কথা,সুর তাঁর এবং এই প্রথম গানও গাইলেন নীলাঞ্জনের সাথে। সুদীপ্ত মূলত পাহাড়ের গান করেন।এর আগে দুটো গানই পাহাড় নিয়ে বানিয়েছেন। গেয়েছেন রূপঙ্কর। এই প্রথম স্ট্রিট মিউজিশিয়ানকে সঙ্গী করে গান বানালেন সুদীপ্ত।গানের শুট হলো দার্জিলিং এর দাওয়াইপানির আনাচেকানাচে, লামাহাটার পাইন বনে,ত্রিবনীতে। গান জুড়ে পাহাড়ের দৃশ্যগুলো বেশ নজর কাড়ে। পাহাড়ের কোলে দুই বন্ধুর জার্নি নিয়ে বছর শুরুতে এই গান প্রকাশ পাবে দ্যা ড্রিমার্স মিউজিক পি আর এজেন্সি এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে। গানের সঙ্গীত আয়োজন করেছেন মাধুর্য মুখোপাধ্যায়। সুদীপ্ত চন্দ বললেন, ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে পড়ার সময় প্রথম গান করেছিলাম। পরে সুরঙ্গমা-তে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষা।মূলত মিউজিক নিয়ে সাংবাদিকতা করেই পরিচিত হই। নতুন গান তৈরি করার ইচ্ছে অনেক দিন ধরেই ছিল।কিন্তু নিজে গান রেকর্ড করবো আগে ভাবিনি।নীলাঞ্জনকে তিন বছর ধরেই চিনি। ওঁর কাজ বহু মানুষকে আনন্দ দেয়।আমাকও দেয়। তাই মনে হলো একজন স্ট্রিট মিউজিশিয়ানের সঙ্গেই গানটা রেকর্ড করি।আর পাহাড়ের প্রেক্ষাপটে গানটা শোনার সাথে দেখতেও বেশ ভালো হয়েছে।অন্যদিকে নীলাঞ্জন সাহা বলেন, সুদীপ্ত দা আমার থেকে বয়েসে অনেকটাই বড়। বয়েসের এই পার্থক্যকে উপেক্ষা করে গড়ে ওঠা একটা বন্ধুত্বের গল্প বলে আমাদের এই গান এ পথ চলা,যেটা খুব একটা দেখা যায় না বলে আমার মনে হয়। ফুটপাথের গানওয়ালা থেকে একজন রেকর্ডেড আর্টিস্ট হয়ে উঠতে পেরে সত্যি খুব ভালো লাগছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Ex-MLA: বর্ধমানে দলীয় কর্মীর বাড়ি তৈরিতে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধরের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে

বিধায়ক পদে থাকুন বা না থাকুন সর্বদাই তিনি থাকেন রণংদেহী ভাবমূর্তি নিয়েই, এমন বিতর্ক রয়েছে। বিধানসভার ভিতরে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিধায়ককে কুকথা বলা কিংবা থানায় ঢুকে পুলিশ আধিকারিকদের চমকানো সবেতেই মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের নাম জড়িয়েছে। এবার সেই নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার এক তৃণমূল কর্মীর বাড়ি তৈরির কাজে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধোরের অভিযোগ উঠলো। এই ঘটনা নিয়ে বুধবার সকালে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয় পড়ে। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাক্তন বিধায়কের এমন আচরণের নিন্দায় সরব হয়েছেন বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার সকল তৃণমূল কর্মী ও সমর্থক। বর্ধমান শহরের পীরবাহারাম ডাঙাপাড়া এলাকায় বাড়ি তৃণমূল কর্মী সেখ আনোয়ারের। তাঁর বাড়ির পাশেই রয়েছে মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের বাড়ি। সেখ আনোয়ার এদিন জানান, তাঁর বসত বাড়ির অবস্থা খারাপ থাকায় তিনি সরকারের কাছে একটি পাকা বাড়ির জন্য আবেদন করেন। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। কয়েকদিন ধরে তাঁর পাকা বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। আনোয়ার বলেন, নার্গিস বেগমের বাড়ির জানালার সোজা আমার বাড়ির জানালা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলে নার্গিস বেগম এদিন আমার বাড়িতে কর্মরত রাজমিস্ত্রীদের উপর চড়াও হয়। ইট নিয়ে রাজমিস্ত্রিদের উপর হামলা চালায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ পৌছায়। সেখ আনোয়ারের আরও অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে প্রাক্তন বিধায়কের কথায় উল্টে তাঁদেরই শাসায়। এমনকি তাঁদের কোনও কথাই পুলিশ শুনতে চায়নি বলে আনোয়ারবাবু অভিযোগ করেছেন। যদিও এই বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন নার্গিস বেগম।এলাকার তৃণমূল নেতা সেখ ভীম জানান, নার্গিস বেগম ও তার পরিবারের সদস্যারা মিলে রাজমিস্ত্রীদের মারধর করেছে। যার বাড়িতে কাজ হচ্ছিল সেও একজন তৃণমূল কর্মী। নার্গিস বেগম যে ঘটনা ঘটালেন সেটা সত্যি লজ্জার বিষয়। দলের প্রাক্তন বিধায়কয়ের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে এলাকার লোকজনও। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন,কি হয়েছে জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। তবে আইনের উর্ধে কেউ নন।সবাইকেই নিয়ম মেনেই কাজ করতে হবে। দলের নেতা-নেত্রী বলে আইন আলাদা হবে না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Bhatar: পূর্ব বর্ধমানে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তিন লক্ষ টাকার চেক চুরি, শ্রীঘরে জামাই

শ্বশুরবাড়ি এলাকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ৩ লক্ষ টাকার চেক চুরির দায়ে গ্রেফতার হল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে। ধৃত জামাইয়ের নাম সাইগন শেখ। তাঁর বাড়ি জেলার মেমারি থানার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ বুধবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তুলে পুলিশ তাঁকে ৫ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আবেদন জানায় । বিচারক ধৃতের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ভাতারের বলগোনা গ্রামে সাইগন শেখের শ্বশুরবাড়ি। সপ্তাহ দুয়েক আগে এই গ্রামের একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জনৈকা পম্পা গড়াই নামে এক মহিলা তাঁদের ৩ লক্ষ টাকার চেক চুরি যাওয়া বিষয়ে ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ওই চেক ভাঙিয়ে কেউ গোষ্ঠির এ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিয়ছে বলেও ওই মহিলা পুলিশকে জানান। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে চেকের ওই ৩ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে মেমারি থানার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাইগন শেখের ব্যাঙ্ক আ্যকাউন্টে। সাইগন শেখ ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠির এক মহিলার আত্মীয় বলে পুলিশ জানতে পারে। এরপর বুধবার রাতে মেমারির ডাঙ্গাপাড়ায় সাইগন শেখের বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। গোষ্ঠীর চেক চুরি করে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আর কারও হাত রয়েছে কিনা তা জানতে ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
বিদেশ

Kim Jong Un: পপ গান শোনার অপরাধে সাত জনকে মৃত্যুদণ্ড দিল অত্যাচারী কিম জং উন

কে পপ (দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় পপ গান) শোনার অপরাধে সাত জনকে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার অভিযোগ উঠল উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের বিরুদ্ধে।একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষাকারী সংগঠন এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্টে দাবি করেছে, দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি কে পপ শোনা এবং অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার অপরাধে ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে অন্তত সাত জনকে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেন কিম। এর মধ্যে ৬টি ঘটনা ঘটেছে হেসান প্রদেশে। শুধু তাই নয়, ওই সময়ে কিমের নির্দেশে প্রিয়জনের মৃত্যুদণ্ড দেখতে নিকটাত্মীয়দের বাধ্য করা হয়েছিল বলে জানায় সংগঠনটি।২০১৫ সাল থেকে অন্তত ৬৮৩ জন কিম-বিরোধী উত্তর কোরিয়ানদের সঙ্গে এ নিয়ে তারা কথা বলেছে। তাতে জানা গিয়েছে, কিমের প্রথম পাঁচ বছরের শাসন কালে নানা কারণে ৩৪০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এই তালিকায় রয়েছেন কিমের কাকা জ্যাং সং থেকে, দেশের তৎকালীন সেনা প্রধান রি ইয়ং হো।পাশাপাশি, বাবা কিম জং ইলের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নতুন ফতোয়া দিয়েছে কিমের সরকার। রেডিয়ো ফ্রি এশিয়া সূত্রে খবর, টানা ১১ দিন চলবে না মদ্যপান। হাসতেও পারবেন না কেউ। দেশবাসীর চোখেমুখে কোনও ভাবেই যেন খুশির ঝলক দেখা না যায়।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

Viral Badam Song: বাদামকাকু-কে আর্থিক সাহায্য মদন মিত্রের

খ্যাতির বিড়ম্বনা। কাঁচা বাদম গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন বীরভূমের বাদাম বিক্রেতা ভুবন বাদ্যকর । সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল তাঁর গান কাঁচা বাদাম। কিন্তু গান ভাইরাল হলেও বন্ধ বাদাম বিক্রি। শনিবার কলকাতায় পুরভোটের প্রচারে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এরই মাঝে রবীন্দ্র সরোবরের কাছে একটি চায়ের দোকানে মদন মিত্রের সঙ্গে দেখা মিলল তাঁর।আরও পড়ুনঃ বাদাম বাদাম দাদা কাঁচা বাদাম বাদাম বিক্রির সঙ্গে গান, সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল বাদাম কাকুমদন মিত্রের সঙ্গে দেখা করে নিজের আর্থিক দুরবস্থার কথা জানান তিনি। তাঁর গানে মুগ্ধ মদন মিত্র, এক কথাতেই তাঁকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মদন মিত্র জানান, তিনি ২০ হাজার টাকা তুলে দেবেন ভুবনের হাতে। এদিন ভুবনের সঙ্গে একসঙ্গে কাঁচা বাদাম গানটিও গেয়েছেন মদন মিত্র। এছাড়াও আগামী পুরভোটের দিন প্রতিটি ওয়ার্ডের পার্টি কর্মীদের জন্য বাদাম ভাজা অর্ডার করেন বিধায়ক। মদন মিত্র বলেন ও লাভলির বদলে এখন তাঁর নতুন ট্যাগলাইন বাদাম ভাজা।আরও পড়ুনঃ আবার ড্র! হারের হ্যাটট্রিক বাঁচাল হাবাসের এটিকে মোহনবাগানকিছুদিন আগেই নিজের আক্ষেপের কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ করেছিলেন ভুবন বাদ্যকর। গান গেয়েছেন তিনি, কিন্তু পাচ্ছেন না তাঁর প্রাপ্য টাকা। ইউটিউবাররা সে গান রেকর্ডিং করে সোশ্যাল মাধ্যমে রোজগার করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এই অভিযোগ নিয়ে এবার দুবরাজপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছিলেন বীরভূম জেলার দুবরাজপুর ব্লকের অন্তর্গত লক্ষ্মীনারায়ণপুর পঞ্চায়েতের কুড়ালজুড়ি গ্রামের বাসিন্দা ভুবন বাদ্যকর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Singur Tragedy: ধারালো অস্ত্রের কোপ থেকে বাঁচল না দাদু ও নাতিও, সিঙ্গুরে নিভল প্যাটেল পরিবারের প্রদীপ

পারিবারিক বিবাদের জের। একই পরিবারের চারজনকে ধারালো অস্ত্রের কোপে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারালেন ২ জন। কলকাতায় এনেও বাঁচানো গেল না বাকি ২ জনকে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এক আত্মীয়কে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চলছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে।জানা গিয়েছে, মৃতেরা হলেন মাওজি প্যাটেল, তাঁর ছেলে দীনেশ প্যাটেল, দীনেশের স্ত্রী অনুসূয়া ও ছেলে ভাবিক। গুজরাত থেকে চলে এসেছিলেন এ রাজ্যে। কয়েক দশক ধরে সিঙ্গুরের নান্দাবাজার এলাকায় থাকতেন প্যাটেলরা। বাড়ির পাশেই কাঠ চেরাইয়ের কল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পাড়ায় সকলের সঙ্গে মেলামেশা করতেন প্যাটেল পরিবারের সদস্যরা। কখনও কোনও ঝামেলায় জড়াননি তাঁরা। সকলের সঙ্গেই ভদ্র ব্যবহার করতেন।পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন ভোরে বাড়িতে যান প্যাটেলদেরই এক আত্মীয় যোগেশ ধাওয়ানী। প্রথমে কথা কাটাকাটি, তারপর পরিবারের চার সদস্যকে যোগেশ ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপান বলে অভিযোগ। বাড়ির নিচে থাকেন বছর বাইশের এক যুবক। সকালে তিনিই প্রথম ঠাকুরঘরে গৃহকর্তা মাওজি প্যাটেলকে রক্তাক্ত অবস্থা পড়ে থাকতে দেখেন। গুরুতর জখম অবস্থায় পাশাপাশি দুটি শোওয়ার ঘরে পড়েছিলেন দীনেশ, তাঁর স্ত্রী অনুসূয়া ও ছেলে ভাবিক। আর মেঝে চাপ চাপ রক্ত! খবর দেওয়া হয় সিঙ্গুর থানায়।চারজনকেই উদ্ধার করে সিঙ্গুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে দীনেশ ও তাঁর স্ত্রীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মাওজি প্যাটেল ও তাঁর নাতি ভাবিকের দেহে প্রাণ ছিল তখনও। শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় কলকাতা এসএসকেএম হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। বিকেলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মৃত্যু হয়েছে দাদু ও নাতিরও। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, পারিবারিক বিবাদের জেরেই খুন। সিসিটিভি ফুটেজে অভিযুক্ত যোগেশ ধাওয়ানীকে দেখা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক সে। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sonu Sood : কোরিওগ্রাফারের মৃত্যুতে ভেঙ্গে পড়লেন সোনু সুদ

করোনা এক এক করে অনেক মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন টেলিপাড়ার মানুষও। করোনা কেড়ে নিল জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কোরিওগ্রাফার শিব শংকরের প্রাণ। তেলেগু চলচ্চিত্রের একটা বড় নাম শিব শংকর বেশ কয়েকদিন ধরেই হায়দরাবাদের একটা হাসপাতালএ ভর্তি ছিলেন। শিব শংকরের স্ত্রী এবং তাঁদের বড় ছেলে অজয় কৃষ্ণও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। বেশ কিছুদিন আগে বর্ষীয়ান কোরিওগ্রাফারের চিকিত্সার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহায্যের আর্তি রেখেছিলেন পরিবার, জানা মাত্রই তাঁর চিকিত্সার ভার নিজের কাঁধে তুলে নেন অভিনেতা, সমাজকর্মী সোনু সুদ। কিন্তু শেষ রক্ষাটা আর করা গেল না। রবিবার রাতে কোরিওগ্রাফারের মৃত্যুর খবর জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে মন খারাপের কথা লেখেন সোনু। টুইটারে তাঁর বার্তা, মনটা ভেঙে গেল শিব শংকর মাস্টারজির চলে যাওয়ার খবরে। আমাদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছিলাম ওঁনাকে বাঁচাতে, কিন্তু ভগবান ওঁনার জন্য অন্য কোনও পরিকল্পনা করে রেখেছেন। মাস্টারজিকে সবসময়ই মিস করব। ভগবান ওঁনার পরিবারকে এই শোক সইবার ক্ষমতা দিক। সিনেমা আপনাকে মিস করবে স্যার।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

TMC-Teacher: তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন বিষপানকারী শিক্ষিকারা

বদলির প্রতিবাদে গত অগস্ট মাসে বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন পাঁচ শিক্ষক। তাঁরাই এ বার তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। সূত্রের খবর, আগামী ২১ নভেম্বর, রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের রবীন্দ্র ভবনে তৃণমূলের সভায় শিক্ষক ঐক্য মুক্তি মঞ্চ-এর লক্ষাধিক সদস্য তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। ওই সভায় হাজির থাকবেন বিধায়ক তথা শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং তৃণমূলের ডায়মন্ড হারবার-যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী, বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শক্তি মণ্ডল প্রমুখ।গত ২৪ অগস্ট সল্টলেকের বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন পাঁচ শিক্ষক, পুতুল জানা মণ্ডল, অনিমা নাগ, ছবি চাকী দাস, শিখা দাস এবং জ্যোৎস্না টুডু। তড়িঘড়ি তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। চিকিৎসার পর সুস্থ হন তাঁরা। শিক্ষক ঐক্য মুক্তি মঞ্চ-এর ব্যানারে শিক্ষকদের বদলি-সহ একাধিক দাবিতে আন্দোলন করছিলেন তাঁরা। সেই সংগঠনই এ বার তৃণমূলে বিলীন হতে চলেছে।বিষপানকারী এক শিক্ষিকা ছবি চাকী দাস বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা খুশি। আমাদের সংগঠন তাই তৃণমূলে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যে কোনও মুহূর্তে নেমে আসতে পারে তুষারধস? বদ্রীনাথ নিয়ে গবেষণায় বড় সতর্কবার্তা

চার ধামের অন্যতম বদ্রীনাথ কি বড় বিপদের মুখে? উত্তরাখণ্ডের এই পবিত্র তীর্থক্ষেত্রের উপর ঝুলে রয়েছে তিনটি হিমবাহ। গবেষণায় আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, এই হিমবাহগুলির কোনও একটিতে ফাটল ধরলে সেখান থেকে নেমে আসতে পারে বিশাল বরফের স্রোত। তাতে বদ্রীনাথের মন্দির এলাকা, জনবসতি, রাস্তা এবং কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।সম্প্রতি নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের সাক্ষী থেকেছে বিশ্ব। কয়েক দিন আগে ভুটানে হ্রদ ভেঙে সংকোশ নদীতে জলস্রোত বেড়ে যাওয়ার ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এরই মধ্যে নতুন একটি গবেষণায় বদ্রীনাথের হিমবাহ নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। ভারতের হিমালয়ের বদ্রীনাথ জনপদে ঝুলন্ত হিমবাহ থেকে সৃষ্ট তুষারধসের ঝুঁকি মূল্যায়ন শীর্ষক ওই গবেষণায় এই আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।গবেষণায় বলা হয়েছে, বদ্রীনাথের উপর ঝুলে থাকা তিনটি হিমবাহের কোনও একটিতে ফাটল ধরলে সেখান থেকে বরফের বিশাল অংশ নীচে নেমে আসতে পারে। সেই বরফের স্রোতে জনবসতি, বাড়িঘর, রাস্তাঘাট এবং কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কতটা হবে, তা নির্ভর করবে বরফ কত দূর পর্যন্ত নেমে আসছে তার উপর। পাহাড়ের ঢাল এবং জমির গঠনও এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, তুষারধসের গতি এবং তার ফলে কতটা ক্ষতি হতে পারে, তা শুধু বরফের পরিমাণের উপর নির্ভর করে না। বরফ যে পথ দিয়ে নীচে নামবে, সেই পথের আকৃতি এবং আশপাশের ভূপ্রকৃতিও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে। ফলে একই পরিমাণ বরফের ধস হলেও বিভিন্ন এলাকায় তার প্রভাব আলাদা হতে পারে।এই বিপদ মোকাবিলায় আগাম সতর্কতার উপর জোর দিয়েছেন গবেষকেরা। তাঁদের পরামর্শ, বদ্রীনাথের আশপাশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলি আগে চিহ্নিত করতে হবে। প্রতিটি এলাকার ঝুঁকি অনুযায়ী আলাদা করে প্রস্তুতি নিতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় নির্মাণকাজের উপর নিয়ন্ত্রণ এবং নজরদারি বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।প্রাকৃতিক বিপর্যয় পুরোপুরি আটকানো সম্ভব নয়। তবে আগাম ঝুঁকি চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া গেলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যেতে পারে। বদ্রীনাথের মতো গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্র এবং সেখানকার মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তাই এখন থেকেই সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে এই গবেষণা।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
বিদেশ

৩২ লক্ষ আফ্রিকানকে দাস হিসেবে পাচার! ব্রিটেনের ইতিহাসের সেই অন্ধকার অধ্যায় নিয়ে এবার ক্ষমার সুর

আফ্রিকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে অপহরণ করে দাস হিসেবে বিক্রি করেছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা। সেই দাস ব্যবসায় বড় ভূমিকা ছিল ব্রিটেনেরও। বহু বছর ধরে চলে আসা এই নিষ্ঠুর ব্যবসার জন্য এ বার আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমা চাইতে প্রস্তুত ব্রিটিশ সরকার। সম্প্রতি এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তবে অতীতের এই অন্যায়ের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি তিনি মানতে রাজি নন।শুক্রবার দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী সপ্তাহে অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডায় বসতে চলেছে কমনওয়েলথের শীর্ষ সম্মেলন। তার আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ওই সম্মেলনে ক্যারিবিয়ান দেশগুলি ব্রিটেনের কাছে দাস ব্যবসার জন্য ক্ষমা এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।নিবন্ধে বার্নহ্যাম লিখেছেন, দাস ব্যবসার শিকার মানুষদের যে ভয়াবহ যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছিল, তা তিনি বুঝতে পারেন। সেই ঘটনার জন্য তিনি গভীর ভাবে মর্মাহত। তাঁর মতে, অতীতের সেই নিষ্ঠুরতার প্রভাব এখনও পুরোপুরি মুছে যায়নি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, আটলান্টিক মহাসাগর পেরিয়ে আফ্রিকার মানুষদের দাস হিসেবে পাচারের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করছে ব্রিটিশ সরকার। সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমা চাওয়ার যে দাবি উঠেছে, আলোচনায় সেই বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। এই দাবি শুনতে তিনি প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন।তবে আর্থিক ক্ষতিপূরণের প্রশ্নে তাঁর অবস্থান আলাদা। বার্নহ্যামের বক্তব্য, অতীতের অন্যায়ের জন্য বর্তমান ব্রিটিশ নাগরিকদের দায়ী করা যায় না। তাঁর মতে, সেই ঘটনা ঘটেছিল অন্য এক সময়ে, অন্য আইনের অধীনে। সেই সময়ের অন্যায়ের সঙ্গে বর্তমান ব্রিটিশ জনগণ বা সরকারের ব্যক্তিগত কোনও ভূমিকা নেই। তাই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবির সঙ্গে তিনি একমত নন।উল্লেখ্য, ব্রিটেনের রাজা চার্লস বর্তমানে ক্যারিবিয়ান দেশগুলি সফর করছেন। বাহামাসে গিয়ে তিনি সেখানকার দাসপ্রথার ইতিহাসের কথা উল্লেখ করেছেন এবং ব্রিটিশ শাসনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তবে দাস ব্যবসার জন্য ব্রিটেনের তরফে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়া হয়নি। তাই প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।ব্রিটিশ সরকারের বক্তব্য, দাস ব্যবসা থেকে ব্রিটেন যে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছিল, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে পরে দাসপ্রথা বন্ধ করার ক্ষেত্রেও ব্রিটেন ভূমিকা নিয়েছিল বলে দাবি তাদের। ১৮৩৩ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট দাসপ্রথা নিষিদ্ধ করে। যদিও দাসপ্রথা বন্ধের পরেও ভারত-সহ বিভিন্ন দেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলেছিল।ইতিহাসের হিসাব অনুযায়ী, পঞ্চদশ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যে ইউরোপীয় ব্যবসায়ীরা অন্তত ১ কোটি ২৫ লক্ষ আফ্রিকানকে অপহরণ করে দাস হিসেবে বিক্রি করেছিল। এর মধ্যে ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের হাতে পাচার হয়েছিলেন প্রায় ৩২ লক্ষ মানুষ। সেই অন্ধকার ইতিহাসের জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার দাবি নতুন করে জোরালো হচ্ছে। তবে ক্ষমা চাওয়ার পথে এগোলেও ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি নয় ব্রিটেন।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীল গ্রেফতারের তিন দিনের মাথায় স্ত্রীকে লালবাজারে তলব! জেরায় কী জানালেন মধুছন্দা?

ইউনেস্কোর নাম এবং লোগো ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর পাস বিক্রির অভিযোগে তদন্তে নতুন মোড়। প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুছন্দা সেনকে শনিবার লালবাজারে জেরা করল বিশেষ তদন্তকারী দল। ইন্দ্রনীল সেন গ্রেফতার হওয়ার তিন দিনের মধ্যেই তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হল। রাত আটটা পর্যন্ত দফায় দফায় চলে জেরা।যে সংস্থার নামে পুজোর প্রিভিউ শো-এর পাস বিক্রি করা হয়েছিল, সেই মাস আর্ট-এর সভাপতি ছিলেন মধুছন্দা। অভিযোগ, ইউনেস্কোর লোগো বেআইনি ভাবে ব্যবহারের অনুমতি নেওয়া থেকে শুরু করে সংস্থার বিভিন্ন নথিতে তাঁর সই ছিল। গত জুন মাসে বউবাজার থানায় যে অভিযোগ জমা পড়েছিল, তাতে দ্বিতীয় অভিযুক্ত হিসেবে মধুছন্দার নাম ছিল। প্রথম অভিযুক্ত ছিলেন তাঁর স্বামী ইন্দ্রনীল সেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেরার সময় মধুছন্দা দাবি করেছেন, মাস আর্ট-এর অন্য কর্তারা যেখানে সই করতে বলেছেন, তিনি সেখানেই সই করেছেন। তাঁকে কোনও বিষয়ে চাপ দেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। বিশেষ করে ইন্দ্রনীল স্ত্রীকে কোনও নথিতে সই করার জন্য চাপ দিতেন কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মধুছন্দাকে জেরা করে সংস্থার সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি বসুর নামও উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়া এফআইআরে নাম থাকা আরও দুজনের ভূমিকা কী ছিল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে মধুছন্দা ও ধ্রুবজ্যোতিকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পরিকল্পনাও রয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ সংস্থা থার্ড লাইন ক্রিয়েশন মাস আর্ট সোসাইটিকে ৬৬ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছিল। ওই টাকার মধ্যে ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা আইস্কেপ এবং মায়রা নামে দুটি সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। গোয়েন্দাদের কাছে খবর, এই দুটি সংস্থা ইন্দ্রনীলের মেয়ে নিয়ন্ত্রণ করেন। সেই সূত্রে তাঁকেও লালবাজারে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার কর্মীদের কাছ থেকেও বিভিন্ন তথ্য জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা। প্রয়োজনে ওই সংস্থাগুলির কর্মীদের একে একে জেরা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।অন্য দিকে, তদন্তকারীদের কাছে পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, ইউনেস্কোর লোগো দেখে তাঁরা এই প্রিভিউ শো-তে অংশ নিতে রাজি হয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, মাস আর্ট-এর কর্মীরাই বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে গিয়ে প্রিভিউ শো-এর ব্যবস্থা করতেন। এর বদলে পুজো কমিটিগুলিকে সামান্য টাকা এবং এলইডি গেট বসানোর সুযোগ দেওয়া হত। অভিযোগ, ওই গেটে বিজ্ঞাপন দেখানোর পরিবর্তে পুজো উদ্যোক্তাদের দেড় থেকে দুলক্ষ টাকা দেওয়া হত।পুলিশের দাবি, পাস বিক্রির বিনিময়ে পুজো উদ্যোক্তারা খুব সামান্য টাকা পেয়েছিলেন। গোটা আর্থিক লেনদেন এবং সংস্থাগুলির ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মধুছন্দার জেরার পর এই মামলায় আর কার কার নাম উঠে আসে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

উৎসবের মরসুমে নিরাপত্তায় বড়সড় প্রস্তুতি, পুজো কমিটিগুলিকে কী কী করতে বলল নবান্ন?

দুর্গাপুজো শেষ। সামনে কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো এবং ছটপুজো। এই উৎসবগুলিকে ঘিরে বিভিন্ন মণ্ডপ ও ঘাটে প্রচুর মানুষের ভিড় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য প্রশাসন। চোরবাগান কাণ্ডের পর আরও সতর্ক হয়েছে প্রশাসন। উৎসবের ভিড় সামলানো থেকে শুরু করে অগ্নিনির্বাপণ এবং ঘাটের নিরাপত্তাসব বিষয়েই একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন।নির্দেশিকায় পুজো কমিটিগুলিকে মণ্ডপে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। প্রবেশ ও বেরোনোর পথ যথেষ্ট চওড়া রাখতে হবে। কোনওভাবেই যাতে মণ্ডপের ভিতরে অতিরিক্ত ভিড় জমে না যায়, সে দিকে নজর রাখতে হবে। দর্শনার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।কোন মণ্ডপে কত মানুষের ভিড় হতে পারে, তা মাথায় রেখে পুলিশ মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি মণ্ডপে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখতে হবে। নিরাপত্তার সব ব্যবস্থা ঠিকমতো করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ ও প্রশাসন।মণ্ডপে অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা এড়াতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুজো কমিটিগুলিকে। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে যাতে দমকল পৌঁছতে পারে, সেই ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে।শুধু মণ্ডপ নয়, ছটপুজো উপলক্ষে বিভিন্ন ঘাটের নিরাপত্তা নিয়েও সতর্ক প্রশাসন। ঘাটে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে। নৌকায় রাখতে হবে লাইফ জ্যাকেট। পাশাপাশি ঘাটগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহিলাদের পোশাক পরিবর্তনের জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থাও করতে হবে।কালীপুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোর পরেই রয়েছে ছটপুজো। ফলে উৎসবের মরসুমে মণ্ডপ এবং ঘাটে ভিড় সামলানো প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। চোরবাগান কাণ্ডের পর কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না নবান্ন। তাই আগেভাগেই পুজো কমিটি, পুলিশ এবং প্রশাসনের জন্য একাধিক নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

মতুয়াদের জন্য বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, দু’মাসের মধ্যে নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার আশ্বাস

আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অনুযায়ী আবেদনকারীদের শুনানি শেষ করে শংসাপত্র দেওয়ার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার ঠাকুরনগরে আন্তর্জাতিক মতুয়া গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দিয়ে এই ঘোষণা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এখনও প্রায় আড়াই লক্ষ আবেদনকারীর শুনানি বাকি রয়েছে। আগামী দুমাসের মধ্যে সেই কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নাগরিকত্বের শংসাপত্র পাওয়ার পর ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রেও সরকার সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঠাকুরবাড়িতে আয়োজিত সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, এই সরকার শুধু বিজেপির নয়, মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরও। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে তাঁদের অযথা চিন্তা করার প্রয়োজন নেই বলেও আশ্বাস দেন তিনি। একই সঙ্গে এই আইন কার্যকর করা নিয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু বলেন, ঠাকুরনগরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর করার কথা বলেছিলেন। ২০২৪ সালের ৬ মার্চ এই আইন কার্যকর করা হয়। তাঁর দাবি, অন্য রাজ্যগুলিতে এই আইনের আওতায় নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া এগোলেও পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিরোধিতা করেছিলেন। এর ফলে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ সমস্যায় পড়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর শিলিগুড়িতে অমিত শাহের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, গুজরাত ও রাজস্থানের মতো রাজ্যে এই আইন কার্যকর করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও পশ্চিমবঙ্গে আগের সরকার তা করেনি। কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সাহায্যে যতটা সম্ভব শুনানির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।শুভেন্দুর কথায়, এখন নাগরিকত্বের আবেদন সংক্রান্ত কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা আধিকারিকদের এ বিষয়ে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই লক্ষ আবেদনকারীর শুনানি বাকি রয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই শুনানি শেষ করে আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।তফসিলি জাতিভুক্ত আবেদনকারীদের শংসাপত্র দেওয়ার বিষয়েও আশ্বাস দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, এই প্রক্রিয়ায় কাউকে বাধা দেওয়া হবে না। তবে কারা শংসাপত্র পাওয়ার যোগ্য, তা সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও যাচাইয়ের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে।শুধু নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়াই নয়, ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রেও সরকার সাহায্য করবে বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, আগামী জানুয়ারিতে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিশেষ অভিযান শুরু হলে সিএএ-র আওতায় শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের নাম তোলার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় নথি তৈরি করতেও সাহায্য করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।মতুয়া সম্প্রদায়ের নাগরিকত্বের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ঠাকুরনগরে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর এই ঘোষণার পর এখন নজর থাকবে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুনানি শেষ করে আবেদনকারীদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়ার কাজ কতটা এগোয়।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

মতুয়া-গড়ে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে কী কী পদ দিয়ে সাজল পাত?

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম বার মতুয়া-গড়ে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার ঠাকুরবাড়িতে আন্তর্জাতিক গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে মন্দিরে পুজো দেন তিনি। ঘণ্টা বাজিয়ে প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শান্তনু ঠাকুর এবং তাঁর স্ত্রী তথা বিধায়ক সোমা ঠাকুর। পুজো দেওয়ার পর ঠাকুরনগরে সভা করার কথা শুভেন্দুর। তার পর শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর আপ্যায়নের জন্য সকাল থেকেই বাড়িতে চলেছে বিশেষ আয়োজন।শুভেন্দুর জন্য নিজের হাতে রান্না করেছেন শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা। মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে রয়েছে নানা ধরনের পদ। ভাতের সঙ্গে থাকছে উচ্ছে ভাজা, বেগুন ভাজা, পমফ্রেট মাছ, চিংড়ির মালাইকারি, মটন এবং দেশি মুরগির ঝোল। এ ছাড়াও রয়েছে চিংড়ি দিয়ে মোচা, ইলিশ ভাপা ও ইলিশ ভাজা। তবে এই মেনুর অন্যতম আকর্ষণ ঠাকুরবাড়ির বিশেষ পদ চিংড়ি পিঠে। খাওয়ার শেষে থাকছে দই ও মিষ্টি।মুখ্যমন্ত্রীর আপ্যায়নের জন্য রান্নাঘরে সকাল থেকেই ব্যস্ততা ছিল। সোমা জানিয়েছেন, তিনি নিজের হাতেই রান্না করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম মতুয়া-গড় সফরকে ঘিরে ঠাকুরবাড়িতে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর ঠাকুরবাড়িতে তিন গোঁসাই ঠাকুরকে বরণ করা হয়। এর পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, আগের মুখ্যমন্ত্রী কোনওদিন মতুয়াদের কথা ভাবেনি। নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ভাবেননি। মতুয়াদের আশীর্বাদেই আমি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি। আজ এখানে সেবা কার্য করতে এসেছি।জানা গিয়েছে, ঠাকুরবাড়িতে পুজো দেওয়ার পর ঠাকুরনগরে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পর শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তিনি। সব কর্মসূচি শেষ করে বিকেলে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা তাঁর।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের হাহাকার! মজুত ১০ হাজারেরও কম, অস্ত্রোপচার পিছনোর আশঙ্কা

রাজ্যজুড়ে রক্তের জোগান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্ক মিলিয়ে এই মুহূর্তে বাংলায় রক্তের মজুত ১০ হাজার ইউনিটেরও কম বলে জানা গিয়েছে। অথচ প্রতিদিন রাজ্যে প্রায় তিন হাজার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয়। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, বর্তমান মজুত দিয়ে আগামী দিনে চাহিদা মেটানো কঠিন হতে পারে। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগী, ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসা, জটিল অস্ত্রোপচার এবং দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন হয়। এই পরিস্থিতিতে রক্তের জোগান নিয়ে চিন্তায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। শনিবারের হিসাব অনুযায়ী, কলকাতায় রক্তের মজুত ছিল প্রায় ৫৬০ ইউনিট।রক্তের জোগান নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর অস্ত্রোপচারের জন্য রক্ত পাওয়া যাচ্ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে। রোগীর পরিবারের অনুরোধে শনিবার রাতে সেখানে যান বরাহনগরের বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর উদ্যোগে সমস্যার সমাধান হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর সজল প্রশ্ন তোলেন, একজন বিধায়ককেই যদি রক্তের জন্য এত সমস্যায় পড়তে হয়, তা হলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হচ্ছে?তবে রাজ্যে রক্তের ঘাটতির কথা মানতে চাননি স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, কোনও বিরল রক্তের গ্রুপের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তবে সাধারণ ভাবে রক্তের ঘাটতি নেই। ও নেগেটিভ বা এবি নেগেটিভ-এর মতো বিরল গ্রুপের রক্ত পেতে সমস্যা হলে মানিকতলার কেন্দ্রীয় ব্লাড ব্যাঙ্কের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। সেখানে পর্যাপ্ত রক্ত মজুত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।দীর্ঘদিন ধরে রক্তদান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ডি আশিসের মতে, রক্ত পাচার নিয়ে নানা খবর ছড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের একাংশের মধ্যে রক্তদান নিয়ে অনীহা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, রক্তদান করেও লাভ নেই, কারণ সেই রক্ত পাচার হয়ে যেতে পারে। তাঁর বক্তব্য, এই ধারণার প্রভাব রক্তদান আন্দোলনের উপর পড়ছে। অন্য দিকে, রক্তের অভাবে কিছু অস্ত্রোপচার পিছিয়ে দিতে হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিতে সংগৃহীত রক্তের প্রায় ৮০ শতাংশ আসে বিভিন্ন ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, কলেজ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবির থেকে। কিন্তু রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন ক্লাবে নতুন কমিটি গঠন ও দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। ডি আশিসের বক্তব্য, নতুন কমিটিগুলি দায়িত্ব নেওয়ার পর রক্তদান শিবির আয়োজন করতে সময় লাগতে পারে। ফলে এই সময়ে বড় শিবিরের সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ব্লাড ডোনর অর্গানাইজেশনের জাতীয় সভাপতি বিশ্বরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, রবিবার একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হবে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আরও বেশি মানুষকে রক্তদানে এগিয়ে আসার আবেদন জানানো হচ্ছে। রক্তের জোগান বাড়াতে সম্প্রতি স্বাস্থ্য দপ্তরও নির্দেশিকা জারি করেছিল। হাসপাতাল সংলগ্ন পুজো কমিটিগুলিকে রক্তদান শিবির আয়োজন করতে উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে রক্তের মজুত বাড়াতে নিয়মিত রক্তদান শিবির আয়োজন এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে রাজ্যে রক্তের প্রকৃত ঘাটতি কতটা, তা নিয়ে চিকিৎসকদের উদ্বেগ এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

হুডখোলা গাড়িতে রাহুল সামনে, মমতা পিছনের সারিতে! বাংলার ভোটে হারের পর বদলে গেল সমীকরণ?

হুডখোলা গাড়ির সামনের সারিতে রাহুল গান্ধী। তাঁর পিছনের সারিতে ফারুক আবদুল্লা ও ডি রাজা। তৃতীয় সারিতে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের পাশে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগে এই ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের খারাপ ফলের পর বিরোধী জোটে মমতার অবস্থান বদলেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।একসময় বিভিন্ন আন্দোলনে সামনের সারিতে দেখা যেত মমতাকে। বিরোধী রাজনীতিতেও তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় তৃণমূলের বড় ধাক্কার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলেছে। রামলীলা ময়দানে যাওয়ার পথে হুডখোলা গাড়িতে রাহুল গান্ধীকে সামনের সারিতে এবং মমতাকে পিছনের দিকে দেখা গিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ছবি বিরোধী জোটে নেতাদের অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে।ওই গাড়িতে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ফারুক আবদুল্লা, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে এবং তেজস্বী যাদবও। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও দেখা যায়। তবে তিনি ছিলেন পিছনের সারিতে।বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রয়োজনে বাম ও কংগ্রেসের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। যদিও বাংলায় সেই প্রস্তাবে তেমন সাড়া মেলেনি। এর পর দিল্লিতে গিয়ে একাধিক বার রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মমতা। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী জোটে কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি জানিয়ে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সমাবেশকে ঘিরে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রামলীলা ময়দান এলাকায় পুলিশ ও আধাসেনা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে অন্তত ২০০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-যুক্ত ক্যামেরা।হুডখোলা গাড়িতে কোন নেতা কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। তবে শুধু আসন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিরোধী জোটে কোনও নেতার গুরুত্ব কমেছে বা বেড়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। সমাবেশে নেতাদের বক্তব্য এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর।

নভেম্বর ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal