• ১৯ পৌষ ১৪৩২, সোমবার ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Shield

খেলার দুনিয়া

১০ জনে খেলেও প্রথমবার আইএসএল লিগ-শিল্ড চাম্পিয়ান মোহনবাগান

ইতিহাস তৈরি করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। আইএসএল প্রতিযোগিতার দশ বছরের ইতিহাসে মোহনবাগান এই প্রথম লিগ-শিল্ড জিতল মোহনবাগান। বাংলা নববর্ষের দিন বার পুজো করে দ্বিতীয় দিনেই সাফল্য। সোমবার কোলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলের মহারণে মুম্বই সিটি এফসি-কে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে দিল। মোহনবাগানের হয়ে গোল দুটি করেন লিস্টন কোলাসো এবং জেসন কামিংস।খেলার শেষ মুহুর্তে মুম্বই এফসির একমাত্র গোলটি করেন লালিয়ানজুয়ালা ছাংতের। ২০২৩ এ আইএসএলের ট্রফি মোহনবাগান জয়লাভ করলেও লিগ-শিল্ড কখনও জেতেনি তারা। আন্তোনিয়ো হাবাসের দলের অধরা স্বপ্নও পূরণ হয়ে গেল ২০২৪ এ। মোট ২২ টি ম্যাচ খেলে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ-শিল্ড শেষ করল তারা। আইএসএল ট্রফি জিতে ডাবল করার সুযোগ এখন মোহনবাগানের সামনে।খেলার শুরু থেকেই বারবার আক্রমণে উঠে মোহনবাগান রক্ষণভাগকে বিব্রত করতে থাকে মুম্বাই এফসি। আক্রমনের চাপে বেশ কয়েকটি কর্নার আদায় করে নিয়েছে মুম্বাই। খেলার ১৭ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন শুভাশিস।LISTON COLACO SENDS THE CROWD CRAZY!!! 🔥🔥🔥Watch #ISL 2023-24 live on @JioCinema , @sports18 @vh1india 👉 https://t.co/lCKd3AbGTl#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন #ISL10 #LetsFootball #ISLonJioCinema pic.twitter.com/97oz51PuGo Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) April 15, 2024২৮ মিনিটে মোহনবাগানের হয়ে খেলার প্রথম গোলটি করেন লিস্টন কোলাসো। মুম্বই সিটির বিরুদ্ধে মোহনবাগান ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হাবাসের দল। বক্সের বাঁদিকে বল পেয়েছিলেন কোলাসো। তাঁর সামনে ছিলেন মুম্বাইয়ের বিপিন সিংহ। বিপিনকে এক ঝটকায় ডানদিকে মচ্র দিয়ে বাঁদিক দিয়ে বল কাটিয়ে নিয়েই সোজা জালে জড়িয়ে দেন লিস্টন।খেলার প্রথম দিকেই গোল পেয়ে যাওয়ায়, যুবভারতীর মোহন সমর্থদের প্রবল হর্ষ ধ্বনিতে তখন কান পাতা দায়। সবুজ-মেরুনে সমর্থকে ভরা যুবভারতী তখন মোহনবাগানের ঘরের মাঠ। আনুমানিক ৪৬ হাজার ফুটবল প্রেমী এদিন যুবভারতী স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে হাজিত হয়েছেন। বলাবাহুল্য তাঁরা সকলেই ছিলেন মোহনবাগান সমর্থক।গোল খেয়ে পেছিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনি মুম্বাই এফসি। বারবার প্রতি আক্রমণে এসে বিব্রত করতে থাকে বাগানিদের। এই রকমই এক আক্রমণ থেকে গোল করার সুযোগ পেয়ে যায় তারা। গোলের সিজোগ নষ্ট করে মুম্বইয়ের ছাংতে। মুম্বাইয়ের পেরেদা দিয়াজ় বল ভাসিয়েছিলেন মোহনবাগানের বক্সে ছাংতের উদ্দেশে। কিন্তু সেই ছাংতে বলের আন্দাজ বুঝতে পারেননি। ছাংতে বলে ঠিক মতো পা লাগাতে না পারায় কোনও অঘটন ঘটেনি।খেলায় গতি আনতে মুম্বই এফ সি খেলোয়াড় বদল করে। তারা তিরিকে বসিয়ে সেই জায়গায় নামলেন ইয়াকুব ভজতাস।৬১ মিনিটে মোহনবাগান ও দু - দুটি বদল করে, সবুজ-মেরুন সাদিকু এবং কাউকোকে তুলে নেয়। তদের জায়গায় হাবাস নামান কামিন্স এবং হামিল-কে।CHECKMATE ♟️🃏Watch #ISL 2023-24 live on @JioCinema, @sports18 @vh1india 👉 https://t.co/lCKd3Ab93N#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন #ISL10 #LetsFootball #ISLonJioCinema pic.twitter.com/1XnEdAeicz Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) April 15, 2024গোলের ব্যবধান কম থাকায় দুদলই মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টায় মরীয়া হয়ে ওঠে। মুম্বাইয়ের আক্রমণের ঝাঁঝ প্রতিহত করতে খেলার গতিকে মন্থর করে দিতে হাবাসে মোহনবাগান নানা আছিলায় সময় নষ্টের চেষ্টা করছে। এক গোলে এগিয়ে থাকার সুবিধা নিতে তারা গতি মন্থরতার স্ট্রেটেজি নিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এদিকে মুম্বাই ও খেলার ঝাঁজ বাড়াতে প্রতি আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে গেছে বারবার। কিন্তু মোহনবাগানের জমাট রক্ষণে প্রতিহত হয়ে ফিরে এসেছে সেই সমস্ত আক্রমণ।দুই দলের দুজন হলুদ কার্ড দেখেন! মোহনবাগানের দীপক টাংরি এবং মুম্বইয়ের ভান নিফ। খেলার ৮০ মিনিটে আবার গোল মোহনবাগানের। বাগানের হয়ে গোল করলেন পরিবর্ত খেলোয়াড় জেসন কামিন্স। মুম্বইয়ের মাঝমাঠে বল পেয়েছিলেন পেত্রাতোস, তিনি বল বাড়ান কামিন্সকে লক্ষ্য করে। কাউন্টার অ্যাটাকে গিয়ে মুম্বইয়ের রক্ষণভাগ তখন অনেকটাই ওপরে উঠে এসেছে। কামিন্স বল ধরে তাড়াহুড়ো না করে, দেখে শুনে বল জালে জড়িয়ে দেন। মহোনবাগান এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে।খেলার নির্ধারিত সময় শেষ হবার ১ মিনিট আগে ৮৯ মিনিটে মুম্বই এফ সি ১ টি গোল শোধ করে। মুম্বাইয়ের হয়ে গোলটি করেন ছাংতে। কর্নার থেকে আসা বলে গোল করেন ছাংতে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

IFA Shield : শিল্ডের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিল মহমেডান স্পোর্টিং

ডুরান্ত কাপে ফাইনালে উঠে শেষরক্ষা হয়নি। ফাইনালে এফসি গোয়ার কাছে হেরে খেতাব অধরা থেকে গিয়েছিল মহমেডান স্পোর্টিংয়ের। কলকাতা লিগ জিতে ডুরান্ড কাপের ব্যর্থতায় কিছুটা প্রলেপ দিতে পেরেছিল। শিল্ডেও ব্যর্থ সাদাকালো শিবির। কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়েল কাশ্মীরের কাছে অতিরিক্ত সময়ের গোলে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হল আন্দ্রে চেরনিশভের দলকে। ম্যাচের ফল ১০।আইএফএ শিল্ডের গ্রুপ পর্বে খেলতে হয়নি মহমেডানকে। সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছিল সাদাকালো ব্রিগেড। বুধবার ফেবারিট হিসেবেই রিয়েল কাশ্মীরের মাঠে নেমেছিল মহমেডান। দারুণভাবে শুরুও করেছিল। ম্যাচের ১৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল মহমেডানের সামনে। সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ব্রেন্ডন। ৩৩ মিনিটে আরও একবার গোল করার মতো পরিস্থিতিতে পৌঁছে গিয়েছিল সাদাকালো ব্রিগেড। তিনকাঠি ভেদ করতে পারেননি আজহারউদ্দিন মল্লিক। প্রথমার্ধের অন্তিম লগ্নে তাঁর একটা শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। আজহারউদ্দিন, ফৈয়াজ, ব্রেন্ডন, নিকোলারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসেন রিয়েল কাশ্মীর রক্ষণভাগে। তিনকাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন রিয়েল কাশ্মীরের গোলকিপার। তাঁর বিশ্বস্ত হাতে আটকে যায় মহমেডানের যাবতীয় আক্রমণ। প্রতিআক্রমণ নির্ভর ফুটবল খেলা রিয়েল কাশ্মীর প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি করেছিল। দুই দলের কয়েকটি আক্রমণছাড়া দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা খেলাটাই সীমিত ছিল মাঝমাঠে। ৯০ মিনিট শেষেও খেলার ফল থাকে গোলশূন্য। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ে ভুল করে বসেন আসির আক্তার-ওনানরা। ম্যাচের ৯৮ মিনিটে কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে দুরন্ত শটে গোল করে রিয়েল কাশ্মীরকে এগিয়ে দেন লালচওয়ানকিমা। বাকি সময় সমতা ফেরানোর আপ্রান চেষ্টা করলেও সফল হয়নি মহমেডান।বুধবারই ঘোষণা হয়েছে আই লিগের সুচি। আই লিগের আগে এটাই ছিল মহমেডানের শেষ ম্যাচ। ২৬ ডিসেম্বর আই লিগ শুরু। ২৭ ডিসেম্বর মহমেডানের প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ সুদেভা। মহমেডানের বাকি ম্যাচ আইজল (৩০ ডিসেম্বর, কল্যাণী), শ্রীনিধি ডেকান (৪ জানুয়ারি, মোহনবাগান), ইন্ডিয়ান অ্যারোজ (১০ জানুয়ারি, নৈহাটি), চার্চিল (১৫ জানুয়ারি, কল্যাণী), কেঁকড়ে এফসি (২০ জানুয়ারি, নৈহাটি), গোকুলাম (২৫ জানুয়ারি, নৈহাটি), ট্রাউ (৩০ জানুয়ারি, নৈহাটি), রাজস্থান এফসি (৯ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী), পাঞ্জাব এফসি (১৩ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী), রিয়েল কাশ্মীর (১৮ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী), নেরোকা এফসি (২৩ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী)।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
দেশ

Antibody: টিকা নেওয়ার পর অ্যান্টিবডি কমে গিয়েছে? কী বলল আইসিএমআর?

করোনার ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও অ্যান্টিবডি কমে যাচ্ছে শরীরে। বিশেষজ্ঞদের নজরে এমন তথ্য আগেই এসেছে। এবার আইসিএমআর-এর সমীক্ষায় অনুসন্ধান করা হল, ঠিক কত দিন পর অ্যান্টিবডি কমতে শুরু করে। মূলত কোভ্যাকসিন ও কোভিশিল্ড টিকার ক্ষেত্রেই এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। আর তাতে দেখা গিয়েছে, দুই ক্ষেত্রেই ভ্যাকসিন নেওয়ার কয়েক মাস পর থেকেই অ্যান্টিবডি কমতে শুরু করে অর্থাৎ করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা হারাতে শুরু করে শরীর। ফলে, নতুন করে সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ভুবনেশ্বের আইসিএমআর-এর আঞ্চলিক শাখা আরএমআরসি-তে সেই সমীক্ষা চালানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুরগবেষক জানিয়েছেন, যাঁরা কোভ্যাকসিন নিয়েছেন তাঁদের ক্ষেত্রে ২ মাস পর থেকে ও যাঁরা কোভিশিল্ড নিয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে ৩ মাস পর থেকে অ্যান্টিবডি কমতে দেখা গিয়েছে। তবে এই সমীক্ষা এখানেই শেষ করছে না আইসিএমআর। অন্তত টিকা নেওয়ার ২ বছর পর পর্যন্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা থাকে, তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে ভুবনেশ্বেরের একটি গবেষণার টিমের সদস্যদের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে দেখা যায় তাঁদের মধ্যে ২৩ শতাংশের শরীরে কোনও আ্যান্টিবডি নেই। অর্থাৎ অ্যান্টিবডি রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এদের প্রত্যেকেরই ভ্যাকসিনের দুটি করে ডোজ় নেওয়া হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, ভারতে করোনার যে দুটি ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে, অর্থাৎ কোভিশিল্ড ও কোভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। তাই ২০ থেকে ৩০ শতাংশ টিকাপ্রাপ্তের শরীরে আ্যান্টিবডি তৈরি নাও হতে পারে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে এলে তবেই আইসিএমআর বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রে অনুমোদন দিতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: রাজ্যের ভ্যাকসিন হাহাকারে আপাতত স্বস্তি

শহরজুড়ে কোভিশিল্ডের হাহাকার। কলকাতা পুরসভার কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন নেই।দুশ্চিন্তা পুরোপুরি দূর না হলেও সামান্য স্বস্তি দিয়ে শনিবার কলকাতা বিমানবন্দরে নামল কোভিশিল্ডের সাড়ে ৩ লক্ষ ডোজ। এই পরিমাণ টিকা একেবারেই পর্যাপ্ত নয়, এ কথা পরিষ্কারভাবে মেনে নিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। যে কোভিশিল্ড গত কয়েক মাস ধরে রাজ্য ও জেলায় তুলনামূলক সহজলভ্য থেকেছে, এখন তারই ভাঁড়ার শূন্য কলকাতা পুরসভায়। ফলে প্রথম ডোজ তো দূরেই থাক, যারা দ্বিতীয় ডোজ়ের অপেক্ষাতেও রয়েছেন, তাঁদের হা পিত্যেশ করা ছাড়া উপায় থাকছে না। স্বাস্থ্যভবন মনে করছে, পুরসভার ভুল নীতির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যদিও পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে পুরসভা। দায়ী করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের কম টিকা পাঠানোর বিষয়টিকে।এই অবস্থায় শনিবার বিকেলে কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২৪০ ডোজ় কোভিশিল্ড। পাশাপাশি, এ দিনই শহরে এসেছে ১ লক্ষ ডোজ কোভ্যাক্সিনও। স্বাস্থ্য দপ্তর আশাবাদী, এর ফলে যে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে তা কিছুটা হলেও মিটবে। তবে স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, এই পরিমাণ ভ্যাকসিন কোনও মতেই পর্যাপ্ত নয়।

আগস্ট ০৭, ২০২১
কলকাতা

কলকাতায় আজ বন্ধ কোভিশিল্ড টিকাকরণ

রাজ্যকে করোনা ভ্যাকসিন বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। তার ফলে ভ্যাকসিনের আকাল দেখা দিয়েছে। আর সে কারণেই বুধবার কলকাতায় করোনার কোভিশিল্ড টিকাকরণ বন্ধ। শহরের ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১৮টি মেগা সেন্টারে কোভিশিল্ড টিকা দেওয়া আজ বন্ধ থাকবে। তবে ৪১টি কেন্দ্রে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে। এখবর জানিয়েছেন পুরসভার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতীন ঘোষ।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি কার্যত উদ্বেগের জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল। তাই যুদ্ধকালীন তৎপরতা টিকাকরণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। করোনার (Coronavirus) টিকা পেতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সে কারণে একাধিক পরিকল্পনা নেয় রাজ্য সরকার। বয়স অনুযায়ী সময়সীমা বেঁধে টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এছাড়া সুপার স্প্রেডার হিসাবে বিভিন্ন পেশার মানুষজনকে চিহ্নিত করেও শুরু হয় টিকাকরণ। কলকাতা পুরসভার নির্ধারিত প্রক্রিয়ার ফলে খুব সহজেই টিকা নিতে পারছিলেন আমজনতা। তবে বারবারই বাদ সেধেছে করোনা টিকার অপ্রতুলতা। বুধবারও সেই একই কারণে ফের কিছুটা থমকাল টিকাকরণ প্রক্রিয়া। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, করোনার টিকার জোগান নেই। সে কারণে বুধবার শহরের ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১৮টি মেগা সেন্টারে কোভিশিল্ড (Covishield) টিকাকরণ বন্ধ থাকবে। তবে ৪১টি কেন্দ্রে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, সোমবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ওইদিনই তিনি জানিয়ে দেন, এবার থেকে টিকাকরণের জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে আর কোনও অর্থ ব্যয় করতে হবে না। ২১ জুন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেবে ভারত সরকার। দেশে উৎপাদিত মোট ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ কিনবে ভারত সরকার। সেই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে তুলে দেওয়া হবে রাজ্য সরকারগুলির হাতে। রাজ্য সরকারকে ভ্যাকসিনের জন্য কোনও টাকা খরচ করতে হবে না। তবে কেউ চাইলে বেসরকারি হাসপাতালেও টিকা নিতে পারেন।

জুন ০৯, ২০২১
দেশ

কোভিশিল্ডের দুই টিকার ব্যবধান বেড়ে হল ৩ থেকে ৪ মাস

কোভিশিল্ডের দুটি টিকার ব্যবধান বাড়িয়ে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করার প্রস্তাব গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এর আগে ব্যবধান ছিল ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ, এ বার সেটিই বেড়ে হবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ। বৃহস্পতিবার দুপুরেই সরকারের বিশেষজ্ঞ প্যানেল কেন্দ্রকে প্রস্তাব দেয়, দুটি টিকার ব্যবধান বাড়িয়ে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করার। বিকেলের দিকে সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল কেন্দ্র।এই নিয়ে তিন মাসে দ্বিতীয়বার কোভিশিল্ডের দুটি টিকা নেওয়ার ব্যবধান বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রাথমিক ভাবে টিকাকণের একেবারে শুরুতে কোভিশিল্ডের দুটি টিকার ব্যবধান ছিল ২৮ দিনের। তারপর বিশেষজ্ঞ কমিটি মার্চ মাসে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলিকে জানায়, ভাল ফলের জন্য টিকা ব্যবধান ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ করতে। সেটিই এখন বাড়িয়ে করা হল ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ।টিকা নিয়ে এর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি নতুন প্রস্তাব বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারকে দিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। তাতে বলা হয়েছে, কোভিডে আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে ওঠার অন্তত ৬ মাস পর টিকা নিতে পারবেন। কারণ, এতে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যাক্তির শরীরে অ্যান্টিবডির প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে সুস্থ হওয়ার ১৪ দিন পর টিকা নেওয়া যায়, সেটাই বাড়িয়ে ছমাস করার কথা বলা হয়েছে।

মে ১৩, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যে এল কোভ্যাক্সিনের ১ লক্ষ ডোজ, সোমবার আসছে সাড়ে ৩ লক্ষ কোভিশিল্ড

মারাত্মক করোনা সংক্রমণের মধ্যেই সুখবর। সম্প্রতি রাজ্য সরকার টিকাকরণের জন্য কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ড মিলিয়ে কয়েক লক্ষ টিকার বরাত দিয়েছিল। তার মধ্যে রবিবার রাজ্যে এসেছে ১ লক্ষ কোভিডের টিকা কোভ্যাক্সিনের ডোজ। রবিবার সকাল ৮টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছয় টিকা। এর পর তা নিয়ে যাওয়া হয় বাগবাজারের সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরে। এ ছাড়াও সোমবার আরও সাড়ে ৩ লাখ কোভিশিল্ড টিকার ডোজ রাজ্যে আসবে। সোমবার বিকেল ৩টে ৪০ নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছবে টিকা। মোট ১৪ লাখ কোভিশিল্ডের অর্ডার দিয়েছে রাজ্য সরকার।গত মাস থেকেই দেশজুড়ে করোনা টিকার জোগান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্যান্ত টিকা না থাকার কারণে বিভিন্ন রাজ্যে টিকাকরণ থমকে যাচ্ছে মাঝে মাঝে। প্রথম ডোজ নিলেও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্য ডাকের অপেক্ষায় বহু মানুষ। গতকাল, কোভ্যাক্সিন না পেয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বিক্ষোভ হয়। তবে আজ রবিবার ও কাল সোমবার মিলিয়ে মোট সাড়ে ৪ লাখ টিকা এলে সমস্যা একটু কমবে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাউথ-ইস্ট এশিয়া রিজিয়ন অফিস-এর কমিউনিকেবল ডিজিজ়েস-এর প্রাক্তন ডিরেক্টর রাজেশ ভাটিয়া জানাচ্ছেন, দেশে প্রতিষেধকের বর্তমান দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২৫ লক্ষ। কিন্তু চাহিদা তার চেয়ে অনেক বেশি। তাঁর কথায়, যতক্ষণ না প্রতিষেধকের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হবে অথবা দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি অন্য প্রতিষেধক বাজারে আসবে কিংবা প্রতিষেধক আমদানি করা হবে, ততক্ষণ এই ঘাটতি চলতেই থাকবে।

মে ০৯, ২০২১
বিদেশ

সিরাম ইনস্টিটিউট ব্রিটিশ সরকার থেকে ১০ কোটি ভ্যাকসিন এর বরাত পেল

ব্রিটিশ সরকার সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার (এসআইআই) নির্মিত ১ কোটি অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ডোজ গ্রহণ করবে। ব্রিটিশ সরকারের এক মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ব্রিটিশ সরকার অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড-১৯ মোট ভ্যাকসিনের ১০ কোটি ডোজ অর্ডার করেছে, যার মধ্যে ১ কোটি ডোজ ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে আসবে।বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির আবিষ্কৃত করোনা-১৯ অতিমারির প্রতিষেধক কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন স্বল্প ও মধ্য আয়ের দেশগুলির জন্য অ্যাস্ট্রাজেনেকার সাথে যৌথ ভাবে উৎপাদন করছে।সমগ্র পৃথিবীর স্বল্প-মধ্যম আয়ের বহু দেশ বাংলাদেশ থেকে শুরু করে ব্রাজিল সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার (এসআইআই)-এর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের উপর নির্ভরশীল। এছাড়াও সিরাম ইনস্টিটিউট বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় COVAX প্রোগ্রামের জন্যও ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে।ব্রিটেনই প্রথম দেশ যেখানে ২০১৯ ডিসেম্বরে কোভিড-১৯ টিকা দেওয়ার অভিযান শুরু হয়েছিল, ব্রিটেনে ফাইজার(Pfizer) এবং বায়োএনটেক(BioNTech) তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়। সরকারী তথ্য অনুসারে, প্রায় ২০.৫ কোটি জনসাধারন ইতিমধ্যেই কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেয়ে গেছেন। সেখানকার জনসাধরনের আস্থা অর্জন করতে ব্রিটিশ সরকার সক্ষম।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

মার্চ ০৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মাদক, তেল না কি রাজনীতি? মাদুরো আটক ঘিরে বিশ্ব রাজনীতিতে ঝড়

এক সময় বাস চালাতেন। সেখান থেকেই দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের শুরু। ধাপে ধাপে ক্ষমতার শিখরে উঠে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হন নিকোলাস মাদুরো। সেই মাদুরোকেই শনিবার আটক করেছে মার্কিন সেনা। তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকেও অপহরণ করা হয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। কিন্তু কী ভাবে বাসচালক থেকে রাষ্ট্রপতি হলেন মাদুরো? আর কেনই বা তাঁর উপর এতটাই ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প?১৯৬২ সালের ২৩ নভেম্বর ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে জন্ম নেন নিকোলাস মাদুরো। তাঁর বাবা ছিলেন একজন শ্রমিক নেতা। স্কুলজীবন থেকেই রাজনীতির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় মাদুরোর। ছাত্র সংঘের সঙ্গে যুক্ত থাকার মাধ্যমেই তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু। ১৯৮৬ সালে আদর্শগত শিক্ষা নিতে তিনি কিউবায় যান। কয়েক বছর সেখানে কাটানোর পর দেশে ফেরেন। সেই সময় থেকেই কিউবান সরকারের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।ভেনেজুয়েলায় ফিরে এসে মাদুরো কাজ শুরু করেন কারাকাসের মেট্রো ব্যবস্থায় বাসচালক হিসেবে। সেখানেই শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন এবং ধীরে ধীরে ইউনিয়ন নেতা হয়ে ওঠেন। নব্বইয়ের দশকে ভেনেজুয়েলার গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাঁকে বামপন্থী কট্টর নেতা হিসেবে চিহ্নিত করে।১৯৯২ সালে সেনা অফিসার হুগো চাভেজ সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটাতে গিয়ে ব্যর্থ হন এবং জেলে যান। ১৯৯৪ সালে রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পান চাভেজ। এরপর রাজনীতিতে ফিরে এসে তিনি একটি শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তোলেন। সেই আন্দোলনেই যোগ দেন মাদুরো। বাসচালকের চাকরি ছেড়ে তিনি পুরোপুরি রাজনীতিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। অল্প সময়েই হুগো চাভেজের ঘনিষ্ঠ এবং বিশ্বস্ত সহযোগী হয়ে ওঠেন মাদুরো।১৯৯৯ সালে চাভেজ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হন। তাঁর সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন মাদুরো। ২০০৬ সালে তিনি বিদেশমন্ত্রী নিযুক্ত হন। সেই সময় তাঁকে চাভেজের ডান হাত হিসেবেই দেখা হত। ২০১৩ সালে চাভেজের মৃত্যুর পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হন নিকোলাস মাদুরো।কিন্তু মাদুরোর শাসনকালেই দেশ ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। মুদ্রাস্ফীতি আকাশছোঁয়া হয়। খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি দেখা দেয়। দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা দেশ। লক্ষ লক্ষ মানুষ দারিদ্র্যের কবলে পড়ে। প্রায় ৭৭ লক্ষ ভেনেজুয়েলাবাসী দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেয় মাদুরো সরকার।অভিযোগ ওঠে, সরকারের সমালোচনা করলেই মানুষকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিরোধীদের জেলে ভরা হচ্ছে এবং বন্দিদের উপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। দেশের ভিতরে ও বাইরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন মাদুরো। আন্তর্জাতিক মহল ভেনেজুয়েলার উপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপায়।২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হন। তখন থেকেই মাদুরোর সঙ্গে তাঁর সংঘাত শুরু। ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার উপর কড়া অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আমেরিকার অভিযোগ, নির্বাচনে কারচুপি করে ক্ষমতায় ফিরেছিলেন মাদুরো। পাশাপাশি, মাদক পাচার চক্র চালানো এবং অবৈধ অভিবাসন বাড়ানোর অভিযোগও তোলে ট্রাম্প সরকার। ট্রাম্পের দাবি, মাদুরো ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন।আমেরিকার বক্তব্য, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই মাদুরো সরকারের পতন জরুরি হয়ে উঠেছিল। সেই কারণেই গত কয়েক মাস ধরে ভেনেজুয়েলার উপকূলে একাধিক নৌযানে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। আমেরিকার দাবি, ওই নৌযানগুলি মাদক পাচারে যুক্ত ছিল। যদিও মাদুরো সরকারের দাবি, ওই হামলায় বহু নিরীহ মৎস্যজীবীর প্রাণ গিয়েছে।এর মধ্যেই ভেনেজুয়েলার তেলবাহী ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করে মার্কিন নৌবাহিনী। মাদুরোর অভিযোগ, আসলে ভেনেজুয়েলার বিপুল তেল সম্পদের উপর নজর রয়েছে আমেরিকার। শেষ পর্যন্ত মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসের মামলা দায়ের করে তাঁকে নিউ ইয়র্কে আটক করা হয়েছে। সেখানেই ফেডারাল আদালতে তাঁর বিচার হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ডোমিসাইল বাতিলের অভিযোগ! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় সংঘাত রাজ্য-কমিশনের

ডোমিসাইল বা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বাতিল করা হচ্ছে এই অভিযোগে চরম হয়রানির মুখে পড়ছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। রাজ্য সরকারের দাবি, অনানুষ্ঠানিক ভাবে জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট আর ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত নির্দেশ বা আইনি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত ও ত্রুটিপূর্ণ ভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। রাজ্যের আপত্তি না মানা হলে এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এর আগেও গত নভেম্বর মাসে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন মমতা। সেই চিঠিতে এসআইআর-এর প্রথম ধাপে চুক্তিভিত্তিক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর এবং বাংলা সহায়ক কেন্দ্রের কর্মীদের ব্যবহার না করার কমিশনের নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।রাজ্যের অভিযোগ, কাজের সূত্রে ভিন রাজ্যে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদেরও শুনানির জন্য সশরীরে হাজির হতে বাধ্য করা হচ্ছে। অথচ জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী তাঁরা ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সম্পূর্ণ যোগ্য। এই সিদ্ধান্তের ফলে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক চরম অসুবিধা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠায় কলকাতা পুরসভায় এই শংসাপত্রের জন্য আবেদন হঠাৎ বেড়ে যায়। পুরসভার সদর দফতর ও বিভিন্ন বরো অফিসে প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, গড়ে প্রতিদিন অন্তত ৮০টি করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদন জমা পড়ছে। সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য দিতে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দফতর থেকে কলকাতার সমস্ত কাউন্সিলরের কাছে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকাও পাঠানো হয়।এই প্রক্রিয়া ঘিরে বিভিন্ন জেলায় ক্ষোভ বাড়ছে। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের কালনায় অভিযোগ ওঠে, পৌরসভার একটি ওয়ার্ডের ৩২ জন ভোটারকে শুনানির জন্য ডাকা হলেও তাঁদের কাছে থাকা পুরনো বাড়ির দলিল মানা হয়নি। নতুন করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট চাওয়া হয়। অথচ সেই শংসাপত্রই এখন বাতিল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেছেন, শুনানির কারণ না জানিয়েই ভোটারদের ডাকা হচ্ছে। প্রবীণ, অসুস্থ ও শারীরিক ভাবে অক্ষম মানুষকেও ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে গিয়ে হাজিরা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এমনকী ভিন রাজ্যে কর্মরত বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদেরও ব্যক্তিগত ভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বানান বা বয়স সংক্রান্ত সামান্য ভুলের জন্যও নতুন করে নথি যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা কার্যত অসম্ভব। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত তালিকা উপেক্ষা করে অভিজ্ঞতাহীন কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের মাইক্রো অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা অনেক ক্ষেত্রেই নিজেদের নির্ধারিত ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ। এই ত্রুটিগুলি অবিলম্বে সংশোধন না হলে সম্পূর্ণ এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

অমিত শাহের বৈঠকের পরেই কি চুপ দিলীপ? জল্পনা তুঙ্গে

খড়গপুরে চা-চক্রে বসে সাংবাদিকদের স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ আর সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্যামেরায় কথা বলবেন না। প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতির এই ঘোষণার পরই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন দিলীপ, তা নিয়েই ঘোরাফেরা করছে প্রশ্ন ।বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন দিলীপ ঘোষ। তার পরদিনই রাম মন্দির প্রসঙ্গে তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক। বৃহস্পতিবার দিলীপ বলেন, মন্দির-মসজিদ ইস্যু ভোটের ফলাফলে তেমন প্রভাব ফেলে না। উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি অযোধ্যার রাম মন্দির এবং বাংলার মন্দির প্রসঙ্গ টানেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফৈজাবাদ আসনে বিজেপির হার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় মন্দির তৈরি করলেই যে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত, এমন ভাবা ভুল।এই মন্তব্যের পরেই অস্বস্তিতে পড়ে রাজ্য বিজেপি। দলীয় সূত্রের দাবি, দিলীপের বক্তব্যে শীর্ষ নেতৃত্ব খুশি হয়নি। শুক্রবারই তাঁকে সংবাদমাধ্যমে কথা বলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। সূত্রের খবর, অমিত শাহের তরফে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কাছেও বার্তা যায় নেতাদের যেন অহেতুক মন্তব্য না করতে বলা হয়। এমনকী শাহ নিজেই বুঝিয়ে দেন, সমস্ত তথ্য তাঁর হাতেই রয়েছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, বুধবারের সেই বৈঠকে অমিত শাহ দলীয় নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দিলীপের মন্তব্য ভাল ভাবে নেননি শাহ, এমনটাই দাবি দলীয় সূত্রের। সেই কারণেই কি এবার পাকাপাকি ভাবে মুখ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন দিলীপ, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।শুক্রবার সল্টলেকের বিজেপি দফতরে ঢোকার সময় দিলীপ বলেছিলেন, যা বলার সকালে বলেছেন। যদিও তার পরেও শনিবার পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খড়গপুরে চা-চক্রে সাংবাদিকদের সাফ জানিয়ে দেন, আর ক্যামেরার সামনে কথা বলবেন না। পরিস্থিতি বুঝেই কি আরও বিতর্ক এড়াতে এই সিদ্ধান্ত, তা নিয়ে চাপানউতোর চলছেই।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
বিদেশ

অন্য দেশের প্রেসিডেন্ট বন্দি আমেরিকায়! আন্তর্জাতিক আইন ভাঙার অভিযোগ

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আমেরিকার ডেল্টা ফোর্স তুলে নিয়ে যাওয়ার পর রবিবার নিউ ইয়র্কের একটি জেলে আটক রাখা হয়েছে। শনিবার ভেনেজুয়েলায় এই অভিযান চালানো হয়। নতুন বছরের শুরুতে নিউ ইয়র্কের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বামমনস্ক রাজনীতিক জোহরান মামদানি। তাঁর শহরের জেলেই মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।আমেরিকার অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিউ ইয়র্কের দক্ষিণ অংশের একটি জেলে মাদুরো দম্পতিকে বন্দি রাখা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, মাদুরোর সরকার আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণে মাদক-সন্ত্রাস, অস্ত্র পাচার-সহ একাধিক ধারায় মাদুরো, তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে মোট ছজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মাদুরোকে অবৈধ শাসক বলে আখ্যা দিলেও আপাতত এই মামলার ভিত্তিতেই গ্রেপ্তারির কথা জানানো হয়েছে। তবে অন্য দেশের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে আটক করার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিভিন্ন দেশ এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলে দাবি করছে।এদিকে ভেনেজুয়েলায় জারি হয়েছে জরুরি অবস্থা। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুক্রবার মধ্যরাতে হামলার পরেও মার্কিন সেনা পুরোপুরি দেশ ছাড়েনি। মাঝে মাঝেই ভেনেজুয়েলার আকাশে মার্কিন সামরিক বিমান উড়তে দেখা যাচ্ছে। এর ফলে আরও বড় কোনও সামরিক পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। কলোম্বিয়ার অনুরোধে এই বৈঠকের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য চিন এবং স্থায়ী সদস্য রাশিয়াও এই বৈঠকের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

টাকা তোলার অভিযোগ, পুলিশের পিছনে ধাওয়া! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তিন জনের

পিছনে পুলিশের গাড়ি দেখে আরও গতি বাড়িয়ে দিয়েছিল লরি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই সামনে থাকা টোটোতে সজোরে ধাক্কা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল টোটোর তিন যাত্রীর। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের নলহাটিতে, রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে রামপুরহাটের দিক থেকে নলহাটির দিকে যাচ্ছিল পেঁয়াজ বোঝাই একটি লরি। পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে নলহাটি থানার পুলিশ প্রহরারত ছিল। অভিযোগ, পুলিশ লরিটিকে থামার নির্দেশ দেয়। কিন্তু চালক গাড়ি না থামিয়ে উল্টে আরও জোরে গাড়ি চালাতে শুরু করেন। পুলিশের একটি বাইক লরিটিকে ধাওয়া করে।পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে অতিরিক্ত গতিতে লরি চালাতে থাকেন চালক। ঠিক সেই সময় সামনে একটি টোটো চলছিল। টোটোতে চালক ছাড়াও আরও তিন জন যাত্রী ছিলেন। দ্রুতগতির লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থেকে আসা ওই টোটোতে ধাক্কা মারে। তীব্র ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় টোটোটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় টোটোর তিন যাত্রীর।দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নলহাটি থানার পুলিশ। কিন্তু পুলিশ পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মৃতদের দেহ জাতীয় সড়কের উপর রেখে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় পুলিশের একাংশ পণ্যবাহী লরি থামিয়ে টাকা তোলে। সেই ভয়েই অনেক সময় লরিচালকরা বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালান। আর তারই পরিণতি হল এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
বিদেশ

১৯৮৯-এর পানামার পর ফের ইতিহাস! ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান

শনিবার ভেনেজুয়েলায় বড়সড় সামরিক হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের কথা স্বীকার করে জানান, এটি ছিল ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক সামরিক আক্রমণ। তাঁর দাবি, এই অভিযান মার্কিন আইনরক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই চালানো হয়েছে।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর উপর চাপ বাড়াচ্ছিল ওয়াশিংটন। আমেরিকার অভিযোগ, মাদুরো সরকার মাদক পাচার চক্র এবং অপরাধী গোষ্ঠীগুলিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে, যার ফলে সেই অপরাধ আমেরিকার মাটিতেও ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে ভেনেজুয়েলা সরকার।এই হামলাকে লাতিন আমেরিকায় আমেরিকার প্রথম সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, ১৯৮৯ সালের পর। ওই বছর পানামায় সামরিক অভিযান চালিয়ে তৎকালীন শাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল আমেরিকা। সেই অভিযান এখনও মার্কিন সামরিক ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ অপারেশন জাস্ট কজ নামে পানামায় সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেন। সেই অভিযানে প্রায় ২০ হাজার মার্কিন সেনা অংশ নিয়েছিল। সরকারি হিসেবে, সেই অভিযানে ৫১৪ জন পানামার সেনা ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, মৃতের সংখ্যা হাজারের কাছাকাছি ছিল। আমেরিকারও ২৩ জন সেনা প্রাণ হারান।সেই সময় পানামার শাসক নরিয়েগা আশ্রয় নিয়েছিলেন ভ্যাটিকানের দূতাবাসে। তাঁকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে দূতাবাসের বাইরে জোরে জোরে রক গান বাজিয়েছিল মার্কিন সেনা। এই অভিনব কৌশল বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শেষ পর্যন্ত ১১ দিন পর নরিয়েগা আত্মসমর্পণ করেন এবং তাঁকে আমেরিকায় নিয়ে গিয়ে মাদক পাচারসহ একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।এবার সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে কি না, তা নিয়েই উদ্বেগ বাড়ছে। ভেনেজুয়েলা নিয়ে আমেরিকার এই সামরিক পদক্ষেপ লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-এর পর সবচেয়ে বড় হামলার ছক? উত্তর ক্যারোলিনায় আইএসের পরিকল্পনা ফাঁস

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, ধৃত যুবক ক্রিস্টিয়ান স্টারডিভ্যান্টের সঙ্গে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। বর্ষবরণের রাতে উত্তর ক্যারোলিনার একটি খাবারের দোকান এবং জনবহুল এলাকায় ছুরি নিয়ে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল সে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, পুলিশকর্মীদের উপরও হামলা চালানোর ছক ছিল অভিযুক্তের। এই গোটা ষড়যন্ত্রই ইসলামিক স্টেটের মদতে তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছে এফবিআই।শেষ মুহূর্তে এই ভয়ংকর নাশকতা বানচাল করে দেয় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এই ঘটনায় একটি বিবৃতি জারি করেছে তারা। এফবিআই প্রধান, ভারতীয় বংশোদ্ভূত কাশ প্যাটেল জানান, বর্ষবরণের রাতে একটি সম্ভাব্য জঙ্গি হামলা রোখা গিয়েছে এবং এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে ছিল ইসলামিক স্টেট।এফবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্রিস্টিয়ান নাবালক থাকাকালীন থেকেই সন্দেহের তালিকায় ছিল। সামাজিক মাধ্যমে একাধিকবার ইসলামিক স্টেটের প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছিল তাকে। সেই সূত্রেই ইউরোপের একাধিক আইএস হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠে তার। তাদের প্ররোচনাতেই আমেরিকায় হামলার পরিকল্পনা করেছিল সে।তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একাধিক ধারাল অস্ত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে তদন্তকারীরা। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছে হাতে লেখা একটি নোট, যেখানে স্পষ্ট ভাবে লেখা ছিল, নতুন বছরে হামলা ২০২৬। এই তথ্য সামনে আসার পর আরও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।৯/১১-এর পর আমেরিকাকে ফের রক্তাক্ত করার ছক কষেছিল ইসলামিক স্টেট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ভয়ংকর পরিকল্পনা ভেস্তে দেয় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ক্রিস্টিয়ান স্টারডিভ্যান্টকে এবং তদন্ত এখনও চলছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
বিদেশ

মাদুরো কি আমেরিকার হাতে বন্দি? ওয়াশিংটনের কাছে প্রমাণ চাইল ভেনেজুয়েলা

আশঙ্কাই সত্যি হল। শনিবার ভোররাতে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে বন্দি করে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও এই দাবি এখনও পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বীকার করেনি।ভেনেজুয়েলার এক সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজ জানিয়েছেন, মাদুরোকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে সে বিষয়ে সরকারের কাছে কোনও তথ্য নেই। তিনি স্পষ্টভাবে ওয়াশিংটনের কাছে মাদুরো জীবিত আছেন কি না, তার প্রমাণ চেয়েছেন। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকার তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি।তবে মার্কিন সেনেটর মাইক লি জানিয়েছেন, এই বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। নিজের এক্স হ্যান্ডলে মাইক লি লেখেন, রুবিও তাঁকে জানিয়েছেন যে আমেরিকায় মাদুরোর বিরুদ্ধে চলা একাধিক ফৌজদারি মামলার বিচার প্রক্রিয়ার জন্য তাঁকে বন্দি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপছন্দের তালিকায় রয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন নয়। সম্প্রতি ক্যারিবিয়ান এলাকায় বিপুল পরিমাণ মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়। তার পরই মাদুরো অভিযোগ করেন, আমেরিকা তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ শুরু করেছে এবং জোর করে দেশের শাসনব্যবস্থা বদলাতে চাইছে।গত মাসে ভেনেজুয়েলা ও সংলগ্ন এলাকার আকাশসীমা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলায় তেল ট্যাঙ্কার চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। বিশ্বের বৃহত্তম খনিজ তেলের ভাণ্ডার রয়েছে ভেনেজুয়েলায়। প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষ ব্যারেল তেল উৎপাদন হয় সেখানে।সম্প্রতি চিন ও রাশিয়ার সঙ্গে মাদুরো সরকারের ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় হোয়াইট হাউসের অস্বস্তি আরও বেড়ে যায়। এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে ভেনেজুয়েলার এক বন্দরে মার্কিন হামলার দাবি করে সিএনএন। অভিযোগ ছিল, ওই বন্দর ব্যবহার করে মাদক পাচার করা হচ্ছিল। সব মিলিয়ে নতুন বছরের শুরুতেই ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal