• ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ১২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Shreyas Iyer

খেলার দুনিয়া

জ্বলে উঠতে ব্যর্থ শ্রেয়সরা, প্লে অফের স্বপ্ন শেষ নাইটদের

ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ শ্রেয়স আয়ারের দল। লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে ৭৫ রানে হেরে প্লে অফের স্বপ্নের সলিল সমাধি নাইট রাইডার্সের। গত বছরের মতো স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন করতে পারলেন না সুনীল নারাইনরা। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্যই ডুবতে হল নাইটদের। এদিন বল হাতে ভাল শুরু করেও লখনউ সুপার জায়ান্টসকে কম রানে বেঁধে রাখতে পারেনি নাইট রাইডার্স। নাইটদের সামনে জয়ের জন্য ১৭৭ রানের টার্গেট রেখেছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি নাইটদের। লখনউ সুপার জায়ান্টসের মতো প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় নাইটরা। ষষ্ঠ বলে ফিরে যান বাবা ইন্দ্রজিৎ। বোর্ডে তখনও কোনও রান ওঠেনি। ইন্দ্রজিৎকে তুলে নেন মহসীন খান। প্রথম ওভারের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আবার আঘাত। এবার দুষ্মন্ত চামিরার শিকার নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ৯ বলে মাত্র ৬ রান করে তিনি আয়ুশ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নাইটদের রান তখন ৩.৪ ওভারে ১১/২। এক ওভার পরেই আরন ফিঞ্চকে (১৪ বলে ১৪) তুলে নেন জেসন হোল্ডার। সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে ফর্মে থাকা নীতিশ রানাকে (১১ বলে ২) বোল্ড করেন আবেশ খান। ২৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে নাইটরা। এরপর ক্রিজে নেমে পাল্টা আক্রমণের রাস্তা বেছে নেন আন্দ্রে রাসেল। জেসন হোল্ডারের এক ওভারে তিনটি ৬, ১টি ৪ ও ২ রান নিয়ে তোলেন ২৪। দ্বাদশ ওভারের প্রথম বলেই রিঙ্কু সিংকে (১০ বলে ৬) তুলে নেন রবি বিশ্নই। এক ওভার পরেই রাসেলের ঝড় থামিয়ে দেন আবেশ খান। ১৯ বলে ৪৫ রান করে আউট হন রাসেল। নাইটদের জয়ের আশা তখনই শেষ হয়ে যায়। একই ওভারে অনুকূল রায়কেও (০) তুলে নেন আবেশ। ১২ বলে ২২ রান করে আউট হন সুনীল নারাইন। শেষ পর্যন্ত ১৪.৩ ওভারে ১০১ রানে থেমে যায় নাইটদের ইনিংস। ৩ টি করে উইকেট নেন আবেশ খান ও জেসন হোল্ডার।এদিন ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় লখনউ সুপার জায়ান্টসও। তবু কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডার সৌজন্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭১। ২৯ বলে ৫০ রান করে আউট হন ডিকক। ২৭ বলে ৪১ রান করেন দীপক হুডা। ২৭ বলে ২৫ রান করেন ক্রূণাল। মার্কাস স্টয়নিসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সুবাদে পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৬/৭ রানে পৌঁছয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৪ বলে ২৮ রান করেন স্টয়নিস।

মে ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সংসারে অশান্তির আগুন নিয়ে রাজস্থানের বিরুদ্ধে নামছে নাইট রাইডার্স

সোমবার আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্সের কাছে বলতে গেলে ডু অর ডাই ম্যাচ। প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই শ্রেয়স আয়ারের দলের কাছে। এই রকম মরণবাঁচন ম্যাচের আগে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়ে নাইট শিবির।চলতি আইপিএলে শুরুটা খুব একটা খারাপ করেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম ৪ ম্যাচে তিনটিতে জিতে শুরুর দিকে বেশ ভাল জায়গাতেই ছিল। তারপর হঠাৎই ছন্দপতন। শেষ পাঁচটি ম্যাচ হেরে একেবারে খাদের কিনারে। প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি ম্যাচগুলিতে জিততেই হবে নাইট রাইডার্সকে। এই অবস্থায় সোমবার এমন একটা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে, যারা যথেষ্ট ভাল ছন্দে রয়েছে। সুতরাং নাইটদের কাছে কাজটা যে সহজ হবে না, সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি সব ম্যাচেই জিততে হবে নাইটদের। কাজটা যে যথেষ্ট কঠিন, সেকথা খুব ভালভাবেই জানেন নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তাই প্লে অফের স্বপ্ন তিনি দেখছেন না। শ্রেয়সের একটাই লক্ষ্য দলের সম্মান রক্ষা করা। সেই লক্ষ্যেই সতীর্থদের নিজেদের উজার করে দেওয়ার কথা বলেছেন। যদিও নাইট শিবিবের অসন্তোষের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। যার নমুনা পাওয়া গেছে টিম সাউদির কথায়। দলের এই জোরে বোলার সরাসরি ওপেনারদের দিকে আঙুল তুলেছেন। প্যাট কামিন্সকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।জস বাটলারের কথা মাথায় রেখে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে প্যাট কামিন্সকে প্রথম একাদশে ফেরানোর ভাবনা শুরু হয়েছে। ভেঙ্কটেশ আয়ার, আন্দ্রে রাসেলদের ফর্মও চিন্তায় রাখছে নাইট টিম ম্যানেজমেন্টকে। ব্যাটে একমাত্র রান রয়েছে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ও নীতিশ রানার। নীতিশ রানাকে কেন আরও ওপরে তুলে নিয়ে আসা হচ্ছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আসলে সঠিক কম্বিনেশন বেছে নিতে না পারার জন্যই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নাইট রাইডার্সকে। গতবছর আইপিএলে শেষ পর্বে টানা ম্যাচ জিতে প্লে অফে পৌঁছে গিয়েছিল নাইটরা। এবছর কাজটা একটু বেশিই কঠিন।দুই দলের সাক্ষাৎকারে নাইট রাইডার্স সামান্য হলেও এগিয়ে রয়েছে। ২৬ সাক্ষাৎকারের মধ্যে নাইটরা জিতেছে ১৩টি ম্যাচে, অন্যদিকে রাজস্থান জিতেছে ১২ ম্যাচে। চলতি আইপিএলের প্রথম পর্বের সাক্ষাৎকারে ৭ রানে জিতেছিল রাজস্থান রয়্যালস। এবার নাইটদের সামনে প্রতিশোধের সুযোগ। শ্রেয়স আয়ারের দলকে জিততে গেলে জস বাটলারকে আটকাতেই হবে।

মে ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

যুগ্মভাবে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি, কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই

আইপিএলের তৃতীয় ম্যাচেও জয় এল না। প্যাট কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নাইট রাইডার্স জিতল ৫ উইকেটে। ১৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি কামিন্স-এর। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যুগ্মভাবে আইপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম।এদিন টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। রোহিত শর্মাদের ওপর শুরুর দিকে চাপ রেখেছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলাররা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ১ উইকেটে মাত্র ৩৫। ১২ বলে ৩ রান করে আউট হন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁকে ফেরান উমেশ যাদব।এরপর ঈশান কিষাণের সঙ্গে জুটি বেঁধে মুম্বইকে টানেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। এদিন দারুণ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। তাঁর সঙ্গে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ইতিমধ্যে তুলনা শুরু হয়েছে। নামের পাশে বসে গেছে বেবি এবি তকমা। এই তকমা যে একেবারেই ভুল নয়, আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন ব্রেভিস। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান করা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্রেভিস এদিন বরুণ চক্রবর্তীর বলে স্টাম্প আউট হন। ২টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ১৯ বলে ২৯ রান করেন ব্রেভিস।১১তম ওভারের শেষ বলে ৫৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ২১ বলে ১৪ রান করে আউট হন ঈশান কিষাণ। প্যাট কামিন্সের বলে তাঁর ক্যাচ ধরেন শ্রেয়স আয়ার। এরপর সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিলক বর্মা। সূর্য-তিলকের জুটিতে ৪৯ বলে ৮৩ রান ওঠে। ৩৬ বলে ৫২ রান করে প্যাট কামিন্স-এর বলে আউট হন সূর্যাকুমার। শেষ পাঁচ বলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ২৩ রান। তিনটি ছক্কার সাহায্যে ৫ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন কায়রন পোলার্ড। তিনটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ২৭ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক বর্মা। ২০ ওভারে মুম্বই তোলে ১৬১/৪। প্যাট কামিন্স ৪ ওভারে ৪৯ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। উমেশ যাদব ৪ ওভারে ২৫ ও বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ৩২ রানে ১টি করে উইকেট নেন। খরচ করে একটি করে উইকেট দখল করেন। সুনীল নারাইন ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি।Wow again!!! @KKRiders boys!! pic.twitter.com/ctt0ZQ7vVC Shah Rukh Khan (@iamsrk) April 6, 2022ব্যাট করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মতো নাইট রাইডার্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ৪ ওভারে ওঠে মাত্র ১৬। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই আউট হন অজিঙ্কা রাহানে (৭)। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকে (১০) তুলে নেন ড্যানিয়েল সামস। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ভেঙ্কটেস আয়ার ও সামস বিলিংস। জুটিতে ওঠে ৩২। বিলিংসকে (১৭) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মুরুগান অশ্বিন। নীতিশ রানাকেও (৮) ফেরান অশ্বিন।পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। দলকে চাপের মুখ থেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার ও আন্দ্রে রাসেল। কিন্তু তাঁদের প্রয়াস ফলপ্রসূ হয়নি। টাইমল মিলসের শর্ট বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের ধরে ব্রেভিসের হাতে ধরা পড়েন রাসেল (১১)। নাইটদের রান সেই সময় ৫ উইকেটে ১০১।শেষ ৬ ওভারে নাইটদের জেতার জন্য দরকার ছিল ৪৭। ১৫তম ওভারের প্রথম বলেই অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার (৪১ বলে অপরাজিত ৫৬)। যশপ্রীত বুমরার ওই ওভারের, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে প্যাট কামিন্স ছয় ও চার মেরে নাইটদেরজয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল করেন। ৫ ওভারে নাইটদের প্রয়োজন দাঁড়ায় ৩৫। ১৬তম ওভারে কামিন্স ঝড় অব্যাহত থাকে। ড্যানিয়েল সামসের প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে মারেন ছক্কা, দ্বিতীয় বলে চার। এই ওভারই মুম্বইয়ের আশায় জল ঢেলে দেয়। পঞ্চম বলটি করতে গিয়ে স্যামস ওভারস্টেপিংয়ে নো বল করে বসেন, ২ রান নেন কামিন্স। ফ্রি হিটে চার মারার পরের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করে দেন কামিন্স (১৫ বলে অপরাজিত ৫৬)।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে কেন জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত?

কলকাতা নাইট রাইডার্সকে সামনে দেখলেই জ্বলে ওঠা রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অতীতে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যাট থেকে বড় বড় ইনিংস পাওয়া গেছে। সে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সই হোক কিংবা মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। নাইটদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠে দলকে জয় এনে দিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পঞ্চদশ আইপিএলে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ তিনি।বুধবার পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ম্যাচের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে রোহিত শর্মাকে তুলে নেন উমেশ যাদব। উমেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে নাইট উইকেটরকিপার সাম বিলিংসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত। ১২ বলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি।এবারের আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি রান পেলেন না। প্রথম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৪১ রান করেছিলেন রোহিত। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচেও রান পাননি রোহিত। ৫ বলে মাত্র ১০ রান করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। এদিন করেন মাত্র ৩ রান। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে যসুরু থেকেই এদিন স্বস্তিতে ছিলেন না রোহিত। উমেশ যাদব ও নাইট রাইডার্সের হয়ে অভিষেককারী জোরে বোলার জম্মু ও কাশ্মীরের রাসিখ সালামের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারছিলেন না। ঝুঁকি নিয়ে আক্রমণাত্মক হতে গিয়েই উইকেট উপহার দেন।আইপিএলে সবথেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধেই সবথেকে বেশি রান করেছেন রোহিত। নাইটদের বিরুদ্ধে আইপিএলে এখনও পর্যন্ত তাঁর রান ১০১৮। কিন্তু বুধবার চূড়ান্ত ব্যর্থ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে মাইলস্টোনে পৌঁছনোর সুযোগ ছিল রোহিত শর্মার সামনে। এই ম্যাচে ৫৪ রান করলেই দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করার নজির গড়তেন রোহিত। ভারতীয়দের মধ্যে টি২০ ক্রিকেটে প্রথম ১০ হাজার রান করার কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন বিরাট কোহলি। এদিন ৮ রান করলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সাড়ে চার হাজার রান পূর্ণ করতেন রোহিত। আপাতত এই দুটি মাইলস্টোনের জন্য পরের ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অনুশীলন শুরু কেকেআরের, কী বললেন অজিঙ্কা রাহানে?‌

চেন্নাই সুপার কিংসের খিদে যে কতটা বারবার প্রমাণ হয়ে চলেছে। গতমরশুমেও চ্যাম্পিয়ন হয়ে আশ মেটেনি। লক্ষ্য ২০২২এর আইপিএল খেতাবও। সেই লক্ষ্যেই সপ্তাহখানের আগে অনুশীলনে নেমে পড়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। ধোনিদের পথ ধরে এবার প্রস্তুতি শুরু করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। সোমবার থেকে ডিওয়াইপাতিল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে নেমে পড়লেন অজিঙ্কা রাহানেরা।এদিন থেকে নাইট রাইডার্সের প্রস্তুতি শুরু হলেও সব ক্রিকেটার এখনও অনুশীলনে যোগ দেননি। বিদেশি ক্রিকেটাররা এখনও মুম্বই এসে পৌঁছননি। ভেঙ্কটেশ আয়ার এখনও পুরোপুরি ফিট নন। বেঙ্গালুরুর জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে তাঁর রিহ্যাব চলছে। রিহ্যাব শেষ হলেই তিনি অনুশীলনে যোগ দেবেন। নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়শ আয়ার, উমেশ যাদব জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলতে ব্যস্ত থাকায় এখনও শিবিরে যোগ দেননি। কদিন বিশ্রাম নিয়ে শ্রেয়স শিবিরে যোগ দেবেন বলে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে উমেশ যাদব খুব শীঘ্রই অনুশীলনে যোগ দেবেন। বেশ কয়েকজন কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে তাঁরা মাঠে নামবেন।এদিকে, কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন অজিঙ্কা রাহানে। নাইট রাইডার্স তাঁর ওপর আস্থা রাখায় খুশি ভারতীয় টেস্ট দলের এই প্রাক্তন সহঅধিনায়ক। নাইটদের ওয়েবসাইটে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, নাইটস রাইডার্স পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি খুবই খুশি। একই সঙ্গে উত্তেজিত। নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ। আগের দুটি মরশুম নাইটদের খুব ভাল কেটেছে। আশা করছি এবারেও আমরা ভাল খেলতে পারব।

মার্চ ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নাইট রাইডার্সকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান?‌ রূপরেখা তৈরি শ্রেয়সের

আইপিএলের নিলামে তাঁকে নিয়ে দর চড়চড় করে বেড়েই চলেছিল। অন্যদিকে আমেদাবাদে ভারতীয় দলের টিম হোটেলে বসে সতীর্থদের সঙ্গে নিলাম দেখতে দেখতে রক্তচাপ ক্রমশ বাড়ছিল শ্রেয়স আয়ারের। একসময় নার্ভাসও হয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে তাঁকে তুলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্সের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে তুলতে পেরে গর্বিত শ্রেয়স আয়ার। আরও সম্মানিত তাঁর হাতে নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট নেতৃত্বর দায়িত্ব তুলে দেওয়ায়। ২০২০ আইপিএলেদিল্লি ক্যাপিটালসের নেতৃত্বে ছিলেন শ্রেয়স আয়ার। দলকে ফাইনালেও তুলেছিলেন। ফাইনালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। গত মরশুমে চোটের জন্য আইপিএলের মাঝপথে ছিটকে যান। শ্রেয়সের পরিবর্তে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয় ঋষভের হাতে। চোট সারিয়ে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ফিরলেও তাঁকে আর নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। এই মরশুমের জন্য দিল্লি ক্যাপিটালস তাঁকে ধরেও রাখেনি। নাইট রাইডার্স কর্তারা এমন একজন ক্রিকেটারকে দলে চাইছিলেন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই শ্রেয়স আয়ারের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছিল। কীভাবে দলকে পরিচালনা করতে চান, সেকথা কলকাতা নাইট রাইডার্সের ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেকথা তুলে ধরেছেন শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। দলের সকলের মধ্যে বোঝাপড়া ঠিক রেখে দলগত সংহতির ওপর ভর করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আইপিএলে একসময় ব্রেন্ডন ম্যাকালামের সঙ্গে খেলেছেন শ্রেয়স। এবার তাঁকে কোচ হিসেবে পাবেন। ম্যাকালামের সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, খেলার সময় ম্যাকালাম আগ্রাসী ছিলেন। ঝুঁকি নিতেও ভালবাসতেন। ওর এই আগ্রাসী মনোভাব আমাকে দারুণ আকৃষ্ট করে। আশা করছি একসঙ্গে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কোহলির ওপর চাপ বাড়ালেন শ্রেয়স, শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইট ওয়াশ ভারতের

বিরাট কোহলির ওপর কি চাপ বাড়িয়ে দিলেন নাইট রাইডার্সের নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার? টি২০ ক্রিকেট থেকে দিন দশেকের বিশ্রাম নিয়েছেন বিরাট কোহলি। তাঁর জায়গায় সুযোগ পেয়েই জ্বলে উঠলেন শ্রেয়স আয়ার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিনটি ম্যাচেই অর্ধশতরান। তাঁর দাপটেই সিরিজের তৃতীয় টি২০ ম্যাচেও জিতল ভারত। ৬ উইকেটে হারাল শ্রীলঙ্কাকে। নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর শ্রীলঙ্কাকেও টি২০ সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ ভারতের। একই সঙ্গে টানা ১২টি টি২০ ম্যাচ জিতে আফগানিস্তান ও রোমানিয়ার বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করল ভারত। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনকা। আবেশ খান ও মহম্মদ সিরাজের দাপটে শুরুতেই বেসামাল হয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার। প্রথম ওভারেই মহম্মদ সিরাজ তুলে নেন দানুষ্কা গুণতিলকাকে (০)। পরের ওভারেই দ্বিতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ১০ বলে ১ রান করে আবেশ খানের বলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পাথুম নিসাঙ্কা। চতুর্থ ওভারে তৃতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কায চরিথ আসালঙ্কাকে (৪) তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে বেকায়দায় ফেলে দেন আবেশ খান। ২৯ রানে শ্রীলঙ্কার চতুর্থ উইকেটের পতন। নবম ওভারে জানিথ লিয়ানাগেকে (৯) তুলে নেন রবি বিষ্ণোই। ১২.১ ওভারে দীনেশ চান্দিমল (২৭ বলে ২২) আউট হলে শ্রীলঙ্কার স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৬০। এরপর শ্রীলঙ্কাকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক দাসুন শনাকা। ২৯ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৭৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। মারেন ৯টি চার ও ২টি ছয়। করুণারত্নে ১৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ১৪৬/৫। ভারতের যা ব্যাটিং শক্তি, এই রান তুলতে সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। শুরুতে রোহিত শর্মা ফিরে গেলেও সমস্যায় পড়তে হয়নি। ৯ বলে মাত্র ৫ রান করে দুষ্মন্ত চামিরার বলে আউট হন রোহিত। এই নিয়ে ৬ বার চামিরার শিকার হলেন ভারতীয় অধিনায়ক। ঈশান কিশান চোটের জন্য ছিটকে যাওয়ায় রোহিতের সঙ্গে এদিন ওপেন করতে নেমেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। সঞ্জুও (১২ বলে ১৮) বড় রান করতে পারেননি। দীপক হুডা ১৬ বলে ২১ রান করে আউট হন। ভেঙ্কটেশ আয়ারও (৫) ব্যর্থ। এরপর ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শ্রেয়স আয়ার ও রবীন্দ্র জাদেজা। ৪৫ বলে ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে চলতি সিরিজে তিনি ২০৪ রান করলেন। তিন ম্যাচের টি২০ আন্তর্জাতিক সিরিজে বিরাট কোহলির সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড এদিন ভেঙে দিলেন শ্রেয়স। তিনটি চারের সাহায্যে ১৫ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন রবীন্দ্র জাদেজা। ১৬.৫ ওভারে ১৪৮/৪ তুলে ম্যাচ জিতে যায় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রেয়স–জাদেজা ঝড়ে উড়ে গেল শ্রীলঙ্কা, টানা সপ্তম সিরিজ জয় ভারতের

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টি২০ সিরিজ জয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করার পর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও কি ৩০ ব্যবধানে সিরিজ জিততে পারবে ভারত? শ্রেয়স আয়ার ও রবীন্দ্র জাদেজার দুরন্ত ব্যাটিং ভারতকে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় এনে দিল। ২০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। এই নিয়ে দেশের মাঠে টানা সপ্তমবার টি২০ সিরিজ জিতল।ধরমশালায় টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শ্রীলঙ্কা প্রথম ১০ ওভারে নিজেদের একেবারেই মেলে ধরতে পারেনি। রান তোলার গতি ছিল খুবই শ্লথ। শেষ ৩ ওভারে পাথুম নিসাঙ্কা ও দাসুন শানাকার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুঁ্ড়ে দেয় শ্রীলঙ্কা। নির্ধারিত ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ৫ উইকেটে ১৮৩ রান। ২টি চার ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ১৯ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। শেষ ৪ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ৭২ রান। পাথুম নিসাঙ্কা ও দাসুন শনাকার পঞ্চম উইকেট জুটিতে ২২ বলে ওঠে ৫০। নিসঙ্কা অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ৪৩ বলে। ভুবনেশ্বর কুমারের বলে এলবিডব্লু আউট হওয়ার আগে ৫৩ বলে করেন ৭৫ রান। নিসঙ্কা ১৯ তম ওভারের শেষ বলে আউট হলেও শ্রীলঙ্কাকে বড় রানে পৌঁছে দেন অধিনায়ক শানাকা। ১৯ বলে ৪৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ১৮৩/৫। ভুবনেশ্বর কুমার ৩৬ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৪ রানে ১টি, যুজবেন্দ্র চাহাল ২৭ রানে ১টি ও রবীন্দ্র জাদেজা ৩৭ রানে ১টি উইকেট দখল করেন।রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রোহিতের (১) উইকেট হারায় ভারত। প্রথম ওভারের শেষ বলে তুলে নেন দুষ্মন্ত চামিরা। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ১৬ রান করে ঈশান কিষাণ আউট হন। ভারতের রান তখন ৪৪। এরপরই শ্রেয়স আয়ার ও সঞ্জু স্যামসনের জুটি ভারতকে জয়ের দিকে এগিয়ে দেয়। ঝোড়ো ব্যাটিং করে তাঁরা জুটিতে তোলেন ৮৪ রান। ২৫ বলে ৩৯ রান করে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। এরপর শ্রেয়সের সঙ্গে জুটি বেঁধে দুরন্ত ব্যাটিং করে ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন রবীন্দ্র জাদেজা। ১৭ বলে বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। শ্রেয়স ৪৪ বলে ৭৪ ও জাদেজা ১৮ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নাইটদের নেতৃত্বে এবার নতুন তারকা, দেখে নিন কে হল অধিনায়ক

আইপিএলের নিলামে তাঁর জন্য দারুণভাবে ঝাঁপিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বেশ কয়েকটা ফ্র্যাঞ্চাইজিকে টপকে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করেছিল কেকেআর কর্তারা। ১২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায় শ্রেয়স আয়ারকে তুলে নিয়েছিল। কেন ভারতীয় দলের এই তারকার জন্য নাইটরা ঝাঁপিয়েছিল, সেদিনই বিষয়টা পরিস্কার অনেকটাই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। আসলে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কেউ ছিলেন না। তাই শ্রেয়সের জন্য অল আউট ঝাঁপিয়েছিল নাইট রাইডার্স। তাঁর হাতেই এবার নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দিল টিম ম্যানেজমেন্ট।গত মরশুমে আইপিএলের প্রথম পর্বে নাইট রাইডার্সকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দীনেশ কার্তিক। তাঁর নেতৃত্বে দল একেবারেই ভাল খেলতে পারেনি। দীনেশ কার্তিককে সরিয়ে পরে ইওয়িন মর্গ্যানের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেন নাইট কর্তারা। দলকে ফাইনালে তুললেও মর্গ্যানও চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। তাঁর নেতৃত্ব নিয়েও খুশি ছিলেন না নাইট কর্তারা। তাই ২০২২ মরশুমের জন্য নতুন নেতার খোঁজে ছিলেন। এমন একজন ক্রিকেটারকে তাঁরা চাইছিলেন, যার নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই শ্রেয়সের জন্যই ঝাঁপিয়েছিলেন নাইট কর্তারা। আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসকে একসময় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। গত মরশুমের শুরুতে চোটের জন্য আইপিএল থেকে ছিটকে যাওয়ায় তাঁর পরিবর্তে দিল্লি ক্যাপিটালস কর্তারা নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দেন ঋষভ পন্থের হাতে। এবছর কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্ব পেয়ে খুশি শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, কেকেআরের মতো দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। আমাকে এই দায়িত্ব দেওয়ার জন্য দলের মালিক ও টিম ম্যানেজমেন্টকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এবছর দারুণ দল গড়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ক্রিকেটে কলকাতার একটা আলাদা ঐতিহ্য রয়েছে। আমিও এবার সেই ঐতিহ্যে সামিল হতে চলেছি। আশা করছি নাইট রাইডার্স সমর্থকদের খুশি করতে পারব। দলের অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়স আয়ারকে পেয়ে খুশি নাইট রাইডার্স হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। তিনি বলেন, শ্রেয়স আয়ারের মধ্যে বড় অধিনায়ক হওয়ার সব গুনই রয়েছে। ওকে দলের অধিনায়ক হিসেবে পেয়ে আমি দারুণ খুশি। একসময় শ্রেয়সের খেলা ও নেতৃত্ব আমি উপভোগ করেছি। এখন জুটি বেঁধে নাইট রাইডার্সকে সাফল্য এনে দিতে চাই।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভাঁড়ার প্রায় খালি, দল গড়া অনেক বাকি, চিন্তায় কলকাতা নাইট রাইডার্স

আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইন, ভেঙ্কটেশ আয়ার, বরুণ চক্রবর্তীদের ধরে রাখতে অনেক টাকাই খরচ হয়ে গেছে। ৪৮ কোটি টাকা হাতে নিয়ে নিলামের ময়দানে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম দিনে শেষে খরচ প্রায় ৩৫ কোটি। হাতে রয়েছে মাত্র ১৩ কোটি। দ্বিতীয় দিনের নিলামের আগে চিন্তায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। কোন ক্রিকেটারকে কিনবে, তার জন্য পরামর্শ চেয়ে টুইট করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। শ্রেয়স আয়ার, শিবম মাভি, নীতিশ রানা, প্যাট কামিন্সদের জন্য ঝাঁপাতে গিয়ে অনেকটাই টাকা খরচ করতে হয়েছে। সবথেকে বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে শ্রেয়স আয়ারের জন্য। আসলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রাক্তন অধিনায়কের জন্য দারুণভাবে ঝাঁপাতে হয়েছে KKR টিম ম্যানেজমেন্টকে। কারণ গতবছরের ক্যাপ্টেন ইওয়িন মর্গানকে নিলামের আগে ছেড়ে দিয়েছিল KKR। ধরে রেখেছিল আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তী ও ভেঙ্কটেশ আয়ারকে। এদের মধ্যে কোনও ক্রিকেটারেরই দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্যতা নেই। তাই অধিনায়ক করার মতো নতুন কাউকে খুঁজছিল KKR টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই শ্রেয়স আয়ারের জন্য ঝাঁপিয়েছিল। ২ কোটি টাকার বেস প্রাইস শ্রেয়স আয়ারের জনয় ৫টি ফ্র্যাঞ্চাইজি ঝাঁপিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ১২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায় শ্রেয়স আয়ারকে কিনতে হয় KKRকে। তাঁর হাতেই নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা টিম ম্যানেজমেন্টের। যদিও KKR সিইও ভেঙ্কি মাইসোর বলেছেন, কোচের সঙ্গে কথা বলেই অধিনায়ক চূড়ান্ত করা হবে। শ্রেয়স আয়ারের মতো জাতীয় দলের ক্রিকেটারকে চেয়েছিলাম। সেই লক্ষ্য আমাদের পূরণ হয়েছে।নিলামের আগে প্যাট কামিন্স, নীতিশ রানাদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল কম টাকায় এদের আবার নিলাম থেকে কিনে নেওয়া। লক্ষ্যে সফল KKR। প্যাট কামিন্সের জন্য ৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়েছে। এত কম টাকায় কামিন্সকে পাবেন, ভাবেননি KKR কর্তারা। ২০২০ সালের নিলামে ১৫ কোটি টাকায় তাঁকে কিনতে হয়েছিল। নীতিশ রানার জন্য খরচ হয়েছে ৮ কোটি। শিবম মাভিকে KKR তুলেছে ৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায়। শেলডন জ্যাকসনকে ৬০ লক্ষ টাকায়। নিকোলাস পুরাণের জন্য ঝাঁপিয়েছিল KKR। নিকোলাসকে ১০ কোটি ৭৫ লক্ষ তুলেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।ডেভিড মিলার, মহম্মদ নবি, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, স্টিভ স্মিথরা এখনও অবিক্রিত রয়েছেন। দ্বিতীয় দিন এদের নিলামে তোলা হবে। এদের পাশাপাশি কেসি কারিয়াপ্পার দিকেও নজর রয়েছে KKR টিম ম্যানেজমেন্টের। বোলিং নিয়ে সমস্যায় না পড়তে হলেও ব্যাটিং নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে KKRকে। তাই দ্বিতীয় দিন নিলামে ব্যাটারদের দিকেই নজর থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশের ঘেরাটোপে হাফপ্যান্ট পরে ফলতার রাস্তায় জাহাঙ্গির, বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ

ফলতার রাজনীতিতে একসময় যাঁর দাপট ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, সেই জাহাঙ্গির খান এখন পুলিশের কড়া নজরদারির মধ্যে। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁকে ফলতার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিশ। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানকে হাফপ্যান্ট পরিয়ে ফলতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও অতীতে অন্যান্য অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে যেমন কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছিল, এ ক্ষেত্রে সেই ছবি দেখা যায়নি। তবুও পুলিশের সদস্যরা তাঁকে হাত ধরে নিয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি ঘিরে জনতার কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।তদন্তকারীরা প্রথমে জাহাঙ্গিরকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নথি ও অন্যান্য সম্ভাব্য প্রমাণের খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়েও নিয়ে যাওয়া হয়। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনার সূত্র খুঁজে বের করতেই এই পদক্ষেপ। একই সঙ্গে তাঁর উপস্থিতিতে ঘটনার পুনর্নির্মাণও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।জাহাঙ্গিরের গ্রেফতারি নিজেই ছিল নাটকীয়। গত ৮ জুন নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, তিনি সীমান্ত পেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর এসটিএফ অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে এবং পরে কলকাতায় নিয়ে আসে।ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের সময় থেকেই জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। ২১ মে অনুষ্ঠিত পুনর্নির্বাচনের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে তিনি হঠাৎ নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেছিলেন, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ভোটের ব্যালট বা ইভিএমে তাঁর নাম ও দলীয় প্রতীক বহাল ছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি ৭,৭৮৩টি ভোটও পান।নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের তল্লাশি অভিযান, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এবং ঝুকেগা নেহি মন্তব্যসব মিলিয়ে জাহাঙ্গিরকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বেড়েছিল। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের পর সেই বিতর্ক আরও নতুন মাত্রা পেয়েছে।এদিকে অভিযুক্তদের এলাকায় ঘোরানো নিয়ে রাজ্য জুড়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবও এই ঘটনায় পড়েছে। এর আগে একাধিক রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে জনসমক্ষে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টও উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্য সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, আইন অনুযায়ী পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারে, কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর সামাজিক সম্মানহানি করার অধিকার তাদের নেই।সেই প্রেক্ষাপটে জাহাঙ্গির খানকে নিয়ে পুলিশের এই পদক্ষেপ নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক উসকে দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ঘটনাপুনর্নির্মাণ নাকি জনসমক্ষে বার্তা দেওয়ার চেষ্টাতা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে ভবানীভবনে অভিষেক! সিআইডির সামনে কী বললেন তৃণমূল নেতা?

কলকাতা হাই কোর্টের কাছ থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও সিআইডির হাজিরা এড়াতে পারলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ভবানীভবনে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। নির্ধারিত সময়ের আগেই সিআইডি দফতরে পৌঁছে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।বিকেল সাড়ে চারটার কিছু আগে দিল্লি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে প্রথমে তিনি কালীঘাটে নিজের বাড়িতে যান। সেখানে অল্প সময় অবস্থান করার পর সোজা ভবানীভবনের উদ্দেশে রওনা দেন। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিট নাগাদ সিআইডি দফতরে পৌঁছন তিনি।সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ান রেকর্ড করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তদন্তকারীরা যে প্রশ্ন করবেন, তার উত্তর তাঁকে নিজের হাতেই লিখে দিতে হতে পারে। পরে সেই বয়ানে স্বাক্ষরও করতে হতে পারে। তদন্তের স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীদের মতে, ভবিষ্যতে বয়ান নিয়ে কোনও বিতর্ক বা অভিযোগ এড়াতেই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে এই মামলার তদন্তে সিআইডি একটি বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করছে বলেই মনে করা হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরাকে ঘিরে দিনভর ভবানীভবনে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মূল প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে দফতরের চারপাশে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী। নিরাপত্তার স্বার্থে একাধিক স্তরে নজরদারি চালানো হয়।মূল গেটের পাশাপাশি অন্যান্য প্রবেশপথেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন ছিল বিশেষ বাহিনী এবং অতিরিক্ত পুলিশ। ভবানীভবনের আশপাশে কোনও ধরনের জমায়েত যাতে না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হয়।এখন নজর তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে। সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ান থেকে নতুন কোনও তথ্য বা সূত্র সামনে আসে কি না, তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

একের পর এক মামলা, বাড়ছে চাপ! অভিষেককে ঘিরে সিআইডির বড় পদক্ষেপ

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্বস্তি আরও বাড়ল। ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার এবার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এতদিন এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর সাইবার থানার পুলিশ। তবে সম্প্রতি তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার সমস্ত নথি, তথ্যপ্রমাণ, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং সংশ্লিষ্ট লিঙ্ক ইতিমধ্যেই সিআইডির তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কেস ডায়েরিও হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে তদন্তে নতুন গতি আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সূত্রপাত। সেই বক্তব্যকে ঘিরেই বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল এবং এখন সেই তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি।অন্যদিকে, বিধানসভার সই জালিয়াতি মামলাতেও চাপের মুখে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে ভবানীভবনে সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে। আদালত তাঁকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকেলে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফেরেন অভিষেক। এর মধ্যেই একদিকে আদালতের নির্দেশ মেনে হাজিরার প্রস্তুতি, অন্যদিকে নতুন মামলায় সিআইডির সক্রিয়তা সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে সিআইডি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি এবং কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর আগে তিনবার সিআইডির তলব এড়িয়ে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত তাঁকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তে কোনওভাবেই অসহযোগিতা করা যাবে না। ফলে আগামী কয়েক দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

হকার উচ্ছেদে বড় ব্রেক! হাই কোর্টের নির্দেশে আপাতত বন্ধ অভিযান

রেলের জমিতে বেআইনি দখলদার ও হকার উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন হকাররা। যাদবপুরে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় কলকাতা হাই কোর্ট আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে ওই সময় পর্যন্ত হকার উচ্ছেদে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না বলে আদালত জানিয়েছে।গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন রেল স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি দখলদার এবং হকার উচ্ছেদের অভিযান চালাচ্ছিল রেল কর্তৃপক্ষ। শিয়ালদহ, হাওড়া, দমদম-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে রেল সুরক্ষা বাহিনী ও রেল পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়।রবিবার গভীর রাতে যাদবপুরে রেলের জমিতে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ নির্মাণ এবং হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত হকারদের একাংশ আদালতের দ্বারস্থ হন।বুধবার হকারদের পক্ষে আইনজীবী শামিম আহমেদ জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টি আদালতের নজরে আনার আবেদন জানান। সেই আবেদন গ্রহণ করে বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য মামলা দায়েরের অনুমতি দেন এবং ১৭ জুন পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযানের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেন।আদালত আরও জানিয়েছে, হাওড়া, কোন্নগর, ডানকুনি-সহ বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ সংক্রান্ত যে মামলাগুলি দায়ের হয়েছে, সেগুলির শুনানি একসঙ্গে করা হবে। এর ফলে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলা একাধিক মামলার নিষ্পত্তি একই প্রক্রিয়ায় হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।আগামী ১৭ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেই দিন আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর হকার, রেল কর্তৃপক্ষ এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১১, ২০২৬
দেশ

নিখোঁজ নয়, মৃত্যু! ওমানের উপকূলে হামলায় প্রাণ গেল তিন ভারতীয় নাবিকের

ওমানের উপকূলে তেলের জাহাজে হামলার ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিন ভারতীয় নাবিকের (Indian Sailors)। প্রথমে তাঁদের নিখোঁজ বলে মনে করা হলেও পরে তাঁদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিহত নাবিকদের পরিবারে।জানা গিয়েছে, পালাউয়ের পতাকাবাহী একটি তেলের ট্যাঙ্কার ওমানের উপকূল দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার মুখে পড়ে। জাহাজটিতে মোট আটাশ জন নাবিক ছিলেন (Indian Sailors)। তাঁদের মধ্যে চব্বিশ জন ছিলেন ভারতীয়। এছাড়াও পাকিস্তান, ইউক্রেন এবং রাশিয়ার নাগরিকও ছিলেন জাহাজে।হামলার পর দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। বেশিরভাগ নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও তিন ভারতীয় নাবিকের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী জানান, নিখোঁজ তিন নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের দেহ ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে (Indian Sailors)।নিহত নাবিকদের মধ্যে রয়েছেন ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবনন্দ চৌরাশিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পি সুরেশ। তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকার নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে এবং সব ধরনের সহায়তা করা হবে (Indian Sailors)।সর্বানন্দ সোনওয়াল আরও জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া দেহগুলি দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে পরিবারের সদস্যরা শেষকৃত্যের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।এই হামলার ঘটনায় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র উদ্বেগ এবং নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটল এবং এর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরেও আলোচনা শুরু হয়েছে।সমুদ্রপথে কর্মরত ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এই ঘটনার পর। নিহত তিন নাবিকের মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ তাঁদের পরিবার, সহকর্মী এবং গোটা দেশ।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

জল্পনা সত্যি! রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়লেন কোয়েল মল্লিক, নতুন চর্চা রাজনৈতিক মহলে

দিন কয়েক ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল। অবশেষে সেই জল্পনাই সত্যি করে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick)। বৃহস্পতিবার তাঁর ইস্তফার খবর সামনে আসতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।এর আগে একাধিক সাংসদ নিজেদের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই তালিকায় এবার যোগ হল কোয়েল মল্লিকের (Koel Mallick) নাম। তাঁর পদত্যাগের ফলে রাজ্যসভায় দলের সাংসদ সংখ্যা আরও কমে গেল বলে রাজনৈতিক সূত্রের দাবি।রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দলের অন্দরে নানা পরিবর্তন এবং মতভেদের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। লোকসভা, বিধানসভা এবং রাজ্যসভা সব ক্ষেত্রেই এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে (Koel Mallick)।রাজ্যসভার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। এখানে সরাসরি বড় ধরনের ভাঙনের বদলে একের পর এক সাংসদের পদত্যাগের ঘটনা সামনে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন সদস্য ইস্তফা দেওয়ার পর কোয়েল মল্লিকের সিদ্ধান্ত সেই জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি বছরের শুরুতে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে কোয়েল মল্লিকের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে তিনি সাংসদ হিসেবে শপথও নেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, মানুষের সেবা এবং দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পাওয়া তাঁর কাছে বড় দায়িত্ব।তবে কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁর এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যদিও ইস্তফার কারণ নিয়ে এখনও বিস্তারিত কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।কোয়েল মল্লিকের এই সিদ্ধান্তের পর আগামী দিনে রাজ্যসভার সমীকরণ কোন দিকে যায় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার কী প্রভাব পড়ে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘ওর জন্য দলের সর্বনাশ’! নাম না করে অভিষেককে তীব্র আক্রমণ কল্যাণের

তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের নেতা এবং প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বহু বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আদালতে সওয়াল করেছেন তিনি। কিন্তু এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তাঁর একাধিক মন্তব্যে দলের অন্দরের অস্বস্তি প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) জানিয়েছেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিষয়ে তাঁকে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর দাবি, তিনি চেম্বারে বসে থাকার সময় অন্য এক আইনজীবীর মাধ্যমে জানতে পারেন যে একটি নতুন আবেদন দায়ের করা হয়েছে। অথচ বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। এই ঘটনায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এরপর আর মামলাটি লড়বেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন।তিনি আরও দাবি করেন, পরে তাঁকে জানানো হয় যে মামলায় অন্য একজন আইনজীবী সওয়াল করবেন। এই পুরো প্রক্রিয়ায় তাঁকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং দলের হয়ে লড়াই করার পরও তাঁর সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া কঠিন।রাজ্যের নানা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনি লড়াইয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথম সারিতে দেখা গিয়েছে। বিরোধী আমল থেকে শুরু করে ক্ষমতায় থাকার সময়েও তৃণমূলের হয়ে একাধিক আলোচিত মামলায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সেই কারণেই তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে কল্যাণ বলেন, দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আত্মসমালোচনা প্রয়োজন। তিনি অভিযোগ করেন, দলের ভিতরে কিছু সিদ্ধান্ত এবং আচরণই বর্তমান সংকটকে আরও গভীর করেছে।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর সমর্থন আগের মতোই রয়েছে। তবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তাঁর মন্তব্যের পর তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রবীণ এই নেতার বক্তব্য শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, দলের ভিতরের বৃহত্তর অসন্তোষেরও ইঙ্গিত হতে পারে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর এখন নজর তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়ার দিকে। কারণ তাঁর বক্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! আজই সিআইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ অভিষেককে

সই জাল মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৌশিক চন্দ নির্দেশ দেন, অভিষেককে এদিন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই সিআইডির সদর দফতর ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে তাঁকে।উল্লেখ্য, এর আগে সিআইডির তিনটি তলব এড়িয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেই প্রেক্ষিতে আদালত জানায়, তদন্ত প্রক্রিয়াকে আর বিলম্বিত করা যাবে না। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা প্রয়োজন মনে করলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে এবং তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নিতে পারবে।তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) জন্য সাময়িক স্বস্তির খবরও রয়েছে। আদালত তাঁকে আগামী ১৪ দিনের জন্য রক্ষাকবচ দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। তবে সেই সুরক্ষার শর্ত হিসেবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুনানির সময় সিআইডির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এই মামলায় অভিযোগ সাধারণ কোনও সূত্র থেকে আসেনি। সংশ্লিষ্ট বিধায়করাই অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্তে ইতিমধ্যেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে বলেও আদালতে জানানো হয়। তাই এই পর্যায়ে কোনও বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া উচিত নয় বলে সওয়াল করেন তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী (Abhishek Banerjee)।অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল হাজিরা দিতে প্রস্তুত রয়েছেন। তবে তিনি বর্তমানে কলকাতার বাইরে থাকায় কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছিল। আদালতে তাঁর আইনজীবী জানান, প্রয়োজন হলে পরদিনও হাজিরা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, তদন্তে সহযোগিতা করতে হলে আজই হাজিরা দিতে হবে।বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যেহেতু অভিষেক নিজেই তদন্তে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, তাই তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে। সেই কারণেই একদিকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে তদন্তে সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।এদিকে এই মামলার আইনি লড়াই নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রথম দিকে মামলায় অভিষেকের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে পরে তিনি সরে দাঁড়ান। এরপর বৃহস্পতিবার আদালতে অভিষেকের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য।হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর এখন নজর ভবানীভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরা এবং তদন্তের পরবর্তী গতিপ্রকৃতির দিকে।

জুন ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal