• ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩, শনিবার ০২ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Roger Federer

খেলার দুনিয়া

'বাজা তোরা , রাজা যায়...' সাফল্য-খ্যাতি-প্রতিষ্ঠার তুঙ্গে থেকেও বরাবরই মাটির মানুষ রজার ফেডেরার

২০১৬ সাল। তিন বন্ধু সপরিবারে বেড়াতে গিয়েছিলাম সুইজারল্যান্ড, চোদ্দ দিন ধরে, কোনো ট্র্যাভেল এজেন্ট-এর সাহায্য ছাড়াই। তুষারমৌলি আল্পস... কাকচক্ষু জলের অসংখ্য দিগন্তপ্রসারী হ্রদ... নকশিকাঁথার মতো বন-প্রান্তর-জনপদ--- স্মৃতিপটে গাঁথা হয়ে গেছে চিরদিনের মতো।তবু সেই অপরূপ পর্যটন অসম্পূর্ণ রয়ে গেছিল আমার চোখে, কারণ প্রবল ইচ্ছা সত্ত্বেও ভ্রমণসূচীতে রাখা যায় নি একটি সুন্দর শহরকে --- বাসেল, যেখানে বাস খেলার জগতে আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষটির।স্কুলজীবনে রচনা লিখতে হতো-- তোমার প্রিয় ক্রীড়াবিদ। ছোটবেলা থেকে আমার খাতায় বারবার বদলে গেছে সে চরিত্র -- প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়... সুনীল গাভাসকর... সের্গেই বুবকা... বিশ্বনাথন আনন্দ... হোসে রামিরেজ ব্যারেটো...। কিন্তু গত দুই দশক জুড়ে সবচেয়ে প্রিয় নাম একটিই-- রজার ফেডেরার। আগামী সপ্তাহেই লন্ডনে অনুষ্ঠেয় লেভার কাপ-এ চব্বিশ বছরের বর্ণময় আন্তর্জাতিক টেনিস জীবনে দাঁড়ি পরতে চলেছে যাঁর।নাদাল-এর সঙ্গে যৌথভাবে প্রায় দুকোটি টাকা দান করেছিলেনকিং রজার কি লন টেনিস-এর ওপেন যুগে সর্বকালীন সেরা ? দ্বিমত পোষণ করতে পারেন অনেকে, কিন্তু স্কিল- স্ট্যামিনা- এনডিওরেন্স-এর যে চূড়ান্ত পর্যায়ে দুই দশক বিরাজ করেছেন তিনি, যে অনায়াস দক্ষতায় তুলির টান দিয়েছেন সারা পৃথিবীর টেনিস কোর্টে, গগনচুম্বী সাফল্য সত্ত্বেও যেভাবে মাটির কাছাকাছি রয়ে গেছেন বিনয়-ভদ্রতা-মানবিক মূল্যবোধের প্রতিমূর্তি হয়ে-- তাতে আমার মতো বিশ্বজোড়া কোটি কোটি সমর্থকের বুকে চিরস্থায়ী আসন পাতা হয়ে গেছে তাঁর।কুড়িটি গ্র্যান্ড স্লাম সিঙ্গলস খেতাব (আটবার উইম্বলডন, ছয়বার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, পাঁচবার ইউএস ওপেন, একবার ফ্রেঞ্চ ওপেন ), চল্লিশটি এটিপি ট্যুর সিঙ্গলস খেতাব, সব মিলিয়ে রেকর্ডসংখ্যক ১০৩টি সিঙ্গলস খেতাব, গ্র্যান্ড স্লাম প্রতিযোগিতায় রেকর্ডসংখ্যক ৩৬৯টি সিঙ্গলস ম্যাচ জেতা, ৩১০ সপ্তাহ একনম্বর স্থান ধরে রাখা, সবচেয়ে বেশী বয়সে (ছত্রিশ বছর দশ মাস) একনম্বর স্থান পুনরুদ্ধার করা, অন্ততঃ তিন মরশুমে (২০০৬, ২০০৭,২০০৯) সবকটি গ্র্যান্ড স্লাম-এর ফাইনাল খেলা--- এগুলো নেহাত পরিসংখ্যান নয়; সদ্য-অবসৃত সেরেনা উইলিয়ামস যেমন মেয়েদের টেনিস-এ , তেমনই নাদাল-জকোভিচকে নিয়ে পুরুষদের টেনিস-এ চিরকালীন মানদণ্ড গড়ে দিয়ে গেলেন রজার ফেডেরার।বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত-শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বের তালিকা দুনম্বরে ছিলেন৮১ সালের আটই আগস্ট বাসেল অঞ্চলে পৃথিবীর আলো দেখেছিলেন রজার-- বাবা রবার্ট সুইস, মা লিনেট দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষ। আট বছর বয়সে টেনিস Racket হাতে তুলে নিয়েছিল ছোট্ট ছেলেটি। তেরো চোদ্দ বছর বয়সেই ছোটবোন ডায়ানা-কে ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল লুসান-এর সুইস টেনিস অ্যাকাডেমিতে। সুইজারল্যান্ড-এর এই অংশে ফরাসী ভাষাটাই চলে বেশী, কিন্তু রজার যে জার্মান ভাষাতেই বেশী স্বচ্ছন্দ! বার বার মন চাইতো বাসেল-এ ফিরে যেতে, কিন্তু ততদিনে আশেপাশের অনেকেই তার মধ্যে দেখতে পেয়েছেন অমিত সম্ভাবনা। কাজেই লড়াই জারী রইলো তার; লুসান আর ছাড়া হলো না। ৯৩ থেকে ৯৫ , বাসেল-এর এটিপি টুর্নামেন্টে বলবয় ছিল রজার-- বড় হয়ে যে খেতাব দশ বার জিতে নিয়েছিল সে।৯৮-এ মাত্র সতেরো বছর বয়সে পেশাদার হয়ে গেল রজার, আর তিনবছর বাদেই জিতে নিল প্রথম এটিপি সিঙ্গলস খেতাব, মিলান-এ। স্টিফেন এডবার্গ, বরিস বেকার, আর পিট স্যাম্প্রাস আদর্শ ছিলেন তার। মাত্র উনিশ বছর বয়সে সেই স্যাম্প্রাসকেই হারিয়ে দিল রজার।এসেছিলেন ভারতেও, ২০০৪-এ সুনামি-ত্রাণেঅনেক বন্ধু বলতো, মনে হয় এবছর তুই ওঁকে হারাতে পারবি ,ফেডেরার বলেছিলেন, জানতাম সম্ভাবনা আছে একটা, তবে পুরোপুরি নয়; মানে ঘাসের কোর্টে উনিই তো আসল লোক!পরের রাউন্ডেই হেরে গেলেন টিম হেনম্যান-এর কাছে।পরের বছর কিন্তু প্রথম রাউন্ডেই বিদায়। তার ধাতটাই তখন অশান্ত--- Racket আছড়ানো... পনিটেল... রুক্ষ মানসিকতা...। হঠাৎই ব্যক্তিজীবনের এক আঘাত তাকে বদলে দিল চিরদিনের মতো। একুশ বছরের জন্মদিনের পরেই, দক্ষিণ আফ্রিকায় এক পথদুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন পিটার কার্টার, রজার-এর কোচ ও বহুদিনের বন্ধু। প্রিয় সঙ্গীর আকস্মিক চলে যাওয়া জন্ম দিল এক নতুন রজার ফেডেরার-এর -- শান্ত, সৌম্য,ভদ্রতার প্রতিমূর্তি; এক সর্বজনপ্রিয় ক্রীড়াব্যক্তিত্ব।২০০৩-এ মার্ক ফিলিপৌসিস-কে হারিয়ে প্রথমবার উইম্বলডন জিতেছিলেন। সেই প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের উনিশ বছর পর, গত বৃহস্পতিবার, অবসরগ্রহণের ঘোষণা এল তাঁর কাছ থেকে।ফেব্রুয়ারি০৪ থেকে আগস্ট ০৮--- টানা ২৩৭ সপ্তাহ শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিলেন ফেডেরার। এক বিরল সৌন্দর্য ছিল তাঁর খেলায় -- টেনিস যেন বড় অনায়াস, সাবলীল, সহজ ছন্দে বইতো তাঁর হাতে। কব্জির সুক্ষ মোচড়ে অসাধারণ ফোরহ্যাণ্ড... একহাতে মারা চোখজুড়ানো ব্যাকহ্যাণ্ড... অনায়াস সার্ভিস... অবলীলায় কোর্টের যে কোনো প্রান্ত থেকে দুরূহ প্লেসমেণ্ট--- টেনিস-এর শেষ কথা মনে হতো তাঁকেই। তারপর দেখা দিলেন রাফেল নাদাল....মিক্সড ডাবলসে সানিয়ার সাথেসবদিক দিয়ে ফেডেরার-এর ঠিক বিপরীতে ছিলেন নাদাল। সার্ভ অ্যান্ড ভলি গেমকে যে শৈল্পিক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন ফেডেরার, রাফা-র অ্যাথলেটিসিজম-শক্তি-গতিময়তা তাকে চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জের মুখে ফেললো। রোল্যাঁ গ্যারো-র লাল সুড়কির কোর্টে তো নাদাল-এর মৌরসিপাট্টা ছিলই, ফেডেরার-কে তিনি পিছনে ফেলতে লাগলেন অন্যত্রও। ততদিনে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দেখা দিয়েছেন নোভাক জকোভিচ-ও।আমি কখনোই এইরকম খেলোয়াড় হয়ে উঠতাম না,যদি না নাদাল থাকতো, ফেডেরার বলেছিলেন তাঁর কঠিনতম প্রতিদ্বন্দ্বী তথা কোর্টের বাইরে প্রিয় বন্ধুর সম্বন্ধে। পরপর তিনবার ফ্রেঞ্চ ওপেন-এর ফাইনাল-এ, আর ২০০৮-এ উইম্বলডন-এও নাদাল-এর কাছে হার রজার-কে বাধ্য করলো নতুন করে নিজেকে বদলাতে।হয়তো এর পরিণতিতেই পরের বছর এলো ফেডেরার-এর খেলোয়াড় জীবনের সম্ভবতঃ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয়, ২০০৯-এর ফ্রেঞ্চ ওপেন-এ। নাদাল হেরে গেলেন রবিন সডারলিং-এর কাছে, আর ফেডেরার তখন চতুর্থ রাউন্ডে টমি হাস-এর বিরুদ্ধে দু সেট খুইয়ে বসে আছেন। এক বছর আগে হলে হয়ত চাপের মুখে আবার হেরে বসতেন, কিন্তু অবিশ্বাস্য এক ফোরহ্যাণ্ড তৃতীয় সেট-এর অষ্টম গেম-এ ব্রেকপয়েণ্ট বাঁচিয়ে ম্যাচে ফিরিয়ে আনলো তাঁকে; শেষমেশ জিতেই নিলেন ম্যাচটা। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে মঁফিলস, সেমিফাইনাল-এ দেল পোট্রো, আর ফাইনালে নাদাল-জয়ী সডারলিং--- একের পর এক কঠিন ম্যাচ জিতে রজার দেখিয়ে দিলেন, ক্লে কোর্টেও কিছু কম যান না তিনি।এর পরেই যদি অবসর নিয়ে নিতেন, কারো কিছু বলার থাকতো না। ত্রিশ পেরিয়ে গেছে... সামপ্রাস-এর সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্লাম সিঙ্গলস খেতাব জয়ের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন... জিতেছেন সবরকম সারফেস-এ... নতুন করে প্রমাণ করার আর ছিল কী?টেনিসের রাজা ভারতেপ্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী ততদিনে জকোভিচ-ও; অস্তগামী সূর্য ফেডেরার পড়ন্ত বেলায় তাঁর বিরুদ্ধে ততটা সফল হতে পারেন নি। চোটআঘাতও ভোগাতে শুরু করলো বারবার। একচল্লিশ বছর বয়সে, গত দেড় বছরে উপর্যুপরি তিনবার হাঁটুর অপারেশন করাবার পরে, সময় ও শরীরের দাবী মেনে নিলেন তিনি। এ সিদ্ধান্ত হয়তো নিতে পারতেন চার বছর আগেই, তাঁর তো আর কারো কাছে কিছু প্রমাণ করার ছিল না !২০১৭-এ কঠিন চোট থেকে সেরে উঠে, ১৮-র জানুয়ারির মধ্যেই আবার তিনটি গ্র্যান্ড স্লাম জিতে নিয়ে, ২০১৯-এর উইম্বলডন ফাইনালে একচুলের জন্য খেতাব হাতছাড়া করার পরেই রাজসিক মর্যাদায় অবসর নিতে পারতেন রাজা রজার। কিন্তু তিনি নিজে তো নিজেকে আম আদমি-ই ভেবে এসেছেন বরাবর। টেনিস-এর প্রতি নিটোল প্রেম আর অগণিত ভক্তদের প্রতি অটুট দায়বদ্ধতাই তাঁকে সরে যেতে দেয় নি ।চেষ্টা করে গেছেন অন্তরালে থেকেও পাদপ্রদীপের আলোয় ফিরে আসার।সাফল্য-খ্যাতি-প্রতিষ্ঠার তুঙ্গে থেকেও বরাবরই মাটির মানুষ রজার ফেডেরার; গার্হস্থ্য মূল্যবোধের প্রতিভূ হয়ে রয়ে গেছেন, কোনো কেচ্ছা-কেলেঙ্কারী কখনো ছুঁতে পারেনি তাঁকে। স্ত্রী মির্কা নিজেও ছিলেন নামী টেনিস খেলোয়াড়--- ডব্লিউটিএ Ranking-এ ছিয়াত্তর পর্যন্ত এগিয়ে এসেছিলেন এক সময়, উঠেছিলেন ইউএসওপেন-এর তৃতীয় রাউন্ডে। ২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিকে প্রথম দেখা হয়েছিল দুজনের। পরে একসময় জুটি বেঁধে হপম্যান কাপে মিক্সড ডাবলসেও নেমেছিলেন। দুইজোড়া যমজ সন্তান তাঁদের-- দুই মেয়ে মাইলা ও শার্লিন, আর দুই ছেলে লিও ও লেনি। গ্যালারী থেকে পুরো পরিবার তাঁকে সোচ্চার সমর্থন করছে ম্যাচের সময়-- এর থেকে মধুর দৃশ্য তাঁর কাছে কিছু নেই, জানিয়েছিলেন ফেডেরার।পৃথিবী জুড়ে এত ভালবাসা কীভাবে পেলেন ফেডেরার?কখনো মনুষ্যত্ব হারান নি তিনি। একবার লন্ডন-এ উইম্বলডন খেলতে এসে দেখলেন, হোটেলে তাঁর কোচ ও সাপোর্ট টিমের অন্যান্যদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে সাধারণ ডিলাক্স রুম, আর তাঁর জন্য বিলাসবহুল সুইট। রজার নির্দেশ দিলেন সবার জন্যই তাঁর মতো ঘরের ব্যবস্থা করতে। কিন্তু জানা গেল যে আর কোনো সুইট খালি নেই। ফেডেরার পত্রপাঠ সুইট ছেড়ে চলে এলেন সাধারণ ডিলাক্স রুমে!The great moments I spent here will forever be in my memory. Thank you New Delhi! Tremendous crowd support! Forever grateful 🙏 Roger Federer (@rogerfederer) December 8, 2014কখনো ম্যাচ হারের পর অজুহাত দেন নি, বা প্রতিপক্ষকে ছোটো করেন নি তিনি। একবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন-এ --- ইনফেকশাস মনোনিউক্লিওসিস জ্বরে ভুগতে ভুগতেই ফাইনাল-এ গেলেন রজার, প্রচুর লড়েও হারলেন জকোভিচ-এর কাছে। ম্যাচ-পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে নিজের শারীরিক কষ্টের অজুহাত দিলেন না, বরং বললেন, বিগত কয়েক দিন আমার শরীরস্বাস্থ্য নিয়ে অনেক জল্পনা হয়েছে। কিন্তু আজ যেন নোভাক-এর কৃতিত্ব কিছু কম বলে মনে করা না হয়; কারণ ম্যাচটা জিততে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলাম।অবসর-এর পর কী করবেন? পরিবারের সাথে সময় কাটাবেন... স্কিইং... সমুদ্রসৈকত... তাস... টেবলটেনিস। পছন্দের তালিকায় আছে আরো অনেক কিছু--- হাইকিং, সাইক্লিং, সংগ্রহশালায় ঘুরে বেড়ানো ,প্রিয় সুইস খাবার খাওয়া (চকোলেট-ফন্ডু-রাকলেট-রোস্টি উইথ কর্ডন ব্লু ইত্যাদি)। চারটি ভাষায় স্বচ্ছন্দ তিনি-- ফরাসী, ইংরেজী, সুইস ও জার্মান।২০০৩ সালে শুরু করেছিলেন রজার ফেডেরার ফাউন্ডেশন, বিশ্ব জুড়ে এক কোটির বেশী ছেলেমেয়ের জীবনকে ইতিমধ্যেই ছুঁয়েছে যে সংস্থা। রাফেল নাদাল-এর সঙ্গে যৌথভাবে প্রায় দুকোটি টাকা দান করেছিলেন ২০-র জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান বুশফায়ার রিলিফ-এ। দক্ষিণ আফ্রিকায় কোভিড- সাহায্যার্থে দান করেছেন প্রায় আট কোটি টাকা। টেনিস ইতিহাসে সর্বোচ্চ উপস্থিতির দুটি চ্যারিটি ম্যাচ খেলেছেন নাদাল (কেপটাউন: ফেব্রুয়ারি২০) ও আলেকজান্ডার জেরেভ (মেক্সিকো সিটি: নভেম্বর ১৯)-এর সঙ্গে। এসেছিলেন ভারতেও, ২০০৪-এ সুনামি-ত্রাণে। এদেশের টেনিস কোর্ট তাঁকে পেয়েছে পরে ১৪ সালে , প্রদর্শনী ম্যাচের সূত্রে।রিপুটেশন ইনস্টিটিউট ২০১১ সালে বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত-শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বের তালিকা করতে গিয়ে দুনম্বরে রেখেছিল তাঁকে, একমেবাদ্বিতীয়ম নেলসন ম্যান্ডেলা-র পরেই। ঠিক পিছনেই ছিলেন বিল গেটস, স্টিভ জোবস ,ওপ্রা উইনফ্রে, বোনো।রাজা রজার-এর প্রস্থানে রিক্ত হবে ক্রীড়া জগৎ। তবু অনুপ্রাণিত করতে থাকবেন তিনি, খেলোয়াড় হিসেবে, মানুষ হিসেবে, এক আদর্শ ফ্যামিলিম্যান হিসেবে....Good bye, sweet Prince ! It was a pleasure and privilege walking on the same earth with you !!কৃতজ্ঞতা স্বীকার : টাইমস অফ ইন্ডিয়া।ডঃ সুজন সরকার,বর্ধমান।

অক্টোবর ০২, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

নতুন মাসেই বড় ধাক্কা, অটো গ্যাসের দামে লাফ—আবার কি বাড়বে ভাড়া?

নতুন মাস শুরু হতেই মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা অনুভব করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ার পাশাপাশি অটোতে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও বেড়েছে। লিটার প্রতি অটো গ্যাসের দাম বেড়েছে ৬ টাকা ৪৪ পয়সা। ফলে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে লিটার প্রতি ৮৯ টাকা ৪০ পয়সা। এর ফলে অটো ভাড়া আবার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কিছুদিন আগেও এই গ্যাসের দাম অনেক কম ছিল। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়ে জ্বালানির দামে বৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এক মাস আগেও জ্বালানি পাওয়ার আশঙ্কায় বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে অটোর দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছিল।এর আগে জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে বিভিন্ন রুটে অটো ভাড়া ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এখন আবার দাম বাড়ায় নতুন করে ভাড়া বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।অটোচালকদের একাংশ জানিয়েছেন, আপাতত ভাড়া বাড়ানোর কথা ভাবছেন না, তবে গ্যাসের দাম কমলে তাঁদের সুবিধা হবে। অন্যদিকে কিছু চালক বলছেন, ইতিমধ্যেই ভাড়া বেড়েছে এবং পরিস্থিতির কারণে আরও বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে।রাজনৈতিক মহলেও এই বিষয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতা জানিয়েছেন, ভোটের পরেই গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়বে এবং খরচ আরও বাড়বে।

মে ০১, ২০২৬
রাজ্য

কাল ফের ভোট ১৫ বুথে, ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাটে বড় সিদ্ধান্ত—কোন কেন্দ্রে কী ঘটেছিল জানেন?

শনিবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোটের পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, মোট ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। এই সব বুথই ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এছাড়াও ফলতার একটি বুথে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা থাকলেও তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আপাতত ১৫টি বুথে ভোট হওয়া নিশ্চিত।পুনর্নির্বাচনের পিছনে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে ভোটারদের ভয় দেখানো এবং বুথে টেপ লাগানোর মতো অভিযোগ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, যেসব বুথে টেপ লাগানোর অভিযোগ উঠেছে, সেখানে কিছু ক্ষেত্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ফুটেজ পাওয়া যায়নি। এই কারণেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এবারের নির্বাচনে ভোটদানের হার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ৩৪ লক্ষ বেশি ভোটার এবারে ইভিএমে ভোট দিয়েছেন। আগে যেখানে প্রায় ৫ কোটি ৯৮ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন, এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৩১ লক্ষ। বিশেষ সংশোধনের ফলে বহু নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার পরেও ভোটের সংখ্যা বেড়েছে।ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই অতিরিক্ত ৩৪ লক্ষ ভোট কোথায় গেল। প্রায় ৯৩ শতাংশ রেকর্ড ভোটদানের পিছনে শুধু ভুয়ো ভোটার বাদ পড়াই নয়, প্রকৃত ভোটারের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০১, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগে কড়া নজর, মমতা-অভিষেকের বৈঠকে ঠিক হচ্ছে বড় কৌশল

ভোটের ফল ঘোষণার আগে স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও নির্বাচন কমিশনের সংঘাত চরমে উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র এবং ভাবানীপুরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার পর থেকেই আরও সতর্ক হয়ে উঠেছে তৃণমূল শিবির। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে কালিঘাটে বৈঠকে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার ফল ঘোষণা হওয়ার কথা। তার আগে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজ্যজুড়ে স্ট্রংরুমের অবস্থা, সেখানে নজরদারি এবং গণনার দিনের পরিকল্পনাসব কিছু নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা চলছে এই বৈঠকে। মমতা ও অভিষেক দুজনেই পুরো পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন।শনিবার কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে বৈঠক করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগেই কাউন্টিং এজেন্টদের জন্য বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রার্থীরা গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছেন।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে শ্যামপুকুর ও বেলেঘাটা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের কিছু আধিকারিক ইভিএম খোলার চেষ্টা করছেন। এর প্রতিবাদে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে ধর্নায় বসেন তারা।যদিও নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, সমস্ত ইভিএম সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রয়েছে।

মে ০১, ২০২৬
কলকাতা

ক্ষুদিরাম থেকে শাখাওয়াত, সর্বত্র কড়া পাহারা—কারচুপির আশঙ্কায় চরম সতর্কতা

বঙ্গের ভোট রাজনীতিতে এবার স্ট্রংরুম ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই একাধিক জায়গায় উত্তেজনা ছড়ায়। প্রথমে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র, পরে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালদুই জায়গাতেই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। একদিকে তৃণমূলের কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা ধর্নায় বসেন, অন্যদিকে সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গভীর রাত পর্যন্ত স্ট্রংরুমের বাইরে টানটান পরিস্থিতি ছিল। তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চাপানউতোর চলতে থাকে। শুক্রবার সকালেও সেই উত্তেজনা বজায় রয়েছে।সকালে আবার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছন কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা। অন্যদিকে বিজেপির এজেন্টরাও স্ট্রংরুমের বাইরে উপস্থিত হয়ে পাহারা দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই তাঁরা সেখানে রয়েছেন।গতকালের ঘটনার পর স্ট্রংরুমগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে গতরাতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন, যদিও নির্বাচন কমিশন সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রায় চার ঘণ্টা সেখানে থাকার পর তিনি বেরিয়ে এসে নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা বলেন এবং প্রয়োজনে প্রার্থীদের নিজেদের ইভিএম পাহারা দেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, সংবাদমাধ্যমের জন্য সিসিটিভি দেখার ব্যবস্থা করা উচিত।এই ঘটনার পর শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং বাইরে পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে। স্কুলের আশেপাশে প্রবেশের উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ জারি হয়েছে এবং নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে ঢুকতে পরিচয়পত্র দেখাতে হচ্ছে।ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রেও একই রকম কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেখানে কলকাতার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে। পুরো এলাকাকে প্রায় দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং ভিতরে ঢোকার আগে কড়া তল্লাশি করা হচ্ছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথভাবে নজরদারি চালাচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে গণনার আগে স্ট্রংরুম ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগও বাড়ছে।

মে ০১, ২০২৬
রাজ্য

স্ট্রংরুমে হঠাৎ সিসিটিভি বন্ধ, কালনায় চাঞ্চল্য—রাত পাহারায় নামলেন প্রার্থী

দলীয় নেতা-কর্মীদের স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন জেলায় সতর্ক রয়েছেন দলের কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে কালনায় স্ট্রংরুমের সিসিটিভি ক্যামেরা দুই মিনিট বন্ধ থাকার ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্বস্থলী দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী স্বপন দেবনাথ। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, দুই মিনিট সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এই সময়ের মধ্যেই অনেক কিছু ঘটে যেতে পারে। এরপর তিনি জানান, এখন থেকে তিনি নিজে রাতেও সেখানে পাহারা দেবেন।কালনা কলেজে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলি হল কালনা, মন্তেশ্বর, পূর্বস্থলী উত্তর এবং পূর্বস্থলী দক্ষিণ। অভিযোগ, গতকাল সন্ধ্যার কিছু আগে প্রায় দুই মিনিট সিসিটিভি বন্ধ ছিল। দলের স্বেচ্ছাসেবকদের কাছ থেকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে পুলিশকে কারণ জানতে চান স্বপন দেবনাথ। তিনি বলেন, বড় কোনও ঘটনা ঘটতে খুব বেশি সময় লাগে না, এক মুহূর্তই যথেষ্ট, তাই কেন এই সময় ক্যামেরা বন্ধ ছিল তা স্পষ্ট করা দরকার।অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। কালনার বিজেপি প্রার্থী সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে এত দেরিতে কেন সেখানে পৌঁছলেন তৃণমূল প্রার্থী। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল এখন অজুহাত খুঁজছে। তিনি দাবি করেন, মানুষের মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে এই কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।

মে ০১, ২০২৬
দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal