• ১১ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Shaik Rasheed

খেলার দুনিয়া

‌স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে বাজিমাত, রবি–রাজের দাপটে ৫ বার বিশ্বসেরা ভারত

ম্যাচের অন্তিমলগ্ন পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত ভারতের। ইংল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন যশ ধুল ব্রিগেড। এই নিয়ে ৫ বার বিশ্বসেরার তকমা ছিনিয়ে নিল ভারত। একটা সময় আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ১৮৯ রান তাড়া করে জয় আসবে তো। কিন্তু অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে যেভাবে স্নায়ু চাপ ধরে রাখার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন যশ ধুলরা, এককথায় অবিশ্বাস্য। আর ভারতকে বিশ্বকাপের বৈতরণী পার করার নায়ক হরিয়ানার বাঁহাতি ব্যাটার নিশান্ত সিন্ধু। ম্যাচের প্রথমার্ধ যদি রাজ বাওয়া ও রবি কুমারের হয়, দ্বিতীয়ার্ধটা অবশ্যই নিশান্ত সিন্ধুর। দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরি করে ভারতে বিশ্বসেরার খেতাব এনে দিলেন। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই ইংল্যান্ড শিবিরকে ধাক্কা দেন রবি কুমার। দুরন্ত ইনসুইংয়ে তুলে নেন ওপেনার জ্যাকব বেথেলকে (২)। চতুর্থ ওভারে সবথেকে বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। রবি কুমারের বল ব্যাটের ভেতরের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন টম প্রেস্ট (০)। অধিনায়ক টম প্রেস্টের দিকে তাকিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর চওড়া ব্যাট জিতিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। ১৮ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ইংরেজরা। রবি কুমার, রাজ বাওয়াদের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পাল্টা আক্রমণ হানার চেষ্টা করছিলেন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জর্জ থমাস। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের মধ্যে তিনিই সবথেকে বেশি ধারাবাহিক। পরিবর্ত বোলার হিসেবে বল করতে এসে জর্জ থমাসকে তুলে নেন রাজ বাওয়া। ৩০ বলে ২৭ রান করে তিনি আউট হন। এক ওভার পরেই পররপর ২ বলে উইলিয়াম লাক্সটন (৪) ও জর্জ বেলকে (০) তুলে নেন রাজ। জেমস রেউয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন রেহান আমেদ। সেই রাজ বাওয়াই আবার জুটি ভাঙেন। ফেরান রেহানকে (১০)। এরপর অ্যালেক্স হর্টন (১০) সঙ্গ দেন জেমসকে। জুটিতে ওঠে ৩০। হর্টনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কৌশল তাম্বে। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জেমস রেউ ও জেমস সেলস। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৩ রান। এই জুটিই ইংল্যান্ডে লড়াইয়ে ফেরায়। ৪৪ তম ওভারে বল করতে এসে জুটি ভাঙেন রবি কুমার। তাঁর বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে স্কোয়ার লেগে কৌশল তাম্বের হাতে ক্যাচ দেন জেমস রেউ। ১১৬ বলে ৯৫ রান করেন তিনি। জেমস রেউ যখন আউট হন ইংল্যান্ডের রান তখন ১৮৪। একই ওভারের চতুর্থ বলে থমাস অ্যাস্পিনোয়ালকে (০) তুলে নেন রবি কুমার। জোসুয়া বাইডনকে (১) ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দেন রাজ বাওয়া। ৪৪.৫ ওভারে ১৮৯ রানে শেষ ইংল্যান্ড। রবি কুমার ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন, ৩১ রানে ৫ উইকেট নেন রাজ বাওয়া।ইংল্যান্ডের মতো ভারতেরও শুরুটা ভাল হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ফিরে যান ওপেনার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী (০)। হার্নুর সিং ও শেখ রশিদ দলকে কিছুটা টানেন। হার্নুর (৪৬ বলে ২১) আউট হওয়ার পর ধৈর্যের পরীক্ষায় অবতীর্ণ হন রশিদ। তিনি ও অধিনায়ক যশ ধুল দারুণভাবে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৮৪ বলে ৫০ রান করে নিজের উইকেট উপহার দেন রশিদ। পরপরই আউট হন ধুল। ৩২ বলে ১৭ রান করে আউট হন ধুল। ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপরই মঞ্চে আবির্ভাব রাজ বাওয়া ও নিশান্ত সিন্ধুর। দুজনের ৬৭ রানের পার্টনারশিপ ভারতকে বিশ্বজয়ের দিয়ে এগিয়ে দেয়। ১৬৪ রানের মাথায় রাজ বাওয়া (৫৪ বলে ৩৫) আউট হওয়ার আবার চাপে পড়ে যায় ভারত। চাপ আরও বেড়ে যায় কৌশল তাম্বে (১) দ্রুত ফেরায়। শেষ পর্যন্ত ৫৪ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন নিশান্ত সিন্ধু। ৪৭.৪ ওভারে ১৯৫ রান তুলে বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নেয় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌৫ বার বিশ্বজয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ভারত, কোহলির বার্তায় কতটা উদ্বুদ্ধ যশরা?‌

গত বিশ্বকাপে ফাইনালে উঠেও অল্পের জন্য শেষরক্ষা হয়নি। বাংলাদেশের কাছে ফাইনালে ডাকওয়ার্থলুইস নিয়মে হেরে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন চুরমার হয়ে গিয়েছিল। এবার আবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি ভারতের সামনে। যশ ধুল কি পারবেন মহম্মদ কাইফ, বিরাট কোহলি, উন্মুক্ত চাঁদ, পৃথ্বী শদের কৃতিত্ব স্পর্শ করতে? ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই কাইফ, কোহলিদের সঙ্গে একাসনে বসবেন যশ ধুল। ২০২২র আগে ৭ বার অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল ভারত। ৪ বার চ্যাম্পিয়ন। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ভারতের মতো চমকপ্রদ পারফরমেন্স আর কোনও দলের নেই। এবার সামনে ৫ বার বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি। দেশকে আবার বিশ্বসেরা করার দায়িত্ব যশ ধুল, শেখ রশিদ, ভিকি অস্তোয়াল, রবি কুমারদের সামনে। ইতিমধ্যেই একটা অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করে ফেলেছে ভারতীয় দল। টানা ৩ বার ফাইনালে ওঠা। ভারতের আগে কোনও দল এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ফাইনালে ওঠার পথে একটা ম্যাচও হারেনি ভারত। ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডের পরিসংখ্যানও একই। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই ভারতের মতো দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এসেছে ইংল্যান্ড। ফাইনালে ভারত তাকিয়ে অধিনায়ক যশ ধুল ও সহঅধিনায়ক শেখ রশিদের ব্যাটের দিকে। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ভারতের জয়ের ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন এই দুই ব্যাটার। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ফিরে এসে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছিলেন যশ ও রশিদ। পরে বল হাতে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন ভিকি অস্তোয়াল ও নিশান্ত সিন্ধু। জোরে বোলার রবি কুমার ও রাজ্যবর্ধন হাঙ্গারগেকরও দাপটের সঙ্গে বোলিং করছেন। তবে ফাইনালে নামার আগে ভারতীয় দলকে চিন্তায় রেখেছে দুই ওপেনার হার্নুর সিং ও অঙ্গকৃশ রঘুবংশীর ফর্ম। ফাইনালে ভারতের লড়াই অবশ্য সহজ হবে না। প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডও প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই দারুণ ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এসেছে। ব্যাটিংয়ে বড় ভরসা অধিনায়ক টম প্রেস্ট। বাঁহাতি জোরে বোলার জোসুয়া বাইডেন ১৩ উইকেট নিয়ে চমক দিয়েছেন। রেহান আমেদের স্পিনও ভারতকে সমস্যায় ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে ফাইনালে যে জোরদার লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তবে ফাইনালে আগে যশ ধুলদের বড় প্রাপ্তি বিরাট কোহলির ভিডিও বার্তা। ভিডিও বার্তায় কোহলি নিজের বিশ্বকাপ জেতার অভিজ্ঞতা যেমন শেয়ার করেছেন, তেমনই উদ্বুদ্ধ করেছেন যশ ধুলদের।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

যশ, রশিদদের দাপটে চূর্ণ অস্ট্রেলিয়া, বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত

এভাবেও ফিরে আসা যায়! ভারতকে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন। ২০২২ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রত্যাবর্তনের নায়ক হিসেবে ইতিহাসের খাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে অধিনায়ক যশ ধুল ও সহঅধিনায়ক শেখ রশিদের নাম। এই দুই ব্যাটারের দাপটে অস্ট্রেলিয়াকে ৯৬ রানে উড়িয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। সামনে এবার ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দুই জোরে বোলার টম হুইটনি ও জ্যাক নিসবেটের দাপটে তখন থরহরিকম্প ভারতের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ও হার্নুর সিংয়ের। রান তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছিল এই দুই ব্যাটারের কাছে। শুরু থেকে সতর্ক থাকলেও শেষরক্ষা করতে পারেননি অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। ম্যাচের অষ্টম ওভারে উইলিয়াম স্যালজম্যানের দুরন্ত ডেলিভারিতে অঙ্গকৃশের (৩০ বলে ৬) অফস্টাম্প ছিটকে যাওয়ার পর বাইশ গজে আগমন শেখ রশিদের। ভারতের রান তখন ১৬। হার্নুর সিংও খুব একটা সপ্রতিভ ছিলেন না। জ্যাক নিসবেটের বলে মাত্র ১৬ রান করে সাজঘরের পথে পা বাড়ান হার্নুর।১২.৩ ওভারে ভারতের রান তখন ৩৭। এরপর মঞ্চে আবির্ভাব অধিনায়ক যশ ধুলের। বাকিটা ইতিহাস।WHAT. A. PERFORMANCE! 💪 👌India U19 beat Australia U19 by 9⃣6⃣ runs march into the #U19CWC 2022 Final. 👏 👏 #BoysInBlue #INDvAUSThis is India U19s 4th successive 8th overall appearance in the U19 World Cup finals. 🔝Scorecard ➡️ https://t.co/tpXk8p6Uw6 pic.twitter.com/tapbrYrIMg BCCI (@BCCI) February 2, 2022ক্রিজে নেমে শুরু থেকে সতর্ক ছিলেন রশিদ ও যশ। সময় যত গড়িয়েছে ততই চওড়া হয়েছে ভারতের এই দুই ব্যাটারের ব্যাট। শুরুর দিকে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা হুইটনি ও নিসবেট, স্যালজম্যানদের ক্লাব স্তরে নামিয়ে নিয়ে আসেন রশিদ ও যশ ধুল। স্পিনের বিরুদ্ধে দারুণ স্বপ্রতিভ ছিলেন যশ। ব্যাকফুটে লেট কাটগুলো ছিল দেখার মতো। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৩৩.২ ওভারে যশ ও রশিদ তোলেন ২০৪ রান। এতেই বড় রানের মঞ্চ তৈরি হয়ে যায় ভারতের। দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন যশ ধুল। শেষপর্যন্ত ১১০ বলে ১১০ রান করে দুর্ভগ্যজনকভাবে রান আউট হয়ে ফিরে যান ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন। মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন রশিদ। ১০৮ বলে ৯৪ রান করে তিনি জ্যাক নিসবেটের বলে আউট হন। পরপর ২ বলে দুউইকেট হারালেও ভারতের বড় রানে পৌঁছতে অসুবিধা হয়নি। শেষপর্যন্ত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রান তোলে ভারত।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ওভারেই টিগু উইলিকে (১) তুলে নেন রবি কুমার। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন ক্যাম্পবেল কেলাওয়ে ও কোরে মিলার। কোলে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ভিকি অস্তোয়াল। তবে অস্ট্রেলিয়াকে বড় ধাক্কা দেন নিশান্ত সিন্ধু। অধিনায়ক কুপার কনোলিকে (৩) তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে একেবারে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন। ভিকি ও নিশান্তের দাপটে ভেঙে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডার। ১২৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে ৪১.৫ ওভারে ১৯৪ রানে শেষ। একমাত্র লড়াই করেন লাচলান সাউ (৫১)। ভিকি অস্তোয়াল ৪২ রানে ৩টি, নিশান্ত সিন্ধু ২৫ রানে ২টি এবং রবি কুমার ৩৭ রানে ২টি উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

এক মাসে দু’বার ছাঁটাই! ফের ২৫০ কর্মীর চাকরি গেল অ্যামাজনে, কেন এই সিদ্ধান্ত?

বিশ্বের অন্যতম বড় ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজনে ফের কর্মী ছাঁটাই। এ বার সংস্থার যন্ত্র ও পরিষেবা বিভাগে প্রায় ২৫০ জনের চাকরি গিয়েছে। বুধবার ভোরে কর্মীদের ই-মেল ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। মূলত সফটওয়্যার তৈরির কাজে যুক্ত কর্মীদের উপরেই ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।অ্যামাজনের তরফে জানানো হয়েছে, কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না। তবে সংস্থার কাজকর্ম আরও দক্ষ করে তোলা এবং কর্মী কাঠামোয় সামঞ্জস্য আনার জন্য এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। সংস্থার এক মুখপাত্রের বক্তব্য, সাংগঠনিক কাঠামো পর্যালোচনা করার পর কয়েকটি পদ তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি একের পর এক নতুন পণ্য বাজারে এনেছে অ্যামাজন। নতুন কিন্ডল ই-বুক পাঠকযন্ত্র এবং ট্যাবলেট কম্পিউটার বাজারে আসার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর সামনে এল। বুধবারই অ্যালেক্সা-চালিত নতুন অ্যালার্ম ঘড়ি এবং ছবি দেখানোর ফ্রেম আনার কথাও ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।চলতি মাসের শুরুতেই অ্যামাজনের মূল খুচরো ব্যবসা বিভাগে প্রায় ১,০০০ কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছিল। তার পর ফের ২৫০ জনের চাকরি যাওয়ায় এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটল। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে ১৪ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা জানিয়েছিল সংস্থা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আরও ১৬ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা করা হয়।অন্য দিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়াতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে অ্যামাজন। চলতি বছরে এই খাতে সংস্থার বিনিয়োগ ২২০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এক দিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিপুল বিনিয়োগ, অন্য দিকে দফায় দফায় কর্মী ছাঁটাইঅ্যামাজনের এই দুই পদক্ষেপ ঘিরে প্রযুক্তি শিল্পে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীলের অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা? সরকারি টেন্ডার নিয়ে তদন্তে চাঞ্চল্যকর দাবি

দুর্গাপুজোর পাস বিক্রি নিয়ে বিতর্কের পর এ বার তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সরকারি টেন্ডার নিয়ে প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে নতুন অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, ইন্দ্রনীলের মন্ত্রিত্বকালে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে প্রায় ৫৩ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকার অনুষ্ঠান আয়োজনের কাজের বরাত দেওয়া হয়েছিল জিআইডিআই ক্রিয়েশন নামে একটি সংস্থাকে। অভিযোগ, সংস্থাটির মালিক ছিলেন ইন্দ্রনীলের এক বাল্যবন্ধু। ওই সংস্থার আগে এই ধরনের কাজ করার অভিজ্ঞতার প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও তারা সরকারি মেলা ও উৎসব আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।তদন্তকারীদের দাবি, সরকারি কাজের বরাত পাওয়ার পর জিআইডিআই ক্রিয়েশন সেই কাজের দায়িত্ব থার্ড লাইন ক্রিয়েশন নামে অন্য একটি সংস্থাকে দেয়। বর্তমানে ওই সংস্থাটি বন্ধ বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, জিআইডিআই ক্রিয়েশন থেকে থার্ড লাইন ক্রিয়েশন-এর অ্যাকাউন্টে প্রায় ৫০ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা পাঠানো হয়েছিল। সেই বিপুল অঙ্কের টাকা কোথায় এবং কী ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে আরও অভিযোগ, থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে সরাসরি ইন্দ্রনীল সেনের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। পাশাপাশি, জিআইডিআই ক্রিয়েশন থেকে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে ৬৬ লক্ষ টাকা মাস আর্ট সোসাইটি নামে একটি সংস্থায় জমা রাখা হয়েছিল বলে দাবি। এই সংস্থার সভাপতি ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির অভিযোগেও সংস্থাটির নাম উঠে এসেছিল।ইন্দ্রনীল সেনের মেয়ের সংস্থাগুলির অ্যাকাউন্টেও টাকা স্থানান্তরের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে তাঁর মেয়ের দুটি সংস্থা আইএসকেপ এবং মাইরা-র অ্যাকাউন্টে মোট ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছিল। এই লেনদেনের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের এই টেন্ডারগুলি যখন দেওয়া হয়েছিল, তখন পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি কাজের বরাত দেওয়া, এক সংস্থা থেকে অন্য সংস্থায় বিপুল টাকা পাঠানো এবং সেই টাকা ইন্দ্রনীল সেনের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিতে পৌঁছনোর অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলির সত্যতা তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে। পুরো আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

কালীপুজোর আগে ফানুস ওড়ানোয় কড়াকড়ি! লাইসেন্স ছাড়া ওড়ালেই কি বিপদে পড়বেন?

পুজোর আগে বাজির পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হয় ফানুস। উৎসবের মরসুমে বাড়ির ছাদ থেকে কিংবা রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ফানুস ওড়ান অনেকে। তবে এ বার ফানুস বা এয়ার বেলুন ওড়ানো নিয়ে সতর্ক করলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত। তাঁর বক্তব্য, ফানুস ওড়ানোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে। অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়া ফানুস কিংবা এয়ার বেলুন ওড়ানোর কারণে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতেই এই বিষয়ে নিয়ম মেনে চলার উপর জোর দিয়েছেন তিনি।কালীপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে সম্প্রতি বৈঠক করে পুলিশ ও প্রশাসন। তার পর যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে উৎসবের নিরাপত্তা ও বাজি ব্যবহারের নিয়ম নিয়ে বক্তব্য রাখেন আধিকারিকেরা। নবান্নের সভাঘর থেকে স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ সবুজ বাজি ব্যবহারের উপর জোর দেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ ও বৃদ্ধাশ্রমের মতো নীরব এলাকায় শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। এই সব জায়গার ১০০ মিটারের মধ্যে শব্দবাজি ব্যবহার নিষিদ্ধ। সেখানে নীরবতা বজায় রাখতে হবে।কালীপুজোর আগে বাজির বাজারেও নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। নিষিদ্ধ বাজির বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চলবে। উৎসবের দিনগুলিতেও পুলিশি নজরদারি ও টহলদারি বজায় থাকবে। স্বরাষ্ট্রসচিবের কথায়, নিজের আনন্দ যেন অন্যের দুঃখের কারণ না হয়। প্রশাসনের কড়াকড়ির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতার উপরেও জোর দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, বাজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানুষ সচেতন হলে দুর্ঘটনা ও দূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব।বাজি নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ জানানোর জন্য কন্ট্রোল রুম চালু করার কথাও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব। নিষিদ্ধ বাজি ব্যবহার বা নিয়ম ভাঙার ঘটনা চোখে পড়লে সেখানে অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। কালীপুজোর সময় নীরব এলাকায় যাতে শব্দবাজি না ফাটানো হয়, সে দিকেও নজর রাখবে প্রশাসন।ফানুস ওড়ানো থেকে বাজি ফাটানো, উৎসবের আনন্দে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সকলকে সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে পুলিশ ও প্রশাসন। বিশেষ করে ফানুস বা এয়ার বেলুন ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শব্দবাজি এড়িয়ে সবুজ বাজি ব্যবহারের আবেদন জানানো হয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড় ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবেই কি ভাসবে বাংলা? কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব দুর্বল হয়ে পড়লেও তার প্রভাব এখনও কাটেনি। এই ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাবে বদলেছে বাংলার আবহাওয়া। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘে ঢাকা। শুরু হয়েছে বৃষ্টি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার উপকূলবর্তী ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও বৃষ্টি হতে পারে।মঙ্গলবার থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারও এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকা এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্য জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি হতে পারে।কলকাতা ও আশপাশের এলাকাতেও সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিও হতে পারে। তবে অক্টোবরের শেষ দিন থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ধীরে ধীরে কমতে পারে বৃষ্টির পরিমাণ।দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ উত্তরবঙ্গের উপরের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। তাই পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। অন্য দিকে, সিকিমের উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হয়েছে। কুপুপ গ্রাম ও নাথাং উপত্যকা-সহ একাধিক জায়গায় বরফ পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে বায়ুমণ্ডল পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই প্রভাব পুরোপুরি কেটে গেলে বাংলার তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বাড়তে পারে শীতের আমেজ। তবে এখনই রাজ্যে শীত এসে গিয়েছে, এমনটা বলা যাবে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমবে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আনাগোনা বাড়লে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে রাজ্যে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

"আমার যাওয়ার সময় হল..দাও বিদায়", ইন্দ্রনীলের সঙ্গে মমতাকে গান স্মরণ করালেন শুভেন্দু

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাওয়া গান বেশ ভাইরাল হয়েছিল। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে সেই প্রসঙ্গ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি তীব্র কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নিজের গলায় আমার যাওয়ার সময় হল..দাও বিদায় গান করে মনে করিয়ে দেন। শুভেন্দুর কটাক্ষ, শেষ গানটাও আমরা শুনেছি, দুজন একসঙ্গে ডুয়েট করেছেন-আমার বিদায়ের সময় হলো, দাও বিদায়...আমার যাওয়ার সময় হলো। দুজন মিলেই করেছে, ডুয়েট। এদিন ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার নিয়ে সরাসরি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। ইন্দ্রনীলের বেআইনি কারবারে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থাকতে বলেও মনে করছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, একাতো খায়নি, খাইয়ে খেয়েছে। সিপিএমের সময় যা করতেন তৃণমূলের আমলে একই কাজ করেছেন ইন্দ্রনীল। তবে তৃণমূলের সময় তা আরও বেড়েছে বলে মন্তব্য় করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেছেন, আমরা এখনও দুকামরার ফ্ল্যাটের বেশি থাকার জায়গা পেলাম না। সিঙ্গুরে খামারবাড়ি বানিয়েছে। স্ত্রীর নামে ইভেন্ড ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তথ্য সংস্কৃতি দফতর থেকে। আর্টিস্টদের কাছ থেকেও টাকার কমিশন নিতেন। নন্দীগ্রামের সময় বিরোধিতা করে গানও করেছেন ইন্দ্রনীল সেন, স্মরণ করাতে ভোলেনি শুভেন্দু অধিকারী।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

মেরুদণ্ড বিক্রি করেনি বলেই গ্রেপ্তার হয়েছেন ইন্দ্রনীল! বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়

দুর্গাপুজোর পাস নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। বুধবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দিয়ে বেরোনোর পর তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে চাপানউতোর। ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্য দিকে, দুর্নীতির টাকা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে অভিষেক বলেন, বিজেপির শাসনকালে যাঁরা মেরুদণ্ড না বিকিয়ে লড়াই করছেন, তাঁরাই জেলে যাচ্ছেন। আর যাঁরা চোর, চিটিংবাজ, তাঁরা বিজেপির পতাকা ধরলেই সাত খুন মাফ হয়ে যাচ্ছে। এটাই হচ্ছে মোদীজির নতুন ভারত। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।দুর্গাপুজোর পাস সংক্রান্ত মামলায় বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের মুখোমুখি হতে গিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল। সেখান থেকে বেরোনোর পরেই তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকেরা। ইন্দ্রনীল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী ছিলেন।তদন্তকারীদের অভিযোগ, তাঁর মন্ত্রিত্বের সময়ে দুর্গাপুজোর পাস নিয়ে বিপুল অঙ্কের আর্থিক দুর্নীতি হয়েছিল। সেই দুর্নীতির সঙ্গে ইন্দ্রনীল সরাসরি যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাস আর্ট প্রতারণা মামলার তদন্ত করছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। অন্য দিকে, কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারির পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, দুর্নীতির টাকা মমতার কাছেও পৌঁছেছিল। শুভেন্দু বলেন, আমরা জানতাম, মমতা ও ইন্দ্রনীল দুজনে একে অপরের পরিপূরক ছিলেন। একা খেয়েছেন বলা ভুল হবে। মমতার সঙ্গে একই গাড়িতে ঘুরতেন। গান গাইতেন।শুভেন্দু আরও বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত সকলকেই জেলে যেতে হবে। তাঁর দাবি, রাজ্যে সরকার বদলের পরে ইন্দ্রনীলের মুখে নতুন সরকারের প্রশংসাও শোনা গিয়েছিল। তবে দুর্নীতির অভিযোগে কাউকে আড়াল করা হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি এবং তাঁকে ঘিরে অভিষেক ও শুভেন্দুর মন্তব্যে দুর্গাপুজোর পাস দুর্নীতি মামলা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। তবে দুর্নীতির অভিযোগ এবং তা নিয়ে ওঠা রাজনৈতিক দাবিগুলির সত্যতা তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার, ইউনেস্কো মামলায় তীব্র আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

ইউনেস্কোর নাম ও লোগো ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রবেশপাস বিক্রির অভিযোগে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে গ্রেপ্তার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ইন্দ্রনীল সেন। বুধবার দুপুর একটা নাগাদ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দেন তিনি। তখন থেকেই CGO কমপ্লেক্স ঘিরে ফেলে কলকাতা ও বিধাননগর পুলিশ। দুই কমিশনারেটের আধিকারিককে দেখা যায় সেখানে। বিকেল ৫টা ৬ মিনিট নাগাদ দফতর থেকে বেরোতেই তাঁকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় কলকাতা পুলিশ। তাঁকে লালবাজারে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান কুণাল আগরওয়াল।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তুঙ্গে। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থাগুলি তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই আইনানুগ পদক্ষেপ করেছে। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন একা নন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ইন্দ্রনীল ও মমতার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক চোরেদের জেলে যেতে হবে।তদন্তকারীদের অভিযোগ, মাস আর্ট নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের দুর্গাপুজোর প্রবেশপাস বিক্রির ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর নাম ও লোগো ব্যবহার করা হয়েছিল। পাসের দাম ছিল ১,৮০০ টাকা থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত। এইভাবে বিপুল অর্থ সংগ্রহ হলেও তার হিসাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংস্থাটির সঙ্গে ইন্দ্রনীল ও তাঁর স্ত্রী মধুচ্ছন্দার যোগ থাকার অভিযোগও রয়েছে।বউবাজার থানায় দায়ের হওয়া এফআইআরের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত শুরু করে। পাশাপাশি তদন্তে নামে ইডিও। লালবাজারে তলব এড়ানোর অভিযোগের মধ্যেই আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয় আদালতে। এখন তদন্তকারীদের নজর সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ, লেনদেন এবং তার প্রকৃত ব্যবহার খতিয়ে দেখার দিকে।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

দশকের পর দশক বেহাল রাস্তা, আজও দুর্ভোগ! খাটিয়ায় রোগী নিয়ে হাসপাতালে ছুটলেন গ্রামবাসীরা

গ্রামের যাতায়াতের রাস্তা এতটাই বেহাল যে সেখানে প্রবেশ করতে পারে না কোনও জরুরি পরিষেবার যানবাহন। ফলে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে পৌঁছনোর জন্য ভরসা বলতে গ্রামবাসীদের কাঁধে চাপানো খাটিয়া। সোমবার সকালে এমনই এক অসহায় পরিস্থিতির ছবি সামনে আসতেই তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল মালদার চাঁচল মহকুমার হরিশ্চন্দ্রপুরে। অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ব্লকপাড়া এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় শুইয়ে কাঁধে করে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছেন। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়নি। তবে ঘটনাটি সামনে আসার পরেই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ঘটনার খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে ব্লকপাড়া গ্রামে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত। অন্যদিকে, বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান। প্রশাসন ও বিধায়ক, উভয় পক্ষের তরফেই দ্রুত চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।কয়েক দশকের দুর্ভোগ, সরু আলই এখন যাতায়াতের ভরসাব্লকপাড়ার বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েক দশক আগে এলাকায় মাটির রাস্তা ছিল। কিন্তু গ্রামের একটি বিশাল জলাশয়ের কারণে সেই রাস্তা ক্রমশ কেটে যেতে থাকে। বর্তমানে একসময়ের মাটির রাস্তা কার্যত সরু আলের আকার নিয়েছে। ভাঙাচোরা এই পথ দিয়ে যাতায়াত করাই এখন রীতিমতো দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।গ্রামবাসীদের দাবি, রাস্তা তৈরির প্রতিশ্রুতি তাঁরা আগেও বহুবার পেয়েছেন। বিশেষ করে ভোটের সময় বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি। তাই এবার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাসে কতটা কাজ হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে তাঁদের মনে।হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত জানান, বিষয়টি জানার পর তিনি নিজে এলাকায় গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেছেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে গ্রামবাসীদের জানানো হয়েছে।পেটের যন্ত্রণায় কাতর বৃদ্ধা, শেষ ভরসা খাটিয়াস্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্লকপাড়া এলাকার বাসিন্দা ৬২ বছর বয়সি বেলি ঋষি সোমবার সকাল থেকেই পেটের যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন। পরিবারের লোকজন জলপড়া দিয়েও তাঁর যন্ত্রণা কমাতে পারেননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত আশপাশের বাসিন্দাদের সাহায্য নিয়ে খাটিয়ায় শুইয়ে তাঁকে কাঁধে করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।অসুস্থ বৃদ্ধার প্রতিবেশী সুমিতা মণ্ডল, বি ফল মণ্ডল ও অনিতা দাসদের অভিযোগ, গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাঁদের দাবি, রাস্তার অভাবে অনেক সময় ওঝা-গুনিনদের দ্বারস্থ হতে হয়। গ্রামে প্রায় দুই কিলোমিটার ভাঙাচোরা রাস্তা থাকলেও রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো উপযুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। এদিন বৃদ্ধার পেটের যন্ত্রণা না কমায় বাধ্য হয়েই তাঁকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।রাজনৈতিক তরজার মধ্যেই রাস্তা তৈরির আশ্বাসএই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অজয় পাশোয়ান বলেন, তৎকালীন শাসকদলের উদাসীনতার কারণেই ব্লকপাড়া এলাকার এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে গ্রামের মানুষের দুর্দশার কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার ও প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।অন্যদিকে, হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান অভিযোগের একাংশের বিরোধিতা করে জানান, যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি দেখার পর তিনি ওই এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।সব মিলিয়ে, অসুস্থ বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ঘিরে ব্লকপাড়ার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যাটি ফের সামনে এসেছে। এখন গ্রামবাসীদের নজর প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস বাস্তবে কত দ্রুত কার্যকর হয়, তার দিকেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal