• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Postpone

কলকাতা

প্রায় ১ মাস পিছিয়ে গেল কলকাতা বইমেলা

করোনা আবহে প্রায় এক মাস পিছিয়ে গেল কলকাতা বইমেলা। ৩১ জানুয়ারির বদলে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে শুরু হবে বইমেলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনার পরেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সোমবার সন্ধ্যায় জানিয়েছে বইমেলার আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড।প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে বইমেলা হতে পারেনি। শেষ আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা হয়েছিল ২০২০ সালে। গত বছরের নভেম্বরের গোড়ায় গিল্ডের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, কোভিড-১৯ বিধি সম্পূর্ণ মেনে ৩১ জানুয়ারি থেকে সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে হবে ২০২২ সালের মেলার আয়োজন।উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণের আবহে রাজ্যের চারটি পুরনিগমের ভোট ২২ জানুয়ারি থেকে পিছিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে। বিধাননগর পুরনিগমও রয়েছে সেই তালিকায়। গিল্ডের একটি সূত্রে জানাচ্ছে, এই পরিস্থিতিতে সেখানে বইমেলার আয়োজন হলে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ ওঠার আশঙ্কা ছিল। কারণ, ১৫ ফেব্রুয়ারি গণনার দিন পর্যন্ত সেখানে নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ থাকবে। যা বইমেলার আয়োজনে বাধা হতে পারে। আর সেই কারণেই এই পুরো সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
দেশ

ধর্মীয় আবেগে পিছিয়েই গেল পঞ্জাবের নির্বাচন, ১৪ নয় ভোট হবে ২০ ফেব্রুযারি, ঘোষণা কমিশনের

পঞ্জাবের বিধানসভা ভোট পিছিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। ১৪ ফেব্রুয়ারির বদলে ২০ফেব্রুয়ারি সে রাজ্যে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ১৬ ফেব্রুয়ারি গুরু রবিদাস জয়ন্তী থাকায় একাধিক রাজনৈতিক দল কমিশনের কাছে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানায়। এই দাবি নিয়ে রবিবার একটি বৈঠকও বসে কমিশন। সেই বৈঠকের পরই কমিশন এই দিন পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে।এর আগে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি কমিশনকে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আবেন জানান। বিজেপি, বিএসপি-র প্রতিনিধিরাও কমিশনের কাছে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানান। এই দাবি মেনে কমিশন পঞ্জাবের নির্বাচন ২০ ফেব্রুয়ারি করে দিয়েছে। সেখানে এক দফাতেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।আসলে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পাঞ্জাবের দলিত শিখদের ধর্মগুরু রবিদাসের জন্মজয়ন্তী। সেই উপলক্ষে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকেই বেনারসে তীর্থ করতে যাবেন প্রায় ২০ লক্ষ দলিত শিখ। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোট হলে এই ভোটাররা তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁর অনুরোধ ছিল, ভোটের দিন অন্তত ৬ দিন পিছিয়ে দেওয়া হোক, যাতে এই ২০ লক্ষ ভোটার বেনারস থেকে ফিরে এসেও নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। একই আর্জি জানিয়েছিল বিজেপিও। তার পরই সোমবার ভোটের নতুন দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী নিজেও এই দলিত শিখ সম্প্রদায়ের নেতা। আগামী নির্বাচন জিতে পঞ্জাবে কংগ্রেসকে ফের ক্ষমতায় আসতে হলে রাজ্যের ৩২ শতাংশ দলিত ভোটারকে সংগঠিত করা জরুরি। কারণ, পঞ্জাবের হিন্দু ভোটারদের একটা বড় অংশের ভোট যাবে বিজেপি এবং অমরিন্দর সিংয়ের জোটের দিকে। আম আদমি পার্টিও সেখানে কিছুটা ভাগ বসাবে। উচ্চবর্ণের জাঠ শিখদের ভোটের একটা বড় অংশ যায় অকালি দলের খাতায়। সেখানেও কংগ্রেসের পাশাপাশি ভাগ বসাবে আম আদমি পার্টি। তাই ক্ষমতায় ফিরতে কংগ্রেসের মূল ভরসা এই ৩২ শতাংশ দলিত শিখদের ভোটই। আবার বিজেপিও চাইছে দলিত শিখদের ভোট নিজেদের দিকে টানতে। তাই স্থানীয় ধর্মীয় আবেগকে মান্যতা দিয়ে ভোট পিছনোর দাবি জানিয়েছিল দুই পক্ষই।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কেন বাতিল এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচ?‌ স্থগিতের পথে আইএসএল

করোনার বাড়বাড়ন্ত দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে একের পর এক প্রভাব ফেলেই চলেছে। চলতি মাসের গোড়াতেই আই লিগ বন্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। রনজি ট্রফি স্থগিত রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। নক আউট পর্ব থেকে স্থগিত রাখা হয়েছে অনূর্ধ্ব ১৯ কোচবিহার ট্রফি। জৈব সুরক্ষা বলয় ভেদ করে করোনা হানা দিয়েছে আইএসএলেও। ইতিমধ্যেই আইএসএলের কয়েকটা ম্যাচ বাতিল হয়েছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, আই লিগের মতো সাময়িকভাবে স্থগিত হয়ে যেতে পারে আইএসএলও। জৈব সুরক্ষা বলয় ভেদ করে আইএসএলের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজিতে করোনা হানা দিয়েছে। ফুটবলার থেকে শুরু করে একাধিক সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। এক ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আগেই এটিকে মোহনবাগান ও ওডিশা এফসির ম্যাচ স্থগিত করে দিয়েছিল আইএসএলের আয়োজক কমিটি। এবার এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসির ম্যাচও স্থগিত হয়ে গেল। এটিকে মোহনবাগান শিবিরে করোনা হানা দেওয়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সবুজমেরুণের কোন ফুটবলার আবার নতুন করে করোনায় আক্রান্ত, তা অবশ্য জানানো হয়নি। তবে একটি বিশেষ সূত্র থেকে জানা গেছে, এটিকে মোহনবাগানের ৫ জন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত। গত কয়েকদিন ধরে এটিকে মোহনবাগানকে অনুশীলনের অনুমতিও দেওয়া হয়নি। বেঙ্গালুরু এফসি যে হোটেলে রয়েছে, সেই হোটেলের এক কর্মীও করোনায় আক্রান্ত। ফলে সুনীল ছেত্রিরাও অনুশীলনে নামতে পারেননি। ম্যাচটা নিয়ে আগে থেকেই সংশয় ছিল। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় আইএসএলের আয়োজক কমিটি। শুধু এটিকে মোহনবাগানেরই নয়, আরও কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির কয়েকজন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত। সূত্রের খবর এসসি ইস্টবেঙ্গলের একজন ফুটবলার ও একজন সাপোর্ট স্টাফের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কেরালা ব্লাস্টার্স শিবিরেও করোনা হানা দিয়েছে। তারাও ৩ দিন অনুশীলন করেনি। রবিবার দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর আইএসএল সাময়িক স্থগিত করে দেওয়া হতে পারে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্ন

পুরভোট পিছিয়ে দিতে সায় রাজ্যের। নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে নবান্ন। আদালতের নির্দেশের পরই রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরই শনিবার চিঠি দেয় নবান্ন। চিঠিতে রাজ্য জানিয়েছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজ্য। তবে ভোট পিছিয়ে দিলে আপত্তি নেই। শনিবার দুপুরেই কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ভোট পিছনোর ঘোষণা করবে বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরাআগামি ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল বিধাননগর, শিলিগুড়ি, আসানসোল এবং চন্দনগর পুরসভার। কোভিড পরিস্থিতিতে এই পুরভোট নিয়ে আপত্তি তুলে অনেকেই আদালতে যান। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভোটের তারিখ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়। কোভিড আবহে জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। তবেআরও পড়ুনঃ অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট রেখে ইন্সটাগ্রামে ফিরলেন রাজ কুন্দ্রাশুক্রবারই হাইকোর্টের রায় নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়ে চিঠি দেয় কমিশন। তারই উত্তরে শনিবার রাজ্য ভোট পিছনোর পক্ষে সায় দেয়। চিঠিতে তারা জানায়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর রয়েছে রাজ্য। এখন কমিশন যদি কিছু দিনের জন্য ভোট পিছিয়ে দেয়, তাতে তাদের আপত্তি নেই। যদিও এর আগে আদালতে একাধিক বার ভোট পিছনোর বিরোধিতা করেছে নবান্ন। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পর, বিকেলের মধ্যেই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করতে পারে কমিশন। সূত্রের খবর, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট চাইছে নবান্ন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

পুরভোট বন্ধ নিয়ে সরাসরি রায় নয় হাইকোর্টের, নির্বাচন পিছানোর সিদ্ধান্ত বর্তাল কমিশনের ওপর

টানা তিন দিন করোনা সংক্রমণ বেড়েছে রাজ্যে। অ্যাক্টিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এরইমধ্যে ব্যক্তিগত মন্তব্যে ভোট এখন বন্ধ রাখা উচিত বলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি পুরনির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করে আসছে। আদালতে ভোট পিছিয়ে দেওয়া নিয়ে মামলা চলছে। সেই মামলায় এদিন কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে করোনা আবহে পুরভোট ৪-৬ সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আগামি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।আরও পড়ুনঃ বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরিবাংলায় গড়ে ২০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তৃতীয় ঢেউ নাজেহাল পরিস্থিতি রাজ্যের। ২২ জানুয়ারি বিধাননগর, আসানসোল, চন্দননগর ও শিলিগুড়িতে পুরভোট চার কেন্দ্রেই করোনা বিধি মেনে প্রচারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রচারে করোনা বিধি না মানা নিয়ে প্রতিদিনই নানা অভিযোগ উঠছে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। এক্ষেত্রে ডান-বাম কোনও প্রার্থী বাদ যাচ্ছে না। পুলিশ অতি তৎপর বলেও বিরোধীরা অভিযোগ তুলছে। এই পরিস্থিতিতে পুরভোট পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা তা জানাতে কমিশনকে নির্দেশ দিল হাইকোর্টয়।আরও পড়ুনঃ কুয়াশার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ, ময়নাগুড়ি পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী, জন বার্লাআদালতের বক্তব্য, করোনা আবহে পুরভোট কি ৪-৬ সপ্তাহ পিছিয়ে যায় কি? ভোট পিছনোর ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এই সিদ্ধান্ত কমিশনকে নিতে হবে। সিদ্ধান্ত জানাতে আদালত ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছে কমিশনকে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুটি বিষয় চিন্তা করতে হবে কমিশনকে। এই অবস্থায় ভোট হলে কি মানুষের স্বার্থ রক্ষিত হবে? তাছাড়া আদৌ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করা এই পরিস্থিতিতে সম্ভব? রাজনৈতিক দল থেকে বিভিন্ন মহল পুরভোট পিছনোর দাবি জানিয়ে আসছে। সরাসরি ভোট বন্ধ করার রায় না দিলেও এবার হাইকোর্ট তাতে সায় দিল। শুধু সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বর্তেছে নির্বাচন কমিশনের ওপর।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

Nandigram-High Court: ফের পিছল নন্দীগ্রাম মামলা

আজ সোমবার হাইকোর্টে শুনানি ছিল। এর আগেও এই মামলা পিছিয়ে দেওয়া হয়। এবার ফের একবার পিছিয়ে গেল মামলা। এ দিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, যেহেতু সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলা চলছে, তাই হাইকোর্টে শুনানি পিছিয়ে দিতে হবে।সুপ্রিম কোর্টের শুনানির পরই ফের শোনা হবে মামলা। আজ এমনটাই জানানো হয়েছে আদালতের তরফে।অন্যদিকে মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিয়ে লিখিত বয়ান আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শুভেন্দুর আইনজীবীকে। আগামী ১ ডিসেম্বর এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। তার আগে জমা দিতে হবে বয়ান। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা চলছে বলেই হাইকোর্টে মামলাটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।এই আর্জি শুনে ক্ষুব্ধ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী গোপাল মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এটি একটি নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা, তাই এই মামলা ফেলে রাখা যায় না। তাঁর বক্তব্য, অগস্টে মামলার শুনানি ছিল। এরপরও যদি শোনা না হয় তাহলে কবে শোনা হবে? এভাবে নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা ফেলে রাখা যায় না। অযথা এই মামলা ফেলে রাখা যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি। মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিয়ে লিখিত বয়ান কেন জমা দেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। এরপরই বিচারপতি জানান, সুপ্রিম কোর্টের মামলার শুনানির আগে লিখিত আবেদন দিতে হবে শুভেন্দুর আইনজীবীকে। ২৯ নভেম্বর শুভেন্দু অধিকারীকে লিখিত বয়ান দিতে হবে হাইকোর্টে।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Krunal Pandya : ‌করোনায় আক্রান্ত ক্রুণাল পান্ডিয়া, স্থগিত ভারত–শ্রীলঙ্কা ম্যাচ

শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় শিবিরে করোনার থাবা। আক্রান্ত ক্রুণাল পাণ্ডিয়া। স্থগিত হয়ে গেল ভারতশ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচ। ক্রুণালের সংস্পর্শে আসা ৮ জনকে টিম হোটেলেই আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকালে নিয়মমাফিক র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের পরই ক্রুণালের করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরই ভারতীয় দলের মেডিক্যাল টিম ক্রুণালের সংস্পর্শে আসা ৮ জনকে শনাক্ত করে টিম হোটেলেই আইসোলেশনে রেখেছে। দলের আর কোনও সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কিনা, তা জানার জন্য সকলের আরটিপিসিআর পরীক্ষা হবে।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতক্রিকেটাররা জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন উঠছে শ্রীলঙ্কার জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়েও। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের আগে শ্রীলঙ্কার রিজার্ভ ক্রিকেটারদের মধ্যেও একজন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাছাড়া ইংল্যান্ড সফর সেরে ফেরা ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার ও অ্যানালিস্ট জিটি নিরোশনের করোনা ধরা পড়ায় অতিরিক্ত কয়েক দিন আইসোলেশনে থাকতে হয় শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের। তারপর ফের সিরিজের দিনক্ষণ বদলে একদিনের সিরিজ শুরু হয়েছিল। টি২০ সিরিজ শেষের কথা ২৯ জুলাই। দলে বাকি সদস্যদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এলে মঙ্গলবারের স্থগিত ম্যাচ বুধবার হবে। সূচি অনুযায়ী তৃতীয় টি২০ ম্যাচ বৃহস্পতিবারই হবে। তবে সবটাই নির্ভর করবে আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্টের উপরই। শ্রীলঙ্কা দলের কেউ অবশ্য করোনা আক্রান্ত নন।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালএকজন ক্রিকেটারে করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় কয়েকদিন আগে টসের পর স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। পরে সেই ম্যাচ খেলা হয়। এবার অনেকটা একই অবস্থা ভারতের শ্রীলঙ্কা সফরে। শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই স্থগিত হল ম্যাচ। শ্রীলঙ্কা থেকে পৃথ্বী শ ও সূর্যকুমার যাদবের ইংল্যান্ড রওনা হওয়ার কথা। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরা কবে রওনা দেবেন তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এমনিতেই ইংল্যান্ডে গিয়ে কঠোর নিভৃতবাসে থাকতে হবে। ফলে প্রথম টেস্টের জন্য তাঁরা বিবেচিত হতেন না। দ্বিতীয় টেস্টের আগে তাঁরা দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। কিন্তু সবটাই নির্ভর করছে ভারতীয় শিবিরে করোনা পরিস্থিতির ওপর।

জুলাই ২৭, ২০২১
রাজ্য

TET Exam: উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশ

আইনি জটে ফের আটকে গেল উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একাধিক মামলা জমা পড়েছে আদালতে। তার ভিত্তিতে আপাতত উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এক দিন আগেই যদিও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ পুজোর আগে নিয়োগপ্রক্রিয়া সেরে ফেলা হবে বলে জানিয়েছিল। কিন্তু আদালতের নির্দেশে এদিন ১৪ হাজার ৩৩৯ পদে নিয়োগ আটকে গেল। আগামী ৯ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হতে চলেছে।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় ঢেউয়ে করোনার বলি ৭৯৮ জন চিকিৎসকমঙ্গলবারই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে ইন্টারভিউয়ের তালিকা প্রকাশ হয়েছিল। কিন্তু মামলাকারীদের অভিযোগ, ইন্টিরভিউয়ের তালিকা তৈরিতে বেনিয়ম হয়েছে। ন্যূনতম কত নম্বর পেলে ইন্টারভিউয়ে ডাক, তার কোনও উল্লেখই নেই সাইটে। মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগ করা হচ্ছে না। বেশি নম্বর পেয়েও অনেকে ইন্টারভিউয়ে ডাক পাচ্ছেন না। তাতেই নিয়োগে স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এ নিয়ে বুধবার বিকেলেই জরুরি বৈঠকে বসছে স্কুল সার্ভস কমিশন (এসএসসি)। সেখানেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হবে।

জুন ৩০, ২০২১
শিক্ষা

Joint Entrance Exam: রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা

পিছিয়ে গেল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। ১৭ জুলাই হবে পরীক্ষা। আগে ১১ জুলাই হওয়ার কথা ছিল এই পরীক্ষা। বাকি সময়সূচি একই থাকবে। আজ বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করেন রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রাস বোর্ডের চেয়ারম্যান মলয়েন্দু সাহা। তিনি জানিয়েছেন, এ বার মোট পরীক্ষার্থী ৯২ হাজার ৬৯৫ জন। মোট ২৭৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। ১৪ অগস্টের মধ্যে ফলপ্রকাশ করা হবে। বোর্ড জানিয়েছে, ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিন দফায় কাউন্সেলিং হবে। পরীক্ষার্থীদের বাড়ির কাছাকাছি কেন্দ্রেই পরীক্ষা নেওয়া হবে। https://janatarkatha.com/kolkata/local-train-demonstration-in-sonarpur-demanding-to-run-local-train-002491আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে বিক্ষোভ সোনারপুরে কোভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই পরীক্ষার দিন পিছিয়ে দেওয়া হল বলে জানান মলয়েন্দু সাহা। এই বিষয়ে বোর্ড জানিয়েছে, জুলাই মাসের মাঝামাঝি পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই সেই সময় পরীক্ষা নেওয়া সিদ্ধান্ত হয়েছে। শনিবার পরীক্ষা নেওয়া হবে। রবিবার পরীক্ষা নেওয়া হলে পরীক্ষার্থীরা আসা যাওয়ার জন্য মেট্রো এবং ট্রেন কম পাবেন। কোভিড পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ মেনেই পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড। বজায় রাখা হবে সামাজিক দূরত্ব। প্রতি ঘরে ২০ জন করে পরীক্ষার্থীকে বসানো হবে। তেমন হলে পড়ুয়ার সংখ্যা আরও কমানো হবে। একটা বেঞ্চে একজন অথবা সর্বাধিক দুজন থাকবে।

জুন ২৩, ২০২১
কলকাতা

‘যশ’ আতঙ্কে ২ দিন বন্ধ হাইকোর্ট, আরও পিছল নারদ-জামিনের শুনানি

যশ আতঙ্কে কাঁটা রাজ্যবাসী। অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের জেরে দুর্যোগ থাকতে পারে প্রায় ৭২ ঘণ্টা। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। যেদিন রাজ্যের উপকূল অঞ্চলে আছড়ে পড়বে যশ, সেদিন তো বটেই, তারপরেও শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বন্ধ থাকতে পারে অন্য সব পরিষেবা। এর মধ্যে ২৬ ও ২৭ তারিখ অর্থাৎ বুধ এবং বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ কথা। যার জেরে নারদ মামলায় ৪ হেভিওয়েট নেতার জামিনের শুনানি আরও পিছিয়ে গেল। আপাতত আরও বেশ কয়েকদিন তাঁদের গৃহবন্দিই থাকতে হবে।হাইকোর্টের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ ও ২৭ মে, যান চলাচলের সমস্যা, ঘূর্ণিঝড় যশের কারণে মামলার শুনানি সম্ভব নয়। এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ২৭ মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হবে। এতেই স্পষ্ট, অন্তত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ফিরহাদ হাকিম ও শোভন চট্টোপাধ্যায় গৃহবন্দি থাকবেন। মদন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁদের হাসপাতালেই থাকতে হবে। তারপর হাইকোর্টে এই নারদ মামলার শুনানি হলে বোঝা যাবে, তাঁদের জামিনের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।সোমবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন সিবিআই আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। কারণ, তার আগেই হাইকোর্টে শুনানির জন্য ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ তৈরির বিরোধিতা করে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সিবিআইয়ের এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, ঘূর্ণিঝড় আসছে, তাতে নেটওয়ার্ক পরিষেবা বিপর্যস্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। শুনানি সোমবার না হলে তা পিছিয়েই যাবে। কেন সোমবার শুনানিতে আপত্তি জানাচ্ছে সিবিআই? এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা সত্যি করেই যশ-এর কারণে ২ দিন উচ্চ আদালত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

মে ২৫, ২০২১
রাজ্য

বাতিল হচ্ছে না মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক

কবে হবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা? সেই উত্তরের খোঁজে এখনও দিশেহারা কয়েক লক্ষ পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকরা। সম্ভাব্য দিনক্ষণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত করে কিছুই বলতে পারলেন না শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেই পরীক্ষা হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নেবেন বলেও জানালেন শিক্ষামন্ত্রী। গত বছর মার্চ থেকেই রাজ্যে দাপট দেখাচ্ছে করোনা। অতিমারি পরিস্থিতিতে সেই সময় থেকেই বন্ধ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সাধারণত বছরের শুরুতে এই দুই পরীক্ষা হয়ে যায়। তবে করোনার জেরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। ভোট মেটার পর এই দুই পরীক্ষা হবে বলেই দিনক্ষণ স্থির করা হয়েছিল। তবে কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মাধ্যমিকের দিনক্ষণ বদল করা হয়। যদিও উচ্চমাধ্যমিকের দিনক্ষণ অপরিবর্তিতই।কিন্তু বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এই দুই পরীক্ষা কবে হবে সে বিষয়ে সামান্য ইঙ্গিত দিলেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট জানালেন, এখনই মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক হচ্ছে না। অতিমারী পরিস্থিতি কেটে গেলেই দুই পরীক্ষা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তবে কি মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকও বাতিল হতে চলেছে, এমন গুঞ্জনও চতুর্দিকে শোনা যাচ্ছে। তবে সেই জল্পনায় জল ঢাললেন শিক্ষামন্ত্রী। কোনওভাবেই মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা বাতিল হবে না বলেই জানিয়ে দিলেন ব্রাত্য বসু। তবে পরীক্ষার দিনক্ষণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেবেন বলেই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। উল্লেখ্য, উচ্চমাধ্যমিক হোম সেন্টারে হবে বলে ইতিমধ্যেই পর্ষদের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে হোম সেন্টার হবে কিনা, সে বিষয়েও এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ২১, ২০২১
রাজ্য

বাতিল হচ্ছে না মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক

কবে হবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা? সেই উত্তরের খোঁজে এখনও দিশেহারা কয়েক লক্ষ পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকরা। সম্ভাব্য দিনক্ষণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত করে কিছুই বলতে পারলেন না শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেই পরীক্ষা হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নেবেন বলেও জানালেন শিক্ষামন্ত্রী। গত বছর মার্চ থেকেই রাজ্যে দাপট দেখাচ্ছে করোনা। অতিমারি পরিস্থিতিতে সেই সময় থেকেই বন্ধ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সাধারণত বছরের শুরুতে এই দুই পরীক্ষা হয়ে যায়। তবে করোনার জেরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। ভোট মেটার পর এই দুই পরীক্ষা হবে বলেই দিনক্ষণ স্থির করা হয়েছিল। তবে কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মাধ্যমিকের দিনক্ষণ বদল করা হয়। যদিও উচ্চমাধ্যমিকের দিনক্ষণ অপরিবর্তিতই।কিন্তু বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এই দুই পরীক্ষা কবে হবে সে বিষয়ে সামান্য ইঙ্গিত দিলেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট জানালেন, এখনই মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক হচ্ছে না। অতিমারী পরিস্থিতি কেটে গেলেই দুই পরীক্ষা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তবে কি মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকও বাতিল হতে চলেছে, এমন গুঞ্জনও চতুর্দিকে শোনা যাচ্ছে। তবে সেই জল্পনায় জল ঢাললেন শিক্ষামন্ত্রী। কোনওভাবেই মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা বাতিল হবে না বলেই জানিয়ে দিলেন ব্রাত্য বসু। তবে পরীক্ষার দিনক্ষণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেবেন বলেই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। উল্লেখ্য, উচ্চমাধ্যমিক হোম সেন্টারে হবে বলে ইতিমধ্যেই পর্ষদের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে হোম সেন্টার হবে কিনা, সে বিষয়েও এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ২১, ২০২১
রাজ্য

পিছিয়েই গেল মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক

রাজ্যে করোনা সংক্রমণের উর্দ্ধগতি ও তার জেরে জারি হওয়া নতুন কঠোর বিধিনিষেধের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সূচি মেনে জুন মাসে ওই দুই পরীক্ষা নেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার নবান্নে শিক্ষামন্ত্রীও শিক্ষা সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা ঘোষণা করেন।পরে বিজ্ঞপ্তি জারি করে পরীক্ষার পরবর্তী দিনক্ষণ জানানো হবে। আর সেটাও অনেক আগে থেকেই জানানো হবে যাতে পড়ুয়ারা প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়। বাড়তে থাকা সংক্রমণের মাঝেই ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথেই থমকে গিয়েছিল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের তিনটি করে পেপারের পরীক্ষা বাকি থেকে গিয়েছিল। বহু টালবাহানার পরও ওই পরীক্ষা সম্পূর্ণ করা যায়নি। পরে দ্বাদশ শ্রেণির টেস্টের রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে ওই তিনটি বিষয়ের মূল্যায়ণ হয়। তবে গত বছরের শেষ থেকে করোনা পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়। তখনই পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সেই পরীক্ষা হল না। আপাতত স্থগিত করে দেওয়া হল পরীক্ষা।

মে ১৫, ২০২১
রাজ্য

পিছিয়েই গেল মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক

রাজ্যে করোনা সংক্রমণের উর্দ্ধগতি ও তার জেরে জারি হওয়া নতুন কঠোর বিধিনিষেধের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সূচি মেনে জুন মাসে ওই দুই পরীক্ষা নেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার নবান্নে শিক্ষামন্ত্রীও শিক্ষা সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা ঘোষণা করেন।পরে বিজ্ঞপ্তি জারি করে পরীক্ষার পরবর্তী দিনক্ষণ জানানো হবে। আর সেটাও অনেক আগে থেকেই জানানো হবে যাতে পড়ুয়ারা প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়। বাড়তে থাকা সংক্রমণের মাঝেই ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথেই থমকে গিয়েছিল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের তিনটি করে পেপারের পরীক্ষা বাকি থেকে গিয়েছিল। বহু টালবাহানার পরও ওই পরীক্ষা সম্পূর্ণ করা যায়নি। পরে দ্বাদশ শ্রেণির টেস্টের রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে ওই তিনটি বিষয়ের মূল্যায়ণ হয়। তবে গত বছরের শেষ থেকে করোনা পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়। তখনই পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সেই পরীক্ষা হল না। আপাতত স্থগিত করে দেওয়া হল পরীক্ষা।

মে ১৫, ২০২১
দেশ

বাতিল সিবিএসই দশম শ্রেণির পরীক্ষা, স্থগিত দ্বাদশের পরীক্ষাও

সিবিএসই দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল হল। পিছিয়ে গেল দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষাও। দেশে কোভিড সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুধবার দুপুরে বৈঠকে বসেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী-সহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে দ্বাদশের পরীক্ষা স্থগিত হলেও কবে তা নেওয়া হবে সে বিষয়ে কোনও ঘোষণা করা হয়নি শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে। ১ জুন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল।বৈঠকের পর দশমের পরীক্ষা বাতিল এবং দ্বাদশের পরীক্ষা স্থগিত রাখার বিষয়টি ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। পরীক্ষা না হলেও দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ভিত্তিতে পরের শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। যদি কোনও ছাত্র বা ছাত্রী অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে সন্তুষ্ট না হয়, তাহলে সে পরীক্ষায় বসতে পারে। তবে কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর নেওয়া হবে সেই পরীক্ষা। বুধবার দুপুরের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল এবং শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিকরা। মে মাস থেকে সিবিএসই বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রোজ দেশের কোভিড সংক্রমণ লাগামছাড়া হচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে সিবিএসই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনার জন্যই বৈঠকে বসেছিলেন মোদি। জানা গিয়েছে সেই বৈঠকে মোদি বলেছেন, পড়ুয়াদের ভাল সরকারের কাছে সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।৪ মে থেকে সিবিএসই বোর্ডের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা নেওয়ার সূচি প্রকাশ করা হয়েছিল। দশম শ্রেণির পরীক্ষা নির্ধারিত ছিল ৭ জুন পর্যন্ত। সেই পরীক্ষা অফলাইনে লিখিত ভাবে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল বোর্ডের তরফে। কিন্তু দেশে তখনও আছড়ে পড়েনি কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ। সংক্রমণ বাড়তেই বিভিন্ন রাজ্যে স্কুল-কলেজ নতুন করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কংগ্রেস নেতা রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধি কেন্দ্রকে অনুরোধ করেছিলেন পরীক্ষা বাতিলের জন্য। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংও একই আবেদন করেছেন বুধবার। সেই বিষয়টি নিয়েই সিদ্ধান্তের জন্য বৈঠক করেন মোদি। তার পরই নেওয়া হল পরীক্ষা সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং দিল্লির শিক্ষামন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। কেজরিওয়াল জানিয়েছেন এই সিদ্ধান্তে তিনি খুশি।

এপ্রিল ১৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal