• ৬ ফাল্গুন ১৪৩২, রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ranji

কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

রঞ্জিত মল্লিককে জড়িয়ে ধরলেন অভিষেক, ক্যামেরার সামনে আবেগঘন মুহূর্ত

বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে ভবানীপুরে অভিনেতার বাড়িতে যান তিনি। প্রায় দুঘণ্টা সেখানে ছিলেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান, এই সাক্ষাতে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে তাঁর ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। ছোটবেলায় তাঁর দেখা প্রথম সিনেমার নাম ছিল গুরুদক্ষিণা, যেখানে অভিনয় করেছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। অভিষেক আরও বলেন, অভিনেতার অধিকাংশ ছবি তাঁর জন্মের আগেই মুক্তি পেয়েছিল। ১৯৯২ সালে প্রয়াত কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।অভিষেক জানান, এদিন তিনি রাজনীতির কথা বলতে যাননি। তবে কেন্দ্র কীভাবে রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে এবং গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকার কীভাবে কাজ করেছে, সে কথাগুলি রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের কথাও তিনি তুলে ধরেন।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি এগিয়ে এসে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বলেন, ওকে আমার খুব ভাল লাগে। খুব ভাল লাগে। এটুকুই বলব। অভিনেতার এই মন্তব্যে মুহূর্তটি আবেগঘন হয়ে ওঠে।উল্লেখ্য, উন্নয়নের পাঁচালি নামে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রচার কর্মসূচির কথাও উঠে আসে আলোচনায়। এই প্রচারে গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য চালু হওয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্পগুলির কথা লোককথার ঢঙে তুলে ধরা হচ্ছে। গ্রামের মহিলাদের কাছে সহজ ভাষায় সরকারের কাজ পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বড়পর্দায় কামব্যাক রঞ্জিত মল্লিকের

নেহাল দত্তের পরিচালনায় অপরাজেয় ছবির মাধ্যমে কামব্যাক করছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক। এছাড়া রয়েছেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, লাবণী সরকার, সুমিত গাঙ্গুলি, মৃণাল মুখোপাধ্যায়, ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়, সায়ন ব্যানার্জি, ওরিন, গোপাল তালুকদার প্রমুখ। শ্রীমতী সুমনা কাঞ্জিলাল কর্ণধার - মোজোটেল এন্টারটেনমেন্টস এবং দিব্যা ফিল্মস এর উপস্থাপনায় এই অপরাজেয়।অপরাজেয় তে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় ও মৃণাল মুখোপাধ্যায়এই গল্পটা একজন সত্যবাদী নিষ্টাবান উকিল শুভঙ্কর স্যানাল এর জীবন নিয়ে! যে কোনদিন মিথ্যা বা অসৎ কোন কাজ কে মেনে নেননি! কিন্তু জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এলোমেলো হয়ে যায় তাঁর জীবন! এক কেসে তাঁর মক্কেল টাকার জন্য অনৈতিক ভাবে কেস তুলে নেয়, এই কষ্টে অবসর নেন শুভঙ্কর! অবসর জীবনে তাঁর স্ত্রী তাঁদের একমাত্র পুত্র এবং পুত্রবধু ও নাতির প্রতিক্ষায় এক সময়ে নিজেকে শেষ করে দেন! ভেঙ্গে পড়েন শুভঙ্কর বাবু! কিন্ত আবার তাঁকে জাগিয়ে তোলে পাশের বাড়ির এক বৃদ্ধের ওপর বাড়ি বিক্রির ষড়যন্ত্র জড়িত এক সন্তানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আবারও গর্জে উঠলেন সেই হারানো শুভঙ্কর সান্যাল।

জুলাই ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাংলার রনজি ব্যর্থতার জন্য কেন আঙুল উঠছে অরুণলালের দিকে?‌

২০১৯২০ মরশুমে রনজি ট্রফি জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছেছিল বাংলা। দুরন্ত লড়াই করেও শেষরক্ষা হয়নি। সৌরাষ্ট্রর কাছে ফাইনালে হেরে রনজি জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গিয়েছিল বাংলার। এই মরশুমেও স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। মধ্যপ্রদেশের কাছে সেমিফাইনালে হেরে স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল। কেন বারবার ব্যর্থতার মুখে পড়তে হচ্ছে বাংলাকে? পর্যালোচনা করতে বসে উঠে আসছে একাধিক কারণ। কখনও ব্যাটিং ব্যর্থতা, কখনও আবার বোলারদের ব্যর্থতার জন্যই ডুবতে হচ্ছে বাংলাকে। এবছর মধ্যপ্রদেশের কাছে হারের জন্য বিশেষজ্ঞরা ব্যাটিং ব্যর্থতাকেই বড় করে দেখছেন। দলের ব্যাটারদের ওপর স্বয়ং কোচ অরুণলালেরই তেমন আস্থা নেই। ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৯ জন ব্যাটারের হাফ সেঞ্চুরির বেশি রানের সুবাদে রানের পাহাড় গড়েছিল। অনেকেই ভেবেছিলেন, মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধেও ব্যাটাররা জ্বলে উঠবেন। কিন্তু ল অফ অ্যাভারেজ বলে একটা কথা আছে। আর ঝাড়খণ্ডের বোলিং শক্তির সঙ্গে মধ্যপ্রদেশের বোলিং শক্তির আকাশপাতাল পার্থক্য রয়েছে। ভাল বোলিংয়ের সামনে পড়তেই বাংলার ব্যাটিংয়ের কঙ্কালসার চেহারা বেরিয়ে আসে। তাড়াছা মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগেই কুমার কার্তিকেয়ার আতঙ্কে ভুগছিল বাংলা শিবির। ম্যাচে সেই আতঙ্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি অভিষেক রমণ, সুদীপ ঘরামিরা। কোচ অরুণলালের মুখেও শোনা গেছে ব্যাটারদের আতঙ্কের কথা। বাংলার কোচ বলছিলেন, শুরু থেকেই যদি ব্যাটাররা ভয় পেয়ে যায়, তাহলে রান করবে কীভাবে? শুধু কি ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্যই এবার সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যেতে হয়েছে বাংলাকে? বোলারদের ব্যর্থতার কথাও উঠে আসছে। নিজেদের পছন্দমতো পরিবেশ না পেলে জ্বলে উঠতে পারছেন না মুকেশ কুমার, আকাশ দীপরা। ইডেনের মতো ঘাসে ভরা উইকেট না পেলে ভাল বল করতে পারছে না। সব জায়গায় তো আর পছন্দমতো উইকেট পাওয়া যাবে না। সব ধরণের উইকেটেই মানিয়ে নিতে হবে। ভাল মানের স্পিনারের অভাবেও ভুগতে হচ্ছে বাংলাকে। উৎপল চ্যাটার্জি, শরদিন্দু মুখার্জি, সৌরাশিস লাহিড়ীর মতো স্পিনার কোথায় বাংলায়? একজন ভাল মানের অফ স্পিনার এখনও তুলে নিয়ে আসতে পারল না বাংলা। সবেধন নীলমনি একজন রয়েছেন। ঋত্বিক চ্যাটার্জি। অথচ তাঁকে খেলানোর সাহস দেখাতে পারে না টিম ম্যানেজমেন্ট। আলুরের মাঠে মধ্যপ্রদেশের স্পিনাররা দুরন্ত বোলিং করে গেল। আর বাংলার স্পিনাররা প্রথম ইনিংসে জ্বলে উঠতেই পারেননি। কোচ অরুণলালের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আধুনিক কোচিংয়ের ধারণার সঙ্গে সড়গড় নন অরুণলাল। তাঁর কোচিং পদ্ধতি নিয়ে দলের অনেকেই অসন্তুষ্ট। ম্যাচের আগে টিম মিটিংয়ে স্ট্র্যাটেজি নিয়ে নাকি কোনও আলোচনাই হয় না। দল কীভাবে খেলবে, ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী কীভাবে পরিকল্পনা বদলাবে, সেসব বিষয় নিয়ে একেবারেই মাথা ঘামান না বাংলার কোচ। টিম মিটিংয়ে নাকি শুধু অতীতের প্রসঙ্গ টেনে নিয়ে আসেন। অধিনায়ক কী চাইছেন, প্রথম একাদশে কোন কোন ক্রিকেটারকে নিয়ে অধিনায়কের কী পরিকল্পনা, সেসব বিষয় নিয়ে একেবারেই আলোচনা করেন না। পুরনো পদ্ধতিকেই দিনের পর দন আঁকড়ে ধরে থেকেছেন। প্রশ্ন উঠছে প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়েও। বিপক্ষ দলে যখন একাধিক বাঁহাতি ব্যাটার, তখন কেন একসঙ্গে দুজন বাঁহাতি স্পিনার খেলানো হয়েছিল সেমিফাইনালে মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে? বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অনায়াসে খেলানো যেত অফস্পিনার ঋত্বিক চ্যাটার্জিকে। শাহবাজ আমেদের সঙ্গে প্রদীপ্ত প্রামানিককে খেলানোর কোনও যুক্তি ছিল না। ঈশান পোড়েলকে বসিয়ে রাখাটাও অনেকে মেনে নিতে পারছেন না। তাঁর পরিবর্তে সায়নশেখর মণ্ডল বল হাতে একেবারেই দাগ কাটতে পারেননি। গতি ও বাউন্স দিয়ে ঈশান পোড়েল হয়তো সমস্যায় ফেলতে পারতেন মধ্যপ্রদেশের ব্যাটারদের। টিম ম্যানেজমেন্ট ভেবেছিল, সায়নশেখরের ব্যাট থেকে কিছু রান পাওয়া যেতে পারে। ৬ জন ব্যাটার ব্যর্থ হলে ৭ নম্বর ব্যাটারের কাছ থেকে ভাল কিছু প্রত্যাশা করাটাই বোকামি। সুদীপ চ্যাটার্জির মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারকেও প্রথম একাদশের বাইরে রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। শুরুতে উইকেট হারালে যেখানে দল চাপে পড়ে যাচ্ছে, সেখানে দ্বিতীয় ইনিংসে অভিষেক পোড়েলকে তিন নম্বরে পাঠানোর যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

জুন ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেমিফাইনালেই স্বপ্ন শেষ, আত্মতুষ্টির খেসারত দিতে হল বাংলাকে

কোয়ার্টার ফাইনালে ঝাড়খণ্ডের বাধা টপকানোর পর ফাইনালের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলা। ব্যাটারদের দুরন্ত ফর্মই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল বাংলা শিবিরকে। ভেবেছিল মধ্যপ্রদেশের বাধাও অনায়াসে টপকে যাবে। কিন্তু স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেল। আত্মতুষ্টির খেসারত দিতে হল বাংলাকে। যেমনটা ঘটেছিল ২০১৪ সালে। আলুরে সেমিফাইনালেই শেষ হয়ে গেল অভিমন্যু ঈশ্বরণের দলের রনজি অভিযান। বাংলাকে ১৭৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল মধ্যপ্রদেশ। তাদের সামনে এবার মুম্বই। জয়ের জন্য ৩৫০ রানের লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেছিল বাংলা। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল। চতুর্থ দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ৪ উইকেটে ৯৬। পরাজয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ম্যাচের শেষ দিনের খেলায় ব্যাঘাত ঘটায় বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে মাঠ ভিজে থাকায় খেলা শুরু হয়েছিল নির্ধারিত সময়ের অনেকটাই দেরিতে। দিনের দ্বিতীয় বলেই অনুষ্টুপ মজুমদারের উইকেট তুলে নেন গৌরব যাদব। অনুষ্টুপ মজুমদার ২৬ বলে ৮ রান করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। এরপর শাহবাজ আমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। যদিও দুজনে মিলে জুটিতে ৩৮ রানের বেশি তুলতে পারেননি।চুয়ান্নতম ওভারের প্রথম বলেই অভিমন্যুকে তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়। ১৫৭ বলে ৭৮ রান করে বোল্ড হন বাংলার অধিনায়ক। এদিন প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৫ হাজার রানের গণ্ডি টপকে গেলেন অভিমন্যু। খেললেন ৭২ ম্যাচ। অভিমন্যু যখন আউট হন বাংলার রান তখন ৬ উইকেটে ১৩৫। ২ ওভার পরেই সায়নশেখর মণ্ডল আউট হন। ৬ বলে মাত্র ১ রান করে তিনি সারাংশ জৈনের বলে এলবিডব্লু হন। ৫৯.২ ওভারে বাংলার অষ্টম উইকেট পড়ে। ১৩ বলে ৫ রান করে আউট হন প্রদীপ্ত প্রামানিক। তিনি কার্তিকেয়র পঞ্চম শিকার। ৬৩.৪ ওভারে আকাশ দীপ (১১ বলে ২০) আউট হন গৌরব যাদবের বলে। বাংলার রান তখন ১৭১। ১ ওভার পরেই মুকেশ কুমারকে (৪ বলে ৪) তুলে নিয়ে বাংলার ইনিংস শেষ করে দেন গৌরব যাদব। ১৭৫ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। ৮২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন শাহবাজ আমেদ। ৬৭ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নেন কুমার কার্তিকেয়া। প্রথম ইনিংসে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট। গৌরব যাদব ১৯ রানে নেন ৩ উইকেট। সারাংশ জৈন নেন ২ উইকেট। ম্যাচের সেরা হয়েছেন হিমাংশু মন্ত্রী।

জুন ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আসল মন্ত্রীর ব্যাটে চাপ কাটিয়ে উঠল বাংলা

এভাবেও ফিরে আসা যায়! বাংলাকে না দেখলে সত্যিই বিশ্বাস করা কঠিন। স্কোর বোর্ডে কোনও রান যোগ হওয়ার আগেই প্রথম ওভারেই দুজন ব্যাটার সাজঘরে। চতুর্থ ওভারে আরও একজন। ১৬ ওভারের মধ্যে ৫৪ রানে ৫ উইকেট। সেখান থেকে দিনের শেষে ৫ উইকেটে ১৯৭। বাংলার এই প্রত্যাবর্তনের নায়ক মন্ত্রীমশাই মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে চাপ কাটিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস বাংলার।দিনের শুরুতে বাংলাকে অবশ্য চাপে ফেলেছিল মধ্যপ্রদেশের দুই ব্যাটার হিমাংশু মন্ত্রী ও পুনীত দুবে। দলকে বড়ে রানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৩২৩ রানের মাথায় জুটি ভাঙেন শাহবাজ আমেদ। পুনীত দুবেকে তুলে নেন। ৩৭ বলে ৩৩ রান করে আউট হন পুনীত। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছিলেন পুনীত। তিনি আউট হওয়ার ৪ ওভার পরেই হিমাংশু মন্ত্রীকে তুলে নেন মুকেশ কুমার। ৩৩৭ বলে ১৬৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন হিমাংশু। তিনি উইকেটের পেছনে অভিষেক পোড়েলের হাতে ক্যাচ দেন। শেষ পর্যন্ত ১০৫.৩ ওভারে ৩৪১ রানে গুটিয়ে যায় মধ্যপ্রদেশের ইনিংস। বাংলার হয়ে মুকেশ কুমার ৬৬ রানে ৪টি ও শাহবাজ আমেদ ৮৬ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি উইকেট নেন আকাশ দীপ। ১টি উইকেট নেন প্রদীপ্ত প্রামানিক।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চূড়ান্ত বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। ব্যর্থ দুই ওপেনার অভিষেক রমন (০) এবং সুদীপ কুমার ঘড়ামি (০)। প্রথম ওভারেই কুমার কার্তিকেয়ার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন বাংলার এই দুই ব্যাটার। চতুর্থ ওভারে সারাংশ জৈনর বলে রজত পতিদারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অনুষ্টুপ মজুমদার। অধিনায়ক অভিমূন্য ঈশ্বরণ ২২ রান করে আউট হন পুনীত দুবের বলে। অভিষেক পোড়েলকেও (৯) পুনীত দুবে। ৫৪ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলা। এরপর রুখে দাঁড়ান মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। অসমাপ্ত জুটিতে দুজনে তুলেছেন ১৪৩ রান। এই জুটিই স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলাকে। দিনের শেষে মনোজ ৮৪ রানে ও শাহবাজ ৭২ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মধ্যপ্রদেশকে বিপাকে ফেলেও চাপ ধরে রাখতে পারল না বাংলা

দিনের পঞ্চম ওভারেই যশ দুবেকে তুলে নিয়ে বাংলাকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন মুকেশ কুমার। স্বপ্ন আরও বাড়িয়ে দিয়েছিলেন প্রদীপ্ত প্রামানিক, শুভম শর্মাকে ফিরিয়ে। একসময় ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল মধ্যপ্রদেশ। ওপেনার হিমাংশু শর্মা ও অক্ষত রঘুবংশীর দুরন্ত ব্যাটিংয়ে চাপ কাটাল মধ্যপ্রদেশ। বাংলার বিরুদ্ধে রনজি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম দিনের শেষে ৬ উইকেটে তুলেছে ২৭১। ১৩৪ রানে অপরাজিত রয়েছেন হিমাংশু মন্ত্রী।কর্ণাটকের আলুরে রনজির সেমিফাইনালে মধ্যপ্রদেশ এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। টস হেরে গেলেও শুরুটা খারাপ করেনি বাংলা। পঞ্চম ওভারে যশ দুবেকে তুলে নেন মুকেশ কুমার। ১৮ বলে ৯ রান করে আউট হন যশ। মধ্যপ্রদেশের রান তখন ১০। মধ্যপ্রদেশ দ্বিতীয় উইকেট হারায় ৫৯ রানের মাথায়। প্রদীপ্ত প্রামাণিক নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই তুলে নেন শুভম শর্মাকে। ৫৩ বলে ১৭ করেন শুভম। ইডেনে আইপিএলে দুরন্ত শতরান করা রজত পতিদার অবশ্য এদিন ব্যর্থ। ১৭ বলে ৭ রান করে তিনি আউট হন মুকেশ কুমারের বলে। স্লিপে ক্যাচ ধরেন মনোজ তিওয়ারি। ৩১.২ ওভারে ৭২ রানে তৃতীয় উইকেট পড়েছিল। এরপর ৪৪.১ ওভারে ৯৭ রানে পড়ে চতুর্থ উইকেট। শাহবাজ আমেদের বল আদিত্য শ্রীবাস্তবের ব্যাটে লেগে উইকেট ভেঙে দেয়। ৩০ বলে ১০ রান করেন আদিত্য।এরপরই মধ্যপ্রদেশকে ধীরে ধীরে চাপ থেকে বার করে নিয়ে আসেন হিমাংশু মন্ত্রী ও অক্ষত রঘুবংশী। পঞ্চম উইকেট জুটিতে তাঁরা ১২৩ রান যোগ করেন মাত্র ১৫০ বলে। হিমাংশু উইকেটের একটা প্রান্ত আগলে রাখেন। অন্যপ্রান্তে, আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন রঘুবংশী। মধ্যপ্রদেশের এই দুই ব্যাটার দারুণভাবেই দলকে টেনে নিয়ে যান। ৬৯ তম ওভারে জুটি ভাঙেন আকাশদীপ। তুলে নেন অক্ষত রঘুবংশীকে। ৮টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ৮১ বলে ৬৩ রান করে লেগ বিফোর হন অক্ষত। মধ্যপ্রদেশের রান তখন ২২০।রঘুবংশী আউট হওয়ার আগেই অবশ্য প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হিমাংশু মন্ত্রী। ৮১.৩ ওভারে ২৫৯ রানে মধ্যপ্রদেশ ষষ্ঠ উইকেট হারায়। সারাংশ জৈন ৩২ বলে ১৭ রানে আকাশ দীপের বলে বোল্ড হন। প্রথম দিনের শেষে মধ্যপ্রদেশ ৮৬ ওভারে তুলেছে ৬ উইকেটে ২৭১। হিমাংশু মন্ত্রী ২৮০ বলে ১৩৪ রানে অপরাজিত রয়েছেন। পুনিত দাতে ৯ রানে ক্রিজে রয়েছেন। মন্ত্রীর ইনিংসে রয়েছে ১৫টি চার ও ১টি ছয়। বাংলার হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন আকাশদীপ ও মুকেশ কুমার। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন শাহবাজ আহমেদ ও প্রদীপ্ত প্রামাণিক।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রনজি সেমিফাইনালের আগে মনোজ তেওয়ারিকে নিয়ে কেন অস্বস্তিতে বাংলা?‌

মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে রনজি সেমিফাইনাল। প্রথম সেমিফাইনালে কর্ণাটকের আলুরে মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে বাংলা। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে উত্তরপ্রদেশের মুখোমুখি হবে মুম্বই। মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে স্বস্তিতে নেই বাংলা শিবির। চোটের জন্য সেমিফাইনালে অনিশ্চিত বাংলা দলের মন্ত্রীমশাই মনোজ তেওয়ারি। একান্তই তিনি খেলতে না পারলে তাঁর পরিবর্তে হয়তো প্রথম একাদশে ঢুকবেন সুদীপ চ্যাটার্জি।ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৭৩ রান করেছিলেন মনোজ। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৫ বলে ১৩৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ম্যাচের শেষদিন দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং করার পর হাঁটুর সমস্যা শুরু হয় মনোজের। চোট কতটা গুরুতর তা পরীক্ষা করার জন্য এমআরআই করা হয়। রিপোর্টে গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি। হাঁটু ফুলে থাকায় দু্দিন ধরে অনুশীলন করতে পারেননি মনোজ। কোচ অরুণলাল অবশ্য আশাবাদী মনোজের খেলার ব্যাপারে। তাঁর জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে টিম ম্যানেজমেন্ট।কোয়ার্টার ফাইনালে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যাটারদের ফর্ম আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে বাংলা শিবিরের। তবে জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডের মতো ব্যাটিং সহায়ক উইকেট আলুরে পাবে না বাংলা। আলুরের উইকেটের চরিত্রে তফাত রয়েছে। স্পিনাররা সাহায্য পেতে পারেন। তবে বাংলা শিবিরের সুবিধা, এই মাঠ ক্রিকেটারদের কাছে যথেষ্ট পরিচিত। বহু ম্যাচ এই মাঠে খেলেছেন অভিমন্যুরা। তবে সেমিফাইনালে বাংলাকে চাপে রাখবেন মধ্যপ্রদেশের স্পিনার কুমার কার্তিকেয়।মধ্যপ্রদেশকেও একেবারে অবহেলা করা যাবে না। কোয়ার্টার ফাইনালে পাঞ্জাবকে ১০ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে এসেছে। দলের কোচ চন্দ্রকান্ত পন্ডিত যথেষ্ট উর্বর মস্তিষ্কসম্পন্ন। এছাড়াও দলে রয়েছেন রজত পতিদার, অক্ষত রঘুবংশী, শুভম শর্মা, কুলদীপ সেনের মতো ক্রিকেটাররা। তথাকথিত তারকা না থাকলেও বাংলাকে শক্ত চ্যালেঞ্জ দিতে পারে মধ্যপ্রদেশ।আলুরের উইকেট দেখে বাংলার কোচ অরুণলালের মনে হয়েছে, স্পিনাররা সাহায্য পেতে পারেন। তাই তিন পেসার, দুই স্পিনার নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা বাংলার। অরুণলাল বলেন, আগের ম্যাচে কিছুটা ঝুঁকি নিয়েই এক স্পিনার খেলিয়েছিলাম। তবে দুই স্পিনার থাকলে দলে ভারসাম্য ঠিক থাকে। তবে আলুরে আগের ম্যাচে পেসারদের দাপটের বিষয়টি মাথায় রাখছেন অরুণলাল। ম্যাচের আগে উইকেট দেখে প্রথম একাদশ চূড়ান্ত করবেন। পেসার কমানো হলে সায়ন শেখর মণ্ডল বাইরে থাকতে পারেন। শাহবাজ আমেদের সঙ্গী হতে পারেন ঋত্বিক অথবা প্রদীপ্ত প্রামাণিক।

জুন ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার ব্যাটিং!‌ রানের ফুলঝুড়ি ছুটিয়েও কেন আশ মেটেনি অভিমন্যুদের?‌

প্রথম ইনিংসে রানের ফুলঝুড়ি ছুটিয়েও আশা মেটেনি অভিমন্যু ঈশ্বরণদের। অনেকেই ভেবেছিলেন, ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করে সরাসরি জয়ের রাস্তায় হাঁটবে বাংলা। কিন্তু সেই রাস্তায় হাঁটেনি অরুণলালের দল। সেমিফাইনালের কথা ভেবে ব্যাটিং অনুশীলনের রাস্তা বেছে নেয়। তাই ঝাড়খণ্ডকে ২৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে। চতুর্থ দিনের শেষে বাংলার সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৭৬। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য জ্বলে উঠতে পারলেন না অভিষেক রমণ, অভিমন্যু ঈশ্বরণ, সুদীপ ঘরামিরা।আগের দিনের ৫ উইকেটে ১৩৯ রান হাতে নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ঝাড়খণ্ড। এদিন আরও ১৫৯ রান যোগ করে। একা কুম্ভের মতো লড়াই করেন বিরাট সিং। ২৩৯ বল খেলে ১১৩ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শাহবাজ নাদিম করেন ২৫। নীচের সারির বাকি ব্যাটাররা রান পাননি। ৯৬ ওভারে ২৯৮ রানে গুটিয়ে যায় ঝাড়খণ্ডের ইনিংস। বাংলার হয়ে ৪টি করে উইকেট নেন সায়ন শেখর মণ্ডল ও শাহবাজ আমেদ।প্রথম ইনিংসে ৪৭৫ রানে এগিয়ে থেকে আবার ব্যাট করতে নামে বাংলা। দশম ওভারের শেষ বলে প্রথম উইকেট পড়ে। শাহবাজ নাদিমের বলে আউট হন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। তিনি করেন ১৩। ২২ রান করে আউট হন অভিষেক রমণ। তাঁকে ফেরান নাদিম। প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত ব্যাট করা সুদীপ ঘরামিও (৫) রান পাননি। তিনিও নাদিমের শিকার। দিনের শেষে ৩১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৬ রান তুলেছে বাংলা। দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলা এখনও ৫৫১ রানে এগিয়ে রয়েছে। এদিকে, ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৭৭৩ রান করার সঙ্গে সঙ্গে আরও একটা নজির গড়েছে বাংলা। ৭০ বছর আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ১৯৫১৫২ মরশুমে ইডেনে আসামের বিরুদ্ধে ৭৬০ রান করেছিল বাংলা। ওই ইনিংসই ছিল রনজিতে বাংলার সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। রনজিতে এক ইনিংসে সব থেকে বেশি রানের রেকর্ড অবশ্য হায়দরাবাদের দখলে। ১৯৯৩-৯৪ মরসুমে অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে ৬ উইকেট হারিয়ে ৯৪৪ রান তুলেছিল।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌১২৯ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙল বাংলা, জানতেনই না অভিমন্যুরা

রনজি সেমিফাইনালের পথে বাংলা। বাংলার ৭৭৩/৭ রানের জবাবে তৃতীয় দিনের শেষে ঝাড়খণ্ড তুলেছে ৫ উইকেটে ১৩৯ রান। এখনও ৬৩৪ রানে পিছিয়ে ঝাড়খণ্ড। হাতে এখনও দুদিন সময়। যা পরিস্থিতি দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলার রান টপকে ঝাড়খণ্ডের সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। একমাত্র অলৌকিক কিছু ঘটলেই বাংলার সেমিফাইনালে যাওয়া আটকে যেতে পারে। প্রায় আড়াই দিন ব্যাট করে বাংলা ঝাড়খণ্ডের ওপর বিশাল রানের বোঝা চাপিয়ে দেয়। একই সঙ্গে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ১২৯ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিল বাংলা। অনন্য কৃতিত্বের নজির গড়লেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। বাংলার নজন ব্যাটার হাফসেঞ্চুরি বা তার বেশি রান করেছেন। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন রেকর্ড কোনও দলের নেই। ১২৯ বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার একটি দলের ৮ জন ব্যাটার ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত দলের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান বা তার বেশি করেছিলেন। সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। বাংলার হয়ে হাফসেঞ্চুরি বা তার বেশি রান করেছেন অভিষেক রমণ (৬১), অভিমন্যু ঈশ্বরণ (৬৫), সুদীপ ঘরামি (১৮৬), অনুষ্টুপ মজুমদার (১১৭), মনোজ তেওয়ারি (৭৩), অভিষেক পোড়েল (৬৮), শাহবাজ আমেদ (৭৮), সায়নশেখর মণ্ডল (অপরাজিত ৫৩), আকাশদীপ (অপরাজিত ৫৩)। এদিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর প্রথম বলে সায়নশেখর মণ্ডল যখন হাফসেঞ্চুরি করেন, তখনই রেকর্ডের ইতিহাসে নাম লেখায় বাংলা। এরপর ব্যাটিং করতে নামা আকাশ দীপও হাফসেঞ্চুরি করেন। তারই সঙ্গে বাংলা ভেঙে দেয় ১২৯ বছরের প্রাচীন রেকর্ড। পাশাপাশি প্রথম নজন ব্যাটসম্যানের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৫০ রানের বেশি করার নজির প্রথম বার তৈরি হয়। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বাধিক পঞ্চাশ কিংবা তার বেশি রান করার রেকর্ড এতদিন ছিল অস্ট্রেলিয়ানদের দখলে। ১৮৯৩ সালে অক্সফোর্ড অ্যান্ড কেমব্রিজ পাস্ট অ্যান্ড প্রেজেন্ট দলের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ান্স দল প্রথম ইনিংসে করে ৮৩৩। যার মধ্যে ৮ জন ব্যাটার ৫০ বা তার বেশি রান করেছিলেন। রেকর্ড ভাঙার কথা অবশ্য জানতই না বাংলা শিবির।বিশাল রানের সামনে ঝাড়খণ্ডের ব্যাটাররা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি। দিনের শেষে তুলেছে ১৩৯/৫। বাংলার হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন সায়নশেখর মণ্ডল। ২টি উইকেট নিয়েছেন শাহবাজ আমেদ। ঝাড়খণ্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন নাজিম সিদ্দিকি (৫৩)।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সুদীপ ঘরামির দুরন্ত সেঞ্চুরি, ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বড় রানের পথে বাংলা

ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে রনজি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার আগে ব্যাটিং নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখেছিলেন বাংলার কোচ। তাঁর আশঙ্কা যে অমূলক ছিল, প্রমান করে দিলেন সুদীপ ঘরামি, অনুষ্টুপ মজুমদার, অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। বেঙ্গালুরুর জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে রীতিমতো দাপট দেখালেন বাংলার টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম দিনের শেষে বাংলার সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩১০। দুরন্ত সেঞ্চুরি সুদীপ ঘরামির। সেঞ্চুরির মুখে দাঁড়িয়ে অনুষ্টুপ মজুমদার।জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডের বাইশ গজে ঘাসের আভা দেখে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠান ঝাড়খণ্ড অধিনায়ক সৌরভ তেওয়ারি। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্তকে বুমেরাং করে দিয়ে দারুণ শুরু করেন বাংলার দুই ওপেনার অভিষেক রমণ ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ। কিন্তু ইনিংসের ২৫ তম ওভারে রান নিতে গিয়ে পিঠের পেশিতে টান লাগে অভিষের রমণের। তিনি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরে আসেন। ৭২ বলে ৪১ রান করেন অভিষেক। এরপর বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক অভিমন্যু ও তরুণ সুদীপ ঘরামি। ৩৯.৫ ওভারে বাংলার প্রথম উইকেট পড়ে। বাংলার রান তখন ১৩২। সুশান্ত মিশ্রর বলে এলবিডব্লু আউট হন অভিমন্যু। ১২৪ বলে ৬৫ রান করেন তিনি।অধিনায়ক ফিরে যাওয়ার পর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সুদীপ ঘরামি ও অনুষ্টুপ মজুমদার। তাঁদের অসমাপ্ত ১৭৮ রানের পার্টনারশিপ বাংলাকে বড় রানে পৌঁছে দেয়। প্রথম দিন ৮৯ ওভারে বাংলা তোলে ১ উইকেটে ৩১০। সুদীপ ঘরামি ২০৪ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। অন্যদিকে ১৩৯ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত রয়েছেন অনুষ্টুপ মজুমদার। ইনিংসের ৮১ তম ওভারে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে জীবনের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সুদীপ ঘরামি। গ্রুপ লিগের ম্যাচে রান পাননি বাংলার এই তরুণ ব্যাটার। তাসত্ত্বেও তাঁর ওপর আস্থা রেখেছিলেন কোচ অরুণলাল। অভিজ্ঞ সুদীপ চ্যাটার্জিকে বাইরে রেখে তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেন। কোচের আস্থার মর্যাদা দিলেন সুদীপ ঘরামি। তাঁর ইনিংস নিয়ে বাংলার কোচ অরুণলাল বলেন, অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছে। সুদীপ ঘরামি দুর্দান্ত প্রতিভা। তাই গ্রুপ পর্যায়ে রান না পেলেও ওর ওপর আস্থা হারাইনি। আমাদের সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, প্রমাণ করে দিল।

জুন ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌অভিমন্যু, মনোজরা কেন ঘুম কেড়ে নিলেন বাংলার কোচ অরুণলালের?‌

রনজির কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারবে তো বাংলা? একসময় অভিমন্যু ঈশ্বরণের দলকে নিয়ে তুমুল অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। শেষপর্যন্ত গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে চণ্ডীগড়কে ১৫২ রানে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল বাংলা। সোমবার থেকে শুরু হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের লড়াই। বাংলার সামনে ঝাড়খণ্ড।খাতায় কলমে ঝাড়খণ্ড খুব একটা শক্তিশালী প্রতিপক্ষ নয়। বাংলা শিবির বিপক্ষকে নিয়ে খুব বেশি চিন্তিতও নয়। ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে বাংলার কোচ অরুণলালে ঘুম কেড়েছে নিজের দলের ব্যাটাররা। গ্রুপ লিগে ব্যাটিং ব্যর্থতায় পড়তে হয়েছিল বাংলাকে। সেই রোগ যে সারেনি কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার আগে দুদুটি প্রস্তুতি ম্যাচেই তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। কর্ণাটক ও উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল বাংলা। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচেই জ্বলে উঠতে পারেননি অভিমন্যুরা। এটাই চিন্তা বাড়িয়েছে বাংলা শিবিরে।ম্যাচের আগের দিন সরকারিভাবে অনুশীলনে ছুটি ছিল বাংলার। ব্যাটারদের কিন্তু রেহাই দেননি অরুণলাল। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির নেটে নামিয়ে দেন অভিমন্যু, মনোজ, সুদীপদের। এমনিতে জোরে বোলিং নিয়ে মাথাব্যাথা রয়েছে বাংলার। তার ওপর যে মাঠে বাংলাকে খেলতে হবে, সেই মাঠেও বাইশ গজ সবুজে ভরা। ফলে চিন্তা একটা থাকছেই। ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৪ জোরে বোলার নিয়ে মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলার। সেক্ষেত্রে আকাশদীপ, ঈশান পোড়েল ও মুকেশ কুমারের সঙ্গী হবেন সায়নশেখর মণ্ডল। একমাত্র স্পিনার শাহবাজ আহমেদ। যদি শেষ মুহূর্তে ৩ জোরে বোলার নিয়ে মাঠে নামা হয়, তাহলে সায়নের পরিবর্তে ঢুকবেন ঋত্বিক চ্যাটার্জি।ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও ম্যাচের আগের দিন পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বাংলা। ওপেনিংয়ে অভিমন্যু ঈশ্বরণ নিশ্চিত। তাঁর সঙ্গে কে জুটি বাঁধবেন, ঠিক হয়নি। সুদীপ ঘরামিও হতে পারেন, আবার অভিষেক রমণের কথাও ভাবা হয়েছে। চারে অনুষ্টুপ মজুমদারকে পাঠানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে মনোজ তেওয়ারি যাবেন ৬ নম্বরে। সুদীপ চ্যাটার্জির প্রথম একাদশে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

জুন ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সামনের মরশুমে কি গুজরাটের হয়ে খেলবেন ঋদ্ধিমান?‌

বাংলা যে ছাড়ছেন, এটা নিশ্চিত। কিন্তু বাংলা ছেড়ে সামনের মরশুমে কোন দলের হয়ে রনজি খেলবেন ঋদ্ধিমান সাহা? এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তবে বিশ্বস্তসূত্রের খবর, সামনের বছর গুজরাটের হয়ে খেলতে দেখা যেতে পারে দেশের অন্যতম সেরা এই উইকেটকিপারকে। শোনা যাচ্ছে, গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে নাকি প্রাথমিক কথাবার্তাও হয়ে গেছে ঋদ্ধিমান সাহার।এবছর রনজি শুরুর আগে পারিবারিক কারণ ও ক্লান্তির জন্য বাংলার হয়ে রনজি না খেলার কথা জানিয়েছিলেন ঋদ্ধি। তাড়াছা জাতীয় দলে তাঁকে যে আর ভাবা হবে না, সেকথাও জানিয়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড়। তাই রনজি খেলার মোটিভেশন হারিয়ে ফেলেছিলেন ঋদ্ধিমান। তাঁর রনজি না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সিএবির যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস। প্রশ্ন তুলেছিলেন ঋদ্ধির দায়বদ্ধতা নিয়েও। দেবব্রত দাসের মন্তব্য ভালভাবে নেননি ঋদ্ধি। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঋদ্ধিকে। কিন্তু দেবব্রত দাস রাজি হননি। ঋদ্ধি তখনই ঠিক করেন, বাংলার হয়ে আর খেলবেন না।রনজি কোয়ার্টার ফাইনালের দল গঠনের সময় ঋদ্ধিকে না জানিয়েই টিমে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। এতে আরও ক্ষেপে যান তিনি। সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়াকে পরিস্কার জানিয়ে দেন বাংলার হয়ে তিনি আর খেলবেন না। বাংলা থেকে ছাড়পত্র নিতে চান। অভিষেক ডালমিয়া থেকে শুরু করে বাংলার কোচ অরুণলালও ঋদ্ধিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তাতেও বরফ গলেনি। আইপিএল চলাকালীনই বাংলার রনজি দলের হোয়াটসআপ গ্রুপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন ঋদ্ধি। তখনই বিষয়টা পরিস্কার হয়ে যায় যে, বাংলার হয়ে না খেলার সিদ্ধান্তে তিনি অনড়।আইপিএলের ফাইনাল খেলে বুধবার কলকাতায় ফিরছেন ঋদ্ধিমান। তারপরই তিনি সিএবিতে যাবেন নো অবজেকশন সার্টিফিকেটের জন্য প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে কথা বলতে। সামনাসামনি বৈঠকে দুই পক্ষের বরফ গলে কিনা এখন সেটাই দেখার। অভিষেক ডালমিয়া যদি ঋদ্ধির মান ভাঙাতে পারেন, তাহলে বাংলারই লাভ।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সিএবি কর্তাকে ক্ষমা চাইতে বললেন!‌ বাংলার হয়ে খেলতে চান না ঋদ্ধিমান

বাংলার ক্রিকেটে বিতর্ক কিছুতেই পেছন ছাড়ছে না। একসময় কোচ অরুণলাল ও সিএবি কর্তাদের আচরণে বিরক্ত হয়ে বাংলা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অশোক দিন্দা। এবার সেই রাস্তায় হাঁটলেন ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁকে রেখেই রনজি কোয়ার্টার ফাইনালের জন্য সোমবার দল ঘোষণা করেছে বাংলা। কিন্তু বাংলার হয়ে খেলা তো দূর অস্ত, সিএবির কাছ থেকে ছাড়পত্র চাইলেন ঋদ্ধিমান। বাংলা ছেড়ে তিনি অন্য রাজ্যের হয়ে খেলতে চান। সোমবার রাতে রনজি নক আউটের জন্য দল বাছতে বসেছিলেন বাংলার নির্বাচকরা। সেই দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির ছিলেন সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া, সচিব স্নেহাশিষ গাঙ্গুলি, যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস, কোচ অরুণলাল, অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। দীর্ঘ ঘন্টা দুয়েকের বৈঠকের পর ২২ জনের দল বেছে নেওয়া হয়। ঋদ্ধিমান সাহার সঙ্গে মহম্মদ সামিকেও রনজি দলে রাখা হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড যদি অনুমতি দেয়, তাহলেই সামিকে রনজিতে খেলাতে পারবে বাংলা। রাতেই ঋদ্ধিমান সাহার কাছে বাংলা দলে থাকার খবর চলে যায়। এরপর তিনি রাতেই সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু যোগাযোগ করতে পারেননি। আজ দুপুরে অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় ঋদ্ধির। তখন তিনি সিএবি যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। রনজি গ্রুপ লিগ থেকে সরে দাঁড়ানোয় ঋদ্ধির দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দেবব্রত দাস। এতে দারুণ অপমানিত বোধ করেন ঋদ্ধি। তিনি ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছেন, দেবব্রত দাস যদি প্রকাশ্যে ক্ষমা না চান তাহলে তিনি আর কোনও দিন বাংলার হয়ে খেলবেন না। সেই কথা তিনি সিএবি প্রেসিডেন্টকে নাকি জানিয়েও দিয়েছেন। ঋদ্ধিমানের ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা গেছে, বাংলা দল নির্বাচনের আগে তাঁর সঙ্গে নাকি কোনও কথাই বলেনি সিএবির কোনও কর্তা ও নির্বাচকরা। এই নিয়ে অসন্তুষ্ট ঋদ্ধি। ঘনিষ্ঠমহলে তিনি বলেছেন, দল নির্বাচনের আগে তাঁর সঙ্গে একবার কথা বলে নিতে পারতেন সিএবি কর্তারা।

মে ১৭, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ শয়ে শয়ে ভুয়ো নিয়োগ, এসএসসিতে বড়সড় দুর্নীতি! আদালতে রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির রিপোর্ট

এসএসসি গ্রুপ সি দুর্নীতিতে শিক্ষা পর্ষদের উপাদেষ্টা-সহ কর্তাদের নাম জড়িয়ে গেল। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটি এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে। ১৮ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির পক্ষে আইনজীবী অরুনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৩৮১ জনের নিয়োগে নানা দুর্নীতি রয়েছে। তার মধ্যে ২২২জন পরীক্ষায় অংশই নেননি।বিচারপতি বাগ রিপোর্টে জানিয়েছে, ৫ জনের কমিটি বেআইনিভাবে গঠন করা হয়েছে। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সুপারিশে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আদৌ তা আইনসম্মত কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। বড়সড় দুর্নীতি হওয়ায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে এদিন।সূত্রের খবর, বাগ কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ভুয়ো সুপারিশপত্রের সঙ্গে জড়িয়েছেন কল্যানকুমার গঙ্গোপাধ্যায়। মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পর ৩৯১ জনকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছে। ২২২ জনের কোনও প্যানেলে বা ওয়েটিং লিস্টে নাম ছিল না। তাঁদের পার্সোনালিটি টেস্টই হয়নি। এরা কেউ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এরা সুপারিশপত্র পেয়ে নিয়োগপত্র হাতে পান। তাঁদের নিয়োগও করা হয়েছে।আদালত সূত্রে খবর, শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়, অশোককুমার সাহারা এই কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর পাশাপাশি আরও একাধিক নামের উল্লেখ রয়েছে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে। শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়,অশোককুমার সাহাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মামলায় এফআইআর করা যেতে পারে বলে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে।

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌টানা ৩ ম্যাচ জিতেই রনজি নক আউটে বাংলা

বছর দুয়েক আগে রনজি ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি বাংলার। সৌরাষ্ট্রর কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। করোনার জন্য মাঝে একটা মরশুম রনজি হয়নি। তাতেও যে ছন্দ নষ্ট হয়নি বাংলা শিবিরের, এই মরশুমেই প্রমাণ। টানা তিন ম্যাচ জিতে রনজি নক আউটে পৌঁছে গেল বাংলা। বরোদা, হায়দরাবাদের পর তৃতীয় ম্যাচে চণ্ডীগড়কে হারাল ১৫২ রানে। প্রথম দুই ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে নক আউটে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছিল বাংলা। হায়দরাবাদ যদি শেষ ম্যাচে বরোদার বিরুদ্ধে ৭ পয়েন্টসহ জিতত এবং বাংলা যদি চণ্ডীগড়ের কাছে হারত, তাহলেই অভিমন্যু ঈশ্বরণদের লিগ পর্ব থেকেই ছিটকে যেতে হত। সেই সুযোগ দেয়নি বাংলা শিবির। টানা ৩ ম্যাচ জিতে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে থেকে নক আউটে। চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে বাংলা তুলেছিল ৪৩৭। জবাবে ২০৬ রানে শেষ হয়ে যায় চণ্ডীগড়ের প্রথম ইনিংস। বাংলা দ৮ উইকেটে ১৮১ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে। জয়ের জন্য ৪১৩ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায় চণ্ডীগড়ের সামনে। ২৬০ রানে শেষ হয়ে যায় চণ্ডীগড়ের দ্বিতীয় ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে চণ্ডীগড়ের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন জশকরণ সিং (৬০)। অমৃত লুবানা করেন ৫৭। অধিনায়ক মনন ভোরা ৪০। বাংলার হয়ে ঈশান পোড়েল ৩টি, মুকেশ কুমার, নীলকন্ঠ দাস দুটি করে, সায়নশেখর মণ্ডল, শাহবাজ আমেদ ও অনুষ্টুপ মজুমদার ১টি করে উইকেট নেন। ম্যাচের সেরা হন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। ম্যাচের পর বাংলার কোচ অরুণলাল বলেন, দুর্দান্ত জয় পেয়েছি। এই ম্যাচ না জিতলেও আমরা নক আউটে পৌঁছতাম। প্রতিটা ম্যাচেই ছেলেরা ভাল খেলেছে। বরোদার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৮৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পরও যেভাবে জয় পেয়েছিলাম তা ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাস বাকি ম্যাচ জিততে সাহায্য করেছে। ধারাবাহিকতা দেখাতে পেরেছি। এখনই নক আউট নিয়ে ভাবছি না। বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ বলেন, প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে গ্রুপ শীর্ষে থেকে পরের পর্বে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পরেও সকলে যে ভাবে জয়ের জন্য লড়াই করেছে সেটা অবিশ্বাস্য। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ জেতা নক আউট পর্বে আমাদের সাহায্য করবে।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অভিমন্যু ঈশ্বরণদের সাম্প্রতিক ফর্ম আশা জাগাচ্ছে রনজিতে, টানা তৃতীয় জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলা

বছর দুয়েক আগে তীরে এসে তরী ডুবেছিল বাংলার। রনজি ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। সৌরাষ্ট্রের কাছে কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল বাংলাকে। এবছর চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে কিনা, সময়ই বলবে। তবে অভিমন্যু ঈশ্বরণদের সাম্প্রতিক ফর্ম দেখে আশাবাদী হতেই পারেন বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীরা। বরোদা ও হায়দরাবাদকে প্রথম দুই ম্যাচে হারানোর পর চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধেও চালকের আসনে বাংলা। বাংলার ৪৩৭ রানের জবাবে চণ্ডীগড় প্রথম ইনিংসে শেষ ২০৬ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ১৮১ ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করে বাংলা। জয়ের জন্য ৪১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে চণ্ডীগড় তুলেছে ১৪/২।প্রথম ইনিংসে ২৩১ রানে এগিয়ে যায় বাংলা। সুযোগ ছিল চণ্ডীগড়কে ফলোঅন করানোর। সেই রাস্তায় হাঁটেনি বাংলা। ব্যাটারদের প্র্যাকটিসের সুযোগ দিকেই আবার ব্যাট করতে নামে। প্রথম ইনিংসে চণ্ডীগড় যে বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারবে না, দ্বিতীয় দিনের শেষেই ছবিটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। ৬ উইকেটে ১৩৩ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল। অঙ্কিত কৌশিক ৩০ রানে ও গৌরব গম্ভীর ১১ রানে ক্রিজে ছিলেন। গৌরভ গম্ভীরকে (১৩) দিনের শুরুতেই তুলে নেন মুকেশ কুমার। দলের ২০৬ রানের মাথায় ঈশান পোড়েলের বলে অঙ্কিত কৌশিক আউট হন। তিনি করেন ৬৩। একই ওভারে শ্রেষ্ঠ নির্মোহিকে (০) তুলে নেন ঈশান। জশকরণদীপ সিংকে (৩১) তুলে নিয়ে চণ্ডীগড়কে ২০৬ রানে গুটিয়ে দেন শাহবাজ আমেদ। বাংলার হয়ে নীলকন্ঠ দাস ৩টি, মুকেশ কুমার, ঈশান পেড়েল ও সায়নশেখর মণ্ডল ২টি করে উইকেট নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। নবম ওভারেই ফিরে যান অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন। তিনি মাত্র ১৪ রান করে আউট হন। বাংলার রান তখন ১৮। আর এক ওপেনার সুদীপ ঘরামি (১৩), তিন নম্বরে নামা ঋত্বিক রায়চৌধুরীও (৬) ব্যর্থ। ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলা। মনোজ তেওয়ারিও(১৩) রান পাননি। অনুস্টুপ মজুমদার (৪৩) কিছুটা লড়াই করেন। ১২০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। অভিষেক পোড়েল (৩৮) ও শাহবাজ আমেদ (৩২) কিছুটা লড়াই করেন। ৮ উইকেটে ১৮১ তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে বাংলা। জয়ের জন্য ৪১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে চণ্ডীগড়ও শুরুতে ধাক্কা খায়। সপ্তম ওভারে আর্সলান খানকে (৪) তুলে নেন মুকেশ কুমার। আর এক ওপেনার হারনুর সিংকে (১০) ফেরান ঈশান পোড়েল। দিনের শেষে চন্ডীগড় ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১৪। শেষদিনে জয়ের জন্য বাংলার প্রয়োজন ৮ উইকেট।

মার্চ ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেঞ্চুরি হাতছাড়া সায়নশেখরের, টানা ৩ ম্যাচ জয়ের পথে বাংলা

এবছর রনজি ট্রফিতে দুরন্ত ছন্দে বাংলা। প্রথম দুটি ম্যাচে বরোদা ও হায়দরাবাদকে হারানোর পর চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধেও জয়ের পথে অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। দ্বিতীয় দিনের শেষে চালকের আসনে বাংলা। বাংলার প্রথম ইনিংসে ৪৩৭ রানের জবাবে চণ্ডীগড় তুলেছে ৬ উইকেটে ১৩৩। এখনও পর্যন্ত ৩০৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে চণ্ডীগড়। প্রথম দিনের ৩২৯/৬ রান হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলা। আগের দিন মনোজ তেওয়ারি ৪২ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন মাত্র ১১ রান যোগ করে তিনি আউট হন। মনোজ যখন আউট হন, বাংলার রান ৩৫০/৭। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান সায়নশেখর মণ্ডল ও মুকেশ কুমার। জুটিতে ওঠে ৭২ রান। এই জুটিই বাংলাকে ৪০০ রানের গন্ডি পার করে দেন। ২৮ রান করে গুরিন্দার সিংয়ের বলে আউট হন মুকেশ কুমার। পরের বলেই ফেরেন ঈশান পোড়েল (০)। নীলকন্ঠ দাসও (১) বেশিক্ষণ ক্রিজে কাটাতে পারেননি। ফলে সঙ্গীর অভাবে সেঞ্চুরি অধরা থেকে যায় সায়নশেখর মণ্ডলের। ১৪২ বলে ৯৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৪৩৭ রানে শেষ হয়ে যায় বাংলার ইনিংস। সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলেও আক্ষেপ নেই সায়নশেখরের। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি চণ্ডীগড়ের। পঞ্চম ওভারে মুকেশ কুমারের বলে বোল্ড হন অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেলে আসা হার্নুর সিং (১৫)। এরপর চণ্ডীগড়কে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক মনন ভোরা ও আর্সলান খান। দুজনে ৫০ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানো চণ্ডীগড় ১০৫ রানের মাথায় হারায় ষষ্ঠ উইকেট। ৯৭ রানে পড়েছিল চতুর্থ উইকেটটি। মনন ৩৫, অমৃত লাল লুবানা ১০, জসকরন সোহি শূন্য ও গুরিন্দর সিং ৪ রানে আউট হন। অঙ্কিত কৌশিক ৩০ ও গৌরব গম্ভীর ১১ রানে অপরাজিত রয়েছেন। নীলকণ্ঠ দাস ১৪ ওভারে ৪টি মেডেন-সহ ২৫ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট দখল করেন। সায়নশেখর মণ্ডল ১০ রান দিয়ে ২টি উইকেট পান। মুকেশ কুমার পেয়েছেন ১টি উইকেট।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুরন্ত অভিমন্যু ও অনুষ্টুপের ব্যাটে বড় রানের স্বপ্ন বাংলার

বিগত কয়েক মরশুম ধরে বাংলার মূল সমস্যা ছিল ব্যাটিং। বোলাররা জ্বলে উঠলেও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সাফল্য আসেনি। এবছরও রনজির প্রথম দুটি ম্যাচে বরোদা ও হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন বোলাররা। গ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচে চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন ব্যাটাররা। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও অনুষ্টুপ মজুমদারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে বড় রানের পথে বাংলা। এই জুটির তৈরি ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে প্রথম দিনের শেষে বাংলার সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩২৯। আগের দুটি ম্যাচে ওপেনাররা নির্ভরতা দিতে পারেনি বাংলাকে। তৃতীয় ম্যাচেও ছবিটা বদলায়নি। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলা। দিনের চতুর্থ বলে ফিরে যান ওপেনার সুদীপ ঘরামি। কোনও রান না করেই জগজিৎ সিংয়ের বলে তিনি বোল্ড হন। এরপর দলকে কিছুটা টানেন অভিমন্যু ও তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরি। উইকেটে থিতু হয়েও ব্যর্থ ঋত্ত্বিক। ১২ রান করে তিনি জসকরণ সিংয়ের বলে তিনি বোল্ড হন। ৪২ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলা। এরপর অভিমন্যুর সঙ্গে দলের হাল ধরেন অনুষ্টুপ মজুমদার। এই দুই ব্যাটারের দাপটে ব্যাকফুটে চলে যান চণ্ডীগড়ের বোলাররা। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন অভিমন্যু। শেষ পর্যন্ত ১৭২ বলে ১১৪ রান করে জগজিৎ সিংয়ের বলে আউট হন। এর পরপরই আউট হন অনুষ্টুপ। তিনি যেভাবে ব্যাট করছিলেন, সেঞ্চুরি নিশ্চিত ছিল। গৌরব গম্ভীরের ভেতরে ঢুকে আসা বলে লাইন মিস করে এলবিডব্লু হন অনুষ্টুপ। ১৪৯ বলে ৯৫ রান করে আউট হন তিনি। অভিমন্যু ও অনুষ্টুপের জুটিতে ওঠে ১৯৩। অনুষ্টুপ ফিরে যাওয়ার পরপরই ধস নামে বাংলার ইনিংসে। আগের দুটি ম্যাচে নজরকাড়া অভিষেক পোড়েল (০) ও শাহবাজ আমেদ (৬) রান পাননি। দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। একসময় বাংলার স্কোর দাঁড়ায় ২৬৮/৬। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে নিয়ে যান মনোজ তেওয়ারি ও সায়নশেখর মণ্ডল। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে উঠেছে ৬১। দিনের শেষে মনোজ ৪২ রানে ও সায়নশেখর ৩৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন। চণ্ডীগড়ের হয়ে জগজিৎ সিং ৫৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন।

মার্চ ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টানা ২ ম্যাচ জিতে রনজির নক আউটে কার্যত নিশ্চিত বাংলা

বিগত কয়েক বছর ধরে বোলিংই বাংলার মূল শক্তি। ব্যাটাররা ব্যর্থ হলেও বোলারদের দাপটেই জয় এসেছে। কয়েকবছর ধরে এই ছবিটা দেখা বাংলার ক্রিকেটে। এবছরও তার ব্যতিক্রম নয়। রনজির প্রথম ম্যাচে বরোদার বিরুদ্ধে জয় এসেছিল বোলারদের দাপটেই। হায়দরাবাদের দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যাটারদের ব্যর্থতা ঢেকে দিলেন বোলাররা। বোলারদের দাপটেই হায়দরাবাদকে ৭২ রানে হারিয়ে রনজির নক আউট প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে বাংলা। কটকে অনুষ্ঠিত হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয় সত্ত্বেও বাংলা প্রথম ইনিংসে তোলে ২৪২। জবাবে বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে ২০৫ রানে শেষ হয়ে যায় হায়দরাবাদের প্রথম ইনিংস। ৩৭ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। শেষ পর্যন্ত অনুষ্টুপ মজুমদার ও শাহবাজ আমেদের সৌজন্যে ২০১ রানে পৌঁছয়। হায়দরাবাদের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৩৯। তৃতীয় দিনেই ম্যাচের ভবিতব্য অনেকটাই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে ১৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল হায়দরাবাদ। চতুর্থদিন সকালেই হিমালয় আগরওয়ালকে (০) তুলে নিয়ে হায়দরাবাদকে কোনঠাসা করে দেন আকাশ দীপ। তিলক ভার্মা ও প্রতীক রেড্ডি প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। প্রতীককে (১৯) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন শাহবাজ আমেদ। রাহুল বুদ্ধিকে (১৭) আকাশ দীপ। একসময় ৮৫ রানে ৬ উইকেট হারায় হায়দরাবাদ। শেষ দিকে রবি তেজা ও তিলক ভার্মা লড়াই করেন। রবি তেজাকে (২৩) শাহবাজ আমেদ তুলে নিতেই আবার ধস। শেষ পর্যন্ত ১৬৬ রানে গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদের দ্বিতীয় ইনিংস। তিলক ভার্মা ৯০ রান করে আউট হন। এটাই ম্যাচের সর্বোচ্চ স্কোর। বাংলার হয়ে আকাশ দীপ ৪১ রানে ৪টি, শাহবাজ আমেদ ৪১ রানে ৩টি ও মুকেশ কুমার ৪৯ রানে ২টি উইকেট নেন। ঈশান পোড়েল ২০ রানে নেন ১ উইকেট। ম্যাচের সেরা হয়েছেন শাহবাজ আমেদ।পরপর দুটি ম্যাচ জিতে বাংলার পয়েন্ট ১২। শেষ ম্যাচে বাংলা খেলবে চন্ডীগড়ের বিরুদ্ধে। আর হায়দরাবাদ খেলবে বরোদার বিরুদ্ধে ২ ম্যাচে হায়দরাবাদের পয়েন্ট ৬। নক আউট পর্বে যেতে গেলে বোনাস পয়েন্টসহ জিততে হবে হায়দরাবাদকে। আর বরোদার বিরুদ্ধে হায়দরাবাদ যদি বোনাস পয়েন্টসহ না জেতে তাহলে বাংলা পরের রাউন্ডে পৌঁছে যাবে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বাম শিবিরে অস্বস্তি বাড়ছে, প্রতীক উরের পথেই কি হাঁটবেন আরও তরুণ নেতা

চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে লড়েছিলেন প্রতীক উর রহমান। সময়ের ব্যবধানে সেই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীই এখন তাঁর সহযোদ্ধা। শনিবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলা এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রতীক উর রহমান। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তাঁর এই যোগদান রাজনৈতিক মহলে জোর আলোড়ন ফেলেছে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক সময়ের বাম যুবনেতার দলবদলকে ঘিরে গত এক সপ্তাহ ধরেই জল্পনা চলছিল। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি চিঠিতে প্রতীক উর রহমান রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার কথা জানান। পরে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি মার্ক্সবাদী দলীয় নিয়ম মেনে তাঁকে বহিষ্কার করে। তবে তার আগে দলের একাংশ তাঁকে ধরে রাখার চেষ্টা চালায় এবং বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলেও জানা যায়।দুদিনের রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁর কাছে সন্তান হারানোর যন্ত্রণার মতো। তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রতীককে ফেরানোর চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করেন। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বরং প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়।এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন প্রতীক উর। বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক আলোচনাতেও তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের দাবি। অবশেষে শনিবার বিকেলে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটে। দুপুরে আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে প্রতীক উরের যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয় এবং দুজনেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, প্রতীক উরের পথ অনুসরণ করে আরও বাম যুবনেতা দলবদলের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য এবং দীপ্সিতা ধর-এর নাম ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলেননি, তবু আলিমুদ্দিনের অন্দরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

বিরোধী থেকে সহযোদ্ধা, অভিষেকের হাত ধরেই বড় চমক প্রতীক উরের

লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়র বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন তিনি। কিন্তু দুবছর পর রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন দেখা গেল। একসময়ের বিরোধী মুখ প্রতীক উর রহমান এবার অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দিলেন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক প্রাক্তন বাম যুবনেতার এই দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতীক উর রহমান আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। তাঁর লেখা একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তিনি রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। দলীয় নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা যেত, কিন্তু সেই পথে না গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে নেতৃত্ব। বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানান। পরে রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁদের কাছে সন্তানের মতো কাউকে হারানোর সমান। তাঁকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। উল্টে প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এই সময় থেকেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। শনিবার দুপুরে সেই জল্পনার অবসান ঘটে। আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দেন প্রতীক উর রহমান। রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে, আরও কয়েকজন বাম যুবনেতাও কি তাঁর পথ অনুসরণ করতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য ও দীপ্সিতা ধরকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে। যদিও এ বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, তবু বাম শিবিরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ভাষা দিবসের মঞ্চে মমতার পাশে অনন্ত, বঙ্গ রাজনীতিতে কি বড় সমীকরণ বদল

ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে বড় রাজনৈতিক চমক দেখা গেল। দেশপ্রিয় পার্কের অমর একুশে উদ্যানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র পাশেই মঞ্চে বসে থাকতে দেখা গেল বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজকে। শনিবার তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তরীয় পরিয়ে ও স্মারক তুলে দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে অনন্ত মহারাজ রাজবংশী ভাষায় মহারাজা চিলা রায়ের লেখা কবিতা পাঠ করেন এবং নিজের জাতিগত পরিচয় ও ভাষার প্রতি আবেগের কথা তুলে ধরেন। ভাষা দিবসের মঞ্চে তাঁর এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।মুখ্যমন্ত্রী ও অনন্ত মহারাজের সম্পর্ক নতুন নয়। লোকসভা নির্বাচনের পর উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে কোচবিহারে অনন্ত মহারাজের বাড়িতেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় থেকেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। গ্রেটার কোচবিহারের দাবিকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন বিজেপিকে সমর্থন করেছিলেন অনন্ত মহারাজ এবং পরে বিজেপি তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করে। কিন্তু গ্রেটার কোচবিহারের দাবি খারিজ হওয়ায় বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। কোচবিহারে নির্বাচনী ফল প্রকাশের পর অনন্ত মহারাজের সমর্থনের কথাও উঠে আসে, যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং তাঁর পাশেই বসান। পরে তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান দেওয়া হলে জল্পনা আরও জোরদার হয়। সম্মান পেয়ে অনন্ত মহারাজ কৃতজ্ঞতা জানালেও নিজের ভাষা ও পরিচয়ের প্রশ্নে তিনি দৃঢ় অবস্থানের কথাই তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন ও কোচ রাজবংশী সম্প্রদায়ের স্বার্থে তেমন কাজ হয়নি। এর পরেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের আগে কি তবে রাজনৈতিক অবস্থান বদলাতে পারেন অনন্ত মহারাজ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ফাঁস অডিওতে বড় দাবি, টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম, বাগদায় তোলপাড়

উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, মাথাপিছু টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন এক বুথ স্তরের আধিকারিক। এই আবহে একটি অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ভাইরাল অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।অভিযুক্ত বুথ স্তরের আধিকারিকের নাম চন্দ্রকান্ত মণ্ডল। তিনি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেও জানা গিয়েছে। ভাইরাল অডিওতে শোনা যায়, এক ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য মাথাপিছু দশ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। মোট ছয় জনের নাম তোলার কথা উল্লেখ করে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। মাইক্রো পর্যবেক্ষকের নাম করে এই টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল বর ইমেলের মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।যাঁদের নাম তোলার জন্য টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলেও দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, ওই পরিবারের সদস্যরা সম্প্রতি এ দেশে এসেছেন এবং বিভিন্ন উপায়ে পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের কারও নাম ছিল না বলেও স্থানীয় সূত্রে খবর। বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার আবহে পরিবারের সদস্যদের নাম তুলতে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।অভিযোগ অবশ্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আধিকারিক। তাঁর দাবি, প্রযুক্তির সাহায্যে কণ্ঠস্বর নকল করে এই অডিও তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকেও তাঁকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি-র মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা তরুণ ঘোষ জানান, কেউ অন্যায় করে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকার অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, শাসকদলের মদতেই এই ধরনের কাজ হচ্ছে। যে পরিবারকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে, তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নিরাপত্তা, বাংলায় ঢুকছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার হচ্ছে। কেন্দ্রের নির্দেশে আগামী পয়লা মার্চ থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন শুরু হবে। মোট চারশো আশি কোম্পানি আধাসেনা দুই দফায় রাজ্যে আসবে বলে জানানো হয়েছে। প্রথম দফায় পয়লা মার্চ দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে এবং দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ বাকি বাহিনী পৌঁছবে।এই বিষয়ে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের ডিজিপির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিক ভাবে চারশো আশি কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফায় যে বাহিনী আসছে তার মধ্যে একশো দশ কোম্পানি সিআরপিএফ, পঞ্চান্ন কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, একুশ কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, সাতাশ কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং সাতাশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল থাকবে।দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ আরও দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে পৌঁছবে। সেই দফায় একশো কুড়ি কোম্পানি সিআরপিএফ, পঁয়ষট্টি কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, ষোলো কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, কুড়ি কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং উনিশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল মোতায়েন করা হবে। এই বাহিনীর কাজ হবে স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দেওয়া, ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থা বাড়ানো এবং ভোটযন্ত্র পাহারা দেওয়া।জানা গিয়েছে, মোট নয়টি সেকশনের মধ্যে আটটি সেকশন বুথের নিরাপত্তা ও টহলদারির কাজে ব্যবহার করা হবে। একটি সেকশন দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনী হিসাবে প্রস্তুত থাকবে, যাতে কোথাও বড় অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। বাহিনী মোতায়েনের সম্পূর্ণ পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সঞ্জয় যাদবকে জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এত বিপুল বাহিনীর থাকা, যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যবস্থার দায়িত্ব রাজ্য প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ওয়াক আউট নিয়ে স্পিকারের ক্ষোভ, বিরোধীদের সতর্কবার্তা

বিধানসভায় শাসক-বিরোধী বিধায়কদের হট্টগোল এবং বিরোধী বিধায়কদের ওয়াক আউট গত পাঁচ বছরে বারবার দেখা গেছে। সপ্তদশ বিধানসভার শেষ বেলায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বিষয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তিনি মূলত বিরোধী বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ওরা বিধানসভাকে কাজে লাগাতে পারেনি। ওয়াক আউট করলে হয়তো কাগজে খবর হবে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ চলে যায়।স্পিকার নতুন বিধায়কদেরও কড়া ভাষায় বলেন, আমি সবসময় সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু নতুন বিধায়করা প্রস্তুত না হলে কী লাভ? প্রশ্ন করলে প্রস্তুত হয়ে আসতে হবে।এছাড়াও স্পিকার রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও আক্ষেপ করেছেন। তিনি বলেন, বছরে বিধানসভা কমপক্ষে ৬০ দিন চলা উচিত, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তা হয়নি। সরকারের বিল ছাড়া বিধানসভা নিজে চলতে পারে না। নতুন বিধানসভা তৈরি হলে সরকার এই বিষয়টি মনোযোগ দেবে আশা করি।বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার স্পিকারের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জানান, দুর্ভাগ্যের বিষয় এই রাজ্য সরকার বিধানসভা ঠিকমতো চলতে দিতে চাইছে না। তারা চায় না বিরোধীরা কথা বলুক বা মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরুক। নতুন স্বর আসায় তারা অস্বস্তিতে রয়েছে।বিধানসভায় গত পাঁচ বছরে ১৬৬ দিন অধিবেশন হয়েছে, মোট ঘণ্টা ৪৫৪ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট। সপ্তদশ বিধানসভায় ৪১৬২টি প্রশ্ন এসেছে, যার মধ্যে ১৬০৪টির উত্তর দেওয়া হয়েছে। ৯১টি বিল, ৩৯টি মুলতুবি প্রস্তাব, ২৭২টি দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব এবং ৯৩২টি মেনশন এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

শিশুদের উদ্দেশ্যে শিক্ষক গুলি চালাল, গুরুতর আহত এক

রঘুনাথগঞ্জ থানার বানিপুর এলাকায় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি বাড়ির সামনে খেলতে থাকা শিশুদের উদ্দেশ্যে গুলি চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত। ঘটনায় এক শিশু আহত হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একটি বন্দুক উদ্ধার করেছে।ধৃত শিক্ষকের নাম সমীর কুমার মণ্ডল, তিনি ওমরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। অভিযোগ, শুক্রবারের মতো কয়েকজন শিশু তার বাড়ির পাশে একটি ফাঁকা মাঠে খেলছিল। মাঝেমধ্যে তাদের বল শিক্ষকের বাড়ির ভিতরে পড়ে যেত। আগে থেকেও এই নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শিশুরা খেলতে থাকায় রেগে গিয়ে সমীর বন্দুক নিয়ে শিশুগুলোর দিকে গুলি চালান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। আতঙ্কিত শিশুরা ছুটে পালানোর চেষ্টা করলে এক শিশুর হাতে গুলি লাগে।আহত শিশুর বাবা বিশ্বজিৎ সাহা জানান, প্রতিদিনের মতো ১০-১২ জন বাচ্চা খেলছিল। বল বাড়ির দরজায় লাগতেই শিক্ষক বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে এসে গুলি চালাল। আমার ছেলের হাতে গুলি লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা তাকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাই।বর্তমানে শিশুটি জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে এবং বাড়ি থেকে একটি আধুনিক এয়ারগান উদ্ধার করে। পুলিশ অস্ত্র পরীক্ষা করে দেখছে এবং কীভাবে এটি ব্যবহার করা হয়েছে তা যাচাই করছে। ধৃত শিক্ষক দাবি করেছেন, ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই গুলি চালিয়েছিলাম, কারও গায়ে লেগেছে তা বুঝতে পারিনি।এলাকায় ঘটনার পর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে এবং আইনি পদক্ষেপ নেবে বলে জানা গেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ আদালতের! দেওয়া হল কড়া নির্দেশ

আরজি করের চিকিৎসক ছাত্রী ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তার পরিবারের তরফে শিয়ালদহ আদালতে করা নতুন আবেদনের শুনানিতে আদালত সিবিআইয়ের তদন্তের ধীরগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালত জানিয়েছে, পরিবারের আবেদন বিবেচনার মধ্যে না থাকলেও এটি গ্রহণ করে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, তদন্তের গতি শ্লথ হয়েছে এবং দ্রুততা আনা প্রয়োজন।পরিবারের আবেদনে কয়েকজন ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুরোধ করা হয়েছিল। আদালত উল্লেখ করেছে, সিবিআই এই বিষয়টি সঠিকভাবে দেখার বিষয়টি এড়িয়েছে। ১৫ মাস ধরে তদন্ত চললেও এখনও পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি।তিলোত্তমা ছাত্রী নিহতের পরিবারের তরফে গত মঙ্গলবার আদালতে নতুন আবেদন দাখিল করা হয়। এতে কলকাতা পুলিশের এএসআই অনুপ দত্ত, কয়েকজন চিকিৎসক, কলকাতা পুলিশের অন্যান্য অফিসার এবং রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়কে গ্রেফতারি ও হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।পরিবারের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট বিশ্বাসযোগ্য নয়। প্রথম এবং পরবর্তী রিপোর্টে বড় পার্থক্য রয়েছে, যা কোর্টকে বিভ্রান্ত করছে। পাশাপাশি ১৫ ঘন্টা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য আবেদন করা হয়। আইনজীবীরা আরও দাবি করেছেন, সিবিআই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশীদার।সিবিআই-এর পক্ষ থেকে পাল্টা প্রশ্ন করা হয়, যাদের গ্রেফতারির আবেদন করা হয়েছে, তাদের কোন ধারায় গ্রেফতার করা হবে, কারণ অনেককে ইতিমধ্যেই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal