• ১২ কার্তিক ১৪৩৩, সোমবার ০২ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rohit

খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : নেতা রোহিত, বল হাতে কোহলি, প্রস্তুতি ম্যাচে চমক ভারতের

টি২০ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চমক ভারতের। তবে হার্দিক পান্ডিয়ার হাত ধরে নয়, চমক এল রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির হাত ধরে। বিরাট কোহলি মাঠে থাকতেও অ্যারন ফিঞ্চের দলের বিরুদ্ধে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড রোহিত শর্মার হাতে। এখানেই শেষ নয়, অধিনায়ক রোহিত বল করতে ডাকেন বিরাট কোহলিকে। চমক ছাড়া আর কীই বা বলবেন? বিশ্বকাপে তাহলে কি ষষ্ঠ বোলারের দায়িত্ব পালন করবেন কোহলি? এদিন বল হাতে হয়তো তার মহড়া দিয়ে নিলেন।২৪ অক্টোবর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি২০ বিশ্বকাপে মাঠে নামা আগে প্রথম একাদশ গুছিয়ে নেওয়ার এটাই শেষ সুযোগ ছিল ভারতের কাছে। ফিল্ডিং করতে নামলেও ব্যাটার কোহলিকে এই ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামিকেও। নজর ছিল হার্দিক পান্ডিয়ার দিকে। এদিনও তিনি বোলিং করেননি। টসের সময় রোহিত বলেছিলেন, হার্দিক কয়েকদিনের মধ্যেই নেটে বোলিং শুরু করবে। আশা করছি প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগেই বোলিং করার মতো জায়গায় চলে আসবে। ষষ্ঠ বোলারের অভাব মেটাতেই হয়ত বল হাতে তুলে নেন কোহলি। ২ ওভার হাত ঘুরিয়ে দেন ১২ রান।এদিন ভারতের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও ডেভিড ওয়ার্নার ব্যর্থ। মাত্র ১ রান করে তিনি রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে আউট হন। মিচেল মার্শ (০), অ্যারন ফিঞ্চও (৮) ব্যর্থ। স্টিভ স্মিথ (৫৭), ম্যাক্সওয়েল (৩৭), স্টয়নিসের (অপরাজিত ৪১) দাপুটে ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫২ তোলে অস্ট্রেলিয়া। এদিন বরুণ চক্রবর্তীকে খেলানো হয়েছিল। ২ ওভারে তিনি ২৩ রান দেন। শার্দূল ঠাকুর, রবীন্দ্র জাদেজারা বল হাতে নিজেদের মেলে ধরতে না পারলেও নজর কাড়লেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রাহুল চাহাররা।অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাটিং অর্ডারে এদিন কিছুটা রদবদল করা হয়েছিল। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন রোহিত। এই জুটিই বিশ্বকাপে ওপেন করবেন। জুটিতে ওঠে ৬৮। লোকেশ ৩৯ রান করে আউট হন। তিন নম্বে নেমে সূর্যকুমার যাদেব ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। রোহিত শর্মা ৬০ রান করে অবসর নেন। হার্দিক পান্ডিয়া ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭.৫ ওভারে ১৫৩/১ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

অক্টোবর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Gavaskar-Rohit: রোহিতকে পরপর দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্বে দেখতে চান গাভাসকার

টি২০ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন বিরাট কোহলি। তাঁর পরিবর্তে নির্বাচকরা কার হাতে দায়িত্ব তুলে দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার চান, এই টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলির পরিবর্তে রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক করা হোক। আগামী দুটি টি২০ বিশ্বকাপে রোহিতকে জাতীয় দলের নেতৃত্বে দেখতে চান ভারতীয় ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি।আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নেতৃত্ব দিয়ে দারুণ সফল রোহিত শর্মা। তিনি দলকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন। মোটামুটি এটা পরিস্কার, টি২০ বিশ্বকাপের পর কোহলির হাতেই দায়িত্ব উঠতে চলেছে। দু বছর পরপর টি২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা ছিল। করোনার জন্য ২০২২ পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবছর টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব ভারতের। ২০২৩ সালে আবার ভারতে একদিনের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। গাভাসকার চান পরপর দুটি বিশ্বকাপেই রোহিত শর্মা নেতৃত্ব দিক।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন শিষ্যের কাছে মাথা নত পেপ গুয়ার্দিওলারগাভাসকার বলেছেন, দেশকে এশিয়া কাপ ও নিদাহাস ট্রফি দেওয়া রোহিত শর্মাই এই গুরু দায়িত্ব পালন করার যোগ্য দাবিদার। ওর হাতে এখনই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হোক। একটা বিশ্বকাপ হতে কয়েকমাস বাকি। পরের বিশ্বকাপের মধ্যে খুব বেশি সময় নেই। তাই এখনই ওর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া উচিত। যাতে দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিতে পারে। গাভাসকারের এই মন্তব্য অন্য ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আগেই কোহলিকে অধিনায়ক ঘোষণা করেছে। রোহিতকে অধিনায়ক করার পাশাপাশি সহ অধিনায়ক হিসেবে নিজের পছন্দের কথাও জানিয়েছেন গাভাসকার। লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে একজনকে সহ অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান তিনি। গাভাসকারের কথায়, ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান দুই তারকা আইপিএলে যেভাবে নিজ নিজ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, মাঠে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বোলিং পরিবর্তন করছে, তা অসাধারণ। দিল্লি দলে প্রচুর তারকা। ঋষভ দারুন সামলাচ্ছে। বিরাট কোহলির পর রোহিত শর্মা ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হলে লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে যে কোনও একজনকে ওর ডেপুটি করে দেওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। দিল্লি ক্যাপিটালসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণ ঋষভ পন্থ। দুই ক্রিকেটারের উর্বর ক্রিকেট মস্তিষ্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সুনীল গাভাসকর। তবে দুই ক্রিকেটারের মধ্যে বেশি দক্ষ কে, তা অবশ্য বলেননি ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : ব্যাটিং বিপর্যয় সামলে দুরন্ত জয় ধোনির দলের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ ট্র্যাক রেকর্ড বজায় রাখল মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। দুবাইয়ে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে সিএসকে হারাল ২০ রানে। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের পাশাপাশি উজ্জ্বল অলরাউন্ডার ডোয়েইন ব্র্যাভো।চারমাস পর নাটকীয় পরিস্থিতির মধ্যে শুরু আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব। টস হওয়ার কিছুক্ষণ আগে জানা যায় চোটের জন্য খেলতে পারবেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পরিবর্তে দলকে নেতৃত্ব দেবেন কিয়েরণ পোলার্ড। অন্যদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের টিম হার্ডলে পেপ টক দিচ্ছেন সূর্যকুমার যাদব। কিছুক্ষণ পরই টিম লিস্টে চোখ রাখতেই দেখা গেল প্রথম একাদশে নেই হার্দিক পান্ডিয়া। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ওভারেই ফাফ ডুপ্লেসিকে (০) হারায় চেন্নাই। তাঁকে তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। পরের ওভারেই আবার ধাক্কা। এবার অ্যাডাম মিলনের শিকার মঈন আলি (০)। ২ রানে ২ উইকেট হারানোর পরপরই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন অম্বাতি রায়ুডু। প্রথম সাক্ষাতে এই তিনজনের ব্যাটিংয়েই বড় রান তুলতে সক্ষম হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুর চোট বেশ গুরুতর। তৃতীয় ওভারে সুরেশ রায়নাকে (৪) তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। দুই কিউয়ি বোলারের দাপটে তখন দিশেহারা অবস্থা চেন্নাই সুপার কিংসের। ৩ ওভারে চেন্নাইয়ের রান দাঁড়ায় ৭/৩। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে মিলনেই ফেরান মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ৫ বলে ৩ রানের বেশি করতে পারেননি চেন্নাই অধিনায়ক। ৬ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৪।এরপর রুখে দঁাড়ান রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবীন্দ্র জাদেজা। দুজনে দলকে টেনে নিয়ে যান। ৪১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রুতুরাজ। জুটিতে ওঠে ৮১। দলের ১০৫ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২৬ (৩৩ বলে) রান করে আউট হন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দেন। ৫৮ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের জায়গায় পৌঁছে দেন রুতুরাজ। তিনি ৯টি ৪ এবং ৪টি ৬ মারেন। ব্র্যাভো ৮ বলে ২৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এই দুজনের দাপটে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ২০ ওভারে ১৫৬/৬ রান তোলে চেন্নাই।রোহিত শর্মার অভাব অনুভব করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটসম্যান হিসেবে তো বটেই, অধিনায়ক হিসেবেও। কখনও মনেই হয়নি এই ম্যাচ মুম্বই বের করতে পারবে। সূর্যকুমার যাদব ৭, ঈশান কিষাণ ১১ করেন। রোহিত না থাকায় আনমোলপ্রীত সিংয়ের অভিষেক হয়, তিনি ১৬-র বেশি করতে পারেননি। কিয়েরন পোলার্ড ও অ্যাডাম মিলনে দুজনেই ১৫-র বেশি এগোতে পারেননি। ব্র্যাভোর তিন উইকেটের পাশাপাশি ১৯ রানে ২ উইকেট নেন দীপক চাহার।ব্যাট হাতে ৮ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলে ফারাক গড়েছিলেন ব্র্যাভো। বল হাতে তিনি চার ওভারে ২৫ রানের বিনিময়ে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। চোটের কারণে সিপিএলে কয়েকটি ম্যাচে বোলিং করেননি। কিন্তু চেন্নাইয়ের হয়ে শততম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রেখে নিজের পাররফরম্যান্সে খুশি ব্র্যাভো। জয়ের জন্য ১৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স করল ৮ উইকেটে ১৩৬। এবারের আইপিএলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ঝাড়খণ্ডের সৌরভ তিওয়ারি সর্বাধিক ৪০ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকলেও দলকে জেতাতে ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩৬/৮ তোলে মুম্বই।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Captain: রোহিতকে সহকারী চাননি, ভবিষ্যত বুঝেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কোহলির

ঝুলি থেকে এবার আস্তে আস্তে বিড়াল বার হতে শুরু করেছে। ভারতীয় শিবিরের অন্দরমহলে ঠান্ডা লড়াই যে অনেকদিন ধরে চলছিল, আগেই বোঝা গিয়েছিল। এবার সেই অন্দরমহলের খবর বাইরে আসতে শুরু করেছে। বিরাট কোহলির সংসারে বিভাজন তৈরি হয়েছিল। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছিলেন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে নিজের আধিপত্য আরও কায়েম করতে বিরাট কোহলি নির্বাচকদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রোহিত শর্মাকে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরানোর জন্য। যেটা একেবারেই ভালভাবে নেননি নির্বাচকরা এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা।টি২০ বিশ্বকাপের আগে বিরাট কোহলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছিলেন নির্বাচকরা। সেই বৈঠকের আগে কোহলি নির্বাচকদের ও বোর্ড কর্তাদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে ঋষভ পন্থকে সহ অধিনায়ক করা হোক। আর একদিনের ক্রিকেটে লোকেশ রাহুলকে। নির্বাচক ও বোর্ড কর্তারা কোহলির কোনও প্রস্তাবই মেনে নেননি। টি২০ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। বোর্ড কর্তারা কোহলিকে পরিস্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনিই শেষ কথা নন। নিজের ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার কথা বললেও আসলে ভবিষ্যত বুঝতে পেরেই টি২০ বিশ্বকাপের পর এই ফরম্যাটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোহলি।সবকিছু ঠিকঠাক চললে টি২০ বিশ্বকাপের পর রোহিত শর্মার হাতেই নেতৃত্ব তুলে দিতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। স্টপগ্যাপ অধিনায়ক হিসেবে দেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন রোহিত শর্মা। আইপিএলে তিনি সবচেয়ে বেশি পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। অনেকদিন ধরেই রোহিতকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অধিনায়ক করার কথা আলোচিত হচ্ছিল ভারতীয় ক্রিকেটে। কিন্তু রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে বিরাট কোহলির সম্পর্কর জন্যই কোহলি নেতৃত্বে থেকে গেছেন। গত অস্ট্রেলিয়া সফর থেকেই চাকা ঘুরতে শুরু করে বিরাটের বিপক্ষে।আরও পড়ুনঃ মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্কভারতীয় ড্রেসিংরুমে বিরাট বিরোধী হওয়ায় প্রবল। প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও অনেকেই কোহলির আচরণে অসন্তুষ্ট। যদি কোনও সফরে অনুষ্কা শর্মা সঙ্গে থাকেন, তাহলে তো কথাই নেই। অন্য সময়ও যখন তখন কোহলির সঙ্গে মাঠের বাইরে দেখা করা, কথা বলা বা হাল্কা মেজাজে সময় কাটাতে পারেন না সতীর্থ ক্রিকেটাররা। কোচ, নির্বাচক, সাপোর্ট স্টাফ ও বিসিসিআই কর্তাদের আস্থা অর্জন করে বিরাট ভারতীয় দলে একনায়কতন্ত্র বা স্বেচ্ছাচারিতাও শুরু করেন বলে অভিযোগ। তিনি এমন কৌশল নিয়েছিলেন যাতে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর উত্তরসূরী কেউ তৈরি হতে না পারেন। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে পাকাপাকিভাবে চার নম্বর পজিশনের ব্যাটসম্যান হিসেবে কাউকে তৈরি করতে চাননি বিরাট। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে দুই স্পিনার নিয়ে খেলতে নামা কিংবা ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে এক নম্বর স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বসিয়ে রাখাও বিরাটেরই স্বেচ্ছাচারিতার নমুনা বলে জানা যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া সফরে এডিলেড টেস্টের আগেও বিরাটের হাতেই ছিল নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু তা আলগা হতে শুরু করে ৩৬ রানে অল আউট হয়ে টেস্ট হারার পর। এরপর পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে বিরাট দেশে ফিরতেই এককাট্টা হয়ে গোটা দল অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জয় নিশ্চিত করে। এতেই বিরাটের প্রতি দলের অনাস্থা প্রকাশ্যে আসতে থাকে।আরও পড়ুনঃ খড়ের পালুইয়ে বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য রায়নায়কোহলি নিশ্চিতভাবেই বুঝছিলেন, আজ নয় কাল তাঁর সাদা বলের অধিনায়কত্ব চলে যাচ্ছেই। একটিও আইসিসি ইভেন্টে দলকে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি কোহলি। টি ২০ বিশ্বকাপেও খারাপ কিছু হলে এমনিতেই অধিনায়কত্ব যেত। আগেভাগেই সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করে কিছুটা মুখরক্ষা করলেন এবং নিজের উপর চাপ কমালেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bengal Hero : দেশের সবথেকে সুদর্শন বাংলার এই নায়ক!, জানালেন বলিউড অভিনেতা

যশ দাশগুপ্ত। টলিউডের অন্যতম হ্যান্ডসাম অভিনেতা তিনি। মহিলা মহলে তাঁর আলাদাই একটা ক্রেজ রয়েছে। তবে এবার সবকিছু ছাড়িয়ে যশের মন কাড়লেন এক বলিউড অভিনেতা। সম্প্রতি বেশ কিছু ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন যশ। সেরকমই একটি ছবিতে কমেন্ট করেছেন বলিউড অভিনেতা রোহিত রায়। লিখেছেন, বর্তমানে কলকাতার সবচেয়ে সুদর্শন নায়ক হলে তুমি! রোহিত রায়ের প্রশংসা শুনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ধন্যবাদও জানান যশ। তারপর যশের মন্তব্যের তলায় রোহিত রায় লেখেন, আমি আসলে লিখতে চেয়েছিলাম গোটা দেশে তুমি সব চেয়ে সুদর্শন। কিন্তু তার পর ভাবলাম আমার বলিউডের বন্ধুরা অসন্তুষ্ট হতে পারে। ভাল থেকো। ছবিতে রোহিত এবং যশের কথোপকথন, বলাই, বাহুল্য, দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সকলের।প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে শুরু হওয়া হিন্দি ধারাবাহিক বন্দিনী-তে ছিলেন যশ। যেখানে রোহিতের দাদা রণিতের ছেলের চরিত্রে দেখা গেছে যশকে। যদিও তারপর বলিউড ছেড়ে সোজা চলে আসেন টলিউডে। বোঝেনা সে বোঝেনা ধারাবাহিক দিয়ে তার টলিউডে অভিনয় যাত্রা শুরু হয়, বিরসা দাশগুপ্তর গ্যাংস্টার হল তার অভিনীত প্রথম ছবি। এরপর একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : রোহিতের শতরানে ভর করে ঘুরে দাঁড়াল ভারত

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ভারতের। রোহিত শর্মার দুরন্ত শতরানের সুবাদে দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় দিনের শেষে ভারত তুলেছে ৩ উইকেটে ২৭০। রোহিত ছাড়াও রান পেলেন চেতেশ্বর পুজারা ও লোকেশ রাহুল। ক্রিজে জমে গিয়েছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলিও। দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন ভারতীয় সমর্থকরা।আরও পড়ুনঃ প্রতীক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি রোহিতেরপ্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচের রাশ ফের ভারতের হাতে টেনে নিয়ে এলেন রোহিত শর্মা। হিটম্যানের দুরন্ত শতরানে ভর করে বড় লিডের দিকে এগোচ্ছে কোহলি ব্রিগেড। আগের দিনের দিনের বিনা উইকেটে ৪৩ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। রোহিত ২০ ও লোকেশ রাহুল ২২ রানে ক্রিজে ছিলেন। দুই ওপেনারই এদিন সতর্কভাবে খেলা শুরু করেছিলেন। ৩৪ ওভারের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় ভারত। লোকেশ রাহুলকে (৪৬) তুলে নেন জেমস অ্যান্ডারসন। উইকেটের পেছনে তাঁর ক্যাচ ধরেন জনি বেয়ারস্টো। দ্বিতীয় সেশনে ভারতের কোনও উইকেট পড়েনি। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ১০৮/১।আরও পড়ুনঃ বাইশ গজের বাইরে দুরন্ত ব্যাটিং বিরাট কোহলিরমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরও ভারতীয় দুই ব্যাটসম্যানের ডিফেন্স টলাতে পারেননি ইংল্যান্ড বোলাররা। দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন রোহিত ও পুজারা। ১৪৫ বলে অর্ধ শতরান পূর্ণ করেন রোহিত। তার মধ্যে ছিল ৫টি বাউন্ডারি। জীবনের ৪৩তম টেস্টে ৭৪ তম ইনিংসে ২০৪ বলে শতরান পূর্ণ করলেন রোহিত। হাফ সেঞ্চুরি করার পর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। পরের ৫০ আসে মাত্র ৫৯ বলে। চা পানের বিরতিতে ১০০ রানে এগিয়ে যায় ভারত। শেষ পর্যন্ত ১২৭ রান করে অলি রবিনসনের বলে ক্রিস ওকসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান রোহিত। ভারতের রান তখন ২৩৬/২। একই ওভারের শেষ বলে পুজারাকে (৬১) তুলে নেন রবিনসন। মঈন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। দিনের শেষে ভারত তুলেছে ২৭০/৩। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এগিয়ে ১৭১ রানে। ক্রিজে রয়েছেন কোহলি (২২) ও জাদেজা (৯)।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Rohit Sharma : প্রতীক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি রোহিতের

দীর্ঘ ৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে বিদেশের মাটিতে টেস্ট সেঞ্চুরির মুখ দেখলেন রোহিত শর্মা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ওভালে পৌঁছে গেলেন সেই কাঙ্খিত শতরানে। রোহিত শর্মার দুরন্ত শতরানের সুবাদে দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। বড় রানের পথে বিরাট কোহলির দল। ২০১৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল রোহিত শর্মার। দেশের মাঠে ওই সিরিজে দুদুটি সেঞ্চুরি করে চমক দিয়েছিলেন। কিন্তু মিডল অর্ডারে ধারাবাহিকতার অভাবে টেস্ট দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অবশ্য জায়গা পাকা করে নিয়েছিলে হিটম্যান। পরে টিম ম্যানেজমেন্ট রোহিতকে টেস্টে ওপেন করার পরামর্শ দেয়। ২০১৯ থেকে টেস্ট ক্রিকেটে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নামেন রোহিত। লাল বলের ক্রিকেটে ওপেনার হিসেবে চমক দিয়েছিলেন। প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে ওপেনার হিসেবে প্রথম দুটি ইনিংসে করেছিলেন ১৭৬ ও ১৭২ রান। প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ওপেনার হিসেবে ১৯ ইনিংসে ১০৯৪ রান করেন রোহিত। এর মধ্যে ৪টি সেঞ্চুরি এবং ২টি হাফ সেঞ্চুরি। এশিয়ার প্রথম টেস্ট ওপেনার হিসেবে দ্রুততম ১০০০ রানের গন্ডি টপকে যান রোহিত। খেলেছিলেন মাত্র ১৭ ইনিংস। দেশের মাঠে সেঞ্চুরি এলেও বিদেশের মাটিতে সেঞ্চুরি অধরাই ছিল ভারতের এই ওপেনারের কাছে। যদিও অভিষেক হওয়ার পর বিদেশের মাটিতে খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি রোহিত। মাত্র ৬টি টেস্ট খেলেছেন। দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে খেলেছেন ১৬টি টেস্ট। শেষ পর্যন্ত ওভালে বিদেশের মাটিতে সেঞ্চুরির স্বপ্ন পূরণ হল রোহিতের। ইনিংসের ৬৪ তম ওভারে মঈন আলির বলে ৬ মেরে সেঞ্চুরিতে পৌঁছন। সেঞ্চুরিতে পৌঁছতে নেন ২০৪ বল। আগের দিনই রোহিত ১৫ হাজার আন্তর্জাতিক রান পূর্ণ করেছেন। প্রথম টেস্টে তিনি করেছিলেন ৩৬ ও ১২। দ্বিতীয় টেস্টে রোহিতের ব্যাট থেকে আসে ৮৩ ও ২১। লিডস টেস্টে তিনি ১৯ ও ৫৯ রানে আউট হয়েছিলেন। রোহিত ও লোকেশ রাহুল জুটি দলকে নির্ভরতা দেয়। চলতি সিরিজে এই নিয়ে তৃতীয়বার ভারতের ওপেনিং জুটি ৫০-এর বেশি রান যোগ করল। ট্রেন্ট ব্রিজে প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসে উঠেছিল ৯৭ ও ৩৪। লর্ডসের দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে রোহিত-রাহুল জুটিতে ওঠে ১২৬, দ্বিতীয় ইনিংসে। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে ওপেনিং জুটি ১ রানে ভাঙলেও দ্বিতীয় ইনিংসে উঠেছিল ৩৪। ওভালে প্রথম ইনিংসে ২৮ রানের মাথায় আউট হয়েছিলেন রোহিত শর্মা। দলের ২৮ রানের মাথাতেই ফেরেন রাহুল। তবে এদিন ভারতের ওপেনিং জুটি ভাঙল ৮৩ রানের মাথায়।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত জনপ্রিয় সাংবাদিক রোহিত সরদানা

একদিন আগে পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য কোভিড আক্রান্তদের জন্য ওষুধের খোঁজ করেছেন। করোনা রোগীদের সঙ্গে কোনওরকম অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ করেছেন। সেই করোনার ছোবলেই প্রাণ গেল জনপ্রিয় টেলিভিশন সাংবাদিক রোহিত সরদানার। দিনকয়েক আগেই করোনা আক্রান্ত হন রোহিত। তবে, করোনার গুরুতর উপসর্গ ছিল না তাঁর শরীরে। শুক্রবার হঠাতই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি।২০০৪ সালে জি মিডিয়ার মাধ্যমে সাংবাদিক হিসেবে নিজের কেরিয়ার শুরু করেন রোহিত। জি মিডিয়ার জনপ্রিয় টিভি শো তাল থোক কের সঞ্চালনার জন্য খ্যাতি অর্জন করেন। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত রোহিত আজ তক টেলিভিশন চ্যানেলে দঙ্গল নামের ডিবেট শো সঞ্চালনা করতেন। এছাড়াও একাধিক বিশেষ শোতে দেখা যেত তাঁকে। ইটিভি নিউজ নেটওয়ার্ক এবং আকাশবাণীতেও কাজ করেছেন তিনি। নিজের বাচনভঙ্গি এবং বিতর্কের ধরনের জন্য দর্শকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রোহিত। বৃহস্পতিবার রাতেও নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে এক করোনা আক্রান্তের জন্য সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন রোহিত। শুক্রবার সকালে নিজেই এই মারণ রোগের বলি হন তিনি। সাংবাদিক সুধীর চৌধুরী সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মৃত্যু সংবাদ দেন। রোহিতের অকাল প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজদীপ সরদেশাই, রজত শর্মাদের মতো সংবাদ জগতের মহীরুহরা। রাজনৈতিক মহল থেকেও বহু মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন রোহিতের প্রয়াণে।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

নাইটদের বিরুদ্ধে কেন কাহিল হয়ে পড়েছিলেন রোহিত?‌

নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ৫৪ বলে ৮০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছিলেন রোহিত শর্মা। দীর্ঘক্ষণ উইকেটে কাটিয়ে তিনি যে কাহিল হয়ে পড়েছিলেন, স্বীকার করে নিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক। রোহিত দাবি করেছেন, সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর পরিবেশে লম্বা ইনিংস খেলা সম্ভব নয়। শরীর থেকে অনেককিছু নিংড়ে নেয়। রোহিত বলেন, ‘‌আবু ধাবিতে গরম ও আদ্রতা অনেকটাই বেশি। এইরকম পরিবেশে দীর্ঘক্ষণ উইকেটে কাটিয়ে লম্বা ইনিংস খেলা যথেষ্ট কঠিন। শরীর থেকে অনেক কিছু বার করে নেয়। নাইটদের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ের সময় শেষদিকে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম।’‌ তিনি আরও বলেন, ‘‌একজন সেট ব্যাটসম্যানের শেষ পর্যন্ত উইকেটে থাকা প্রয়োজন। আমি সেই চেষ্টা করছিলাম।’‌ দীর্ঘদিন ক্রিকেটের বাইরে থাকায় মানিয়ে নিতে সমস্যা হচ্ছিল বলে রোহিত দাবি করেন। তবে দীর্ঘক্ষণ উইকেটে থাকতে পেরে তিনি দারুণ খুশি।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
খেলার দুনিয়া

নাইটদের বিরুদ্ধে কোন দুটি মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন রোহিত শর্মা?

কলকাতা বরাবরই তাঁর কাছে খুব প্রিয়। ইডেন তাঁর দ্বিতীয় ঘর। ইডেনেই রঞ্জি অভিষেক, টেস্ট অভিষেক। একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানও ইডেনে। কলকাতার দলও তাঁর অতি প্রিয় খাদ্য। নাইট রাইডার্সকে দেখলেই জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন রোহিত শর্মা। বুধবার আইপিএলে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আবার প্রমান দিয়ে গেলেন। আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে অনন্য নজির গড়ে ফেললেন রোহিত। চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসাবে আইপিএলে ২০০ ছক্কার মালিক হলেন মুম্বই অধিনায়ক। তাঁর আগে রয়েছেন ক্রিস গেইল (৩২৬), এবি ডিভিলিয়ার্স (২১৪), মহেন্দ্র সিং ধোনি (২১২)। কুলদীপ যাদবের বল মিড উইকেটের ওপর দিয়ে বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে ১৯৯ তম ছক্কায় পৌঁছন রোহিত। ওই ওভারেই লং অনের ওপর দিয়ে ছয় মেরে মাইলস্টোনে পৌঁছন। আরও একটা কৃতিত্ব স্পর্শ করেছেন মুম্বই অধিনায়ক। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের (৯০৪) রেকর্ড তাঁরই।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যে কোনও মুহূর্তে নেমে আসতে পারে তুষারধস? বদ্রীনাথ নিয়ে গবেষণায় বড় সতর্কবার্তা

চার ধামের অন্যতম বদ্রীনাথ কি বড় বিপদের মুখে? উত্তরাখণ্ডের এই পবিত্র তীর্থক্ষেত্রের উপর ঝুলে রয়েছে তিনটি হিমবাহ। গবেষণায় আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, এই হিমবাহগুলির কোনও একটিতে ফাটল ধরলে সেখান থেকে নেমে আসতে পারে বিশাল বরফের স্রোত। তাতে বদ্রীনাথের মন্দির এলাকা, জনবসতি, রাস্তা এবং কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।সম্প্রতি নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের সাক্ষী থেকেছে বিশ্ব। কয়েক দিন আগে ভুটানে হ্রদ ভেঙে সংকোশ নদীতে জলস্রোত বেড়ে যাওয়ার ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এরই মধ্যে নতুন একটি গবেষণায় বদ্রীনাথের হিমবাহ নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। ভারতের হিমালয়ের বদ্রীনাথ জনপদে ঝুলন্ত হিমবাহ থেকে সৃষ্ট তুষারধসের ঝুঁকি মূল্যায়ন শীর্ষক ওই গবেষণায় এই আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।গবেষণায় বলা হয়েছে, বদ্রীনাথের উপর ঝুলে থাকা তিনটি হিমবাহের কোনও একটিতে ফাটল ধরলে সেখান থেকে বরফের বিশাল অংশ নীচে নেমে আসতে পারে। সেই বরফের স্রোতে জনবসতি, বাড়িঘর, রাস্তাঘাট এবং কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কতটা হবে, তা নির্ভর করবে বরফ কত দূর পর্যন্ত নেমে আসছে তার উপর। পাহাড়ের ঢাল এবং জমির গঠনও এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, তুষারধসের গতি এবং তার ফলে কতটা ক্ষতি হতে পারে, তা শুধু বরফের পরিমাণের উপর নির্ভর করে না। বরফ যে পথ দিয়ে নীচে নামবে, সেই পথের আকৃতি এবং আশপাশের ভূপ্রকৃতিও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে। ফলে একই পরিমাণ বরফের ধস হলেও বিভিন্ন এলাকায় তার প্রভাব আলাদা হতে পারে।এই বিপদ মোকাবিলায় আগাম সতর্কতার উপর জোর দিয়েছেন গবেষকেরা। তাঁদের পরামর্শ, বদ্রীনাথের আশপাশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলি আগে চিহ্নিত করতে হবে। প্রতিটি এলাকার ঝুঁকি অনুযায়ী আলাদা করে প্রস্তুতি নিতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় নির্মাণকাজের উপর নিয়ন্ত্রণ এবং নজরদারি বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।প্রাকৃতিক বিপর্যয় পুরোপুরি আটকানো সম্ভব নয়। তবে আগাম ঝুঁকি চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া গেলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যেতে পারে। বদ্রীনাথের মতো গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্র এবং সেখানকার মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তাই এখন থেকেই সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে এই গবেষণা।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
বিদেশ

৩২ লক্ষ আফ্রিকানকে দাস হিসেবে পাচার! ব্রিটেনের ইতিহাসের সেই অন্ধকার অধ্যায় নিয়ে এবার ক্ষমার সুর

আফ্রিকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে অপহরণ করে দাস হিসেবে বিক্রি করেছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা। সেই দাস ব্যবসায় বড় ভূমিকা ছিল ব্রিটেনেরও। বহু বছর ধরে চলে আসা এই নিষ্ঠুর ব্যবসার জন্য এ বার আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমা চাইতে প্রস্তুত ব্রিটিশ সরকার। সম্প্রতি এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তবে অতীতের এই অন্যায়ের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি তিনি মানতে রাজি নন।শুক্রবার দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী সপ্তাহে অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডায় বসতে চলেছে কমনওয়েলথের শীর্ষ সম্মেলন। তার আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ওই সম্মেলনে ক্যারিবিয়ান দেশগুলি ব্রিটেনের কাছে দাস ব্যবসার জন্য ক্ষমা এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।নিবন্ধে বার্নহ্যাম লিখেছেন, দাস ব্যবসার শিকার মানুষদের যে ভয়াবহ যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছিল, তা তিনি বুঝতে পারেন। সেই ঘটনার জন্য তিনি গভীর ভাবে মর্মাহত। তাঁর মতে, অতীতের সেই নিষ্ঠুরতার প্রভাব এখনও পুরোপুরি মুছে যায়নি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, আটলান্টিক মহাসাগর পেরিয়ে আফ্রিকার মানুষদের দাস হিসেবে পাচারের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করছে ব্রিটিশ সরকার। সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমা চাওয়ার যে দাবি উঠেছে, আলোচনায় সেই বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। এই দাবি শুনতে তিনি প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন।তবে আর্থিক ক্ষতিপূরণের প্রশ্নে তাঁর অবস্থান আলাদা। বার্নহ্যামের বক্তব্য, অতীতের অন্যায়ের জন্য বর্তমান ব্রিটিশ নাগরিকদের দায়ী করা যায় না। তাঁর মতে, সেই ঘটনা ঘটেছিল অন্য এক সময়ে, অন্য আইনের অধীনে। সেই সময়ের অন্যায়ের সঙ্গে বর্তমান ব্রিটিশ জনগণ বা সরকারের ব্যক্তিগত কোনও ভূমিকা নেই। তাই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবির সঙ্গে তিনি একমত নন।উল্লেখ্য, ব্রিটেনের রাজা চার্লস বর্তমানে ক্যারিবিয়ান দেশগুলি সফর করছেন। বাহামাসে গিয়ে তিনি সেখানকার দাসপ্রথার ইতিহাসের কথা উল্লেখ করেছেন এবং ব্রিটিশ শাসনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তবে দাস ব্যবসার জন্য ব্রিটেনের তরফে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়া হয়নি। তাই প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।ব্রিটিশ সরকারের বক্তব্য, দাস ব্যবসা থেকে ব্রিটেন যে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছিল, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে পরে দাসপ্রথা বন্ধ করার ক্ষেত্রেও ব্রিটেন ভূমিকা নিয়েছিল বলে দাবি তাদের। ১৮৩৩ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট দাসপ্রথা নিষিদ্ধ করে। যদিও দাসপ্রথা বন্ধের পরেও ভারত-সহ বিভিন্ন দেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলেছিল।ইতিহাসের হিসাব অনুযায়ী, পঞ্চদশ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যে ইউরোপীয় ব্যবসায়ীরা অন্তত ১ কোটি ২৫ লক্ষ আফ্রিকানকে অপহরণ করে দাস হিসেবে বিক্রি করেছিল। এর মধ্যে ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের হাতে পাচার হয়েছিলেন প্রায় ৩২ লক্ষ মানুষ। সেই অন্ধকার ইতিহাসের জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার দাবি নতুন করে জোরালো হচ্ছে। তবে ক্ষমা চাওয়ার পথে এগোলেও ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি নয় ব্রিটেন।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীল গ্রেফতারের তিন দিনের মাথায় স্ত্রীকে লালবাজারে তলব! জেরায় কী জানালেন মধুছন্দা?

ইউনেস্কোর নাম এবং লোগো ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর পাস বিক্রির অভিযোগে তদন্তে নতুন মোড়। প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুছন্দা সেনকে শনিবার লালবাজারে জেরা করল বিশেষ তদন্তকারী দল। ইন্দ্রনীল সেন গ্রেফতার হওয়ার তিন দিনের মধ্যেই তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হল। রাত আটটা পর্যন্ত দফায় দফায় চলে জেরা।যে সংস্থার নামে পুজোর প্রিভিউ শো-এর পাস বিক্রি করা হয়েছিল, সেই মাস আর্ট-এর সভাপতি ছিলেন মধুছন্দা। অভিযোগ, ইউনেস্কোর লোগো বেআইনি ভাবে ব্যবহারের অনুমতি নেওয়া থেকে শুরু করে সংস্থার বিভিন্ন নথিতে তাঁর সই ছিল। গত জুন মাসে বউবাজার থানায় যে অভিযোগ জমা পড়েছিল, তাতে দ্বিতীয় অভিযুক্ত হিসেবে মধুছন্দার নাম ছিল। প্রথম অভিযুক্ত ছিলেন তাঁর স্বামী ইন্দ্রনীল সেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেরার সময় মধুছন্দা দাবি করেছেন, মাস আর্ট-এর অন্য কর্তারা যেখানে সই করতে বলেছেন, তিনি সেখানেই সই করেছেন। তাঁকে কোনও বিষয়ে চাপ দেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। বিশেষ করে ইন্দ্রনীল স্ত্রীকে কোনও নথিতে সই করার জন্য চাপ দিতেন কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মধুছন্দাকে জেরা করে সংস্থার সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি বসুর নামও উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়া এফআইআরে নাম থাকা আরও দুজনের ভূমিকা কী ছিল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে মধুছন্দা ও ধ্রুবজ্যোতিকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পরিকল্পনাও রয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ সংস্থা থার্ড লাইন ক্রিয়েশন মাস আর্ট সোসাইটিকে ৬৬ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছিল। ওই টাকার মধ্যে ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা আইস্কেপ এবং মায়রা নামে দুটি সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। গোয়েন্দাদের কাছে খবর, এই দুটি সংস্থা ইন্দ্রনীলের মেয়ে নিয়ন্ত্রণ করেন। সেই সূত্রে তাঁকেও লালবাজারে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার কর্মীদের কাছ থেকেও বিভিন্ন তথ্য জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা। প্রয়োজনে ওই সংস্থাগুলির কর্মীদের একে একে জেরা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।অন্য দিকে, তদন্তকারীদের কাছে পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, ইউনেস্কোর লোগো দেখে তাঁরা এই প্রিভিউ শো-তে অংশ নিতে রাজি হয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, মাস আর্ট-এর কর্মীরাই বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে গিয়ে প্রিভিউ শো-এর ব্যবস্থা করতেন। এর বদলে পুজো কমিটিগুলিকে সামান্য টাকা এবং এলইডি গেট বসানোর সুযোগ দেওয়া হত। অভিযোগ, ওই গেটে বিজ্ঞাপন দেখানোর পরিবর্তে পুজো উদ্যোক্তাদের দেড় থেকে দুলক্ষ টাকা দেওয়া হত।পুলিশের দাবি, পাস বিক্রির বিনিময়ে পুজো উদ্যোক্তারা খুব সামান্য টাকা পেয়েছিলেন। গোটা আর্থিক লেনদেন এবং সংস্থাগুলির ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মধুছন্দার জেরার পর এই মামলায় আর কার কার নাম উঠে আসে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

উৎসবের মরসুমে নিরাপত্তায় বড়সড় প্রস্তুতি, পুজো কমিটিগুলিকে কী কী করতে বলল নবান্ন?

দুর্গাপুজো শেষ। সামনে কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো এবং ছটপুজো। এই উৎসবগুলিকে ঘিরে বিভিন্ন মণ্ডপ ও ঘাটে প্রচুর মানুষের ভিড় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য প্রশাসন। চোরবাগান কাণ্ডের পর আরও সতর্ক হয়েছে প্রশাসন। উৎসবের ভিড় সামলানো থেকে শুরু করে অগ্নিনির্বাপণ এবং ঘাটের নিরাপত্তাসব বিষয়েই একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন।নির্দেশিকায় পুজো কমিটিগুলিকে মণ্ডপে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। প্রবেশ ও বেরোনোর পথ যথেষ্ট চওড়া রাখতে হবে। কোনওভাবেই যাতে মণ্ডপের ভিতরে অতিরিক্ত ভিড় জমে না যায়, সে দিকে নজর রাখতে হবে। দর্শনার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।কোন মণ্ডপে কত মানুষের ভিড় হতে পারে, তা মাথায় রেখে পুলিশ মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি মণ্ডপে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখতে হবে। নিরাপত্তার সব ব্যবস্থা ঠিকমতো করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ ও প্রশাসন।মণ্ডপে অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা এড়াতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুজো কমিটিগুলিকে। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে যাতে দমকল পৌঁছতে পারে, সেই ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে।শুধু মণ্ডপ নয়, ছটপুজো উপলক্ষে বিভিন্ন ঘাটের নিরাপত্তা নিয়েও সতর্ক প্রশাসন। ঘাটে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে। নৌকায় রাখতে হবে লাইফ জ্যাকেট। পাশাপাশি ঘাটগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহিলাদের পোশাক পরিবর্তনের জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থাও করতে হবে।কালীপুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোর পরেই রয়েছে ছটপুজো। ফলে উৎসবের মরসুমে মণ্ডপ এবং ঘাটে ভিড় সামলানো প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। চোরবাগান কাণ্ডের পর কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না নবান্ন। তাই আগেভাগেই পুজো কমিটি, পুলিশ এবং প্রশাসনের জন্য একাধিক নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

মতুয়াদের জন্য বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, দু’মাসের মধ্যে নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার আশ্বাস

আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অনুযায়ী আবেদনকারীদের শুনানি শেষ করে শংসাপত্র দেওয়ার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার ঠাকুরনগরে আন্তর্জাতিক মতুয়া গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দিয়ে এই ঘোষণা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এখনও প্রায় আড়াই লক্ষ আবেদনকারীর শুনানি বাকি রয়েছে। আগামী দুমাসের মধ্যে সেই কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নাগরিকত্বের শংসাপত্র পাওয়ার পর ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রেও সরকার সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঠাকুরবাড়িতে আয়োজিত সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, এই সরকার শুধু বিজেপির নয়, মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরও। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে তাঁদের অযথা চিন্তা করার প্রয়োজন নেই বলেও আশ্বাস দেন তিনি। একই সঙ্গে এই আইন কার্যকর করা নিয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু বলেন, ঠাকুরনগরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর করার কথা বলেছিলেন। ২০২৪ সালের ৬ মার্চ এই আইন কার্যকর করা হয়। তাঁর দাবি, অন্য রাজ্যগুলিতে এই আইনের আওতায় নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া এগোলেও পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিরোধিতা করেছিলেন। এর ফলে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ সমস্যায় পড়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর শিলিগুড়িতে অমিত শাহের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, গুজরাত ও রাজস্থানের মতো রাজ্যে এই আইন কার্যকর করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও পশ্চিমবঙ্গে আগের সরকার তা করেনি। কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সাহায্যে যতটা সম্ভব শুনানির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।শুভেন্দুর কথায়, এখন নাগরিকত্বের আবেদন সংক্রান্ত কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা আধিকারিকদের এ বিষয়ে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই লক্ষ আবেদনকারীর শুনানি বাকি রয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই শুনানি শেষ করে আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।তফসিলি জাতিভুক্ত আবেদনকারীদের শংসাপত্র দেওয়ার বিষয়েও আশ্বাস দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, এই প্রক্রিয়ায় কাউকে বাধা দেওয়া হবে না। তবে কারা শংসাপত্র পাওয়ার যোগ্য, তা সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও যাচাইয়ের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে।শুধু নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়াই নয়, ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রেও সরকার সাহায্য করবে বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, আগামী জানুয়ারিতে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিশেষ অভিযান শুরু হলে সিএএ-র আওতায় শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের নাম তোলার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় নথি তৈরি করতেও সাহায্য করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।মতুয়া সম্প্রদায়ের নাগরিকত্বের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ঠাকুরনগরে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর এই ঘোষণার পর এখন নজর থাকবে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুনানি শেষ করে আবেদনকারীদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়ার কাজ কতটা এগোয়।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

মতুয়া-গড়ে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে কী কী পদ দিয়ে সাজল পাত?

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম বার মতুয়া-গড়ে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার ঠাকুরবাড়িতে আন্তর্জাতিক গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে মন্দিরে পুজো দেন তিনি। ঘণ্টা বাজিয়ে প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শান্তনু ঠাকুর এবং তাঁর স্ত্রী তথা বিধায়ক সোমা ঠাকুর। পুজো দেওয়ার পর ঠাকুরনগরে সভা করার কথা শুভেন্দুর। তার পর শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর আপ্যায়নের জন্য সকাল থেকেই বাড়িতে চলেছে বিশেষ আয়োজন।শুভেন্দুর জন্য নিজের হাতে রান্না করেছেন শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা। মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে রয়েছে নানা ধরনের পদ। ভাতের সঙ্গে থাকছে উচ্ছে ভাজা, বেগুন ভাজা, পমফ্রেট মাছ, চিংড়ির মালাইকারি, মটন এবং দেশি মুরগির ঝোল। এ ছাড়াও রয়েছে চিংড়ি দিয়ে মোচা, ইলিশ ভাপা ও ইলিশ ভাজা। তবে এই মেনুর অন্যতম আকর্ষণ ঠাকুরবাড়ির বিশেষ পদ চিংড়ি পিঠে। খাওয়ার শেষে থাকছে দই ও মিষ্টি।মুখ্যমন্ত্রীর আপ্যায়নের জন্য রান্নাঘরে সকাল থেকেই ব্যস্ততা ছিল। সোমা জানিয়েছেন, তিনি নিজের হাতেই রান্না করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম মতুয়া-গড় সফরকে ঘিরে ঠাকুরবাড়িতে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর ঠাকুরবাড়িতে তিন গোঁসাই ঠাকুরকে বরণ করা হয়। এর পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, আগের মুখ্যমন্ত্রী কোনওদিন মতুয়াদের কথা ভাবেনি। নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ভাবেননি। মতুয়াদের আশীর্বাদেই আমি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি। আজ এখানে সেবা কার্য করতে এসেছি।জানা গিয়েছে, ঠাকুরবাড়িতে পুজো দেওয়ার পর ঠাকুরনগরে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পর শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তিনি। সব কর্মসূচি শেষ করে বিকেলে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা তাঁর।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের হাহাকার! মজুত ১০ হাজারেরও কম, অস্ত্রোপচার পিছনোর আশঙ্কা

রাজ্যজুড়ে রক্তের জোগান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্ক মিলিয়ে এই মুহূর্তে বাংলায় রক্তের মজুত ১০ হাজার ইউনিটেরও কম বলে জানা গিয়েছে। অথচ প্রতিদিন রাজ্যে প্রায় তিন হাজার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয়। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, বর্তমান মজুত দিয়ে আগামী দিনে চাহিদা মেটানো কঠিন হতে পারে। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগী, ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসা, জটিল অস্ত্রোপচার এবং দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন হয়। এই পরিস্থিতিতে রক্তের জোগান নিয়ে চিন্তায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। শনিবারের হিসাব অনুযায়ী, কলকাতায় রক্তের মজুত ছিল প্রায় ৫৬০ ইউনিট।রক্তের জোগান নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর অস্ত্রোপচারের জন্য রক্ত পাওয়া যাচ্ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে। রোগীর পরিবারের অনুরোধে শনিবার রাতে সেখানে যান বরাহনগরের বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর উদ্যোগে সমস্যার সমাধান হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর সজল প্রশ্ন তোলেন, একজন বিধায়ককেই যদি রক্তের জন্য এত সমস্যায় পড়তে হয়, তা হলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হচ্ছে?তবে রাজ্যে রক্তের ঘাটতির কথা মানতে চাননি স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, কোনও বিরল রক্তের গ্রুপের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তবে সাধারণ ভাবে রক্তের ঘাটতি নেই। ও নেগেটিভ বা এবি নেগেটিভ-এর মতো বিরল গ্রুপের রক্ত পেতে সমস্যা হলে মানিকতলার কেন্দ্রীয় ব্লাড ব্যাঙ্কের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। সেখানে পর্যাপ্ত রক্ত মজুত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।দীর্ঘদিন ধরে রক্তদান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ডি আশিসের মতে, রক্ত পাচার নিয়ে নানা খবর ছড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের একাংশের মধ্যে রক্তদান নিয়ে অনীহা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, রক্তদান করেও লাভ নেই, কারণ সেই রক্ত পাচার হয়ে যেতে পারে। তাঁর বক্তব্য, এই ধারণার প্রভাব রক্তদান আন্দোলনের উপর পড়ছে। অন্য দিকে, রক্তের অভাবে কিছু অস্ত্রোপচার পিছিয়ে দিতে হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিতে সংগৃহীত রক্তের প্রায় ৮০ শতাংশ আসে বিভিন্ন ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, কলেজ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবির থেকে। কিন্তু রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন ক্লাবে নতুন কমিটি গঠন ও দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। ডি আশিসের বক্তব্য, নতুন কমিটিগুলি দায়িত্ব নেওয়ার পর রক্তদান শিবির আয়োজন করতে সময় লাগতে পারে। ফলে এই সময়ে বড় শিবিরের সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ব্লাড ডোনর অর্গানাইজেশনের জাতীয় সভাপতি বিশ্বরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, রবিবার একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হবে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আরও বেশি মানুষকে রক্তদানে এগিয়ে আসার আবেদন জানানো হচ্ছে। রক্তের জোগান বাড়াতে সম্প্রতি স্বাস্থ্য দপ্তরও নির্দেশিকা জারি করেছিল। হাসপাতাল সংলগ্ন পুজো কমিটিগুলিকে রক্তদান শিবির আয়োজন করতে উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে রক্তের মজুত বাড়াতে নিয়মিত রক্তদান শিবির আয়োজন এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে রাজ্যে রক্তের প্রকৃত ঘাটতি কতটা, তা নিয়ে চিকিৎসকদের উদ্বেগ এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

হুডখোলা গাড়িতে রাহুল সামনে, মমতা পিছনের সারিতে! বাংলার ভোটে হারের পর বদলে গেল সমীকরণ?

হুডখোলা গাড়ির সামনের সারিতে রাহুল গান্ধী। তাঁর পিছনের সারিতে ফারুক আবদুল্লা ও ডি রাজা। তৃতীয় সারিতে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের পাশে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগে এই ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের খারাপ ফলের পর বিরোধী জোটে মমতার অবস্থান বদলেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।একসময় বিভিন্ন আন্দোলনে সামনের সারিতে দেখা যেত মমতাকে। বিরোধী রাজনীতিতেও তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় তৃণমূলের বড় ধাক্কার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলেছে। রামলীলা ময়দানে যাওয়ার পথে হুডখোলা গাড়িতে রাহুল গান্ধীকে সামনের সারিতে এবং মমতাকে পিছনের দিকে দেখা গিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ছবি বিরোধী জোটে নেতাদের অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে।ওই গাড়িতে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ফারুক আবদুল্লা, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে এবং তেজস্বী যাদবও। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও দেখা যায়। তবে তিনি ছিলেন পিছনের সারিতে।বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রয়োজনে বাম ও কংগ্রেসের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। যদিও বাংলায় সেই প্রস্তাবে তেমন সাড়া মেলেনি। এর পর দিল্লিতে গিয়ে একাধিক বার রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মমতা। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী জোটে কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি জানিয়ে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সমাবেশকে ঘিরে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রামলীলা ময়দান এলাকায় পুলিশ ও আধাসেনা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে অন্তত ২০০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-যুক্ত ক্যামেরা।হুডখোলা গাড়িতে কোন নেতা কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। তবে শুধু আসন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিরোধী জোটে কোনও নেতার গুরুত্ব কমেছে বা বেড়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। সমাবেশে নেতাদের বক্তব্য এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর।

নভেম্বর ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal