• ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SP

রাজ্য

আরজি করের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন

প্রকাশ্যে এলো আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গলা টিপে, নাক-মুখ চিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, নিহতের শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। নিহতের মাথা, গাল, ঠোঁট, নাক, ডান চোয়াল, চিবুক, গলা, বাঁ হাত, বাঁ কাঁধ, বাঁ হাঁটু, গোড়ালি এবং যৌনাঙ্গে ক্ষতচিহ্নের প্রমাণ মিলেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, নিহত চিকিৎসকের ফুসফুসে রক্ত জমাট (হেমারেজ) বেঁধেছিল এবং শুধু তাই নয়, শরীরের আরও বিভিন্ন অংশেও রক্ত জমাট বেঁধে ছিল। নিহত চিকিৎসকের যৌন হেনস্থার প্রমাণ মিলেছে ওই ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, নির্যাতিতা চিকিৎসকের শরীরের বাইরে অংশে ১৬টি এবং শরীরের অভ্যন্তরে ৮টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলছে, আঘাতগুলো অ্যান্টি মর্টেম অর্থাৎ মৃত্যুর আগেই করা হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, এই মৃত্যুর ধরন হল খুন। তবে বারবার অভিযোগ উঠেছে, নির্যাতিতার হাড় ভেঙে গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াও সেই অভিযোগে তোলপাড় হয়েছিল। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নির্যাতিতার শরীরে হাড় ভাঙার কোনও উল্লেখ পাওয়া যায়নি। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে ওই পড়ুয়া চিকিৎসক খুন হন। তার পর থেকেই ন্যায় বিচার-এর দাবিতে তোলপাড় সারা রাজ্য। এরাজ্য তো বটেই ভিনরাজ্য এমনকী ভিনদেশ থেকেও নির্যাতিতার হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবি উঠেছে। প্রথমে তরুণী চিকিৎসক খুনের মামলার তদন্ত করছিল কলকাতা পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার হাতে পেয়েছে সিবিআই। তারই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই মামলা হাতে নিয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৪
রাজ্য

রাতে মহিলা নিরাপত্তায় বিশেষ জোর রাজ্য সরকারের, চালু হচ্ছে বিশেষ অ্যাপ

আরজি কর কাণ্ডের পর অবশেষে টনক নড়ল রাজ্য সরকারের। মহিলা নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে সরকারের তরফে। বিশেষ এই কর্মসূচীর নাম দেওয়া হয়েছে রাত্তিরের সাথী। এর সঙ্গে মহিলাদের নাইট শিফটের সুরক্ষায় বিশেষ অ্যাপ চালু করার ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। রাতের সাথী নামে অ্যাপের মাধ্যমে মহিলাদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে বলেই দাবি সরকারের। পাশাপাশি হাসপাতালগুলিকে সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আজকের এই বৈঠকে।আরজি কর কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিপ্তে আজই ভার্চুয়ালি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে এক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । বৈঠকে হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজগুলিতে রাতের নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দোপাধ্যায়।তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাতের নিরাপত্তার ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য প্রতিটি হাসপাতাল-মেডিক্যাক কলেজে মহিলাদের জন্য আলাদা রেস্ট রুম, টয়লেটের ব্যবস্থা করা হবে। মহিলা বান্ধব সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের ক্ষেত্রেও সরকারের তরফে বাড়তি নজর দেওয়া হবে। সেফ জোন, সিসিটিভি মনিটারিংয়ের মাধ্যমে চলবে ২৪ ঘন্টার বিশেষ নজরদারি চলবে। মোবাইল অ্যাপ রাতের সাথী সকল কর্মরত মহিলাদের ডাউলোড করতে হবে যেটা স্থানীয় থানার সঙ্গে যুক্ত থাকবে। বিশেষ প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমে হেল্প লাইনে ফোন করেও অভিযোগ জানাতে পারবেন মহিলারা।যৌন নির্যাতন রুখতে আরও কড়া রাজ্য সরকার। এই সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রতিটি হাসপাতাল-মেডিক্যাল কলেজে বিশেষ কমিটি গঠন করা বাধ্যতামূলক। যারা এখনও তা করেননি তাদের অবিলম্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও সরকারের জারি করা প্রোটোকল মেনে চলতে হবে।রাতে মহিলারা যাতে টিমের সঙ্গে কাজের সুযোগ পান তার জন্যও সরকারের তরফে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর সঙ্গে রাতের পুলিশি পেট্রলিং বাড়ানো প্রতি ফ্লোরে, পানীয় জলের সুব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। প্রত্যেক হাসপাতাল-মেডিক্যাল কলেজগুলিকে কর্মীদের সচিত্র পরিচয় পত্র গলায় ঝুলিয়ে হাসপাতাল চত্ত্বরে প্রবেশের জন্য বলা হয়েছে। ১২ ঘন্টার বেশি কোন পরিস্থিতিতে মহিলা ডাক্তারদের ডিউটি যাতে না দেওয়া হয় তার জন্য হাসপাতালগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্ভব হলে মহিলাদের রাতের ডিউটি না দেওয়ায় জোর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগে সমানুপাতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

আগস্ট ১৭, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর মেডিক্যালে ভাংচুর নিয়ে এবার তলব মীনাক্ষীসহ সিপিএমের ৭ ছাত্র-যুব নেতা

আরজি কর হাসপাতালে ভাংচুরের ঘটনায় এবার তলব করা হল ডিওয়াইএফআই নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ সাত জনকে। তলব করল লালবাজারের গুণ্ডা দমন শাখা। যে সাত জনকে তলব করা হয়েছে তাদের আজ ও আগামীকাল হাজিরার জন্য বলা হয়েছে।উল্লেখ্য আরজি কর হাসপাতালে ভাংচুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই মোট ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাংচুরের দিন আরজি করের মূল গেটের উল্টোদিকে একটি মঞ্চ পাতা হয়েছিল। ভাংচুরের ঘটনায় সময় সেখানে এসএফআই ও ডিওয়াইএফআইয়ের কর্মী সমর্থকরা ছিল বলে দাবি লালবাজারের।জানা গিয়েছে, পুলিশ আধিকারিকরা বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মূলত জানতে চাওয়া হতে পারে, যারা তান্ডব চালিয়েছেন তাদের সঙ্গে DYFI-SFI-র কর্মী-সমর্থকরা কোনওভাবে জড়িত কিনা। পাশাপাশি জানতে চাওয়া হতে পারে যদি হামলাকারীদের সঙ্গে তাদের কোন যোজসাজশ না থাকে তাহলে কেন হাতে DYFI-র পতাকা নিয়ে তাদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছিল?আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক খুন কাণ্ডে উত্তাল সারা বাংলা। ইতিমধ্যেই মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI। গতকাল টানা প্রশ্নবাণের পর আজ সকালে ফের তাঁকে ডেকে পাঠায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। শনিবার সকালে অ্যাপ ক্যাবে চেপে সিজিও কমপ্লেক্সের দফতরে পৌঁছোন সন্দীপ ঘোষ। এখনও চলছে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ।

আগস্ট ১৭, ২০২৪
রাজ্য

বাংলায় রাত দখল মহিলাদের, চিকিৎসক খুনের দোষীদের শাস্তি, নিরাপত্তা চাই-ই-চাই

রাতের দখল নিতে শুরু করল বাংলার নারীরা। মেয়েরা রাত দখল করো, ডাকে সারা দিয়েছে এই রাজ্যের নানা প্রান্তের লক্ষ লক্ষ মানুষ। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন মহিলরা। স্বাধীনতা দিবসের মধ্যরাতে রাত দখলে পথে নেমে মেয়েরা। রাজ্যে কয়কশো স্থানে চলছে প্রতিবাদ কর্মসূচি। আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে তোলপাড় সারা রাজ্য। এরই মধ্যে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে। ডাক্তারি পড়ুয়ারা প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। এবার রাস্তায় নেমেছে মেয়েরা। কলকাতার কলেজস্ট্রিট, অ্যাকাডেমি এও যাদবপুর এইটবি বাসস্ট্যান্ডে প্রথমে কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। তারপর ক্রমশ রাজ্যব্যাপী জনতা এই কর্মসূচিকে আপন করে নিয়েছে। রাতের দখল নিচ্ছে মহিলারা। ১৪ অগাস্ট রাজ্যে কন্যাশ্রী দিবস। এদিন আবার দেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রাক মুহূর্ত। তারপরে বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীবার। এসব কারণেই যে এদিন মেয়েরা রাত দখলের ডাক দিয়েছে এমন নয়। কিন্তু এদিন রাস্তায় মহিলাদের ভিড় যে রাত দখলের ডাককে সফল করেছে তা নিয়ে সন্দেহ নেই। কলকাতা মহানগরী থেকে কোচবিহার, পথে নারীরা প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে। না এদিন কোনও রাজনৈতিক ব্যানার পথে নামেনি। সাধারণ মহিলারা মানুষই রাস্তায় নেমেছে নিরাপত্তার দাবিতে।

আগস্ট ১৪, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন মমতা, তুলনা টানলেন বাংলাদেশের সঙ্গে

আরজি কর কাণ্ডের লাগাতার আন্দোলন নিয়ে এবার বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা টেনে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মমতার বক্তব্য, কেউ কেউ বাংলাদেশের শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে চলা আন্দোলনের তুলনা টানতে শুরু করেছেন। একাধিক বিরোধী দলের নেতারা যখন বাংলাদেশের আদলে স্লোগান বানাতে শুরু করেছেন, একই ধরণের প্রচার যখন সংবাদমাধ্যমেও চলছে৷ বুধবার বেহালায় স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেওয়া বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অনেকে ভাবছেন, বাংলাদেশের মতো এখানেও সরকার ফেলে দেবে। আমি ক্ষমতার মায়া করি না।এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাম জমানার একাধিক ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ আন্দোলন নিয়ে বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন। মমতা বলেন, আরজি করের ঘটনা নিয়ে সিপিএম এবং বিজেপি রাজনীতি করছে। বাংলাদেশে একটা ঘটনা ঘটে গিয়েছে। অনেকে ভাবছেন, বাংলাদেশের ঘটনা টেনে এনে এখানেও ক্ষমতা দখল করবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, আমি ক্ষমতার মায়া করি না। যত দিন বাঁচব, মানুষকে ন্যায়বিচার এনে দেব। এই ঘটনা জানার পরেও আমি পুলিশকে দিয়ে অনেক কাজ করিয়েছিলাম। কিন্তু ওঁরা হাইকোর্টে গেলেন। মঙ্গলবার হাইকোর্ট আরজি করের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা অধিকাংশই ছাত্রছাত্রী নন। রাজনৈতিক দল এটা পরিকল্পিত ভাবে করছে। ভাবছে মমতাকে ক্ষমতা থেকে সরাবে। ওরা জানে না, মমতার সরতে আসলে এক সেকেন্ড লাগে। ঠিক যে ভাবে আমি রেল থেকে সরে এসেছিলাম। অন্যায়ের কাছে আমি মাথা নত করি না, করব না। দরকার হলে মানুষের কাছে মাথা নত করব, কিন্তু কোনও রাজনৈতিক দলের কাছে নয়।সম্প্রতি, বাংলাদেশে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে সামিল হয়ে যায় আমজনতা। শেষমেশ অবতীর্ণ হয় তামাম হাসিনা বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর গদি ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা।

আগস্ট ১৪, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের খুনীদের গ্রেফতারের দাবিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যজুড়ে চিকিৎসা ধর্মঘট

আরজি কর কাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের প্রতিবাদে সারা বাংলায় চিকিৎসা ধর্মঘটের ডাক দিল জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অব ডক্টর্স। আগামিকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের ওপিডি বন্ধ থাকবে। শুধু ইমার্জেন্সি বিভাগ খোলা থাকবে। এমনকী বক্তিগত চেম্বার বন্ধ রাখারও আবেদন জানিয়েছে এই সংগঠন। এদিন এনআরএস মেডিক্য়াল কলেজ প্রাঙ্গনে নাগরিক কনভেনশনের আয়োজন করেছিল চিকিৎসকদের এই সংগঠন। জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অব ডক্টর্স সংগঠনের নেতা ড. মানস গুমটা বলেন, আমাদারে দাবি ধর্ষক ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। সিবিআই তদন্তের আগে আরজি করের চেষ্ট বিভাগে মেরামতের নামে প্রমান লোপাটের চেষ্টার প্রতিবাদ করছে আমাদের এই সংগঠন। সন্দীপ ঘোষসহ সমস্ত সন্দেহভাজনকে অবিলম্বে হেফাজতে নিয়ে দ্রুত তদন্ত করতে হবে। পাশাপাশি রাজ্যের সমস্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। আরজি করে নিহত তরুণী চিকিৎসকের খুনীদের গ্রেফতারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে এই হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা। পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালের চিকিৎসকরাও এই আন্দোলনে সামিল হয়েছে। এদিন বুদ্ধিজীবীদের একটি দল ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ও দোষীদের শাস্তির দাবি তুলে মিছিল করে আরজি করে মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে যায়। রাজনৈতিক দলগুলি চিকিৎসক হত্যার প্রতিবাদে পথে নেমেছে। এদিনই আবার কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলা পুলিশের হাত থেকে সিবিআইয়ের হাতে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করে চিকিৎসক খুনের মামলায় সিবিআই তদন্ত, আদালতের নির্দেশ পেয়েই টালা থানায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

আদালত নির্দেশ দিতেই সিবিআই আধিকারিকরা টালা থানায় পৌঁছে যান। সেখানে আরজি করে চিকিৎসক খুনের নথি নিতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট আরজি কর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হা। আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ উচ্চ আদালতের। পুলিশ এবং হাসপাতালের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত।আরজি কর সংক্রান্ত মামলার শুনানির প্রথম দিনেই চূড়ান্ত বিস্ময় প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমকে। তিন সপ্তাহ পর রাজ্য সরকারের রিপোর্ট তলব করেছেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে CBI নির্দেশ দেওয়া যায়। যে ঘটনায় রাজ্যের ব্যর্থতা রয়েছে বলে মনে হচ্ছে সেক্ষেত্রে সিবিআই নির্দেশ দেওয়া যায়। হাসপাতালের সুপার কিংবা কেউ FIR দায়ের করলেন না, এটা তো বিস্ময়ের। অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ইস্তফার পরেও কেন সমান গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল? পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সন্দীপ ঘোষ কাজে যোগ দিতে পারবেন না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।আগামিকাল সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে CBI-কে কেস ডায়েরি হস্তান্তর করতে নির্দেশ প্রধান বিচারপতির। কলকাতা পুলিশের কেস ডায়েরিতে সন্তুষ্ট নয় হাইকোর্ট। আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুতে প্রথমেই কেন অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হলো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতির আরও পর্যবেক্ষণ, ওই হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকের দেহ ওই হাসপাতাল থেকেই উদ্ধার হয়েছে। যিনি হাসপাতালের দায়িত্বে ছিলেন তিনি কেন FIR করলেন না? এদিকে আজই টালা থানায় যান সিবিআই আধিকারিকরা। প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে থানা থেকে বেরিয়েছেন বলে খবর।

আগস্ট ১৩, ২০২৪
রাজ্য

"আরজিকরে কি হয়েছে জানেন তো?", ভাতারে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে হুমকি দিয়ে গ্রেপ্তার সিভিক ভলেন্টিয়ার

আরজিকর মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে নৃশংস ভাবে খুনের ঘটনায় তোলপাড়। রাজ্যজুড়ে চলছে প্রতিবাদ। তারই মাঝে এবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালের ঘটনায় আরেক হুমকির ঘটনা। অভিযোগ, হাসপাতালের কর্তব্যরত এক মহিলা ডাক্তারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মদ্যপ অবস্থায় থাকা এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। তা নিয়ে শনিবার ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়ায় ভাতার হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে। ভাতার থানায় চলে বিক্ষোভ। দাবি করা হয় অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গ্রেপ্তারের। তাতে জেলার উপমুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক(২) সূবর্ণ গোস্বামী, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সংঘমিত্রা ভৌমিক এবং মহিলা চিকিৎসকও বিক্ষোভে সামিল ছিলেন। এর পরেই অভিযুক্ত ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার আমন দীপ জানান,অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার সুশান্ত রায়কে ভাতার থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাঁকে রবিবারর বর্ধমান আদালতে পেশ করা হবে ।সূত্রের খবর, কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে হুমকি দেওয়ায় ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার রাত প্রায় ২-১৫ নাগাদ। ওইসময় হাসপাতালে কর্তব্যরত ছিলেন শিশু বিশেষজ্ঞ সুতপা নস্কর। ওইদিন বিকেল থেকেই বর্ধমান কাটোয়া সড়কে পুন্যার্থীদের প্রচুর ভিড় ছিল। কাটোয়া থেকে গঙ্গাজল নিয়ে হাজার হাজার পুন্যার্থী বর্ধমানেশ্বর মন্দিরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। প্রচুর বাইক ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছিল। ওই রাতে ভাতার এলাকায় একাধিক দুর্ঘটনাও ঘটে। তখন সেইসব দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগীদের নিয়ে নাস্তানাবুদ হচ্ছিলেন হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। ডাক্তার সুতপা নস্করের বক্তব্য়,রাতে তখন হাসপাতালে দুর্ঘটনাগ্রস্থ রোগীদের ভিড় ছিল। তাদের নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তখন সুশান্ত রায় নামে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার হাসপাতালে আসেন। পেটে অস্বস্তি ও মাথা ঘুরছিল বলে তিনি জানান। আমি ওই ব্যক্তির প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলাম। তবুও ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার আমার সাথে চুড়ান্ত দুর্ব্যবহার করতে থাকেন। তাঁর অভিযোগ, আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন,আর জি করে কি হয়েছে জানেন তো?জেলার উপমুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক(২) সূবর্ণ গোস্বামী বলেন. আরজিকরে কি হয়েছে আমরা সবাই জানি। ওই ঘটনা নিয়ে সারা দেশ উত্তাল। বিভিন্ন রাজ্যে চিকিৎসকরা এই ঘটনার প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন। এই আবহে ভাতারে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার মদ্যপবস্থায় আমাদের এক মহিলা চিকিৎসকের উপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেছে। ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

আগস্ট ১০, ২০২৪
রাজ্য

দুই তৃণমূল বিধায়ককে শপথ বাক্য পাঠ করালেন বিধানসভার অধ্যক্ষ, শুভেন্দুর তোপ

রাজ্যপালকে শপথের জন্য প্রয়োজন পড়ল না। অবশেষে বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রেয়াত হোসেন সরকার। শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় উপনির্বাচনে জয়ী দুই তৃণমূল বিধায়ককে শপথ বাক্য পাঠ করান বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। তবে এদিন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় নন, দুই তৃণমূল বিধায়ককে শপথ বাক্য পাঠ করাতে দেখা গিয়েছে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আশিসবাবু জানিয়েছিলেন তিনি শপথ বাক্য পাঠ করাবেন না। মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা এবং কলকাতা লাগোয়া বরানগর বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ী হন রেয়াত হোসেন সরকার এবং সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে জয়ের পরেও বেশ কিছুদিন তাঁদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়নি। বহু বিতর্কের শেষে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে।ভগবানগোলার বিধায়ক রেয়াত হোসেন সরকার এবং বরানগরের বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানান, অধ্যক্ষ বিধানসভায় হাজির থাকতে তিনি শপথ গ্রহণের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তিনি নিজেই অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুই বিধায়ককে শপথ গ্রহণ করানোর জন্য আবেদন করেন।রাজ্য বিধানসভায় দুই তৃণমূলের বিধায়কের শপথ গ্রহণের সময় জয় বাংলা স্লোগান তুলতে দেখা যায় তৃণমূলের বিধায়কদের। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিধানসভার অধিবেশন চালু রয়েছে। তাই বিধায়কদের শপথ গ্রহণের ব্যাপারে চিঠিতে যে নির্দেশ রাজ্যপাল দিয়েছিলেন তা এদিন মান্যতা পায়নি। বিধানসভার রুলস অফ বিজনেসের ২ নম্বর অধ্যায়ের ৫ নম্বর ধারা মেনে তিনি জয়ী বিধায়কদের শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন। যদি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই শপথ অনুষ্ঠানকে বেআইনি বলে দাবি করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির লোকসভার প্রার্থীই দল বিরোধী কাজে অভিযুক্ত! সাময়িক বরখাস্ত

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস তথা ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে দলের অভ্য়ন্তরেই। দল বিরোধী অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। রাজ্য় বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত ভাবে জানিয়েছেন কমিটির সুপারিশে ও রাজ্য সভাপতির নির্দেশ এই পত্র দিয়েছেন। আগামী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত দল অভিজিৎ দাসকে সাময়িক বরখাস্ত করার কথা বলা হয়েছে।মঙ্গলবার দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গায় অত্য়াচারিতদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিয় দল। মঙ্গলবার সকালে বারুইপুর যাওয়ার পথে আমতলা দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিনিধি দল। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কথা বলতে দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা দাবি জানাতে থাকে, তাঁদের প্রার্থীর বাড়িতে বিজেপির ঘরছাড়ারা রয়েছে তাঁদের সঙ্গে দেখা করে কথা শুনতে হবে। যদিও তাঁরা সেখানে যাননি। বারুইপুর দলীয় কার্যালয়ে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে চলে যান। অভিজিৎ দাসের বিরুদ্ধে বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি একাধিক অভিযোগ এনেছে। মঙ্গলবারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে না থাকা, ভোট পরবর্তী হামলায় আক্রান্তদের সেই বৈঠকে যেতে না দেওয়া, কর্মীদের দ্বারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ঘেরাও, অনৈতিক মন্তব্য়, বিজেপির ডায়মন্ড হারবার জেলা কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা- এই সব ঘটনার পিছনে অভিজিতের ইন্ধনের অভিযোগ উঠেছে বলে চিঠিতে লেখা হয়েছে। চিঠিতেবলা হয়েছে, আপনি দলের কার্যকর্তা সেই কথা মাথায় রেখে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সুপারিশে ও দলের করাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে ৭ দিনের মধ্যে দলবিরেোধী কার্যকলাপের কারণ দর্শাতে হবে। আপাতত সাময়িক বরখাস্ত করেছে দল। চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুন ১৯, ২০২৪
দেশ

চতুর্থ দফার নির্বাচনের আগে ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত পরিদর্শন বিএসএফের

আগামী ১৩ মে লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে একটি বিস্তৃত সফর করেছেন এবং নির্দেশিকা দিয়েছেন বিএসএফ। সকল কর্মকর্তাকে নিজ নিজ স্তরে সীমান্তে সংঘটিত অপরাধের উপর কড়া নজর রাখতে এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সম্পূর্ণ সিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই সাথে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত এসব ইউনিটের বিএসএফ জওয়ানদের পূর্ণ সততার সাথে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।সফরের সময়, শ্রী গান্ধী, শ্রী আয়ুষ মণি তিওয়ারি, আইপিএস, আইজি, দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের সাথে, বেহরামপুরের আঞ্চলিক সদর দফতর পরিদর্শন করেন এবং বর্ডার রোড বরাবর পদ্মা নদীর নিকটবর্তী সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। আশেপাশের এলাকার মাটি ক্ষয়ের একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন করা হয়েছিল এবং সেই অনুযায়ী নির্দেশ জারি করা হয়েছিল।উপরন্তু, শ্রী গান্ধী ১৪৯ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি কানাপাড়া এবং নির্মলচর পরিদর্শন করেন এবং কর্পস কমান্ড্যান্ট স্থানীয় পরিস্থিতি এবং প্রচলিত আন্তঃসীমান্ত অপরাধ সম্পর্কে অবহিত করেন। অতিরিক্ত মহাপরিচালক রবি গান্ধী কোম্পানী কমান্ডারদের সাথে মতবিনিময় করেছেন এবং সীমান্ত অপরাধ দমনে মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জগুলির সাথে নিজেকে পরিচিত করেছেন।এরপরে, শ্রী গান্ধী ৭৩ ব্যাটালিয়নের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল সীমান্ত চৌকি হারুডাঙ্গা পরিদর্শনে যান, যেখানে তাকে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার অস্থির এলাকা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ও কার্যকলাপ প্রতিরোধে গৃহীত জোরালো ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন।তার মূল্যায়ন অব্যাহত রেখে, মিঃ গান্ধী ১৪৬ এবং ৮৬ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি ,মেঘনা এবং শিকারীপুর পরিদর্শন করেন এবং সেখানে অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং ব্যবস্থাপনার কৌশলগুলি যত্ন সহকারে মূল্যায়ন করেন।মিডিয়াকে সম্বোধন করে, শ্রী রবি গান্ধী সীমান্তের নিরাপত্তা এবং জাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইস্টার্ন কমান্ডের অটল প্রতিশ্রুতির উপর জোর দেন। তিনি আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবেলায় এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সক্রিয় পদক্ষেপের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

মে ১১, ২০২৪
দেশ

রঙের উৎসবে স্পেশাল ট্রেন পূর্ব রেলওয়ের, হোলি উদযাপনের সুবর্ণ সুযোগ

রঙের উৎসব হোলি, যা সমগ্র ভারতে উৎসাহের সঙ্গে পালিত হয় এবং ঐক্য ও আনন্দের মুহুর্তগুলিকে ধারণ করে। সম্প্রদায়গুলিকে একত্রিত করার ঐতিহ্যকে বজায় রেখে, পূর্ব রেলওয়ে তাদের হোলি স্পেশাল ট্রেন পরিষেবা চালু রাখার ঘোষণা করেছে। এই উৎসবের মরসুমে জনপ্রিয় গন্তব্যস্থলে ভ্রমণরত যাত্রীদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এই আনন্দময় উৎসব উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার প্রয়োজনে বাড়ি ফিরতে ইচ্ছুক জনগণের চাহিদাও পূরণ করবে এই ট্রেনগুলি।এবারের হোলির উৎসবে পূর্ব রেল ২২টি হোলি স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করার কথা গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে ৬টি ওয়ান ওয়ে স্পেশাল ট্রেন রয়েছে। এই ট্রেনগুলি রাক্সৌল, ইন্দোর, বেনারস, জাগী রোড, আনন্দ বিহার, উধনা, নতুন দিল্লি, নিউ জলপাইগুড়ি, ওয়ালসাড, গোরক্ষপুর, পুরী, বারমের, খতিপুরা, চণ্ডীগড়, পাটনা, দিল্লি ও গয়া সহ বিভিন্ন গন্তব্যস্থানকে একসূত্রে বাঁধবে। যাত্রীদের সুবিধাজনক ও আরামদায়ক ভ্রমণের বিকল্প উপলব্ধ করার লক্ষ্যে হাওড়া, শিয়ালদহ, কলকাতা, আসানসোল, ভাগলপুর ও মালদহ সহ প্রধান স্টেশন থেকে এই বিশেষ পরিষেবাগুলি পরিচালনা করা হবে।যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে পূর্ব রেল হোলি উৎসবে উপলক্ষ্যে এই স্পেশাল ট্রেনগুলি পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৫৩৬৫২ টি অতিরিক্ত বার্থের ব্যবস্থা করে পূর্ব রেল নিয়মিত পরিষেবার চাপ কমিয়ে যাত্রীদের জন্য একটি সুগম ও আরামদায়ক ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে আগের বছরের তুলনায় পূর্ব রেল আরও ১৯টি অতিরিক্ত হোলি স্পেশাল ট্রেন চালিয়ে তাদের পরিষেবাযর মান উন্নত করেছে। এটি যাত্রী চাহিদার প্রতি সাড়া দেওয়ার পাশাপাশি এই উৎসব উপলক্ষ্যে এক সুখময় ও আনন্দদায়ক উদযাপন নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে পূর্ব রেলওয়ের অঙ্গীকারেরই পুনর্ব্যক্তি।ভারতের অন্যতম শীর্ষ রেলওয়ে নেটওয়ার্ক হিসাবে, পূর্ব রেল যাত্রী সন্তুষ্টি বৃদ্ধি এবং সমগ্র যাত্রাপথে নিরাপত্তা ও আরামদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সবদাই অঙ্গীকারবদ্ধ।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী কৌশিক মিত্র বলেছেন, হোলি স্পেশাল ট্রেনগুলির নিরবচ্ছিন্ন পরিচালনার মাধ্যমে, পূর্ব রেল, হাজার হাজার যাত্রীদের জন্য স্মরণীয় অভিজ্ঞতা এবং সাংস্কৃতিক উৎসবের সুযোগ ও সৃজনের ভূমিকায় নিজেকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করবে।

মার্চ ২৩, ২০২৪
রাজ্য

স্ত্রীর হাতের কব্জি কেটে পলাতক স্বামী!

রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর শ্রীরামপুর গ্রামে জরিনা মোল্লা নামে এক মহিলার স্বামী ধারালো আস্ত্র দিয়ে হাতের কব্জি কেটে নিয়েছেন। জানা যায়, গাজিয়াবাদে কাগজ কুড়ানির কাজ করতেন সেই আহত মহিলা। এও জানা যায়, বছর ১৪ আগে সেখানেই পরিচয় হয় একই কাজে যুক্ত তার স্বামী শাহজাহান মোল্লার সাথে। সেখানেই তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। জরিনার বাপের বাড়ি প্রথমে এই বিয়েতে সম্মতি না দিলেও পরে মেনে নেয়। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বছর তিনেক আগে তারা বাংলায় ফিরে বাসন্তীর শ্রীরামপুরে বাড়ি বানিয়ে থাকতে শুরু করেন। তাদের ৮ ও ১১ বছরের দুটি সন্তান আছে।শাহজাহানের বিরুদ্ধে জরিনার বাপের বাড়ির অভিযোগ, জরিনার সাথে বিয়ের আগেও দু-দুটি বিয়ে করেন শাহজাহান। তাঁদের আরো অভিযোগ, জরিনার সাথে বিয়ের পরেও একাধিক মহিলার সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন শাহজাহান। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, স্বামীর বিবাহবহির্ভুত সম্পর্কগুলি নিয়ে জরিনা প্রতিবাদ করলেই তাদের মধ্যে অশান্তি হত। সাংসারিক অশান্তির জেরেই দিন সাতেক আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে জরিনা ও তার স্বামীর। শনিবার জরিনা বাসন্তীর কালিডাঙ্গা গ্রামে তার বাপের বাড়ি চলে যান। রবিবার সকালে সেখানেই বাগানের গাছে জল দিতে গিয়েছিলেন জরিনা, অভিযোগ, সুযোগ বুঝে জানলা ভেঙে ঘরে ঢুকে লুকিয়ে ছিলেন শাহজাহান। জারিনা ঘরে প্রবেশ করতেই ধারালো ধাতব অস্ত্র বের করে স্ত্রীর হাতে কোপ বসায় সে। আঘাতের কারনে জরিনার বাম হাতের কব্জি কেটে পরে যায়, জরিনার চিৎকার শুনে ছুটে আসে প্রতিবেশীরা। তাদের তাড়া খেয়ে পালিয়ে যান শাহজাহান। ক্যানিং থানার পুলিশ অভিযুক্তকে ধরতে এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছেন।জরিনার কাটা হাতটি প্লাস্টিকে মুড়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন বাড়ির লোকজন। প্রথমে তাকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানেকার চিকিৎসকেরা জরিনাকে কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে ট্রান্সফার করেন। সেখানেই এখনও জরিনার চিকিৎসা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, কাটা হাত আর কোনোভাবে জোড়া লাগানো সম্ভব হবে কিনা সেই নিয়ে খতিয়ে দেখছেন চিকিৎসকেরা।

মার্চ ১২, ২০২৪
রাজ্য

৭ দিনের মধ্যে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান? কুণাল ঘোষের বক্তব্যে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি

সন্দেশখালির বাঘ শেখ শাহজাহান কি এবার পুলিশের জালে ধরা পড়তে চলেছে? ৫৩ দিন ধরে বেপাত্তা সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা। তবে এখনও তিনি রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি। শেখ শাহজাহানের গ্রেফতার নিয়ে হাইকোর্ট স্পষ্ট করার পর এদিন টুইট করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। এদিন শাহজাহান নিয়ে আদালতে ঘোষণার পর কুণালের টুইট, সাত দিনের মধ্যে শাহজাহান গ্রেফতার হবে। তৃণমূল নেতৃত্বের এই ঘোষণায় তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। তাহলে এখন কোথায় আছেন শেখ শাহজাহান? কোন ঘেরাটোপে রয়েছেন সন্দেশখালির বাঘ? এটাই সব থেকে বড় প্রশ্ন।কুণালের বক্তব্য, শেখ শাজাহান গ্রেফতার নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সঠিক বলেছিলেন। আদালতের আইনি জটেই বিষয়টা আটকে ছিল। তার সুযোগে রাজনীতি করছিল বিরোধীরা। আজ হাইকোর্ট সেই জট খুলে পুলিশকে পদক্ষেপে অনুমোদন দেওয়ায় ধন্যবাদ। সাত দিনের মধ্যে শাজাহান গ্রেফতার হবে।কুণালের টুইট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধীরা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, শেখ শাহজাহানের মত দুষ্কৃতী তৃণমূলের সম্পদ। তাই তাঁকে কেউ ধরতে পারে না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এসব হচ্ছে। আসলে কাগজপত্র লোপাটের জন্য এতদিন শেখ শাহজাহানকে বাইরে রাখা হয়েছে।এদিকে সোমবার শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারে কোনও স্থগিতাদেশ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। এছাড়া সন্দেশখালি মামলায় শেখ শাহজাহানকে পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সুতরাং, সন্দেশখালির একদা বেতাজ বাদশাকে গ্রেফতারে যে আইনি বাধার কথা বিভিন্ন মহল থকে বলা হচ্ছিল তা কার্যত নস্যাৎ করে দিল খোদ উচ্চ আদালতই। আগামী সাত দিনে সন্দেশখালির দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
রাজ্য

কেমন আছে, মিঠুন চক্রবর্তী? তাঁর সঙ্গে দেখা করে বাইরে এসে জানালেন শমীক

গতকালের তুলনায় আজ অনেক বেশি ভালো আছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমি জানিনা কিছু মানুষ কেন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন তার দ্রুত আরোগ্য কামনার জন্য। আধঘন্টা গল্প হল। রাজনীতির বিষয় নিয়ে আলোচনা হল। সমস্ত কিছু পরীক্ষা ডাক্তাররা করেছে। বর্তমানে যেই সরকারটা আছে সেই সরকারটার ছবি বানাতে তাকে প্রয়োজন। ছবি উনি করবেন। এই সরকারটাকে ছবি করতে হবে উনি করবেন। আমাদের পার্টির প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিকাশকে গতকাল রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে, দূর দূর পর্যন্ত যার এই ঘটনার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। থানার পাশেই তাঁর বাড়ি। যাকে বলছে গ্রেফতার করেছে তাকে পুলিশ বলছিল একটু ম্যানেজ করার চেষ্টা করার জন্য পুলিশ তাঁকে বলেছে। আর শাহাজাহান, শিবু হাজরাদের ওদের কোলে বসিয়ে রেখেছে। এই নাটক কত দিন চলছে চলবে এখনো। সরকারটা কাজ চলছে তৃণমূলে, এইজন্যেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন এগিয়ে বাংলা, এইরকম সরকারও নেই এরকম প্রদেশও নেই। এইজন্যেই এই সরকারটাকে ছবি করতে হবে তার জন্যই মিঠুন দাকে তাড়াতাড়ি বেরোতে হবে।। শেখ শাহজাহানকে তলব করছে না তৃণমূল কংগ্রেসকে তলব করছে ই ডি। তৃণমূল যখন চাইবে শাহজাহান তখন আত্মপ্রকাশ করবে। গতকাল একটি নাটক করল সাসপেন্ড করে, মানুষের বিরুদ্ধে মহিলাদের বিরুদ্ধে কৃষকের বিরুদ্ধে অত্যাচার করে তাদের জীবন জীবিকা লুট করে যখন পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিল না দল সাসপেন্ড করলো পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ধরে নিল। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে দল সাসপেন্ডও করতে পারবে না ওই একটি শোকজ করলে করতে পারে। আর যদি মনে হয় তৃণমূল সরকারটা যতদিন আছে ততদিন ওকে জামাই আদর করে রাখবে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪
রাজনীতি

দলের নবীন ও প্রবীণ বিতর্কের মাঝে কড়া বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার, প্রয়োজনে ছাঁটাই

দলে নবীন প্রবীণ দ্বন্দ্বের মধ্যে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার কালীঘাটে দলের সাংগঠনিক বৈঠকে এই বার্তা দিয়েছেন মমতা। এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠক ছিল। ওই বৈঠকে দলীয় মুখপাত্রদের ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেত্রী। প্রয়োজনে ছেঁটে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৈঠক থেকে বেরিয়ে তৃণমূল সাংসদ মানস ভুঁইয়া বলেন, লদলনেত্রী ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়াই করার নির্দেশ দিয়েছেন। ২০২৪ নির্বাচনে লড়াই করে আমাদের জিততে হবে। দলনেত্রী বলেছেন, ব্যক্তিগত ভাবে বাইরে মতামত প্রকাশ করা যাবে না। দলের অভ্যন্তরে বলতে হবে। এদিনের বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, ঘাটালের সাংসদ দেব হাজির ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতেই সতর্ক করেন দলনেত্রী।বিগত কয়েক দুন ধরে নবীব ও প্রবীণ নিয়ে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। এমনকী এই বিতর্কে শেষমেশ জড়িয়েছেন মমতা ও অভিষেক। বছরের প্রথম দিন সুব্রত বক্সীর বক্তব্য ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। তারপর লাগাতার মতবিরোধ চলেছে প্রকাশ্যে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ একে একে নানা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে গিয়েছেন। কিছুতেই থামছিল না বিতর্ক। এমনকী অভিষেক বলেছেন বয়স বাড়লে কর্মক্ষমতা কমে এটা স্বাভাবিক। মমতা বলেছেন। ৬০ বছর হশে গেলেও আমরা অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাই। এবার তৃণমূলের বৈঠকেই হুঙ্কার ছাড়লেন মমতা। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি বিতর্কিত কথা বলা মুখপাত্রদের দল সরিয়ে দেবে। সম্প্রতি সব থেকে বেশি বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন কুণাল ঘোষ। পাল্টার পর পাল্টা চলেছে। প্রবীণদের তুলোধোনা করার দায়িত্ব প্রায় একাই নিজের কাঁধে নিয়েছেন অভিষেক পন্থী কুণাল। এবার দেখার বিষয় মমতার হুঙ্কারের পর আদি-নব্য বা নবীন ও প্রবীণ বিতর্ক কতটা চাপা পড়ে?

জানুয়ারি ১০, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

বাংলার ক্রীড়া কুলের দাদা-বন্ধু-ভালো মানুষের গল্পে শ্রদ্ধা অরুণ সেনগুপ্তকে

অরুণ সেনগুপ্তকে যে শুধু একজন নামজাদা ক্রীড়া সাংবাদিক ছিলেন, তাই নয়। ছিলেন আপাদমস্তক একজন ভদ্রলোক। ভালো মানুষ। অরুণ কারও কাছে বড়দা, কারও কাছে দাদা-বন্ধু বা কারও কাছে স্নেহের ভাইয়ের মতো। প্রয়াত অরুণ সেনগুপ্তর স্মরণ সভায় বারেবারে উঠে এল সেই প্রসঙ্গই। বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের স্মরণ সভায় উপচে পড়া ভিড়ে যেমন মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল-ফেডারেশন-আইএফএ কর্তারা ছিলেন, তেমনই ছিলেন ফুটবলাররা। ছিলেন অরুণের সঙ্গে কাজ করা অসংখ্য ক্রীড়া সাংবাদিকেরা। মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, অরুণের চলে যাওয়া আমার কাছে অঞ্জনদার (মিত্র) চলে যাওয়ার মতোই বেদনার। ময়দানের এক প্রকৃত বন্ধুকে হারালাম। ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকারের কথায়, অরুণ ছিল এতটাই বিশ্বস্ত, যার কাছে মন খুলে সব কথা বলা যেত। এত বিশ্বস্ত বন্ধু আমি আর পাইনি। শ্রদ্ধা জানান আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত। যাঁর কথায়, অরুণ সেনগুপ্তই আমায় প্রথম শিখিয়েছিলেন, ময়দানে খেলোয়াড়রাই শেষ কথা। সারা জীবন সেটা মনে রাখব। শ্রদ্ধা জানান আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত, টেবল টেনিসের রবি চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন ফিফা রেফারি চিত্তদাস মজুমদার সহ অসংখ্য মানুষ। শ্রদ্ধা জানিয়েছে কলকাতা প্রেস ক্লাবও। ছিলেন অরুণবাবুর পরিবারের লোকজনও। বন্ধু ও দাদা অরুণকে নিয়ে নানা গল্প শোনান প্রাক্তন ফুটবলার সত্যজিৎ চট্টোপাধ্যায়, গৌতম ঘোষরা। শ্রদ্ধা জানান প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক গোলরক্ষক ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়। রঞ্জিজয়ী প্রাক্তন ক্রিকেটের অধিনায়ক সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এমন লড়াকু সাংবাদিক আমি খুব কম দেখেছি।কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের সঙ্গে অরুণ সেনগুপ্তর সম্পর্ক ছিল আজীবন। যখন সাংবাদিকতা করতেন, তখন মাঠ থেকে ফিরে এই তাঁবুই ছিল তাঁর কাজের জায়গা। ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচনেও জিতেছিলেন। কয়েক মাস আগে সিএসজেসি বিশেষ সম্মানও জানিয়েছে তাঁকে। বর্তমান ক্লাব প্রেসিডেন্ট শুভেন রাহা বলেন, অরুণদার আদর্শকে নিয়ে এগিয়ে চলাই হবে তাঁর প্রতি আমাদের সঠিক শ্রদ্ধাজ্ঞাপন।

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজনীতি

শীতকালীন অধিবেশনের জন্য বিধানসভায় সাসপেন্ড শুভেন্দু অধিকারী, কেন এই পদক্ষেপ?

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় নজিরবিহীন শাস্তির মুখে পড়লেন। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বিরোধী দলনেতাকে কড়া শাস্তি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। বিধানসভায় গোটা শীতকালীন অধিবেশনজুড়ে সাসপেন্ড করা হয়েছে নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে।মঙ্গলবার আলোচনার সময় বিধানসভায় দলত্যাগ ইস্যুতে কথা বলছিলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যেপাধ্যায়ের আপত্তিতে শঙ্কর ঘোষের সেই বক্তব্য বিধানসভার কার্যবিবরণী থেকে বাদ পড়ে। এই বিষয়টি নিয়েই কার্যত রে রে করে ওঠেন শুভেন্দু অধিকারী। সংবিধান দিবসে চলা আলোচনায় তাঁরা অংশ নেবেন না বলে হুঁশিয়ারি পর্যন্ত দেন বিরোধী দলনেতা। অধ্যক্ষের দিকে কার্যত তেড়ে যেতে যেতে তুমুল চিৎকার করতে থাকেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা। বিরোধী দলনেতার এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান বিধানসভায় তৃণমূলের উপমুখ্যসচেতক তাপস রায়।শুভেন্দু অধিকারীকে সাসপেন্ড করা উচিত বলে অধ্যক্ষের কাছে আবেদন জানান। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় এরপর আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর সঙ্গে কথা বলেন। শুভেন্দু অধিকারীর এমন আচরণ নওশাদ সমর্থন করেন কিনা তা জানতে চান তিনি। নওশাদ সিদ্দিকী জানিয়েছেন, তিনি শুভেন্দু অধিকারীর এমন আচরণ সমর্থন করেন না। এরপরেই বিরোধী দলনেতাকে গোটা শীতকালীন অধিবেশনের জন্য বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।সংবিধানের প্রোটেকশন পাচ্ছি না। সংবিধান দিবসে ভালো ভালো কথা বলছে, কিন্তু এদের সংবিধানের প্রয়োজন নেই। আমরা বিধানসভার ভিতরে বলেছি, এই হাউস সংবিধান মেনে কাজ করছে না। ওদের মন্ত্রীরা মাওবাদীদের সমর্থন করছে, রাষ্ট্রদ্রোহীদের সমর্থন করছে।এটা অত্যন্ত অবাঞ্ছিত একটি ঘটনা। রাস্তার গলির মোড়ে দাঁড়িয়ে যেটা করা যায় সেটা বিধানসভায় করা যায় না। এই ধরণের আচরণ বিরোধীদের কখনই করা উচিত নয়।এদিন শুভেন্দু অধিকারীর আচরণের তুমুল সমালোচনায় সরব শাসকদলের মন্ত্রী, বিধায়ক থেকে শুরু করে অন্য নেতারা। সংবাদমাধ্যমে এদিন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, বিধানসভার অনেক নিয়ম-নীতি আছে। সবার সেটা বজায় রাখা দরকার। শুভেন্দু অধিকারী যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন না। মুখ্যমন্ত্রীকে তুই-তোকারি করেন। বিধানসভার ভিতরে দাঁড়িয়ে অধ্যক্ষকে অপমান করেছেন। তাঁর শাস্তি ঠিকই হয়েছে।

নভেম্বর ২৮, ২০২৩
রাজ্য

২১ জুলাইয়ের সমাবেশও তাহলে বন্ধ করতে হয়, ভিক্টোরিয়ার সামনে বিজেপির সভা নিয়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

ধর্মতলায় বিজেপির সভা নিয়ে বিরাট নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের। আগামী ২৯ নভেম্বর কলকাতায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভা করতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিল বঙ্গ বিজেপি। সেই সভায় অনুমতি দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। আজ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চও সিঙ্গল বেঞ্চের আগের নির্দেশই বহাল রাখল। অর্থাৎ আগামী ২৯ নভেম্বর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভা করতে আর বাধা নেই বিজেপির কাছে। গেরুয়া দলের ওই সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত থাকতে পারেন।হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশের পরই এক্স-বার্তায় মমতা সরকারকে কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, পিসিমনি এবং ভাইপোর নির্দেশে গণতন্ত্রকে স্তব্ধ করার জন্য মমতার পুলিশের সম্মিলিত অপপ্রচেষ্টা কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় প্রধান বিচারপতি প্রত্যাখ্যান করেছেন। মমতা পুলিশ পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে কাজ করছিল, সেই কারণে মাননীয় প্রধান বিচারপতি ২১শে জুলাই তৃণমূলের (আঞ্চলিক) সমাবেশ নিষিদ্ধ করার ভাবনার কথা বলেছেন। কলকাতার হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি-র পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতীয় জনতা পার্টির মেগা সমাবেশ ২৯শে নভেম্বর একই জায়গায় অনুষ্ঠিত হবে, যেটিকে তৃণমূল তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলে মনে করে। তৃণমূলের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ধর্মতলা চোলো।এর আগে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। সভার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। গত ২০ নভেম্বর বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা শর্তসাপেক্ষে বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দেন। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। এবার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চও বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। তবে কলকাতা হাইকোর্টের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে রাজ্য, এমন আশঙ্কা করে ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে বিজেপি।সিঙ্গল বেঞ্চের পর ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা রাজ্যের। যে যুক্তি দেখিয়ে আগামী ২৯ নভেম্বরের সভার অমুমতি বাতিল করেছিল কলকাতা পুলিশ, তা আর ধোপে টিকল না। এই ধরনের সভা করতে গেলে ২-৩ সপ্তাহ আগে পুলিশের অনুমতি নিতে হয়। সেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিজেপি ২ বার সভার জন্য লালবাজারের অনুমতি চেয়েছিল বলে সূত্রের খবর। কিন্তু গেরুয়া দলের আবেদনে কান পাতেনি পুলিশ। সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি।এবারও সভার অনুমতি বাতিল চেয়ে একাধিক যুক্তি দেখিয়েছিলেন রাজ্যের আইনজীবী। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের উদ্দেশ্যে তাঁর যুক্তি ছিল, ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে যে সভা হবে সেটা শহরের কেন্দ্রবিন্দু। শহর স্তব্ধ হয়ে যাবে। পাল্টা ২১ জুলাই ওই একই জায়গায় সভার কথা ওঠে। সেপ্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, ওখানে ২১ জুলাই ছাড়া আর কোনও সভা হয় না।রাজ্যের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতি বলেন, বন্ধ করার হলে সব করতে হবে। সবাইকে সমান চোখে দেখতে হবে। তাহলে ২১ জুলাইয়ের সভা বন্ধ করে দিন। ২১ জুলাই তৃণমূল সভা করে। সেই সভা বাতিল হলে অন্যরাও আর সভা করতে চাইবে না। পশ্চিমবঙ্গে এটা নতুন কিছু নয়, কেউ সাধারণ মানুষকে নিয়ে ভাবেন না। সরকারী কর্মচারী, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, রাজনৈতিক দল সবাই রাস্তা আটকে সভা করে। পুলিশ অনুমতি দিয়ে দেয়। এমনকী এক্ষেত্রে তাঁর নিজেরও কয়েকটি অভিজ্ঞতার কথা এদিন জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩
রাজনীতি

তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের সভাস্থলে বিজেপির সমাবেশ, থাকতে পারেন অমিত শাহ

অবশেষে আদালত থেকে কলকাতায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলেই জনসভা করার অনুমতি আদায় করল রাজ্য বিজেপি। বারবার আবেদনের পরও, সভা করার আবেদন বাতিল করে দিয়েছিল কলকাতা পুলিশ। অবশেষে সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট বিজেপিকে ২৯ নভেম্বর কলকাতায় সভা করার অনুমতি দিল। সোমবার মামলাটি উঠেছিল বিচারপতি রাজশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চে। সেখানেই বিচারপতি মান্থার সভা করার অনুমতি দিয়েছেন।এই ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার বলেন, আপনারা বলছেন যে অন্তত দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে সভার আবেদন করতে হয়। এখানে তো দুই সপ্তাহ আগেই আবেদন করা হয়েছে বলে দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু, তারপরও তো সিস্টেম জেনারেটেড মেসেজ পাঠিয়ে আবেদন নাকচ করা হয়েছে বলে দেখতে পাচ্ছি। আপনারা এভাবে যতই আটকাবেন, ততই সন্দেহ বাড়বে। এটি একটি স্বাধীন দেশ। এখানে এভাবে বাধা দেওয়া যায় না।আগামী বছরই লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে সেই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। রাজ্য বিজেপিও কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে এরাজ্যে সভা করাতে চাইছে। কিন্তু, বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসন অনুমতি দিচ্ছে না-বলে অভিযোগ। তারই মধ্যে ২৯ নভেম্বর, অমিত শাহকে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একুশে জুলাইয়ের সভার স্থানেই সভা করাতে চাইছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশের কাছে বারবার আবেদন করার পরও অনুমতি দেয়নি। বাধ্য হয়েই আমাদের আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল। অবশেষে আদালত ২৯ নভেম্বর সভা করার জন্য অনুমতি দিয়েছে। তৃণমূলের তরফে সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, বিজেপিশাসিত রাজ্যে এয়ারপোর্ট থেকেই ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু, এখানে অনুমতি দেওয়ার জন্যই বিভিন্ন সময় বিজেপির নেতা-নেত্রীরা এরাজ্যে এসে সভা করে গিয়েছেন। তবে, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। প্রশাসন না-চাইলে, কাউকে অনুমতি না-দিতেই পারে।

নভেম্বর ২০, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 27
  • 28
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal