• ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Raids

কলকাতা

কার টাকায় চলত অভিষেকের চাটার্ড বিমান? পাঁচ জায়গায় একসঙ্গে ইডির তল্লাশিতে নতুন রহস্য

কলকাতার একাধিক জায়গায় মঙ্গলবার সকালে তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাটার্ড বিমানের ভাড়ার টাকা কোথা থেকে এসেছে, সেই অর্থ কারা দিয়েছেন এবং সেই টাকার লেনদেন কীভাবে হয়েছে, তার পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, রাজারহাট, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় আলাদা আলাদা দল অভিযান চালায়।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। অভিযোগ, ওই ব্যবসায়ীর সংস্থার মাধ্যমে চাটার্ড বিমানের ভাড়ার অর্থ দেওয়া হত। সেই অর্থের উৎস কী এবং তৃণমূলের দলীয় তহবিলের সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।এদিকে, তৃণমূলের তহবিল ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এই অভিযান নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। দলের ভাঙনের পর তহবিল ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে চিঠি দিয়ে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন করেছিলেন। সেই বিষয়টি এখনও কলকাতা হাই কোর্টে বিচারাধীন। আদালত একাধিকবার জরুরি শুনানির আবেদন খারিজ করেছে। মঙ্গলবারও একই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।তদন্তকারীরা সল্টলেকের একটি সংস্থার অফিস এবং সংস্থার পরিচালকদের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছেন। অভিযোগ, ওই সংস্থার মাধ্যমেই চাটার্ড বিমানের ব্যবস্থা করা হত। তৃণমূলের একাংশের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, বিমানের ভাড়ার অর্থ কাটমানি ও তোলাবাজির টাকায় মেটানো হয়েছে। সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তদন্ত এগোচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, এক বিজেপি বিধায়কও অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ জমা হয়েছে। সেই অভিযোগেরও তদন্ত চলছে। সব অভিযোগের আর্থিক নথি, ব্যাঙ্ক লেনদেন এবং অর্থের উৎস খতিয়ে দেখতেই মঙ্গলবারের এই তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।

জুলাই ০৭, ২০২৬
রাজ্য

১১ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশি! মদন মিত্রের ফ্ল্যাট থেকে কী কী নিয়ে গেল ইডি?

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই অভিযান চলে প্রায় ১১ ঘণ্টা। দিনের শেষে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে তদন্তকারীরা ফিরে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মদন মিত্রের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার সীতারাম পাহাড়ির দাবি, সকালে ইডি আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছে নিজেদের পরিচয় দেন এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশির পর বেশ কিছু কাগজপত্র তাঁরা সঙ্গে করে নিয়ে যান। পাশাপাশি মদন মিত্রের খোঁজও করেন তদন্তকারীরা।সূত্রের খবর, শনিবার একেবারে ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের ফ্ল্যাটে পৌঁছন ইডির পাঁচ থেকে ছয় জন আধিকারিক। তবে অভিযান শুরু করতেই সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় প্রথমে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা।দীর্ঘ সময় ধরে ফ্ল্যাটের বাইরে অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারিকদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং তল্লাশি শুরু করা সম্ভব হয়। এরপর ফ্ল্যাটের বিভিন্ন অংশে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হয়।শুধু জোকার ফ্ল্যাট নয়, একই সঙ্গে মদন মিত্রের ভবানীপুরের ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে বিভিন্ন আর্থিক নথি এবং তথ্য সংগ্রহ করতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই তল্লাশির পর তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে ঢুকতেই প্রশ্নে গণতন্ত্র! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য, তুষার মেহতার বড় অভিযোগ

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। বুধবার বিচারপতি পি কে মিশ্র গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জানান, কোনও মুখ্যমন্ত্রী যদি কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে গণতন্ত্রের উপর প্রশ্ন উঠে যায়। এই মন্তব্যের পর বৃহস্পতিবার শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা একের পর এক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।ঘটনার সূত্রপাত আইপ্যাক অফিসে ইডির তল্লাশি ঘিরে। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এবং কিছু নথি ও ডিজিটাল সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়। রাজ্যের তরফে ইডির তদন্তের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আর সেই বিষয়েই এদিন আদালতে নিজের সওয়াল পেশ করেন তুষার মেহতা।তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। তাঁর বক্তব্য, আইনের শাসন বজায় রাখা সংবিধানের একটি মৌলিক অধিকার এবং তা লঙ্ঘিত হয়েছে। কয়লা পাচার মামলায় বিপুল টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সেই তদন্তে ইডি কাজ করছে এবং তাদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন। তাঁর আরও দাবি, বেআইনি অর্থ বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে অন্য রাজ্যে গিয়ে পরে আইপ্যাকের কাছে পৌঁছেছে।মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তদন্ত চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই ঘটনার পর ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়, সেটিকেই চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আসা হয়েছে বলে জানান তুষার মেহতা। তিনি নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান।তুষার মেহতা আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলের নজরদারি ক্যামেরার তথ্য এবং কর্মীদের মোবাইল ফোন পর্যন্ত পুলিশ নিয়ে গেছে। তাঁর কথায়, যাঁরা নিজেরাই তদন্তের আওতায় রয়েছেন, তাঁদের রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।হাইকোর্টের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুনানির আগেই কোর্টরুমে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। যদিও বিচারপতি পি কে মিশ্র জানতে চান, এই বিষয়ের সঙ্গে মামলার সরাসরি সম্পর্ক কী। জবাবে তুষার মেহতা জানান, ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ না থাকায় তারা উচ্চ আদালতের পরিবর্তে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আসতে বাধ্য হয়েছেন।তিনি অতীতের একাধিক ঘটনার উল্লেখও করেন। কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে ঘিরে সিবিআই তদন্তের সময় মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার প্রসঙ্গ তোলেন। অভিযোগ করেন, তদন্তে বারবার বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং আদালতের কাজেও প্রভাব ফেলার চেষ্টা হয়েছে।জানুয়ারি মাসে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির ঘটনার পর এই মামলা শুরু হয়। সেই মামলার শুনানি এখন সুপ্রিম কোর্টে চলছে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও শুনানিতে তুষার মেহতা বিস্তারিত সওয়াল করেন এবং একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতায় একাধিক জায়গায় ইডির হানা, এবার কোন বেআইনি চক্রের সন্ধানে তল্লাশি?

ফের একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বুধবার নিউটাউন সিআরপিএফ ক্যাম্প থেকে সকালে কলকাতার একাধিক জায়গায় অভিযানে বেরিয়েছে ইডির একাধিক দল। ইডি সূত্রে খবর, ভুয়ো কল সেন্টার প্রতারণা মামলায় আগেই গ্রেপ্তার হয়েছিল ব্যবসায়ী কুনাল গুপ্তা। ইডি জানতে পেরেছিল এই কল সেন্টার প্রতারণার টাকা তার ঘনিষ্ঠদের ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করা হয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই এদিন সকালবেলায় কুনাল গুপ্তা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী এবং কয়েকজন আত্মীয়র অফিস, বাড়ি সহ একাধিক জায়গায় হানা যায় ইডি। বেনিয়াপুকুর, এন্টলি, বাগুইআটির একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চলছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৪
রাজ্য

জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসা নিয়ে বড় নির্দেশ আদালতের, সিজিওতে হাজির ব্যক্তিগত চিকিৎসক

এর আগে সিবিআই-ইডি ইডি অভিযুক্তদের এসএসকেএম-এ চিকিৎসা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে ভুবনেশ্বর এইমসে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিল ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের চিকিৎসা করা নিয়ে আপত্তি করেছিল আলিপুরের কমান্ড হাসপাতাল। তবে এদিন কড়া নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে এদিন ইডি দপ্তরে যান তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ড: সমাজপতি।বৃহস্পতিবার বড় নির্দেশ কলকাতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ইডির হেফাজতে রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ব্যাঙ্কশাল আদালত চিকিৎসার জন্য তাঁকে আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওযা যেতে পারে বলে নির্দেশে জানিয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কমান্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এবার কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ শুনিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৮ নভেম্বর।প্রয়োজনে জ্যেতিপ্রিয় মল্লিককে কমান্ড হাসাপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে পারবে ইডি, এদিন এমনই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এর আগে ব্যাঙ্কশাল আদালতও এই একই নির্দেশ দিয়েছিল। তবে আদালতের সেই নির্দেশে আপত্তি জানায় কমান্ড হাসপাতল কর্তৃপক্ষ। রাজ্যের মন্ত্রীর চিকিৎসা তাঁদের হাসপাতালে করানোয় সমস্যার কথা জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিল কমান্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যদিও হাসপাতালের সেই আবেদন খারিজ করে দেয় নিম্ন আদালত।পরে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েও কমান্ড হাসাপাতালের তরফে জানানো হয়, তাঁদের হাসপাতালে শুধুমাত্র প্রতিরক্ষার সঙ্গে যুক্তদেরই চিকিৎসা করা হয়। এক্ষেত্রে অন্য সাধারণ নাগরিকদের চিকিৎসা সেখানে শুরু হলে হাসপাতালে সমস্যা হতে পারে। যদিও কলকাতা হাইকোর্ট ব্যাঙ্কশাল আদালতের নির্দেশে কোনও বদল আনেনি।বরং কমান্ড হাসপাতালের আবেদনে আপাতত সাড়া দেয়নি হাইকোর্ট। তবে এব্যাপারে ইডিরও মতামত শুনবে উচ্চ আদালত। আগামী ৮ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তখনই এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আদালত। সুতরাং, আপাতত প্রয়োজনে রেশন দুর্নীতিতে ধৃত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে আলিপুরের কমান্ড হাসাপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে পারবে ইডি।রেশন দুর্নীতি বন্টন মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতার করেছে ই ডি। এর আগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় আদালতের নির্দেশে তাঁকে বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সোমবার রাতে হাসপাতাল থেকে তাকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আসে ইডি। আদালতের নির্দেশ মেনেই বুধবার কমান্ড হাসপাতালে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে ই ডি দপ্তরে আসেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ব্যক্তিগত ডাক্তার।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলা: জ্যোতিপ্রিয়র মুখ বন্ধ, কালঘাম ছুটছে ইডির গোয়েন্দাদের

মুখে কুলুপ এঁটেছেন রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় ধৃত রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। একইসঙ্গে গোলমাল বেধেছে বালু ডাক নাম নিয়ে। সূত্রের খবর, ইডি আধিকারিকদের কোনও প্রশ্নেরই জবাব দিচ্ছেন না জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাসের ডায়েরির বালু নাম লেখার কথা বললেও নো রেসপন্স মন্ত্রীর।বাইপাসের ধারের বেসরকারি হাসপাতাল ছেড়ে দিতেই কাল রাতেই সিজি কমপ্লেক্সে রেশন বন্টন দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে নিয়ে আসে ইডি। সেখানে ৭ তলার ইডির নিজস্ব লক-আপ আছে। সেখানেই রাত কাটে মন্ত্রীর। জানা গিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা ভেবে এদিন মন্ত্রীর দুপুরের আহার ছিল সম্পূর্ণ নিরামিষ। মেনু তালিকায় ছিল অল্প ভাত, ডাল, দুটো ছোট ছোট রুটি, পাঁচমিশালী নিরামিষ সবজি।সূত্রের খবরর, জেরার সময় ছাড়া দিনের বেশির ভাগ সময় অন্য একটি ঘরে ছিলেন মমতা সরকারের অন্যতম অভিজ্ঞ মন্ত্রী। সারা দিনে একবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে চাইছেন না জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা একের পর এক প্রশ্ন করলেও বালুববু যেন কিছুই শুনতে পাচ্ছেন না। প্রথম দিনের জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব মন্ত্রীর দিকে থেকে নীরবেই কাটে। এদিন ফের তলব করা হয়েছিল জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্তসহায়ক হাওড়ার বাসিন্দা অভিজিৎ দাসকে। এর আগে একযোগে তল্লাশির দিন তাঁর বাড়িতেও গিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। অভিজিতের কাছ থেকেই উদ্ধার হয়েছে মেরুন ডায়েরি। জানা গিয়েছে, ওই ডায়েরির লেনদেনের হিসাবে বালুদার নাম উল্লেখ রয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে এই বালু নাম নিয়েই। জ্যোতিপ্রিয়র প্রথম দফার মন্ত্রিত্বের সময় আপ্তসহায়ক ছিলেন অভিজিৎ। সূত্রের খবর, এই বালু কে? তা নিয়েও কোনও উত্তর দেননি মন্ত্রী। এদিনও দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অভিজিতকে। এই মামলায় মন্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাস ও বর্তমানে দায়িত্বে থাকা নাগেরবাজারের বাসিন্দা অমিত দে তদন্তকারীদের কাছে তরুপের তাস।

অক্টোবর ৩১, ২০২৩
রাজ্য

রেশন বন্টন দুর্নীতি: জ্যোতিপ্রিয়র দুই আপ্তসহায়ককে টানা জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে কাবু করতে ইডির হাতে অস্ত্র মন্ত্রীরই দুই আপ্ত সহায়ক। প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাস ও বর্তমান অমিত দে, এই দুজন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠকে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করে দুর্নীতির আঁতুরঘরে পৌঁছাতে চাইছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইতিমধ্যে অভিজিতের বাড়ি থেকে ডায়রি উদ্বার করেছে ইডি। এই ডায়েরিতে লেনদেনের যাবতীয় তথ্য রয়েছে বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অমিত দের মোবাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুক্রবার ভোর রাতে সল্টলেকের বাড়ি থেকে রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী ও বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। বৃহস্পতিবার একইসঙ্গে ইডি হানা দেয় অভিজিৎ দাস ও অমিত দের বাড়িতে। বর্তমান আপ্তসহায়ক অমিত দে ওডিষার ভূবনেশ্বর থেকে তড়িঘড়ি উড়ানে কলকাতায় ফিরে আসেন। তারপর নাগেরবাজারে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে ইডির তদন্তকারীরা। পাশাপাশি অভিজিৎ দাসের হাওড়ার বাড়িতে হানা দেয় ইডি।সারদার মতো এখানেও ডায়েরির গল্প আছে। এখানেও রয়েছে রহস্য। এই হিসাবের ডায়েরি মিলেছে অভিজিৎ দাসের কাছ থেকে। ২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক ছিলেন তিনি। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে যান তিনি। তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা নাগাদ বেরিয়ে যান অভিজিৎ। এখানে তার আগে সকাল ১০টা নাগাদ আসেন মন্ত্রীর বর্তমান আপ্তসহায়ক অমিত দে। অমিতের ফোন এখন ইডির হেফাজতে। ফোনে থাকা যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখছে ইডি। এদিকে জ্যোতিপ্রিয়র ১৬ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা আদালতে উল্লেখ করেছে ইডি। বাড়ি, বেআইনি সংস্থা তৈরি করে টাকা সরানোর কাজ হয়েছিল বলে সূত্রের খবর।

অক্টোবর ২৮, ২০২৩
রাজ্য

ইডির হাতে গ্রেফতার হতেই ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব আওড়ালেন জ্যোতিপ্রিয়, মন্ত্রীর নিশানায় কারা?

রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পৃরায় ২০ ঘন্টার ওপর মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চলেছে। গ্রেফতার হয়ে মন্ত্রী বলেন, গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হলাম আমি। পরে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের হওয়ার প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির ষড়যন্ত্রের শিকার তিনি।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছটা থেকে সল্টলেক BC ২৪৪ ও ২৪৫ নম্বর বাড়িতে দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদের প্রায় একুশ ঘন্টা পর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেপ্তার করে সল্টলেক এর বাড়ি থেকে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে আনা হয়। শুক্রবার ভোর ৩.২২ মিনিট নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে বের করা হয়। ৩.৩০ মিনিট নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দপ্তরে আনা হয়। রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তথা বালুকে গ্রেফতার করেছে ইডি। আজ তাঁকে আদালতে তোলা হবে।যেন দুর্গাপুজো মেটার অপেক্ষা ছিল। একেবারে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সাতসকালে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ঐডি হানা দিয়েছে মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের বাড়িতেও। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় একযোগে ৯ জায়গায় ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডির অফিসারদের।জানা গিয়েছে, রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আগেই ধৃত বাকিবুর রহমানকে জেরায় মিলেছে চাঞ্চল্যকর একাধিক তথ্য। তারই ভিত্তিতে এবার রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে ইডির তল্লাশি।রেশন বণ্টন দুর্নীতি কাণ্ডে এর আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রাহমনাকে। তদন্তে নেমে বাকিবুরের পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির খোঁজ পায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এমনকী দুবাইয়েও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মেলে। রয়েছে একাধিক হোটেল। বাকিবুর রহমানের প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি সূত্রের।

অক্টোবর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

রেশন কাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে ইডির তল্লাশি, কড়া হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিজয়ার শুভেচ্ছার পালা চলছে বাংলায়। রেড রোডে পুজোর কার্নিভালের প্রস্তুতি তুঙ্গে। কিন্তু তার আগেই নিজের কালীঘাটের বাড়ি লাগোয়া দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে ইডি তল্লাশি নিয়ে সোচ্চার হলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে দাবি করলেন তিনি।রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। তল্লাশি জারি রয়েছে। এই প্রসঙ্গেই বৃহস্পতিবার দুপুরে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। সোচ্চার হলেন মোদী সরকারের বিরুদ্ধে।বনমন্ত্রীর বাড়িতে ইডির অভিযানকে ডার্টি গেম বলে সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি। এবার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। পুজো সবে শেষ হয়েছে। জেলায় জেলায় আজ কার্নিভাল রয়েছে। সবাই বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। তার মধ্যেই মন্ত্রীদের বাড়িতে হানা দিতে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। প্রত্যেকদিন আমাদের সব মন্ত্রীদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি করছে। তাহলে সরকারটা বাকি থাকে কেন? এটা ডার্টি গেম। এ ভাবে মুখ বন্ধ করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া কোনও তদন্ত ও তল্লাশি হতে পারে না। তাও গায়ের জোরে কেন্দ্র এটা করাচ্ছে। তল্লাশির নামে শাড়ি, সাজগোজের জিনিসের ছবি তুলছে। এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিচয়। তাঁর প্রশ্ন কেন, একটাও বিজেপির ডাকাতের বাড়িতে তল্লাশি হচ্ছে না?এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সিবিআই বা ইডি দিয়ে হেনস্থার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী তাঁর পরিবারকেও নিশানা করা হচ্ছে বলেও সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। এবার মমতা বললেন, আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে বলছি বলে এক একটা মন্ত্রীর বাড়িতে প্রত্যেকদিন তল্লাশি শুরু করেছে। তাঁদের স্ত্রী, বাচ্চা, বাড়ির লোকদেরও রেহাই দেওয়া হচ্ছে না। এটা কি প্রতিহিংসা নয়? আমি মনে করি এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।এরপরই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের শারীরিক অবস্থার প্রসঙ্গ তুলে কড়া হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, বালুর হাই ব্লাড সুগার রয়েছে। তল্লাশির সময় ও যদি মারা যায়, তাহলে আমরা বিজেপি ও ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর করব।এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের প্রয়াত সাংসদ সুলতান আহমেদের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, সুলতান আহমেদের ঠিক এভাবেই মৃত্যু হয়েছিল। এজেন্সির নোটিস পাওয়ার পরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সুলতান দা। একই কারণে আমাদের সাংসদ ও প্রাক্তন ফুটবলার প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। ওরা বাইরে এটা বলতে পারেননি।

অক্টোবর ২৬, ২০২৩
রাজ্য

রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলা: রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রীর বাড়িতে সাতসকালেই হানা ইডির

যেন দুর্গাপুজো মেটার অপেক্ষা ছিল। একেবারে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সাতসকালে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ঐডি হানা দিয়েছে মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের বাড়িতেও। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় একযোগে ৮ জায়গায় ম্যারাথন তল্লাশি চালাচ্ছে ইডির অফিসারদের। জানা গিয়েছে, রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আগেই ধৃত বাকিবুর রহমানকে জেরায় মিলেছে চাঞ্চল্যকর একাধিক তথ্য। তারই ভিত্তিতে এবার রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে ইডির তল্লাশি। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে বাড়িতেই রয়েছেন মন্ত্রী।রেশন বণ্টন দুর্নীতি কাণ্ডে এর আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রাহমনাকে। তদন্তে নেমে বাকিবুরের পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির খোঁজ পায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এমনকী দুবাইয়েও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মেলে। রয়েছে একাধিক হোটেল। বাকিবুর রহমানের প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি সূত্রের।তদন্তকারীদের অনুমান, বাকিবুরের মাধ্যমেই দুর্নীতির বিপুল পরিমাণ কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালীর যোগ রয়েছে বলেও সন্দেহ কেন্দ্রীয় সংস্থার। দফায়-দফায় বাকিবুর রাহমানকে জেরা করেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে আসে তদন্তকারীদের হাতে।এদিকে, বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মনে করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে অনেক আগেই কেন্দ্রীয় সংস্থার তল্লাশি হওয়া উচিত ছিল। তিনি এদিন বলেন, অনেক আগেই এই তল্লাশি হওয়া উচিত ছিল। বাকিবুর রহমান ধরা পড়েছে। তার কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি খুঁজে পাওয়া গেছে। এটা তো জানে সবাই, ওপেন সিক্রেট। এই সম্পত্তির মালিক আসলে কে। বাকিবুর একা এত সম্পত্তি কোথা থেকে পেল। কারও সাহায্য ছাড়া এত সম্পত্তি করল কোথা থেকে। একজন সাধারণ মানুষের দুবাইয়ে ব্যবসা, বাংলাদেশে ব্যবসা। কয়েকশো একর জমির কথা নাকি শোনা যাচ্ছে। এই টাকা তো অন্য কারও টাকা। সেই টাকা বাকিবুরের নামে আছে। শুধু রেড করে হবে না এদের জেলের ভিতরে ঢোকাতে হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৩
কলকাতা

গার্ডেনরিচের আমির তো যথার্থই 'আমির'!, বাড়ি থেকে উদ্ধার রাশি রাশি টাকা

সকাল থেকেই সকলের নজর ছিল ইডির তল্লাশির দিকে। সেই পার্থঘনিষ্ট অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে রেইড করতে গিয়ে টাকা গোনা দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে আমবাঙালী। শনিবারও তার থেকে কোনও ব্যতিক্রম হয়নি। শেষমেশ আমিরের বাড়িতে খাটের নীচ থেকে কুবেরের ধন উদ্ধার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সাড়ে ১৭কোটি টাকা নগদ পেয়েছে ইডির আধআকিরাকরা। ২হাজারস ৫শো, ২শো, একশো টাকার বান্ডিল বান্ডিল নোট উদ্ধার হয়েছে। দিনভর টাকা গুনতে ব্যবহার করা হয়েছে মোট ৮টি মেশিন। টাকা গুনতে সহযোগিতা করেছেন ব্যাংকের আধিকারিকরা। বাড়ি ঘিরেছিল কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী। মাছি না গলার মতো ছিল নিশ্চিদ্র নিরপাত্তা ব্যবস্থা। তবে আমির খানের তিনটে মোবাইলই বন্ধ পেয়েছে ইডি।এর আগে অর্পিতার উত্তর কলকাতার ফ্লাট থেকে প্রায় ৩০কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেছিল ইডি। সাম্প্রতিককালে টাকার পাহাড়ের উদ্ধারের সেই যাত্রা শুরু। তারপর অর্পিতারই বেলঘড়িয়ার ফ্লাট থেকে উদ্ধার ১৮কোটি টাকা। মালদার এক মাছ ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ১কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা। এরইমধ্যে চিটফান্ড কাণ্ডে হালিশহরের পুরসভার চেয়ারম্যান রাজু সাহানীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৮০কোটি টাকা। এবার গার্ডেনরিচে ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়ি থেকে ১৭.৫০কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য় 1১০টি ট্রাঙ্ক নিয়ে আসা হয়েছে। ৫টি ট্রাঙ্কে টাকা ভরা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, পার্কস্ট্রিট থানায় একটি মোবাইল গেম নিয়ে অভিযোগ হয়েছিল।এদিকে ইডি খোঁজ নিচ্ছে, এই টাকা আদতে কার। কারণ মোবাইল গেমের কথা বলা হলেও সেই টাকা তো ব্য়াংক অ্যাকাউন্টে লেনদেন হবে{ সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট লেনদেন পাওয়া খুব কঠিন নয়। এদিকে আমির খানের বাড়ির লোকজন তদন্তে কোনও সাহায্য করেনি বলে ইডির দাবি। কোথায় তিনি আছেন সে বিষয়েও কেউ মুখ খোলেনি।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআইয়ের

অনুব্রত মণ্ডলের আরও এক ঘনিষ্ঠর হদিশ পেল সিবিআই। সেই সঙ্গে কিছু সম্পত্তিরও হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সমস্ত সম্পত্তি কোনওটা মেয়ের নামে কোনটা বা তাঁর মৃত স্ত্রীর নামে। আবার কোনও সম্পত্তি অনুব্রত মণ্ডল কন্যা সুকন্যার দুই কোম্পানির নামে রয়েছে বলে জানতে পেড়েছে তদন্তকারী সংস্থা। স্থানীয়দের দাবি ওই সমস্ত সম্পত্তি বছর চারেক আগে কেনা হয়েছে।এবার অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই৷ অনুব্রত মণ্ডলের নামে ও বেনামে কত জমি কেনা হয়েছে, তা জানতেই রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালায় সিবিআই৷ গরু পাচারের টাকাতেই এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কেনা হয়েছে কিনা তা জানতে এই অভিযান চালানো হয়েছে৷ সিবিআই-এর আধিকারিকরা রেজিস্ট্রি অফিসের কম্পিউটার এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখছেন৷মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ শান্তিনিকেতন পূর্বপল্লী গেস্ট হাউস থেকে বোলপুরের নেতাজী মার্কেটের বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যান সিবিআই আধিকারিকরা। প্রথমে দপ্তরে ঢুকে রেজিস্ট্রারের ঘরে যান সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানে প্রথমে রুদ্ধদার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। পরে দফতরের কর্মীদের পাশে রেখেই কম্পিউটারে সব নথি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এদিন ঐ অফিসের বসে তাঁদের নিজস্ব ল্যাপটপে সব তথ্য লিপিবদ্ধ করতে থাকেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের একটি সূত্রে খবর, অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে কত জমি রয়েছে, সে সমস্ত তথ্য জানতেই এই অভিযান বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।সিবিআই সূত্রে খবর, জমি দফতরের এই অফিসে তথ্য তলাশ করে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর একাধিক আত্মীয়ের নামে বহু সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। তেমনই তথ্য গত কয়েকদিনের তদন্তে সিবিআই আধিকারিকদের হাতে এসেছে বলে খবর। কার নামে, কোথায়, কত জমি, বাড়ি বা সংস্থা রয়েছে, তা জানতে এ দিন রেজিস্ট্রি অফসে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। রেজিস্ট্রি অফিসের সব কম্পিউটার খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে একাধিক নথি আধিকারিকরা পেয়েছেন। কাগজপত্র ছাড়াও অনলাইনে নথিভিক্ত জায়গাজমি সম্পর্কেও তথ্যতালাশ করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যার নামে একাধিক জমির খোঁজ মিলেছে বলে খবর। বোলপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি চলাকালীন সুকন্যার নামে জমির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআইয়ের একটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের বল্লভপুর এলাকায় ০.৬২ একর জমির সন্ধান মিলেছে সুকন্যার নামে। এছাড়াও বোলপুর বাইপাসে ইংরেজিতে সিএম এবং ব্যাকেটে মানা লেখা তিনটি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সম্পত্তি গুলি আড়াই থেকে ৫ বিঘার মধ্যে। সিবিআই আধিকারিকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। পাশাপাশি, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠদের নামেও কী পরিমাণে স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তার খোঁজ চলছে বলেও সিবিআইয়ের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে।অনুব্রতের দেহরক্ষী সহেগল হোসেনের নামেও কোনও জমি আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে সিবিআই। সহেগল এখন সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন। পাশাপাশি বীরভূমের একাধিক চালকলের লিজের কাগজপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সহেগল হোসেনের ঘনিষ্ঠ মাধব কৈবর্ত্যের নামেও কোনও জমিজমা আছে কি না সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। কিছু দিন আগে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন এই মাধব। এছাড়া অনুব্রত ঘনিষ্ঠ আমোদপুরের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য এবার সিবিআই নজরে এসেছে। কারণ ২০১৯ সালে অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সেই হাসপাতালে ৬৬ লক্ষ টাকা মিটিয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। ওই টাকার উৎস কি তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। সিবিআই আমোদপুরে বেশ কয়েকটি রাইসমিল এবং কোম্পানির খোঁজ পেয়েছে। যার কয়েকটির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। মোবাইল বন্ধ থাকায় রাজিব ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।প্রসঙ্গত, আগামিকাল তৃতীয় দফায় অনুব্রত মণ্ডলকে আদালতে পেশ করা হবে। গরু পাচার মামলায় এই মুহূর্তে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তারই মাঝে গত কয়েকদিনে বোলপুর এবং তার আশেপাশে একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে সিবিআই। গরু পাচারের টাকায় কোথায়, কত সম্পত্তি রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর আত্মীয়দের নামে। এ বার সেই তথ্য জানতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই। শুরুটা হয়েছিল অনুব্রতর মেয়ের নামে থাকা রাইস মিল দিয়ে। মাঝে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বোলপুর পৌরসভার গাড়ির খালাসি বিদ্যুৎবরণ গায়েনের বিপুল সম্পত্তির উৎস খুঁজতে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এর পর গতকাল বীরভূম জেলা সভাপতির দিদির নামে থাকা রাইস মিলে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা।বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসের হেড ক্লার্ক সামসের আলি বলেন, ২০০৮ সালের পর থেকে বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নামে কোনও জমি কেনা হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দলিল সংক্রান্ত তথ্য এবং কোনও সম্পত্তি লিজ নেওয়া হয়েছে কি না সে সম্পর্কেও তথ্য নেয় ওরা। অনুব্রতের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত বিদ্যুৎবরণ। রবিবার বোলপুরের কালিকাপুরের বাসিন্দা এই বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। বোলপুর পুরসভার গ্রুপ ডি কর্মী তিনি। সামসের আলি আরও বলেন, রেজিস্ট্রি হওয়া যে দলিল আমাদের সিস্টেমে আছে তা আমরা দিলাম। ওরা যাদের নাম করে জমি সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছেন সেই তালিকায় অনুব্রত মণ্ডলের নাম আছে।

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

Raids for Crackers: পূর্ব বর্ধমানে অভিযান চালিয়ে প্রচুর বাজি উদ্ধারের পাশাপাশি গ্রেপ্তার ৪

কালীপুজো ও দীপাবলিতে বাজি পোড়ানো ও বিক্রি রুখতে লাগাতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রচুর শব্দবাজি উদ্ধার করার পাশাপাশি ৪ জন বাজি বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার রাজ্যের সর্ব্বোচ্চ আদালত যে কোনও ধরণের বাজি বিক্রি ও পোড়ানো নিষিদ্ধ করছে। শুধুমাত্র প্রদীপ অথবা মোমবাতি জ্বেলে দীপাবলি পালন করায়ছাড় দিয়েছে আদালত। আদালতের সেই নির্দেশ কার্যকর করতে শুক্রবার অভিযান আরও জোরদার করলো পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার মেমারি থানার পুলিশ মেমারির গৌরীপুরের একটি বাজি কারখানায় হানা দিয়ে দুটি বস্তায় মজুত করে রাখা ৫০ কেজি শব্দ ও আতসবাজি উদ্ধার করেছে।এছাড়াও ওই কারখানা থেকে ৫০ কেজির বেশি বাজি তৈরির উপকরণও পেয়েছে। উদ্ধার হওয়া সবকিছু বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ অবৈধভাবে বাজি তৈরির অভিযোগে ওই কারখানার মালিক বাদল মুর্মুকে গ্রেপ্তার করেছে। একই দিনে শক্তিগড় থানার পুলিশ একটি দোকানে হানা দিয়ে ৫ কেজি শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে। নিষিদ্ধ বাজি বিক্রির অভিযোগে পুলিশ জগন্নাথ খাঁ ও বনমালি হালদার নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়াও জেলার মাধবডিহি থানার পুলিম বৃহস্পতিবার রাতে বিনোদপুর এলাকার নিতাই মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিয়ে ২ কেজি লঙ্কা বাজি, ১০টি গাছ বাজি, ২৫০টি শব্দবাজি ও ১৫টি তুবড়ি বাজি উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি, বাজি বিক্রি সংক্রান্ত বৈধ কোনও নথিপত্র ধৃতদের কেউই দেখাতে না পারার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ শুক্রবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। জামিনযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হওয়ায় সিজেএম যদিও ধৃত সকলের জামিন মঞ্জুর করেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
কলকাতা

প্রতীক নিয়েই সবচেয়ে বড় ধাক্কা? উপনির্বাচনের আগে মমতার পরিকল্পনা ঘিরে তুমুল চর্চা

প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু। তৃণমূলের দুই শিবিরই নিজেদের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কমিশনের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এরই মধ্যে তিনটি বিধানসভা এবং একটি লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রতীক নিয়ে জল্পনা।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার প্রতীক নিয়ে আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তাঁর দাবি, প্রতীক হারানোর সম্ভাবনা খুবই কম। তবু যদি সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে নতুন প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে লড়বেন। এমনকি মানুষের কাছে নতুন প্রতীক পরিচিত করাতে প্রয়োজন হলে তা গলায় ঝুলিয়ে প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দল গঠনের পর প্রথম দিকেও নতুন প্রতীক নিয়েই ভোটে লড়েছিল তৃণমূল। তাই নতুন প্রতীক মানুষকে চিনিয়ে দিতে কোনও সমস্যা হবে না।রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা, যদি ঘাসফুল প্রতীক না থাকে, তাহলে বিকল্প কী হতে পারে। সূত্রের দাবি, সেই পরিস্থিতির জন্য একটি বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি রাখা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, সূর্যমুখী ফুলকে সম্ভাব্য নতুন প্রতীক হিসেবে ভাবা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও ঘোষণা হয়নি এবং তৃণমূলের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে রেজিনগর, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র এবং বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দ্রুত হওয়া জরুরি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।অন্যদিকে, প্রতীক বিতর্ক নিয়ে ঋতব্রত শিবির এখনও প্রকাশ্যে কোনও বিকল্প পরিকল্পনার কথা জানায়নি। ওই শিবিরের অন্যতম বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচন কমিশনের উপর তাঁদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। কমিশন সমস্ত নথি এবং আইনি দিক খতিয়ে দেখে যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই তাঁরা মেনে নেবেন। প্রতীক নিয়ে অন্য কোনও ভাবনা এই মুহূর্তে নেই বলেও তিনি জানান।এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, অফিস নেই, অ্যাকাউন্ট নেই, ফুল নিয়ে কী করবেন। স্টেটমেন্ট নিয়ে যা করার করবেন। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

দিল্লিতে বড় বৈঠক! শুভেন্দুর সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদদের মুখোমুখি বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লির বঙ্গভবনে মঙ্গলবার এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সংসদের বাদল অধিবেশনের শুরুতেই এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে যায়। এবার তৃতীয় সপ্তাহে সেই বৈঠক হতে চলেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই বৈঠকের দিকেই।প্রথমে বৈঠকটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে হওয়ার কথা ছিল। পরে স্থান পরিবর্তন করে বঙ্গভবন ঠিক করা হয়। তবে গত আটাশে জুলাই রাজ্যের ব্যস্ততার কারণে দিল্লি যেতে পারেননি শুভেন্দু। সেই কারণে বৈঠক স্থগিত হয়ে যায়। এবার মঙ্গলবার সেই বৈঠক হওয়ার কথা।বৈঠকে কতজন সাংসদ উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, প্রায় কুড়ি জন সাংসদ উপস্থিত থাকতে পারেন। যদিও শেষ মুহূর্তে সেই সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আলোচনা চলছে।এর আগে বৈঠক স্থগিত হওয়ার পর এনসিপিআই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকের বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে না এলেও, মঙ্গলবারের বৈঠকে সাংগঠনিক এবং রাজনৈতিক একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, কয়েকজন সাংসদ তাঁদের এলাকায় প্রশাসনিক সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলতে পারেন। কোথাও কোথাও সাংসদদের এলাকায় কাজ করতে সমস্যার অভিযোগও উঠে এসেছে। সেই বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা হতে পারে।এদিকে সাংসদ শতাব্দী রায় জানিয়েছেন, এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য এলাকার উন্নয়ন এবং সরকারি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা। অন্যদিকে কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, সাংসদদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বৈঠকে কুড়ি জনের মতো সাংসদ থাকার কথা তিনি শুনেছেন। শেষ পর্যন্ত কতজন উপস্থিত থাকেন, তার উপরেই রাজনৈতিক বার্তার গুরুত্ব অনেকটাই নির্ভর করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।মঙ্গলবারের এই বৈঠক ঘিরে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে একটাও কথা নয়! শশী পাঁজার নীরবতায় নতুন করে তোলপাড় রাজনীতি

হাতে ফাইল নিয়ে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে আসতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং শ্যামপুকুরের প্রাক্তন বিধায়ক শশী পাঁজা। ভোটের ফল ঘোষণার পর দীর্ঘদিন জনসমক্ষে তাঁকে দেখা যায়নি। তাই তাঁকে ঘিরে একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দেন সাংবাদিকেরা। তিনি এখন কোথায়? তৃণমূলের সঙ্গেই আছেন কি না? ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান কী? কিন্তু কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দেননি শশী পাঁজা। বরং দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং বারবার সাংবাদিকদের সরিয়ে দেন।শশী পাঁজার এই নীরবতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্লিনিকে তাঁর যাওয়া নতুন কোনও ঘটনা নয়। চিকিৎসক হিসেবে কাজ শেখার সময় থেকেই প্রায় নিয়মিত সেখানে যেতেন তিনি। আগে বিষয়টি নিয়ে বিশেষ আলোচনা না হলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই পুরনো সম্পর্ককেও ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।এর মধ্যেই প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সম্প্রতি দাবি করেন, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে শশী পাঁজার সঙ্গে তাঁর আর যোগাযোগ হয়নি। তিনি জানান, শশী বিদেশে থাকার কথা বলেছিলেন এবং ফিরে এসে যোগাযোগ করবেন বলেও জানিয়েছিলেন। তবে পরে আর যোগাযোগ করেননি। এরপর কুণাল ঘোষ সমাজমাধ্যমে লেখেন, বিষয়টি নিয়ে কেউ যেন বিভ্রান্তি না ছড়ান।এই পরিস্থিতিতে শশী পাঁজার প্রকাশ্যে আসা রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বাড়িয়েছে। তবে তিনি কোনও মন্তব্য না করায় সব প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই রয়ে গেল। তিনি তৃণমূলে থাকছেন কি না, নাকি অন্য কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন, সে বিষয়ে কোনও ইঙ্গিতও দেননি। ফলে তাঁর নীরবতাকে ঘিরে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, শেষ পর্যন্ত কী নির্দেশ দিল আদালত?

বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শীর্ষ আদালত এই মামলায় সরাসরি কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে সেটি ফের কলকাতা হাইকোর্টে পাঠিয়ে দিল। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টকে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর দাবি, বিভিন্ন মামলার কারণে তাঁর বিদেশযাত্রায় বাধা তৈরি হচ্ছে। অথচ চোখের চিকিৎসার জন্য আগেও আদালতের অনুমতি নিয়ে তিনি বিদেশে গিয়েছেন। এবারও চিকিৎসার স্বার্থে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়।আইনজীবী আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বহু মামলা রয়েছে। সেই সব মামলার কারণ দেখিয়ে যদি প্রতিবার বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়া হয়, তাহলে তাঁর চিকিৎসা ব্যাহত হবে। তিনি তদন্তে সহযোগিতা করেছেন এবং আদালতের নির্দেশ মেনে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াতেও অংশ নিয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।এই যুক্তি শোনার পর সুপ্রিম কোর্ট জানায়, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টেই বিচারাধীন। তাই হাইকোর্টই এই মামলার শুনানি করবে। পাশাপাশি শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেই বিষয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় আদালত জানিয়েছিল, আগে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে হবে। এসএসকেএম হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে পরীক্ষা করার পর যদি বোর্ড মনে করে বিদেশে চিকিৎসা জরুরি, তবেই বিদেশযাত্রার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।পরে হাইকোর্ট তাঁর অন্তর্বর্তী আইনি সুরক্ষার মেয়াদ বাড়ালেও বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেয়নি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শীর্ষ আদালতও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ না করে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের উপরেই ছেড়ে দিয়েছে। ফলে এখন নজর কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে ফ্ল্যাটে হানা! আলমারি খুলতেই চোখ কপালে পুলিশের, কোটি কোটি টাকা উদ্ধার

রবিবার রাতে মালদহে একটি ফ্ল্যাটে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, সোনা এবং নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ উদ্ধার হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মালদহ থানা, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিশেষ অভিযানের দল যৌথভাবে এই তল্লাশি চালায়। উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ রাত পর্যন্ত গুনে প্রায় আড়াই কোটি টাকা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোনাও উদ্ধার হয়েছে, তবে তার পরিমাণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুরে নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ উদ্ধারের একটি মামলার তদন্তে নতুন তথ্য সামনে আসে। সেই সূত্র ধরেই মালদহের মঙ্গলবাড়ি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে আলমারিতে রাখা বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়। টাকা গোনার জন্য মেশিন আনতে হয় বলে জানা গিয়েছে।পুলিশের দাবি, ফ্ল্যাটটি দিলীপ সাহা নামে এক ব্যক্তির। স্থানীয়ভাবে তিনি তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গিয়েছে। তবে দিলীপ সাহার দাবি, তিনি ফ্ল্যাটটি পিন্টু সরকার নামে এক ব্যক্তির কাছে ভাড়া দিয়েছিলেন। ভাড়াটিয়া সেখানে কী কাজ করতেন বা কী রাখতেন, সে সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না বলেও তিনি দাবি করেছেন।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া অর্থ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপের অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। এই ঘটনায় আন্তঃরাজ্য কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এই মামলায় অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় এসেছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দেখা উচিত। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তদন্ত চলছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সকালের গরমের পর বদলাবে আবহাওয়া! কোন কোন জেলায় ঝেঁপে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া দফতর

সকাল থেকেই রোদের তেজ আর ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল ছিল রাজ্যবাসী। তবে এই অস্বস্তিকর আবহাওয়া বেশিক্ষণ থাকবে না বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা এবং উত্তরবঙ্গ সংলগ্ন ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে বুধবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গেও ধীরে ধীরে বাড়বে বৃষ্টির দাপট।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় অতি ভারী থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড় এবং ডুয়ার্স এলাকায় ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধস, নিচু এলাকা জলমগ্ন হওয়া এবং নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা, তোর্সা, রাইডাক ও জলঢাকা নদীর জলস্তরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। অতিবৃষ্টির জেরে কৃষিকাজেও প্রভাব পড়তে পারে।দক্ষিণবঙ্গে আজ এবং আগামীকাল পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে।বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে।কলকাতায় আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। দিনের মধ্যে দু-এক পশলা হালকা বা ঝিরঝিরে বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি না হলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে কলকাতায় মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল আটাশ দশমিক নয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চৌত্রিশ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছেষট্টি থেকে তিরানব্বই শতাংশ। ফলে বৃষ্টি না হলে গরম এবং অস্বস্তি দুই-ই বজায় থাকতে পারে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal