• ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

রাজ্য

উত্তরবঙ্গের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বৈঠকে ডাকলেন রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ, উত্তরবঙ্গ কৃষি, রায়গঞ্জ, কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সহ উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারদের সঙ্গে দেখা করবেন। বৃহস্পতিবার টুইট করে বৈঠকের কথা জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি টুইটে আরও লেখেন , আগামী ৯ নভেম্বর দার্জিলিংয়ের রাজভবনে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। উপাচার্যদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে আসার কথাও লেখেন। ৮ নভেম্বরের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিতির কথাও জানাতে হবে বলেও আরেকটি টুইটে উল্লেখ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ এর আগে তিনি একাধিকবার রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চাইলেও তখন তারা হাজির হননি। এবার উপাচার্যরা তাঁর ডাকে সাড়া দেন কিনা , সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আরও কম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

সঙ্কট যেন কিছুতেই কাটছে না অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। বুধবার রাতে বেলভিউ হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, সৌমিত্রবাবুর রক্তে হিমোগ্লোবিন ও অনুচক্রিকার মাত্রা তলানির দিকে। তাঁর ট্র্যাকিওস্টমি করার কথাও ভাবছেন চিকিৎসকরা। তবে এখনও কোনও কিছুই চূড়ান্ত নয়। এদিন নতুন করে তাঁর দেহে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়নি। বাড়েনি ভেন্টিলেশনের মাত্রা। আরও পড়ুন ঃ কিডনির স্ট্রেস কমাতে ফের ডায়ালিসিস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ইতিমধ্যেই চারবার ডায়ালিসিস হয়ে গিয়েছে অভিনেতার। তবু বুধবার স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই কম মূত্র নিঃসরণ হয়েছে তাঁর। হাসপাতাল সূ্ত্রে জানা গিয়েছে , বৃহস্পতিবার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কিডনির সমস্যা নিয়ে আলোচনায় বসতে চলেছে নেফ্রোলজি ও নিউরোলজি বোর্ড।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল বাজি ব্যবসায়ী সমিতিকে তলব নবান্নে

আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বাজি ব্যবসায়ী সমিতিকে ডেকে পাঠানো হল নবান্নে। মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে তারা বৈঠকে মিলিত হবেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে সমিতির তরফ থেকে বাবলা রায় মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে তাদের বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করেন। সেখানে ৩১ লক্ষ মানুষের জীবন ও জীবিকা সংশয়ের বিষয়টি জানানো হয় । তারপরই মুখ্যমন্ত্রী বাজি ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের তলব করেন। আরও ্পড়ুন ঃ মতুয়া উন্নয়ন পর্যদের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গত , চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে কালীপুজো ও দিওয়ালিতে বাজি না পোড়ানোর জন্য অনুরোধ করা হয় সরকারের তরফ থেকে। কারণ , বাজি ফাটালে করোনা রোগীদের বিস্তর সমস্যা হতে পারে। এনিয়ে এদিন চিকিৎসক ও পরিবেশকর্মীদের সংগঠনগুলির তরফ থেকে রাজ্য সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে আবেদন করা হয় , এই বছর যেন বাজি বিক্রি ও বাজি পোড়ানো বন্ধ থাকে। চিঠিতে এই দাবি করা হয়েছে , বায়ু দূষণের জেরে কোভিড ৬ থেকে ৭ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে।পৃথিবীতে করোনা সংক্রমণের জেরে যাদের মৃত্যু হচ্ছে , তার ১৫ শতাংশের মৃত্যুর কারণ বায়ু দূষণ। তাই দিওয়ালিতে বাজি পুড়লে তা করোনা সংক্রমণ বাড়ানো্র ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে বলে মত চিকিৎসকদের। তাই বাজি বিক্রি ও বাজি পোড়ানো যতটা সম্ভব কম করা যায় , এদিনের চিঠিতে সেই আবেদনই করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
বিদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বিডেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

হোয়াইট হাউস কার দখলে ? ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বিডেনের মধ্যে লড়াই চলছে হাড্ডাহাড্ডি। প্রথম দিকে জো বিডেন এগিয়ে থাকলেও পরে ধীরে ধীরে জমি ফিরে পাচ্ছেন ট্রাম্প। টক্কর চলছে সমানে সমানে। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত, জো বিডেনের হাতে রয়েছে ২২৫টি ইলেক্টোরাল ভোট। ট্রাম্পের ঝুলিতে রয়েছে ২১৩টি। ৫৩৮ আসনের ইলেক্টোরাল কলেজ-এ ম্যাজিক ফিগার ২৭০। আটটি রাজ্যের মধ্যে ৬ টিতেই ইতিমধ্যে এগিয়ে গেছেন ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দখলে গিয়েছে ফ্লোরিডা। এই ফ্লোরিডা রাজ্যকেই আমেরিকার রাজনীতি্র নির্ণায়ক বলা হয়। আরও পড়ুন ঃ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সন্ত্রাসবাদী হামলা , নিহত ৭ হোয়াইট হাউস থেক সরাসরি সমর্থকদের সামনে জয়ধ্বনি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সাফ জানান, আমরা নির্বাচন জিতেছি। এবার কারচুপি হলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করব। নর্থ ক্যারোলিনার মতো প্রদেশে আমরা জিতেছি। এবার যদি ফল অন্য আসে তার মনে বুঝতে হবে কারচুপি হয়েছে।এবার ফলাফল যদি অন্য কিছু হয় তাহলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করবে তাঁর দল। তিনি এদিন বলেন , নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ব্যালট জমা নিলে কারচুপি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের মতোই নিজেদের গড় রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে দুই দলই। ফলে ফলাফল নির্ভর করছে সুইং স্টেটগুলির উপর। অন্যবার এই সময়ে মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে আগামী চার বছর কার দখলে থাকছে হোয়াইট হাউস। কিন্তু এবার করোনা মহামারীর জেরে মেল-ইন-ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন প্রায় ১০ কোটি মার্কিন জনতা। ফলে সেগুলির হিসেবে কিছুটা সময় লাগছে। যাই হোক, মার্কিন রাজনীতিতে বরাবরই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ঠিক করে ব্যাটল গ্রাউন্ড স্টেটগুলি। এবারও তেমনটাই দেখা যাচ্ছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ , এলাকায় আতঙ্ক

চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হল। স্থানীয়দের মতে, বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ আচমকাই বিস্ফোরণের শব্দ পান। দৌড়ে গিয়ে দেখেন বাজি কারখানাটি দাউদাউ করে জ্বলছে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে চতুর্দিক। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আজ যারা বাজি কিনতে গিয়েছিলেন , সকলকে নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। এছাড়াও বারুইপুর থানার পুলিশ আধিকারিকরাও খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। বেশ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। আরও পড়ুন ঃ আজ দুদিনের রাজ্য সফরে অমিত শাহ প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে , কারখানায় মজুত থাকা বাজি থেকেই এই বিস্ফো্রণের ঘটনা ঘটেছে। বিপুল পরিমাণে বাজি থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার জেরে এলাকাবাসী ব্যাপক আতঙ্কে রয়েছেন। সামনেই কালীপুজো। তার আগে এই বিস্ফো্রণের ঘটনায় কয়েক লক্ষ টাকার বাজি নষ্ট হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কারখানায় অবৈধভাবে বাজি মজুত ছিল কিনা ও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করছিল কিনা , তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
বিনোদুনিয়া

কিডনির স্ট্রেস কমাতে ফের ডায়ালিসিস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

শারীরিক অবস্থা একইরকম হয়েছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। মঙ্গলবার ডাক্তার কর জানান, বর্ষীয়ান অভিনেতার নতুন করে রক্তক্ষরণ হয়নি। তাঁর শারীরিক অবস্থা একইরকম হয়েছে। হিমোগ্লোবিন প্রায় স্থিতিশীল পর্যায়ে চলে এসেছে। কিডনির স্ট্রেস কমাতেই এদিন ডায়ালিসিস করা হয়েছে। ইউরিন আউটপুট ভাল। ভাস্কুলার সার্জেন, রেডিওলজিস্ট, অ্যানাস্থেসিস্ট তাঁকে ২৪ ঘণ্টাই পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। নতুন করে যাতে আর রক্তক্ষরণ না হয়, সেদিকেই বিশেষভাবে খেয়াল রাখছেন চিকিৎসকরা। আরও পড়ুন ঃ ১৪ বছর বয়সে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন আমির কন্যা ইরা অভিনেতার শারীরিক অবস্থা সন্তোষজনক হলেই তাঁর নিউরোলজিক্যাল বিষয়গুলি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা হবে। গত কয়েকদিনের মতো মঙ্গলবারও অভিনেতার মস্তিষ্কের স্নায়ুর সচেতনতা অর্থাৎ গ্লাসগো কোমা স্কেলে সূচক ১০-এর কাছাকাছি। আচ্ছন্নভাব থাকলেও চোখ খুলছেন তিনি।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

আগামী ৬ নভেম্বর পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর  বাড়িতে অমিত শাহঃ অর্জু্ন সিং

ক্যানিংয়ে আমাদের কোনও সংগঠন নেই যে আমাদের লোকেরা ওদের গুলি মারবে। নিজের নিজের ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে লড়ছে । ভাইপো বনাম পিসির লড়াই চলছে ওখানে। মঙ্গলবার তৃ্ণমূলের সমালোচনা করে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ অর্জু্ন সিং। তিনি বলেন , পশ্চিমবঙ্গে যারা রাজনৈতিক দলের লোক আছে , তাদের সবাইকে বলব , সাবধানে থাকুন। তৃ্ণমূলের গোষ্ঠী্দ্বন্ধের লড়াইতে সাধারণ মানুষ খুন হচ্ছে। আর দোষ চাপাচ্ছে বিজেপির উপরে। কখনও অন্য রাজনৈতিক দলের উপরে। ভো্ট যখন আসে , তখন তৃ্ণমূলের লোকেরা এসব করে থাকে। পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এটা পুরোপুরি অরাজনৈতিক ব্যাপার। আগামী ৬ নভেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওনার সঙ্গে দেখা করবেন। সে বিষয়ে ওনার কাছে আবেদন জানাতে গিয়েছিলাম। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ে গুরুংয়ের কোনও অস্তিত্ব নেইঃ বিনয় কৈলাস বিজয়বর্গীয় পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে বলেন , উনি বাংলা তথা দেশের গর্ব। আমি ওনাকে প্রণাম করতে গিয়েছিলাম। তৃ্ণমূলের যে গণ্ডগো্ল তা সিন্ডিকেট , কাট্মানি ও পয়সার জন্য হচ্ছে।কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, সকালে ও বিকালে বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দুটি বৈঠক করবেন অমিত শাহ। অনেকের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

দশ বছর ধরে ঘরছাড়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বাড়ি ফেরাল জোড়াসাঁকো থানার এসআই

দশ বছর ধরে ঘরছাড়া এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বাড়ি ফিরিয়ে দিল কলকাতা পুলিশের এক এসআই। সাব ইন্সপেক্টরের নাম তপন কুমার দাস।তিনি জোড়াসাঁকো থানায় কর্মরত। জানা গিয়েছে , গত ২৯ অক্টোবর কলেজ স্ট্রিটে বর্ণপরিচয় মার্কেটের এক নম্বর গেটের সামনে অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন ওই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। পোশাক ছিল অবিন্যস্ত। ব্যক্তিটিকে এক ঝলক দেখেই তিনি বুঝতে পারেন, আগে মানুষটিকে সুস্থ করে তোলা প্রয়োজন। সেইমতো জল এবং খাবারের ব্যবস্থা করা হয়, ছেঁড়া পোশাক পাল্টে দেওয়া হয় এবং ব্যবস্থা করা হয় প্রয়োজনীয় মানসিক চিকিৎসারও। জানা যায়, যুবকের নাম অজিত সর্দার, বয়স ৩২ বছর, বাড়ি উত্তর ২৪ পরগণার সন্দেশখালি থানার অন্তর্গত একটি গ্রামে। অজিতবাবুর ভাইয়ের সঙ্গে সন্দেশখালি থানার ওসির মাধ্যমে যোগাযোগ করে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। সেদিনই সন্ধ্যাবেলা জোড়াসাঁকো থানায় উপস্থিত হন অজিতবাবুর ভাই দিলীপ সর্দার, এবং ভাইকে শনাক্ত করে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল থেকেই কলকাতা সহ রাজ্যে অনুভূত হবে শীত জানা গিয়েছে , অজিত ঘরছাড়া হন দশ বছর আগে। পারিবারিক বিবাদই ছিল তার ঘরছাড়ার পিছনে মূল কারণ। তখন থেকে নিখোঁজ ছিলেন অজিত। মানসিক অবসাদগ্রস্তও হয়ে পড়েন তিনি। উদভ্রান্তের মতো রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন অজিত । ঠিকানা বলতে তার ছিল রাস্তা অথবা ফুটপাথ। এক দশকের সেই ভবঘুরে জীবনের অবসান ঘটালেন জোড়াসাঁকো থানার এসআই।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণ , মৃত ১

দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণের জেরে একজনের মৃত্যু হল। মৃতের নাম ওমপ্রকাশ চৌহান। তিনি একজন ঠিকাকর্মী। এই বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। আহত কর্মীর নাম বাম রুইদাস। তিনি ডিপিএলের নিরাপত্তারক্ষী। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ তাকে ভরতি করা হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালে। জানা গিয়েছে , মঙ্গলবার সকাল ১১ টা ১০ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে ডিপিএলের ৭ নম্বর কনস্ট্রাকশন গেট এলাকা। ঘটনাস্থলে আসে কোকওভেন থানার পুলিশ। তারা মৃতদেহ উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। কিন্তু কীভাবে এই বিস্ফোরণ হল , তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ

রাজ্যের রাজ্যপালের পাহাড় সফর নিয়ে যাঁরা বিরোধিতা করছেন তাদের পাহাড়ে ওঠার হিম্মত নেই। তাই তাঁরা রাজ্যপালকে নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সমালোচনা করছেন। মঙ্গলবার সকালে বিষ্ণুপুর রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে চায়ে পে চর্চা কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে রাজ্যপালের স্বপক্ষে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি আরও বলেন , রাজ্যপালের পাহাড় সফর যুক্তি সম্মত। রাজ্যপালের পাহাড়ে যাওয়াতে পাহাড়ের মানুষ সাহস পাবে, উৎসাহিত হবে। একজন রাজ্যপাল তার দায়িত্ব কর্তব্যকে বজায় রেখে কাজ করছেন। আরও পড়ুন ঃ বিমল গুরং আইনের ঊর্ধ্বে নয়ঃ বিনয় উল্লেখ্য , পাহাড় ইস্যুতে বুধবার নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে বিনয় তামাংয়ের। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন , যাঁরা রাষ্ট্রদ্রোহী যাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ রয়েছে তাদের হাত ধরে মমতা ব্যানার্জী পাহাড়ে উঠতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাই করুক পাহাড়ে তৃণমুলের ঝান্ডা উড়বে না। এদিনের এই কর্মসূচিতে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
বিনোদুনিয়া

এখনও গভীর সঙ্কটজনক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এখনও স্বাভাবিকের থেকে কম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। রবিবার সন্ধের পর থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে সাময়িক, তবে এখনও তা ভরসা যোগাচ্ছে না চিকিৎসকদের। চিকিৎসক অরিন্দম কর জানান , বর্ষীয়ান অভিনেতার ইন্টারনাল ব্লিডিং বা রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। নতুন করে যাতে আর কোনওভাবে রক্তক্ষরণ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। সোমবার রাতে বা মঙ্গলবার সকালে একটা ছোট ভাস্কুলার প্রসিডিয়োর করে শরীরের মধ্যে জমে থাকা রক্ত বের করে নেওয়া হবে, যাতে সেখান থেকে আবার একদফা সংক্রমণ না-ছড়ায়। তবে রক্তচাপ স্বাভাবিক রয়েছে, হৃদযন্ত্র,ফুসফুস সহ অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক ভাবে কাজ করছে। যদিও করোনা এনকেফেলোপ্যাথির জন্য তাঁর মস্তিষ্ক স্বাভাবিক ভাবে কাজ করছে না৷ আরও পড়ুন ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা খুবই কম তিনি আরও ্জানান , তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও ঠিকই রয়েছে। তবে তাঁর অচেতন ভাব এখনও কাটেনি। সেটিই কীভাবে কাটিয়ে আবার আগের মতো সুস্থ করা সম্ভব হয় সে বিষয়েই চিন্তাভাবনা চালাচ্ছেন চিকিৎসকরা। ফেলুদাকে ২৪ ঘণ্টা ভাস্কুলার সার্জেন, রেডিওলজিস্ট, অ্যানাস্থেসিস্ট পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা খুবই কম

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে । সোমবার এমনটাই জানানো হয়েছে বেলভিউ হাসপাতালের তরফ থেকে। এদিন চিকিৎসক অরিন্দম কর জানান , আজ রক্তক্ষরণ হয়নি। যদিও রক্ত দেওয়ার পরও তাঁর শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা খুবই কম। যদি ফের তাঁর শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে তাহলে বিশেষজ্ঞ টিমের সঙ্গে কথা বলে তাঁর ভাসকুলার ইন্টারভেশন করা হবে । হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নতুন করে নেমে যায়নি । তাঁর হার্ট রেট, ব্লাড প্রেসার সব কিছুই স্থিতিশীল রয়েছে । আজ আর কোনও ডায়ালিসিস করা হবে না । তাঁর শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ কীভাবে বন্ধ করা যায় এখন সেটাই চেষ্টাই করছি আমরা । বিষয়টা অনেকটাই আয়ত্তে আনা গিয়েছে । তবে আমরা কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছি না । আরও পড়ুন ঃ শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

নভেম্বর ০২, ২০২০
নিবন্ধ

নদী কে জায়গা দিনঃ প্রসঙ্গ গঙ্গা ভাঙ্গন

বর্ষা শুরু হলেই আতঙ্কের প্রহর গোনা শুরু হয় মানুষ গুলোর। ঝুপ ঝাপ নদী পাড়ের মাটি খসে পড়া নতুন নয় এদের কাছে। তবে বর্ষার বিপুল জলরাশির যোগানে উন্মত্ত নদী যখন বিঘের পর বিঘে জমি, বাস্তু ভিটে, রাস্তা থেকে শুরু করে সভ্যতার সব নিদর্শন মুছে দিতে উদ্যত হয়, তার প্রলয়ঙ্করী রূপে মানুষ আতঙ্কিত হয়, জীবন হানিও ঘটে। নদী ভাঙন এক অতি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নিয়ম, কিন্ত এই ভাঙনের কবলে পড়ে যখন মানুষ বিপর্যস্ত হয় তখন তা বিপর্যয় রূপে দেখা দেয়। দিশেহারা, সর্বহারা মানুষের হাহাকারে ভারী হয়ে যায় ভাঙ্গন কবলিত এলাকার বাতাস। এরা সেই মানুষ গুলো যাদের সাথে নদীর যুগযুগ ধরে আত্মীয়তার সম্পর্ক। নদীর তীরে বসবাসকারী কোটি কোটি মানুষের জীবনে নদী যেমন আশীর্বাদ স্বরূপ ঠিক তেমনই আতঙ্কের কারণ। নদীমাতৃক ভারতবর্ষ তথা পশ্চিমবঙ্গে প্রাচীন কাল থেকেই নদীর তীরবর্তী অঞ্চল মানুষের বসবাসের স্থান হিসাবে খুব জনপ্রিয়।তার অন্যতম কারণ গুলি হলো সুলভ উর্বর জমি, পরিবহনের সুবিধা, বানিজ্যিক আদান প্রদান, মাছ ধরা সহ নানা রকমের জীবিকার সুযোগ। গাঙ্গেয় সভ্যতা সংস্কৃতি অতি প্রাচীন, সেটা সন্দেহাতীত, কিন্ত ব-দ্বীপে গঙ্গার প্রাচীন প্রবাহ পথ নিয়ে যথেষ্ঠ মত পার্থক্য আছে। রাধাকমল মুখার্জি, কাননগোপাল বাগচী এবং ওল্ডহ্যাম, রিকস, শেরউইল প্রমূখ ব্রিটিশ নদী বিশেষজ্ঞরা ভাগীরথী কেই গঙ্গার প্রাচীন প্রবাহ পথ বলে তাঁদের লেখায় উল্লেখ করেছিলেন। পরবর্তীকালে সেচ বিশেষজ্ঞ উইলককস তাঁর ধারণার কথা বলতে গিয়ে ভাগীরথী কে সেচের জন্য কাটা খাল বলে উল্লেখ করেছিলেন, বিভিন্ন মানচিত্র বিশ্লেষণ করে অনেকেই তাঁর মত সমর্থন করেন এবং পদ্মাকেই গঙ্গার আদি প্রবাহ পথ বলে তাঁদের লেখায় উল্লেখ করেন। প্রাচীনত্বের দিক থেকে গঙ্গা বা ভাগীরথী যেটিই হোক কিন্ত জনবসতি ও সংস্কৃতির ক্ষেত্র হিসেবে ভাগীরথীর উপত্যকা বেশি প্রাচীণ তা এর তীরে ছড়িয়ে থাকা তাম্রলিপ্ত, কর্ণ সুবর্ণ, চন্দ্রকেতুগড় ইত্যাদি স্থান গুলি প্রমাণ করে।গগঙ্গা নদী বাংলায় প্রবেশ করেছে রাজমহল পাহাড়ের পাশ দিয়ে। প্রাচীণ যুগে গারো-রাজমহল গ্যাপ নামক ভূপ্রাকৃতিক খাতটি পলি সঞ্চয়ের ফলে বর্তমানে এই সমভূমিতে পরিণত হয়েছে। এই পলি শুধুমাত্র হিমালয় থেকে নিয়ে আসা সূক্ষ্ গঙ্গা বাহিত পলি নয়। দামোদর, অজয় সহ একাধিক নদ নদী, ছোটনাগপুরের মালভূমি থেকে মোটা দানার বালি মিশ্রিত পলি নিয়ে এসে প্রাথমিক ব- দ্বীপ গঠনের কাজ করেছিলো যাকে বলে প্যারা ডেল্টা। এর উপর সঞ্চিত হয়েছে গঙ্গার পলি। বালি মিশ্রিত নিম্নভাগে র পলির অভ্যন্তরীণ বাঁধন আলগা হওয়ার জন্য নদীর জলের প্রবল চাপে তা সহজেই আলগা হয়ে ধুয়ে যায়।উপরের কাদা মিশ্রিত পলি স্তর ঝুলন্ত অবস্থায় থাকতে না পেরে খসে পড়ে। এটিই পাড় ভাঙার প্রক্রিয়া। নদীর প্রস্থ বরাবর একটি নির্দিষ্ট অংশে পর্যা়ক্রমিকভাবে এই ভাঙাগড়ার কাজ চলে, ভূগোলের পরিভাষায় যাকে বলে meander belt বা রিচ পয়েন্ট। এর মধ্যে নদীর চলাচল এক অতি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নিয়ম।এটা ঘটবেই।রাজমহল থেকে ফারাক্কা পর্যন্ত ৭২ কিমি পথে বামদিক থেকে অনেক শাখানদী এসে মিশেছে, যেমন কালিন্দী, ফুলহার, মহানন্দা, ছোট ভাগীরথী ইত্যাদি। সম্ভবত ১৫৭৫ এ গৌড় এর ধ্বংসের আগে পর্যন্ত কালিন্দী, মহানন্দা, ছোট ভাগীরথী বরাবর ছিল গঙ্গার প্রবাহ পথ। কিন্ত ১৫৭৫ এর পর গঙ্গার গতিপথ পরিবর্তন ঘটে যার প্রমাণ পাওয়া যায় ১৭৭৯ এর J. D. Rennell এর মানচিত্রে যেখানে গঙ্গার অবস্থান গৌড়ের অনেকটা দক্ষিণে। রাধাকমল মুখোপাধ্যায় তাঁর The Changing Face of Bengal গ্রন্থে এই কালিন্দী কেই গঙ্গার মূলস্রোত বলে উল্লেখ করেছিলেন। যদুনাথ সরকারের রচনা The History of Bengal (Muslim Period) থেকে ধারণা করা যায় যে সেই সময় রাজমহলের পর গঙ্গা একাধিক শাখায় বিভক্ত হতো। একটি কালিন্দী- মহানন্দার পথে, অপরটি গঙ্গা -পদ্মার খাত ধরে। বর্তমানে মুর্শিদাবাদ জেলার মিঠিপুর গ্রামের কাছে গঙ্গা দুটি শাখায় ভাগ হয়েছে, একটি পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, আর ভাগীরথী দক্ষিণমুখী হয়ে প্রায় ৫০০কিমি পথ অতিক্রম করে মায়াপুরের কাছে জলঙ্গী র সাথে মিলিত হওয়ার পর হুগলী নদী নাম নিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। গঙ্গার থেকে ভাগীরথীর যে উৎস মুখ তা বিগত কয়েক শতাব্দী তে বার বার পরিবর্তীত হয়েছে, বিভিন্ন গবেষণা প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রমান পাওয়া যায়। এরমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভাগীরথীর খাতটি পদ্মার তুলনায় কম বেশি এক মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এরফলে একমাত্র বর্ষা কাল ছাড়া ভাগীরথী তে স্বাভাবিক জলপ্রবাহ আসা সম্ভব নয়। ফিডার ক্যানেল এর মাধ্যমে সারা বছর জলের ধারা অব্যাহত রাখা ও কলকাতা বন্দরের নাব্যতা বজায় রাখার জন্য ফারাক্কা বাঁধের পরিকল্পনা করা হয়। প্রকৃতিকে আয়ত্তে আনতে গিয়ে হিমালয় থেকে নিয়ে আসা বিপুল পরিমাণ পলি সঞ্চয়ের ব্যাপারটা পরিকল্পনার ফাঁক হিসাবে থেকেই যায়। সূত্র বলছে প্রতি বছর আনুমানিক প্রায় ৬৪ কোটি টন পলি রাজমহল ও ফারাক্কার মাঝে গঙ্গা বক্ষে জমা হয়। গঙ্গা নদী প্রবাহ পথ আঁকাবাঁকা এবং ফারাক্কা ব্যারেজ নদীটির গতিশীল ভারসাম্য বিঘ্নিত করেছে এবং নদীটির স্বাভাবিক গতিপথ ব্যাহত করেছে। ফারাক্কা বাঁধের উজানে বাম দিকে এবং ফারাক্কা বাঁধের নিচের ডান প্রান্তের দিকে নদী প্রবাহের একটি সাধারণ প্রবণতা রয়েছে। ফারাক্কা বাঁধের উজানে পলিতে আবদ্ধ গঙ্গা পাড় ভেঙে নতুন পথের সন্ধান করছে।বাঁধ নির্মাণের পূর্বে এই ভাগীরথী তে জলের যোগান যা ছিল, পরবর্তীকালে তা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। পলি উজানে সঞ্চিত হয়ে যাওয়ার ফলে ভার মুক্ত নদী প্রবাহ নিচের অংশেও ভাঙন ঘটাচ্ছে। নদী প্রবাহিত হয় প্রাকৃতিক নিয়ম মেনে। গাঙ্গেয় ব -দ্বীপের যে অংশে গঙ্গা ও ভাগীরথী বয়ে চলেছে সেটি মূলত মৃতপ্রায় ব -দ্বীপের অন্তর্গত। এই পর্যায়ে নদীর কার্যক্ষমতা হ্রাস পায় বলে অত্যন্ত আঁকাবাঁকা পথে প্রবাহিত হয়। জলের চাপে অবতল দিকের পাড় ভাঙতে থাকে, অপর দিকে নতুন ভূমি জেগে ওঠে উত্তল দিকে। ক্রমাগত পলি সঞ্চয়ের ফলে ভূমিভাগের উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে নদী তার পুরোনো খাত পরিত্যাগ করে নতুন পথে চলে। এসবের ফলশ্রুতি হিসেবে দেখা যাই এক বৃহৎ অংশের মানুষ এই নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়েন প্রতি বছর। এবছরও তার ব্যাতীক্রম ঘটে নি।পাড় ভাঙনের সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে গঙ্গা বক্ষে গজিয়ে ওঠা চরের ভাঙ্গনের করুণ অধ্যায়। গঙ্গার ভাঙনের সাথে চর সৃষ্টি, অবলুপ্তি, পুনরাই জেগে ওঠার সম্পর্ক বেশ যে প্রাচীন তার প্রমান কিছুটা পাওয়া যায় Major Henry Thomas Colebrooke, W. W. Hunter (1876), Captain W. Sherwill দের বর্ণনায়। ভূতনির চর ও নিরমল চরে মানুষের জীবনযাপন চলে আবাস তৈরি, বাস্তুচুতি ও আবাস পুনর্নির্মাণের চক্রাকার আবর্তে।নদী মানুষের দ্বন্দ্বে অনেক ক্ষেত্রেই গঙ্গা বক্ষের চর গুলি হয়ে উঠেছিল মানুষের আশ্রয়ের ঠিকানা ও জীবনযাপনের রসদ।কিন্ত নদীর পাড় ভাঙ্গনের সুবাদে এবছর সেগুলিও সঙ্কটে।গঙ্গা তথা ভাগীরথীর তীরে পশ্চিমবঙ্গের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলী, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার এক বৃহৎ অংশের মানুষের বাস যারা প্রতি বছর নদীর পাড় ভাঙ্গনের কবলে পড়ে চরম দুর্দশার সম্মুখীন হন। ফি বছর নদীর পাড় ভাঙ্গনে গড়ে ৮ বর্গ কিমি জমি নদীগর্ভে হারিয়ে যায় আমাদের রাজ্যে। ফারাক্কা ব্যারেজের প্রবাহের উজানে ১৯৬৯ থেকে ১৯৯৯ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মালদা জেলায় গঙ্গার বাম তীরের ভাঙনের ফলে ৪.৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। মনিচাকের ২২ মৌজা, কালিয়াচক-১ এবং কালিয়াচক-২, কালিয়াচক-৩, রতুয়া-১ এবং রতুয়া-২ সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের বিস্তীর্ণ অঞ্চল নদী গর্ভে চলে গেছে। কালিয়াচক-২ ব্লকের ভূতনির চর ও পঞ্চানন্দপুরের মধ্যে নদীর বাম তীরের অঞ্চলটি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। এই বছর ভাঙনের কবলে মালদার রতুয়া-১ নম্বর ব্লকের বিলাইমারি ও মহানন্দাটোলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা বিপর্যস্ত। ওই দুই পঞ্চায়েতের নয়া বিলাইমারি, খাকচাবনা, টিকলিচর ও জঞ্জালিটোলা গ্রামগুলিতে গঙ্গা ভাঙন শুরু হয়েছে।মুর্শিদাবাদ জেলায় গঙ্গার তীরেও প্রায় কয়েক কোটি মানুষ বাস করেন। ফারাক্কা ব্যারাজের নীচ থেকে জলঙ্গী পর্যন্ত গঙ্গার ডান তীরে ৯৪ কিমি ব্যাঙ্কলাইন রয়েছে এবং ফারাক্কা, সামশেরর গঞ্জ, সুতি-১, সুতি-২, রঘুনাথগঞ্জ-২, লালগোলা, ভগবানগোলা-১, ভগবানগোলা-২, রাণী নগর-১, রাণী নগর-২ এবং জলঙ্গী প্রভৃতি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের এই সমস্ত এলাকায় তীব্র পাড় ভাঙন ঘটে। ফারাক্কার কুলদিয়ার চর সহ হোসেনপুর চর এই বছরে ইতিমধ্যেই ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। গঙ্গা ও ফুলহার নদী দিয়ে ঘেরা এই দুই পঞ্চায়েত এলাকার দুই নদীর মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে উর্বর কৃষিভূমি ও বিশাল গো চারণ এলাকা। তাই জীবন জীবিকা নির্বাহে গঙ্গা তীরের এই জায়গা ছেড়ে কেউ যেতে চান না। যোগাযোগ ব্যবস্থাও খুব কষ্টসাধ্য, বন্যা ও ভাঙনে প্রতি বছর হাজার হাজার বিঘা জমি, ভিটে মাটি হারানো সত্ত্বেও স্থানীয় বাসিন্দারা বংশানুক্রমে এখানেই থাকতে চান। অনেকেই আবার পরিনত হন নথিহীন নব্য শরণার্থী বা রুটি রুজির তাগিদে মুম্বাই গুজরাতের কোন পরিযায়ী শ্রমিকে।গঙ্গা নদী ভাগীরথী নাম নিয়ে দক্ষিণ বাহিনী হয়ে মায়াপুরের কাছে জলঙ্গী র সাথে মিলিত হয়ে, হুগলী নদী নাম নিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়। এই অংশেও নদী আঁকাবাঁকা পথে প্রবাহিত। এর ফলে নদীয়া ও পূর্ব বর্ধমানের পুর্বস্থলী ১ ও ২, কালণা ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। পুর্বস্থলী ১নম্বর ব্লকের নসরতপুর, জালুইডাঙা সবচয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। নসরত পুরের কিশোরীগঞ্জ, মনমোহনপুরের বাসিন্দাদের অনেকের বাড়ি, চাষের জমি নদী গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে এই বছরেই। পুর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের মেরতলা, কুটুরিয়া, গোপীপুর, তামাঘাটা এবং অগ্রদ্বীপ এর বিভিন্ন অংশে ভাঙ্গনের কারণে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নদীয়ার শান্তিপুর থানার বেলঘড়িয়া-2 নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মঠপাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ভাগীরথী নদীর ভাঙ্গনে এই বছর বহু মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।কালনার ধাত্রীগ্রাম পঞ্চায়েতের কালিনগর, যার কাবাডি গ্রাম হিসেবে খ্যাতি রয়েছে দেশ জুড়ে। গ্রামের অনেকেই কাবাডিতে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এলাকার বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিনের ভাঙ্গনের জেরে বহু ঘরবাড়ি, জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে। মানুষ যখন ভেবে ফেলে নদী কেবল তার বেঁচে থাকার খোরাক জোগানোর উপকরণ মাত্র মুশকিলটা হচ্ছে ঠিক তখনই। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথেসাথে, বাস্তু জমি, চাষের উপযোগী জমি সব কিছুর চাহিদা বেড়েছে বিপুল পরিমাণে। শুধু তাই নয়, মানুষ উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা কে জয় করতে চেষ্টা করছে। ঠিক যেমন হয়েছে ফারাক্কা ব্যারেজের ক্ষেত্রে। উত্তর বঙ্গের সাথে দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ থেকে শুরু করে কলকাতা বন্দরের নাব্যতা স্বাভাবিক রাখা, ব্যবসা বানিজ্য সবকিছুই ফারাক্কা ব্যারেজের প্রস্তাবনা বা রূপায়ণের মাধ্যমে কিছুটা হলেও বাস্তবায়িত হয়েছে বা হচ্ছে। এর সাথে আছে বিপুল সংখ্যক মানুষ, যারা নদীর তীরে বসবাস করেন, নদীর বুকে জেগে ওঠা চর গুলিও বাদ থাকে না। অপরিকল্পিত ভাবে নদীর পাড়ের মাটি কেটে নিয়ে দিনের পর দিন চলে মাটি পাচার, গজিয়ে ওঠে ইট-ভাটা। এই সবের সাথেই নদী হারিয়ে ফেলেছে তার চলার স্বাভাবিক ছন্দ। কিন্ত নদীকেও তো তার স্বাভাবিক গতিপথ বজায় রাখতে জায়গা দিতে হবে। এর মধ্যে মানুষ তার সভ্যতা গড়ে তুললে, নদীর দোষ দিয়ে লাভ নেই। দোষ যদি থাকে সেটা আমাদের সুদূরপ্রসারী চিন্তা ভাবনার।বছর দুয়েক আগে ট্রেনে যাবার পথে পরিচয় হওয়া এক সাধারণ মালদা বাসীর সাথে এই নদী ভাঙ্গনের কথা, ফারাক্কা ব্যারেজের কথা প্রসঙ্গে তার দেওয়া একটা সাধারন উপমার কথা বেশ ভালো লেগেছিল।তিনি বলেন নদীর চলার পথ ঠিক সাপের মতো, আর সাপ কে যদি তার মাথার কাছে চেপে ধরে সে গোটা শরীর আরো বেশী আঁকাবাঁকা করে নিজেকে মুক্ত করার জন্য। এই ফারাক্কা বাঁধ হলো সেই সাপের মাথার মতো, যা চেপে ধরেছে গঙ্গার স্বচ্ছন্দ গতিকে। আর নদী ক্রমশ চেষ্টা করে চলেছে তার মুক্তির পথ খোঁজার। নদীর তীরে বসবাসের সুযোগ যেমন অনেক, তেমনই ঝুঁকির কথাটাও ভুলে গেলে চলবেনা। স্রোতের সঠিক ঘাত প্রতিঘাত বিশ্লেষণ না করে অবৈজ্ঞানিক বাঁধ নির্মাণ, বোল্ডার ফেলা, বিদেশী ঘাসের চাষ, গাছ লাগানো, তার জালির ব্যবস্থা ইত্যাদি হয়তো সাময়িক ভাবে ক্ষতের মলম দিতে পারে কিন্ত তা দীর্ঘস্থায়ী সমাধান হতে পারে না। নদীর পাড়ে বসবাসকারী বিপুল মানুষের পুনর্বাসন করা হয়েতো কঠিন কাজ, কিন্ত দূরসংবেদন ও ভৌগলিক তথ্য ব্যবস্থা (GIS) র সঠিক প্রয়োগ এর কিছুটা সমাধান করতে পারে। ভাঙন প্রবন নদীর তীর গুলির মানচিত্র প্রস্তুত করে, কত বছরের মধ্যে সম্ভাব্য ভাঙন কবলিত হতে পারে তার ভিত্তিতে যদি সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া যায় তাহলে প্রতি বছর নদী ভাঙনের ফলে হাজার হাজার পরিবেশ-গত উদ্বাস্তু মানুষের যন্ত্রণা কিছুটা হলেও হয়তো কমানো যাবে।তথ্য সূত্রঃ১। বাংলার নদীকথা কল্যাণ রুদ্র, ২০০৮২। বাংলাদেশের নদ নদী ও পরিকল্পনা কপিল ভট্টাচার্য, ১৯৫৯৩। The Changing Face of Bengal রাধাকমল মুখোপাধ্যায়, ১৯৩৮৪। Rivers of Bengal(সঙ্কলিত) কুমুদ রঞ্জন বিশ্বাস, ২০০১৫। https://bn.m.wikipedia.org৬। No voice, no choice: Riverine changes and human vulnerability in the chars of Malda and Murshidabad, জিনিয়া মুখার্জী, ২০১১(http://idsk.edu.in/wp-content/uploads/2015/07/OP-28.pdf)৭। Time Streams: History and Rivers in Bengal, Graham P. Chapman Kalyan Rudra, ২০১৫ ডঃ কুণাল চক্রবর্তী, সহকারী অধ্যাপকশম্ভুনাথ কলেজ, লাভপুর, বীরভূম ওডঃ ইন্দ্রাণী মুখার্জী, সহকারী অধ্যাপকচন্দ্রপুর কলেজ, পূর্ব বর্ধমান

নভেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে পালিত বিজেপির থানা ঘেরাও কর্মসূচি

নদীয়া জেলায় বিজেপি কার্যকর্তা বিজয় শীলকে হত্যার প্রতিবাদে সোমবার রাজ্যজুড়ে থানা ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বিজেপি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিজেপি কর্মীরা বিভিন্ন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। এদিন যাদবপুরে থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে এসে বিজেপি সম্পাদিকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, বর্তমান সরকার কানে তুলো গুঁজে আছেন। প্রতিদিন কেন বিজেপি কর্মীকে কেন খুন হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী জবাব দিচ্ছেন না। সাধারণ মানুষ জানতে চাইছে বিরোধী রাজনীতি কি অপরাধ। আমরা বিচার চাই। আরও পড়ুন ঃ দলীয় কর্মীকে খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে মিশ্র প্রভাব কল্যাণীতে অন্যদিকে বিধাননগরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারকে। তার নেতৃত্বে থানার গেটের সামনে রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। এদিন সল্টলেকের বিধান চন্দ্র রায়ের মূর্তির সামনে থেকে মিছিল করে বিধান নগর উত্তর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এদিন বিজেপির পক্ষ থেকে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ডোমজুড়ের নিশ্চিন্দা থানা ঘেরাও করে ৩ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি কর্মীরা। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কার্যকর্তাদের হত্যার প্রতিবাদে পুরুলিয়া টাউন থানা ও রঘুনাথগঞ্জ থানা ঘেরাও করে বিজেপি কর্মীরা। মালদা থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। অন্যদিকে , এদিন কিংকর মাঝিকে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার এবং যুবনেতা প্রেমাংশু রানা সহ আটজন নিরপরাধ বিজেপি কর্মীর মুক্তির দাবিতে রাজাপুর থানাতে প্রতিনিধিমূলক ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিজেপির তরফ থেকে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

ভাটপাড়ায় বিজেপি কর্মী খুন

এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম বীরেন্দ্র সাউ (৪৪)। স্থানীয়রা জানান, গত ১০ অক্টোবর মিথ্যা বোমাবাজির জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পঞ্চমীর দিন বীরেন্দ্র জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিল। অভিযোগ , সপ্তমীর দিন রাতে ঠিক বাড়ির উল্টোদিকে বসেছিলেন বীরেন্দ্র সাউ। ঠিক সেই সময় বাবুয়া, মন্নু সাউ-সহ তৃণমূলের পাঁচ-ছয়জন এসে পিস্তলের বাট দিয়ে বেধড়ক পেটায় বীরেন্দ্রকে। মাথায় আঘাত পেয়ে তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁকে কল্যাণী হোমে রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছিল। ফের বুকে ব্যথা শুরু হলে শনিবার রাতে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আরও পড়ুন ঃ অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি অধীরের এই ঘটনা প্রসঙ্গে ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন কুমার সিং বলেন, পিস্তলের বাট দিয়ে চিপ্পাকে মারধোর করেছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। মাথায় আঘাত লাগায় ওকে কল্যাণীর একটি হোমে রেখে চিকিৎসা করানো হচ্ছিল। শনিবার রাতে বুকে ব্যাথা শুরু হলে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পবনের দাবি, বাংলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। নিত্যদিন বাংলায় বিজেপি কর্মী খুন হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন উদাসীন।

নভেম্বর ০১, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

রবিবার সকালে শরীরে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ অনেকটাই কমে গিয়েছিল সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। এদিন বেলভিউ হাসপাতালের তরফ থেকে জারি করা এক মেডিক্যা্ল বুলেটিনে অরিন্দম কর জানান, শরীরের ভিতরে রক্তক্ষরণও হয় । এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য আমরা তাঁকে প্লেটলেট দিই। বিকেলের দিকে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। রক্তক্ষরণও সামান্য কমানো সম্ভব হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ডায়ালিসিস হল না আজ তিনি আরও বলেন, সৌমিত্রবাবুর প্রস্রাবের পরিমাণ এখন ঠিক রয়েছে । ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণও খারাপ নয় । ফুসফুসের অবস্থাও ঠিক আছে । রেস্পিরেটরি সাপোর্টও আগের মতোই রয়েছে, বাড়ানো বা কমানো হয়নি । আজ তাঁর ডায়ালিসিস করা হতে পারে।

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দু আসলে দরজা খোলা , জল্পনা বাড়িয়ে ইঙ্গিত দিলীপের

ওনারা ওকে বিজেপিতে পাঠিয়েই দেবেন? আমরা দরজা বড়ো করে খুলে রেখেছি সবাইকে নেওয়ার জন্য। ওনারা যদি কাউকে পাঠিয়ে দেন আমরা দলে নেব। রবিবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর সুলঙগুড়িতে চা চক্রে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত , ববি হাকিম বলেছিলেন , শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গিয়ে বিজেপি তাদের রাজ্য সদর দফতর মুরলিধর সেন স্ট্রিটে বসাক। সেই কথার সূ্ত্র ধরেই এদিন এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, একজন রাজনীতিবিদ রাজনীতি করতে চাইলে বিজেপি সুযোগ দেবে। আমার সঙ্গে অবশ্য কারও কোনো আলোচনা এখনও হয়নি। ববি-শুভেন্দুর বাকযুদ্ধ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, সেটা ওদের পার্টির ভিতরে চলছে। আমার কিছু বলার নেই। তারাই মিটিয়ে নিক নিজেদের ব্যাপার। আরও পড়ুন ঃ আগুনে পুড়ে মৃত্যু জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর রেল প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এই নিয়ে এতদিন বসেনি কেন ? কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চিঠি লিখেছে। ওনাদের কানে জল ঢোকেনি। যখন মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে , পুলিশ লাঠি চালাচ্ছে। তখন এই সরকার নড়েচড়ে বসছে। এদের চামরা এত মোটা হয়ে গেছে। কানে তালা লেগে গেছে। মানুষের দুঃখ - কষ্ট শুনতে পায় না। যদি অন্যান্য রাজ্যে লোকাল ট্রেন চলতে পারে , এই রাজ্যে মেট্রো , টোটো , অটো , বাস , ট্রাম চলতে পারে। তাহলে লোকাল ট্রেন কেন চলবে না ? এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, জেদের জন্য এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই বিষয়ে তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

ফের বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

ফের বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। এবার ঘটনাস্থল নদিয়া জেলার গয়েশপুর। মৃতের নাম বিজয় শীল(৩৪)। পেশায় দিনমজুর ছিল সে। তিনি বিজেপি যুব মোর্চার কার্যকর্তা ছিলেন। আমগাছের ডালে ফাঁস লাগানো অবস্থায় বিজয়ের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। বিজেপির অভিযোগ , বিজয় শীলকে গলায় ফাঁস দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছে তৃণমূলের লো্কেরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল কল্যাণী বন্ধের ডাক দিল বিজেপি। এর পাশাপাশি রাজ্যের সমস্ত থানা ঘেরাও করা হবে বলে জানিয়েছে বিজেপি। জানা গিয়েছে , প্রতিদিনের মতো শনিবারও সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হন বিজয়। কিন্তু রাত পেরলেও সে বাড়ি ফেরেনি। ফলে তাঁকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। তা সত্ত্বেও খোঁজ মেলেনি বিকাশের। রবিবার সকালে স্থানীয়রা তাঁর দেহ আমগাছের ডালে ফাঁস লাগা অবস্থায় দেখতে পান। আরও খবর ঃ উত্তরবঙ্গে সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের অনুগতঃ ধনকড় এই ঘটনার নিন্দা করে টুইটে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি মুকুল রায় লিখেছেন, একই কায়দায় ফের খুন হল বিজেপি কর্মী। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। রাজ্যপালকে অনুরোধ , আপনি এই ধরণের ঘটনার বিচার করুন। ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এই ঘটনার নিন্দা করে টুইট করেন। তিনি লেখেন , আগে রবিবার সকালে সকলে টিভি খুলে রামায়ণ ও মহাভারত দেখার জন্য অপেক্ষা করত। কিন্তু এখন টিভি খুলে সকলে রাজনৈ্তিক কর্মী খুনের খবর দেখতে পায়। বিজেপি নেতা অরবিন্দ মেনন এই ঘটনার নিন্দা করে টুইটে লিখেছেন , বিজেপি যুব মোর্চার কার্যকর্তা বিজয় শীলকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। টিএমসির গুন্ডাদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এই ঘটনার নিন্দা করে জানিয়েছেন , পশ্চিমবঙ্গে কিভাবে গণতন্ত্র ঝুলে আছে। প্রত্যেকটি জায়গায় একই ভাবে বিজেপি কর্মীদের খুনের ধারা অব্যাহত। আমরা থামবো না, খুন হওয়া সমস্ত কর্মীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে বিজেপি!

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

৬ নভেম্বর কলকাতায় অমিত শাহঃ দিলীপ

আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আমাদের হিসেব অনুযায়ী ৫ টা জোনের মধ্যে একটা জোনের বৈঠক হয়ে গেছে। রাঢ়বঙ্গ ও মেদিনীপুর জোনের বৈঠক ৫ তারিখ বাঁকুড়া জেলায় হবে। বাঁকুড়াতে রবীন্দ্র ভবনে অথবা সপ্তর্ষি হোটেলে এই সভা হবে। ৬ তারিখ নবদ্বীপ ও কলকাতা জোনের বৈঠক কলকাতায় হবে। কলকাতার ইজেডসিসিতে এই বৈঠক হবে। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এই বৈঠক হবে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন। শনিবার ছিল বিজেপির সাংগঠনিক সভা। সেই সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের আগামীদিনের কর্মসূচি বিস্তারিত জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ( সংগঠন) শিবপ্রকাশ , জাতীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন সহ আরও অনেকে। আরও পড়ুন ঃ নিম্নচাপের জের , বিকেলে কলকাতায় হালকা বৃষ্টিপাত এদিন তিনি আরও বলেন , মল্লারপুরের ওই নাবালক যদি তৃণমূলেরই হয় , তাহলে তাকে মারার অধিকার পুলিশের আছে নাকি ? ওখানে তো মরে গেলে সব টিএমসি হয়ে যায়। কার দলের মারা গেছে তা গৌণ। সে তো নাবালক ছিল , কোনও দলের সদস্যই সে ছিল না। তাকে তুলে নিয়ে এসে পুলিশ লক আপে মেরে ফেলা হল। সেটা নিয়ে আবার রাজনীতি খোঁজা হচ্ছে। তার মৃত্যুটা নিঃসন্দেহে খুব মর্মান্তিক। এটা আইনশৃঙ্খলাহীনতা।পুলিশ যে কি নির্মম হয়ে গেছে , কেবল রাজনৈ্তিক দলের কথা বলছে।তারপর তার পরিবারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বলানো হচ্ছে, আমরা টিএমসি করি। তাতে কি সাতখুন মাফ হয়ে গেল ? প্রশাসনের উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন তোলে্ন তিনি। বিমল গুরুং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক নেই , উনি ঘোষণা করেছেন। আমরা কাউকে তাড়াইনি। এবার তাদের ওখানে জমি দখলের লড়াই হচ্ছে। সেটা ওনারা বুঝে নেবেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ডায়ালিসিস হল না আজ

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা একইরকম রয়েছে। শনিবার বেলভিউ হাসপাতালের তরফ থেকে জারি করা মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে , সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ইউরিন আউটপুট ভাল হয়েছে। সেই কারণে এদিনও ডায়ালিসিস হয়নি তাঁর। তাঁর মস্তিষ্কের স্নায়ুর সচেতনতা অর্থাৎ গ্লাসগো কোমা স্কেলে সূচক ১০-এর কাছাকাছি। তাঁর শরীরে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম রয়েছে। সেই কারণে ফের তাঁকে রক্ত দিতে হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আমাদের দেশ বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদীর হাতে জ্বলছেঃ নুসরত এদিন প্লেটলেট ট্রান্সফিউশনও হয়েছে। অভিনেতার রক্তচাপ-সহ শরীরের বাকি কন্ডিশন ভাল রয়েছে বলেই জানানো হয়েছে। সৌমিত্রবাবুর রক্তক্ষরণের কারণও জানা গিয়েছে। সেই মতো ওষুধ চলছে। তাঁর পরিবারকে বিস্তারিত জানানো হয়েছে বলে জানান ডা. অরিন্দম কর।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 98
  • 99
  • 100
  • 101
  • 102
  • 103
  • 104
  • 105
  • 106
  • 107
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময়ের থেকে এগিয়ে’—প্রয়াণে আবেগঘন শ্রীলেখা মিত্র

দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার মধ্যে ছিল আধুনিকতা, স্মার্টনেস আর এক আলাদা ফ্রেশনেসমিঠুকে স্মরণ করে লিখলেন শ্রীলেখাবর্ধমান: সত্তর-আশির দশকের বাংলা ছবির পরিচিত মুখ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা চলচ্চিত্রমহল। ৭১ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী। প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রজগতের বহু মানুষ। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠুকে স্মরণ করে তাঁর লেখা দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে উঠে এসেছে এক দর্শকের ব্যক্তিগত মুগ্ধতাযে মুগ্ধতা শুধু অভিনয়ে নয়, মিঠুর পর্দার উপস্থিতি এবং নিজস্ব ব্যক্তিত্বকে ঘিরেও।শ্রীলেখার কথায়, মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময় থেকে এগিয়ে থাকা এক অভিনেত্রী। তাঁর চোখে মিঠুর আকর্ষণ ছিল এমন এক স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বে, যা পর্দায় আলাদা করে নজর কাড়ত। শ্রীলেখা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সত্তরের দশক থেকে আশি এবং নব্বইয়ের গোড়ার দিক পর্যন্ত মিঠু একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌচাক, মর্জিনা আবদুল্লাহ, স্বয়ংসিদ্ধার মতো ছবিতে তাঁর উপস্থিতি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।মিঠুর সৌন্দর্য নিয়েও অকপট শ্রীলেখা। বড় বড় চোখ, সেই চোখের অভিব্যক্তি, শিফন শাড়িতে তাঁর পর্দার উপস্থিতিসব মিলিয়ে মিঠুর মধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন এক দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার পরিচিত ছাঁচের বাইরে থাকা এক আধুনিক মুখ। শ্রীলেখার মতে, সেই সময়ের অনেক অভিনেত্রী যেখানে নির্দিষ্ট একটি ইমেজ-এর মধ্যে নিজেদের আটকে রাখতেন, সেখানে মিঠু ছিলেন অনেকটাই অন্যরকম।তাঁর ভাষায়, মিঠু যেন সেই সময়ের পর্দায় এক ঝলক fresh airআধুনিক, স্মার্ট, চুলবুলি এবং নিজের মতো করে থাকা এক অভিনেত্রী।শুধু সৌন্দর্য নয়, মিঠুর স্বাভাবিক আকর্ষণকেও বিশেষভাবে মনে করেছেন শ্রীলেখা। তাঁর সঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু সিংয়েরও কোথাও একটা মিল খুঁজে পেয়েছেন তিনি। দুজনের মধ্যেই ছিল এমন এক effortless charm, যা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রয়োজন পড়ত নাস্বাভাবিকভাবেই যা দর্শকের চোখে ধরা দিত।১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর শেষ পর্ব ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লাহ, নিশিকন্যা, মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, হোটেল স্নো ফক্স-সহ একাধিক ছবিতে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেন বাংলা ছবিতে। উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিকের মতো অভিনেতাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন মিঠু।তবে জীবনের পরের পর্বে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রজগতের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু। মুম্বইয়ে অনেকটাই অন্তরালে কাটছিল তাঁর জীবন। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ অসুস্থতার পর থেমে গেল সেই জীবনযাত্রা।শ্রীলেখার পোস্টের শেষটুকু তাই হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্য। প্রিয় অভিনেত্রীকে বিদায় জানিয়ে তাঁর লেখামিঠু মুখোপাধ্যায় তাঁর খুব পছন্দের একজন অভিনেত্রী ছিলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন শ্রীলেখা, পাশাপাশি সমবেদনা জানিয়েছেন মিঠুর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি।পর্দার আলো নিভে গিয়েছে। কিন্তু বড় বড় চোখ, স্বতঃস্ফূর্ত হাসি আর সেই স্বতন্ত্র freshnessস্মৃতির পর্দায় হয়তো আরও অনেকদিন জ্বলজ্বল করবেন মিঠু মুখোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

উৎসবের মরসুমের পুণ্যার্থীদের জন্য জ্যাকপট, তারাপীঠ যাবেন? বিরাট ঘোষণায় ছক্কা হাঁকাল পূর্ব রেল

উৎসবের মরসুমের আগে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকার ট্রেনযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল পূর্ব রেল। দীর্ঘদিনের দাবির পর শিয়ালদহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ব্যারাকপুরে এবার পরীক্ষামূলকভাবে থামবে ১৩১৮৭/১৩১৮৮ শিয়ালদহরামপুরহাটশিয়ালদহ মা তারা এক্সপ্রেস। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে এই নতুন স্টপেজ কার্যকর হবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাটগামী ১৩১৮৭ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে ব্যারাকপুর স্টেশনে পৌঁছবে। সেখানে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে রামপুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেবে।অন্যদিকে, রামপুরহাট থেকে শিয়ালদহগামী ১৩১৮৮ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে ব্যারাকপুরে পৌঁছবে। এক মিনিটের বিরতির পর বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে শিয়ালদহের উদ্দেশে যাত্রা করবে।এই স্টপেজ চালু হওয়ায় ব্যারাকপুরের পাশাপাশি টিটাগড়, খড়দহ, পলতা-সহ আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন তারাপীঠ বা বীরভূমের অন্যান্য এলাকায় যেতে হলে অনেক যাত্রীকে প্রথমে শিয়ালদহ যেতে হত। কেউ কেউ নৈহাটি বা ব্যান্ডেল হয়ে সংযোগকারী ট্রেনের উপর নির্ভর করতেন। এবার ব্যারাকপুর থেকেই সরাসরি রামপুরহাটগামী ট্রেন ধরার সুযোগ মিলবে।বিশেষ করে তারাপীঠের মা তারার দর্শনে যাওয়া পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা সুবিধাজনক হবে। এতে যাতায়াতের সময় এবং অতিরিক্ত খরচ, দুটিই কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।রেল সূত্রে খবর, আপাতত যাত্রীদের চাপ এবং টিকিটের চাহিদা পর্যালোচনা করতে পরীক্ষামূলকভাবে এই স্টপেজ চালু করা হচ্ছে। স্থানীয় যাত্রী সংগঠন এবং নিত্যযাত্রীদের তরফেও রেলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির সঙ্গে দূরপাল্লার যোগাযোগ বাড়ানোই এই ধরনের সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য। ব্যারাকপুরে মা তারা এক্সপ্রেস-এর স্টপেজ চালু হলে প্রতিদিনের যাত্রীদের পাশাপাশি উৎসবের মরসুমে তারাপীঠগামী যাত্রীদেরও সুবিধা হবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

ছেলেকে হারিয়ে শোকে বুকে পাথর চেপে প্রচারে ঝড়! দেড় লাখের বেশি ভোটে জয়ে আত্মবিশ্বাসী ‘ঘরের মেয়ে’ হাসিরানি রথ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার যত জোরদার হচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। রবিবার প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের কাছে বিজেপির পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দলের প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি তুলে ধরলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন পর্বত ধারণের প্রসঙ্গ। তাঁর বক্তব্য, শ্রীকৃষ্ণ যেমন এক আঙুলে গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন, তেমনই ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের শক্তি দেখাতে হবে।নন্দীগ্রামে প্রচার চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন হাসিরানি। নন্দীগ্রামকে নিজের বাড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এলাকার মানুষ তাঁকে যেভাবে আপন করে নিয়েছেন, তাতে তিনি অভিভূত। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটের দিন ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন জানান তিনি।প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীকে একাধিকবার হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সভা করার অনুমতি পেতেও তাঁকে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন হাসিরানি।এরপরই ৬ অক্টোবরের ভোটকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি নেতৃত্ব এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি সমর্থন জানানোর আবেদনও করেন তিনি।নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে ঘরের মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেন হাসিরানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি খুশি বলেও জানান বিজেপি প্রার্থী।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হওয়ার পর ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে হাসিরানি রথকে। তিনি প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। বিজেপি, তৃণমূলের দুই শিবির, কংগ্রেস এবং বাম-সহ একাধিক রাজনৈতিক শক্তি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

একসময় পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন, তারপর আচমকাই অন্তরালে! প্রয়াত মিঠু মুখোপাধ্যায়

বিনোদন জগতে ফের শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল সাতের দশকের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর পারিবারিক বন্ধু প্রবীর রায়। তাঁর কথায়, প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর সঠিক সময় সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।অভিনেত্রীর প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মিঠু মুখোপাধ্যায়ের ছবি ভাগ করে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর স্মৃতি এবং তাঁর কাজ দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকবে।সাতের দশকের বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ১৯৭২ সালে একটি বাংলা ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লা ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, নিশিকন্যা-সহ একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল। পরে হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সৌন্দর্য ও পর্দায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিও দর্শকদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল। সেই সময় অনেকেই তাঁর সঙ্গে বলিউডের অভিনেত্রী রেখার তুলনা করতেন। বাংলা ছবির দর্শকদের একাংশের কাছে তিনি কলকাতার রেখা নামেও পরিচিত হয়ে ওঠেন।তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেই ধীরে ধীরে সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। পরবর্তী জীবনে তাঁকে খুব বেশি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলও ছিল দর্শকদের মধ্যে।তাঁর অভিনয়জীবন খুব দীর্ঘ না হলেও বাংলা সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রেমিকা থেকে শুরু করে প্রাণবন্ত তরুণী, নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।শেষ জীবনে অবশ্য সিনেমার আলো থেকে অনেক দূরে ছিলেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর রবিবার রাতে মুম্বইয়ে তাঁর মৃত্যু হল। তাঁর প্রয়াণে বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অধ্যায়ের ইতি ঘটল।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

এসআইআরের জট কাটতে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে বিস্ফোরক দাবি নির্বাচন কমিশনের

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া জট এখনও কাটেনি। এসআইআরের সময় নাম বাদ পড়া এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মোট ৩৮ লক্ষের বেশি আপিল জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিপুল সংখ্যক আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে কাজ চললে সব আপিলের নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, মোট ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজারের মতো আপিল জমা পড়েছে। এর মধ্যে এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের ২২ লক্ষ ২১ হাজার ১১৮টি আবেদন রয়েছে। তাঁরা ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম ফেরানোর আবেদন করেছেন। অন্য দিকে, প্রায় ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করা হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে।এই বিপুল সংখ্যক আপিলের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র এক লক্ষের কিছু বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আরও সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পক্ষে সিদ্ধান্ত গিয়েছে এবং তাঁদের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্য দিকে, ৮ হাজার ৬৪৯টি আপিলে আবেদনকারীরা হেরে গিয়েছেন।কমিশনের হিসাব বলছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। বর্তমান গতিতে মাসে গড়ে প্রায় ২৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। সেই হিসাবেই বাকি আবেদন শেষ করতে ১৪৬ মাসের মতো সময়, অর্থাৎ ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে আপিলের শুনানি দ্রুত শেষ করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের ভিত্তিতে একটি করে ট্রাইব্যুনাল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শুধু ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো নয়, অনলাইনেও শুনানি করার অনুমতি চেয়েছে কমিশন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা যাতে নিজেদের বাসভবন বা অন্য নির্দিষ্ট জায়গা থেকে অনলাইনে শুনানি করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সংশোধনের কথাও হলফনামায় জানানো হয়েছে।এসআইআরের সময় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল বলে কমিশনের তথ্য। তাঁদের মধ্যে ২২ লক্ষের বেশি ভোটার নিজেদের নাম ফেরানোর জন্য আপিল করেছেন। অর্থাৎ বাদ পড়া ভোটারদের একটি বড় অংশই এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাম পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।ফলে এখন মূল নজর আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব এবং অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা কার্যকর হলে মামলার গতি কতটা বাড়ে, সেটাই এখন দেখার। একই সঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের শুনানি এবং ভোটার তালিকায় নাম পুনর্বহালের প্রক্রিয়া নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ! মমতার মামলায় জরুরি শুনানির আর্জি মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সোমবার বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।নির্বাচন কমিশন গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী নির্দেশে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং দলের নির্দিষ্ট নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী উপনির্বাচনের জন্য দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁর আবেদনে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। সেই মামলাটিই দ্রুত শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানান কপিল সিব্বল।সোমবার আদালতে মামলাটি উল্লেখ করে কপিল সিব্বল কমিশনের সিদ্ধান্তের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের প্রক্রিয়া জুন মাসে শুরু হয়েছিল এবং জুলাইয়ে তাঁদের তরফে জবাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির পর প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।সিব্বলের আরও বক্তব্য, নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তাই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন বলেও আদালতে জানান।এর পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, মামলাটি তালিকাভুক্ত হলে সব পক্ষই নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবে। আদালত বিষয়টি দ্রুত তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করবে বলেও জানানো হয়। অর্থাৎ জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করা হলেও সেই মুহূর্তে শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর জন্য একটি নতুন নাম ও নতুন প্রতীক এবং অপর গোষ্ঠীর জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকর করা হয়েছে।ফলে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর এবার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। মামলাটি কবে তালিকাভুক্ত হয় এবং শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সমর্থন পাওয়ার পরেই গ্রেফতার, এবার হাইকোর্টে মিলন! কী চাইছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে আইনি জটিলতায় পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর আইনজীবী মামলাটি উল্লেখ করেছেন। আগামীকাল মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা সামনে এসেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। আদালত মামলাটি শুনে অভিযোগগুলির গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে।মিলন প্রধানের গ্রেফতারিও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো খুনের মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, ওই মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন।এ ছাড়াও মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র আইনের মতো ধারায় মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন করে আরও একটি মামলা যুক্ত হওয়ার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন। তাঁর আইনজীবী নির্বাচনের আগে রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে আদালত এই আবেদন গ্রহণ করে কী নির্দেশ দেয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একদিকে প্রার্থীর গ্রেফতারি, অন্য দিকে পাঁচ মামলায় হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদনদুই ঘটনাতেই নতুন করে নজর পড়েছে এই কেন্দ্রের দিকে। আগামীকাল শুনানি হলে মিলন প্রধানের আবেদনে আদালতের অবস্থান কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal