• ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Postponed

কলকাতা

প্রায় ১ মাস পিছিয়ে গেল কলকাতা বইমেলা

করোনা আবহে প্রায় এক মাস পিছিয়ে গেল কলকাতা বইমেলা। ৩১ জানুয়ারির বদলে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে শুরু হবে বইমেলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনার পরেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সোমবার সন্ধ্যায় জানিয়েছে বইমেলার আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড।প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে বইমেলা হতে পারেনি। শেষ আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা হয়েছিল ২০২০ সালে। গত বছরের নভেম্বরের গোড়ায় গিল্ডের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, কোভিড-১৯ বিধি সম্পূর্ণ মেনে ৩১ জানুয়ারি থেকে সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে হবে ২০২২ সালের মেলার আয়োজন।উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণের আবহে রাজ্যের চারটি পুরনিগমের ভোট ২২ জানুয়ারি থেকে পিছিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে। বিধাননগর পুরনিগমও রয়েছে সেই তালিকায়। গিল্ডের একটি সূত্রে জানাচ্ছে, এই পরিস্থিতিতে সেখানে বইমেলার আয়োজন হলে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ ওঠার আশঙ্কা ছিল। কারণ, ১৫ ফেব্রুয়ারি গণনার দিন পর্যন্ত সেখানে নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ থাকবে। যা বইমেলার আয়োজনে বাধা হতে পারে। আর সেই কারণেই এই পুরো সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
দেশ

ধর্মীয় আবেগে পিছিয়েই গেল পঞ্জাবের নির্বাচন, ১৪ নয় ভোট হবে ২০ ফেব্রুযারি, ঘোষণা কমিশনের

পঞ্জাবের বিধানসভা ভোট পিছিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। ১৪ ফেব্রুয়ারির বদলে ২০ফেব্রুয়ারি সে রাজ্যে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ১৬ ফেব্রুয়ারি গুরু রবিদাস জয়ন্তী থাকায় একাধিক রাজনৈতিক দল কমিশনের কাছে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানায়। এই দাবি নিয়ে রবিবার একটি বৈঠকও বসে কমিশন। সেই বৈঠকের পরই কমিশন এই দিন পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে।এর আগে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি কমিশনকে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আবেন জানান। বিজেপি, বিএসপি-র প্রতিনিধিরাও কমিশনের কাছে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানান। এই দাবি মেনে কমিশন পঞ্জাবের নির্বাচন ২০ ফেব্রুয়ারি করে দিয়েছে। সেখানে এক দফাতেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।আসলে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পাঞ্জাবের দলিত শিখদের ধর্মগুরু রবিদাসের জন্মজয়ন্তী। সেই উপলক্ষে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকেই বেনারসে তীর্থ করতে যাবেন প্রায় ২০ লক্ষ দলিত শিখ। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোট হলে এই ভোটাররা তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁর অনুরোধ ছিল, ভোটের দিন অন্তত ৬ দিন পিছিয়ে দেওয়া হোক, যাতে এই ২০ লক্ষ ভোটার বেনারস থেকে ফিরে এসেও নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। একই আর্জি জানিয়েছিল বিজেপিও। তার পরই সোমবার ভোটের নতুন দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী নিজেও এই দলিত শিখ সম্প্রদায়ের নেতা। আগামী নির্বাচন জিতে পঞ্জাবে কংগ্রেসকে ফের ক্ষমতায় আসতে হলে রাজ্যের ৩২ শতাংশ দলিত ভোটারকে সংগঠিত করা জরুরি। কারণ, পঞ্জাবের হিন্দু ভোটারদের একটা বড় অংশের ভোট যাবে বিজেপি এবং অমরিন্দর সিংয়ের জোটের দিকে। আম আদমি পার্টিও সেখানে কিছুটা ভাগ বসাবে। উচ্চবর্ণের জাঠ শিখদের ভোটের একটা বড় অংশ যায় অকালি দলের খাতায়। সেখানেও কংগ্রেসের পাশাপাশি ভাগ বসাবে আম আদমি পার্টি। তাই ক্ষমতায় ফিরতে কংগ্রেসের মূল ভরসা এই ৩২ শতাংশ দলিত শিখদের ভোটই। আবার বিজেপিও চাইছে দলিত শিখদের ভোট নিজেদের দিকে টানতে। তাই স্থানীয় ধর্মীয় আবেগকে মান্যতা দিয়ে ভোট পিছনোর দাবি জানিয়েছিল দুই পক্ষই।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্ন

পুরভোট পিছিয়ে দিতে সায় রাজ্যের। নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে নবান্ন। আদালতের নির্দেশের পরই রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরই শনিবার চিঠি দেয় নবান্ন। চিঠিতে রাজ্য জানিয়েছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজ্য। তবে ভোট পিছিয়ে দিলে আপত্তি নেই। শনিবার দুপুরেই কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ভোট পিছনোর ঘোষণা করবে বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরাআগামি ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল বিধাননগর, শিলিগুড়ি, আসানসোল এবং চন্দনগর পুরসভার। কোভিড পরিস্থিতিতে এই পুরভোট নিয়ে আপত্তি তুলে অনেকেই আদালতে যান। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভোটের তারিখ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়। কোভিড আবহে জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। তবেআরও পড়ুনঃ অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট রেখে ইন্সটাগ্রামে ফিরলেন রাজ কুন্দ্রাশুক্রবারই হাইকোর্টের রায় নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়ে চিঠি দেয় কমিশন। তারই উত্তরে শনিবার রাজ্য ভোট পিছনোর পক্ষে সায় দেয়। চিঠিতে তারা জানায়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর রয়েছে রাজ্য। এখন কমিশন যদি কিছু দিনের জন্য ভোট পিছিয়ে দেয়, তাতে তাদের আপত্তি নেই। যদিও এর আগে আদালতে একাধিক বার ভোট পিছনোর বিরোধিতা করেছে নবান্ন। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পর, বিকেলের মধ্যেই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করতে পারে কমিশন। সূত্রের খবর, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট চাইছে নবান্ন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

Nandigram-High Court: ফের পিছল নন্দীগ্রাম মামলা

আজ সোমবার হাইকোর্টে শুনানি ছিল। এর আগেও এই মামলা পিছিয়ে দেওয়া হয়। এবার ফের একবার পিছিয়ে গেল মামলা। এ দিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, যেহেতু সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলা চলছে, তাই হাইকোর্টে শুনানি পিছিয়ে দিতে হবে।সুপ্রিম কোর্টের শুনানির পরই ফের শোনা হবে মামলা। আজ এমনটাই জানানো হয়েছে আদালতের তরফে।অন্যদিকে মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিয়ে লিখিত বয়ান আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শুভেন্দুর আইনজীবীকে। আগামী ১ ডিসেম্বর এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। তার আগে জমা দিতে হবে বয়ান। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা চলছে বলেই হাইকোর্টে মামলাটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।এই আর্জি শুনে ক্ষুব্ধ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী গোপাল মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এটি একটি নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা, তাই এই মামলা ফেলে রাখা যায় না। তাঁর বক্তব্য, অগস্টে মামলার শুনানি ছিল। এরপরও যদি শোনা না হয় তাহলে কবে শোনা হবে? এভাবে নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা ফেলে রাখা যায় না। অযথা এই মামলা ফেলে রাখা যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি। মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিয়ে লিখিত বয়ান কেন জমা দেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। এরপরই বিচারপতি জানান, সুপ্রিম কোর্টের মামলার শুনানির আগে লিখিত আবেদন দিতে হবে শুভেন্দুর আইনজীবীকে। ২৯ নভেম্বর শুভেন্দু অধিকারীকে লিখিত বয়ান দিতে হবে হাইকোর্টে।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Krunal Pandya : ‌করোনায় আক্রান্ত ক্রুণাল পান্ডিয়া, স্থগিত ভারত–শ্রীলঙ্কা ম্যাচ

শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় শিবিরে করোনার থাবা। আক্রান্ত ক্রুণাল পাণ্ডিয়া। স্থগিত হয়ে গেল ভারতশ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচ। ক্রুণালের সংস্পর্শে আসা ৮ জনকে টিম হোটেলেই আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকালে নিয়মমাফিক র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের পরই ক্রুণালের করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরই ভারতীয় দলের মেডিক্যাল টিম ক্রুণালের সংস্পর্শে আসা ৮ জনকে শনাক্ত করে টিম হোটেলেই আইসোলেশনে রেখেছে। দলের আর কোনও সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কিনা, তা জানার জন্য সকলের আরটিপিসিআর পরীক্ষা হবে।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতক্রিকেটাররা জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন উঠছে শ্রীলঙ্কার জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়েও। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের আগে শ্রীলঙ্কার রিজার্ভ ক্রিকেটারদের মধ্যেও একজন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাছাড়া ইংল্যান্ড সফর সেরে ফেরা ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার ও অ্যানালিস্ট জিটি নিরোশনের করোনা ধরা পড়ায় অতিরিক্ত কয়েক দিন আইসোলেশনে থাকতে হয় শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের। তারপর ফের সিরিজের দিনক্ষণ বদলে একদিনের সিরিজ শুরু হয়েছিল। টি২০ সিরিজ শেষের কথা ২৯ জুলাই। দলে বাকি সদস্যদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এলে মঙ্গলবারের স্থগিত ম্যাচ বুধবার হবে। সূচি অনুযায়ী তৃতীয় টি২০ ম্যাচ বৃহস্পতিবারই হবে। তবে সবটাই নির্ভর করবে আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্টের উপরই। শ্রীলঙ্কা দলের কেউ অবশ্য করোনা আক্রান্ত নন।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালএকজন ক্রিকেটারে করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় কয়েকদিন আগে টসের পর স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। পরে সেই ম্যাচ খেলা হয়। এবার অনেকটা একই অবস্থা ভারতের শ্রীলঙ্কা সফরে। শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই স্থগিত হল ম্যাচ। শ্রীলঙ্কা থেকে পৃথ্বী শ ও সূর্যকুমার যাদবের ইংল্যান্ড রওনা হওয়ার কথা। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরা কবে রওনা দেবেন তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এমনিতেই ইংল্যান্ডে গিয়ে কঠোর নিভৃতবাসে থাকতে হবে। ফলে প্রথম টেস্টের জন্য তাঁরা বিবেচিত হতেন না। দ্বিতীয় টেস্টের আগে তাঁরা দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। কিন্তু সবটাই নির্ভর করছে ভারতীয় শিবিরে করোনা পরিস্থিতির ওপর।

জুলাই ২৭, ২০২১
রাজ্য

TET Exam: উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশ

আইনি জটে ফের আটকে গেল উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একাধিক মামলা জমা পড়েছে আদালতে। তার ভিত্তিতে আপাতত উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এক দিন আগেই যদিও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ পুজোর আগে নিয়োগপ্রক্রিয়া সেরে ফেলা হবে বলে জানিয়েছিল। কিন্তু আদালতের নির্দেশে এদিন ১৪ হাজার ৩৩৯ পদে নিয়োগ আটকে গেল। আগামী ৯ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হতে চলেছে।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় ঢেউয়ে করোনার বলি ৭৯৮ জন চিকিৎসকমঙ্গলবারই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে ইন্টারভিউয়ের তালিকা প্রকাশ হয়েছিল। কিন্তু মামলাকারীদের অভিযোগ, ইন্টিরভিউয়ের তালিকা তৈরিতে বেনিয়ম হয়েছে। ন্যূনতম কত নম্বর পেলে ইন্টারভিউয়ে ডাক, তার কোনও উল্লেখই নেই সাইটে। মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগ করা হচ্ছে না। বেশি নম্বর পেয়েও অনেকে ইন্টারভিউয়ে ডাক পাচ্ছেন না। তাতেই নিয়োগে স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এ নিয়ে বুধবার বিকেলেই জরুরি বৈঠকে বসছে স্কুল সার্ভস কমিশন (এসএসসি)। সেখানেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হবে।

জুন ৩০, ২০২১
শিক্ষা

Joint Entrance Exam: রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা

পিছিয়ে গেল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। ১৭ জুলাই হবে পরীক্ষা। আগে ১১ জুলাই হওয়ার কথা ছিল এই পরীক্ষা। বাকি সময়সূচি একই থাকবে। আজ বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করেন রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রাস বোর্ডের চেয়ারম্যান মলয়েন্দু সাহা। তিনি জানিয়েছেন, এ বার মোট পরীক্ষার্থী ৯২ হাজার ৬৯৫ জন। মোট ২৭৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। ১৪ অগস্টের মধ্যে ফলপ্রকাশ করা হবে। বোর্ড জানিয়েছে, ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিন দফায় কাউন্সেলিং হবে। পরীক্ষার্থীদের বাড়ির কাছাকাছি কেন্দ্রেই পরীক্ষা নেওয়া হবে। https://janatarkatha.com/kolkata/local-train-demonstration-in-sonarpur-demanding-to-run-local-train-002491আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে বিক্ষোভ সোনারপুরে কোভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই পরীক্ষার দিন পিছিয়ে দেওয়া হল বলে জানান মলয়েন্দু সাহা। এই বিষয়ে বোর্ড জানিয়েছে, জুলাই মাসের মাঝামাঝি পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই সেই সময় পরীক্ষা নেওয়া সিদ্ধান্ত হয়েছে। শনিবার পরীক্ষা নেওয়া হবে। রবিবার পরীক্ষা নেওয়া হলে পরীক্ষার্থীরা আসা যাওয়ার জন্য মেট্রো এবং ট্রেন কম পাবেন। কোভিড পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ মেনেই পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড। বজায় রাখা হবে সামাজিক দূরত্ব। প্রতি ঘরে ২০ জন করে পরীক্ষার্থীকে বসানো হবে। তেমন হলে পড়ুয়ার সংখ্যা আরও কমানো হবে। একটা বেঞ্চে একজন অথবা সর্বাধিক দুজন থাকবে।

জুন ২৩, ২০২১
রাজ্য

পিছিয়েই গেল মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক

রাজ্যে করোনা সংক্রমণের উর্দ্ধগতি ও তার জেরে জারি হওয়া নতুন কঠোর বিধিনিষেধের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সূচি মেনে জুন মাসে ওই দুই পরীক্ষা নেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার নবান্নে শিক্ষামন্ত্রীও শিক্ষা সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা ঘোষণা করেন।পরে বিজ্ঞপ্তি জারি করে পরীক্ষার পরবর্তী দিনক্ষণ জানানো হবে। আর সেটাও অনেক আগে থেকেই জানানো হবে যাতে পড়ুয়ারা প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়। বাড়তে থাকা সংক্রমণের মাঝেই ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথেই থমকে গিয়েছিল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের তিনটি করে পেপারের পরীক্ষা বাকি থেকে গিয়েছিল। বহু টালবাহানার পরও ওই পরীক্ষা সম্পূর্ণ করা যায়নি। পরে দ্বাদশ শ্রেণির টেস্টের রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে ওই তিনটি বিষয়ের মূল্যায়ণ হয়। তবে গত বছরের শেষ থেকে করোনা পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়। তখনই পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সেই পরীক্ষা হল না। আপাতত স্থগিত করে দেওয়া হল পরীক্ষা।

মে ১৫, ২০২১
রাজ্য

পিছিয়েই গেল মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক

রাজ্যে করোনা সংক্রমণের উর্দ্ধগতি ও তার জেরে জারি হওয়া নতুন কঠোর বিধিনিষেধের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সূচি মেনে জুন মাসে ওই দুই পরীক্ষা নেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার নবান্নে শিক্ষামন্ত্রীও শিক্ষা সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা ঘোষণা করেন।পরে বিজ্ঞপ্তি জারি করে পরীক্ষার পরবর্তী দিনক্ষণ জানানো হবে। আর সেটাও অনেক আগে থেকেই জানানো হবে যাতে পড়ুয়ারা প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়। বাড়তে থাকা সংক্রমণের মাঝেই ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথেই থমকে গিয়েছিল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের তিনটি করে পেপারের পরীক্ষা বাকি থেকে গিয়েছিল। বহু টালবাহানার পরও ওই পরীক্ষা সম্পূর্ণ করা যায়নি। পরে দ্বাদশ শ্রেণির টেস্টের রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে ওই তিনটি বিষয়ের মূল্যায়ণ হয়। তবে গত বছরের শেষ থেকে করোনা পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়। তখনই পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সেই পরীক্ষা হল না। আপাতত স্থগিত করে দেওয়া হল পরীক্ষা।

মে ১৫, ২০২১
দেশ

বাতিল সিবিএসই দশম শ্রেণির পরীক্ষা, স্থগিত দ্বাদশের পরীক্ষাও

সিবিএসই দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল হল। পিছিয়ে গেল দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষাও। দেশে কোভিড সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুধবার দুপুরে বৈঠকে বসেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী-সহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে দ্বাদশের পরীক্ষা স্থগিত হলেও কবে তা নেওয়া হবে সে বিষয়ে কোনও ঘোষণা করা হয়নি শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে। ১ জুন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল।বৈঠকের পর দশমের পরীক্ষা বাতিল এবং দ্বাদশের পরীক্ষা স্থগিত রাখার বিষয়টি ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। পরীক্ষা না হলেও দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ভিত্তিতে পরের শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। যদি কোনও ছাত্র বা ছাত্রী অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে সন্তুষ্ট না হয়, তাহলে সে পরীক্ষায় বসতে পারে। তবে কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর নেওয়া হবে সেই পরীক্ষা। বুধবার দুপুরের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল এবং শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিকরা। মে মাস থেকে সিবিএসই বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রোজ দেশের কোভিড সংক্রমণ লাগামছাড়া হচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে সিবিএসই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনার জন্যই বৈঠকে বসেছিলেন মোদি। জানা গিয়েছে সেই বৈঠকে মোদি বলেছেন, পড়ুয়াদের ভাল সরকারের কাছে সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।৪ মে থেকে সিবিএসই বোর্ডের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা নেওয়ার সূচি প্রকাশ করা হয়েছিল। দশম শ্রেণির পরীক্ষা নির্ধারিত ছিল ৭ জুন পর্যন্ত। সেই পরীক্ষা অফলাইনে লিখিত ভাবে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল বোর্ডের তরফে। কিন্তু দেশে তখনও আছড়ে পড়েনি কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ। সংক্রমণ বাড়তেই বিভিন্ন রাজ্যে স্কুল-কলেজ নতুন করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কংগ্রেস নেতা রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধি কেন্দ্রকে অনুরোধ করেছিলেন পরীক্ষা বাতিলের জন্য। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংও একই আবেদন করেছেন বুধবার। সেই বিষয়টি নিয়েই সিদ্ধান্তের জন্য বৈঠক করেন মোদি। তার পরই নেওয়া হল পরীক্ষা সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং দিল্লির শিক্ষামন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। কেজরিওয়াল জানিয়েছেন এই সিদ্ধান্তে তিনি খুশি।

এপ্রিল ১৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

“দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে ফিরছি”, ভোট দিয়েই সাফ জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটে সবার নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই দুই প্রার্থীই বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।ভোটের শেষ লগ্নে মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথে ঢোকার আগে তিনি জয়চিহ্ন দেখান এবং জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এবার তাঁর দল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।ভোট দিতে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার চালাচ্ছে। মহিলাদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরামবাগ, খানাকুল এবং গোঘাটের মতো জায়গাতেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের কাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।ভোটের দিন সকালেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে চেতলা এলাকায় যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পদ্মপুকুর রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বুথের সামনে গাড়ি থামিয়ে নেমে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তিনি।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, চাপের মুখে পড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের সকালে বেরিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি না হলে এমনটা হতো না।এদিকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হার ছিল ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় একই সময়ে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

“ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ভোট কোথায়?”—ভোট দিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বুধবার বিকেল চারটে নাগাদ ভবানীপুর কেন্দ্রের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট দিয়ে বেরিয়েই তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন।তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করছে। তাঁর অভিযোগ, কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, মহিলাদেরও মারধর করা হয়েছে, এমনকি শিশুদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, এই ঘটনা গত রাত থেকেই শুরু হয়েছে। তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এমন কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন এবং এটিকে আদালত অবমাননা বলে উল্লেখ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, কিন্তু তারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সাহায্য করছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি জানান, আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট, ক্যানিং পূর্ব ও পশ্চিমের মতো একাধিক জায়গা থেকে তৃণমূলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকেই তিনি সেই সব ঘটনার ছবি সংবাদমাধ্যমকে দেখিয়েছেন।নিজের এলাকায় কী হয়েছে তাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁর পাড়াতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মারধর করেছে এবং অনেককে ভোট দিতেও বাধা দেওয়া হয়েছে। যদিও তিনি সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আবেদন জানান এবং বলেন, শেষ পর্যন্ত তাঁর দলই জয়ী হবে।মমতা বলেন, তিনি নিজে দেখেছেন কোথায় কীভাবে আচরণ করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রে এত বাহিনী থাকা সত্ত্বেও কেন ভয় দেখানো হল এবং স্বচ্ছতা কোথায় রইল। তিনি জানান, এমন পরিস্থিতি তিনি আগে কখনও দেখেননি।শেষে তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অনেক নির্বাচন দেখেছেন, কিন্তু এ ধরনের নির্বাচন আগে কখনও দেখেননি।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোট দিয়ে আবেগপ্রবণ রঞ্জিত মল্লিক! “এবারের ভোট খুব দুঃখের”—কেন বললেন এমন কথা?

বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বুথের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোট দিতে দেখা গেল টলিউডের বহু পরিচিত মুখকেও।টালিগঞ্জের গলফ ক্লাব রোডের বাঙুর হাইস্কুলে ভোট দিতে আসেন অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বহু বছর ধরে নিয়ম করে ভোট দিয়ে আসছেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি জানান, প্রায় ষাট বছর ধরে তিনি কখনও ভোট দেওয়া মিস করেননি। তাঁর কাছে ভোট দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার।তবে এবারের ভোট নিয়ে কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গেল তাঁর কথায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, তিনি সব সময় ভোট দেন এবং এটিই তাঁর কর্তব্য বলে মনে করেন। কিন্তু এবারের ভোট তাঁর কাছে দুঃখের। তাঁর দাবি, অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখেননি বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত যেন ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভোট দিতে আসা কোয়েল মল্লিক বলেন, প্রত্যেক মানুষের ভোট দেওয়া উচিত। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার এবং দেশের উন্নতির জন্য সবার মতামত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ভোটের দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি চান সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ফলতায় ভোট নিয়ে বড় ধাক্কা! গোটা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের ইঙ্গিত কমিশনের

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে একাধিক বুথে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠায় কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে গোটা ফলতা কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচন করা হতে পারে।তিনি বলেন, যেসব বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলি ওয়েব কাস্টিং এবং অবজারভারদের রিপোর্ট দেখে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে কমিশন একেবারে শূন্য সহনশীলতার নীতি নিয়েছে। যেখানে যেখানে অনিয়ম প্রমাণিত হবে, সেখানেই পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।ফলতার ২৫২, ২৩৫, ২২৬, ১৮৬ এবং ২৪১ নম্বর বুথে ইভিএমে আতর লাগানোর অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনাগুলির রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। বিস্তারিত রিপোর্ট পাওয়ার পর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সেই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন করা হবে। একই ধরনের অভিযোগ মগরাহাট থেকেও এসেছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুনর্নির্বাচন হলে তা আগামীকাল বা পরশুর মধ্যেই হতে পারে।সকালে ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফলতার বিভিন্ন বুথে অশান্তির খবর সামনে আসে। কয়েকটি বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ ওঠে। কিছু জায়গায় বিক্ষোভ সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠিচার্জও করতে হয়েছে।এই বিষয়ে মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ করেছে। তিনি আরও জানান, ইভিএমে ইতিমধ্যেই যে ভোট পড়েছে তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তাই অনিয়ম প্রমাণিত হলে পুনরায় ভোট করানোই একমাত্র উপায়।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের মাঝেই বড় দাবি! “৮০ শতাংশ ভোট হলেই জিতব”—শুভেন্দু

দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনার ছবি দেখা যায়। কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্সিলরের বাড়িতে যাচ্ছেন, আবার কখনও শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানাচ্ছেন।দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ফল নিয়ে বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, যদি আশি শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে তিনি জিতবেন। আর যদি নব্বই শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে আরও বড় ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ছাড়া বাকি সব জায়গায় তিনি এগিয়ে থাকবেন। ওই ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে বলেও তিনি জানান।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ফলতা এলাকায় ইভিএম নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।তিনি অভিযোগ করেন, অনেক জায়গায় ভোট ধীরগতিতে হচ্ছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ভোটকর্মী ব্যবহার করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।এদিকে ভবানীপুরের জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকশো মানুষ জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একদিকে জয় বাংলা, অন্যদিকে জয় শ্রীরাম স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় নিজের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করেন শুভেন্দু অধিকারী এবং পরে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে আরও বাহিনী পাঠানোর দাবি জানান।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

‘সিংঘম’ বনাম ‘পুষ্পা’ বিতর্কে আগুন! শুভশ্রীর মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে নতুন করে শুরু হয়েছে সিংঘম বনাম পুষ্পা বিতর্ক। এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফলতা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবার এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা। সম্প্রতি তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার একটি ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট দিতে এসে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনি নিজের আবাসনের বুথে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পর তাঁকে সিংঘম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি মনে করেন, সিংহ বা সিংঘম শেষ পর্যন্ত মা দুর্গার পায়ের তলাতেই থাকে। তাঁর কথায়, বাংলায় এমন এক শক্তি রয়েছে, যারই জয় হবে।তিনি সরাসরি কোনও নাম না করলেও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে রাজ চক্রবর্তীও এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, বাংলাকে বারবার বদনাম করার চেষ্টা চলছে এবং তার জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে। তাঁর দাবি, ভোটের ফল বেরোলেই বোঝা যাবে কার সমর্থন বেশি।রাজ আরও বলেন, বাংলার সংস্কৃতি শান্তির এবং এখানে সেই পরিবেশই বজায় থাকবে। তিনি জানান, বাংলায় এমন কোনও পরিস্থিতি নেই যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।এই বিতর্কের মধ্যেই দ্বিতীয় দফার ভোট চলছে এবং ফলাফল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মধ্যেই বড় অশান্তি! লাঠিচার্জ থেকে ইভিএম কাণ্ডে চাঞ্চল্য

ভোটের আগে থেকেই কড়া নজরদারি শুরু হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এলাকায় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ শুরু হয়। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার রাত থেকেই টানা টহল চালানো হয়। ভোটের দিন আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনী।বুধবার সকালে ডায়মন্ড হারবার এলাকার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন অজয় পাল শর্মা। এরপর তিনি সিআরপিএফ ক্যাম্পে গিয়ে ডিজি জি পি সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই আলোচনা হয়।এরই মধ্যে ফলতার বেলসিংহা এলাকায় একটি বিদ্যালয়ের সামনে লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে জমায়েত ছিল। বারবার সতর্ক করার পরও জমায়েত না সরায় কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।দুপুরের দিকে দক্ষিণ বাসুলনাথ গ্রামে ভোটারদের ভোট দিতে না যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং এলাকায় টহল শুরু করে, যাতে সাধারণ মানুষ ভয়মুক্তভাবে ভোট দিতে পারেন।অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা অভিযোগ করেন, ফলতার একাধিক বুথে ইভিএমে টেপ লাগানো হয়েছে। তিনি একটি বুথ পরিদর্শনে গেলে তাঁকে ইভিএম দেখতে দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাবেন। একই সঙ্গে বুথ দখল করে রাখার অভিযোগও তোলেন তিনি। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এছাড়া আরও অভিযোগ উঠেছে, ফলতার কয়েকটি বুথে ইভিএমে আতর লাগানো হয়েছে। এই বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে এবং বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বুথে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হতে পারে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal