• ১৫ মাঘ ১৪৩২, মঙ্গলবার ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sita

দেশ

নতুন রূপে জিএসটি ঘোষণা, দাম কমতে চলেছে একাধিক পণ্য - পারিষেবার

নতুন জিএসটি স্ল্যাব ঘোষণা করেছে কেন্দ্র সরকার। পুজোর আগে প্রায় জিনিসপত্রের দাম কমতে চলেছে। স্বাস্থ্যবিমা এবং জীবনবিমায় জিএসটি থাকল না, ১৮% থেকে একেবারে ০। ৩৩ টি প্রয়োজনীয় ওষুধের GST শূন্য করায় দাম কমল।বেশিরভাগ খাবারের দাম কমবে। ছানা, রুটি, পনির, ঘি, বাটার, দুধের জিএসটি প্রায় থাকছেই না।তেল, সাবান, শ্যাম্পু, ব্রাশ, শেভিং ক্রিম সব কিছুরই দাম কমছে, ১৮ শতাংশ থেকে কমে ৫ শতাংশ জিএসটি।নুডলস, চানাচুর, নিমকি, ভুজিয়া টাইপ খাবারের দামও কমছে।বাচ্চাদের ন্যাপকিন, ডায়াপারের দাম কমছে।খাতা, পেন, পেনসিল, গ্লোব, ম্যাপ, রাবার - ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার প্রয়োজনীয় সবকিছুর দাম কমছে।জুতো, জামাকাপড়ের দামও কমবে। চাষবাসের জিনিসপত্র, কীটনাশকের দাম কমছে, ফলে সার্বিক ভাবে শাক সবজি ও কৃষিজাত পণ্যের দাম কমার কথা।বাসনপত্র, স্কুটার, বাইক, গাড়ির জিএসটি ২৮ শতাংশ থেকে কমে ১৮ শতাংশ, ফলে দাম কমবে।টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিনের মতো জিনিসের দামও কমছে।মোদ্দা কথা মধ্যবিত্তদের রোজকারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কিছুটা হলেও কমতে পারে। কারণ কোন কায়দায় কোন জিনিসের দাম বাড়বে বলা মুশকিল। পুজোর আগে এর থেকে ভাল উপহার আর কিছু হতে পারে না বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৫
দেশ

নির্মলা সীতারামনের বাজেটে মধ্যবিত্তের কতটা সুরাহা হোল? জানুন

সংক্ষেপে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬গড় মাসিক আয় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কোন আয়কর নয়; লক্ষ্য মধ্যবিত্ত পরিবারের সঞ্চয় এবং ভোগ ব্যয় বাড়ানো।নতুন কর কাঠামোয় বেতনভোগী বর্গের বার্ষিক ১২.৭৫ লক্ষ টাকা আয়ে করের পরিমাণ শূন্য।কেন্দ্রীয় বাজেটে উন্নয়নের চারটি চালিকাশক্তি চিহ্নিত কৃষি, অণু-ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্প, বিনিয়োগ এবং রপ্তানি।কৃষকদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী ধন-ধান্য কৃষি যোজনা-র আওতায় আসবে কৃষি উৎপাদনশীলতায় পিছিয়ে থাকা ১০০টি জেলা।তুর, অড়হর এবং মুশুর ডালের উৎপাদন বাড়াতে মিশন ফর আত্মনির্ভরতা ইন পালসেস।পুনর্মাজিত সুদ ছাড় প্রকল্পের মাধ্যমে কেসিসি-র আওতায় ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ।অর্থবর্ষ ২৫-এ আর্থিক ঘাটতি ৪.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান, অর্থবর্ষ ২৬-এ তা ৪.৪ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য।ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্রে ঋণের সংস্থান বৃদ্ধি, জামিনযুক্ত ঋণের সীমা ৫ কোটির বদলে ১০ কোটি টাকা।মেক ইন ইন্ডিয়ায় গতি আনতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শিল্প ক্ষেত্রকে নিয়ে আসা হচ্ছে জাতীয় উৎপাদন অভিযানের আওতায়। সরকারি স্কুলগুলিতে আগামী ৫ বছরে ৫০,০০০ অটল টিঙ্কারিং ল্যাব।শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উৎকর্ষ কেন্দ্র, মোট বরাদ্দ ৫০০ কোটি টাকা।পিএম স্বনিধি-র আওতায় ব্যাঙ্ক থেকে আরও ঋণ, ইউপিআই সংযুক্ত ক্রেটিড কার্ডের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বসীমা ৩০,০০০ টাকা।গিগ কর্মীদের পরিচয়পত্র, ই-শ্রম পোর্টালে নিবন্ধন এবং পিএম জন আরোগ্য যোজনার আওতায় স্বাস্থ্য পরিষেবা।উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে শহর কর্মসূচির আওতায় নগরাঞ্চলের সমস্যা দূর করতে ১ লক্ষ কোটি টাকা।ছোট মডিউলার রিঅ্যাক্টার নিয়ে গবেষণার জন্য পরমাণু শক্তি মিশন বাবদ ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে পুনর্মাজিত উড়ান প্রকল্পের আওতায় নতুন ১২০টি গন্তব্য।১ লক্ষ আবাসন নির্মাণে গতি আনতে ১৫,০০০ কোটি টাকা এসডাব্লুএএমআইএইচ তহবিল গড়ে তোলা হবে।গবেষণা এবং উদ্ভাবনমূলক উদ্যোগে বেসরকারি ক্ষেত্রের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে বরাদ্দ ২০,০০০ কোটি টাকা।১ কোটিরও বেশি প্রাচীন লিপি ও লেখ সংরক্ষণে জ্ঞান ভারতম মিশন।বীমা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের সীমা ৭৪ থেকে বেড়ে ১০০ শতাংশ।বিভিন্ন আইনের ১০০-রও বেশি সংস্থানকে অপরাধের তকমামুক্ত করা।আপডেটেড আয়কর রিটার্নের সময়সীমা ২ বছর থেকে বেড়ে হচ্ছে ৪ বছর।টিসিএস প্রদানে বিলম্বকে অপরাধের তকমামুক্ত করা।ভাড়াবাবদ টিডিএস ২.৪ লক্ষ থেকে বেড়ে ৬ লক্ষ টাকা।ওপেন সেলের ক্ষেত্রে আইপিএফডি-র ওপর শুল্কে রেহাই।ব্যাটারি উৎপাদনে গতি আনতে বৈদ্যুতিক যানের এবং মোবাইল ব্যাটারি উৎপাদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মূলধনে কর রেহাই।জাহাজ নির্মাণে কাঁচামাল এবং উপকরণের ওপর ১০ বছরের জন্য শুল্কে ছাড়।হিমায়িত মাছের পেস্টে শুল্কের হার ৩০ থেকে কমে ৫ শতাংশ, মাছ থেকে তৈরি তরল সারের ক্ষেত্রে শুল্কের হার ১৫ থেকে কমে ৫ শতাংশ।সংসদে আজ ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তার সংক্ষিপ্তসার বিভাগ - কবাজেটে সকলের বিকাশ-এর মন্ত্র অনুযায়ী প্রত্যেকটি অঞ্চলের সুষম উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিকশিত ভারতের মূল নীতিগুলি তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী :১. সম্পূর্ণ দারিদ্র্য দূরীকরণ;২. বিদ্যালয়ে শিক্ষার উৎকর্ষমান সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়া;৩. সকলের জন্য সার্বিক, উন্নত এবং সুলভ চিকিৎসা পরিষেবা;৪. উপযুক্ত নিয়োগ এবং শ্রমশক্তির দক্ষতাকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়া;৫. অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে মহিলাদের অংশগ্রহণ ৭০ শাতংশে নিয়ে যাওয়া; এবং৬. দেশকে সারা বিশ্বের খাদ্য থালি করে তুলতে কৃষকদের ভূমিকায় অগ্রাধিকার।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬-এ বিকাশ হার বৃদ্ধি, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্খাকে মর্যাদা দেওয়া এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্তবর্গের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। দরিদ্র, তরুণ প্রজন্ম, কৃষক এবং মহিলাদের উন্নয়নে বিশেষ সংস্থান রয়েছে এই বাজেটে। কর, বিদ্যুৎ, নগরোন্নয়ন, খনি, আর্থিক ক্ষেত্রে সংস্কার ও নিয়ন্ত্রণমূলক কাঠামোকেও পরিমার্জিত করে ভারতের বিকাশের যাবতীয় সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার এবং বিশ্বের বাজারে এদেশের পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা বাড়ানোর বিষয়গুলিও বাজেটে প্রাধান্য পেয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেট বলেছে যে কৃষি, ক্ষুদ্র-মাঝারি ক্ষেত্র, বিনিয়োগ এবং রপ্তানি বিকশিত ভারতের পথে যাত্রার মূল চালিকাশক্তি।প্রথম চালিকাশক্তি : কৃষি বাজেটে প্রধানমন্ত্রী ধন-ধান্য কৃষি যোজনা-র ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এর আওতায় আসবে ১০০টি জেলা। লক্ষ্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শস্যের বৈচিত্র্য, ফসল পরবর্তী মজুত ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্প মেয়াদি ঋণের সংস্থান সহজতর করা। সূচনা হবে বহুক্ষেত্রিক গ্রামীণ সমৃদ্ধি এবং স্থিতিস্থাপকতা কর্মসূচির। রাজ্যগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই কর্মসূচির আওতায় দক্ষতায়ন, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের প্রসারের পাশাপাশি সামগ্রিক ভাবে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ ত্বরান্বিত হবে। বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে গ্রামের মহিলা, তরুণ কৃষক, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এবং ভূমিহীন পরিবারগুলিকে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যে সরকার ৬ বছরের মিশন ফর আত্মনির্ভরতা ইন পালসেস নামে একটি কর্মসূচি চালু করবে। এখানে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে তুর, অড়হর এবং মুশুর ডালের ওপর। নাফেড এবং এনসিসিএফ-এর মতো কেন্দ্রীয় সংস্থা আগামী ৪ বছর কৃষকরা যতটা পরিমাণে এই সব ডাল বিক্রি করতে চান, ততটাই কিনে নেবে। শাক-সব্জি এবং ফলমূলের উৎপাদন বৃদ্ধির একটি সার্বিক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হয়েছে বাজেটে। উচ্চফলনশীল শস্য বীজের জাতীয় মিশন এবং তুলোর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৫ বছরের একটি বিশেষ কর্মসূচির কথাও বলা হয়েছে। পুনর্মার্জিত সুদ রেহাই কর্মসূচির আওতায় কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণের ঊর্ধ্বসীমা ৩ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করা হবে। দ্বিতীয় চালিকাশক্তি : ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্র ভারতের রপ্তানিতে ৪৫ শতাংশ অবদান এই ক্ষেত্রের। প্রযুক্তিগত বিকাশ, দক্ষতায়ন, মূলধনের সংস্থান প্রভৃতি ক্ষেত্রে সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতার নিরিখে এই সব সংস্থার আর্থিক আদান-প্রদানের সীমা আড়াই থেকে দুই গুণ বাড়ানো হয়েছে। জামিনযুক্ত ঋণের ঊর্ধ্বসীমাও বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। মহিলা, তপশিলি জাতি ও উপজাতি বর্গের ৫ লক্ষ নতুন উদ্যোগপতিকে সহায়তার জন্য অর্থমন্ত্রী একটি নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। এর আওতায় আগামী ৫ বছর ২ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে। খেলার সরঞ্জাম উৎপাদনে মেক ইন ইন্ডিয়া ব্র্যান্ডকে বিশ্বের বাজারে আরও জনপ্রিয় করতে চায় সরকার। মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ছোট-বড় সব শিল্পকে আওতায় এনে সূচনা হবে জাতীয় উৎপাদন মিশনের। তৃতীয় চালিকাশক্তি: বিনিয়োগ অর্থমন্ত্রী মানবসম্পদ, অর্থনৈতিক পরিমণ্ডল এবং উদ্ভাবন ক্ষেত্রে বিনিয়োগে জোর দিয়েছেন। মানবসম্পদে বিনিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেছেন সরকারি স্কুলগুলিতে আগামী ৫ বছরে ৫০,০০০ অটল টিঙ্কারিং ল্যাব গড়ে তোলা হবে। গ্রামীণ এলাকায় সরকারি স্কুল এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে ব্রডব্যান্ড সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হবে ভারত নেট প্রকল্পের আওতায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভারতীয় ভাষায় ডিজিটাল বইয়ের সংস্থানে রূপায়িত হবে ভারতীয় ভাষা পুস্তক প্রকল্প। মানবসম্পদের দক্ষতায়ন ও উৎকর্ষমানের বিকাশে জাতীয় স্তরে চারটি আন্তর্জাতিক মানের উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এর লক্ষ্য মেক ফর ইন্ডিয়া, মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড কর্মসূচিকে জোরদার করা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে। গিগ কর্মীদের (ডেলিভারি বয় বা এই ধরনের কাজে নিযুক্ত) দেওয়া হবে পরিচয়পত্র। ই-শ্রম পোর্টালে তাঁদের নিবন্ধন হবে। পিএম জন আরোগ্য যোজনার আওতায় চিকিৎসার সুযোগ পাবেন তাঁরা। অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলে বিনিয়োগের বিষয়ে শ্রীমতী সীতারমন বলেছেন যে পরিকাঠামো সংক্রান্ত মন্ত্রকগুলি সরকারি, বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ৩ বছরের একটি রূপায়ণ সংক্রান্ত উদ্যোগ হাতে নেবে। মূলধনী বিনিয়োগ এবং সংস্কারের জন্য রাজ্যগুলিকে ৫০ বছর বিনাসুদে ঋণ দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রী ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা বলেছেন। নতুন প্রকল্পগুলির অর্থায়নের প্রশ্নে মূলধন বাবদ ১০ লক্ষ কোটি টাকার সংস্থানে অর্থমন্ত্রী দ্বিতীয় সম্পদ মুদ্রাকরণ পরিকল্পনা ২০২৫-৩০-এর ঘোষণা করেছেন। জল জীবন মিশনের মেয়াদ ২০২৮ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। জন অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই কাজে পরিকাঠামো ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হবে। সিটিস অ্যাজ গ্রোথ হাবস- সামগ্রিক ভাবে নগর বিকাশ এবং জল ও শৌচালয় পরিষেবা উন্নত করতে সরকার ১ লক্ষ কোটি টাকার একটি তহবিল গড়ে তুলবে। উদ্ভাবন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের বিষয়ে ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা হয়েছে। বেসরকারি উদ্যোগে গবেষণার কাজে গতি আসবে এর ফলে। অর্থমন্ত্রী ন্যাশনাল জিওস্প্যাশিয়াল মিশনের ঘোষণা করেছেন এসংক্রান্ত পরিকাঠামো জোরদার করতে। এর থেকে পাওয়া তথ্যাদি নগর পরিকল্পনার কাজ সহজ করবে। ১ কোটি প্রাচীন লিপি ও লেখ সংরক্ষণে জ্ঞান ভারতম মিশনের ঘোষণা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সামিল হবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার, এমনকি বেসরকারি পক্ষও। ভারতীয় জ্ঞান ধারার ভান্ডার নিয়ে গড়ে উঠবে একটি জাতীয় ডিজিটাল রেপোজেটরি। চতুর্থ চালিকাশক্তি : রপ্তানি এক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করবে বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি এবং অর্থমন্ত্রক। রপ্তানির বাজার ধরতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি সংস্থাগুলির সহায়তায় কাজ করবে রপ্তানি প্রসার মিশন। ডিজিটাল জনপরিকাঠামো সমৃদ্ধ ভারতট্রেডনেট এক্ষেত্রে তথ্য ও অর্থ সংস্থানে কাজ করবে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের প্রসার এবং বিশ্বের সরবরাহ শৃঙ্খলে সংযুক্তির প্রসারে একাধিক পদক্ষেপের কথা বলছেন অর্থমন্ত্রী। শিল্প ৪.০ সংক্রান্ত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার দেশে বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নির্মাণ ক্ষেত্রকে সহায়তা করবে। টায়ার ২ শহরগুলিতে গড়ে তোলা হবে গ্লোবাল কেপেবিলিটি সেন্টার। পচনশীল বাগিচা পণ্যের বিমানে পরিবহণ এবং মজুত ব্যবস্থাকে জোরদার করতে পরিকাঠামো উন্নত করা হবে। জ্বালানি হল সংস্কার অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে সংস্কারের বিষয়টিকেই জ্বালানি হিসেবে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী। বিগত ১০ বছরে সরকার কর ক্ষেত্রে বিস্তৃত সংস্কার কর্মসূচিতে হাত দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। এসংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবারও বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস ভিত্তিক কর প্রশাসন গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার। আর্থিক ক্ষেত্রে সংস্কার এবং বিকাশ ইজ অফ ডুয়িং বিজনেসকে জোরদার করতে অর্থমন্ত্রী সমগ্র পরিমণ্ডলে ব্যাপক পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। বীমা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৭৪ থেকে ১০০ শতাংশ করা হবে। কর সহ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রগুলিকে নাগরিক কেন্দ্রিক করে তোলার ওপর আবারও জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী : ১. নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক সংস্কারে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি এর কাজ হবে আর্থিক নয় এমন ক্ষেত্রগুলির নিয়ন্ত্রণ, শংসাপ্রদান এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা। পারস্পরিক বিশ্বাস ভিত্তিক নানা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জোরদার করা হবে ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস-কে কমিটি সুপারিশ পেশ করবে ১ বছরের মধ্যে। এই কাজে সামিল হতে রাজ্যগুলিকে উৎসাহিত করা হবে।২. রাজ্যগুলির বিনিয়োগ সহায়তা সূচক ২০২৫-এ সূচনা হবে এই কর্মসূচির, জোরদার হবে প্রতিযোগিতামূলক সহযোগিতার পরিমণ্ডল।৩. আর্থিক সুস্থিতি ও বিকাশ পরিষদ (এফএসডিসি)-এর আওতায় ব্যবস্থাপনা এই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বর্তমানে প্রযোজ্য আর্থিক নিয়ন্ত্রণবিধি ইত্যাদি খতিয়ে দেখা হবে। এই সব বিধির কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে গড়ে তোলা হবে একটি ব্যবস্থাপনা।৪. জন বিশ্বাস বিল ২.০ বিভিন্ন আইনের ১০০টি সংস্থানকে অপরাধের তকমা মুক্ত করা হবে।আর্থিক শৃঙ্খলা অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন জিডিপি-র অনুপাতে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণ নিম্নমুখী রাখতে সরকার সচেষ্ট। এক্ষেত্রে আগামী ৬ বছরের পরিকল্পনা রূপরেখা বিশদ ভাবে রয়েছে এফআরবিএম-এর বিবৃতিতে। পুনর্মার্জিত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫-এ আর্থিক ঘাটতি জিডিপি-র ৪.৮ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা। ২০২৫-২৬-এর বাজেট হিসাব অনুযায়ী তা হতে পারে জিডিপি-র ৪.৪ শতাংশ। পুনর্মার্জিত হিসাব ২০২৪-২৫ পুনর্মার্জিত হিসাব অনুযায়ী ঋণ বাদ দিয়ে সরকারি কোষাগারের ৩১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা আসতে পারে। এর মধ্যে কর সংগ্রহ দাঁড়াবে ২৫.৫৭ লক্ষ কোটি টাকা। মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৪৭.১৬ লক্ষ কোটি টাকায় যার মধ্যে মূলধনী ব্যয় ১০.১৮ লক্ষ কোটি টাকা। বাজেট হিসেব ২০২৫-২৬ এক্ষেত্রে ঋণ ব্যতিত সংগ্রহের পরিমাণ ৩৪.৯৬ লক্ষ কোটি টাকা হতে পারে। ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৫০.৬৫ লক্ষ কোটি টাকায়। কর বাবদ ২৮.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা পেতে পারে সরকার।বিভাগ খদেশ গঠনে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ভূমিকার কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬-এ নতুন কর সীমার ও হারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বছরে ১২ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে না। এক্ষেত্রে অবশ্য মূলধনী লাভের দিকটি বাদ থাকছে। ৭৫ হাজার কোটি টাকা স্ট্যান্টার্ড ডিডাকশনের কথা মাথায় রাখলে দেখা যাচ্ছে বেতনভোগী কর্মীদের বার্ষিক ১২.৭৫ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে না। নতুন এই কর কাঠামো এবং প্রত্যক্ষ কর সংক্রান্ত নানা প্রস্তাবের দরুণ সরকারের রাজস্ব প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা কমবে। পুনর্মার্জিত আয়কর সীমা অনুযায়ী ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করের হার শূন্য, ৪ থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ, ৮ থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ, ১২ থেকে ১৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, ১৬ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ, ২০ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ২৫ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য হবে। বার্ষিক ২৪ লক্ষ টাকার বেশি আয়ের ক্ষেত্রে করের হার ৩০ শতাংশ। টিডিএস টিসিএস প্রণালীতে যুক্তিযুক্ত করতে প্রবীণ নাগরিকদের সুদ বাবদ আয় কর ছাড়ের পরিমাণ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে টিডিএস-এর সীমা বছরে ২.৪ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। টিডিএস মতো টিসিএস প্রদানের ক্ষেত্রেও বিলম্ব এবার থেকে আর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। নাগরিকরা যাতে স্বেচ্ছায় কর দিতে আরও উৎসাহী হয়ে ওঠেন সেজন্য মূল্যায়ন বর্ষের ভিত্তিতে আপডেটেড রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সময়সীমা ২ বছর থেকে বাড়িয়ে ৪ বছর করা হচ্ছে। আয়ের আপডেট বাবদ ৯০ লক্ষ করদাতা বাড়তি কর দিয়েছেন। ছোট সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় তাদের নিবন্ধনের সময়সীমা ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়েছে। এছাড়াও করদাতারা এখন নিজের দখলে থাকা দুটি সম্পত্তির ক্ষেত্রে বার্ষিক মূল্য শূন্য বলে দাবি করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোন শর্ত থাকছে না। গত বাজেটের বিবাদ থেকে বিশ্বাস কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। ৩৩ হাজার করদাতা এর সুযোগ নিয়েছেন। প্রবীণ এবং অতিপ্রবীণদের আরও সহায়তার লক্ষ্যে ২৯ আগস্ট ২০২৪ কিংবা তার পরে ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে করে রেহাই দেওয়া হবে। এনপিএস বাৎসল্য খাতার ক্ষেত্রেও একই সুবিধা পাওয়া যাবে। ইজ অফ ডুয়িং বিজনেসের বিষয়টি জোরদার করতে আন্তর্জাতিক আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারিত মূল্যমান অপরিবর্তিত রাখার মেয়াদ ৩ বছর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভিত্তিতে করের ক্ষেত্রে নিশ্চয়তার লক্ষ্যে সেলফ হার্বার রুলের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগের প্রসারে, অনাবাসী ভারতীদেরে কথা মাথায় রেখে একটি অনুমান ভিত্তিক কর ব্যবস্থাপনার কথা ভাবা হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ জলপথে চলাচলকারী জলযানগুলির ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রযোজ্য টন ভিত্তিক কর ব্যবস্থাপনা চালু হবে। স্টার্টআপ পরিমণ্ডলকে বিকশিত করতে নিগমায়নের সময়সীমা বাড়িয়ে ৫ বছর করা হয়েছে। পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়াতে সভারেন ওয়েল ফান্ড এবং পেনশন ফান্ডে বিনিয়োগের সময়সীমা আরও ৫ বছর বাড়িয়ে ২০৩০-ের ৩১ মার্চ করা হয়েছে। শিল্পপণ্যের শুল্ক প্রণালীকে যুক্তিযুক্ত করতে বাজেটে ৭টি শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা হয়েছে। এর পাশাপাশি সেস প্রয়োগের ক্ষেত্রেও সংবেদনশীলতার কথা বলা হয়েছে বাজেটে। ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রে ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধ, ক্যান্সার ও বিশেষ ধরনের রোগের একাধিক ওষুধের ওপর সীমাশুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। রোগীদের বিনামূল্যে প্রদান করা হলে মেধাস্বত্ব সহায়তা কর্মসূচির আওতায় থাকা ১৩টি নতুন ওষুধে ভিত্তি সীমাশুল্ক কার্যকর হবে না। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও মূল্যসংযোজনের প্রসারে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ খনিজে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে ২০২৪-এর জুলাইয়ে। আরও ১২টি খনিজের ক্ষেত্রেও এই নীতি কার্যকর হবে। দেশে বস্ত্র উৎপাদনে গতি আনতেও বিভিন্ন পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক তুলে নেওয়া হয়েছে কিংবা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। মেক ইন ইন্ডিয়ার প্রসারে ব্যাটারি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন উপকরণে কর সংক্রান্ত সুবিধা মিলবে। রপ্তানি ক্ষেত্রের প্রসারে বিশেষ জোর দেওয়া হবে হস্তশিল্প সামগ্রীর ওপরে। হিমায়িত মাছের পেস্টে শুল্ক ৩০ থেকে কমে ৫ শতাংশ হবে। মাছ থেকে উৎপাদিত তরল সারের ক্ষেত্রে শুল্কের হার ১৫ শতাংশ থেকে কমে হবে ৫ শতাংশ। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বিকশিত ভারতের যাত্রায় মূল স্তম্ভগুলি হল গণতন্ত্র, জনবিন্যাস এবং চাহিদা। মধ্যবিত্ত শ্রেণীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা মাথায় রেখে কর কাঠামোয় ধারাবাহিক পরিমার্জন করে চলেছে সরকার। নতুন কর কাঠামোর সুবাদে মধ্যবিত্তদের হাতে টাকা আসবে। বাড়বে ভোগ ব্যয়, সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৫
নিবন্ধ

'রামের মূর্তি' কিছুতেই সরানো গেলনা রানীর শয়ন কক্ষ থেকে, জানুন বুন্দেলখন্ডের ইতিহাস

বুন্দেলখন্ড, ভারতের মানচিত্রে অতি প্রাচীন ভুখন্ড বলে পরিচিত। বিন্ধ্য পর্বতমালার দক্ষিণে, শাল, সেগুন, পলাশের জঙ্গলের মধ্যে বেতোয়া নদীর ধারে অবস্থিত এই রাজ্য। বুন্দেল রাজারা প্রায় ২০০ বছর এই রাজ্যে রাজত্ব করেছিলেন, যার রাজধানী ছিল ওরছা। সারা রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন ভাঙা পাঁচিল, বাড়ি, বাড়ির দেওয়াল, কুলুঙ্গি সেই গৌরবময় দিনের সাক্ষী । বেতোয়া নদীর ধারে এই বংশের রাজাদের স্মৃতি সৌধ দেখলে তাদের সৌর্য বীর্যের কথা বোঝা যায়। এই স্মৃতি সৌধ গুলো কে বলা হয়, ছত্রী। কথিত আছে, কিংবদন্তি রাজা মধুকর শাহ ছিলেন কৃষ্ণ ভক্ত, তাঁর রানী গণেশ কুমারী ছিলেন রাম ভক্ত। রানী অযোধ্যা থেকে রামের মূর্তি নিয়ে এলেন পুজোর জন্য। রামের জন্য বানানো হলো চতুর্ভুজ মন্দির। মন্দির তো হলো, তবে রামের মূর্তি রানীর শয়ন কক্ষ থেকে সরানো গেলনা কিছুতেই। ফলে রাজা রানীর মহলকেই মন্দির বানিয়ে দিলেন তার নাম হলো রাজারাম মন্দির, এখানেই একমাত্র শ্রী রাম পূজিত হন রাজা রাম হিসেবে। রানী চলে গেলেন অন্য মহলে। আর চতুর্ভুজ মন্দিরে পরে প্রতিষ্ঠিত হলেন বিষ্ণু।বুন্দেলা বংশের সব থেকে উল্লেখ্যযোগ্য রাজা ছিলেন বীর সিং বুন্দেলা। তিন প্রজন্ম ধরে তৈরী হতে থাকা রাজপ্রাসাদ, শেষ করলেন তিনি, নাম দিলেন রাজা মহল। বীর সিংয়ের সময়ে দিল্লীতে রাজত্ব করছেন বাদশা আকবর।বারবার বুন্দেলাদের আক্রমণ করে ক্ষত বিক্ষত করার চেষ্টা করছেন,কিন্তু হার মানবার পাত্র ছিলেন না বীর সিং। খুঁজে বের করলেন আকবরকে জব্দ করার কৌশল। সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর দিক, বাদশা আকবরের পুত্র, রাজকুমার সেলিম বাবার বিরুদ্ধে গিয়ে আগ্রা ছেড়েছেন, আশ্রয় নিয়েছেন, বেনারসের কেল্লায়। বীর সিং, বন্ধুত্বের হাত বাড়ালেন সেলিমের দিকে। দুজনে মিলে, আকবরের বিশ্বস্ত আবুল ফজল কে হত্যা করার ফন্দি করলেন, বারে বারে আকবর এঁদের আঘাতে আহত হতে থাকলেন।ভারতের মানচিত্রে অতি প্রাচীন ভুখন্ড বুন্দেলখন্ডশেষে ১৬০৫ এ আকবরের মৃত্যুর পর, সেলিম, জাহাঙ্গীর নাম নিয়ে মুঘল সিংহাসনে বসলেন। তবে বন্ধু বীর সিং কে জাহাঙ্গীর মনে রেখেছিলেন শেষ দিন পর্যন্ত। বাদশা হবার পর বীর সিং এর নিমন্ত্রণ রক্ষার জন্য একবার তিনি ওরছা আসেন। তাই তৈরি করা হয় অপূর্ব পাঁচ মহলা জাহাঙ্গীর মহল। অপূর্ব তার নকশা আর অপূর্ব তার স্থাপত্য পরিকল্পনা। রাজপুত ও ইসলামীয় রীতি মিশিয়ে এক অনন্য সৃষ্টি। বুন্দেলা রীতি অনুযায়ী প্রতি ঘরে বা দেওয়ালে অসংখ্য কুলুঙ্গি লক্ষ্য করা যায়। ছাদ থেকে গোটা ওরছা শহরটাকে বড়ো সুন্দর দেখতে লাগে। পাথরের জাফরির কাজ যে কি অদ্ভুত হতে পারে, তা এই প্রাসাদ না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। ভাবতে অবাক লাগে, এই সাত মহলা প্রাসাদে কেউ কোনোদিন থাকেনি। পরবর্তী কালে এটি শুধু অতিথি শালা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে আজ এই বিশাল রাজধানী আজ সবার কাছে অবাঞ্ছিত। সেই দিনের জাক জমক আজ যেন কোথায় হারিয়ে গেছে কালের চাকায়।শ্রেয়া ঘোষ, (বর্ধমান)

অক্টোবর ২৬, ২০২২
দেশ

বিরোধীদের কটাক্ষ উড়িয়ে বাজেট নিয়ে নির্মলার প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

মঙ্গলবার সংসদে বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এই বছরের বাজেটে মহিলা, প্রান্তিক নাগিরক ও দরিদ্রের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে বাজেট পেশের পর থেকেই সমালোচনায় সরব হয়েছেন একাধিক অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন রাজনীতিবিদরা। টুইটে এই বাজেটকে তাৎপর্যবিহীন, অন্তঃসারশূণ্য বলে কটাক্ষ করেছেন রাহুল গান্ধি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বিরোধী নেতারা। তবে বাজেটে খুশি হয়েছে প্রধানমন্ত্রী। বাজেট নিয়ে বক্তৃতায় তারই প্রতিফলন দেখা গেল। এই বক্তৃতায় নমো অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের প্রশংসাও করেন। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের বাজেট প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার তিনি বলেন, এই বাজেট সকলেই উপকৃত হবেন। বিশেষত, সমাজের দরিদ্র এবং অনগ্রসর অংশের মানুষেরা। এ বারের বাজেটকে জনমুখী এবং প্রগতিশীল বলে নির্মলা এবং তাঁর টিমকে ধন্যবাদ জানান মোদি।তিনি জানিয়েছেন, এই বাজেটে যুব সমাজ ও গরিবদের উপর নজর দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেছেন, বাজেট পেশের পর থেকে আমরা যা সাড়া পেয়েছি, তাতে জনগণের জন্য কাজের উৎসাহ আমাদের আরও বেড়ে গিয়েছে।এই বাজেট দেশের জনগণের জন্য নতুন আশা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এসেছে। এই বাজেটে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।প্রতিটি ক্ষেত্রে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। অনেক প্রযুক্তি এসেছে, যেমন-কৃষক ড্রোন, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, ডিজিটাল মুদ্রা, ব্যাংকিং ক্ষেত্রে ডিজিটাল ইউনিট, আর্থিক পরিষেবার রোল আউট, দেশের স্বাস্থ্যের জন্য ডিজিটাল ইকোসিস্টেম। এই সবকিছুতে উপকৃত হবে প্রান্তিক মানুষ, যুবক, দরিদ্র সকলে।এই বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল গরিবের কল্যাণ। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রত্যেক গরিবের কাছে পাকা বাড়ি, নলকূপের জল, শৌচালয়, গ্যাসের সুবিধা- এই সবকিছুর উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি আধুনিক ইন্টারনেট কানেক্টিভিটির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে জীবনধারণ সহজ করার জন্য, যাতে তাঁদের কোনও অসুবিধা না হয়, এই সবকিছু মাথায় রেখে তার জন্যও ঘোষণা করা হয়েছে।হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর, উত্তর-পূর্বের রাজ্য- এইসব জায়গার জন্য দেশে প্রথমবারের জন্য পর্বতমালা যোজনা করা হচ্ছে। এই যোজনা পাহাড়ে পরিবহণ ও যোগাযোগের আধুনিক ব্যবস্থা নির্মাণ করবে। আমাদের দেশের যেসব সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি রয়েছে তাদেরও অনেক ক্ষমতা মিলবে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

ডিজিটাল মুদ্রা আনবে রিজার্ভ ব্যাংক, ঘোষণা নির্মলার

২০২২-২৩ অর্থবর্ষের বাজেটে ডিজিটাল মুদ্রা আনার কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। রিজার্ভ ব্যাংকের অধীনে এই মুদ্রার লেনেদেনের তথ্য রাখা হবে ব্লকচেন পদ্ধতিতে। পাশাপাশি ভার্চুয়াল, ডিজিটাল সম্পদ বিক্রি বা অধিগ্রহণ থেকে আয়ের উপর ৩০ শতাংশ করও বসাতে চলেছে কেন্দ্র।FM proposes to introduce digital rupee using blockchain technology to be issued by Reserve Bank of India starting 2022-23Follow LIVE Budget updates on #ThePrintBudget:https://t.co/Z9xiEAi9U4 ThePrintIndia (@ThePrintIndia) February 1, 2022প্রসঙ্গত ব্লকচেন পদ্ধতিতে বিটকয়েনের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন যাবতীয় তথ্য রাখা হয়। যা ইন্টারনেটে একটি নির্দিষ্ট ডেটাবেসের মধ্যে রাখা হয়। লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ-ই এই ব্লক চেনের তথ্য জানতে পারে না। মূলত এই পদ্ধতিকেই ব্যবহার করে রিজার্ভ ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রা আনতে চলেছে। ইতিমধ্যেই দেশের শীর্ষ ব্যাংক এই মুদ্রা বাজারে আনার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে। জানা গিয়েছে, নগদ টাকা সমতূল হবে এই ডিজিটাল মুদ্রা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

বাজেট ২০২২: পাঁচ বছরে দেশে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান ! ঘোষণা অর্থমন্ত্রী নির্মলার

অর্থনীতির বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, দেশের আর্থিক সংস্কার করতে হলে শুধু শিল্পে নয়, কর্মসংস্থানেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণও জানালেন, আগামী পাঁচ বছরে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে দেশে।দেশে কর্মসংস্থানের অভাব আর বাড়তে থাকা বেকারত্ব নিয়ে গত এক বছরে বহু বার কেন্দ্রের সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন বিরোধীরা। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় বাজেটে দেখা গেল, সেই খামতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, অতিমারি পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ বাড়তে শুরু করেছে দেশে। উন্নত করা হচ্ছে পর্যটন, রেল-সহ একাধিক পরিষেবা। আগামী পাঁচ বছরে এই সব ক্ষেত্রে এবং আরও অন্যান্য ক্ষেত্রে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। চাকরি পাবেন দেশের বেকাররা।✅ ₹1,38,394 crore Gross GST Revenue collected for January 2022✅ GST collection crossed ₹1.30 lakh crore mark for the 4th time✅ Revenues for month of January 2022 15% higher than GST revenues in Jan. 2021 and 25% higher than the GST revenues in January 2020 Ministry of Finance (@FinMinIndia) January 31, 2022নির্মলা জানিয়েছেন, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অ্যানিমেশনের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলবে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় তথ্যপ্রযুক্তি হাব তৈরি করা হবে। নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিই ওই হাব তৈরি করবে। এ ছাড়াও দেশে ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত জাতীয় সড়ক এবং এক্সপ্রেসওয়ে বিস্তার করা হচ্ছে। চালু হতে চলেছে ১১টি নতুন মেট্রোলাইন। এই সব ক্ষেত্রেই কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।গ্রামাঞ্চলে ব্রডব্যান্ড পরিষেবায় জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে বলা হয়েছে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের সমস্ত গ্রামে পৌঁছে যাবে অপটিক্যাল ফাইবার। চলতি বছরের শেষে শুরু হচ্ছে ৫জি স্পেকট্রাম পরিষেবাও। সেখানে কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। এর পাশাপাশি বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি দেশে তৈরি করার কথা বলা হয়েছে বাজেটে। শহরে, শহরতলিতে সংখ্যায় বাড়ানো হবে চার্জিং স্টেশন। সেখানেও নিয়োগ করা হবে নতুন কর্মী।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

এবারও ‘পেপারলেস বাজেট’ পেশ করতে চলেছেন নির্মলা সীতারমণ

আজই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের হাত ধরে পেশ হতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২২ । আগামী অর্থবর্ষের নাড়ি-নক্ষত্র স্থির হয়ে যাবে এই বাজেটের মাধ্যমেই। কোন খাতে কত বরাদ্দ বাড়ল বা কোন পণ্যের কত দাম বাড়ল বা কমল, সবই জানা যাবে কেন্দ্রীয় বাজেটে। এবারের বাজেটে বিশেষ জোর দেওয়া হতে পারে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। একইসঙ্গে বিশেষ গুরুত্ব পাবে কৃষি ও শিল্পক্ষেত্রও।বাজেট হাতে অর্থ মন্ত্রক থেকে বের হলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এবারও তিনি পেপারলেস বাজেট পেশ করবেন। সেই কারণে লাল কভারে মোড়া ট্যাব হাতেই দেখা গেল তাঁকে। বাজেটের ঘোষণার দিকেই আজ সারাদিন তাকিয়ে থাকবে দালাল স্ট্রিট। এদিন সকালে বাজার খুলতেই সেনসেক্সের সূচকে ৫৮২.৮৫ অঙ্ক বৃদ্ধি হয়। নিফটিও ১৫৬.২০ অঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করার আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করতে এলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।আজ ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের জন্য বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার আগে সংসদে পেশ করা হয় আর্থিক সমীক্ষা। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের পর লোকসভায় ২০২১-২২ আর্থিক বর্ষের হিসেব নিকেশ পেশ করেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

আজ শুরু সংসদের বাজেট অধিবেশন, বাজেট পেশ কাল

আজ থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। সম্ভবত ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ২০২২ সালে চতুর্থবারের জন্য বাজেট পেশ করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রত্যেকবার বাজেট পেশের আগে কেন্দ্রীয় সরকার হালুয়া অনুষ্ঠান আয়োজন করলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই রীতি এবার বন্ধ রাখা হয়েছে।রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের মাধ্যমে এবারের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। ৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি অবধি চলবে অধিবেশনের প্রথম ধাপ। পরবর্তী ধাপে মার্চ মাসের ১৪ তারিখ থেকে শুরু হয়ে এপ্রিলের ৮ তারিখ পর্যন্ত চলবে অধিবেশ।২০২১-২২ অর্থবর্ষে প্রথমবারের জন্য পেপারলেস বাজেট পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। একইভাবে এইবারও পেপারলেস বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইউনিয়ন বাজেট মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে। শুধুমাত্র সাংসদরা এই অ্যাপ ব্যবহার করে বাজেট সম্পর্কিত যাবতীয় খুঁটিনাটি জানতে পারবেন। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট অধিবেশন শেষ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই এই অ্যাপে বিস্তারিত তথ্য মিলবে।কেন্দ্রীয় বাজেট সম্পর্কিত ১৪ টি নথিপত্র এই মোবাইল অ্যাপ থেকে পাওয়া যাবে। হিন্দি ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই ব্যবহার করা যাবে এই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি। সাধারণ জনগণ ডব্লুউডব্লুউডব্লুউ ডট ইন্ডিয়াবাজেট ডট কম-ওয়েবসাইট থেকে বাজেটের নথিপত্র দেখতে পাবেন। এবারের বাজেট অধিবেশনে ৩১ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি কোনও জিরো আওয়ার থাকবে না। ৩১ জানুয়ারি রাজ্যসভার নেতারা ভার্চুয়ালি কথা বলবেন। বাজেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে সংসদে কঠোরভাবে করোনাবিধি মেনে চলার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
রাজ্য

Sitabhog Mihidana : পুজোর আগে দুই দফায় বিদেশে পাড়ি দিল বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টি মিহিদানা ও সীতাভোগ

বর্ধমানের দুটি প্রসিদ্ধ মিষ্টি সীতাভোগ ও মিহিদানা। এখন এই দুই মিষ্টির কদর ও চাহিদা সমানভাবে বেড়েছে বিদেশের বাজারে। সেই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের বড়দ্বীপ বাহরাইনে পাড়ি দিয়েছিল রাজ আমলের ঐতিহ্যবাহী বর্ধমানের শতাব্দী প্রাচীন মিষ্টি মিহিদানা। এর ঠিক এক সপ্তাহ পর মহালয়ার আগের দিনের সকালে বর্ধমান সীতাভোগ এ্যন্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের উদ্যোগে সীতাভোগ পাড়ি দিল ভিন দেশে। বিদেশের বাজারে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টির চাহিদা বাড়ায় খুশি এখানকার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা।সীতাভোগ এ্যণ্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের সহ-সম্পাদক সৌমেন দাস এদিন বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে ৩০টি প্যাকেটে মোট ১২ কেজি মিহিদানা বাইরাইনে পাঠানো হয়েছিল। সেখানকার মানুষজন বর্ধমানের মিহিদানা খেয়ে খুবই তৃপ্তি পেয়েছেন। আর এদিন গাওয়া ঘি দিয়ে তৈরী জিআই ট্যাগযুক্ত মোট ১২ কেজি সীতাভোগ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার রাজ্য বাহরাইনের দ্বীপে আলজাজিরার একটি স্টোরে উদ্দেশ্যে পাড়ি দিল।বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানা জি আই স্বীকৃতি পাওয়ার পর ভারতীয় ডাক বিভাগ এই দুই মিষ্টিকে স্পেশাল কভারেজ দিয়েছে। সীতাভোগ ও মিহিদানকে মর্যাদা দিয়ে মাস দুয়েক ভারতীয় ডাক বিভাগ বাজারে ছাড়ে বিশেষ খাম। তারপর দেশজুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার কদর আরও বাড়ে। আর এখন আন্তর্জাতিক বাজারেও এই দুই মিষ্টির চাহিদা ও কদর উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে।সীতাভোগ ও মিহিদানার উৎপত্তি নিয়ে নানা কাহিনী প্রলিত আছে। কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চন্দ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে এক বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন বাংলার বড়লাট লর্ড কার্জন বর্ধমানে আমন্ত্রিত ছিলেন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য এবং অনুষ্ঠানকে আরও উৎকর্ষপূর্ণ করার জন্য বর্ধমানের রাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে রাজ পরিবারের খাস মিষ্টি প্রস্তুত কারক ভৈরবচন্দ্র নাগ একদম নতুন দুটি মিষ্টি সীতাভোগ আর মিহিদানা তৈরি করেন। যার স্বাদ পেয়ে বেজায় খুশি হয়েছিলেন বড়লাট-সহ সকল অতিথিরা।সীতাভোগ তৈরির প্রধান উপাদান সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল। সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল থেকে প্রস্তুত হওয়ার কারণেই সীতাভোগের একটি নিজস্ব স্বাদ ও সুগন্ধ হয়। এই চাল গুঁড়ো করে তাতে ১:৪ অনুপাতে ছানা মিশিয়ে পরিমাণমত দুধ দিয়ে মাখা হয়। তারপর একটি বাসমতী চালের আকৃতির মত ছিদ্রযুক্ত পিতলের পাত্র থেকে ওই মিশ্রণকে গরম চিনির রসে ফেলা হয়। এর ফলে সীতাভোগ বাসমতীর চালের ভাতের মত দেখতে লম্বা সরু সরু দানাযুক্ত হয়। এর সঙ্গে ছোট ছোট গোলাপজাম এবং কখনও কখনও কাজুবাদাম ও কিশমিশ মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়। তবে সীতাভোগ নামটি নিয়ে বেশ দ্বন্দ্ব আছে পণ্ডিতমহলে। সুকুমার সেনের মতে, বানানটি হওয়া উচিত সিতাভোগ, সিতা অর্থে সাদা। আবার সিতা-র মানে মিছরিও হয়, তাই সাদা রঙের মিছরির মতন যে মিষ্টি বর্ধমান রাজবাড়ির হালুইকররা বানালেন, তার নাম হয়ে গেল সিতাভোগ।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
দেশ

Priyanka Arrest: গ্রেপ্তার করা হল প্রিয়াঙ্কা গান্ধিকে

৩৫ ঘণ্টা আটক করে রাখার পরে গ্রেপ্তার করা হল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধিকে। তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে সীতাপুর থানার পুলিশ। উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, শান্তিভঙ্গের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কাকে। যে গেস্ট হাউসে প্রিয়াঙ্কাকে আটক করে রাখা হয়েছিল, তাকেই অস্থায়ী জেল হিসাবে তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রিয়াঙ্কা-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কংগ্রেস নেতা দীপেন্দ্র হুডা, অজয় কুমার লাল্লুও রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। প্রিয়াঙ্কার অফিসের তরফে এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো না হলেও সূত্রের খবর, শীঘ্রই আদালতে তোলা হবে তাঁদের।বিস্তারিত আসছে-

অক্টোবর ০৫, ২০২১
দেশ

GST: দাম কমছে না পেট্রোপণ্যের, রাজ্যের আপত্তিতে পেট্রোল-ডিজেলে বসছে না জিএসটি

জ্বালানি তেলের দাম দিতে গিয়ে নাভিশ্বাস অবস্থা সাধারণ মধ্যবিত্তর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও খুশির খবর শোনা যায়নি জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি না এলেও, এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে কমছে না পেট্রল-ডিজ়েলের দাম।আরও পড়ুনঃ মোদির জন্মদিনে রাজ্যপালের বৃক্ষরোপণআজ জ্বালানি তেলকে জিএসটির আওতায় নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। অনেকেই আশা করে ছিলেন, পেট্রল-ডিজ়েলের উপর জিএসটি বসানো হলে, লিটার পিছু দাম অনেকটাই কমে যাবে। কিন্তু সূত্রের খবর, তেমন কিছুই হচ্ছে না। আপাতত, সেঞ্চুরির ঘর থেকে নামার কোনও লক্ষ্মণ নেই পেট্রলের।আজ সকালে লখনউতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শুরু হয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার প্রস্তাব দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। কিন্তু এই প্রস্তাবের বিরোধিতে একযোগে সরব হয়েছে সব রাজ্যগুলিই। বাদ পড়েনি খোদ বিজেপি শাসিত রাজ্যেগুলিও। তাই আপাতত পেট্রল ও ডিজেল জিএসটির আওতার বাইরেই থাকছে। যার জেরে জ্বালানির দাম কমার সম্ভাবনা আপাতত নেই বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। ৪৫তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শেষে এদিন সংবাদমাধ্যমর নির্মলা জানিয়েছেন, করোনার সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও বেশ কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দামি ওষুধে জিএসটি ছাড় দেওয়া হয়েছে। কর ছাড় দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু জীবনদায়ী ওষুধেও। একইসঙ্গে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত করোনার ওষুধে কর ছাড়ের কথাও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Sitavog & Mihidana: বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানকে বিশেষ স্বীকৃতি ভারতীয় ডাক বিভাগের

জিআই স্বীকৃতি প্রাপ্তির পর এবার বর্ধমানের দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানাকে স্বীকৃতি দিল ভারতীয় ডাক বিভাগ। এই বিষয়ে শুক্রবার বর্ধমান মুখ্য ডাকঘরে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে সীতাভোগ ও মিহিদানার ছবি ও তথ্য সম্বলিত বিশেষ খাম ও স্পেশাল কভারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দক্ষিণবঙ্গ রিজিয়নের পোষ্ট মাষ্টার জেনারেল শশী সালিনী কুজুর। ডাক বিভাগ বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্ঠান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানাকে স্বীকৃতি দেওয়ায় খুশি বর্ধমানের মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীয়া।বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানার খ্যাতি এখন দেশ জোড়া। অনেক টানাপোড়েনের পর ২০১৭ সালে জিআই স্বীকৃতি পায় শতাব্দী প্রাচীন বর্ধমানের এই দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন। রাজ আমলের ঐতিহ্যশালী সীতাভোগ ও মিহিদানাকে এবার স্বীকৃতি দিল ভারতীয় ডাক বিভাগ। এই বিষয়ে শশী সালিনি কুজুর এদিন বলেন, বর্ধমানের এই দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টির প্রচার এবং জনপ্রিয়তা বাড়ানোর লক্ষ্যে ভারতীয় ডাক বিভাগ প্রমোট করছে। এর ফলে বর্ধমান ছাড়াও দেশের অনান্য জায়গায় সীতাভোগ ও মিহিদানার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে। অনু্ষ্ঠানে ডাক বিভাগের বর্ধমান ডিভিশনের সিনিয়র সুপারিনটেন্ডেন্ট সৈয়দ ফরজ হায়দার নবী, বর্ধমানের হেড পোস্টমাস্টার মুধুসূদন রায় ও বর্ধমান সীতাভোগ মিহিদানা ট্রেডাস ওয়েলফেয়ার এস্যোসিয়েশনের সম্পাদক প্রমোধ কুমার সিং উপস্থিত ছিলেন।প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বর্ধমানের রাজ আমলের ইতিসাস। বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন বাংলার তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য মহারাজ বিজয়চাঁদ মহতাব তাদানীন্তন বর্ধমানের নামজাদা মিষ্টি প্রস্তুতকারক ভৈরবচন্দ্র নাগকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বিশেষ মিষ্টি প্রস্তুত করতে বলেন। ভৈরবচন্দ্র নাগ তৈরি করে দেন মিহিদানা ও সীতাভোগ।জানাযায়, এই দুই মিষ্টির স্বাদ পেয়ে বড়লাট-সহ বাকি অতিথিরা খুবই খুশি হয়েছিলেন। সেই দুই মিষ্টান্নই এদিন ভারতীয় ডাক বিভাগ কর্তৃক সমাদৃত হল।বর্ধমান সীতাভোগ মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রমোধ কুমার সিং এদিন বলেন, এই প্রথম কোনও সরকারি সংস্থা বর্ধমানের মিষ্টান্নকে এই ভাবে প্রমোট করলো।এর ফলে গোটা দেশ জুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার নাম ছড়িয়ে পড়বে। পাশাপাশি গোটা দেশে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ, মিহিদানার চাহিদা আরও বাড়বে । এত কিছুর মধ্যেও প্রমোধ কুমার সিং আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৭ সালে জিআই স্বীকৃতি পাবার পর তাঁরা ভেবেছিলেন কেন্দ্র অথবা রাজ্য সরকার তাদের প্রমোট করবে। কিন্তু কোনও সরকারই এগিয়ে আসেনি। শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের পোষ্টাল বিভাগ এগিয়ে এলো।

আগস্ট ২৭, ২০২১
দেশ

Provident Fund: বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনের

প্রভিডেন্ট ফান্ডের পুরো টাকাই দেবে কেন্দ্র। কোভিডে যারা কাজ হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য এ বার বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শনিবার জানিয়েছেন, কর্ম-হারা কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা এ বার কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। সাধারণত দুভাগে এই টাকা দেওয়া হয়। একটি অংশ দেয় সেই সংস্থা যেখানে কোনও কর্মী কর্মরত অবস্থায় রয়েছেন। দ্বিতীয় অংশটি ওই কর্মীর বেতন থেকে কেটে নেওয়া হয়। উভয় ভাগের টাকাই কেন্দ্রের পক্ষ থেকেই দেওয়া হবে বলে এ দিন ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। আগামী ২০২২ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কর্মচারী, এবং সংস্থা; উভয় পক্ষের পিএফ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।If in a district, more than 25,000 migrant workers working in the informal sector return to their native place will get benefits from 16 Central schemes for employment. In 2020, we increased the MGNREGA budget from Rs 60,000 cr to around Rs 1 lakh cr due to COVID:Finance Minister pic.twitter.com/9azlNN24D4 ANI (@ANI) August 21, 2021অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্যও এ দিন বড় ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, করোনার কারণে যদি কোনও জেলায় কমপক্ষে ২৫ হাজার শ্রমিক অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করেন, তবে তাঁদের সুবিধার জন্য এবং রোজগার বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে মোট ১৬ টি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে। যার লাভ তাঁরা নিতে পারেন। অতিমারির কারণে যেহেতু প্রচুর পরিমাণ দিনমজুর এবং পরিযায়ী শ্রমিক নিজেদের বাড়ি ফিরে গিয়েছেন, তাই সেই মানুষগুলির কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মনরেগার বাজেট ৬০ হাজার কোটি থেকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ কোটি টাকা করেছে কেন্দ্র। এমনটাও জানান অর্থমন্ত্রী।

আগস্ট ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shovan : দীপ্সিতার জন্মদিনে শুভেচ্ছা 'দাদান' শোভনের

দীপ্সিতা ধর। খুব পরিচিত একটি নাম। বিগত বিধানসভা নির্বাচনে যিনি হয়ে উঠেছিলেন সিপিআইএমের প্রার্থী তালিকার তারুণ্যের মুখ। সোমবার ছিল তার জন্মদিন। দীপ্সিতার এই বিশেষ দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানালেন দাদা শোভন গঙ্গোপাধ্যায়। শেয়ার করলেন দাদা-বোনের ছোট বেলার নানা টুকরো ছবি।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বলিউড অভিনেত্রীসোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করে শোভন লিখেছেন, শুভ জন্মদিন বোনু। ফ্রম দাদান। মোট চারটে ছবি শেয়ার করেছেন শোভন। নানা বয়সের নানা মুহূর্তের ছবি। পারিবারিক অ্যালবাম থেকে ছবি ঠাই পেয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। শুভেচ্ছা বার্তা ভেসে এসেছে এই বাম যুবনেত্রীর জন্য।আরও পড়ুনঃ অক্ষয় কুমারের স্টান্ট ভয় পান তাঁর স্ত্রী ট্যুইঙ্কল খন্নাপ্রসঙ্গত গায়ক শোভন দীপ্সিতার মাসতুতো দাদা। এর আগে বোনের হয়ে প্রচারে গান বাঁধতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। ভোটের সময় তার মাসির মেয়ের জন্য গান বাঁধতে দেখা গিয়েছিল শোভনকে। তবে সেই গানের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক মতাদর্শ তুলে ধরতে চাননি এমনটাও জানান।

আগস্ট ১০, ২০২১
দেশ

করোনায় পুত্রহারা সীতারাম ইয়েচুরি

ভয়াবহ আকার নিয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। আক্রান্ত হচ্ছেন একের পর এক রাজনীতিবিদ। প্রাণও হারাচ্ছেন অনেকে। আতঙ্কে কাঁটা দেশবাসীরা। এর মধ্যেই করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল সীতারাম ইয়েচুরির বড় ছেলে আশিস ইয়েচুরির। ছেলের মৃত্যুর খবর টুইট করে জানালেন বামফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক। টুইট করে তাঁকে সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।পেশায় সাংবাদিক আশিস গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন বলে খবর। টুইটারে ইয়েচুরি লিখেছেন, অত্যন্ত বেদনার সঙ্গে জানাচ্ছি, আমার বড় ছেলেকে হারালাম। সকালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ওঁর। যাঁরা আমাদের পাশে ছিলেন, তাঁদের ধন্যবাদ। পাশে থাকার জন্য সমস্ত ডাক্তার, নার্স, ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার, স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা। অন্যদিকে, বুধবারই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা মদন মিত্র। সেই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন আরও এক দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা প্রার্থী। বৃহস্পতিবার সকালে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন মানিকতলার তৃণমূল প্রার্থী সাধন পাণ্ডে। তিনি করোনা আক্রান্ত কি না তা স্পষ্ট নয়। গত কয়েক দিন ধরে অসুস্থ শরীর নিয়ে প্রচারও সারছেন সাধনবাবু। বুধবার প্রয়াত কবি শঙ্খ ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। এর পরই তিনি বৃহস্পতিবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এপ্রিল ২২, ২০২১
দেশ

বহাল থাকছে স্বল্প সঞ্চয়ের সুদের পুরনো হারই

রাতারাতি অবস্থান বদল কেন্দ্রের। এখনই কমছে না স্বল্প সঞ্চয় ও পিপিএফের সুদের হার । বরং ২০২০-২০২১ আর্থিক বছরের শেষ ত্রৈমাসিকের সুদের হারই নতুন আর্থিক বছরের প্রথম তিনমাস অব্যাহত থাকবে। বৃহস্পতিবার সকালে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের সাফাই, ভুল করে পুরনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। সে কথা অবশ্য মানতে রাজি নয় আমজনতা। ভোটবাক্সের কথা ভেবেই মোদি সরকার নিজের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াল বলে মনে করছে তাঁরা। এদিন টুইট করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছেন, গত ত্রৈমাসিকের হারেই সুদ মিলবে পিপিএফ -সহ সমস্ত স্বল্প সঞ্চয়ে। বুধবার রাতে জারি হওয়া নির্দেশিকা প্রত্যাহার করছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের ৫ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটপ্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে স্বল্প সঞ্চয় সুদ কমানো হলে তার বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বিজেপির ভোট বাক্সে। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, এই ভোটের কথা মাথায় রেখেই এদিন তড়িঘড়ি সুদ কমানোর বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করল কেন্দ্রীয় সরকার।বুধবার রাতে কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ২০২১-২০২২ আর্থিক বছরে পিপিএফ সঞ্চয়ে সুদের হার থাকবে ৬.৪ শতাংশ। নির্দেশিকা প্রত্যাহার করায় সুদের হার থাকছে ৭.১ শতাংশ। স্বল্প সঞ্চয়ের সুদের হারও কমার কথা ছিল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, সেভিংস অ্যাকাউন্টে সুদের হার ৪ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়াবে ৩.৫ শতাংশ। এক বছরের জন্য যাঁরা টাকা রাখবেন তাঁদের ত্রৈমাসিক সুদের হার ৫.৫ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছিল ৪.৪ শতাংশ। ধাক্কা খেয়েছিল প্রবীণদের সঞ্চয়ও। নয়া বিজ্ঞপ্তি বলছে, প্রবীণদের সেভিংস অ্যাকাউন্টের ত্রৈমাসিক সুদের হার ৭.৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে করা হয়েছিল ৬.৫ শতাংশ। তবে সেই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করা হল।

এপ্রিল ০১, ২০২১
দেশ

বাজেটে নির্মলার মন্ত্র 'আত্মনির্ভর ভারত'

করোনাকালে শতাব্দীর প্রথম সাধারণ বাজেট পেশ করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। অতিমারির আবহে দেশকে ফের উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে আত্মনির্ভর ভারত মন্ত্রই আওড়ালেন তিনি।সংসদে বিরোধীদের হট্টগোলের মাঝে পেপার লেস বাজেট পেশ করে নির্মলা বলেন, আমরা আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে বাজেট তৈরি করেছি। ধারাবাহিক বৃদ্ধির চেষ্টা থাকবে এই বাজেটে। ৫৪ হাজার কোটি টাকা স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ হয়েছে। এর ফলে ১৭ হাজার স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবিত হবে। সরকার যে আত্মনির্ভর প্রকল্প নিয়েছে তা জিডিপির ১৩ শতাংশ। কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে আমরা দায়বদ্ধ। করোনা ভ্যাকসিন তৈরিতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। আত্মনির্ভর ভারত গোড়ার জন্য উৎপাদন ক্ষেত্রকে চাঙ্গা করতে হবে। ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরকে মজবুত করতে পাঁচ বছরে ১.৯৭ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার। করোনা টিকার জন্য ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গরীব মানুষের উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করছে সরকার। এর আগে তিনটি আত্মনির্ভর প্যাকেজ প্রায় তিনটি মিনি বাজেটের সমান ছিল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
দেশ

রবি ঠাকুরকে স্মরণ করে শুরু বাজেট বক্তৃতা

কোভিড পরিস্থিতিতে ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে ভারতের অর্থনীতি। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ বাজেট পেশ করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। মন্দা কাটিয়ে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করাই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য। সাধারণ বাজেট ২০২১ সংক্রান্ত সমস্ত লাইভ আপডেট:সকাল ১০.১২: সংসদে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। সকাল ১০.২১: বাজেট পেশের আগে ক্যাবিনেট বৈঠকে মন্ত্রীরা। সকাল ১০.৩৩: লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সংসদে পৌঁছলেন। সকাল ১০.৪৫: ক্যাবিনেট বাজেটকে ছাড়পত্র দিল। সকাল ১০.৫৫: বাজেটে কর্মসংস্থানের হদিশ দিতে হবে, দাবি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধির। সকাল ১১.০১: বাজেট পেশ করছেন নির্মলা সীতারমণ। সকাল ১১.০৫: গত এক বছর ধরে নানা নতুন প্রকল্প শুরু করেছে কেন্দ্র। সেই খতিয়ান তুলে ধরছেন অর্থমন্ত্রী। সকাল ১১.০৭: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার আবৃত্তি করে বাজেট পেশ শুরু করলেন নির্মলা সীতারমণ।সকাল ১১.১৩: স্বাস্থ্যক্ষেত্রে নয়া ঘোষণা। আত্মনির্ভরতায় জোর। বরাদ্দ ৫৪ হাজার কোটি। বরাদ্দ বাড়ল ১৩৭ শতাংশ।সকাল ১১.১৫: পুষ্টিক্ষেত্রে নয়া প্রকল্প কেন্দ্রের।সকাল ১১.১৭: বিশুদ্ধ জল শহরে পৌঁছে দিতে মোটা টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের। দূষণ রুখতে নয়া নীতি। সকাল ১১.১৮: ২০ বছর পর ব্যক্তিগত পুরনো গাড়ির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। সকাল ১১.২০: কোভিড ভ্যাকসিন খাতে ৩৫ হাজার কোটি। সকাল ১১.২২: ইনসেনটিভ ভিত্তিক উৎপাদনে জোর। সকাল ১১.২৩: বস্ত্রশিল্প ক্ষেত্রে বিনিয়োগ পার্ক তৈরি করবে কেন্দ্র। ৭ বস্ত্রশিল্প পার্ক তৈরি হবে। বিশ্বমানের রপ্তানি পরিকাঠামো তৈরি হবে। সকাল ১১.২৪: অ্যাসেট মনিটাইজিং প্রোগ্রাম শুরু।সকাল ১১.২৭: ক্যাপিটাল এক্সপেনডেচার বাড়ানো হল। ৫.৫৪ লক্ষ কোটি বরাদ্দ। সকাল ১১.২৮: রাস্তা ও হাইওয়ে তৈরির ক্ষেত্রে ভারতমালা প্রকল্পে জোর। কলকাতা-শিলিগুড়ি হাইওয়ে ও অসমের রাস্তা উন্নয়নে মোটা টাকা বরাদ্দ। আগামী তিন বছরে খরচ হবে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
দেশ

নোটবন্দির একাধিক সাফল্য তুলে ধরে টুইট সীতারামনের , সমালোচনা কংগ্রেসের

ভারতকে দুর্নীতিমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি মাফিক মোদি সরকার চার বছর আগে নোটবন্দি করেছিল এই দিনে। কালো টাকার বিরুদ্ধে এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক দেশের করকাঠামোর উন্নয়ন এবং ডিজিটার অর্থনীতির দিকে দেশে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রথম পদক্ষেপ ছিল। রবিবার নোট বাতিলের চার বছরের বর্ষপূর্তির দিনে টুইট করে এই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ৯০০ কোটি হিসাব বহির্ভূত আয় বাজেয়াপ্ত হয়েছে নোটবন্দির প্রথম চার মাসের মধ্যে। গত তিন বছরে ৩,৯৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অপারেশন ক্লিন মানি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে নোটবন্দির পর। নোটবন্দি শুধুমাত্র কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং ব্যাপকতাই আনেনি, এটা টাকার মূল্যহ্রাস এবং সার্কুলেশনকেও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেছে। আরও পড়ুন ঃ হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে হাথরাস কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত অন্যদিকে , কংগ্রেসের তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অভিযান শুরু করা হয়েছে। নোটবন্দি বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার জন্য এই কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধীর দাবি, নোটবন্দির প্রধান লক্ষ্যই ছিল বড় ঋণখেলাপিদের ঋণ মকুব করা। কংগ্রেসের আরও দাবি, নোটবন্দির ফলে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি কমে ২.২ শতাংশ এবং কর্মসংস্থান ৩ শতাংশে এসে ঠেকে। একটি ভিডিওতে রাহুল প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ভারতের অর্থনীতিকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ভারতের অর্থনীতি এখন ভাল পারফর্ম করার জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
দেশ

ক্ষমতায় এলে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন , বিহারের ইস্তেহারে প্রতিশ্রুতি বিজেপির

সামনেই বিহারে নির্বাচন। তার আগে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করে তাতে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিল বিজেপি। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বিজেপির প্রকাশ করা সংকল্পপত্রে সবচেয়ে চমকপ্রদ প্রতিশ্রুতি হল ক্ষমতায় ফিরলে বিনামূল্যে সকলের জন্য করোনার ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা এবং বিহারবাসীর জন্য ১৯ লক্ষ চাকরি। এছাড়াও, ৩ লক্ষ শিক্ষক নিয়োগ, বিহারকে আইটি হাব হিসেবে গড়ে তোলা, এক কোটি মহিলাকে আত্মনির্ভর করা সহ বহু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বোনাসের ঘোষণা কেন্দ্রের তিনি এদিন ইস্তেহার প্রকাশ করে বলেন, বিহারের বৃদ্ধি ভারতের বিকাশের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তিনি ভোটারদের এনডিএর মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী নীতীশ কুমারের সমর্থন বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ২২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

রাশিয়াকে পাশ কাটিয়ে তেল আমদানিতে নতুন দিশা ভারতের, ভেনেজুয়েলা ও আমেরিকার দিকে ঝুঁকতেই শুল্ক ছাঁট যুক্তরাষ্ট্রের

রাশিয়ার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিল ভারত। তেল আমদানির ক্ষেত্রে রাশিয়াকে ধীরে ধীরে পেছনে সরিয়ে এবার ভেনেজুয়েলা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকছে নয়াদিল্লি। ভারতের এই ঘোষণার অব্যবহিত পরেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল ওয়াশিংটনভারতের উপর আরোপিত আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হল।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুটি ঘটনাই পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।তেল আমদানিতে কৌশল বদল ভারতেরইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই রাশিয়া থেকে স্বল্পমূল্যে তেল আমদানি করছিল ভারত। তবে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ, নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এবার বিকল্প উৎসের দিকে নজর দিচ্ছে কেন্দ্র।সরকারি সূত্রের খবর, ভেনেজুয়েলা থেকে ভারী ক্রুড অয়েল এবং আমেরিকা থেকে লাইট সুইট ক্রুড আমদানির পরিকল্পনা করছে ভারত। এতে একদিকে যেমন সরবরাহে বৈচিত্র আসবে, তেমনই আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের দর কষাকষির ক্ষমতাও বাড়বে।আমেরিকার শুল্ক ছাঁটকূটনৈতিক বার্তা?ভারতের এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমদানি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন প্রশাসন। আগে যেখানে ভারতীয় পণ্যের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানো হত, তা কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে।বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধুই অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়বরং ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করার একটি কূটনৈতিক বার্তাও বটে। বিশেষ করে শক্তি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্ব বাড়াতে চাইছে আমেরিকা।ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনাশুল্ক কমার ফলে ভারতীয় পণ্যবিশেষ করে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, অটো যন্ত্রাংশ ও আইটি-সংক্রান্ত রপ্তানিতে সুবিধা মিলতে পারে। এর ফলে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের খরচ কমবে এবং মার্কিন বাজারে প্রতিযোগিতা আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের ভারসাম্যনীতিএকদিকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন না করে, অন্যদিকে আমেরিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারএই ব্যালান্সিং অ্যাক্ট-ই এখন ভারতের বিদেশনীতি। শক্তি নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও কূটনীতির মধ্যে ভারসাম্য রেখে চলার এই কৌশলই আগামী দিনে ভারতের অবস্থান আরও দৃঢ় করবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।সব মিলিয়ে, তেল আমদানি ও শুল্ক ছাঁটএই দুই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
দেশ

‘উনি জমিদার, আমরা চাকর নই’, কমিশন বৈঠকের পর ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এ বার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নির্বাচন সদনে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি অভিযোগ করেন, বৈঠকে তাঁদের অপমান ও অসম্মান করা হয়েছে। সেই কারণেই বৈঠক বয়কট করে বেরিয়ে এসেছেন তাঁরা।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সদ্য মৃত তিন জন বিএলও-র পরিবার এবং এসআইআর প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি পরিবারও। প্রায় ঘণ্টাখানেকের বেশি সময় ধরে বৈঠক চলে। বৈঠক শেষ হতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা বলেন, বৈঠকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে জানিয়েছেন যে, বিজেপির চাপে তিনি কাজ করছেন। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার মিথ্যে কথা বলেছেন এবং জেনে বুঝে তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এমন ভঙ্গিতে কথা বলা হয়েছে যেন কমিশনার নিজেকে জমিদার ভাবছেন আর অন্যরা তাঁর অধীনস্থ কর্মচারী।তিনি আরও বলেন, বহু নির্বাচন কমিশনার দেখেছেন তিনি, কিন্তু এমন আচরণ আগে কখনও দেখেননি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বিজেপির তোতাপাখি বলেও কটাক্ষ করেন মমতা। সেই সঙ্গে সীমা খান্নার নাম তুলে তিনি অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তি কমিশনের কেউ নন, বিজেপির আইটি সেলের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাবি, সীমা খান্নার নির্দেশেই প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।তবে এত অভিযোগের মধ্যেও মমতা স্পষ্ট করে দেন, তৃণমূল কংগ্রেস কোনওভাবেই নির্বাচন বয়কট করবে না। তিনি বলেন, এই ভুল তাঁর দল কখনও করবে না। ভোটের লড়াই তাঁরা রাস্তায় নেমেই লড়বেন।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
রাজ্য

অল্পের জন্য প্রাণ বাঁচল ২০২ পরীক্ষার্থীর! মাধ্যমিক কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরীক্ষার্থীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। যদিও পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।সোমবার নির্ধারিত সময়েই নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়। ওই কেন্দ্রে বালাভূত হাই স্কুল, বালাভূত বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ এবং কৃষ্ণপুর স্কুলের মোট ২০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই স্কুলের ক্যান্টিনে চা বানানোর সময় একটি গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন ধরে যায়।মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে স্কুল চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা দ্রুত সাহসিকতার পরিচয় দেন। তাঁরা জ্বলন্ত গ্যাস সিলিন্ডারটি টেনে দ্রুত স্কুল ভবনের বাইরে মাঠের মাঝখানে নিয়ে যান। ভিজে বস্তা দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় তুফানগঞ্জ দমকল কেন্দ্রে।দমকল বাহিনী পৌঁছনোর আগেই বিকট শব্দে গ্যাস সিলিন্ডারটি ফেটে যায়। বিস্ফোরণের শব্দে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই পরীক্ষা ছেড়ে দ্রুত স্কুলের মাঠে বেরিয়ে আসেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান তুফানগঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি, এসডিপিও কান্নেধারা মনোজ কুমার-সহ জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দুলাল বসাক জানান, পুলিশের তৎপরতার জন্যই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সিলিন্ডারটি ফাঁকা মাঠে বিস্ফোরিত হওয়ায় কেউ আহত হননি।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পরীক্ষার্থীরা আবার শান্তভাবে পরীক্ষায় বসেন এবং নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে বড়সড় বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
দেশ

হ্যালি রোড বন্ধ, পুলিশে ঘেরা বঙ্গভবন! বেরিয়ে এসে শাহকে চ্যালেঞ্জ মমতার

রবিবার বিকেলে দিল্লিতে পৌঁছান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সোমবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানী। হঠাৎ করেই দিল্লি পুলিশ ঘিরে ফেলে বঙ্গভবন। সেই পরিস্থিতিতে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন মমতা। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুজনেই সোজা চলে যান বঙ্গভবনে।সোমবার সকাল থেকে বঙ্গভবনে এক নজিরবিহীন ছবি দেখা যায়। এসআইআর সংক্রান্ত অভিযোগে বাংলায় স্বজন হারানো একাধিক পরিবারের সদস্য তখন বঙ্গভবনে ছিলেন। সেই ভবনই অল্প সময়ের মধ্যে পুলিশে ভরে যায়। ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় হ্যালি রোড। এই অবস্থায় বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সকাল থেকে দিল্লি পুলিশ বঙ্গভবন ঘিরে রেখেছে। ঘরে ঘরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে, কে কে এসেছে তা খোঁজা হচ্ছে। তাঁর দাবি, এভাবে তল্লাশি চালানোর অধিকার পুলিশের নেই। বঙ্গভবন তাঁদের নিজস্ব জায়গা বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মমতার অভিযোগ, এসআইআর আতঙ্কে ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই ওই পরিবারগুলি দিল্লিতে এসেছে। অনুমতি পেলে তাঁরা প্রতিবাদ জানাবেন বলেও জানান তিনি।মমতা বলেন, নির্বাচন কমিশন রয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট রয়েছে, অভিযোগ জানানোর সাংবিধানিক জায়গা রয়েছে। তারপরও যদি এভাবে বাধা দেওয়া হয়, তাহলে তৃণমূলও চুপ করে থাকবে না। প্রয়োজনে আরও কঠোর আন্দোলনের পথেও হাঁটতে পারেন বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।সেই সময়ই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন মমতা। তিনি বলেন, বাংলায় গেলে তাঁরা সম্মান দেখান, রেড কার্পেট পেতে দেন। কিন্তু দিল্লিতে যদি ব্ল্যাক কার্পেট দেখানো হয়, তাহলে তার ফলও ব্ল্যাক রেজাল্ট হবে। মমতা জানান, মঙ্গলবার বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক হবে। সেখানে স্বজনহারানো পরিবারগুলি নিজেরাই বলবেন, বাংলায় তাঁদের সঙ্গে কী ঘটেছে।এরপর বঙ্গভবনে ঢুকে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাঁদের পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁরা সাধারণ মানুষ। তাঁরা কোনও বিক্ষোভ করতে আসেননি। শুধু বিচার চাইতেই এসেছেন। দুই-তিন দিনের মধ্যেই তাঁরা দিল্লি ছেড়ে চলে যাবেন বলেও জানান মমতা। এত বছর দিল্লিতে থেকেও এমন পরিস্থিতি কখনও দেখেননি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এরপর স্বজনহারানো পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে বঙ্গভবনের ভিতরে যান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত করেন। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে হ্যালি রোডের পুরনো বঙ্গভবনের দিকে রওনা দেন তিনি।এই ঘটনা নিয়ে বিজেপির তরফেও পাল্টা প্রতিক্রিয়া এসেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন। তাঁর দাবি, বঙ্গভবন দিল্লিরই অংশ, তাই সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ ঢুকতেই পারে। নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

এক ম্যাচেই ৪৫০০ কোটি! ভারত-পাক না খেললে কাঁপবে ক্রিকেটের অর্থনীতি

টি-২০ বিশ্বকাপে যদি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ম্যাচ না হয়, তাহলে গোটা ক্রিকেটবিশ্বকে বড়সড় আর্থিক ধাক্কা খেতে হতে পারে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই একটি ম্যাচ না হলে প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বিপুল লাভ। সম্প্রচারকারী সংস্থা থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপনদাতা, স্পনসর, টিকিট বিক্রিসব ক্ষেত্রেই এই ম্যাচ সবচেয়ে বেশি আয় এনে দেয়।এই কারণেই প্রতি মেগা টুর্নামেন্টে ভারত ও পাকিস্তানকে সাধারণত একই গ্রুপে রাখা হয়। কিন্তু আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে যদি দুই দল মুখোমুখি না হয়, তাহলে ক্রিকেটের ব্যবসায়িক দুনিয়ায় বড় ধাক্কা লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ব্যবসার দিক থেকে ভারত-পাক ম্যাচের গুরুত্ব এতটাই বেশি যে, ভারত যদি অন্য কোনও দলের বিরুদ্ধে ফাইনালও খেলে, তাতেও এই পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয় না।প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, একটি ভারত-পাক ম্যাচ থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যবসা হয়। ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকা। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান যদি মাঠে না নামে, তাহলে এই বিশাল অঙ্কের লোকসান হবে বলেই আশঙ্কা।পরিসংখ্যান বলছে, শুধু বিজ্ঞাপন থেকেই এই ম্যাচে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আয় হয়। ম্যাচ চলাকালীন মাত্র ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের দাম উঠতে পারে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারেএই আশঙ্কা করেই সম্প্রচারকারী সংস্থা জিও হটস্টার আইসিসির কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে। আইসিসি যদি সেই ছাড় দেয়, তাহলে তাদের লাভ কমবে। আর আইসিসির আয় কমলে তার প্রভাব পড়বে সদস্য দেশগুলির উপরও। আইসিসি থেকে পাওয়া অর্থ কমে যেতে পারে বিভিন্ন বোর্ডের।ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অন্তত ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে অনুমান। এর জেরে বোর্ডের একাধিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি থমকে যেতে পারে। একই সঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ভারতীয় বোর্ডও। ভারত-পাক ম্যাচ ঘিরে সাধারণত হোটেল ভাড়া, বিমান ভাড়া এবং পর্যটন সংক্রান্ত খরচ বেড়ে যায়। ম্যাচ না হলে এই ক্ষেত্রগুলিও আর্থিক ধাক্কা খাবে।এছাড়াও আইসিসি থেকে যে বিপুল অর্থ পাওয়ার কথা, তা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে পাকিস্তান বোর্ড। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এইভাবে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ালে পাকিস্তানের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভবিষ্যতে তাদের উপর ভরসা করে বড় কোনও সংস্থা বিনিয়োগ করবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
কলকাতা

ঢাকুরিয়ায় গুলি-বোমার নেপথ্যে কে এই সোনা পাপ্পু? শাসক-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে তোলপাড়

রবিবার রাতে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোড এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকা দখলকে কেন্দ্র করেই এই হামলা। এই ঘটনার নেপথ্যে সোনা পাপ্পু এবং তাঁর দলবলের নাম উঠে এসেছে। কে এই সোনা পাপ্পু, আর কার মদতে তিনি এতটা প্রভাবশালী, তা নিয়েই এখন এলাকায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে।কসবা, ঢাকুরিয়া এবং রামলাল বাজার এলাকায় সোনা পাপ্পু এখন আতঙ্কের নাম বলে দাবি স্থানীয়দের। অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ এবং ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে এলাকায় নিয়ন্ত্রণের কাজ করেন তিনি। রবিবার রাতে ঘটনার পর ৯১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে কাঁকুলিয়া রোডে দেখা যায়। যদিও ওই এলাকা ৯০ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে পড়ে, যার কাউন্সিলর তাঁর স্ত্রী চৈতালি চট্টোপাধ্যায়।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুরভোট বা অন্য কোনও নির্বাচনের সময় বিরোধীদের ঘরবন্দি করে রাখার কাজেও সোনা পাপ্পুকে ব্যবহার করা হয়। মাসখানেক আগে কলকাতা পুরনিগমে ৬৭ এবং ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫টি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ জমা পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, এই সমস্ত বেআইনি নির্মাণের পিছনেও সোনা পাপ্পুর হাত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পুরনিগমের আধিকারিকরাও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাহস পান না। শাসক দলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতাই এর কারণ বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।কসবা বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বেআইনি নির্মাণ নিয়ে আগেও বহুবার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই নির্মাণকে ঘিরে শাসকদলের মধ্যেই দুই থেকে তিনটি গোষ্ঠী এলাকা দখলের লড়াইয়ে নেমেছে। সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই গোটা এলাকা দীর্ঘদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে, বিশেষ করে ৬৭ ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ড। রবিবার রাতের ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি স্থানীয়দের।এলাকাবাসীদের দাবি, ঢাকুরিয়ার পঞ্চাননতলা বস্তি দীর্ঘদিন ধরেই সোনা পাপ্পুর নজরে ছিল। অভিযোগ, বস্তির বাসিন্দাদের ভয় দেখিয়ে উচ্ছেদ করে সেখানে নির্মাণকাজ শুরুর পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু বর্তমানে ওই বস্তি নিয়ন্ত্রণ করেন বাপি নামে স্থানীয় এক যুবক। এলাকার বেশিরভাগ মানুষ এখন বাপির কথাতেই চলাফেরা করেন। স্থানীয় সূত্রে দাবি, বস্তির কয়েকজন মাতব্বর, যাঁরা শাসক দলেরই এক গোষ্ঠীর আশ্রয়ে রয়েছেন, সোনা পাপ্পুর পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। সেই কারণেই বস্তির দখল নিতে না পেরে সংঘর্ষের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় সোনা পাপ্পুর সঙ্গে শাসকদলের একাধিক নেতার ছবি সামনে এসেছে। কখনও তাঁকে কসবার বিধায়ক জাভেদ খানের পাশে দেখা গিয়েছে, আবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল জেলা সভাপতি দেবাশিস কুমারের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এমনকি বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রীকেও সোনা পাপ্পুর মেয়ের অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে বলে দাবি।তবে এই ঘটনার পর দেবাশিস কুমার বলেন, যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের গ্রেফতার করা উচিত। তিনি আরও বলেন, কারও সঙ্গে ছবি থাকলেই সে অপরাধী শাস্তি পাবে না, এমনটা নয়। যে অন্যায় করবে, সে যে মঞ্চেই থাকুক, তার শাস্তি হওয়া উচিত।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
কলকাতা

রবিবার রাতে ভয়াবহ তাণ্ডব দক্ষিণ কলকাতায়, গোলপার্কে গুলি-বোমা, আহত ২

দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্ক এলাকায় রবিবার রাতে ভয়াবহ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পিকনিককে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় বোমাবাজি ও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন। এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবর থানার অন্তর্গত কাঁকুলিয়া রোড এলাকায় রাত সাড়ে আটটা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রবিবার তাঁরা পিকনিক সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় হঠাৎ অন্য এলাকার কয়েকজন যুবক এলাকায় ঢুকে গোলমাল শুরু করে। তাদের আচরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার মানুষ। ভয়ে বহু মহিলা ঘরের ভিতরে চলে যান।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এই দুষ্কৃতীদের বাধা দিতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপক্ষের মধ্যে ইট ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। ইটের আঘাতে কয়েকজন আহত হন বলে অভিযোগ। রাস্তায় রক্তের দাগও দেখা যায়। অভিযোগ, সংঘর্ষ চলাকালীন দুষ্কৃতীরা বোমা ছোড়ে এবং অন্তত এক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এই ঘটনায় দুই জন আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ উত্তেজিত জনতাকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ, সেই সময় জনতার একাংশ পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। এই গোলমালের মধ্যে কয়েকটি বাইক ও স্কুটি ভাঙচুর করা হয়।এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, দক্ষিণ কলকাতার দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পুর গ্যাং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এলাকা দখলের উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এমনকি একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে হামলার পরিকল্পনাও ছিল বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল ও বোমার টুকরো উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
দেশ

মমতার কমিশন যাত্রার আগেই দিল্লিতে উত্তেজনা! ঘিরে ফেলা হল বঙ্গভবন

সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার আগেই দিল্লিতে তৈরি হয়েছে চরম উত্তেজনা। সোমবার সকাল থেকেই হঠাৎ রাস্তায় নামে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী। নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা যায় বঙ্গভবনের সামনে। কার্যত ঘিরে ফেলা হয় বঙ্গভবন। ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় হ্যালি রোড।কী কারণে এত কড়া নিরাপত্তা, দিল্লি পুলিশের কাছে ঠিক কী তথ্য রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে বঙ্গভবনে যে একাধিক পরিবার অপেক্ষা করছেন, সেই বিষয়টি ঘিরেই জল্পনা বাড়ছে। এসআইআর আতঙ্কে বাংলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে আগেই দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অভিযোগ নিয়েই তিনি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর সঙ্গে থাকবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোট ১৫ জন প্রতিনিধি।যাঁদের পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ, তাঁদের অনেকেই ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছেছেন। তাঁরা বর্তমানে বঙ্গভবনে রয়েছেন। এখানেই শুরু হয়েছে নতুন করে জল্পনা। প্রশ্ন উঠছে, মৃতদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কী কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। শুধুই কমিশনের সঙ্গে বৈঠক, নাকি সন্তপ্ত পরিবারগুলিকে সঙ্গে নিয়ে কমিশন ঘেরাও করার পরিকল্পনা রয়েছে? একশোর বেশি মানুষ যখন একত্রিত হয়েছেন, তখন শুধু বৈঠক সেরে ফিরে যাবেন কি না, তা নিয়েই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে চলছে জোর আলোচনা।এই পরিস্থিতির মাঝেই কার্যত দুর্গের চেহারা নিয়েছে বঙ্গভবন। মনে করা হচ্ছে, সেখান থেকে কেউ বেরোতে গেলে পুলিশ বাধা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যখন নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন, তখন যেন এসআইআর শুনানি কেন্দ্রের অশান্তির বিষয়টিও তুলে ধরেন। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, দিল্লি পুলিশ ভয় পেয়েছে। তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ভারত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, সংবিধান রয়েছে, নির্বাচন কমিশন ও সুপ্রিম কোর্ট রয়েছে। তাহলে আলাদা সরকার থাকা সত্ত্বেও দিল্লির সরকার কেন ভয় পাচ্ছে, সেই প্রশ্নই উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal