• ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

রাজ্য

Minor Abducting: নাবালিকা বোনকে অপহরনের অভিযোগে গ্রেপ্তার দিদি ও তাঁর প্রেমিক

নাবালিকা বোনকে অপহরনের অভিযোগে দিদি ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর খড়দত্ত পাড়ায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হলেন নাবালিকার দিদি রুমা খাতুন ও তাঁর প্রেমিক সুরজ বিশ্বকর্মা। রুমার বাড়ি খড়দত্ত পাড়ায় হলেও তাঁর প্রেমিক সুরজ ঝাড়খণ্ড রাজ্যের বাসিন্দা। এই দুজনকে গ্রেপ্তার করার পরেই পুলিশ বছর ষোল বয়সী নাবালিকাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার দুই ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। বিচারক ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলীতে জেসিবি চালানোর কাজ করে ঝাড়খণ্ডের যুবক সুরজ বিশ্বকর্মা। খড়দত্ত পাড়া নিবাসী তরুণী রুমা খাতুনের সঙ্গে তাঁর ভাব-ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী হয়। তাঁদের সম্পর্কে পথের কাঁটা হয়েছিল রুমার নাবালিকা বোন। তাই পরিকল্পনা কষে কয়েকদিন আগে রুমা তাঁর বোনকে সঙ্গে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। তার পর থেকে নাবালিকা আর বাড়িতে না ফেরায় বাড়ির লোকজন চিন্তায় পড়ে যান। আত্মীয়,পরিচিত সাবার বাড়িতে খোঁজ চালিয়েও নবালিকার হদিশ পান না তাঁর অবিভাবকরা। বাড়ির মেয়ের হঠাৎ করে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নিয়ে রুমা ও তাঁর প্রেমিক সুরজের উপরে বাড়ির সবার সন্দেহ জাগে। মেয়েকে ফিরে ফেতে নাবালিকার মা এরপরেই রুমা ও তাঁর প্রেমিকের বিরুদ্ধে পূর্বস্থলী থানায় অভিযোগে জানান। অপহরনের মামলা রুজু করে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ মেমারি থানা এলাকার একটি ডেরা থেকে রুমা ও তাঁর প্রেমিক সুরজকে গ্রেপ্তার করে। এই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ নাবালিকার হদিশ জানতে পেরে তাঁকেও উদ্ধার করে। পুলিশের কাছে দুই ধৃত দাবি করেছে, অন্য যুবকের সঙ্গে ভাব ভালবাসা করিয়ে দেবে বলে কথা দিয়ে তাঁরা গোপনে নাবালিকাকে তাঁদের সঙ্গে নিয়ে চলে এসে লুকিয়ে রেখেছিল।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Soumitra Khan: সিদ্ধান্ত বদল, পদত্যাগ প্রত্যাহার করলেন সৌমিত্র খাঁ

দুপুরে রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। তার কয়েক ঘণ্টা পরই প্রত্যাহার। ফেসবুকে সৌমিত্র খাঁ জানিয়েছেন, বিজেপি নেতা বিএল সন্তোষ, অমিত শাহ ও তেজস্বী সূর্যর নির্দেশেই ইস্তফা প্রত্যাহার করলেন তিনি। বিজেপি সূত্রের খবর, মন্ত্রিত্ব না পাওয়ায় মন ভেঙে যায় সৌমিত্রর। দুপুর ১টা পর্যন্ত দিল্লির ফোন পাওয়ার আশায় ছিলেন। মুকুল রায়ের বাড়িতে যাওয়ার কথা থাকলেও যাননি। তবে ফোন আসেনি। বেশ কয়েকবার শিব প্রকাশকে ফোন করেন। ডাক আসছে না, নিশ্চিত হওয়ার পর ফেসবুকে পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন সৌমিত্র। লেখেন,আজ থেকে ব্যক্তিগত কারণে যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। বিজেপিতে ছিলাম, আছি আর আগামী দিনে বিজেপিতেই থাকব। আরও পড়ুনঃ টিকা না নিয়েই সার্টিফিকেট, সমস্যার সমাধানে হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরতার পর ফেসবুক লাইভে এসে শুভেন্দু ও দিলীপকে আক্রমণও করেন সৌমিত্র। দিল্লির নেতৃত্বকে ভুল বোঝাচ্ছেন শুভেন্দু, সাড়ে ৯ মিনিটের ভিডিওয় আগাগোড়া এই অভিযোগই করে গিয়েছেন। সৌমিত্রর কথায়, এক নেতা এসেছেন, যিনি বলছেন তাঁর নেতৃত্বে সব কিছু হয়েছে। আমি এলাকায় না প্রবেশ করে জিতেছি। আমার মনে হয়েছে যুবমোর্চার পদ দিয়েছে দল। লড়াই করেছি। এই যিনি বিধানসভার দলনেতা হয়েছেন তিনি নিজেকে জাহির করছেন, দলকে নয়। যেভাবে চলছে তাতে যুবমোর্চার সভাপতি হিসেবে লড়াই করা মুশকিল হয়ে উঠছে।তিনি দিল্লি যাচ্ছেন বারবার। নেতাদের ভুল বুঝিয়ে প্রমাণ করতে চাইছেন তিনিই সবচেয়ে বড় নেতা। তিনি একসময় তৃণমূলে বড় নেতা দেখিয়েছেন। সভাপতির কাছে অভিযোগ করেও কাজ হয়নি বলে দাবি করেন সৌমিত্র। তিনি বলেন,সভাপতিকে বললেও অর্ধেকটা বোঝেন, অর্ধেকটা বোঝেন না। বাংলা বিজেপি যেভাবে চলছে, তাতে ভালো কিছু হবে না। নতুন নেতা এসে দিল্লির নেতৃত্বকে বিভ্রান্ত করেছেন। দলটা একটা জেলার মধ্যে চলে যাচ্ছে। ফেসবুকে এমন অভিযোগের কয়েক ঘণ্টা পর বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষের সঙ্গে কথা বলার পর সিদ্ধান্ত বদলান সৌমিত্র খাঁ। ফেসবুকে তিনি জানান,বিএল সন্তোষজি-র নির্দেশে তাঁর সম্মান রাখতে আমি ইস্তফা প্রত্যাহার করলাম। এছাড়াও অমিত শাহ ও তেজস্বী সূর্যও তাঁকে ভরসা দেওয়াতেই এই সিদ্ধান্ত বদল বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Resignation: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সম্প্রসারণঃ যুব মোর্চার সভাপতি পদ ছাড়লেন সৌমিত্র

রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি পদ ছাড়লেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। ফেসবুক ও টুইটার পোস্টে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চার পদ থেকে সরে দাঁড়ালাম, কিন্তু বিজেপির সঙ্গেই থাকছি। এদিকে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে হতে চলেছে কেন্দ্রে। সেই মন্ত্রিসভায় রাজ্য থেকে নতুন চারজন সাংসদ জায়গা পেতে চলেছেন বলে খবর।বিজেপিতে ছিলাম,বিজেপিতে থাকবো,বিজেপি জিন্দাবাদ। নরেন্দ্র মোদী জিন্দাবাদ। pic.twitter.com/TLnNFQK8Zd Saumitra khan (@KhanSaumitra) July 7, 2021একদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এরাজ্যের যুব সাংসদরা যখন শপথ নিতে চলেছেন, ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা আগে সভাপতি পদ ছাড়লেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই দুটি ঘটনার মধ্যে বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বেশ কিছু দিন ধরেই জঙ্গলমহল-রাঢ়বঙ্গ নিয়ে পৃথক রাজ্যোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন সৌমিত্র। উল্লেখ্য, সৌমিত্রর স্ত্রী সুজাতা খাঁ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলে যোগ দেন। আরামবাগ কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থীও হয়েছিলেন।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেকেন্দ্রীয় মন্ত্রী হতে পারেন শান্তনু ঠাকুর, নিশীথ প্রামাণিক, জন বার্লা ও সুভাষ সরকার। এই মন্ত্রীসভাশ জায়গা না পেয়েই সম্ভবত গোঁসা হয়েছে সৌমিত্রর। এমনই ধারনা রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

Police Transfer: রাজ্য পুলিশে বড়সড় বদলি

রাজ্য পুলিশের বেশ কিছু পদে জরুরি ভিত্তিতে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বর্ধমানের আইসি বদল। সুখময় চক্রবর্তীকে বর্ধমানের নতুন আইসি করা হয়েছে। পুরনো আইসি পিন্টু সাহাকে বারাসতের কোর্ট ইনস্পেক্টর করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাদক্ষিণ দিনাজপুরের আইসি দিপোজ্জল ভৌমিককে বদলি করে বহরমপুরের কোর্ট ইনস্পেক্টর করা হয়েছে। পীযুষকান্তি সমাদ্দারকে দক্ষিণ দিনাজপুরে পাঠানো হয়েছে। ব্যারাকপুরের আইসি ত্রিগুণা রায়কে পাঠানো হয়েছে ক্যালিম্পঙে।চন্দননগরের আইসি সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বদল করে তারকেশ্বরে পাঠানো হয়েছে। ডায়মন্ডহারবারের আইসি সায়েদ রাজিউল কবীরকে ভাঙড়ে পাঠানো হয়েছে। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার ফিরোজ আলিকে ডায়মন্ডহারবার রবীন্দ্রনগরে পাঠানো হয়েছে। রায়গঞ্জের সন্দীপন চ্যাটার্জিকে মুর্শিদাবাদ বেলডাঙায় পাঠানো হয়েছে। হাওড়া জিআরপির প্ল্যাটফর্ম ইনস্পেক্টর তপজ্যোতি দাসকে খড়গপুরে সিআই পদে পাঠানো হয়েছে। বাঁকুড়ার দীনেশ মণ্ডলকে ক্যালিম্পঙে পাঠানো হয়েছে। হাড়োয়ার সিআই অনির্বাণ বিশ্বাসকে বারুইপুর নরেন্দ্রপুরে পাঠানো হয়েছে। জলপাইগুড়ির আইসি গৌতম রায়কে ইসলামপুরে কোর্ট ইনস্পেক্টর করে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু জায়গায় রাজ্য পুলিশের আইসি ও অন্যান্য কিছু স্তরে বদলি করা হয়েছে।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

Maldah Murder: কালিয়াচক-কাণ্ডে নয়া মোড়

কালিয়াচক-কাণ্ডে নয়া মোড়। ময়নাতদন্তে অভিযুক্ত আসিফের বাবা ও মায়ের গলায় পাওয়া গেল আঙুলের দাগ। তাহলে কি শ্বাসরোধ করে খুন? মৃত্যুর আগে ধস্তাধস্তি হয়েছিল? এই নিয়ে রীতিমতো ধন্দে পুলিশ। তাই অভিযুক্ত মহম্মদ আসিফকে ফের জেরা করতে চান তদন্তকারীরা।আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?বাবা, মা, বোন ও ঠাকুমা কাউকেই রেয়াত করেনি সে। খুন করে দেহ লুকিয়ে রেখেছিল বাড়ির চৌবাচ্চায়। ১৯ জুন মালদহের কালিয়াচকের একটি বাড়ি থেকে চারটি কঙ্কাল উদ্ধার করে পুলিশ। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কে? পুলিহের কাছে ছোট ভাইয়ের এই অপরাধের কথা ফাঁস করে দেন দাদা মহম্মদ আরিফ। অভিযুক্ত মহম্মদ আসিফ এখন পুলিশের হেপাজতে। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় বা ঘটনার পুনর্নিমার্ণের সময়ে বাবা-মাকে শ্বাসরোধ করে খুনের কথা বলেনি সে।আরও পড়ুনঃ মুম্বইয়ে আটক ২ হাজার কোটির হেরোইনতাহলে গলায় আঙুলের দাগ এল কী করে? তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, অচৈতন্য অবস্থায় চৌবাচ্চায় ডুবিয়ে নয়, বাবা-মাকে শ্বাসরোধ করে খুন করেছিল আসিফ। এমনকী, মৃত্যুর আগে তাঁদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আগামী ১৭ জুলাই ফের আদালতে তোলা হবে অভিযুক্তকে। তার আগে পুলিশি হেপাজতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Cheating Style: কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?

চিটফাণ্ড কাণ্ডে এরাজ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিঃস্ব হয়েছে। এবার চাকরি, তার সঙ্গে প্রশিক্ষণের নামে সক্রিয় প্রতারণা চক্র। করোনা আবহেও তারা অতি-সক্রিয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে এই প্রতারণা চক্রের জাল বহুদূর বিস্তৃত রয়েছে, যার সঙ্গে যোগসাজস থাকতে পারে প্রভাবশালীদেরও। কীভাবে এই চক্র জাল বিছিয়ে ছিল? কারাই বা এই কাণ্ডের মাথা?আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল মিহির কুমার দাস, আলি হোসেন, হাসিবুল রহমান, আবুল বাসদ, রিয়াজুল ইসলাম, ইব্রাহিম শেখ, শ্যামসুল আলম ও মলয় কর্মকার। এই ধৃতদের মধ্যে প্রথম ছয় জন মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে শ্যামসুল বীরভূম জেলার নলহাটি থানার গোপালচক ও মলয় কর্মকার হুগলির সিঙ্গুর থানার জগৎনগর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি মোবাইল ফোন, ৩ টি পেনড্রাইভ, ৭টি স্ট্যাম্প, অশোকস্তম্ভ দেওয়া বেশ কিছু নথিপত্র ও ফর্ম, কয়েকটি রেজিস্টার খাতা, ১লক্ষ ১০ হাজার ৫০০ টাকা, সংবাদপত্রে দেওয়া বিজ্ঞাপনের কপি এবং একটি দামি চারচাকা গাড়ি। এ ছাড়াও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পাঠানো চিঠি, পথ-সুরক্ষা নিয়ে রাজ্যপালের শংসাপত্রও উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেপ্রতারণার একাধিক ধাারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ৮ ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। প্রতারণা চক্রে জড়িত বাকি পাণ্ডাদের হদিশ পেতে ও তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের মধ্যে মিহির দাস, আবুল বাসার ও মলয় কর্মকারকে ৭ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ৩ ধৃতের ৫ দিনের পুলিশি হেপাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রতারিত চাকরি প্রার্থীরা।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরপথ সুরক্ষার প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রায় তিন হাজার বেকার যুবক -যুবতীয় কাছে একটি সংস্থার নাম করে প্রতারকরা কয়েক কোটি টাকা তুলেছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার জেলার মেমারির পালসিটের একটি ধাবাতে প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মপ্রার্থীদের শপথ পত্রে সই করাতে আসে প্রতারক দলটি। মেমারির কানাইডাঙা নিবাসী সেখ মইনুল হাসান নামে এক প্রতারিত যুবক প্রতারকদের বিষয়ে ওইদিনই মেমারি থানায় অভিযোগ জানান। পালশিটের এক ধাবায় হাজির হয়েছিলেন ৩৩ জন কর্মপ্রার্থী। তাঁরা মূলত পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, হুগলি জেলার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে মেমারির কানাইডাঙার মইনুল হাসান সহ ২০ জন পুলিশকে প্রতারণার কথা জানান। মইনুল হাসানের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেযুবক মইনুল হাসান পুলিশকে অভিযোগে জানিয়েছে, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শক্তিগড়ের সামন্তী গ্রামের বাসিন্দা ধনঞ্জয় মাঝির মাধ্যমে তাঁর মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের মিহির কুমার দাসের পরিচয় হয়। ওই ব্যক্তির সঙ্গেই তারকেশ্বরের মহেশপুরের বিনয় কুমার মালিকের কাছে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারের চাকরির আশায় ৫৫ হাজার টাকা দেন। তাঁদের গ্রামের শেখ গোলাম মহম্মদ ছাড়াও আরও কোন কোন কর্মপ্রার্থী কত টাকা চাকরির জন্য দিয়েছে তাও তিনি পুলিশকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। ওই যুবক জানিয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে এই চক্রটি চলছে। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে-সহ রাজ্যের অন্য লেনে পথ নিরাপত্তার কাজে তাঁদের নিয়োগ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্র সরকারের তরফে এই চাকরি দেওয়া হবে বলে জানিয়ে কর্মপ্রার্থীদের কাছে আবেদন নেওয়া হয়। তারপর ৬০ হাজার থেকে সাড়ে চারলক্ষ টাকা ধাপে ধাপে কর্মপ্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়। এরপর কলকাতার কসবার কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের বারাসাতে তিনদিনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। যদিও ধৃতরা দাবি করেছে, চাকরি দেওয়ার নাম করে নয়, প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে ২৫ হাজার টাকা করে তাঁরা নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাজেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, তাঁদের হেড অফিস কলকাতার নিমতা থানার বিরাটিতে। জনৈক দেবকুমার চট্টোপাধ্যায় হচ্ছেন ওই সংস্থার প্রধান। গোটা চক্রটিকে ধরার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Job Fraud :বড় খবর: পুলিশের জালে বড়সড় চাকরির প্রতারণা চক্র, মেমারি থেকে গ্রেফতার ৮

ফিউচার ইন্ডিয়া সংস্থার নামে চারবছর ধরে চাকরি দেওয়ার প্রতারণা চক্র সক্রিয় ছিল। চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকার প্রতারণা চক্রের হদিশ মিলল পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পালসিট এলাকায়। সেখানকার একটি ধাবা থেকে ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, রাজ্যজুড়ে এরা তিন হাজারেরও বেশি বেকার যুবক যুবতীর সঙ্গে প্রতারণা করেছে।আরও পড়ুনঃ গলসিতে আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতিরবর্ধমান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহ রায় বলেন, পালসিটের ওই ধাবায় চাকরি প্রার্থীরাও হাজির ছিলেন। তাঁদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আটজনকে গ্রেফতার করেছে মেমারি থানার পুলিশ। ফিউচার ইন্ডিয়া নামে চলছিল সংস্থাটি। রোড সেফটি অর্গানাইজেশনের নামে এরা প্রশিক্ষণ দিয়েছে। নথি অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করছিল। এদের কাছ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতর ও রাজ্যপালের কাছে আবেদন করা চিঠি মিলেছে।দীর্ঘ দিন ধরেই এই প্রতারণা চক্রটি সারা রাজ্যে জাল বিস্তার করেছে। ২০১৮ থেকেই সক্রিয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১,১০,৫০০ টাকা। এছাড়া ৭ টি মোবাইল, ১ টি গাড়ি, বেশ কিছু স্ট্যাম্প ও নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে। ধৃতদের কয়কজনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চালানো হবে বলে পুলি জানিয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজনীতি

Assembly: বিধানসভার স্পিকারকে বেনজির আক্রমণ শুভেন্দুর

বিজেপির আনা মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ করায় তুমুল হট্টগোল বিধানসভায়। রাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে বলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করলেন বিজেপি বিধায়করা। মঙ্গলবার বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের উপর জবাবি ভাষণ দেন বিধায়করা। বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় অধিবেশন শুরু করতেই বিরোধী দলের তরফে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব আনার কথা বলা হয়। যদিও অধ্যক্ষ সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন। রাজ্যপালের ভাষণের পর এই প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়ে দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরই বিধানসভার ভিতরে বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভ শুরু হয়। সাংবাদিক সম্মেলন করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন দলদাস স্পিকার আগে দেখিনি। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে চাইছেন। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।আরও পড়ুনঃ ফের শহরে গ্রেপ্তার ভুয়ো অফিসারবিধানসভার অধিবেশনের বয়কট করার পর স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিক সম্মেলন তিনি বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছেন। তাঁর দল জিতেছে। যিনি তাঁকে হারিয়েছেন, তিনি বিরোধী দলনেতা হয়েছে। একথা বিধানসভায় বলা যাবে না! মমতার চোখে ইশারায় রে রে করে উঠলেন তৃণমূল বিধায়করা। শুভেন্দুর কথায়, আইনমন্ত্রী কানে কানে গিয়ে বলল। তারপর স্পিকার বলছে, বিষয়টি সাব জুডিস। কিন্তু কোনও অন্তর্বর্তীকালীন রায় নেই। প্রশ্ন তুললেন, তাহলে আমি এখানে থাকব কেন? আমাকে বের করে দিন।বিরোধী দলনেতার আরও বক্তব্য, বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের হইচই, আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতা বিজেপি বিধায়কের আছে। তাহলে ওয়াকআউট কেন? শুভেন্দুর সাফ কথা, স্পিকার বিরোধীদের সংরক্ষণ দেবেন, আইন মেনে চলবেন। তাঁর শাসকদলের প্রতি, যে দলের প্রতীকে জিতেছেন, সেই দলের প্রতি দূর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। সেকারণেই আমরা বিধানসভা বয়কট করলাম। আমরা সাধারণ মানুষকে জানাতে চাই, বিধানসভায়ও বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা হচ্ছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Barakar: পুলিশি হেপাজতে যুবকের মৃত্যুতে রণক্ষেত্র বরাকর

কুলটির থানার বরাকরে এক 22 বছরের যুবককে থানায় নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়েছে, এই অভিযোগ কে ঘিরে রনক্ষেত্রের চেহারা নিল বরাকর বাজার এলাকা। বেগুনিয়া মোর থেকে শুরু করে হনুমান চড়ায় অবধি রাস্তা অবরুদ্ধ রেখে বিক্ষোভ চলে। ঘটনাস্থলে পুলিসের উচ্চপদস্থ কর্তারা, কমব্যাট ফোর্স। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ, দফায় দফায় বিক্ষোভ, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়। মৃত যুবকের আত্মীয় এম ডি সাকিল আনসারি বলেন, আমার ভাইপো আরমানকে রাতে পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। মারধর করে। সকালে হাসপাতালে পাঠালে তাকে মৃত বলে জানান ডাক্তার। ঘটনার পরেই স্থানীয় মানুষ তুমুল বিক্ষোভ দেখায়। বরাকর বাজার জুড়ে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ। রাস্তার বেশ কয়েকটি জায়গায় টায়ার দিয়ে আগুন জেলে বিক্ষোভ চলতে থাকে। ঘটনাস্থল আসেন এসিপি অমর আলি মোল্লা। ডিসিসি অভিষেক গুপ্তা ও পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার ঠাকুর।

জুলাই ০৬, ২০২১
স্বাস্থ্য

Vaccinated Without Vaccine: করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ না নিয়েও ’ফাইনাল সার্টিফিকেট’! তারপর কি ঘটল?

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ না নেওয়া সত্ত্বেও ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে এসেছে বর্ধমানের এক বাসিন্দার। কোউইন অ্যাপ (CoWin App) থেকে ডাউনলোড করে এমন সার্টিফিকেট পাওয়ার পরেই কার্যত চোখ কপালে উঠে গিয়েছে শহর বর্ধমানের টিকরহাটের বাসিন্দা উত্তম সাহার। এমন সার্টিফিকেট আসার পর আর দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন পাবেন কিনা তা নিয়েই দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন উত্তম বাবু। বিষয়টি নিয়ে তিনি সোমবার জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উত্তমবাবুর সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক।আরও পড়ুনঃ ছোট্ট ছুটির ঠিকানা সিঙ্গিবর্ধমানের সরাইটিকরের বাসিন্দা বছর ৫৭ বয়সী উত্তম সাহা প্রশাসনকে জানিয়েছেন, গত ৬ এপ্রিল তিনি কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজের টিকা নেন বর্ধমান পৌরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। তারপর সম্প্রতি তিনি কোউইন অ্যাপ থেকে ওই প্রথম ডোজের সার্টিফিকেট ডাউনলোড করেন । তখনই তিনি জানতে পারেন ২৯ জুন থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাঁকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে হবে। তার জন্য কয়েকদিন আগে তিনি কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে শ্লট বুকিং করেন। তাঁকে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালের অধীন দুর্গাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩ জুলাই দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়ার স্লট বুকিং দেওয়া হয়। উত্তম বাবু বলেন, যেহেতু তিনি ডায়াবেটিক রোগী তাই মেমারি যেতে চাননি।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরকোউইন (CoWin) অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং ক্যানসেল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি তা পারেননি। ৩ জুলাই মেমারিতে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতেও পারেননি। উত্তমবাবু জানান, তিনি দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতে না পারলেও তাঁর মোবাইলে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়ার সার্টিফিকেট চলে আসে। সেই সার্টিফিকেট কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে ডাউনলোডও করা যাচ্ছে বলে উত্তম বাবু দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেউত্তম বাবুর অভিযোগ পাওয়ার পর জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের বক্তব্য, প্রযুক্তিগত সমস্যায় এমনটা ঘটছে। ভ্যাকসিন নেওয়ার স্লট বুকিং থাকলে অনেক ক্ষেত্রে ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে আসছে। তবে ত্রুটি সংশোধন করে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর মঙ্গলবার উত্তম সাহার দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Accident: বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রী

বরাত জোরে বেঁচে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের বিধায়ক বড়সড় পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। রাজ্যের গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী সোমবার বিকেলে নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে মেমারি-কাটোয়া রোড ধরে কাটোয়ায় বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মেমারি থানার কামালপুর ব্রিজের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করানোর জন্য বাড়ি যাচ্ছিলেন। আহত মন্ত্রীকে রাতে পৌছে দেওয়া হয় কাটোয়ার কবজগ্রামের বাড়িতে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজানা গিয়েছে, সাতগেছিয়ার আগেই বড়সড় বিপত্তি ঘটে। ওই সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি ডানদিকে ঘুরে যাওয়া মেমারি মুখী একটি বোলেরো পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মন্ত্রীর গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই দুর্ঘটনায় সামান্য জখম হয়েছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। মন্ত্রীর গাড়ির চালক এবং বোলেরো গাড়ির চালকও আহত হন । বোলেরো গাড়ির চালককে মেমারির পাহাড়হাটি স্বাস্থকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্যে নিয়ে যাওয়া হয় । আরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতাগ্রন্থাগারমন্ত্রী বলেন, বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি। দুটি আঙুলে সামান্য চোট রয়েছে। তবে সুস্থ রয়েছি। তাঁর মায়ের শরীর খারাপ। মায়ের চিকিৎসা করানোর জন্য তিনি তাঁর কাটোয়ার বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান সদর(দক্ষিণ) এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান জানান, মন্ত্রীর গাড়ির চাকা পাংচার হয়ে এই বিপত্তি ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

Human Rights : জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদের পূর্ব বর্ধমানে আসা নিয়ে তুঙ্গে তৃণমূল ও বিজেপির তর্জা

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা নিয়ে খোঁজ খবর নিতে এই রাজ্য চষে বেড়াচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দল। সোমবার কমিশনের প্রতিনিধিদন পূর্ব বর্ধমান জেলার ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে আসেন। বিমলজিত উপ্পল ও আই আর কুরিলসের নেতৃত্বাধীন কমিশনের প্রতিনিধি দল এদিন প্রথম বর্ধমান সার্কিট হাউসে পৌঁছান। সেখানে এক প্রস্থ বৈঠক সেরে তাঁরা বিকেলের দিকে সোজা পৌছে যান জামালপুর থানার নবগ্রামে। পরে সন্ধ্যায় তাঁরা রায়নার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।আরও পড়ুনঃ চূড়ান্ত ট্রায়ালে সাফল্য, ডেল্টা প্রজাতি রুখতে সক্ষম কোভ্যাক্সিন!ভোটের ফল প্রকাশের পর দিন অর্থাৎ গত ৩ মে নবগ্রামেই রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছিলেন দুই তৃণমূল কর্মী শাজাহান শা (৩০)ও বিভাস বাগ (২৭) এবং এক বিজেপি কার্যকর্তার মা কাকলি ক্ষেত্রপাল (৪৭)। একই দিনে নিহত হন রায়না থানার সমসপুর নিবাসী তৃণমূল সমর্থক গনেশ মালিক (৬০)। নবগ্রাম উড়িষ্যা পাড়ায় বিভাস বাগের বাড়ি। আর কাকলি ক্ষেত্রপালের বাড়ি পাশের পাড়া ষষ্ঠিতলায়। অপর নিহত সাজু শেখের বাড়ি জামালপুরের ভেড়িলি গ্রামে। নবগ্রামে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিল ১২ জন । তারা সকলেই এখন জামিনে মুক্ত। রায়নার সমসপুরের গনেশ মালিককে হত্যার ঘটনাতেও ৮ জন গ্রেপ্তার হন । দো-ভাষীকে সঙ্গে নিয়ে কড়া পুলিশ পাহারায় কমিশনের প্রতিনিধিরা এদিন জামালপুরের তিন নিহতের বাড়িতে পৌছান।আরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতাজাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দল গত ৩ মে নবগ্রামে নিহত হওয়া তিন জনের বাড়িতে গিয়ে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।পাশাপাশি ওইদিন নবগ্রামে কি ঘটনা ঘটেছিল তার সবিস্তার তথ্যও তাঁরা সংগ্রহ করেন। এরপর কমিশনের প্রতিনিধিরা রায়নার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।আরও পড়ুনঃ মেসি জাদুতে আচ্ছন্ন কোপা, শেষচারে আর্জেন্টিনানিহত বিভাষ বাগের স্ত্রী ঝর্ণা বাগ বলেন, সেদিন কী ঘটনা ঘটেছিল তা কমিশনের প্রতিনিধিরা তাঁর কাছে জানতে চান । বিভাষ বাগ কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাও জানতে চায় ।সরকারি কোনও সাহায্য পেয়েছে কিনা জানতে চাইলে ঝর্ণাদেবী কমিশণের প্রতিনিদিধের বলেন তিনি ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য পেয়েছেন । একটি চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার দাবিকমিশনের প্রতিনিধিদের কাছে রাখেন ঝর্ণাদেবী । তবে চাকরির বিষয়টি নিয়ে আশ্বাস কিছু মেলেনি বলে ঝর্ণাদেবী জানিয়েছেন । একইভাবে কাকলি ক্ষেত্রপাল ও শাজাহন শাহের বাড়িতে গিয়েও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সেদিনের ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করেন কমিশনের প্রতিনিধিরা।জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এই অতি সক্রিয়তা নিয়েই পূর্ব বর্ধমান জেলায় তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল ও বিজেপির রাজনৈতিক তর্জা। রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী তথা আসানসোল দক্ষিনের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলরবিবার কালনায় দলের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ইস্যুকে সামনেএনে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়ান।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরতৃণমূল কংগ্রেস, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর বর্ধমানসহ রাজ্য জুড়ে আক্রান্ত হচ্ছে বিজেপি কর্মীরা। আদালত নির্দেশ দেওয়ার পর এখন পুলিশ ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের বাড়ি পৌছে দিচ্ছে। অগ্নিমিত্রা দাবি করেন, নির্যাতনের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে আসা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের টিমও এই রাজ্যে ছাড়া পাচ্ছে না। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেশের প্রধানমন্ত্রীকে মানেন না , মানবাধিকার কমিশনকেও মানেন না। এখন আদালতকেও মানছেন না বলে অগ্নিমিত্রা পল কটাক্ষ করেন। বিজেপি নেত্রীর এহেন মন্তব্যের কঠোর বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেতৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র তথা পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু এই প্রসঙ্গে বলেন, বিধানসভা ভোটে পরজয়টা বিজেপির নেতা নেত্রীরা কিছুতেই মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না। সেই জন্য ওরা এখন নানা ভাবে রাজ্য সরকারের বদনাম করার জন্যে উঠেপড়ে লেগেছে । তাই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, তপশিলি কমিশন এদের এই রাজ্যে পাঠাচ্ছে। দেবু টুডু দাবি করেন, এরা কোনও সরকারের নিরপেক্ষ কোনও এজেন্সি নয়। এরা রাজনৈতিক দল বিজেপির এজেন্সি মাত্র। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, তপশিলি কমিশন শুধু বিজেপির দালালি করছে। ওরা শুধু বিজেপির নেতা কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলে চলে যাচ্ছে । প্রশাসনিক কোনও লেবেলের সঙ্গে কথা বলছে না , সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলছে না। বিজেপি নেতাদের সঙ্গে সিটিং করে শুধু কাজ করছে । জাতীয় মানবাধিকার কমিশন , মহিলা কমিশন, তপশিলি কমিশন এ সবই বিজেপির শাখা সংগঠন বলে দেবু টুডু দাবি করেন । একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, ওদের কথা কে শুনবে।আরও পড়ুনঃ গলসিতে আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতিরতৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র দেবু টুডুর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে কশুর করেনি জেলা বিজেপি নেতৃত্ব । বিজেপির পূর্ব বর্ধমান কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, দেবু টুডুর বক্তব্য থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস আসলে দেশের সাংবিধানিক কোন ব্যবস্থাকেই মানে না। অগ্নিমিত্রা পল ঠিকই বলেছেন, এই রাজ্যে স্বৈরাচারী, অত্যাচারী সরকার চলছে। অন্যদিকে জেলা বিজেপির সহ- সভাপতি প্রবাল রায় বলেন , আজকে যিনি মুখ্যমন্ত্রী তিনি ও তাঁর দলের অন্য রাজ্য নেতারা সিপিএমের রাজত্ব কালে কথায় কথায় ৩৫৬ ধারা, মানবাধিকার কমিশন চাই ইত্যাদি ইত্যাদি বলতেন। এখন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তৃণমূলের নেতা, হার্মাদ ও জেহাদিদের আসল চরিত্র গুলি বুঝে আদালতকে জানাচ্ছে। এটাই তৃণমূলের বড্ড খারাপ লাগছে।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

Gang Rape: গলসিতে আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির

গলসিতে বিধবা আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে সরব হল সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি। গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির রাজ্য সভনেত্রী ও প্রাক্তন মন্ত্রী অঞ্জু কর সহ সমিতির জেলা সম্পাদিকা সুপর্না ব্যানার্জী, জেলা সভানেত্রী মণিমালা দাস, স্থানীয় নেত্রী পুস্প দে, সদস্যা কাজী জবুন্নেসা ও পুতুল সেখ প্রমুখরা রবিবার পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানায় হাজির হন। তাঁরা গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সকল অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে এদিন থানায় স্মারকলিপি জমা দেন।নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়েও পাশে থাকার আশ্বাস দেন মহিলা সমিতির সদস্যরা। আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরগলসির সাঁকো গ্রামের ওই বিধবা আদিবাসী মহিলা গত বৃহস্পতিবার পাশের পাড়ায় বিয়ে বাড়িতে যান । অভিযোগ, ওইদিন রাতে যুবকের দল তাঁকে বিয়ে বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। পরদিন সকালে এই বিষয়টি জানানানি হয়। তদন্তে নেমে গলসি থানার পুলিশ ওইদিনই এলাকা থেকে উত্তম বাউরি নামে অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেপ্তার করে । শনিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে হেপজতে নিয়ে পুলিশ ঘটনায় জড়িত বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ তৃণমূল কার্যালয়ে কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি, জল্পনা গোষ্ঠী দ্বন্দ্বেরমহিলা সমিতির জেলা সভানেত্রী মণিমালা দাসের অভিযোগ, আগেও গলসিতে একজন ছাত্রী, একজন তপশিলি জাতির মহিলা ও দুইজন আদিবাসী মহিলাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা ঘটেছে। পর পর হওয়া এই ঘটনা প্রমান করে যে গলসি থানা এলাকায় মহিলাদের নিরাপত্তা নেই। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ঠিক নেই গলসিতে। পূর্বেকার ওইসব ঘটনা বিষয়েও তাঁরা প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন। কিন্তু দোষীদের শাস্তি হয়নি। এত কিছুর পরেও ফের সাঁকো গ্রামের বিধবা মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনা সেই গলসিতেই ফের ঘটলো।গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির নেত্রীরা এদিন গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সকল অভিক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জুলাই ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kabir Suman: গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমে

শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে গানওয়ালা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি কিছুদিন যাবত কলকাতায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তবে গান থেমে থাকেনি। চিকিৎসাধীন কবির নিত্যদিন সামাজিক মাধ্যমে সঙ্গীত নিয়ে নানা আলোচনা ও অভিজ্ঞতা নেটনাগরিকদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছেন গানওয়ালা। সমৃদ্ধ হন নেটনাগরিকগণ। রত্নগর্ভা বাংলা সঙ্গীত জগতের আপাত শেষ কিংবদন্তী কবির সুমন। তাঁর সাংগীতিক পাণ্ডিত্য নিয়ে আলোচনা করা ধৃষ্টতা সমসাময়িক খুব কমজনেরই আছে।কবির সুমন আবেগের আরেক নাম। যিনি অবলীলায় বলতে পাড়েন তাঁর সঙ্গীত অনুপ্রেরণায় কোন কোন মহান পন্ডিতদের প্রভাব। বহুল প্রচারিত এক টিভি অনুষ্ঠানে সেই ব্যখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন আমি আচার্য জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষের স্তন্য পান করেছি, আমি পণ্ডিত রবিশঙ্করের স্তন্য প্রান করেছি। সবারকার যা ভালো তা একত্রিত করা সহজ ব্যাপার নয়। তিনি পেরেছিলেন। তিনি একাধারে গান লিখছেন আবার সেই গানের সুরারোপ-ও করেছেন। একের পর এক আনবদ্য সৃষ্টি। পেট কাটি চাঁদিয়াল, তুই হেঁসে উঠলেই, তোমাকে চায় থেকে হাল-আমলের জাতিস্মর সিনেমায় জাতীয় পুরস্কার পাওয়া গান এ তুমি কেমন তুমি। আধুনিক বাংলা গান নিয়ে নিত্য গবেষণা তাঁর। যেমন তাঁর গানে পশ্চিমী প্রভাব ছিল তেমনই তাঁর হিন্দুস্থানি মার্গ সঙ্গীতের প্রভাবও প্রকট। ঠুমরী, গজল নিয়ে তিনি বহু কাজ করেছেন।রবিবার সামাজিক মাধ্যমে এক গুরুতর অভিযোগ তুললেন গানওয়ালা। চিকিৎসাধীন সুমন হাসপাতাল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ তুলেছেন, তাঁর তৈরি একটি রাগ চুরি করে এক ব্যাক্তি তাঁর নিজের নামে প্রচার চালাচ্ছেন। গানওয়ালার সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগের ভিত্তি থেকে জানা যায় আহির বৈরাগি রাগটি তিনি বছর খানেক আগে তৈরি করেছিলেন। তিনি জানান সুভদ্রকল্যাণ রানা নামক এক ব্যক্তি তাঁর বছর খানেক আগের তৈরি রাগটির বিস্তার সম্বন্ধে সামাজিক মাধ্যমে জানতে চান। এবং ওই ব্যক্তি সেটি অনুষ্ঠানে বাজাবার অনুমতি চান। কবিরের অভিযোগ সুভদ্রকল্যাণ রানা তাঁর কাছে রাগরূপ জেনে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আহির বৈরাগি রাগটি তাঁর নিজের সৃষ্টি বলে প্রচার করতে থাকেন। দীর্ঘজীবী হোক রাগসঙ্গীত। বছরখানেকেরও আগে আমি আহীর বৈরাগী নামে একটি রাগ তৈরি করে ফেসবুকে সেই রাগের কথা জানিয়েছিলাম।...Posted by Kabir Suman on Saturday, 3 July 2021কবির সুমন জানান, তিনি এর প্রতিবাদ করলে সুভদ্রকল্যাণ রানা সামাজিক মাধ্যমে আরও কিছু মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তাঁকে প্রতি আক্রমণ করেন। কবিরের দাবি, এমন ঘটনা এর আগেও অভিযুক্ত ঘটিয়েছেন। তাঁর আশঙ্কা আগামিদিনে এরকম ঘটনা আরও ঘটতে থাকবে। উল্লেখ্য, সামাজিক মাধ্যমের সুত্র থেকে জানা যায় অভিযুক্ত সুভদ্রকল্যাণ রানা একজন তবলা শিল্পী। বিশ্বখ্যাত তবলা গুরু পণ্ডিত শঙ্কর ঘোষ-এর কাছে থেকে তিনি তবলা শিক্ষালাভ করেছেন। এহেন সুভদ্রকল্যাণ রাণার উদ্দেশে গানওয়ালা বলেন, আশা করছি হিংসা হানাহানি, মিথ্যাচারে নয়, সঙ্গীত শিক্ষায় ব্রতী থাকবেন। শিখবেন। মন ভাল রাখবেন। সঙ্গীতসঙ্গ করবেন। সুরে তালে লয়ে থাকুন। সুমন তাঁর পোস্টে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের চিকিৎসক, সেবক, সেবিকা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সহযোগিতায় সেরে উঠছি কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। আমি সেরে উঠেই বাংলা খেয়ালের সেবায় ফিরে যাব। আমার জীবনের আসল কাজ, আমার জীবনের শেষ ব্রত। অগণিত কবির প্রেমী শ্রোতৃমণ্ডলী আরও একটা জাতিস্মর-এর সৃষ্টির আশায় রইলো।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

Howrah Robbery : বাড়ির পোষা কুকুরের নীরবতাই কাল হল ডাকাতদলের

কুকুরের আচরণই ডাকাতির কিনারা করতে সাহায্য করল পুলিশকে। গত ২৫ শে জুন হাওড়া ব্যাঁটরা হৃদয়কৃষ্ণ ব্যানার্জী লেনে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুঃসাহসিক ডাকাতি হয়। ডাকাতির সময় বাড়ির পোষা কুকুর কোনওরকম চিৎকার করেনি। চুপচাপ ছিল। কুকুরের এমন অস্বাভাবিক আচরণ তদন্তকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে পুলিশকে। কুকুরের এহেন আচরণ দেখে পুলিশের বুঝতে অসুবিধা হয় না যারা ডাকাতি করেছে তারা ওই বাড়ির কোন পরিচিত ব্যক্তি। সেই সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয় ধর্মেন্দ্র দাস (৩৪) এবং শুভজিৎ সামন্ত (২৬) কে। তারা দুজনেই কাজের জন্য একাধিকবার এই বাড়িতে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত তিনটি বাস, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশাপুলিশ জানিয়েছে, গৌতম পালের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে। ধর্মেন্দ্র ছিলেন অ্যাম্বুলেন্স চালক। ধৃত অপর একজন সুরজিৎ সামন্ত ওই ডায়াগনস্টিক ল্যাবে সিটি স্ক্যান করতেন। কাজের সূত্রে অনেকবারই গৌতম পালের বাড়ি গিয়েছেন অভিযুক্তরা। সেই সূত্রে বাড়ির কুকুরটি চিনত তাদের দুজনকেই। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্রর বাড়ি ওড়িশায়। সে এই ডাকাতির জন্য ওড়িশা থেকে দুই আত্মীয়কে এখানে নিয়ে এসেছিল। বর্তমানে তারা এখন পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রপুলিশের দাবি সিসিটিভি অভিযুক্তদের গতিবিধি জানতে সাহায্য করেছে কিন্তু তদন্ত করেই ধরা হয়েছে অভিযুক্তদেরকে। এই তদন্তে ডাকাতির সময় কুকুরের এই আচরণের ঘটনা জানতে পারে। ডাকাতির সময় পোষ্যটি ছিল নীরব। এই ঘটনা তদন্তের কাজ অনেকটাই সাহায্য করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরউল্লেখ্য ২৫ জুন বিকেলে মধ্য হাওড়ার ব্যাঁটরার হৃদয়কৃষ্ণ ব্যানার্জি লেনের একটি তিন তলা বাড়িতে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এদিন বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ হঠাৎ দুই যুবক দরজা খুলে বাড়িতে ঢুকে বাড়ির গৃহকত্রীকে বেঁধে ফেলে বছর পঁয়তাল্লিশের শান্তনা পালকে। তাঁর গলায় ভোজালি ঠেকিয়ে লক্ষাধিক টাকার গয়না নিয়ে চম্পট দেয় ওই দুই দুষ্কৃতী। মারধর ও শরীরে ধারালো অস্ত্র ঠেকানোয় আহতও হন। প্রায় আধঘন্টা তান্ডব চালায় দুষ্কৃতিরা। সেইসময় তাঁর স্বামী গৌতম পাল ও ছেলে সম্রাট ছিলেন তাঁদের ডায়গোনিস্টিক সেন্টারে। খবর পেয়ে বাড়ি আসেন। পরে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন পাল দম্পতি।

জুলাই ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Copa America 2021: মেসি জাদুতে আচ্ছন্ন কোপা, শেষচারে আর্জেন্টিনা

মেসি ম্যাজিকে বিভ্রান্ত ইকুয়েডর। তিনি নিজে গোল করলেন গোল করালেন। এই মেসিময় ম্যাচে ইকুয়েডরকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে কলম্বিয়ার মুখোমুখি। ফ্রিকিক থেকে নিজে গোল করলেন এবং দুটো গোলের আনবদ্য পাস বাড়িয়ে আজকের নায়ক সেই লিয়োনেল মেসি। ম্যাচের শুরু থেকেই মেসি ইকুয়েডরের রক্ষণ ভাগে কাঁপুনি ধরিয়ে দেন। প্রথমার্ধে খেলার ২৩ মিনিটে ইকুয়েডরের রক্ষণভাগের ভুল ব্যাকপাস চলে আসে মেসির পায়ে। মেসির ১০মিটারের উইথ দা বল স্প্রিন্ট রক্ষণভাগের নাগাল এড়িয়ে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে সাবাইকে হতাশ করে বারে মারেন। প্রতি আক্রমণে উঠে আসে ইকুয়েডর, মেন্ডেজের গোল লক্ষ্য করা জোরালো শট অসামান্য দক্ষতায় বাঁচিয়ে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক মার্টিনেজ। 🛩️ DOS SEMIFINALISTAS MS!🇨🇴 @FCFSeleccionCol y @Argentina triunfaron en sus duelos de cuartos de final y completaron el cuadro de semifinales de la CONMEBOL #CopaAmrica 2021 🏆🗒️https://t.co/fpEArh86AS#VibraElContinente pic.twitter.com/1C77y1otgw Copa Amrica (@CopaAmerica) July 4, 2021এরপর আক্রমণ প্রতি-আক্রমণে জমে ওঠে খেলা। সব আক্রমণ-ই গোলের কাছে এসে থেমে যাচ্ছিল। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে বিরতি যত এগিয়ে আসে দুই দল-ই সেফ খেলতে শুরু করে, দ্বিতীয়ার্ধে পুর্ণ উদ্দমে শুরু করার জন্য। ঠিক এই রকম মুহুর্তে খেলার ৪০মিনিটে মেসির রক্ষণ চেরা পাস গঞ্জালেসের উদ্দেশে। গোলকিপার গালিন্দেজ বড় বক্সের ওপর উঠে এসে গঞ্জালেসকে ট্যাকেল করেন। বল আবার মেসির পায়ে। আবার তাঁর বাঁ পা ঝলসে ওঠে। ডান দিক থেকে উঠে আসা ডি পলকে উদ্দেশ্য করে গোলের ঠিকানা লেখা পাস দেন। গঞ্জালেসকে ট্যাকেল করে গোলকিপার গালিন্দেজ গোলে ফিরে না আসতে পারায় অরক্ষিত গোলে বল পাঠাতে বিন্দু মাত্র ভুল করেননি ডি-পল। বিরতি তে ১-০ এগিয়ে যায় মেসির আর্জেন্টিনা। #CopaAmrica 🏆El palo, el nico que pudo detener a Lionel Messi 🇦🇷🇦🇷 Argentina 🆚 Ecuador 🇪🇨#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/DyWqrHpTCf Copa Amrica (@CopaAmerica) July 4, 2021দ্বিতীয়ার্ধে ইকুইয়েডর খেলায় ফিরে আসে। বার বার তাঁদের আক্রমণের ঝড় আর্জেন্টিনার রক্ষণে প্রতিহত হয়ে ফিরে আসছিল। গোলের দরজা খুলতে ব্যার্থ হচ্ছিল। ইকুয়েডরের মত গুরুত্বপূর্ণ খেলায় আগুয়েরো, দি মারিয়া ও অ্যাঞ্জেল কোরিয়াদের মত তিন জন প্রথম একাদশের খেলোয়ারকে প্রথম একাদশে নামাননি আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি। দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডরের আক্রমণের রাশ টানতে খেলার ৭০ মিনিটে দি মারিয়া এবং রডরিগেজকে পরিবর্ত খেলোয়াড় হিসাবে নামান আর্জেন্টিনার কোচ। এই পরিবর্তন খেলার অভিমুখ পাল্টে যেতে থাকে। আর্জেন্টিনার আক্রমণে কার্যত দিশেহারা হয়ে পরে ইকুয়েডর।#CopaAmrica 🏆Otro pase de Messi! El 10 dej libre a Lautaro Martnez para el 2-0 de @Argentina sobre @LaTri🇦🇷 Argentina 🆚 Ecuador 🇪🇨#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/y16BIbaIqL Copa Amrica (@CopaAmerica) July 4, 2021মেসি-মারিয়া আক্রমণে নাজেহাল অবস্থা ইকুয়েডর রক্ষণভাগের। গোলরক্ষক সহ ১১ জন মিলে রক্ষণে নেমে এসে আক্রমণের ঢেউ সামলাতে হিমশিম। এই চাপের মুখেই ভুল করে বসেন ইকুয়েডরের গোলরক্ষক। ৮৩মিনিটে তাঁর বাড়ানো বল ঠিক ভাবে রক্ষণভাগের খেলোয়াড়ের কাছে পৌছানোর আগেই বাজপাখির মত বল ছিনিয়ে নেন মেসি-মারিয়া। বল দখল নিয়েই বাঁ-পায়ের আউটস্টেপে ছোট্টো টোকা, বল চলে যায় মার্টিনেজের কাছে। গোলরক্ষক এগিয়ে এসেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। বল জড়িয়ে যায় জালে। ২-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা জয়ের ব্যাপারে অনেকটা নিশ্চিন্ত হল। #CopaAmrica 🏆Bombazo! Lionel Messi la clav de tiro libre para el 3-0 final de @Argentina sobre @LaTri🇦🇷 Argentina 🆚 Ecuador 🇪🇨#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/FcvQrHuRka Copa Amrica (@CopaAmerica) July 4, 2021ডি মারিয়া এবং মেসির জাদুতে এক মোহময় পরিবেশ হয়ে উঠেছিল এস্তাদিও ন্যাসিওনাল ডি ব্রাসলিয়া মান গ্যারিঞ্চা স্টেডিয়াম। গ্যারিঞ্চা নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের প্রবাদপ্রতিম ফুটবলার গ্যারিঞ্চা-পেলের যুগলবন্দীর কথা মনে পড়াচ্ছিল। নভিশ্বাষ উঠে যাওয়া ইকুয়েডর ভুল করে বসলেন। নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত করে ৯২ মিনিটে বক্সের মাথায় ডি মারিয়ার গোলমুখি আক্রমণ সামলাতে না পেরে ভুলভাবে ধাক্কা দিয়ে ফাউল করে বসেন হিনক্যাপি। লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। বাঁ পায়ের ইন-স্টেপ দিয়ে নেওয়া ফ্রী-কিক বাঁক খেয়ে গোলরক্ষকের নাগাল এড়িয়ে জালে বল জালে।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুলাই ০৪, ২০২১
বিদেশ

Japan-mudslide: জাপানে ভয়াবহ কাদাস্রোতে ভেসে গেল বাড়ি-ঘর, নিঁখোজ ২০

লাগাতার বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ কাদাস্রোত জাপানের আটামি এলাকায় (Mudslide)। হঠাৎ ধেয়ে আসা কাদাস্রোতে ভেসে গিয়েছে সারি সারি বাড়িঘর। শনিবার সকালে জাপানের (Japan) রাজধানী টোকিওর আটামি এলাকায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ২০ জন নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ ১০ জনে বাজিমাত করে শেষ চারে ব্রাজিলঅর্ধনিমজ্জিত আগ্নেয়শিলা দ্বারা গঠিত ভূমির ঢালে অবস্থিত আটামি শহর। এলাকায় একাধিক উষ্ণ প্রস্রবণ রয়েছে। সূত্রের খবর, শনিবার সকালে হঠাৎই কাদামিশ্রিত কালো ঘোলা জলের সঙ্গে আবর্জনা ধেয়ে আসে শহরের দিকে। অসহায় অবস্থায় এদিক ওদিক ছুটতে আরম্ভ করেন স্থানীয়রা। বর্তমানে উদ্ধারকার্য চলছে বলে জানা গিয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলার বাহিনীর এক আধিকারিক জানান, এখনও পর্যন্ত ২০ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও বোঝা যাচ্ছে না।প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই জাপানে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। দেশের মধ্য এলাকার নদীগুলি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। উপকূল এলাকায় জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট।

জুলাই ০৩, ২০২১
রাজ্য

গলসিতে বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে অসুস্থ ১০ শিশু সহ ৪৪ জন

বিয়েবাড়িতে খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন পরিবার পরিজন সহ কয়েকজন গ্রামবাসী। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানে গলসি থানার উচ্চগ্রামে। ১০ জন শিশুসহ ৪৪ জন অসুস্থকে ভর্তি করা হয়েছে পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।আরও পড়ুনঃ সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণে সত্যি উল্লেখ ছিল না, তাই বাধাহাসপাতালে ভর্তি অসুস্থরা বলেন, অনুষ্ঠান বাড়িতে আমন্ত্রিত ও প্রতিবেশীরা সবাই এদিন বেলা দশটার সময় মুড়ি, কুমড়োর তরকারি, বোঁদে খান। তারপরেই তাঁদের বমি শুরু হয়। খবর পেয়ে গ্রামে স্বাস্থ্যে কেন্দ্রের টিম যায়। পৌঁছায় ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ফারুক হোসেন। গ্রামে যান গলসি থানার ওসি দীপঙ্কর সরকার সহ পুলিশকর্মীরা। স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পুলিশের উদ্দ্যোগে অসুস্থ ৪৪ জন স্থানীয় পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। চিকিৎসক ডাঃ সৈফ আলি জানিয়েছেন, অসুস্থদের চিকিৎসার সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন সবাই একটু সুস্থ রয়েছে । অসুস্থতার কারণ খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছে স্বাস্থ্য দপ্তরের টিম। আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশঅসুস্থদের আত্মীয় ক্ষেত্রনাথ বাগদী জানান, এই ঘটনার পরে গ্রামে আশেপাশের মানুষজনকে সেলাইন বিতরণ ও ওষুধ বিলি করা হয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় ব্লিচিং ছড়িয়ে মানুষকে সতর্ক করা হয়। এলাকায় ব্যবহৃত নলকুপটি বন্ধ করেদেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ ও স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকার পুকুরের জল ব্যবহার না করার জন্যে পোস্টার সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০২, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণে সত্যি উল্লেখ ছিল না, তাই বাধা

বিধানসভার অধিবেশনের শুরুতে রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসার বিষয়টি উল্লেখ করেনি শাসকদল। বরং সরকারের লেখা ওই ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগগুলোকে মিথ্যে বলে দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার এমনই অভিযোগ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আরও অভিযোগ, রাজ্যে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল সরকার।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপালবিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যপালের ভাষণে দাবি করা হয়েছে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজ্যে কোনও ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থাকাকালীন হিংসার ঘটনা ঘটেছে। ফলে তার দায় নির্বাচন কমিশনের। এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দু অধিকারীর আরও দাবি, রাজ্যের অবস্থা উদ্বেগজনক। বিরোধীদের রাজ্য থেকে সমূলে উৎপাটন করার চেষ্টা করছে সরকার। স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েমের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, ভোট পরবর্তী হিংসার উল্লেখই ছিল না রাজ্যপালের ভাষণে। তৃণমূলের গুন্ডা ও নিষ্ক্রিয় পুলিশের ভূমিকার উল্লেখ নেই। সেই কারণেই আমরা বাধা দিয়েছি।ভাষণের কোথাও হিংসার উল্লেখ নেই। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এসেছে। হাইকোর্টের টিপ্পনি রয়েছে। ৯০০০ এফ আই আর হয়েছে। সাড়ে ৭ হাজার বাড়ি পুড়িয়েছে। লাখ লাখ মানুষ ও ভোটার ঘরছাড়া। তবে রাজ্যপাল কেন ভাষণ সম্পূর্ণ করেননি, সে ব্যাপারে তাঁর জবাব, এর উত্তর মহামহিম রাজ্যপালই দিতে পারবেন।ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যপাল যেভাবে সরব হয়েছেন, এদিন সেজন্য জগদীপ ধনখড়কে কৃতজ্ঞতা জানান শুভেন্দু অধিকারী। তবে সংসদীয় গণতন্ত্রে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। হুঁশিয়ারির সুরে তিনি জানান, বিধানসভায় আগামিদিনেও ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সারা দিনের আলোচনা চাইবে বিজেপি। ভ্যাকসিন দুর্নীতি নিয়েও সরকারকে আলোচনা করতে হবে।

জুলাই ০২, ২০২১
কলকাতা

Assembly: বড় খবর: বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল

বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজই। তার আগে এমন যে কিছু একটা ঘটবে তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল আগে থেকেই। ঘটলও ঠিক তাই। মাত্র সাত মিনিটে ভাষণ শেষ করে বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল। আর এমন নজিরবিহীন ঘটনার পিছনে রয়েছে বিরোধীদের তুমুল হইহট্টগোল। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রাজ্যপাল বললে বিজেপি বিধায়করা হইচই করতে পারেন। দলের পরিষদীয় বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর ছিল। কিন্তু, রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত কোনও কিছু না থাকার কারণেই বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলে থমকে যায় রাজ্যপালের ভাষণ। প্রথমে স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ফের শুরু হয় ভাষণ। কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চলেনি। সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েই বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। রাজ্যপাল ভাষণ শুরু করতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের পোস্টার নিয়ে আসন ছেড়ে ওয়েলে নেমে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য বিধায়করা। উল্লেখ্য, এর আগে বিধানসভা অধিবেশনে এরকম বিরোধী হট্টগোলের অনেক নজির রয়েছে। কিন্তু রাজ্যপালের এরকম ভাষণ না দিয়ে বেরিয়ে আসার ঘটনা পরিষদীয় ইতিহাসে প্রথম। আশ্চর্যজনকভাবে এদিন বিরোধীদের হট্টগোলের পালটা কোনও ঝামেলা করতে দেখা যায়নি সরকারপক্ষের কাউকেই।

জুলাই ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 76
  • 77
  • 78
  • 79
  • 80
  • 81
  • 82
  • ...
  • 103
  • 104
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সঙ্গীদের বাঁচাতে ফোন ভাঙলেন রানা, নোটবুক খুলতেই তদন্তকারীদের হাতে এল বড় সূত্র

মোবাইল ভেঙে ফেলেও রক্ষা হল না! সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে ফোন নষ্ট করেছিলেন বলে জেরায় দাবি করেছেন ধৃত পাক গুপ্তচর রানা রউফ খালিদ। কিন্তু তাঁর নোটবুক থেকেই তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে আরও ছয় জন সন্দেহভাজনের নাম। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জন নেপালের বাসিন্দা এবং এক জন বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম। তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজকেও তপসিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানার সঙ্গে বিদেশে থাকা কয়েক জন সন্দেহভাজনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।জেরায় রানা কী তথ্য দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার সেনা ছাউনি, সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ছাউনি, রেলস্টেশন এবং রেলপথের ছবি, ভিডিয়ো ও মানচিত্র সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো হত। এই কাজে তপসিয়ার ইজাজ তাঁকে সাহায্য করতেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তকারীদের আরও দাবি, নেপালে থাকা পাঁচ জনের কাছে ওই তথ্য পাঠানো হত। তাঁদের নাম কাশিফ, হানিফ চৌধুরি, সোহায়েল, জেডি এবং হারুণ সফদার বলে রানা তাঁর নোটবুকে লিখে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের বাসিন্দা পাভেলের নামও সেই নোটবুকে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ছয় জনের সঙ্গে রানার যোগাযোগ ছিল।বিদেশে থাকা ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য মুছে ফেলতেই নেপালে গিয়ে নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেছিলেন বলে জেরায় রানা দাবি করেছেন। তবে দুটি সিম কার্ড নষ্ট করেননি তিনি। সেই সিম কার্ড দুটি তদন্তকারীরা উদ্ধার করেছেন। ফলে মোবাইল নষ্ট করলেও যোগাযোগের সূত্র পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি বলে তদন্তকারীদের অনুমান।জেরায় রানা আরও জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে কয়েক জনের সঙ্গে বৈঠকের পর বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। বাংলাদেশে পাভেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। যশোরে পৌঁছনোর পর পাভেল তাঁকে একটি নতুন মোবাইল দেওয়ার কথা ছিল। সেই ফোনে দুটি সিম ঢুকিয়ে নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে ফের যোগাযোগের পরিকল্পনা ছিল বলে জেরায় উঠে এসেছে।বাংলাদেশ ও নেপালে থাকা ওই ছয় জনের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সরকারের কাছে তথ্য পাঠানো হচ্ছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। তাঁদের সঙ্গে রানার যোগাযোগের ধরন এবং কী ধরনের তথ্য আদানপ্রদান হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, চরবৃত্তির মাধ্যমে তথ্য পাচার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন রানা। যদিও গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে মাত্র ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছে। হাবড়ার চোংদা বাজারের কাছে ধরা পড়ার পর নিজের আধার ও ভোটার কার্ড দেখিয়ে নিজেকে তপসিয়ার বাসিন্দা ওয়াহাব আলম বলে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি বলে অভিযোগ।বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রানা প্রথমে অস্বস্তিতে পড়েন বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি পাকিস্তানের নাগরিক বলে স্বীকার করেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর কাছ থেকে সিম কার্ড উদ্ধারের পর মোবাইলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে ফেলার কথাও স্বীকার করেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

সৌরভের বাড়িতে পুলিশ কেন? জিজ্ঞাসাবাদের অভিযোগের পর সরাসরি কেন্দ্রের দিকে আঙুল

পুদুচেরিতে সৌরভ দাসের বাড়িতে পুলিশের যাওয়াকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মুখপাত্র সৌরভের অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাঁর পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি সরকারের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে।সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ জানান, কয়েক ঘণ্টা আগে পুদুচেরি পুলিশ তাঁর বাড়িতে যায়। সেখানে পরিবারের সদস্যদের নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর। কেন পুলিশ বাড়িতে এসেছিল, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।সৌরভের অভিযোগ, পুদুচেরি পুলিশ কেন এ ভাবে হয়রানি করছে? কে নির্দেশ দিয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে? এটাই কি আইনি প্রক্রিয়া? তাঁর দাবি, শুধুমাত্র তাঁকে ভয় দেখানোর জন্যই পরিবারের সদস্যদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।ককরোচ জনতা পার্টির এই মুখপাত্রের আরও অভিযোগ, পুদুচেরির বিজেপি সরকার তাঁর পরিবারকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। যদিও তাঁর এই অভিযোগের সমর্থনে কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আনেননি সৌরভ।সৌরভ আরও বলেন, তাঁকে চুপ করানোর জন্য পরিবারের উপর চাপ তৈরি করা হলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না। ভয় দেখিয়ে তাঁর বক্তব্য বন্ধ করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের ঘটনা বরং আইন মেনে চলা এবং আরও উন্নত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।তবে সৌরভের অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত পুদুচেরি প্রশাসন বা বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে কেন পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল এবং সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর ভারতে থেকে ভুয়ো পরিচয়! বাংলাদেশ পালানোর আগেই হাবড়ায় ধরা পাক গুপ্তচর

ভারতে ১৪ বছর ধরে বসবাস, তৈরি হয়েছিল ভুয়ো ভারতীয় নথি! বাংলাদেশে পালানোর আগেই হাবড়ায় পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে ধরা পড়ল পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তি। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম এবং তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়মের ছবি, একটি মানচিত্র, একাধিক দেশের ফোন নম্বর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।মঙ্গলবার রাতে যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় হাবড়ার চোংদা মোড়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় সেনা, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ সামনে এসেছে।তদন্তকারীদের দাবি, রানা ও ইজাজের কাছ থেকে কলকাতার সেনা সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়মের ছবি এবং একটি মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই ছবি এবং মানচিত্র কী ভাবে তাঁদের হাতে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আগামী ১৫ অগস্টের আগে কোনও বড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে সেনা গোয়েন্দাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার গতিবিধি, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙা সীমান্ত এলাকায় সেনার গতিবিধি সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। ঠিক কী কী তথ্য কোথায় পাঠানো হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত দুজনের বাড়ি পাকিস্তানের ফয়সলাবাদ জেলার হাফিজাবাদ গ্রামে। ২০১২ সালে নেপালের কাঠমান্ডু সীমান্ত দিয়ে রক্সৌল হয়ে ভারতে ঢোকার পর কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বসবাস শুরু করেন রানা। পরে সহযোগী ইজাজের সাহায্যে ওয়াহাব আলম নামে ভুয়ো ভোটার ও আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। পরে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়ে।রানা একাধিক বার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ হয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। ১১ অগস্ট বিশেষ সূত্রে রানার গতিবিধি সম্পর্কে খবর পাওয়ার পর নজরদারি শুরু করে বিশেষ তদন্তকারী দল। যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাঁদের গতিবিধি নজরে আসে। এর পর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ হাবড়ার চোংদা মোড়ে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের আরও দাবি, বাংলাদেশে ঢোকার আগে কয়েক জন সীমান্ত দালালের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন রানা। তাঁদের কাছ থেকে পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের একাধিক ফোন নম্বর, দুটি সিম কার্ড, একটি নোটবুক এবং বিভিন্ন বার্তার তথ্য উদ্ধার হয়েছে। কিছু তথ্য ও ফোন নম্বর মুছে ফেলার চেষ্টার প্রমাণও মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহে আগে ধৃত কয়েক জনের সঙ্গেও রানা ও ইজাজের যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। রানার ফোনে তাঁদের নম্বরও পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে আরও কয়েক জনের নাম তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে খবর। ফলে গত ১৪ বছরে ভারতে থেকে ধৃতেরা ঠিক কী ধরনের কার্যকলাপ চালিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তাঁরা কার আশ্রয়ে ছিলেন, কী ভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করলেন, তাঁদের অর্থের উৎস কী ছিল এবং সেনা ও রেলের তথ্য কী ভাবে বিদেশে পৌঁছতএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ফোর্ট উইলিয়মের ছবি ও মানচিত্র উদ্ধারের বিষয়টিও তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

ভারত চতুর্থ নয়, ষষ্ঠ! সংসদে মোদি সরকারের দেওয়া নতুন তথ্যে তোলপাড়

ভারতের অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বক্তব্যে বড় চমক। এক সময় ভারতকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে তুলে ধরা হলেও, রাজ্যসভায় কেন্দ্রের দেওয়া নতুন তথ্য বলছে অন্য কথা। অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নমিনাল জিডিপির হিসাবে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি ছিল। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে পঙ্কজ চৌধুরি জানান, আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাব অনুযায়ী নমিনাল জিডিপির ভিত্তিতেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির ক্রমতালিকা তৈরি হয়। মার্কিন ডলারের বর্তমান বিনিময়মূল্য, সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অন্যান্য দেশের আর্থিক পরিস্থিতির মতো একাধিক বিষয়ের উপর এই ক্রমতালিকা নির্ভর করে। তাই কোনও দেশের অবস্থান সময়ের সঙ্গে বদলাতেই পারে।কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপির পরিমাণ ছিল ৩.৯২ লক্ষ কোটি ডলার। সেই হিসাবে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের তালিকায় ভারত ছিল ষষ্ঠ স্থানে। ফলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে গিয়েছে বলে আগে যে দাবি সামনে এসেছিল, তার সঙ্গে নতুন তথ্যের ফারাক নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।ভারতের অর্থনীতিকে আরও বড় করার লক্ষ্য অবশ্য বদলায়নি। নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রথম থেকেই পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখেছে। কেন্দ্রের সেই লক্ষ্য এখনও পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তবে অর্থনীতির বর্তমান বৃদ্ধির হার ধরে রাখতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে বলে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।বিনিয়োগ সংস্থা জেফ্রিসের একটি অর্থনৈতিক মূল্যায়নেও দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তুলে আনার লক্ষ্য নিয়েও জল্পনা রয়েছে।অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অন্যতম অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদি সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যার মোকাবিলা করছে না। নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পর সেই বিতর্ক আরও জোরালো হতে পারে। কারণ, একদিকে ভারত দ্রুত অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার দাবি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাবে ষষ্ঠ স্থানে থাকার তথ্যদুইয়ের মধ্যে ফারাক নিয়েই এখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অনন্ত মহারাজকে কি গ্রেপ্তার করা হবে? মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় তীব্র জল্পনা

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আইন সবার জন্য সমান এবং নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি করলে আইন অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এরপরই অনন্ত মহারাজকে ঘিরে গ্রেপ্তারির জল্পনা শুরু হয়েছে।দিনহাটায় একটি কর্মসূচি শেষে অনন্ত মহারাজ নেতাজি এবং আজাদ হিন্দ ফৌজকে নিয়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, কোচবিহারের মহারাজার ভূমিকার কারণেই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের লড়াই সম্ভব হয়েছিল। একই সঙ্গে নেতাজির নেতৃত্ব এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। নেতাজিকে নিয়ে এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জমা পড়ে। বিতর্ক ক্রমশ বাড়তে থাকায় বুধবার মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।জবাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কোনও ব্যক্তির নাম না করে স্পষ্ট করে দেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হবে। নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি বা অসম্মানজনক মন্তব্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধেও এবার কঠোর পদক্ষেপ হতে পারে?এই পরিস্থিতিতে নিজের বক্তব্য নিয়ে সুর কিছুটা নরম করেছেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি, তিনি কারও নামে বদনাম করেননি এবং কোনও মিথ্যা বা মনগড়া কথা বলেননি। তাঁর বক্তব্য, তিনি ইতিহাসের কথাই বলেছেন এবং কাউকে গালাগালি করেননি।অনন্ত মহারাজ আরও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, সেটি তাঁর বিষয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।তবে মুখ্যমন্ত্রীর আইন সবার জন্য সমান বার্তার পর অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যেই দায়ের হওয়া অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত কতদূর এগোয় এবং নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় আইনগত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা, ১৭ অগস্ট থেকেই কার কার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা?

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১৭ অগস্ট থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই যাঁদের যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, তাঁদের পাশাপাশি নতুন আবেদনকারীরাও এই সুবিধা পাবেন।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা নিয়ে একদিকে যেমন অনেক মহিলা টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, অন্যদিকে আবার যোগ্য নন এমন ব্যক্তিদেরও টাকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করে রাজ্য সরকার।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১৩ অগস্ট পর্যন্ত এই যাচাইয়ের কাজ চলবে। যাঁদের নাম এবং তথ্য যাচাই হয়ে গিয়েছে, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ১৭ অগস্ট থেকেই টাকা পাঠানো হবে। নতুন করে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁরাও নির্ধারিত নিয়ম মেনে এই সুবিধা পাবেন।শুধু প্রথম দফার টাকা নয়, প্রতি মাসে যাতে নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পৌঁছয়, সেই বিষয়েও বড় বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই অর্থ দফতরের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পের টাকা নিয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করেই টাকা দেওয়া হবে। গত সরকারের আমলে বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্পে যে ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, নতুন সরকারের আমলে তা কোনওভাবেই হতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই যে তথ্য যাচাই শুরু হয়েছে, সেটিও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই করা হচ্ছে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছবে। ফলে ১৭ অগস্ট থেকে শুরু হওয়া টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়ায় নজর থাকছে রাজ্যের বহু মহিলার।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি শংসাপত্রে বড় ধাক্কা! ২০১০-এর পরের সব শংসাপত্র বাতিল, কারা এবার সাধারণ শ্রেণিতে?

ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিনের মামলায় বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা হাই কোর্টের। বুধবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শ্রেণির সব শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে রাজ্যে ওই দুই আলাদা শ্রেণির ওবিসি শংসাপত্র আর কার্যকর থাকল না।২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে মামলা গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। পরে মামলাটি ফের কলকাতা হাই কোর্টে ফিরে আসে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতেই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল আদালত।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসির জন্য ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি নামে দুটি শ্রেণি তৈরি করেছিল। এই ব্যবস্থা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল।মামলাটি আগে কলকাতা হাই কোর্টে উঠলে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ওই শংসাপত্রগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং সেগুলি বাতিলের নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। শীর্ষ আদালত পরে মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।এর মধ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওবিসি সংক্রান্ত মামলাটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে অবস্থান বদল করা হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাই কোর্টে বিশেষ বেঞ্চের মাধ্যমে মামলার শুনানি ফের শুরু হয়।এবার সেই শুনানিতেই ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই সময়ের মধ্যে এই দুই শ্রেণির শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের সামনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে তাঁদের সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট সুবিধার ভবিষ্যৎ নিয়ে।মামলার এই রায়ের ফলে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরি, শিক্ষা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধার ক্ষেত্রে এই রায়ের প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

এ এক অন্য রান্নার গল্প: কচু বাটা, এই স্বাদের সত্যিই কোনও ভাগ হয় না

রান্না শুধু পেট ভরানোর কাজ নয়, এটি স্মৃতি, ভালোবাসা আর সৃষ্টির এক সুন্দর প্রকাশ। বাঙালির রান্নাঘরে এমন অনেক পদ আছে, যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শৈশবের স্মৃতি, মায়ের হাতের স্বাদ আর পরিবারের একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দ। তেমনই একটি সহজ অথচ অসাধারণ স্বাদের পদ হলো কচু বাটা।কচু বাটা নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় গ্রামের রান্নাঘর, মাটির উনুনের আঁচ আর সরল অথচ সুস্বাদু খাবারের কথা। কচুর মধ্যে লুকিয়ে থাকা মাটির গন্ধ ও নিজস্ব স্বাদকে মশলার সঙ্গে মিশিয়ে যে অপূর্ব পদ তৈরি হয়, তা সত্যিই বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ।কচু পরিষ্কার করা থেকে শুরু হয় এই রান্নার গল্প। কচু কাটার সময় অনেকের হাত চুলকায়, তাই সাবধানে তা পরিষ্কার করতে হয়। তারপর কাঁচা কচুকে গ্রিড করে নিতে হবে। কালো ও সাদা সর্ষে, কাঁচালঙ্কা, নুন, নারকেল, পোস্ত, কাজু বাদাম যোগ করলে এতে স্বাদ আরও বেড়ে যায়। সব কিছু একসঙ্গে নিয়ে মিক্সারে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর কড়াইতে পরিমান মতো সর্ষের তেল নিতে হবে। এবার গরম সর্ষের তেলে ফ্রাই করে নিলেই কচু বাদা অমৃতে পরিনত হবে। কচু বাটা যখন গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়, তখন তার সরল স্বাদ মন ছুঁয়ে যায়। প্রথম গ্রাসেই মনে হয় এ যেন শুধু খাবার নয়, পুরনো দিনের এক টুকরো স্মৃতি। দুপুরের শান্ত সময়ে ভাতের সঙ্গে কচু বাটা, পাশে একটু ডাল বা ভাজা, এই সাধারণ খাবারেও লুকিয়ে থাকে এক গভীর তৃপ্তি।আজকের ব্যস্ত জীবনে অনেক নতুন নতুন রান্নার ভিড়ে কচু বাটার মতো দেশি পদ আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের শিকড়ের কথা। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে তৈরি করা এই পদে যেমন শ্রম আছে, তেমনই আছে ভালোবাসা ও আনন্দ। কচু বাটা তাই শুধু একটি রান্না নয়, এটি বাঙালির ঘরের স্বাদ, স্মৃতি আর ভালোবাসার এক ছোট্ট গল্প। এর স্বাদ সত্যিই কোনও ভাবে ভুলে যাওয়ার নয়।কচু বাটা: উপকরণমান কচু, নারকেল, কালো সর্ষে, সাদা সর্ষে, পোস্ত, কাদুবাদাম, নুন, চিনি, লঙ্কা।

আগস্ট ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal