• ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ১৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Shield

খেলার দুনিয়া

১০ জনে খেলেও প্রথমবার আইএসএল লিগ-শিল্ড চাম্পিয়ান মোহনবাগান

ইতিহাস তৈরি করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। আইএসএল প্রতিযোগিতার দশ বছরের ইতিহাসে মোহনবাগান এই প্রথম লিগ-শিল্ড জিতল মোহনবাগান। বাংলা নববর্ষের দিন বার পুজো করে দ্বিতীয় দিনেই সাফল্য। সোমবার কোলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলের মহারণে মুম্বই সিটি এফসি-কে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে দিল। মোহনবাগানের হয়ে গোল দুটি করেন লিস্টন কোলাসো এবং জেসন কামিংস।খেলার শেষ মুহুর্তে মুম্বই এফসির একমাত্র গোলটি করেন লালিয়ানজুয়ালা ছাংতের। ২০২৩ এ আইএসএলের ট্রফি মোহনবাগান জয়লাভ করলেও লিগ-শিল্ড কখনও জেতেনি তারা। আন্তোনিয়ো হাবাসের দলের অধরা স্বপ্নও পূরণ হয়ে গেল ২০২৪ এ। মোট ২২ টি ম্যাচ খেলে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ-শিল্ড শেষ করল তারা। আইএসএল ট্রফি জিতে ডাবল করার সুযোগ এখন মোহনবাগানের সামনে।খেলার শুরু থেকেই বারবার আক্রমণে উঠে মোহনবাগান রক্ষণভাগকে বিব্রত করতে থাকে মুম্বাই এফসি। আক্রমনের চাপে বেশ কয়েকটি কর্নার আদায় করে নিয়েছে মুম্বাই। খেলার ১৭ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন শুভাশিস।LISTON COLACO SENDS THE CROWD CRAZY!!! 🔥🔥🔥Watch #ISL 2023-24 live on @JioCinema , @sports18 @vh1india 👉 https://t.co/lCKd3AbGTl#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন #ISL10 #LetsFootball #ISLonJioCinema pic.twitter.com/97oz51PuGo Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) April 15, 2024২৮ মিনিটে মোহনবাগানের হয়ে খেলার প্রথম গোলটি করেন লিস্টন কোলাসো। মুম্বই সিটির বিরুদ্ধে মোহনবাগান ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হাবাসের দল। বক্সের বাঁদিকে বল পেয়েছিলেন কোলাসো। তাঁর সামনে ছিলেন মুম্বাইয়ের বিপিন সিংহ। বিপিনকে এক ঝটকায় ডানদিকে মচ্র দিয়ে বাঁদিক দিয়ে বল কাটিয়ে নিয়েই সোজা জালে জড়িয়ে দেন লিস্টন।খেলার প্রথম দিকেই গোল পেয়ে যাওয়ায়, যুবভারতীর মোহন সমর্থদের প্রবল হর্ষ ধ্বনিতে তখন কান পাতা দায়। সবুজ-মেরুনে সমর্থকে ভরা যুবভারতী তখন মোহনবাগানের ঘরের মাঠ। আনুমানিক ৪৬ হাজার ফুটবল প্রেমী এদিন যুবভারতী স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে হাজিত হয়েছেন। বলাবাহুল্য তাঁরা সকলেই ছিলেন মোহনবাগান সমর্থক।গোল খেয়ে পেছিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনি মুম্বাই এফসি। বারবার প্রতি আক্রমণে এসে বিব্রত করতে থাকে বাগানিদের। এই রকমই এক আক্রমণ থেকে গোল করার সুযোগ পেয়ে যায় তারা। গোলের সিজোগ নষ্ট করে মুম্বইয়ের ছাংতে। মুম্বাইয়ের পেরেদা দিয়াজ় বল ভাসিয়েছিলেন মোহনবাগানের বক্সে ছাংতের উদ্দেশে। কিন্তু সেই ছাংতে বলের আন্দাজ বুঝতে পারেননি। ছাংতে বলে ঠিক মতো পা লাগাতে না পারায় কোনও অঘটন ঘটেনি।খেলায় গতি আনতে মুম্বই এফ সি খেলোয়াড় বদল করে। তারা তিরিকে বসিয়ে সেই জায়গায় নামলেন ইয়াকুব ভজতাস।৬১ মিনিটে মোহনবাগান ও দু - দুটি বদল করে, সবুজ-মেরুন সাদিকু এবং কাউকোকে তুলে নেয়। তদের জায়গায় হাবাস নামান কামিন্স এবং হামিল-কে।CHECKMATE ♟️🃏Watch #ISL 2023-24 live on @JioCinema, @sports18 @vh1india 👉 https://t.co/lCKd3Ab93N#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন #ISL10 #LetsFootball #ISLonJioCinema pic.twitter.com/1XnEdAeicz Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) April 15, 2024গোলের ব্যবধান কম থাকায় দুদলই মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টায় মরীয়া হয়ে ওঠে। মুম্বাইয়ের আক্রমণের ঝাঁঝ প্রতিহত করতে খেলার গতিকে মন্থর করে দিতে হাবাসে মোহনবাগান নানা আছিলায় সময় নষ্টের চেষ্টা করছে। এক গোলে এগিয়ে থাকার সুবিধা নিতে তারা গতি মন্থরতার স্ট্রেটেজি নিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এদিকে মুম্বাই ও খেলার ঝাঁজ বাড়াতে প্রতি আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে গেছে বারবার। কিন্তু মোহনবাগানের জমাট রক্ষণে প্রতিহত হয়ে ফিরে এসেছে সেই সমস্ত আক্রমণ।দুই দলের দুজন হলুদ কার্ড দেখেন! মোহনবাগানের দীপক টাংরি এবং মুম্বইয়ের ভান নিফ। খেলার ৮০ মিনিটে আবার গোল মোহনবাগানের। বাগানের হয়ে গোল করলেন পরিবর্ত খেলোয়াড় জেসন কামিন্স। মুম্বইয়ের মাঝমাঠে বল পেয়েছিলেন পেত্রাতোস, তিনি বল বাড়ান কামিন্সকে লক্ষ্য করে। কাউন্টার অ্যাটাকে গিয়ে মুম্বইয়ের রক্ষণভাগ তখন অনেকটাই ওপরে উঠে এসেছে। কামিন্স বল ধরে তাড়াহুড়ো না করে, দেখে শুনে বল জালে জড়িয়ে দেন। মহোনবাগান এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে।খেলার নির্ধারিত সময় শেষ হবার ১ মিনিট আগে ৮৯ মিনিটে মুম্বই এফ সি ১ টি গোল শোধ করে। মুম্বাইয়ের হয়ে গোলটি করেন ছাংতে। কর্নার থেকে আসা বলে গোল করেন ছাংতে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

IFA Shield : শিল্ডের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিল মহমেডান স্পোর্টিং

ডুরান্ত কাপে ফাইনালে উঠে শেষরক্ষা হয়নি। ফাইনালে এফসি গোয়ার কাছে হেরে খেতাব অধরা থেকে গিয়েছিল মহমেডান স্পোর্টিংয়ের। কলকাতা লিগ জিতে ডুরান্ড কাপের ব্যর্থতায় কিছুটা প্রলেপ দিতে পেরেছিল। শিল্ডেও ব্যর্থ সাদাকালো শিবির। কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়েল কাশ্মীরের কাছে অতিরিক্ত সময়ের গোলে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হল আন্দ্রে চেরনিশভের দলকে। ম্যাচের ফল ১০।আইএফএ শিল্ডের গ্রুপ পর্বে খেলতে হয়নি মহমেডানকে। সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছিল সাদাকালো ব্রিগেড। বুধবার ফেবারিট হিসেবেই রিয়েল কাশ্মীরের মাঠে নেমেছিল মহমেডান। দারুণভাবে শুরুও করেছিল। ম্যাচের ১৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল মহমেডানের সামনে। সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ব্রেন্ডন। ৩৩ মিনিটে আরও একবার গোল করার মতো পরিস্থিতিতে পৌঁছে গিয়েছিল সাদাকালো ব্রিগেড। তিনকাঠি ভেদ করতে পারেননি আজহারউদ্দিন মল্লিক। প্রথমার্ধের অন্তিম লগ্নে তাঁর একটা শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। আজহারউদ্দিন, ফৈয়াজ, ব্রেন্ডন, নিকোলারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসেন রিয়েল কাশ্মীর রক্ষণভাগে। তিনকাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন রিয়েল কাশ্মীরের গোলকিপার। তাঁর বিশ্বস্ত হাতে আটকে যায় মহমেডানের যাবতীয় আক্রমণ। প্রতিআক্রমণ নির্ভর ফুটবল খেলা রিয়েল কাশ্মীর প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি করেছিল। দুই দলের কয়েকটি আক্রমণছাড়া দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা খেলাটাই সীমিত ছিল মাঝমাঠে। ৯০ মিনিট শেষেও খেলার ফল থাকে গোলশূন্য। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ে ভুল করে বসেন আসির আক্তার-ওনানরা। ম্যাচের ৯৮ মিনিটে কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে দুরন্ত শটে গোল করে রিয়েল কাশ্মীরকে এগিয়ে দেন লালচওয়ানকিমা। বাকি সময় সমতা ফেরানোর আপ্রান চেষ্টা করলেও সফল হয়নি মহমেডান।বুধবারই ঘোষণা হয়েছে আই লিগের সুচি। আই লিগের আগে এটাই ছিল মহমেডানের শেষ ম্যাচ। ২৬ ডিসেম্বর আই লিগ শুরু। ২৭ ডিসেম্বর মহমেডানের প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ সুদেভা। মহমেডানের বাকি ম্যাচ আইজল (৩০ ডিসেম্বর, কল্যাণী), শ্রীনিধি ডেকান (৪ জানুয়ারি, মোহনবাগান), ইন্ডিয়ান অ্যারোজ (১০ জানুয়ারি, নৈহাটি), চার্চিল (১৫ জানুয়ারি, কল্যাণী), কেঁকড়ে এফসি (২০ জানুয়ারি, নৈহাটি), গোকুলাম (২৫ জানুয়ারি, নৈহাটি), ট্রাউ (৩০ জানুয়ারি, নৈহাটি), রাজস্থান এফসি (৯ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী), পাঞ্জাব এফসি (১৩ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী), রিয়েল কাশ্মীর (১৮ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী), নেরোকা এফসি (২৩ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী)।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
দেশ

Antibody: টিকা নেওয়ার পর অ্যান্টিবডি কমে গিয়েছে? কী বলল আইসিএমআর?

করোনার ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও অ্যান্টিবডি কমে যাচ্ছে শরীরে। বিশেষজ্ঞদের নজরে এমন তথ্য আগেই এসেছে। এবার আইসিএমআর-এর সমীক্ষায় অনুসন্ধান করা হল, ঠিক কত দিন পর অ্যান্টিবডি কমতে শুরু করে। মূলত কোভ্যাকসিন ও কোভিশিল্ড টিকার ক্ষেত্রেই এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। আর তাতে দেখা গিয়েছে, দুই ক্ষেত্রেই ভ্যাকসিন নেওয়ার কয়েক মাস পর থেকেই অ্যান্টিবডি কমতে শুরু করে অর্থাৎ করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা হারাতে শুরু করে শরীর। ফলে, নতুন করে সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ভুবনেশ্বের আইসিএমআর-এর আঞ্চলিক শাখা আরএমআরসি-তে সেই সমীক্ষা চালানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুরগবেষক জানিয়েছেন, যাঁরা কোভ্যাকসিন নিয়েছেন তাঁদের ক্ষেত্রে ২ মাস পর থেকে ও যাঁরা কোভিশিল্ড নিয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে ৩ মাস পর থেকে অ্যান্টিবডি কমতে দেখা গিয়েছে। তবে এই সমীক্ষা এখানেই শেষ করছে না আইসিএমআর। অন্তত টিকা নেওয়ার ২ বছর পর পর্যন্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা থাকে, তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে ভুবনেশ্বেরের একটি গবেষণার টিমের সদস্যদের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে দেখা যায় তাঁদের মধ্যে ২৩ শতাংশের শরীরে কোনও আ্যান্টিবডি নেই। অর্থাৎ অ্যান্টিবডি রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এদের প্রত্যেকেরই ভ্যাকসিনের দুটি করে ডোজ় নেওয়া হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, ভারতে করোনার যে দুটি ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে, অর্থাৎ কোভিশিল্ড ও কোভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। তাই ২০ থেকে ৩০ শতাংশ টিকাপ্রাপ্তের শরীরে আ্যান্টিবডি তৈরি নাও হতে পারে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে এলে তবেই আইসিএমআর বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রে অনুমোদন দিতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: রাজ্যের ভ্যাকসিন হাহাকারে আপাতত স্বস্তি

শহরজুড়ে কোভিশিল্ডের হাহাকার। কলকাতা পুরসভার কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন নেই।দুশ্চিন্তা পুরোপুরি দূর না হলেও সামান্য স্বস্তি দিয়ে শনিবার কলকাতা বিমানবন্দরে নামল কোভিশিল্ডের সাড়ে ৩ লক্ষ ডোজ। এই পরিমাণ টিকা একেবারেই পর্যাপ্ত নয়, এ কথা পরিষ্কারভাবে মেনে নিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। যে কোভিশিল্ড গত কয়েক মাস ধরে রাজ্য ও জেলায় তুলনামূলক সহজলভ্য থেকেছে, এখন তারই ভাঁড়ার শূন্য কলকাতা পুরসভায়। ফলে প্রথম ডোজ তো দূরেই থাক, যারা দ্বিতীয় ডোজ়ের অপেক্ষাতেও রয়েছেন, তাঁদের হা পিত্যেশ করা ছাড়া উপায় থাকছে না। স্বাস্থ্যভবন মনে করছে, পুরসভার ভুল নীতির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যদিও পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে পুরসভা। দায়ী করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের কম টিকা পাঠানোর বিষয়টিকে।এই অবস্থায় শনিবার বিকেলে কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২৪০ ডোজ় কোভিশিল্ড। পাশাপাশি, এ দিনই শহরে এসেছে ১ লক্ষ ডোজ কোভ্যাক্সিনও। স্বাস্থ্য দপ্তর আশাবাদী, এর ফলে যে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে তা কিছুটা হলেও মিটবে। তবে স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, এই পরিমাণ ভ্যাকসিন কোনও মতেই পর্যাপ্ত নয়।

আগস্ট ০৭, ২০২১
কলকাতা

কলকাতায় আজ বন্ধ কোভিশিল্ড টিকাকরণ

রাজ্যকে করোনা ভ্যাকসিন বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। তার ফলে ভ্যাকসিনের আকাল দেখা দিয়েছে। আর সে কারণেই বুধবার কলকাতায় করোনার কোভিশিল্ড টিকাকরণ বন্ধ। শহরের ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১৮টি মেগা সেন্টারে কোভিশিল্ড টিকা দেওয়া আজ বন্ধ থাকবে। তবে ৪১টি কেন্দ্রে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে। এখবর জানিয়েছেন পুরসভার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতীন ঘোষ।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি কার্যত উদ্বেগের জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল। তাই যুদ্ধকালীন তৎপরতা টিকাকরণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। করোনার (Coronavirus) টিকা পেতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সে কারণে একাধিক পরিকল্পনা নেয় রাজ্য সরকার। বয়স অনুযায়ী সময়সীমা বেঁধে টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এছাড়া সুপার স্প্রেডার হিসাবে বিভিন্ন পেশার মানুষজনকে চিহ্নিত করেও শুরু হয় টিকাকরণ। কলকাতা পুরসভার নির্ধারিত প্রক্রিয়ার ফলে খুব সহজেই টিকা নিতে পারছিলেন আমজনতা। তবে বারবারই বাদ সেধেছে করোনা টিকার অপ্রতুলতা। বুধবারও সেই একই কারণে ফের কিছুটা থমকাল টিকাকরণ প্রক্রিয়া। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, করোনার টিকার জোগান নেই। সে কারণে বুধবার শহরের ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১৮টি মেগা সেন্টারে কোভিশিল্ড (Covishield) টিকাকরণ বন্ধ থাকবে। তবে ৪১টি কেন্দ্রে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, সোমবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ওইদিনই তিনি জানিয়ে দেন, এবার থেকে টিকাকরণের জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে আর কোনও অর্থ ব্যয় করতে হবে না। ২১ জুন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেবে ভারত সরকার। দেশে উৎপাদিত মোট ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ কিনবে ভারত সরকার। সেই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে তুলে দেওয়া হবে রাজ্য সরকারগুলির হাতে। রাজ্য সরকারকে ভ্যাকসিনের জন্য কোনও টাকা খরচ করতে হবে না। তবে কেউ চাইলে বেসরকারি হাসপাতালেও টিকা নিতে পারেন।

জুন ০৯, ২০২১
দেশ

কোভিশিল্ডের দুই টিকার ব্যবধান বেড়ে হল ৩ থেকে ৪ মাস

কোভিশিল্ডের দুটি টিকার ব্যবধান বাড়িয়ে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করার প্রস্তাব গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এর আগে ব্যবধান ছিল ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ, এ বার সেটিই বেড়ে হবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ। বৃহস্পতিবার দুপুরেই সরকারের বিশেষজ্ঞ প্যানেল কেন্দ্রকে প্রস্তাব দেয়, দুটি টিকার ব্যবধান বাড়িয়ে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করার। বিকেলের দিকে সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল কেন্দ্র।এই নিয়ে তিন মাসে দ্বিতীয়বার কোভিশিল্ডের দুটি টিকা নেওয়ার ব্যবধান বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রাথমিক ভাবে টিকাকণের একেবারে শুরুতে কোভিশিল্ডের দুটি টিকার ব্যবধান ছিল ২৮ দিনের। তারপর বিশেষজ্ঞ কমিটি মার্চ মাসে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলিকে জানায়, ভাল ফলের জন্য টিকা ব্যবধান ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ করতে। সেটিই এখন বাড়িয়ে করা হল ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ।টিকা নিয়ে এর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি নতুন প্রস্তাব বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারকে দিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। তাতে বলা হয়েছে, কোভিডে আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে ওঠার অন্তত ৬ মাস পর টিকা নিতে পারবেন। কারণ, এতে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যাক্তির শরীরে অ্যান্টিবডির প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে সুস্থ হওয়ার ১৪ দিন পর টিকা নেওয়া যায়, সেটাই বাড়িয়ে ছমাস করার কথা বলা হয়েছে।

মে ১৩, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যে এল কোভ্যাক্সিনের ১ লক্ষ ডোজ, সোমবার আসছে সাড়ে ৩ লক্ষ কোভিশিল্ড

মারাত্মক করোনা সংক্রমণের মধ্যেই সুখবর। সম্প্রতি রাজ্য সরকার টিকাকরণের জন্য কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ড মিলিয়ে কয়েক লক্ষ টিকার বরাত দিয়েছিল। তার মধ্যে রবিবার রাজ্যে এসেছে ১ লক্ষ কোভিডের টিকা কোভ্যাক্সিনের ডোজ। রবিবার সকাল ৮টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছয় টিকা। এর পর তা নিয়ে যাওয়া হয় বাগবাজারের সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরে। এ ছাড়াও সোমবার আরও সাড়ে ৩ লাখ কোভিশিল্ড টিকার ডোজ রাজ্যে আসবে। সোমবার বিকেল ৩টে ৪০ নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছবে টিকা। মোট ১৪ লাখ কোভিশিল্ডের অর্ডার দিয়েছে রাজ্য সরকার।গত মাস থেকেই দেশজুড়ে করোনা টিকার জোগান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্যান্ত টিকা না থাকার কারণে বিভিন্ন রাজ্যে টিকাকরণ থমকে যাচ্ছে মাঝে মাঝে। প্রথম ডোজ নিলেও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্য ডাকের অপেক্ষায় বহু মানুষ। গতকাল, কোভ্যাক্সিন না পেয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বিক্ষোভ হয়। তবে আজ রবিবার ও কাল সোমবার মিলিয়ে মোট সাড়ে ৪ লাখ টিকা এলে সমস্যা একটু কমবে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাউথ-ইস্ট এশিয়া রিজিয়ন অফিস-এর কমিউনিকেবল ডিজিজ়েস-এর প্রাক্তন ডিরেক্টর রাজেশ ভাটিয়া জানাচ্ছেন, দেশে প্রতিষেধকের বর্তমান দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২৫ লক্ষ। কিন্তু চাহিদা তার চেয়ে অনেক বেশি। তাঁর কথায়, যতক্ষণ না প্রতিষেধকের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হবে অথবা দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি অন্য প্রতিষেধক বাজারে আসবে কিংবা প্রতিষেধক আমদানি করা হবে, ততক্ষণ এই ঘাটতি চলতেই থাকবে।

মে ০৯, ২০২১
বিদেশ

সিরাম ইনস্টিটিউট ব্রিটিশ সরকার থেকে ১০ কোটি ভ্যাকসিন এর বরাত পেল

ব্রিটিশ সরকার সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার (এসআইআই) নির্মিত ১ কোটি অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ডোজ গ্রহণ করবে। ব্রিটিশ সরকারের এক মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ব্রিটিশ সরকার অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড-১৯ মোট ভ্যাকসিনের ১০ কোটি ডোজ অর্ডার করেছে, যার মধ্যে ১ কোটি ডোজ ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে আসবে।বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির আবিষ্কৃত করোনা-১৯ অতিমারির প্রতিষেধক কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন স্বল্প ও মধ্য আয়ের দেশগুলির জন্য অ্যাস্ট্রাজেনেকার সাথে যৌথ ভাবে উৎপাদন করছে।সমগ্র পৃথিবীর স্বল্প-মধ্যম আয়ের বহু দেশ বাংলাদেশ থেকে শুরু করে ব্রাজিল সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার (এসআইআই)-এর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের উপর নির্ভরশীল। এছাড়াও সিরাম ইনস্টিটিউট বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় COVAX প্রোগ্রামের জন্যও ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে।ব্রিটেনই প্রথম দেশ যেখানে ২০১৯ ডিসেম্বরে কোভিড-১৯ টিকা দেওয়ার অভিযান শুরু হয়েছিল, ব্রিটেনে ফাইজার(Pfizer) এবং বায়োএনটেক(BioNTech) তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়। সরকারী তথ্য অনুসারে, প্রায় ২০.৫ কোটি জনসাধারন ইতিমধ্যেই কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেয়ে গেছেন। সেখানকার জনসাধরনের আস্থা অর্জন করতে ব্রিটিশ সরকার সক্ষম।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

মার্চ ০৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

trinamool-organisational-reshuffle-kunal-ghosh-north-kolkata-president-arnab-bandyopadhyay

তৃণমূল কংগ্রেসে বড় সাংগঠনিক রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের তরফে প্রকাশিত নতুন তালিকা অনুযায়ী উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে। এতদিন এই পদে ছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি যুব তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকেও সরানো হয়েছে সায়নী ঘোষকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়।দলের অন্দরে চলা রাজনৈতিক আলোচনা এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। দীর্ঘদিন ধরে দলের মুখপাত্র এবং অন্যতম সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত কুণাল ঘোষ। সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় অবস্থান ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে তিনি প্রকাশ্যে তৃণমূলের হয়ে সরব ছিলেন।অন্যদিকে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে নানা রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। উত্তর কলকাতার সাংগঠনিক দায়িত্ব এখন কুণাল ঘোষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যুব সংগঠনের নেতৃত্বেও নতুন মুখ আনা হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী দিনের লড়াইকে সামনে রেখে দল নতুন করে সংগঠন সাজানোর চেষ্টা করছে। সেই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই রদবদলের ফলে দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় কী প্রভাব পড়ে এবং নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কীভাবে কাজ করেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ ঘিরে ভয়াবহ সংকট! ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের আগে বাড়ছে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তেজনার আবহে আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে চলা জি-সাত সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে দুই নেতার। সূত্রের খবর, সম্মেলনের ফাঁকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারেন মোদি ও ট্রাম্প। সম্ভাব্য বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি, জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।দীর্ঘ সময় পর দুই নেতার মুখোমুখি বৈঠক হতে চলেছে বলেও কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাৎ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ করা হয়। বিশ্বের বহু দেশ, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলি এই জলপথের উপর নির্ভরশীল।ভারতের ক্ষেত্রেও হরমুজের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। দেশের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে। ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক কিছু সামুদ্রিক ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এখন শুধু আঞ্চলিক সমস্যা নয়, বরং তা বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মোদি ও ট্রাম্পের সম্ভাব্য বৈঠক থেকে কী বার্তা উঠে আসে এবং আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় দুই দেশ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে বিশ্ব কূটনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

অবতরণের আগেই ভয়াবহ বিপর্যয়! অসমে বায়ুসেনার বিমান ভেঙে পড়ে মৃত্যু পাঁচ সেনাকর্মীর

অসমের জোরহাটে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি পরিবহণ বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পাঁচ সেনা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে জোরহাট বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হলেও পাঁচজনকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন স্কোয়াড্রন লিডার প্রশান্ত সিং, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শুভম কুমার, সার্জেন্ট জিতেন্দ্র শর্মা, অগ্নিবীরবায়ু খেমারাম কুমোয়াত এবং অগ্নিবীরবায়ু ডেনিস আলম। নিহত সেনা কর্মীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেছে বায়ুসেনা।বায়ুসেনা সূত্রে খবর, শনিবার সকাল প্রায় দশটা নাগাদ একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সময় বিমানটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অবতরণের সময় জোরহাট বিমানঘাঁটির মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। এরপরই দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিমানে।দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল ও উদ্ধারকারী দল। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও বিমানে থাকা পাঁচ সেনা কর্মীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা।অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, জোরহাটে বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই রাজ্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই অসমের কার্বি আংলং জেলায় একটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এল অসমে।দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো পাঁচ বায়ুসেনা কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ। তাঁদের এই আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মত অনেকের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

ভূপেন্দ্র যাদবের পর অমিত শাহ! দিল্লিতে সুদীপের একের পর এক বৈঠকে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠককে কেন্দ্র করে ফের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন বলে রাজনৈতিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচিতি একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য হিসেবে। লোকসভায় বহু বছর তিনি তৃণমূলের দলনেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথাও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত।সূত্রের দাবি, শনিবার দিল্লিতে পৌঁছে প্রথমে ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সেখানে বৈঠক শেষে তিনি অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বলেও জানা যাচ্ছে। দুই নেতার মধ্যে কিছু সময় আলোচনা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এই বৈঠকের পর থেকেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংসদদের অবস্থান এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রার শুরু থেকেই তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত। অতীতে রাজনৈতিক মতপার্থক্য তৈরি হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরে আসেন।দিল্লিতে তাঁর সাম্প্রতিক বৈঠকগুলি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১১ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশি! মদন মিত্রের ফ্ল্যাট থেকে কী কী নিয়ে গেল ইডি?

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই অভিযান চলে প্রায় ১১ ঘণ্টা। দিনের শেষে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে তদন্তকারীরা ফিরে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মদন মিত্রের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার সীতারাম পাহাড়ির দাবি, সকালে ইডি আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছে নিজেদের পরিচয় দেন এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশির পর বেশ কিছু কাগজপত্র তাঁরা সঙ্গে করে নিয়ে যান। পাশাপাশি মদন মিত্রের খোঁজও করেন তদন্তকারীরা।সূত্রের খবর, শনিবার একেবারে ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের ফ্ল্যাটে পৌঁছন ইডির পাঁচ থেকে ছয় জন আধিকারিক। তবে অভিযান শুরু করতেই সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় প্রথমে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা।দীর্ঘ সময় ধরে ফ্ল্যাটের বাইরে অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারিকদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং তল্লাশি শুরু করা সম্ভব হয়। এরপর ফ্ল্যাটের বিভিন্ন অংশে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হয়।শুধু জোকার ফ্ল্যাট নয়, একই সঙ্গে মদন মিত্রের ভবানীপুরের ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে বিভিন্ন আর্থিক নথি এবং তথ্য সংগ্রহ করতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই তল্লাশির পর তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার ২৫০ কোটির দুর্নীতির অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর ঘিরে তোলপাড়

একের পর এক মামলা, তলব এবং তদন্তের মধ্যেই এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন করে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এল। আমফান পরবর্তী ত্রাণ বিতরণে প্রায় ২৫০ কোটির আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।অভিযোগকারীদের দাবি, ঘূর্ণিঝড় আমফানের পর ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি তৈরির জন্য উপভোক্তাদের ২০ হাজার টাকা এবং ঘর মেরামতের জন্য ৫ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়া হয়। কিন্তু সেই ত্রাণ বণ্টন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, বহু পাকা বাড়িকে ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে সরকারি অর্থ দেওয়া হয়েছে। এমনকী একই পরিবারের বা একই ছাদের নীচে বসবাসকারী একাধিক ব্যক্তির নামে আলাদা আলাদা করে আর্থিক সাহায্য মঞ্জুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। শুধু তাই নয়, সরকারি সাহায্যের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একাধিক উপভোক্তার নাম একই মোবাইল নম্বরের সঙ্গে যুক্ত ছিল। একটি নম্বরে ১৩ জন এবং অন্য একটি নম্বরে ৮ জন উপভোক্তার তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাঙ্ক শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ বিতরণের তথ্যও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস। তাঁর অভিযোগ, ত্রাণ বণ্টনের নামে বৃহৎ আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে এবং তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সম্প্রতি এক বিজেপি নেতা অভিযোগ করেছিলেন, প্রায় সাড়ে সাত বছর আগে তাঁর উপর হামলার ঘটনায় অভিষেকের ভূমিকা ছিল। সেই অভিযোগ নিয়েও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।নতুন এফআইআর দায়ের হওয়ার পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে। আমফান ত্রাণ বণ্টনকে কেন্দ্র করে ওঠা এই অভিযোগের তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে কি আরও এক বড় ভাঙন? দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকে সুদীপ, তুঙ্গে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও উসকে দিল দিল্লির একটি বৈঠক। উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করায় নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। শনিবার দিল্লিতে পৌঁছেই তিনি ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান বলে সূত্রের খবর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের অন্যতম অভিজ্ঞ সাংসদ হিসেবে পরিচিত। লোকসভায় বহু বছর তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে সেই দায়িত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছিল। যদিও তখন প্রকাশ্যে কোনও অসন্তোষ দেখাননি সুদীপ।তবে বর্তমানে তৃণমূলের অন্দরে বিভিন্ন বিষয়ে অসন্তোষ এবং সাংসদদের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সেই পরিস্থিতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নতুন সমীকরণ তৈরি হয়, তবে সেখানে সুদীপ গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠতে পারেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু একজন সাংসদ নন, তিনি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গঠন করেন, তখন প্রথম সারির যাঁরা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে সুদীপ অন্যতম। যদিও পরবর্তী সময়ে তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। একসময় তিনি দল ছেড়েও বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরে আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই ফিরে আসেন।সম্প্রতি তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সুদীপের স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গিয়েছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পেয়েছেন তিনি। ফলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখন নানা মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।তবে এই বৈঠক শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু দিল্লির এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে এবং রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা যে নতুন মাত্রা পেয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় পদক্ষেপ! মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে ইডির অভিযান

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার ভোরে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। দক্ষিণেশ্বর এবং জোকার ফ্ল্যাটে একযোগে অভিযান ঘিরে সকাল থেকেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে প্রথমে সমস্যার মুখে পড়তে হয় তদন্তকারীদের। ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জোকার ওই ফ্ল্যাটে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মদন মিত্র নিয়মিত থাকেন না। স্থানীয় বাসিন্দারাও জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে তাঁকে সেখানে দেখা যায়নি। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়।একই সময়ে দক্ষিণেশ্বর এবং ভবানীপুরের আরও একটি ঠিকানাতেও পৌঁছে যায় ইডির দল। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খুঁজতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশির সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং নগদ অর্থের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কেও তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।শুধু মদন মিত্রের ঠিকানাই নয়, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এদিন একযোগে মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। বেলেঘাটা মেন রোডে ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডির একটি দল। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, বিভিন্ন সরকারি কাজের বরাত এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে কোনও অনিয়ম জড়িত ছিল কি না।পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগেও একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে এই তল্লাশি নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে।

জুন ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal