• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Semi Final

খেলার দুনিয়া

আর এক ধাপ ফাইনাল! ওয়াংখেড়েতে ইংল্যান্ডকে হারালেই বিশ্বকাপের স্বপ্নপূরণ ভারতের

আর মাত্র এক ধাপ। বৃহস্পতিবার রাতে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম-এ ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই আরও একবার বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা করে নেবে ভারত। কিন্তু কাজটা সহজ নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড বরাবরই কঠিন প্রতিপক্ষ।দুই দলের সামগ্রিক পরিসংখ্যানে এগিয়ে ভারত। মোট ঊনত্রিশ ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে সতেরোটি, ইংল্যান্ড বারোটি। তবে বিশ্বকাপে লড়াই অনেকটাই সমানে সমানে। পাঁচ ম্যাচের মধ্যে ভারত এগিয়ে তিন-দুই ব্যবধানে। এর মধ্যে দুবার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। দুদলই জিতেছে একটি করে ম্যাচ। আর দুবারই ফল হয়েছে একপেশে।দুই হাজার বাইশ সালের সেমিফাইনাল এখনও ভোলেননি সমর্থকেরা। সেবার ভারতকে দশ উইকেটে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে ভারত তুলেছিল একশো আটষট্টি রান। কিন্তু কোনও উইকেট না হারিয়েই সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ইংল্যান্ড। জস বাটলার করেছিলেন আশি রান, অ্যালেক্স হেলস ছিয়াশি। সেই হার ভারতীয় ক্রিকেটে বড় ধাক্কা দিয়েছিল।অধিনায়ক রোহিত শর্মা বুঝেছিলেন, ব্যাটিং মানসিকতায় বদল আনতেই হবে। এরপর থেকে ভারত আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে শুরু করে। তার ফলও মিলেছে। দুই হাজার চব্বিশ সালের সেমিফাইনালে আবার ইংল্যান্ডকে একপেশেভাবে হারায় ভারত। সেবার ইংল্যান্ড হেরেছিল আটষট্টি রানে।তবে বিশ্বকাপে ভারত-ইংল্যান্ড লড়াইয়ের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত নিঃসন্দেহে যুবরাজ সিং-এর ছয় ছক্কা। দুই হাজার সাত সালে তাঁর সেই বিধ্বংসী ইনিংস দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল ভারত।এবার আবার সেই ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে টিম ইন্ডিয়া। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে টপকাতে পারলে আরও একবার শিরোপার হাতছানি। সমর্থকদের প্রশ্ন, এবার কোন ক্রিকেটার হবেন নায়ক? বৃহস্পতিবার রাতের ম্যাচেই মিলবে তার উত্তর।

মার্চ ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

“কাঁদাবি নাকি পাগল?” সূর্যকে জড়িয়ে সঞ্জুর আবেগঘন মুহূর্ত ভাইরাল, বিশ্বকাপে ইতিহাস ভারতীয় দলের

অপরাজিত ৫০ বলে ৯৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেললেন সঞ্জু স্যামসন। তাঁর ব্যাটের জোরেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ভারতীয় দল। ম্যাচ শেষে আবেগে ভেসে যান সঞ্জু। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে জড়িয়ে ধরে বলতে শোনা যায়, কাঁদাবি নাকি পাগল? সেই মুহূর্ত ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে।দলকে জেতানোর পর ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে টুপি খুলে সঞ্জুকে কুর্নিশ জানান সূর্য। উত্তেজনা আর আবেগে ভরা সেই মুহূর্তে সূর্য বলেন, অনেক কথা বলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। সঞ্জুর ইনিংস যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তা তাঁর প্রতিক্রিয়াতেই স্পষ্ট।একটা সময় দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল সঞ্জুকে ঘিরে। অন্য ব্যাটারের বদলে তাঁকে খেলানো নিয়ে বিতর্কও হয়েছিল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিনিই হয়ে উঠলেন ভরসা। সূর্য বলেন, তিনি সবসময় বিশ্বাস করেন, যারা পরিশ্রম করে তাদেরই সাফল্য আসে। সঞ্জু যখন দলে নিয়মিত ছিলেন না, তখনও কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে গিয়েছেন। ধৈর্যের ফল তিনি পেয়েছেন সঠিক সময়ে।অধিনায়ক আরও জানান, সঞ্জু অনেক উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন। নিজের পছন্দের ব্যাটিং জায়গা হারিয়েছেন, অন্য পজিশনে খেলেছেন, দল থেকেও বাদ পড়েছেন। তবুও লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। সাহসীরাই বড় ম্যাচ জেতায়, সঞ্জু সেটাই করে দেখিয়েছেন। তাঁর পরিবারকেও শুভেচ্ছা জানান সূর্য।ম্যাচ জেতার পর মাঠে বসে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানান সঞ্জু। পরে ড্রেসিংরুমে গিয়ে নিজের ব্যাটে চুম্বন করেন। বোঝা যাচ্ছিল, ইনিংসটি তাঁর কাছে কতটা বিশেষ। তাঁর ব্যাটেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারতের অন্যতম বড় রান তাড়া সফল হল।এই নিয়ে ষষ্ঠবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল ভারত। শেষ চারের লড়াইয়ে ভারতের সামনে ইংল্যান্ড। এখন প্রশ্ন, সঞ্জুর ব্যাট কি আবারও জ্বলে উঠবে সেমিফাইনালের মঞ্চে? ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ এখন সেদিকেই।

মার্চ ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

T-20 ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি ভারত, ইংল্যান্ডকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিল রোহিতরা

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টি টোয়েন্টি ফাইনালে রোহিতদের ভারত। এবার সামনে শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে ফাইনালের লড়াই জোরদোর হবে বলেই মনে করছে অভিজ্ঞমহল। ভারতের ১৭১ রান তাড়া করতে নেমে ৮ বলে ৫ রান করে জসপ্রিত বুমরাহর বলে ফিরে যান ওপেনার ফিল সল্ট। অপর ওপেনার তথা উইকেটকিপার-অধিনায়ক জস বাটলার অক্ষর প্যাটেলের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ধরা পড়েন। বাটলার ১৫ বলে ৪টে চার সহযোগে ২৩ রান করেছেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে বিনা রানে ফিরে যান জনি বেয়ারস্টো। অক্ষর প্যাটেলের বলে মঈন আলিকে স্ট্যাম্পড করেন ঋষভ পন্থ। ৪ বলে ২ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন সাম কুরান। কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন হ্যারি ব্রুক। তার আগে ব্রুক ৩টে চার সহযোগে ১৯ বলে ২৫ রান করেছেন। ৫ বলে ১ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন ক্রিস জর্ডান। ২ বলে ২ রান করা আদিল রশিদকে রান আউট করেন সূর্যকুমার যাদব। তার মধ্যেই চেষ্টা করছিলেন জোফ্রা আর্চার। তিনি ১টি চার ও ২টি ছয়-সহ ১৫ বলে ২১ রান করেন। এই সময় জসপ্রিত বুমরাহর বলে এলবিডব্লিউ হন আর্চার। যার জেরে ১৬.৪ ওভারে ১০ উইকেটে ১০৩ রানে থেমে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস।প্রত্যাশা ছিলই। বিশেষজ্ঞরা বলছিলেন, ভারতের লুকোনো অস্ত্র। তার ওপর গায়ানার স্পিনার সহায়ক পিচ। আর তাতেই কবজির মোচড়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডারে ধস নামিয়ে দিলেন ভারতের স্পিনার কুলদীপ যাদব। ৪ বলে ২ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন সাম কুরান। কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন হ্যারি ব্রুক। তার আগে ব্রুক ৩টে চার সহযোগে ১৯ বলে ২৫ রান করেছেন। ৫ বলে ১ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন ক্রিস জর্ডান। কুলদীপ যাদবের বলেই রান নেওয়ার সময় রান আউট হন লিয়াম লিভিংস্টোন। তিনি ১৬ বলে ১১ রান করেছেন।ইংল্যান্ড ১০ ওভার ১ বলে ছয় উইকেট হারিয়েছে। ৮ বলে ৫ রান করে জসপ্রিত বুমরাহর বলে ফিরে গিয়েছেন ওপেনার ফিল সল্ট। অপর ওপেনার তথা উইকেটকিপার-অধিনায়ক জস বাটলার অক্ষর প্যাটেলের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ধরা পড়েছেন। বাটলার ১৫ বলে ৪টে চার সহযোগে ২৩ রান করেছেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে বিনা রানে ফিরে যান জনি বেয়ারস্টো। অক্ষর প্যাটেলের বলে মঈন আলিকে স্ট্যাম্পড করেন ঋষভ পন্থ। ৪ বলে ২ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন সাম কুরান। কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন হ্যারি ব্রুক। তার আগে ব্রুক ৩টে চার সহযোগে ১৯ বলে ২৫ রান করেছেন। ৫ বলে ১ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে এলবিডব্লিউ হন ক্রিস জর্ডান।২০ ওভারে ৭ উইকেটে ভারত তুলল ১৭১ রান। সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেছেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তিনি ৬টি চার ও ২টি ছয় সহযোগে ওই রান করেন। সহ-অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া করেছেন ১টি চার ও ২টি ছয় সহযোগে ১৩ বলে ২৩ রান। ক্রিস জর্ডানের বলে হার্দিকের ক্যাচ নেন সাম কুরান। হার্দিক আউট হতেই নেমেছিলেন শিবম দুবে। কিন্তু, তিনি প্রথম বলেই বিনা রানে মুখ দেখিয়ে ফিরে যান। জর্ডানের বলে দুবের ক্যাচ নেন জস বাটলার। একটি ছয়-সহ ছয় বলে ১০ রান করে ক্রিস জর্ডানের বলে ফিল সল্টের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান অক্ষর প্যাটেল।

জুন ২৮, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

রোডস-গিবসের দেশের খেলোয়াড়দের ফিল্ডিংয়ের দৈনদশায় "চোকার্স" তকমা এবারেও ঘুচলো না।

১৯৯৯-এর বিশ্বকাপ সুপার সিক্সের লড়াইয়ে, অস্ট্রেলিয়া ২৭২ রান তারা করছিল, তখন ক্যাপ্টেন স্টিভ ওয়াঘ ৫৬ রানে ব্যাট করছিলেন। স্টিভ মিড-উইকেটে হার্শেল গিবসকে একটি সহজ সুযোগ দেন। গিবস ক্যাচটি ধরে সেলিব্রেশন করতে গিয়ে বলটি মাটিতে ফেলে দেন। তার পর স্টিভ ওয়াঘ ১২০ রানে অপরাজিত থেকেম্যাচটি জিতে ফেরেন। জানা যায় স্টিভ ওই ওভার শেষে গিবসে বলেছিলেন তুমি ক্যাচ মাটিতে ফেলনি, বিশ্বকাপ তোমার হাত থেকে পড়ে গেল। স্টিভের এই কথাটি-ই সত্য হয়। অস্ট্রেলিয়া ১৯৯৯ এর বিশ্বকাপ লাভ করে।বড় ম্যাচে চোকার্স তকমা এবারেও গেল না। ২০২৩-র বিশ্বকাপে অনবদ্য শুরু করে সাদামাটা ভাবে বিদায় নেলসন মেন্ডেলার দেশের। ৩ উইকেটে জিতে আমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ভারতের সামনে অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকার ২১১ রান দেখে যতটা সহজে অস্ট্রেলিয়া জিতে যাবে মনে হচ্ছিল ততটাই কঠিন ভাবে জিততে হল অস্ট্রেলিয়াকে। হাঁটুর ওপর বল না ওঠা ইডেনের পিচ সেমিফাইনালের যোগ্য নয় বলে বিশেষজ্ঞরা বলতে শুরু করেছেন। এই নিয়ে পাচবার সেমিফাইনালে উঠে পাঁচ বারই হারতে হল দক্ষিণ আফ্রিকাকে।➡️ From 24/4 in the 12th over➡️ To 212 all outDavid Millers 💯 has given the South Africa bowlers something to defend.Read the live match report📝⬇️#CWC23 #SAvAUS https://t.co/qayvEZNW7J ICC (@ICC) November 16, 2023মেঘলা আকাশ, শিরশিরে হাওয়া থা সত্তেও টসে জিতে কেন প্রথম ব্যাটিং নিলেন তার ব্যখা পাওয়া গেল না। তিন তিনটে পেস বোলার থাকা টিম স্বাভাবিক ভাবেই ওই পরিবেশে টসে জিতে প্রথম বোলিং করবে স্টাই প্রত্যাশিত। মাত্র ২১২ রানে শেষ হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ডেভিড মিলারের অনবদ্য ১০১ রান ও হেনরিক ক্লাসেন ৪৭ রান ইনিংস বাদ দিলে অস্ট্রেলিয়ার বোলিংয়ের সামনে আত্মসমর্পন করল আফ্রিকার সিংহরা।অধিনায়ক বাভুমা শূন্য দিয়ে শুরু, অবসরের ঘোষণা করে বিশ্বকাপ খেলতে এসে কুইন্টন ডিকক সারা প্রতিযোগিতায় দারুণ ফর্মে ব্যার্থ সেমিফাইনালে, করেন মাত্র ৪ রান। ব্যর্থ তিন নম্বরে নামা ভ্যান ডার ডুসেনও, তিনি করেন ৬। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের দাপটে ১১.৫ ওভারে ২৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা।২৪ রানে ৪ উইকেট পরে যাওয়ার পর দলের হাল ধরেন হেনরিখ ক্লাসেন এবং ডেভিড মিলার। পঞ্চম উইকেটের জুটিতে তাঁরা দুজনে যোগ করেন ৯৫ রান। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার সফলতম বোলার মিচেল স্টার্ক, তিনি ৩৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিলেন। হ্যাজলউড -ও খুব ভালো বল করেন, তিনি ১২ রানে ২ উইকেট নিলেন। অস্ট্রেলিয় অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ৫১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেন। ২১ রানে ২ উইকেট নিলেন ট্র্যাভিড হেড।টি২০ ক্রিকেটের আবির্ভাব হওয়ার পর ৫০ ওভারের ম্যাচে ২১৩ রান খুব-ই সামান্য টার্গেট বলেই মনে করা হয়। এই ২১৩ রান তুলতে যঠেষ্ট-ই বেগ পেতে হল অস্ট্রেলিয়াকে। এক সময় ম্যাচ ৫০-৫০ হয়ে গেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা সময় মত ক্যাচ গুলো ধরতে পারলে এই ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতেই পারতো। হল না তার সবচেয়ে বড় কারণ দক্ষিণ আফ্রিকা আজ কমপক্ষে ৪টি সহজ ক্যাচ ছাড়েন, এই পর্যায়ের খেলায় যা অমার্জনীয় অপরাধ।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারবে?‌ জটিল অঙ্কের সামনে এটিকে মোহনবাগান

কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার স্বপ্ন আদৌও পূরণ হবে কিনা, এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে উঠে গিয়েছিল প্রশ্ন। ইমামি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে না জিতলে কার্যত ডুরান্ড থেকে বিদায় হয়ে যেত সবুজমেরুণ শিবিরের। ডার্বি জয় কিছুটা হলেও অক্সিজেন দিয়ে গেছে জুয়ান ফেরান্দোর দলকে। ডার্বি জিতলেও এখন শেষ আটে যাওয়া চূড়ান্ত নয় এটিকে মোহনবাগানের। সামনে রয়েছে নানা জটিল অঙ্ক।এই মুহূর্তে ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ বির লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। সোমবার রাজস্থান ইউনাইটেডকে ৫১ ব্যবধানে উড়িয়ে গ্রুপের প্রথম দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেছে মুম্বই সিটি এফসি। ৩ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৭। গ্রুপে তিনটি দলের সামনে এখনও ৭ পয়েন্টে পৌঁছনো সম্ভব। এই তিনটি দল হল এটিকে মোহনবাগান, রাজস্থান ইউনাইটেড ও ইন্ডিয়ান নেভির। তিন দলেরই পয়েন্ট এই মুহূর্তে ৪ করে। গোল পার্থক্যে অবশ্য বাকি দুই দলের থেকে এগিয়ে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। গ্রুপের অন্য দল ইমামি ইস্টবেঙ্গলের ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ২। তারা রয়েছে পঞ্চম স্থানে। চারটি দলেরই একটি করে ম্যাচ বাকি। বুধবার এটিকে মোহনবাগান খেলবে ভারতীয় নৌ সেনা দলের বিরুদ্ধে। মুম্বই সিটি এফসির খেলা বাকি ইমামি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে। অন্যদিকে রাজস্থান ইউনাইটেড শেষ ম্যাচে খেলবে ভারতীয় নৌ সেনার বিরুদ্ধে। এটিকে মোহনবাগান যদি বুধবার ভারতীয় নৌ সেনার বিরুদ্ধে জেতে, তাহলে ৭ পয়েন্টে শেষ করবে। রাজস্থান ইউনাইটেড যদি নিজেদের শেষ ম্যাচে ভারতীয় নৌ সেনাকে হারায়, তাহলে তারাও ৭ পয়েন্টে শেষ করবে। দুই দলের পয়েন্ট সমান হলে তখন ডুরান্ড কাপের নিয়ম অনুযায়ী মুখোমুখি লড়াইয়ের ফল দেখা হবে। রাজস্থান ইউনাইটেডের কাছে হেরেছিল জুয়ান ফেরান্দোর দল। ফলে বুধবার ভারতীয় নৌ সেনার বিরুদ্ধে জিতলেই হবে না, রাজস্থান ইউনাইটেডভারতীয় নৌ সেনা দলের ম্যাচের ফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। বুধবার ভারতীয় নৌ বাহিনীর সঙ্গে ড্র করলেও কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে জুয়ান ফেরান্দোর দলের সামনে। সেক্ষেত্রে শেষ ম্যাচে ভারতীয় নৌ বাহিনীর কাছে হারতে হবে রাজস্থান ইউনাইটেডকে। এটিকে মোহবাগান ও ভারতীয় নৌ বাহিনীর পয়েন্ট সমান সমান হয়ে যাবে। তখন গোলপার্থক্য দেখা হবে। আর ভারতীয় নৌ বাহিনীর কাছে হারলে শেষ আটের স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে জুয়ান ফেরান্দোর দলের সামনে।

আগস্ট ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে জুয়ান ফেরান্দোর চোখ এখন সেমিফাইনালের দিকে

আইএসএলের শেষের দিকে দুরন্ত ছন্দে এগিয়েছে জামশেদপুর এফসি। এইরকম দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জেতাটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা জানতেন জুয়ান ফেরান্দো। তা সত্ত্বেও স্বপ্ন দেখেছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। দলকে লিগ শীর্ষে তোলার, লিগশিল্ড জেতার। একইসঙ্গে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার। জামশেদপুর এফসির কাছে হেরে কোনও স্বপ্নই পূরণ হয়নি জুয়ান ফেরান্দোর। স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে সবুজমেরুণ কোচের চোখ এখন আইএসএলের সেমিফাইনালের দিকে।২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই জামশেদপুর এফসি ম্যাচ অতীত হয়ে গেছে জুয়ান ফেরান্দোর কাছে। সেমিফাইনালের কথা বলে ফুটবলারদের মোটিভেট করতে শুরু করেছেন সবুজমেরুণ কোচ। লিগ শিল্ড হাতছাড়া হলেও এখনও আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে, ফুটবলারদের এই কথা বলে উদ্বুদ্ধ করতে শুরু করেছেন জুয়ান ফেরান্দো। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে জেতা কঠিন হবে, সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন। ফেরান্দো বলেন, জামশেদপুর এফসির মতো দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জেতাটা সহজ হবে না, জানতাম। ওরা গোল করার পর কাজটা আরও কঠিন হয়ে যায়। ম্যাচে ফেরার জন্য আমরা সবকিছুই করেছিলাম, কিন্তু সফল হতে পারিনি। খুব খারাপ লাগছে। এবার সেমিফাইনাল নিয়ে ভাবতে হবে।চোটের জন্য জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি দলের সেরা আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হুগো বোমাস। তাঁর না থাকাটা যে দলকে সমস্যায় ফেলেছে, মানতে নারাজ এটিকে মোহনবাগান কোচ। জুয়ান ফেরান্দো বলেন, কোনও একজন ফুটবলার ছিল না বলে অজুহাত দিতে চাই না। ফুটবলাররা সবরকম চেষ্টা করেছে। ওদের বক্সের সামনে প্রচুর পাস খেলেছি। একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ওদের রক্ষণভাগের দৃড়তার জন্য আমরা গোল পাইনি। সেমিফাইনালে সামনে লিগের দ্বিতীয় স্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসি। দারুণ লড়াই হবে, জানিয়েছেন জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর কথায়, সেমিফাইনালে যতগুলো দল উঠেছে, সবাই যোগ্য দল হিসেবে উঠে এসেছে। চাপ তো থাকবেই। তবে হায়দরাবাদের মতো ভাল দলের বিরুদ্ধে খেলাটাও ভাল অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয় নক আউট পর্বে প্রতিটা ম্যাচই ভাল হবে। প্রত্যেক দলই জেতার চেষ্টা করবে। তবে মনে হয়, ২০টা ম্যাচ হয়ে যাওয়ার পরে এ বার শেষ তিনটি ম্যাচ সবাই উপভোগ করার চেষ্টা করবে।

মার্চ ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India Hockey : ‌বেলজিয়ামের কাছে হেরে সোনার স্বপ্ন শেষ মনপ্রীতদের

২ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। তাতেও শেষরক্ষা হল না। বেলজিয়ামের কাছে ৫২ ব্যবধানে হেরে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল মনপ্রীতদের। হ্যাটট্রিক করে বেলজিয়ামের জয়ের নায়ক আলেক্সজান্ডার হেনড্রিকস। সেমিফাইনালে হারলেও পদক জয়ের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে ভারতের। ব্রোঞ্জ জয়ের লড়াইয়ে নামতে হবে। ম্যাচের ২ মিনিটেই এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। পেনাল্টি কর্ণার থেকে দুর্দান্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লয়িক লুপার্ট। পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে খেলায় ফিরে আসে। প্রথম ৫ মিনিট বেলজিয়ামের আধিপত্য থাকলেও আস্তে আস্তে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাত নিয়ে নেয় ভারত। ৭ মিনিটে পরপর দুটি পেনল্টি কর্ণার আদায় করে। দ্বিতীয় পেনাল্টি কর্ণার থেকে সমতা ফেরান হরমনপ্রীত সিং। প্রতিযোগতিতায় এটা তাঁর পঞ্চম গোল। পরের মিনিটেই আবার গোল। ডানদিক থেকে দুর্দান্ত পাস বাড়ান অমিত রোহিদাস। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসে ভারতকে এগিয়ে দেন মনদীপ সিং। প্রথম কোয়ার্টারে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ভারত।আরও পড়ুনঃ স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারেরদ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরু থেকেই সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়াম। ১৭ মিনিটে পরপর তিনটি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। কিন্তু অমিত রোহিদাস দুর্দান্তভাবে ব্লক করায় গোল পায়নি বেলজিয়াম। ২ মিনিট পরেই অবশ্য পেনাল্টি কর্ণার থেকে সমতা ফেরান আলেক্সজান্ডার হেনড্রিকস। ২৪ মিনিটে ভারতকে এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি দিলপ্রীত সিং। ২৯ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকেও গোল করতে ব্যর্থ হয় ভারত।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুতৃতীয় কোয়ার্টারে ম্যাচের গতি কিছুটা কম ছিল। আসলে ভারতের তারুণ্যের সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে খেলার গতি কমিয়ে দিয়েছিল রেড লায়ন্সরা। লক্ষ্য ছিল প্রতি আক্রমণে উঠে এসে গোল তুলে নেওয়া। কিন্তু ভারতীয় ডিফেন্সে রুপিন্দার, অমিতরা সে সুযোগ দেননি। ৩৯ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েছিল ভারত। হরমনপ্রীতের শট আটকে দেন বেলজিয়ামের ডিফেন্ডাররা। এদিন স্কুপ বল দারুণ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ব্যবহার করছিলেন মনপ্রীতরা। কিন্তু বেলজিয়াম ডিফেন্স অনেক বেশি সংগঠিত থাকায় সুযোগ কাজে লাগাতে পারছিল না।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াচতুর্থ কোয়ার্টারের জ্বলে ওঠেন আলেক্সজান্ডার হেনড্রিকসরা। ৪৯ মিনিটে পরপর তিনটি পেনাল্টি কর্ণার পায় বেলজিয়াম। পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে দলকে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন আলেক্সজান্ডার হেনড্রিকস। এইসময় গ্রিন কার্ড দেখে ২ মিনিটের জন্য মাঠের বাইরে যেতে হয়েছিল ভারতীয় অধিনায়ক মনপ্রীত সিংকে। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি পায় বেলজিয়াম। পেনাল্টি থেকে গোল করে দলের ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত করেন হেনড্রিকস। প্রতিআক্রমণ থেকে উঠে এসে দলের হয়ে শেষ গোল করেন ডোহমেন।

আগস্ট ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Hockey : ‌মনপ্রীতরা কি পারবেন ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটাতে?‌

মঙ্গলবার টোকিও অলিম্পিকে বেলজিয়ামকে হারাতে পারলেই ঘটবে ৪১ বছরের শাপমুক্তি। ভারতীয় পুরুষ হকি দলের সামনে খুলে যাবে পদকের দরজা। হারলেও পদকের সম্ভাবনা থাকতে। সেক্ষেত্রে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামতে হবে মনপ্রীতদের। ভারত কি পারবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বেলজিয়ামকে হারিয়ে টোকি অলিম্পিকের ফাইনালে পৌঁছতে? সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী মনপ্রীতরা।২০১৬ রিও অলিম্পিকে এই বেলজিয়ামের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। মনপ্রীতদের সামনে এবার প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। মনপ্রীতদের কাছে কাজটা কঠিন হলেও একেবারে অসম্ভব নয়। মহিলাদের হকিতে রানি রামপালরা বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রমান করে দিয়েছে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। রানি রামপালদের সাফল্য তাগিদ বাড়িয়ে দিয়েছে মনপ্রীতদের। বিশ্বের ১ নম্বর দল হলেও বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ভারতের আশার আলো সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান। রেড লায়ন্সদের বিরুদ্ধে শেষ ৫ ম্যাচে ৪টিতে জয় মনপ্রীতদের। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে এই বেলজিয়ামের কাছেই হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। অতীত মাথায় রাখছেন না মনপ্রীতরা। আগের ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় শিবিরের। গ্রুপ লিগের ম্যাচের কথা ভুলে কোয়ার্টার ফাইনালে নতুনভাবে শুরু করেছিলেন মনপ্রীতরা। আগের ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে দারুণ জয় তুলে নিলেও বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে বারবার সতীর্থদের সতর্ক করে দিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। সতীর্থদের বলেছেন, আমাদের কাজ এখনও শেষ হয়নি। এখনও দুটো ম্যাচ বাকি। মাটিতে পা রেখে বেলজিয়াম ম্যাচে ফোকাস করতে হবে। বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মনপ্রীত। তাঁর কথায়, গত দেড়দুবছর ধরে অস্ট্রেলিয়া ও বেলজিয়াম বিশ্বের ১ নম্বর জায়গা ধেরে রেখেছে। সুতরাং বেলজিয়াম যথেষ্ট কঠিন প্রতিপক্ষ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ওদের বিরুদ্ধে জিততে গেলে আমাদের দক্ষতার শীর্ষে উঠতে হবে। কোয়ার্টার ফাইনালে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে হলুদ কার্ড দেখে মাঠের বাইরে যেতে হয়েছিল অধিনায়ক মনপ্রীতকে। বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কোচ গ্রাহাম রিড খেলোয়াড়দের সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বেলজিয়ামের মতো দলের বিরুদ্ধে পুরো ম্যাচ ১১ জন মাঠে থাকা জরুরি। আবেগ নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। কার্ড দেখা চলবে না।

আগস্ট ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic: সেমিফাইনালেও পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে পিভি সিন্ধুর

টোকিও অলিম্পিকের সেমিফাইনালে বিশ্বের এক নম্বর তারকা চাইনিজ তাইপের তাই জু-র কাছে হেরে গেলেন ভারতের পিভি সিন্ধু। সেমিফাইনালে হারলেও পদক জয়ের সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যাচ্ছে না সিন্ধুর। রবিবার ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে চিনের হি বিংজিয়াওর মুখোমুখি হবেন ভারতের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শাটলার।সেমিফাইনালে চাইনিজ তাইপের তাই জু-র বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও প্রথম গেম হারেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে সিন্ধুকে দাঁড়াতে দেননি তাই জু। স্ট্রেট গেমে ম্যাচ হারেন হায়দরাবাদি শাটলার। সিন্ধুর বিরুদ্ধে চাইনিজ তাইপের ২৭ বছর বয়সী তাই জু জিতেছেন ২১-১৮, ২১-১২ পয়েন্টের ব্যবধানে। এর ফলে টোকিও অলিম্পিকে সিন্ধুর রুপো বা সোনা জয়ের স্বপ্নে ইতি ঘটেছে। যদিও ব্রোঞ্জ জয়ের সম্ভবনা রয়েছে।ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্তভাবেই করেন পিভি সিন্ধু। প্রথম গেমে চাইনিজ তাইপেই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পয়েন্টের ব্যবধান বাড়িয়েও নিয়েছিলেন ভারতীয় শাটলার। একটা সময় ৯-৬ এবং ১১-৮ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন পিভি। অভিজ্ঞতায় ভর করে সেখান থেকেই ম্যাচে ফিরতে শুরু করেন তাই জু। ১৪-১৪ হয়ে যাওয়ার পর প্রথম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। কখনও ভারতীয় শাটলার এগোচ্ছিলেন তো কখনও টেক্কা দিচ্ছিলেন বিশ্বের এক নম্বর শাটলার। ১৮-১৮ হওয়ার পর গেমে সিন্ধুকে আর ফিরতে দেননি তাই জু-ইং। ২১-১৮ ব্যবধানে তিনি প্রথম গেম জেতেন।দ্বিতীয় গেমে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন তাই জু। কোর্টের নানা প্রান্তে ছোট ছোট চকিত শট খেলে পিভি সিন্ধুকে নাজেহাল করতে থাকেন চাইনিজ তাইপেইয়ের শাটলার। মাঝে বেশ কয়েকবার রণনীতি পরিবর্তন করেন ভারতীয় তারকা। তাই জু-ইংয়ের ছন্দ কাটতে আক্রমণাত্মক ঢঙে খেলা শুরু করেন পিভি। কিন্তু সব কিছুরই জবাব ছিল চাইনিজ তাইপেই শাটলারের কাছে। দ্বিতীয় গেমে একটা সময় ৪-৫ পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন সিন্ধু। এরপর ৪-৭, ৫-৭ থেকে ৭-১১ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েন ভারতের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। একটা সময় সিন্ধুর থেকে ১৬-৯ পয়েন্টে এগিয়ে যান চাইনিজ তাইপেইয়ের শাটলার। সেখান থেকে কোনও মতে আরও তিন পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হন পিভি। সবশেষে ২১-১২ পয়েন্টের ব্যবধানে সেমিফাইনাল জিতে যান বিশ্বের এক নম্বর শাটলার। সেমিফাইনালে জাজমেন্টে অনেক ভুল করেন পিভি সিন্ধু। আবার নিজের দুর্দান্ত অনুমান ক্ষমতা প্রয়োগ করে সিন্ধু মারা শটের আনফোর্সড এরর থেকেও পয়েন্ট অর্জন করেন তাই জু। সেমিফাইনাল হেরে গেলেও পিভি টোকিও অলিম্পিকে পিভি সিন্ধুর লড়াইয় মুগ্ধ করেছে দেশের ক্রীড়া জগতকে।

জুলাই ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Copa America 2021: মেসি জাদুতে আচ্ছন্ন কোপা, শেষচারে আর্জেন্টিনা

মেসি ম্যাজিকে বিভ্রান্ত ইকুয়েডর। তিনি নিজে গোল করলেন গোল করালেন। এই মেসিময় ম্যাচে ইকুয়েডরকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে কলম্বিয়ার মুখোমুখি। ফ্রিকিক থেকে নিজে গোল করলেন এবং দুটো গোলের আনবদ্য পাস বাড়িয়ে আজকের নায়ক সেই লিয়োনেল মেসি। ম্যাচের শুরু থেকেই মেসি ইকুয়েডরের রক্ষণ ভাগে কাঁপুনি ধরিয়ে দেন। প্রথমার্ধে খেলার ২৩ মিনিটে ইকুয়েডরের রক্ষণভাগের ভুল ব্যাকপাস চলে আসে মেসির পায়ে। মেসির ১০মিটারের উইথ দা বল স্প্রিন্ট রক্ষণভাগের নাগাল এড়িয়ে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে সাবাইকে হতাশ করে বারে মারেন। প্রতি আক্রমণে উঠে আসে ইকুয়েডর, মেন্ডেজের গোল লক্ষ্য করা জোরালো শট অসামান্য দক্ষতায় বাঁচিয়ে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক মার্টিনেজ। 🛩️ DOS SEMIFINALISTAS MS!🇨🇴 @FCFSeleccionCol y @Argentina triunfaron en sus duelos de cuartos de final y completaron el cuadro de semifinales de la CONMEBOL #CopaAmrica 2021 🏆🗒️https://t.co/fpEArh86AS#VibraElContinente pic.twitter.com/1C77y1otgw Copa Amrica (@CopaAmerica) July 4, 2021এরপর আক্রমণ প্রতি-আক্রমণে জমে ওঠে খেলা। সব আক্রমণ-ই গোলের কাছে এসে থেমে যাচ্ছিল। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে বিরতি যত এগিয়ে আসে দুই দল-ই সেফ খেলতে শুরু করে, দ্বিতীয়ার্ধে পুর্ণ উদ্দমে শুরু করার জন্য। ঠিক এই রকম মুহুর্তে খেলার ৪০মিনিটে মেসির রক্ষণ চেরা পাস গঞ্জালেসের উদ্দেশে। গোলকিপার গালিন্দেজ বড় বক্সের ওপর উঠে এসে গঞ্জালেসকে ট্যাকেল করেন। বল আবার মেসির পায়ে। আবার তাঁর বাঁ পা ঝলসে ওঠে। ডান দিক থেকে উঠে আসা ডি পলকে উদ্দেশ্য করে গোলের ঠিকানা লেখা পাস দেন। গঞ্জালেসকে ট্যাকেল করে গোলকিপার গালিন্দেজ গোলে ফিরে না আসতে পারায় অরক্ষিত গোলে বল পাঠাতে বিন্দু মাত্র ভুল করেননি ডি-পল। বিরতি তে ১-০ এগিয়ে যায় মেসির আর্জেন্টিনা। #CopaAmrica 🏆El palo, el nico que pudo detener a Lionel Messi 🇦🇷🇦🇷 Argentina 🆚 Ecuador 🇪🇨#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/DyWqrHpTCf Copa Amrica (@CopaAmerica) July 4, 2021দ্বিতীয়ার্ধে ইকুইয়েডর খেলায় ফিরে আসে। বার বার তাঁদের আক্রমণের ঝড় আর্জেন্টিনার রক্ষণে প্রতিহত হয়ে ফিরে আসছিল। গোলের দরজা খুলতে ব্যার্থ হচ্ছিল। ইকুয়েডরের মত গুরুত্বপূর্ণ খেলায় আগুয়েরো, দি মারিয়া ও অ্যাঞ্জেল কোরিয়াদের মত তিন জন প্রথম একাদশের খেলোয়ারকে প্রথম একাদশে নামাননি আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি। দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডরের আক্রমণের রাশ টানতে খেলার ৭০ মিনিটে দি মারিয়া এবং রডরিগেজকে পরিবর্ত খেলোয়াড় হিসাবে নামান আর্জেন্টিনার কোচ। এই পরিবর্তন খেলার অভিমুখ পাল্টে যেতে থাকে। আর্জেন্টিনার আক্রমণে কার্যত দিশেহারা হয়ে পরে ইকুয়েডর।#CopaAmrica 🏆Otro pase de Messi! El 10 dej libre a Lautaro Martnez para el 2-0 de @Argentina sobre @LaTri🇦🇷 Argentina 🆚 Ecuador 🇪🇨#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/y16BIbaIqL Copa Amrica (@CopaAmerica) July 4, 2021মেসি-মারিয়া আক্রমণে নাজেহাল অবস্থা ইকুয়েডর রক্ষণভাগের। গোলরক্ষক সহ ১১ জন মিলে রক্ষণে নেমে এসে আক্রমণের ঢেউ সামলাতে হিমশিম। এই চাপের মুখেই ভুল করে বসেন ইকুয়েডরের গোলরক্ষক। ৮৩মিনিটে তাঁর বাড়ানো বল ঠিক ভাবে রক্ষণভাগের খেলোয়াড়ের কাছে পৌছানোর আগেই বাজপাখির মত বল ছিনিয়ে নেন মেসি-মারিয়া। বল দখল নিয়েই বাঁ-পায়ের আউটস্টেপে ছোট্টো টোকা, বল চলে যায় মার্টিনেজের কাছে। গোলরক্ষক এগিয়ে এসেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। বল জড়িয়ে যায় জালে। ২-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা জয়ের ব্যাপারে অনেকটা নিশ্চিন্ত হল। #CopaAmrica 🏆Bombazo! Lionel Messi la clav de tiro libre para el 3-0 final de @Argentina sobre @LaTri🇦🇷 Argentina 🆚 Ecuador 🇪🇨#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/FcvQrHuRka Copa Amrica (@CopaAmerica) July 4, 2021ডি মারিয়া এবং মেসির জাদুতে এক মোহময় পরিবেশ হয়ে উঠেছিল এস্তাদিও ন্যাসিওনাল ডি ব্রাসলিয়া মান গ্যারিঞ্চা স্টেডিয়াম। গ্যারিঞ্চা নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের প্রবাদপ্রতিম ফুটবলার গ্যারিঞ্চা-পেলের যুগলবন্দীর কথা মনে পড়াচ্ছিল। নভিশ্বাষ উঠে যাওয়া ইকুয়েডর ভুল করে বসলেন। নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত করে ৯২ মিনিটে বক্সের মাথায় ডি মারিয়ার গোলমুখি আক্রমণ সামলাতে না পেরে ভুলভাবে ধাক্কা দিয়ে ফাউল করে বসেন হিনক্যাপি। লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। বাঁ পায়ের ইন-স্টেপ দিয়ে নেওয়া ফ্রী-কিক বাঁক খেয়ে গোলরক্ষকের নাগাল এড়িয়ে জালে বল জালে।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুলাই ০৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal